Category: অর্থনীতি

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে মনসুরের পরিবর্তে মোস্তাকুর রহমান নিয়োগ

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে মনসুরের পরিবর্তে মোস্তাকুর রহমান নিয়োগ

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ ঘোষণা করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলেছে, ড. মনসুরের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এই মুহূর্তে বাতিল করা হলো। আর মোস্তাকুর রহমানকে নির্ধারিত শর্তের ভিত্তিতে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে আরো জানানো হয়, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য ও হিরা সোয়েটারের মালিক। তিনি বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে নিয়োগ পেয়েছেন। তার বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই গ্রহণ করবেন। নিয়োগের বিস্তারিত শর্তাদি চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

    এ আদেশ জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের অপসারণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিস ত্যাগ করেন। তিনি বলেন, আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবর শুনেছি। এর বাইরে আরো কিছু বলেননি।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সকালে তিনি নিয়মিত কর্মসূচি শেষে অফিসে উপস্থিত ছিলেন—তারপর হঠাৎ করে এই অপসারণের খবর ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে নতুন গভর্নর নিয়োগের বিষয়টি জানার জন্য তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তা এড়াতে চেয়েছেন।

    অফিস ছাড়ার সময় তিনি সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনও কথা বলেননি, যা ব্যাংকের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ৯ আগস্ট পদত্যাগ করেন। এরপর ১৩ আগস্ট ড. আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এখন তা অবশেষে পরিবর্তন হলো, যা ব্যাংকের ভবিষ্যত কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • অর্থনীতির উন্নয়নে কর বাড়ানোর পক্ষে অর্থমন্ত্রী; বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ

    অর্থনীতির উন্নয়নে কর বাড়ানোর পক্ষে অর্থমন্ত্রী; বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ

    অর্থনীতি বর্তমানে খুবই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বাজেটে কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশের অর্থনীতির চেহারা বদলে দিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের বিকল্প নেই। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তৈরি হবে কর্মসংস্থান, যা দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি।

    শুক্রবার তিনি চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা বানৌজা উল্কা আবাদ অঞ্চল-২ এর পশ্চিম পাশে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা জমির পরিদর্শন করেন। পরে, পতেঙ্গায় একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা ১৪ দশমিক ২১৯০ একর এবং আরও ২ দশমিক ৭ একর জমি পরিদর্শন করেন তিনি।

    এ সময় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর দক্ষিণাঞ্চলে এখনও কোনো হাসপাতাল নেই। সেখানে একসাথে একটি সাধারণ হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল হাসপাতাল নির্মাণের, তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেখানে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে।

    অর্থনীতির অস্থিরতা সংশ্লিষ্ট এক প্রশ্নে তিনি জানান, অর্থনীতির উন্নতির জন্য কর বাড়ানো অপরিহার্য। কর বাড়ানো арқылы বিনিয়োগকে আকর্ষণ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো বিনিয়োগ। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না, এ জন্য সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে। বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্র, স্বাস্থ্য সেবা এবং কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    এই পরিদর্শনের সময় কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান মন্ত্রীকে জমির অবস্থা, ভৌগোলিক পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পারিপার্শ্বিক সুবিধা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, সদস্য সরফরাজ কাদের রাসেল, এডভোকেট মফিজুল হক ভুইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি এইচএম রাশেদ খান।

  • নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকিং খাতকে খাদের কিনার থেকে তুলে আনায় 그의 দক্ষতা ও উদ্যোগের জন্য প্রশংসা পেয়েছেন। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন ও তার predecessor এর অসাধারণ কাজগুলো অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, অর্থনীতির ভঙ্গুর পরিস্থিতি থেকে বাহিরে আনতে ড. মনসুরের নেতৃত্বে নেয়া বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক ছিল এবং তা চলমান থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত ১৪তম গভর্নর হিসেবে তার প্রথমদিনের ব্রিফিংয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে তিনি এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। এই সময় তিনি নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

    এ tider, নতুন গভর্নর বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের ওপর জোর দেন। বিশেষ করে, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলোর পুনরায় চালু, প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দেওয়া, এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করাসহ ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর মনোযোগ দেন।

    গভর্নর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা এবং পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, উচ্চ সুদের হার বিষয়ক সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান।

    তাদের ভাষ্য, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও নিয়মতান্ত্রিক ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে। ডেলিগেশন অব অথরিটি বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এর মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কাজের গতি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে, নতুন গভর্নর বলছেন, ব্যাংকের অখণ্ডতা ও সুশাসন রক্ষা করতে তিনি জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। ‘মবে’ বা অব্যবস্থাপনা জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

  • স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন: ভরি কত ঘোষণা হলো?

