Author: bangladiganta

  • বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

    বাংলাদেশ আমাদের জন্য সতর্কবার্তা: যোগী আদিত্যনাথ

    ভারতের উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেন, জাতি, উপাসনা পদ্ধতি বা ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন আমাদের জন্য খুবই বিপজ্জনক এবং ধ্বংসের কারণ হতে পারে, ঠিক যেমনটি বর্তমানে বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। তিনি এই বক্তব্য গতকাল শনিবার জানিয়েছেন।

    তিনি আরও বলেছেন, বাংলাদেশ আমাদের জন্য এক শক্তিশালী সতর্কবার্তা, যেখানে ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজনের কারণে সমাজে অনেকে পর্যুদস্ত হয় এবং সম্প্রীতি খর্ব হয়। ভারতের জনপ্রিয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রয়াগরাজে মাঘ মেলার এক অনুষ্ঠানে যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ঘটনায় কারো কিছু বলার প্রয়োজন নেই। যারা ধর্মনিরপেক্ষতার নামে ভিন্নমত দমনে সক্রিয়, তারা হিন্দু সমাজ ও মনোভাবকে ভেঙে ফেলার জন্য সব শক্তি দিয়ে লড়ছে। কিন্তু বাংলাদেশের পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, যেন তাদের মুখে ফেভিকল আর টেপ লাগানো হয়েছে। এই বিষয়টি আমাদের জন্য একটি বড় সতর্কবার্তা।’

    তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা সমাজকে বিভক্ত করে তারা কখনোই মানুষের শুভেচ্ছা অর্জন করতে পারে না। যোগী আদিত্যনাথ বলেন, ‘যখন আমি ক্ষমতায় ছিলাম, তখন এই ব্যক্তিরা নিজের পরিবারের বাইরে কিছু ভাবত না। তারা আবার নানা স্লোগান দেবে, কিন্তু সুযোগ পেলে সেভাবে কাজ করবে।’

    মাথা তুলে তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে যাতে তাদের সেই সব কাজের পুনরাবৃত্তি না হয়। ডাবল-ইঞ্জিন সরকার সবসময় সনাতন ধর্মের শক্তি বৃদ্ধির জন্য পাশে থাকবে। বিভাজনকারীদের কখনোই আমাদের দুর্বল করতে দেওয়া হবে না। যদি আমরা এই সংকল্প নিয়ে এগিয়ে যাই, ভবিষ্যৎ হবে সনাতন ধর্মের। যেমন রামমন্দিরের পতাকা সারা বিশ্বে উড়ছে, তেমনি সনাতন পতাকা উঠবে বাংলাদেশেও; তখন কোনো দমটি সাহস করবে না যেন দুর্বল কিংবা দলিত হিন্দুদের ওপর আঘাত হানার।’

    তিনি আরও দাবি করেন, সন্ন্যাসী এবং সাধুরা সমাজের ঐক্য সৃষ্টি করেন। তাঁর কথায়, ‘অযোধ্যায় বিশাল রাম মন্দির নির্মাণের পেছনে রয়েছে শ্রদ্ধেয় সাধু-সন্তদের ঐক্য। ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনের পর দেশ অনেক নেতা দেখেছে, কিন্তু অযোধ্যার মূল ভাবনা ছিল রাম লাল্লা পুনঃপ্রতিষ্ঠার। এই আবেগকে বাস্তবে রূপদান করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।’

  • ভারত নির্মাণ করছে নিউ নৌঘাঁটি, নজরে বাংলাদেশ ও চীন

    ভারত নির্মাণ করছে নিউ নৌঘাঁটি, নজরে বাংলাদেশ ও চীন

    ভারত পশ্চিমবঙ্গের হলদিয়ায় একটি নতুন নৌঘাঁটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে, যা বাংলাদেশ ও চীনের কার্যকলাপের ওপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। ভারতের নৌবাহিনীর বেশ কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, সম্প্রতি বঙ্গপোসাগরের উত্তরপাশে চীনা নৌসেনার তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশটি এই পরিকল্পনা নিচ্ছে। পাশাপাশি, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সামরিক সম্পর্কের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তারা সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তান সফর করেছেন। এসব বিষয়কে বিবেচনায় রেখে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই নতুন নৌঘাঁটির নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • সিরিয়ার আলেপ্পো থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদের সরিয়ে নেওয়া সম্পন্ন

    সিরিয়ার আলেপ্পো থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদের সরিয়ে নেওয়া সম্পন্ন

    সিরিয়ার আলেপ্পো শহর থেকে দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসা কুর্দি বিদ্রোহী গোষ্ঠী সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এসডিএফ) আজ রোববার অবশেষে সরে দাঁড়িয়েছে। কয়েকদিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর, একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির জন্য আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতার মাধ্যমে এই স্থানান্তর কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয় রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আখবারিয়া জানিয়েছে।

    খবরে বলা হয়েছে, ২০১১ সালে সিরিয়ায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আলেপ্পোর বিভিন্ন পকেট এলাকায় কুর্দি বাহিনীর দখল ছিল। এই সরে যাওয়ার মাধ্যমে মূলত সেই সব এলাকা থেকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তবে, উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার বিশাল এক অংশে কুর্দি পরিচালিত আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল এখনও কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

    এসডিএফের কমান্ডার মজলুম আবদি সোশ্যাল মিডিয়াতে এক পোস্টে জানিয়েছিলেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতায় তারা যুদ্ধবিরতিকে সমর্থন করেছেন। এ ছাড়া, তারা আলেপ্পোর আশরাফিয়াহ ও শেখ মাকসুদ এলাকাগুলোর নাগরিক এবং যোদ্ধাদের নিরাপদে উত্তর ও পূর্ব সিরিয়ায় সরিয়ে নেওয়ার বিষয়েও সম্মত হয়েছেন।

    আলেপ্পোর এই সংঘর্ষ সিরিয়া সংকটকে আরও তীব্র করেছে। ১৪ বছর ধরে চলা এই যুদ্ধের পর দেশটি এক কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের অধীনে একত্রিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা, তবে কুর্দি বাহিনীর আস্থাহীনতা ও বাধা তাদের সেই লক্ষ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    বিশ্বশক্তির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের তরফ থেকেও এই যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানানো হলেও, কুর্দি একটি ঘাঁটি ছেড়ে যাওয়ার বিষয়ে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। সিরিয়ার সেনাবাহিনী তখন ঘোষণা দেয়, তারা এলাকাটিকে পরিষ্কার করতে স্থল অভিযান চালাবে। শনিবার, সিরিয়ার সেনারা ওই এলাকা পরিপাটি করে তল্লাশি চালায়।

    রয়টার্সের সাংবাদিকরা দেখেছেন, কয়েক ডজন পুরুষ, নারী ও শিশু পা দিয়ে হেঁটে ওই এলাকা থেকে বেরিয়ে আসছেন। সিরিয়ার সেনারা তাদের বাসে তুলে নিতে শুরু করেছে এবং জানাচ্ছে যে, ভয়ানক পরিস্থিতি থেকে নিরাপদে আশ্রয়শিবিরে নিয়ে যাওয়া হবে। ইতিমধ্যে, এক লাখ ৪০ হাজারের বেশি মানুষ এই সংঘাতের কারণে ঘরছাড়া হয়েছে।

    সফর বেশিরভাগ সশস্ত্র ব্যক্তিকে বাসে করে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় আনোয়ার করা হয়েছে। সিরিয়ার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এসব ব্যক্তিকে কুর্দি অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী বা আসাওয়িশের সদস্য হিসেবে শনাক্ত করেছেন, এবং মনে করছেন তারা আত্মসমর্পণ করেছেন। তবে আসাওয়িশের পক্ষ থেকে এই দাবি অস্বীকার করে বলা হয়েছে, ওই সব ব্যক্তির মধ্যে কোনও যোদ্ধা নেই; সবাই নিছক জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত সাধারণ মানুষ।

    শনিবার দামেস্কে আল-শারার সঙ্গে বৈঠকের পর মার্কিন দূত টম বারাক সব পক্ষকে সংযম ধারণের এবং অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর দল এই সংকট সমাধানে মধ্যস্থতায় প্রস্তুত। এর আগেও মার্কি বারাক বলেছিলেন, চুক্তির আওতায় আলেপ্পো থেকে সিরিয়ান ডেমোক্রেটিক ফোর্সেসের শান্তিপূর্ণ প্রত্যাহার দেখা যাবে।

    বিশ্লেষকরা জানাচ্ছেন, আলেপ্পো থেকে কুর্দি যোদ্ধাদের কিছু দল গোপনে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্যরাও রয়েছেন। বেশ কয়েকজন কমান্ডার ও তাদের পরিবারকে গত শুক্রবার রাতে উত্তর-ইস্ট সিরিয়ায় মোতায়েন করা হয়।

    তুরস্কের সূত্রগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, কুর্দি গোষ্ঠীর মাঝে বিভাজনের অবস্থা তৈরি হয়েছে। তারা বেশ কয়েকজন সিনিয়র কুর্দি কর্মকর্তার(contact) সঙ্গে যোগাযোগ করে আলোচনা চালাচ্ছে, যেখানে ইলহাম আহমদ ও মজলুম আবদিকে সামনে আনা হয়েছে। তবে, কিছু কুর্দি নেতা লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

    আখবারিয়া টিভির খবরে বলা হয়েছে, আলেপ্পোর শেখ মাকসুদ এলাকার এক হাসপাতালে কুর্দি যোদ্ধারা অস্ত্র ফেলে রেখে রোববার বিতাড়নের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এসডিএফ আগে দাবি করেছিল, তারা সরকারি বাহিনীর সঙ্গে তুমুল লড়াই চালাচ্ছে এবং হাসপাতালসহ নানা বেসামরিক অবকাঠামোতে ব্লিচিং বোমা হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে সাধারণ মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল।

    তারা আরও জানায়, তুর্কি ড্রোন এই হামলায় ব্যবহার হয়েছে। তবে তুর্কি কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তাদের অভিযান শেষ হয়ে গেছে, তাই আর কোনো সহায়তার প্রয়োজন নেই। সিরিয়ার সেনাবাহিনীরও অভিযানের বিরুদ্ধে অভিযোগ এসেছে এবং এসডিএফের বিরুদ্ধে আলেপ্পো শহরে ড্রোন দিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে, যা তারা নাকচ করে দিয়েছে।

    ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দীর্ঘদিনের নেতা বাশার আল-আসাদকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য বিদ্রোহী গ্রুপ গড়ে ওঠার পর, সিরিয়ার নতুন সরকারে এই দলগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে বলে ধারণা ছিল। কিন্তু বিভিন্ন অঅঞ্চলের নেতৃত্বের মধ্যে ঐক্য তৈরি হওয়ার অভাবে আলোচনাগুলো দীর্ঘদিন স্থবির থাকে। এরই মধ্ে এই সংঘর্ষ আবার শুরু হয়েছে, যেখানে কমপক্ষে নয়জন সাধারণ নাগরিক মারা গিয়েছেন। এই সংঘর্ষ ভবিষ্যতে আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, কারণ বিভিন্ন অঞ্চলে নানা সম্প্রদায়ের ওপর হামলা চলছে।

    অলেপ্পোতে এই লড়াইয়ের প্রভাবে তুরস্কের সংযোগকারী গুরুত্বপূর্ণ পথ ও শিল্পাঞ্চলের কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। সিরিয়ার বিমানবন্দরের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আলেপ্পো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরও বন্ধ থাকবে।

  • তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব জাতিকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে : মঞ্জু

    তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব জাতিকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে : মঞ্জু

    বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বারবার নতুন প্রেরণা পেয়েছে উল্লেখ করে খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়ার আপোষহীন ও সাহসী ভূমিকা দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর দৃঢ় ও ত্যাগী নেতৃত্ব দেশের মানুষকে বারবার মুক্তির পথে অনুপ্রাণিত করেছে। বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, তিনি ছিলেন দেশের সাধারণ মানুষের জন্য একজন অভিভাবকের মতো। দেশের স্বাধিকার, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁর মহান অবদান দেশের ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে। শনিবার বিকেলে অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ আয়োজনে মালঞ্চ মোড়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি। সভায় সভাপতিত্ব করেন নেত্রকোণা জেলা বিএনপি সভাপতি মেহেদী হাসান সোহাগ, পরিচালনা করেন ইয়াসিন শেখ ও হাবিব খান। পরে মহানগর মহিলা দলের উদ্যোগে মহানগর দলীয় কার্যালয়ে মরহুমার রুহের মাগফিরাতের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা দেন তিনি। এর পরে এশা নামাজের পরে ২৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের যৌথ আয়োজনেও ওয়াড কাউন্সিলর কার্যালয়ে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, এতে সভাপতিত্ব করেন নজরুল ইসলাম বাবু এবং পরিচালনা করেন শরিফুল ইসলাম সাগর। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘সম্পূর্ণ দেশবাসী এখন নির্বাচনের জন্য অপেক্ষা করছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকদের পতনের পর দেশের কিছু দুষ্কৃতকারী আবারও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে দেশে নৈরাজ্য এর সুযোগ নিতে চাচ্ছে। সকল রাজনৈতিক দল, পেশা ও শ্রেণির মানুষকে একযোগে থেকে গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও দেশের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’ বেশি উপস্থিত ছিলেন জাফরউল্লাহ খান সাচ্চু, কাজী মোঃ রাশেদ, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, আনোয়ার হোসেন, এড. গোলাম মওলা, মাহবুব হাসান পিয়ারু, ইউসুফ হারুন মজনু, আজিজা খানম এলিজা, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আনিসুর রহমান আরজু, বাচ্চু মীর, মিজানুজ্জামান তাজ, শাহানুর কবির অয়ন, শরিফুল ইসলাম বাবু, ইকবাল হোসেন, হুমায়ুন কবির, সাইফুল বকসি, হাসনা হেনা, মাজেদা খাতুন, রোকেয়া ফারুক, হেদায়েত হোসেন হেদু, মুন্নি জামান, মনিরুল ইসলাম, সুলতান মাহমুদ সুমন, আবুল বাসার, শামীম আশরাফ, শামীম খান, এ আর রহমান, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, সাইফুল মারকাত, রাজীব খান, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মুশফিকুর রহমান অভি, ইমরান হোসেন, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, রাজিবুল আলম বাপ্পি, শামসুর নাহার লিপি, মাহমুদ হাসান মুন্না, সাজ্জাদ হোসেন, সোহেল খন্দকারসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ও সাধারণ মানুষ ব্যাপক উৎসাহ ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে আলোচনা ও দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছেন।

  • তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা ভিত্তিতে গড়ে উঠবে নতুন স্বনির্ভর বাংলাদেশ, বলে বকুল

    তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৩১ দফা ভিত্তিতে গড়ে উঠবে নতুন স্বনির্ভর বাংলাদেশ, বলে বকুল

    খুলনা-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও ধানের শীষের নেতা রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠিন সময়ে জীবনপণ লড়াই চালিয়ে গেছেন। তিনি নিজের সুখ-শান্তি বিসর্জন দিয়ে দেশের মানুষের জন্য গণতন্ত্রের মর্যাদার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। এই সাহসী ও আপোষহীন নেত্রীর অবদান আমাদের মূল্যবান ভোটের গুরুত্ব বাড়ায় এবং সেই ভোটের সঠিক ব্যবহার সফলতার চাবিকাঠি।

    বকুল আরো বলেন, আগামী দিনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করা ৩১ দফা ভিত্তিতে একটি নতুন, আধুনিক ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। এই ৩১ দফা শুধুমাত্র নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি নয়, এটি ভবিষ্যতের বাংলাদেশের জন্য একটি স্পষ্ট রূপরেখা। পাশাপাশি তিনি উল্লেখ করেন, একটি মহলের গভীর ষড়যন্ত্রের কারণে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ভেস্তে যাওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এই ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করতে হবে।

    গতকাল শনিবার দুপুর ১টায় যোগিপোল ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও ফুলবাড়িগেট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মীর কায়সেদ আলী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোল্লা সোহাগ হোসেনের পরিচালনায়, মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, খানজাহান আলী থানা বিএনপি সভাপতি কাজী মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসসহ অনেকে।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যোগিপোল ইউনিয়ন বিএনপির সভানেতা শেখ আলমগীর হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, ওয়েভ জুটমিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সরদার আল মাসুদ লিটন, সদস্যরা মোঃ শওকত হোসেন হিট্টু, মোড়ল আতাউর রহমান, শ্রমিক নেতা কাজী শহিদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা গোলাম কিবরিয়া, অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন হাফেজ আলমগীর হোসেন।

  • কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজের ৫ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

    কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজের ৫ দিন পর যুবকের লাশ উদ্ধার

    খুলনার পাইকগাছা-তালা সীমান্তবর্তী বালিয়া খেয়াঘাটের পারাপারসময় কপোতাক্ষ নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া রবিউল ইসলাম (৪০) এর লাশ গত রবিবার (১১ জানুয়ারি) ভোর পৌনে ৬টার দিকে পাইকগাছার আগড়ঘাটার কপোতাক্ষ নদীর চর থেকে উদ্ধার করা হয়। রবিউল ইসলাম গদাইপুর ইউনিয়নের তৌকিয়া গ্রামের মুনসুর গাজীর ছেলে।

    নিখোঁজের বিষয়টি জানিয়ে পুলিশ জানায়, ৬ জানুয়ারি দুপুর দুইটার দিকে রবিউল সদর উপজেলার ২ নং কপিলমুনি ইউনিয়নের বিরাশি গ্রামে কপোতাক্ষ নদে পারাপারের সময় নদীতে পড়ে যান। কয়েকদিন খোঁজাখুঁজির পরে ১১ জানুয়ারি ভোরে তার মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে।

    পুলিশের আরও অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, রবিউল সাতক্ষীরার তালা থানার বালিয়া ঘাট থেকে কপোতাক্ষ নদে খেয়া যোগে পার হচ্ছিলেন। হঠাৎ মৃগীরোগের প্রকোপে আক্রান্ত হয়ে নদীতে পড়ে যান। এ সময় স্থানীয় মানুষজন, উদ্ধার কাজের টিম ও ডুবুরি তার সন্ধানে চেষ্টা করে বীরত্বের সাথে নিখোঁজ ব্যক্তিকে উদ্ধার করতে পারেনি।

    পাইকগাছা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এস আই রবিউল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করি। সুরতহাল রিপোর্টের কাজ শেষ করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবার সদস্যরা এসে তার পরিচয় নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া পৌরোস।

  • খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার লাশ চরমপন্থী সদস্য ঘাউড়া রাজীবের

    খুলনায় ভৈরব নদ থেকে উদ্ধার লাশ চরমপন্থী সদস্য ঘাউড়া রাজীবের

    খুলনার ভৈরব নদে অজ্ঞাতনামা যুবকের লাশ উদ্ধার করার পর তার পরিচয় জানা গেছে। তাঁর নাম রাজীব হোসেন, একই সঙ্গে তিনি ঘাউড়া রাজীব নামে পরিচিত। পুলিশ জানিয়েছে, রাজীবের বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি সহ মোট ১৪টি মামলা রয়েছে। তিনি পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির (এমএল) শক্তিশালী ক্যাডার ছিলেন। তিন মাস আগে গোপালগঞ্জের মোকছেদপুর থেকে খুলনায় এসেছিলেন।

    শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে রাজীবের লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এর আগে, গতকাল শুক্রবার খুলনার ৬ নম্বর ঘাট এলাকার ভৈরব নদে দুটি লাইটার ভেসেলে মাঝখান থেকে তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করে নৌ পুলিশ।

    খুলনা নৌ পুলিশ সদর থানার ওসি বাবুল আক্তার বলেন, লাশটি প্রথমে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, রাজীবের মাথার পেছনে গভীর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, যা তার মৃত্যুর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

    অতিরিক্ত তিনি বলেন, রাজীবের বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, তিনি অপরাধ করে তার মামা বাড়ি গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরে আশ্রয় নিতেন। পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নিলে আসল তথ্য বেরিয়ে আসার আশা রয়েছে।

    বাবুল আক্তার আরও জানান, ৩ জানুয়ারি থেকে রাজীব নিখোঁজ ছিলেন। এক সপ্তাহ بعد তার ভাসমান লাশ উদ্ধার করা হয়, যার মানে হয়তো নিখোঁজের দিনই তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে রাজীবের দ্বিতীয় স্ত্রী ফারহানা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরা একজন বছর আগে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই। বিয়ের পর আমরা গোপালগঞ্জের মোকছেদপুরের রাজীবের মামা বাড়িতে অবস্থান করছিলাম। ডিসেম্বরে খুলনার দিঘলিয়ার এক ভাড়া বাসায় থাকছিলাম। তার আগে কিছু জানা না থাকলেও, বিয়ের সময় তার পরিবার সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানতাম না।’

    ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে ফারহানা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে মোবাইলে একটি ফোন আসে। বিকাশ থেকে টাকা তুলতে বলে সে বের হয়ে ফিরে আসেনি। এরপর থেকেই তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

    তিনি আরো বলেন, রাজীব কমিউনিস্ট পার্টির সক্রিয় ক্যাডার ছিলেন। তার বিরুদ্ধে ১৪টি মামলা রয়েছে, যার মধ্যে সাতটি মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে এবং সাতটি এখনও তদন্তাধীন।

    প্রথম স্ত্রী লিয়া খাতুন বলেন, ‘আমাদের বিয়েটা ২০১৬ সালে হয়। তখন তার ডান হাতের রগ কেটে দেয়া হয় সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে। চার বছর আগে আমাদের সম্পর্ক শেষ হয়ে যায়। শনিবার সকালে তার মৃত্যুর খবর শুনে তিনি খুলনায় আসেন।’

  • রূপসার বাগমারায় দুর্বৃত্তের গুলিতে বিকুল নিহত

    রূপসার বাগমারায় দুর্বৃত্তের গুলিতে বিকুল নিহত

    খুলনা জেলার রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিতে আব্দুল বাছেদ বিকুল নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। এই ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটেছে শনিবার রাতের অর্ধ dipped ঘন্টা আগে।

    নিহত বিকুল বাগমারা এলাকার বাসিন্দা এবং আব্দুল আওয়ালের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, গভীর রাতে হঠাৎ করে গুলির শব্দ শোনা যায়, যার ফলে সাময়িকভাবে আশপাশের এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সময় পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে রাশেদ বিকুলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। তাকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়, যেখানে জরুরি বিভাগে চিকিত্সা নেওয়ার পর রাত ২টা ৩০ মিনিটে তিনি মারা যান। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। ঘটনা তদন্তে পুলিশ জোরদার অভিযান চালাচ্ছে।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনল সরকার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার বৃদ্ধি ফিরিয়ে আনল সরকার

    সরকার মঙ্গলবার রোববারের সিদ্ধান্ত বাতিল করে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আগের অবস্থায় বহাল রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে, আগের মতোই আগামী ছয় মাস (১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর) সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার অপরিবর্তিত থাকবে। এর আগে বৃহস্পতিবার সরকার এই হার কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, যা সমালোচনার মুখে পড়েছিল। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও অবসরপ্রাপ্ত জনগোষ্ঠীর জন্য এই সঞ্চয়পত্রের আসল আয়ের উপর নির্ভরশীলতা বেশি, তাই এই পরিবর্তন নিয়ে মতভেদ দেখা দেয়।

    জানা যায়, রোববার সরকারি উচ্চ পর্যায়ে বৈঠক শেষে ওই প্রজ্ঞাপন বাতিল করে আবারও পূর্বের মুনাফার হার চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর প্রধান উপদেষ্টার অনুমোদন নিয়ে নতুন করে এর নির্দেশনা জারি করা হয়।

    বর্তমানে সরকারে চারটি ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, এর মধ্যে বিশেষ করে পরিবার সঞ্চয়পত্রের ক্ষেত্রে maximum ৭৫০,০০০ টাকার বেশি বিনিয়োগের জন্য আলাদা নীতিমালা আছে। সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর মেয়াদে মুনাফার হার ছিল ১১.৯৩%, যা নতুন প্রজ্ঞাপনে পূর্বের হারই বহাল রাখা হয়েছে। যেখানে, বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে (৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি) হার ছিল ১১.৮০%, যা ঠিকই অপরিবর্তিত থাকছে।

    অতীতে, দেশে মূল্যস্ফীতির কারণে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কিছুটা কমানো হয়েছিল। যেমন, ৫ বছরের সরাসরি মুনাফার হার ১১.৯৩% থেকে কমে ১০.৪৪% করা হয়, আর ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হার ১১.৮০% থেকে ১০.৪১% এ নামানো হয়। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের হারে আগের মতোই এমনি থাকবে।

    গত বছর জানুয়ারি থেকে, সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদহার সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারিত হচ্ছে, যা গত কিছু মাসে কমেছে। এর ফলে, গত বৃহস্পতিবার জারি করা প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের প্রথমার্ধের জন্য এই হার কার্যকর থাকবে।

    সাধারণ গ্রাহকরা মূলত মধ্যবিত্ত পরিবার। অর্থাৎ, জীবনযুদ্ধে নিজেদের সঞ্চয় রক্ষা করতে সঞ্চয়পত্রই তাদের প্রধান সামগ্রী। অর্থনীতির সব সংকটে তারা এই সঞ্চয় ভেঙে খরচ চালান। অনেকে পাইয়ে থাকেন মূল টাকার ওপর ভিত্তি করে বছরে একবার পয়েন্ট অনুযায়ী মুনাফা পান। কিন্তু বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষ চাপে পড়ে গেছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা এখনও ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে, সরকারের এই সিদ্ধান্তে বেশ কয়েকজন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদ বলেন, স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই হার না কমানোই উত্তম। এ ছাড়া সাধারণ মধ্যবিত্তরা মনে করেন, সরকারের অতি দ্রুত এই পরিবর্তন বাবদ তাঁদের জীবনযাত্রা ঝুঁকি মধ্যে পড়তে পারে।

  • একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় বৃদ্ধি

    একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় বৃদ্ধি

    বাংলাদেশের জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) একটি নতুন ঘোষণা দিয়ে বলেছে, দেশের বাজারে একদিনের ব্যবধানে আবারও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে প্রতি ভরি সোনার দাম সর্বোচ্চ ২৯১৬ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেল। এর ফলে মানসম্পন্ন সোনার দাম পৌঁছে গেছে দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকার বেশি।

    বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে আগামী ৬ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) থেকে। সংগঠনের মতে, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বাড়ার কারণে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও বেড়েছে।

    বিশ্ব বাজারের তথ্যমতে, গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি ওয়েবসাইটের রিপোর্ট অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রত আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ৪৪৪৫ ডলার।

    নতুন দাম অনুযায়ী, সবচেয়ে মানসম্পন্ন বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য উঠেছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকায়। ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারিত মূল্য ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা, আর সনাতন পদ্ধতির সোনার দাম হয়েছে এক লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    এছাড়াও, স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার মূল্য নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা। এরপর, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৮৪১ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা।