Category: খেলাধুলা

  • সেঞ্চুরি করে লিটন দাসের বিশেষ দিন

    সেঞ্চুরি করে লিটন দাসের বিশেষ দিন

    দেশের ক্রিকেট প্রেমীদের মধ্যে বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টের উৎসব। তবে এই ম্যাচের আরও এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছেন লিটন দাস, যিনি এই ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে তুলেছেন নিজের প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০০তম ম্যাচে দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি করে। বৃহস্পতিবার চলাকালীন, যখন মুশফিকুর রহিমের আউট হওয়ার পরপরই লিটন তার ব্যাট থেকে ঢেউ তুলে ১৫৮ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দিনের শুরুতে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রান সংগ্রহ করে মাঠে নামে। প্রথম ওভারে সতর্কভাবে খেলছিলেন ক্রিকেটাররা, তবে পরবর্তী ওভারেই মুশফিক পূর্ণ করেন তাঁর ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরি। তিনি ১৯৫ বলে ১০৬ রান করেন, যদিও এরপর ইনিংস বড় করতে পারেননি; ২১৪ বলে ১০৬ রান করে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে যান। মুশফিকের বিদায়ের পর লিটনের সাথে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজন মিলিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে থাকেন, এবং এই জুটি বাংলাদেশের ইনিংসকে এগিয়ে নিয়ে যান।

  • দুই ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি ও ব্যাটিং ইতিহাসে বাংলাদেশ

    দুই ইনিংসে জোড়া সেঞ্চুরি ও ব্যাটিং ইতিহাসে বাংলাদেশ

    মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ব্যক্তিগত ভাবে অসাধারণ রেকর্ড গড়েছেন এবং একই সঙ্গে এই দুই ব্যাটার তাদের জুটিতে ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে গর্বিত করেছেন। দুজনের জোড়া সেঞ্চুরিতে ভরা এই ইনিংসে যথাক্রমে ১০৬ ও ১২৮ রান করেন তারা, যার ফলে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ৪৭৬ রান। অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের জন্য টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ৫ উইকেট নেওয়ার কীর্তি দেখিয়েছেন স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন।

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় দিনের শুরুতে বাংলাদেশ প্রথম দিন শেষে ৪ উইকেটে ২৯২ রান করেছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) সকালের দিকে মুশফিকুর রহিম ধীরে ধীরে সেঞ্চুরি সম্পন্ন করেন। তিনি বিশ্বের মাত্র ১১তম ব্যাটার হিসেবে এক ইনিংসের মধ্যে টেস্ট ম্যাচে ত্রিশতমবার শত রান مکمل করেন। তার ১০৬ রান করে ফিরে যাওয়ার পরে, লিটন দাসও তাঁর পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি তুলে নেন, যা পুরো ১২৮ রানে থামেন। এর পাশাপাশি, মুমিনুল হক ৬৩ রান এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৪৭ রান করেন।

    বাংলাদেশ ইতিহাসে তৃতীয়বারের মতো সম্ভব হলো একটি ইনিংসের মধ্যে একই উইকেটে ১০০’র বেশি রান করে প্রেসিডেন্টের মতো দ্বিতীয় ও তৃতীয় জুটি গড়ার কীর্তি। এর আগে কেবল ভারত (১৯৭৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে) এবং পাকিস্তান (২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে) এই রকম নজির স্থাপন করেছিল। আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের এই জুটিগুলি ছিল: মুশফিক-মুমিনুলের চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১০৭, মুশফিক-লিটনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১০৮ এবং লিটন-মিরাজের ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১২৩ রান।

