Category: আন্তর্জাতিক

  • চীনা ইউয়ানে লেনদেন হলে হরমুজ দিয়ে চলতে পারে কিছু তেলবাহী জাহাজ

    চীনা ইউয়ানে লেনদেন হলে হরমুজ দিয়ে চলতে পারে কিছু তেলবাহী জাহাজ

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইরান চীনা মুদ্রা ইউয়ানে তেল লেনদেন হলে সীমিত সংখ্যক তেলবাহী জাহাজকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিতে পারে। সংবাদটিতে দাবি করা হয় যে এটি তেহরানের বৃহত্তর কৌশলের অংশ।

    সিএনএন‑র প্রতিবেদনটি এমন একটি ইরানি কর্মকর্তার উদ্ধৃতি তুলে ধরেছে যিনি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ছিলেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এই দাবিকে স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর থেকে কৌশলগত এই জলপথে তেলবাহী জাহাজের চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখতে তেহরান একটি বিস্তৃত পরিকল্পনা প্রণয়ন করছে এবং ইউয়ানে লেনদেন দেওয়া হচ্ছে এমন তেল চালানের ক্ষেত্রে হরমুজ ট্রানজিট অনুমোদনের প্রস্তাব সেই পরিকল্পনারই অংশ।

    বিশ্ববাজারে অধিকাংশ তেল লেনদেন এখনও মার্কিন ডলারে হয়। তবে নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়া রাশিয়া সম্প্রতি তার অপরিশোধিত তেল বিক্রিতে রুবল কিংবা চীনা ইউয়েনে লেনদেন বাড়াচ্ছে, এবং এ ধারা অন্য দেশগুলোকেও প্রভাবিত করার সম্ভাবনা রয়েছে।

    একই সময়ে বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষিতে ইরান-সংক্রান্ত ঘটনাগুলো তেলের দাম বাড়িয়েছে। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৪২ শতাংশেরও বেশি বাড়ার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এবং মূল্য আরও বাড়ার শঙ্কা আছে।

    এই মুহূর্তে প্রকাশিত তথ্যগুলো অনানুষ্ঠানিক এবং আল জাজিরার মতো স্বাধীন সূত্রগুলো দাবি যাচাই করতে পারেনি, তাই পরিপূর্ণভাবে নিশ্চিত ব্যাখ্যা বা ফলাফল জানতে সময় লাগবে।

  • দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১২ চিকিৎসাকর্মী নিহত

    দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ১২ চিকিৎসাকর্মী নিহত

    দক্ষিণ লেবাননে একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে ১২ জন চিকিৎসাকর্মী নিহত হয়েছেন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের মধ্যে চিকিৎসক, প্যারামেডিক এবং নার্স রয়েছেন।

    হামলা ঘটেছে শুক্রবার (১৩ মার্চ) রাতের দিকে বিন্ত জবেইল জেলার বুর্জ কালাওইয়াহ গ্রামে। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, হামলার সময় এসব স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্ব পালন করছিলেন।

    লেবাননের স্বাস্থ্য খাতে সাম্প্রতিক এই ঘটনাটি উদ্বেগ বাড়িয়েছে। মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ ও ইসরাইলের মধ্যে সংঘর্ষ আবার শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে মোট ৭৭৩ জন মারা গেছেন; তাদের মধ্যে অন্তত ১৮ জন প্যারামেডিক ছিলেন।

    বৈরুত থেকে আল জাজিরার প্রতিবেদক জানান, অনেকস্থানে এখনও নিখোঁজদের খোঁজ চলছে, তাই নিহতদের সংখ্যা এখনও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছেই।

    এদিকে কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে এটি স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্ট দ্বিতীয় হামলা। এর আগেই দক্ষিণ লেবাননের সুয়ানে গ্রামে একটি প্যারামেডিক কেন্দ্রে হামলায় আরও দুই প্যারামেডিক নিহত হয়েছেন এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

    ঘটনাগুলো এলাকাবাসী, চিকিৎসাপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক মানবিক সংগঠনের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে, কারণ স্থিতিশীল স্বাস্থ্যসেবা বজায় রাখা এখন কঠিন হয়ে পড়েছে।

