Category: অর্থনীতি

  • করদাতারা এবার পুরো বছরই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    করদাতারা এবার পুরো বছরই আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এ বছর থেকে করদাতারা সারাবছরই নিজেদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তিনি বলেন, ‘যেসব করদাতা আগে রিটার্ন জমা দিতেন, তারা এবার বিশেষ সুবিধা পাবেন।’ মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য তিনি নিশ্চিত করেন। এর পাশাপাশি, তিনি উল্লেখ করেন যে, আয়কর রিটার্ন দেওয়ার প্রক্রিয়াটি এখন থেকে চার ধাপে বিভক্ত করা হবে, যা সহজ ও সুবিধাজনক হবে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান আরো বলেন, চলতি অর্থবছরে লক্ষ্যমাত্রা পূরণের ওপর ঝুঁকির আশংকা কম। তিনি জানিয়েছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে রাজস্ব আদায়ে ব্যাপক বৃদ্ধি আনার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি বছরের জুনের শেষে এবং পরবর্তী বছরের নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন দেওয়ার নিয়ম থাকলেও, এবার সময়সীমা বাড়ানোর কারণে এ বছর মার্চের শেষ পর্যন্ত অর্থাৎ ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন জমা দিতে পেরেছেন করদাতারা।

  • রাজস্ব দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা: সিপিডি

    রাজস্ব দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের পথে বড় বাধা: সিপিডি

    সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) মনে করছে যে, দেশের দীর্ঘদিন ধরে চলমান রাজস্ব আহরণের দুর্বলতা বাজেটের সফল বাস্তবায়নের জন্য বড় ধরনের বিড়ম্বনা সৃষ্টি করছে। সংস্থাটির মতে, নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা যদি পূরণ না হয়, তবে দেশের উন্নয়ন প্রকল্প ও সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিকল্পনাতে চাপ বাড়বে।

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে আয়োজিত ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় এ বিষয়গুলো তোলা হয়। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

    ড. ভট্টাচার্য বলেন, জ্বালানি আমদানি ব্যয় বৃদ্ধির ফলে দেশের চলতি হিসাবের ঘাটতি বৃদ্ধি পেতে পারে এবং বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই বাজেট প্রণয়নে এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে সতর্কীকরণ প্রয়োজন।

    তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিনের রাজস্ব আহরণের দুর্বলতা মূল বাধা হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। যথাযথ লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব সংগ্রহের অভাবে উন্নয়ন ও অর্থনীতির মূল পরিকল্পনাগুলো চাপের মুখে পড়ছে।

    সিপিডির এই বিশ্লেষক উল্লেখ করেন, অতীতের ঋণের বোঝা এবং জ্বালানি সংকটের কারণেও অর্থনীতি সচল রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। সঙ্গে রয়েছে মূল্যস্ফীতির আশঙ্কাও। এছাড়া, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা ও আমদানি ব্যয়ের বৃদ্ধি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করছে। এই পরিস্থিতিতে, সরকারের প্রথম বাজেট যেন বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার নির্ভর হয়, তা অপরিহার্য বলে মনে করছেন তিনি।

    কর ব্যবস্থার প্রসঙ্গে ড. ভট্টাচার্য বলেন, যাদের এখনো করের আওতায় আনা যায়নি, তাদের দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে, করের আওতা বাড়ানোর পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের ওপর করের বোঝা কমানোর বিষয়টিও গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেন।

    সরকারি ব্যাংক ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলোর আয় বাড়ানোর ওপর জোর প্রদান করে তিনি উল্লেখ করেন, যদি এ সব প্রতিষ্ঠান নিজের আয় বৃদ্ধি করতে না পারে, তাহলে ভর্তুকি দিয়ে চালিয়ে যাওয়ার বৈধতা প্রশ্নের মুখে পড়বে। এভাবেই দেশের অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