    মুশফিক-লিটন এই ম্যাচে বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সপ্তমবারের মতো একশ’র বেশি রান সমন্বিত জুটি গড়লেন। এই জুটি মূলত গড়ে ওঠে প্রথম দিনের খেলার সময়। দলীয় ১৮ রান যোগ হতে না হতেই, ম্যাথু হামপ্রিসের ক্যাচে ধরা পড়েন মুশফিক। তার ১০৬ রানের ইনিংসটি ২১৪ বলে সাজানো, যেখানে তিনি ৫টি চারের সাহায্যে মোট রান করেন। এই ইনিংস তাঁর বাংলাদেশের হয়ে (মুশফিক ও মুমিনুলের যৌথভাবে) মোট ১৩তম সেঞ্চুরি। এরপর লিটন-মিরাজের জুটি গড়ে ওঠে, তবে পার্টনারশিপটি বেশ লম্বা চলতে পারেনি। গ্যাভিন হোয়ের বলে ক্যাচ দিয়ে আউট হন মিরাজ।

    লিটন রান তাড়ার জন্য চেষ্টা করেছিলেন, তবে হাম্প্রিসের বলে সুইপ করতে গিয়ে স্লিপে ক্যাচ দেন। তিনি ১৯২ বলে ৮ চার ও ৪ ছক্কায় ১২৮ রান করেন। শেষদিকে, অপরাজিত থাকেন এবাদত হোসেন, ৩ চার ও ১ ছক্কায় ১৮ রান করে। বাংলাদেশ শেষে অলআউট হয় ৪৭৬ রানে।

    আইরিশ স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন সর্বোচ্চ ৬ উইকেট শিকার করেন, তার পাশাপাশি ম্যাথু হাম্প্রিস ও গ্যাভিন হোয়ে ২টি করে উইকেট নেন। এই ম্যাচের নিঃসন্দেহে অন্যতম বড় সময় হয়ে উঠেছিল বাংলাদেশের জুটি-বাজির জন্য।

  • শোয়েব আখতার আসছেন বিপিএলে নতুন ভূমিকায়

    শোয়েব আখতার আসছেন বিপিএলে নতুন ভূমিকায়

    এবারের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)আরও রঙিন হতে যাচ্ছে শোয়েব আখতারকে নিয়ে। পাকিস্তানের এ কিংবদন্তি দ্রুতগতির পেসারকে দেখা যাবে ঢাকা ক্যাপিটালসের মেন্টর হিসেবে, যা শোনা গেছে সম্প্রতি একটি 공식 বিবৃতিতে।শোয়েব আখতার সম্প্রতি যখন ক্রিকেটের সব ধরনের কর্মসূচি থেকে অবসরে গিয়েছেন, তখনই বিপিএলে তার প্রথমবারের মত যুক্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত হলো। আগে কখনো বিপিএলে কোচ বা মেন্টর হিসেবে দেখা যায়নি তাকে, তাই এই নতুন অভিজ্ঞতা তার জন্য খুবই বিশেষ।এদিকে, আসন্ন বিপিএলকে সামনে রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ইতোমধ্যেই দল সাজাতে শুরু করেছে। ঢাকাও পিছিয়ে নেই, তারা ইতোমধ্যেই অ্যালেক্স হেলসকে দলে ভিড়িয়েছে। গতবার রংপুর রাইডার্সের হয়ে ৬ ম্যাচে এক সেঞ্চুরির মাধ্যমে ২১৮ রান করেছিলেন হেলস। এই আসরে তার উপস্থিতি পুরো মৌসুমে থাকবে কি না সেটাই এখন প্রশ্ন।এই পর্যন্ত জানা গেছে, হেলস আগামী ২ ডিসেম্বর শুরু হতে যাওয়া আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি লিগে আবুধাবি নাইট রাইডার্সের হয়ে খেলবেন। টুর্নামেন্টের ফাইনাল হবে ৪ জানুয়ারি, তবে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলো হবে ২৮ ডিসেম্বর।প্রাক্কলন অনুযায়ী, এবারের বিপিএলের সূচি ছিল ১৯ ডিসেম্বর, তবে শেষ মুহূর্তে তা পেছানো হতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, এবার এটি ২৫ বা ২৬ ডিসেম্বর শুরু হতে পারে। যদি আবুধাবি নাইট রাইডার্স সেরা চারতে না থাকেন, তবে প্রথম কিছু ম্যাচে হেলস ঢাকার জন্য পাওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, তারা যদি সেরা চারে থাকেন, তবে প্রথম কয়েকটি ম্যাচ তাকে মিস করতে হতে পারে।নিষিদ্ধ অনুপস্থিতির কারণে পুরো টুর্নামেন্টে শুধুমাত্র বিপিএলের বাকি ম্যাচগুলোতে দেখা যাবে তাকে। এজন্য, ঢাকা দলের অন্য বিদেশি খেলোয়াড় হিসেবে দেখা যেতে পারে উসমান খানকে, যিনি গতবার চিটাগং কিংসের হয়ে খেলেছিলেন।শুধু বিদেশি খেলোয়াড় নয়, ঢাকা দলে আরও দুটি দেশীয় ক্রিকেটারকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। সরাসরি চুক্তিতেই দুইজন ক্রিকেটার সংগ্রহ করেছে তারা—ব্যাটার সাইফ হাসান এবং পেসার তাসকিন আহমেদ।এতে করে তারা দলের শক্তি বাড়ানোর পাশাপাশি তরুণ ও অভিজ্ঞদের সমন্বয় করতে পারছে, যা এই আসরের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • ১৪৮ বছরের টেস্ট ইতিহাসে বিরল রেকর্ডে নাম লেখাল বাংলাদেশ

