Category: অর্থনীতি

  • দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বৃদ্ধি পেলো

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভ বৃদ্ধি পেলো

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এখন ৩৪ দশমিক ০৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩৪ হাজার ৫৭ দশমিক ৪৮ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান আজ এই তথ্য জানান। ১৮ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। এর আগে, ২০২৩ সালের ২৯ মার্চ পর্যন্ত রিজার্ভ ছিল ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে নির্ধারিত রিজার্ভ ছিল ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় ব্যাংক নোটিস অনুযায়ী, দেশের মোট রিজার্ভের মধ্যে স্বল্পমেয়াদি দায় বাদ দিয়ে প্রকৃত বা নিট রিজার্ভ হিসাব করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে। এই নিট রিজার্ভ দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখা ও প্রাথমিক দারুণ আমদানি ও ঋণ পরিশোধের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

  • প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: ২৮ দিনে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: ২৮ দিনে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    চলতি মার্চ মাসে দেশের প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। মাত্র ২৮ দিনে দেশের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন মোট ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশে কোনো এক মাসে রেকর্ডসংখ্যক প্রবাসী আয়। এই খবর সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান নিশ্চিত করেছেন।

    অতীতে মার্চ মাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা এখন পর্যন্ত এক মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। তবে এ বছর প্রথম ২৮ দিনে এই অঙ্ক ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাংকাররা বলছেন, রমজান ও ঈদ উৎসবের সময় প্রবাসীদের প্রেরণা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। পাশাপাশি, মধ্যপ্রাচ্যসহ অন্যান্য দেশের ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার কারণে অনেক প্রবাসী তাদের সঞ্চিত অর্থ দ্রুত দেশে পাঠাচ্ছেন। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, অর্থবছরের প্রথম দিকে জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসে পৌঁছেছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮.৮০ শতাংশ বেশি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন প্রায় ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা দেশের ইতিহাসে একেবারেই নতুন এক রেকর্ড।

    তবে, বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে প্রবাসী আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এটি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে। সংঘাত যদি দ্রুত শেষ হয়, তবে প্রভাব কম থাকতে পারে। কিন্তু সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসী আয় ব্যাপকভাবে কমে যেতে পারে, যা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি করবে।

    সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৭ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। দেশের জনশক্তি রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজারও এই অঞ্চল। ফলে, এই অঞ্চলে কোনো ধরনের অস্থিরতা বা সংকট দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ও কর্মসংস্থানের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার নিচে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪ বিলিয়ন ডলার নিচে

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকুচিত হয়ে বর্তমানে ৩৪ বিলিয়ন ডলার নিচে এসে দাঁড়িয়েছে। রোববারের দিনশেষে মোট রিজার্ভ ছিল ৩৩.৯৯ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র, আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২৯.৩০ বিলিয়ন ডলার। আরিফ হোসেন খান বলেন, মূলত বিভিন্ন দেশের সঙ্গ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের মূল্য পরিশোধের কারণে রিজার্ভ কিছুটা কমে গেছে। তবে, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ভালো থাকায় রিজার্ভের ওপর চাপ কিছুটা কমে এসেছে। অন্যথায়, রিজার্ভ আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। বর্তমানে পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যায়, রিজার্ভ এখনো সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সূত্র ও জানায়, এর আগে গত ১৬ মার্চ রিজার্ভ ছিল ৩৪.২২ বিলিয়ন ডলার, যা বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে ছিল ২৯.৫২ বিলিয়ন ডলার। বিএন ব্যাংকের এক অভ্যন্তরীণ হিসাব রয়েছে, যা নিয়মিত প্রকাশ হয় না, তবে জানা গেছে, প্রকৃত বা নিট আন্তর্জাতিক রিজার্ভ (এনআইআর) বর্তমানে প্রায় ২৬ বিলিয়ন ডলার কাছাকাছি।

