Category: আন্তর্জাতিক

  • ইসরায়েল এখন একান্ত বিচ্ছিন্নতার মুখে: নেতানিয়াহুর স্বীকারোক্তি

    ইসরায়েল এখন একান্ত বিচ্ছিন্নতার মুখে: নেতানিয়াহুর স্বীকারোক্তি

    গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে অব্যাহত থাকা নির্বিচার আগ্রাসনের কারণে বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের প্রতি ক্ষোভ বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে দেশটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এক ধরনের বিচ্ছিন্নতার মুখোমুখি হয়েছে। ইসলামি প্রতিবাদের কঠোর মুখে পড়ে ধাক্কা খেয়েছে সেই অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্তর। তবে এই সমস্যা নিয়ে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, তিনি জানিয়ছেন যে, এই বিচ্ছিন্নতা পরিস্থিতি হয়তো কয়েক বছর অব্যাহত থাকবে। এমতাবস্থায় ইসরায়েলের একমাত্র সমাধান হলো নিজের দেশকেই রক্ষায় একা থাকাই।

  • গণবিক্ষোভের ভয়: মোদি সরকারের ১৯৭৪-পরে আন্দোলন নিয়ে গবেষণা নির্দেশ

    গণবিক্ষোভের ভয়: মোদি সরকারের ১৯৭৪-পরে আন্দোলন নিয়ে গবেষণা নির্দেশ

    দক্ষিণ এশিয়ার শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপালে তরুণ নেতৃত্বে ব্যাপক গণবিক্ষোভের কারণে সরকার পতনের ঘটনাগুলি বিশ্বে আলোচনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। ভারতের জন্যও এই আন্দোলনগুলো উদ্বেগজনক, যেখানে নেতাদের ধারণা, এগুলি ভবিষ্যতে দেশের স্থিতিশীলতার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিতে পারে। এই পরিস্থিতিতে ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ দেশটির ইতিহাসে ১৯৭৪ সালের পর থেকে সংগঠিত সকল ধরনের আন্দোলনের কারণ, কার্যকারণ ও গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণের জন্য একটি গবেষণা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

    ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই গবেষণার মূল উদ্দেশ্য হলো ‘স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর ব্যাপক আন্দোলন’ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা। এজন্য বিপিআরঅ্যান্ডডি, অর্থাৎ ভারতের পুলিশ গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যুরোকে একটি ‘স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর’ (এসওপি) তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘকালীন আন্দোলনের কারণ, অর্থনৈতিক প্রভাব, ফলাফল এবং পেছনের সংঠিত গোষ্ঠীর কার্যকলাপ খতিয়ে দেখে ভবিষ্যতে পরিকল্পনা করা হবে।

    অগাস্টে নয়াদিল্লিতে একটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি কনফারেন্সে এই নির্দেশনা দেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি বলেন, স্মার্ট অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে আন্দোলনের প্রকৃতি বোঝার পাশাপাশি, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিকগুলো বিশ্লেষণ করে বড় ধরনের আন্দোলনের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি নিতে হবে। এই জন্য তিনি বিপিআরঅ্যান্ডডিকে সব আন্দোলনের নথিপত্র ও তদন্ত প্রতিবেদন গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করতে বলেছেন।