    স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন: ভরি কত ঘোষণা হলো?

    বাংলাদেশের স্বর্ণের বাজারে ফের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটি জানিয়েছে, এবার ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। এই নতুন দাম শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে এবং সকাল থেকেই তা প্রযোজ্য।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তেজাবি বা পিওর গোল্ড স্বর্ণের মূল্য বেড়েছে, ফলে সাধারণ পরিস্থিতি বিবেচনায় সংগঠনটি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এর আগে, ২৩ ফেব্রুয়ারিতে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পায়, এবং ২১ ফেব্রুয়ারিতে এই দামের বৃদ্ধি হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। ফলে তিন দফার মধ্যে ভালো মানের স্বর্ণের এক ভরি দাম বেড়েছে মোট ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা।

    নতুন হিসাব অনুযায়ী, এখন ২২ ক্যারেটের সর্বোচ্চ মানের স্বর্ণের এক ভরি দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, যা আগের থেকে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা বাড়িয়ে এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৯১৫ টাকা, ফলে দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।

    অন্যদিকে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারিতে সকাল ১০টার দিকে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়, যা পূর্বের মূল্য ছিল কম। একই সময়ে, ২১ ক্যারেটের ভরির দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, আগের চেয়ে ২ হাজার ৪১ টাকা বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ঐ দিন ১ হাজার ৮০৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা টাকা হয়। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় পৌঁছায়।

    আজ সকাল ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত এসব দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

    আর দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। অনুরূপভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১১৭ টাকা বেড়ে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১১৮ টাকা বেড়ে ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১১৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৪ হাজার ১৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

  • বাংলাদেশে ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার টাকা বেড়েছে

    বাংলাদেশে ভরিতে সোনার দাম ৩ হাজার টাকা বেড়েছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দিয়েছে, যেখানে তারা জানিয়েছে যে দেশের বাজারে ভরের সোনার দাম প্রতি ভরি সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এই যুক্তির ফলে, ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার বাজারমূল্য এখন পৌঁছেছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকায়, যা পূর্বে ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বাজুসের এই ঘোষণা শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে প্রকাশ্যে আসে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সোনার দাম বিশ্ববাজারে বৃদ্ধির প্রভাবের কারণে বাংলাদেশে এই দাম বাড়ানো হয়েছে।

    বিশেষত, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দেশের বাজারে সোনার সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। নতুন নির্ধারিত দামে, ২২ ক্যারেটের সোনার এক ভরি বিক্রি হবে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা, অন্যদিকে ২১ ক্যারেটের ভরি মূল্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা। এছাড়া, ১৮ ক্যারেটের সোনার ভরিের মূল্য দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতিভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকায়।

    অপর দিকে, রুপার দামের ক্ষেত্রেও বাড়তি ছাড় দেয়া হয়েছে। ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি এখন বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭۰৭ টাকায়। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের রুপার জন্য নির্ধারিত মূল্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

    বিশ্ব বাজারেও স্বর্ণের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সময় আজ সকাল ১১:২৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যেখানে আগের দিন সেটা ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার। আরেকটু পিছনে দেখা যায়, ৩০ জানুয়ারিতে স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার, এবং ২৯ জানুয়ারিতে দাম ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

    বিশ্ববাজারে চলমান এই উর্ধ্বগতি দেশের স্বর্ণের দামকেও প্রভাবিত করে। গত মাসের শেষের দিকে যখন বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম আকাশ ছুঁয়েছিল, তখন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি এক ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বৃদ্ধি করে দেশের বাজারে রেকর্ড করে। ফলে, ভালো মানের স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায়, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পর্যায়। এই দামোৎসুতির মধ্যে একবারের জন্যও এতটা বৃদ্ধি আগে দেখা যায়নি।

  • দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    দুই দিনের ব্যবধানে ফের বাড়ল সোনার দাম

