Category: জাতীয়

  • হাসিনার সাক্ষাৎকার নিলে খুনের কনটেক্সট ভুলে যাবেন না: প্রেস সচিব

    হাসিনার সাক্ষাৎকার নিলে খুনের কনটেক্সট ভুলে যাবেন না: প্রেস সচিব

    প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার নেওয়ার বিষয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তিনি বলছেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল এই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারে। তবে আজকের ইংরেজি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের সাক্ষাৎকারটি আমরা আগে পড়ছি, এরপরই এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য করতে পারবো।
    বুধবার ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকার ও বিদেশি মিডিয়ার সাক্ষাৎকারের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শফিকুল আলম এসব কথা বলেন।
    প্রেস সচিব আরও বলেন, আমরা বারবার বলছি— এই বিষয়ে জাতিসংঘের রিপোর্টেও প্রমাণিত হয়েছে যে, এই একবিংশ শতাব্দীতে কোনও ব্যক্তির চেয়ে বেশি খুনি বা মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী কেউ হননি। তিনি বলেন, জাতিসংঘের রিপোর্টে সেটাই স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। এর পরে আল জাজিরা একটি এক ঘণ্টার প্রোগ্রাম চালিয়েছে, যেখানে দেখা গেছে যে তিনি খুনের নির্দেশ দিচ্ছেন। যারা ওনাকে ইন্টারভিউ করছেন, তাদের কাছে আমাদের আবেদন, যেন এই কনটেক্সট বা পরিপ্রেক্ষিত ভুলে না যান। তাঁর দাবি বা কথাবার্তা যেন এমনভাবে উপস্থাপন না হয় যে, তা পুরোপুরি এক সংবাদ বা অবস্থা থেকে বিচ্ছিন্ন মনে হয়। গতকাল (মঙ্গলবার) একটি স্থানীয় মিডিয়াতে দেখলাম, যেখানে বলা হয়েছে— আন্তর্জাতিক আদালতে তার দলের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কোনো উল্লেখ নেই। এটি সত্যিই 매우 দুঃখজনক।
    অপর এক প্রশ্নে শফিকুল আলম বলেন, আমরা এখনও এই ইন্টারভিউ দেখিনি। তবে, আওয়ামী লীগ কোথাও নেই। তারা বাইরে সFewদেখা যাচ্ছে না। কিছু সামান্য মিছিল আর কিছু ডলার পাওয়ার মাধ্যমে তারা অপতৎপরতা চালাচ্ছে বলে তিনি মনে করেন।
    প্রেস সচিব আরও বলেন, আওয়ামী লীগ দাবি করছে, দেশে ৪০০ জন মারা গেছে। যারা অভিযোগ দিচ্ছেন, তাদের অভিযোগ অনুযায়ী, তারা চুরি করা টাকা দিয়ে যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে দামি আইনজীবী ফার্ম নিয়োগ করেছে। এই সব অভিযোগের ভিত্তিতেই তারা কাজ করছে। এভাবে দেশের টাকা চুরি করে তারা নানা অপকর্ম করছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
    একই সঙ্গে জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সকল পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

  • সঞ্চয়পত্রের সার্ভার হ্যাক করে গ্রাহকের ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া

    সঞ্চয়পত্রের সার্ভার হ্যাক করে গ্রাহকের ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া

