Author: bangladiganta

  • গোলাম পরওয়ারের খোঁচা: জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না

    গোলাম পরওয়ারের খোঁচা: জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না

    সোমবার বিকেলে তালা ফুটবল মাঠে অনুষ্ঠিত ছাত্র-যুব সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইসলামী নেতা গোলাম পরওয়ার। সেখানে তিনি বলছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) একজন আহবায়ক নাহিদ ইসলামের ফেসবুক পোস্টের প্রসঙ্গ তুলে, জামায়াতে ইসলামী ও নতুন দলগুলোর তুলনা করেন। তিনি বলেন, একটি দল ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলেছে—জামায়াতের কোনো করোশনি, অংশীদারিত্বের রাজনীতি বা দেশ গঠনে তাদের কোন ভূমিকা নেই। এ ধরনের মনোভাব দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘তোমরা নতুন দল, ওরা তো এ রাজনীতিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেই পারবে, কিন্তু জন্ম নিয়েই বাপের সঙ্গে পাল্লা দিও না।’ গোলাম পরওয়ারের মন্তব্যে স্পষ্টতঃ বোঝা যায়, তিনি এই নতুন রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য সতর্কবার্তা দিচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, ঐকমত্য কমিশনে লিখিতভাবে জামায়াতই পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট দিয়েছে। কিন্তু অনেক নেতা-কর্মী দুঃখজনকভাবে স্ট্যাটাস দিয়ে এই মতবাদকে সমালোচনা করছে, মানে তারা জামায়াতেরই প্রতিপক্ষ হয়ে উঠছে। তিনি বলেন, গেরিলা আন্দোলন বা চতুর্দশের সময় জামায়াতের ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই। তিনি বলেন, ‘তাদের প্রতি জামায়াতের শ্রদ্ধা ও দোয়া থাকবে। অশালীন ভাষা বা অরাজনৈতিক কথাবার্তা কোনো নেতা শোভনীয় নয়।’

    জামায়াতের নেতা হিন্দু ভোটের প্রসংগে বলেন, ‘হিন্দু মানে নৌকা নয়, দাঁড়িপাল্লা। যদি তারা দাঁড়িপাল্লায় ভোট দেন, তারা দেশের সবচেয়ে নিরাপদে থাকবে। তারা চাইলে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে পারে, যেখানে কখনো জুলুম বা নির্যাতন থাকবেনা।’ পরওয়ার বলেন, ‘বিরোধী দল এখন বলছে—জামায়াত নিষিদ্ধ করতে হবে—এটা ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের কথাই, যা সম্পূর্ণ অপপ্রচার। সব বিতর্ক উপেক্ষা করে, জামায়াতের অগ্রযাত্রা আটকানো সম্ভব নয়। পরিবেশ বদলে গেছে; এখন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত গণজোয়ার তৈরি হয়েছে, আর তার প্রতীক হচ্ছে দাঁড়িপাল্লা।’

    তিনি আরও বলেন, হিন্দু ভোটের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সম্পর্কের ভুল ধারণা যেনো চলে যায়, যদি তারা অন্তর্ভুক্ত হন, তারা রক্ষা পাবে। অতীতের শহিদদের স্মরণ করে বলেন, জামায়াত জনগণের অধিকার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠায় কাজ করে। তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্টের পর একটি দল দখলবাজি ও চাঁদাবাজি শুরু করেছে, তারা মানুষের শান্তি ও ন্যায়ের রাজনীতি চায়, যার প্রতীক দাঁড়িপাল্লা। মূল লক্ষ্য হলো, তালা-কলারোয়ায় দুর্নীতি ও সন্ত্রাস মুক্ত সমাজ গড়ে তোলা ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

    উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মফিদুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনের সংসদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মোঃ ইজ্জত উল্লাহ, ইসলামী ছাত্র শিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক মহলের সদস্য মুহাদ্দিস আবদুল খালেক, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, শিক্ষক শফিকুল ইসলাম, সাবেক জেলা আমীর হাফেজ রবিউল বাসার, জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, ডাঃ মাহমুদুল হক, জেলা সেক্রেটারি আজিজুল ইসলাম সহ আরও অনেকে। আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলা থেকে হাজার হাজার অনুসারী এই সমাবেশে অংশ নেন।

  • সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত নয় জামানতদাররা, সালাহউদ্দিন আহমদ

    সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের বিশৃঙ্খলার সঙ্গে জড়িত নয় জামানতদাররা, সালাহউদ্দিন আহমদ

    বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাইয়ের সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে ঘটে যাওয়া বিশৃঙ্খলার সঙ্গে সত্যিকার July যোদ্ধারা জড়িত থাকতে পারে না। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, এই ঘটনা মূলত আওয়ামী ফ্যাসিস্টরা অনুপ্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অপচেষ্টা। আজ (১৯ অক্টোবর, রোববার) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপার্সনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি এই সম্মানজনক July যোদ্ধাদের যথাযোগ্য সম্মানে দেখে এবং তাদের জন্য প্রতিটি ভূমিকা সম্মানের সঙ্গে তারাই স্মরণ রাখছে। তাদের সম্মানহানি এড়ানোর জন্য দলের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, ছাত্র গণঅভ্যুত্থান হচ্ছে দেশের গণতান্ত্রিক সংগঠন ও সংগ্রামের এক চিত্তাকর্ষক দৃষ্টান্ত। এই অভ্যুত্থানে জড়িত ব্যক্তিদের ও সংগঠনের অবদানকে সম্মানিত করার জন্য পরিব্রাজক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা যাতে বিতর্কিত না হন, সেজন্য সচেষ্ট থাকছে দল।

    সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, বিএনপিকে এই অভ্যুত্থানের বিপরীতে দাঁড় করানোর জন্য কোন ধরনের অপপ্রচেষ্টা সফল হবে না। পাশাপাশি, ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে নাহিদ ইসলামের বক্তব্যকে তিনি স্বাগত জানিয়েছেন।

    তিনি বলেণ, দেশে কিছু কিছু ঘটনার পেছনে একই সূত্র রয়েছে। অনেকের ধারণা, জাতীয় অস্থিতিশীলতার দিকেই এই পরিস্থিতি নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। তিনি সবাইকে আহ্বান জানান, বিএনপির বক্তব্যকে বিভ্রান্ত করে বা খণ্ডিত করে অপব্যাখ্যা করা থেকে বিরত থাকতে।

  • ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশনে আগুনের সূত্রপাত সন্দেহ: বেবিচক চেয়ারম্যান

    ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশনে আগুনের সূত্রপাত সন্দেহ: বেবিচক চেয়ারম্যান

    বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক জানান, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে ঘটে যাওয়া আগুনের সূত্রপাত ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশন থেকেই হয়েছে বলে মনে হয়। তবে ঠিক কী কারণে আগুন লাগেছে, তা এখনও নিশ্চিত নয়, এটি তদন্তাধীন। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই অংশ থেকেই আগুনের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে নানা সংস্থা ছাড়াও তদন্তের কাজ চলছে। তদন্ত শেষে আসল কারণ জানা যাবে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বেবিচকের সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক আরও বলেছিলেন, আগুনের সময় ১৫টি ফ্লাইট বিভিন্ন রুটে পাঠানো হয়। এ সময় বিমান চলাচল বন্ধ থাকায় অনেক যাত্রী আটকা পড়েছিলেন, যারা পরদিন বিকেল ৪টার মধ্যে তাদের নির্ধারিত গন্তব্যে পৌঁছে দেন।

    তিনি আরও জানান, আগুন লেগে মুহূর্তের মধ্যে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ইউনিট উপস্থিত হয় এবং ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে। এরপর সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিসের আরও দল আগুন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। আনুমানিক দুপুর ২টা ১৫ মিনিটের দিকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনাল, বিশেষ করে ইমপোর্ট কার্গো সেকশনে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। প্রথমে টাওয়ার থেকে ধোঁয়া দেখা যায়, পরে আমরা ঘটনা স্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি মোকাবিলা করি।

