বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের মূল্য দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে, যার কারণে বাংলাদেশের বাজারেও নতুন একটি রেকর্ড তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের বাজারে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম নতুন দরে নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন থেকে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের প্রত্যেক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম হবে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি রেকর্ড। এই নির্ধারিত দাম মঙ্গলবার থেকে কার্যকর হবে।
Author: bangladiganta
-

এক দিনের মধ্যেই স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড
২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও উচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, এটি প্রতিদিনের পরিবর্তনশীল বাজারের জন্য একটি বড় খবর। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) মঙ্গলবার রাত্রে একজন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে জানিয়েছে, ভরিতে ৩ হাজার ৬৬৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ স্বর্ণের দাম হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে এই নতুন মূল্য কার্যকর হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম মূলত বেড়েছে, যা স্বর্ণের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। নতুন এই দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য দাঁড়াবে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির (পূর্বের প্রথামূলক মান) স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির সময় সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি স্বর্ণের মূল্যর সঙ্গে যোগ করতে হবে। তবে গহনা তৈরির ডিজাইন ও মান অনুসারে মজুরির পার্থক্য হতে পারে।
প্রসঙ্গত, গত ২২ সেপ্টেম্বর বাজুস দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল এবং ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করেছিল ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা। এতে দেশীয় বাজারে স্বর্ণের দাম সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছিল। সেই সময়ে অন্যান্য ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ছিল যথাক্রমে ২১ ক্যারেট ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকা।
এছাড়া, এই বছর জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৫৭ বার, যেখানে ৪০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং মাত্র ১৭ বার দাম কমেছে। ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার দাম পরিবর্তন হয়েছে, এর মধ্যে ৩৫ বার বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে।
এসবের পাশাপাশি, স্বর্ণের দাম বেড়ানোর সঙ্গে রুপার মূল্যেও বৃদ্ধি দেখা গেছে। ভরিতে ১৫২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। অন্যান্য ক্যারেটের রুপার দাম যথাক্রমে ২১ ক্যারেটের ৩ হাজার ৪৫৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।
-

গণহত্যা ও ইনস্টিটিউশন ধ্বংসের সঙ্গে জড়িতদের বিচার ও শাস্তি দাবি বিএনপির
বিএনপি নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে আজ আবারও বলেছে, তারা কোনোরকম রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের পক্ষে নয়। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বৃহস্পতিবার সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে বলেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ এবং তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের বিষয়ে তিনি কি বলবেন? দেশের সবচেয়ে পুরনো দল হওয়ার পরেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা নিজেদের ক্ষতিসাধন করেছে। আওয়ামী লীগ সব চরিত্রকে ভুলিয়ে দিয়ে এখন এক ফ্যাসিস্ট দল হিসেবে পরিণত হয়েছে। এ জন্য সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের আস্থা কমে গেছে। যারা গণহত্যা, ইনস্টিটিউশন ধ্বংসের জন্য জড়িত, তাদের সবাইকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে এবং উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া দরকার।
ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগকে শাস্তি দেওয়া বা তাদের রাজনীতি বন্ধ করার ব্যাপারে বিএনপির স্পষ্ট অবস্থান আছে। তিনি বলেন, আমরা কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করতে চাই না। কিন্তু যদি সেই দল গণহত্যা বা দেশের প্রতিষ্ঠানধ্বংসের মতো অপরাধে জড়িয়ে যায়, তবে তাদের অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের চেয়ারম্যান ও দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দও এরকমই বলছেন। তবে নির্বাচনের ব্যাপারে বিএনপি মনে করে, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি বলেন, এই নির্বাচন সফল করতে সাধারণ মানুষকে তাদের বিশ্বাস পুনরুদ্ধারে কাজ করতে হবে।
অন্যদিকে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের ব্যাপারে তিনি জানিয়েছেন, ড. ইউনূস খুব দৃঢ়চিত্তে নির্বাচনে সহায়তা করছেন। যদিও বাংলাদেশে অবস্থা জটিল ও সব সময় অস্থির, এ কারণেই পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ বিভাজনের জন্য রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিভ্রান্তি তৈরি করছে। বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করেন, ১৫ বছরের তরুণ রাজনৈতিক বিভাজন আজ দেশের মধ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। এ পরিস্থিতির কারণে সাধারণ মানুষ এবং মিডিয়া মাঝে আস্থা কমে গেছে। এই অস্পষ্টতা দূর করার জন্য বিশ্বাস প্রতিষ্ঠা জরুরি, যা বড় ও কঠিন কাজ।
ফখরুল আরও জানান, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে স্বাভাবিক মনোভাব ফিরিয়ে আনতে এখন আলোচনা চলছে। তিনি বলছেন, দল নিরাপদভাবে বৈঠক করতেস পারেন, পরিস্থিতি দ্রুত শান্ত হতে পারে। তিনি বলেন, দল সব সময় বার্গেইন করে থাকে, এটাকে কেউ অপরাধ মনে করবেন না। সেটি দলটির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। রাজনৈতিক দলগুলো বিভিন্ন দাবি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে; অনেক বিষয় এখনও সমাধানযোগ্য।
শুধু তাই নয়, ড. ইউনূসের সাথে দেখা ও আলোচনা বিষয়েও তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশে আসার আগে তার সাথে সাক্ষাৎ হয়নি। তবে তিনি জানিয়েছেন, বিএনপির অনেক শীর্ষ নেতা ও নেত্রীর সাথে দেখা হয়েছে ও আলোচনা হয়েছে।
অবশেষে, জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে বিএনপি’র সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সবসময় সম্পর্কের পরিবর্তন হয়। তবে তারেক রহমানের দেশে ফেরার ব্যাপারে, তিনি জানান, সব আইনগত সমস্যা সমাধান হলে ও পরিস্থিতি উপযুক্ত মনে হলে, তখনই তিনি দেশে ফিরবেন। ততক্ষণে নিরাপত্তা সব সময় নিশ্চিত করা হবে। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বিএনপি মহাসচিব এই সফরসঙ্গী নেতাদেরও তথ্য দেন।
-

সরকার চাইলে ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন সম্ভব: মির্জা ফখরুল
দেশের সাধারণ মানুষ আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনের বিষয়ে অনেকেরই শঙ্কা থাকলেও, বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মন্তব্য করেছেন যে সরকার যদি ইচ্ছে করে, তাহলে সেই সময়ের মধ্যেই একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন সম্ভব। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনে অংশ নেওয়ার জন্য অবস্থান করছেন। প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে সেখানে গিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এই কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশে মাত্র তিন মাসের মধ্যে অনেক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অর্থাৎ, নির্বাচন আয়োজনের জন্য কোনো বড় অসুবিধা বা বাধা নেই। মূল বিষয়টি হলো, সরকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা। যদি তারা চায়, তাহলে ফেব্রুয়ারির মধ্যেই নির্বাচন দেওয়া সম্ভব।
