অর্থনীতি বর্তমানে খুবই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বাজেটে কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশের অর্থনীতির চেহারা বদলে দিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের বিকল্প নেই। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তৈরি হবে কর্মসংস্থান, যা দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি।
শুক্রবার তিনি চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা বানৌজা উল্কা আবাদ অঞ্চল-২ এর পশ্চিম পাশে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা জমির পরিদর্শন করেন। পরে, পতেঙ্গায় একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা ১৪ দশমিক ২১৯০ একর এবং আরও ২ দশমিক ৭ একর জমি পরিদর্শন করেন তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর দক্ষিণাঞ্চলে এখনও কোনো হাসপাতাল নেই। সেখানে একসাথে একটি সাধারণ হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল হাসপাতাল নির্মাণের, তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেখানে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে।
অর্থনীতির অস্থিরতা সংশ্লিষ্ট এক প্রশ্নে তিনি জানান, অর্থনীতির উন্নতির জন্য কর বাড়ানো অপরিহার্য। কর বাড়ানো арқылы বিনিয়োগকে আকর্ষণ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো বিনিয়োগ। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না, এ জন্য সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে। বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্র, স্বাস্থ্য সেবা এবং কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
এই পরিদর্শনের সময় কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান মন্ত্রীকে জমির অবস্থা, ভৌগোলিক পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পারিপার্শ্বিক সুবিধা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, সদস্য সরফরাজ কাদের রাসেল, এডভোকেট মফিজুল হক ভুইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি এইচএম রাশেদ খান।