    শাহ ভারতের পুলিশ, তদন্ত সংস্থা এবং আর্থিক জোট—যেমন এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (ইডি), এফআইইউ (অর্থনৈতিক তদন্ত সংস্থা) ও সিবিডিটি (সেন্ট্রাল বোর্ড অব ডাইরেক্ট ট্যাক্সেস)-র সঙ্গে সমন্বয় করে এই গবেষণা পরিচালিত করবে। এর পাশাপাশি, সন্ত্রাসী অর্থায়ন রোধ, আন্তর্জাতিক জালিয়াতি বিরোধী ব্যবস্থা এবং ধর্মীয় সমাবেশের মাধ্যমে সংঘাতের ঝুঁকি কমানোর জন্যও এসওপি তৈরির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও, অমিত শাহ রাজ্য পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থা—যেমন এনআইএ, বিএসএফ এবং এনসিবি—কে আলাদা কৌশল ও পরিকল্পনা তৈরি করে চলমান সংকট মোকাবিলার নির্দেশ দিয়েছেন। বিশেষ করে, পাঞ্জাব ও খালিস্তান সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে নজরদারি বাড়ানোর জন্য এই সংস্থাগুলোর কার্যক্রমে বৈচিত্র্য আনার পরিকল্পনা থাকছে। এর মধ্যে রয়েছে অপরাধ সংগঠনের নেটওয়ার্ক ভাঙা, অপরাধীদের স্থানান্তর ও নজরদারি বাড়ানো, যাতে দেশি-বিদেশি সকল চক্রান্ত দ্রুত নজরে আসে ও প্রতিহত করা যায়।

  • নেপালে নিহতদের পরিবার থেকে পেনশন ও মর্যাদার দাবি, মরদেহ না নেওয়ার ঘোষণা

    নেপালে নিহতদের পরিবার থেকে পেনশন ও মর্যাদার দাবি, মরদেহ না নেওয়ার ঘোষণা

    নেপালে সাম্প্রতিক জেন জি আন্দোলনে নিহতদের পরিবার ঘোষণা করেছে, তারা তাদের প্রিয়জনদের মরদেহ গ্রহণ করবে না যতক্ষণ না শহীদ স্বীকৃতি ও দেশের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা এবং অন্যান্য দাবিগুলো পূরণ হয়। এই দাবি মেনে না নিলে তারা মরদেহ না নেয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তার জন্য সরকারের কাছে আশা ব্যক্ত করেছেন।

    নিহতদের পরিবার এই ঘোষণা দিয়ে বলছে, তাদের একমাত্র লক্ষ্য এখন হচ্ছে প্রায়শ্চিত্ত ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। তারা নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির জন্য প্রত্যাশা করছেন, যাতে দ্রুত এই দাবিগুলো মান্যতা পায়।

    এই ঘোষণা দিয়ে তারা মূলত জানিয়েছেন, তারা তাদের প্রিয়জনদের শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে প্রস্তুত নয় যতক্ষণ না তাদের দাবি পূরণ হয়। মূলত, নিহতদের পরিবার দাবি করেছেন— ৮ ও ৯ সেপ্টেম্বরের বিক্ষোভে নিহতদের শহীদ ঘোষণা, রাষ্ট্রীয় মর্যাদাসহ দাফন, এবং এই মৃত্যুর উৎসব ও অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার মিছিল শহর শহর প্রদক্ষিণ করার।

    বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি কাঠমান্ডু পোস্ট এক প্রতিবেদনে বলছে, আন্দোলন ও সহিংসতার শিকার নিহতদের স্বজন ও আহতদের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে একটি সংগ্রাম কমিটি গঠন করা হয়েছে। তারা প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির সঙ্গে সরাসরি দেখা করার অপেক্ষায় আছেন।

    নিহত এক তরুণ, কমল সুবেদীর স্বজনরা জানিয়েছেন, শনিবার প্রধানমন্ত্রী সঙ্গেও মৌখিক সমঝোতা হয়েছিল। তবে রোববার লিখিত প্রতিশ্রুতির জন্য অপেক্ষা করছে তারা।

    তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— নিহতদের শহীদ ঘোষণা, রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন, এবং দাফনের শেষকৃত্য মিছিল রিং রোডে অনুষ্ঠিত। এছাড়া, তারা advocacy করেছেন শুধুমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ নয়, বরং সচিব পর্যায়ের সম্মানজনক পেনশন সুবিধাও প্রদান করতে।

    অতীতে, প্রধানমন্ত্রী কার্কির দায়িত্ব গ্রহণের পর নিহত প্রত্যেকের জন্য ১০ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। তবে পরিবারগুলোর দাবি, এই ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি, নিহতের আত্মত্যাগের যথাযথ স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদানের জন্য আরও বিস্তৃত ও যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।

