Author: bangladiganta

  • স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন: ভারতের প্রভাব ও ফ্যাসিস্টদের ষড়যন্ত্রে পাহাড়ে অপরাধ রোধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি

    স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন: ভারতের প্রভাব ও ফ্যাসিস্টদের ষড়যন্ত্রে পাহাড়ে অপরাধ রোধে আমরা কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছি

    খাগড়াছড়িসহ পার্বত্য অঞ্চলে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানিয়েছেন, ভারত ও প্ররটিতন্ত্রের ইন্ধনে পাহাড়ে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে দেওয়া হবে না। এজন্য তারা সর্বোচ্চ সতর্কতা ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রমনা গণপূর্ত ভবনে ডিএমপি’র পাঁচটি থানার নির্মাণ কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ সব কথা বলেন। নির্দিষ্ট করে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, কিছু মহল পার্বত্য এলাকায় অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। খাগড়াছড়ি ও আশপাশের অঞ্চলে এখনও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর। এই সময়ে দেশে মহান ধর্মীয় উৎসব চলছে, যা শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হচ্ছে। তবে কিছু তথাকথিত চক্রান্তকারী মহল এই উৎসবের বিষয়ে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। এর সাথে আরও জানা যায় যে, পার্বত্য অঞ্চলে অস্ত্র ও অর্থের যোগান অন্য দেশের কাছ থেকে পৌঁছানো হচ্ছে। এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ভারত ও কথিত ফ্যাসিস্ট শক্তির ষড়যন্ত্রের কারণে পাহাড়ে অঘটন এড়ানোর জন্য তারা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু সন্ত্রাসী পাহাড়ের ওপরে গুলি চালাচ্ছে এবং এই অস্ত্রগুলো বাইরে থেকে আসছে। তিনি দেশের নাম প্রকাশ করতে চাননি, তবে জানান, সেই দেশের নাম সাংবাদিকরা বলেছেন। এ সমস্ত অপপ্রচণ্ড প্রতিহত করতে সরকারের সবাইকে সহযোগিতা দরকার। জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আরও বলেন, দুর্গাপূজার সময় কেউ যেন কোনও রকম বিশৃঙ্খলা বা রাস্তাবন্ধ করে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না করে, تا সবাই শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উপভোগ করতে পারেন। এই জন্য সরকারি এবং পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তা।

  • যুক্তরাজ্যের চাওয়া বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন

    যুক্তরাজ্যের চাওয়া বাংলাদেশে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন

    ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, বাংলাদেশে আগামী নির্বাচন অবশ্যই অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য এবং শান্তিপূর্ণ হবে। আজ সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের Brady জানাতে তিনি এ কথা বলেন।

    বৈঠকের সময়ে যখন অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হয়, হাইকমিশনার সরাসরি বললেন, ‘আমি আর কোনো কথা বলবো না। যেমনটা আমি আগেও বলেছি, যুক্তরাজ্য আগামী বছর বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাসযোগ্য এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন দেখতে চায়।’ জরুরি না হলে তিনি জানালেন না যেন অতিরিক্ত কিছু বলেন।

    আগে গত ১০ মার্চও সিইসির সঙ্গে বৈঠক করে সারাহ কুক জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক হতে চায় যুক্তরাজ্য। সেই সময় বলেছিলেন, গত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতোই এই নির্বাচনও যেন অবাধ, সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ হয়।

    বৈঠক শেষে সারাহ কুক বলেন, ‘সিইসির সঙ্গে খুবই ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। আমি নিয়ে আসা আপডেট অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য বাংলাদেশের সমর্থন আবারো ব্যক্ত করেছে।’

    তিনি আরও জানান, নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশন এবং অস্থায়ী সরকারকে সহায়তা করার জন্য যুক্তরাজ্য প্রশংসা পেয়েছে। বিশেষ করে দেশের দুর্বল গোষ্ঠীগুলোর জন্য শিক্ষামূলক প্রকল্প ও পোলিং কর্মীদের প্রশিক্ষণে যুক্তরাজ্যের অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ।

    সারাহ কুক বলেন, ‘আজকের আলোচনায় আমরা নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। ভবিষ্যতেও এই সম্পর্ক বজায় থাকবে বলে আমাদের প্রত্যাশা।’

  • জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি মহাসচিব গ্রেফতার

    জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি মহাসচিব গ্রেফতার

    ঢাকায় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে হোটেল ওয়েস্টিনের সামনে থেকে জাতীয় পার্টির রওশনপন্থি শাখার মহাসচিব কাজী মামুনুর রশিদকে গ্রেফতার করে। এই বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডিবি প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের একটি মামলা রয়েছে। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সরকারের পতন ঘটানোর ষড়যন্ত্রে জড়িত আছেন। বিশেষ করে জানা গেছে, তিনি ষড়যন্ত্রকারী এনায়েত করিম চৌধুরীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রেখে চলেছেন।

    গত বছর ৪ নভেম্বর কাজী মামুনুর রশিদকে একটি ধর্ষণের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছিলো। পরে তিনি আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। এছাড়া, জুলাইয়ে আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতার জন্য আরও একাধিক মামলা চলছে।

    বর্তমানে, জাতীয় পার্টি তিনটি শাখায় বিভক্ত। এর মধ্যে একটি শাখার চেয়ারম্যান জিএম কাদের ও মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী। অন্য শাখার নেতৃত্বে আছেন আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ও মহাসচিব এ বি এম রুহুল আমিন হাওলাদার। আর তৃতীয় শাখার চেয়ারম্যান হচ্ছেন জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদ ও মহাসচিব কাজী মামুনুর রশিদ।

    এ নিয়ে তৈরি হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও চাপ, যার প্রভাব পড়ছে দলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে। এরই মধ্যে দলটির পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি উঠেছে। তিন শাখায় বিভক্ত থাকার কারণে নির্বাচনী প্রতীক লাঙল নিয়েও বিভিন্ন ধরনের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

  • ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ফিলিস্তিনের পক্ষে দাঁড়ালেন ভারতের অভিনেতা প্রকাশ রাজ

    ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা প্রকাশ রাজ ফিলিস্তিনে চলমান নৃশংসতার প্রতিরোধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন। তিনি এই বর্বরতার জন্য ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সমালোচনার মুখে ফেলেছেন।

    তথ্যসূত্র মতে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর চেন্নাইয়ে ফিলিস্তিনে ইসরায়েলের ওই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে একটি বৃহৎ প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে তামিলনাড়ুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক সংগঠন ও সাধারণ নাগরিকরা অংশ নেন।

    অভিনেতা প্রকাশ রাজের পাশাপাশি এই আন্দোলনে যোগ দেন তাঁর সহঅভিনেতা সত্যরাজ এবং বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারনসহ আরও কয়েকজন নেতা ও সমাজেরজন।

    প্রতিবাদে বক্তারা বলেন, যদি অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলা কারো কাছে রাজনীতি হয়, তাহলে আমি স্বীকার করব, হ্যাঁ, এটি সত্যিই রাজনীতি। যুদ্ধের শেষে নেতারা হাত মেলাবেন, কটাক্ষবিহীন শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। তবে এর মাঝেই একজন মা তার ছেলের জন্য, স্ত্রী তার স্বামীর জন্য অপেক্ষা করবেন, আর শিশুরা তাদের বাবার ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা করবে। এটাই প্রকৃত সত্য।

    প্রকাশ রাজ ইসরায়েল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও নরেন্দ্র মোদিকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করে বলেন, ফিলিস্তিনে যে অবিচার ও হত্যাকাণ্ড চলছে, তার জন্য শুধু ইসরায়েলই নয়, বরং আমেরিকা ও ভারতের নীরবতাও অত্যন্ত দায়ী। তিনি এটাই স্পষ্ট করে বলেন যে, মোদির নীরবতা এই অন্যায়ের জন্য সমানভাবে দায়ী।

    অভিনেতা সত্যরাজ গাজায় চলমান হত্যাকাণ্ডকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও অমানবিক বলে নিন্দা জানিয়ে প্রশ্ন তোলেন, ‘কীভাবে গাজায় এত বড় বোমা হামলা চালানো হয়? মানবতার জন্য এতো বড় ধাক্কা? এই ধরনের নৃশংসতা দেখে কি করে কেউ শান্তিতে শুলো?’

