Category: জাতীয়

  • ৮ উপদেষ্টার দফতর বণ্টন: কে পেলেন কোন দায়িত্ব

    ৮ উপদেষ্টার দফতর বণ্টন: কে পেলেন কোন দায়িত্ব

    সদ্য নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নতুন সরকার আজ আরও স্পষ্ট হয়েছে একাধিক নতুন দফতর ও দায়িত্বের মাধ্যমে। সম্প্রতি, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আট জন উপদেষ্টার দফতর বণ্টন ঘোষণা করেছে। এর আগে গত মঙ্গলবার মোট দশ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।

    প্রজ্ঞাপন অনুসারে, মন্ত্রী পর্যায়ের উপদেষ্টাদের মধ্যে মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদকে ‘রাজনৈতিক উপদেষ্টা’ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, মো. ইসমাইল জবিউল্লাহকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    অন্যদিকে, প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদার উপদেষ্টাদের মধ্যে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) শামসুল ইসলামকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে। মাহদী আমিনকে শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, রেহান আসিফ আসাদ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    নতুন এই দফতর বণ্টন চালুর ফলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম ও নীতিমালা দৃশ্যমানভাবে আরও সাবলীল ও গতিশীল হওয়ার আশা করা হচ্ছে। এই পরিবর্তন সরকারের দায়িত্বশীলতা ও কার্যক্ষমতা বাড়াতে এক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বলে মনে করা হচ্ছে।

  • মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা, ডাক্তারদের পেছনে না ঘুরে ডাক্তাররা মানুষকে ঘুরাবেন

    মানুষের জন্য সহজলভ্য চিকিৎসা, ডাক্তারদের পেছনে না ঘুরে ডাক্তাররা মানুষকে ঘুরাবেন

    স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল বলেছেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য হলো চিকিৎসা সেবাকে পুরোপুরি দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত করে দেওয়া। তিনি বলেন, এখন থেকে মানুষকে ডাক্তারের পেছনে ছুটতে হবে না; বরং ডাক্তাররা মানুষকে সেবা দিতে তাঁদের পেছনে ঘুরে বেড়াবেন। চিকিৎসা সেবা আরও সহজলভ্য ও সকলের জন্য সুবিধাজনক করে তোলার জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন হলে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হবে এবং সাধারণ মানুষ এর সুফল পাবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নরসিংদীর মনোহরদী উপজেলার হাফিজপুর গ্রামে নিজের বাড়িতে প্রশাসন ও কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, যারা আমাদের ভোট দিয়েছেন, তাদের উপর আমাদের দায়িত্ব বেশি, আর যারা ভোট দেননি, তাদেরও সমান দায়িত্ব আমাদের। সব ধরনের প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন পক্ষের মানুষকে নিয়ে এক সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করছি।

    মন্ত্রী আরও জানান, নরসিংদীতে একটি মেডিকেল কলেজের ভবিষ্যত চিন্তাও রয়েছে, আপনি সবাই দোয়া করবেন। তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশে যেখানে যেখানে মেডিকেল পরিষেবা প্রয়োজন হবে, সেখানেই করা হবে। নরসিংদীর ২৫০ শয্যার হাসপাতালসহ আরো কিছু কেন্দ্রের যখনই প্রয়োজন হবে, সেগুলোর দ্রুত প্রসার ও চালু করতে আমরা কাজ করব। তিনি নরসিংদীতে দুটি আইসিইউ ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা ব্যক্ত করেন।

    অতিরিক্ত তিনি উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কলিমুল্লাহ এবং অন্যান্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা। সকালের সময়, মন্ত্রী নিজ বাড়িতে পৌঁছালে প্রশাসন ও নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে তাকে স্বাগত জানান।

  • রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে

    রাতে কিশোরদের রাস্তায় অযাচিত ঘোরাঘুরি বন্ধে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করবে

    শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, রাতের বেলায় কিশোররা যদি অপ্রয়োজনীয়ভাবে রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়, তবে পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, যদি এই পরিস্থিতি কনস্টিটিউশনাল ভায়োলেন্সের পর্যায়ে পৌঁছে যায়, সেটা পরে দেখা হবে।

    শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তার নিজ নির্বাচনী এলাকা চাঁদপুরের কচুয়ায় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

    এ সময় তিনি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতিমুক্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি কেউ দুর্নীতিতে লিপ্ত থাকে, তাহলে তাকে অন্যত্র বদলি করে দিতে হবে। তিনি বলেন, আমি জীবনে দুর্নীতি করব না, কাউকে করতে দেব না—এটাই আমার শপথ।

    মহান মিলন আরও বলেন, আমি নিজের প্রতিশ্রুতি পূরণে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং যা কিছু করব, তা জনগণের স্বার্থে এবং সততার সঙ্গে করব। যারা এই অঙ্গীকারের সঙ্গে একমত নন, তাদেরকে অনুরোধ করব, দয়া করে নিজের পদ থেকে সরে যান বা আমাকে জানাবেন, আমি যথাযথভাবে বদলি করে দেব। তবে আমি এই এলাকার পবিত্রতা ও সুশাসন রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ।

    তিনি বলছেন, যতদিন বেঁচে থাকব, ততদিন দুর্নীতি ও অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোরভাবে লড়াই চালিয়ে যাব। আমার এই অঙ্গীকার সবাই জানে এবং আমি তার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    মন্ত্রী বলেন, কচুয়াসহ সারা দেশে কিশোর গ্যাং নির্মূল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এর পাশাপাশি, বাজারে চাঁদাবাজি রোধে নজরদারি জোরদার করতে তিনি গুরুত্ব দেন। আধুনিক প্রযুক্তি, বিশেষ করে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আরও কার্যকরভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর জেলা প্রশাসক নাজমুল ইসলাম সরকার, পুলিশ সুপার রবিউল হাসান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদুল হাসান রাসেল, এসিল্যান্ড আবু নাছির, ওসি boরহান উদ্দিনসহ বিভিন্ন দপ্তর এবং সংগঠনের কর্মকর্তা, সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

  • নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে ২ নিহত

    নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে ২ নিহত

    নোয়াখালীর কবিরহাটে এক ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি তেলবাহী ট্রাক দোকানে প্রবেশ করে অন্তত দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। নিহত ও আহত ব্যক্তিদের নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    ঘটনা ঘটেছে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে, ট্রান্সমিটার এলাকায়। দুপুর সাড়ে ১২টায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কবিরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া।

    ওসি জানান, নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে কবিরহাটের দিকে যাওয়ার সময় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘটনাস্থলে এক দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু ঘটে। স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।

    প্রতক্ষ্যদর্শীরা বলেছেন, দুর্ঘটনার পরই এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে এখনো নিহত এবং আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে এবং আরো বিস্তারিত তথ্য শিগগিরই প্রকাশ করা হবে।

  • নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে দুই নিহত

    নোয়াখালীতে তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে দুই নিহত

    নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলায় অবিবার্তন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি তেলবাহী ট্রাক দোকানে ঢুকে পড়লে দুইজন নিহত ও আরও তিনজন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টায়, তবে এখনও আহত ও নিহতের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। এর আগে সকালে, সাড়ে ১০টায়, ট্রাকটি ট্রান্সমিটার এলাকায় গেলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া জানান, নোয়াখালীর সোনাপুর থেকে কবিরহাট যাওয়ার পথে ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন। স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে সড়ক অবরোধ করেন। ঘটনার বিস্তারিত জানানো হবে বলে ওসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

  • একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

    একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই: ডিএমপি কমিশনার

    ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, একুশে ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তিনি জানান, এই দিনটি উদযাপনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারকে ঘিরে ১৫ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্যের সমন্বিত এবং বহুস্তরবিশিষ্ট নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আজ (শুক্রবার) সকালে শহীদ মিনার এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

    শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, মহান শহীদ দিবসে ভাষা সৈনিকদের প্রতি সম্মান জ্ঞাপন করতে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ শহীদ মিনারে উপস্থিত থাকবেন। এর জন্য ঢাকায় পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবক ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও মোতায়েন থাকবেন। তিনি সবাইকে শৃঙ্খলা রক্ষা ও শহীদ মিনারের পবিত্রতা বজায় রাখার অনুরোধ জানান।

    ডিএমপি কমিশনার আরও বলেন, সফলতার সাথে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে ভোটাররা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোট দিয়েছেন এবং নিরাপত্তা শঙ্কা ছিল না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অমর একুশে উদযাপনেও কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকছে না। এ জন্য শহীদ মিনারে নিয়মিত পুলিশ ও বিভিন্ন বিশেষ দল – সোয়াট, ডগ স্কোয়াড, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল, ক্রাইম সিন ইউনিট – সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে। এর পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারী এবং সাইবার মনিটরিংও জোরদার করা হয়েছে।

    এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পুরো ঢাকা শহরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আমরা নিশ্চিত করছি এবং চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। শহীদ মিনারে প্রবেশের জন্য সাধারণ জনগণকে পলাশী মোড়, জগন্নাথ হল ক্রসিং ও শহীদ মিনার রুট অনুসরণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অন্য কোনো রাস্তা দিয়ে শহীদ মিনারে প্রবেশ বা প্রস্থান করা যাবে না। নিরাপত্তা এবং শৃঙ্খলার স্বার্থে এটি সবাইকে মেনে চলতে হবে।

    শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে শহীদ মিনার থেকে রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর বা চানখার পুল হয়ে শহীদ মিনার ত্যাগ করতে বলা হয়েছে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, কেউ যদি ধারালো অস্ত্র, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক দ্রব্য শহীদ মিনারে নিয়ে আসার চেষ্টা করে, তবে সেটি করতে দেওয়া হবে না। সবাই নির্দিষ্ট রুট অনুসরণ করে শহীদ মিনারে প্রবেশ ও প্রস্থান করবেন। আপনারা শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে অন্যদের জন্য সুযোগ করে দিন এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখুন।

    নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার স্বার্থে আজ শুক্রবার সন্ধ্যার পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে ডাইভারশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শহীদ মিনার এলাকায় বসবাসকারী শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ট্রাফিক নির্দেশনা অনুসরণ করে আমাদের সহযোগিতা করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

  • গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২

    গাইবান্ধায় ছিনতাইকারী সন্দেহে গণপিটুনিতে নিহত ২

    গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার খোদ্দ মোজাহিদপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে ছিনতাইকারীর সন্দেহে গণপিটুনিতে দুই ব্যক্তি মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, তিন সদস্যের একটি ছিনতাইকারী দল ইদিলপুর ইউনিয়নের মাদারহাট ব্রিজের কাছে ছিনতাই করার চেষ্টা করে। তবে ওই এলাকায় অবস্থানকারী স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের লক্ষ্য করে ধাওয়া করে। ছিনতাইকারীরা দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে পালানোর চেষ্টা করে, কিন্তু খোদ্দ মোজাহিদপুরে এসে ড্রাইভিং হারিয়ে মোটরসাইকেলটি পুকুরে পড়ে যায়। সেহরির সময় খবর ছড়িয়ে পড়লে, স্থানীয়রা লাঠিসোঁটা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে বলেন। গল্পের দুই সদস্য পুকুরে পড়ে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁদের ধরে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজনের মৃত্যু হয়। অন্য একজন সদস্য অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায়। সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলিম উদ্দিন জানান, পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুজনকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে এবং একটি মোটরসাইকেল জব্দ করে। নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি, তবে তাদের পরিচয় জানার জন্য বিশেষজ্ঞ দলের সহায়তা নেওয়া হয়েছে।

  • তিন বিভাগে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে

    তিন বিভাগে টানা বৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে

    চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা দুই দিনের বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আবহাওয়া পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহের ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি, দেশের বেশিরভাগ অঞ্চল আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

    সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে বলেছেন, বিশেষ করে খুলনা বিভাগের উপকূলীয় জেলাগুলোতে ২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। একইসঙ্গে বরিশাল বিভাগের প্রায় সব জেলা ও চট্টগ্রামের উত্তরাঞ্চলেও বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে।

    অপর দিকে, বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে দেশের আকাশ অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা থাকলেও সামগ্রিকভাবে আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। তবে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা আগামী কয়েকদিন কিছুটা বাড়তে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    আজ ২০ ফেব্রুয়ারির পূর্বাভাস অনুযায়ী, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আবহাওয়া সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্ভাব্য এই বৃষ্টিপাতের পর তাপমাত্রায় কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে এবং শুষ্ক আবহাওয়ার পরে স্বস্তি ফিরে আসতে পারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

  • জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    জনগণের ট্যাক্সে চলি, জবাবদিহিতা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী Миржа ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের লক্ষ্য হলো একটি অব্যাহত, সমৃদ্ধ দেশ গড়া, যেখানে জনগণের ট্যাক্সের অর্থের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ চলছে। তিনি বলেছিলেন, আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের আস্থা অর্জন ও তাদের প্রতি জবাবদিহি করা, কারণ আমরা সবাই মিলেই দেশের ভবিষ্যত নির্মাণে কাজ করে যাচ্ছি। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সভায় তিনি এই কথা বলেন, যেখানে মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের ওপর একটি উপস্থাপনাও দেওয়া হয় মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকছুদ জাহেদীর নেতৃত্বে।

    মন্ত্রী উল্লেখ করেন, একটি সফল রাষ্ট্র গঠনের জন্য সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় স্তরগুলো অত্যন্ত অপরিহার্য। ভিন্নমত ও বিভেদ ভুলে সবাই যদি দলগতভাবে একসঙ্গে কাজ করি, তাহলে উন্নয়ন, সুশাসন এবং ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো শক্তিশালী করা মানে কেবল প্রশাসনিক কাঠামো নির্মাণ নয়, বরং জনগণের বিশ্বাসও পুনরুদ্ধার করা। কার্যকর প্রতিষ্ঠানই একটি উন্নয়নমুখী রাষ্ট্রের মূল ভিত্তি। তাই সরকারের এই পুনর্গঠন কার্যক্রম সফল করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

    মন্ত্রী আরো যোগ করেন, গ্রামে বসবাসরত মানুষগুলো কষ্টে রয়েছেন — এটি শুধু আবেগের বিষয় নয়, বরং একটি বাস্তব সামাজিক সত্য। তাদের কষ্ট লাঘবের জন্য সমাজ, সরকার ও আগ্রহী নাগরিকদের সকলের দায়িত্ব রয়েছে। সরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে ধাপে ধাপে গ্রামীণ জনগণের সংকট কমানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর স্পষ্ট নির্দেশনা হলো, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, দুর্নীতি রোধ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারের অগ্রাধিকার।

    এ সময় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, এই মন্ত্রণালয় সরাসরি সাধারণ মানুষের সঙ্গে যুক্ত। সবার সহযোগিতায় উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে অটুট রেখে, জনগণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব। দুর্নীতিমুক্ত একটি রাষ্ট্র গড়তে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নির্বাচনী ইশতেহার ও ৩১ দফা হলো সাধারণ মানুষের সঙ্গে একটি অবিচ্ছিন্ন সামাজিক চুক্তি। তাই, মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও নিরাপদ, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের জন্য এই মন্ত্রণালয়কে আরও দায়িত্বশীল ও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে।

    সার্বিকভাবে, দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে জনস্বার্থের গুরুত্বকে অগ্রাধিকার দিলে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও ৩১ দফার বাস্তবায়ন দ্রুত হবে। একটি কল্যাণমুখী, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র গঠনে এই মন্ত্রণালয়ের সক্রিয় ও আন্তরিক উদ্যোগ অন্যতম চালিকা শক্তি হবে বলে তিনি বিশ্লেষণ করেন।

  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ: জনগণের আস্থা অর্জনে দ্রুত পুলিশ ও শৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ: জনগণের আস্থা অর্জনে দ্রুত পুলিশ ও শৃঙ্খলা বাহিনী সংস্কার

    নবনিযুক্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, পুলিশসহ সকল শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য দ্রুত সংস্কার কার্যকর করতে হবে। আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এই সভায় মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন এবং তারা বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ উল্লেখ করেন, দেশের রাজনীতি দীর্ঘ দেড় যুগ পর একটি স্বচ্ছ নির্বাচন মধ্য দিয়ে নতুন সরকারের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়েছে। এই দীর্ঘ অপেক্ষার পর এই পরিবর্তনের ফলে জনগণের সরকারের প্রতি প্রত্যাশা আরও বেশি। তিনি গুরুত্বের সঙ্গে নির্দেশ দেন, নির্বাচনী ইশতেহার দ্রুত বাস্তবায়ন করতে। বিশেষ করে, পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে গণতান্ত্রিক সংস্কার আনয়ন ও আধুনিকীকরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

    অপরাধ দমন ও আইনের শাসন আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সংস্থা পুনর্গঠনের মাধ্যমে মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন মুখ্য লক্ষ্য। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের বিষয়টিও আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, অর্থ মন্ত্রালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ ও নতুন জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে হলে সঠিক পরিকল্পনা অপরিহার্য, বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ জন্য তিনি বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানদের সুপারিশ ও পরামর্শ জমা দিতে বলেন, যাতে এই সংস্কার প্রক্রিয়া দ্রুত ও কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হয়।

    মতবিনিময় সভায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্ব) মো. দেলোয়ার হোসেন, আইজিপি বাহারুল আলম বিপিএমসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এই সভার মাধ্যমে দেশের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করার জন্য একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।