  • কাবুলে পাকিস্তানি বিমান হামলায় অন্তত ৪ নিহত, আহত ১৫

    কাবুলে পাকিস্তানি বিমান হামলায় অন্তত ৪ নিহত, আহত ১৫

    আফগান কর্তৃপক্ষ জানায়, রাজধানী কাবুলসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে পাকিস্তান রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় কাবুলে অন্তত চারজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। হামলায় শহরের কয়েকটি আবাসিক এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন বলে কাবুল পুলিশ মুখপাত্র খলিল জাদরান নিশ্চিত করেছেন।

    পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, তারা মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) জঙ্গিগোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে এসব অভিযান চালিয়েছে। পাকিস্তান দাবি করেছে, সাম্প্রতিক সময়ে তাদের দেশের ওপর বাড়তি জঙ্গি হামলার জেরে ইসলামাবাদ গত মাস থেকেই আফগানিস্তানের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় বিমান হামলা জোরদার করেছে।

    তালেবান সরকারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে; তারা বলছে যে আফগান ভূখণ্ড থেকে কোনো জঙ্গি তৎপরতা পরিচালিত হয় না। তালেবান মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, কাবুল ছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী পাকতিয়া ও পাকতিকা প্রদেশেও পাকিস্তানের হামলার খবর পাওয়া গেছে।

    কান্দাহারে বিমানবন্দরের কাছে বেসরকারি বিমান সংস্থা কাম এয়ারের এক জ্বালানি ডিপোতেও হামলার সংবাদ পাওয়া গেছে। ওই ডিপো থেকে বেসামরিক এবং জাতিসংঘের উড়োজাহাজে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। পাকিস্তান দাবি করেছে, ওই অভিযানে কোনো বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়নি। তবে দুই পক্ষের দেওয়া হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে।

    সীমান্তপেরিয়ে বিমান হামলার ঘটনায় পরিস্থিতি তীব্রভাবে উত্তপ্ত থাকায় আন্তর্জাতিক উদ্বেগ দেখা দিয়েছে; আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও বেসামরিক নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য সুস্পষ্ট এবং স্বচ্ছ তল্লাশি ও তদন্তের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

  • কেসি-১৩৫ বিধ্বস্তে সব ছয় ক্রুর মৃত্যু নিশ্চিত; ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তে ইসরায়েলে সতর্কতা

    কেসি-১৩৫ বিধ্বস্তে সব ছয় ক্রুর মৃত্যু নিশ্চিত; ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্তে ইসরায়েলে সতর্কতা

    যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) শুক্রবার জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হওয়া কেসি-১৩৫ জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানের ছয়টি ক্রু সদস্যের সবার মৃত্যুও নিশ্চিত হয়েছে।

    প্রাথমিকভাবে সেনাবাহিনী চার ক্রুর মৃত্যুর কথা জানিয়েছিল এবং দুইজনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছিল। কিন্তু উদ্ধারকাজের পর তারা ও জীবিত উদ্ধার করা যায়নি বলে সেন্টকম জানায়।

    পেন্টাগনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করে যুদ্ধের ভয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, “যুদ্ধ মানেই নরক। যুদ্ধ মানেই বিশৃঙ্খলা।” তিনি নিহত সৈন্যদের ‘আমেরিকান হিরো’ বলেন এবং ডোভারে তাদের অভিবাদনের কথা উল্লেখ করেন, পাশাপাশি তাদের আত্মত্যাগকে চলমান মিশনে শক্তি যোগাবে বলেও তোরণ করেছেন।

    সেন্টকম জানায়, কেসি-১৩৫ ট্যাঙ্কার বিমানটি মাঝা-আকাশে অন্য একটি বিমানের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পশ্চিম ইরাকে বিধ্বস্ত হয়। সংঘর্ষের অপর বিমানটি ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে—বিমানটির লেজের অংশের কিছু অংশ নিখোঁজ রয়েছে। সেন্টকম দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে।

    একই দিনে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দেশজুড়ে সতর্কতা জারি করেছে। সামরিক সূত্রে বলা হয়েছে, সতর্কবার্তা হাতে লাগার সঙ্গে সঙ্গেই নাগরিকদের নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত বাইরে বের না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    এই ঘটনাগুলোর প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক আঘাতের ফলে একদিন ইরানের জনগণ তাদের সরকার পরিবর্তনের লক্ষ্যে উঠে দাঁড়াতে পারে, তবে তা সঙ্গে সঙ্গেই ঘটবে না। ফক্স নিউজ রেডিওকে দেওয়া সেই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আগামী সপ্তাহে আমরা তাদের ওপর খুব কঠোর আঘাত হানতে যাচ্ছি।” তিনি একই সঙ্গে স্বীকার করেছেন যে এখন পর্যন্ত ইরানিসদের মধ্যে সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের প্রতিবাদের লক্ষণ দেখা যায়নি।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন ট্রাম্প প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামরিক সফলতার মাধ্যমে ঘরোয়া জনমতকে আশ্বস্ত করার চেষ্টা করছে। দোহায় অবস্থিত ডোহা ইনস্টিটিউট ফর গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের মোহাম্মদ এলমাসরি আল-জাজিরাকে বলেছেন, ট্রাম্প ও হেগসেথ জনগণকে যুদ্ধের সাফল্য নিয়ে নিশ্চিন্ত করতে চাইছেন। এলমাসরি বলেন, হেগসেথ প্রায়ই ইরানের সামরিক সক্ষমতা নস্যাৎ করার বড়াই করেছেন, যা বাস্তবে ইরানি বাহিনীকে অবমূল্যায়ন করে এবং এটি আমেরিকান প্রোপাগান্ডার অংশ হতে পারে।

    এতে উত্থিত উদ্বেগগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়া। সাম্প্রতিক সংঘাতে এখন পর্যন্ত ১,৩০০’রও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে—এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি এবং সামরিক অভিযানের সম্ভাব্য তীব্রতা অঞ্চলটিকে আরও অস্থির করতে পারে।

    সূত্র: সিএনএন, আল-জাজিরা।

  • পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুলে নিহত ৪, আহত ১৫

    পাকিস্তানের বিমান হামলায় কাবুলে নিহত ৪, আহত ১৫

    আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলসহ সীমান্তবর্তী কয়েকটি প্রদেশে পাকিস্তান রাতভর বিমান হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে আফগান কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (১৩ মার্চ) সকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী কাবুলে অন্তত চারজন নিহত এবং ১৫ জন আহত হয়েছেন। কাবুল পুলিশের মুখপাত্র খলিল জাদরান হতাহতের খবর নিশ্চিত করেছেন এবং জানান, নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছেন। স্থানীয় আবাসিক এলাকা ও বসতবাড়িতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে।

    পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী বলেছে, তারা মূলত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) গ্রুপকে লক্ষ করে এসব অভিযান চালিয়েছে। ইসলামাবাদ দাবি করছে, দেশের অভ্যন্তরে জঙ্গি হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে গত মাস থেকেই আফগানিস্তানের ভেতরে বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা জোরদার করেছে।

    তবে আফগানিস্তানে ক্ষমতায় থাকা তালেবান সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তালেবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানিয়েছেন, কাবুলের পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের কান্দাহার ও পাকিস্তান সীমান্তবর্তী পাকতিয়া ও পাকতিকা প্রদেশেও পাকিস্তানের বিমান হামলা হয়েছে।

    কান্দাহারে বিমানবন্দরের কাছে বেসরকারি বিমানসংস্থা ‘কাম এয়ার’-এর জ্বালানি ডিপোতেও আঘাত সম্পর্কে রিপোর্ট পাওয়া গেছে। ওই ডিপো থেকে বেসামরিক বিমান ও জাতিসংঘের উড়োজাহাজকে জ্বালানি সরবরাহ করা হয়। পাকিস্তান পক্ষ দাবি করেছে, ওই অভিযানে কোনো বেসামরিক হতাহত হয়নি।

    বিভিন্ন সূত্র বলছে, দুই পক্ষের দেওয়া হতাহতের তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা কঠিন। হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা ও আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে, আর স্থানীয়রা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। এই সংঘর্ষ নতুন করে উত্তেজনা বাড়ানোর শঙ্কা তৈরি করেছে এবং আরও স্বাধীন তদন্ত ও পরিস্থিতি নিরসনের আহ্বান জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

  • ইরাকে কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানের বিধ্বস্তে ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরাকে কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমানের বিধ্বস্তে ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলে একটি মার্কিন কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং (স্ট্রাটোট্যাংকার) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে; মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে বিমানে থাকা ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজনই মারা গেছেন এবং বাকি দুজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন।

    ঘটনার সঙ্গে জড়িত দায়দেনার ব্যাপারে তাত্ত্বিক বিবাদ শুরু হয়েছে। ইরানভিত্তিক রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে, পশ্চিম ইরাকের আকাশে কেসি-১৩৫ বিমানটিকে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত করে ভূপাতিত করা হয়। একই সঙ্গে ইরান সমর্থিত ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করে ও দাবি করে, হামলায় বিমানে থাকা সব ছয়জনই নিহত হয়েছেন।

    দ্বিপক্ষীয় এই দাবির জবাবে যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি নাকচ করেছে। সেন্টকম জানিয়েছে, বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনও কারণে বিধ্বস্ত হয়ে থাকতে পারে এবং এটি কোনো শত্রুপক্ষীয় হামলা বা ‘ফ্রেন্ডলি ফায়ার’—এর ফল নয়। সেন্টকমের কথায়, চারজন নিহত, দুজন গুরুতর আহত এবং তাদের ওপর চিকিৎসা চলছে।

    ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনার পরিবেশে ঘটেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানের নামে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’–র পর থেকেই এই অঞ্চলে সহিংসতা ও আক্রমণের ধারা তীব্রতা পেয়েছে; ওই অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে কয়েকজন মার্কিন সৈন্য নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে এবং বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে।

    কেসি-১৩৫ হলো বোয়িং নির্মিত একটি দীর্ঘকাল পরিক্ষিত জ্বালানিবাহী বিমান—অতীত থেকে আজও মার্কিন বিমানবাহিনীর রক্ষণশীল মেরুদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত। আকাশে থাকা স্থায়ী বিমানগুলোর মধ্যে এটি যুদ্ধবিমান বা বোমারুদ্বারী বিমানে জ্বালানি সরবরাহে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।

    ঘটনাটি ইরাক ও সিরিয়ায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর জন্য নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ বাড়িয়েছে। পেন্টাগন ইতোমধ্যেই ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করার ঘোষণা দিয়েছে, আর সেই তদন্ত থেকেই ভবিষ্যতে মামলা ও কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া নিরূপিত হবে।

  • পশ্চিম ইরাকের আকাশে কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিধ্বস্ত, ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    পশ্চিম ইরাকের আকাশে কেসি-১৩৫ ট্যাংকার বিধ্বস্ত, ৪ মার্কিন সেনা নিহত

    পশ্চিম ইরাকের আকাশে মার্কিন সামরিক বাহিনীর একটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং (ট্যাংকার) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, বিমানে থাকা ছয়জন ক্রুর মধ্যে চারজন মারা গেছেন এবং বাকি দুজন গুরুতর আহত অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    ঘটনাকে কেন্দ্র করে আগেই রাজনৈতিক বিতর্ক মাথা তুলেছে। ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ঘোষণা দিয়েছে, তারা বা তাদের সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো বিমানটিকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ভূপাতিত করেছে। ইরান-সমর্থিত ‘ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক’ নামের গোষ্ঠীও হামলার দায়িত্ব নেয়ার দাবি করেছে এবং বলেছে, আক্রমণে বিমানে থাকা ছয়জনই নিহত হয়েছেন।

    তবে যুক্তরাষ্ট্র এসব দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। সেন্টকমের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিকভাবে বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটি বা অন্য কোনো অপ্রতিরোধ্য কারণে বিধ্বস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তদন্ত করা হচ্ছে; এটি কোনো শত্রুপক্ষীয় হামলা বা ফ্রেন্ডলি ফায়ারের ফল নয়—যাইহোক ঘটনার সঠিক কারণ জানতে পেন্টাগন উচ্চস্তরের তদন্ত শুরু করেছে।

    এতে করে মধ্যপ্রাচ্যে যেসব পেছনের রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা রয়েছে, তা আরও তীব্রতার আশঙ্কা তৈরি করেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলি বিশেষ অভিযানের পর থেকে ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ছে; এ অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে কয়েকজন মার্কিন সেনা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। একই সময়ে বিভিন্ন রিপোর্টে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের অভ্যন্তরে লক্ষণীয় হামলা চালিয়েছে।

    কেসি-১৩৫ বিমানের গুরুত্ব বিবেচনায় এর বিধ্বস্ত হওয়া সামরিক ও নাভিক্যাল অপারেশনসমূহে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। বোয়িং নির্মিত এই ট্যাংকারগুলো দীর্ঘদিন ধরেই মার্কিন বিমানবাহিনীর জ্বালানি সরবরাহের মেরুদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে; তারা হাওয়ায় থাকা অবস্থায় যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানকে জ্বালানি যোগায়, ফলে দীর্ঘ পাল্লার অভিযান সম্ভব হয়।

    পেন্টাগন এখন ঘটনার পূর্ণ তদন্ত চালাবে এবং তদন্তের ফল অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, এমনটি জানিয়েছে সেনাবাহিনী কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ঘটনার প্রকৃত কারণ প্রকাশ না করা পর্যন্ত আঞ্চলিক উদ্বেগ ও কূটনৈতিক উত্তাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

  • যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সমুদ্রবন্দি রুশ তেলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল

    যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সমুদ্রবন্দি রুশ তেলে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল

    যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে সমুদ্রে আটকে থাকা রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেছে। ট্রেজারি সেক্রেটারি ও অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা দেন। সিদ্ধান্তটি চালু করা হয়েছে বিশ্বজ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ এবং সরবরাহ সংকট নির্মূলের প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে।

    বেসেন্ট এক্স প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্টে বলেছেন, এই ছাড় একটি সীমিত পরিসরে করা উদ্যোগ এবং এটি রাশিয়ান সরকারি তহবিলে উল্লেখযোগ্য কোনো আর্থিক সুবিধা দেবে না। ট্রেজারির তথ্য অনুযায়ী এই ছাড় আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।

    ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে বিশ্লেষকরা উদ্বৃত্ত জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাব কমানোর কৌশল হিসেবে দেখছেন। বেসেন্ট আরও বলেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বিশ্বের জ্বালানি বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং গৃহস্থালির ভোগ্যতেলের চাপ কমাতে চূড়ান্ত পদক্ষেপ নিচ্ছেন। তিনি যুক্ত করেন যে ট্রাম্পের নীতির ফলে যুক্তরাষ্ট্রে তেল ও গ্যাসের উৎপাদন রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে, যা আমেরিকানদের জ্বালানি খরচ কমাতে সহায়ক হবে।

    এ পদক্ষেপটি ট্রাম্প প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে অন্যান্য বিধিনিষেধ শিথিলের প্রায় এক সপ্তাহ পর এসেছে। শিথিলতা ঘোষণার ফলে ভারতকে ৩০ দিনের জন্য রুশ তেল কেনার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। এছাড়া গত বুধবার ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে তিনি দেশীয় সরবরাহ ও কৌশলগত পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ থেকে ১৭২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়বেন।

    এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের মধ্যে প্রতিক্রিয়া তীব্র। সিনেটের ব্যাংকিং, হাউজিং ও আরবান অ্যাফেয়ার্স কমিটির একদল ডেমোক্র্যাটিক সিনেটর পদক্ষেপের ব্যাখ্যা চেয়ে কমিটির চেয়ারম্যান সিনেটর টিম স্কটকে চিঠি পাঠিয়েছেন। সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেন এবং কমিটির অন্যান্য সংখ্যালঘু সদস্যরা বেসেন্টের সঙ্গে একটি সংসদীয় শুনানির আহ্বানও জানিয়েছেন।

    একই সময়ে ইরান-সংক্রান্ত উত্তেজনা জ্বালানির বাজারে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ইরানের ওপর সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় জ্বালানির মূল্য ইতিমধ্যে বেড়েছে। প্রসঙ্গত, ইরান হরমুজ প্রণালীকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে এবং নবর্নির্বাচিত সর্বোচ্চ নেতার বক্তব্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে যে প্রয়োজনে এই পথে পরিবহন বন্ধ রাখার পরিকল্পনা নেওয়া হবে।

    ট্রাম্প প্রশাসন বলছে এই সাময়িক শিথিলতা ও অন্যান্য পদক্ষেপ মিলিয়ে তারা মূল্যস্ফীতি রোধ এবং আমেরিকান ভোক্তাদের ওপর জ্বালানির বোঝা কমাতে চাইছে। সংসদে চলমান প্রশ্নউত্তর ও আগামী দিনগুলোতে পদক্ষেপের বাস্তব প্রভাবই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে এই নীতির দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী হবে।

  • ইরান দাবি করেছে: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি করেছে: শিন বেট সদরদপ্তর ও দুই বিমানঘাঁটিতে ড্রোন হামলা

    ইরান দাবি করেছে, তাদের সামরিক বাহিনী ড্রোন ব্যবহার করে তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলের গোপন গোয়েন্দা সংস্থা শিন বেটের সদরদপ্তরসহ দু’টি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের সামরিক সূত্র এসব হামলার কথা জানায়।

    ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে হামলার লক্ষ্য ছিল ভূমধ্যসাগরীয় উপকূলীয় শহর ইভনের পশ্চিমের পালমাহিম বিমানঘাঁটি এবং দক্ষিণ ইসরায়েলের ওভদা বিমানঘাঁটি। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে হামলাটি ড্রোন কেন্দ্রীক ছিল এবং তা পরিকল্পনামাফিক পরিচালিত হয়েছিল।

    ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইরানের ওই হামলার ফলে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ১৭৯ জন আহত হয়েছেন; তাদের মধ্যে বেশিরভাগেরই অবস্থা হালকা। মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরায়েলে ইরানের হামলায় মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২,৭৪৫ জনে।

    অন্যদিকে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিয়েও ড্রোন আঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলে কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, আঘাতের ফলে বিমানবন্দরের অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে।

    ঘটনাগুলো সম্পর্কে বিভিন্ন পক্ষের স্বাধীনভাবে যাচাই-বাছাই চলছে এবং পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করা হচ্ছে। সূত্র: আইআরএনএ, কুনা, আল জাজিরা, এএফপি।

  • জাতিসংঘ: ইরানজুড়ে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    জাতিসংঘ: ইরানজুড়ে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত

    জাতিসংঘ জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েল দ্বারা ইরানে হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে ৩২ লাখেরও বেশি মানুষ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনারি (ইউএনএইচসিআর) এক বিবৃতিতে বলেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ৬ থেকে ১০ লাখ পরিবারের অন্তত ৩২ লাখ মানুষ নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে।

    ইউএনএইচসিআরের কর্মকর্তা আয়াকি ইতো বলেন, বাস্তুচ্যুতদের বেশিরভাগই তেহরানসহ বড় শহরগুলো থেকে দেশটির উত্তর ও গ্রামীণ এলাকায় নিরাপত্তার সন্ধানে গেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেন, যুদ্ধ চলবে বলে বাস্তুচ্যুতের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কা আছে এবং এতে মানবিক চাহিদা গুরুতরভাবে বাড়বে।

    এর আগে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে, তাদের প্রাথমিক মূল্যায়নে দেখা গেছে চলমান যুদ্ধের কারণে ইরানজুড়ে অন্তত ১৯ হাজার ৭৩৪টি বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে আবাসিক ভবন, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ ও সহায়তা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান অন্তর্ভুক্ত। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার মধ্যে কমপক্ষে ৭৭টি চিকিৎসা কেন্দ্র ও হাসপাতাল এবং ৬৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রেড ক্রিসেন্ট additionally জানিয়েছে তাদের ১৬টি সুবিধাও মার্কিন-ইস্রায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

    আন্তর্জাতিকভাবে নিন্দা ও উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইস্রায়েলি সামরিক বাহিনী ইরানে বোমাবর্ষণ চালিয়ে যাচ্ছে। ইরানি কর্তৃপক্ষের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ পর্যন্ত মার্কিন-ইস্রায়েলি হামলায় ১,৩০০-এর বেশি ব্যক্তি নিহত এবং প্রায় ১০ হাজার বেসামরিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

    সূত্র: আলজাজিরা