Category: সারাদেশ

  • সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে রাষ্ট্রের পুনর্গঠন ও মেরামতের জন্য

    সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে রাষ্ট্রের পুনর্গঠন ও মেরামতের জন্য

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের জন্য সব ধর্মের মানুষকে একত্রে দাঁড়াতে হবে। মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের মানুষরা হাজার বছর ধরে এ দেশে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অব্যাহত রাখতে হবে। তবে গত ১৫ বছরে জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আন্দোলন, সংগ্রাম ও শহীদদের ত্যাগের মাধ্যমে এ দেশের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া গেছে, যা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার সকালে খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের জন্য তাদের লড়াই চালিয়েছেন, দেশের ইতিহাসে জনপ্রিয় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং বর্তমান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলন সংগ্রাম দীর্ঘ সময়ের। মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটের অধিকার আবারো প্রতিষ্ঠা করা এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা রচনা করেছেন। এই নির্বাচনের সাফল্য দেশের গণতন্ত্রের স্থায়িত্বের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে তিনি মনে করেন।

    শোকার্ত শহরতলির শঙ্খ মার্কেট এলাকায় রিকশা-ভ্যান শ্রমিক দলের একটি নির্বাচনী সভায় সভাপতিত্ব করেন হোসেন ইমাম চৌধুরী পল্টু এবং পরিচালনা করেন খন্দকার আইয়ুব আলী। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। নগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল ইসলাম মনা উপস্থিত ছিলেন সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে। এছাড়াও অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে লড়াই এবং দেশের উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    বেলাতে বাদ মাগরিব, খুলনা-২ এর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার সামনে বালুর মাঠে নির্বাচনীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হাসান মেহেদী রিজভী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সভায় বক্তব্য দেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    দৈনিক দিনব্যাপী নির্বাচনী গণসংযোগে বিভিন্ন স্থান odw উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, শের আলম সান্টু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, কে এম হুমায়ুন কবির, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, কামরান হাসান, মহিবুল্লাহ শামীম, এড. হালিমা আক্তার, আব্দুর জব্বার, মেশকাত আলী, রিয়াজুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, জাকারিয়া লিটন, মাজেদা খাতুন, মোফাজ্জেল হোসেন ও আরও অগণিত নেতাকর্মী। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নে সকল ধর্মের মানুষের ঐক্য ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য এবং সকলে একসঙ্গে এগিয়ে গেলে দেশের আরও সমৃদ্ধ ভবিষ্যত রচনা সম্ভব হতে পারে।

  • খুলনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    খুলনা-৪ আসনে বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলালের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬ কে সামনে রেখে খুলনা-৪ আসনের (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার, ২৪ জানুয়ারি এই পরিকল্পনাগুলো তুলে ধরেন তিনি। ইশতেহারে তিনি রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলাভিত্তিক মোট ৭৪টি উন্নয়নমূলক পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি স্থান দেন।

    আজিজুল বারী হেলাল বলেন, নদী ও প্রকৃতিরোপিত এই জনপদের দেরিতে দেখা দীর্ঘদিনের সমস্যা সমাধান ও একটি প্রগতিশীল, নিরাপদ ও আধুনিক খুলনা-৪ গড়ে তোলাই তার মূল লক্ষ্য। তিনি অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কর্মসংস্থান, কৃষি, শিল্পায়ন এবং সামাজিক নিরাপত্তাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছেন।

    তিনি বলেছেন, তাঁর গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে ভৈরব নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতু নির্মাণ, নির্মিত না হওয়া নগরঘাট ও রেলিগেট সেতুর কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা, নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং রূপসা উপজেলায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপন করে সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা। এছাড়াও, রূপসা ফেরিঘাটের টোলমুক্ত করা এবং আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনাও তিনি চেয়েছেন।

    স্বাস্থ্যখাতে, তিনি দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর, রূপসায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণ এবং তেরখাদায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শিক্ষা খাতে, যোগ্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও লাইব্রেরির ব্যবস্থা, পাশাপাশি বয়স্ক শিক্ষাকেন্দ্র চালুর পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন।

    কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য তিনি ইপিজেড নির্মাণ, আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টার, কোল্ড স্টোরেজ, দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট ও ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়ে এসেছেন। কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি এবং সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা গ্রহণের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

