Category: অর্থনীতি

  • পাকিস্তানের আলফালাহের বাংলাদেশি শাখা ব্যাংক এশিয়ার কাছে বিক্রি — মূল্য ৫৮০ কোটি টাকা (প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার)

    পাকিস্তানের আলফালাহের বাংলাদেশি শাখা ব্যাংক এশিয়ার কাছে বিক্রি — মূল্য ৫৮০ কোটি টাকা (প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার)

    পাকিস্তানের অন্যতম বাণিজ্যিক ব্যাংক আলফালাহ লিমিটেড তাদের বাংলাদেশে চলমান কার্যক্রম ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডকে বিক্রি করার প্রস্তাব শেয়ারহোল্ডারদের সম্মতিতে অনুমোদন করেছে। বিক্রির সম্মত চুক্তিমূল্য প্রাথমিকভাবে ৫৮০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা বর্তমান বাজারদরে প্রায় ৪৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সমান।

    এই সিদ্ধান্তটি ব্যাংক আলফালাহের ৭৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) গৃহীত হয় এবং সভার কার্যবিবরণী পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে (পিএসএক্স) জমা দেওয়া হয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের নির্মিত প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে তাদের শাখা, কর্মস্থল ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম ব্যাংক এশিয়ার কাছে হস্তান্তর করা হবে এবং এর বিনিময়ে উল্লেখিত ভিত্তি মূল্য প্রদান করা হবে।

    চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের সময়ে প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালা অনুসারে একীভূতকরণের ক্ষেত্রে কিছু আর্থিক ও অপারেশনাল সমন্বয় (অ্যাডজাস্টমেন্ট) করতে হতে পারে। এছাড়া সম্পূর্ণ লেনদেনটি কার্যকর করার জন্য স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান, বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দুই দেশের অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন আবশ্যক।

    ব্যাংক এশিয়া ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া একটি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক। পরবর্তীতে তারা ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ব্যাংক অফ নভা স্কটিয়া ও মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (এমসিবি) বাংলাদেশ শাখা-কেন্দ্রিক কিছু কার্যক্রম ক্রয় করেছে; ২০০১ সালে বিশেষ করে স্কটিয়া ব্যাংকের স্থানীয় কার্যক্রমও তাদের মালিকানায় এসেছে।

    অপরদিকে, ব্যাংক আলফালাহ পাকিস্তানের সবচেয়ে বড় ব্যাংকগুলোর মধ্যে গণ্য। দেশজুড়ে ২০০টিরও বেশি শহরে এর ১,০২৪টিরও বেশি শাখা রয়েছে এবং আন্তর্জাতিকভাবে আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে এটির উপস্থিতি রয়েছে।

    চলতি বছরের শুরুতেই ব্যাংক আলফালাহ আফগানিস্তানে তাদের কার্যক্রম থেকে ডাইভেস্টমেন্টের পদক্ষেপ নেয়। তাতে স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান (এসবিপি) ও আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গজনফর ব্যাংককে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই বা ডিউ ডিলিজেন্স শুরু করার অনুমোদন দিয়েছে।

    সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে সোনার দাম বাড়ল ৪৫৩৯ টাকা

    ৬ ঘণ্টার ব্যবধানে সোনার দাম বাড়ল ৪৫৩৯ টাকা

    দেশের বাজারে ছয় ঘণ্টার মধ্যে সোনার মূল্য আবারও বাড়েছে—প্রতি ভরিতে ৪৫৩৯ টাকা বেড়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানায়, আজ শনিবার সকাল ১০টায় নেওয়া এক জরুরি সিদ্ধান্তের পর বিকেলে আবার দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে বৈঠক করে নতুন মূল্য তালিকা ঘোষণা করে। ওই তালিকা অনুযায়ী নতুন দাম আজই বিকেল ৪টা থেকে সারা দেশের জুয়েলারি দোকানে কার্যকর করা হয়েছে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তা চালু থাকবে। বাজুস জানিয়েছে, এই সিদ্ধান্তে তেজাবী (বহির্বিশ্ব বা বাজার) সোনার দাম বৃদ্ধি নীতিগতভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী ২২ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা, যা সকালে থাকা ২ লাখ ৩৬ হাজার ৯০৬ টাকার তুলনায় ৪৫৩৯ টাকা বেশি। ২১ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি নির্ধারিত হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২৬ টাকা। ১৮ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫২৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম প্রতি ভরি ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৪৭ টাকা করা হয়েছে।