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আবারও দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করেছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ভরি প্রতি ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই দামটি সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যা কার্যকর হয়েছে সকাল ১০টার পর থেকে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে, ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায়, যেখানে ২১ ক্যারেটের জন্য ভরি মূল্য ধার্য হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা। এছাড়াও, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা।

    তবে এই মূল্য হিসেবের সঙ্গে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগ হবে। গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির হার ভিন্ন হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থা।

    এর আগে, ২১ ফেব্রুয়ারিতে বাজুস স্বর্ণের দাম পুনরায় সমন্বয় করেছিল। তখন ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি মূল্য ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। চলতি বছর মোট ৩২ বার স্বর্ণের দামের পরিবর্তন হয়েছে, তার মধ্যে ২০ বার দাম বাড়েছে এবং ১২ বার কমেছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম পরিবর্তন হয়েছিল, যেখানে দাম বাড়েছে ৬৪ বার এবং কমেছে ২৯ বার।

    অপরদিকে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়, ২১ ক্যারেটের জন্য মূল্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮০২ টাকায়।

    সাল সব মিলিয়ে, চলতি বছরে রুপার দাম ১৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১১ দফায় দাম বেড়েছে এবং ৭ দফায় কমেছে। গত বছর মোট ১৩ দফা আমি সমন্বয় হয়েছিল, এর মধ্যে ১০ দফায় মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছিল এবং ৩ দফায় কমেছিল।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন: মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পরিবর্তন: মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন মোস্তাকুর রহমান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছেন ব্যাংকের কর্তৃপক্ষ। একই সঙ্গে, বাংলাদেশের অর্থনীতি পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ঘোষণা দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ড. মনসুরের অবশিষ্ট মেয়াদ বাতিল করা হয়েছে এবং তার স্থলে মোস্তাকুর রহমানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যা আগামী চার বছর পুরোপুরি দায়িত্ব পালনের জন্য চুক্তিভিত্তিক ভিত্তিতে নিয়োগ করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য এবং হিরা সোয়েটারের মালিক। তিনি জানান, নিয়োগের জন্য অন্যান্য সব সংস্থার সঙ্গে তার কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই নিয়োগ অনুমোদিত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি এখন থেকে বাংলাদেশের ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করব।’ এর সাথে বেতন, ভাতা এবং অন্যান্য সুবিধা ব্যাংক থেকেই গ্রহণ করবেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, এই নিয়োগের আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। জনস্বার্থে এ ঘোষণা বাস্তবায়নও দ্রুত হয়েছে।

    অন্যদিকে, মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগের খবর প্রকাশিত হওয়ার পর, নতুন গভর্নরের দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে, ড. আহসান এইচ মনসুর তার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কার্যালয় ত্যাগ করেন। তিনি কোনও বলেননি, তবে বুঝতে পারা যায় যে তিনি বর্তমান দায়িত্ব থেকে সরে গেছেন। তিনি জানান, আমি পদত্যাগ করিনি, খবর শুনেছি। এর বাইরে অন্য কোন মন্তব্য করেননি।

    তার এই অনাকাঙ্ক্ষিত ও অপ্রত্যাশিত পদত্যাগের খবরে ব্যাংকের মধ্যে তো বটে, সাধারণের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়ে যায়। গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট, দেশের ক্ষমতা লীগের পরিবর্তনের পর, তখনকার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার পদত্যাগ করেছিলেন। এরপর, ১৩ আগস্ট, ড. আহসান এইচ মনসুরকে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই পরিবর্তন দেশে অর্থনৈতিক পরিস্থিতির এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে ঘটলো।

  • নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকিং খাতকে খাদের কিনারা থেকে তুলে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর এই উদ্যোগের জন্য তিনি প্রশংসিত হন। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এ ব্যাপারে ইতিমধ্যে আশ্বাস দিয়েছেন যে, তিনি পূর্ববর্তী সরকারের নেওয়া প্রগতিশীল সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলোকে অব্যাহত রাখবেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

    তিনি প্রথম দিনই নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ভবিষ্যতের জন্য কিছু দিক নির্দেশনা দেন। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলোকে চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

    খাতের স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এবং অর্থনীতিতে গতি ফিরিয়ে আনতে তিনি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রশংসা করেন। দেড় বছরে বন্ধ হওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় চালু করতে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা, নীতিগত সহায়তা এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করার পরিকল্পনা করেন। এর ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং উৎপাদন বাড়ানোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

    অর্থনীতির মূল চাবিকাঠি হিসেবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বজায় রাখতে গুরুত্ব দেওয়া হবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি উচ্চ সুদের হার পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

    নতুন গভর্নর বিশ্বাস ব্যক্ত করেন, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়ম ও বৈষম্যহীন হবে। কাজের গতি বাড়াতে ‘ডেলিগেশন অব অথরিটি’ কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দায়িত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনাও তিনি প্রকাশ করেন।

    এছাড়াও, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তাদের মধ্যে ‘মবে’ বা জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না, প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র জানিয়েছেন, গভর্নর বলেছেন, তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করে মানানসই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। যারা এই ‘মবে’ কালচার রচনায় যুক্ত রয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও দায়িত্ববোধ নিশ্চিত হয়।

  • নতুন গভর্নর কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে চান

    নতুন গভর্নর কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করতে চান

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান কাজের মাধ্যমেই তার সক্ষমতা এবং যোগ্যতা প্রমাণ করার মনোভাব ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, কথায় নয়, আসলে নিজের দক্ষতা দেখানোর জন্য আমি কাজের মধ্য দিয়ে প্রমাণ করতে চাই। দেশব্যাপী বলিষ্ঠ ও দৃঢ় নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকে প্রবেশ করেন। উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি গভর্নর ও অন্যান্য কর্মকর্তা-ব্যান্কের কর্মকর্তারা। গভর্নর হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের সময় তিনি সাংবাদিকদের জানান, এখন থেকে কর্মের মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে দিতে চান। স্বাভাবিকভাবে, আগে কাজ শুরু করব, তখনই বলা যাবে কি প্রকৃতপক্ষে আমি কতটাই বা দক্ষ।

    গভর্নর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয় গিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পন্ন করেন। এরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে উপস্থিত হন।

    বুধবার বিকেলে তাকে চার বছর মেয়াদে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সরকার ঘোষণা করে। তিনি বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতির আদেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ তাকে নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এছাড়াও সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    মোস্তাকুর রহমানের জন্ম ১৯৬৬ সালে ঢাকায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি তিনি অর্জন করেন। এর পর তিনি দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড М্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে এফসিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

    অসাধারণ যোগ্যতা ও কর্মক্ষমতা দিয়ে তাঁর নেতৃত্বে দেশব্যাপী বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ছে। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য গঠিত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ২৩তম সদস্য ছিলেন।

    ব্যবসায়ী জীবনে তিনি পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর সদস্য। পাশাপাশি তিনি নারায়ণগঞ্জের হেরা সোয়েটার্স নামক পরিবেশবান্ধব কারখানার ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন।

  • সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

    সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত বেড়েছে

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) ঘোষণা দিয়েছে যে, দেশের স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বেড়েছে। তাদের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রতিভরিতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা পর্যন্ত মূল্য বৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, বিভাগে মানসম্পন্ন (২২ ক্যারেট) সোনার ভরির দাম বেড়ে এখন ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা হয়েছে, যা আগে ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা। এই দাম পরিবর্তন সম্প্রতি, গতকাল (২১ ফেব্রুয়ারি) শনিবার, ভোর ১০:১৫ মিনিট থেকে কার্যকরী হয়েছে।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় দেশের বাজারেও এর প্রভাব পড়ছে এবং দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। দেশের মানদণ্ড অনুযায়ী, সর্বোচ্চ মানের ২২ ক্যারেটের একটি ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি বাজারমূল্য এখন ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের জন্য ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

    অতিরিক্ত, মোটা আকারে পরিমাণে রুপার দামেও বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য এখন ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির জন্য ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামও ঊর্ধ্বমুখী। আন্তর্জাতিক মূল্য নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সময় সকাল ১১:২৫ এর সময়ে এক আউন্স স্বর্ণের আন্তর্জাতিক মূল্য ছিল ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যা আগের দিন ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার।

    অতীতে, ৩০ জানুয়ারি এই দাম ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারি তা ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার। গত মাসের শেষের দিকে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম ব্যাপকভাবে বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি ঘটে। ২৯ জানুয়ারি স্বর্ণের মূল্য ভরিপ্রতি ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বেড়ে ওঠে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই সময়, মানসম্পন্ন এক ভরি স্বর্ণের দাম বেড়ে দাঁড়ায় ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা, যা আগে কখনো হয়নি।