Category: খেলাধুলা

  • আসিফের মন্তব্যের জন্য বাফুফের কাছে বিসিবির দুঃখ প্রকাশ

    আসিফের মন্তব্যের জন্য বাফুফের কাছে বিসিবির দুঃখ প্রকাশ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও সংগীত শিল্পী আসিফ আকবরের এক সংজ্ঞায়িত মন্তব্যের কারণে সম্প্রতি দেশের ক্রীড়াঙ্গণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি তাবিথ আউয়াল বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের কাছে رسمیভাবে একটি চিঠি পাঠিয়ে এই বিষয়ের ব্যাখ্যা চাইেন।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর) বিসিবি তাদের আনুষ্ঠানিক উত্তর দিয়েছে। সেই চিঠিতে, যা আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বাক্ষরে লেখা, আসিফের বক্তব্যের বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে। উল্লেখ করা হয়, আসিফ আকবর বিসিবির সদস্য নয়, বরং জেলা প্রতিনিধিরূপে ওই মন্তব্য করেছিলেন।

    চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সে উল্লিখিত বক্তব্যটি আসিফ জেলা প্রতিনিধির দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দিয়েছেন, বিসিবির 공식 অবস্থান নয়। বিসিবি সভাপতি মনে করেন, আসিফ তার জেলার ক্রিকেট কার্যক্রম ও মাঠ ব্যবহারে দীর্ঘদিনের হতাশা থেকে ব্যক্তিগত ক্ষোভে এই মন্তব্যটি করেন।

    বিসিবি সভাপতি স্পষ্ট করেন, এই বক্তব্যটি আসিফের ব্যক্তিগত মতামত, যা কখনোই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের রায় বা নীতির প্রতিফলন নয়। তিনি আরও দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, যদি এই বক্তব্যের কারণে ফুটবলপ্রেমী বা সাধারণ দর্শকদের মধ্যে কোনো বিভ্রান্তি বা আঘাত সৃষ্টি হয়ে থাকে, তাহলে তিনি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান।

    বিসিবি সভাপতি যদিও দুঃখ প্রকাশ করেছেন, তবুও আসিফ আকবরের ব্যক্তিগত মন্তব্যের কারণে ফুটবল সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ থাকায়, রাতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হবে সোনালী অতীত ক্লাবে যেখানে তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত আসতে পারে।

    চিঠির শেষে, বিসিবি সভাপতি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের অবদান স্বীকার করেন এবং ফুটবলের প্রতি তার অঙ্গীকার প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খেলাধুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, পাশাপাশি এটি ঐক্য ও সৌহার্দ্যের প্রতীক। সে কারণেই, বিসিবি সব ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করে।

    উল্লেখ্য, ৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সে আসিফ আকবর মন্তব্য করেছিলেন যে, ফুটবলের আধিপত্যের ফলে দেশের স্টেডিয়ামে ক্রিকেটের পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন যে, ফুটবলাররা উইকেট ভেঙে ফেলছেন এবং ক্রিকেটকে আভিজাত্যের খেলা হিসেবে আখ্যা দিয়ে মাঠের অধিকার নিয়ে মারামারির জন্য প্রস্তুত থাকছেন। তাঁর এই অসাধু মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। সাবেক ফুটবলার থেকে শুরু করে সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরাও এই বক্তব্যের তীব্র নিন্দা জানান।

  • সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড, ৫৪ বলেই জিতে গেছে বাংলাদেশ

    সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড, ৫৪ বলেই জিতে গেছে বাংলাদেশ

    বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে লিস্ট এ ক্রিকেটে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি ছিল হাবিবুর রহমান সোহানের নামে। সেই রেকর্ড এবার টি-টোয়েন্টি সংস্করণেও ভাঙলেন এই দ্রুতগতির ব্যাটার। কাতারে চলমান এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ এ দলের প্রথম মাঠের ম্যাচে হংকং, চায়না বিরোধী খেলায় মাত্র ১৪ বলে ফিফটি করে তিনি দুর্দান্ত সুবিশাল ইনিংসের সূচনা করেন। এরপর দ্রুতগতিতে ঝড় তুলেন, শেষ পর্যন্ত ৩৫ বলে সমাপ্ত করেন তিন অঙ্কের মারকুটে ইনিংস। এটি বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে কম বলের মধ্যে প্রথম তিন অংকের মাইলফলক, যা স্বার্থকভাবে রেকর্ডের মধ্যে স্থান করে নিয়েছে।

