নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকায় ‘শাপলা কলি’ প্রতীক অন্তর্ভুক্তির পর বিএনপি-নজীর নেতৃত্বাধীন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্পষ্ট طورে জানিয়েছে, তারা ‘শাপলা কলি’ নয়, বরং ‘শাপলা’ প্রতীক চায়। বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) ইসির প্রতীকের তালিকায় ‘শাপলা কলি’ যুক্ত হওয়ার পর এই বিষয়ে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জহিরুল ইসলাম মুসা গণমাধ্যমের কাছে এ কথা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমরা ‘শাপলা কলি’ চাচ্ছি না। আমাদের পছন্দ হচ্ছে ‘শাপলা’ প্রতীকের জন্য। ইসি আগে জানিয়েছিল, ‘শাপলা’ অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয়, কিন্তু এখন যেহেতু ‘শাপলা কলি’ নির্বাচনী প্রতীকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, তারা চাইলে ‘শাপলা’ প্রতীকও অন্তর্ভুক্ত করতে পারে। আমরা কলি নয়, শুধুমাত্র ‘শাপলা’ প্রতীক চাই। এর বাইরে অন্য কোনো বিকল্প আমরা বিবেচনা করছিনি।” এর আগে আজ দুপুরে ইসি প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন তালিকায় ‘শাপলা কলি’ প্রতীক দেখিয়ে দিয়েছে। দেশের নির্বাচনের বিষয়ে নেতৃত্বদানকারী এ পদক্ষেপে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করেন। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ১৯৭২ সালের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৪ অনুযায়ী, নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর সংশোধনের মাধ্যমে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ রয়েছে, বিধিমালার বিধি ৯ এর উপ-বিধি (১) এর পরিবর্তে নতুন উপ-বিধি (১) ধারা কার্যকর করা হবে। এছাড়া, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী যদি কোনও প্রতীক পায়, তবে সেই প্রতীকটি ওই প্রার্থীকে বরাদ্দ করা হবে, তবে এটি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট প্রতীকের মধ্যে সীমাবদ্ধ। গত ২৭ অক্টোবর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ইসির বিধিমালায় ‘শাপলা’ প্রতীক না থাকায় এনসিপিকে সেটি দেওয়া সম্ভব নয়। তিনি তখন বলেছিলেন, নির্বাচনী কমিশন অন্য কোনও প্রতীক বরাদ্দ করবেন এবং পরে এ বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নতুন দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি প্রথমে জানিয়েছিল, তারা ‘শাপলা’ প্রতীকের বাইরে কোনও প্রতীক গ্রহণ করবে না। তবে এখনো ‘শাপলা কলি’ প্রতীকেও তারা সন্তুষ্ট নয় এবং এই প্রতীকেই তারা আঁকড়ে আছে।
Author: bangladiganta
-

নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক বিভেদ ও ভবিষ্যৎ সংকট মুখে
অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্যোগে ফেব্রুয়ারির মধ্যে গণতান্ত্রিক নির্বাচনের দাবি করে থাকলেও, সেই অঙ্গীকার অনুযায়ী এগোতে মহার্ঘ্য সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে দেশ। জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, বিএনপির জন্ম ছিল ‘হ্যাঁ’ ভোটে। যদি তারা ‘না’ ভোটে কঠোর থাকে, তাহলে তাদের আত্মমর্ত্য ঘটে যেতে পারে ‘না’ ভোটের মাধ্যমে। তিনি সতর্ক করে বলেন, বিএনপি একটি বড় দল; তাদের জন্য কোটেশন না দেয়ার এবং ‘না’ ভোট দিয়ে নিজেদের মৃত্যুর কবর খননের পথ না বেছে নেওয়ার আহ্বান জানান। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্য আয়োজিত ‘রাজনীতির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, আগামী নির্বাচনের জন্য জুলাই সনদ প্রয়োজন। অস্পষ্টতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে পড়তে পারে, যা জামায়াত ও বিএনপি’র কুতর্ক ও রটনার ফল। তিনি বলেন, এখনই গাজীপুর ও অন্যান্য স্থানে নির্বাচনের জন্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশের ড্রাফট প্রকাশ করে ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের মানদণ্ড তৈরি করতে হবে। তা না হলে দেশ গৃহযুদ্ধের দিকে চলে যেতে পারে এবং এর দায় নিতে হবে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল নেতৃত্বকে।
জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির একত্রে থাকার প্রবণতা ও বিষয়ে মন্তব্য করে নাসীরুদ্দীন বলেন, ‘গণভোট প্রশ্নে জামায়াত এক সময় বিএনপি’র সঙ্গী হবে। তারা দুই দল মিলে মতভেদ সৃষ্টি করছে, এবং এই অশুভ ধারা দেশের অস্থিতিশীলতা বাড়াচ্ছে।’
নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে অস্বস্তিতে ফেলতে চাওয়া বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা এসব দলকে মানি না। অনেকেই বলেছিলেন, আওয়ামী লীগের ৫ লাখ নেতা-কর্মীর প্রাণ যাবে, কিন্তু এত কিছুর পরও আমরা সেরকম কোনও ক্ষতি করিনি। তবে তারা যদি বাধা দেয়, কঠোরভাবে প্রতিরোধ করব। বিএনপিকে বলব, আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে আনতে দেবে না।’
নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতিত্বের কথা তুলে ধরে তিনি বললেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনের গঠন প্রক্রিয়া দেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করেছে। এই কমিশনের অধীনে নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন কঠিন হয়ে পড়েছে। কমিশন যদি রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত থাকে, তাহলে জনগণের আস্থা অর্জন সম্ভব নয়। তাই প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্টদের একাধিকার প্রয়োজন মুক্ত, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনার জন্য।
তিনি আরো বলেন, জুলাই সনদ স্বাক্ষর হয় না, কারণ এনসিপি ওই সময়টি রাজনৈতিক বিবেচনায় উপযুক্ত মনে করেনি। আজকের সময়ে সংস্কার কমিশনের সুপারিশনামার বাস্তবায়নের ওপর গুরুত্ব দেন, কারণ এর বাইরে যাওয়ার কোনো পথ নেই।
ড. ইউনূসের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সম্প্রতি কিছু সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাবের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা জোরালোভাবে অপ্রয়োজনীয় বলে মনে করেন। পত্রিকার মাধ্যমে ড্রাফট প্রকাশের আহ্বান জানান, এতে সত্যতা ও বাস্তবতা থাকলে এনসিপি স্বাক্ষর করবে। অন্যথায়, অজান্তে যদি কিছু হয়, তারা এতে অংশ নেবে না।
অন্তর্র্বর্তী সরকারের লক্ষ্য ও উদ্যোগে নাগরিক ঐক্যসহ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অপ্রতুল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির মধ্যে এগোচ্ছে। তিনি দ্ব্যর্থহীনভাবে বলেছেন, ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন দিন, না হলে ভবিষ্যতে গৃহযুদ্ধের ঝুঁকি বাড়তে পারে। দেশের গণতন্ত্র রক্ষা ও স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় অবিলম্বে স্বাধীন ও ভবিষ্যৎমুখী নির্বাচনী ব্যবস্থার নির্মাণ জরুরি।
-

অইকমত্যের ব্যর্থতা হলে পরিস্থিতি ভয়ানক হয়ে উঠতে পারে, ড. ইউনূসের সরে যাওয়ার আশঙ্কা
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলের মধ্যে আবারো ঐকমত্যের অভাব দেখা দিলে পরিস্থিতি সংকটাপন্ন হয়ে উঠবে এমন সতর্কবার্তা দিয়েছেন শিল্পপতি ও সমাজসেবক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগের মধ্যে থাকা রাজনৈতিক দলগুলো। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দলের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, যদি জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সম্পর্কিত বিরোধ মেটানো যায় না, তাহলে নির্বাচনের দিন নির্ধারিত হবে না এবং ড. ইউনূসের পদত্যাগের প্রয়োজন পড়তে পারে। এই পরিস্থিতি ভয়ানক বাজেভাবে জটিল আকার নিতে পারে বলেও তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
মঞ্জু বলেন, গতকাল মঙ্গলবার জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য জাতীয় সনদ বাস্তবায়নের জন্য সুপারিশ পাঠানো হয়েছে। সেখানে আদেশ জারি করার পাশাপাশি নির্বাচনের আগের যে কোনো সময় গণভোটের প্রস্তাব রয়েছে। যদি সংবিধানের সংশোধন ৯ মাসের মধ্যে সম্পন্ন না হয়, তাহলে এই প্রস্তাবগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হয়ে যাবে।
সনদের আইনি ভিত্তিতে তিন ধাপে এই বাস্তবায়ন পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রথমে সংবিধান সংশোধনের জন্য আদেশ জারির মাধ্যমে শুরু হবে, এরপর গণভোটের ব্যবস্থা এবং শেষ পর্যায়ে সংসদে এই সংশোধনগুলো প্রণয়ন। এর বাইরে, সংবিধান সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো সরকার অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাস্তবায়ন করতে পারবে এবং কিছু প্রস্তাব অফিস আদেশের মাধ্যমে দ্রুত বাস্তবায়িত হতে পারে।
