Category: সারাদেশ

  • মঞ্জু বলেন, একসঙ্গে কাজ করলে কোন ষড়যন্ত্র ঠেকাতে পারবে না

    মঞ্জু বলেন, একসঙ্গে কাজ করলে কোন ষড়যন্ত্র ঠেকাতে পারবে না

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ঐক্যই আমাদের মূল শক্তি। তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে এক হয়ে কাজ করলে কোনো রকম ষড়যন্ত্রই আমাদের পরাস্ত করতে পারবে না। এই ঐক্যই আমাদের দেশকে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীন করে তুলবে। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সব প্রার্থী এবং নেতাকর্মীরা একত্রে কাজ করলে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে খুলনাসহ দেশের সকল ধানের শীষের প্রার্থী জয়ী হবে এটি নিশ্চিত। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই বিশ্বাসে উদ্বুদ্ধ হয়ে সর্বস্তরের জনগণ ও দলের নেতাকর্মীরা একসঙ্গে কাজ করছে। এর ফলে সকল ষড়যন্ত্র যেমনই থাকুক না কেন, তা আমাদের রুখে দিতে সক্ষম হব।

    গতকাল শুক্রবার তফসিল ঘোষণা হওয়ার পর সকাল ১১টায় সোনাডাঙ্গা গোবরচাকা এলাকায় নির্বাচন প্রচারণা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাত করেন ধানের শীষের এই প্রার্থী। এরপর বিকেলে ৩১ নম্বর ওয়ার্ডে হযরত বেলাল (রাঃ) জামে মসজিদে খালেদা জিয়ার দ্রুত সুস্থতা ও রোগমুক্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। দোয়া-প্রার্থনার আয়োজন করেন ছাত্রদল নেতা মোঃ কামাল হোসেনের সার্বিক সহযোগিতায়, এবং মসজিদের ইমাম মোঃ ওহিদুজ্জামান শাহিন দোয়া পরিচালনা করেন।

    উপস্থিত ছিলেন আরও অনেক নেতা-কর্মী ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, যেমন—আরিফুজ্জামান অপু, ইউসুফ হারুন মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, এইচ এম সালাম হোসেন, মোহাম্মাদ আলী, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সাখাওয়াত হোসেন, কামরুল আলম খোকন, এড. ওমর ফারুক বনি, মাবুবুর রহমান লিটু, তালেব মোল্লা, সেলিম বড় মিয়া, নাজমুল হোসেন নাসিম, ফিরোজ আহমেদ, মুশফিকুর রহমান অভি, একেএম সেলিম, জাহাঙ্গীর হোসেন, মাসুদ রুমী, মামুনুর রহমান, মত্তিয়র রহমান, সাহিদ ইসলাম, শুকুর আলী, জাহিদুল ইসলাম, কামরুল ইসলাম, কবির হোসেন, জীবন মীর, মামুনুর রহমান রাসেল, নূরুজ্জামান কাজী, সুলতান হাওলাদার, ইয়াকুব পাটোয়ারী, আলাউদ্দিন মিয়া, সোলাইমান হাওলাদার ও রুমি খল প্রমুখ।

  • খালেদা জিয়া ১৮ কোটি মানুষের জন্য দেশমাতা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত

    খালেদা জিয়া ১৮ কোটি মানুষের জন্য দেশমাতা মর্যাদায় অধিষ্ঠিত

    বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অবদান রেখে গেছেন। তার সুস্থতা আজ শুধু বিএনপি’র নয়, এর সঙ্গে জড়িত পুরো জাতির প্রত্যাশা। দলমত নির্বিশেষে, বেগম জিয়া বাংলাদেশের নেত্রী হিসেবে স্বীকৃত। তিনি বর্তমানে ১৮ কোটি মানুষের কাছে ‘মাদার ফিগার’—দেশমায়ের মর্যাদায় অভিষিক্ত। বিএনপি’র সমালোচকরাও একজন নেত্রীর প্রতি সম্মান প্রকাশ করেন, কারণ মতভেদের মধ্যেও তিনি আমাদের সকলের নেতা।

    গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় বাগেরহাট জেলা কল্যাণ সমিতি, খালিশপুরের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশুরোগ মুক্তি কামনায় দোয়া ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে তিনবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকারী মাত্র একজন নারীর নাম বেগম জিয়া। দীর্ঘ সময় রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা তাকে জাতীয় নেতৃত্বের কেন্দ্রে রেখেছে। ১/১১ এর সময় তার কারাদণ্ডসহ সব ধরনের রাজনৈতিক সংকটের মধ্যেও তিনি গণতন্ত্রের দাবিতে বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জনগণের অধিকার আদায়ে তার সংগ্রাম তার প্রতিরোধ ক্ষমতা ও দৃঢ়চিত্তের পরিচয় বহন করে। দেশের বিভিন্ন সংকট, রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা ও ব্যক্তিগত আঘাত সহ্য করে তিনি ধৈর্য ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। এই গুণ তাকে একজন মাতৃসুলভ, দৃঢ় নেত্রী হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে। বর্তমানে তার স্বাস্থ্যের অবনতি দেখে, বিপক্ষ রাজনীতির সমালোচকরা পর্যন্ত তার দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কারণ, তিনি কেবল এক দলের নেত্রী নন, দেশের রাজনীতির এক গুরুত্বপূর্ণ অংশের প্রতিনিধিত্ব করেন। নারীর রাজনীতিতে অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নে তার ভূমিকা অনুপ্রেরণার स्रोत। গ্রামের সাধারণ মানুষ, শহরের শ্রমজীবী, কৃষক ও প্রান্তিক মানুষদের তিনি বারবার গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর দলের নীতিতেও কল্যাণ রাষ্ট্রের ধারণা স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

    আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে এ দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি ছিলেন সমিতির প্রধান উপদেষ্টা স ম আব্দুর রহমান। উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মোহাম্মদ খলিলুর রহমান, আনোয়ার হোসেন মৃধা, কাজী শফিকুল ইসলাম, মোঃ হেমায়েত উদ্দিন, শেখ মোঃ রাহাদুল হক কচি, ইঞ্জিনিয়ার শাহিন উদ্দিন, শেখ আল রুবেল, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন, মোহাম্মদ নাজমুল কবির, মোস্তাফিজুর রহমান, মোঃ আসাদ, মোহাম্মদ আব্দুর রহিম, বি এম মাফিজুল ইসলাম, সোহেল রানা প্রিন্স, ইঞ্জিনিয়ার এমদাদুল হক খান, মোঃ শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ রহিম শেখসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ। পরে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও প্রয়াত সকল নেতৃবৃন্দের রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছিল।

  • খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

    খুলনা-মোংলা মহাসড়কে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

    খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপাল উপজেলার ফয়লা ব্রিজের ওপর একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একজন যুবক নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

  • বাগেরহাটে গুলির প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে গুলির প্রতিবাদে বিএনপির বিক্ষোভ

    বাগেরহাটে দেশের নির্বাচন ও গণতন্ত্র উন্নত করতে আন্দোলনরত বিএনপি নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে ওসমান হাদির উপর গুলির প্রতিবাদে এক বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত করেছে। ঢাকার আন্তর্জাতিক ফোরামের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির উপর হামলার প্রতিবাদ ও সন্ত্রাসীদের বিচারের দাবিতে শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট শহরে এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়।

    বাগেরহাট জেলা বিএনপির উদ্যোগে শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন প্রধান সড়ক অতিক্রম করে শহীদ মিনারের কাছে এসে শেষ হয় মিছিলটি। এই সময় দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন, যার মধ্যে ছিলেন এমএ সালাম, ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন, মাহবুবুর রহমান টুটুল, শাহিদা আক্তার, সরদার লিয়াকত আলী, জাহিদুল ইসলাম শান্তসহ বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতৃবৃন্দ।

