Author: bangladiganta

  • চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত মদপানে ছয়জনের মৃত্যু: চারজনের মরদেহ উত্তোলন

    চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত মদপানে ছয়জনের মৃত্যু: চারজনের মরদেহ উত্তোলন

    চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় বিষাক্ত মদপানে ছয়জনের মৃত্যু ঘটে। এই ঘটনায় বোঝা গেছে, পূর্বে গোপনে দাফিত চারজনের মরদেহ now উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) সকালে সাড়ে আটটা থেকে দুপুরের সাড়ে বারোটা পর্যন্ত এই কাজটি সম্পন্ন করা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট (নির্ণয়প্রাপ্ত) নূরুল হুদা মনিন।

    প্রয়াতদের মধ্যে যারা মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে, তারা হলো—চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার পিরোজখালী গ্রামের লাল্টু হোসেন, খেজুরা গ্রামের সেলিম (৪৫), নফরকান্দি গ্রামের খেদের আলী (৫০), এবং শংকরচন্দ্র গ্রামের শহিদুল মোল্লা।

    উল্লেখ্য, গত ৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে ডিঙ্গেদহ বাজারে কয়েকজন একসঙ্গে বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করেন। এর পরদিন তারা অস্থায়ীভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং ধীরে ধীরে ছয়জনের মৃত্যু হয়। রোববার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও একজনের মৃত্যুতে এই ঘটনার সত্যতা উঠে আসে। গ্রেফতার এড়ানোর জন্য পরিবারের সদস্যরা প্রথমে চারজনের মরদেহ গোপন করে দাফন করেন।

    এ বিষয়ে সদর থানার পরিদর্শক (অপারেশন) হোসেন আলী বলেন, নিহত লাল্টুর ভাই রাকিব ১৩ অক্টোবর একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয় যে, নিহত চারজনের মরদেহ গোপনে দাফন করা হয়েছিল। এরপর ১৫ অক্টোবর আমরা মরদেহ উত্তোলনের জন্য আদালতে আবেদন করলে, ১৬ অক্টোবর আদালত এই নির্দেশ দেন এবং জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের আদেশ দেন।

    আদালতের নির্দেশনায় চারজনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। আইনগত ব্যবস্থাপনার জন্য ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    পুলিশের তদন্তে জানা গেছে, হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিষাক্ত স্পিরিটের শিরোনামে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকোহল বিক্রির সঙ্গে স্থানীয় একটি চক্র জড়িত। মামলার পর চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ ঝিনাইদহ থেকে মূল আসামি ফারুক আহমেদ ওরফে ‘অ্যালকো ফারুক’ (৪০) এবং তার সহযোগী জুমাত আলীকে (৪৬) গ্রেপ্তার করে। তাদের কাছ থেকে ১১৭ বোতল মেয়াদোত্তীর্ণ স্পিরিট উদ্ধার করা হয়।

    ফারুক স্বীকার করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে তিনি হোমিও চিকিৎসার আড়ালে বিষাক্ত ও মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকোহল বিক্রি করে আসছিলেন এবং চুয়াডাঙ্গার বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করতেন।

    সহকারী কমিশনার নূরুল হুদা মনিন বলেন, আমি আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করেছি এবং আমার উপস্থিতিতে চারজনের মরদেহ উত্তোলন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্তের ভিত্তিতে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

  • জামায়াতের ভন্ডামি, এ দেশের মানুষ মানবে না

    জামায়াতের ভন্ডামি, এ দেশের মানুষ মানবে না

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, জামায়াত ইসলামের ধর্মের ভণ্ডামি এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান ও ধার্মিক হিন্দু ভাইয়েরা কোনোভাবেই গ্রহণ করবে না। ইসলামকে বিকৃত করে রাজনীতি করার দিন শেষ। তিনি সোমবার বিকেল ৪টায় দিঘলিয়া উপজেলার বারাকপুর ইউনিয়নে মহিলা দলের কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই মন্তব্য করেন। হেলাল বলেন, নির্বাচন ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারীরা পরিকল্পিতভাবে নাশকতা চালিয়ে নির্বাচন বন্ধ করতে চাইছে। বিএনপি বাংলাদেশের গণতন্ত্র রক্ষা করার জন্য নারীদের অগ্রণী ভূমিকা দেখাতে চায়। বারাকপুরের নারী নেত্রীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমি এখানে আসতে পেরে খুবই আনন্দিত। আপনারা ইসলামের জ্ঞান ও সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে দেশের জন্য গর্বের উদাহরণ সৃষ্টি করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের নারীদের মর্যাদা দিয়েছেন এবং প্রথমবারের মতো মহিলা মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করে নারীর স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করেছেন। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রনু, জেলা মহিলা দলের সভাপতি এডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, সাধারণ সম্পাদক সেতারা সুলতানা, উপজেলা বিএনপি সভাপতি সাইফুর রহমান মিন্টু ও সাধারণ সম্পাদক আঃ রকিব মল্লিক সহ অন্য নেতৃবৃন্দ।

  • সোনার দাম ১৪ দিনে ছয়বার বেড়েছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    সোনার দাম ১৪ দিনে ছয়বার বেড়েছে, নতুন রেকর্ড তৈরি

    দেশের বাজারে চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনের মধ্যে ছয়বার সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে স্বর্ণের মূল্য সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছে গেছে এবং নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। গত একদিনের মধ্যে আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে, যা ক্রেতাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ খবর।

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) আজ (১৪ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ৬১৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকায়। এটি দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চ দাম। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে নতুন এই মূল্য কার্যকর হবে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশজুড়ে ১১.৬৬৪ গ্রাম (এক ভরি) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম দাঁড়াবে ২ লাখ ১৬ হাজার ৩৩২ টাকা। এর পাশাপাশি অন্যান্য ক্যারেটের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম হবে ২ লাখ ৬ হাজার ৪৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ১০১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম রাখতে হয়েছে ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩৫১ টাকা।

    বাজুস জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রয়ে সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    উল্লেখ্য, এর আগে গত ১৩ অক্টোবরে দেশের স্বর্ণের দাম সমন্বয় করে বাজুস। তখন ভরিতে ৪ হাজার ৬১৮ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছিল ২ লাখ ১৩ হাজার ৭১৯ টাকা, যা এখন পর্যন্ত দেশের স্বর্ণের সর্বোচ্চ দাম বলে মনে করা হয়। ওই সময় অন্যান্য ক্যারেটের দাম ছিল: ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৭৪ হাজার ৮৫৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫২০ টাকা। এই দামগুলো কার্যকর হয়েছিল ১৪ অক্টোবর থেকে।

  • ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা প্রবেশের খবরের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    ভারত থেকে বিপুল পরিমাণ জাল টাকা প্রবেশের খবরের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সতর্কতা

    সম্প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং সংবাদপত্রে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ভারত থেকে বিপুল সংখ্যক জাল টাকা বাংলাদেশে প্রবেশ করছে বলে খবর প্রচারিত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক সতর্কবার্তা জারি করে দেশের জনগণকে সাবধান করে দিয়েছে। বুধবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এ ধরনের সংবাদ বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং জনসাধারণকে অযথা উদ্বিগ্ন না হওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের মতে, জাল টাকা তৈরি, বহন ও লেনদেন দেশের আইন অনুযায়ী গুরুতর অপরাধ। ব্যাংকটি জানিয়েছে, তারা এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়মিত জাল টাকার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে, পাশাপাশি জাল টাকা উৎপাদন, পরিবহন এবং ব্যবহার রোধে নিবিড় নজরদারি চালাচ্ছে।

    জনসমাগমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক চারটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—নোট গ্রহণের সময় এর নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যেমন জলছাপ, অসমতল ছাপা, নিরাপত্তা সূতা, রঙ পরিবর্তনশীল কালি ও সূক্ষ্ম লেখা ভালোভাবে যাচাই করা। বড় ধরনের লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি, নগদ লেনদেনের পরিবর্তে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহারে উৎসাহিত করা হচ্ছে। সন্দেহজনক কোনো নোট পেলে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ থানায় বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানানো হয়।