    অন্যদিকে, চলচ্চিত্র নির্মাতা ভেত্রিমারন এই ফিলিস্তিনের আগ্রাসনকে পরিকল্পিত গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বললেন, ‘গাজায় শুধু প্রতিবেশী এলাকা নয়, স্কুল ও হাসপাতালও মারাত্মকভাবে লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। জলাপাই গাছ এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য সম্পদ ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে। এটি শুধু একটি সংঘর্ষ নয়, সম্পূর্ণ মানবতা বিরোধী অপরাধ।’

  • সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে তোপ পরিচালকের

    সালমানকে ‘নোংরা বাবার নোংরা ছেলে’ বলে তোপ পরিচালকের

    বলিউডের megastar সালমান খানকে কেন্দ্র করে আবারও মুখ খুললেন জনপ্রিয় পরিচালক অভিনেতাব কাশ্যপ। কিছু দিন আগে তিনি তার বিস্ফোরক মন্তব্যে সালমান ও তাঁর পরিবারের ব্যাপারে কথা বলেছিলেন, এবারও একই ধরনের সমালোচনা করেছেন।

    অভিনব কাশ্যপের তোলা অভিযোগ, সালমানের বাবা সেলিম খানকে বলিউডের শীর্ষ চিত্রনাট্যকার বলা যায় না। তার মতে, সেলিম খান নিজের প্রভাব খাটিয়ে বলিউডে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন। এই মন্তব্যের পর তিনি কড়া ভাষায় সালমানকেও সমালোচনা করেন। তার কথায়, ‘সালমানও বাবার মতো প্রভাব খাটিয়ে টিকে আছেন, তবে তাকে সুপারস্টার বলা বিভ্রাট। সে হচ্ছে নোংরা বাবার নোংরা ছেলে, ফুটপাতে বড় হওয়া। এই রুচির কারণেই তাঁর এই আচার-আচরণ।’

    অভিনব আরও জানান, সাইয়ারা সিনেমায় নবাগত অভিনেতা আহান পাণ্ডের পারফরম্যান্স দেখে সালমান ক্ষুব্ধ হয়েছেন, হিংসা করেছেন।

    এই ক্ষোভের পেছনে তার ব্যক্তিগত কিছু কারণও রয়েছে। তিনি দাবি করেন, ‘দাবাং’ ছবির সিক্যুয়েল নির্মাণের সময় তার অনুমতি নেওয়া হয়নি। আরও বলেন, সম্প্রতি তার প্রথম সারির একটি চ্যানেলের সিরিজ পরিচালনার দায়িত্ব থেকেও তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়, যা তিনি মনে করেন সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে হয়েছে। এই সব কিছু মিলিয়ে অভিনব কাশ্যপের মনোভাব স্পষ্ট, তিনি এখনো বলিউডের বেশ কিছু কর্মকাণ্ডে অসন্তুষ্ট ও বিতর্কে আছেন।