    এছাড়া, মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাস নির্মূলের জন্য জিরো টলারেন্স নীতি, নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা ও পরিবেশ সংরক্ষণের ওপর জোর দেওয়া হয়।

    অंतিম হিসেবে, আজিজুল বারী হেলাল বলেন, খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি এসব পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য খান রবিউল ইসলাম রবি, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, শেখ আব্দুর রশিদ, আব্দুস সালাম, আছাফুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম নুর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, গোলাম মোস্তফা তুহিন, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, তেরখাদা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী কাওছার আলী, আবু সাঈদ, সেতারা সুলতানা, গোলাম ফারুক, শেখ আবু সাঈদ, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, শরিফ নাইমুল ইসলাম, আবুল কাশেম, রেজাউল ইসলাম রেজা, মো. রয়েল, খালেদা পারভিন সিনথিয়া, শিহাবুল ইসলাম সিহাবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

  • ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না

    ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না

    বিএনপির কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, আসন্ন নির্বাচনে বিজয় লাভের জন্য ধর্মীয় মিথ্যা ফতোয়া বা অপব্যাখ্যা দিয়ে সাধারণ মানুষের ভোট কেনা আর সম্ভব নয়। বর্তমানে ভোটাররা বেশ সচেতন হয়ে উঠেছেন এবং তারা প্রকৃত উন্নয়ন এবং অধিকার আদায়কে সমর্থন করে কথা বলতে জানেন। রাজনীতির অপব্যবহার করে ধর্মকে ঢাল করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে সাধারণ মানুষের মনোভাব পরিবর্তনের দিন শেষ। খুলনার জনগণ সততা আর সাহসিকতার পক্ষে একযোগে রায় দিচ্ছেন। তিনি অভিযোগ করেন, একটি পক্ষ পরাজয়ের ঝুঁকি জেন নানা রকম বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিতে চাইছে, যা অবশ্যই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী।

    গতকাল শুক্রবার, ১৪নং বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও ওয়ার্ড বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ জহর মীরের রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় বক্তৃতায় বকুল আরও বলেন, মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট নেওয়ার কৌশল এখন আর কার্যকর নয়। বরং যারা ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে জনমত পরিবর্তন করার চেষ্টা করে, তাদের জনগণ ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি খুলনাবাসীর অধিকার রক্ষা ও অবাধ, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা কামনা করেন।

    বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের সভাপতি আবু সুফিয়ান নান্নুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মো. চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ স.ম. আবদুর রহমান, খালিশপুর থানার বিএনপি সভাপতি এড. মোহাম্মদ আলী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস, খালিশপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন তালুকদার প্রমুখ।

    অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি হায়দার আলী তরফদার, নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক লুৎফর রহমান, জংশন বাজারের সভাপতি মো. কোরবান মীর, সমাজ সেবক মীর আব্বাস আলী, বিএল কলেজের সাবেক প্রভাষক অধ্যাপক আনোয়ারুল ইকবাল, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার খন্দকার কামাল উদ্দিন আহমেদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহিন আজাদ।

    অনুষ্ঠান শেষে জাতীয় এই দোয়া ও প্রার্থনামঞ্চে বেগম খালেদা জিয়া এবং সৈয়দ জহর মীরের রুহের মাগফিরাত কামনা ও দেশের কল্যাণের জন্য বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুস সাত্তার। এর মধ্যে স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ বিপুল সংখ্যায় অংশ নেন।

  • ধর্মের বিভেদের বৈরিতা না করে সকল মানুষের উন্নয়নই হবে মূল লক্ষ্য

    ধর্মের বিভেদের বৈরিতা না করে সকল মানুষের উন্নয়নই হবে মূল লক্ষ্য

    খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল সম্প্রতি এক জনসভায় বলেন, ধর্মীয় ভেদাভেদ না করে সব ধর্মের মানুষের জন্য সমান উন্নয়ন ঘটানো হবে। তার ভাষায়, কে কোন ধর্মের মানুষ সেটা বড় বিষয় নয়, সবাই আন্তরিকভাবে বাস করবে এবং সুযোগ-সুবিধা পাবে। তিনি উল্লেখ করেন, খুলনা-৪ আসন বিভিন্ন ধর্মের মানুষে গড়া এবং এখানে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় করা হবে। ধর্মের নামে যেন কোনো বৈষম্য ও বিভাজন না চলে সেজন্য সবধরনের ট্রেন্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    এই জনসভা সংগঠিত হয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই এর জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর উপস্থিতিতে, যার সার্বিক পরিচালনায় পুরো অনুষ্ঠানটি পরিচালিত হয়। এর আয়োজন করা হয় রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালেরহাট মাঠে শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত।