  • নেপালের প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সবিতা ভাণ্ডারির নিয়োগ

    নেপালের প্রথম নারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে সবিতা ভাণ্ডারির নিয়োগ

    নেপালের নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট সবিতা ভাণ্ডারি বরাল। এটি ইতিহাসের প্রথম ঘটনা, যেখানে নেপালে কোনও নারী এই গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। রোববার প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাওডেল এই নিয়োগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। দেশের বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যম দ্য কাঠমাণ্ডু পোস্ট এই খবর প্রকাশ করেছে।

    প্রেসিডেন্টের প্রেস উপদেষ্টা কিরণ পোখরেল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কি এই নিয়োগের জন্য সবিতা ভাণ্ডারির নাম সুপারিশ করেছিলেন, এবং প্রেসিডেন্ট তা গৃহীত করে অনুমোদন দিয়েছেন। এর আগে সকালে প্রেসিডেন্ট পাওডেল অ্যাটর্নি জেনারেল রমেশ বাদালের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন।

    সবিতা ভাণ্ডারি এর আগে তথ্য কমিশনে কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি একজন বিশিষ্ট আইনবিদ কৃষ্ণ প্রসাদ ভাণ্ডারির কন্যা। তাঁর এই নিয়োগ নেপালের jurídicas ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত।

  • নেপালে বিক্ষোভের সময় আগুন দেওয়া ভবনগুলোর মধ্যে মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে

    নেপালে বিক্ষোভের সময় আগুন দেওয়া ভবনগুলোর মধ্যে মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে

    নেপালে গত সপ্তাহের গণআন্দোলনে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭২ জনে দাঁড়িয়েছে। রোববার দেশটির সরকারের পক্ষ থেকে এই তথ্য জানানো হয়। এর আগে, সোমবার ও মঙ্গলবার নেপালে জেন-জির আন্দোলন তীব্রতর হয়। এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পালিয়ে যান, যা গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। পালানোর পরেই বিক্ষোভকারীরা সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবনসহ মন্ত্রী-এমপি ভবনগুলি, আদালত ও পার্লামেন্টে আগুন লাগায়। এখন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুনে পোড়া ভবনগুলো থেকে মরদেহ উদ্ধার কাজে ব্যস্ত।

    কেপি শর্মা পালানোর দিনই নেপালের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পুরোপুরি ভেঙে পড়ে, ফলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা আগুন দেওয়া ভবনগুলোতে উদ্ধার কাজ চালাতে পারেননি। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র প্রকাশ বুড়াধোকি বলেন, “শপিংমল, বাড়িসহ অন্যান্য ভবনে আগুন দেওয়ার পর এখন মরদেহ পাওয়া যাচ্ছে।”

    প্রথমে শনিবার ৫১ জনের মৃত্যুর খবর জানানো হলেও, নতুন তথ্য অনুযায়ী সংখ্যাটি আরও বাড়ছে। ফলে এখন পর্যন্ত গণআন্দোলনের কারণে আহত হয়েছেন প্রায় ২ হাজার ১১৩ জন।

    নেপালের বর্তমান পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়ে দেখা যাচ্ছে, কেপি শর্মা পদত্যাগের পর, গত শুক্রবার রাতে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। রোববার তিনি গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যারা এই ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, তারা যদি নেপালি হন, তবে এতে তিনি লজ্জিত। তিনি আরো বলেন, “যারা জরুরি এসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছে, তারা যদি নেপালি হয়ে থাকে, তাহলে আমি লজ্জিত। কীভাবে তাদের নেপালি বলা যায়?”