  • বিতর্কের কারণে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ পুনম

    বিতর্কের কারণে মন্দোদরীর চরিত্র থেকে বাদ পুনম

    ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে ভারতের রাজধানী দিল্লির ‘লব কুশ রামলীলা কমিটি’ আজ পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী অভিনেত্রী পূনম পাণ্ডেকে রামলীলা অনুষ্ঠানে মন্দোদরীর চরিত্রে অভিনয় থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই বছরের রামলীলা উৎসবে প্রথমের পরিকল্পনা ছিল, জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী পূনমকে রাবণের স্ত্রীর ভূমিকায় নেওয়ার। তবে কিছু গোষ্ঠীর আপত্তির কারণে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘একজন শিল্পীর পরিচয় তার কাজের মধ্যেই। অতীতের কোনও বিষয় দিয়ে কারও বিচার করা উচিত নয়। তবে সমাজের আবেগ ও ধর্মীয় ভাবাবেগকে সম্মান জানিয়ে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ তারা আরও যোগ করেন, ‘প্রতিটি নারীরই সমাজে অবদান রয়েছে। তাকে অপমান করার কোনও স্থান নেই। প্রথমে আমরা মনে করেছিলাম, পূনম এই চরিত্রটি ভালোভাবে প্রতিফলিত করতে পারবেন। কিন্তু অনেক গোষ্ঠীর উষ্মার প্রতিক্রিয়া দেখে ভাবনা পরিবর্তন করতে হয়েছে।’অভিনেত্রী হিসেবে পূনমকে সম্মান জানিয়ে অন্য কাউকে এই চরিত্রে ভাবা হচ্ছিল। আয়োজকদের বক্তব্য, রামচন্দ্রের কাহিনি ও সবার মধ্যে মৈত্রীর বার্তা ছড়িয়ে দেওয়াই মূল লক্ষ্য। তারা কোনও বিতর্ক চাচ্ছেন না। এই ‘লব কুশ রামলীলা’ অনুষ্ঠানটি প্রতি বছর দিল্লিতে ব্যাপক উৎসাহ ও উৎসবের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। ইতিপূর্বে বিভিন্ন অভিনেতা ও অভিনেত্রীর মাধ্যমে নানা চরিত্র উপস্থাপন করেছেন তারা। পূনমকে বাদ দেওয়ার এই সিদ্ধান্তের পক্ষে দিল্লির বিজেপি দলও সমর্থন দিয়েছে।

  • অভিনয়ের প্রলোভনে গণধর্ষণের অভিযোগ, নির্মাতার বিরুদ্ধে মামলা

    অভিনয়ের প্রলোভনে গণধর্ষণের অভিযোগ, নির্মাতার বিরুদ্ধে মামলা

    গাজীপুরের শ্রীপুরে অভিনয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অভিনেত্রী তাছলিমা খাতুন আয়েশার ওপর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। নাট্যনির্মাতা নাসিরউদ্দিন আহমেদ মাসুদ ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী আয়েশা। ঘটনাটি ঘটে শ্রীপুরের একটি রিসোর্টে, যেখানে তাকে অজান্তে নিয়ে গিয়ে নির্মাতা ও তার সহযোগীরা পরিকল্পিতভাবে গণধর্ষণ করেন।

    আয়েশা জানিয়েছেন, প্রায় চার-পাঁচ মাস আগে পূবাইলে শুটিং চলাকালে নির্মাতা তিনি তাঁর মোবাইল নম্বর নেন। এরপর থেকে নিয়মিত ফোন করে যোগাযোগ চালিয়ে যান। একদিন শুটিংয়ের নাম করে তাকে গভীর রাতে গাজীপুরের রিসোর্টে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর, মাতলামি ও মাদকের ঘোরে থাকা নির্মাতা মাসুদ এবং তার সহযোগী বাবর তাকে অজান্তে ধর্ষণ করেন। এরপর রিসোর্টের এক অন্য ব্যক্তির সহযোগিতায় তৃতীয়বারের মতো তার ওপর যৌন নির্যাতন চালানো হয়। আক্রান্তের ভাষ্য অনুযায়ী, পরে বাবর তার মোবাইল আইফোন ১৬ প্রো ম্যাক্স ফটো ও অন্যান্য জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেয় এবং তাকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেয়।

    তাছলিমা জানান, ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল প্রায় ৩:৩০টায় প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে তাকে রিসোর্ট থেকে বের করে দেয়। এরপর তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ে চিকিৎসা নেন এবং এক পর্যায়ে গর্জর অভিযোগ দায়ের করেন।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহম্মদ আব্দুল বারিক বললেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে রিসোর্টের ভেতরে প্রাথমিক তদন্ত চালিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে। যদি প্রমাণ proves হয়, তবে শুধু অভিযুক্তরাই নয়, রিসোর্টের গাফিলতিও খতিয়ে দেখা হবে।’