  • ৯৩ রানে অলআউট ভারত, তিন দিনে ইডেনে লজ্জাজনক হার

    ৯৩ রানে অলআউট ভারত, তিন দিনে ইডেনে লজ্জাজনক হার

    ইডেন গার্ডেনসে যেন এক উলটপুরাণের মতোই পুরো ম্যাচের পরিণতি হয়ে গেল মাত্র তিন দিনে। স্বাভাবিক লক্ষ্য ছিল ১২৪ রান, তবে ভারতের ব্যাটসম্যানদের জন্য ছিল এক দুঃস্বপ্নের সমাপ্তি। দক্ষিণ আফ্রিকা, যারা একাদশের স্পিন-বোলিং আঘাতে ভারতের চেহারা বদলে দিল, মাত্র ৯৩ রানে অলআউট হয়ে গেল। এই জয়ে তারা দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।

  • ‘আমি স্বৈরাচারী নই’— জ্যোতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিলেন অধিনায়ক

    ‘আমি স্বৈরাচারী নই’— জ্যোতির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব দিলেন অধিনায়ক

    বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি নানা বিতর্কের মধ্যেও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করলেন। বেশ কিছু দিন ধরে তাঁর বিরুদ্ধে জুনিয়র ক্রিকেটারদের মারধর ও সিনিয়ররা ধ্রুবকভাবে দলের ক্যারিয়ার নষ্টের অপবাদ দেওয়ার মতো অভিযোগ উঠেছে। এসব গুঞ্জন ভয়ঙ্করভাবে বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে দলের নেতৃত্ব নিয়েও সমালোচনা জোরদার হয়।

    সম্প্রতি শিনবোন ইনজুরির রিহ্যাব নিচ্ছেন জ্যোতি। তখন তিনি বিকেএসপি-তে বসে ক্রিকবাজের সাথে এক খোলামেলা সাক্ষাৎকার দেন, যেখানে তিনি নিজের দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট করেন। ড্রেসিং রুমে ‘স্বৈরশাসন’ চালানোর অভিযোগ থেকে শুরু করে সিনিয়রদের সাথে সম্পর্ক, এমনকি ভারতোর বিপক্ষে সিরিজের আগের দলের পরিবেশ—সবকিছু তিনি পরিষ্কার ভাষায় ব্যাখ্যা করেন। নিচে মূল কথোপকথনের শেয়ার করা হলো:

    জ্যোতি বলেন, আমি কোনোভাবেই স্বৈরাচারী নয়। ড্রেসিং রুমে সবাই নিজের স্থান আছে, আমি নিজেও। অধিনায়ক হিসেবে সম্মান পাই, তবে সুযোগ-সুবিধা সবার জন্য সমান। কাদের এ কথা বলছেন বুঝতে পারছি, কারা এর পেছনে রয়েছে তা স্পষ্ট। দীর্ঘ দিন ধরে নেতৃত্ব দিচ্ছি, সবাই আমার পছন্দ করবে এটা ভুল; তবে আমি জানি আমি দলের জন্য কি করছি।

    জাহানারা রুমানা-প্রেরণার অভিযোগ প্রসঙ্গে জ্যোতি জানান, এই নিয়ে বেশ সময় থেকে শুনছি। আমি কি নির্বাচক? আমি ২০১৫ সাল থেকে জাতীয় দলে খেলছি। কখনো ড্রেসিং রুমে ‘সিন্ডিকেট’ দেখিনি। ২০২১ সালে অধিনায়ক হওয়ার পর ২০২৩ অস্ট্রেলিয়া সিরিজ পর্যন্ত আমি নির্বাচনী অধিবেশনে ছিলাম না। আমি এবং অন্যান্য খেলোয়াড়রা জানতাম না কে দল থেকে খেলবে, বোর্ডই ঘোষণা করত। সত্য জানার জন্য বোর্ডের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন।