    ১৪৮ বছরের টেস্ট ইতিহাসে বিরল রেকর্ডে নাম লেখাল বাংলাদেশ

    মিরপুরের মাটিতে প্রথম ইনিংস শেষ হলো বাংলাদেশের জন্য স্মরণীয় ৪৭৬ রানে। গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস, যারা জোড়া শতক হাঁকালেন। প্রথম তিন উইকেট মাত্র ৯৫ রানে হারানোর পর, ধারাবাহিক এবং অসাধারণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের এই বিশাল সংগ্রহে অনন্য এক রেকর্ডের জন্ম হলো।

    বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয় হলো, বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসে চতুর্থ, পঞ্চম ও ষষ্ঠ উইকেটে শতরানের জুটি তৈরি করার বিরল কীর্তি অর্জিত হয়েছে। টেস্ট ক্রিকেটের ১৪৮ বছরের ইতিহাসে মাত্র দুটি বার এই রেকর্ডের দেখা মিলেছে, যথাক্রমে ১৯৭৯ সালে ভারত এবং ২০২৩ সালে পাকিস্তান।

    এ দিনটি ব্যক্তিগতভাবে ছিল দরকারী। মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টে অসাধারণ শতক, যা তাঁকে ইতিহাসের ১১তম খেলোয়াড় বানিয়েছে নিজের শততম টেস্টে শতক করে। অন্যদিকে, লিটন দাসও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম শততম ম্যাচে শতক করে নিজের ফর্মের পরিচয় দিলেন।

    এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আয়ারল্যান্ড ব্যাট করছে ৯১ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে। বাংলাদেশ এই বড় সংগ্রহের ফলে এখনও ৩৮৫ রানে পিছিয়ে রয়েছে।

  • দ্বিতীয় দিনের শেষে ঢাকায় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ

    দ্বিতীয় দিনের শেষে ঢাকায় টেস্টের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ

    ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে সম্পূর্ণভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বৃহস্পতিবার মিরপুরের শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডকে ৯৮–৫ এ ব্যর্থ করে দিয়ে বাংলাদেশের স্কোর ৩৭৮ রান দিয়ে দিন শেষ করেছে স্বাগতিকরা।