    রুপার দাম এই রাউন্ডে অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে, যদিও সকালে এক দফায় রুপার দাম বাড়ানো হয়েছিল। বর্তমান তালিকায় ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরির দাম ৫ হাজার ৩৬৩ টাকা, ২১ ক্যারেট রুপা ৫ হাজার ১২৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট রুপা ৪ হাজার ৪৩১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৩২৪ টাকা রয়েছে।

    বাজুস জানিয়েছে, ঘোষিত এই মূল্যে ক্রেতাদের কাছ থেকে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাটও নেওয়া হবে। সংগঠন বলেছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে নতুন মূল্য কার্যকর থাকবে।

  • পাকিস্তানের আলফালাহ বাংলাদেশি ইউনিট বিক্রি করছে ব্যাংক এশিয়াকে — মূল্য ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার

    পাকিস্তানের আলফালাহ বাংলাদেশি ইউনিট বিক্রি করছে ব্যাংক এশিয়াকে — মূল্য ৪৭.৫ মিলিয়ন ডলার

    পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আলফালাহ লিমিটেড তাদের বাংলাদেশে থাকা ব্যবসা ইউনিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ব্যাঙ্কটির শেয়ারহোল্ডাররা এ প্রস্তাব অনুমোদন করে জানায় যে এই কার্যক্রম ব্যাংক এশিয়া লিমিটেডের কাছে প্রায় ৫৮০ কোটি টাকা, অর্থাৎ আনুমানিক ৪৭.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বিক্রি করা হবে।

    এই সিদ্ধান্তটি আলফালাহর ৭৮তম বার্ষিক সাধারণ সভায় গৃহীত হয় এবং সভার কার্যবিবরণী গত শুক্রবার পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জে (PSX) জমা দেওয়া হয়েছে। শেয়ারহোল্ডারদের নেওয়া প্রস্তাবে বলা হয়েছে যে বাংলাদেশে আলফালাহয়ের সম্পূর্ণ কার্যক্রম ব্যাংক এশিয়ার কাছে হস্তান্তর করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে এবং লেনদেনের ভিত্তি মূল্য হিসেবে ৫৮০ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিক্রয়মূল্য চূড়ান্ত করার সময় প্রয়োজনে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুসারে কিছু সমন্বয় (অ্যাডজাস্টমেন্ট) হতে পারে। সম্পূর্ণ লেনদেনটি স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান, বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক ও উভয় দেশের অন্যান্য সম্পর্কিত নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদনের উপর নির্ভরশীল থাকবে।

    ব্যাংক এশিয়া ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত ও বাংলাদেশি বাণিজ্যিক বাজারে সক্রিয় একটি প্রাইভেট সেক্টর ব্যাংক। এ ব্যাংক পরে ব্যাংক অব নোভা স্কটিয়ার বাংলাদেশ শাখাসহ মুসলিম কমার্শিয়াল ব্যাংক লিমিটেডের (MCB) কিছু শাখা অধিগ্রহণ করে ব্যবসা বাড়িয়েছে; ২০০১ সালে স্কটিয়া ব্যাংকের দেশীয় কার্যক্রমও এ ব্যাংক অধিগ্রহণ করেছিল।

    অপরদিকে, আলফালাহ পাকিস্তানের অন্যতম বড় ব্যাঙ্ক হিসেবে খ্যাত। দেশের বিস্তীর্ণ নেটওয়ার্কে এর ২০০টির বেশি শহরে ১ হাজার ২৪টিরও বেশি শাখা রয়েছে। এছাড়া আলফালাহের আন্তর্জাতিক উপস্থিতিও রয়েছে—আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে তাদের কার্যক্রম রয়েছে।

    চলতি বছরের শুরুতে আলফালাহ আফগানিস্তানে তাদের কার্যক্রম থেকে ডাইভেস্টমেন্টের প্রাথমিক পদক্ষেপ নিয়েছিল। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গজনফর ব্যাংককে সেখানে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই বা ডিউ ডিলিজেন্স শুরু করার অনুমোদন দিয়েছে।

    সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • আয়কর রিটার্ন জমানোর চূড়ান্ত সময়সীমা ৩১ মার্চ