    প্রাথমিক পর্যায়ে ধারণা করা হচ্ছে, আগুনের সূত্রপাত ইমপোর্ট কুরিয়ার সেকশনের থেকে হলেও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন। একাধিক তদন্ত কমিটি এ ঘটনার সঠিক কারণ জানাতে কাজ করছে। সঠিক তথ্য ছাড়া কোনো মন্তব্য করা অবাঞ্ছিত বলে জানান তিনি।

    বেবিচক চেয়ারম্যান উল্লেখ করেন, আগুন লাগার সময় উত্তর পাশে বিমানবাহিনীর হ্যাঙ্গার ও দক্ষিণ পাশে মূল টার্মিনাল ছিল। কিন্তু আমাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা ও সতর্কতার কারণে আগুন ছড়িয়ে পড়েনি। আল্লাহর রহমতে, কোনও প্রাণহানি ঘটেনি।

    তিনি বলেন, ধাপে ধাপে নৌবাহিনী, সেনাবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার তৎপরতায় অংশ নেয়। ১০ মিনিটের মধ্যে বিমানবাহিনীর ঘাঁটি থেকে তিনটি ফায়ার ভেহিকল এসে পৌঁছায়। এরপর আরও ফায়ার ভেহিকল যোগ দেয়। সব মিলিয়ে প্রায় ৪০টির বেশি ফায়ার ফাইটিং ভেহিকল আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

    চেয়ারম্যান জানিয়ে তুলেছেন, আগুন লাগার সময় টার্মিনালের ভেতরে বেশ কিছু বিমান ছিল। দ্রুত সেগুলো নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়, যাতে আগুন ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা না থাকে। উভয় পাশে কাট-অফ মেকানিজম ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলেই বড় ধরনের বিপর্যয় এড়ানো গেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

  • শিক্ষকদের জন্য বাড়ি ভাড়া ১৫ শতাংশ বাড়ছে, দুই ধাপে কার্যকর হবে

    শিক্ষকদের জন্য বাড়ি ভাড়া ১৫ শতাংশ বাড়ছে, দুই ধাপে কার্যকর হবে

    বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য মূল বেতনের ১৫ শতাংশ বাড়ি ভাড়া বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকার। এই বাড়িভাড়া বৃদ্ধি দুটি ধাপে কার্যকর হবে, যা এই অর্থনৈতিক পরিবর্তনকে আরও সুসংগত ও কার্যকরী করবে। সোমবার (২১ অক্টোবর) শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক সি আর আবরার এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় এই সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন, যেখানে আন্দোলনরত শিক্ষক নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

    শিক্ষক নেতাদের পক্ষ থেকে দেলাওয়ার হোসেন আজিজী জানিয়েছেন, এই সমাধানটি শিক্ষকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি আরো বলেন, বুধবার (২২ অক্টোবর) থেকে শিক্ষকরা আবার ক্লাসে ফিরে যাবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ বলেন, আজকের দিনটি শিক্ষাবিষয়ক ইতিহাসে এক স্মরণীয় দিন। তিনি জানান, চলতি বছরের নভেম্বরের ১ তারিখ থেকে এবং ২০২৬ সালের জুলাই থেকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য ৭.৫ শতাংশ করে দুই ধাপে মোট ১৫ শতাংশ বাড়িভাড়া কার্যকর হবে। এখনই এই ভাতা নিশ্চিত হওয়ায় শিক্ষকরা অত্যন্ত খুশি ও গর্বিত। তিনি বলেন, শিক্ষককে আরও সম্মান ও মর্যাদা দেওয়া দরকার এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে রাষ্ট্রের আরও সচেষ্ট থাকতে হবে।

    তার মতে, এই প্রক্রিয়া সহজ ছিল না; বিভিন্ন মতবিরোধ, বিতর্ক এবং অভিযোগের মধ্য দিয়ে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হয়েছে। শিক্ষা বিভাগ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও উপদেষ্টাদের সঙ্গে একযোগে কাজ করে গেছেন যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর স্বার্থ সুরক্ষিত হয়। তিনি উল্লেখ করেন, এটি কোনো একক কৃতিত্ব নয় — এটি একটি যৌথ সাফল্য।

    উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মাসিক ভাড়া ১০০০ টাকা করে দেয়া হত। ৩০ সেপ্টেম্বর তারা বাড়িভাড়া ৫০০ টাকা বৃদ্ধি চেয়ে অর্থ বিভাগে চিঠি দিয়েছিল। তবে আন্দোলনের কারণে সেটি কার্যকর হয়নি। এরপর তারা শতভাগ ভাড়া বৃদ্ধির জন্য আলাদাভাবে অনুরোধ জানান।

    এর মধ্যে, ১৯ অক্টোবর সর্বনিম্ন ২০০০ টাকা বাড়িভাড়া ভাতা দেওয়া সংক্রান্ত ঘোষণা আসে। সেসময় শিক্ষকরা বেশ কিছু দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন, যাতে তারা বাড়িভাড়া আরও বাড়ানোর দাবি করেছিলেন। মঙ্গলবার শিক্ষকরা কালো কাপড় পরে শাহবাগে অবস্থান নেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই সরকারের পক্ষ থেকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ঘোষণা আসে। এখন শিক্ষকরা আবার শিক্ষার মূল কাজের শ্রেণিতে ফিরতে মুখিয়ে রয়েছেন, যাে শিক্ষার্থীদের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    এ প্রবণতা ও আলোচনা ভবিষ্যতে শিক্ষার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এই সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের মর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নে এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে।

  • ৪৫ কোম্পানির ২০০ কোটি টাকার ওষুধের কাঁচামাল জ্বলেছে: ঔষধ শিল্প সমিতির শোকপ্রকাশ

    ৪৫ কোম্পানির ২০০ কোটি টাকার ওষুধের কাঁচামাল জ্বলেছে: ঔষধ শিল্প সমিতির শোকপ্রকাশ

    হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে গত শনিবার ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের سبب ওষুধ উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন কাঁচামাল ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় দেশের ঔষধ শিল্পে বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ঔষধ শিল্প সমিতির নেতারা। সংগঠনের মতে, আনুমানিক ৪৫টি শীর্ষ কোম্পানির প্রায় ২০০ কোটি টাকার কাঁচামাল পুড়ে গেছে।

    বুধবার (২১ অক্টোবর) বেলার সাড়ে ১১টার দিকে তেজগাঁওয়ে সমিতির কার্যালয়ে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানা যায়। সেখানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সমিতির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি এম মোসাদ্দেক হোসেন এবং মহাসচিব ডা. মো. জাকির হোসেন বিশদে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের পরে তারা দ্রুত ক্ষয়ক্ষতির মূল্যায়ন করেন এবং প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হন যে, সর্বনিম্ন ৪৫টি বৃহৎ কোম্পানির মূল্যবান কাঁচামালের ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়াও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

    ডা. জাকির হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিন, হরমোন, ডায়াবেটিক ও ক্যানসার ওষুধের কাঁচামালসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধরনের পণ্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ওষুধ উৎপাদন কারখানাগুলোর জন্য বড় ধরণের বিপর্যয় নেমে এসেছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, এই আনাকাঙ্ক্ষিত ক্ষতি শিল্প খাতে নানা ঝুঁকি ও অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে।

    এ দিকে, সমিতির মতে, দেশের আভ্যন্তরীণ চাহিদার প্রায় ১০০ শতাংশ ওষুধই উৎপাদিত হয় বাংলাদেশে, এবং এই খেত্রে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের সুনাম উচ্চতর হয়েছে। বর্তমানে, বাংলাদেশে তৈরি ওষুধ বিশ্বের ১৬০টিরও বেশি দেশে রপ্তানি হয়ে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, কানাডা ও অস্ট্রেলিয়া।

    সংগঠনটি জানায়, দেশের ওষুধ শিল্পের কাঁচামালের প্রায় ৯০ শতাংশই আমদানি করতে হয় চীন, ভারত ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে। এ ছাড়াও প্যাকেজিং উপকরণ, যন্ত্রপাতি ও স্পেয়ার পার্টসও সরবরাহ করা হয় আন্তর্জাতিক সূত্র থেকে। এসব কাঁচামালের বড় অংশ জীবন রক্ষাকারী ওষুধ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

    সদস্যরা বলেন, কিছু স্পেয়ার পার্টস ও যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা আবার আমদানির জন্য অপেক্ষমান। তবে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এখনো সরবরাহ শৃঙ্খলে সমস্যা দেখা দেয়নি। তবে ক্ষতি সীমিত করতে সরকারের সহযোগিতা প্রয়োজন বলে তারা আক্ষেপ প্রকাশ করেন।

    তাদের আরো সতর্ক করে বলেন, যেসব পণ্য অন্য বিমানবন্দরে আনা হয়েছে, সেগুলোর নির্দিষ্ট তাপমাত্রা রক্ষা জরুরি, এবং এগুলোর ক্ষতি হয়ে গেলে সরবরাহ বন্ধসহ নানা জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। এই অগ্নিকাণ্ডে বেশ কিছু নারকোটিকস বিভাগ থেকে অনুমোদনপ্রাপ্ত পণ্য পুড়ে গেছে, যা পুনরায় আমদানি করতে জটিলতা তৈরি হবে।

    সমিতির ধারণা, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারে, কারণ কাঁচামালের ওপর নির্ভর করে চূড়ান্ত পণ্য উৎপাদনও অনিশ্চিত হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক Estimate অনুসারে, এই ঘটনায় দেশের অর্থনীতিতে প্রায় ৪,০০০ কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হতে পারে।

    বর্তমান পরিস্থিতিতে, ফার্মা শিল্পের ঝুঁকি ও সংকট এড়াতে নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরে সমিতি। এর মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যগুলোর উপর শুল্ক, ডিউটি, ট্যাক্স ও ভ্যাট দ্রুত ফেরত দেওয়া, ক্ষতিগ্রস্ত পণ্যসমূহের এলসির ব্যাংক চার্জ ও সুদ মওকুফ, পুনরায় আমদানির জন্য সহজ শর্তে এলসি খোলা, সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের জন্য প্রয়োজনীয় চার্জ বা জরিমানা মওকুফ ও অনুমোদিত নারকোটিকস পণ্য দ্রুত আমদানি, অফিসের ছুটির দিনেও কাস্টমস কার্যক্রম চালু রাখা, কোল্ড চেইন পণ্য দ্রুত মুক্তি দেওয়া, অক্ষত চুরানির দ্রুত মূল্যায়ন ও সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে অবহিত করা এবং জাতীয় পর্যায়ে সরকারি সংস্থাগুলোর জরুরি বৈঠক ডেকে সমন্বিত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

  • সিইসির মন্তব্য: এআই এর অপব্যবহার বিশ্বসবার মাথাব্যথা, একত্রে চিন্তা করলে সমাধান আসবে

    সিইসির মন্তব্য: এআই এর অপব্যবহার বিশ্বসবার মাথাব্যথা, একত্রে চিন্তা করলে সমাধান আসবে

    কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই এর অপব্যবহার বর্তমানে বিশ্বের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, এআইকে অস্ত্র বা যন্ত্রের সঙ্গে তুলনা করা উচিত, ঠিক যেমন একজন ডাক্তার তা ব্যবহার করেন, তেমনি একজন ছিনতাইকারীও এটি ব্যবহার করতে পারেন। আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে এআই এর অপব্যবহার রোধের জন্য নির্বাচন কমিশন একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং এ বিষয়ে একটি সুষ্ঠু ও কার্যকর নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে।

    মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন আয়োজন করে ‘নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এআই অপব্যবহার প্রতিরোধ’ শীর্ষক এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    সিইসি সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, আমাদের সবাইকে একসাথে চিন্তা করলে আরও ভালো এবং কার্যকর সমাধান বেরিয়ে আসবে। এই কর্মশালাটি সেই লক্ষ্যেই একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে যেখানে বিভিন্ন মতামত ও ধারণা একত্রিত হয়ে একটি সুস্পষ্ট কর্মপরিকল্পনা গড়ে তোলা সম্ভব হবে।

    তিনি আরও বলেন, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় এআই এর অপব্যবহার রোধে একটি শক্তিশালী অবকাঠামো তৈরির জন্য সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা দরকার। কর্মশালায় উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে গুরুত্ব দিয়ে মৌলিক সুপারিশ চাওয়া হয়েছে, যেখানে কেবল নীতিমালা নয়, বরং তা বাস্তবায়নের উপায়ও চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করতে বলা হয়েছে। সিইসি বলেন, এই কর্মশালা থেকে আমি কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ও পরামর্শ পেতে আশা করছি।

    সিইসি জোর দিয়ে বলেন, নির্বাচনের সময়, বিশেষ করে গভীর রাতে, নানা ধরনের ঘটনাক্রম ঘটতে পারে। তাই ভুল বা মিথ্যা তথ্য দ্রুত শনাক্ত ও মোকাবিলার জন্য ২৪ ঘণ্টার নজরদারি ব্যবস্থা চালু রাখতে হবে। এ জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে উপযুক্ত লোকবল নিয়োগের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

    ফ্যাক্ট চেকিং বিষয়ে তিনি বলেন, উন্নত ও দ্রুত তথ্য যাচাইয়ের জন্য কার্যকর পদ্ধতি এবং কাঠামো প্রণয়ন জরুরি। পাশাপাশি, এই কাজ করবে কোন সংস্থা বা দলের উপর ভিত্তি করে জনবল ও সক্ষমতা নির্ধারণের বিষয়েও সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা দরকার।

    প্রত্যন্ত অঞ্চলে সেবা ও সংযোগের চ্যালেঞ্জ নিয়ে সিইসি বলেন, পাহাড়ি এলাকাগুলো কিংবা সমুদ্র উপকূলের দ্বীপগুলো থেকে মিথ্যা বা অপ্রচলিত তথ্য প্রকাশ হতে পারে। এজন্য, এই অঞ্চলের সাথে কেন্দ্রীয় সংযোগ ও সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের কর্মীদের নিয়োগ, তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সুপারিশ করা দরকার।

    সিইসি আরও বলেন, এই কর্মশালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের কাজের গতি ও গতিধারা আরও সমৃদ্ধ করবে। আমাদের উদ্দেশ্য হলো ভুল তথ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে সত্য ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা নিশ্চিত করা।

  • সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগে নতুন নিয়মানুবর্ধন

    সাব রেজিস্ট্রার নিয়োগে নতুন নিয়মানুবর্ধন

    রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মরত কর্মকর্তারা প্রথমবারের মতো নিজস্ব নিয়োগবিধি পেলেন। সোমবার আইন মন্ত্রণালয় প্রকাশ করেছে গেজেটের মাধ্যমে নিবন্ধন অধিদপ্তরের জন্য নতুন নিয়োগবিধিমালা-২০২৫। এই নিয়ম চালু হওয়ায় দেশের স্বাধীনের ৫৪ বছর অতিবাহিত হওয়ার মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রত্যাশিত স্বীকৃতি পেলেন রেজিস্ট্রেশন বিভাগের কর্মকর্তা এবং কর্মচারীরা। এর ফলে বিভিন্ন জটিলতা দূর হবে এবং পদের উন্নতির ক্ষেত্রে ব্যাপক সুনিশ্চিততা আসবে। সাব রেজিস্ট্রাররা শীর্ষ পদ আইজিআর পর্যন্ত পদোন্নতি পেতে পারবেন, যা দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা ছিল। এই নতুন বিধিমালার মাধ্যমে সাব রেজিস্ট্রারদের পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি পেল পাশাপাশি পদোন্নতির দার নতুন করে উন্মোচন হলো। নিবন্ধন বিভাগের শীর্ষ পদ নিশ্চিত করার জন্য অ্যাডিশনাল আইজিআর এবং ডিআইজিআর পদও নতুন করে সৃষ্টি করা হয়েছে। বর্তমানে আইআরও ও এআইজিআর পদসহ মোট ১৭টি পদ হয়েছে। বিধিমালায় প্রতিটি পদের জন্য সরাসরি নিয়োগ ও পদোন্নতির বিস্তারিত নিয়মসহ প্রয়োজনীয় উপবিধি উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, এই বিধিমালা জারির ফলে গেজেটেড অফিসারদের রুলস, ১৯৭৯ কার্যকর থাকবে, যদিও এই রুলস রহিত হবে। তবে, এগুলোর অধীন নিয়োগপ্রাপ্ত ও পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এই নিয়োগ ও পদোন্নতিকে অটুট বলে গণ্য হবে। নতুন বিধিমালা অনুযায়ী নিয়োগ ও পদোন্নতি হবে সরাসরি, প্রেষণে বদলি বা পদের আওতায়। নিয়োগের জন্য গঠিত কমিটি লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ভিত্তিতে সুপারিশ করবে। বেশিরভাগ পদেই নিয়োগ হবে পদোন্নতির মাধ্যমে, তবে কিছু পদে কোটা ও সরাসরি নিয়োগের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শীর্ষতর কোন পদ যেমন মহাপরিদর্শক, নিবন্ধন (আইজিআর), পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ হবে; যদি উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না যায়, তাহলে প্রেষণে নিয়োগ দেওয়া হবে। হাজার ভাগে নিয়োগদেয়া পদগুলো হলো অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক, উপ-মহাপরিদর্শক, সহকারী মহানিবন্ধন পরিদর্শক ও জেলা রেজিস্ট্রার। জেলা রেজিস্ট্রার হওয়ার জন্য কমপক্ষে ৭ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা আবশ্যক। সাব রেজিস্ট্রার পদে ৯৫ শতাংশ নিয়োগ সরাসরি হবে, আর ৫ শতাংশ পদোন্নতির মাধ্যমে। চাকরির জন্য প্রয়োজন: প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে ৭ বছর, অধিদপ্তরের প্রধান সহকারী বা সাঁটলিপিকার, কম্পিউটার অপারেটর হিসেবে ১২ বছর এবং জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের প্রধান সহকারী বা উচ্চমান সহকারী হিসেবে ১৫ বছর অভিজ্ঞতা। শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক বা সমমান। এইভাবে পদোন্নতি, সরাসরি নিয়োগ ও অভিজ্ঞতার সময়সীমার বিস্তারিত নিয়মাবলি উল্লেখ করে নতুন নিয়মানুবর্ধন চালু হয়েছে।

