Author: bangladiganta

  • সেনাবাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনা

    সেনাবাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে বিএনপি নেতার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি 공식 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানের সময় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে তিনি তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই ফার্মেসি থেকে একটি ৯ মি. মি. পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাত ১২টা ২৫ মিনিটে মৃত ঘোষণা করেন।

    সেনাবাহিনী এই ঘটনার ব্যাপারে গভীর দৃষ্টিতে তদন্ত করছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, এই কারণে ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যকে দ্রুত প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী আইনের আওতায় যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই হতদুঃখজনক ঘটনা থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সবকিছুই সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

  • ভারতের সেনাপ্রধানের ঘোষণা: বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা রয়েছে

    ভারতের সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, দেশটি বাংলাদেশের সঙ্গে সকল যোগাযোগের চ্যানেল খোলা রেখেছে, যেন কোনো ভুল বোঝাবুঝি এড়ানো যায়। এই বিষয়ে তিনি মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে সেনাবাহিনীর বার্ষিক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্কের নতুন পরিস্থিতি ভারতের জন্য কতটা হুমকি হতে পারে এবং এই বিষয়টি ভারতীয় সেনাবাহিনী কেমনভাবে দেখছে। উত্তরে জেনারেল দ্বিবেদী বলেছিলেন, প্রথমত, বাংলাদেশের বর্তমান সরকার কোন ধরনের তা বোঝা গুরুত্বপূর্ণ। যদি এটি অন্তর্বর্তী সরকার হয়, তাহলে দেখতে হবে— তারা কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে এবং তা আগামী ৪–৫ বছরের জন্য নাকি কেবল এক্ষেত্রের জন্য। তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে, এখনই আমাদের কেমন প্রতিক্রিয়া জানানো উচিত। তিনি আরও জানান, এই মুহূর্তে বাংলাদেশের সাথে ভারতের তিন বাহিনী—অর্থাৎ সেনা, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী—তাঁদের যোগাযোগের সব চ্যানেল সুসংগঠিতভাবে খোলা রেখেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনী নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে তাদের সঙ্গে, এবং একটি প্রতিনিধিদল পাঠানো হয়েছে যারা মাঠ পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীও সক্রিয়ভাবে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। এর উদ্দেশ্য হলো, কোনো ভুল বোঝাবুঝি বা সংযোগ বিচ্ছিন্নতা এড়ানো। তিনি আশ্বস্ত করেন, এই মুহূর্তে তিন বাহিনীর নেওয়া পদক্ষেপের কোনওটি ভারতের বিরুদ্ধে নয়। ক্ষমতা বৃদ্ধি ও উন্নয়ন একটি অব্যাহত প্রক্রিয়া, ভারতও তা চালিয়ে যাচ্ছে, অন্য দেশগুলোও করছে। তিনি বলছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি খুবই নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

  • বিএনপির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সিইসির বৈঠক শুরু

    প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে আজ মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে বিএনপির পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বৈঠক শুরু করেছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম খান নেতৃত্ব দিচ্ছেন। দলের পক্ষ থেকে আরও উপস্থিত রয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য ইসমাইল জবিউল্লাহ, সাবেক নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব মোহাম্মদ জকরিয়া ও রুহুল কুদ্দুস কাজল। এই সাক্ষাতের মাধ্যমে দুই পক্ষের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৫৩ জন

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে আরও ৫৩ জন তাদের আপিলের মাধ্যমে আবার প্রার্থিতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণামতে, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মোট ৭০টি আপিলের শুনানি হয়, যার মধ্যে ৫৩টি আপিল মঞ্জুর এবং ১৭টি নামঞ্জুর করা হয়। এভাবেই চার দিনে মোট ২০৪ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা পুনরুদ্ধার করেছেন।

    এর আগে, গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে মোট ৭১টি আপিল শুনানি হয়। এর মধ্যে ৪১টি আপিল মঞ্জুর হয়, ২৫টি না মঞ্জুর এবং চারটি আপিল অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এর আগে, রোববার (১১ জানুয়ারি) ৫৮টি আপিলের মধ্যে ৪৫টি আপিল মঞ্জুর হয়, বাকি কিছু আবেদন না-মঞ্জুর বা অপেক্ষমাণ রাখা হয়। প্রথম দিনে, শনিবার (১০ জানুয়ারি), ৭০টি আপিলের মধ্যে ৫২টি মঞ্জুর এবং ১৫টি বাতিল হয়। এর মধ্যে একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলই মঞ্জুর হয়।

    খেয়াল করতে হবে, ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে, দেশের ৩শ’ নির্বাচনী এলাকায় মোট ২,৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১,৮৪২ জনের মনোনয়ন বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি পায়, আবার ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন করা হয়।

    নির্বাচনের সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, আপিলের নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারিত ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। এরপর, নির্বাচন প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সন্ধ্যা shalf;ogany তয়া পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

    আজকের খবর/বিএস

  • শিক্ষা শুধুই চাকরির জন্য নয়, সৃজনশীল মানুষ গড়ার জন্যও: প্রধান উপদেষ্টা

    প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কেবল কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা নয়, বরং সৃজনশীল, স্বতঃপ্রণোদিত ও উদ্ভাবনী মনোভাবসম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা। মানুষ জন্ম থেকেই সৃজনশীল, তবে প্রথাগত শিক্ষাপদ্ধতিগুলি অনেকসময় সেই মনোভাবকে দমন করে শুধু চাকরি পাওয়ার উপায় শেখানোর দিকে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে।

    মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর লা মেরিডিয়ানে অনুষ্ঠিত ‘উচ্চশিক্ষার বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা–২০২৬’ শীর্ষক দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. ইউনূস বলেন, শিক্ষাকে শুধু চাকরি পাওয়ার হাতিয়ার হিসাবে দেখলে তার প্রকৃত উদ্দেশ্য হারিয়ে যায়। আসলে শিক্ষার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের সৃজনশীলতা জাগ্রত করা এবং তাকে স্বাধীনভাবে চিন্তা করার সক্ষমতা প্রদান।

    তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু চাকরি পাওয়ার প্রার্থী নয়, বরং চাকরি সৃষ্টি করতে সক্ষম একজন উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। উদ্যোক্তা মানসিকতা, কল্পনা ও নতুন কিছু তৈরির সাহস এই গুণগুলো বিকাশের জন্য শিক্ষাব্যবস্থার ব্যাপক গুরুত্ব রয়েছে।

    প্রধান উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়া একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল হলেও রাজনৈতিক অস্থিরতা, সামাজিক বিভাজন এবং ভুল নীতির কারণে ওই সম্ভাবনাগুলো অনেক সময় কাজে লাগানো সম্ভব হয় না। শেখার মাধ্যমে এই অঞ্চলের তরুণদের পরিবর্তনের নেতৃত্ব দেওয়া সম্ভব বলে তিনি মনে করেন।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রকল্পের আওতায় এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    আজকের খবর / এমকে

  • সেনাবাহিনীর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনা

    চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর একটি বিশেষ অভিযানে বিএনপি নেতার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী একটি 공식 সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকেলে প্রকাশিত এই বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত ১১টার দিকে চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও প্রতিরোধের লক্ষ্যে একটি কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়।

    অভিযানের সময় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি থেকে অবৈধ অস্ত্র রাখার অভিযোগে মো. শামসুজ্জামান ওরফে ডাবলু (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে সেনাবাহিনী। পরে তিনি তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই ফার্মেসি থেকে একটি ৯ মি. মি. পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন এবং চার রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আটককৃত ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু দুঃখজনকভাবে, সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাত ১২টা ২৫ মিনিটে মৃত ঘোষণা করেন।

    সেনাবাহিনী এই ঘটনার ব্যাপারে গভীর দৃষ্টিতে তদন্ত করছে বলে জানানো হয়েছে। ঘটনাটি খুবই অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, এই কারণে ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার ও অভিযানে অংশগ্রহণকারী সকল সেনা সদস্যকে দ্রুত প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্তের জন্য একটি উচ্চপদস্থ তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী আইনের আওতায় যথাযথ কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই হতদুঃখজনক ঘটনা থেকে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সবকিছুই সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

  • ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৫৩ জন

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়া প্রার্থীদের মধ্যে আরও ৫৩ জন তাদের আপিলের মাধ্যমে আবার প্রার্থিতা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের ঘোষণামতে, মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চতুর্থ দিনের আপিল শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এই দিনে মোট ৭০টি আপিলের শুনানি হয়, যার মধ্যে ৫৩টি আপিল মঞ্জুর এবং ১৭টি নামঞ্জুর করা হয়। এভাবেই চার দিনে মোট ২০৪ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা পুনরুদ্ধার করেছেন।

    এর আগে, গত সোমবার (১২ জানুয়ারি) রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে মোট ৭১টি আপিল শুনানি হয়। এর মধ্যে ৪১টি আপিল মঞ্জুর হয়, ২৫টি না মঞ্জুর এবং চারটি আপিল অপেক্ষমাণ রাখা হয়। এর আগে, রোববার (১১ জানুয়ারি) ৫৮টি আপিলের মধ্যে ৪৫টি আপিল মঞ্জুর হয়, বাকি কিছু আবেদন না-মঞ্জুর বা অপেক্ষমাণ রাখা হয়। প্রথম দিনে, শনিবার (১০ জানুয়ারি), ৭০টি আপিলের মধ্যে ৫২টি মঞ্জুর এবং ১৫টি বাতিল হয়। এর মধ্যে একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের বিরুদ্ধে আপিলই মঞ্জুর হয়।

    খেয়াল করতে হবে, ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে, দেশের ৩শ’ নির্বাচনী এলাকায় মোট ২,৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১,৮৪২ জনের মনোনয়ন বৈধ হিসেবে স্বীকৃতি পায়, আবার ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে, রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন করা হয়।

    নির্বাচনের সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী, আপিলের নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ নির্ধারিত ২০ জানুয়ারি। রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। এরপর, নির্বাচন প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি এবং চলবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা থেকে সন্ধ্যা shalf;ogany তয়া পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার, সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা পর্যন্ত।

    আজকের খবর/বিএস

  • ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা

    ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা ছাড়া মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয়: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষে মূল্যস্ফীতি কমানো সম্ভব নয় যদি না ব্যবসায়ীরা সহযোগিতা করে। আজ শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ব্যাংকিং অ্যালমানাকের সপ্তম সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ ব্যাখ্যা করেন যে, বর্তমানে ব্যাংকিং খাত অনেকটাই স্থিতিশীল থাকলেও, ব্যাংক ঋণের সুদহার কমানো এক্ষণে সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “ব্যাংকিং খাতে এখন কিছুটা স্থিতিশীলতা আসলেও, সুদের হার কমানো সহজ নয়। ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা ছাড়া সরকারের জন্য মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনা বেশ কঠিন।”

    অর্থ উপদেষ্টা অভিযোগ করেন যে, দেড় দশক ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ব্যাংক খাতের দুর্নীতি ও অনিয়মের কারণে কিছু কিছু সুবিধাভোগী ঋণ নিয়ে লুটপাট ও পাচার করেছে, বা সমান্তরালভাবে ব্যাংকের খারাপ দিকগুলো ঢেকে রেখেছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার এসে এসব অনিয়মের বিষয়াদি বাইরে এনে ব্যাংকখাতের স্বচ্ছতা আনতে বিভিন্ন সংস্কার শুরু করেছে।

    সালেহউদ্দিন আহমেদ আরো বলেন, বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নতির পথে নিয়ে যাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, ব্যাংকিং সেক্টির বেশির ভাগই এখন স্থিতিশীল। তবে তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাংকের সুদের হার কমেনি, কারণ অর্থনীতিকে সম্পূর্ণভাবে স্থিতিশীল রাখতে হলে এখনই সব কিছু সম্ভব নয়।”

    তিনি ব্যাখ্যা করেন যে, শুধুমাত্র সুদের হার কমানো সমুদ্রের ঢেউ সারানোর মতো নয়, কারণ বাজারে ইনফ্লেশন নিয়ন্ত্রণের জন্য মনিটারি পলিসির পাশাপাশি সাপ্লাই চেন নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন। তিনি বলেন, “ইনফ্লেশন শুধুমাত্র মনিটারি পলিসির ফলে হয় না, এটা বহুমুখী বিষয়, যা রাজনৈতিক দিক থেকেও মনোযোগ দেওয়া উচিত।”