    আয়কর রিটার্ন জমানোর চূড়ান্ত সময়সীমা ৩১ মার্চ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তিগত করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমানোর শেষ সময়সীমা প্রায় শেষের দিকে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দাখিলের সব প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণত সময়সীমা ছিল ৩০ নভেম্বর, কিন্তু এবার তা তিন দফায় বৃদ্ধি করে চূড়ান্তভাবে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এনবিআর জানিয়েছে এবার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ফলে করদাতারা ঘরে বসেই এনবিআরের নির্ধারিত পোর্টালে ই-রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। সিস্টেম সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও চলবে, তাই যে কোনো সময় অনলাইনে রিটার্ন করা যাবে।

    এখন দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী আছেন। করযোগ্য আয় থাকলে তাদের রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। উপাত্ত অনুযায়ী এখনও পর্যন্ত প্রায় ৪১ লাখ করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন এবং ৫০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করার জন্য নিবন্ধন নিয়েছেন।

    ই-রিটার্ন জমা দেয়ার প্রক্রিয়া সহজ: প্রথমে এনবিআরের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করবেন, তারপর ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে রিটার্ন জমা দিতে হবে। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় সাধারণত কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না; প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করলেই কাজ সম্পন্ন হয়। একই সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে কর পরিশোধও করা যায়। ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে কর পরিশোধের সুবিধা রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে রিটার্ন জমা দিলে ভুল হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা জরিমানা ও আইনি জটিলতায় ফেলতে পারে। তাই সময় থাকতেই আয়-ব্যয়ের হিসাবগুলো প্রস্তুত করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখা, অনলাইন সিস্টেমে লগইন করে তথ্য যাচাই করা এবং জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য আবার পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ। প্রয়োজনে বিশ্বাসযোগ্য কর পরামর্শকের সাহায্য নিলে ভুলের সম্ভাবনা কমে।

    এনবিআরই বলছে, সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা ঝামেলা এড়িয়ে যেতে পারবেন এবং অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা পুরোপুরি benut করতে পারবেন। তাই যারা এখনো রিটার্ন জমা দেননি, তাদের জন্য বলছি—বিলম্ব না করে দ্রুত প্রস্তুতি নিয়ে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দিন।

  • আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ মার্চ

    আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ মার্চ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তি করদাতাদের আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা শেষ হতে আর মাত্র সাত দিন বাকি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, সকল রিটার্ন আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সুষ্ঠুভাবে জমা দিতে হবে।

    সাধারণত রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩০ নভেম্বর থাকলেও এইবার সময় তিন দফায় বৃদ্ধি করে চূড়ান্ত সময়সীমা ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআর আরও জানিয়েছে যে এবার অনলাইনে আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, ফলে করদাতারা বাড়িতে বসেই নির্ধারিত পোর্টালে ই-রিটার্ন পূরণ ও জমা দিতে পারবেন। অনলাইন সার্ভিস সাপ্তাহিক এবং সরকারি ছুটির দিনেও চালু থাকবে।

    এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখের বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। করযোগ্য আয় থাকলে এই করদাতাদের রিটার্ন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪১ লাখ রিটার্ন দাখিল হয়েছে এবং ৫০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

    অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার নিয়ম সহজ। করদাতাদের প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। পরে ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে রিটার্ন সাবমিট করতে হবে। অনলাইনে রিটার্ন দেওয়ার সময় সাধারণত কোনো কাগজপত্র আপলোড করার প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজনীয় হিসাব-তথ্য পূরণ করলেই চালিয়ে দেয়া যায়।

    একই সঙ্গে অনলাইনে কর পরিশোধের সুবিধাও আছে। ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে আয়কর চুকানো যাবে।

    বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে রিটার্ন জমা দিলে ভুলের সম্ভাবনা বেশি থাকে এবং সেটি জরিমানা বা আইনি জটিলতায় পরিণত হতে পারে। তাই সময় আছে এখন থেকেই রিটার্ন প্রস্তুত করে ধাপে ধাপে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

    রিটার্ন জমার পূর্বে করদাতাদের করতে হবে — আয়-ব্যয়ের হিসাব আগেই প্রস্তুত রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করা, অনলাইন সিস্টেমে লগইন করে তথ্য যাচাই করা এবং জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য একবার ভালোভাবে পরখ করা। প্রয়োজনবোধে কর পরামর্শকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সহায়তা নেওয়াও স্মার্ট সিদ্ধান্ত।

    কর প্রশাসন বলছে, সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই রিটার্ন জমা দিলে করদাতারা ঝামেলা থেকে রেহাই পাবেন এবং অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা পুরোপুরি উপভোগ করতে পারবেন।