    সঞ্চয়পত্রের সার্ভার ব্যবহারে জালিয়াতির মাধ্যমে অন্য গ্রাহকের নামে থাকা সঞ্চয়পত্র ভাঙিয়ে টাকা তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা জানাজানির পর বাংলাদেশ ব্যাংক দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং জালিয়াতি ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেয়। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে রাজধানীর মতিঝিল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। ওসি মেজবাহ উদ্দিন জানান, এই ঘটনায় এখনো কোনো মামলা দায়ের হয়নি, তবে গত বুধবার একটি জিডি করা হয়েছে এবং তদন্ত করছে।
    তথ্যমতে, গত ২৩ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে এক গ্রাহক ২৫ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছিলেন। তার ব্যাংক হিসাব ছিল অগ্রণী ব্যাংকের জাতীয় প্রেসক্লাব শাখায়। কিন্তু মাত্র চারদিনের মধ্যে, বেআইনিভাবে সেই সঞ্চয়পত্র ভেঙে টাকা স্থানান্তর করা হয় নারায়ণগঞ্জের একটি অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে, যা এনআরবিসি ব্যাংকের দিনাজপুর শাখায়। পরে সেই টাকা একই দিনের মধ্যে শ্যামলী শাখা থেকে তুলে নেয়া হয়। এ ধরনের আরও দুটি সঞ্চয়পত্র ভেঙে টাকা তুলানোর চেষ্টা চালানো হয়, একটি ডাচ বাংলা ব্যাংকের মাধ্যমে ৩০ লাখ টাকা এবং অন্যটি এনআরবি ব্যাংকের মাধ্যমে ২০ লাখ টাকা। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে আসায় এই জালিয়াতির ঘটনা রোধ করা সম্ভব হয়।
    তথ্য অনুসারে, এ বছর আগস্ট পর্যন্ত সঞ্চয়পত্রে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৪০ হাজার ৭১ কোটি টাকা। এই সঞ্চয়পত্র বিক্রি ও ভাঙা হয় বাংলাদেশ ব্যাংক, সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক, সঞ্চয় অধিদপ্তর ও পোস্ট অফিসের প্রায় ১২,০০০ শাখা থেকে। তবে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় এ ধরনের জালিয়াতির ঘটনা শনাক্ত হয়েছে। অন্য কোনো শাখা বা প্রতিষ্ঠানেও কি একই রকম ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও পরিষ্কার হয়নি।
    সঞ্চয়পত্রের সার্ভার পরিচালনা করে অর্থ মন্ত্রণালয়। চিহ্নিত এই প্রতারণাগুলোর মূল কারণ সার্ভার হ্যাক কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

  • নির্বাচনকালীন এলাকার পোস্টিং নিষেধ ঘোষণা মন্তব্য প্রেস সচিবের

    নির্বাচনকালীন এলাকার পোস্টিং নিষেধ ঘোষণা মন্তব্য প্রেস সচিবের

    নির্বাচনকালীন সময়ে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়োগ ও পোস্টিংয়ের দিক থেকে কঠোর নির্দেশনা জারি করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, নিজ বা শ্বশুর বাড়ির এলাকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোথাও কোনো নিয়োগ বা পোস্টিং হবে না। এমনকি যদি কোনো এলাকায় আত্মীয়-স্বজন নির্বাচনে অংশ নেয়, তখনও সেখানে কোনও পদায়ন হবে না। এই নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি বুধবার বিকেলে একটি সংবাদ সম্মেলনে। দুপুরে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনায় এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রেস সচিব বলেন, নির্বাচনকালীন সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি ছড়ানো, গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন, নির্বাচনের জন্য কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে প্রায় দুই ঘণ্টার আলোচনায় এই বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। বৈঠকে জানানো হয়, নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনী মোট ৯২ হাজার ৫০০ সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে ৯০ হাজার সেনা সদস্য থাকবেন, বাকিরা নৌবাহিনীর। নির্বাচন দিন থেকে ৭২ ঘণ্টা আগে এবং পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশেষ প্রস্তুতি থাকবে।

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, দেশের ৬৪ জেলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সবচেয়ে যোগ্য কর্মকর্তাদের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়োগ দিতে হবে। গত তিন নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন এমন ডিসি, এডিসি, নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেটদের এবার রাখা হবে না বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারণ, এই কর্মকর্তারা প্রথমদিকে রিটার্নিং অফিসার, পোলিং অফিসার বা এ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাদের নির্বাচনে অন্তর্ভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভ্রান্তি রোধে বেশ আলোচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। দুটি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে—একটি হলো সেন্ট্রাল কোঅর্ডিনেশন কমিটি, যা পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ রাখবে। এই কমিটি যাতে উপজেলার পর্যায়েও কার্যকর হয়, সে জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