    অনুষ্ঠান চলাকালীন তিনি নারীর নিরাপত্তা আরও নিশ্চিত করতে ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে সাবধানতা অবলম্বনের আহ্বান জানান। নারীর সম্মান, নিরাপত্তা ও স্বার্থ রক্ষায় তিনি বলেন, একজন নারীর উন্নয়নই সমগ্র সমাজের উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি। মেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্যের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রত্যেক পরিবারের সচেতনতা বৃদ্ধি দরকার।

    মাদক ও সন্ত্রাস দমন করতে তিনি বলেন, ধর্মীয় চর্চা ও শিক্ষা ছাড়া এই সমস্যা সমাধান সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, পরিবার থেকে শুরু করে ছোট বড় সবাইকে নিয়মিত ধর্মীয় অনুশীলন করতে হবে এবং ক্রীড়া ও সংস্কৃতির মাধ্যমে তরুণ সমাজকে সুস্থ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়বদ্ধ করে তুলতে হবে। নির্বাচনী প্রশ্নে তিনি বললেন, বিএনপি সরকার গঠনে তিনটি উপজেলা আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। খেলাধুলা যুবকদের অপরাধ থেকে দূরে রাখে, এটি একটি সুস্থ জাতি গঠনের জন্য অপরিহার্য।

    সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেনের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত বা না-ই হই, আমার হটলাইন সার্বক্ষণিক চালু থাকবে, আর সরকারের আমলে অভিযোগের ভিত্তিতে সকলের অধিকার রক্ষা করা হবে। তিনি রূপসার সাংবাদিকদের জন্য আধুনিক প্রেসক্লাব গঠনের ওপর গুরুত্ব দেন এবং বলেন, সাংবাদিকরা সমাজের দর্পণ, তাদের জন্য স্বাধীন ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।

    ভূমি অফিসের অনিয়মের অভিযোগে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেন, পরিষ্কারভাবে দালাল ও অর্থনৈতিক লেনদেন মুক্ত ভূমি অফিস গড়ে তোলা। ভবিষ্যতে এই ধরনের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন।

    অতীতে বারবার মিথ্যা মামলা ও কারাবরণের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাহস না থাকলে নেতৃত্ব ও জনসেবা সম্ভব নয়। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সব ধরনের ত্যাগ স্বীকারে তিনি প্রস্তুত। দুর্নীতি ও অন্যায়বিরোধী অপ্রতিরোধ্য অবস্থানই তার রাজনীতির মূল ভিত্তি হবে বলে জানান।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার শতাধিক মানুষ অংশ নেন। উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। অনুষ্ঠানে গাইলেন দেশের বরেণ্য গায়ক কুদ্দুস বয়াতী।

  • ধর্মীয় ভেদাভেদ ছাড়াই সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে

    ধর্মীয় ভেদাভেদ ছাড়াই সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে

    খুলনা-৪ আসনে ধানের শীষ প্রার্থী ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, ধর্মীয় ভেদাভেদের ভিত্তিতে কাউকে ভাগ করা হবে না; সব ধর্মের মানুষ সমানভাবে উন্নয়নের অধিকার পাবে। তিনি বলেন, ‘‘কে কোন ধর্মের — তা বড় বিষয় নয়। সবাই সমান অধিকারভোগী হিসেবে বসবাস করবে এবং সাম্প্রদায়িক বন্ধন আরও দৃঢ় করা হবে। ধর্মের নামে কোনো বৈষম্য বরদাস্ত করা হবে না।’’

    এই প্রতিশ্রুতিগুলো তিনি রূপসার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালেরহাট মাঠে আয়োজিত জনসংযোগ অনুষ্ঠানকালে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আই-এর উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর সার্বিক উপস্থাপনায় শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয়।

