Category: সারাদেশ

  • অভিষেক নির্বাচনে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে

    অভিষেক নির্বাচনে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে

    সাবেক সংসদ সদস্য, বিসিবির সাবেক সভাপতি এবং খুলনা-৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী আলী আসগর লবী বলেছেন, সাতাশ বছর ধরে একটানা আন্দোলন সংগ্রামে নারীরা শুধু সাহস দেখিয়েছেনই না, বরং জাতির মুক্তির জন্য রক্তক্ষরণ করেছেন। তিনি বলেন, Juli বাঙালির মহান বিপ্লবের সময় নারীরা রাজপথে থেকে সাহসিকতা ও সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের ফলে ফ্যাসিস্ট এবং স্বৈরশাসক সরকার পতন হয়েছে। আগামী নির্বাচনে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ও সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য Prepare করা প্রয়োজন।
    তিনি রোববার বিকেলে উপজেলা বিএনপি’র নির্বাচনী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ফুলতলা উপজেলা মহিলাদলের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফুলতলা উপজেলা মহিলাদলের সভাপতি মিতা পারভীন। প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন খুলনা জেলা মহিলা দলের সভাপতি তছলিমা খাতুন ছন্দা। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক শেখ আবুল বাশার, জেলা মহিলাদের সাধারণ সম্পাদক এড. সেতারা বেগম। এছাড়া, উপজেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসমিন ভূঁইয়া এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মুর্শিদা বেগম সভায় বক্তব্য দেন। বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • খালিশপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিখা গ্রেপ্তার

    খালিশপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শিখা গ্রেপ্তার

    খুলনা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আজ রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে খালিশপুর এলাকার একটি অপরাধমূলক ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে খালিশপুর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শারমিন রহমান শিখাকে গ্রেপ্তার করেছে। তার কাছে থাকা বিভিন্ন তথ্য ও আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ তার অবস্থান শনাক্ত করে। পরে বিভিন্ন যাচাই-বাছাই শেষে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসা হয়।

    প্রথমে এটি জানা যায় যে, বিগত সরকার আমলে বিএনপি ছাত্রধরনের নেতাদের বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় শিখার সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে সন্দেহ দেখা দেয়। পুলিশের হাতে একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ধারণকৃত একটি ভিডিও ফুটেজ এসে পৌঁছালে এ বিষয়টি আরও নিশ্চিত হয়। পলাতক অবস্থায় থাকলেও পুলিশ তার গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে এবং আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে। শেষ পর্যন্ত, রোববার সন্ধ্যায় শিখাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা ও আনুষ্ঠানিক তদন্ত চলমান রয়েছে।

  • বাগেরহাটের চার আসন পুনঃবহালের দাবিতে হরতাল চলছে; নির্বাচন অফিসে তালা

    বাগেরহাটের চার আসন পুনঃবহালের দাবিতে হরতাল চলছে; নির্বাচন অফিসে তালা

    মোংলা ও রামপালসহ বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন পুনঃবহালের দাবিতে সংঘটিত হচ্ছে ব্যাপক হরতাল। প্রথম দিনের এই অবরোধের কারণে মোংলার সব পরিস্থিতি স্বাভাবিকের পরিবর্তে থেমে গেছে। সোমবার সকাল ৬টা থেকে শুরু হওয়া এই হরতাল চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত, যেখানে নদী পারাপার, ইপিজেড, মোংলা বন্দরসহ সব ধরনের শিল্প ও সরকারি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। এছাড়াও সড়ক-মহাসড়ক অবরোধ করে পরিবহন ও নৌপরিবহন বন্ধ রেখেছেন হরতালকারীরা। সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির নেতৃবৃন্দের নির্দেশে এ কর্মসূচি আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চালানো হবে। এই প্রথম দিন, ব্যবসায়ীরা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছেন এবং মোংলা-ঘষিয়াখালী নৌকানাল দিয়ে সব নৌচলাচল বন্ধ রয়েছে। নদীর দুই পাশে ইপিজেডের গার্মেন্টস শ্রমিকসহ শত শত মানুষ কর্মস্থলে যেতে পারছেন না। দুরপাল্লার বাসগুলোও শহর থেকে ছেড়ে যায়নি, ফলে সাধারণ মানুষের জীবনমান বিঘ্নিত হয়েছে। সকাল থেকে মোংলা শহরজুড়ে সড়ক-মহাসড়কে টায়ার জ্বালানো হয়েছে এবং বিভিন্ন মোড়ে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে হরতাল কার্যক্রমে সহায়তা করছে। এছাড়াও তারা নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে এবং মোংলা উপজেলা নির্বাচন অফিসের প্রধান ফটকে তালা ঝুলিয়ে দেন। নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন, বাগেরহাটের চারটি সংসদীয় আসন স্বাধীনতার পর থেকে থাকছে। তবে ৩০ জুলাই আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য নির্বাচ কমিশন একটি প্রাথমিক প্রস্তাব দিয়েছে, যেখানে এই চারটি আসন একটিকে তিনটিতে পরিবর্তন করার প্রস্তাবনা থাকছে। এর বিরুদ্ধে মোংলা ও বাগেরহাটবাসী দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। আসন্ন সিদ্ধান্তে যদি নির্বাচন কমিশন তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসে, তবে তারা আরো কঠোর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন।

  • চিতলমারীতে অর্থের সংকটে বর্জ্য অপসারণে বিঘ্ন

    চিতলমারীতে অর্থের সংকটে বর্জ্য অপসারণে বিঘ্ন

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা পরিষদ, হাসপাতাল, ক্লিনিক ও সদর বাজারের বর্জ্য নিষ্কাশনের কাজ অর্থ সংকটের কারণে বিঘ্নিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতি সময়মত যেখানে বর্জ্য না সরালে পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়ছে। পরিবেশের এসব দূষণজনিত কারণে দূর-দূরান্ত থেকে বাজারে আসা মানুষ, ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বসবাসকারী কিছু হাজার মানুষ মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছেন। যদি দ্রুত বর্জ্য অপসারণের গাড়ি মেরামত বা নতুন গাড়ি কেনার ব্যবস্থা না হয়, তাহলে এই সমস্যা আরও ভয়াবহ আকার নিতে পারে। এই ব্যাপারে আজ সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের গোপনীয় সহকারী মোঃ আনোয়ার হোসেন পারভেজ জানান, এ জন্য অনেক অর্থের প্রয়োজন।

    তিনি আরও বলেন, উপজেলা পরিষদে মোট ১৭টি দপ্তর ও ১৮টি পরিবার বসবাস করে। সদর বাজারে প্রায় এক হাজার দোকান ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে অনেক মানুষ কাজ করে। এ ছাড়া আরও প্রায় ২০০ পরিবার বসবাস করছেন এই এলাকায়। এখানে রয়েছে একটি হাসপাতাল, বেশ কয়েকটি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার। প্রতিদিন বাজার ও বিভিন্ন সরকারি কাজে আসা লাখো মানুষ এই সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশে ব্যবহৃত কাচামাল, আবর্জনা জমা করে রাখে। এই আবর্জনা জমাট বাঁধে গভীর গন্ধ সৃষ্টি করে এবং পরিবেশের জন্য বিপজ্জনক অবস্থায় পৌঁছে যায়। মূলত এই বর্জ্য স্থানীয় উপজেলা পরিষদ ও হাসপাতালের চত্বরে, সদর বাজারের অলিগলিতে ফেলা হয়, যেখানে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ চলাফেরা করে। এই আবর্জনা নদী ও খালে গিয়ে জমা হয়, যার ফলে নদী ও জলাধার মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে। প্রতিদিন চিত্রা নদীতে ১০ থেকে ১২ টন আবর্জনা নিক্ষিপ্ত হয়।

