Author: bangladiganta

  • বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি বদলেছে

    বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময়সূচি বদলেছে

    চলতি মাসের ১৭ তারিখ থেকে শুরু হতে যাওয়া বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজের সময়সূচি পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পূর্বপরিকল্পনায় সবকটি ম্যাচ ছিল দিবারাত্রির, কিন্তু বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এনে ম্যাচগুলো দিনের আলোতে আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

    বিসিবি জানিয়েছে, ওয়ানডে সিরিজের সবকটি ম্যাচ শুরু হবে বেলা ১১টায়। ওয়ানডের পর দুই দলের টি-টোয়েন্টি সিরিজও দিনের আলোতেই অনুষ্ঠিত হবে; এসব ম্যাচ শুরু হবে দুপুর ২টায়।

    এই সিদ্ধান্ত সংক্রান্ত সভা গতকাল বুধবার বিসিবির এডহক কমিটির বৈঠকে গৃহীত হয়। পরে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ সাশ্রয় করতে নিউজিল্যান্ড সিরিজের সময় পরিবর্তন করা হয়েছে। ওয়ানডে ম্যাচ ১১টা কিংবা সাড়ে ১১টায় এবং টি-টোয়েন্টি বেলা ২টা অথবা আড়াইটায় হতে পারে।”

    বিসিবি জানিয়েছে, ফলশ্রুতিতে স্টেডিয়াম পরিচালনা, আলো ও নিরাপত্তা ইত্যাদির খরচ কমবে এবং দর্শক সুবিধার দিকটিও বিবেচনায় রাখা হয়েছে। চূড়ান্ত সূচি সংক্রান্ত আরও সূক্ষ্ম সমন্বয় ও তারিখভিত্তিক ঘোষণা দ্রুতই দেয়া হবে।

  • বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বিপাশা হায়াত

    বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন বিপাশা হায়াত

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী, চিত্রশিল্পী ও নাট্যকার বিপাশা হায়াত নব্বই দশকের একজন আলোচিত মুখ। মঞ্চ থেকে টিভি ও চলচ্চিত্র—প্রতিটি মাধ্যমেই তিনি দর্শককে মুগ্ধ করেছেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরেই একটি পডকাস্টে সাক্ষাৎকার দেন তিনি এবং সেখানে জীবনের বিভিন্ন অধ্যায় নিয়ে খোলামেলাভাবে কথা বলেন।

    সঞ্চালকের প্রশ্নে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সম্পর্কে প্রস্তাবের পাশাপাশি বলিউডের একটি চরিত্র প্রস্তাবেও উত্তরের প্রসঙ্গ আসে। বিপাশা জানান, বলিউডের দেয়া প্রস্তাবটি এত পুরোনো নয় বরং পরে এসেছে এবং এটি ছিল পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ। যদিও তিনি সেই ছবির নাম মনে করতে পারেননি, সম্পর্কিত ব্যক্তির ফোন নম্বরটি এখনও তার ফোনে সেভ আছে এবং তাদের সঙ্গে কয়েকবার কথাও হয়েছে বলে জানান তিনি।

    কেন তা ফিরিয়ে দিলেন—এই প্রশ্নের জবাবে বিপাশা বলেন, তখন তার মনে হয়েছিল তিনি কখনও তার দেশের মানুষকে ছোট করে দেখাতে পারবেন না। দর্শক যে ভালোবাসা দিয়েছেন এবং সাংস্কৃতিকভাবে যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, তাতে বিদেশে গিয়ে কোনো তুচ্ছ চরিত্র করে দেশের মানুষের সম্মান হানি করতে তিনি রাজি নন।

    তিনি আরও বলেন, নিজেকে তিনি কেবল স্টার হিসেবে দেখেন না, বরং একজন পাবলিক ফিগার হিসেবে আত্মপরিচয় দেন এবং এই অবস্থার সঙ্গে একটি দায়িত্ব এসে জড়ায়। প্রতিটি কাজের মাধ্যমে সেই দায়িত্ববোধ ধরে রাখাই তার মূল উদ্দেশ্য। বিপাশা ভক্তদের ভালোবাসাকে অত্যন্ত মূল্যবান হিসেবে দেখেন এবং সেই মূল্যবোধ থেকেই তিনি মনে করেন বিদেশে গিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে ভালো কিছু করবেন—এমন আশায় না থাকা ঠিক হবে না।

  • পানমশলা বিজ্ঞাপন মামলায় সালমান খান পেলেন সাময়িক রেহাই

    পানমশলা বিজ্ঞাপন মামলায় সালমান খান পেলেন সাময়িক রেহাই

    বলিউড তারকা সালমান খান দীর্ঘদিন ধরে একটি পানমশলা বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত মামলার জটিলতায় ভুগছিলেন। যেখানে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে আদালত এক পর্যায়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল—কিন্তু এবার তিনি সাময়িক মুক্তি পেয়েছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ১৩ এপ্রিল দিল্লির নয়, জয়পুর জেলা উপভোক্তা কমিশন-২-এর কাছে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল সালমানকে। সেই নির্দেশনা নিয়ে উঠানো আপিলকে রাজস্থান হাই কোর্ট স্থগিত করেছেন। ফলে নির্ধারিত দিনে কমিশনে হাজিরার বাধ্যবাধকতা সাময়িকভাবে মুলতুবি রাখল হাই কোর্ট।

    এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন যোগেন্দ্র সিংহ বদিয়াল। তিনি অভিযোগ করেন, একটি পানমশলার বিজ্ঞাপনে পণ্যবর্ণনা—যেমন ‘জাফরান বা তবক মিশ্রিত এলাচ’ এবং ‘জাফরান মিশ্রিত পানমশলা’—প্রচলিত নয় এবং তা গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে। বদিয়ালের অভিযোগের ভিত্তিতে বছরের শুরুতে উপভোক্তা কমিশন ওই পণ্যের প্রচারে অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।

    তবু পরে জয়পুর ও কোটার মতো শহরে বিলবোর্ডসহ বিজ্ঞাপন দেখা যেতে শুরু করায় কমিশন মনে করে তাদের নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে। কমিশনের শুনানিতে সালমানের ধারাবাহিক অনুপস্থিতির কারণে আগে গ্রেফতারি পরোয়ানা পর্যন্ত জারি হয়েছিল। রাজস্থান হাই কোর্টের স্থগিতাদেশ সেই পরিস্থিতিকে আপাতত বদলে দিয়েছে, কিন্তু এটি পুরো মামলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়—এটি কেবল হাজিরার আদেশ স্থগিত রাখছে।

    এদিকে সালমান বর্তমানে তার নতুন ছবি ‘মাতৃভূমি’ নিয়ে ব্যস্ত; শুটিং ইতোমধ্যেই শেষ করেছেন। এই ছবির প্রাথমিক শিরোনাম ছিল ‘ব্যাটল অফ গালওয়ান’।

    এই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ এবং হাই কোর্ট কবে চূড়ান্ত রায় দেবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

  • পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল: চার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তার বদলি

    পুলিশ প্রশাসনে বড় রদবদল: চার অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ ৬ কর্মকর্তার বদলি

    পুলিশ সদর দপ্তর বৃহস্পতিবার (০৯ এপ্রিল) ছয়জন কর্মকর্তার বদলির আদেশ জারি করেছে। আদেশে চারজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ মোট ছয় কর্মকর্তাকে নতুন দায়িত্বে নিয়োগ ও স্থানান্তর করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ বদলিগুলো জনস্বার্থসংক্রান্ত বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে।

    নিয়োগে বলা হয়েছে —

    মো. জাহিদুল ইসলাম (বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত) ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি হয়েছেন।

    মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন (গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) নৌ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদে গতিস্থাপিত হয়েছেন।

    মো. কাজী হুমায়ুন রশীদ (মুন্সিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) গোপালগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োজিত হয়েছেন।

    সঞ্জীব ত্রিপুরা (সিআইডির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে বদলি হয়েছেন।

    মো. এহসানুল হক (সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার) ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে বদলি হয়েছেন।

    মো. শরিফুল ইসলাম (এসবির সহকারী পুলিশ সুপার) likewise ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন পেয়েছেন।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, উল্লিখিত কর্মকর্তাদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে উল্লেখকৃত পদে ও স্থানে বদলি/পদায়ন করা হলো। একই সঙ্গে দুইটি পূর্বের বদলির আদেশ বাতিলের কথাও জানানো হয়েছে—

    ক্রমিক নং-১ এ বর্ণিত কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, পাবনা হিসেবে বদলির আগের প্রজ্ঞাপন (নং-৪৪.০১.০০০০.০১১.১৯.০১০.২৬-১০৮৮, তারিখ: ২৫/৩/২০২৬) বাতিল করা হয়েছে।

    এছাড়া ক্রমিক নং-৩ এ বর্ণিত কর্মকর্তাকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, র‍্যাব হিসেবে বদলির পূর্বের প্রজ্ঞাপন (নং-৪৪.০১.০০০০.০১১.১৯.০০৯.২৬-১০৩০, তারিখ: ১৬/৩/২০২৬) ও বাতিল করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে আরও নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, বদলিকৃত কর্মকর্তারা নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য আগামী ২২/৪/২০২৬ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে তাদের বর্তমান দায়িত্বভার হস্তান্তর করবেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে ২৩/৪/২০২৬ থেকে তাদের অবমুক্ত বলে গণ্য করা হবে।

    পুলিশ সদর দপ্তর বদলিগুলো জনস্বার্থ ও প্রশাসনিক কার্যকারিতা সুনিশ্চিত করার উদ্দेश्यে নেওয়া হয়েছে বলে সূত্ররা জানিয়েছে।

  • রায় কার্যকর হলে ছেলেটির আত্মা শান্তি পাবে: শহীদ আবু সাঈদের মা

    রায় কার্যকর হলে ছেলেটির আত্মা শান্তি পাবে: শহীদ আবু সাঈদের মা

    রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম বলেছেন, তার ছেলের হত্যার সঙ্গে জড়িতদের রায় কার্যকর হলে তার ছেলের আত্মা শান্তি পাবে। বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ওই রায় ঘোষণার পর তিনি এ কথা বলেন।

    রায়ের পর আবু সাঈদের বড়ভাই আবু রায়হানও বলেন, ভাইকে হত্যায় যারা জড়িত তাদের সবাইকে ফাঁসি কার্যকর করতে হবে—তবেই হত্যার ন্যায় বিচার সম্পূর্ণ হবে।

    আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন; এছাড়া অন্য Several আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদকালের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন।

    রায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. হাসিবুর রশীদ, গণিত বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক মো. মশিউর রহমান এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মন্ডলকে প্রত্যেককে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আরও কয়েকজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা প্রদান করা হয়েছে।

    রায় ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনালের জয়েন্ট চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী; সঙ্গে ছিলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। ওই হত্যার একটি ভিডিও দেশে তোলপাড় সৃষ্টি করে—ভিডিওতে দেখা যায়, আবু সাঈদ সড়কের ওপর দুই হাত প্রসারিত করে দাঁড়িয়ে ছিলেন এবং পুলিশের হাতে তার বুকে একের পর এক গুলি করা হচ্ছে। ওই ঘটনাটি আন্দোলনকে আরও তীব্র করে তোলে এবং শেষ পর্যন্ত আগস্টের শুরুয়ে সরকারের পরিবর্তন ঘটেছে।

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে, রুখে দিতে হবে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে, রুখে দিতে হবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সব ধরনের বিভাজন ও বিদ্বেষকে উল্টে দিয়ে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের ওপর ভর করে একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে এবং সেটি রুখে দিতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ‘ইস্টার সানডে’ উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে তিনি প্রত্যেককে ঘৃণার সংস্কৃতি ত্যাগ করে সৌহার্দ্য ও মানবিকতার মূল্যবোধকে অটুট রাখার আহ্বান জানান। “আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় দিতে হবে। ঘৃণা নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের পথচলার শক্তি,” তিনি বলেন।

    মির্জা ফখরুল আরও বলেন, বাংলাদেশ একটি বহুধর্মীয় সমাজের অনন্য উদাহরণ—এখানে ইসলাম ছাড়াও সনাতন ধর্মাবলম্বী, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধসহ সকল ধর্মের মানুষ মিশে বেড়ে উঠেছে এবং দেশের অঙ্গ হয়ে আছে। অতীতেও ভিন্ন ধর্মের মানুষ এখানে মিলেমিশে বসবাস করে এসেছে, তাই ধর্মভিত্তিক বিভাজনের যে কোনো চেষ্টা সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

    তিনি বলেন, একসময় ধর্মের নাম করে বিভাজন সৃষ্টি করার অপচেষ্টা হয়েছে; সেইসব বিভাজনকে কাটিয়ে উঠতে হবে এবং সমাজকে ঐক্যবদ্ধ রাখতে সবাইকে দায়িত্বশীল হতে হবে। খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, “আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠনের লক্ষ্যে কাজ করতে চাই। আমাদের সামনে অনেক কাজ রয়েছে, তা সফল করতে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে।”

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা

    সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বান এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট দেশের প্রতিটি অঞ্চলে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে যৌথ বৈঠকের পর সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা ও সমালোচনার মুখে উপহাস করছে এবং নির্বাচনের আগে দলের মধ্যে গঠিত ঐকমত্য ভেঙে ফেলা হচ্ছে।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে একদলীয় ফ্যাসিবাদী শাসনের পথে এগোচ্ছে। সাধারণ মানুষের কষ্ট-দুঃখ তুলে ধরলে গ্রেফতারের মতো কার্যক্রম করা হচ্ছে। এসবের বিরুদ্ধে নব্য ফ্যাসিবাদ রুখে দিতে তারা সব ধরনের সংগ্রাম চালিয়ে যাবে।

    তিনি আরও বলেন, গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে। কর্মসূচির সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কাজ শুরু হবে। ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভমিছিল করা হবে। ১২ এপ্রিল প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যদিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধীদলকে রাজপথের আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিএনপির কর্মকাণ্ডে জাতি হতবাক ও বিস্মিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। মিয়া গোলাম পরওয়ার দাবি করেন যে গণভোটের রায় সংক্রান্ত বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ইতিমধ্যেই স্থগিত রয়েছে এবং সংসদে একাধিক ব্যক্তির আচরণই এখন সংবিধান সংকটের সৃষ্টি করছে।

    তিনি আরও অভিযোগ করেন, জ্বালানি সংকটের মতো বিষয় নিয়ে সংসদে বিরোধীদলকে বক্তব্য রাখতে দেয়া হয় না এবং দিল্লির বিরোধী অবস্থান গ্রহণকারীদের অপসংস্কার বা ‘রাজাকার’ খেতাব দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। শেষে মিয়া গোলাম পরওয়ার বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ করার আহ্বান জানান।

  • সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়লো

    সোনার দামে বড় লাফ: ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়লো

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম অনেকটাই বেড়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) সকালে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ৬ হাজার ৫৯০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫২ হাজার ৪০৯ টাকা। নতুন এই দাম আজ থেকেই কার্যকর হবে।

    বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) দাম বাড়ায় এবং সার্বিক অবস্থার বিবেচনায় মূল্যবান ধাতুটির দর পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন মূল্য অনুযায়ী অন্যান্য ক্যারেটের সোনার দাম হচ্ছে: ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৪০ হাজার ৯২০ টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি ২ লাখ ৬ হাজার ৫১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৬৮ হাজার ১৯৫ টাকা।

    সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও বাড়তি দেখা গেছে। ভরিতে ৩৫০ টাকা বাড়িয়ে রুপার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে: ২২ ক্যারেট (প্রতি ভরি) ৫ হাজার ৮৯০ টাকা, ২১ ক্যারেট ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৪ হাজার ৭৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৬১৬ টাকা।

  • সিএসআর ব্যয় অর্ধেকে নেমে এসেছে, ১৭ ব্যাংক লোকসানে

    সিএসআর ব্যয় অর্ধেকে নেমে এসেছে, ১৭ ব্যাংক লোকসানে

    ২০২৪ সালের আর্থিক পরীক্ষায় দেশের ব্যাংক খাতের কাঁপুনি স্পষ্ট। বছরভর টাকার সংকট ও আর্থিক চাপের ফলে ১৭টি বাণিজ্যিক ব্যাংক নিট মুনাফা অর্জন করতে পারেনি। আর যারা মুনাফা করেছে, তাদের আয়ও প্রত্যাশিত স্তরে নেই—ফলে কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) খাতে ব্যয় ব্যাপকভাবে কমেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের সিএসআর সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনের বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২৫ সালের (জানুয়ারি–ডিসেম্বর) প্রতিবেদিত সময়সীমায় দেশের ৬১টি বাণিজ্যিক ব্যাংক যৌথভাবে সিএসআর খাতে মাত্র ৩৪৫ কোটি ৫ লাখ টাকা ব্যয় করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ২৭০ কোটি ৯১ লাখ টাকা বা প্রায় ৪২ শতাংশ কম। গত এক দশকে এটিই সিএসআর খাতে সবচেয়ে কম ব্যয়।

    তুলনায় দেখা যায়, ২০১৫ সালে সিএসআর ব্যয় ছিল ৫২৭ কোটি ৩৬ লাখ টাকা; এবারের ব্যয় সেই বছরের তুলনায় প্রায় ১৮২ কোটি টাকা (৩৪.৫৭ শতাংশ) কমে নিম্নমুখী প্রবণতা ইঙ্গিত করছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০২৪ সালে ব্যাংকগুলো সিএসআর-এ ৬১৫ কোটি ৯৬ লাখ টাকা খরচ করেছিল—এটাও ২০২৩ সালের চেয়ে ৩০৮ কোটি টাকা (৩৩ শতাংশ) কম। ২০২৩ সালে ব্যয় ছিল ৯২৪ কোটি ৩২ লাখ টাকা এবং ২০২২ সালে ১,১২৯ কোটি টাকা; অর্থাৎ দুই বছরের ব্যবধানে সিএসআর ব্যয় প্রায় ৫১৩ কোটি টাকা বা ৪৫ শতাংশের বেশি কমে গেছে।

    খাতশিক্ষিতরা বলছেন, ব্যাংকিং সেক্টরে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি রাজনৈতিক অস্থিরতা, ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও সরকার পরিবর্তনের প্রভাব বড় ধরনের ধাক্কা দেয়। সেই সময় বিভিন্ন ব্যাংকে অনিয়ম, লুটপাট ও অর্থ পাচারের তথ্য প্রকাশ্যে আসায় কাগজে-কলমে দেখানো মুনাফার বিপরীতে প্রকৃত আর্থিক চিত্র বেরিয়ে আসে। খেলাপি ঋণ বাড়ায় প্রকৃত লোকসান সামনে আসে এবং বিশেষত শরিয়াভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংক বড় ধরনের চাপের মুখে পড়ে। দুর্বল ব্যাংকগুলোর স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে পরবর্তীতে সরকার একাধিক ব্যাংক একীভূতও করার উদ্যোগ নেয়।

    ব্যাংকারদের একজন মন্তব্য করেন যে, রাজনৈতিক পটপরিবর্তনও সিএসআর ব্যয়ের পতনের এক বড় কারণ। রাজনৈতিক সরকারের সময় বিভিন্ন পর্যায় থেকে অনুদান বা সহযোগিতার চাপ থাকত; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য সামাজিক কর্মকাণ্ডে ব্যাংকগুলোকে ব্যয় করতে বলা হতো। ২০২৪ সালের জুলাই–অগাস্টের ঘটনা এবং সরকার পরিবর্তনের পর সেই চাপ অনেকটাই কমে গিয়েছে, ফলে ব্যাংকগুলো এখন তুলনামূলকভাবে সংযতভাবে সিএসআর বাজেট নির্ধারণ করছে।

    অর্থনীতিবিদরা বলছেন, সিএসআর-এ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অপরিহার্য। রাজনৈতিক প্রভাব বা চাপের কারণে অনেক সময় এই অর্থ অনুৎপাদনশীল কাজে ব্যয় হয়, যা সামাজিক দায়িত্বের মূল উদ্দেশ্যকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকনির্দেশনায় ব্যাংকগুলোকে তাদের নিট মুনাফার একটি অংশ সিএসআর খাতে ব্যয় করতে বলা হয়েছে—এর মধ্যে ৩০ শতাংশ শিক্ষা, ৩০ শতাংশ স্বাস্থ্য এবং ২০ শতাংশ পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ব্যয় করার নির্দেশ রয়েছে; বাকি ২০ শতাংশ অন্যান্য খাতে ব্যয় করা যাবে। কিন্তু বাস্তবে নির্দেশনা মানা হচ্ছে না। ২০২৫ সালে ব্যাংকগুলো সবচেয়ে বেশি—৩৬ শতাংশ—ব্যয় করেছে ‘অন্যান্য’ খাতে; শিক্ষায় ব্যয় হয়েছে ২৮.৫৩ শতাংশ এবং পরিবেশ ও জলবায়ু খাতে মাত্র ১০ শতাংশ।

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আলোচিত সময়ে ১১টি ব্যাংক একটাও সিএসআর খাতে অর্থ ব্যয় করেনি। তাদের মধ্যে রয়েছে—জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান।

    এছাড়া ২০২৪ সালে লোকসানে থাকা ব্যাংকগুলোর তালিকায় আছে জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, এবি ব্যাংক, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক, এনআরবিসি ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, পদ্মা ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক এবং ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান। এই সীমান্তে থাকা কয়েকটি ব্যাংক সত্ত্বেও ছয়টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যাংক সিএসআর খাতে কিছু ব্যয় করেছে—রবে এসংগে রয়েছে এবি ব্যাংক, ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, আইসিবি ইসলামী ব্যাংক, আইএফআইসি ব্যাংক, এনআরবিসি এবং সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক।

    মোটকথা, ব্যাংক খাতের আর্থিক দুরবস্থা ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা সিএসআর ব্যয়ে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে। নতুন পরিস্থিতিতে সুশাসন, স্বচ্ছতা ও লক্ষ্যভিত্তিক ব্যয়ের মাধ্যমে সিএসআর কার্যক্রমকে পুনরায় সক্রিয় ও ফলপ্রসূ করতে হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।

  • ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা সীমিত করতে সিনেটে ভোট আগামী সপ্তাহে

    ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতা সীমিত করতে সিনেটে ভোট আগামী সপ্তাহে

    মার্কিন সিনেটে আগামী সপ্তাহে একটি ভোটের আয়োজন করা হচ্ছে যা উদ্দেশ্য হলো প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরবর্তী কোনো সামরিক হামলার আগে কংগ্রেসের অনুমোদন নিতে বাধ্য করা। সিনেটের বিরুদ্ধ দলীয় নেতা চ্যাক শুমার বুধবার (৮ এপ্রিল) এই ঘোষণা দিয়েছেন বলে রয়টার্স জানিয়েছে।

    শুমার বলেন, কংগ্রেসকে তার সাংবিধানিক কর্তৃত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে—বিশেষ করে যে মুহূর্তগুলো এতটাই বিপজ্জনক। তার ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা আগে ট্রাম্প দুই সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন। এর আগে ট্রাম্প তেহরানকে অবরুদ্ধ হওয়া হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার আল্টিমেটামও দিয়েছিলেন।

    শুমার ট্রাম্পের ভাষা ও পদক্ষেপকে কড়াভাবে সমালোচনা করে তাকে ‘উন্মাদ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং বলেছেন, ইরানকে দুর্বল করতে বা তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য বাড়ার বিষয়টিও উদ্বেগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

    আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের আওতায় থাকা ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অপরিহার্য অবকাঠামোতে হামলা নিষিদ্ধ করে। পরিস্থিতির তীব্রতা এবং বেসামরিক প্রাণহানির ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় শুমার ও অন্যান্য ডেমোক্র্যাট নেতারা কংগ্রেসের ভূমিকা জোরালো করার পক্ষেই রয়েছেন।

    ইরান বারবার তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে। ট্রাম্প প্রশাসন meanwhile এই সংঘাতকে একটি চূড়ান্ত বিজয় হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। হোয়াইট হাউস দাবি করেছে যে সীমিত সামরিক অপারেশন নির্দেশ দেওয়া ট্রাম্পের আইনগত অধিকার এবং মার্কিন সার্বভৌমত্ব রক্ষার অংশ।

    গত কয়েক মাসে সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাটরা বারবার চেষ্টা করেছেন যাতে ট্রাম্প বড় ধরনের সামরিক অভিযান শুরু করার আগে কংগ্রেসের অনুমতি নিতে বাধ্য করা হয়, কিন্তু তাতে সফল হননি। কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের — যারা উভয় কক্ষে সামান্য সংখ্যাগরিষ্ঠ— বেশিরভাগই ট্রাম্পের নীতিকে সমর্থন করে এসেছে।

    মার্কিন সংবিধানে বলা আছে যুদ্ধ ঘোষণা করার কর্তৃত্ব কংগ্রেসের হাতে, তবে সংবিধানগত এই বিধান প্রথাগতভাবে স্বল্প মেয়াদী অভিযানের ক্ষেত্রে বা যদি দেশ কোনো তাৎক্ষণিক হুমকির সম্মুখীন হয় তখন পুরোপুরি প্রয়োগ করা হয় না বলে ব্যাখ্যা করা হয়।

    অন্যদিকে প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাটিক নেতা এবং নিউইয়র্কের প্রতিনিধি হাকিম জেফ্রিস বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করার বিষয়ে প্রতিনিধি পরিষদেও ভোট হওয়া উচিত। সিএনএনকে তিনি বলেন, ‘‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বেপরোয়া এবং ইচ্ছাকৃত সংঘাতের স্থায়ী অবসান প্রয়োজন।’’

    সামনের সপ্তাহে সিনেটে যে ভোট হবে, তা কংগ্রেস ও প্রেসিডেন্টের মধ্যে ক্ষমতা শৃঙ্খলাকে কেন্দ্র করে চলমান রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে নতুন মাত্রা যোগ করবে—এবং ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে বিদেশে সামরিক পদক্ষেপ নেবে তার ওপর তা সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।