  • আপনি এত টাকা দিয়ে কি করবেন? শাহরুখ খানকে ধ্রুব রাঠীর প্রশ্ন

    আপনি এত টাকা দিয়ে কি করবেন? শাহরুখ খানকে ধ্রুব রাঠীর প্রশ্ন

    বিশ্বের অন্যতম ধনী অভিনেতা হিসেবে খ্যাতি পেয়েছেন বলিউডের ‘বাদশা’ শাহরুখ খান। তবে সম্প্রতি তার এই অবিশ্বাস্য সম্পদ এবং পানমশলার বিজ্ঞাপন নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন জনপ্রিয় ভারতীয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠী। এক ভিডিওতে তিনি শাহরুখের বিশাল অর্থসম্পদের হিসাব তুলে ধরেন এবং জিজ্ঞাসা করেন, এত ধনী হয়েও কেন তাকে ক্ষতিকর পানমশলার বিজ্ঞাপন করতে হয়?

    ধ্রুব রাঠী তার নতুন এক ভিডিওতে জানান, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী বর্তমানে শাহরুখের মোট সম্পদ সাড়ে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১২ হাজার ৪০০ কোটি ভারতীয় টাকা। এই বিপুল সম্পদ কি বস্তুতই এত সহজে বোঝা যায় না—এ বিষয়েও তিনি গুরুত্ব দেন।

    তিনি বলেন, এই পরিমাণ অর্থ ব্যাংকে রাখলে শাহরুখ বছরে কত সুদ পেতেন এবং তার সম্ভাব্য বার্ষিক খরচ কত হতে পারে, তার একটির ধারণা দেন। এরপরই তিনি সরাসরি প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন বলিউডের এই ধনকুবেরের উদ্দেশ্যে—

    “আপনার কি সত্যিই আরও ১০০ বা ২০০ কোটি টাকার দরকার রয়েছে? নিজের মনের গহীনে গিয়ে নিজেকে প্রশ্ন করুন, আপনি এই টাকা দিয়ে কী করতে চান?”

    ধ্রুব রাঠী বলেন, “এমনকি আমার একটাই প্রশ্ন—শাহরুখ খানের কাছে, কি এই পরিমাণ অর্থ কি সত্যিই যথেষ্ট নয়? যদি এই অর্থই যথেষ্ট হয়, তবে পানমশলার মতো ক্ষতিকর পণ্য প্রচার করার প্রয়োজন কী?”

  • জুবিন হত্যা নিয়ে উত্তাল আসাম, কারা ফটকে আগুন লাগা

    জুবিন হত্যা নিয়ে উত্তাল আসাম, কারা ফটকে আগুন লাগা

    আসামের জনপ্রিয় গায়ক এবং রাজপুত্র হিসেবে পরিচিত জুবিন গার্গের মৃত্যু নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা কাটছে না। গত ১৯ সেপ্টেম্বর সিঙ্গাপুরে স্কুবা ডাইভিং করতে গিয়ে তিনি প্রাণ হারান, তবে তার মৃত্যু কিভাবে হয়েছে, তা নিয়ে ভক্তরাও বেশ চিন্তিত। তার দাবি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে গায়কের ব্যান্ডের দুই সদস্য, তার দেহরক্ষী, সিঙ্গাপুরের একটি ফেস্টিভেল আয়োজক ও একটি আত্মীয়কে গ্রেফতার করেছে।

  • দুধ দিয়ে গোসলের পর রিয়া মনিকে তালাক দিলেন হিরো আলম

    দুধ দিয়ে গোসলের পর রিয়া মনিকে তালাক দিলেন হিরো আলম

    গত কয়েক মাসে বিভিন্ন মামলা-মোকদ্দমা ও অভিযোগ-পরিচায়ের গল্পে নানা উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। মান-অভিমান ও রাগের কারণে স্ত্রীর জন্য অপেক্ষা করার পর, শেষ পর্যন্ত নিজের বাড়ি বগুড়ায় নিয়ে গিয়ে পরিকল্পনা করেছিলেন দুইজন আবার পুরানো সম্পর্ক ফিরিয়ে আনতে। তবে এসব চেষ্টা সফল হয়নি, বরং তাদের মধ্যকার উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। এবার সব কিছু পরিষ্কার করে দুধ দিয়ে গোসলের মাধ্যমে স্ত্রীর থেকে তালাক দিয়েছেন জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম।

    শনিবার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর আফতাবনগরের এম ব্লকে ফেসবুক লাইভে হিরো আলম মৌখিকভাবে রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে নিজের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, তার উকিলের মাধ্যমে ডিভোর্সের কাগজপত্র চূড়ান্ত হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে তিন মাসের মধ্যে রিয় মনির তালাকের কাগজ হাতে পাবেন। পাশাপাশি তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি কোনোদিন রিয়া মনিকে অন্যভাবে বউ দাবি করে মিডিয়ার সামনে আনতে চান, তাহলে আমি জোরালোভাবে বলছি—you’ll face consequences.’

    প্রসঙ্গত, এর আগে হিরো আলম ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেছিলেন, ‘আজ বিভিন্ন জেলা থেকে কিছু নারী ভক্ত দুধ নিয়ে আসছেন আমার গোসলের জন্য। আজ আফতাব নগর এম ব্লকে রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে আমাকে দুধ দিয়ে গোসল করাব।’

    শোনা যায়, তালাকের পর শোনা যায় তার বন্ধু-পরিবারের আশঙ্গিতে অপ্রত্যাশিত ভাবে আবার বিয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন হিরো আলম। তবে তিনি নিজেই এই বিষয়টি খণ্ডন করে বলেন, এখন তার আর বিয়ে করার বয়স নয়। তিনি বলেন, ‘আমি এখনও আমার তিন সন্তানের জন্য একজন মা খুঁজছি, কারণ আমি একা তাদের মানুষ করতে পারছি না। আমি আগে দুইটি বিবাহ করেছি, কিন্তু কেউই আমার স্বপ্নের মতো জীবন দিতে পারেনি। তারা সবাই মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছিল যেন আমি তাদের মাধ্যমে স্টার হই, আর এর ফলে আমাদের সংসার ভেঙে যায়। আমি এখন এই সব অপ্রয়োজনীয় ঝঞ্ঝাট থেকে দূরে থাকতে চাই।’