Author: bangladiganta

  • তাপপ্রবাহে দগ্ধ দেশের ১৫ জেলা

    তাপপ্রবাহে দগ্ধ দেশের ১৫ জেলা

    দেশের বেশ কিছু অংশে চলছে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং গুটি গুটি করে পুড়ে যাচ্ছে ১৫টি জেলা। পাশাপাশি নিম্নচাপের প্রভাবে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় অস্থায়ী দমকা হাওয়া এবং বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। এটি রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে স্বাভাবিক থেকে কিছুটা স্বস্তি আনতে পারে।

    শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার আবহাওয়া পূর্বাভাসে এই তথ্য প্রকাশ করে আবহাওয়া অধিদফতর। এর মধ্যে মো. তারিফুল নেওয়াজ কবির জানান, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন মধ্য-বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পশ্চিম উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে বর্তমানে নিম্নচাপে রূপ নিয়েছে। এটি আজ সকালের দিকে দক্ষিণ উড়িষ্যা ও উত্তর অষ্ট্রপ্রদেশ উপকূল অতিক্রম করে। এর প্রভাব বাংলাদেশে পড়তে শুরু করেছে, যেখানে স্থল নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সীমা পূর্ব উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, উড়িষ্যা, স্থল নিম্নচাপের কেন্দ্র ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত।

    বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা কম থাকলেও মাঝারি থেকে প্রবল অবস্থায় রয়েছে উত্তর বঙ্গোপসাগর। তিনি জানান, আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে আরও একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে। যার কারণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অস্থায়ী দমকা হাওয়া এবং হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল থেকেই পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু অংশে এবং রংপুর, রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের দু’এক জায়গায় বৃষ্টির সঙ্গে দমকা হাওয়া এবং বজ্রপাত হতে পারে। পাশাপাশি দেশের অন্যান্য স্থানেও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে তাপপ্রবাহের ধকল কিছুটা প্রশমিত হতে পারে।

    অভিজ্ঞ আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, আগামী দিনগুলোতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়বে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর), ঢাকাসহ ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, সিলেট, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু অংশে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত এবং দমকা হাওয়া হতে পারে। এ সময়ে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণও ঘটতে পারে। তাপমাত্রাও বেশিরভাগ স্থানে অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

    পরবর্তী দিনগুলোতেও এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রাম ও সিলেটের কিছু অংশে এবং রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে অস্থায়ী দমকা হাওয়া ও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি চলে আসার আশঙ্কা। মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, দেশের বিভিন্ন অংশে আবারো দমকা হাওয়া, হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি কিছু জায়গায় ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এ সময় তাপমাত্রা মোটামুটি অপরিবর্তিত থাকতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে পারে।

    অক্টোবরের প্রথম দিকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বাড়তে পারে, এবং মাসের শেষের দিকেও বৃষ্টির প্রবণতা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এই সময়ের ফারাক জানিয়ে বলা হচ্ছে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ ও বৃষ্টিপাতের এই ধারা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।

  • সাগরে নিম্নচাপের পূর্বাভাস ও বন্দরে সতর্কতা

    সাগরে নিম্নচাপের পূর্বাভাস ও বন্দরে সতর্কতা

    বাংলাদেশে আসন্ন দুর্গাপূজার দিনগুলোতে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট গভীর লঘুচাপটি বর্তমানে সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিয়েছে এবং এর প্রভাব বাংলাদেশের উপকূলে পড়তে পারে বলে আবহাওয়া অধিদপ্তর সতর্ক করেছে। এই কারণে দেশের চারটি সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সময়ে দেশের সাত জেলায় মনোভাবাপন্ন তাপপ্রবাহ অনুভূত হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে, মহাষষ্ঠী থেকে দুর্গাপূজার ষষ্ঠী, সপ্তম ও অষ্টমী পর্যন্ত আবহাওয়া মোটামুটি শুষ্ক থাকতে পারে; তবে মৌসুমি বায়ুর সক্রিয়তা থাকায় কিছু কিছু স্থান আরো বৃষ্টি হতে পারে। আগামী রোববার থেকে শুরু হয়ে বিজয়া দশমী পর্যন্ত বৃষ্টির প্রবণতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছে আবহাওয়া বিভাগ। বিশেষ করে ২ ও ৩ অক্টোবর দেশের অনেক অঞ্চলে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেটের মত বিভাগগুলোতে বৃহস্পতিবারও ভারী বর্ষণের শঙ্কা রয়েছে।

    বিশেষ করে শুক্রবার আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপটি উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এটি আরও ঘনীভূত হতে পারে, এর প্রভাবে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকাগুলোতে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। ফলে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরের জন্য ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত জারির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মাছ ধরার নৌকাগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি চলাচল করতে নিষেধ করা হয়েছে।

    আবহাওয়া বিভাগে জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ পূ্র্ব উত্তর প্রদেশ থেকে বাংলাদেশ অতিক্রম করে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত। যদিও বাংলাদেশের উপর মৌসুমি বায়ু ততটা সক্রিয় নয়, তবে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। আজ শনিবার বিভিন্ন বিভাগে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা বা ঝোড়ো হাওয়া এবং বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সাময়িক ভাবে কমতে পারে। রাজশাহী, বগুড়া, চুয়াডাঙ্গা, রংপুর ও সিলেট অঞ্চলে মৃদু তাপপ্রবাহ শুরু হয়েছে, যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    আগামীকাল রোববার দেশজুড়ে বিভিন্ন বিভাগে অল্প কিছু স্থানে দমকা হাওয়া সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সুস্পষ্ট লঘুচাপটি পরবর্তীতে নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে, যা দেশের উপকূলে কিছুটা প্রভাব ফেলতে পারে। তবে দেশের অন্যান্য অংশে এর প্রভাব খুব কমই থাকছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয়েছে খুলনার কয়রায়, ৫৩ মিলিমিটার। এছাড়া নারায়ণগঞ্জে ৩৬, খুলনায় ২৪ ও কুতুবদিয়ায় ১৯ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল নীলফামারীর সৈয়দপুরে ৩৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আর সর্বনিম্ন ছিল বান্দরবান, ২৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

  • চলচ্চিত্র পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু হাসপাতালে ভর্তি

    চলচ্চিত্র পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু হাসপাতালে ভর্তি

    দেশের কিংবদন্তি চলচ্চিত্র পরিচালক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু চোখের সমস্যা নিয়ে রাজধানীর এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। জানা গেছে, তার চোখের সফল অপারেশন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা এম এন ইস্পাহানি।

    রবিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সামাজিক মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিপূর্ণ সাদা মনের মানুষ। আল্লাহর রহমতে তাঁর চোখের অপারেশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। দোয়া করবেন।’

    ইস্পাহানি সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। একজন পরিশুদ্ধ ও সৎ মানুষ। আপনার সুস্থতার জন্য আমরা সবাই দোয়া করছি।’

    অভিনেতা ও নির্মাতারা এই পোস্টে মন্তব্য করে দেলোয়ার ঝন্টুর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। কিছু শুভাকাঙ্ক্ষী তার জন্য দোয়া ও শুভকামনা প্রকাশ করেছেন।

    পোস্টে দেখা যায়, হাসপাতালে বিছানায় এক চোখে অপারেশন অবস্থায় শুয়ে আছেন দেলোয়ার ঝন্টু। তাঁর বয়স অাশ্রয় করে ৪০ বছরের বেশি দীর্ঘ সময় ধরে তিনি চলচ্চিত্রের সাথে জড়িত। শতাধিক চলচ্চিত্র নির্মাণের এই গুণী মানুষটি তার ক্যারিয়ারে বহু সফল সিনেমা উপহার দিয়েছেন।

    তিনি প্রথম পরিচালনা করেন ‘লিডার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে। এরপর নির্মাণ করেন ‘বন্দুক’, যা তার পরিচালনার জগতে গুরুত্বপূর্ণ এক মাইলফলক। এর পাশাপাশি তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে, ‘শিমুল পারুল’, ‘প্রেমগীত’, ‘হারানো প্রেম’, ‘ঝিনুকমালার প্রেম’, ‘বউমা’, ‘সকাল-সন্ধ্যা’, ‘পালকি’, ‘জজ ব্যারিস্টার’, ‘মুজাহিদ’, ও ‘হাতি আমার সাথী’ সহ আরও অনেক অসাধারণ ছবি। তাঁর কাজের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রের দুনিয়ায় নিজের আলাদা পরিচিতি ও স্থান করে নিয়েছেন তিনি।

  • অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    অভিনয়ের পর এবার গানও ছাড়ছেন তাহসান

    সংগীতজীবনের ২৫ বছর সম্পূর্ণ করলেন জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনেতা তাহসান খান। তার এই বিশাল সংগীত Canvas পূরণে তিনি রজত জয়ন্তী উদযাপন করছেন। সেই উপলক্ষে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় একটি সংগীত সফরে অংশ নিচ্ছেন, যেখানে প্রতিটি ধাপে তিনি দর্শকদের আনন্দ ও ভাবাবেগে মিশে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এই সফরে তিনি অ্যাডিলেড, ব্রিসবেন, সিডনি, মেলবোর্ন এবং পার্থে কনসার্ট ঘোষণা করেছেন। তবে মেলবোর্নের কনসার্টের আগে গানের আসরে এসে তিনি বেশ কিছু অপ্রত্যাশিত ঘোষণা দেন। তাহসান জানান, এটি তাঁর শেষ কনসার্ট কিংবা শেষ ট্যুর নয়, বরং ধীরে ধীরে সংগীতের ক্যারিয়ার থেকে বিদায় নিতে চান। এতদিন ধরে তার জন্য এই সিদ্ধান্তের খবর শুনে ভক্তরা বেশ মুষড়ে পড়েন, তবে তাহসান তাদের শান্ত করে বলেন, ‘এটি স্বাভাবিক।’ তিনি আরো মজা করে যোগ করেন, ‘কামিয়ে বড় হওয়া ডাড়ি নিয়ে স্টেজে লাফালে কি হয়!’ এরপর তিনি গভীরভাবে বলেন, ‘অভিনয় থেকে অনেক বছর হয়েছে বিরতি নিয়ে, এবার গান থেকে বিরতি নেওয়ার সময় হয়েছে। এই রাতটি আপনাদের জন্য একটি স্মরণীয় মুহূর্ত হয়ে থাকবে, হয়তো আর দেখা হবে না মেলবোর্নে, তবে আমি অবশ্যই আপনাদের ভালোবাসবো ও মনে রাখবো।’ তাহসানের এর পরিপ্রেক্ষিতে তার সঙ্গীত জীবনের দীর্ঘ ২৫ বছরের পথচলা তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৯৮ সালে অলটারনেটিভ রক ব্যান্ড গঠন করে তার সংগীতজীবন শুরু করেন তিনি। তবে তিনি বেশি দিন ওই ব্যান্ডের সঙ্গে থাকেননি। ২০০৪ সালে ব্যান্ড থেকে বেরিয়ে একক ক্যারিয়ারে মনোযোগ দেন। তার অ্যালবামগুলো যেমন ‘কথোপকথন’, ‘কৃতদাসের নির্বাণ’, ও ‘ইচ্ছে’ খুবই জনপ্রিয়। মোট সাতটি অ্যালবাম প্রকাশ পেয়েছে তার। তার গাওয়া অসংখ্য হিট গান মধ্যে রয়েছে ‘আমার পৃথিবী’, ‘এখনো’, ‘ঈর্ষা’, ‘আলো’, ‘প্রেম তুমি’, ‘প্রেমাতাল’, ‘হঠাৎ এসেছিলে’, ও ‘কে তুমি’। পরবর্তীতে তিনি বেশ কয়েক বছর ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’-এর সঙ্গে পারফর্ম করেন। সংগীতের পাশাপাশি তিনি অভিনয় ক্ষেত্রেও জনপ্রিয়। নাটক, ওয়েব কনটেন্ট এবং সিনেমায় তার উপস্থিতি বেশ প্রশংসিত। তবে কিছু বছর ধরে তিনি অভিনয় থেকে দূরে থাকছেন। সর্বশেষ দেখা গিয়েছিল গত বছর ‘বাজি’ ওয়েব সিরিজে। এই সিরিজের মাধ্যমে তিনি দুই বছরের বিরতির পর ফের চলচ্চিত্রে ফিরে আসেন। এছাড়াও তিনি ‘ফ্যামিলি ফিউড বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠানের প্রথম সিজন উপস্থাপনা করেন। গত বছর তিনি কণ্ঠনালির সমস্যার কথা প্রকাশ করেন। জানায়, ছয় বছর ধরে তিনি কণ্ঠনালির জটিলতায় ভুগছেন। তার ভোকাল কর্ডে এক ধরনের রোগ ধরা পড়ে, যা মূলত ২০১৮ সালে শুরু হয়। এই সমস্যা থাকায় তিনি এখন আর আগের মতো স্বাচ্ছন্দ্যে গান গাইতে পারেন না। তার ভয়, হয়তো আর গায়তে পারবেন না। এই পরিস্থিতিতে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং জীবনযাত্রায় অনেক পরিবর্তন এনেছেন। খাদ্যাভ্যাসেও পরিবর্তন করছেন। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে জানান, ধীরে ধীরে তার গানের ধারা কমে আসছে। ভক্তরা তার এই পরিস্থিতি বুঝে দোয়া ও সমর্থন করবেন, এটাই তার প্রত্যাশা। তিনি আশাবাদী, এই সমস্যার কারণে যদি কনসার্ট বা লাইভ পারফর্মেন্স কমে যায়, তবে তিনি তার ভক্তদের ভালোবাসায় কৃতজ্ঞ থাকবেন ও চিরকাল মনে রাখবেন।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ ফিলিস্তিনে চলমান হত্যাযজ্ঞকে গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি এই হত্যাযজ্ঞের জন্য ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে দায়ী করেছেন। খবর অনুসারে, সম্প্রতি চেন্নাইয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর এক বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠন অংশ নেয়। এই প্রতিবাদে শুধু সাধারণ মানুষই নয়, বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বও যোগ দেন। অভিনেতা সত্যরাজ ও চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারনসহ অনেকে এতে সম্মিলিতভাবে ফিলিস্তিনের পক্ষে কথা বলেন। প্রকাশ রাজ তাঁর ভাষণে বলেন, ‘যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধ কথা বলা রাজনীতি হয়, তবে হ্যাঁ, এটা সত্যিই রাজনীতি। আমরা আমাদের বক্তব্য রাখতে বাধ্য, অন্যথা থাকলে তারা বলে দেয়। যুদ্ধ শেষ হবে, নেতারা হাত মিলাবে, কিন্তু এর ফলে একজন মা তার সন্তানের জন্য অপেক্ষা করবে, একজন নারী তার স্বামীর জন্য, আর শিশুরা তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করবে। এটাই বাস্তবতা।’ তিনি ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র এবং মোদিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ‘ফিলিস্তিনে চলমান এই অন্যায় ও অপরাধের জন্য শুধু ইসরায়েল নয়, আমেরিকাও দায়ী। এছাড়া নরেন্দ্র মোদির নীরবতাও এই ঘাটতিকে বাড়িয়ে দেয়।’ অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাযজ্ঞকে মানবতা বিপন্ন করার অপরাধ হিসেবে সমর্থন করেছেন এবং প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে গাজায় বোমা ফেলছে? মানবতা কোথায়? এত নৃশংসতা করার পরও কীভাবে মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে?’ চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন ফিলিস্তিনের এই আক্রমণকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘গাজার বাসস্থান, স্কুল, হাসপাতাল—প্রতিটি জায়গাতে বোমা পড়ছে। এমনকি জলপাই গাছ পর্যন্ত ধ্বংস করা হচ্ছে, যা মানুষের জীবন ও জীবিকার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’ এই প্রতিক্রিয়াগুলিতে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, এই ঘটনাগুলোর নিন্দা বিশ্বসমাজের জন্য অপরিহার্য।

  • বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    বিতর্কের কারণে পুনম পাণ্ডেকে থেকে বাদ মন্দোদরীর চরিত্র

    ভারতের দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হওয়া বছরে রামলীলা উৎসবের অনুষ্ঠানে বড় একটি বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মূলত ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিয়াগের কারণে জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পূনম পাণ্ডেকে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। গত বছর থেকেই এই সিদ্ধান্তের জন্য নানা জল্পনা-কল্পনা চলছিল, তবে সম্প্রতি তা চূড়ান্ত রূপ নেয়।

    প্রাথমিকভাবে, এই বছরের রামলীলা উদযাপনে পূনমের অভিনয় করার কথা ছিল রাবণের স্ত্রীর চরিত্রে। কিন্তু হঠাৎই বেশ কিছু গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করানো হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মাধ্যমেই। অতীতের ঘটনাবলী বা ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে কারো বিচার করা উচিত নয়। তবে, সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

    অন্যদিকে, আয়োজকদের আরও বলা হয়, ‘সমাজে প্রত্যেক নারীর অবদান গুরুত্বপূর্ণ। তাঁদের অপমান করা পুরোপুরি অনুচিত। প্রথমে আমরা মনে করেছিলাম, পূনম এই চরিত্রটি খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারবেন। কিন্তু কিছু গোষ্ঠীর উষ্মাপ্রকাশের কারণে আমরা সিদ্ধান্ত বদল করতে বাধ্য হয়েছি।’

    অনেকের ধারণা, পূনম শিল্পীর হিসেবে যথেষ্ট সম্মান পাওয়া সত্ত্বেও, এই সিদ্ধান্তে কোনও অসুবিধা হয়নি। এবারের রামলীলা অনুষ্ঠানের মূল লক্ষ্য হ’ল রামচন্দ্রের জীবনী ও মৈত্রীর বার্তা সমাজে প্রচার। সেখানে কোনও বিতর্ক বা সমস্যা চান না আয়োজকরা। জানানো হয়, এই ‘লব কুশ রামলীলা’ প্রতি বছর দিল্লিতে ব্যাপক উৎসাহের সাথে উপভোগ করা হয় এবং এর আগেও বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীকে মূল চরিত্রে দেখা গেছে।

    দিল্লি বিজেপি দলের পক্ষ থেকেও এই সিদ্ধান্তের সমর্থন জানানো হয়েছে। পুরো বিষয়টি যেন ধর্মপ্রাণ দর্শকদের অনুভূতিকে সম্মান জানিয়ে অবাধ ও আনন্দময় রামলীলা উৎসব পরিচালনা সফল করা যায়, সেটাই এখন মূল লক্ষ্য।

  • পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    পরিচালকের তোপে সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে কটাক্ষ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা সালমান খানের ওপর যেন একেবারে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন ‘দাবাং’ খ্যাত নির্মাতা অভিনব কাশ্যপ। কিছু দিন আগে তিনি সালমান খান এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। এবারও তিনি এই বিষয়ে অপ্রতিরোধ্য কড়াকড়ি ভাষায় কথা বললেন।

    অভিনব কাশ্যপের দাবি, সালমানের বাবা সেলিম খানকে বলিউডের সেরা চিত্রনাট্যকার বলা যায় না। তার মতে, সেলিম খান নিজের প্রভাব খাটিয়ে বলিউডে একটি বিশেষ স্থান তৈরি করেছেন, যা অপ্রত্যাশিত নয়।

    এরপরই তিনি সালমান খানকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘সালমান খানও তার বাবার মতোই প্রভাব খাটিয়ে টিকে আছেন। তাকে সত্যিই সুপারস্টার বলা যায় না। সালমান হল নোংরা বাবার নোংরা ছেলে; ফুটপথে বড় হয়েছেন, তাই এই ধরনের অশোভন রুচি!’

    অভিনব আরও জানান, সাইয়ারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের অসাধারণ অভিনয় দেখে সালমানের হিংসা বোধ হয়।

    এই ক্ষোভের পেছনে ব্যক্তিগত কিছু বিষয়ও রয়েছে বলে জানা গেছে। তিনি বলেন, ‘দাবাং’ সিনেমার সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। পাশাপাশি সম্প্রতি একটি প্রথম সারির টেলিভিশন চ্যানেলের সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি মনে করেন সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্যuints পারে। এটাই তার মুখোমুখি ক্ষোভের মূল কারণ।

  • পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ভরসা সাম্প্রতিক পারফরমেন্স

    পাকিস্তানের বিপক্ষে সেমিফাইনালে বাংলাদেশের ভরসা সাম্প্রতিক পারফরমেন্স

    এশিয়া কাপের ফাইনালে ওঠার প্রথম সুযোগে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের পারফরমেন্স প্রত্যাশিত নয় বলে অনেকের মনে হয়েছিল। ফলে, সুপার ফোরে পাকিস্তানের সঙ্গে নিজেদের শেষ ম্যাচটি এখন তো যেন এক অলিখিত সেমিফাইনালে পরিণত হয়েছে। ফাইনালে পৌঁছানোর জন্য উভয় দলের জন্যই এখন সহজ সমীকরণ, যারা এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে জিতবে, তারাই মূল টুর্নামেন্টের মহারণে অংশ নেবে। আজ ২৫ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার, বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায় দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে দুই মানুশের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান।

    এশিয়া কাপের গ্রুপপর্বে বাংলাদেশের ফাইনালে উঠার সম্ভাবনা খুব বেশি মনে হয়নি। তবে সুপার ফোরে প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বাংলাদেশের আশার বাতিগুলি প্রজ্জ্বলিত হয়েছে। ওই ম্যাচে বাংলাদেশের ব্যাটিং দুর্দান্ত পারফরমেন্স দেখিয়ে বেশ আশাবাদ জুগিয়েছে, যা পাকিস্তানের বিপক্ষে অন্যান্য ম্যাচেও দেখা গেছে। বিশেষ করে সুপার ফোরের শেষ ম্যাচে, যখন পাকিস্তানের স্বাভাবিক ধারাবাহিক ব্যাটিংয়ে কিছু দুর্বলতা দেখা গেছে, তখন বাংলাদেশের বোলিং বিভাগ কিছুটা আশা জাগিয়েছে।

    পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে, তবে, এখনো অনেক অনিশ্চয়তা দেখা যাচ্ছে। গ্রুপপর্বে ভারতের বিপক্ষের পর বিগত ম্যাচে তাদের পারফরম্যান্সে ধারাবাহিকতা ছিল না। ভারতীয় দলের মতো শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিপক্ষে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইন আপ বেশ দুর্বল হতে দেখা গেছে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে যে মাত্র ১৩৪ রান তাড়া করতে হয়নি, শেষপর্যন্ত ১২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে পাকিস্তান কিছুটা চাপের মুখে পড়েছে। পরে শেষ দিকে হুসাইন তালাত ও মোহাম্মদ নওয়াজের জুটি পাকিস্তানের বিপদ থেকে খানেকটা মুক্তি দিয়েছে। বাংলাদেশের বোলাররা এখন পাকিস্তানের এই ব্যাটিং দুর্বলতা কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করছে।

    বাংলাদেশের বোলিং দুর্দান্ত প্রশংসা পেয়েছে। গতকালও ভারতের বিপক্ষে পাওয়ার প্লেতে তারা গড়ে ১২ গড়ে ৭২ রান দিয়ে, ১০.১ ওভারে দলীয় ১শ পূর্ণ করে ফেলেছে। তাতে সূর্যকুমার যাদবের দল ১৬৮ রানের লক্ষ্য পৌঁছায়। বাংলাদেশের ব্যাটসম্যান সাইফ হাসানের ছাড়া অন্য কেউ ধারাবাহিকভাবে কিছু করতে পারেননি, যা আশার সঙ্গে কিছু হতাশার ছোঁয়া দেয়। তবে সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস কিছুটা বেড়েছে। তাদের মাটিতে জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি সিরিজে পাকিস্তানকে ২-১ ব্যবধানে হারানোর স্মৃতি এখনও জ্বলজ্বল করছে। এছাড়া শ্রীলঙ্কা ও নেদারল্যান্ডসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক জয় লাভের মধ্য দিয়ে এই দলটি এশিয়া কাপের জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে। পাকিস্তানের বিপক্ষে মোট টি-টোয়েন্টি ম্যাচে এখনো বাংলাদেশ পিছিয়ে, যেখানে পাকিস্তান ২০ জয়, বাংলাদেশের জয় মাত্র ৫টি।

    ভারতসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়ে গত ম্যাচে নেতৃত্ব দেওয়া জাকের আলি অনিক বলেন, ‘আমরা চ্যাম্পিয়ন হতে আসছি। কালকের (পাকিস্তান) ম্যাচেও সেই সাহস নিয়ে খেলব। ফাইনালে উঠা ও চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্যই খেলছি। বোলিং ও ব্যাটিং দুই বিভাগেই আমরা ভালো করেছি। অবশ্যই আমাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ব্যাটিংয়ে ভালো করে ম্যাচটি জেতা। আশা ছাড়ার কিছু নেই।’

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের তারকা পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি মনে করছেন, বাংলাদেশকে হারানোর জন্য পাকিস্তানকে নিজেদের সেরাটা দিয়েই খেলতে হবে। বাঁ-হাতি এই পেসার বলেন, ‘বাংলাদেশ ভালো দল। বেশ কিছুদিন ধরে তারা ভালো খেলছে। শক্তিশালী দলের সঙ্গে খেললে প্রথম ধাক্কাটা আপনাকেই দিতে হবে। আমাদের যত বিভাগ, ব্যাটিং, বোলিং ও ফিল্ডিং-তিনই ভালো খেলতে হবে, যাতে আমাদের জেতার সুযোগ তৈরি হয়।’

  • আইসিসির কাছে অভিযোগ করেছে ভারতের against পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

    আইসিসির কাছে অভিযোগ করেছে ভারতের against পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের

    এশিয়া কাপের সুপার ফোরে রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মাঠের আচরণকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) পাকিস্তানের ক্রিকেটার হারিস রউফ এবং শাহেবজাদা ফারহানের বিরুদ্ধে আইসিসির কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেছে। জানা গেছে, এই অভিযোগটি বুধবার ই-মেইলের মাধ্যমে আইসিসির কাছে পৌঁছে গেছে। যদিও রউফ ও ফারহান লিখিতভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, ফলে বিষয়টি এখন শিগগিরই শুনানির মুখোমুখি হতে পারে। এই শুনানি পরিচালনা করবেন ম্যাচ রেফারি রিচি রিচার্ডসন, পরিচালক হিসেবে থাকবেন অ্যান্ডি পাইক্রফট।