    ২০২১ সালের জুলাই থেকে শুরু করে উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় ডেভেলপমেন্ট কর্মসূচির আওতায় বর্জ্য অপসারণের কাজ চালু হয়। তবে এখন পর্যন্ত এই কার্যক্রমের স্বাভাবিকতা ব্যাহত হচ্ছে প্রয়োজনীয় পরিবহন বা গাড়ির অভাবে। উপজেলা পরিষদের জন্য এই বর্জ্য অপসারণের জন্য একটি গাড়ি ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা খরচে তৈরি করা হয়। এই গাড়ির মাধ্যমে চারজনের একটি টিম কাজ করে থাকে, যাতে রয়েছে মোঃ হাবিবুর রহমান, ড্রাইভার মোঃ ওয়াবায়দুল শেখ এবং পরিছন্নতাকর্মী রফিকুল ইসলাম ও হোসেন তালুকদার। এই দলে প্রত্যেকের বেতন মাসে ২৯ হাজার টাকা। তার সঙ্গে ড্রাইভারের জন্য মাসিক ৯,৫০০ টাকা ডিজেল ও মবিলের খরচ যোগ হয়। গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও খরচ হয়। প্রতিমাসে এই গাড়ি থেকে ৩৬ হাজার টাকা আদায় হয়, যা বিভিন্ন দপ্তর ও জনগণ থেকে সংগ্রহ করা হয়। তবে বর্তমানে ড্রাইভার ও কর্মীদের তিন মাসের বেতন বেশ কিছু বকেয়া রয়েছে। এর ফলে গ্রাহকরা সচেতন হলেও সরকারি সহায়তা না থাকলে এই পরিষেবা সম্ভবত দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

    চিতলমারী বাজারের ব্যবসায়ী ও বাসিন্দা সেতু কর্মকার, ননী গোপাল কর্মকার, গৌর সুন্দর ঘোষ, মোঃ নজরুল মীর ও মোঃ মাসুদ গাজী জানান, আগে তার পরিবারজনের আবর্জনা নিয়ে বড় দুর্ভোগে পড়তে হতো। তবে এই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু হওয়ায় তারা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। তারা বলেন, এখন যদি এটি অব্যাহত থাকে, আমরা খুবই উপকৃত হবো।

    স্কুল শিক্ষক মোঃ সাফায়েত হোসেন বলেন, বর্জ্য হচ্ছে কঠিন, তরল, গ্যাসীয়, বিষাক্ত ও বিষহীন ধরনের। জীববৈচিত্র্য রক্ষা, রোগের সংক্রমণ প্রতিরোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অপরিহার্য। তাই এই কার্যক্রম চালু থাকা খুবই জরুরি এবং এ ব্যাপারে সবদিক থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রয়োজন।

  • বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহালের দাবি নিয়ে হরতাল and প্রতিবাদে জেলা জুড়ে ধর্মঘট

    বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসন বহালের দাবি নিয়ে হরতাল and প্রতিবাদে জেলা জুড়ে ধর্মঘট

    বাগেরহাটে চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে একটিকে কমিয়ে জেলাকে তিনটি সংসদীয় আসনে বদলে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এলাকাজুড়ে বিশাল আন্দোলন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশন দীর্ঘদিন ধরে এই পরিবর্তনের প্রস্তাব দিয়েছিল, যা স্থানীয় জনগণের মাঝে গভীর অসন্তোষ সৃষ্টি করে। ৩০ জুলাই প্রকাশিত প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছিল যে, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বাগেরহাটের চারটি আসনকে তিনটিতে সংক্ষেপিত করা হবে। এরপর থেকেই বাগেরহাটের সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা শুরু করেন। তাদের দাবি ছিল, চারটি সংসদীয় আসন বহাল থাকুক এবং জনগণের ভোটাধিকার ও প্রতিনিধিত্বের স্বার্থে কোনও পরিবর্তন আনতে না। তবে ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করে, যেখানে চারটি আসন পরিবর্তন করে তিনটি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে বাগেরহাটবাসীর মধ্যে গভীর অসন্তোষ সৃষ্টি হয়, যা তাদের আন্দোলনের সূচনা করে। সোমবার সকালে শুরু হয় সকাল ৮টা থেকে গাজীপুর ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথে ব্যাপক হরতাল ও অবরোধ কর্মসূচি। মহাসড়কের কেন্দ্রীয় বাসস্ট্যান্ড, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, খুলনা-ঢাকা মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্ট, মোংলা ও পিরোজপুর মহাসড়কসহ জেলার অন্তত ২০টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গাড়ি, গাছের গুড়ি ও বেঞ্চ রেখে নানা প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করছেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। এতে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় সাধারণ যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। হরতালের সময় বিভিন্ন নেতা-কর্মীরা জেলা প্রশাসকের ভবনের সামনে অবস্থান নেন, যাবতীয় কার্যক্রমে অংশ নেয়। জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম, জামায়াত, বিএনপি ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা এই আন্দোলনে সম্পৃক্ত ছিলেন। নেতৃত্বরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এই দাবি উঠে আসলেও কর্তৃপক্ষ এর গুরুত্ব দেয়নি। তাঁদের ভাষ্য, নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত প্রতিবাদের দাবি রাখে এবং এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মানুষের গণআস্থা নষ্ট হয়েছে। আন্দোলনের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের আন্দোলন জোরদার করতে সবাই যাত্রা চালিয়ে যাবেন বলে জানা গেছে।

  • শহিদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতির স্মরণে ফুটবল ও ক্রিকেট উৎসবের আয়োজন

    শহিদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতির স্মরণে ফুটবল ও ক্রিকেট উৎসবের আয়োজন

    ফুলতলা উপজেলার দামোদর ইউনিয়ন বিএনপি’র আয়োজনে সম্প্রতি শহিদ জিয়া ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই স্পোর্টস ইভেন্টটি শুক্রবার বিকেল ৪ টায় গাড়াখোলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাজার হাজার স্থানীয় মানুষের উপস্থিতি ছিল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী, খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিসিবি’র সাবেক সভাপতি আলী আসগর লবী। খেলার উদ্বোধন করেন ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক শেখ আবুল বাশার, জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, ওয়াহিদ হালিম ইমরান, আপিল বিভাগের আইনজীবী আবু জাফর মানিকসহ আরো অনেকে।

    প্রধান অতিথির বক্তৃতায় লবী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য এ ধরণের খেলার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে শহিদ জিয়াউর রহমানকে পরিচিত করে তুলছেন এবং মুক্তিযুদ্ধে তার মূল্যবান ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আজকের এই খেলা মানুষের মধ্যে খেলাধুলার প্রবণতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানাতে চাই, তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত ও খেলাধুলার মাধ্যমে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। তিনি ঘোষণা দেন যে, আগামী ডিসেম্বর মাসে ইউনিয়ন ভিত্তিক ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হবে, যার মাধ্যমে যুবশক্তিকে বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মনির হাসান টিটো, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জাবেদ মলিক, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সাব্বির হোসেন রানা, ইউথ নেতা মোঃ এনামুল হোসেন পারভেজ, দামোদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন কিরণ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ ইকবাল খান, পাড়া যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আইয়ুব হোসেন, জেলা জাসাস নেতা মামুন প্রমুখ।

    শেষে, আলী আসগর লবী গাঢ়াখোলা খা বাড়ী জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন এবং মুসল্লীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তিনি খেলার অনুষ্ঠান শেষে যুগনীপাশা ও বেজেরডাঙ্গায় গণসংযোগ চালান।

  • সুন্দরবন থেকে ৬ জলদস্যু আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    সুন্দরবন থেকে ৬ জলদস্যু আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    সুন্দরবনের ঝোলা জলদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর সাথে যুক্ত চার জনসহ মোট ছয়জন জলদস্যুকে কোস্ট গার্ড অবশেষে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এই অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অস্ত্র, গুলি এবং মাদকপণ্য জব্দ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শনিবার ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে, যখন কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা সুন্দরবনের পশুর নদীসংলগ্ন চাদপাইঁ রেঞ্জের ছোট পদ্মা খাল এলাকায় সচেতন অভিযান চালান। এই এলাকায় জেলেদের অপহরণের জন্য জলদস্যুরা অবস্থান করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড এই অভিযান শুরু করে। অভিযান চলাকালে, অভিযানে থাকা কোস্ট গার্ড সদস্যরা দেখেন যে দস্যুরা পালানোর চেষ্টা করছে, তখন তাদের ধাওয়া করে চার জলদস্যুকে আটক করে। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও চার রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫), মোঃ রবিউল শেখ (৩২), মোঃ জিন্নাত হাওলাদার (৩৫), আর মোঃ কালাম গাজী (২৪)। জানা গেছে, তারা খুলনা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সরবরাহ করে আসছিল। এদিকে, একই দিন রাত ২টায় কোস্ট গার্ডের স্টেশন কৈখালী থেকে আনুমানিক ২৫ হাজার টাকার মূল্যবিশিষ্ট ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার ও নগদ ১৭ হাজার ৫৮০ টাকা সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। ভোরে, লবনচরা সুইচগেটের কাছ থেকে চারটি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ আরও একজনকে আটক করে কোস্ট গার্ড। এই সব অভিযানের জব্দকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জাহাজের নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেঃ মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি সুন্দরবনে জলদস্যুদের সক্রিয়তা বেড়েছে। ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবনকে উম্মুক্ত ঘোষণা করার পর সেখানে হাজার হাজার জেলে অবস্থান করছে, যারা মুক্তিপণের জন্য অপহরণের আশঙ্কাও রয়েছে। তবে, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য প্রশাসন এই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে। ভবিষ্যতেও দেশীয় উপকূল ও সুন্দরবনকে মাদক ও দস্যুমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

  • খুলনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি আটক

    খুলনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি আটক

    খুলনায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চালিয়ে যুবদলের সাবেক নেতা কামরুজ্জামান টুকুকে অস্ত্র ও গোলাগুলিসহ আটক করা হয়েছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে নগরীর লবনচরা এলাকায় বিশেষ এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানকালে টুকুর হেফাজত থেকে একটি সুটানগান, নয়টি রাউন্ড গুলি, একটি সাদা রঙের গ্রেনেড এবং পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। খুলনার লবণচরা থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান জানাচ্ছেন, গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা হঠাৎ করে হাজী মালেক কবরস্থানের কাছাকাছি এলাকায় অভিযান চালান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, অভিযানে কামরুজ্জামান টুকু নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। তার বাড়ি থেকে একটি একনলা বন্দুক, শর্টগানের গুলি এবং গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

    খুলনা প্রেসক্লাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

    পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে খুলনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে একটি বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের পূর্বে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে তার জীবনদর্শন ও শিক্ষাগুলো গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের ইমাম, হাফেজ মাওলানা মোঃ ইফসুফ হাবিব।

    আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, আর সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আশরাফুল ইসলাম নূর। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন খ্যাতনামা সাংবাদিক ও ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ দিদারুল আলম, কালো সদস্য মো. এরশাদ আলী, মো. রাশিদুল ইসলাম, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. হেদায়ের হোসেন মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, এবং এস এম নূর হাসান জনি সহ আরও nhiều অতিথি।

    মূলত, এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আহমদ মুসা রঞ্জু, ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা যেমন আলমগীর হান্নান, মোহাম্মদ মিলন, এস এম আমিনুল ইসলাম, এস এম ইয়াসীন আরাফাত (রুমী), মো. মাহফুজুল আলম (সুমন), মো. বেল্লাল হোসেন সজল, একরামুল হোসেন লিপু, এবং কিছু অস্থায়ী সদস্য যেমন শেখ ফেরদৌস রহমান, মো. হাসানুর রহমান তানজির, ইমাম হোসেন সুমন, মো. মেহেদী মাসুদ খান। এছাড়া, সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন জি এম রাসেল, মো. নুরুল আমিন (নূর), ফটো সাংবাদিক শেখ মো. সেলিম, এম রোমানিয়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শায়লা রহমান, অর্পিতা ও সুমাইয়া হুদা রাত্রি সহ আরো অনেকে।

    সমগ্র অনুষ্ঠানটি একযোগে শুভেচ্ছা, ভাবনা ও আলোকোজ্জ্বল অংশগ্রহণে উদযাপন করা হয়, যা রীতি অনুযায়ী মহানবীর আদর্শ ও জীবনময় আলো ছড়িয়ে দেয়।

  • কেসিসিতে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    কেসিসিতে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) নগর ভবনের চত্বরে একটি বিশেষ আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ ফিরোজ শাহ।

    প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি মহানবী (সা.) এর জীবনদর্শন ও আদর্শ অনুসরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মহানবী (সা.) এর শিক্ষা হলো একটি ন্যায়, সাম্য ও মানবিকতার সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে প্রত্যেকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও দায়িত্বের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। আজকের এই দিবসের মূল বার্তা হলো তাঁর জীবনাচরণের সত্যটাই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া। মুসলমানদের জন্য তাঁর পবিত্র জীবনদর্শন এখনও অপরিহার্য।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়োজিত এই অনুষ্ঠান প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা এস কে এম তাছাদুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কোহিনুর জাহান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    আলোচনায় অংশ নেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম, দারুল কোরআন দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এহসানুল হক, ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ গোলাম কিবরিয়া, কেসিসি শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি মাওলানা মোঃ মুসফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেসিসির সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম।

    শেষে, প্রধান অতিথি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করেন। এই পরিবারের সব সদস্যের জন্য আজকের দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।