    নারীর নিরাপত্তা বিষয়ে হেলাল বলেন, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধ করে নারী অধিকার নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হবে। ‘‘নারীকে সম্মান ও নিরাপত্তা না দিলে কোনো সমাজের উন্নয়ন সম্ভব নয়,’’ তিনি উল্লেখ করেন। মেয়েদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং প্রতিটি পরিবারকে সচেতন ভূমিকা নিতে অনুরোধ জানান।

    মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধ সংক্রান্ত প্রশ্নে তিনি বলেন, কেবল আইন-শৃঙ্খলা নয়, পারিবারিকভাবে ধর্মীয় জীবনচর্চা ও ক্রীড়া-সংস্কৃতির প্রচারও জরুরি। তাই উপজেলার সব স্তরের খেলার মাঠ আধুনিককরণ করে তরুণদের খেলাধুলার দিকে আকৃষ্ট করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। তরুণ সমাজকে খেলাধুলা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে সুস্থ পথে ফেরানোর ওপর বিশেষ জোর থাকবে।

    ফিফা রেফারি মনির ঢালীর প্রশ্নে হেলাল আশ্বস্ত করেন, বিএনপি সরকার গঠন করলে তিনটি উপজেলায় তিনটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে। তিনি বলেন, খেলাধুলা যুব সমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রেখে সুস্থ জাতি গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।

    নির্বাচনী হটলাইন চালু রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি জানান, তিনি নির্বাচিত হন বা না হন তাঁর হটলাইন নম্বর সক্রিয় থাকবে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ চলবে। রূপসার সাংবাদিকদের জন্য আধুনিক প্রেসক্লাব গঠন ও উন্নয়নে তিনি সহযোগিতা করবেন এবং সাংবাদিকদের স্বাধীন ও নিরাপদ পরিবেশে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন।

    ভূমি অফিসে দুর্নীতির বিষয়ে অভিযোগ এলে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানান। উপজেলা ও ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলোকে দালাল-মুক্ত করে কোনো আর্থিক লেনদেন ছাড়াই জনগণের সেবা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে ভবিষ্যতে অভিযোগমুলক ঘটনার বিরুদ্ধে জনগণের সঙ্গে নিয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

    নিজের বিরুদ্ধে আগের মিথ্যা মামলা ও কারাবরণের প্রসঙ্গে হেলাল বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ছাড়া নেতৃত্ব গড়ে ওঠে না।’’ তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে তিনি প্রস্তুত এবং অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থাই তার রাজনীতির মূল আদর্শ।

    অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রশ্ন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফজল হেলাল, মেডিকেল শিক্ষার্থী রাহুল, খ্রিস্টান সমাজের জয় নোটন বাড়ই, ফিফা রেফারি মনির ঢালী, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, বাকির হোসেন, প্রধান শিক্ষক বিউটি পারভিন, হাফিজুর রহমান, আঃ কুদ্দুসসহ প্রায় শতাধিক জনতা।

    বিএনপি’রস্থানীয় নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, রূপসা উপজেলা আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, তেরখাদা আহবায়ক চৌধুরী কাউসার আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, উপজেলা সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, আনিসুর রহমান, জেলা বিএনপি নেতা শেখ আলী আজগর, এম এ সালাম, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান, জেলা যুবদল নেতা গোলাম মোস্তফা তুহিন, তাঁতিদল নেতা মাহমুদুল আলম লোটাসসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে শেষ অংশে স্থানীয় শিল্পী কুদ্দুস বয়াতী সাংস্কৃতিক পরিবেশন করেন।

  • ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না: রকিবুল ইসলাম

    ধর্মীয় অপব্যাখ্যা ও মিথ্যা ফতোয়া দিয়ে ভোট কেনা যাবে না: রকিবুল ইসলাম

    বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, আসন্ন নির্বাচনে মিথ্যা ফতোয়া বা ধর্মীয় অপব্যাখ্যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের ভোট কেনা সম্ভব না। তিনি বলেন, আজকের ভোটাররা বেশ সচেতন; তারা প্রকৃত উন্নয়ন ও তাদের অধিকার রক্ষায় নিজেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে।

    বকুল বলেন, রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য ধর্মকে ঢাল বানিয়ে বিভ্রান্ত কল্পনা ছড়ানো আর কাজ করবে না। যারা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে মানুষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে, জনগণ তাদের ভোটের মাধ্যমে প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল তাদের পরাজয় নিশ্চিত বুঝে নানা রকম বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে, যা গণতন্ত্রের মূল ধারার বিরুদ্ধে।