    বর্তমানে রিজার্ভ দিয়ে প্রতি মাসে গড়ে ৫.৫ বিলিয়ন ডলার আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব, যার মাধ্যমে প্রায় পাঁচ মাসের আমদানি খরচ পূরণ করা যায়। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কমপক্ষে তিন মাসের সামগ্রিক আমদানির প্রয়োজনীয় অর্থ থাকা উচিত। সেই দিক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভ এখনও স্বস্তিদায়ক অবস্থানে রয়েছে। বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দেশের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি সূচক হিসেবে বিবেচিত হয়।

  • ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ৪৫৩৯ টাকা

    ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ৪৫৩৯ টাকা

    দেশের বাজারে আবারও বৃদ্ধি পেলো সোনার মূল্য। আজ শনিবার সকালের প্রথম দিকে, অর্থাৎ সকাল ১০টায়, বাংলাদেশের জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) একটি জরুরি সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোনার দাম বৃদ্ধি করার ঘোষণা দেয়। বিকেল ৪টার পর থেকে নতুন দাম কার্যকর করা হয়।

    বাজুস জানিয়েছে, তেজাবী সোনার দাম বৃদ্ধির ফলে দেশের বাজারেও সোনা দামের এই পরিবর্তন এসেছে। আজ (২১ মার্চ) দুপুর ৩টা ৪৫ মিনিটে বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং-এর সভায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। ওই সময় থেকে নতুন মূল্যতালিকা কার্যকর হয়, যা সব জুয়েলারি দোকানে একসঙ্গে প্রয়োগ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি ভরি দাম হেঁটে বেড়িয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকায়, যা আগে ছিল ২ লাখ ৩৬ হাজার ৯০৬ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেট সোনার দাম এখন প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২৬ টাকা। অন্যদিকে, ১৮ ক্যারেট সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫২৯ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা।

    বাজুস সূত্রে জানানো হয়েছে যে, যদিও সোনার দাম বাড়ছে, রূপার দাম অপরিবর্তিত থাকছে। তবে সকালে রুপার দাম এক দফা বেড়েছে। সেই অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি দাম এখন ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৫ হাজার ১২৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি ৪ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা ৩ হাজার ৩২৪ টাকায় নির্ধারিত হয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, এই নতুন দামগুলো পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত সারাদেশে কার্যকর থাকবে। এক্ষেত্রে ক্রেতাদের থেকে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাটও আদায় করা হবে।

  • আলফালাহ ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম বিক্রি করছে — দাম প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার

    আলফালাহ ব্যাংক বাংলাদেশে কার্যক্রম বিক্রি করছে — দাম প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার

    পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেড তাদের বাংলাদেশের কার্যক্রম বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং শেয়ারহোল্ডাররা তা অনুমোদন করেছে। ব্যাংকটির ৭৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে এবং সভার কার্যবিবরণী পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া হয়েছে।

    বিক্রয় চুক্তি অনুযায়ী ব্যাংক আলফালাহ বাংলাদেশে থাকা সহযোগী কার্যক্রমগুলো ঢাকাভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংক ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডকে হস্তান্তর করবে। এই লেনদেনের ভিত্তিমূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫৮০ কোটি টাকা, যা আনুমানিক ৪ কোটি ৭৫ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার)।

    বিক্রয়মূল্য চূড়ান্ত করার সময় প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী কিছু সমন্বয় (অ্যাডজাস্টমেন্ট) করা হতে পারে। পাশাপাশি সম্পূর্ণ লেনদেনটি স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দুই দেশসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল হবে।

    ব্যাংক এশিয়া সম্পর্কে জানালে, এটি ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং পরবর্তী সময়ে ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ হিসেবে ব্যাংক অব নোভা স্কটিয়া ও মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক (এমসিবি)–র বাংলাদেশ শাখাগুলো অধিগ্রহণ করে। ২০০১ সালে স্কটিয়া ব্যাংকের স্থানীয় কার্যক্রমও ব্যাংক এশিয়া নিলিস।

    অপরদিকে, ব্যাংক আলফালাহ পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান ব্যাংক হিসেবে দেশজুড়ে ২০০টিরও বেশি শহরে ১,০২৪টিরও বেশি শাখা পরিচালনা করে। এর আন্তর্জাতিক উপস্থিতিও লক্ষ্যনীয় — আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রতিষ্ঠানটির শাখা রয়েছে।

    উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতে আলফালাহ আফগানিস্তানে তাদের কার্যক্রম থেকে পর্যায়ক্রমে বিনিয়োগ প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিল। সেই প্রেক্ষিতে স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গজনফর ব্যাংককে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই বা ডিউ ডিলিজেন্স শুরু করার অনুমোদন দিয়েছে।

    সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • মার্চের ২৮ দিনে রেকর্ড রেমিট্যান্স: দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    মার্চের ২৮ দিনে রেকর্ড রেমিট্যান্স: দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    চলতি মার্চে মাত্র ২৮ দিনে প্রবাসী আয় নতুন রেকর্ড গড়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার জানান, ওই সময়ের মধ্যে দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স — যা কোনো এক মাসে আগের সর্বোচ্চ রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে।

    আগের রেকর্ডও মার্চ মাসেই ছিল; তখন দেশে এসেছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার বলে Bangladesh Bank-এর তথ্যে বলা ছিল। এবার সেই রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে চলতি বছরের মার্চের প্রথম ২৮ দিনের সংগ্রহ।

    ব্যাংকারদের ভাষ্য অনুযায়ী, রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে প্রত্যেক বছরই প্রবাসী পাঠানো অর্থ বাড়ে। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার প্রভাবে অনেক প্রবাসী তাদের সঞ্চিত অর্থ নিরাপদে দেশে পাঠিয়ে থাকতে পারেন। রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়ে যাওয়ায় সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।

    ডেটা অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮.৮০ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার (৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার), যা এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স রেকর্ড হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।

    তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক সতর্ক করেছে যে, ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এটি প্রবাসী আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি দেখা দিতে পারে; আবার যদি সংঘাত দ্রুত সমাধান হয়, তখন সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সীমিত থাকবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী দেশের মোট প্রবাসী আয়ের প্রায় ৪৭ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে; মধ্যপ্রাচ্যই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। তাই ওই অঞ্চলে কোনো বড় ধরনের টানাপোড়েন ঘটলে তা কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

  • মার্চে ২৮ দিনে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    মার্চে ২৮ দিনে প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    চলতি মার্চ মাসে মাত্র ২৮ দিনে দেশে প্রবাসী আয়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রোববার জানান, ওই সময়েই দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স—একই মাসে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ এই মাত্রা।

    এর আগে মার্চেই সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার, যা এবারের এই প্রবেশকে ছাড়িয়ে গেছে। ব্যাংকারদের ধারণা, রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই প্রবাসী আয় বাড়ে; তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে অনেকে নিরাপত্তা আবহে তাদের সঞ্চিত অর্থ দেশে পাঠিয়ে থাকতে পারেন। রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৮০ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা এবার পর্যন্ত দেশে পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স—এটিও কোনো একটি অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেকর্ড বলে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে।

    তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাম্প্রতিক ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে তা প্রবাসী আয় এবং রেমিট্যান্স প্রবাহে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এমন পরিস্থিতি চললে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামগ্রিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতার ওপর ঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, সংঘাত দ্রুত শেষ হলে সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব সীমিত রাখা যেতে পারে; কিন্তু দীর্ঘস্থায়ী হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসী আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে পারে, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যে চাপ সৃষ্টি করবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের অন্য একটি তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৪৭ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। মধ্যপ্রাচ্যই বাংলাদেশের শ্রমশক্তি রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার হওয়ায় এই অঞ্চলের কোনো সংকট সরাসরি কর্মসংস্থান ও রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে নীতি নির্মাতা ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে পরিস্থিতি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

  • আলফালাহ ব্যাংক বিক্রি করছে বাংলাদেশের কার্যক্রম—দাম ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার

    আলফালাহ ব্যাংক বিক্রি করছে বাংলাদেশের কার্যক্রম—দাম ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার

    পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেড তাদের বাংলাদেশের ব্যবসা বিক্রির প্রস্তাব শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদন পেয়েছে। ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডকে প্রায় ৫৮০ কোটি টাকায় (প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) বাংলাদেশে আলফালাহের সব কার্যক্রম হস্তান্তর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    এই সিদ্ধান্ত ব্যাংক আলফালাহের ৭৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় গৃহীত হয়েছে এবং সভার কার্যবিবরণী গত শুক্রবার পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া হয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের গৃহীত প্রস্তাব অনুযায়ী বিক্রয়মূল্যকে ভিত্তি মূল্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং এ অর্থিক প্রতিদান হিসাবেই প্রদানের কথা রয়েছে।

    বিক্রয়মূল্য চূড়ান্তকরণের সময় প্রযোজ্য আইন ও বিধি মোতাবেক ব্যাংক এশিয়ার সঙ্গে একীভূতকরণের সময় কিছু সমন্বয় (অ্যাডজাস্টমেন্ট) করা হতে পারে। পাশাপাশি সম্পূর্ণ লেনদেনটি স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং উভয় দেশের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।

    ব্যাংক এশিয়া ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করে এবং পরে ব্যাংক অব নোভা স্কটিয়া ও মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংকের (এমসিবি) দেশের শাখাগুলো ক্রয়ের মাধ্যমে দ্রুত সম্প্রসারণ করে। ২০০১ সালে ব্যাংকটি স্কটিয়া ব্যাংকের দেশীয় কার্যক্রমও অধিগ্রহণ করে।

    আলফালাহ ব্যাংক পাকিস্তানের অন্যতম বৃহৎ ব্যanked; দেশের ২০০টিরও বেশি শহরে ১ হাজার ২৪টির বেশি শাখা রয়েছে। এর পাশাপাশি ব্যাংকটির আন্তর্জাতিক উপস্থিতি আছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে। চলতি বছরের শুরুতে আলফালাহ আফগানিস্তানের বাজার থেকে তাদের কার্যক্রম থেকে ডাইভেস্টমেন্ট করেছে এবং তখন স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান ও আফগানিস্তান কেন্দ্রীয় ব্যাংক গজনফর ব্যাংককে প্রয়োজনীয় ডিউ ডিলিজেন্স (জরুরি যাচাই-বাছাই) শুরু করার অনুমোদন দিয়েছিল।

    এই প্রস্তাব কাজের ধারা অনুসারে এখন নিয়মগত অনুমোদন, চূড়ান্ত মূল্য নির্ধারণ এবং একীভূতকরণ সংক্রান্ত সমন্বয়ের জন্য অপেক্ষা করবে। সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: মার্চের ২৮ দিনে দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    প্রবাসী আয়ে নতুন রেকর্ড: মার্চের ২৮ দিনে দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার

    চলতি মার্চ মাসে প্রবাসী আয়ে নতুন উচ্চতা ছুঁয়েছে বাংলাদেশ। মাসের প্রথম ২৮ দিনে দেশে এসেছে ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ (প্রায় ৩.৩৩ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। রোববার এই তথ্য প্রকাশ করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসাইন খান।

    এর আগের একক মাসের সর্বোচ্চ রেকর্ড ছিল একইভাবে মার্চে—৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার। কিন্তু চলতি বছরের মার্চের প্রথম ২৮ দিনেই তা ছাড়িয়ে গিয়েছে।

    ব্যালেন্স শীট বিশ্লেষক ও ব্যাংকারদের মতে, রমজান ও ঈদ-উৎসবকে সামনে রেখে প্রতি বছরই এই সময়ে প্রবাসী আয় বাড়ে। তাছাড়া মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ইসরায়েল–ইরান উত্তেজনার কারণে অনেক প্রবাসী নিরাপত্তাহীনতা বা অনিশ্চয়তার মধ্যেই সঞ্চিত অর্থ দেশ পাঠাতে থাকতে পারেন, যা রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করছে। রেমিট্যান্স বৃদ্ধি দেশীয় বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের ওপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত দেশের মোট রেমিট্যান্স হয়েছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ৫০ লাখ ডলার—এটি আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ১৮.৮০ শতাংশ বেশি। পুরো ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন মোট ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা কোনো এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেকর্ড হিসেবে ধরা পড়েছে।

    তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তাদের সর্বশেষ ত্রৈমাসিক প্রতিবেদনে সতর্ক করেছে যে, ইরান-সংক্রান্ত সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে এটি প্রবাসী আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতায় ঝুঁকি তৈরি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। সংঘাত দ্রুত সমাধান না হলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রবাসী আয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পতন ঘটতে পারে, যা দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্যকে চাপ দিতে পারে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান দেখা গেছে—দেশের মোট রেমিট্যান্সের প্রায় ৪৭ শতাংশ আসে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে; মধ্যপ্রাচ্যই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার। সুতরাং ওই অঞ্চলের কোনো সংকট সরাসরি কর্মসংস্থান আর রেমিট্যান্স প্রবাহে 큰 প্রভাব ফেলতে পারে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থনীতিবিদরা বর্তমান প্রবণতা ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নজরদারি করেই প্রয়োজনীয় নীতি-পরামর্শ এবং তদারকি অব্যাহত রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন।

  • আলফালাহ ব্যাংক ব্যাংক এশিয়াকে বাংলাদেশি কার্যক্রম বিক্রি করছে — ৫৮০ কোটি টাকায় (প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার)

    আলফালাহ ব্যাংক ব্যাংক এশিয়াকে বাংলাদেশি কার্যক্রম বিক্রি করছে — ৫৮০ কোটি টাকায় (প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার)

    পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আলফালাহ লিমিটেড তাদের বাংলাদেশে থাকা ব্যবসা ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডকে বিক্রির প্রস্তাব শেয়ারধারীদের অনুমোদন পেয়েছে। ব্যাংকটির ৭৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এই সিদ্ধান্ত জানানো হয় এবং সভার কার্যবিবরণী পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে জমা দেওয়া হয়েছে।

    শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে আলফালাহ তাদের বাংলাদেশি কার্যক্রম ব্যাংক এশিয়ার কাছে হস্তান্তর করবে। লেনদেনের ভিত্তি মূল্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৮০ কোটি টাকা, যা প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান।

    বিক্রয় মূল্য চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন ও নিয়ম অনুযায়ী একীভূতকরণের সময় কিছু অ্যাডজাস্টমেন্ট (সমন্বয়) করা হতে পারে। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়াটি স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং উভয় দেশের অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের ওপর নির্ভরশীল থাকবে।

    ব্যাংক এশিয়ার পরিচয় ও প্রসঙ্গ: ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক পরবর্তী সময়ে দেশীয় ব্যবসা সম্প্রসারণে ব্যাংক অব নোভা স্কটিয়া এবং মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেড (এমসিবি)–এর বাংলাদেশ শাখা ক্রয়ে এগিয়ে এসেছে। ২০০১ সালে ব্যাংকটি স্থানীয়ভাবে স্কটিয়া ব্যাংকের কার্যক্রমও অধিগ্রহণ করেছিল।

    আলফালাহ ব্যাংক সম্পর্কে: পাকিস্তানের একটি বৃহৎ বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে আলফালাহ দেশের ২০০-এরও বেশি শহরে ১,০২৪টির বেশি শাখা পরিচালনা করে। এর আন্তর্জাতিক উপস্থিতি রয়েছে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

    চলতি বছরের শুরুতে আলফালাহ আফগানিস্তানে তাদের কার্যক্রম থেকে বিনিয়োগ প্রত্যাহারের (ডাইভেস্টমেন্ট) পদক্ষেপ নিয়েছিল। সেই প্রক্রিয়ায় স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গজনফর ব্যাংককে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই (ডিউ ডিলিজেন্স) শুরু করার অনুমতি দিয়েছিলেন।

    এখনকার সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশি শাখাগুলো ব্যাংক এশিয়ার পরিচালনায় যাবে এবং লেনদেন সম্পন্ন হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় সব নিয়মকানুন ও অনুমোদন পূরণ করতে হবে।

    সূত্র: আজকের পত্রিকা