    অভিযোগের মূল বিষয়বস্তু হলো—ফারহানের অর্ধশতক পূরণের আগে করা উদযাপন এবং লাইন ধরে ফিল্ডিং করার সময় দর্শকদের উদ্দেশে রউফের অঙ্গভঙ্গি, যা ইতোমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

    এদিকে, আরও একটি অপ্রত্যয়িত সূত্রে খবর পাওয়া গেছে যে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) নাকি পাল্টা অভিযোগ করে রেখেছে ভারতের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের বিরুদ্ধে। ১৪ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের বিপক্ষে জয়ের পর, সূর্যকুমার সেই জয়টি পেহেলগাম সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের পরিবারকে উৎসর্গ করেছিলেন। পিসিবি এটিকে ‘রাজনৈতিক মন্তব্য’ আখ্যা দিয়ে অভিযোগ তুলেছে বলে জানা গেছে।

    অপরদিকে, সেই ম্যাচের পরের উপস্থাপনা অনুষ্ঠান নিয়েও বিভিন্ন প্রশ্ন উঠেছিল। ভারত ও পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের মধ্যে হ্যান্ডশেক না করাকে কেন্দ্র করে ‘হ্যান্ডশেকগেট’ নামক এক বিতর্ক চলে।

    সোমবারের ম্যাচটিও ছিল উত্তেজনাপূর্ণ। পাকিস্তানের দুই পেসার শাহীন শাহ আফ্রিদি ও হারিস রউফের সঙ্গে ভারতের দুই ওপেনার অভিষেক শর্মা ও শুবমান গিলের মধ্যে বাকবিনিময় ও তর্ক চলে, যা ম্যাচের পরিবেশকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

  • বিসিবি নির্বাচনে ক্রিকেটারদের এমন পরিস্থিতি

    বিসিবি নির্বাচনে ক্রিকেটারদের এমন পরিস্থিতি

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচন ঘিরে চলছে একাধিক বিতর্ক ও নাটকীয়তা। নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও বর্তমান সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তবে তামিমের প্রার্থিতা নিয়ে নতুন করে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে।

    সাবেক ক্রিকেটার হালিম শাহ অভিযোগ তুলেছেন, তামিম এখনও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর না নিলে তিনি বিসিবির নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাউন্সিলর হতে পারবেন না। তিনি আরও জানান, তামিম ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের সদস্য নন এবং ক্লাবের পক্ষ থেকে কাউন্সিলর করার জন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় নি।

    অথচ, বাস্তবতা হলো, গত ১০ জানুয়ারি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তামিম ইকবাল জানিয়েছেন তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেছেন। তার এই ঘোষণাটি দেশ-বিদেশের সংবাদমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশিত হয়। তিনি আরো জানান, যদি তিনি বিসিবিতে দায়িত্ব নেন, তবে তিনি ঘরোয়া ক্রিকেট থেকেও সরে যাবেন। বর্তমানে তিনি ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়েকজন বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে একযোগে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। সাবেক টেস্ট অধিনায়ক মুমিনুল হক, সৌম্য সরকার, তাইজুল ইসলাম, ইরফান শুক্কুর, মোহাম্মদ মিঠুন ও সাব্বির রহমান সবাই একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, বিসিবি নির্বাচনের এই ধরনের অপ্রশান্তি ও বিভ্রান্তির অবসান দরকার। তারা আরো বলছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ—অতএব, নির্বাচনে যেন প্রতিযোগিতা হয় স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ।

    এসব ঘটনার মাধ্যমে স্পষ্ট হলো, বিসিবি নির্বাচন শুধু একটি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়, এটি দেশের ক্রিকেটের ভবিষ্যত নির্ধারণে এক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই নির্বাচনের ফলাফল নিশ্চয়ই দেশের ক্রিকেটের জন্য দিক নির্দেশক হতে যাচ্ছে।