    এছাড়াও, সংসদ নাই বলে এখন সংসদ টিভির মাধ্যমে নির্বাচন সম্পর্কিত তথ্য বা মেটারিয়াল সরবরাহের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর মাধ্যমে সাধারণ জনগণ ও সংশ্লিষ্টরা নির্বাচনের সময় আধুনিক ও নির্ভুল তথ্য পেয়ে যাবেন,

  • খুলনা সহ ৮ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

    খুলনা সহ ৮ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা, বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

    বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দেশের আট বিভাগের জন্য বিশেষ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। এ এলাকাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে, যা জেলার স্বাভাবিক দৈনন্দিন জীবন মেঘলাচ্ছন্ন করে তুলতে পারে। বুধবার এ সংক্রান্ত তথ্য দিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ ড. মোঃ ওমর ফারুক জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের বেশ কিছু অংশে; ঢাকা, ময়মনসিংহ ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায়; পাশাপাশি চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের আশঙ্কাও প্রকাশ করা হয়েছে। আবহাওয়ার পরিবর্তনে দেশের তাপমাত্রা সামান্য কমতেও পারে, যা জনজীবনে কিছুটা পরিবর্তন আনতে পারে।

    আবহাওয়া অধিদপ্তর আরো জানিয়েছে, এই সময়ের মধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার ও শনিবার এবং রবিবার পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবনতা থাকবে। রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের অধিকাংশ এলাকা; খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট; ঢাকা, চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিভাগে কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। এই সময়ে কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। ফলে জনজীবনে কিছুটা প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

    তাপমাত্রার দিক থেকেও এই সময়ে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হতে পারে, যেখানে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করা হয়েছে। এই আবহাওয়ার পরিবর্তনগুলি অবশ্য মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে যেন তারা আবহাওয়ার পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রস্তুতি নিতে পারেন।

  • সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে চোরের হামলায় গৃহকর্তা মারাত্মক আহত, মৃত্যু

    সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে চোরের হামলায় গৃহকর্তা মারাত্মক আহত, মৃত্যু

    পটুয়াখালী জেলায় সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে চোরের হাত থেকে রক্ষা করার সময় গৃহকর্তাকে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকালে সদর উপজেলার জৈনকাঠী ইউনিয়নের সেহকাঠী গ্রামে। নিহত মোশারেফ খাঁন (৪৫) সেখানকার একজন স্থানীয় ব্যক্তি ও মো. হানিফ খাঁনের বড় ছেলে। তিনি পেশায় একজন অটোবাইক চালক ছিলেন।

    পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ২টার দিকে চোরেরা সিঁধ কেটে ঘরে প্রবেশ করে। এই সময় তারা তাঁর মেয়ে মালা আক্তারকে পা ধরে টানতে থাকে। বাড়ির তারেকতাং না মানায় মালা চিৎকার করতে শুরু করেন। শুনতে পেয়ে মোশারেফ দ্রুত ঘুম থেকে উঠে রাজি হন চোরের হাত থেকে পরিবারের সদস্যদের রক্ষা করার জন্য। তখনই দুই অজ্ঞাত ব্যক্তি মোশারেফকে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে। গুরুতর রক্তক্ষরণে তিনি রাস্তায় পড়ে যান। পথের মধ্যে তার মৃত্যু হয়। পরে পরিবার তাকে দ্রুত পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে, হাসপাতালের গেটে পৌঁছানোর আগে তিনি মারা যান।

