Author: bangladiganta

  • বেনাপোল সীমান্তে মালিকবিহীন ১০ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

    বেনাপোল সীমান্তে মালিকবিহীন ১০ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

    যশোরের বেনাপোল সীমান্তে শনিবার ভোরে বিজিবি এক বিশাল অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য ও অবৈধ চোরাচালানী পণ্য আটক করেছেন। এই অভিযানে মোট ৩৩ বোতল বিদেশি মদ, ৬৬ পিস শাড়ী, ৭টি কম্বল, ১ হাজার ৬৫ পিস চকলেট এবং ৮১২ পিস কসমেটিক্স সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এসব মালামালের সিজার মূল্য আনুমানিক প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

  • বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১১ দিনে ৩২২০ টন মোটা চাল আমদানি

    বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১১ দিনে ৩২২০ টন মোটা চাল আমদানি

    দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত ১১ দিনে মোট ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে ৯টি ট্রাক চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এর ফলে, মোট ১১ দিনে এই বন্দরের মাধ্যমে ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন চাল আমদানির ঘটনা ঘটল। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন। তিনি জানান, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স। চালের আমদানির পর বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সময়ে বেনাপোল বন্দরে আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন। এর আগে, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত চার মাসে এই বন্দরে চাল আমদানির পরিমাণ ছিল মোট ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। উল্লেখ্য, গত ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দ্বিতীয় মেয়াদে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়, যার সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এর মধ্যে চালগুলো বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। হাজী মুসা করিম এ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ১১ দিনে মোট ৯০ ট্রাকের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছেন। তিনি বলেন, আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৫০ টাকা এবং খোলা বাজারে এ চালের বিক্রি হবে প্রতি কেজি ৫১ টাকায়। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, এই বন্দরের মাধ্যমে ভারত থেকে ১১ দিনে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। তিনি আরও জানান, আমদানিকৃত চালের চালানগুলো দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্বের ইতিহাস চিরজাগরুক থাকবে

    খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্বের ইতিহাস চিরজাগরুক থাকবে

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংগ্রাম করেছেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, অসংখ্য সাহসী পদক্ষেপ ও একনিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য তিনি জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আমরা তার আদর্শ ও দর্শনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ঐক্যবদ্ধ থাকব।

    শুক্রবার জুমার পরে সারাদেশের মতো খুলনায়ও ‘গণতন্ত্রের মা’ বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানটির মূল বার্তা ছিল, নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও রায় যেন সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করে।

    খুলনা টাউন মসজিদে আয়োজন করা এ দোয়া মাহফিলে মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপি সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আশরাফুল ইসলাম নূর, মুর্শিদুর রহমান লিটনসহ নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়ার জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অপরিসীম গুরুত্ব বহন করেছেন। তিনি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন আত্মার দিক থেকে অনুপ্রেরণার উৎস।

    অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    এছাড়া, টাউন মসজিদ, খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে একই সময়ে স্ব স্ব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ দেশ ও জাতির শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন। এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বাসপ্রচার ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ছে।

  • নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন

    আগামীকাল রোববার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সাবেক সংসদ সদস্য এবং খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অনুষ্ঠানটি আরও সবিস্তার ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলতে কেসিসি ইতোমধ্যে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশগ্রহণের জন্য পাঁচ শতাধিক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যারা নগর ভবনের তিনটি পৃথক ভেন্যুতে উপস্থিত থাকবেন।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্দেশনায় আমন্ত্রিতদের তালিকা খুবই বিস্তারিত তৈরি হয়েছে। এ তালিকায় থাকছেন খুলনার 모든 সংসদ সদস্য, স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, নগরীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আইনজীবী ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নগর পরিকল্পনাবিদ, এনজিও প্রতিনিধিরা, পরিবেশ কর্মী এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন। এছাড়াও সাধারণ নগরবাসীর প্রতিনিধিরা, যেমন রিকশা ও ইজিবাইক চালক, শ্রমিকেরা এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকবেন।

    কেসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশিদ জানান, রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে এই দায়িত্ব নিতে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এই সংক্ষিপ্ত but গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। অনুষ্ঠানটি নগর ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত শহীদ আলতাফ মিলনায়তন ও জিআইজেড সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অতিথিরা বসবেন। পাশাপাশি নিচতলায় একটি এলইডি ডিসপ্লে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে নগরীর উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত থাকবেন। নবনিযুক্ত প্রশাসক শুরুতেই নিচতলায় গিয়ে তারা সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন, এরপর তৃতীয় তলায় উপস্থিত হবেন।

    প্রসঙ্গত, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সরকার নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি মূলত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে তাঁর নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। এর আগে, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েক দিন ঢাকায় চিকিৎসা নেন।

