Author: bangladiganta

  • বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু: সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ আহ্বান মির্জা ফখরুলের

    বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যু: সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ আহ্বান মির্জা ফখরুলের

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর অমানুষিক নির্যাতনে তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ ঘটনার সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের জন্য তিনি সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।

    মির্জা ফখরুল এক বিবৃতিতে বলেন, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাতে জীবননগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কিছু সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে ব্যাপক অমানুষিক নির্যাতন চালান। পরে তাঁর মৃত্যু হয়। তিনি আরও মন্তব্য করেন, এই ধরনের ঘটনায় দেশের জন্য শুভ兆 নয় এবং বিচারবহির্ভূতভাবে একজন নগর নেতা কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা দেশের আইনের প্রতি অবমাননা।

    বিএনপি মহাসচিব বলেন, বর্তমানে এ ধরনের ঘটনা বিচারবহির্ভূতভাবে সংঘটিত হওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় কোনও অপরাধের জন্য দোষীদের বিচার আইনের মাধ্যমে নিশ্চিত হবে, এটাই জনগণের প্রত্যাশা। কিন্তু চুয়াডাঙ্গায় শামসুজ্জামান ডাবলুকে অস্ত্র উদ্ধারের নামে আটক করা ও vervolgens তাকে নির্যাতন করে হত্যা অনভিপ্রেত এবং গ্রহণযোগ্য নয়।

    ফখরুল অনুরোধ করেন, এই লোমহর্ষক কল্পনাতীত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। তিনি অবিলম্বে এই ঘটনায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য বিশেষ প্রশাসনিক পদক্ষেপের দাবি জানান।

  • মাদারীপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নারীসহ ৩ যাত্রী নিহত, যানচলাচল বন্ধ

    মাদারীপুরে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নারীসহ ৩ যাত্রী নিহত, যানচলাচল বন্ধ

    মাদারীপুরে একটি গুরুতর দুর্ঘটনায় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় এক নারীসহ তিনজন নিহত এবং আরও তিনজন আহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে সব ধরনের যানবাহর চলাচল বন্ধ হয়ে যায়, যা সাধারণ যান চলাচলে অসুবিধার সৃষ্টি করে।

    ঘটনাটি ঘটে আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার ইউনিয়নের এলাকায়। হতাহতদের পরিচয় এখনো সঠিকভাবে জানা যায়নি, তবে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহতরা সবাই বলছেন বেড়ানোর বা কাজে যেতে থাকা শ্রমিক বা সাধারণ মানুষ।

    মাদারীপুরের মোস্তফাপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন আল রশিদ নিশ্চিত করেছেন যে, ঘটনাটি পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ঘটেছে।

    নিহতরা হলেন— মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের খামারবাড়ি এলাকার আব্বাস তালুকদারের স্ত্রী কোহিনুর বেগম (৩৫), একই এলাকার জাকির তালুকদারের স্ত্রী তাসলিমা (৪৬), এবং ডাসার উপজেলার পান্তাপাড়া এলাকার রুহুল হাওলাদারের ছেলে নয়ন হাওলাদার (২২)। পাশাপাশি, গুরুতর আহত হয়েছেন সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকার বিল্লাল খানের ছেলে রনি খান (৩৩), এবং আহতের আরেকজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, কাঁচামরিচ এবং অন্যান্য মালপত্র নিয়ে রাজৈরের টেকেরহাট থেকে বরিশালের দিকে যাচ্ছিল একটি কাভার্ডভ্যান। মাঝপথে সদর উপজেলার তাঁতিবাড়ি এলাকায় এসে একটি ব্যাটারিচালিত ভ্যানে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই দুই ভ্যানযাত্রী নিহত হন, আহত হন আরও তিনজন। আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে আরও একজনের মৃত্যু হয়।

    দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়, এলাকাবাসী টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করে। এতে দক্ষিণাঞ্চলের বরিশাল বিভাগের ছয় জেলার যানবাহন চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে, যানবাহনগুলো আটকা পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ, হাইওয়ে থানা, ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

    প্রায় দুই ঘণ্টা পর দুপুর দেড়টার দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং যানচলাচল পুনরায় শুরু হয়। এই দুর্ঘটনা এখন তদন্তাধীন ও নিহত ও আহতদের পরিচয় নিশ্চিতের জন্য কাজ চলছে।

  • একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় আঘাত

    একদিনের ব্যবধানে ফের সোনার দামে বড় আঘাত

    বাংলাদেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাজুস (বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি) সোমবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, এক দিনের ব্যবধানে দেশের বাজারে সোনার দামে পুনরায় বড় ধরনের বৃদ্ধির ঘোষণা এসেছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ৯১৬ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ানো হয়েছে, যার ফলে মানসম্পন্ন সোনার দাম এখন ছুঁয়েছে দুই লাখ ২৭ হাজার ৮০০ টাকার বেশি।

    এটি কার্যকর হবে আগামী ৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার থেকে। সংগঠনটি জানিয়েছে, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক মানের বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইসডটওআরজি সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম উঠেছে ৪৪৪৫ ডলার।

    নতুন দাম অনুযায়ী, বিভিন্ন মানের স্বর্ণের ভরি মূল্য নির্ধারিত হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের এক ভরি দাম এখন ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা, প্যাকেজের পরিমাণ অনুযায়ী ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের এক ভরি মূল্য ধরা হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    অন্তর্ভুক্ত হয়েছে রুপার দামের বৃদ্ধিও। ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারিত হয়েছে ৫ হাজার ৯২৫ টাকা, ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ৮৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম এখন ৩ হাজার ৬৩৯ টাকা।

  • সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার বাড়লো, সিদ্ধান্ত বাতিল

    সঞ্চয়পত্রে মুনাফার হার বাড়লো, সিদ্ধান্ত বাতিল

    সরকার সম্প্রতি এক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর পরিকল্পনা বাতিল করে আগের হারে তা বহাল রেখেছে। রোববার অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ এ সম্পর্কিত এক প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে জানানো হয় যে ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে হারে মুনাফা দেওয়া হয়েছিল, আগামী ছয় মাসও সেই হারই বহাল থাকবে। গত বৃহস্পতিবার সরকার প্রথমে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর জন্য একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, যা বিভিন্ন মহলে সমালোচনার মুখে পড়ে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এই সঞ্চয়পত্রের ওপর বেশিভাগ নির্ভরশীল, ফলে সরকারের এই সিদ্ধান্ত তাদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় বলেও মনে করা হয়।

    জানা গেছে, রোববার অফিস খোলার পর উচ্চ পর্যায় থেকে সেই প্রজ্ঞাপন বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয়া হয় এবং মুনাফার হার পূর্বের অবস্থায় রাখতে নতুন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। বর্তমানে সরকারের চার ধরনের সঞ্চয়পত্র এবং পোস্ট অফিসের ফিক্সড ডিপোজিট স্কিম রয়েছে। সেগুলোর সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ — মানে সাড়ে ৭ লাখ টাকা পর্যন্ত — এবং এর বেশি বিনিয়োগের জন্য আলাদা করে মুনাফা দেওয়া হয়। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সাধারণত মুনাফার হার কিছুটা কমে আসে। একজন ব্যক্তির সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত সঞ্চয়পত্র কেনার সুযোগ রয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যদি কোনো সঞ্চয়পত্র ভেঙে ফেলতে হয়, তাহলে প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ বছরে মুনাফার হার আরও কমে যায়। যেখানে মুনাফার টাকা পরিশোধ করা হয়, সেখানে মূল টাকার সঙ্গে নির্ধারিত হারে সমন্বয় করা হয়।

    পরিবার সঞ্চয়পত্রে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ, যা আগে কমিয়ে ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ করা হয়েছিল। নতুন প্রজ্ঞাপনে সেই হার আগের মতোই বহাল রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, সাড়ে ৭ লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে নামিয়ে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশে আনা হয়েছিল। এসব পরিবর্তনসহ সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আগের মতোই থাকবে।

    গত বছর জানুয়ারি থেকে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ট্রেজারি বোন্ডের সাথে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারিত হয়। এ জন্য ৫ এবং ২ বছর মেয়াদি ট্রেজারি বন্ডের গড় সুদহার অনুসারে তাদের মুনাফা নির্ধারিত হয়। সম্প্রতি, ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদহার কমার কারণে সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হারও কমানো হয়। গত বৃহস্পতিবার জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই নতুন হার ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুনের মধ্যে কেনা সঞ্চয়পত্রে কার্যকর হবে।

    সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো, বেশি করে সঞ্চয়পত্রের ওপর নির্ভরশীল। জরুরি পরিস্থিতিতে সঞ্চয়পত্র ভেঙে वित्त সংকট মোকাবেলা করেন তারা, আবার প্রতিমাসে ছোটখাটো আয়ের একটি অংশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফায় আসে। মূল্যস্ফীতির কারণে দীর্ঘসময় দেশজুড়ে দরপতন হয়নি; বরং দুই বছরের বেশি সময় ধরে উচ্চ মূল্যবৃদ্ধি চলমান। যদিও সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমে এসলেও তা এখনও ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, সরকারের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ব্যাপক সমালোচনা হচ্ছে। অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য এ হার না কমানোই যথাউচিত।

  • ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীরা কারসাজি করে গ্যাসের দাম বাড়িয়েছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল কবির খান জানিয়েছেন যে, খুচরা ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা বিভিন্ন ধরনের কারসাজির মাধ্যমে এলপিজির দাম বাড়িয়েছে। মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় ও অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভার শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান।

    উপদেষ্টা বলেন, কিছু ব্যবসায়ী আশা করছিলেন এলপিজির দাম বৃদ্ধি পাবে, এবং তারা আবেগিত হয়ে বিইআরসি দ্বারা নির্ধারিত মূল্য (৫৩ টাকা) ছাড়িয়ে বিভিন্ন পর্যায়ে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করছেন। তিনি আরও জানান, এই অনিয়ম রোধে তাঁরা সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশ দিয়েছেন যাতে প্রত্যেক জেলায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে এ সংক্রান্ত কারসাজির তদন্ত হয়।

    গতকালই একটি আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই বিষয়টি আলোচনা হয়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই দামের অস্বাভাবিকতা এবং কারসাজির পেছনে কোনো বাস্তব কারণ নেই। এটি শুধুমাত্র একটি অসাধু প্রকরণ এবং সরকারের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসন ও পুলিশের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    কারাঅ করে এই কারসাজি করেছে তা জানতে চাইলে, উপদেষ্টা বলেন, মূলত খুচরা এবং পাইকারি ব্যবসায়ী মিলেই এ ধরনের বিভ্রান্তিকর কার্যক্রম চালিয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলি এই বিষয়ের পরীক্ষায় লিপ্ত হয়ে দরিদ্র জনগণের স্বার্থ রক্ষায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

  • অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য: ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো অসম্ভব

    অর্থ উপদেষ্টার ভাষ্য: ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো অসম্ভব

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, কেবল সরকার alone cannot বা একা উদ্যোগে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়, এ জন্য ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা জরুরি। তিনি আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের সপ্তম সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন। ​

    সালেহউদ্দিন আহমেদ পরিস্থিতি বিবেচনা করে জানান, বর্তমানে ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো কঠিন। তিনি বলেন, ব্যাংকিং খাত এখনও অনেকটাই স্থিতিশীল, তবে সুদের হার কমানোর জন্য ব্যবসায়ী এবং কমিউনিটির সমর্থন অপরিহার্য। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ব্যাংক ঋণের আধিপত্যে অর্থনীতিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের দিকটিও গভীরভাবে প্রভাব ফেলেছে। দীর্ঘদিনের আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কিছু সুবিধাভোগী ব্যাংক থেকে অসাধু উপায়ে ঋণ নিয়ে অর্থ অপচয় করেছে, যা ব্যাংক খাতকে দুর্বল করে দিয়েছে। তবে এখন অন্তর্বর্তী সরকার এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করেছে এবং ব্যাংক খাতে ব্যাপক সংস্কার চালানো হচ্ছে।

    অর্থ উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশকে দ্রুত অর্থনৈতিক অগ্রগতি করতে হলে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। ব্যাংকিং খাত বেশ স্থিতিশীল হলেও সুদের হার এখনই কমানো সহজ নয়। তবে তিনি যুক্ত করেন,উপরন্তু, তিনি বলেন, ইন্টারেস্ট বা সুদের হার কমলেও মূল্যস্ফীতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব নয়। ট্রেজারী বিলের দাম কমছে বলে তিনি উল্লেখ করেন, যার প্রভাব বাজারে পড়ছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি গর্ভমেন্টের ঋণ বেড়ে যায়, তাহলে সাধারণ মানুষ সঞ্চয় করবে ব্যাংকে না রেখে সঞ্চয়পত্র বা ট্রেজারিতে।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকিং খাতের সামগ্রিক পরিস্থিতি এখন অনেকটা স্থিতিশীল, বিশেষ করে দীর্ঘমেয়াদি ম্যাক্রোইকোনমিক স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে। তিনি যোগ করে বলেন, ইনফ্লেশনের মাত্রা এখন ১০.২৫ শতাংশের আশেপাশে রয়েছে, যা খুবই সংবেদনশীল বিষয়। তিনি ব্যাখ্যা করেন, ইনফ্লেশনের সমস্যা কেবল মনিটারি পলিসি বা ব্যাংক রেট বাড়িয়ে কন্ট্রোল করা যায় না, এর জন্য সরবরাহ চাহিদাও বিবেচনা করতে হয়।

    অর্থ উপদেষ্টা আরও সূক্ষ্মভাবে বলেন, সাধারণ পরিস্থিতিতে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বা আইনগত ব্যবস্থা যথেষ্ট নয়। এক উদাহরণ দিয়ে তিনি জানান, কারওয়ান বাজারে একজন ব্যবসায়ীকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করলে, কিছুদিনের মধ্যেই অপরাধী আবার একই রকম কার্যক্রম শুরু করে। ফলে এই ধরনের সমাধান দীর্ঘমেয়াদি নয়।

    তিনি আরও বলেন, কমিউনিটি, হোলসেলার ট্রেডার ও রিটেইলারদের সহযোগিতা দরকার। বাজারে প্রবেশের নিয়ন্ত্রণ, স্বচ্ছতা ও মানদণ্ড বজায় রাখতে হলে সক everyone’s সহযোগিতা জরুরি। তিনি উল্লেখ করেন, বাজারের স্বচ্ছতা আনতে শুধুমাত্র কর রাজস্বনীতি ও মনিটরিং যথেষ্ট নয়, সবার যৌথ উদ্যোগেই সম্ভব।

    বিশ্লেষকরা মত দেন, এখনও দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি স্বস্তিতে আসেনি। রাজনীতির স্থিতিশীলতা বজায় থাকলেও অর্থনৈতিক সুশাসন এখনো বিকাশশীল। আগামী সরকারের জন্য জরুরি অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সুসংহত করে সামগ্রিক দা

  • সোনার দাম ফের বেড়েছে, এক দফা কমার পর আবার নতুন মূল্য নির্ধারণ

    সোনার দাম ফের বেড়েছে, এক দফা কমার পর আবার নতুন মূল্য নির্ধারণ

    দেশের বাজারে এক দফা দাম কমানোর পর আবারও সোনার মূল্য বেড়ে গেছে। নতুন দাম অনুযায়ী, ভরিতে ১০৫০ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে এই তথ্যের বিস্তারিত ঘোষণা দেয়, যা রোববার (১১ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি (পিওর) সোনার মূল্য বৃদ্ধির কারণে মোটের উপর এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। ফলে, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার মূল্য দাঁড়ালো ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা। এছাড়াও, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা, এবং গ্র্যাডেড অনুসারে সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের মূল্য হালনাগাদ করে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে প্রতিটি বিক্রির জন্য সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ৬ শতাংশ মজুরি যোগ করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন ও মানভেদে এই মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে।

    অন্তত এতদিনে চলতি বছরের মধ্যে পঞ্চমবারের মতো সোনার দামের সমন্বয় করা হলো। এই কয়েকটি সমন্বয়ই দেখাতে চায়, দেশের বাজারে দাম পরিবর্তনের ধারা অব্যাহত থাকছে। উল্লেখ্য, এর আগে ৮ জানুয়ারি বাজুস দেশের বাজারে সোনার দাম কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার মূল্য নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা, যা কার্যকর হয় ৯ জানুয়ারি। তখন অন্যান্য ক্যারেটের দামও সামান্য পরিবর্তন হয়েছিল।

  • তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ভোট চান নির্বাচনে

    তাসনিম জারা ফুটবল প্রতীকে ভোট চান নির্বাচনে

    তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ফুটবল প্রতীক নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চান। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনে এক আপিল শুনানির পর তিনি এ ঘোষণা দেন। এদিন তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

    তাসনিম জারা বলেন, “আমাদের আপিল মঞ্জুর হয়েছে। আমি ঢাকা-৯ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছি এবং আমার প্রার্থীতা বৈধ। গত এক সপ্তাহে আমি বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেছি। দেশের পাশাপাশি বিদেশ থেকেও অনেক শুভেচ্ছা এবং দোয়া পেয়েছি। রাস্তায় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পেরেছি, তারা দুঃখ প্রকাশ করেছেন ও আমাদের জন্য দোয়া করেছেন। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ।”

    তিনি আরো বলেন, “জনসমর্থনে আমি আসন্ন নির্বাচনে লড়াই করে যাব। এখন আমি মার্কার জন্য আবেদন করব, সেটি ফুটবল প্রতীক। এরপর নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমাদের পথ চলা।”

    উল্লেখ্য, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করে তিনি এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। গঠনতন্ত্রে মনোনয়ন বাতিলের পর, তিনি গত ৩ জানুয়ারি ঢাকা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি শুনেছেন। সেই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিনি আপিল করে থাকেন।

  • নির্বাচনের অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণার পর, মির্জা ফখরুলের প্রতিশ্রুতি

    নির্বাচনের অবস্থা বোঝা যাবে প্রচারণার পর, মির্জা ফখরুলের প্রতিশ্রুতি

    বিএনপির মহাসচিব ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এখনই নির্বাচনের পরিবেশ ভালো মনে হচ্ছে। তবে আসল পরিস্থিতি বোঝা যাবে তখন, যখন প্রার্থিতা প্রচার শুরু হবে। এ পর্যন্ত কেউ পুরোপুরি পরিস্থিতি বুঝতে পারছে না, কারণ প্রচারণা শুরুর আগে সব কিছুই ধাপে ধাপে আঁচ করা সম্ভব নয়। এখন সবাই নিজের সংগঠনের প্রস্তুতিতে মনোযোগী, মনোনয়ন প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নির্বাচনের প্রকৃত চিত্র প্রচার শুরু হওয়ার পরই স্পষ্ট হয়ে উঠবে।

    সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঠাকুরগাঁও শহরের কালিবাড়ির নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    প্রচার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, আমি বহু আগে থেকে ক্রিকেট খেলি, ক্রিকেট বোর্ডের সদস্যও ছিলাম। এখন আমি আর ক্রিকেট খেলি না, কারণ আমার এখন মূল কাজ রাজনীতি। আন্তর্জাতিক রাজনীতির যোগসূত্র রয়েছে ক্রিকেটের সঙ্গে। আমাদের দেশের মানসম্মান রক্ষা করতে হয়, যখন আমাদের এক ক্রিকেটারকে অপমানিত করা হয়, তখন এটি দেশের জন্য অপমানের বিষয় মনে হয়। আমরা মনে করি, ক্রিকেট বোর্ডের সিদ্ধান্তের সাথে আমরা একমত, তবে স্বল্প ছোট ঘটনাগুলোর সমাধান নিজস্ব মধ্যস্থতায় করাই উত্তম।

    আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা খুব উদ্বিগ্ন। এটি সরকারের ব্যর্থতা, কারণ তারা এখনো অস্ত্র উদ্ধার করতে সক্ষম হয়নি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি তবে আমি আশাবাদী, নির্বাচন চলাকালীন পরিস্থিতি উন্নত হবে এবং স্বাভাবিক থাকবে।

    আওয়ামী লীগসহ বড় দুটি দলের ভোট জোগাড়ের চেষ্টা সম্পর্কে তিনি জিজ্ঞাসা করলে বলেন, কোন দুটি দল বোঝাচ্ছেন তা পরিষ্কার নয়। আমাদের হতেই পারে বড় দল বলতে আওয়ামী লীগ বা অন্য কিছু। তবে বিএনপি যেহেতু দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করে আসছে, জননেতার কাজে লিপ্ত, দেশের যে উন্নতি হয়েছে সবই বিএনপির অবদান। দেশাচার্য থেকে বহুদলীয় গণতন্ত্র, প্রেসিডেন্সি থেকে পার্লামেন্টary ব্যবস্থা, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, বিচারব্যবস্থার স্বাধীকার—সবই বিএনপির দর্শন ও সংগ্রামের ফল। বিএনপি এর আগেও এককভাবে সরকার পরিচালনা করেছে এবং দরকারে আরও ভালো কাজ করতে সক্ষম।

    তরুণ নেতার উত্তরাঞ্চল সফর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল জানিয়েছেন, তারা অবশ্যই উত্তরাঞ্চলে আসবেন। সেখানে তার পিতৃভূমি বগুড়া, দিনাজপুর, এবং নানীর বাসস্থানের সম্পর্ক রয়েছে। রংপুরে শহীদ আবু সাঈদ ও অন্যান্য শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন।

    গণভোট প্রসঙ্গে বলেন, এটি বিএনপির দায়িত্ব নয়, দায়িত্ব জনগণের। ভোটে তারা যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই চূড়ান্ত। যারা সবসময় ফ্যাসিস্টদের ভয় দেখায়, নিজেরা মাঠে কিছু করে না, বিদেশি শক্তির পক্ষ থেকে বড় বড় কথা বলে—তাদের জন্য এগুলো গুরুত্বপূর্ণ নয়। আমাদের লক্ষ্য, ফ্যাসিস্টদের তাড়ানো ও প্রতিরোধ করা।

    তিস্তা নদীর ইস্যুতে মির্জা ফখরুল জানান, তাদের অঙ্গীকার আছে, তিস্তা, পদ্মা ও অন্যান্য অবিচ্ছিন্ন নদীর পানির হিস্যা আদায়ের জন্য ভারতের সঙ্গে আলোচনায় বসবে। পারস্পারিক সম্মান ও মিউচুয়াল সুবিধার ভিত্তিতে সকল দাবি পূরণে সচেষ্ট থাকবেন। সঠিক কূটনৈতিক আচরণের মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার প্রত্যাশা প্রকাশ করেন তিনি।

  • নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত-এনসিপির জোট অনেক এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম

    নির্বাচনী প্রস্তুতিতে বিএনপি থেকে জামায়াত-এনসিপির জোট অনেক এগিয়ে: নাহিদ ইসলাম

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতিতে বিএনপির জোটের চেয়ে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জোট উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়ে রয়েছে বলে দাবি করেছেন ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি শনিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ দলের সঙ্গে এক বৈঠকের পরে এসব কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়নকে জানানো হয়েছে, আমাদের নির্বাচনী পরিবেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের ব্যাপারে এখনও আমাদের পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস তৈরি হয়নি। তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ একটি দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য নিয়ে সিগন্যালিং করা হচ্ছে, এবং অনেক ঋণখেলাপি ব্যক্তিদের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি অমান্য করার ক্ষেত্রে নানা ধরনের অপরাধ হচ্ছে, যা নিয়ে নির্বাচন কমিশন কঠোর পদক্ষেপ নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    এছাড়া, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির খুনের বিচার না হওয়ায় দেশে নিরাপত্তাহীনতা বিরাজ করছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, ‘নিরাপত্তাহীনতার মধ্য দিয়েই আমাদের মাঠে কাজ চালিয়ে যেতে হবে। আমি মনে করি, বিএনপির জোটের তুলনায় জামায়াত ও এনসিপির জোট এখন অনেকটাই এগিয়ে রয়েছে।’ তিনি সরকারের প্রতি প্রয়োজনীয় দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।