    এদিকে, রিসোর্টের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে প্রতেষ্টিত হলে তারা নিজেদেরকে ‘থার্ড পার্টি’ হিসেবে দাবি করেন। তারা জানান, ‘আমরা শুধু বুকিং দিই; এমন ঘটনাগুলোর সঙ্গে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই।’

    অন্যদিকে, অভিযুক্ত নির্মাতা নাসিরউদ্দিন মাসুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

  • সমাবেশে নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ রুপির ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন থালাপতি বিজয়

    সমাবেশে নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ রুপির ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন থালাপতি বিজয়

    ভারতের তামিলনাড়ুর চেন্নাইতে অনুষ্ঠিত তামিলাগা ভেটরি কাজাগমের (টিভিকে) জনসভায় পদদলিত হয়ে অনেক মানুষের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই মর্মান্তিক ঘটনার জন্য দেশটির জনপ্রিয় অভিনেতা এবং রাজনীতিবিদ থালাপতি বিজয় তার নিহতদের পরিবারকে ২০ লাখ রুপির সান্তনা বরাদ্দের ঘোষণা দিয়েছেন। পাশাপাশি, সমাবেশে আহত অন্তত ১০০ ব্যক্তিকে তিনি প্রত্যেককে ২ লাখ রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এই খবর বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। 

    শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, এই ভয়াবহ ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় মোট ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে নারী ১৮ জন, পুরুষ ৯ জন এবং শিশু ১০ জন রয়েছে বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মা সুব্রমানিয়ান নিশ্চিত করেছেন।

    পুলিশের সূত্র জানায়, ওই দিন জনসভায় থালাপতি বিজয় মঞ্চে ওঠার কিছুক্ষণ পরই সেখানে উপস্থিত ভিড়ের কারণে পরিস্থিতি চরমভাবে অবনতির দিকে যায়। দর্শকরা মঞ্চের ব্যারিকেডের দিকে এগিয়ে যান, সেই সময় দমবন্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় এবং অনেকের জ্ঞান হারানোর ঘটনা ঘটে। এ সময় হুড়িয়ে যাওয়া জনতাই পদদলনের ঝুঁকি তৈরি করে। মূলত, মানুষের ভিড় এত বেশি ছিল যে, জনসভায় অনুমিত মতের চেয়েও দ্বিগুণের বেশি ৬০ হাজার মানুষ উপস্থিত হয়েছিলেন। ফলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।

    ওই দিন রাত ৮টার অর্ধেকের দিকে, বিপুলসংখ্যক ব্যক্তি যেন একটি মহাযাত্রায় অংশ নেয়ার মতো মঞ্চের ব্যারিকেডের দিকে ছুটে যান। এই সময়ে হুড়োহুড়ি ও জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, যার ফলে অনেকেই অচেতন হয়ে পড়েন। শিশু ও পরিবারের সদস্যরা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবকরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই, পদদলনের খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

    স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুসারে, মঞ্চের চারপাশে যথেষ্ট ফাঁকা জায়গা না থাকায় অনেকে একত্রে জমা হয়ে যান, যা অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। এ পরিস্থিতিতে, যখন মূলত জনসভায় থালাপতি বিজয়কে দেখতে অনেক মানুষ জড়ো হন, তখন তাদের চাপে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

    বলে রাখা উচিত, বিজয় যখন জনসভায় উপস্থিত হন, তখন প্রায় সাত ঘণ্টা দেরি হয়ে যায়। তার দেরির কারণে মানুষের মধ্যে আরো আগ্রহ ও ভিড় বৃদ্ধি পায়। সেই সঙ্গে পরিস্থিতি আর বেশি জটিল হয়ে ওঠে এবং ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩৯ হলেও, আরও মৃত্যুর আশংকা করা হচ্ছে। এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও নিরুপণ করা হচ্ছে।

  • নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    নির্বাচক প্যানেল থেকে পদত্যাগ করলেন আব্দুর রাজ্জাক

    সবশেষ কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। সাবেক এই স্পিনার সাড়ে চার বছর ধরে নির্বাচকের দায়িত্ব পালন শেষে অবশেষে এটি থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি নিজেকে নতুনভাবে প্রমাণের জন্য আগামী ৬ অক্টোবরের নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা থেকে পরিচালক পদে লড়ছেন।

    খেলার মাঠে নিয়মিত পারফর্ম করলেও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাঁর সুযোগ অনেক সময়ই অধরা থেকে গিয়েছে। নির্বাচকদের কাছ থেকে অবিচ্ছিন্ন বঞ্চনার শিকার হয়েছেন রাজ্জাক, যার জন্য তিনি বারবারই আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন। ২০১৪ সালের পর থেকে সাদা বলের ক্রিকেটে তাঁর ডাকা হয়নি। তবে ২০১৮ সালে হঠাৎ করেই টেস্ট দলের জন্য মনোনীত হন তিনি। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ঐ টেস্ট ম্যাচে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পর, কিছুদিন বোর্ডের তরফ থেকে বাদ পড়েন।

    ক্রিকেটার হিসাবে ২০২১ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ দলের নির্বাচক প্যানেলে যোগ দেন রাজ্জাক। তবে তিনি পরে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নেন। তখন তাদের জায়গায় যোগ দেন কিংবদন্তি ক্রিকেটার মিনহাজুল আবেদিন নান্নু ও হাবিবুল বাশার। সময়ের সাথে সাথে নান্নু ও বাশারদের সাথে বিসিবি নানান কারণে শান্তি করতে পারেনি; তবে রাজ্জাক এর দায়িত্বের ব্যাপারে অটুট থাকেন।

    প্রথমে গাজী আশরাফ হোসেন লিপু ও হান্নান সরকার সহকারে নির্বাচক হিসেবে কাজ করেছিলেন তিনি। যদিও কোচিংয়ে যোগ দেওয়ার আগে হান্নান নিজেকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নেন।

    অবশেষে, ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিবিতে পদত্যাগের ঘোষণা দেন রাজ্জাক। পাশাপাশি, তিনি আসন্ন নির্বাচনে খুলনা বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন সংগ্রহ করেন। তিনি নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য মনোনয়ন ফর্মও সংগ্রহ করেছেন।

    এ সময় তাঁর সাথে মনোনয়ন নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন সাবেক ক্রিকেটার মোহাম্মদ জুলফিকার আলি খান ফুয়াদ। শহরের আরও বেশ কয়েকজন সাবেক ক্রিকেটার, যেমন তামিম ইকবাল ও আমিনুল ইসলাম বুলবুল,ও নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তামিম ও বুলবুল ক্লাব ক্যাটাগরি থেকে নির্বাচনে লড়ছেন।

    অন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দেশের হয়ে ১৩ টি টেস্ট, ১৫৩ ওয়ানডে ও ৩৪ টি টি-টোয়েন্টি খেলে অনেক বছর ধরে দেশের জন্য প্রতিনিধিত্ব করেছেন রাজ্জাক। তিনি মোট ২৭৯ উইকেট অর্জন করেছেন; এর মধ্যে টেস্টে ২৮, ওয়ানডেতে ২০৭ এবং টি-টোয়েন্টিতে ৪৪ উইকেট। এছাড়াও, প্রথম শ্রেণির ম্যাচে ৬৩৪ ও লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪১২ উইকেট শিকার করেছেন।

  • জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    জাপানে ঋতুপর্ণাদের ক্যাম্প হচ্ছে না

    বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল তাদের প্রথমবারের মতো এশিয়া কাপের আসরে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। এই গুরুত্বপূর্ণ টুর্নামেন্টটি আগামী বছর ১ মার্চ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে। এর জন্য বাংলাদেশ ইতোমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। তীক্ষ্ণ ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য শনিবার ২৯ জন নারী ফুটবলার চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

    বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের নারী উইংয়ের প্রধান মাহফুজা আক্তার কিরণ আরও জানান, মেয়েরা আরও উন্নত ও নিবিড় অনুশীলনের জন্য চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ইয়াংওয়ানের ব্যবস্থাপনায় কোরিয়ান ইপিজেডে ২০ দিন প্রশিক্ষণ নেবে। এই ট্রেনিংয়ের আয়োজকতা পুরোপুরি ইয়াংওয়ানই করা হচ্ছে, যেখানে খরচার দায়িত্বে ফেডারেশন নেই। ১৬ অক্টোবর সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে আসবেন ফুটবলাররা, আর ভুটান থেকে থাকা ১০ ফুটবলার ১৭ অক্টোবর দেশে ফেরত যাবেন। এরপর ঢাকায় ৪-৫ দিনের মধ্যে আবার অনুশীলন করে দল থাইল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় দুই ম্যাচ খেলতে।

    অন্যদিকে, এশিয়া কাপের জন্য বাফুফের পরিকল্পনায় পরিবর্তন এসেছে। মূলত, নভেম্বরে ঋতুপর্ণাদের জন্য জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনা ছিল, তবে জাপান ফুটবল এসোসিয়েশন কর্তৃক নির্ধারিত সময়টি অনুকূল না হওয়ায় এই পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে। কিরণ বলছেন, ‘জাপান ২০-৩০ নভেম্বর আমাদের যেতে বলেছিল, আমরা তখন ঢাকায় ফিফা উইন্ডোতে ত্রিদেশীয় ম্যাচ খেলব বলে ঠিক করেছিলাম। ফলে সেখানে যেতে পারছি না।’

    বাফুফে সভাপতি ঋতুপর্ণাদের এই এশিয়া কাপকে ‘মিশন অস্ট্রেলিয়া’ বলে অভিহিত করেছেন। মূল পরিকল্পনায় ছিল ১ সেপ্টেম্বর থেকে অনুশীলন শুরু করা, যা তিন সপ্তাহ পিছিয়ে গেছে। আবার জাপানে অনুশীলনের পরিকল্পনাও ভেস্তে গিয়েছে। কিরণ বলেন, ‘আসলে পিটার মাঝেমধ্যে অসুস্থ থাকায় কিছুটা দেরি হয়েছে। এতো কিছু হয়তো এখন এককভাবে নিয়ে পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে হবে। তবে আমাদের এগিয়ে যেতেই হবে।’ জুলাইয়ে নারী এশিয়া কাপ নিশ্চিত হওয়ার পর ভারত রোডম্যাপও কয়েক দিন পরে প্রকাশ করে। দুই মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও বাফুফের পরিকল্পনা এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। অনেক কিছু এখনো আলোচনার মধ্যেই।

    ৫-২০ ডিসেম্বর কলম্বোতে নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত হবে নারী সাফ ক্লাব। এতে বাংলাদেশের নাসরিন স্পোর্টিং অংশ নেবে। এই টুর্নামেন্টে খেলা হবে ভারত, নেপাল ও ভুটানের চ্যাম্পিয়ন ক্লাবগুলোর। জাতীয় দলের ফুটবলারদের নাসরিনের হয়ে খেলার বিষয়ে কোচের সঙ্গে এখনো আলোচনা হয়নি, তবে বাফুফের পরিকল্পনা রয়েছে।

    বাফুফে ডিসেম্বরের নারী ফুটবল লিগ আয়োজনের পরিকল্পনা করছে। এই লিগে এশিয়া কাপে স্কোয়াডে থাকা ফুটবলারদের খেলার সুযোগ থাকছে। ফেডারেশন ভাবছে নারী ফুটবলারদের ফেডারেশনের ক্যাম্পে ও কোচের অধীনে অনুশীলনে রাখা। তবে, ক্লাবগুলো এই পরিকল্পনায় দ্বিমত প্রকাশ করছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে ফেডারেশন ক্লাবগুলোর সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেবে।

    এদিকে, ভুটান নারী লিগে এখনো খেলে চলেছেন পাঁচ ফুটবলার—সাবিনা খাতুন, মাসুরা পারভীন, সানজিদা আক্তার, কৃষ্ণা রাণী ও সুমাইয়া মাতসুসিমা—যারা এখনো বাফুফের স্কোয়াডের অংশ নন। এশিয়া কাপের জন্য তাদের ডাকার বিষয়ে কোচ পিটার বাটলারকেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, বলে জানিয়েছেন কিরণ, ‘এটি টেকনিক্যাল বিষয়। কোচের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।’