    সূত্র: রয়টার্স।

  • গাজায় আরও ৫৩ জন নিহত, ক্ষুধা ও যুদ্ধের কারণে মৃতের সংখ্যা ৪২২-এ পৌঁছেছে

    গাজায় আরও ৫৩ জন নিহত, ক্ষুধা ও যুদ্ধের কারণে মৃতের সংখ্যা ৪২২-এ পৌঁছেছে

    ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর প্রতিশ্রুতিবদ্ধ অভিযানে নতুন করে অন্তত ৫৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই হিংস্র হামলায় গাজা শহরের বেশ কয়েকটি টাওয়ার ধ্বংসের পাশাপাশি, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, গাজায় ক্ষুধা ও দারিদ্র্যজনিত কারণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে এখন ৪২২-এ পৌঁছেছে।

    জাতিসংঘ ও মানবিক সংস্থাগুলোর পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে যে, গাজায় এখন আর কোন আশ্রয় ও নিরাপদ স্থান নেই। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে, যেখানে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনী একদিনে অন্তত ৫৩ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে এবং গাজার ১৬টি ভবন ধ্বংস করেছে, যার মধ্যে তিনটি আবাসিক টাওয়ার রয়েছে। এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল উত্তর গাজা নগর কেন্দ্রে নিবন্ধিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলিকেকে দমন ও সেখানকার বাসিন্দাদের উচ্ছেদ করা।

    চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, রবিবারের নিহতদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন গাজা শহরের বাসিন্দা। এছাড়াও গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অপুষ্টির কারণে আরো দুজন মারা গেছেন, ফলে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২২ জনে।

    গাজার রেমাল এলাকার দক্ষিণে আল-কাওসার টাওয়ার হঠাৎ করে ইসরায়েলি বিমান হামলার ফলে ধূলিসাৎ হয়ে গেছে। অব্যাহত বোমাবর্ষণে হাজার হাজার মানুষ আশ্রয়হীন হয়ে বিপদজনক অবস্থায় পড়েছেন। হতাশাগ্রস্ত একজন ফিলিস্তিনি মারওয়ান আল-সাফি বলেন, ‘আমরা জানি না কোথায় যাব। এই পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান খুবই জরুরী… আমরা এখানে মরতে বসেছি।’

    গাজা সরকারি গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে, ইসরায়েলি ‘পদ্ধতিগত বোমাবর্ষণ’ পুরোপুরি গণহত্যার লক্ষ্য নিয়ে পরিচালিত হচ্ছে। সংস্থাগুলোর অভিযোগ, এই অভিযান মূলত স্কুল, মসজিদ, হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, শহর ও আবাসিক ভবন, তাঁবু এবং আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থার দপ্তর ধ্বংসের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুতির উদ্দেশ্য নিয়ে চালানো হচ্ছে।

    জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ-র প্রধান ফিলিপ লাজারিনি জানান, গত চার দিনেই গাজায় অন্তত দশটি ভবন হামলার শিকার হয়েছে। এর মধ্যে সাতটি স্কুল ও দুটি ক্লিনিক রয়েছে, যেখানে বহু মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘গাজায় এখন কোনও নিরাপদ স্থান নেই, কেউই নিরাপদ না।’

    অবিরাম হামলার কারণে বহু পরিবার দক্ষিণে আল-মাওয়াসির এলাকায় পলাইয়ােছে। এই এলাকাকে ইসরায়েল ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বললেও সেখানে বারবার হামলা চালানো হয়েছে।

    একজন গাজার বাসিন্দা আহমেদ আওয়াদ বলেন, ‘শনিবার উত্তর গাজা থেকে আমি মর্টার হামলার মধ্যে জীবন বাঁচাতে পালিয়েছি। মধ্যরাতে এসে দেখলাম পানি নেই, টয়লেটও নেই, কিছুই নেই। পরিবারগুলো খুল্লعلن আকাশের নিচে ঘুমাচ্ছে। পরিস্থিতি খুবই ভয়াবহ।’