  • মার্চ মাসেও অব্যাহত পতন, রপ্তানি আয় ১৮ শতাংশ কমেছে

    মার্চ মাসেও অব্যাহত পতন, রপ্তানি আয় ১৮ শতাংশ কমেছে

    বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে চলমান হতাশাজনক পরিস্থিতি মার্চ মাসেও অব্যাহত থাকল। গত মাসে দেশের রপ্তানি আয় ১৮.০৭ শতাংশ কমে ৩.৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে, যা ছিল গত বছরের একই সময়ে ৪.২৪ বিলিয়ন ডলার। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আজ এই তথ্য প্রকাশ করে।

    বর্তমান অর্থবছরের (২০২৫-২৬) জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত সময়ে মোট রপ্তানি আয় ৪.৮৫ শতাংশ কমে ৩৫.৩৮ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। একই সময় ছিল ৩৭.১৯ বিলিয়ন ডলার। এভাবে টানা আট মাস ধরে দেশের রপ্তানি আয়ে নিম্নমুখী ধারা চলমান।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের মূল রপ্তানি খাতের মধ্যে তৈরি পোশাক শিল্পের অবনতি সবচেয়ে বেশি। এই খাতের আয় ৫.৫১ শতাংশ কমে ২৮.৫৭ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। গত বছর একই সময় এই আয় ছিল ৩০.২৪ বিলিয়ন ডলার।

    রপ্তানির সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে ইপিবির মুখপাত্ররা জানান, বর্তমান অর্থবছরে বেশিরভাগ প্রধান রপ্তানি খাতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা গেছে। তবে কিছু খাত— যেমন হিমায়িত ও তাজা মাছ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য এবং প্রকৌশল পণ্য— ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এসব খাতের উন্নতি সামগ্রিক রপ্তানি খাতে কিছুটা ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করছে।

    ইপিবি উল্লেখ করে, বৈশ্বিক বিভিন্ন প্রভাবের কারণে দেশের রপ্তানি পরিস্থিতিতে চাপ অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। পাশাপাশি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবে বিশ্বে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি পাওয়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মতো প্রধান রপ্তানি গন্তব্যগুলোতে ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে।

    এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা হ্রাস পেয়েছে এবং অনেক অর্ডার স্থগিত বা বাতিলের রিপোর্ট দেখা গেছে। এতে বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির উপর রয়েছে নেতিবাচক প্রভাব, যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে অপ্রতুল করে তুলছে বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।

  • এখন থেকে সারাবছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে: এনবিআর

    এখন থেকে সারাবছর আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে: এনবিআর

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এ থেকে সারাবছরই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি এবং জানান, যারা আগে রিটার্ন জমা দেবেন তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হবে।

    এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, আয়কর রিটার্ন জমার প্রক্রিয়াটি চারটি ধাপে ভাগ করে নেওয়া হবে। এই ধাঁচে কাজ করলে দায়িত্বরত কার্যালয়গুলোতে চাপ কমবে এবং করদাতাদের সেবা আরও দ্রুত ও সুসংগতভাবে দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

    চেয়ারম্যান আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে এনবিআর লক্ষ্যমাত্রা পূরণের প্রত্যাশা করছে। আগামী তিন মাসে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে এবং তার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    সাধারণত প্রতি অর্থবছর (জুন শেষে) পরবর্তী বছরের নভেম্বরে আয়কর রিটার্ন জমার শেষ সময় নির্ধারিত থাকে। তবে চলতি বছরে সময় বৃদ্ধি করে রিটার্ন জমানোর শেষ সীমা বাড়িয়ে ৩১ মার্চ করা হয়েছে।

    এনবিআরের এই নতুন নীতি ও ধাপভিত্তিক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা ও সময়সীমা সম্পর্কে করদাতাদের জন্য অচিরেই বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশিকা জারি করা হবে। তাই করদাতাদের আগে জমা দিলে সুবিধা মিলবে—এ বিষয়ে আশ্বস্ত করে এনবিআর সবাইকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছে।

  • মার্চে একক মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স: ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    মার্চে একক মাসে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স: ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রবাসী Bangladeshিরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ৩.৭৫৫ বিলিয়ন)। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ রিপোর্টে বলা হয়েছে, এটি একক মাস হিসেবে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স।