তিনি আরো যোগ করেন, প্রায় দুই দশক ধরে দেশের মানুষ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারছে না। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এখন পর্যন্ত কোনো সুষ্ঠু নির্বাচন হয়নি। বর্তমান সরকার পরিবর্তনের পরেও মানুষের মধ্যে আস্থা ভেঙে গেছে, যা পুনরুদ্ধার জরুরি।
বিএনপি মহাসচিব মনে করেন, এই আস্থাহীনতা কাটিয়ে ওঠার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের আরও কার্যকর ও দৃশ্যমান উদ্যোগ নেওয়া উচিত। তিনি বলেন, নির্বাচন হতদরকার, তবে এর জন্য জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
নির্বাচন নিয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কিছু রাজনৈতিক দল সন্দেহ প্রকাশ করলেও, মির্জা ফখরুল তা বড় প্রতিবন্ধকতা মনে করেন না। তিনি বলেন, মানুষ এখন নির্বাচনের জন্য বেশ উদ্দীপ্ত। তাই সরকারের উচিত নিরপেক্ষ, অংশগ্রহণমূলক ও বিশ্বাসable নির্বাচনের জন্য মনোযোগারোপ করা।
প্রধান উপদেষ্টার প্রতি আস্থা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, তিনি আন্তরিকভাবে একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চান। এই বিষয়ে বিশ্ববাসীকে জানাতে জাতিসংঘ সফরে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অন্তর্ভুক্তি করা হয়েছে।
-

ক্ষমতায় এলে ভাঙাচোড়া শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কার করবো: জামায়াতের আমির
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, যদি তারা ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশসেবা ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তিনটি মূল অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করবে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা ব্যবস্থা সংস্কার, কর্মভিত্তিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণ এবং দুর্নীতিমুক্ত সরকারি সেবা প্রদান। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে অনুষ্ঠিত ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এফডিইবি) এর বার্ষিক কাউন্সিলে অংশগ্রহণ করে তিনি এসব কথাবার্তা ব্যক্ত করেন।
বক্তব্যে ডা. শফিকুর রহমান জানান, ক্ষমতায় এলে কাউকে রাস্তায় নামতে হবে না দাবি আদায়ের জন্য; বরং ইনসাফের ভিত্তিতে প্রত্যেকের পাওনা সরাসরি তার হাতে তুলে দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমাদের মূল তিনটি অঙ্গীকার থাকবে — প্রথমে ভাঙাচোড়া শিক্ষাব্যবস্থা পরিবর্তন, এমন শিক্ষা দেওয়া যাতে অনৈতিকতা সৃষ্টি না হয় এবং মানুষকে দুর্নীতিপরায়ণ করে না। আমরা এমন শিক্ষা দেব যা মানুষকে মানুষ হিসেবেই গড়ে তোলে এবং সম্মান শেখায়।’
শিক্ষা খাতে তার কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তিনি বলেন, নৈতিক ও প্রযুক্তিগত পাঠ্যক্রম সমন্বয় করে শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে, যাতে তারা পাঠশেষে কাজ পায় বা নিজেকে উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে। এর ফলে বেকারত্ব কমবে।
দ্বিতীয় অঙ্গীকার হিসেবে তিনি বলেন, রাষ্ট্র যাকে সম্মান দেবে, তা ডিগ্রি নয়, বরং কাজের মাধ্যমে। মানুষের মর্যাদা নির্ধারিত হবে কাজের মূল্য ও দক্ষতার ভিত্তিতে। তিনি বলেন, ‘শুধু সার্টিফিকেট বা ডিগ্রির ভিত্তিতে কারো মর্যাদা নির্ধারণ হবে না; বরং প্রযুক্তি, দক্ষতা ও কাজের ভিত্তিতে মূল্যায়ন হবে।’
তৃতীয় অঙ্গীকার হিসেবে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘দুর্নীতির জোয়ারকে রুখে দিতে হবে। সরকারি সেবার মান ও দায়বদ্ধতা অনুযায়ী যথাযথ বেতন কাঠামো প্রবর্তন করা হবে, যাতে সেবা ও দায়িত্বের ভারসম্য রক্ষণাবেক্ষণ হয় এবং দায়বদ্ধতা পুরস্কৃত হয়।’ এই বক্তব্যে উপস্থিত অনেকেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় তিনি বলেন, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দৃঢ়তা, প্রশাসনিক সংস্কার এবং সামাজিক সমঝোতার প্রয়োজন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এসব উদ্যোগ সফল হলে বাংলাদেশের মানুষের জীবনে সুশাসন, কর্মসংস্থান এবং ন্যায্য সুযোগের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে।
আয়োজকরা বলেন, অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের অভিজ্ঞরা। আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত সদস্য ও অতিথিরা মতামত দেন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।
-

আদেশে সমাজে আদর্শিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে চান আমীর খসরু
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, রাজনীতিতে পরিবর্তন আনা জরুরি। আমাদের উচিত ধারনা ও দর্শন পরিবর্তন করে নতুন ধারণা ও ভিশন তুলে ধরা। তিনি জানান, বিএনপিকে একটি আদর্শিক দল হিসেবে মানুষের কাছে পরিচিত করতে না পারলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়।
শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত জিয়া সুইং মিনি কার্নিভালের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এখনো নতুন প্রজন্মের প্রতি নেতৃত্ব ও দর্শন তুলে ধরা দরকার। জনগণের মনোজগতে পরিবর্তন আসছে, যা আমাদের গ্রহণ করতে হবে। না করলে ভবিষ্যতে রাজনীতি চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।
আমীর খসরু বলেন, আমাদের দেশে রাজনীতির পাশাপাশি স্পোর্টসের গণতন্ত্রায়নের প্রয়োজন রয়েছে। দেশের প্রত্যেক নাগরিক যেন স্পোর্টসের সুযোগ পান, সেটি নিশ্চিত করতে স্পোর্টসকেও গণতন্ত্রায়ন করতে হবে।
তিনি এই উদ্যোগের বিস্তারিত উল্লেখ করে বলেন, একজন নেতা হিসেবে তারেক রহমানের স্পোর্টসের প্রতি আগ্রহ এবং পরিবারের এই উচ্চাকাঙ্ক্ষা সম্পর্কে সবাই জানে। সাদামাটা শুরু হলেও আগামী দিনে ক্রিকেট, ফুটবল, সুইমিং সহ বিভিন্ন ধরনের স্পোর্টসের জন্য নতুন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে। এই স্পোর্টস সেন্টারগুলো প্রত্যেক অঞ্চলে স্থাপন করা হবে, যেখানে নতুন প্রজন্ম তার আগ্রহ ও যোগ্যতা অনুযায়ী অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।
স্পোর্টস মানুষদের দেশপ্রেম ও দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে সাহায্য করে বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের স্পোর্টসের মাধ্যমে নিজস্ব পরিচিতি ও সম্মান অর্জন করেছে। স্পোর্টসের মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উন্নত করে শক্তিশালী সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব—এ বিষয়ে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সবশেষে, তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের স্পোর্টসের জন্য নতুন স্বপ্ন দেখা সম্ভব। বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং স্পোর্টসের মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন ও সম্ভাবনা বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।
-

মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারিতেই হবে নির্বাচন
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তুলে ধরেছেন, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই অনুষ্ঠিত হবে নিশ্চিত। তিনি জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টা এবং সেনাবাহিনীও নির্বাচনের পক্ষে রয়েছে। তবে শত্রু চক্র দেশকে অস্থিতিশীল রাখতে চায়, যা সবাইকে মিলে মোকাবেলা করতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্র ‘ঠিকানা’-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। সাংবাদিক খালেদ মহিউদ্দিনের সঙ্গে আলাপচারিতায় মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে বলেছেন, ফেব্রুয়ারিতেই এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তিনি আরও বলেন, অবশ্যই নির্বাচন হবে, তবে মানুষের মধ্যে যে অবিশ্বাস তৈরি হয়েছে, সেটি দূর করার জন্য সবাইকে একযোগে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। তবে এর মাধ্যমে দেশের জন্য নতুন আত্মবিশ্বাসের ভিত্তি তৈরি করা সম্ভব হবে। বিএনপি মহাসচিব বলেন, ড. ইউনূস নিজেও নির্বাচনের পক্ষে আছেন এবং বিএনপি চেয়ারপার্সন সঙ্গে এক বৈঠকে নির্বাচনে সহযোগিতার দৃঢ় আশ্বাস দিয়েছেন। আলাপের সময় তিনি মন্তব্য করেন, অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও জানে যে আসন্ন নির্বাচন।