    বাংলাদেশ ব্যাংক আরও জানিয়েছে, ‘আসল নোট চিনুন, নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করুন’—এই স্লোগানকে সামনে রেখে, আসল নোটের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে তাদের ওয়েবসাইট www.bb.org.bd ভিজিট করতে বলা হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিটি ব্যাংক শাখায় আসল নোট শনাক্তের জন্য এক্স-ব্যানার ও পোস্টার_DISPLAY করা হয়েছে।

    সাম্প্রতিককালে কাতারভিত্তিক এক সংবাদমাধ্যমের অনুসন্ধানী সাংবাদিকের একটি ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল হওয়ার পর, বাংলাদেশ ব্যাংক ও দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করে অপতৎপরতা রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।

  • সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা

    সোনার দাম আরও বাড়ল, ভরি ছাড়াল ২ লাখ ১৭ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি স্থানীয় চাহিদা ও দাম বাড়ার কারণে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন করে দাম নির্ধারণের ঘোষণা দিয়েছে।

    রোববার (১৯ অক্টোবর) এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১,০৫০ টাকা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। এর ফলে এখন ২২ ক্যারেট মানের এক ভরি সোনার সর্বোচ্চ মূল্য দাঁড়িয়ে গেছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা— যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। এই নতুন দাম ২০ অক্টোবর থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের দাবি, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা শুদ্ধ সোনার দাম বাড়ার কারণে এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হবে ২ লাখ ১৭ হাজার ৩৮২ টাকা, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৭ হাজার ৫০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৪ টাকা।

    যদিও সোনা যেমন দাম বাড়ছে, রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম থাকছে ৬ হাজার ২০৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপা ৫ হাজার ৯১৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৫ হাজার ৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে রুপা বিক্রি হবে ৩ হাজার ৮০২ টাকায়।

    আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দামও পৌঁছে গেছে নজিরবিহীন উচ্চতায়। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা, আলোচনায় থাকা সরকারি প্রক্রিয়া বন্ধের আশঙ্কা ও বিনিয়োগকারীদের নিরাপদ সম্পদে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা এর জন্য দায়ী। এর ফলস্বরূপ, ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্বর্ণের দাম আউন্সপ্রতি ৪,০৫০ ডলার ছুঁয়েছে।

  • অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবরের ১৮ দিনে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা

    অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে বাংলাদেশে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১৫৭ কোটি ৪০ লাখ ডলার। এই অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিণত করলে এটি হয় প্রায় ১৯ হাজার ১৬৩ কোটি টাকা (প্রতি ডলারটি ধার্য করা হয়েছে ১২১.৭৫ টাকার মানে)। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্রের দপ্তর থেকে কাল রোববার এই তথ্য জানানো হয়েছে।

    চলতি অক্টোবর মাসের প্রথম ১৮ দিনে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাসী আয় ৩.৩ শতাংশ বেড়েছে। গত বছরের অক্টোবরে প্রথম ১৮ দিনে প্রবাসীরা পাঠিয়েছিল ১৫২ কোটি ৩০ লাখ ডলার। তবে এ সময়ের রেমিট্যান্স গত মাসের তুলনায় কিছুটা কম ছিল। সেপ্টেম্বরে, একই সময়ে, প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ১৬১ কোটি ১৫ লাখ ডলার।

    অন্যদিকে, বছরের প্রথম তিন মাসের (জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর) মোট রেমিট্যান্সের অংকও গুরুত্বপূর্ণ। এই তিন মাসে, ১ জুলাই থেকে ১৮ অক্টোবর, আগের বছরের তুলনায় রেমিট্যান্সের পরিমাণ ১৩.৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের ৩ মাস ১৮ দিনের মধ্যে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দাঁড়িয়েছে ৯১৫ কোটি ৯০ লাখ ডলার, যেখানে গত বছরের একই সময়ে তা ছিল ৮০৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার।

    সার্বিকভাবে, এই সময়ে বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের ধারা ইতিবাচকভাবে অব্যাহত রয়েছে এবং অর্থনীতির জন্য এটি মোটেও কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের সূচক।

  • কার্গো টার্মিনালের আগুনে রপ্তানি Sector ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    কার্গো টার্মিনালের আগুনে রপ্তানি Sector ক্ষতি ১২ হাজার কোটি টাকা: ইএবি

    দেশের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্গো টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের কারণে দেশের রপ্তানিখাতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, এই ঘটনায় আনুমানিক ১২ হাজার কোটি টাকা বা এক বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) দেশের রপ্তানি ও শিল্পখাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ইএবি’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

    তিনি বলেন, এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে শুধু ব্যবসায়ীরা না, পুরো অর্থনীতি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের আস্থা কমে গেছে, ফলে ভবিষ্যতে বাজার হারানোর আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ঘটনার পুরোপুরি তদন্ত প্রয়োজন, যাতে ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নির্ণয় করে দ্রুত পুনর্গঠনমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যায়। শাহজালাল বিমানবন্দর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের জন্য এক মূল কেন্দ্র—এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এই ধরনের দুর্ঘটনা আমাদের আর দেখতে চান না।

    সংবাদ সম্মেলনে ইএবি নেতারা বলেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র এই কার্গো হ্যান্ডলিং জোনে প্রতিদিন কোটি কোটি ডলারের পণ্য আদানপ্রদান হয়। এই সংবেদনশীল স্থানে আগুনের ঘটনা নিছক দুর্ঘটনা নয়, বরং এটি নিরাপত্তা ব্যবস্থার গভীর দুর্বলতা মাথা তুলে ধরছে। তারা প্রশ্ন তুলেন—অটোমেটিক ফায়ার ডিটেকশন ও প্রোটেকশন সিস্টেম কি ছিল? আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে বিমানবন্দরের নিজস্ব ফায়ার ফাইটিং টিম কোথায় ছিল? বাইরে থেকে ফায়ার সার্ভিস দেরিতে আসার কারণ কি?

    নেতারা অভিযোগ করেন, সিভিল এভিয়েশন, কাস্টমস হাউস এবং বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স, এই তিন পক্ষই বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনা করলেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা যথাযথভাবে রক্ষা করতে পারে নি।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আগুনে তৈরি পোশাক, চামড়া, হিমায়িত মাছ, কৃষিপণ্য, ফলমূল ও ফার্মাসিউটিক্যাল কাঁচামালসহ বিভিন্ন রপ্তানি পণ্য পুড়ে গেছে। এতে অনেক ক্রেতা তাদের অর্ডার বাতিল করেছেন এবং বিদেশী ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

    সংগঠনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের সরকারের কাছে ছয় দফা দাবি জানানো হয়। এর মধ্যে রয়েছে— ক্ষতিগ্রস্তদের বিমা দাবির দ্রুত নিষ্পত্তি, বিমা কাভার না থাকা পণ্যসমূহের জন্য বিশেষ সরকারি তহবিলের ব্যবস্থা, কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের আধুনিকায়ন ও নিরাপত্তা জোরদার, রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ঝুঁকি মূল্যায়ন, আধুনিক স্ক্যানার ও মনিটরিং প্রযুক্তির স্থাপন, কার্গো ব্যবস্থাপনার ডিজিটালাইজেশন এবং ফায়ার প্রোটেকশন ব্যবস্থার উন্নয়ন।

    রপ্তানিকারক ও সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো সরকারের কাছে দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে একটি স্বরাষ্ট্র তদন্ত কমিটি গঠনের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যায়।

  • নাহিদ ইসলাম: পিআর আন্দোলন ছিল কৌশলগত প্রতারণা, জামায়াত সংস্কার চায়নি

    নাহিদ ইসলাম: পিআর আন্দোলন ছিল কৌশলগত প্রতারণা, জামায়াত সংস্কার চায়নি

    জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর আন্দোলন ছিল এক কৌশলগত রাজনৈতিক প্রতারণা। এই আন্দোলনটি পরিকল্পিতভাবে তৈরি করা হয়েছিল যাতে ঐক্যমত্য কমিশনের সংস্কার প্রক্রিয়াকে বিভ্রান্ত ও বিভক্ত করা যায়। এছাড়াও, এর মূল উদ্দেশ্য ছিল গণ-অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে দেশের সংবিধান ও রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের মূল প্রশ্নগুলো থেকে জাতীয় সংলাপকে অন্যদিকে টেনে নেওয়া।

    শনিবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে নিজের ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে এই মন্তব্য করেছেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম লিখেছেন, তথাকথিত ‘আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (PR) আন্দোলন’, যা জামায়াতে ইসলামী শুরু করেছিল, প্রকৃতপক্ষে তা ছিল এক পরিকল্পিত রাজনৈতিক চাতুরী। তিনি বলছেন, এই আন্দোলনটি ইচ্ছাকৃতভাবে গঠিত হয়েছিল ঐক্যমত্য কমিশনের সংস্কার প্রক্রিয়াকে ভ্রষ্ট ও বিভ্রান্ত করার জন্য এবং জাতীয় সংলাপকে জনমতের গণঅভ্যুত্থানের আলোকে রাষ্ট্র ও সংবিধানের পুনর্গঠনের মূল বিষয়ে মনোযোগ কমানোর জন্য।

    নাহিদ উল্লেখ করেন, ভোটের ভিত্তিতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের মাধ্যমে একটি উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠার যে দাবি উঠেছিল, তা ছিল একটি সাংবিধানিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে। আমরা এই মৌলিক সংস্কারের ভিত্তিতে একটি আন্দোলন গড়ে তুলতে চেয়েছিলাম এবং ব্যাপক জাতীয় ঐক্য ও সমঝোতার মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি কাঠামো প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলাম।

    তবে, জামায়াত ও তাদের মিত্ররা এই প্ল্যাটফর্মকে ছিনিয়ে নিয়ে এটিকে শুধু প্রযুক্তিগত পিআর ইস্যুতে সীমাবদ্ধ করে দেয়, এবং নিজেদের স্বার্থের জন্য দর-কষাকষির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে। তাদের উদ্দেশ্য কখনোই সংস্কার নয়; বরং ছিল কৌশলী অপব্যবহার।

    নাহিদ বলেন, জামায়াতে ইসলামি কখনোই সংস্কার আলোচনা বা সংস্কারমূলক প্রস্তাবে অংশ নেয়নি— না জুলাই অভ্যুত্থানের আগে, না পরে। তারা কখনো কোনো গঠনমূলক প্রস্তাব দেয়নি, কোনো সাংবিধানিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপন করেনি, এমনকি একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিও কোনো অঙ্গীকার দেখায়নি।

    তিনি আরও বলেন, ঐক্যমত্ম্য কমিশনের মধ্যে তাদের আকস্মিক সংস্কার সমর্থন কোনো বিশ্বাসের প্রকাশ ছিল না, বরং এটি ছিল একটি কৌশলগত উপায়—প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির অন্তর্ঘাত। আজ বাংলাদেশের মানুষ এই প্রতারণা স্পষ্টভাবে বুঝতে পেরেছে। তারা সত্যে উজ্জীবিত হয়েছে এবং আর কখনো মিথ্যা সংস্কারবাদী বা ধূর্ত শক্তির দ্বারা প্রতারিত হবেন না। সর্বশক্তিমান আল্লাহ এবং এই দেশের স্বতন্ত্র সার্বভৌম জনগণ কখনো এই অসৎ, সুযোগ সন্ধানী ও নৈতিক দেউলিয়া শক্তিগুলোর হাতে শাসনকাঠি তুলে দেবে না।

  • বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবিতে রাস্তায় নামতে হবে না : এ্যানি

    বিএনপি ক্ষমতায় গেলে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবিতে রাস্তায় নামতে হবে না : এ্যানি

    রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীদের চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তাহলে শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য রাস্তায় নামতে হবে না। তিনি এ সময় শিক্ষকদের দ্রুত তাদের মূল দাবি মানার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

    আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে শহীদ মিনারে এক মহাসমাবেশে বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

    শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি আরও বলেন, শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি পূরণের জন্য বিএনপি সবসময় তাদের পাশে রয়েছে। শিক্ষকদের আন্দোলনকে সরকার উপেক্ষা করতে পারে না। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের দাবি ও দাবি পূরণ করা সরকারের দায়িত্ব এবং এটি রাষ্ট্রের অঙ্গীকার।

    ত তিনি জানান, শিক্ষকেরা আজ আমরণ অনশন করছেন— যা জাতির জন্য লজ্জাজনক অবস্থায়। সরকারকে অবশ্যই তাদের তিন দফা দাবি মেনে নেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।

    এ্যানি আরও বলেন, যদি বিএনপি সরকার গঠন করে, তাহলে সব বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর জাতীয় করণের উদ্যোগ নেয়া হবে।

    তিনি শিক্ষকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, তারা Nine দিনেরও বেশি সময় ধরে সুশৃঙ্খলভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি, বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির তিন দফা দাবি মানা না হলে শিক্ষকদের শ্রেণীকক্ষে ফিরে যাওয়া হবে না।

    বর্তমানে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান নিয়ে শিক্ষকরাও বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। তারা সরকারের বাড়িভাড়া ৫ শতাংশ বৃদ্ধির প্রজ্ঞাপন প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    এর আগে রবিবার, শিক্ষকদের ভুখা মিছিলের সময় পুলিশি বাধার সম্মুখীন হয়। এর ফলে শিক্ষক নেতারা আমরণ অনশন ও সর্বাত্মক কর্মবিরতির ডাক দেন। আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিএনপি ছাড়াও গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। শিক্ষকদের হুঁশিয়ারি, তাদের তিন দফা দাবি মেনে বা প্রজ্ঞাপন না আসা পর্যন্ত কর্মসূচি চালানো অব্যাহত থাকবে।

  • রাজনৈতিক বিভেদের কারণে দেশের উন্নয়ন মূল সুবিধা বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল

    রাজনৈতিক বিভেদের কারণে দেশের উন্নয়ন মূল সুবিধা বঞ্চিত: মির্জা ফখরুল

    দেশের উন্নয়নের বড় সুযোগটি বৈপ্লবিক পরিবর্তনের মাধ্যমে গড়ে তোলার সম্ভাবনাগুলো বর্তমানে রাজনৈতিক অনৈক্যের কারণে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটের একটি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় পরিক্রমা কর্তৃক এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। মির্জা ফখরুল বলেন, একটি বড় পর্যায়ের অভ্যুত্থানের পর দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল দেশকে সুন্দর ও সুসংগঠিত করে গড়ে তোলার। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, আমাদের রাজনীতিবিদরা ঐক্য হারিয়ে ফেলেছেন। চারদিকে দেখা যায় বিভক্তির সুর, যা হতাশাজনক। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকে সুন্দর, পরিশীলিত ও স্বচ্ছ করতে হলে আমাদের সবাইকে ভূমিকা রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। রাজনীতির মধ্যে যদি সৌন্দর্য, সততা ও স্বপ্ন পূরণের আগ্রহ না থাকে, তাহলে সেটি কোনোভাবেই সুন্দর হবে না। এছাড়াও তিনি উল্লেখ করেন, যদি রাজনীতি ব্যক্তিস্বার্থে সম্পদ অর্জনের মাধ্যম হয়ে ওঠে, তাহলে মানুষের মধ্যে ঘৃণা ছাড়া আর কিছুই বাড়বে না। তাই, সত্যিকারের সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য রাজনীতি গড়ে তুলতে সবাইকে সচেতন ও সচেষ্ট হওয়ার দরকার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক রাশেদা বেগম হীরা। অন্যান্য বক্তারা ছিলেন বিএনপির সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির চেয়ারম্যান ড. মো. সবুর খান, ঢাকা মহানগর উত্তর ড্যাব সভাপতি প্রফেসর ডা. সরকার মাহবুব আলম, মোশাররফ হোসেন পুস্তি ও মো. মফিজুর রহমানসহ আরও רבים।