Category: সারাদেশ

  • ডুমুরিয়াকে উন্নত ও আধুনিক উপজেলা করার প্রতিশ্রুতি

    ডুমুরিয়াকে উন্নত ও আধুনিক উপজেলা করার প্রতিশ্রুতি

    খুলনা-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলী আসগর লবি বলেছেন, আমি এই ডুমুরিয়ার সন্তান, আপনারা সবাই আমার পরিবারের অংশ। এই এলাকার মানুষের সঙ্গে আমার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। এর আগে এই অঞ্চলে উন্নয়নের কোনও ছোঁয়া লাগেনি। এখনো গ্রামেগঞ্জে যেতে নৌকা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। রাস্তা-ঘাটের অবস্থা এতটাই দুর্বল যে, অনেক সময় পায়ে হেঁটে বাড়ি পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে না। এখানে পর্যাপ্ত স্কুল, কলেজ, মসজিদ, মাদ্রাসা এবং মন্দিরের ব্যবস্থা নেই। আমি প্রস্তাব করছি, ডুমুরিয়াকে আধুনিক ও যুগোপযোগী উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলে স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নত করব।

    বুধবার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নে বিএনপি আয়োজিত উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ রেহেনা ঈসা। উপস্থিত ছিলেন নগরজাসাসের আহ্বায়ক নুর ইসলাম বাচ্চু, ইউপি সদস্য মোল্লা আবুল কাশেম, নিতাই গাইন, সুভাস বৈরাগী, রফিক মীর, খোরশেদ মোড়ল, আইয়ুব মাস্টার, শেখ জহুরুল ইসলাম, আশরাফ হোসেন, রফিক মীর, হুমায়ুন কবির, ইউপি সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম, শেখ আহফাজ উদ্দিন, শাহাবুদ্দিন সরদার, দ্বীন মোহাম্মদ, জিয়া গাজী, খান আসাদুজ্জামান মিন্টো, সাদ্দাম হোসেন মোলা, মোফাজ্জল শেখ, সাদ্দাম শেখ, আমিনুল সরদার, তৈয়বুর শেখ, ইউপি সদস্য পারুল বেগম, কুদ্দুস খান, রাবেয়া বেগম, সফি সরদার, শাজাহান ফকির, বিউটি বেগম, কুলসুম বেগম এবং রবিউল শেখ প্রমুখ।

    আলী আসগর লবি খর্নিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা ও মন্দির পরিদর্শন করেন এবং ব্যক্তিগত খরচে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। সিংঙ্গা স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের সাথে তিনি সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ করেন। সন্ধ্যার দিকে তিনি খর্নিয়া ইউনিয়নের দুটি নির্বাচনী কার্যালয় উদ্বোধন করেন।

  • আগামী নির্বাচনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তুহিন

    আগামী নির্বাচনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে: তুহিন

    মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের মনোনয়নপ্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন। তিনি বলেন, এ নির্বাচনে দলের নেতা-কর্মীসহ সাধারণ জনগণকে একযোগে ঐক্যবদ্ধ হয়ে অংশ নিতে হবে। দেশের মানুষ দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। গণতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অপচেষ্টাও চালানো হয়েছে। এই অস্থিতিশীল পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে হলে দেশের জনগণের ঐক্যই হবে মূল শক্তি।

  • সুশাসন ও কার্যকর নীতিসংশোধন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অসম্ভব

    সুশাসন ও কার্যকর নীতিসংশোধন ছাড়া টেকসই উন্নয়ন অসম্ভব

    বিশ্বখ্যাত অর্থনীতিবিদ ও পাবলিক পলিসি বিশ্লেষক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বিশ্বাস করেন যে, বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য আজ দূরদর্শিতা, সুসজ্জিত অর্থনীতি ও কার্যকর নীতিসংশোধন অপরিহার্য। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, টেকসই উন্নয়ন সম্ভব only হয় যখন আমরা সুশাসন প্রতিষ্ঠা করি এবং প্রয়োজনীয় নীতিগত পরিবর্তন বাস্তবায়ন করি। বিশেষ করে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলা এবং এসডিজি (টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য) অর্জনের জন্য যুগোপযোগী নীতি প্রণয়ন অতি জরুরি।

    বুধবার, বেলা ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের ‘Development Studies’ বিভাগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত ‘Bangladesh in Transition: Governance, Economy and Policy Reforms’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তৃতাকালে এসব কথা তিনি বলেন।

    ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, প্রথমে উদ্যোগের জন্য একটি দৃঢ় চিন্তাধারা তৈরি করতে হবে, যেখানে স্পষ্টভাবে সমস্যার মূল কারণগুলো চিহ্নিত করতে হবে। এরপর, ধারণাগুলোকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য দরকার কাঠামোগত পরিবর্তন, নীতিগত সমন্বয়, অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং মূল লক্ষ্য নির্ধারণ। সাথে সাথেই, কোন স্বার্থ বা গোষ্ঠীর অগ্রাধিকার নির্ধারণকে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

    তিনি আরও জানান, টেকসই সংস্কারে গণতান্ত্রিক পরিবেশ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও অংশীদারিত্বের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। বিনিয়োগের গতি বাড়াতে হবে এবং সংস্কার প্রক্রিয়াকে সমাজের সর্বত্র গ্রহণযোগ্য ও সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া জরুরি। সংস্কার কোনও একক ব্যক্তি বা সংগঠনের জন্য সম্ভব নয়, এটি একটি সমন্বিত ও সার্বজনীন প্রক্রিয়া। এজন্য প্রগতিশীল রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও জোটবদ্ধতার প্রয়োজন। এর পাশাপাশি, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

    উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম প্রধান অতিথি হিসেবে বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতিকে আরও গতি দেয়ার জন্য সুশাসন ও নীতিসংশোধনকে যুগের সাথে খাপ খাইয়ে নেওয়া জরুরি; উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সবসময় গবেষণা ও শিক্ষার মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে প্রস্তুত।

    ওই সেমিনার ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রধান ড. কাজী হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সমাজবিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর শেখ শারাফাত হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন সহযোগী অধ্যাপক মো. জোবায়ের হোসাইন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ফারহানা হক ও প্রভাষক আইরিন আজহার ঊর্মি। সেমিনারে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে সম্মাননা ক্রেস্ট উপহার দেওয়া হয়।

    উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন নানা বর্ষের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। সকালেই, তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিমের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং তাকে বিশেষ ক্রেস্ট দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। তার সঙ্গে ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান, ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের প্রধান ড. কাজী হুমায়ুন কবীর এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ-সিপিডির সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান।

  • বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের হরতাল

    বাগেরহাটে চারটি আসন বহাল রাখার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের হরতাল

    বাগেরহাটে চারটি আসনসংখ্যা পরিবর্তনের প্রতিবাদে দ্বিতীয় দিনের মতো হরতাল চলছে। এই হরতালকে সমর্থন করে বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে বিভিন্ন तरीके নিয়ে অবরোধ চালানো হয়েছে, যার মধ্যে সড়কে আগুন জ্বালানো, বেঞ্চ পেতে, বাস বন্ধ করে ও গাছের গুঁড়ি ফেলে রাস্তা অবরুদ্ধ করা অন্যতম। সর্বদলীয় সম্মিলিত কমিটির দাবি, জেলার বিভিন্ন সড়কের অন্তত ১৩৪টি স্থানে নেতাকর্মী ও সাধারণ এলাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবস্থান নিয়েছেন। এর ফলে বাগেরহাট জেলা দিয়ে অন্যান্য জেলার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এমনকি আন্তঃজেলা সড়ক যোগাযোগও কার্যকারিতা হারিয়েছে, সড়ক অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।

  • কেসিসির বাজেটে ৭১৯ কোটি টাকার লক্ষ্য নির্ধারণ

    কেসিসির বাজেটে ৭১৯ কোটি টাকার লক্ষ্য নির্ধারণ

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য বাজেট ঘোষণা করা হয়েছে। এবার এর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে মোট ৭১৯ কোটি ৫০ লাখ ৩৬ হাজার টাকা, যা গত বছরের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আড়াইশো কোটি টাকা কম। উল্লেখ্য, এই বাজেটে নতুন কোনও কর আরোপ করা হয়নি।

    বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটায় নগর ভবনের মিলনায়তনে এ বাজেট ঘোষণা করেন কেসিসির প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার। গত অর্থবছর ২০২৪-২৫ এর জন্য বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯৮১ কোটি ৯৯ লাখ টাকা, তবে তা পরে সংশোধিত হয় ৬১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকায়।

    অধিকারে মো. ফিরোজ সরকার জানান, এটি একটি উন্নয়নমূলক বাজেট। এই বাজেটে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা নিয়ন্ত্রণ ও তার নিষ্কাশন। পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ বাজেটে ডেঙ্গু মোকাবেলা, নগর জীবনের মান উন্নয়ন, নাগরিক সেবা সম্প্রসারণ ও উন্নয়নের জন্য নানা পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, ২০২৫ সালের জুনে বেশ কিছু বড় প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার কারণে এবারের বাজেটের লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা কমানো হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

  • সুশাসন ও কার্যকর নীতি সংস্কার আদর্শের বিকল্প নয়, ড. দেবপ্রিয়

    সুশাসন ও কার্যকর নীতি সংস্কার আদর্শের বিকল্প নয়, ড. দেবপ্রিয়

    দেশের খ্যাতনামা অর্থনীতিবিদ ও পাবলিক পলিসি বিশ্লেষক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন যাত্রায় সুশাসন, অর্থনীতি ও নীতিগত সংস্কার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধুমাত্র এসব সংস্কার ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে উপযুক্ত নীতি প্রণয়ন করা অপরিহার্য, যা দেশের উন্নয়ন ক্ষেত্রের অগ্রগতি and টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের (এসডিজি) সফল বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

    আজ বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘Bangladesh in Transition: Governance, Economy and Policy Reforms’ শীর্ষক সেমিনারে মূল বক্তা হিসেবে তিনি এ কথা তুলে ধরেন।

    ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সংস্কার কার্যকর করতে প্রথমে আমাদের মানসিকভাবে দৃঢ়তা অর্জন করতে হবে, যেখানে স্পষ্টভাবে সমস্যার দিকগুলো চিহ্নিত করতে হবে। ধারণাগুলোকে বাস্তবায়নে পর্যায়ে নামানোর জন্য কাঠামোগত পরিবর্তনের পাশাপাশি নীতিগত সমন্বয় জরুরি। এই সময় বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জগুলোর মোকাবিলা করতে হবে এবং সংস্কারের মূল উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে নির্ধারণ করতে হবে। কিছু স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিতে হবে, যা সুস্পষ্ট ও স্বচ্ছ হতে হবে।

    তিনি আরও বলেন, টেকসই সংস্কারের জন্য একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম এবং সকল অংশীজনের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। বিনিয়োগের গতি বাড়াতে হবে এবং সংস্কার কার্যক্রমকে সর্বজনীন দৃষ্টিভঙ্গিতে এগিয়ে নিতে হবে। এই প্রক্রিয়া একক ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সম্ভব নয়; এটি একটি মানসম্পন্ন এবং সামগ্রিক উদ্যোগ। এজন্য প্রয়োজন একটি শক্তিশালী ও প্রগতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সমাজের পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর উন্নয়নে বিশেষ মনোযোগ দেওয়া।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম, যিনি বলেন, বাংলাদেশের অগ্রগতি আরও গতিশীল করার জন্য সুশাসন ও নীতিগত সংস্কারকে যুগোপযোগী করে তুলতে হবে। তিনি উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানচর্চার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে যোগ্য মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার গুরুত্বের উপর জোর দেন। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের গবেষণামুখী করে তুলতে এবং দেশের উন্নয়নের অংশীদার হিসেবে উঠিয়ে রাখতে সবসময় সচেষ্ট রয়েছে।

    সেমিনারটি প্রধানত সভাপতিত্ব করেন ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. কাজী হুমায়ুন কবীর। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সমাজবিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর শেখ শারাফাত হোসেন এবং স্বাগত বক্তব্য দেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোঃ জোবায়ের হোসাইন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ফারহানা হক এবং প্রভাষক আইরিন আজহার ঊর্মি।

    সেমিনারে মূল বক্তা ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যকে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেওয়া হয়। উপস্থিত ছিলেন বিভাগের শিক্ষক ও বিভিন্ন বর্ষের বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী।

    এর আগের দিন সকালে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউל করিমের সঙ্গে তাঁর সৌজন্য সাক্ষাৎ ঘটে, যেখানে উপাচার্য ড. দেবপ্রিয়কে স্বাগত জানিয়ে মনোগ্রাম খচিত একটি ক্রেস্ট উপহার দেন।

    উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, দি অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আশিক উর রহমান, ডিভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ড. কাজী হুমায়ুন কবীর এবং সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)-এর সহকারী পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খান।

  • খুলনার রূপসা খেয়াঘাটে ভোগান্তির অব্যাহত অবস্থা

    খুলনার রূপসা খেয়াঘাটে ভোগান্তির অব্যাহত অবস্থা

    খুলনার রূপসা খেয়াঘাটটি একদিকে যেমন নদী পারাপারে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, অন্যদিকে এটি ভোগান্তির এক নিত্যনৈমিত্তিক অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন হাজার হাজার যাত্রী এই ঘাট দিয়ে নদী পাড়ি দেন, কিন্তু তাদের বেশিরভাগই অভিযোগ করেন ট্রলারে অতিরিক্ত যাত্রী পারাপার, অসাধু মনোভাব ও অনিয়মের কারণে দুর্ভোগে পড়েন। বিশেষ করে রাতে এই অনিয়মের মাত্রা আরও বৃদ্ধি পায়। রাতে আগেভাগেই, অর্থাৎ নয়টায় যাওয়ার আগে, জনপ্রতি পারানি (প্রতি যাত্রীর জন্য নেওয়া অতিরিক্ত ভাড়া) পাঁচ টাকা করে আদায় করা হয়। এছাড়াও Sাড়ে ১১টার পর থেকে রাতের অন্ধকারে পুরুষ ও মহিলাদের কাছ থেকে দশ টাকা করে পারানী নেওয়া হয়। আইনি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই মোটরসাইকেল ভাড়া হয় বিশ থেকে ত্রিশ টাকা। ট্রলারে সাধারণত ধারণের ক্ষমতার চেয়েও বেশি যাত্রী নেওয়া হয়, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে মাঝিয়ারা দুর্ব্যবহার করে থাকেন। উপরন্তু গ্যাংওয়ে দিয়ে জনসাধারণের চলাচল ছিলো ঝুঁকিপূর্ণ, বিশেষ করে ভাটা অবস্থায় গোটা পদ্ধতিই মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়ে। প্রশাসনের কোন কার্যকর নজরদারি না থাকায় বিভিন্ন অনিয়ম এখন পর্যন্ত অব্যাহত। সম্প্রতি রূপসা ঘাট কর্তৃপক্ষ কিছু কাঠ বিছিয়ে দেওয়ায় কিছুটা স্বস্তি এসেছে। তবে স্থানীয়রা জোর দাবি জানিয়েছেন নতুন গ্যাংওয়ে স্থাপন ও পুরাতন গ্যাংওয়ের দ্রুত অপসারণের জন্য। বাইনতলা গ্রামের শফিকুল ইসলাম বলেন, “ট্রলার মাঝিরা অনিয়ম করছে, দেখার মতো কেউ নেই।” যাত্রী জাহিদুল ইসলাম জানান, অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে মাঝিদের অপমান ও হাততালি করা হয়। ট্রলার হয়তো ২০ জনের জন্য তৈরি, কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো হচ্ছে অব্যাহতভাবে। এতে করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। ভুক্তভোগীরা জানান, বিভিন্ন সময় নানা ধরনের হয়রানির শিকার হয়েছেন তাঁরা। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি কর্মজীবী, ব্যবসায়ীসহ নানা পেশার মানুষ নিয়মিত এই ভোগান্তিতে পড়েন। বিগত সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা হলেও বর্তমানে তা আর হয় না, ফলে মাঝিয়ারা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। খেয়াঘাটে পারাপার করতে সাহস পাওয়া যেকোনো যাত্রীর জন্য পারানী গুণতে হয় আট টাকা। এই সব অনিয়মের কারণে সাধারণ মানুষ জীবন বাজি রেখে নদী পার হচ্ছেন, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়।

  • সুন্দরবনের জলদস্যু কাজল-মুন্নার বাহিনীর তিন সদস্য গ্রেফতার

    সুন্দরবনের জলদস্যু কাজল-মুন্নার বাহিনীর তিন সদস্য গ্রেফতার

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের সুন্দরবনের নদ-নদীতে জলদস্যু কাজল-মুন্না বাহিনীর দাপট বেশই ছিল। মঙ্গলবার রাতে শ্যামনগর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে এই দস্যু দলের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে। এই সময় তাদের কাছ থেকে ৭৪ হাজার টাকা মুক্তিপণ ও ব্যবহৃত মোবাইল ও সীম জব্দ করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, শ্যামনগরের ছিত্তরঞ্জন মালিকের ছেলে সাহা সুব্রত মালিক (৪৩), পরিতোষ রায়ের ছেলে বিপ্লব রায় (৩২) এবং মৃত কৌতুক বিশ্বাসের ছেলে লক্ষণ বিশ্বাস (৭২)। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় সুন্দরবনে অপহৃত দুই জেলেও উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হলো, শ্যামনগর উপজেলার কালেন্সি গ্রামের নূর হোসেনের ছেলে আব্দুসালাম (২৫) ও ভেটখালী নতুনঘেরি গ্রামের হরে কৃষ্ট ধীবর (২৭)। এর আগে, সোমবার ভোরে এই জলদস্যু বাহিনী সুন্দরবনের পায়রাটুনি খাল থেকে জিম্মি করে দুই জেলেকে, পর পর মুক্তিপণ আদায় করে বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা নয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিরা জলদস্যু করে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ওই সব জেলেদের অপহরণ করে বিকাশ নম্বরে মুক্তিপণ পাঠানোর নির্দেশ দেয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ এই তিন দস্যুকে আটকের পাশাপাশি জেলেদের মুক্তি ও উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে। তবে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই চক্রের টাকার অনেকাংশ হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে পাঠানো হয় বলে আটক ব্যক্তিরা স্বীকার করেছেন। ইতিমধ্যে এই দালালের সঙ্গে জড়িত বেশ কিছু ব্যক্তি ও সংগঠনের সন্ধান পাওয়া গেছে। পুলিশ বলেছে, গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং এই বিষয়ক তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

  • খুবিতে ‘রিসার্চ প্রসেস এন্ড টুলস’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত

    খুবিতে ‘রিসার্চ প্রসেস এন্ড টুলস’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সোসাইটি (কেইউআরএস) এর উদ্যোগে ‘রিসার্চ প্রসেস এন্ড টুলস’ শীর্ষক এক গুরুত্বপূর্ণ সেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গবেষণাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ResearchMate এর সহযোগিতায় মঙ্গলবার বিকেলে সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম।তিনি বলেন, গবেষণা হতে হবে বিশ্বমানের ও প্রভাববিস্তারকারী। বিশ্বমানের গবেষণা করার জন্য গবেষণার কৌশল, ডাটা সংগ্রহের পদ্ধতি ও আধুনিক গবেষণা টুলসের ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তরুণ গবেষকদের উন্নতির জন্য বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের মধ্যে যুক্ত হতে হবে, মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি সহযোগিতা চালিয়ে যেতে হবে এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণায় মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণার ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সমস্যা ও সম্ভাবনাগুলোকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। ইতোমধ্যে প্রতিটি বিভাগে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যারা গবেষণামূলক কার্যক্রমে শিক্ষকদের সহায়তা করবেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণায় সম্পৃক্ত করতে উৎসাহিত করবেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী এবং ছাত্র বিষয়ক পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ নাজমুস সাদাত। কী-নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আজিম। তিনি গবেষণা প্রক্রিয়া, তথ্য বিশ্লেষণ ও আধুনিক গবেষণা টুলস ব্যবহারের গুরুত্ব নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। ResearchMate’র সভাপতি দেবাশীষ অধিকারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তৃতা করেন সাবেক সভাপতি মিনহাজুল আবেদীন সম্পদ। সেশনের পরে নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়, যার সভাপতি চয়ন বকশি এবং সাধারণ সম্পাদক গৌড় মুন্ডা। এ সময় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গবেষণার জন্য নতুন দিক নির্দেশনা ও প্রেরণা পাওয়া যায়, যা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের গবেষণা প্রচেষ্টায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

  • মানবকল্যাণে বিশাল ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিভাগীয় কমিশনারের মন্তব্য

    মানবকল্যাণে বিশাল ব্যক্তিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, বিভাগীয় কমিশনারের মন্তব্য

    অন্ধত্ব নিরসন ও প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলায় বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর ও দেশের বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এর অংশ হিসেবে খুলনায় বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশন, চশমা বিতরণসহ ব্যাপক চক্ষু চিকিৎসা সেবা দেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইটসেভার্সের সহযোগিতায় ব্র্যাক এবং খুলনা বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালে এই বিশেষ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয় এবং ফজলুর রহমান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনায় এটি পরিচালিত হয়। এই ক্যাম্পের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয় মঙ্গলবার নগরীর নূরনগর পানি উন্নয়ন বোর্ড মিলনায়তনে, যেথায় সকাল ১০টায় শুরু হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফজলুর রহমান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও সাবেক বিএফইউজের সহ-সভাপতি রাশিদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার ও কেসিসির প্রশাসক মোঃ ফিরোজ সরকার। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, দেশের হতদরিদ্র জনগোষ্ঠীর কল্যাণের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর এগিয়ে আসা অপরিহার্য। সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা স্বাস্থ্যসেবা ও মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তিনি সবাইকে মানবসেবায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং বলেন, এ ধরনের সেবামূলক কাজের ক্ষেত্রে সরকার সর্বদা পাশে থাকবে। অনুষ্ঠানে অন্য অতিথিদের মধ্যে ছিলেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের যুগ্ম মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশরাফুল আলম এবং ব্র্যাক খুলনা জেলা সমন্বয়ক মোঃ শফিকুল ইসলাম। এর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক (অ) আবুল হাসান হিমালয়, আন্তর্জাতিক সংস্থা সাইটসেভার্সের ডিস্ট্রিক্ট কো-অর্ডিনেটর বনফুল চুমকি, দৈনিক দিনকাল খুলনা ব্যুরোর প্রধান সোহরাব হোসেন, বিএনএসবি চক্ষু হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার খান নাহিদ মুরাদ অনিক, ব্র্যাকের প্রোগ্রাম অর্গানাইজার মোঃ মাহবুবুর রহমান, তরিকুল ইসলাম, শহিদুল ইসলাম, শামসুজ্জামান মুক্তা, বাবা হোসেনসহ অনেকে। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ২টা পর্যন্ত এই ক্যাম্পে বিনামূল্যে ৩৬ জনের ছানি অপারেশনের জন্য বাছাই করা হয়, যাঁদের চোখে এই অস্ত্রোপচার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গ্রাহকদের মধ্যে ৫২ জনকে বিনামূল্যে রিডিং গ্লাস দেওয়া হয় এবং মোট ২৪৫ জনের চক্ষু চিকিৎসা হয়। এই ক্যাম্পে হতদরিদ্র রোগীদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষণীয় ছিল। বিনামূল্যে চোখের ছানি অপারেশনের সুযোগ পেয়ে অনেকের চোখে আনন্দের ঝলক দেখা যায় এবং তারা নতুন জীবনযাত্রার স্বপ্ন দেখছে।