    নিউজিল্যান্ডে হাসান তিলকরত্নের কোচ থাকাকালীন এক ম্যাচে রুমানা আপু, সালমা আপু এবং হয়তো জাহানারা আপু খেলেননি। সালমা আপু একবার বলেছিলেন, “তুমি আমাদের বসিয়ে দিয়েছ।” তখন আমি বলেছিলাম, “আমি একদমই এখনই জানছি টিমের একাদশ।” این কথোপকথনের মধ্যে ছিলো হাসি-ঠাট্টা ও অনেক কিছু।

    অভিযোগের বিষয়ে জ্যোতি সাফ জানান, জুনিয়র ক্রিকেটারদের গালিগালাজ বা চড় মারার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। এটি কেবল একজনের অভিযোগ, যা তিনি নিজে ব্যক্ত করেছেন। ম্যাচের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে সবাই ‘কেন ধরলে না?’ বা ‘ভালো কর’ ইত্যাদি বলে থাকেন, তবে আমি কাউকে এমনকিছু গালি দিই না। আমার মানসিক সমস্যা বা মানসিক রোগ আছে বলে কোনও ভিত্তি নেই।

    জাহানারা আলমের অভিযোগ প্রসঙ্গে জ্যোতি উল্লেখ করেন, তিনি শুনেছেন যে অস্ট্রেলিয়ায় কেউ ফোন করে বলেছে, “জোতি আপু মারছে”—এমন ভিত্তিহীন তথ্য। কোচ বা ম্যানেজমেন্টকে জানালে সত্যটুকু জানা যাবে। প্রমাণের অভাবে এসব অভিযোগ বিশ্বাসযোগ্য নয়।

    শ্রীলঙ্কায় মারুফার সাথে যা ঘটেছে, সেটাকেও তিনি উল্টোভাবে দেখানোর দোহাই দেন। বলেন, মারুফা দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার, কিন্তু পাকিস্তান সিরিজে বেশ কিছু ভুলে হাই ক্যাচে সমস্যায় পড়েন। অতিরিক্ত অনুশীলনে বারবার বলেছিলেন, “বাবা, ক্যাচিং ঠিক কর।” ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সে ক্যাচ ফেললে হাতেও ব্যথা হয়ে যায়। মারুফার ডান হাত তার বোলিং হাত, তাই হাতের চোট এ ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করেছিল। ম্যাচ শেষে তিনি মারুফাকে জড়িয়ে ধরেন, কারণ সে কষ্ট পেয়েছিল। ক্যাচে ভুলের জন্য সে কাঁদছিল, তবে আমি তার সাহস বাড়াতে ও সমর্থন দিতে গিয়েছিলাম।

  • তামিম ইকবাল বিপিএল থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করলেন

    তামিম ইকবাল বিপিএল থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করলেন

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিলেও, শেষ মুহূর্তে সরকারী হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে তামিম ইকবাল উপস্থিত থাকেননি। এই ঘটনা পরবর্তী সময়ে দেশের এই তারকা ওপেনারের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, বিশেষ করে বিপিএলে তার অংশগ্রহণ নিয়ে বিভিন্ন জল্পনা সৃষ্টি হয়েছিল। বর্তমানে সব ধরণের ধোঁয়াশা কাটিয়ে, নিজেই নিশ্চিত করেছেন যে তিনি এবার পিএিল খেলবেন না। ক্রিকেটভিত্তিক জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ক্রিকবাজের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে তামিম জানান, তিনি এই মৌসুমে বিপিএলে অংশ নিচ্ছেন না এবং ড্রাফট থেকে নিজের নাম প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ করেছেন। ২০১২ সালে বিপিএল শুরু হওয়ার পর থেকে সব বছরেই মাঠে দেখা গেছে তাকে। সর্বশেষ দুটি মৌসুমে ফরচুন বরিশালের অধিনায়ক হিসেবে দলের সাথে ফাইনালে যাওয়া ও শিরোপা জেতার কৃতিত্ব ছিল তার। তবে এবারের পরিস্থিতি অনেকটাই বদলে গেছে। বোর্ডের নির্বাচনের উত্তাপ, ফিসনেট ইস্যু এবং বরিশাল ফ্র্যাঞ্চাইজির অবর্তমানে তার বিপিএলে অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল। অবশেষে, তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, এই আসরে তাকে দেখা যাবে না।