-

নেতানিয়াহুর ভাষণে ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি বিরোধিতা: ইসরায়েলের গলায় ছুরি ধরার সমান অভিযোগ
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া সম্পর্কে কঠোর খবরদারি ব্যক্ত করেছেন। তিনি মনে করেন, ইউরোপীয় দেশগুলো ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে ইসরায়েলের গলায় ছুরি ধরার মতো কাজে লিপ্ত হয়েছে। এই মন্তব্য তিনি শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া এক ভাষণে প্রকাশ করেন।
নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হওয়ার পরই বেশিরভাগ রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা দপ্তর থেকে বেরিয়ে যান, গ্রাম্য পরিবেশে তিনি উত্তেজিত কণ্ঠে বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি ইসরায়েলের জন্য এক ভয়ংকর হুমকি। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অপরাধমূলক এই সিদ্ধান্ত তার জন্য হয়তো ইহুদি সমাজের জন্য খারাপ দিক নির্দেশ করবে, কারণ এটি ইসরায়েলেকে একদিকে আত্মঘাতী পথে ঠেলে দিচ্ছে।
নেতানিয়াহু ইউরোপীয় নেতাদের কঠোর আক্রমণ করে বলেন, মিডিয়া ও ইহুদিবিরোধী মবের মুখোমুখি হওয়ার সাহস এই নেতাদের নেই; বরং তারা ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়ে হামাসকে পুরস্কৃত করছে এবং ইসরায়েলকে ধ্বংসের পথে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন, আমরা কখনো এইভাবে মানব নই।
গত সোমবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এক বৈশ্বিক সম্মেলনের মাধ্যমে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। ওই সম্মেলনে ফ্রান্স ও সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত হয়েছিল। এর ফলে ফরাসি, বেলজিয়ান ও জর্দানসহ বেশ কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি দিয়েছে। পাশাপাশি, মধ্যপ্রাচ্যের আল আকসা অঞ্চলে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান ও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব বন্ধের দাবিও তোলেন বক্তারা।
তবে নেতানিয়াহু এই ভাষণে পশ্চিম তীর অঞ্চলে ইসরায়েলের দখলদার কার্যক্রম নিয়ে কিছু বলেননি, বরং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ও পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনি সরকারকে ‘প্রাচীন দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহু তার রাজনীতি জীবনের শুরু থেকেই দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের বিরোধিতা করে আসছেন। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস অভিযান অব্যাহত থাকলেও তিনি সেই আচরণ বন্ধে কোন নির্দেশ দেননি।
নেতানিয়াহুর ভাষণের প্রতিক্রিয়ায়, পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিন সরকারের মুখপাত্র আদেল আতিয়েহ বিবৃতিতে বলেন, এই ভাষণ বিশ্বের পরাজিত এক মানুষের স্বীকারোক্তি ছাড়া কিছুই নয়।
-

ডেবপ্রিয় ভট্টাচার্য: মেরুদণ্ডহীন মানবাধিকার কমিশন চাই না
বিগত সময়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে নখদন্তহীন এবং দুর্বল করে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, আমরা এমন মানবাধিকার কমিশন চাই না যা কার্যকরভাবে মানবাধিকার রক্ষা করতে সক্ষম নয় এবং যার কোনো মেরুদণ্ড নেই।
আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে অনুষ্ঠিত খসড়া জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ শীর্ষক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, ২০০৯ সালে ড. ফখরুউদ্দিনের সরকারের সময় মানবাধিকার কমিশনের আইনের খসড়া তৈরি হয়েছিল। এরপর নতুন সরকার সেই আইনের ভিত্তিতে কমিশন গঠন করে, এবং বিভিন্ন সময় চেয়ারম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে ২০২৪ সালের নভেম্বরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের পর কমিশন বাতিল হয়ে যায়, যার ফলে বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বর্তমানে কার্যত অচল। অন্যদিকে, এই সময়ে সরকার আরও নানা কমিশন গঠন করেছে।