মঞ্জু জানায়, সংবিধান সংশ্লিষ্ট ৪৮টি বিষয় নিয়ে দুটি বিকল্প প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে—একটি হলো, ২০২৫ সালে জাতীয় সনদের মাধ্যমে সংবিধান সংস্কার সম্পন্ন করা। এই প্রক্রিয়ায় আদেশ দিয়ে নির্বাচনের জন্য গণভোটের মাধ্যমে এই সংশোধন কার্যকর হবে। অন্য প্রস্তাবে, সংবিধান সংশোধনের জন্য full বিল সংসদে পাস করে গণভোটে নেওয়া হবে, তবে টার্মিনেশনের মধ্যে এটি সম্পন্ন না হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংবিধানে সংযোজন হয়ে যাবে।
গণভোটের তারিখ নির্ধারণের দায়িত্ব সরকারের ওপরই থেকে যাবে বলে জানান মঞ্জু। তিনি বলেন, ‘আমরা আশা করি, যখন সরকার সিদ্ধান্ত নেবে তখন রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টি সম্মতি যুগিয়ে মেনে নেবে।’ তারা এও জানান, নোট অব ডিসেন্ট বা আপত্তির ব্যাপারে মনে করেন, গণভোটে যোগ দেওয়ার জন্য সকলের উচিত একত্রিত হয়ে প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা। যারা নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছেন, তারা চাইলে আগেভাগে সমঝোতা করে বিষয়গুলো সমাধান করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বিলটি সংবিধানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্তর্ভুক্ত হবে—এটি একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক দলিল। ২৭০ দিনের মধ্যে এই সংস্কার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন, কারণ দীর্ঘ আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধনের প্রস্তাবগুলো খুব দ্রুতই বাস্তবায়িত হতে পারবে।
মঞ্জু সতর্ক করে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর জন্য এখন প্রধান কাজ হলো ইগো পরিহার করে ঐক্যবদ্ধভাবে এই সনদ কার্যকর করতে সম্মত হওয়া। তা না হলে নির্বাচন আয়োজনের ওপর অনিশ্চয়তা জন্মাতে পারে, এবং ড. ইউনূসের পদত্যাগের প্রয়োজন পড়তে পারে, যা পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ করে তুলতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, আনোয়ার সাদাত টুটুল, ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি, এবিএম খালিদ হাসান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক সেলিম খানসহ অন্যান্য নেতারা।
-

বিএনপির লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা
বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, তাদের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে আরও সবল ও সমৃদ্ধ করে তুলতে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা। এই অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষার মাধ্যমে লাখ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, যা দেশের প্রত্যেক নাগরিক, বিশেষ করে নারীর, মাঝে গর্বের সঙ্গে দেশের প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার স্বপ্ন দেখাতে সক্ষম হবে। বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এই পরিকল্পনার কথা ব্যক্ত করেন।
আরও প্রত্যাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ক্ষমতায় গেলে তিনি কর্মজীবী মায়েদের জন্য কাজের ঘণ্টা কমিয়ে ৫ ঘণ্টা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন। এর পাশাপাশি, নারীদের জন্য শিশু পরিচর্যা (ডে-কেয়ার) ব্যবস্থাকে দেশের অর্থনীতির উন্নয়ন কৌশলের অন্যতম অংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন তিনি। তারেক রহমান ব্যাখ্যা করেন, যখন কোনও তরুণী মা পর্যাপ্ত শিশু পরিচর্যার সুযোগ পান না거나 চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন, তখন দেশের সম্ভাবনা, উৎপাদনশীলতা ও অগ্রগতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
বিএনপি এই লক্ষ্য অর্জনে দেশের সবার জন্য আধুনিক ও গুণগত মানের ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন, সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বাধ্যতামূলক ডে-কেয়ার ব্যবস্থার সাথে সঙ্গে নিয়োগকর্তাদের জন্য কর সুবিধা ও সিএসআর ক্রেডিটের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। নারীকর্মী ও শিশু কেয়ারের মানদণ্ড অনুসারে প্রশিক্ষণ ও সার্টিফিকেশনের মাধ্যমে কাজের সুবিধা বাড়ানো হয়েও এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হবে। এর ফলে নারীদের কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, পরিবারের আয় উন্নত ও দেশের জিডিপি লক্ষ্যমাত্রার একটি অংশ যোগ হওয়া সম্ভব হবে।
তারেক রহমান আরও উল্লেখ করেন, তৈরি পোশাক শিল্পে শ্রমিকদের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশই নারী, যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও নারীর ক্ষমতায়নের জন্য একটি বড় সুযোগ। আন্তর্জাতিক গবেষণায় দেখা গেছে, শিশু পরিচর্যার সুবিধা থাকলে কারখানা শ্রমিকরা দীর্ঘ সময় ধরে কর্মঠ থাকেন এবং প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের খরচ কখনোই উঠে আসতে পারে। তিনি বলেন, শিশু পরিচর্যার ব্যবস্থা কেবল সামাজিক প্রয়োজনই নয়, এটি অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য অপরিহার্য। ডে-কেয়ার সেন্টার তরুণ নারী ও মা-শ্রমিকদের কর্মজীবনে সফলভাবে সংযুক্ত করে।
সংক্ষেপে, তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য ২০৩৪ সালের মধ্যে এমন একটি উন্নত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি তৈরি করা যেখানে লাখো লাখো মানুষ যেমন কর্মসংস্থানে থাকবেন, নারীর ক্ষমতায়ন হবে তেমনি দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি নিশ্চিত হবে। নারীর সম্ভাবনাকে সীমিত করা কোনও ধারণাকে তিনি মেনে নেবেন না। শিশুপালন, সমান মজুরি ও কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার মাধ্যমে নারীর ক্ষমতায়ন এই বুদ্ধিবৃত্তিক অর্থনীতির মূল ভিত্তি। শেষমেষ, তিনি আহ্বান জানান, আসুন একসঙ্গে এগিয়ে যাই, একটি সমাজ গড়ি যেখানে প্রতিটি মা ও ছাত্রী স্বাধিকার ও স্বস্তি পাবে, এবং সমাজের সব অংশগ্রহণ অগ্রগতির মূল চাবিকাঠি হয়ে থাকবে।
-

ঢাকা ওয়াসার এমডি ও ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসককে সরানো হলো
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক এবং ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্ব থেকে মোঃ শাহজাহান মিয়াকে অবিলম্বে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি একসঙ্গে এই দুই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন, তা ছাড়াও তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের দায়িত্বও পালন করছিলেন। পশ্চিম বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে সংশ্লিষ্ট দফতরে বদলি করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে জারি এই আদেশ তৎক্ষণাৎ কার্যকর হবে। ফেব্রুয়ারির ১৩ তারিখে শাহজাহান মিয়াকে স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিবের পাশাপাশি ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রশাসকের দায়িত্ব দেয়া হয়। এরপর মে মাসের ১৮ তারিখে তাকে ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বও প্রদান করা হয়। বড় দায়িত্বের এই দুই সংস্থার দায়িত্ব একজনের হাতে দেওয়ার বিষয়টি নানা মহলে সমালোচনার জন্ম দেয়। তবে, কেন এই কর্মকর্তাকে হঠাৎ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে বদলি করা হয়েছে, সে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট হয়নি।
-

জুলাই শহীদদের লাশ শনাক্তে বিদেশি বিশেষজ্ঞ আমদানি হবে
রায়েরবাজার কবরস্থানে শায়িত জুলাই শহীদদের লাশ দ্রুত তুলে তাদের পরিচয় শনাক্তের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবে সরকার। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম জানিয়েছেন, বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞদের আনা হবে তারা লাশগুলো ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত করবেন। বৃহস্পতিবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই তথ্য জানান।
প্রেস সচিব বলেন, রায়েরবাজারে বহু জুলাই শহীদকে কবর দেওয়া হয়েছে। এসব বেওয়ারিশ লাশের পরিচয় জানা খুব জরুরি। এ জন্য দীর্ঘ দিন ধরে কাজ চলছিল, যাতে ডিএনএ পরীক্ষা করে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়। তিনি জানান, বিদেশি এক্সপার্টরা এসে এ কার্যক্রমে গুরুত্ব সহকারে কাজ করবেন, এবং এই প্রক্রিয়া আরও উন্নতির পথে এগিয়ে যাবে। বর্তমানে সেখানে একথা নিশ্চিত করেছেন যে, ১০০ জনেরও বেশি ব্যক্তির লাশ রয়েছে। তাদের পরিচয় জানানো এই প্রকল্পের অন্যতম বড় অঙ্গ।
শফিকুল আলম আরও উল্লেখ করেন, ১৯৮৪ সালে থাকা বননীতি এখন পরিবর্তন হবে। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ভবিষ্যতে কোনও বনের ভেতরে বিদেশি প্রজাতির গাছ লাগানো যাবে না। পাশাপাশি, দেশের বনজ সম্পদ রক্ষা এবং কাঠের আমদানি বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে স্থানীয় গাছের ওপর চাপ কমে।
এছাড়াও, বৈঠকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুরুতর আহতদের বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য অর্থায়নের ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রেস সচিব জানান, এখনও ৬৫ জন আহত বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছেন এবং একজনের চিকিৎসার জন্য সরকারের সর্বোচ্চ ৮ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে। যতদিন তারা বাইরের দেশে থাকবেন, সরকার এই খরচ বহন করবে।
শেষে, তিনি জানিয়েছেন যে, জুলাই শহীদদের অজ্ঞাত লাশের দ্রুত শনাক্তের জন্য রায়েরবাজার শহীদ কবরস্থানে একটি ডিএনএ ল্যাব স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে শহীদদের মরদেহের পরিচয় দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
-

পরিবারের সদস্য ছাড়াও অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান অনুমোদন পেল বাংলাদেশ
মানবদেহে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সংযোজনের জন্য নতুন আইন বা অধ্যাদেশের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ দ্বারা। এই আইনে পরিবারের সদস্য ছাড়াও অন্য কেউ, যাদের সঙ্গে গভীর ইমোশনাল সংযোগ রয়েছে, তাদের নিঃস্বার্থভাবে কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দানের সুযোগ রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এ সময় বৈঠকের সভাপতিত্ব করছিলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। পরে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে উপদেষ্টা পরিষদের এই সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্রিফ করেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল ও প্রধান উপদেষ্টা শফিকুল আলম। আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বলেন, বর্তমান আইনে শুধুমাত্র পরিবারের সদস্যরা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করতে পারতেন। এতে করে বিদেশে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ প্রতিস্থাপনের সময় অনেকেই দরিদ্র বা অনিহিত ব্যক্তিদের থেকে টাকা পয়সা দিয়ে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করার চেষ্টা করতেন। নতুন আইনে সেই সীমাবদ্ধতা দূর করা হয়েছে। তিনি বলেন, “আমরা চাই যে শুধু পরিবারের নয়, যারা ইমোশনালভাবে সংযুক্ত, তারা একে অপরের সঙ্গে এই ধরনের দানে এগিয়ে আসুক। কেউ যদি নিঃস্বার্থভাবে অন্য কাউকে অঙ্গপ্রত্যঙ্গ দান করতে চায়, সেই প্রক্রিয়াটিকে আমরা বৈধতা দিয়েছি।” আসিফ নজরুল আশাবাদ প্রকাশ করেন যে, এই আইনের ফলে দেশের ভিতরে বিদেশে যেতে হবে না মোটেও। এতে করে চিকিৎসার খরচ কমবে, সময় এবং ভোগান্তি অনেকটাই কমে আসবে, পাশাপাশি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের জন্য অপেক্ষা করতে থাকা রোগীদের জন্যও সহজ হবে।
-

শেখ হাসিনার বাসভবন হল জুলাই জাদুঘর
২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘটনার পর, যেখানে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সেখানে তার বাসভবন এখন একটি স্মৃতি জাদুঘরে পরিণত হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে গণভবনকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ এই প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উপদেষ্টা পরিষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে গ্ৰহণ করা হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই দিন বিকেলে রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে দেশের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এই বিষয়ে নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আগে যে ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, যিনি গণহত্যার দায়ে বিচারাধীন, তার বাসভবনটি আজ থেকে স্মৃতি জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এই জাদুঘরটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে, এটি জাতীয় জাদুঘরের শাখা বা প্রশাখা নয়।
এছাড়া, এই অধ্যাদেশের আওতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা আয়নাঘরগুলোও মূল জাদুঘরটির শাখা হিসেবে সম্প্রসারিত করা যেতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। এই উদ্যোগ দেশের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য একটি নতুন দৃষ্টান্ত হবে বলে মত প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
-

বেশ কিছু অঞ্চলে ভারি বর্ষণের আভাস ও আকাশে মেঘলা আকাশ
সারা দেশে প্রায় অপরিবর্তিত থাকছে দিন ও রাতের তাপমাত্রা, তবে কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় আবহাওয়া বিভাগের সর্বশেষ পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী, অন্ধ্রপ্রদেশ ও তার আশেপাশের এলাকায় অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে বর্তমানে উত্তর ছত্তিশগড় ও তার সংলগ্ন অঞ্চলে রয়েছে। আশা করা হচ্ছে এটি আরও উত্তর দিকে অগ্রসর ও দুর্বল হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপে রূপ নিতে পারে। এ কারণে, আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আশেপাশের কয়েকটি বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, যেমন রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসิงহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট, বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। বিশেষ করে রংপুর বিভাগে কোথাও কোথাও ভারি বর্ষণের সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, সারাদেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। আগামী শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়, একইভাবেই বিভিন্ন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রংপুর ও রাজশাহীর কিছু জায়গায় ভারি বর্ষণের আশঙ্কা ব্যক্ত করা হয়েছে। সারাদেশে সামগ্রিকভাবে তাপমাত্রা কিছুটা কমে যাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এটি যেন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে স্বভাবিত আবহাওয়ার পরিবর্তনের সঙ্গে জোটে বর্ষণের সম্ভাবনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন আবহাওয়া বিভাগের প্রতিনিধিরা।
-

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে
ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা হবে। নির্বাচনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণের জন্য আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে সব কর্মসূচি সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন পরিচালনাঅন্তর্জাতিক সরকারপ্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমি মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই খবর জানান।
প্রেস সচিব জানান, ১ নভেম্বর থেকে নির্বাচনের জন্য পদায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। দেশের ৬৪ জেলা প্রশাসকের দায়িত্ব বরাদ্দের জন্য জেলা ভিত্তিক তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নিতে শ্বশুরবাড়ি ও আত্মীয়-স্বজনের এলাকার পরিবর্তে নির্দিষ্ট এলাকায় পদায়ন করা হবে। এছাড়া, গত তিন নির্বাচনে যেসব রিটার্নিং অফিসার, পোলিং এজেন্ট ও প্রিসাইডিং অফিসার দায়িত্বরত ছিলেন, তাদের এবার নির্বাচনে দায়িত্বে রাখা হবে না।
শফিকুল আলম বলেন, দেশের ভেতরে এবং বাইরে থেকে সামাজিক মাধ্যমে ‘এআই’ প্রযুক্তি ব্যবহারে বিভিন্ন অপপ্রচার হতে পারে। এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলায় উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া, সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে বিভ্রান্তি বা ভুল তথ্য ছড়িয়ে পড়া প্রতিরোধে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হবে।
প্রধান উপদেষ্টার বরাতে তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, নির্বাচন বানচালের জন্য দেশের ভেতর ও বাইরে নানা ধরনের অপশক্তি সক্রিয় হতে পারে। বড় বড় শক্তির কাছ থেকে তারা নির্বাচনকে বিঘ্নित করার চেষ্টা করবে। হঠাৎ করে আক্রমণ বা হামলার সম্ভাবনাও রয়েছে, যা এই নির্বাচনকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলবে। ঝড়-ঝাপ্টা যতই আসুক, আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যেতে হবে এবং সকল পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করতে হবে।