  • আইরিশদের ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে শীর্ষে বাংলাদেশ

    আইরিশদের ইনিংস ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে শীর্ষে বাংলাদেশ

    সিলেট টেস্টে বাংলাদেশের ব্যাট ও বলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে আয়ারল্যান্ডকে ইনিংস ও ৪৭ রানের বড় ব্যবধানে পরাস্ত করেছে। গত চতুর্থ দিনে আইরিশরা ভালো লড়াই করলেও শেষ পর্যন্ত হার মানে। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে তারা প্রথম দিন শেষ করেন ৫ উইকেটে ৮৬ রান করে। এরপর তৃতীয় দিন তারা ২৫৪ রান সংগ্রহ করে অলআউট হয়। এর ফলে ইনিংস ব্যবধানে হেরে যায় সফরকারীরা। এটি বাংলাদেশের জন্য চতুর্থবারের মত সাদা পোশাকের ক্রিকেটে ইনিংস ব্যবধানে জেতার ঘটনা।

    বুধবার বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে ৩০১ রানের লিড নিয়ে ৮ উইকেটে ৫৮৭ রান সংগ্রহ করে ইনিংস ঘোষণা করে। এর পর তাদের বলিং দল আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে। দিনের শেষের দিকে আয়ারল্যান্ডের ব্যাটসম্যানরা ৮৬ রানে ৫ উইকেট হারিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

    বৃহস্পতিবার আইরিশরা কিছুটা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। শুরুতে কয়েকটি বাউন্ডারি করেন, তবে বেশি দূর এগোতে পারেননি। এর মধ্যে তাইজুল ইসলাম (৩-৮৪) প্রথম আঘাত করেন, ম্যাথিউ হামফ্রিজ (৩৭) এবং অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবার্নি (৩৮) জুটি গড়ে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করেন। এরপর নাহিদ রানা (২-৪০) বালবার্নির উইকেট তুলে ফেলেন। পরবর্তীতে হাসান মুরাদ (৪-৬০) ম্যাকব্রাইনকে এলবিডব্লিউ করেন। ভাঙা যায় আয়ারল্যান্ডের শেষ ভরসা, শেষদিকে জর্ডান নিল (৩৬) ও ব্যারি ম্যাককার্থি (২৫) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তুললেও, বাংলাদেশ তার নির্মম বলের আঘাতে দিন শেষে আয়ারল্যান্ডের ইনিংস ভেঙে দেয়।

    ম্যাচের পুরো সময়টাই বাংলাদেশের দাপট ছিল। টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়া বাংলাদেশ প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৮৬ রানে দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডকে প্রতিরোধের সুযোগ দেয়। জবাবে টাইগাররা ৫৮৭/৮ ঘোষণা করে, যেখানে মাহমুদুল হাসানের ১৭১ এবং অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তের ১০০ রানের সেঞ্চুরি ছিল উল্লেখযোগ্য। এর জন্য ম্যাচসেরার পুরস্কার পান জয়। সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে ১৯ নভেম্বর, মিরপুরে।

  • কপিলমুনি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনীতে ধানের শীষ প্রার্থী বাপ্পী

    কপিলমুনি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনীতে ধানের শীষ প্রার্থী বাপ্পী

    খুলনা-৬ (কয়রা-পাইকগাছা) আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও জেলা বিএনপি’ারের ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী বলেছেন, খেলাধুলার চর্চা মূলত মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের অন্যতম পথ। তিনি বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে আমাদের তরুণ সমাজকে মাঠে ফিরিয়ে আনতে হবে, যা দ্বারা শরীরি ও মানসিকভাবে সুস্থ জাতি গঠন সম্ভব। শুক্রবার বিকেলে পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল অ্যান্ড কলেজের মাঠে অনুষ্ঠিত কপিলমুনি কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনি সিটি প্রেসক্লাবের আয়োজনে এ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন ক্লাবের সভাপতি মোঃ আমজাদ হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ডাঃ আব্দুল মজিদ, জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, জেলা বিএনপি’র সদস্য শাহাদাৎ হোসেন ডাবলু, ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক আবুল বাসার, জেলা বিএনপি’র সদস্য ওয়াহিদ হালিম ইমরান, পাইকগাছা পৌর বিএনপি’র সভাপতি আসলাম পারভেজ এবং যুক্তরাজ্য বিএনপি’র সহ-সভাপতি এম ডি বায়েজিত হোসেন বাচ্চু।

  • বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে নারীর কাবাডি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

    বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে নারীর কাবাডি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা

    জাতীয় খেলা কাবাডি। বাংলাদেশ এবার আয়োজন করছে নারী কাবাডি বিশ্বকাপ। এই আসরটি হবে আগামী সোমবার মিরপুরের শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে, যা বাংলাদেশের কাবাডি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। আজ শনিবার এক আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন তাদের দল ও প্রস্তুতি সব কিছু ঘোষণা করে।

    দলের ঘোষণা সময় অধিনায়ক, কোচ কেউ উপস্থিত ছিলেন না, ফলে মিডিয়া সরাসরি তাদের প্রস্তুতি ও লক্ষ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারেনি। তবে ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এসএম নেওয়াজ সোহাগ জানান, ‘কাবাডি দলের জন্য খেলোয়াড়রা বিকেএসপিতে অনুশীলন করছে, এজন্য কেউ সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারেনি।’

    নির্মীত আয়োজনের অংশ হিসেবে আগামীকাল রবিবার টুর্নামেন্টের ট্রফি উন্মোচন হবে। এই উৎসবমুখর অনুষ্ঠানটি বেশ ভিন্ন বা দারুণ আড়ম্বরপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন সাধারণ সম্পাদক। তিনি বললেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে যমুনা নদীর পাড়ে বিকেলে ১১ দলের অধিনায়করা উপস্থিত থেকে ট্রফি উন্মোচন করবেন। এটি বাংলাদেশের প্রথম নারী কাবাডি বিশ্বকাপ, যা স্মরণীয় ও ঐতিহাসিক করে রাখতে আমরা এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।’

    অ্যাকর্ষণীয় বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল আর্জেন্টিনার দর্শকদের আগমনের প্রত্যাশা, যা করোনা পরিস্থিতির কারণে বাস্তবে ঘটতে পারেনি। প্রকৃতপক্ষে, আয়োজকরা জানিয়েছে, ১৪ দেশের অংশগ্রহণের কথা ছিল, তবে তার মধ্যে জাপান, কোরিয়া, নেদারল্যান্ডস ও আর্জেন্টিনা আর আসছে না। পরিবর্তে, স্ট্যান্ডবাই হিসেবে পাকিস্তান ও পোল্যান্ড থাকবে; পাকিস্তান আসবে না, তবে পোল্যান্ড টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করবে। বাংলাদেশ সব ধরনের সুবিধা প্রদান করবে, যাতে অংশগ্রহণকারীরা স্বাচ্ছন্দ্যে আসতে পারেন।

    বাংলাদেশ দীর্ঘ বছর ধরে আন্তর্জাতিক কাবাডি প্রতিযোগিতা আয়োজন করে আসছে এবং এই খেলায় বেশ সাফল্য অর্জন করেছে। এর পাশাপাশি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কিছু সমালোচনা রয়েছে, বিশেষ করে আম্পায়ারিং নিয়ে। সাধারণ সম্পাদক জানান, ‘আমাদের দলের ১২ জন আন্তর্জাতিক আম্পায়ারসহ কিছু দেশি আম্পায়ার থাকবেন, ভারতের আম্পায়ারিং মানের অনুকূল থাকছে।’

    বাংলাদেশের কাবাডির বিশ্ব র‌্যাংকিং এখন পাঁচে, এবং সেমিফাইনালে উঠলেই ব্রোঞ্জ পদক পাওয়া যায়। তাই, এবার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পদকের জন্য প্রত্যাশা অনেক উচ্চ। সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আগামীকাল গ্রুপিং অনুষ্ঠানে আমাদের প্রস্তুতি ভালো। আমি মনে করি, ইরানে এশিয়ান নারী কাবাডিতে অর্জিত পদক আমাদের আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়েছে। বিশ্বকাপে আমাদের প্রতিযোগিতা সফল হবে বলে আশাবাদী।’

    তাই এই গুরুত্বপূর্ণ আসরে বাংলাদেশের দল হলো: শ্রাবণী মল্লিক, বৃষ্টি বিশ্বাস, রুপালী আক্তার, স্মৃতি আক্তার, রেখা আক্তারী, মেবি চাকমা, রুপালী আক্তার (জুনিয়র), আঞ্জুয়ারা রাত্রি, সুচরিতা চাকমা, খাদিজা খাতুন, লোবা আক্তার, ইয়াসমিন খানম, ইসরাত জাহান ও তাহরিম।

    দলের কোচ হিসেবে থাকছেন শাহনাজ পারভীন মালেকা ও আরদুজ্জামান। এই দল ও কোচিং স্টাফের উদ্দেশ্য হলো, এই আন্তর্জাতিক আসরে বাংলাদেশের কাবাডি দলের পারফরম্যান্স উচ্চ মানের, এবং তারা পদকের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করেছে।

  • সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জিতে গেলো হারিয়েও নজরকাড়া পারফরম্যান্স

    সোহানের দ্রুততম সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ জিতে গেলো হারিয়েও নজরকাড়া পারফরম্যান্স

    লিস্ট এ ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ডটি আগে থেকেই ছিল হাবিবুর রহমান সোহানের নামে। এবার টি-টোয়েন্টি সংস্করণেও তিনি দেশের ব্যাটারদের মধ্যে সবচেয়ে কম বলে তিন অঙ্কের মাইলফলক স্পর্শ করার কীর্তি নতুন করে গড়লেন।

    কাতারে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারস টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের এ দল হংকং ও চায়নার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে দুর্দান্তPerformance দেখিয়েছেন সোহান। মাত্র ১৪ বলেই ফিফটি পৌঁছান তিনি এবং এরপর ৩৫ বলে ঝড় তুলেন, যার ফলে তিন অঙ্কের সংখ্যা হাতের কাছেই আসে। এটি বাংলাদেশি ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম ফিফটি ও সেঞ্চুরির রেকর্ড বলে স্বীকৃত।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর) দোহার ওয়েস্ট ইন্ড পার্ক আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হংকংয়ের বিরুদ্ধে সোহানের বিধ্বংসী সেঞ্চুরিতে বাংলাদেশ এ দল বড় ব্যবধানে, ৮ উইকেটের জয়ে যান। লক্ষ্য ছিল ১৬৮ রান, যা সোহানের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ৫৪ বলের মধ্যেই পূরণ হয়।

    এতে বাংলাদেশের ব্যাটিং ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। আগে এই রেকর্ড ছিল পারভেজ হোসেন ইমনের, যিনি ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু টি-টোয়েন্টি কাপের ফাইনালে ফরচুন বরিশালের হয়ে ৪২ বলে সেঞ্চুরি করেছিলেন। এখন, প্রায় ছয় বছর পর, সেটি ভেঙে দিয়েছেন সোহান।

    তবে, বিশ্ব রেকর্ডের কাছাকাছি এখনও তিনি যাচ্ছেন না। সবচেয়ে দ্রুততম টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরির রেকর্ড আছে ইস্টোনিয়ার সাহিল চৌহানের নামে, যিনি মাত্র ২৭ বলে সেঞ্চুরি করেন। এছাড়া, সেটার আগে বাংলাদেশের ব্যাটারদের মধ্যে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল ৪৯ বলে, যা সোহানোর মধ্যে ছিল।

    সোহান রান তাড়ার জন্য মাত্র ৩৫ বলে ৮ চার ও ১০ ছক্কা হাঁকিয়ে অপরাজিত থাকেন। তার পাশাপাশি, অধিনায়ক আকবর আলি বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন—মাত্র ১৩ বলে ৬ ছক্কায় অপরাজিত ৪১ রান। আরেক ওপেনার জিসান আলম ১৪ বলে ২০ রান করেন।

    এই ইনিংসে বাংলাদেশিরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ছয় হাঁকানোর রেকর্ড ছুঁয়েছেন, যেখানে তামিম ইকবাল ও নাজমুল হোসেন শান্তর নামে ছিল ১১টি ছয়। এছাড়া, জিসান আলমের ১০ ছক্কার রেকর্ডও চোখে পড়ে এবার।