    গতকাল শুক্রবার ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে বেগম খালেদা জিয়া ও ওয়ার্ড বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সৈয়দ জহর মীরের রুহের মাগফিরাত কামনায় বায়তুল নাজাত জামে মসজিদে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় বকুল এসব মন্তব্য করেন।

    দোয়া ও আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের সভাপতি আবু সুফিয়ান নান্নু। প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী। সভায় বক্তব্য দেন সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মো. চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ স ম আব্দুর রহমান, খালিশপুর থানা বিএনপির সভাপতি এডভোকেট মোহাম্মদ আলী বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক বিপ্লবুর রহমান কুদ্দুস এবং থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলাউদ্দিন তালুকদার।

    অন্যান্য উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ১৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি হায়দার আলী তরফদার, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক লুৎফর রহমান, জংশন বাজারের সভাপতি মো. কোরবান মীর, সমাজসেবক মীর আব্বাস আলী, বিএল কলেজের সাবেক প্রভাষক অধ্যাপক আনোরুল ইকবাল, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক ম্যানেজার খন্দকার কামাল উদ্দিন আহমেদ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহিন আজাদ। স্থানীয় বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও এলাকার বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিলেন।

    বকুল উল্লেখ করেন, খুলনাবাসী সততা ও সাহসিকতার পক্ষে একজোট এবং তারা তাদের হকৰ রক্ষায় সচেষ্ট। তিনি প্রশাসন ও সাধারণ জনসাধারণের সহযোগিতা কামনা করে বলেন, খোলা ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতেই সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    অনুষ্ঠান শেষে বায়তুল নাজাত জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আব্দুস সাত্তার বিশেষ মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়া ও সৈয়দ জহর মীরের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনা করেন।

  • শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনাকে শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ করে গড়তে চান। তিনি বললেন, খুলনা এক সময় ছিল শিল্প-সমৃদ্ধ—a বন্দর ও শিল্পনগরীর পরিচয়ে খ্যাত। কিন্তু বর্তমানে শিল্পবন্ধের ফলে শহরটি ঐতিহ্যহীন হয়ে পড়েছে। সেই হারানো মর্যাদা ফিরে এনে খুলনাকে পুনরায় উন্নয়নমুখী বানানোই তাদের উদ্দেশ্য।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘‘তরুণদের জন্য আমাদের নানা কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে আমরা সমৃদ্ধ খুলনা গড়তে চাই। শান্তির, উন্নয়নের এবং নিরাপদ খুলনা তৈরি করা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’’

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গতানুগতিক নয়, নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফেরার কথাও উল্লেখ করেন। মঞ্জু জানান, ১৭ বছর পর দেশে এসে তিনি জানান ‘‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’’—এমন উন্নয়ননীতিই তারা সামনে এগিয়ে নিতে চায়।

    তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে একটি স্বনির্ভর অর্থনীতি উপহার দেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সকল খাতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তাদের লক্ষ্যমাত্রা। ভবিষ্যতে আরও নানা নির্বাচনী উদ্যোগ নিয়ে দলের নেতৃত্ব নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি জানান।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ‘‘আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রায় মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের নেতা তারেক রহমান উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফিরে কয়ের কাজ করছেন এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসছেন।’’ তিনি যুক্ত করেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল; অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থনের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল হবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান পিয়ারু, আলমগীর হোসেন আলম, আব্দুল হাকিম, শামীম খান, সুলতান মাহমুদ সুমন, সাইফুল বকসি, দাউদ বকসি, রাজিব খান রাজু, শহিদুল বেল্লাল, মোস্তফা সাব্বির, খোন্দকার সোহেল, শেখ মেহেদী হাসান, সিদ্দিক মাতবর, শামীম রেজা ও নাঈম ইসলাম। এছাড়া এলাকাবাসীও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

  • চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে নুরু মিয়া শেখ (৪০) নামের এক সবজি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু মিয়া শেখ উপজেলার আড়-যাবর্নী গ্রামের মৃত মাওলানা কাওছার আলী শেখের ছেলে।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই দিন বিকেলে কাজ শেষ করে বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন নুরু মিয়া। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উদ্ধারকাজ চলাকালীন মাত্র প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তিনি মারা যান।

    চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাণী খানম জানান, ছ-placeে তিনি স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পর অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রাণবায়ু ফিরে আনতে পারেননি।

    নিহত নুরু মিয়া শেখ স্ত্রী ও দুই নাবালক ছেলেসহ বহু অভিভাবক, আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসী রেখে গেছেন। তার নামাজে জানাজা শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় আড়-যাবর্নী চরপাড়া জন্নাতুল বাকী কবরস্থানে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

  • আমরা নতুন কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না

    আমরা নতুন কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চাই না

    জামায়াতের মহানগর সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী এড. শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল আনুষ্ঠানিকভাবে তার নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন। তিনি গতকাল বৃহস্পতিবার সকালেই শিপইয়ার্ড এলাকায় উপস্থিত হয়েছেন, যেখানে তার নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধন করেন। প্রচারণার প্রথম দিন তিনি একত্রিত হন এলাকাবাসীর সাথে, এবং দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা সদর থানার আমির এস এম হাফিজুর রহমান, লবণচরা থানার আমির মোজাফফর হোসেন, সেক্রেটারি মাহমুদুল হাসান জিকো, হানিফ বালি, মোল্লা নাসির উদ্দিন, ডাঃ শাহজালাল, ৩১নং ওয়ার্ডের আমীর নুর হোসাইন বাবুল ও এলাকার বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। সকলের সহযোগিতা ও দোয়া নিয়ে তিনি নির্বাচনী মাঠে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন, যেন সুষ্ঠু এবং স্বচ্ছ নির্বাচন বাস্তবায়িত হয়।

  • গণতন্ত্রের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বিএনপি’র : মঞ্জু

    গণতন্ত্রের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বিএনপি’র : মঞ্জু

    আগামী বাংলাদেশের স্বপ্ন শুধুমাত্র বিএনপিই বাস্তবায়ন করতে পারে বলে দাবি করেছেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী, সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, দেশের ইতিহাসে বিএনপির নেতা-কর্মীরা যে ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তার প্রতিদান আজ দেশের মানুষ দিচ্ছে। মানুষের মধ্যে নেতা-কর্মীদের প্রতি আস্থা ও সমর্থনের গল্প এই নির্বাচনের প্রথমদিন থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

    বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় তিনি ফেরিঘাট মোড় থেকে লিফলেট বিতরণ শুরু করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, সৈয়দা নার্গিস আলী, খান রবিউল ইসলাম রবি, কাজী মোঃ রাশেদ, রেহানা ঈসা, আরিফুজ্জামান অপু ও আরও অনেকে।

    এরপর প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি নগরীর ফেরিঘাট মোড় থেকে পিকচার প্যালেস মোড় হয়ে দলীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। বিকালের গ্রুপে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে পথসভা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত হয়।

    বিকেলে তিনি নিউ মার্কেট এলাকার গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় তিনি বলেন, বাংলার ভবিষ্যত নির্ধারণ হবে জনগণের ভোটের মাধ্যমে। গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা স্বপ্ন দেখছি এক নতুন বাংলাদেশের, যেখানে নির্বাচনই হবে দেশের নিয়ামক। তিনি বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে তরুণরা ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। এখন তারা নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তরুণ ভোটাররা ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের পরিবর্তনে অবদান রাখবে।

    মঞ্জু আরো বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা দীর্ঘ দিন গুম, খুন, জেল-জুলুমের শিকার হলেও তারা মনোবল হারাননি। দলীয় কর্মীরা অপরাজেয়, তাদের সংকল্প অটুট যে সব চক্রান্ত মোকাবিলা করে বিজয় ছিনিয়ে নেবেন।

    গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন তরিকুল ইসলাম জহির, আসাদুজ্জামান মুরাদ, নিজাম উর রহমান লালু, হাসানুর রশিদ মিরাজ, শের আলম সান্টু, একরামুল হক হেলাল, আল জামাল ভূঁইয়া, জালাল শরীফ, হাফিজুর রহমান মনি, একরামুল কবির মিল্টন, এড. গোলাম মওলা, আনোয়ার হোসেন, কামরুজ্জামান, শরিফুর ইসলাম বাবু, জালাল তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, আফসার উদ্দিন মাস্টার, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, আনিসুর রহমান আরজু, খায়রুল ইসলাম লালসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা গণসংযোগ করেন।