    আরেকজন ফিলিস্তিনি আবেদআল্লাহ আরাম জানান, তার পরিবার পানির সংকটে অস্থির। খাবার কম, শিশুরা অপুষ্টিতে ভুগছে। শীত শীঘ্রই এলো, নতুন তাবু ও আশ্রয়ের জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি যোগ করেন, ‘আমি এক সপ্তাহ যাবত এখানে আছি, এখনও আশ্রয় পাইনি। আমার পরিবারের সব সদস্য, শিশু, মা, দাদীসহ অনেকেরই জীবন সংকটের মধ্যে। ইতিমধ্যে আমরা দুই বছর ধরে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় পালাচ্ছি। এই যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষ আরও বেশিদিন চলতে পারে না।’

    প্রতিবেশীরা বলছেন, ‘আমাদের কোনও উপার্জন নেই, বাচ্চাদের খাওয়ানোর মতো কিছু নেই। বাস্তুচ্যুত হওয়া মানে যেন জীবন থেকে আত্মা টেনে নেওয়া।’

    এদিকে, ইউনিসেফ সতর্ক করে দিয়েছে যে, আল-মাওয়াসির পরিস্থিতি দিন দিন আরও খারাপ হচ্ছে। সংস্থার মুখপাত্র টেস ইঙ্গ্রাম বলেছেন, ‘গাজায় কোথাও আর নিরাপদ নেই, এমনকি এই মানবিক অঞ্চলেও। প্রতিদিন শরণার্থী শিবিরে মানুষ লাবিস্ট হয়ে বাড়ছে।’ তিনি এক নারীর অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন, যিনি গাজা সিটি থেকে উচ্ছেদের পর রাস্তার ধারে সন্তান জন্ম দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘এমন হাজারো পরিবার এখানে এসে সামনে জীবন চালাতে সংগ্রাম করছে।’

  • ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইসলামী সামরিক জোট গঠনের দাবি ইরাকের

    ইসরায়েলি আগ্রাসনের জবাবে ইসলামী সামরিক জোট গঠনের দাবি ইরাকের

    ইসরায়েলের সম্প্রসারিত হামলার প্রেক্ষাপটে মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে একটি শক্তিশালী সামরিক জোট গঠনের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শিয়া আল-সুদানি। দোহার একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ফিলিস্তিন ও কাতারে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলা আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। এ অবস্থায় মুসলিম বিশ্বকে একত্রিত হয়ে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার সময় এসেছে।

    সম্প্রতি দোহার একটি স্থাপনায় ইসরায়েল হানা চালায়, যেখানে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাসের পাঁচজন সদস্য ও কাতারীয় একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন। এই ঘটনা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন ধরনের হুমকি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যার উদ্দেশ্য হলো ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলছে আধিপত্য বিস্তার। ইরাক মনে করে, কাতারের মাটিতে হামলা চালিয়ে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন বা সীমানা মানতে নারাজ, যা নতুন বিপদ ডেকে এনেছে।

    ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বলেছে, একসঙ্গে কাজ করলে মুসলিম দেশগুলো একটি শক্তিশালী যৌথ প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন করতে পারে। শুধু সামরিক অর্থাৎ রণকৌশলে নয়, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও একযোগে পদক্ষেপের সময় এসেছে। তাঁর মতে, ইসরায়েলি আগ্রাসন কাতারে থেমে থাকছে না, তা বদলে অন্য দেশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

    এই পরিস্থিতিতে দোহার আয়োজিত জরুরি আরব-ইসলামিক সম্মেলন আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ইসরায়েলের হামনাকে নিন্দা ও প্রতিক্রিয়া ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা একটি যৌথ ইসলামি বা আরব সামরিক জোট গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। এই উদ্যোগটি প্রায় এক দশক আগে মিশর থেকে ওঠে এসেছিল।

    হামাস জানিয়েছে, ইসরায়েলের হামলায় তাদের পাঁচজন সদস্য নিহত হলেও দলটির শীর্ষ নেতৃত্ব নিরাপদ রয়েছে। দোহার এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উপসাগরীয় দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আলোচনা জোরদার হয়েছে। বিশেষ করে, যেসব আরব দেশ ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করেছে, তাদের মধ্যে মতপার্থক্য বাড়ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্ক নিয়েও নতুন টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে।

