Category: আন্তর্জাতিক

  • সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু

    সৌদিতে চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু

    সৌদি আরবে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, ফলে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এই মাসের সূচনা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। তারা জানিয়েছে, চাঁদ দেখার সাক্ষ্য পাওয়ার পর আগামীকাল বুধবার থেকে প্রথম রোজা শুরু হবে। সৌদি আরবের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ওয়েবসাইট ‘হারামাইন’ থেকে জানানো হয়েছে, আনুষ্ঠানিকভাবে অর্ধচন্দ্রের দেখা মিলেছে, তাই আজ রাত থেকে ১৪৪৭ হিজরি রমজান মাসের শুরু।

    প্রসঙ্গত, তারা উল্লেখ করেছে, ‘আল্লাহ তায়ালা আমাদের রোযা, তারাবি ও অন্যান্য ইবাদত কবুল করুন। পাশাপাশি তিনি যেন আমাদের এই মহিমান্বিত মাসের মূল্যবান মুহূর্তগুলোকে তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ব্যয় করার তাওফীক দান করেন। আমীন।’

    সৌদি আরবের সহপাঠী সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতারও চাঁদ দেখার ঘোষণা দিয়েছে। তবে, প্রতিবেশী ওমান আজ চাঁদ দেখা সম্ভব হয়নি, তাই ওমানে প্রথম রোজা শুরু হবে আগামী বৃহস্পতিবার। এ ছাড়া, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই ও সিঙ্গাপুরেও আজ চাঁদ দেখা যায়নি।

    আঞ্চলিক মধ্য এশিয়া দেশগুলো — কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান ও আজারবাইজান — তোও আজ চাঁদ দেখা যায়নি, ফলে সেগুলোও আগামী বৃহস্পতিবার থেকে রোজা শুরু করবে।

    সূত্র: গালফ নিউজ

  • কলকাতায় আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেফতার

    কলকাতায় আওয়ামী লীগের ৬ নেতা-কর্মী গ্রেফতার

    পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা পুলিশ মেয়াদোত্তীর্ণ মেডিকেল ভিসা নিয়ে ভারতে অবস্থান করার অভিযোগে ছয় বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে। এরা সকলেই নিজেদের আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী বলে পরিচয় দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস।

    ঘটনাটি ঘটে গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) যখন পার্কস্ট্রিটের এক হোটেলে ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও থাকছিলেন ছয় বাংলাদেশি যুবক। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে গ্রেফতার করে। তাদের বয়স ২৫ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে ও সকলের কাছ থেকে বৈধ বাংলাদেশি পাসপোর্ট উদ্ধার করা হয়েছে।

    আটক ব্যক্তির মধ্যে একটির নাম আজম মোল্লা, যিনি নিজেকে বাংলাদেশের একজন গায়ক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তিনি কলকাতায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে আয় করতেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। অন্যদের নাম হলো আবির হোসেন, মোহাম্মদ মামুন রশিদ, মোহাম্মদ আলিমুন গাজী, ফয়জল আমিন এবং জায়দুল ইসলাম।

    জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা জানিয়েছেন, তারা সবাই নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পৃক্ত বলে মনে করে আক্রমণে শিকার হওয়ার ভয়ে মেডিকেল ভিসা করে ভারতে এসেছেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তারা ভিসা সংগ্রহ করেছিলেন। তবে, গত নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও তারা ভয় পেয়ে দেশে ফেরেননি। বরং কলকাতা থেকে অন্য দেশে গিয়ে কাজের পরিকল্পনা করছিলেন।

    কলকাতা পুলিশ আরও জানিয়েছে, গতকাল সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) এই ছয় বাংলাদেশিকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করা হয়। বিচারক তাদের ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। পরবর্তীতে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য পুশ-ব্যাকের কার্যক্রম শুরু হবে।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

  • প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘ভাই’ বলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ‘ভাই’ বলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

    পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বুধবার রাতে নিজের ভ্যারিফায়েড এক্স হ্যান্ডলে (অভিন্ন টুইটার) এক শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়ে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের জন্য তারেক রহমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।”

    শাহবাজ শরিফ আরও উল্লেখ করেন, পারস্পরিক স্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার জন্য এবং দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করে তোলার লক্ষ্য নিয়ে তাঁর তারেক রহমানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও অর্থপূর্ণ কথোপকথনের জন্য তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘‘আমি আমার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ও অর্থপূর্ণ যোগাযোগের জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি।’’

  • এশিয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের নজরদারি বেড়ে গেলো

    এশিয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের নজরদারি বেড়ে গেলো

    পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন সামরিক শক্তির প্রদর্শনী অব্যাহত রয়েছে। আমেরিকা-ইরান পারমাণবিক চুক্তি এখনো অনেক দূরে এবং দু’দেশের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনাও সম্পন্ন হয়েছে। তবে এর মধ্যেই ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন অঞ্চলটিতে সামরিক কার্যকলাপ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    এই অঞ্চলে মার্কিন বাহিনী ৫০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে, তবে কেন এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা স্পষ্ট করেনি আমেরিকা। গত ২৪ ঘণ্টায়, পশ্চিম এশিয়ায় ইরানের কাছাকাছি অবস্থানরত মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোর আনাগোনা কয়েক গুণ বেড়ে গেছে বলে একাধিক সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।

    ইতিমধ্যে, এফ-১৬, এফ-২২, ও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সহ আরও কিছু উন্নতমানের বিমান এই অঞ্চলে পাঠানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন সৈন্য ও সরঞ্জাম নিয়ে এই অঞ্চলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে।

    ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চীন সাগর থেকে মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন উত্তরে প্রবেশ করে। এই রণতরীর সঙ্গে তিনটি আর্লে বার্ক-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ারও পশ্চিম এশিয়া লক্ষ্য করে রওনা দিয়েছিল। জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে, এই জাহাজগুলো ইরান উপকূলের কাছে অবস্থানকালে নজরদারিতে ছিল। এছাড়াও, দক্ষিণ আমেরিকা উপকূলে মোতায়েন আরও এক মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস জেরাল্ড ফোর্ডও এই অঞ্চলের দিকে এগিয়ে আসছে।

    এমন সামরিক শক্তির প্রদর্শনের মধ্যেই, ইরান পাল্টা শক্তি দেখিয়েছে। তারা হরমুজ প্রণালীতে ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে। ঘটনাচক্রে, এই এলাকায় বহু মার্কিনী যুদ্ধজাহাজ, যেমন ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন, মোতায়েন রয়েছে। তবে তেহরানের দাবি, ওই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ পরীক্ষা ছিল শুধু, আর কিছু নয়। তবে বিভিন্ন বিশ্লেষক মনে করছেন, ইরানের এই পদক্ষেপ হয়তো উঠে আসতে পারে নতুন উত্তেজনার সূচনা হিসেবে।

    অন্তঃপ্রতিযোদ্ধা এই পরিস্থিতির মধ্যে, দুই পক্ষের মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে আলোচনা চললেও তা ফলপ্রসূ হয়েছে কি-না, তা বেশ সন্দেহের কারণ।

    বৈঠক শেষে, আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেভি ভান্স জানিয়েছেন, পাকিস্তানিদের তার আসতেই পারে, ইরান তার শর্ত মানেনি। অন্যদিকে, ইরানের দাবি, তারা আরও দুই সপ্তাহের মধ্যে আলোচনার দিশা খুঁজে বের করবে। তবে পার্সপোর্টমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, খুব শীঘ্রই এই চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা এখনো নেই।

  • আল আকসায় প্রথম রমজান তারাবি রহমতসহ মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

    আল আকসায় প্রথম রমজান তারাবি রহমতসহ মুসল্লিদের অংশগ্রহণ

    মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য অঞ্চলের মতো ফিলিস্তিনেও গতকাল মঙ্গলবার চাঁদ দেখা গেছে, যার ফলে ইসলাম ধর্মের নির্ধারিত রীতিনীতি অনুযায়ী সন্ধ্যার পর প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করেছেন মুসল্লিরা। বিশেষ করে পবিত্র আল আকসা মসজিদে এই রাত্রিতে হাজারো মুসল্লি অংশ নেন। বেলা সন্ধ্যার দিকে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নিরাপত্তা বাহিনী এবং ইসরায়েলি পুলিশ মোতায়েন ছিল।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি রমজানের প্রথম তারাবির নামাজ, যা মুসলিম বিশ্বের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ religious অনুষ্ঠান। ইসলামিক দলিল অনুযায়ী, চাঁদ দেখে রমজান শুরু হওয়া ঘোষণা দেয়ার পরই মুসল্লিরা এই মাহ্ফিলের জন্য প্রস্তুত হন।