    অতীতে, হংকংয়ের স্কোর ছিল ১৬৭ রান, বাবর হায়াতের ৬৩ এবং ইয়াসিম মোর্তুজার ৪০ রানে ভর করে ৮ উইকেট হারিয়ে। তবে সোহানের এই রাজা পারফরম্যান্স দেখে বোলিংয়ের আচরণে যে পরিবর্তন এসেছে, তা স্পষ্ট।

    এশিয়া কাপ রাইজিং স্টারে বাংলাদেশের গ্রুপে রয়েছে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কা। আগামী ১৭ নভেম্বর আফগানিস্তান ও ১৯ নভেম্বর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে মাঠে নামবে টাইগাররা। দুটিরও ম্যাচ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়।

  • আসিফের মন্তব্যে বিসিবি সভাপতির দুঃখ প্রকাশ ও বাফুফের প্রতিক্রিয়া

    আসিফের মন্তব্যে বিসিবি সভাপতির দুঃখ প্রকাশ ও বাফুফের প্রতিক্রিয়া

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ও জনপ্রিয় সংগীত শিল্পী আসিফ আকবরের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক শুরু হয়েছে। একান্তই ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশের এই ঘটনায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-এর সভাপতি তাবিথ আউয়াল বিসিবির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্যাখ্যা চেয়ে একটি চিঠি পাঠান।

    শনিবার (১৫ নভেম্বর) সেই চিঠির মাধ্যমে বিসিবি তাদের অবস্থান জানিয়েছে। বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে জানা যায়, বিসিবির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের স্বাক্ষরিত উত্তরটিতে উল্লেখ করা হয়, আসিফ আকবর মূলত জেলা প্রতিনিধিত্বকারী কাউন্সিলর হিসেবে এই মন্তব্য করেছেন, তিনি বোর্ডের পরিচালক হিসেবে নয়।

    বিসিবি বলছে, আসিফের এই মন্তব্যটি তাদের বোর্ডের দলিল বা মতামত নয়, বরং তার ব্যক্তিগত অভিমত। আরো জানা গেছে, আসিফের এই বক্তব্যটি তার নিজের জেলার ক্রিকেট কার্যক্রম ও মাঠ ব্যবহারের ওপর দীর্ঘদিনের হতাশা থেকেই উঠে এসেছে।

    বিসিবি সভাপতি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই মন্তব্যটি আসিফের নিজস্ব মতামত, যা কখনোই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের official অবস্থান নয়। তিনি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছেন, যদি এই মন্তব্যের কারণে ফুটবল পরিবারের মধ্যে কোনও বিভ্রান্তি বা মনোক্ষুণ্ণতা সৃষ্টি হয়ে থাকে।

    তবে, আভ্যন্তরীণ অখণ্ডতা রক্ষার জন্য, আসিফের এই মন্তব্যের ব্যাপারে ক্ষোভও রয়ে গেছে। আজ সন্ধ্যায় সাবেক ফুটবলারদের সংগঠন ‘সোনালী অতীত ক্লাব’ এ এই বিষয় নিয়ে এক জরুরি সভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে আসিফের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    চিঠির শেষাংশে বিসিবি সভাপতি দেশের ক্রীড়াঙ্গনে ফুটবলের অবদান স্বীকার করেছেন এবং ফুটবলসহ সব খেলাধুলার জন্য তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, খেলাধুলা প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বরং সম্মিলিত ঐক্যের প্রতীক। তাই সব ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য তারা অঙ্গীকারবদ্ধ।

    উল্লেখ্য, ৯ নভেম্বর বাংলাদেশ ক্রিকেট কনফারেন্সে আসিফ আকবর মন্তব্য করেছিলেন যে, ফুটবলের আধিপত্যের কারণে দেশের স্টেডিয়ামগুলোতে ক্রিকেটের পরিবেশ কমে আসছে। তিনি আরো অভিযোগ করেন, কিছু ফুটবলার উইকেট ভেঙে দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন এবং ক্রিকেটকে ‘আভিজাত্যের খেলা’ হিসেবে তুলে ধরে মাঠের অধিকারের জন্য মারামারির কথাও ভাবছেন। এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করে, যেখানে সাবেক ফুটবলার ও সাধারণ ফুটবলপ্রেমীরা আওয়াজ উঠান।