  • নতুন নির্দেশনায় ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়ল

    নতুন নির্দেশনায় ক্রেডিট কার্ডের ঋণসীমা বাড়ল

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনাকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করে তোলার উদ্দেশ্যে নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। রোববার ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। গাইডলাইনে ঋণসীমা বৃদ্ধি ছাড়াও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, গ্রাহক অধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তির ব্যাপারে নতুন নির্দেশনা রাখা হয়েছে।

    দৈনন্দিন জীবনে নগদ বহনে যেসব অসুবিধা দেখা যায়, সেগুলোকে কাটিয়ে উঠতে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে। সার্ভিসের পরিধি আরও বিস্তৃত হওয়ায় এই খাতে বিদ্যমান জটিলতা কমানো এবং নিরাপত্তা ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার প্রয়োজন দেখা দেয়। সেই প্রেক্ষিতে পুরনো নীতিমালা হালনাগাদ করে একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

    নেতৃত্বের কথায় নতুন নির্দেশনায় ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে, গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য ও অধিকার রক্ষায় কঠোর বিধান আনা হয়েছে এবং দায়িত্বশীল ঋণ প্রদানকে উৎসাহিত করে নগদহীন লেনদেনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইনে যে বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের ধরন, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ক্রেডিট সীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন নীতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্য গোপনীয়তা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    গাইডলাইনের প্রধান পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রদেয় সর্বোচ্চ ঋণসীমা বৃদ্ধি। আগের সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা থেকে তা এখন ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউরড) ঋণের সীমাও ১০ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধে যে জটিলতা দেখা দিতে পারে এবং বিরোধ নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া—এসব বিবেচনা করে গাইডলাইনে প্রয়োজনীয় সংশোধনী ও স্পষ্টীকরণ আনা হয়েছে। ব্যাংকটি বলছে, নতুন নির্দেশনা গ্রাহক সুরক্ষা জোরদার করবে, ব্যাংক ও সার্ভিসদাতাদের দায়িত্বশীলতা বাড়াবে এবং দেশে নগদবিহীন আর্থিক লেনদেনকে সহজ ও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলবে।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গাইডলাইন: ক্রেডিট কার্ডে ঋণসীমা বেড়েছে ৪০ লাখ

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গাইডলাইন: ক্রেডিট কার্ডে ঋণসীমা বেড়েছে ৪০ লাখ

    ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন গাইডলাইন জারি করেছে। এতে ঋণসীমা বাড়ানোর পাশাপাশি ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, ভোক্তা অধিকার সুরক্ষা ও বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কে নতুন নির্দেশনা যোগ করা হয়েছে। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।

    দৈনন্দিন কেনাকাটা ও পরিষেবাপ্রদানের ক্ষেত্রে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার বাড়ছে। কার্ড সেবার পরিধি সম্প্রসারণের সঙ্গে নানা জটিলতা বেড়েছে, তাই পুরনো নীতিমালা হালনাগাদ করে পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন তৈরি করা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার করা, ভোক্তা অধিকার রক্ষা, দায়বদ্ধ ও সতর্ক ঋণ প্রদানকে উৎসাহিত করা এবং নগদবিহীন লেনদেনের ক্ষেত্রে স্বচ্ছ পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে—প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন নীতি, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্যের গোপনীয়তা ও অধিকার সুরক্ষা, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

    গাইডলাইনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে প্রদেয় সর্বোচ্চ ঋণসীমা বাড়ানো হয়েছে। পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা বেড়ে এখন ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউরড) ঋণের সর্বোচ্চ সীমা ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম বা জালিয়াতি সম্পর্কিত পদক্ষেপ, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধে বাধা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ব্যাংকগুলোকে ভোক্তা সচেতনতা বাড়ানো, তথ্য প্রদানে স্বচ্ছতা বজায় রাখা ও সুষম কস্টিংয়ের ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইন কার্যকর হলে সংস্থাগুলোতে ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ শক্তিশালী হবে, গ্রাহক অধিকার সুরক্ষিত হবে ও নগদবিহীন লেনদেন আরও নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য হবে বলে সংশ্লিষ্টরা প্রত্যাশা করছেন।

  • আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩১ মার্চ

    আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ৩১ মার্চ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ব্যক্তিগত করদাতাদের জন্য আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার শেষ সময় মাত্র সাত দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যাচ্ছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, সকল করদাতাকে আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন জমা দেওয়া সম্পন্ন করতে হবে।

    সাধারণত আগে রিটার্ন জমানোর শেষ সময় ৩০ নভেম্বর ছিল, কিন্তু এ বছর সময় তিন দফায় বৃদ্ধি করে চূড়ান্তভাবে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে। এনবিআর আরও জানিয়েছে এবারের রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া অনলাইনে বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, ফলে করদাতারা ঘরে বসেই এনবিআরের নির্ধারিত পোর্টালে ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতেও এই অনলাইন ব্যবস্থা চালু থাকবে।

    এনবিআরের তথ্য অনুযায়ী দেশের নিয়মিত টিন (TIN)ধারীর সংখ্যা বর্তমানে প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ। করযোগ্য আয় থাকলে এসব ব্যক্তিরা রিটার্ন জমা দেওয়ার জন্য বাধ্য। এখন পর্যন্ত প্রায় ৪১ লাখ করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন এবং ৫০ লাখের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

    অনলাইনে রিটার্ন কিভাবে জমা দেবেন: প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন শেষে আপনার ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে রিটার্ন সাবমিট করতে পারবেন। অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় সাধারণত কোনো কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না, কেবল প্রয়োজনীয় আয়-ব্যয়ের তথ্য প্রদানের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন হয়।

    রিটার্ন জমার পর একই সিস্টেমের মাধ্যমে কর পরিশোধও করা যাবে। অর্থপ্রদানের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস—বিকাশ, রকেট, নগদ ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে রিটার্ন জমা দিলে ভুল হওয়ার অনিশ্চয়তা বেড়ে যায় এবং ফলশ্রুতিতে জরিমানা বা আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। তাই সবাইকে সময় নিয়ে রিটার্ন প্রস্তুত করে আগেই জমা দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

    রিটার্ন জমার আগে করদাতাদের করণীয়: আগে থেকেই আপনার আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রস্তুত রাখুন, প্রয়োজনীয় দলিলসংগ্রহ করে নিন, অনলাইন সিস্টেমে লগইন করে তথ্য ভালো করে যাচাই করুন এবং জমা দেওয়ার আগে সব তথ্য পুনরায় পরীক্ষা করে নিন। প্রয়োজনে পেশাদারের বা কর পরামর্শকের সাহায্য নিন।

    কর প্রশাসন মনে করিয়ে দিয়েছে—সময়ের মধ্যেই রিটার্ন জমা দিলে ঝামেলা এড়ানো যাবে এবং অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার করা সম্ভব হবে। ৩১ মার্চের আগেই রিটার্ন সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হচ্ছে।

  • আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩১ মার্চ

    আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময় ৩১ মার্চ

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ব্যক্তি আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হতে মাত্র সাত দিন বাকি। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) জানিয়েছে, আগামী ৩১ মার্চের মধ্যে সব করদাতার রিটার্ন জমা দেওয়া সম্পন্ন করতে হবে। সাধারণত সময়সীমা প্রতি বছর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত থাকলেও এবার তিন ধাপে বাড়িয়ে শেষ সময় ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এনবিআর ঘোষণা করেছে এবার থেকে আয়কর রিটার্ন অনলাইনেই বাধ্যতামূলকভাবে দাখিল করতে হবে। ফলে করদাতারা ঘরে বসেই এনবিআরের নির্দিষ্ট পোর্টালে গিয়ে ই-রিটার্ন দাখিল করতে পারবেন। সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনেও অনলাইন সেবা চালু থাকবে।

    এনবিআরের তথ্যে বর্তমানে দেশে প্রায় ১ কোটি ২০ লক্ষেরও বেশি টিআইএনধারী রয়েছেন। করযোগ্য আয় থাকলে তাদের জন্য রিটার্ন জমা করা বাধ্যতামূলক। ইতোমধ্যে প্রায় ৪১ লক্ষ করদাতা রিটার্ন জমা দিয়েছেন এবং ৫০ লক্ষের বেশি করদাতা অনলাইনে রিটার্ন জমাবার জন্য নিবন্ধন করেছেন।

    অনলাইনে রিটার্ন জমা দেয়ার সহজ ধাপগুলো হলো: প্রথমে এনবিআরের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের পর ব্যবহারকারী নাম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করে রিটার্ন সাবমিট করতে হবে। অনলাইনে জমা দেওয়ার সময় সাধারণত কাগজপত্র আপলোড করতে হয় না—প্রয়োজনীয় তথ্য সঠিকভাবে দিতে হবে।

