Author: bangladiganta

  • এড. মনা বললেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে

    এড. মনা বললেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে

    খুলনা মহানগর বিএনপির সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঝলমলে দৃষ্টান্ত বিরাজমান। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব অসাম্প্রদায়িক মানুষকে মনোভাবাপন্ন করে তুলতে তার উদ্যোগে নতুন শাড়ি বিতরণ করা হয়েছে, যা এরই একটি প্রমাণ। তিনি আরও বলেন, নেত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট করে বলেছেন—বাংলাদেশে কোনও সংখ্যালঘু নেই, যারা এ দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, তারা সবাই বাংলাদেশী। সকলের সমান অধিকার রয়েছে স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করার। বিএনপি একদিকে ফ্যাসিবাদী শাসনকে বিদায় জানিয়েছে, অন্যদিকে আগামী নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীদের নির্বাচন করবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।
    শনিবার সকাল ১১টায় নগরীর শ্রীশ্রী শীতলামাতা ঠাকুরানী মন্দির প্রাঙ্গণে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে নববস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে নেতৃবৃন্দ এ কথা বলেন। তিনি তারেক রহমানের ৩১ দফা দাবি উল্লখ করে বলেন—প্রতিটি মায়ের নামে ফ্যামিলি কার্ড থাকবে, যার মাধ্যমে ভর্তুকিমূল্যে চাল ক্রয় করা যাবে। পাশাপাশি, হেলথ কার্ডের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাবে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘৭১ সালে যারা বাড়িঘর লুট করেছে, মানুষের উপর নিরীহভাবে হামলা চালিয়েছে, তারা এখন বেহেশতের টিকিট বিক্রির হুমকি দেয়—এ সবকিছ থেকে সতর্ক থাকতে হবে। নিজেকে নিরাপদ রাখতে প্রত্যেকেরই সচেতনতা জরুরি।
    অতীতের নেতিবাচক ঘটনার জন্য আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই এবং আসন্ন দুর্গাপূজা আনন্দমুখর পরিবেশে উদযাপনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
    অনুষ্ঠানের মূল উদ্বোধক ছিলেন খুলনা জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক খায়রুজ্জামান সজীব। উপস্থিত ছিলেন শীতলাবাড়ি মন্দির কমিটির সভাপতি সুজিত সাহা, সাধারণ সম্পাদক বিজয় কুমার ঘোষ, মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক বদরুল আনাম খান, খুলনা মহানগর পূজা ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, পাশাপাশি সুজনা জলি, মেশকাত আলী, মাহাবুবউল্লাহ শামীম, আসাদুজ্জামান লিটন, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবু সাঈদ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • কালিগঞ্জে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি আত্মহত্যা

    কালিগঞ্জে যুবকের মরদেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি আত্মহত্যা

    সাতক্ষীরার কালিগঞ্জে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় শোরগোল শুরু হয়েছে। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৭টার দিকে পরিবারের পক্ষ থেকে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ওই ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে। ওই যুবকের নাম জুবায়ের আহমেদ, তিনি উপজেলার মথুরেশপুর ইউনিয়নের ছনকা গ্রামের শেখ মেহেদী হাসানের ছেলে। পুলিশ বলছে, পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন, জুবায়ের রশির সাহায্যে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তবে মরদেহের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন থাকায় কিছু সন্দেহে রয়েছে। পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) হারুন অর রশিদ মৃধা জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ থানায় আনা হয়েছে। আগামী রবিবার সকালে এটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে। পরিবারের দাবির সঙ্গে এখনও পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। পুরো ঘটনা এখনও তদন্তাধীন রয়েছে।

  • কেসিসির প্রশাসকের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা

    কেসিসির প্রশাসকের শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শুভেচ্ছা

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ ফিরোজ সরকার শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীদের। নিজের বার্তায় তিনি বলেন, শারদীয় দুর্গোৎসব হলো সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় ও প্রাচীন ধর্মীয় উৎসব। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের সংস্কৃতি, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান উদযাপন করে আসছে প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, যা দেশের বিভিন্ন ধর্মের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির এক অনন্য নজির সৃষ্টি করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্যকে আমাদের ধরে রাখতে হবে এবং সবাইকে একসাথে থেকে এই উৎসবকে সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করার আহ্বান জানান। তিনি বিশ্বাস প্রকাশ করেন, শারদীয় দুর্গোৎসব সমাজে প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ঐক্যের বন্ধন আরও শক্তিশালী করে তুলবে। দুর্গোৎসব যাতে সুষ্ঠু, আনন্দময় এবং নিরাপদ পরিবেশে পালিত হয়, সেজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন কামনা করেন।

  • রিজার্ভ চুরির অর্থফিলিপাইনে বাজেয়াপ্ত, সিআইডির বড় পদক্ষেপ

    রিজার্ভ চুরির অর্থফিলিপাইনে বাজেয়াপ্ত, সিআইডির বড় পদক্ষেপ

    বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ইতোমধ্যে ফিলিপাইনের রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং করপোরেশন (আরসিবিসি) থেকে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এই খবর নিশ্চিত করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দীন। তিনি জানান, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাড়ে ৮১ মিলিয়ন ডলার অর্থ জালিয়াতির মাধ্যমে ফিলিপাইনের এই ব্যাংকের জুপিটার শাখার ভুয়া লেনদেনের মাধ্যমে স্থানান্তরিত হয়েছিল। এরপর এই অর্থ বিভিন্ন ক্যাসিনো ও অবৈধ মাধ্যমে পাচার করা হয়েছিল।

  • অর্থ উপদেষ্টা: পুঁজিবাজার থেকে সবসময় লাভের আশা ভুল

    অর্থ উপদেষ্টা: পুঁজিবাজার থেকে সবসময় লাভের আশা ভুল

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন যে পুঁজিবাজার থেকে প্রতিনিয়ত মুনাফা আসবে এই ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। তিনি সতর্ক করে বলছেন, কেউ যদি এই বিশ্বাসে বিনিয়োগ করে থাকেন, তবে এটি তার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। বাজারে মূলধনের দিক থেকে লাভের পাশাপাশি ক্ষতির ঝুঁকিও রয়েছে। তাই বিনিয়োগকারীদের উচিত সচেতন থাকা এবং বুঝতে হবে যে শেয়ার বা বন্ড কেনা মানে কখনো কখনো ক্ষতিও হতে পারে।

    সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) ঢাকায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের বন্ড ও সুকুক বাজার উন্মোচন: রাজস্ব ক্ষেত্র, অবকাঠামো সরবরাহ এবং ইসলামী মানি মার্কেট উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

    অর্থ উপদেষ্টা আরো জানান, বাংলাদেশে মূলধনের বাজার এখনো সম্পূর্ণভাবে বিকশিত নয়। সরকারি বন্ডের সেক্টর থাকলেও বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ খুবই কম, আর শেয়ারবাজারের অবস্থা তো আরও নগণ্য। ফলে বড় বড় প্রকল্পের অর্থায়নে তথাকথিত ঝুঁকি ভাগাভাগি না করে একমাত্র ব্যাংকের উপর নির্ভরশীলতা বেড়েছে। এর ফলে ঋণখেলাপি ও তহবিলের অপব্যবহারের ঘটনা বাড়ছে, যা দেশের জন্য ক্ষতিকর। আসলে ঝুঁকি কমানোর জন্য মানুষকে বন্ড, ডিবেঞ্চার ও শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে। ব্যাংক থেকে শুধুমাত্র ঋণ নেওয়া ও ভুয়া খাতে ব্যয় করা সমাধান নয়।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে দেশে সুকুক বাজারে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার বন্ড রয়েছে, তবে এগুলোর প্রায়ই শিক্ষা ও স্যানিটেশন খাতে ব্যবহৃত হওয়ায় আয়ের হার কম। যদি এই বন্ডগুলো উৎপাদনমুখী প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়, তবে লাভজনক হওয়া সম্ভব এবং ব্যাংকের ওপর চাপও কমবে। সুতরাং, সুকুক অবশ্যই প্রকৃত সম্পদভিত্তিক হতে হবে যেন বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি পায়।

    অর্থ উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, বাংলাদেশে এখনও সিকিউরাইজেশন কার্যক্রম পুরোপুরি কার্যকরী হয়নি। কিন্তু মেট্রোরেলের মতো বড় প্রকল্পের জন্য এ পদ্ধতি প্রয়োগ করলে বিশ্বব্যাংকের ঋণে নির্ভরতা অনেকটাই কমে আসত। এছাড়া, পেনশন ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে, কারণ এগুলো সরকারের দায়বদ্ধতা।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, শুধু মূলধন ও সুকুকের বাজারই নয়, বীমা বাজারের উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নজর দিতে হবে। একই সঙ্গে কর কাঠামো ও প্রণোদনা সংস্কার করতে হবে যাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীরা আস্থা ফিরে পান।

    সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ প্রমুখ।

  • গভর্নরের পরামর্শ: সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের জন্য আলাদা মার্কেট দরকার

    গভর্নরের পরামর্শ: সঞ্চয়পত্র ও বন্ডের জন্য আলাদা মার্কেট দরকার

    বাংলাদেশের অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী এবং গতিশীল করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বলেন, সঞ্চয়পত্র এবং বেসরকারি বন্ডের জন্য আলাদা সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র কেনাবেচার বাজার (সেকেন্ডারি মার্কেট) তৈরি করা জরুরি। তিনি বলেছিলেন, যদি রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলেও এই স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব, যা দেশের আর্থিক কাঠামোকে শক্তিশালী করবে।

    আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর উত্তরায় বন্ড ও সুকুক মার্কেটের সম্ভাবনা ও উন্নয়নের পরিকল্পনা নিয়ে আয়োজিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

    গভর্নর মন্তব্য করেন, বর্তমানে সঞ্চয়পত্রের কিছুটা লেনদেন বাজারের সঙ্গে সংযুক্ত থাকলেও, এটিকে সম্পূর্ণভাবে লেনদেনযোগ্য করে তোলা অবশ্যই প্রয়োজন। এর ফলে গ্রাহকরা সুবিধা পাবেন, পাশাপাশি একটি শক্তিশালী সেকেন্ডারি মার্কেট গড়ে উঠবে এবং বাজারে তারল্য ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পাবে। একইভাবে, তিনি বেসরকারি বন্ডগুলোকে লেনদেনযোগ্য করার ওপর জোর দেন। তাঁর মতে, একটি সঠিক কাঠামো তৈরি হলে বন্ড মার্কেটের আকার দ্রুত দ্বিগুণ হতে পারে, যা দেশের আর্থিক ও অর্থনীতি প্রকৌশলীর জন্য ইতিবাচক দিক আনবে।

    আহসান এইচ মনসুর দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের জন্য সরকারী ও বেসরকারি ফান্ডের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সরকারি পেনশন, করপোরেট পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড ও বেনেভোলেন্ট ফান্ড—এসব দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য কাজে লাগানো সম্ভব। সেই সঙ্গে তিনি মনে করেন, এর জন্য একটি কার্যকর পেনশন নিয়ন্ত্রণ সংস্থা গঠন জরুরি, যাতে এই তহবিলগুলো ব্যবস্থাপনায় সঠিকতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়।

    সেমিনারে গভর্নর বাংলাদেশের আর্থিক উন্নয়নের সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনীতির তুলনা করেন। তিনি জানাচ্ছিলেন, পশ্চিমা দেশগুলোর আর্থিক ব্যবস্থায় মূলত বন্ডের প্রাধান্য রয়েছে, যেখানে বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৩০ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যের বন্ড ইস্যু হয়েছে, যা মোট বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ১৩০ শতাংশ। বিপরীতে, বাংলাদেশের আর্থিক কাঠামো মূলত ব্যাংকনির্ভর, যেখানে দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার হলো স্টক মার্কেট, যার মোট বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ৯০ ট্রিলিয়ন ডলার। এর পরে রয়েছে মানি মার্কেট (নগদ অর্থের বাজার), যার আকার মাত্র ৬০ ট্রিলিয়ন ডলার। এই চিত্র বাংলাদেশese ব্যাংকের আর্থিক ব্যবস্থার বিপরীত চিত্র তুলে ধরে। তিনি আরও যোগ করেন, দেশের বিমা খাত সামান্য মাত্র জিডিপির ০.৪ শতাংশ, যা খুবই অপ্রতুল।

    তিনি বলেন, অন্য দেশের মতো বাংলাদেশেরও চাহিদা ও সরবরাহ উভয় দিক থেকেই বন্ড মার্কেট প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বর্তমানে সরকারি বন্ডের আধিক্য দেখা গেলেও, করপোরেট বন্ডের খুবই অভাব আছে। এর জন্য দায়ী তিনি বাবদান করেন, ব্যাংকঋণে সাধারণত বেশি নির্ভরতা এবং কিছু রাজনৈতিক সুবিধার কারণে এটি হয়ত সম্ভব হচ্ছে না।

    অতিরিক্ত, গভর্নর সংক্ষিপ্ত করে বলেন, সুকুক বা ইসলামি বন্ডের বাজার খুবই ক্ষুদ্র। বর্তমানে মাত্র ছয়টি সুকুক ইস্যু হয়েছে, যার মোট মূল্য ২৪ হাজার কোটি টাকা। তিনি দ্রুত এই বাজার বড় করার জন্য নতুন ভাবনা নিয়ে আসার পরামর্শ দেন। এর মধ্যে উল্লেখ করেন, যমুনা বা পদ্মা সেতু প্রকল্পের টোল বা আয় দিয়ে ‘সিকিউরিটাইজ’ করে অর্থ সংগ্রহের বিষয়। এই ধরনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ে একটি বিশেষক036িটাস বিভাগ থাকা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

    অনুষ্ঠানের শেষে আহসান এইচ মনসুর বলেন, বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে একটি বিস্তারিত গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করেছে। খুব দ্রুত এই প্রতিবেদন সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে, যেখানে প্রস্তাবিত হবে চলমান ও সুকুক উভয় ধরনের বন্ডের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।

  • বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম এবার ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা ছাড়ালো, ইতিহাসের নতুন রেকর্ড

    বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম এবার ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা ছাড়ালো, ইতিহাসের নতুন রেকর্ড

    বিশ্ব বাজারে স্বর্ণের দাম দ্রুত বাড়ছে, যা দেশের বাজারিকেও নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, দেশের বাজারে ভরতিপ্রতি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই নতুন দাম অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের ভরি (প্রায় ১১.৬৬৪ গ্রাম) নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ দাম। মঙ্গলবার থেকে এই দাম কার্যকর হবে বলেও জানিয়েছে বাজুস।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়ে গেলেও, এই পরিস্থিতিতে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন দেশীয় বাজারে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের মূল্য ভরিতে ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকায়।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণ বিক্রির জন্য সরকারের ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ৬ শতাংশ ন্যূনতম মজুরি যুক্ত করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন এবং মান অনুযায়ী মজুরির ভিন্নতা হতে পারে।

    বিশ্ববাজারে এর আগে কখনো এক আউন্স স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ৭০০ ডলার ছাড়িয়ে যায়নি। সম্প্রতি এক দিনে ৩৪ ডলার মূল্যবৃদ্ধির ফলে এক মাসে মোট দাম বেড়েছে প্রায় ১০.৩৫ ডলার। এক মাসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম প্রায় ৪০০ ডলার বেড়েছে। এর আগে, ১৭ সেপ্টেম্বর দেশের স্বর্ণের দাম নতুন করে নির্ধারণের সময়, বিশ্ববাজারে এক আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৩ হাজার ৬৯০ ডলার। এরপর দাম কিছুটা কমে গেলে ১৮ সেপ্টেম্বর কিছুটা দাম সমন্বয় করা হয়, পরে ফের বিশ্ববাজারের দর বেড়ে ২০ সেপ্টেম্বর আবারও দাম বাড়ানো হয়। ঐ দিনে, ২২ ক্যারেট মানের ভরি স্বর্ণের দাম ১ হাজার ১৫৫ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে ১৮৯ হাজার ৬২২ টাকা হয়। একই ভাবে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দর ১ হাজার ৯৭ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ হাজার ৬৯৯ টাকায় দাঁড়ায়।

    সোনার অস্বাভাবিক দাম বাড়ার পেছনের কারণ হিসেবে বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, মার্কিন শুল্ক ও ট্যারিফ নিয়ে জটিলতার কারণে পরিস্থিতি বেড়েছে। তারা চীন, রাশিয়া ও ভারতের সঙ্গে বৈঠক করছে। এর প্রভাব ডলারে পড়ছে। এছাড়া, মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইলের গোলযোগের কারণে মধ্যপ্রাচ্যবাসীর ডলারের প্রতি আস্থা কমে গেছে, ফলে তারা নিরাপদ হিসেবে রিজার্ভ হিসেবে স্বর্ণ কিনছে। পাশাপাশি, খনিতে স্বর্ণ উত্তোলন কম থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। এসব কারণের ফলস্বরে স্বর্ণের দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে চলেছে। এই দাম বাড়ার কারণে দেশে জুয়েলারি ব্যবসা কিছুটা মন্দার প্রবণ হয়েছে এবং দেশের স্বর্ণের বাজারের আকারও ক্ষুদ্র হয়ে যাচ্ছে।

  • একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

    একদিনের ব্যবধানে স্বর্ণের দামে নতুন রেকর্ড

    বাংলাদেশে স্বর্ণের মূল্য আবারও নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বাজারে সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ জুয়েলার্স এ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এ ঘোষণা দিয়ে জানিয়েছে যে, এবার ভরিতে ৩ হাজার ৬৬৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এটি দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। মঙ্গলবার রাতে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে এবং নতুন দাম বুধবার (২৪ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হবে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের মূল্য বেড়েছে, যার ফলশ্রুতিতে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দামে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৮৬ হাজার ৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৫৯ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির (অর্থাৎ, সাধারণ বা পুরোনো ধরনের) স্বর্ণের প্রতি ভরি দরে নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৩৫১ টাকা।

    বাজুস আরও জানিয়েছে, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যে অবশ্যই সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও সংগঠনের নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরির ৬ শতাংশ সংযুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানের ভেদে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য থাকতে পারে।

    গত ২২ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস, তখন ভরিতে ১ হাজার ৫৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৯১ হাজার ১৯৬ টাকায় নির্ধারিত হয়েছিল, যা এখন পর্যন্ত দেশের সর্বোচ্চ দাম। এর আগে, বিভিন্ন ক্যারেটের স্বর্ণের দামও নির্ধারিত হয়েছিল, যার মধ্যে ২১ ক্যারেট ছিল ১ লাখ ৮২ হাজার ৪৯৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতিতে ছিল ১ লাখ ২৯ হাজার ৭৯৭ টাকা। এই দামের সমন্বয় কার্যকর হয়েছে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।

    এ বছর মোট ৫৭ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যেখানে দাম বেড়েছে ৪০ বার আর কমেছে ১৭ বার। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে মোট ৬২ বার, যার মধ্যে দাম বাড়ানো হয়েছে ৩৫ বার এবং কমানো হয়েছে ২৭ বার।

    এসবের পাশাপাশি, রুপার দরেও ব্যাপক বৃদ্ধি হয়েছে। ভরিতে ১৫২ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৩ হাজার ৬২৮ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর পাশাপাশি, ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি বিক্রি হবে ৩ হাজার ৪৫৩ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের ২ হাজার ৯৬৩ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতিতে ২ হাজার ২২৮ টাকায়।

  • ক্ষমতায় এলে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারে কঠোর হওয়ার প্রতিশ্রুতি জামায়াতের আমিরের

    ক্ষমতায় এলে শিক্ষাব্যবস্থা সংস্কারে কঠোর হওয়ার প্রতিশ্রুতি জামায়াতের আমিরের

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দল যদি ক্ষমতায় আসে, তাহলে দেশের সার্বিক সেবা ও জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করতে তিনটি মূল অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। এগুলো হলো শিক্ষার সংস্কার, কর্মভিত্তিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতির মুক্ত সরকারি সেবা প্রদান। শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে আয়োজিত ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (এফডিইবি) এর বার্ষিক কাউন্সিলের অনুষ্ঠানে তিনি এসব প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ক্ষমতায় গেছে হলে কেউ পথে নামে না; বরং ইনসাফের ভিত্তিতে প্রত্যেকে তার পাওনা সরাসরি পাবে। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, আমাদের প্রথম অঙ্গীকার হলো ভাঙাচোরা শিক্ষাব্যবস্থা পুনর্গঠন, যেখানে অখণ্ডতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দেওয়া হবে, এমন শিক্ষাদান নিশ্চিত করা হবে যা মানুষকে অনৈতিকতা থেকে মুক্ত করে এবং তাকে সম্মান ও মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।

    শিক্ষা খাতে তার পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি জানান, নৈতিকতা এবং বিজ্ঞানমুখী পাঠ্যক্রমের সমন্বয় ঘটিয়ে কর্মদক্ষতা বাড়ানো হবে। যাতে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা শেষ করে সোজা কাজ পায় বা নিজের উদ্যোগে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে, আর ফলস্বরূপ বেকারত্ব কমে আসবে।

    দ্বিতীয় অঙ্গীকারে তিনি বলছেন, সমাজে একজনের মর্যাদা নির্ধারণ হবে তার ডিগ্রির ভিত্তিতে নয়, বরং তার কাজের মাধ্যমে, কাজে দক্ষতা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘শুধু সার্টিফিকেট বা ডিগ্রির ওপর ভিত্তি করে মানুষের মূল্যায়ন চলবে না; বরং প্রযুক্তি, দক্ষতা এবং কাজের ভিত্তিতে তার মর্যাদা নির্ধারিত হবে।’

    তৃতীয় অঙ্গীকার হিসেবে তিনি দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, ‘দুর্নীতির জোয়ার ঠেকাতে হবে। সেবা প্রদান ও দায়িত্বের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে, যাতে এর জন্য উপযুক্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণ হয় এবং সেবা ও দায়িত্বের জন্য কর্মীদের পুরস্কৃত করা হয়।’ এই প্রতিশ্রুতি পেয়ে সভায় উপস্থিত অনেকেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সভায় তিনি স্পষ্ট করেন, এসব কার্যকর করতে হলে রাজনৈতিক দৃঢ়তা, প্রশাসনিক সংস্কার ও সামাজিক সমঝোতা জরুরি। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগগুলো বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের নাগরিকদের জীবনে সুশাসন, দক্ষ কর্মসংস্থান ও অন্যায্য সুযোগ কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠা গণ্য হবে।

    অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফোরাম অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশের (এফডিইবি) এর অভিজ্ঞরা। আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত সদস্য ও অতিথিরা তাদের মতামত ও পরামর্শ ব্যক্ত করেন।

  • আদর্শিক দল হিসেবে বিএনপিকে দেখতে চান মানুষ: আমীর খসরু

    আদর্শিক দল হিসেবে বিএনপিকে দেখতে চান মানুষ: আমীর খসরু

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশে রাজনীতিতে ধ্যানধারণা বদলানোর সময় এসেছে। এখন দেখা উচিত, মানুষ কী চায়, কী প্রত্যাশা করে—সেটা ধারণ করে এগোতে হবে। বিএনপিকে মানুষ একজন আদর্শিক দল হিসেবে দেখতে চায়, আর এই বিশ্বাসই আমাদের তাগিদ দেয়। যদি আমরা সেই আদর্শিক দৃষ্টিভঙ্গিকে ধারণ করতে না পারি, তবে দেশ গড়ার মধ্যে আমাদের অক্ষমতা থেকে যাবে বলে মনে করেন তিনি।

    আজ শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আয়োজিত জিয়া স্বর্ণমধু কার্নিভাল উপলক্ষ্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    আমীর খসরু বলেন, বর্তমানে রাজনীতিতে ভিশন থাকা দরকার, দূরদৃষ্টি দিয়ে ভেবে এগোতে হবে। গৎবাঁধা, সাধারণ চিন্তা দিয়ে আর চলবে না। আমাদের উচিত নতুন নতুন ধারণা নিয়ে জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণ করা, তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করা।

    তিনি আরও বলেন, দেশের মনোজগতে পরিবর্তন আসছে, এই বাস্তবতাকে আমাদের স্বীকার করতে হবে। যদি এই পরিবর্তনকে বোঝা না যায়, তবে ভবিষ্যতে রাজনীতি চালানো কঠিন হয়ে পড়বে।

    আমীর খসরু বলেন, আমরা গণতন্ত্রায়নের কথা বলি, কিন্তু স্পোর্টস ক্ষেত্রেও গণতন্ত্র চালু করতে হবে। বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের স্পোর্টসে অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে যাতে দেশের ক্রীড়া বিকাশ ঘটে।

    তিনি আরও বলেন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের মধ্যে আমরা রাজনীতি ও অর্থনীতিকে গণতন্ত্রের আওতায় এনে সবাইকে সমান অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিতে চাই। অর্থনীতিতে সব মানুষ যেন অবদান রাখতে পারে, এই লক্ষ্য আমাদের। স্পোর্টসকেও এই গণতন্ত্রের আওতায় আনতে হবে, যাতে প্রত্যেকে নিজের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়।

    তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমানের পরিবারের স্পোর্টসপ্রেমের কথা সকলের জানা। বর্তমান সময়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের স্পোর্টস কার্যক্রম পরিচালনা করছেন যেমন সুইমিং, ক্রিকেট ও ফুটবল টুর্নামেন্ট। ভবিষ্যতে উনি দেশের সকল অঞ্চলে স্পোর্টস সেন্টার প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছেন, যেখানে প্রতিটি ব্যক্তি তার যোগ্যতা অনুযায়ী অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে।

    স্পোর্টস দেশের ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেন আমীর খসরু। তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ তাদের স্পোর্টসের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক ভিত্তিতে স্বীকৃতি পেয়েছে। স্পোর্টসের মাধ্যমে উন্নত দেশগুলোর মতো ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। স্পোর্টস হচ্ছে দেশের শক্তির নয়, বরং সফট পাওয়ার—এমন এক শক্তি, যার মাধ্যমে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।

    তিনি আবহমান বাংলার গর্বের সঙ্গে যোগ করেন, ভবিষ্যতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা স্পোর্টসের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি শক্তিশালী ও মর্যাদাকর দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে পরিচিত করবে বলে বিশ্বাস। এর জন্য দেশের সকলের সহযোগিতা ও সমর্থন একান্ত প্রয়োজন।

    সন্ধ্যার এই অনুষ্ঠানে এর নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ক্রীড়া সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আয়োজক আমিনুল হক, এবং সভাপতিত্ব করেন সদস্য সচিব মোস্তফা জামান।