    ইরাকের মতে, মুসলিম বিশ্বের হাতে এখন অনেক ধরনের কূটনীতি, রাজনৈতিক ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা রয়েছে। যদি সময়মতো তা কাজে লাগানো না হয়, তাহলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তাই এখনই প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের।

  • ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর ২৭ বছরের কারাদণ্ড

    ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলসোনারোর ২৭ বছরের কারাদণ্ড

    অভ্যুত্থানের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ব্রাজিলের সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোকে আদালত ২৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এই রায়ের মধ্যে তিনি সহ সাবেক মন্ত্রী ও সামরিক প্রধানসহ আরও সাতজন ব্যক্তিও দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট বৃহস্পতিবার এই রায় ঘোষণা করে, যেখানে পাঁচ বিচারপতি মধ্যে চারজন এই সিদ্ধান্তে সম্মত হন, তবে একজন তাঁকে খালাসের পক্ষে মতামত দেন।

    ২০২২ সালে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট লুইস ইনাসিও লুলা দা সিলভাকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ষড়যন্ত্রসহ পাঁচটি অভিযোগে বলসোনারোকে দোষী সাব্যস্ত করে আদালত। এই সিদ্ধান্তের ফলে বলা হচ্ছে, ৭০ বছর বয়সী বলসোনারোকে বাকি জীবন কারাগারে কাটাতে হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    এদিকে, বলসোনারোর সঙ্গে অন্য সাবেক মন্ত্রী ও সামরিক প্রধানেরাও এ মামলার দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তবে নিজের দোষ স্বীকার না করেই বলসোনারো দাবি করেছেন, তিনি রাজনৈতিক দমন-পীড়নের শিকার।

    জাইর বলসোনারো ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, যা লাতিন আমেরিকার বৃহত্তম দেশের শাসনক্ষমতা।

  • কাতারের থেকে মুসলিম ঐক্যের ডাক, পাকিস্তানের পূর্ণ সমর্থন

    কাতারের থেকে মুসলিম ঐক্যের ডাক, পাকিস্তানের পূর্ণ সমর্থন

    ফিলিস্তিনসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের মাঝে ঐক্যের ডাক দিয়েছে কাতার। এই আহ্বানে সম্পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে পাকিস্তান, যা অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা। পাশাপাশি, পাকিস্তান বিশ্ব পরিবেশে ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করেছে এবং সব দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য হুঁশিয়ারি জারি করেছে।

    শুক্রবার এক প্রতিবেদনে আরব নিউজ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি আসিম ইফতিখার আহমদ বলেন, হামাসের সঙ্গে আলোচনায় মধ্যস্থতাকারীদের উদ্দেশ্যে কাতার যে ইসরায়েলি হামলার সম্মুখীন হয়েছে, তা শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথে বড় এক প্রতিবন্ধকতা। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এই ধরনের হামলা শান্তি প্রচেষ্টায় বিঘ্ন তৈরি করছে এবং ভেতরকার নিরাপত্তা হুমকিতে পরিণত হচ্ছে।

    আসিম ইফতিখার আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও জাতিসংঘের অঙ্গীকারের প্রতি সম্মান জানিয়ে সমস্ত পক্ষের উচিত শান্তি ও সংলাপের মাধ্যমে মতানৈক্য সমাধান করা। তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তান এই অবৈধ ও উসকানিমূলক ইসরায়েলি আগ্রাসনের কঠোর নিন্দা জানাচ্ছে, যা সার্বভৌম কাতারের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত।

    প্রতিনিধি উল্লেখ করেন, ইসরায়েলি হামলা একটি সাধারণ আবাসিক এলাকায় চালানো হয়েছে, যা অসংখ্য নিরপরাধ নাগরিকের জীবন ঝুঁকির মধ্যে ফেলেছে। এ ধরণের কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং অঞ্চলটির শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে ধ্বংসের জন্য নেপথ্যে কাজ করছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে আঞ্চলিক সমাধান অসম্ভব হয়ে পড়ছে, তা স্পষ্ট।

    এ সময় পাকিস্তান কাতারের সরকার ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করে, তাদের সার্বভৌমত্ব ও নাগরিকদের নিরাপত্তা রক্ষায় যে কোনও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার ও আন্তর্জাতিক সম্মতিগুলোর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে।

    আসিম ইফতিখার সতর্ক করে বলেন, ইসরায়েলের এই দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লংঘন, যা এই অঞ্চলে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে। গাজায় নির্মম সামরিক অভিযান, সিরিয়া, লেবানন, ইরান ও ইয়েমেনে বারবার সীমান্ত অতিক্রম করে হামলা— এই সবই জাতিসংঘের সংজ্ঞায় উল্লেখিত নিয়মে লঙ্ঘন।

    তিনি উল্লেখ করেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রস্তাব নম্বর ৩৩১৪ অনুযায়ী, এই ধরনের আগ্রাসন ভয়াবহ দৃষ্টান্ত স্থাপন করছে, আইনি শাসনকে দুর্বল করছে এবং দায়মুক্তির সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিচ্ছে, যা আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য বিপজ্জনক।

    এর আগে, দোহার রাষ্ট্রপতি শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানির সঙ্গে বৈঠক করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এই বৈঠকে এই অঞ্চলে ইসরায়েলি আক্রমণের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিকার ও মুসলিম সম্প্রদায়ের বন্ধনকে আরও শক্তিশালী করার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীও কাতারকে পুরোপুরি সমর্থন ও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দেন, এবং প্রয়োজন হলে সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথা ব্যক্ত করেন।

    অন্যদিকে, দোহায় এক যৌথ বিবৃতিতে ইসরায়েলি বিমান হামনার কঠোর নিন্দা জানানো হলেও, সরাসরি এই হামলার নাম উল্লেখ না করায় পাকিস্তান উদ্বেগ প্রকাশ করে। পাকিস্তানের প্রতিনিধি বলেন, এই ধরণের কার্যকলাপ আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এক বিপজ্জনক সংকেত, এর মাধ্যমে সার্বিক অস্থিতিশীলতা বাড়ছে এবং জাতিসংঘের দুর্বল প্রতিক্রিয়া উসকে দিচ্ছে।

  • নেপালের মতো এবার পশ্চিমবঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের ডাক

    নেপালের মতো এবার পশ্চিমবঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের ডাক

    নেপালের সঙ্গে তুলনা এনে পশ্চিমবঙ্গে গণঅভ্যুত্থানের আহ্বান জানিয়েছেন বিজেপির সাবেক সংসদ সদস্য অর্জুন সিং। এই খবরটি শুক্রবার ভারতের দৈনিক দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে। বর্তমানে নেপালে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশকে অচল করে দিয়েছে, যেখানে কিছুদিন আগে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভে মন্ত্রী-এমপির বাসভবন ও সরকারি ভবনগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়েছে। নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন, সরকারের বেশিরভাগ মন্ত্রী either দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন বা গোপনে রয়েছেন। একই পরিস্থিতি দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। সেখানে বর্তমান বিক্ষোভের মাধ্যমে জনজনের অধিকার ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার ডাক দিয়েছেন অর্জুন সিং। তিনি বলেছেন, নেপালের যুবসমাজ দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে অভূতপূর্ব সাহস দেখিয়েছে, সেই দৃঢ়তা তাদেরকে বাংলার তরুণরাও দেখানো উচিত। তার এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার জন্ম দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। অনেকের অভিযোগ, অর্জুন সিং উসকানিমূলক কথা বলে রাজ্যে হিংসা ছড়াতে চাইছেন এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে হত্যার হুমকিও দিয়েছেন। এ ব্যাপারে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রতিক্রিয়া দেখされています।