    গতকাল মঙ্গলবার ফিলিস্তিনের গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মোহাম্মদ হুসেইন চাঁদ দেখার ঘোষণা দেন, এবং তার এই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে হাজারো মুসল্লি আল আকসা মসজিদে এসে নামাজ পড়েন। এই সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ কিছু ভিডিও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা কর্মীরা নিয়োজিত থাকলেও মুসল্লির আনাগোনা অনেক বেশি।

    অতীতে এই অঞ্চলের ঐতিহাসিক শহর পূর্ব জেরুজালেমে পরবর্তী প্রকৃতির রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বেশ সমস্যায় পড়েছিল মুসল্লিরা। ১৯৫৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের পরে এই অঞ্চলটি ইসরায়েলের দখলে আসে। তবে এখনো এটি ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণে আছে।

    ২০২৩ সালে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে সেখানে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়, যার কারণে মুসল্লিদের প্রবেশে বাধা সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু ২০২৫ সালে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে এসব বিধিনিষেধ শিথিল হতে শুরু করেছে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সাথে মুসলিমরা আবার করে আল আকসায় তাদের রোজার মহাপ্রবেশে অংশ নিতে পারছেন।

  • সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশকে এবং বিশাল জয়ের জন্য তারেক রহমানকে পাকিস্তানের অভিনন্দন

    সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য দেশকে এবং বিশাল জয়ের জন্য তারেক রহমানকে পাকিস্তানের অভিনন্দন

    পাকিস্তান বিএনপি ও দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিশাল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশের প্রতি সুষ্ঠু নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দেশটির প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি ও প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পৃথকভাবে এক্সে বার্তা প্রকাশ করে এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    আসিফ আলী জারদারি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন, বাংলাদেশের ৩০০ আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি দেশটির সরকার ও জনগণের প্রতি শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। জারদারি আশা প্রকাশ করেছেন এই নির্বাচন প্রক্রিয়া বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করবে এবং দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিক উন্নয়নে বাস্তব অবদান রাখবে। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের জনগণ ও তাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি পাকিস্তানের সদিচ্ছা ও সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

    অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তাঁর এক্স হ্যান্ডলে বিএনপিকে বিশাল জয় এনে দেওয়ায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং একটি সফল নির্বাচন সম্পন্ন করার জন্য বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়েছন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে ঐতিহাসিক, ভ্রাতৃপ্রতিম ও বহুমাত্রিক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করা এবং দক্ষিণ এশিয়া ও এর বাইরে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্য এগিয়ে নেওয়া তাঁর আগ্রহের বিষয়।

    উভয় নেতার এসব বার্তায় দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংযুক্তি বজায় রাখার এবং ভূমিকা সহযোগিতার ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়েছে।

  • ইমরান খানের ডান চোখে ৮৫% দৃষ্টিহ্রাস

    ইমরান খানের ডান চোখে ৮৫% দৃষ্টিহ্রাস

    পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান তার ডান চোখের দৃষ্টিশক্তির প্রায় ৮৫% হারিয়ে ফেলেছেন — এমন তথ্য একটি মেডিকেল রিপোর্টে উঠে এসেছে, যা বুধবার (১১ জানুয়ারি) তার আইনজীবী সুপ্রিম কোর্টে জমা দেন।

    আইনজীবী ব্যারিস্টার সালমান সফদার আদিয়ালা সাত পাতার वह প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। আদালত তাকে অ্যামিকাস কিউরি (আদালতের বন্ধু) হিসেবে নিয়োগ করে এবং কারাগারে ইমরানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

    রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইমরান রক্ত জমাট বাঁধার সম্পর্কিত সমস্যায় ভুগছিলেন। কারা কর্তৃপক্ষ ইনজেকশনসহ চিকিৎসা দিলেও তার ডান চোখে মাত্র ১৫% দৃষ্টি রয়েছে। পেশাদার একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ, ডা. মুহাম্মদ আরিফ, পিমসে পরীক্ষায় বলেছিলেন, ডান চোখে রক্ত জমাট বাঁধা (ক্লট) শনাক্ত করা গেছে, যা উল্লেখযোগ্য ক্ষতি করেছে।

    তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার দাবি, সাবেক প্রধামন্ত্রীকে গত ২৪ জানুয়ারী রাতে ‘২০ মিনিটের’ চোখের চিকিৎসার জন্য রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগার থেকে বিশেষ নিরাপত্তায় ইসলামাবাদের পিমসে নেওয়া হয়েছিল। তবে ইমরানের পরিবার বলেছে, তারা আগে থেকে এ বিষয়ে অবহিত করা হয়নি।

    জামিনের বাইরে থাকা জীবন এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের বিষয় আগে কখনো উত্থাপন না করার কথা উল্লেখ করে ইমরান রিপোর্টে বলছেন, ৭৩ বছর বয়স এবং নানা মামলায় জড়িত থাকা সত্ত্বেও তিনি আগে কখনও ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যের ব্যাপারে অভিযোগ করেননি। কিন্তু সম্প্রতি তার উদ্বেগকে সংশ্লিষ্ট কারা কর্তৃপক্ষ গুরুত্ব দেয়নি বা সমাধান করেনি।

    রিপোর্টে ইমরান জানান, প্রায় তিন থেকে চার মাস আগে, ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত, তার উভয় চোখেই স্বাভাবিক ৬ x ৬ দৃষ্টিশক্তি ছিল। এরপর ধীরে ধীরে ঝাপসা দেখা দিতে শুরু করে এবং তিনি mehrfach জেল সুপারিনটেন্ডেন্টকে এ বিষয়টি জানালেও কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। পরে হঠাৎ করেই তার ডান চোখের দৃষ্টি প্রায় পুরোপুরি চলে যায়।

    ব্যারিস্টার সালমান সফদার সাক্ষাৎকালে ব্যক্তিগতভাবে দেখেন, ইমরান দৃষ্টিশক্তি হারানোর ফলে উদ্বিগ্ন ও কষ্টগ্রস্ত ছিলেন; তার চোখ জলে ভরা ছিল এবং বারবার টিস্যু দিয়ে চোখ মুছছিলেন।

    ইমরানের দল পিটিআই বলেছে, তাদের বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা গেছে ডান চোখে সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন (CRVO) ধরা পড়েছে, যা সময়মত সঠিক চিকিৎসা না পেলে স্থায়ী দৃষ্টিহীনতা বন্ধ করতে পারে।

    প্রসঙ্গত, ইমরান খান বহু মামলায় অভিযুক্ত এবং ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে কারাগারে রয়েছেন। গত ডিসেম্বরে পাকিস্তান সরকার জাতীয় নিরাপত্তার কারণে কারাগারে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। (সূত্র: জিও নিউজ)

  • মালয়েশিয়ায় নিপাহ আশঙ্কায় ভারত–বাংলাদেশ যাত্রীদের কড়া স্ক্রিনিং শুরু

    মালয়েশিয়ায় নিপাহ আশঙ্কায় ভারত–বাংলাদেশ যাত্রীদের কড়া স্ক্রিনিং শুরু

    প্রাণঘাতী নিপাহ ভাইরাসের সম্ভাব্য ছড়িয়ে পড়া রোধে আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশেষ স্ক্রিনিং কার্যক্রম শুরু করেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) স্বাস্থ্যমন্ত্রী জুলকেফলি আহমদ এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ দেশ থেকে আসা — বিশেষত ভারত ও বাংলাদেশ — যাত্রীদের ওপর নজরদারি জোরদার করা হবে।

    সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের সব আন্তর্জাতিক প্রবেশপথে বডি টেম্পারেচার পরিমাপের যন্ত্রগুলো সচল করা হয়েছে, যাতে যাত্রীদের মধ্যে নিপাহের প্রাথমিক উপসর্গ হিসেবে জ্বর দ্রুত শনাক্ত করা যায়। মালয়েশিয়া ভারত ও বাংলাদেশকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রেখেছে এবং সেখান থেকে আসা যাত্রীদের টার্গেটেডভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। তবে এদের জন্য আলাদা কোনো পথ বা রুট নির্ধারণ করা হয়নি; স্বাভাবিক অভিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যেই নজরদারি করা হবে।

    স্ক্রিনিং চলাকালীন যদি কারো শরীরে জ্বর বা কোনও সন্দেহজনক উপসর্গ ধরা পড়ে, তাকে সঙ্গে সঙ্গেই বিশেষ মেডিকেল টিমের কাছে পাঠিয়ে অতিরিক্ত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, এই পদক্ষেপগুলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ আন্তর্জাতিক নির্দেশিকা ও বৈশ্বিক ঝুঁকি পর্যালোচনার ভিত্তিতেই নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি যাতে আমাদের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাগুলো আন্তর্জাতিক মানের এবং সময়োপযোগী থাকে।’

    তিনি আরও জানান, দেশের সব প্রবেশপথে স্বাস্থ্য বিভাগ উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে এবং নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রস্তুতি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ভারতে সম্প্রতি নিপাহ সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর এশিয়ার অন্যান্য কয়েকটি দেশও তাদের বিমানবন্দর ও সীমান্তে অনুরূপ সতর্কতা বাড়িয়েছে। মালয়েশিয়ার এই পদক্ষেপও সেই প্রেক্ষাপটের অংশ, যাতে দ্রুত শনাক্তকরণ ও সময়মতো প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে সম্ভাব্য বিস্তার প্রতিরোধ করা যায়।

  • মার্কিন হামলার যেকোনো আক্রমণে ‘তাত্ক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব’ দেওয়ার প্রস্তুতি ইরানের: আরাগচি

    মার্কিন হামলার যেকোনো আক্রমণে ‘তাত্ক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব’ দেওয়ার প্রস্তুতি ইরানের: আরাগচি

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য কোনো হামলার বিরুদ্ধে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাত্ক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দেওয়ার জন্য সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত। এই মন্তব্য তিনি করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের হুমকি পুনর্ব্যক্তের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে।

    আরাগচি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আমাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত—আমাদের ভূমি, আকাশ ও সাগরের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া দিতে তাদের আঙুল ট্রিগারে রয়েছে।” তিনি বলেন, গত বছরের জুনে ইসরায়েলে হওয়া সামরিক হামলা এবং ট্রাম্প প্রশাসনের পারমাণবিক স্থাপনা সংক্রান্ত কৌশল থেকে ইরান মূল্যবান শিক্ষা নিয়েছে, যা তাদেরকে দ্রুত ও কার্যকরভাবে প্রতিক্রিয়া দেখানোর ক্ষমতা দিয়েছে।

    এর আগেই ট্রাম্প তার সোশ্যাল মিডিয়া পেজে লিখেছেন, “ইরানের দিকে একটি বিশাল নৌবহর যাচ্ছে। এটি দ্রুত ও কার্যকরভাবে তার মিশন সম্পন্ন করতে প্রস্তুত, প্রয়োজন হলে শক্তি ও সহিংসতা ব্যবহার করে।” তিনি ইরানকে বাকি থাকার আহ্বান জানিয়ে যোগ করেন, “আশা করি ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে বসবে এবং একটি ন্যায়সঙ্গত চুক্তি করবে—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই। সময় কমে আসছে।”

    বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরের মোতায়েন মূলত শক্তি প্রদর্শন এবং ইরানকে আলোচনার টেবিলে বসাতে একটি কৌশল। কাতারের বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আদনান হায়াজনে উল্লেখ করেন, “যুক্তরাষ্ট্র বার্তা দিচ্ছে—যদি তোমরা আমাদের চাওয়া অনুসরণ না করো, তখন ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারসহ কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।”

    আরাগচি স্পষ্ট করে বলেন, হুমকির মুখে কোনো কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা নেই। “আমাদের অবস্থান পরিষ্কার: হুমকির সঙ্গে আলোচনা যায় না। আলোচনার সময়ই আসবে যখন আর কোনো হুমকি বা অতিরিক্ত দাবি থাকবে না,” তিনি জানান। তারপরও তিনি যোগ করেন, ইরান সব সময়ই এমন একটি পারস্পরিকভাবে উপকারি ও ন্যায়সঙ্গত পারমাণবিক চুক্তিকে স্বাগত জানায় যা শান্তিপূর্ন প্রযুক্তি নিশ্চিত করে এবং পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিরোধ করে।

    আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার সংকেত মিলেছে—হরমুজ প্রণালী এলাকায় তেহরান ও মার্কিন বিমানবাহিনীর মধ্যে সামরিক মহড়া চলছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড সতর্ক করে দিয়েছে, কোনো প্রতিবেশী দেশ যদি মার্কিন হামলায় তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয় তাহলে তাকে “শত্রু” হিসেবে গণ্য করা হবে।

    আরেকদিকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা কোনো হামলার জন্য ব্যবহার করে না। মিশর বলেছে, তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলাদা আলাদা আলোচনা চালাচ্ছে যাতে অঞ্চলে শান্তি বজায় থাকে এবং নতুন অস্থিতিশীলতার চক্র সৃষ্টি না হয়।

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, আঞ্চলিক পক্ষগুলোর আহ্বান হয়ত যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলবে না; ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত তার কৌশল ও সিদ্ধান্তের ওপরই চলতে চাইতেন। পরিস্থিতি এখনো পরিবর্তনশীল এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চলমান—তবে আঞ্চলিক উত্তেজনা তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ছে।

  • ইরান: মার্কিন হামলা হলে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দিতে সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত — আরাগচি

    ইরান: মার্কিন হামলা হলে তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দিতে সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত — আরাগচি

    ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রতিকূল পদক্ষেপের ক্ষেত্রে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী তাৎক্ষণিক এবং শক্তিশালী জবাব দিতে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত। তিনি এই মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনরায় সামরিক হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে।

    আরাগচি বুধবার সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, “আমাদের সাহসী সশস্ত্র বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে—আমাদের প্রিয় ভূমি, আকাশ ও সাগরের বিরুদ্ধে যেকোনো আগ্রাসনের তাৎক্ষণিক ও শক্তিশালী জবাব দিতে তাদের আঙুল ট্রিগারে রয়েছে।”

    তিনি আরো বলেছেন, গত বছরের সংঘটিত সামরিক ঘটনার অভিজ্ঞতা ইরানকে মূল্যবান শিক্ষা দিয়েছে এবং তা তাদের প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা বাড়িয়েছে। “১২ দিনের যুদ্ধে শেখা শিক্ষাগুলো আমাদের আরো শক্তিশালী ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া জানানোর সক্ষমতা দিয়েছে,” যুক্ত করেছেন আরাগচি।

    ট্রাম্পও সোশ্যাল মিডিয়ায় আবারো ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর কণ্ঠে সতর্ক করে লিখেছেন, “ইরানের দিকে একটি বিশাল নৌবহর যাচ্ছে। এটি দ্রুত ও কার্যকরভাবে তার মিশন সম্পন্ন করতে প্রস্তুত, প্রয়োজন হলে জোর ও সহিংসতা ব্যবহার করে।” তিনি আরও বলেছেন, “আশা করি ইরান দ্রুত আলোচনার টেবিলে বসবে এবং একটি ন্যায্য চুক্তি করবে—কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই। সময় কমে আসছে।”

    বিশ্লেষকরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের নৌবহরের মোতায়েন মূলত শক্তি প্রদর্শন এবং ইরানকে আলোচনায় আনার কৌশল। কাতারের বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আদনান হায়াজনে বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বার্তা দিচ্ছে—যদি তোমরা আমাদের চাওয়া অনুসরণ না করো, ক্ষমতায় জোর প্রদর্শন করা হবে।” তিনি আরও যোগ করেন, আঞ্চলিক পক্ষের আবেদন হয়তো কৌশলগত সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলবে না।

    ইরান স্পষ্ট করে দিয়েছে যে হুমকির পরিবেশে কূটনৈতিক আলোচনার সম্ভাবনা নেই। আরাগচি বলেছেন, “আমাদের অবস্থান স্পষ্ট: হুমকির সঙ্গে আলোচনা যায় না। আলোচনার সময়ই সম্ভব যখন আর কোনো হুমকি বা অতিরিক্ত দাবি থাকবে না।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, ইরান সবসময়ই পারস্পরিকভাবে উপকারি ও ন্যায়সঙ্গত পারমাণবিক চুক্তি স্বাগত জানাবে, যা শান্তিপূর্ণ প্রযুক্তি নিশ্চিত করে এবং পারমাণবিক অস্ত্র প্রতিরোধ করে।

    আঞ্চলিক পরিস্থিতিও তীব্র হচ্ছে। হার্মুজ প্রণালী এলাকায় তেহরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহিনী কার্যক্রম বাড়ছে এবং ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড সতর্ক করেছে যে, কোনো প্রতিবেশী দেশ যদি মার্কিন হামলায় তাদের ভূখণ্ড ব্যবহার করে, তাহলে তাকে “শত্রু” হিসেবে গণ্য করা হবে।

    এদিকে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত জানিয়েছে, তারা তাদের আকাশসীমা কোনো হামলার জন্য ব্যবহার করতে দেবে না। মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র দুইপক্ষের সঙ্গে আলাদা আলাদা আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যাতে অঞ্চলে শান্তি বজায় থাকে এবং নতুন অস্থিতিশীলতার চক্র সৃষ্টি না হয়।

    বিশ্লেষকদের মতে, সংকট এড়াতে কূটনৈতিক উদ্যোগ অব্যাহত থাকলেও সামরিকভাবে এখনো তৎপরতা কৌশলের অংশে রয়েছে। পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখা না গেলে অচিরেই আরও তীব্র উত্তেজনার মুখোমুখি হতে পারে—এটাই বিন্দুমাত্র কম নয় বলে সতর্ক করে দিচ্ছেন পর্যবেক্ষকরা।