তিনি বলেন, যদিও এই সময় মানবাধিকার বিষয়ক আইন প্রণয়নের চেষ্টা চালানো হয়েছে, কিন্তু বাস্তবে দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি উন্নতি হয়নি। বরং, এখনকার খসড়া আইনে নতুনত্বের অভাব রয়েছে, যা বাস্তবে পিছিয়ে থাকা মানুষদের মানবাধিকার নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে। তিনি স্পষ্ট করেন, আমাদের প্রথম চাওয়া হলো, ক্ষমতা সম্পন্ন এবং দক্ষ মানবাধিকারের রক্ষাকারী একটি সক্ষম কমিশন তৈরি করা।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, কমিশনের প্রধানকে একজন মেরুদণ্ডবক্ত ব্যক্তির ছেলে বা মেয়ে হিসেবে নয়, বরং একজন সাহসী, নীতিবান এবং সরকারের সঙ্গে লড়াই করতে সক্ষম ব্যক্তির নিয়োগ দেয়া উচিত। তিনি বলেন, একজন মেরুদণ্ডহীন ব্যক্তি কখনো মানবাধিকার রক্ষা করতে পারবেন না, তাই আন্তরিকতা ও সাহস সম্পন্ন ব্যক্তির প্রয়োজন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া বলেন, বিগত সময়ে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানবাধিকার কর্মকা- যথাযথভাবে কাজ করেনি। তিনি বলেন, নতুন খসড়া আইনে দ্বৈত নাগরিকত্বের বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। দ্বৈত নাগরিকদের নিয়োগে কোনো বাধা থাকা উচিত নয়। তিনি বলেন, এর কারণ জানি না, তবে এটি প্যারিস চুক্তির সঙ্গে বিরোধপূর্ণ।
‘বাংলাদেশ রিফর্ম ওয়াচ’ এর উদ্যোগে আয়োজিত এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানের মূল উদ্দেশ্য ছিল, আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের ভিত্তিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের (এনএইচআরসি) দায়িত্ব, গঠন, স্বাধীনতা ও কার্যক্ষমতা বিশ্লেষণ করা। পাশাপাশি, খসড়া আইনকে আরও কার্যকর করার জন্য পরামর্শ দেয়া, যেন কমিশনের অনুসন্ধানী ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, ভুক্তভোগী ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত হয় এবং সমন্বিত প্রতিরোধ কার্যক্রম বাস্তবায়িত হয়।
-

প্রকৃতি রক্ষা করলে বাংলাদেশ হবে পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয়: পরিবেশ উপদেষ্টা
বিশ্ব পর্যটন দিবসের উদযাপন উপলক্ষে রাজধানীতে একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্রকৃতি রক্ষা করলে বাংলাদেশ আরও বেশি আকর্ষণীয় পর্যটন গন্তব্যে পরিণত হবে। তিনি emphasized করেছেন যে পর্যটন শিল্পের বিকাশের জন্য পরিকল্পিত নগরায়ন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) বিশ্ব পর্যটন দিবসের মূল অনুষ্ঠানে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ‘টেকসই উন্নয়নে পর্যটন’ থিমে নানা কর্মসূচি আয়োজন করে। এই কর্মসূচির মধ্যে ছিল র্যালি, সাইকেল র্যালি, সিটি ট্যুর ও ফুড স্টল, যা আগারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সৈয়দা রিজওয়ানা এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, সরকার তরুণ সমাজকে প্রকৃতি ভিত্তিক পর্যটনের প্রতি উৎসাহী করে তুলতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে। বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মধ্যে সিলেটের চা-বাগান, কক্সবাজারের সুন্দর সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন ও পাহাড়ি অঞ্চলের জলপ্রপাতগুলো অমূল্য সম্পদ হিসেবে বিবেচিত। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, এসব প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করলেই টেকসই পর্যটন নিশ্চিত হবে। সবাইকেই দায়িত্বশীল পর্যটন চর্চায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন, বাণিজ্য ও বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান এবং বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সায়েমা শাহীন সুলতানা।