    রিপোর্ট অনুযায়ী, মার্চে এসেছে মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার, যা গত ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি। একইভাবে, গত বছরের ওই সময়ে (মার্চ ২০২৫) রেমিট্যান্স ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার—এবার সেই সংখ্যার তুলনায় প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রেমিট্যান্স ছিল ৩০২ কোটি ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নথিতে বলা হয়েছে, এর আগের সর্বোচ্চ একক মাসের রেকর্ড ছিল গত বছরের মার্চে, তখন প্রবাসীরা পাঠিয়েছিলেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার (প্রায় ৩.২৯ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার। ডিসেম্বরে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার এবং জানুয়ারিতে ছিল তৃতীয় সর্বোচ্চ ৩১৭ কোটি ডলার।

    সেক্টর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চে ঈদ উপলক্ষে টাকা পাঠানোর চাহিদা বেড়ে যায়; পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোতে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকায় এবং বেকারত্ব ব্যাপকভাবে না বাড়ায় প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সক্ষমতা বজায় রয়েছে। জীবনযাত্রার ব্যয়ও হঠাৎ করে বাড়েনি—এসব কারণ মিলিয়ে প্রবাসীরা বেশি পাঠিয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

    ব্যাংকভিত্তিক প্রবাহের মধ্যে দেখা যায়, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মধ্যে কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সর্বোচ্চ ২৬৪ কোটি ডলার। এছাড়া বিদেশি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় এক কোটি ২০ হাজর ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হিসাব ও খাত বিশ্লেষকদের মন্তব্য অনুযায়ী, রেমিট্যান্স প্রবাহ বজায় থাকলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অবস্থাও দৃঢ় থাকবে এবং গুরুত্বপূর্ন সামাজিক-অর্থনৈতিক সহায়তা হবে।

  • এখন থেকে সারা বছরই আয়কর রিটার্ন জমা—আগে দিলে বিশেষ সুবিধা

    এখন থেকে সারা বছরই আয়কর রিটার্ন জমা—আগে দিলে বিশেষ সুবিধা

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেছেন, এখন থেকে করদাতারা সারা বছর জুড়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এ তথ্য জানান এবং জানান, যারা আগে রিটার্ন জমা দেবেন তাদের জন্য বিশেষ সুবিধা রাখা হবে।

    চেয়ারম্যান বলেন, আয়কর রিটার্ন সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াকরণকে আরও সুসংগঠিত করার জন্য রিটার্ন জমার পদ্ধতিটি চার ধাপে ভাগ করা হবে। এর ফলে করদাতাদের কাজ সহজ হবে এবং প্রশাসনিক কাজও দ্রুততর হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

    এনবিআর চেয়ারম্যান আরও বলেন, চলতি অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা পূরণের বিষয়ে আশাবাদী হন এবং জানান যে আগামী তিন মাসে রাজস্ব আদায় বাড়াতে বিভিন্ন পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

    পার্বত্য নিয়ম অনুসারে নয়, বর্তমানে প্রতিটি বছরের জুনের শেষ থেকে পরবর্তী বছরের নভেম্ব্র পর্যন্ত আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার একটি রুটিন ছিল। তবে চলতি বছরে সময় বাড়িয়ে রিটার্ন জমার মেয়াদ ৩১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়েছিল, যা করদাতাদের জন্য সুবিধাজনক প্রমাণিত হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

  • মার্চে রেকর্ড রেমিট্যান্স: প্রবাসীরা পাঠালেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    মার্চে রেকর্ড রেমিট্যান্স: প্রবাসীরা পাঠালেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    দেশে সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে প্রবাসীরা মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ প্রতিবেদনে বুধবার এই তথ্য জানানো হয়েছে। এটি একক মাস হিসেবে দেশের রেমিট্যান্স ইতিহাসে নতুন রেকর্ড। (প্রায় পৌনে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।)

    তুলনায় দেখা গেলে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স ছিল ৩০২ কোটি ডলার; অর্থাৎ মার্চে ফেব্রুয়ারির তুলনায় প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি এসেছে। গত বছরের একই সময় (মার্চ ২০২৫) যে রেমিট্যান্স এসেছিল, সেটির তুলনায় এবার প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি পাঠানো হয়েছে। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এর আগের দিনগুলোতে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স কয়েকটি মাসেই দেখা গেছে—গত বছরের মার্চে ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার (প্রায় ৩.২৯ বিলিয়ন), ডিসেম্বরে এসেছিল ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার (প্রায় ৩.২৩ বিলিয়ন) এবং জানুয়ারিতে ছিল ৩১৭ কোটি ডলার (প্রায় ৩.১৭ বিলিয়ন)। চলতি বছরের মার্চ এসব রেকর্ডকে ছাপিয়ে নতুন শীর্ষে পৌঁছেছে।

    খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চ মাসে অনেক ক্ষেত্রে ঈদ-বর্ষবরণের প্রস্তুতি ও প্রয়োজনীয় খরচের কারণে প্রবাসীরা বাড়তি রেমিট্যান্স পাঠান; এ কারণটিই এই সিজনাল প্রবণতা বাড়ায়। এছাড়া মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশে এখনও কর্মসংস্থান সুযোগ স্থিতিশীল রয়েছে এবং সেখানে বেকারত্ব বড়ভাবে বেড়ে না যাওয়ায় প্রবাসীরা নিয়মিত আয় পাঠাতে পারছেন। জীবনযাত্রার ব্যয়ও দ্রুত না বাড়ায় প্রেরণ ক্ষমতা তুলনায় বজায় থাকায় রেমিট্যান্স প্রবাহ শক্তিশালী হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

    চ্যানেলভিত্তিক তথ্য অনুযায়ী, সদ্য শেষ হওয়া মার্চে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো মাধ্যমে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। বিশেষত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে প্রায় ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার। বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে আনুমানিক ১ কোটি ২০ হাজার ডলার।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিপোর্টে এই ডিজিটাল ও ব্যাংকিং চ্যানেলের বিশ্লেষণ তুলে ধরে যে, রেমিট্যান্স প্রবাহে আসা উত্থান দেশের বৈদেশিক মুদ্রা স্ট্যান্ডিং ও ভোক্তা খরচ সামলাতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • মার্চে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স: প্রবাসীরা পাঠালেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    মার্চে ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স: প্রবাসীরা পাঠালেন ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার

    দেশে সদ্য শেষ হওয়া মার্চ মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা মোট ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন—যা একক মাস হিসেবে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই তথ্য সোমবার প্রকাশিত বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

    রিপোর্ট অনুসারে, মার্চে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৩৭৫ কোটি ৫০ লাখ ৫ হাজার ডলার। এটি এই বছরের ফেব্রুয়ারি মাসের তুলনায় প্রায় ৭৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার বেশি (ফেব্রুয়ারিতে এসেছে ৩০২ কোটি ডলার)। গত বছরের একই সময়ের (মার্চ ২০২৫) তুলনায় এ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৪৬ কোটি ডলার বেশি; গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স ছিল ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

    কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উল্লেখ করা হয়েছে, আগে দেশের এক মাসে যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স ধরা পড়েছিল তা ছিল গত বছরের মার্চে—সেখানে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছিলেন মোট ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার (প্রায় ৩.২৯ বিলিয়ন)। আর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছিল ডিসেম্বরে—৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার; তৃতীয় সর্বোচ্চ জানুয়ারি মাসে, যা ছিল ৩১৭ কোটি ডলার।

    খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মার্চে রেমিট্যান্স বাড়ার পেছনে বড় কারণ হলো ঈদের আগের সময় হওয়া অর্থ প্রেরণ এবং প্রবাসী কর্মসংস্থানের স্থিতিশীলতা—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলোর বাজারে কাজের সুযোগ এখনো বজায় আছে। জীবনযাপনের ব্যয় অতিরিক্ত বেড়ে না যাওয়া থেকেও প্রবাসীদের রেমিট্যান্স পাঠানোর সক্ষমতা তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল রাখা সম্ভব হয়েছে বলে তারা মন্তব্য করেন।

    ব্যাংকভিত্তিক ভেঙে দেখা গেলে বলা হয়েছে, রাষ্ট্র মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে মার্চে ৬৪ কোটি ডলারের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এ তালিকার মধ্যে একটি বিশেষ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক (কৃষি ব্যাংক) থেকে এসেছে ৪৬ কোটি ৪৭ লাখ ডলার। বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে প্রায় ২৬৪ কোটি ডলার এবং বিদেশি ব্যাংকগুলো থেকে এসেছে ১ কোটি ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের এই হালনাগাদ প্রতিবেদনে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন ও প্রবাসী আয়ের প্রবাহ সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, যা অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • করদাতারা এখন থেকে সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    করদাতারা এখন থেকে সারা বছর আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখন থেকে করদাতারা সারা বছর জুড়ে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেন, “এখন থেকে সারা বছরই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তবে যেসব করদাতা আগে রিটার্ন জমা দিবেন তারা বিশেষ সুবিধা পাবেন।”

    চেয়ারম্যান জানান, রিটার্ন জমা প্রদানের প্রক্রিয়াটি চারটি ধাপে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা হবে। এই চার ধাপ কীভাবে কার্যকর করা হবে ও প্রতিটি ধাপে করদাতাদের কি সুবিধা বা প্রত্যাশিত শর্ত থাকবে তা পরবর্তী সময়ে বিস্তারিতভাবে জানানো হবে।

    এনবিআর আশা করছে, চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করা যাবে। তিনি আরও বলেন, “আগামী তিন মাসে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা চলছে,” — যার মাধ্যমে দ্রুত আয়ের জোগান বাড়ানো হবে বলে তারা বিশ্বাস করছে।

    আগে প্রতি বছর অর্থবছর শেষ হওয়ার পর—জুনের শেষের পর—পরবর্তী বছরের নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার নিয়ম থাকলেও এবছর সময়সীমা বাড়িয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন জমা দেওয়ার সুযোগ দেয়া হয়েছে। এনবিআর নতুন व्यवस्था করে করদাতাদের সুবিধা দিতে এবং রিটার্ন সংগ্রহ আরও সুষ্ঠু ও সহজতর করতে চায়।

  • করদাতারা এখন থেকে সারা বছরই রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    করদাতারা এখন থেকে সারা বছরই রিটার্ন জমা দিতে পারবেন

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান জানিয়েছেন, এখন থেকে সারা বছরই আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়া যাবে। তিনি বলেন, যেসব করদাতা আগে রিটার্ন জমা দেবেন তারা বিশেষ সুবিধা পাবেন। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের দেওয়া বক্তব্যে এনবিআর চেয়ারম্যান আরও জানান, আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে চার ধাপে ভাগ করা হবে।

    চেয়ারম্যান বিস্তারিত চার ধাপ নিয়ে এখনও বললেও, এ ধরনের পরিবর্তন করদাতাদের প্রক্রিয়া সহজ করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিকট ভবিষ্যতে এনবিআর কীভাবে এই ভাগগুলো কার্যকর করবে সেই নির্দেশনাও প্রকাশ করবে বলে মনে করা যাচ্ছে।

    এছাড়া চলতি অর্থবছরে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণে আশাবাদী এনবিআর। চেয়ারম্যান বলেন, আগামী তিন মাসে রাজস্ব আদায় বাড়ানোর পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। সাধারণত প্রতি বছর জুন শেষে পরবর্তী নভেম্বরের মধ্যে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হয়; তবে চলতি বছরের জন্য সময় বাড়িয়ে ৩১ মার্চ পর্যন্ত রিটার্ন দিলে চলবে।

    এনবিআর থেকে এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত নিয়ম ও নির্দেশনা শিগগিরই প্রকাশ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে।