Author: bangladiganta

  • বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে ভবিষ্যত সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    বুলবুলের লক্ষ্য, স্কুল থেকে ভবিষ্যত সাকিব-তামিম খুঁজে বের করা

    চট্টগ্রামে সম্প্রতি শুরু হয়েছে একটি নতুন আঞ্চলিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, যার উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বোর্ডের পরিচালক আকরাম খান এবং সাবেক অধিনায়ক হাবিবুল বাশার সুমন। এই টুর্নামেন্টটি দেশের ক্রিকেট কাঠামোকে বিকেন্দ্রীকরণের একটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষামূলক উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

    বিসিবির officials বলছেন, দেশের প্রতিটি অঞ্চলে ক্রিকেটের কার্যক্রম ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদি এই আঞ্চলিক ক্রিকেট কাঠামো সফল হয়, তাহলে জেলা পর্যায়ের ক্রিকেটাররা নিয়মিত খেলার সুযোগ পাবে, যারা বর্তমানে অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দলে সুযোগের বাইরে রয়েছেন।

    হাবিবুল বাশার মন্তব্য করেন, আঞ্চলিক ক্রিকেট থাকলে এখান থেকেই নিজস্ব লিগ এবং টুর্নামেন্টের বিস্তার সম্ভব হবে। এর ফলে তরুণ ক্রিকেটাররা সুযোগ পাবে আরও বেশি করে খেলতে, কারণ ঢাকায় সব সময় খেলার সুযোগ থাকেনা। অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছেন, যারা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত।

    তিনি আরও বলেন, রিজিওনাল ক্রিকেট চালু হলে গোপন প্রতিভাও উন্মোচন হবে। তারা টি-টোয়েন্টি, ওয়ানডে—সব ধরনের খেলায় অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং নিজেদের দক্ষতা প্রকাশের সুযোগ পাবে।

    অকরাম খান এই টুর্নামেন্টকে ‘পাইলট প্রজেক্ট’ হিসেবে দেখছেন। তার ভাষায়, ‘আমরা দ্রুত এই টুর্নামেন্টটি আয়োজন করে ফেলেছি। এটি পুরোপুরি সিজন বা অফ সিজন নয়, বরং এক ধরনের ঝুঁকি নিয়ে শুরু করেছি। ভবিষ্যতের জন্য আমরা একটি পথ তৈরি করাই এর মূল লক্ষ্য।’

    তিনি আরও বলছেন, চট্টগ্রামের ১১টি জেলা আগে কখনও একসাথে খেলা দেখায়নি। এবার এরা একসাথে খেলতে পারছে, যা শুধু চট্টগ্রামের নয়, বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্যও খুবই ইতিবাচক।

    বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ভবিষ্যতের সাকিব আল হাসান, তামিম ইকবালদের খুঁজে বের করার ওপর জোর দিয়েছেন। স্কুল ক্রিকেটের উপর গুরুত্ব দিয়েছেন এবং ধাপে ধাপে এটিকে আরও সুদৃঢ় করতে চাচ্ছেন।

    তিনি বলেন, ক্রিকেট সেন্ট্রালি নিয়ন্ত্রিত হলেও আঞ্চলিক ক্রিকেটের সাথে সংযুক্ত হলে এর বিস্তার আরও বেশি হবে। বিকেন্দ্রীকরণ শুধু প্রতিযোগিতার জন্য নয়, প্রতিটি জেলায় যেন ক্রিকেটের পরিকল্পিত পরিবেশ গড়ে ওঠে, সেটি লক্ষ্য।

    সবশেষে, তিনি উল্লেখ করেন, আগামী দিনের তামিম, সাকিব, মুশফিক বা রিয়াদরা কেউ কেউ এখনো স্কুলে রয়েছেন। কিভাবে এই প্রতিভাকে সঠিক পথে আনতে হবে, এই নিয়ে আমাদের দায়িত্ব রয়েছে। স্কুল ক্রিকেটকে আমরা নতুনভাবে সাজানোর পরিকল্পনা করছি।

  • বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

    তিন দিনের ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা এবং জাতির তরুণ প্রজন্মের উৎসব ২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে গতকাল বাগেরহাটে অনুষ্ঠিত হয় পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেন বাগেরহাটের ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জন ছাত্রছাত্রী। অনূর্ধ্ব ১৭ বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন স্পষ্ট হয় সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, আর বালক বিভাগে জয় লাভ করে বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়।

    এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান, যিনি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এর পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি ও বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন।

    প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই প্রতিযোগিতা শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের মাধ্যমে মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়তা করবে। তিনি আরও বলেন, খেলাধুলার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা একদিকে শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকবে, অন্যদিকে আত্মবিশ্বাস ও মনোযোগও বৃদ্ধি পাবে।

    বিশেষ অতিথি জেলা পরিষদ এর প্রধান নির্বাহী ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি বলেন, ‘যারা বিতর্কে জড়িয়ে থাকে তারা ভালো ছাত্র হয়, আর যারা খেলাধুলায় যুক্ত থাকে তারা একজন সুস্থ ও সুন্দর নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠে।’ অনুষ্ঠানে অন্য অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপ পরিচালক মঈনুল ইসলাম, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক ও অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।

  • জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা জেলা দলের সাক্ষাৎ

    জেলা প্রশাসকের সাথে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন খুলনা জেলা দলের সাক্ষাৎ

    জেএফএ কাপ অধীননের অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা ফুটবল প্রতিযোগিতায় খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে থাকায় খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উদ্যোগে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে এই মিলনমেলা হয়, যেখানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এই জয়ের জন্য তারা সত্যিই গৌরবের পাত্র। খেলাধুলা মন ও শরীরকে শক্তিশালী করে তোলে, তাই এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সবাইকে কঠোর পরিশ্রমে মনোযোগ দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের সাফল্য আমাদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস, যা খুলনার মান মর্যাদা আরও বাড়িয়ে তুলবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মো. আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মো. নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। উল্লেখ্য, ১৯ আগস্ট মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খুলনা দলের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগী খেলোয়াড়রা হলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল।

  • ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে জাতীয় ক্রিকেট লিগ

    বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেট প্রতিযোগিতা, জাতীয় ক্রিকেট লীগ (এনসিএল), এর দ্বিতীয় টুয়েন্টি-২০ আসরের সময়সূচী। এই আসরটি ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে এবং প্রথম ম্যাচটি দেখতে পাবেন ক্রিকেটপ্রিয় দর্শকরা রাজশাহীর মাঠে, যেখানে খুলনা ও চট্টগ্রামের দল মুখোমুখি হবে। এই প্রতিযোগিতা চলবে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে, যেখানে বিভিন্ন ভেন্যুতে ভালো মানের ক্রিকেট উপভোগ করতে পারবেন দেশবাসী। প্রথম দুই রাউন্ডের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে রাজশাহী ও বগুড়ার স্টেডিয়ামে, এরপর বাকি ম্যাচগুলো হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মোট ১৩ রাউন্ডের এই লিগে প্রতিদিন দুটি ম্যাচ হবে, যা ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য উত্তেজনাপূর্ণ হবে। প্রধান ভেন্যুগুলো হলো রাজশাহীর এসকে স্টেডিয়াম, বগুড়ার এসসিএস স্টেডিয়াম এবং সিলেটের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ চার দল নকআউট পর্বে উঠবে, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। এ পর্বের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায়। এই টুর্নামেন্ট তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেকে প্রমাণের বড় মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যেখানে তারা নিজেদের সামর্থ্য দেখানোর সুযোগ পাবেন এবং ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের জায়গা নির্মাণ করতে পারবেন।

  • ইসরায়েলের হামলায় ইয়েমেনের বিদ্রোহী সরকারের প্রধানমন্ত্রী নিহত

    ইসরায়েলের হামলায় ইয়েমেনের বিদ্রোহী সরকারের প্রধানমন্ত্রী নিহত

    ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের সরকারের প্রধানমন্ত্রী আহমেদ আল-রাহাউই ইসরায়েলি হামলায় মৃত্যুবরণ করেছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট), ইয়েমেনের রাজধানী সানায় ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান একটি হামলা চালায়। এই হামলায় দখলদার বাহিনী সানার একটি অ্যাপার্টমেন্টে বোমাবর্ষণ করে, যেখানে প্রাথমিকভাবে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী নেতা নিহত হয়েছেন। ইয়েমেনি সংবাদ মাধ্যম আল-জুমহুরিয়া জানিয়েছে যে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও কয়েকজন সঙ্গীও প্রাণ হারিয়েছেন। অন্যদিকে, এডেন আল-ঘাদ বলা হয়েছে, এই হামলায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আরও কিছু বিদ্রোহী নেতা মারা গেছেন। ইসরায়েলি হিব্রু সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, হামলা চালানোর সময় হুতি বিদ্রোহীদের সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা চোরেকভাবে লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। বেসামরিক সূত্রের মতে, এই অত্মঘাতী হামলায় কতজন নিহত বা আহত হয়েছেন, তা এখনো নিশ্চিতভাবে জানানো হয়নি। ২০১৫ সালে ইয়েমেনের রাজধানী সানা দখল করে নেয় হুতি বিদ্রোহীরা, যারা ইরান সমর্থিত। এরপর থেকে তারা নিজেদের সরকার প্রতিষ্ঠা করে রেখেছেন, যার মুখপাত্র ছিলেন প্রধানমন্ত্রী রাহাভি। এই পরিস্থিতিতে, ইয়েমেনের পরিস্থিতি এখনো অস্থির, এবং দেশটির নিয়ন্ত্রণ ও পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। অপরদিকে, ইসরায়েলিরা ফিলিস্তিনের গাজায় বর্বরতা চালিয়েই চলেছেন, যেখানে তারা নিয়মিত ড্রোন ও ব্যালিস্টিক মিসাইল হামলার শিকার হচ্ছে। তবে, এই বিষয়ে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হলো, ইসরায়েলি হামলায় ইয়েমেনের প্রধানমন্ত্রীর মতো উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদেরই নিশানা করা। সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল

  • থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত

    থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রা ক্ষমতাচ্যুত

    থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতোংতার্ন সিনাওয়াত্রাকে দণ্ডবিধির অবৈধ ফোনালাপের রেকর্ড ফাঁস হওয়ার পর দেশটির সাংবিধানিক আদালত তাকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এই ফোনকলটি নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়, যেখানে তাকে কম্বোডিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী হুন সেনকে ‘আঙ্কেল’ বলে সম্বোধন করতে দেখা যায়। ফোনালাপে তিনি তার দেশের সেনাদের সমালোচনা করেন এবং বলেন, তাদের কারণেই কম্বোডিয়ার একটি সেনা নিহত হয়েছে। এই রেকর্ডটি ভাইরাল হলে দেশের মধ্যে তীব্র সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এর কয়েক মাস পরই থান্ডার সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে, যা শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় শান্ত হয়।

    প্রথমে জানা যায়, ১৫ জুনের ওই ফোনালাপে পেতোংতার্ন আবারও বলেন, “যেকোনো সমস্যা হলে আমাকে জানাতে পারেন। আমি বিষয়টি দেখব।” এই বক্তব্যও ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়ে। সীমান্তে তখন উত্তেজনা চরমে থাকায় জাতীয়তাবাদে গা গাঢ় হয়ে উঠে সাধারণ মানুষের মনোভাব। বিরোধী দলগুলো অভিযোগ তোলে যে, তিনি গোপনে থাইল্যান্ডের স্বার্থের বিরুদ্ধে কথা বলছেন। এর পর তিনি সাধারণ মানুষের কাছে ক্ষমা চেয়ে বলেন যে, তিনি কেবল উত্তেজনা প্রশমনের জন্য এ কথাগুলো বলেছেন।

    রায় ঘোষণার পর, সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে পান্তোংতার্ন দাবি করেন, তিনি দেশের স্বার্থের কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং বলেছেন, তার লক্ষ্য ছিল দেশের মঙ্গল, ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়। এ সময় তিনি যোগ করেন, তিনি দেশের নাগরিক ও সেনাদের সুরক্ষায় কাজ করেছেন। তবে, ১ জুলাই দেশটির সাংবিধানিক আদালত তার প্রধানমন্ত্রীর পদ স্থগিত করে দেয়, যদিও তিনি সংস্কৃতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় থাকেন। ২০০৮ সালের পর এই প্রথম থাইল্যান্ডে পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী আদালতের রায়ে ক্ষমতা হারিয়েছে, যা দেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রমাণ।

  • পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে কংগ্রেস কার্যালয়ে বিজেপি হামলা ও সংঘর্ষ

    পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারে কংগ্রেস কার্যালয়ে বিজেপি হামলা ও সংঘর্ষ

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার রাজ্যে কংগ্রেস কার্যালয়ে সম্প্রতি হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ উঠেছে, এই হামলার জন্য দায়ী মূলত বিজেপি কর্মী ও সমর্থকেরা। ঘটনাপ্রবাহের সূত্রপাত হয় যখন প্রধানমন্ত্র নরেন্দ্র মোদি ও তার প্রয়াত মাকে নিয়ে অশালীন মন্তব্যের কারণে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় কংগ্রেসের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে রাজধানী ও বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করে। এক ভিডিওতে দেখা গেছে, দুই দলের যোগ্য কর্মীরা দলের পতাকার ডান্ডা হাতে একে অপরকে মারধর করছে, যা পরিস্থিতিকে আরও অবনতি করে তোলে। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেপ্তার না হলেও, ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয় এবং তদন্ত চালানো হচ্ছে। কংগ্রেস ঘটনাটির তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।

    প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্যের প্রতিবাদে, দরভাঙ্গায় এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে, এবং পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছে। একই সময়ে, পাটনায় বিজেপি রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানায়, সেখানে কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হলেও, পরিস্থিতি এখনও উদ্বেগজনক।

    বিহার রাজ্যের পরিস্থিতিও গুরুতর। বিহারের পাটনায় বিজেপি নেতারা রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ করে, যেখানে কংগ্রেসের কর্মীরা পাল্টা আন্দোলনে অংশ নেয়। পাটনায় সংঘর্ষে অনেকের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

    কলকাতা শহরেও পরিস্থিতির অবনতি ঘটে। পশ্চিমবঙ্গের বিধান ভবনের বাইরে বিক্ষোভ সমাবেশে বিজেপি সমর্থকররা কংগ্রেস দপ্তরে ভাঙচুর চালায় ও অগ্নিসংযোগ করে। রাকেশ সিংয়ের নেতৃত্বে এই হামলার ঘটনার ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয়েছে।

    অভিযোগের সুরে প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র সৌম্য আইচ রায় বলেন, ‘রাজনীতি দেউলিয়া না হলে এই ধরনের কাজ কেউ করে না। মোদি-প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে চুরির অপবাদ দেওয়ার জেরেই এই হামলা হয়েছে, এবং এটি সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে বলে ধারণা করছেন আমরা। দোষীদের দৃষ্টিতে আনা ও সাজা দেওয়ার জন্য আমরা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।’

    বিহার কংগ্রেসের নেতা অশুতোষ জানান, প্রত্যক্ষতভাবে এই ঘটনার পেছনে সরকারের মদদ রয়েছে এবং তিনি নীতীশ কুমারের নীতির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা জবাব দেব।’ অন্যদিকে, বিজেপি নেতা নীতিন নবীন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘মায়ের অপমানের বদলার জন্য বাংলার প্রতিটি ছেলে কংগ্রেসকে দেবে। আমরা অবশ্যই এর জবাব দেব।’

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেসের রাজনীতি এত নিচে নেমে গেছে যে, তারা দেশের উন্নয়নের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে গেছে। প্রধানমন্ত্রী ও তার প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে এই ভাষা লজ্জার ও গণতন্ত্রের জন্য কলঙ্কজনক।’

    বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডাও বলেন, ‘এ ধরনের অশালীন আক্রমণ সীমা অতিক্রম করেছে। রাহুল গান্ধী ও তেজস্বী যাদবের ক্ষমা চাওয়া উচিত।’

    বিহার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ও তার প্রয়াত মায়ের সম্মাননির্বাচন অশোভন ও অবমাননাকর। আমি এর নিন্দা জানাই।’

  • গাজা শহরকে যুদ্ধক্ষেত্র ঘোষণা দখলদার ইসরায়েলের, নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৩ হাজার

    গাজা শহরকে যুদ্ধক্ষেত্র ঘোষণা দখলদার ইসরায়েলের, নিহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬৩ হাজার

    গাজা উপত্যকায় এক বড় যুদ্ধের পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে, যখন দখলদার ইসরায়েল গাজা শহরকে সম্পূর্ণরূপে ঘোষণা করেছে যে এটি এখন ‘যুদ্ধক্ষেত্র’ হিসেবে পরিচালিত হবে। শুক্রবার ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এ তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তারা সেখানে প্রাথমিক সামরিক অভিযান শুরু করেছে। সেই সঙ্গে আফিসিয়ালভাবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে যে, এখন থেকে গাজা শহরে কোনও ত্রাণ সহায়তার জন্য বিরতি দেওয়া হবে না।

    ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর আরবি মুখপাত্র আভিচায় আদ্রি এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘আমরা অপেক্ষা করছি না। আমরা গাজা শহরে হামলার প্রাথমিক পর্যায় শুরু করেছি এবং এখন স্বল্প সময়ের মধ্যে বৃহৎ শক্তি নিয়ে অপারেশন চালাচ্ছি।’ এর আগে মে মাসের শেষের দিকে গাজায় কৌশলগত বিরতি বাতিল করে ইসরায়েল। তখন তারা জানিয়েছিল, আজ (শুক্রবার) সকাল ১০টা থেকে গাজা সিটিতে আর কোনও বিরতি চলবে না এবং এটি এখন একটি বিপজ্জনক যুদ্ধক্ষেত্র হিসেবে পরিণত হয়েছে।

    অতীতে, ইসরায়েল গাজায় কৌশলগত বিরতি ঘোষণা করে তখন বিভ্রান্তি এড়ানোর জন্য এবং জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সহযোগিতায় ফিলিস্তিনিদের জন্য ত্রাণ সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে হামলা বন্ধ রাখত। কিন্তু এই ঘোষণা প্রকাশের পর থেকেই গাজায় সক্রিয় হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। আগস্টের শুরু থেকেই গাজা শহরের বিভিন্ন অংশে তারা বোমাবর্ষণ ও ট্যাংক অবস্থান করে রেখেছে।

    এটির কারণে দিন দিন বেশির ভাগ নিরীহ ফিলিস্তিনির প্রাণহানি ঘটছে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই এই সংঘর্ষে মোট নিহতের সংখ্যা ৬৩,০০০ ছাড়িয়ে গেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এক রাতে কমপক্ষে ৫৯ ফিলিস্তিনি নিহত হন এবং ২৪৪ জন আহত হন। নিহতের মধ্যে বেশির ভাগই নারী ও শিশু।

    শুক্রবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এক টেলিগ্রাম বার্তায় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত মোট নিহতের সংখ্যা ৬৩৫২৫ জনে পৌঁছেছে। এর মধ্যে শিশু ও নারীর সংখ্যা বেশ উল্লেখযোগ্য। আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪৯০ জনে দাঁড়িয়েছে।

    অন্যদিকে, গাজার হাসপাতালগুলোতে ব্যবহারে অনাহার ও অপুষ্টি পরিস্থিতির কারণে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। যুদ্ধের এই সময়ে ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে মোট প্রাণহানি ৩২২ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে ১২১ জন শিশু।

    গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মানবিক সাহায্য নিতে গিয়ে ২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এই সহায়তার জন্য চলমান সংঘর্ষে ২৭ মে থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ২,০২০৩ জন নিহত এবং ১৬,২২৮ জন আহত হয়েছে। বহু মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

    বিশ্লেষকদের মতে, গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) ২৭ মে থেকে শুরু করে ত্রাণ কার্যক্রম চালানোর পর থেকে প্রতিদিনই এই ত্রাণ কেন্দ্রের কাছাকাছি প্রাণহানির ঘটনাগুলি ঘটছে। এসব শনাক্তের পর অনেক এলাকায় ত্রাণ কার্যক্রমে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

    সূত্র: আল জাজিরা।

  • ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলা হচ্ছে অভিযোগ

    ভারতীয় নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে রোহিঙ্গাদের সমুদ্রে ফেলা হচ্ছে অভিযোগ

    নৌবাহিনীর একটি জাহাজে তুলে নিজ অভিবাসনের স্বপ্ন ছুঁড়ে ফেলে বাংলাদেশ, তারপর সমুদ্রে ফেলে দেওয়া হলো রোহিঙ্গাদের দাবি করেছেন ৪০ জন শরণার্থী। তারা বলছেন, রাজধানী দিল্লি থেকে আটক করে তাদের ধরে নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে সমুদ্রে ছেড়ে দেওয়া হয়, যেখানে তারা জীবনের ঝুঁকি মোকাবেলা করছে। এই ঘটনা মিয়ানমারের ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের মধ্যে ঘটেছে, যেখানে রোহিঙ্গাদের জন্য ভবিষ্যৎ রয়েছে অনিশ্চিত। জাতিসংঘের মতে, ভারতে থাকা এই রোহিঙ্গাদের জীবন এখন চরম ঝুঁকির মধ্যে। ব্রিটিশ ব্রেকিং সংবাদমাধ্যম বিবিসি সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে জানায়, ২০১৭ সালে মিয়ানমারে সেনা অভিযানের পর বহু রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। এখনও বাংলাদেশে এই জনগোষ্ঠীর সংখ্যা এক লাখের বেশি। বর্তমানে, ভারতে প্রায় ২৩ হাজার ৮০০ রোহিঙ্গা জাতিসংঘের স্বীকৃতি পেলেও, রীতিমতো চাপের মধ্যে থাকেন তারা। গত মে মাসের ৬ তারিখে দিল্লির বিভিন্ন এলাকা থেকে এই ৪০ জন রোহিঙ্গাকে স্থানীয় পুলিশ ডেকে আনা হয়। বলানো হয়, তাদের ছবি ও আঙুলের ছাপ সংগ্রহের জন্য। এরপর তাদের হিন্দুস্তানইন্দিরা বিমানবন্দর থেকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপে পাঠানো হয়। সেখানে পৌঁছে, বাসে চলন্ত তারা জানায়, তাদের গায়ে বাঁধা হয়েছিল প্লাস্টিকের রশি এবং মুখোশ দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়। কিছুক্ষণ পরে, তাদের একটি নৌবাহিনীর বড় জাহাজে তোলা হয় যেখানে প্রায় ১৪ ঘণ্টা ছিলেন। এই সময়ে তাদের সাথে মারধর, অবমাননা ও হয়রানি করা হয়। সাক্ষাৎকারে-ফলে জানা গেছে, তাদের অনেকের হাতে আঘাতের দাগ, বেধড়ক মারধর এবং অবমাননাকর আচরণ সহ—তাদের প্রশ্ন করা হয় কীভাবে তারা অবৈধভাবে ভারতে এসেছেন। এটি বিশেষ করে আশ্চর্যজনক যে, সাতজনের মধ্যে চারজন খ্রিস্টান রোহিঙ্গাকেও জিজ্ঞেস করা হয়, কেন ইসলাম ছেড়িয়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছেন। এমনকি, একজনকে কাশ্মিরের পেহেলগাম হামলার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযুক্ত করা হয়, যদিও তার সঙ্গে এই ঘটনার কোনো সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়নি। এরপর ৮ মে সন্ধ্যায়, ছোট ছোট রাবার নৌকায় করে সমুদ্রে নামাতে বাধ্য করা হয় তাদের, যেখানে হাত বাঁধা ও লাইফ জ্যাকেট পরানো ছিল। বলা হয়, তারা ইন্দোনেশিয়ায় পৌঁছেছে—কিন্তু আসলে তারা মিয়ানমারে ছিল। পরদিন ভোরে স্থানীয় জেলেরা তাদের খুঁজে পায়, এবং তাদের ফোন ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়, যেখানে তারা স্বজনদের খবর দেয়। এরপর থেকেই মিয়ানমারের বাহটু আর্মি তাদের সহায়তা দেয়, কিন্তু ভারতে থাকা পরিবারগুলো এখন বড় আতঙ্কে। জাতিসংঘের দাবি, ভারতের এচর্য্য এই রোহিঙ্গাদের জীবন ‘চরম ঝুঁকিতে’ ফেলেছে। সংশ্লিষ্ট ঘটনার প্রতিবাদে, মে মাসের শেষে, নুরুল আমিন ও তার আত্মীয়রা ভারতের সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন, যাতে তাদের ফিরিয়ে আনা হয় এবং এই নির্বাসন বন্ধ হয়। তবে ভারতের একটি আদালত এই অভিযোগকে “অবাস্তব কল্পনা” বলে আখ্যায়িত করে, এবং মামলাটি সেপ্টেম্বরে শুনানির জন্য নির্ধারিত হয়েছে। এর মধ্যে, ভারতের রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে; কেউ গা ঢাকা দিয়েছে, কেউ বাসায় থাকছে না। নুরুল আমিন বলছেন, “আমার কাছে শুধু ভয় কাজ করছে, কখনও ভারতের সরকার আমাদেরও সমুদ্রে ফেলে দিতে পারে। আমি এখন ঘর থেকেও বের হতে ভয় পাচ্ছি।” জাতিসংঘের প্রতিনিধি অ্যান্ড্রুজ বলেন, “রোহিঙ্গারা ভারতে থাকতে চায়নি, তারা রক্ষা পেতে পালিয়ে এসেছে মিয়ানমারের ভয়ংকর সহিংসতা থেকে।” এই ধরনের অভিযোগের তদন্ত এখন চলমান, এবং আন্তর্জাতিক মহলের নজর রয়েছে এই ঘটনায়।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

    খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে বিদায়ী সংবর্ধনা দিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

    খুলনা জেলা প্রশাসক ও প্রেসক্লাবের প্রধান পৃষ্ঠপোষক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বদলি হওয়ায় খুলনা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে এক অপূর্ব বিদায়ের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানটি হয় শুক্রবার সন্ধ্যায় ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের আয়ব্যক্ত এনামুল হক এবং পরিচালনা করেন সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) নূরুল হাই, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ আক্তার হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য শেখ দিদারুল আলম, কৌশিক দে, পাশাপাশি ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা যেমন মোঃ এরশাদ আলী, মোঃ রাশিদুল ইসলাম, এইচ এম আলাউদ্দিন, মোস্তফা জামাল পপলু, এহতেশামুল হক শাওন, কে এম জিয়াউস সাদাত, আব্দুর রাজ্জাক রানা ও মুহাম্মদ নূরুজ্জামান।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ সাংবাদিক সদস্য, যেমন আহমদ মুসা রঞ্জু, কাজী শামীম আহমেদ, এস এম ইয়াসীন আরাফাত রুমী, নাজমুল হক পাপ্পু, মোঃ কামরুল হোসেন মনি ও অভিজিৎ পাল।

    অনুষ্ঠানের शुरुआत হয় মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে, এবং শেষে তার জন্য ক্লাবের পক্ষ থেকে একটি সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়। এই প্রিয় নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ও সহানুভূতি তাঁকে বিদায়ের সময় আরও স্পেশাল করে তোলে।