    নিহতের স্ত্রী শাহনাজ বেগম বলেন, “রাতে দুই অচেনা লোক সিঁধ কেটে আমাদের বাসায় ঢুকেছিল। তারা আমার মেয়ের পা ধরে টানছিল। ঘুম থেকে উঠে, আমার স্বামী তাদের ধরে ফেলায় তারা তাকে কুপিয়ে মার ডালে। তারা কি চুরি করতে এসেছিল, নাকি অন্য কিছু—তা আমরা জানি না। পরিবারের পক্ষ থেকে আমরা এই ঘটনাটির সুষ্ঠু বিচার চাই।”

    নিহতের মা, মোর্শেদা বেগম, কান্তি করে বলেন, “আমার একমাত্র বড় ছেলে আজকে আমাদের ছেড়ে চলে গেল, তাকে এভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। বাড়িতে শুধু রক্তের সুরে এক করুণ দৃশ্য। আমি আর সহ্য করতে পারছি না।”

    পটুয়াখালী সদর থানার ওসি ইমতিয়াজ আহমেদ জানান, খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে ও মোবাইল করে তদন্ত শুরু করেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিস্থিতি অনুসারে, প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • নভেম্বরে নতুন পোশাক গ্রহণ করবে পুলিশ

    নভেম্বরে নতুন পোশাক গ্রহণ করবে পুলিশ

    গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে সরকার সাধারণ পুলিশ সদস্যদের জন্য নতুন ইউনিফর্মের সিদ্ধান্ত নেয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে বাংলাদেশ পুলিশ, র‍্যাব ও আনসার বাহিনীর পোশাক পরিবর্তনের ঘোষণা আসে। এখন, নয় মাস পর, পুলিশ সদস্যরা তাদের নতুন পোশাক পরার জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন। ১৫ নভেম্বর থেকে ঢাকার মেট্রোপলিটন পুলিশসহ (ডিএমপি) সব মহানগর পুলিশের সদস্যরা নতুন ইউনিফর্ম পরতে পারবেন। তবে জেলা পুলিশের জন্য নতুন পোশাক পেতে কিছুটা আরও সময় লাগতে পারে।

    নতুন ইউনিফর্মের রং নির্ধারণ করা হয়েছে। পুলিশে ব্যবহৃত হবে লোহার (আয়রন) রঙের পোশাক, র‍্যাবের পোশাক জলপাই (অলিভ) রঙের এবং আনসার বাহিনীর পোশাক সোনালি গমের (গোল্ডেন হুইট) রঙের। আপাতত রাজধানীর মেট্রোপলিটন পুলিশ সদস্যরা নতুন পোশাক পাবেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশে জেলা পর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তারা এই নতুন পোশাক পরবেন।

    স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সূত্র জানিয়েছে, আগামী নির্বাচনোত্তর সময়ের জন্য সব বাহিনী যেন সমান রঙের ইউনিফর্ম পরতে পারে, সেই জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিফর্মের রং ও কাপড়ের ধরণ নির্ধারিত হয়েছে।

    পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে জেলা ও মহানগর পুলিশের ইউনিফর্মের রঙ আলাদা। তবে এখন থেকে সবাই একই রঙের পোশাক পরবেন। পুলিশ সদর দপ্তরের ডিআইজি (লজিসটিক্স) খোন্দকার নজমুল হাসান বলেছেন, নতুন ইউনিফর্ম ১৫ নভেম্বরের মধ্যে দেখা যাবে। সেই দিন থেকে ঢাকা মহানগর ও অন্যান্য মহানগর পুলিশের সদস্যরা নতুন পোশাক পরা শুরু করবেন। পর্যায়ক্রমে সব ইউনিট নতুন ইউনিফর্ম পাবে।

    অন্যদিকে, র‍্যাবের বর্তমান কালো রঙের পোশাকের পরিবর্তনের কথা থাকলেও নতুন জলপাই রঙের ইউনিফর্মের অগ্রগতি এখনও দেখা যায়নি।

    এছাড়া, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জন্য সোনালি গমের রঙের নতুন ইউনিফর্ম তৈরির খবর থাকলেও রং পরিবর্তনের বিষয়টি এখনো স্পষ্ট হয়নি। তবে সম্ভবত ভবিষ্যতেও এই পরিবর্তনের দিকে নজর দেওয়া হবে।

  • রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে উত্তেজনা বজায় রাখার ভাষ্য পরিবেশ উপদেস্টার

    রাজনৈতিক কৌশল হিসেবে উত্তেজনা বজায় রাখার ভাষ্য পরিবেশ উপদেস্টার

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, সরকার ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এমন প্রতিশ্রুতি স্পষ্ট করে দিচ্ছেন। তাঁদের ভাষ্য, সরকারের বিরুদ্ধে কোনো কঠোর অভিযোগ নেই। বরং, রাজনৈতিকভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি ও বজায় রাখতে কথাবার্তা এবং তৎপরতা চালানো এখন এক ধরনের কৌশল হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। আজ বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জুলাই সনদের প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ঐক্য বা বিভক্তি নেই, বরং মতানৈক্য রয়েছে। এই মতানৈক্য আলোচনা ও সংলাপের মাধ্যমে নিরসন সম্ভব। এ সময় তিনি আরও বলেন, সরকারের বিরুদ্ধে স্পষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকলেও, বলার লাইন দিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা ধরে রাখতে কিছু বক্তব্য ও সমালোচনাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি একটি কৌশল হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তিনি বলেন, নদীভাঙন প্লাবিত মানুষের সহায়তার জন্য ৫০০ কোটি টাকার বদলে এক হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও, আইনি জটিলতা এবং নীতিমালা এসব কাজে বিলম্ব সৃষ্টি করে। পাশাপাশি, পরিবেশ মন্ত্রণালয় সবসময় বাজেটের সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি, জাতীয় পর্যায়ে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা করার জন্য বেশি বিনিয়োগের প্রয়োজন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের দূরপ্রান্ত অঞ্চলে পানি সরবরাহের জন্য প্রতিষ্ঠিত জলবায়ু পরিবর্তন তহবিলে অর্থ বরাদ্দ থাকলেও, মূলত এই কাজটি পরিচালনা এবং বাস্তবায়নের দায়িত্ব রয়েছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের। তিনি আরও বলেন, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র উদ্যোগগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে টেকসই উন্নয়নের উপর বেশি জোর দিতে হবে, যাতে সম্পৃক্ত মন্ত্রণালয়গুলো সমন্বিতভাবে কাজ করতে পারে।**

  • আশুলিয়ায় পড়ে থাকা ৭.৬২ লেখা গুলির রহস্য উদঘাটনে বিচার চলছে

    আশুলিয়ায় পড়ে থাকা ৭.৬২ লেখা গুলির রহস্য উদঘাটনে বিচার চলছে

    জুলাই-আগস্টের আন্দোলনের জেরে আশুলিয়ায় সংঘটিত এক নৃশংস ঘটনার বিচার চলছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। তদন্তে জানা গেছে, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের পর দীর্ঘদিন অজুহাতে লুকানো ওই ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধের অন্তর্গত। সাবেক একজন সংসদ সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যদান করেছেন সিআইআরের এসআই মো. আশরাফুল হাসান।

    29 অক্টোবর বুধবার, ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী ও তার তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই মামলার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। অন্য সদস্যরা হলেন- অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    এদিন সকাল সোয়া এগারোটার দিকে আশুলিয়া থানার এসআই আশরাফুল আদালতে উপস্থিত হন। তিনি জপে শপথ নিয়ে জব্দতালিকা অনুযায়ী সাক্ষ্য দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ১৪ এপ্রিল এই বছরের ঘটনাপ্রবাহে, থানার ওসি বেতার বার্তায় জানান, আশুলিয়া থানার পশ্চিম পাশে মনির ও লতিফ মণ্ডলের পুরোনো টিনশেড বাড়ির সীমানা প্রাচীরের ভিতরে গুলি পড়ে থাকতে দেখা গেছে। এরপর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে উপস্থিত সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ৬টি রাইফেলের গুলি ও এক চার্জার উদ্ধার করেন। পেটেন্ট ইংরেজি ভাষায় লেখা ফলকদের মধ্যে ‘৭.৬২’ উল্লেখ ছিল।এই ধারালো অস্ত্রের গুলিগুলো জব্দতালিকা মূলে নিয়ম অনুযায়ী কাগজে স্বাক্ষর করে জমা দেওয়া হয়।

    তিনি আরও জানান, কনস্টেবল মো. মামুনুর রশিদও ঐ জব্দতালিকার সাক্ষী। এই আলামত পরে থানায় সংরক্ষিত হয়। তারপর, তিনি তার কর্মকর্তার নির্দেশে ঐ আলামত আত্নসাৎ করে তদন্ত সংস্থার কাছে জমা দেন।

    সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষ হওয়ার পরে, আসামিপক্ষের আইনজীবীরা এই জবানবন্দর নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। এখন পর্যন্ত এ মামলায় মোট ২০ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    এ মামলার গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, বিভিন্ন পুলিশ কর্মকর্তা ও কনস্টেবলরা। আজকের দিনে পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে। তবে আরও আটজন—তথ্যপ্রমাণিতভাবে এসেছেন পলাতক আছেন।

    গত বছর ৫ আগস্ট, আশুলিয়ার একটি পুলিশের গুলিতে ছয় তরুণ প্রাণ হারান। পরে পুলিশ তাদের লাশ তুলে এনে বাড়ির পার্শ্ববর্তী নদীতে ফেলে দেয়। এ সময় একজন জীবিত ছিলেন, যাকে জীবিতই পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। পেট্রোল ঢেলে এন্তেজাম করে তাদের জীবন্ত মানুষকেই পুড়িয়ে মারার বর্বরতাজনক এই ঘটনার বিচার চলছে। এর প্রেক্ষিতে ১১ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

  • মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নতুন শর্তে রিক্রুটিং এজেন্সীর সুযোগ

    মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য নতুন শর্তে রিক্রুটিং এজেন্সীর সুযোগ

    মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের ক্ষেত্রে আগে তুলনায় অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর সুযোগ ছিল বেশি। তবে এখন से অভিন্ন মানদণ্ডের ভিত্তিতে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, পাকিস্তান এবং মায়ানমার দেশের রিক্রুটিং এজেন্টদের নির্বাচন করা হবে, যা প্রক্রিয়াকে আরও স্বচ্ছ ও নিয়মতান্ত্রিক করবে। এ জন্য এজেন্সিগুলোকে দশটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে বলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হচ্ছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর) মন্ত্রণালয় পক্ষ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান সরকার অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর জন্যও মানদণ্ড নির্ধারণে জোর দিচ্ছে। ২০২৩ সালের মে মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩য় জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের সভায় মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিরা এই মানদণ্ডের বিষয়টি সম্মতিপূর্ণভাবে গ্রহণ করে। এজেন্সিগুলোর জন্য নির্ধারিত এসব শর্ত মানা আবশ্যক বলে উল্লেখ করা হয়।

    নিম্নে উল্লেখ করা হলো, রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য নির্ধারিত দশটি মূল মানদণ্ড:
    ১. লাইসেন্স পাওয়ার পরে কমপক্ষে ৫ বছর মানবসম্পদ পরিচালনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
    ২. বিগত ৫ বছরে কমপক্ষে ৩,০০০ কর্মী বিদেশে প্রেরণের প্রমাণ থাকতে হবে।
    ৩. বিগত ৫ বছরে তিনটি ভিন্ন ভিন্ন গন্তব্যে কর্মী প্রেরণের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
    ৪. বাংলাদেশি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে বৈধ লাইসেন্স, প্রশিক্ষণ ও নিয়োগ সম্পর্কিত অনুমোদন থাকতে হবে।
    ৫. প্রেরণকারী দেশের দিক থেকে ‘শ্রমের সনদ’ বা সৎাচরণের সনদ (Certificate of Good Conduct) থাকতে হবে।
    ৬. শ্রমিকের জোরপূর্বক নিয়োগ, মানব পাচার, শ্রম আইন লঙ্ঘন বা অন্য আর্থিক অপরাধে জড়িত থাকার রেকর্ড থাকলে চলবে না।
    ৭. নিজস্ব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা থাকতে হবে যেখানে আবাসন, কারিগরি প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়।
    ৮. স্বীকৃত আন্তর্জাতিক নিয়োগকর্তাদের কাছ থেকে প্রশংসাপত্র থাকতে হবে।
    ৯. কমপক্ষে ৩ বছর ধরে পরিচালিত, ১০,০০০ বর্গফুটের স্থায়ী অফিস থাকতে হবে যেখানে কর্মী বাছাই ও নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা হয়।
    ১০. পূর্বে যেসব গন্তব্যে কর্মী প্রেরণ করা হয়েছে, সেগুলোর আইনগত শর্তাবলী ও নিয়ম অনুসরণ করতে হবে।

    উপরের শর্তাবলী পূরণকারী সকল বৈধ বাংলাদেশী রিক্রুটিং এজেন্সিকে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর জন্য তালিকা তৈরি করার জন্য বাংলাদেশ সরকার মালয়েশিয়ার প্রতি অনুরোধ করবে। এরই ধারাবাহিকতায়, এই মানদণ্ড পূরণে সক্ষম বাংলাদেশি লাইসেন্সধারী এজেন্সিগুলোর জন্য আগামী ৭ নভেম্বর ২০২৫ এর মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহ আবেদন করার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে।

  • তত্ত্বাবধায়ক ফিরলেও নির্বাচন সরকারের অধীনেই হবে: শিশির মনির

    তত্ত্বাবধায়ক ফিরলেও নির্বাচন সরকারের অধীনেই হবে: শিশির মনির

    নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ফেরানোর জন্য পরিচালিত আপিলের চতুর্থ দিনের শুনানি শেষ হয়েছে জামায়াতের পক্ষ থেকে। শুনানি শেষে দলটির আইনজীবী শিশির মনির বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার যদি আবার আসেও, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব নয়। ফলে, আগামী নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই সম্পন্ন হবে।

    আজ (মঙ্গলবার, ২৮ অক্টোবর) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের চতুর্থ দিনের শুনানি গ্রহণ করে।

    শুনানি চলাকালে, আইনজীবী শিশির মনির উল্লেখ করেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণা একেবারেই অনন্য ও আলাদা। তবে, রাজনৈতিক নেতাদের দূরদর্শিতা ও সচেতনতার অভাবে এই ব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার একটি বার বার proved উপযুক্ত ব্যবস্থা, যা সর্বসম্মতভাবে স্বীকৃত। এই পরিস্থিতিতে সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি।’

    এর আগে, ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট, ষড়যন্ত্রমূলক রায় পুনর্বিবেচনা দিতে সরকারের পক্ষ থেকে দায়ের করা আবেদন মঞ্জুর করে সর্বোচ্চ আদালত, যাকে আবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুনানির জন্য গ্রহণ করে।

    নাগরিক সংগঠন সুজনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ মোট পাঁচজন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার এই আপিলে অংশ নেন।

    উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলের রায় দেয় সাবেক প্রধান বিচারপতি এবিএম খায়রুল হকের আপিল বিভাগ। সেই সময় এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পক্ষের আপিল ও আপিলের শুনানি চলমান রয়েছে।