খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনাকে শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ করে গড়তে চান। তিনি বললেন, খুলনা এক সময় ছিল শিল্প-সমৃদ্ধ—a বন্দর ও শিল্পনগরীর পরিচয়ে খ্যাত। কিন্তু বর্তমানে শিল্পবন্ধের ফলে শহরটি ঐতিহ্যহীন হয়ে পড়েছে। সেই হারানো মর্যাদা ফিরে এনে খুলনাকে পুনরায় উন্নয়নমুখী বানানোই তাদের উদ্দেশ্য।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘‘তরুণদের জন্য আমাদের নানা কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে আমরা সমৃদ্ধ খুলনা গড়তে চাই। শান্তির, উন্নয়নের এবং নিরাপদ খুলনা তৈরি করা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’’
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গতানুগতিক নয়, নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফেরার কথাও উল্লেখ করেন। মঞ্জু জানান, ১৭ বছর পর দেশে এসে তিনি জানান ‘‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’’—এমন উন্নয়ননীতিই তারা সামনে এগিয়ে নিতে চায়।
তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে একটি স্বনির্ভর অর্থনীতি উপহার দেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সকল খাতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তাদের লক্ষ্যমাত্রা। ভবিষ্যতে আরও নানা নির্বাচনী উদ্যোগ নিয়ে দলের নেতৃত্ব নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি জানান।
নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ‘‘আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রায় মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের নেতা তারেক রহমান উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফিরে কয়ের কাজ করছেন এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসছেন।’’ তিনি যুক্ত করেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল; অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থনের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল হবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা।
গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান পিয়ারু, আলমগীর হোসেন আলম, আব্দুল হাকিম, শামীম খান, সুলতান মাহমুদ সুমন, সাইফুল বকসি, দাউদ বকসি, রাজিব খান রাজু, শহিদুল বেল্লাল, মোস্তফা সাব্বির, খোন্দকার সোহেল, শেখ মেহেদী হাসান, সিদ্দিক মাতবর, শামীম রেজা ও নাঈম ইসলাম। এছাড়া এলাকাবাসীও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
