Author: bangladiganta

  • সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশি ফেরত দিলো বিএসএফ

    সাতক্ষীরায় পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতে আটক ১৫ বাংলাদেশি ফেরত দিলো বিএসএফ

    সাতক্ষীরা সীমান্তে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ বাংলাদেশি নারী ও শিশুসহ ১৫ জনকে ফেরত পাঠিয়েছে। ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টায়, যখন সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তলুইগাছা সীমান্তের জিরো লাইনের কাছে এই পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে বিজিবি তাদেরকে সদর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এই আটকদের মধ্যে বেশিরভাগই অবৈধভাবে ভারতের হাকিমপুর ক্যাম্পে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন, যা মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘটে। এরপর, বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাদের ফেরত পাঠানো হয়েছে।

    ফেরত আসাদের মধ্যে রয়েছেন সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার পশ্চিম কৈখালী গ্রামের মোঃ সেকেন্দার হোসেন (৩৩), নকিপুর গ্রামের কালাচাঁদ গাজীর ছেলে মোঃ আব্দুলাহ গাজী (৩৮), রাকুরঝোরার ঝর্ণা খাতুন (৩৮), কালিঞ্চি গোলাখালী এলাকার মোমিকাইল মোলার স্ত্রী মোছাঃ নাজমা বিবি (৩৩), তার মেয়ে মাহেরা আক্তার (৬), ছেলে নাজমুল হাসান নাইম (১৬), মেয়ে মিনার (১৩), নওয়াবেঁকীর পূর্ব বিড়ালক্ষীর আবিয়ার রহমান শেখের মেয়ে মোছাঃ মাফুজা খাতুন (৩৪), তার মেয়েরা তানিয়া সুলতানা (১০), মাফুজা রহমান (২), খুলনার বাটিয়াঘাটা এলাকার মৃত জিয়ারুল ইসলামের স্ত্রী মোর্জিনা বেগম (৪৪), তার মেয়েরা হাসিনা খাতুন (১০), এবং পিরোজপুরের খানাকুণ্ডিয়ারী গ্রামের রুহুল আমিন (৪০), তার স্ত্রী শেফালী বেগম (৩৫) এবং মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (৭)।

    বিজিবির সূত্র জানায়, সোমবার রাতে হাকিমপুর চেকপোস্ট এলাকা থেকে অবৈধভাবে ভারত প্রবেশের দায়ে এই ১৫ বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়। এরপর, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিএসএফের আমুদিয়া কোম্পানি কমান্ডার ও বাংলাদেশের বিজিবি কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে তাদের ফেরত দেওয়া হয়। পরে রাতের দিকে, বিজিবির একটি টহল দল তাদেরকে সাতক্ষীরা সদর থানায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

    অতিরিক্ত বিবরণে জানা গেছে, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে বেশিরভাগই ভারত থেকে মজুরি/jobs জন্য প্রবেশ করেছিল এবং পরিস্থিতির পরিবর্তনে দেশে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। একজন বলেছিলেন, প্রায় ১৬ মাস আগে তিনি অবৈধভাবে ভারতের সীমান্ত অতিক্রম করেছিলেন ও কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় কাজ করতেন। সাম্প্রতিক ভারতের চলমান ধরা-ধামার কারণে তারা দেশে ফিরতে বাধ্য হয়েছেন।

    সাতক্ষীরার সদর থানার ওসি শামীমুল হক নিশ্চিত করে বললেন, আটকদের বৃহস্পতিবার রাতে হস্তান্তর করা হয়। প্রথমে, ১৪ জনকে তাদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, আর একজনের পরিবারের লোক এলে শুক্রবার তারাও স্বজনের কাছে পৌঁছে দেবেন।

  • জামায়াত সরকার গঠন করলে ব্যবসায়ীদের জন্য থাকবে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা

    জামায়াত সরকার গঠন করলে ব্যবসায়ীদের জন্য থাকবে সবচেয়ে বেশি নিরাপত্তা

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, একটি দেশের উন্নতি এবং অগ্রগতি মূলত তার ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নতির উপর নির্ভর করে। তাই নির্বাচিত সরকারগুলোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হলো ব্যবসায়ীদের জন্য একটি সুরক্ষিত ও সুবিধাজনক পরিবেশ সৃষ্টি করা, যাতে তারা নির্বিঘ্নে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করতে পারে এবং দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধন করতে সহযোগিতা করে। তিনি উল্লেখ করেন, ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা করতে পারলে তারা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবেন। তবে দুঃখজনকভাবে আমাদের দেশে এর বিপরীত দৃশ্য দেখা যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী বেশি লাভের আশায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে কালোবাজারি করে জিনিসপত্রের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করেন, ফলে মূল্যবৃদ্ধি হয়। তবে সৎ, নৈতিকতা সম্পন্ন বিবেকবান মানুষ এমন কিছু করতে পারে না। জামায়াতে ইসলাম চায়, এই দেশের সৎ, নৈতিক ও বিবেকবান মানুষই ব্যবসায় যুক্ত থাকুক। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরাও অনেকবার অযৌক্তিক চাপে পড়েন। নির্দয় চাঁদাবাজি, অবৈধ টাকা আদায়ের জন্য চোরাপথে চাঁদা দাবি, এমনকি চাঁদা না পাওয়ায় ব্যবসায়ীকে পাথর ছুঁড়ে হত্যার মতো ঘৃণ্য ঘটনা প্রতিদিনের সংগ্রামের অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব বর্বরতা আমাদের সমাজের অশুভ দিকগুলোকে উসকে দিচ্ছে। আমরা এমন নৃশংস সমাজ চাই না। এক কথায়, আল্লাহর রহমত ও আপনাদের ভালোবাসায়, যদি জামায়াত সরকার গঠন করতে পারে, তবে ব্যবসায়ীরা নিরাপদে ব্যবসা চালাতে পারবেন। আর কেউ চাঁদাবাজি বা হত্যা সূচক পরিস্থিতিতে পড়তে থাকবেনা। সকলের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে। তিনি ব্যবসায়ীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে সংগ্রামে সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে।

  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আবারও সক্রিয় হতে শুরু করেছে: তুহিন

    বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আবারও সক্রিয় হতে শুরু করেছে: তুহিন

    খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষে নির্বাচনী মনোনয়নপ্রত্যাশী শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন গোপন বৈঠক এবং ষড়যন্ত্রমূলক তৎপরতার মাধ্যমে তারা দেশের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তারা সবসময়ই গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ভিন্ন পথে নিতে চায়। শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরীর মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তুহিন আরও বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা আসন্ন নির্বাচনের নামে দেশের ভেতরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করার জন্য নীলনকশা করছে। তিনি দাবি করেন, স্বাধীনতা বিরোধীরা কখনোই গণতন্ত্র বা মানুষের অধিকারকে সমর্থন করেনি। তাদের সব ষড়যন্ত্র জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে ধ্বংস হবে। ২৯ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি শফিকুল ইসলাম জোয়াদ্দার জলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবির। এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন মোঃ মোস্তফা আলম, শেখ হাফিজুর রহমান, রিপন তরফদার, শাহ আসিফ হোসেন রিংকু, নাজমুস সাকিব, মাহবুবর রহমান লিটু, সৈয়দ আজাদ হোসেন, মোঃ আলী মিঠু, কে.এম বেলাল হোসেন, শেখ বেলাল, নাজমুন নাহার শিখা, জামিলা খাতুন, মোঃ ইব্রাহীম, শিল্পী আকতার, মোঃ কামরুল ইসলাম, মোঃ নাজমুল হোসেন, নওফেল বিন মাহবুব, সাইফুল ইসলাম হাইসাম, মেহেদি হাসনাত আবির, সৌমেন সাহা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • রূপসার পল্লীতে সরকারি রাস্তা দখল ও ইট তৈরির ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

    রূপসার পল্লীতে সরকারি রাস্তা দখল ও ইট তৈরির ব্যবসা চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ

    খুলনার আঠারোবেঁকী নদীর তীরে অবস্থিত রূপসার নেহালপুর মিস্ত্রিপাড়ার একটি রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে সরকারি ভূপৃষ্ঠ হিসেবে পরিচিত হলেও চৌকি দোকানদার ও নির্মাণ ব্যবসায়ীরা জোরপূর্বক দখল করে ইট ভাটার জন্য মাটি দিয়ে পট (ইট তৈরির আংটি) বানিয়ে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। এই দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা দখল করে ব্যবসা বিলীন করার জন্য এলাকাবাসী বিভিন্ন বার চেষ্টা করলেও সমস্যার সমাধান হয়নি। এ নিয়ে এলাকাবাসী ও সচেতন মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

    নেহালপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সরকারি এই রাস্তা জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি দখলমুক্ত করা জরুরি। তারা হুঁশিয়ার করেছেন, অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে তারা কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দেবেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ, রাস্তা দখল করে ইট তৈরির জন্য পট বানিয়ে ব্যবসা করায় এলাকাটির জনজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। এ রাস্তা দিয়ে আসা-যাওয়া করত এক সময় সৎকারের জন্য শ্রমজীবী মানুষজনও, কিন্তু এখন দখলদাররা এ রাস্তাকে ধ্বংস করে দিচ্ছে।

    এলাকাবাসীর মধ্যে ক্রীড়া সংগঠক সাধন দে বলেছেন, দীর্ঘদিন ধরে এটি একটি ঐতিহ্যবাহী রাস্তা। অনেক বছর আগেও এই রাস্তা দিয়ে নেহালপুরের শ্মশানে মরদেহ আনা হত, কিন্তু এখন দখল ও ব্যবসার কারণে এই সড়ক অচিরেই বিলীন হওয়ার পথে।

    আরেক বাসিন্দা মোঃ রাকিব শেখ বলেন, এটি ছিল পুরাতন ঐতিহ্যবাহী রাস্তা। দীর্ঘদিন ধরে এমএনএস ব্রিকসের মালিক মিঠু এবং এর আগের মালিক সাত্তার এই রাস্তা দখল করে ইট তৈরির জন্য ব্যবহার করছেন। এর ফলে রাস্তার দখল ও ধ্বংসের কারণে এলাকাবাসির দুর্ভোগ বৃদ্ধি পায়।

    এমএনএস ব্রিক্সের ম্যানেজার মিজানুর রহমান দাবি করেন, মালিক মিঠু এই ইটভাটার জন্য পাঁচ বছরের জন্য লিজ নিয়েছেন এবং সরকারি রাস্তা দখলের বিষয়টি তার জানা নেই বা কোনো আপত্তি করেননি। তিনি বলেন, সরকার চাইলে রাস্তা ফিরিয়ে দিতে পারে, এতে কোনো সমস্যা হবে না।

    অপরদিকে, স্থানীয় সার্ভেয়ার মোঃ খবিরুদ্দিন জানিয়েছেন, এটি একটি জেলা পরিষদের রাস্তা। মানুষের নিরাপদ চলাচলের জন্য এই রাস্তা গুরুত্বぽূর্ন। তিনি বলেন, ইতোমধ্যে তিনি রাস্তার সীমানা নির্ধারণ করে লাল পতাকা টানিয়ে দিয়েছেন, কিন্তু এখনও কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

    এ ব্যাপারে খুলনা জেলা যুবদলের সদস্য ও নৈহাটী কালিবাড়ি বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুক্তাদির বিলাহ বলেছেন, এই গুরুত্বপূর্ণ সরকারি রাস্তা দখল করে দুই বছর ধরে ইট তৈরির ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন মালিকরা, যা দ্রুত বন্ধ করার জন্য তিনি আহ্বান জানান।

    স্থানীয় ইউপি সদস্য মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, সাবেক সিবিআই ব্রিকসের মালিক আঃ সাত্তার সাহেব জলজ্যান্ত সময়ের বিভিন্ন সময়ে সরকারি রাস্তা দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধির উপস্থিতিতে রাস্তা মুক্ত করার জন্য বারবার অনুরোধ জানানো হলেও তারা কোনো প্রতিকার পাননি। দুই বছর আগেও সিবিআই ব্রিকসের মালিকের কাছ থেকে মোঃ মিঠু এই রাস্তা লিজ নিয়ে একইভাবে দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা আক্তার রিক্তা বলেন, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে সরেজমিন তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • বাংলাদেশে তিন বছরে দারিদ্র্য হার বেড়ে ২৮ শতাংশ, খাবারে খরচ ৫৫ শতাংশ

    বাংলাদেশে তিন বছরে দারিদ্র্য হার বেড়ে ২৮ শতাংশ, খাবারে খরচ ৫৫ শতাংশ

    তিন বছরের ব্যবধানে বাংলাদেশের দারিদ্র্য হার বেড়েই চলেছে, যা প্রতিনিয়ত উদ্বেগের বিষয়। বর্তমানে দেশের দারিদ্র্যের হার প্রায় ২৮ শতাংশ, যা সরকারি হিসেব অনুযায়ী ২০২২ সালে ছিল প্রায় ১৮.৭ শতাংশ। এটি δείকে স্পষ্ট যে, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে। সম্প্রতি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিশিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) এক গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে, যেখানে জানানো হয় যে দারিদ্র্য বাড়ার এই ধারা অব্যাহত রয়েছে। ওই গবেষণার শিরোনাম: ‘ইকনোমিক ডায়নামিক্স এ্যান্ড মুড অ্যাট হাউজহোল্ড লেবেল ইন মিড ২০২৫’। রাজধানীর আগারগাঁওয়ে এলজিইডি মিলনায়তনে এই গবেষণার ফলাফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিলুর রহমান। তিনি গবেষণার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং জানান যে, অতি দারিদ্র্যের হারও বেড়েছে। সরকারি হিসেব অনুযায়ী, ২০২২ সালে এই হার ছিল ৫.৬ শতাংশ, যা ২০২৫ সালে এসে বৃদ্ধি পেয়েছে ৯.৩৫ শতাংশে। এর মানে, গত তিন বছরে দেশের দারিদ্র্য হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে এবং এখনও প্রায় ১৮ শতাংশ পরিবার যখন-তখন গরিব হয়ে যেতে পারে। গবেষণাটি মে মাসে ৮,০৬৭ পরিবারের ৩৩,২০৭ জনের মতামতের ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়। যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি সংকট—কোভিড মহামারি (২০২০-২০২২), মূল্যস্ফীতি এবং রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা—এগুলো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করছে। এ ছাড়াও, প্রকাশিত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, করোনা মহামারীর পর ঘুষের প্রবণতাও কমলেও, তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। গত বছর আগস্টের আগে যেখানে ব্যবহৃত ঘুষের হার ছিল ৮.৫৪%, সেখানে আগস্টের পরে এটি কমে ৩.৬৯% এ নেমে এসেছে। সরকারি অফিস, পুলিশ ও রাজনৈতিক নেতাদের কাছ থেকে বেশি ঘুষ নেওয়া হয়। শহরের পরিবারের আয় কমলেও খরচ বেড়েছে, ফলে জীবনযাত্রার মান আরও Challenging হয়ে উঠেছে। শহরের এক পরিবারের গড় মাসিক আয় ছিল প্রায় ৪০,৫৭৮ টাকা, যা খরচ হয় ৪৪,৯৬১ টাকা। অন্যদিকে, গ্রামীণ পরিবারের গড় আয় কিছুটা বেড়ে ২৯,০২০৫ টাকা হয়েছে, তবে খরচ ২৭,১৬২ টাকা। মোটামুটিভাবে দেশের গড় আয় ৩২,৬৮৫ টাকা হলেও খরচ দাঁড়িয়েছে ৩২,৬১৫ টাকা, অর্থাৎ সঞ্চয় করার সুযোগ খুবই সীমিত। মূলত, এক পরিবারের মোট খরচের প্রায় ৫৫ শতাংশ অর্থ খাবারে খরচ হয়, যার অর্থ দাঁড়ায় মাসে গড়ে ১০,৬১৪ টাকা। এছাড়া, শিক্ষার জন্য খরচ হয় ১,৮২২ টাকা, চিকিৎসায় ১,৫৫৬ টাকা, যাতায়াতে ১,৪৭৮ টাকা এবং আবাসনে ১,৮৯ টাকা। হোসেন জিলুর রহমান বলেন, বর্তমানে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষুদ্র অর্থনীতির তুলনায় মোটামুটি বড় অর্থনীতির দিকে নজর দিচ্ছে। জনমুখী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা খুবই জরুরি। সমতা, বৈষম্যহীনতা এবং নাগরিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে হলে সেগুলোর ওপর আরও বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, পাঁচটি নতুন ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্র রয়েছে পরিস্থিতি উন্নত করতে, যেমন দীর্ঘস্থায়ী রোগের বেড়ে চলা বোঝা, নারী প্রধান পরিবারের দুর্বলতা, ঋণের বোঝা, খাদ্য নিরাপত্তার ক্ষরণ ও স্যানিটেশন সংকট। মূলত, চলমান সংকটগুলো মোকাবিলায় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি দ্রুত বাস্তবায়নের জরুরি প্রয়োজন রয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও বিশেষ গুরুত্বারোপ করে হোসেন জিলুর রহমান বলেন, দেশে বেকারত্বের সমস্যার মোকাবিলায় এখনই কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। অর্থনৈতিক অগ্রগতি যেন সরকারের মূল লক্ষ্য হয়, পাশাপাশি বৈষম্য দূর করে সমতা প্রতিষ্ঠায় প্রচেষ্টা জোরদার করতে হবে। এসব উদ্যোগ দেশের সমৃদ্ধির পথে বড় ধাপ হবে।

  • ন্যূনতম কর আইন একটি কালো আইন: এনবিআর চেয়ারম্যান

    ন্যূনতম কর আইন একটি কালো আইন: এনবিআর চেয়ারম্যান

    ন্যূনতম কর আইনকে একটি কালো আইন হিসেবে উল্লেখ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান। তিনি বলেছেন, এটি একটি স্বাভাবিক বিশ্বাসের বিষয় যে, করের মাধ্যমে ব্যবসার মুনাফার উপরই আয় করা উচিত। 그러나 এই ন্যূনতম কর নির্ধারণের মাধ্যমে অনেক পরিস্থিতিতে মূল করের হার থেকে আলাদা করে একটি নির্দিষ্ট অঙ্ক নির্ধারিত হচ্ছে, যা সত্যিই সমস্যা সৃষ্টি করছে। তিনি আরও বলেছেন, যখন এই ধরনের আইনের বাস্তবায়ন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হবে, তখনই দেশের কর রাজস্ব আয় বাড়ানো সম্ভব হবে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, এই বছর ব্যবসায়বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য তারা প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন, কারণ ব্যবসায়ীদের সুবিধা না দিলে রাজস্ব সংগ্রহ কঠিন হয়ে পড়বে।

  • নগদ এবার ডাক বিভাগের অধীনে থাকবে না; এক সপ্তাহের মধ্যেই বিজ্ঞাপন আসছে

    নগদ এবার ডাক বিভাগের অধীনে থাকবে না; এক সপ্তাহের মধ্যেই বিজ্ঞাপন আসছে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন যে, মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) ক্ষেত্রের প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রম সক্রিয় করার জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নগদকে বেসরকারিকরণ করার। তিনি বলেন, আমরা এই খাতে আরও বেশি প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবন আনতে চাই, এজন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং দ্রুত বিনিয়োগকারীদের সাথে চুক্তি সম্পন্ন হবে। এই ঘোষণা তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বললেন, বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আইসিএমএবি ও মাস্টারকার্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিটে। তিনি আরও জানান, ‘আমরা সম্ভবত এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করব।’ গভর্নর বলেন, বর্তমানে দেশের ডাক বিভাগের অধীনে থাকা নগদকে সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়া হবে, কারণ এখন তাদের এটি চালানোর সক্ষমতা নেই। তিনি বলেন, ‘নগদের প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে একটি প্রযুক্তি কোম্পানিকে আনা জরুরি।’ আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা নগদকে নতুন করে গড়ে তুলতে পারব যাতে এটি মোবাইল আর্থিক সেবা খাতে এক প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে উঠে আসতে পারে। সূত্র: শীর্ষনিউজ।

  • সরকার ৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব পেয়েছে

    সরকার ৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব পেয়েছে

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও সরকারের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে যে, গত জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত মোট ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রস্তাব They’ve received। আজ (২৮ আগস্ট) রাজধানীর প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের বিনিয়োগ সমন্বয় কমিটির ৫ম সভায় এই তথ্য প্রকাশিত হয়।

    প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান উপস্থিত ছিলেন।

    সভায় জানানো হয়, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রাপ্ত বিনিয়োগের মধ্যে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি, স্থানীয় বিনিয়োগ ৭০০ মিলিয়ন ডলার এবং যৌথ বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে মোট ৮৫ মিলিয়ন ডলার। এ সময় সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগের প্রস্তাব আসে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার। এই প্রস্তাবগুলোকে বিবেচনা করে দেখানো হয়, এখন পর্যন্ত এ ধরনের বিনিয়োগের প্রায় ১৮ শতাংশ চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    বিশ্বজুড়ে সাধারণত রূপান্তরের হার গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে থাকে বলে জানা গেছে।

    বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট কমানোর জন্যও আলোচনা হয়েছে। বর্তমানে বন্দরে সাড়ে ৬ হাজারের বেশি কন্টেইনার পড়ে আছে। বর্তমান সরকারের সময় গত দুই মাসে প্রায় ১ হাজার কন্টেইনার নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিলাম কার্যক্রম আরও গতিশীল করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেয়।

    আগামী মাসে আরও ৫০০ কন্টেইনার নিলামে তোলা এবং পণ্য হস্তান্তর কাজ চালু থাকছে। এর পাশাপাশি, বাংলাদেশ বিজনেস পোর্টাল (বিবিপি) চালুর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়। এই প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বিডা, বেজা, বেপজা এবং বিসিকের বিভিন্ন পরিষেবাগুলোর একত্রিকরণ প্রায় শেষের দিকে।

    আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সফট লঞ্চিং এবং শেষের দিকের মধ্যে প্ল্যাটফর্মটি পুরোপুরি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সভায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন, যারা দেশের বিনিয়োগ প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও সহজ করে তুলতে বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

    দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবার বেশি 되었েছে, এবং এটি ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বুধবার দিনের শেষে, বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক এই অর্থ সংরক্ষণ স্থিতি গ্রস রিজার্ভ হিসেবে ৩১.৩৩ বিলিয়ন ডলার পৌঁছেছে। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর হিসাব পদ্ধতি বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬.৩১ বিলিয়ন ডলার।

    এর আগে, গত রোববার, দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩০.৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম৬ অনুযায়ী ছিল ২৫.৮৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    জুলাই মাসের প্রথম সপ্তাহে, বাংলাদেশ ২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছিল এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নে (আকু)। পরবর্তীতে, দেশের রিজার্ভ কমে গিয়ে ২৯.৫৩ বিলিয়ন ডলারমূল্য দাঁড়ায়। বিপিএম৬ অনুযায়ী, রিজার্ভ ছিল ২৪.৫৬ বিলিয়ন ডলার।

    অন্যদিকে, রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়ের উন্নতি এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণের কারণে, জুনের শেষে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ বেড়ে ৩১.৭২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়, যা গত ২৮ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে, মার্চ ২০২৩ সালের শুরুতে, রিজার্ভ ৩২ বিলিয়ন ডলার থেকে কমে গিয়েছিল। একই সময়ে, বিপিএম৬ অনুযায়ী রিজার্ভ ছিল ২৬.৬৯ বিলিয়ন ডলার।

    ২০২৩ সালের জুনে, আইএমএফের শর্ত মেনে কেড়েণ্ট্রি ব্যাংক বিপিএম ৬ অনুযায়ী রিজার্ভ প্রকাশ করছে। তখন, রিজার্ভ ছিল ২৪.৭৫ বিলিয়ন ডলার।

    উল্লেখ্য, বাংলাদেশের ইতিহাসে, ২০২১ সালের আগস্টে রেকর্ড ৪৮ বিলিয়ন ডলার রিজার্ভ দেখা গিয়েছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে কমে, ২০২৩ সালের জুলাই শেষের দিকে, মাত্র ২০.৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। সরকারের পতনের পর, অর্থপ্রবাহের নিয়ন্ত্রণ কঠোর হওয়ায়, ডলার প্রবাহ বেড়েছে। উচ্চ হুন্ডি রোধে, প্রবাসী আয় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রায় ২৭ শতাংশ বাড়িয়ে ৩০.৩৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।

  • ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বিএনপি খুশি

    ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে বিএনপি খুশি

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত নতুন নির্বাচনী রোডম্যাপের খবর শুনে বিএনপি একরকম আত্মবিশ্বাসী ও খুশি। দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বৃহস্পতিবার বিকালে গণমাধ্যমের সাথে সাক্ষাৎকারে এই সাড়ে জানান। তিনি বলেন, “আমরা রোডম্যাপ দেখে আশাবাদী হয়েছি যে, এই বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হবে। মূলত, আমরা খুশি, আমরা অনেকটা আনন্দীত।” যখন তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, এই রোডম্যাপ জনগণের জন্য কি ইতিবাচক সংবাদ, তখন মির্জা ফখরুল নিশ্চিত করে বলেন, “অবশ্যই।” জনমনে প্রত্যাশা জাগানো এই ঘোষণা সম্পর্কে দলের অন্য নেতারাও দারুণ আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বিকেলে বনানীতে এক অনুষ্ঠানে বলেন, “নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা পুরো জাতির জন্য একটি সুসংবাদ। এখন সবাই অপেক্ষা করছে, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অবশেষে অনুষ্ঠিত হবে এবং এর মাধ্যমে একটি নির্বাচিত সরকার গঠন হবে। এই সরকার বা সংসদ মানুষপ্রতিনিধিত্বমূলক হবে, যা জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবে এবং জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে।” তিনি আরো বলেন, “নির্বাচনেরপর আমাদের অর্থনীতি অনেকাংশে আর্থিক স্থিতিশীলতা ফিরে পাবে, পাশাপাশি দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে গুড স্কিল ডেভেলপমেন্ট হবে।” অন্যদিকে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ এই ঘোষণা সম্পর্কে আরো আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণায় দেশের মানুষ সত্যিই আশা জাগিয়েছে। তারা মনে করেন, ইসি ও সরকারের একসঙ্গে পরিকল্পনা অনুযায়ী এই রোডম্যাপ সম্পন্ন হলে, অবশেষে একটি দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে এগোবে দেশ।” তিনি আরও বলেন, “সঠিক সময়ে এই রোডম্যাপ ঘোষণা হয়েছে, যা দেশের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এখন আমাদের প্রত্যাশা, এই রোডম্যাপ অনুযায়ী নিরপেক্ষ ও সরকারের অধীন একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।”