    মিছিলে বক্তারা বলেন, ওসমান হাদির ওপর হামলা একটি ষড়যন্ত্রের অংশ, যা অবিলম্বে তদন্ত করে হামলাকারীদের খুঁজে বের করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে। তারা আরও বলেন, এই হামলা নির্বাচনের পরিবেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা। শ্লোগানে মুখর হয়ে উঠে পুরো শহর। এরূপ হামলাকে বিদ্বেষপূর্ণ ও ষড়যন্ত্রমূলক আখ্যা দিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, এ ধরনের অপরাধ দমনে প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া দরকার।

    অতীতে যারা গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষা করতে চেয়েছে, তারাই এসব হামলার পেছনে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন বক্তারা। এমএ সালাম বলেন, হামলা যারা করেন তাদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে। আর এই ঘটনার পিছনে যারা থাকুক না কেন, তৃণমূল পর্যায়ে ভোটের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে সব পক্ষের কাছে।

  • শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নগর বিএনপি’র বিভিন্ন কর্মসূচি

    শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে নগর বিএনপি’র বিভিন্ন কর্মসূচি

    খুলনা মহানগর বিএনপি মহান বিজয় দিবস এবং শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের স্মৃতিকে সম্মান জানাতে বিভিন্ন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। এই দর্শনীয় অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সভা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিশদ পরিকল্পনা আলোচনা ও ঘোষণা করা হয়। অনুষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে ১৩ ডিসেম্বর রাত ১২টায় গল্লামারি বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, যা শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করে শ্রদ্ধার্ঘ্য ও অর্পণ করা হবে। এছাড়া ১৪ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় দলীয় কার্যালয়ে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল হবে। মহান বিজয় দিবসের পালনে ১৬ ডিসেম্বর সূর্যোদয়ের সাথে সাথে গল্লামারি স্মৃতিসৌধে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হবে। দুপুর আড়াইটায় দলীয় কার্যালয় থেকে বিজয় র‌্যালি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করবে।

    মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে এই প্রস্তুতি সভায় বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল আলম তুহিন, মাসুদ পারভেজ বাবু, হাসানুর রশীদ চৌধুরী মিরাজ, সেখ হাফিজুর রহমান মনি, মুর্শিদ কামাল, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আসাদুজ্জামান আসাদ, শেখ আব্দুল আজিজ সুমন, রবিউল ইসলাম রুবেল, সৈয়দা নর্গিস আলী, ইঞ্জিনিয়ার নুর ইসলাম বাচ্চু, কে এম এ জলিল, আখতারুজ্জামান তালুকদার সজীব, শেখ আদনান ইসলাম দীপ, ইস্তিয়াক আহম্মেদ ইস্তি, আবু সাঈদ শেখ, মোঃ আবু নাঈম কাঝী, হাফেজ মোঃ আল-আমিন, মোঃ জুবির রহমান, মোঃ শফিকুল ইসলাম শফি, জাকির ইকবাল বাপ্পী, মোঃ নাসিরউদ্দিন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন মানে না

    বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন মানে না

    খুলনা-৪ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, যদি বিএনপি ক্ষমতায় আসে, তাহলে সনাতনী সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশ একটি একটি მრავალধর্মবিশ্বাসী দেশ, যেখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলেই সমান অধিকার享 করে থাকেন। বিএনপি কখনোই সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন স্বীকার করবে না।

    তিনি উল্লেখ করেন, বিগত সময়ে যেসব দুঃসময় সনাতনী সম্প্রদায়ের ওপর পতিত হয়েছিল, ক্ষমতায় এলে তার পুনরাবৃত্তি আর কখনো হতে দেওয়া হবে না। মন্দির, আশ্রম ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হবে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং ধর্মীয় সম্প্রীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার কোনও অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।

    অতিরিক্ত তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যদি আশেপাশের ভোটের মাধ্যমে সংসদে প্রতিনিধিত্ব লাভ করতে পারেন, তাহলে এলাকায় পানিবৈষম্য দূরীকরণ, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের আধুনিকায়ন, পাশাপাশি নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি করাই তার লক্ষ্য। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, উপজেলার প্রতিটি মানুষ যেন নিরাপদ, অর্থাৎ ভয় ও শঙ্কা মুক্তভাবে চলাফেরা করতে পারে, সেই জন্য চাঁদাবাজমুক্ত, শান্তিপূর্ণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত একটি সমৃদ্ধ উপজেলা গড়ে তোলাই হবে তার প্রধান উদ্দেশ্য।

    গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে, ঘাটভোগ ইউনিয়নের ডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে রূপসা উপজেলার সনাতনী সমাজ আয়োজিত এক সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন নেতাকর্মী ও ধর্মীয় নেতা গণও উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন খুলনা মহানগর পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, খুলনা জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জল কুমার সাহা, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তিলক কুদীর, বটতলা শ্মশানকালী মন্দিরের সভাপতি বিকাশ মিত্র, রূপসা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ বসু ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক নির্মল চন্দ্র সরদার এবং সঞ্চালন দেন রূপসা পূজা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ গোপাল সেন। শেষে বিভিন্ন অতিথি ও নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক, প্রধান শিক্ষিকা ও ধর্মীয় নেতারা। অনুষ্ঠানটি ধর্মীয় ঐতিহ্য ও সম্প্রীতির সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।

  • সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে

    সার্বিক সহযোগিতার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়া হবে

    জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে তফসিল ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বিএনপিকে আঙ্গুল তুলে চলে বলেন, সব দলের সম অধিকার নিশ্চিত করতে হলে নির্বাচন সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সৃষ্টি করতে হবে, যেখানে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ থাকবে। এ বিষয়ে প্রশাসনের দায়িত্ব গুরুত্বপূর্ণ। কোনো কর্মকর্তা যেন কোন দলের প্রার্থীদের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার জন্য কাজ না করেন, সেজন্য সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার পর থেকে সব কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে যান। ফলে প্রশাসন যেন কোন দলের প্রার্থীকে সুবিধা দিতে না পারেন, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। তবে, পিয়ার ও পাঁচ দফার আন্দোলনে জড়িত ৮টি দল দেশের ও জনসাধারণের স্বার্থে এই আন্দোলন চালাচ্ছে, যাতে কোনো সংঘাত বা রক্তক্ষয় হয়, তা তিনি চান না। এ কারণে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় গেলে সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করে এই দাবিটি বাস্তবায়ন করবেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা-৫ আসনের জিরোপয়েন্ট এলাকায় গণসংযোগের শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন। এর আগে দুপুরে ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া আজিজুর ইসলামের আল্লারদান ইট ভাটায় মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন তিনি। সভায় উপস্থিত ছিলেন অন্যান্যের মধ্যে খুলনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, ডুমুরিয়া উপজেলার আমির মাওলানা মোক্তার হোসেন, নায়েবে আমির মাওলানা হাবিবুর রহমান, গাজী সাইফুল্লাহ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সভাপতি মাওলানা ওমর আলী, খেলাফত মজলিসের সভাপতি মাওলানা আবু সাঈদ আহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মুফতি আবদুল কাইয়ুম জমাদ্দার, ইসলামী আন্দোলন নেতা মুফতি আবদুস সালাম ও মুফতি মাহবুবুর রহমান, উপজেলা হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দী, সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ দেবপ্রসাদ, ইটভাটা মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রঞ্জন সরদার, সহ-সম্পাদক আজিজুল ইসলাম মোড়ল, ভাটা মালিক আবিন উদ্দিন ও বাহার উদ্দিন সহ আরও অনেকে। এর পাশাপাশি সকালে কাঁঠালতলা বাজারে জনসংযোগ ও মঠবাড়ীয়া কওমি মাদরাসা শিক্ষক মন্ডলী, ছাত্র ও এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

  • বিএনপি নেতাকর্মীদের শক্তি ও মনোভাবের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান

    বিএনপি নেতাকর্মীদের শক্তি ও মনোভাবের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান

    ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের অগ্রগতিতে এগিয়ে যেতে হবে এবং জনগণের কাছে পৌঁছাতে হবে বলেও গুরুত্ব দিয়েছেন বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী হিসেবে নিজেকে প্রস্তুত করে বিএনপি-কে শক্তিশালী করার জন্য সকল নেতাকর্মীদের অহংকার ও মনোভাব নিয়ে সামনে এগোতে হবে। মঞ্জু আরও বলেন, অনেক বাধা ও বিপত্তি আসবে, তবে সবকিছু কাটিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে। বিএনপি কখনোই পরাজিত হয়নি এবং পরাজিতও হবে না—কারণ এটি দেশের মানুষ এবং মুক্তিযুদ্ধের দলের প্রতীক। দেশের উন্নয়ন ও মুক্তিযুদ্ধের আদর্শে অটুট থাকতে পারলেই বিএনপি সফল হবে। এই সাফল্য অর্জনে ইস্পাত দৃঢ় ঐক্য ও সার্বজনীন জাতীয়তাবাদী দর্শন অপরিহার্য। দেশকে পিছনে টেনে নেয়ার অপপ্রয়াসের বিরুদ্ধে বিএনপির নেতাকর্মীদের সাহসিকতা ও লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। সব মিলিয়ে, তাদের মনোবল ও শক্তি নিয়ে সামনে এগোতে হবে।

    গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু জাতীয় নেত্রীর রোগমুক্তি ও দ্রুত সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিলের পাশাপাশি এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করেন। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা মাথায় রেখে নিরলস কাজ করে যাব। এরপর, দুপুর ১টায় তিনি ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম টুটপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও কর্মচারীদের সঙ্গে সাক্ষাত ও মতবিনিময় করেন। বিকেলে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মাগরিবের পরে সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার বাইতুল্লাহ জামে মসজিদে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে প্রার্থনা করা হয়, যেখানে বলেও যায়, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার দ্রুত স্বাস্থ্যের উন্নতি ও সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা, যেমন কাজী রাশেদ, ডাঃ জাফরউল্লাহ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, সাদিকুর রহমান সবুজ, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মজিবর রহমান ফয়েজ, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, ইশহাক তালুকদার, সুলতান মাস্টার, রবিউল ইসলাম রবি, ওহেদুর রহমান দিপু, খায়রুল ইসলাম লাল, রিয়াজুর রহমান, আসাদুজ্জামান, মোস্তফা কামাল, জিএম রফিকুল ইসলাম, ইকবাল হোসেন, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, আলমগীর হোসেন আলম, মোহাম্মাদ আলী, কামরুল ইসলাম, খন্দকার আকারুল ইসলাম, শাহাবুদ্দিন আহমেদ, সুলতান মাহমুদ সুমন, আব্দুল হাকিম, মাসুদ খান বাদল, জামাল মোড়ল, এড. ওমর ফারুক, মাজেদা খাতুন, এ আর রহমান, ডাঃ ফারুক হোসেন, শেখ মাসুদ হোসেন, মিজানুর রহমান, করিম হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, হেমায়েত হোসেন, জাহিদুল ইসলাম খোকন, নাদির উদ্দিন, খান আবু দাউদ, শেখ আমির হোসেন বাচ্চু, মুশফিকুর রহমান অভি, সেলিম বড় মিয়া, শেখ আবুল কাশেম, শেখ বাবুল হোসেন, শামীম রেজা, ইমরান হোসেন, এড. নাহিদ, আনিছুর রহমান সেলিম, আরিফুল ইসলাম, মীর মোহাম্মদ বাবু, আরিফুল হক, শেখ জাকির হোসেন, লাভলী আক্তার, শফিউদ্দিন আহমেদ, জুয়েল রহমান, ইমতিয়াজ সেজান, তরিকুল ইসলাম, মৌসুমী খাতুন, মামুনুর রহমান রাসেল, মঈনউদ্দিন, মোল্লা কবির হোসেন, খান মারুফ হোসেন, শেখ রবিউল ইসলাম, হাফিজুর রহমান টুটুল, ডাঃ ফেরদৌস হোসেন, ডাঃ হাসান, হারুন মোল্লা, পারভেজ মোড়ল, মোঃ বাদল, আরিফিন আক্তার, তারিন আক্তার, লাকি আক্তার এবং নাজমা বেগম প্রমুখ।

  • খুলনা-৩ আসনকে বৈষম্যহীন ও আধুনিক জনপদে রূপান্তর করতে চাই

    খুলনা-৩ আসনকে বৈষম্যহীন ও আধুনিক জনপদে রূপান্তর করতে চাই

    খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, মানুষের সেবা করতে গিয়ে কখনো দল বা মতের পার্থক্য বিবেচনা করেননি। করোনাকালীন সময়ে যখন কেউ দাফন-কাফনে এগোতে সাহস পায়নি, তখন তিনি ঘরে ঘরে অক্সিজেন, খাবার এবং চিকিৎসা সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার জন্য কাজ করেছেন। তিনি বলেন, এখানে কখনো দলীয় শত্রুতা বা বিভেদ ভাবেননি, বরং মানুষের জন্য সবসময় কাজ করে যাব। ভবিষ্যতেও খুলনা-৩ আসনকে বৈষম্যহীন, আধুনিক ও উন্নত জনপদে রূপান্তর করতে তিনি দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নগরীর মহাশ্বরপাশা ১নং ওয়ার্ডের সুধী সমাজ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

    বকুল আরো বলেন, তিনি খালিশপুর, দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানায় নিযুক্ত হয়ে মানুষের পাশে থাকতে পেরে গর্ববোধ করেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবন কালে কোন ধরনের অনিয়ম, চাঁদাবাজি বা অবৈধ সম্পদ অর্জনের কথা কেউ বলতে পারবে না। তিনি বলেন, টাকার অভাবে কেউ চিকিৎসা বা শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত হোক, এটা তিনি কখনো মেনে নেবেন না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের জন্য মুক্তির সনদ হিসেবে দেখা হয়, ট্র্যাক রেহমান ঘোষিত ৩১ দফা, যা নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য মুক্তির পথ। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের ঠিক আগে এই মূলনীতি ঘোষণা করা হয়। তিনি বলেন, আমরা বিভেদ-পরিহারী রাজনীতি চাই, যা ধর্ম-বর্ণ বা নির্বিশেষে সকলের জন্য নিরাপদ, মানবিক ও আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে।

    খুলনা-৩ এর অর্থনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বকুল বলন, শহরটি আজ এক গভীর অর্থনৈতিক সংকটে পড়েছে। ২৬টির বেশি জুট মিল ও কলকারখানা বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে হাজারো শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে রয়েছেন। যদি এই আসনে নির্বাচিত হয়, তাহলে বন্ধ কারখানা আবার চালু করার জন্য উদ্যোগ নেবেন। সাথে ১০ লক্ষের বেশি মানুষ বসবাস করে এমন এই অঞ্চলে এক আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।

    আরো তিনি জানিয়ে দেন, দ্রুত একটি মহিলা ক্যাডেট কলেজ স্থাপন করা হবে। চরেরহাটের মাঠকে মিনি স্টেডিয়ামে রূপান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে। বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ ও ইভটিজিংমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতেই তার লক্ষ্য। সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শরিফুল ইসলাম, কুয়েটের সাবেক প্রো-ভিসি শেখ আবসালাম, মুক্তিযোদ্ধা চান মিয়া হাওলাদার, জিয়াউল ইসলাম মিঠু, শ্যামল কুমার দাস, ডাঃ কাজী নেছার উদ্দিন আহমেদ মন্টু, আলহাজ্ব মোহাম্মদ সোবহান শরীফ, যশোর বোর্ডের সাবেক কন্ট্রোলার অধ্যাপক সাধন চন্দ্র রুদ্র, মোঃ সিরাজ মোল্লা, সৈয়দ কামরুল ইসলাম, ইঞ্জিনিয়ার শেখ শাহির হোসেন জামু, মোঃ সেলিম রেজা ও অধ্যাপক শফিকুল আলম মুন্সী। সভার সভাপতিত্ব করেন বিজেএ’র সাবেক সভাপতি মোঃ ফজলুর রহমান শরীফ এবং সঞ্চালনায় ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবক ও সাবেক জাতীয় ফুটবলার কাজী নাসিবুল হাসান সান্নু। এই সভায় স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

    মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান

    খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদা ও উৎসবমুখর পরিবেশে ৭৮তম আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উদ্যাপন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি ও মানবাধিকার রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে এই দিনটি পালিত হয়, যার মাধ্যমে মানবাধিকার জনগণের মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার জন্য সচেতনতা ছড়ানো হয়। সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশ, খুলনা অঞ্চল এর উদ্যোগে বুধবার সকাল ১০টার দিকে নগরীর হাদিস পার্কে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। র‌্যালিতে বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন, সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল আলম মনা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজসহ আরও অনেক নেতৃবৃন্দ। র‌্যালিটি হাদিস পার্ক থেকে শুরু হয়ে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় সেখানে এসে শেষ হয়। শুরুতেই অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি। বক্তৃতার পর্যায়ে শফিকুল আলম মনা বলেন, “মানবাধিকার কোনো উপহার নয়, এটি প্রত্যেক মানুষের জন্মগত অধিকার। স্বাধীনতা ও মানবাধিকার ভাষায়, চিন্তা ও প্রকাশে সকলের জন্য সমান অধিকার। তবে স্বৈরাচারী শাসনে শেখ হাসিনার আমলে এই মৌলিক অধিকার ব্যাপকভাবে লঙ্ঘিত হয়েছে।” তিনি উল্লেখ করেন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সংকুচিত, ভোটাধিকার হরণ, ভিন্নমত দমন করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন অঙ্গনের ব্যক্তির মানবাধিকার গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, নির্মমতা ও অত্যাচারের শিকার হয়ে পড়োচ্ছে। সত্য কথা বলাকে তখন অপরাধ হিসেবে দেখা হয়। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্রের স্থায়িত্ব সম্ভব, কারণ গণতন্ত্র যতক্ষণই অবাধ ও স্বাধীন নয়, ততক্ষণই তার শক্তিও কম। তিনি আরও বলেন, “মানবাধিকারর সুরক্ষা ও আদর্শে দৃঢ় থাকাই হলো সত্যিকারের গণতন্ত্রের ভিত্তি। এজন্য সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে, পাশাপাশি দুভাবে এগিয়ে আসতে হবে, যাতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষা হয়।” অনুষ্ঠানে র‌্যালির উদ্বোধন করেন সার্চ মানবাধিকার সোসাইটি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান খান রেজাউল ইসলাম রেজা। সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবির প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার হাতে নিয়ে মানবাধিকার রক্ষার অঙ্গীকার ও সচেতনতা বাড়াতে র‌্যালিতে অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন শেখ আব্দুস সালাম, এএইচএম শাহীন, এস এম ইলিয়াস হোসেন, এস কে মোমিন, মাহামুদ খান বিটু, মোঃ শহিদুল হক, এডভোকেট আফরোজা রোজী, ইফতেখায়রুল আরম বাপ্পি, মোঃ হাদীউজ্জামান, হাসিব হাসান, এম এম জসীম, মোঃ আতিকুর রহমান, মোঃ লিমোন মোল্লা, পিটার গাইন, মোঃ মাসুদ গাজী, এডভোকেট নাজনিন ইসলাম, নাদিরা শাফি পপি, এডভোকেট সुफিয়া ইয়াসমিন শিউলী;সহ আরও অনেকে।