  • রমজান: আত্মশুদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধতার অনুপ্রেরণা

    রমজান: আত্মশুদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধতার অনুপ্রেরণা

    খুলনা-৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান মানুষের আত্মশুদ্ধি, নৈতিক উন্নতি এবং সমাজের ঐক্য ও শান্তির জন্য একটি অনন্য সুযোগ। রমজান কেবল ইবাদতের মাস নয়, বরং এটি নিজের মধ্যে সমালোচনা করে উন্নয়নের পথ খুঁজে নেওয়ার সময়। এই বরকতময় মাসে মানুষ সাহসী, সৎ, দায়িত্ববান এবং সংযমী সুবিচারের শিক্ষা গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, রমজানের মূল শিক্ষা গ্রহণ করে সবাই মিলেমিশে বিভেদ ভুলে দেশ গঠনে বর্তমান বিএনপি সরকারের পাশে থাকতে হবে। খুলনা-৪ আসনের এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, রমজানের শিক্ষাকে নিজেদের অন্তরে ধারণ করে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে।

    ফেক্তাবশেষে তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার বিকেল সময়ে আইচগাতী ইউনিয়নের সরকারি রূপসা কলেজে রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া নির্বাচনের পরিচালনা কমিটির আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মনোনয়ন নিয়ে নতুন নির্বাচিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজিজুর বারী হেলাল মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে অন্নপ্রাশন, গণ ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দেশের নেতা হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবাইকে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি দল, জাতি, ধর্ম বা বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সকল মানুষের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিতের জন্য কাজ করে যান। আমি শুধু একজন নেতা নই, আমি এই এলাকাটির সব মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার জন্য ধনী-গরীব, ছোট-বড়, ভিন্ন মত বা ভিন্ন পরিচয় থাকল না—আমার সকলেরই সমস্যা আমার, উন্নয়নই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

    তিনি যোগ করেন, জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ, আধুনিক ও উন্নয়নশীল এলাকায় রূপান্তরিত করা সম্ভব। এই এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ्য, যোগাযোগ, ও চাকরির সুযোগ আরও বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার। জনগণের সমর্থন থাকলে কোনপ্রকার বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না; আমরা মিলিত প্রচেষ্টায় এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলব।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার হোসেন, ও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতারা। সবাই একযোগে রমজানের শিক্ষা গ্রহণ করে একে অপরের পাশে থেকে ক্ষুদ্র বা বৃহৎ সকলের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

  • বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে মনসুরের পরিবর্তে মোস্তাকুর রহমান নিয়োগ

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে মনসুরের পরিবর্তে মোস্তাকুর রহমান নিয়োগ

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগের মেয়াদ বাতিল করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সঙ্গে তিনি দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে মো. মোস্তাকুর রহমানের নিয়োগ ঘোষণা করা হয়।

    বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার স্বাক্ষরিত পৃথক দুই প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনে বলেছে, ড. মনসুরের নিয়োগের অবশিষ্ট মেয়াদ এই মুহূর্তে বাতিল করা হলো। আর মোস্তাকুর রহমানকে নির্ধারিত শর্তের ভিত্তিতে চার বছরের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে আরো জানানো হয়, মোস্তাকুর রহমান বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সদস্য ও হিরা সোয়েটারের মালিক। তিনি বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে নিয়োগ পেয়েছেন। তার বেতন, ভাতা ও অন্যান্য সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকেই গ্রহণ করবেন। নিয়োগের বিস্তারিত শর্তাদি চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।

    এ আদেশ জনস্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের অপসারণের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি কোনও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য না দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফিস ত্যাগ করেন। তিনি বলেন, আমি পদত্যাগ করিনি, তবে খবর শুনেছি। এর বাইরে আরো কিছু বলেননি।

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, সকালে তিনি নিয়মিত কর্মসূচি শেষে অফিসে উপস্থিত ছিলেন—তারপর হঠাৎ করে এই অপসারণের খবর ছড়িয়ে পড়ে। একই সঙ্গে নতুন গভর্নর নিয়োগের বিষয়টি জানার জন্য তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তা এড়াতে চেয়েছেন।

    অফিস ছাড়ার সময় তিনি সহকর্মী বা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে কোনও কথা বলেননি, যা ব্যাংকের মধ্যে আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

    প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তৎকালীন গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার ৯ আগস্ট পদত্যাগ করেন। এরপর ১৩ আগস্ট ড. আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এখন তা অবশেষে পরিবর্তন হলো, যা ব্যাংকের ভবিষ্যত কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • নতুন গভর্নর বলেন, কাজের মাধ্যমে সক্ষমতার প্রমাণ দেবো