    রিটার্ন জমা দেওয়া হলে একই সিস্টেমেই অনলাইনে কর পরিশোধের সুযোগ আছে। ব্যাংক ট্রান্সফার, ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের পাশাপাশি বিকাশ, রকেট, নগদসহ বিভিন্ন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে পেমেন্ট করা যাবে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়া করে রিটার্ন জমা দিলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ভুলের কারণে জরিমানা বা আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। তাই সময় থাকতেই রিটার্ন প্রস্তুত করে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

    রিটার্ন জমার আগে করদাতাদের জন্য কিছু প্রয়োজনীয় করার তালিকা: আয়ের সব উৎস ও ব্যয়ের হিসাব আগে থেকে প্রস্তুত রাখা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (টিএন/আয়ের প্রমাণ, ব্যাংক স্টেটমেন্ট ইত্যাদি) সংগ্রহ করা, অনলাইন সিস্টেমে লগইন করে সব তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা, জমা দেওয়ার আগে একবার পুরো রিটার্ন যাচাই করা এবং প্রয়োজনে পেশাদার কর পরামর্শকের সহায়তা নেওয়া।

    কর প্রশাসন মনে করিয়ে দিয়েছে—সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই রিটার্ন জমা দিলে ঝামেলা এড়ানো যাবে এবং অনলাইন ব্যবস্থার সুবিধা পুরোপুরি ব্যবহার করা যাবে। সময় বাঁচান, ভুল এড়ান এবং নিরাপদে অনলাইন রিটার্ন জমা দিন।

  • ক্রেডিট কার্ডে ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, নতুন গাইডলাইন জারি

    ক্রেডিট কার্ডে ঋণসীমা বেড়ে ৪০ লাখ, নতুন গাইডলাইন জারি

    বাংলাদেশ ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড পরিচালনা পুরোপুরি সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ ও গ্রাহকবান্ধব করতে নতুন গাইডলাইন প্রকাশ করেছে। রোববার ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

    দৈনন্দিন জীবনে নগদ বহনের বিকল্প হিসেবে ব্যক্তিগত ব্যবহারে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার দ্রুত বাড়ছে। এ বাজারের পরিধি ও কার্যক্রম বিস্তৃত হওয়ায় বিদ্যমান জটিলতা দূর ও সেবা মানোন্নয়ন করার লক্ষ্যে পুরনো নীতিমালা হালনাগাদ করে পূর্ণাঙ্গ নির্দেশনা তৈরি করা হয়েছে।

    নতুন গাইডলাইনে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদার, ভোক্তা অধিকার রক্ষার পাশাপাশি বিরোধ নিষ্পত্তি ও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণের প্রসার করা হয়েছে। দায়িত্বশীল ঋণদান উৎসাহিত করে নগদবিহীন লেনদেনকে আরও নিরাপদ ও স্বচ্ছ করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গাইডলাইনে অন্তর্ভুক্ত প্রধান বিষয়গুলোর মধ্যে আছে — গাইডলাইনের প্রযোজ্যতা ও সংজ্ঞা, ক্রেডিট কার্ডের প্রকারভেদ, গ্রাহকের যোগ্যতার মানদণ্ড, ঋণসীমা ও সুদের হার নির্ধারণ, কার্ড ইস্যু ও বিপণন নীতিমালা, বিলিং ও আদায় প্রক্রিয়া, গ্রাহকের তথ্য গোপনীয়তা ও অধিকার সংরক্ষণ, বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা, পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার নির্দেশনা।

    একটিও মূল পরিবর্তন হচ্ছে ঋণসীমা। পূর্বে যেখানে সর্বোচ্চ ঋণসীমা ছিল ২৫ লাখ টাকা, তা বাড়িয়ে এখন ৪০ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অনিরাপদ (আনসিকিউর্ড) ঋণের সীমাও ১০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকায় ওঠানো হয়েছে। এছাড়া গ্রাহকের অভিযোগ, অনিয়ম ও জালিয়াতি প্রতিরোধ, কার্ডভিত্তিক লেনদেনের পরিশোধ সংক্রান্ত জটিলতা ও বিরোধ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা হয়েছে।

    নতুন নির্দেশনার বাস্তবায়ন ব্যাংকিং খাতে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে। গ্রাহকরা যেন নিরাপদে কার্ড ব্যবহার করতে পারে, অনিয়ম-জালিয়াতি বন্ধ থাকে এবং বিতর্ক দ্রুত সমাধান হয়— সেই লক্ষ্যেই এই গাইডলাইন গঠন করা হয়েছে।