    খেলা শুরুর আগে বাংলাদেশের পেসার খালেদ আহমেদ প্রথম আঘাতে পল স্টার্লিংকে ফিরিয়ে দেন, যিনি ২৭ রান করেছিলেন। এরপর স্পিনাররা মাঠে নিজেদের প্রধান ভুমিকা পালন করেন। দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে নামা বাঁহাতি স্পিনার হাসান মুরাদ ১০ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট নেন। এদিকে, তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজ প্রত্যেকটি একটি করে উইকেট তুলে নেন। আয়ারল্যান্ডের জন্য এখন কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তিন দিন বাকি থাকতেই তাদের ইনিংস হার এড়ানোর চ্যালেঞ্জ। লরকান টাকার (১১*) ও স্টিফেন ডোহেনি (২*) তৃতীয় দিন খেলতে নেমে পরিস্থিতির অবনতি না হলে বড় হার তাদের জন্য অবশ্যম্ভাবি।

    দ্বিতীয় দিনের খেলার সূচনায় নিজের শততম টেস্টে ১৩তম সেঞ্চুরি অর্জন করেন বাংলাদেশি ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম। গতির দিন তার ৯৯ রানে অপরাজিত থাকার পর, শেষ পর্যন্ত তিনি আউট হন ১০৭ রানে। এই সময় লিটন দাস দুর্দান্ত ১২৮ রান করে থাকেন। মিলিয়ে বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা দ্বিতীয় সেশনের আগেই ৪৭৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করেন। আয়ারল্যান্ডের অফস্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন ক্যারিয়ার সেরা ৬ উইকেট নেন, তিনি ১০৯ রান দেন। তৃতীয় সেশনে, ২০ ওভারে আট উইকেট তুলে নিয়ে আয়ারল্যান্ডের দুই ওপেনারকেও প্রত্যাহার করা হয়।

    প্রথম দিনেই ডেভিড বালবার্নির আউটের মাধ্যমে বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি ভেঙে যায়, যেখানে ৪১ রান সংগ্রহ করছিলেন। এরপর, স্কিপার অ্যান্ড্রু বালবার্নিকে স্লিপে ধরা পড়ে ফিরতে হলেও, তিনি ২১ বলের মধ্যে ২১ রান করেন। বাংলাদেশ দলের জন্য এই ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে গেছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম, যাদের দুটি বলিষ্ঠ সেঞ্চুরি ছিল। এছাড়া, মোমিনুল হক কিছুটা সামলে খেলেন হাফসেঞ্চুরি করে, এবং মিরাজ ৪৭ রান যোগ করেন।

    খেলায় একটি বড় মোড় আসে দ্বিতীয় সেশনে। ৩৮৭–৫ থেকে খেলা শুরু করে, লিটন আর মিরাজের জুটি ১২৩ রান যোগ করেন। কিন্তু মিরাজ ৪৭ রান করে গ্যাভিন হোইয়ের বলের বলে আউট হলে জুটি ভেঙে যায়। এরপর, উচ্চমানের বোলিং করেন ম্যাথিউ হামফ্রিস, যিনি একাই ৫০ ওভার गेंदবল করেন। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তিনি ৬ উইকেট তুলে নেন।

    অবশ্য, টেলএন্ডাররাও কিছু রান যোগ করে থাকেন। এবাদতের ১৮ রানের ঝড়ো ইনিংস ছিল বিশেষ আকর্ষণীয়। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১৪১.১ ওভারে অলআউট হয়, এবং ম্যাকব্রাইন শেষ করেন ৬ উইকেট নিয়ে ইনিংস, এটি তার ব্যক্তিগত সেরা।

    দুপুরের পর লিটন ও মিরাজের আউট হলেও বাংলাদেশের অবস্থান ছিল শক্তিশালী। লিটন দাস দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে চারটি ছক্কা ও আটটি চারের সাহায্যে ১২৮ রান করেন। তার এই ইনিংসের মধ্যে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ জুটি গড়ে তোলেন। তবে শেষ পর্যন্ত, হাম্পফ্রিসের ফুল লেংথের বল খেলে স্লিপে স্টার্লিংয়ের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। এর আগে, মিরাজ ৪৭ রানে আউট হয়ে যান। সিরিজের প্রথম টেস্টে সিলেটে বাংলাদেশ ইনিংস ও ৪৭ রানে জিতেছিল। এখানেও বাংলাদেশ জোড়ালোভাবে এগিয়ে থাকায়, ধারাবাহিকতায় কৃতিত্ব নিজের করে নিচ্ছে যোগ্যতার সাথে।

  • শততম টেস্টে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় মুশফিক, বাংলাদেশের দাপুটে দিন

    শততম টেস্টে সেঞ্চুরির অপেক্ষায় মুশফিক, বাংলাদেশের দাপুটে দিন

    মিরপুর টেস্টে খেলতে নেমেই দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম। তিনি প্রথম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে অংশ নিচ্ছেন। এই ঐতিহাসিক ম্যাচে ব্যাট হাতে এক অসাধারণ ইনিংসের পথে রয়েছেন ড্যাশিং এই উইকেটকিপার-ব্যাটার। প্রথম ইনিংসে তিনি অপরাজিত থাকেন ৯৯ রানে, আরসঙ্গে রয়েছেন লিটন দাসের ৪৭ রান, এই দুজনের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ওপর ভর করে বাংলাদেশ বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    প্রথম দিনের খেলার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৯২ রান। মুশফিক অপরাজিত ৯৯ রানে থাকায় তার শতকের রেকর্ডের আরও কাছে পৌঁছেছেন। অন্যদিকে, ব্যাট করতে নেমে প্রথম ইনিংসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন ওপেনাররা। সাদমান ইসলাম ৩৫ রান করে উইকেটের পিছনে লেগ বিফোরের শিকার হয়েছেন, যেখানে প্রথমে আম্পায়ার আউট না দিলেও রিভিউয়ের মাধ্যমে আউটের সিদ্ধান্ত পান তিনি। এরপর, জয় ব্যক্তিগত ৩৪ রান করে মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন, তবে প্রথম দিনেই বেশ কিছু চমৎকার মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন।

    শান্তও মিড-অফে ক্যাচ দিয়ে ফিরলে বাংলাদেশের শুরুটা কিছুটা খারাপ হয়, কিন্তু পরে মুশফিক আর মুমিনুলের দৃঢ় পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দলটি সুসংগঠিত হয়। তারা মিলিতভাবে ১০৭ রানের জুটি গড়ে বাংলাদেশের পরিস্থিতি সুদৃঢ় করেন। দিনশেষে, মুশফিকের সেঞ্চুরি থেকে মাত্র এক রানের দূরত্বে আছেন, আর লিটন দাসের হাফসেঞ্চুরির জন্য প্রয়োজন মাত্র তিন রান। এই অসাধারণ দিনটি বাংলাদেশের জন্য ছিল দারুণ শুভ ইঙ্গিত, যেখানে তারা বড় স্কোরের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

  • বাংলাদেশের ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়েঃ ৩ ধাপ এগোলো, ভারত পিছিয়ে গেল

    বাংলাদেশের ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়েঃ ৩ ধাপ এগোলো, ভারত পিছিয়ে গেল

    এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচে শেখ মোরসালিনের একমাত্র গোলের সুবাদে ২২ বছর পর ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে লাল-সবুজ গোষ্ঠী। এই ঐতিহাসিক জয়ের ফলে বাংলাদেশ ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে তিন ধাপ উন্নতি করেছে এবং এখন ১৮০ নম্বর অবস্থানে রয়েছে, যেখানে আগের র‌্যাঙ্কিং ছিল ১৮৩। এই আপডেটের পর, বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিং পয়েন্ট আরও ১৭.১৩ বাড়ে, এর ফলে এখন তাদের মোট রেটিং পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ৯১১.১৯, যেখানে আগের ছিল ৮৯৪.০৬। অন্যদিকে, বাংলাদেশের এই জয়ে ভারতের অবস্থান পিছিয়ে গেছে। তারা এক ধাপ নিম্নগামী হয়ে ১৩৬ থেকে ১৪২ নম্বরে চলে গেছে। নেপালের অবস্থানও দুই ধাপ নিচে নেমে হয়েছে ১৮২। অপর দিকে, বিশ্বের শীর্ষ দল স্পেন বছর শেষ করবে শীর্ষে থাকাকেই অব্যাহত রেখে। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে আর্জেন্টিনা, তৃতীয় স্থানে ফ্রান্স এবং চতুর্থ অবস্থানে ইংল্যান্ড। র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দশের কোথাও কোথাও পরিবর্তন এসেছে। মরক্কোকে পেছনে ফেলে ক্রোয়েশিয়া এখন দশম স্থানে রয়েছে। ব্রাজিল দুই ধাপে এগিয়ে পাঁচে উঠেছে, যা তারা পেছনে ফেলেছে পর্তুগাল (৬) এবং নেদারল্যান্ডস (৭)। বেলজিয়াম এখন ৮ নম্বর এবং জার্মানি ৯-এ অবস্থান করছে।

  • শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের পাতায় মুশফিক

    শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করে ইতিহাসের পাতায় মুশফিক

    মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে বাংলাদেশের ক্রিকেট ইতিহাসে নতুন পালক যোগ করেছেন মুশফিকুর রহিম। এ ম্যাচে দেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে ১০০তম টেস্টের মাইলফলক স্পর্শ করে তিনি শতক হাঁকিয়েছেন, যা তাকে বিশ্বের ১২তম ব্যাটসম্যান হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করার গৌরবও এনে দিয়েছে। ৩৭ বছর বয়সী এই ডানহাতি ব্যাটসম্যানের এই অর্জন ছিল এক অসাধারণ কীর্তি।

    শততম টেস্টের দিন মাঠে ছিল এক অনন্য উত্তেজনা। মিরপুরের ক্রিকেটের দেবস্থানে শুরু থেকেই স্পৃহা ছিল ভিন্ন এক রকম। দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা প্রতিটি মুহূর্তে মুশফিকের জন্য অপেক্ষা করে থাকছিলেন। প্রথম দিন শেষে তিনি ৯৯ রানে অপরাজিত থাকলে, সবাই আশা করছিলেন তার শতক দ্রুতই আসবে। রাতভর উদ্বেগের মধ্যে, দ্বিতীয় দিন ব্যাট হাতে মাঠে নামেন তিনি, লিটন দাসকে সঙ্গে নিয়ে। প্রথম ওভার খেলেও লক্ষ্য অর্জন করতে পারেননি, তবে দ্বিতীয় ওভারের তৃতীয় বলে এক রান করে নিজের শতক পূর্ণ করেন, যা বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য এক স্মরণীয় মুহূর্ত। এই সেঞ্চুরি শুধু তার জন্য নয়, দেশের ক্রিকেটভক্তদের জন্য এক বিস্ময়কর উদযাপন।

    সেঞ্চুরির পর মুশফিকের উচ্ছ্বাস ও আবেগের একটু প্রকাশ দেখা যায়, সাথে উপস্থিত অনেক ক্রিকেট প্রেমীও তার আনন্দে ভাসে। এ দিনকে স্মরণীয় করে রাখতে মিরপুরে বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হয়। মুশফিককে দেয়া হয় বিশেষ টেস্ট ক্যাপ এবং ক্রেস্ট। তার প্রথম টেস্টের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন এবং দেশের অন্যতম টেস্ট ক্যাপধারী আকরাম খান উপস্থিত থেকে তাদের সম্মাননা সনদ ও ক্রেস্ট প্রদান করেন। আরও এক বছর আগের প্রথম টেস্টের অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন ও শততম টেস্টের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত মিলে উপহার দেন বিশেষ টেস্ট জার্সি।

    খেলাপ্রারম্ভে টস জিতে ব্যাটিং নেয় বাংলাদেশ। ওপেনাররা ভালো খেলে শুরু করলেও সাদমান ইসলাম ৩৫ রানে এলবিডব্লিউ হয়ে যান, আর মাহমুদুল হাসান জয়ও ৩৪ রানে আউট হন। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত বড় রান করতে না পারলেও, প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারিয়ে লাঞ্চে যায় বাংলাদেশ। লাঞ্চের পর মুমিনুল হক দলের জন্য জীবন পান এবং মুশফিকের সাথে মাঝারি ধীরগতিতে এগিয়ে যেতে থাকেন। ধীরে ধীরে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন, এরপর মুমিনুল আউট হওয়ার পর লিটন দাসের সঙ্গে জুটি বেঁধে দলের রান সংগ্রহ আরও বাড়াতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রান করে, যেখানে মুশফিক ৯৯ রানে ও লিটন দাস ৪৭ রানে অপরাজিত ছিলেন।

    শততম টেস্টে সেঞ্চুরির জন্য অপেক্ষা ছিল পুরো ক্রিকেট বিশ্বের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ। এবং দ্বিতীয় দিন সেই অপেক্ষার অবসান ঘটে, যখন মুশফিক তার শততম রান করে ইতিহাসের পাতায় নিজের নাম লিখিয়েছেন। এই দিনটি ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট ইতিহাসে এক স্মরণীয় ঘটনা, যেখানে একজন ক্রিকেটার তার ব্যক্তিগত সাফল্যও দেশের সম্মানকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।

  • জোড়া সেঞ্চুরিতে রান পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ অলআউট হলো

    জোড়া সেঞ্চুরিতে রান পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ অলআউট হলো

    মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ব্যক্তিগতভাবে দুর্দান্ত রেকর্ড গড়েছেন এবং একই সাথে বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন এক নজির স্থাপিত হয়েছে। দুজনের জোড়া সেঞ্চুরির সুবাদে মিরপুর টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ৪৭৬ রান। অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের জন্য এই টেস্টে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন স্পিনার অ্যান্ডি ম্যাকব্রাইন, যিনি টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার ফাইফার (৫ উইকেট) লাভ করেন।

    মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিন বাংলাদেশ ৪ উইকেটে ২৯২ রান করেছিল। আজ (বৃহস্পতিবার) দ্বিতীয় দিনের শুরুতে, আগের দিন ৯৯ রানে অপরাজিত থাকা মুশফিকুর রহিম ১০৬ রানের সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি বিশ্বের ১১তম ব্যাটার হিসেবে টেস্টে শততম ব্যক্তিগত সেঞ্চুরির স্বাক্ষরে নজর কাড়েন। তাঁর এই ১০৬ রানের ইনিংসটি ২১৪ বলে খেলে ৫টি চারের সাহায্যে সাজিয়েছেন।

    এরপর লিটন দাসও নিজের প্রথম ইনিংসে পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি করে ১২৮ রান করেন। এর সাথে বাংলাদেশের জন্য এটি হয়ে যায় তিনতথ্যইতিহাসে এক অনন্য কীর্তি, কারণ এটা মাত্র তৃতীয় দেশ হিসেবে টেস্টের এক ইনিংসে ৪র্থ, ৫ম ও ৬ষ্ঠ উইকেটে ধারাবাহিকভাবে ১০০ রানের জুটি গড়তে সক্ষম হয়েছে। এর আগে, কেবল ভারত (১৯৭৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে) এবং পাকিস্তান (২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে) এই রকম কৃতিত্ব দেখাতে সক্ষম হয়েছিল।

    অন্যদিকে, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের চতুর্থ উইকেট জুটিতে ১০৭, মুশফিক ও লিটনের পঞ্চম উইকেট জুটিতে ১০৮ এবং লিটন ও মিরাজের ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে ১২৩ রান যোগ হয়।

    মুশফিক-লিটনের এই জুটি বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সপ্তমবারের মতো একশ’র বেশি রান করার রেকর্ড গড়েছে। প্রতিপক্ষের সেই বিশেষ মুহূর্তটি তখন ঘটে যখন, দলীয় ১৮ রান যোগ করার সময়, ম্যাথু হামপ্রিসের ক্যাচে পাওয়ায় মুশফিকের ১০৬ রানের ইনিংস শেষ হয়। তিনি ৫টি চারে সাজিয়েছেন এই ইনিংসটি, যা খেলেছেন ২১৪ বল। মুশফিকের এই ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরির মধ্যে তিনি (মুমিনুলের সঙ্গে) যৌথভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সেঞ্চুরির রেকর্ড রাখেন।

    পরবর্তীতে, লিটনও খুব বেশিদিন টিকে থাকতে পারেননি। দ্রুত রান তোলার প্রচেষ্টায় তিনি হাম্প্রিসের বলে সুইপ করতে গিয়ে ক্যাচ দেন স্লিপে। তার ১২৮ রানের ইনিংসটি আসে ১৯২ বলের হয়ারে, যেখানে তিনি ৮ চার ও ৪ ছক্কা হাঁকিয়েছেন। শেষ দিকে ক্যামিও হিসেবে খেলেছেন এবাদত, যিনি ১৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয় ৪৭৬ রানে অলআউট।

    আয়ারল্যান্ডের জন্য এবার সর্বোচ্চ কারবার করেছেন অভিজ্ঞ স্পিনার ম্যাকব্রাইন, যিনি ৬ উইকেট শিকার করেছেন। তার পাশাপাশি ম্যাথু হাম্প্রিস ও গ্যাভিন হোয়ে প্রত্যেকেই ২টি করে উইকেট নিয়েছেন।

  • সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে রাঙালেন লিটন দাস, ম্যাচের স্মরণীয় মুহূর্ত

    সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে রাঙালেন লিটন দাস, ম্যাচের স্মরণীয় মুহূর্ত

    দেশের ক্রিকেট আলোচনায় এখন মুখরিত মুশফিকুর রহিমের শততম টেস্টের জন্য। তবে এই ম্যাচকে আরও বিশেষ করে তুলছেন দলের অন্য একজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার, লিটন দাস। এটি তার প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১০০তম ম্যাচ, এবং সেই বিশেষ দিনে তিনি তুলে নিলেন দুর্দান্ত এক সেঞ্চুরি।

    বৃহস্পতিবার, মুশফিকুর রহিম যখন আউট হওয়ার খুব কাছাকাছি ছিলেন, ঠিক তখনই লিটন তার নিজের ক্যারিয়ারের পঞ্চম টেস্ট সেঞ্চুরি সম্পন্ন করেন। তিনি ১৫৮ বলে ৭ চার এবং ২ ছক্কা হাঁকিয়ে দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন।

    দিনের শুরুতে বাংলাদেশ দল স্টাম্পের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ৪ উইকেটে ২৯২ রান। প্রথমে ধীরস্থির থাকলেও পরে দলের জন্য একের পর এক আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দেখিয়েছেন। মুশফিক, যিনি এই দিনটি ছিল তার ১৩তম টেস্ট সেঞ্চুরির দিন, ১৯৫ বলে ১০৬ রান করে আউট হন। তিনি ৫ চার মেরে দলের ইনিংস বড় করতে ব্যর্থ হন এবং ২১৪ বলে ১০৬ রান করে ফেরেন।

    মুশফিকের বিদায়ের পরে লিটনের সঙ্গে ব্যাটিংয়ে যোগ দেন মেহেদী হাসান মিরাজ। দুজনের যৌথ প্রচেষ্টায় দলকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য তারা কঠোর পরিশ্রম করে যান। এই দিনের ম্যাচে লিটনের সেঞ্চুরি এবং মুশফিকের শততম টেস্টের আলাদা অর্জন ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে গভীর ছাপ ফেলবে বলে আশা করা যাচ্ছে।