    নতুন গভর্নর বলেন, কাজের মাধ্যমে সক্ষমতার প্রমাণ দেবো

    বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান তার প্রথম দিন থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন, কথা নয়, কাজের মাধ্যমে নিজের দক্ষতা ও যোগ্যতা প্রমাণ করবেন। তিনি দেশের ১৪তম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর আজ বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টার দিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসে প্রবেশ করেন। এ সময় তাকে অভ্যর্থনা জানান ডেপুটি গভর্নর ও অন্যান্য কর্মকর্তা।

    সাংবাদিকদের তিনি জানান, আমি কাজের মাধ্যমে নিজের সক্ষমতা প্রকাশ করতে চাই। কাজ শুরু করা একমাত্র পথ, কথা তার পরই বলবো। নতুন গভর্নর হিসেবে যোগদান করার আগে তিনি অর্থ মন্ত্রালয়ে এসেছিলেন, সেখানে কিছু কার্যক্রম শেষ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে প্রবেশ করেন।

    এর আগে বুধবার বিকেলে তাকে চার বছরের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্থলাভিষিক্ত হন। রাষ্ট্রপতির আদেশে আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের প্রজ্ঞাপন জারি করে তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়, পাশাপাশি সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল করা হয়।

    মোস্তাকুর রহমানের জন্ম ১৯৬৬ সালে ঢাকায়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। পরে তিনি দ্য ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি) থেকে এফসিএমএ ডিগ্রি লাভ করেন।

    তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরিচালনার লক্ষ্যে গঠিত বিএনপির ৪১ সদস্যের কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির ২৩তম সদস্য ছিলেন। এছাড়াও, মোস্তাকুর রহমান পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএর একজন সদস্য এবং হেরা সোয়েটার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। হেরা সোয়েটার্স নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত একটি পরিবেশবান্ধব কারখানা।

  • নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন

    সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ব্যাংকিং খাতকে খাদের কিনার থেকে তুলে আনায় 그의 দক্ষতা ও উদ্যোগের জন্য প্রশংসা পেয়েছেন। নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে মন্তব্য করেন ও তার predecessor এর অসাধারণ কাজগুলো অব্যাহত রাখা নিশ্চিত করেন।

    তিনি বলেন, অর্থনীতির ভঙ্গুর পরিস্থিতি থেকে বাহিরে আনতে ড. মনসুরের নেতৃত্বে নেয়া বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলো ইতিবাচক ছিল এবং তা চলমান থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নবনিযুক্ত ১৪তম গভর্নর হিসেবে তার প্রথমদিনের ব্রিফিংয়ে তিনি এই ঘোষণা দেন।

    ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার, ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে তিনি এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেন। এই সময় তিনি নির্বাহী পরিচালক ও ডেপুটি গভর্নরদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

    এ tider, নতুন গভর্নর বাংলাদেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের ওপর জোর দেন। বিশেষ করে, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্পকারখানাগুলোর পুনরায় চালু, প্রয়োজনীয় প্রণোদনা দেওয়া, এবং ব্যাংকিং খাতে সমন্বয় জোরদার করাসহ ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার ওপর মনোযোগ দেন।

    গভর্নর মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা, সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষা এবং পণ্যমূল্য স্থিতিশীল রাখতে কাজ করবেন বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, উচ্চ সুদের হার বিষয়ক সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান।

    তাদের ভাষ্য, প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও নিয়মতান্ত্রিক ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হবে। ডেলিগেশন অব অথরিটি বা ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ এর মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে কাজের গতি ত্বরান্বিত করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে, নতুন গভর্নর বলছেন, ব্যাংকের অখণ্ডতা ও সুশাসন রক্ষা করতে তিনি জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবেন। ‘মবে’ বা অব্যবস্থাপনা জড়িত কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়েও তিনি নিশ্চিত করেছেন।

  • অর্থনীতির উন্নয়নে কর বাড়ানোর পক্ষে অর্থমন্ত্রী; বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ

    অর্থনীতির উন্নয়নে কর বাড়ানোর পক্ষে অর্থমন্ত্রী; বিনিয়োগ বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ

    অর্থনীতি বর্তমানে খুবই দুর্বল অবস্থায় রয়েছে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, আগামী বাজেটে কর্মসংস্থান এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে। দেশের অর্থনীতির চেহারা বদলে দিতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের বিকল্প নেই। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তৈরি হবে কর্মসংস্থান, যা দেশের উন্নয়নের মূল চালিকা শক্তি।

    শুক্রবার তিনি চট্টগ্রাম নগরীর পতেঙ্গা বানৌজা উল্কা আবাদ অঞ্চল-২ এর পশ্চিম পাশে মেরিন ড্রাইভ সংলগ্ন মুসলিমাবাদ এলাকায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা জমির পরিদর্শন করেন। পরে, পতেঙ্গায় একটি সরকারি হাসপাতাল নির্মাণের লক্ষ্যে নৌবাহিনীর অধিগ্রহণ করা ১৪ দশমিক ২১৯০ একর এবং আরও ২ দশমিক ৭ একর জমি পরিদর্শন করেন তিনি।

    এ সময় তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর দক্ষিণাঞ্চলে এখনও কোনো হাসপাতাল নেই। সেখানে একসাথে একটি সাধারণ হাসপাতাল, নার্সিং ইনস্টিটিউট ও টেকনোলজি ইনস্টিটিউট গড়ে তোলা হবে। স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল হাসপাতাল নির্মাণের, তাই দ্রুততম সময়ের মধ্যে সেখানে উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হবে।

    অর্থনীতির অস্থিরতা সংশ্লিষ্ট এক প্রশ্নে তিনি জানান, অর্থনীতির উন্নতির জন্য কর বাড়ানো অপরিহার্য। কর বাড়ানো арқылы বিনিয়োগকে আকর্ষণ করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা সম্ভব। তিনি আরো বলেন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধির জন্য সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হলো বিনিয়োগ। বিনিয়োগ না হলে কর্মসংস্থান হবে না, এ জন্য সরকার দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে জোর দিচ্ছে। বাজেটে শিক্ষাক্ষেত্র, স্বাস্থ্য সেবা এবং কর্মসংস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

    এই পরিদর্শনের সময় কমান্ডার চট্টগ্রাম নৌ অঞ্চলের রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. মঈনুল হাসান মন্ত্রীকে জমির অবস্থা, ভৌগোলিক পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পারিপার্শ্বিক সুবিধা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মো. মিয়া ভোলা, সদস্য সরফরাজ কাদের রাসেল, এডভোকেট মফিজুল হক ভুইয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি এইচএম রাশেদ খান।

  • স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন: ভরি কত ঘোষণা হলো?

    স্বর্ণের দামে বড় পরিবর্তন: ভরি কত ঘোষণা হলো?

    বাংলাদেশের স্বর্ণের বাজারে ফের দাম বৃদ্ধির ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সংগঠনটি জানিয়েছে, এবার ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বৃদ্ধির মাধ্যমে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। এই নতুন দাম শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে এবং সকাল থেকেই তা প্রযোজ্য।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তেজাবি বা পিওর গোল্ড স্বর্ণের মূল্য বেড়েছে, ফলে সাধারণ পরিস্থিতি বিবেচনায় সংগঠনটি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে। এর আগে, ২৩ ফেব্রুয়ারিতে ভালো মানের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পায়, এবং ২১ ফেব্রুয়ারিতে এই দামের বৃদ্ধি হয় ৩ হাজার ২৬৬ টাকা। ফলে তিন দফার মধ্যে ভালো মানের স্বর্ণের এক ভরি দাম বেড়েছে মোট ৯ হাজার ৮৫৬ টাকা।

    নতুন হিসাব অনুযায়ী, এখন ২২ ক্যারেটের সর্বোচ্চ মানের স্বর্ণের এক ভরি দাম ২ লাখ ৬৫ হাজার ৪১৪ টাকা। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪২ টাকা, যা আগের থেকে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৫৫৭ টাকা বাড়িয়ে এখন ২ লাখ ১৭ হাজার ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম বাড়ানো হয়েছে ২ হাজার ৯১৫ টাকা, ফলে দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৭ হাজার ৭০১ টাকা।

    অন্যদিকে, গত ২৩ ফেব্রুয়ারিতে সকাল ১০টার দিকে সবচেয়ে ভালো মানের স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়, যা পূর্বের মূল্য ছিল কম। একই সময়ে, ২১ ক্যারেটের ভরির দাম বেড়ে হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, আগের চেয়ে ২ হাজার ৪১ টাকা বেশি। ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ঐ দিন ১ হাজার ৮০৮ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা টাকা হয়। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৪৫৮ টাকা বেড়ে ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকায় পৌঁছায়।

    আজ সকাল ১০টা ২৯ মিনিট পর্যন্ত এসব দামে সোনা বিক্রি হয়েছে।

    আর দাম বাড়ানোর পাশাপাশি রুপার দামেও প্রবৃদ্ধি হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৮৮২ টাকা। অনুরূপভাবে, ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১১৭ টাকা বেড়ে ৬ হাজার ৫৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপার দাম ১১৮ টাকা বেড়ে ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ১১৭ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন ৪ হাজার ১৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।