    অর্থ উপদেষ্টা উদাহরণ দিয়ে বলেন, “যখন আপনি কারওয়ানে একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে ৫ লাখ টাকা জরিমানা করেন, পরের দিন সবাই আবার সেই জরিমানা দিতে চায় না। তারা চাঁদা তুলে আবার একই কাজ শুরু করে, যা মূল সমস্যা নয়।”

    তিনি 강조 করেন যে, সাধারণ কমিউনিটি, হোলসেলার ট্রেডার ও রিটেইলারদেরও সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারের পক্ষ থেকে সরাসরি এসব খাতের আয় বা মুনাফা কমানোর পক্ষে না থাকলেও, সব অংশীদারদের সহযোগিতা নিয়ে বাজারের স্বচ্ছতা এবং সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব। তিনি বলেন, “শুধু ফিসক্যাল এবং মনিটারি পলিসি, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ বা ক্যাব কনজিউমার অ্যাসোসিয়েশন একা সবকিছু সমাধান করতে পারে না। সাম্প্রতিক সময়ে পরিস্থিতি অনেকটা উন্নতি হয়েছে।”

    অনুষ্ঠানে সাবেক তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক স্বস্তি এখনও আসেনি। তবে, অর্থনৈতিক শাসন শক্তিশালী করে ও আরও নজরদারি বাড়ানো হলে ভবিষ্যতে উন্নতি সম্ভব। তিনি বলেন, “সকল অংশীদারদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার।”

    এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থসচিব মো. খায়েরুজ্জামান מজুমদার, অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে নাজমা মোবারেক, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর নুরুন নাহার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিনিধি আবদুল হাই সরকার।

  • এক দফা কমার পরে আবারও বেড়ে গেল সোনার দাম

    এক দফা কমার পরে আবারও বেড়ে গেল সোনার দাম

    দেশের বাজারে সোনার মূল্য আবারও বৃদ্ধির ধারায় ফিরে এসেছে। এক দফা মূল্য কমানোর পর, শনিবার (১০ জানুয়ারি) রাতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়েছে, ভরিতে ১০৫০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে সোনার দাম। এই নতুন মূল্যকাল থেকে রোববার (১১ জানুয়ারি) থেকেই কার্যকর হবে।

    বাজুসের তাজা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে গেছে। তারই ফলস্বরূপ, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও বাজারের চাহিদার কথা বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দামে, ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) মূল্য ২ লাখ ২৭ হাজার ৮৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, অন্যান্য ক্যানের দাম হলো— ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৫৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৮৬ হাজার ৪৪৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৩ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, এই দামের সাথে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুসের ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যোগ করতে হবে। তবে, গহনার ডিজাইন, মান ও শৈলী অনুযায়ী মজুরির পার্থক্য থাকতে পারে।

    অগ্রগতির তথ্য অনুযায়ী, এর আগে সবশেষ ৮ জানুয়ারি দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। তখন ভরিতে ১ হাজার ৫০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ২ লাখ ২৬ হাজার ৮০৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের দামে ছিল ২ লাখ ১৬ হাজার ৪৮৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৭৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি ভরি বিক্রি হত ১ লাখ ৫৪ হাজার ৬৬৫ টাকায়। এটি কার্যকর হয় ৯ জানুয়ারি থেকে।

    এভাবেই এই বছর দেশের বাজারে সোনার দামের মধ্যে পঞ্চম বার সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে তিন দফা দামে বৃদ্ধি হয়েছে এবং দু’দফা কমেছে।

  • সরকারের প্রকল্প বরাদ্দ কমে ২ লাখ কোটি টাকায় পুনর্নিযুক্ত

    সরকারের প্রকল্প বরাদ্দ কমে ২ লাখ কোটি টাকায় পুনর্নিযুক্ত

    চলতি অর্থবছরের জন্য সরকারের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বরাদ্দ আকারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর ফলে মোট বরাদ্দ কমে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ কোটি টাকায়, যা আগে ছিল এর চেয়ে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কম। আজ সোমবার শেরেবাংলা নগরে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সভায় এই সংশোধিত এডিপির অনুমোদন দেওয়া হয়।

    সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠক শেষে পরিকল্পনা উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন، বিদ্যমান পরিস্থিতিতে সরকারি ও বিদেশি অর্থায়নে প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ কমানো হয়েছে। সরকারি বরাদ্দের পরিমাণ কমে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা এবং বিদেশি ঋণ ও অনুদানের ক্ষেত্রে কাটছাঁট হয়েছে মোট ৭২ হাজার কোটি টাকা, যার ফলে এই খাতে বরাদ্দ হয়েছে যথাক্রমে ১৬৮ হাজার কোটি এবং ৭২ হাজার কোটি টাকা।

    তিনি বলেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের ধীর গতির কারণে মোট চাহিদা ছিল প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা। দীর্ঘ সময় ধরে প্রকল্প পরিচালক না থাকার, নিয়োগে দেরি ও পুনর্মূল্যায়নের কারণে এই কম চাওয়া হয়েছে।

    খাতভিত্তিক বরাদ্দের দিকে দেখা গেলে, সবচেয়ে বেশি অর্থ বরাদ্দ পেয়েছে পরিবহন ও যোগাযোগ খাত, যেখানে বরাদ্দ হয়েছে প্রায় ৩৮ হাজার ৫০৯ কোটি টাকা, যা মোট এডিপির এক-পঞ্চমাংশ। এরপর রয়েছে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত, যার জন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৬ হাজার ১৮৬ কোটি টাকা। পাশাপাশি বাসস্থান ও কমিউনিটি সুবিধা, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার ও গ্রামীণ উন্নয়ন খাতেও যথেষ্ট অর্থ বরাদ্দ হয়েছে।

    তবে সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে স্বাস্থ্য খাতে কারণ এটি দুর্বল বাস্তবায়ন ক্ষমতার কারণে বরাদ্দের প্রায় ৭৪ শতাংশ সংক্ষিপ্ত করে দেওয়া হয়েছে। মূল এডিপিতে যেখানে এই খাতে বরাদ্দ ছিল ১৮ হাজার ১৪৮ কোটি টাকা, সেখানে সংশোধিত এডিপিতে তা কমে হয়েছে মাত্র ৪ হাজার ৭১৮ কোটি। শিক্ষা খাতেও ব্যাপক কাটছাঁট হয়েছে, যেখানে বরাদ্দ প্রায় ৩৫ শতাংশ কমে গেছে।

    পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের আগের বরাদ্দ থাকলেও এখন এই খাতেও প্রায় ৩৫ শতাংশ অর্থ কমেছে। একইভাবে সামাজিক সুরক্ষা খাতে বরাদ্দে উল্লেখযোগ্য প্রথমে বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ১৮ কোটি টাকা, যা এখন কমে ৫৪৫ কোটি টাকা দাঁড়িয়েছে।

    এছাড়া, বিদ্যুৎ খাতে বরাদ্দ সরাসরি প্রায় ১৯ শতাংশ কমে গেছে, এবং কৃষি খাতে কমেছে প্রায় ২১ শতাংশ। তবে পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানি সম্পদ খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে প্রায় ২০ শতাংশ।

    মন্ত্রণালয় ও বিভাগের বরাদ্দের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অর্থ পেয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ, যেখানে নতুন বরাদ্দ হয়েছে ৩৭ হাজার ৫৩৪ কোটি টাকা। এছাড়া সড়ক ও মহাসড়ক এবং বিদ্যুৎ বিভাগের বরাদ্দও উল্লেখযোগ্য। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পানি সম্পদ ও শিক্ষা বিভাগেরাও বেশ কিছু অর্থ পেয়েছে। সংশোধিত এডিপিতে উন্নয়নের জন্য আলাদা বরাদ্দ রাখা হয়েছে এবং স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা ও করপোরেশনগুলোর উদ্যোগে বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলোও যুক্ত করা হয়েছে।

    সব মিলিয়ে, এই সংশোধিত এডিপির মোট আকার দাঁড়িয়েছে প্রায় ২ লাখ ৮ হাজার কোটি টাকা, যেখানে মোট ১৩৩০টির প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত। এর মধ্যে বেশিরভাগই বিনিয়োগ প্রকল্প। পরিকল্পনামন্ত্রী জানিয়েছেন, চলতি বছরের মধ্যে এই প্রকল্পগুলোর মধ্যে ২৮৬টি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে।