Author: bangladiganta

  • বুধবার থেকে শুরু টানা চার দিনের সরকারি ছুটি

    বুধবার থেকে শুরু টানা চার দিনের সরকারি ছুটি

    আগামী বুধবার, ১ অক্টোবর থেকে শুরু হচ্ছে সরকারি চাকরি, ব্যাংক এবং অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জন্য টানা চার দিনের ছুটি। এই দীর্ঘ ছুটি উপভোগ করবেন তারা, কারণ এটি দুর্গাপূজা ও সাপ্তাহিক ছুটির সমন্বয়ে নির্ধারিত।

    সরকারের নির্ধারিত ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর বুধবার দুর্গাপূজার মহানবমীর উপলক্ষে বিশেষ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর পরের দিন, অর্থাৎ ২ অক্টোবর, বিজয়া দশমী উদযাপন উপলক্ষে সাধারণ ছুটি দেওয়া হবে। এরপর ৩ ও ৪ অক্টোবর যথাক্রমে শুক্র ও শনিবার নিয়মিত শোকাবহ সাপ্তাহিক ছুটি থাকবে। ফলে, এই চার দিনে সরকারি দপ্তর, ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ থাকবে।

    বেসরকারি অফিসের ক্ষেত্রে এই নিয়ম কিছুটা ভিন্ন। অনেক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান শনিবারও খোলা রাখতে পারে, ফলে সেখানে কর্মীরা তিন দিনের ছুটি পাবেন। আবার কিছু প্রতিষ্ঠান পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে ছুটির দিন বাড়তেও পারে।

    শীগ্রই সময়ে সরকারের পক্ষ থেকে ছুটির তালিকা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে দুর্গাপূজায় দুই দিন ছুটি দেওয়া হবে—একটি সাধারণ ছুটি এবং একটি নির্বাহী আদেশে। গত বছরের মতো, এই বছরেও সরকারি চাকরিজীবীরা চার দিনের ছুটি উপভোগ করবেন।

    সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবে স্কুল–কলেজের ছাত্রছাত্রীরা। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো দুর্গাপূজা উপলক্ষে ৯ দিন বন্ধ থাকবে, এর সঙ্গে যুক্ত হবে সাপ্তাহিক ছুটিও। এর ফলে, মোট ১১ দিনের ছুটি আসবে। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা ছুটির সুবিধা আরও বেশি পাবেন। তাদের জন্য পূজার ছুটির সাথে দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটি মিলিয়ে মোট ১২ দিন ছুটি হবে।

    অন্যদিকে, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ছুটি সীমিত রাখা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলোতে দুর্গাপূজার জন্য ছুটি নির্ধারিত হয়েছে মাত্র দুই দিন—১ ও ২ অক্টোবর।

  • ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা নিহত

    ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে হামলা, ছুরিকাঘাতে জামায়াত নেতা নিহত

    কক্সবাজার সদর উপজেলায় জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ছাত্রলীগের এক নেতার নেতৃত্বে তিনজনের হামলায় জামায়াতের যুব শাখার ওয়ার্ড সেক্রেটারি আমজাদ হোসেন (২৪) নিহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে চৌফলদণ্ডী ইউনিয়নের নতুন মহাল খামার দোকান এলাকায়। নিহত আমজাদ নতুন মহাল এলাকার নুরুল কবিরের ছেলে। পরিবারের অভিযোগ, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে লেগেছে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের স্থানীয় ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি রাফি, যার নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রেরা জানায়, দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল আমজাদ ও রাফির পরিবারের মধ্যে। এরই জেরেরে বুধবার রাতে রাফি ও তার ভাগনে মোফাচ্ছেলসহ কয়েকজন সন্ত্রাসী আমজাদকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করে। স্থানীয়রা তাঁকে দ্রুত উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।

    আমজাদের ভাই সাদ্দাম হোসেন, তিনি সদর উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক। তিনি বলেন, আমার ভাইকে অমানবিকভাবে হত্যা করা হয়েছে, এটি পূর্বশত্রুতার অংশ। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের জন্য ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন।

    চৌফলদণ্ডী ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মনজুর আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে చేరে তদন্ত শুরু করেছে। জমি বিরোধানের কারণেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানা গেছে।

    কক্সবাজার সদর উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি আজিজুর রহমান জানান, ছাত্রলীগের রাফি আগে থেকেই জমি দখল ও মামলার মাধ্যমে আমজাদ ও তার পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিল। এই ঘটনার পিছনে সেই প্রভাব রয়েছে বলে তিনি ধারণা ব্যক্ত করেন।

    ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জানানো হয়, পুলিশ একটি আসামিকে আটক করেছে এবং অন্যদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান চালানো হচ্ছে।

  • শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগে নিষিদ্ধ অ্যাপ আর ব্যবহৃত হবে না

    শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগে নিষিদ্ধ অ্যাপ আর ব্যবহৃত হবে না

    সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বাংলাদেশে অবৈধভাবে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল বৈঠক চালিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত দুটি জনপ্রিয় অ্যাপ—টেলিগ্রাম ও বোটিম—বন্ধ করে দেওয়া হবে। নির্বাচন তফসিল ঘোষণার পর, এই দুটি অ্যাপের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হবে। রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাউন্সিলের সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    অভ্যুত্থানের পর গত বছরের ৫ আগস্ট তারা ভারতে পালিয়ে গিয়ে অবস্থান নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ভারতে থাকা অবস্থায় তারা ভার্চুয়াল বৈঠকের মাধ্যমে নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং বাংলাদেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে নানা নির্দেশনা দিচ্ছেন। এই বৈঠকগুলি পরিচালনা করার জন্য তারা বিভিন্ন অনলাইন অ্যাপের ব্যবহার করছেন।

    জানা গেছে, রাজধানীর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন আন্দোলনমূলক মিছিল থেকে গত বুধবার ২৪৪ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়, এর মধ্যে দেড় শতাধিক ব্যক্তি বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ও বৈঠকে অংশ নিত। এই বিষয়টি এখন শেছে আলেচ্য হয়েছে, রোববারের বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাতে এই দুটি অ্যাপের ব্যবহার কমানোর জন্য নানা উপায় খতিয়ে দেখা হবে।

    বিশ্লেষকরা বলছেন, এই দুই অ্যাপের মাধ্যমে দলের নেতাকর্মীরা দেশ বিরোধী কার্যক্রম চালাচ্ছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশেষ করে, টেলিগ্রাম ইন্টারনেটভিত্তিক যোগাযোগের অন্যতম জনপ্রিয় অ্যাপ, যার প্রতিষ্ঠাতা রুশ নাগরিক পাভেল দুরভ। অন্যদিকে, বোটিম হলো একটি জনপ্রিয় আড্ডা ও অর্থ লেনদেনের অ্যাপ, যার মূল কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে।

    বৈঠকের সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনগুলোতে জব্দ করা হয়েছে অনেক তথ্য। প্রাথমিকভাবে দেখা গেছে, দেড় শতাধিক নেতা-কর্মী টেলিগ্রাম ও বোটিম ব্যবহার করে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ ও ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দিয়েছেন। এই অ্যাপগুলো ব্যবহার করে তারা দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে সন্দেহ প্রকাশ করছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    এদিকে, সরকার ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলির ধারণা, নির্বাচন প্রস্তুতির মধ্যে থাকতে এই ধরনের যোগাযোগের মাধ্যমে অর্থবহ পরিকল্পনা চালানো সম্ভব। সেই জন্য, সংশ্লিষ্ট সভায় এই দুটি অ্যাপের ব্যাপক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ এবং বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে জঙ্গি ও অস্থিতিশীলতা বৃদ্ধির আশঙ্কা কমানো যায়।

  • আসুরের বিনাশে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দুর্গাপূজার মূল संदेश

    আসুরের বিনাশে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার বার্তা দুর্গাপূজার মূল संदेश

    খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেছেন, শারদীয় দুর্গোৎসব বাঙালি জাতির হাজার বছরের ঐতিহ্যের এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই উৎসব শুধু ধর্মীয় আনন্দের লীলাই নয়, বরং এটি আমাদের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী সম্প্রীতির একটি প্রতীক। দুর্গোৎসবের মূল বাণী হলো- অসুর রূপী হিংসা, লোভ ও ক্রোধকে পরাস্ত করে সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। যেখানে মানবিক মর্যাদা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। যারা নিরীহ মানুষকে নিপীড়ন, নির্যাতন এবং প্রতিহিংসার মাধ্যমে সমাজ ও মানব সভ্যতাকে ধ্বংসের চেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে মানবকল্যাণ প্রতিষ্ঠাই এই উপাসনার মূল উদ্দেশ্য।

    রোববার রাতে নবতরুণ সংঘের বাগানবাড়ি, রূপসা মহাশ্মশান ও কালী মন্দিরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সংস্কৃতির মূল ভিত্তি হলো সহাবস্থান ও সম্প্রীতির শিক্ষা। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান—সব ধর্ম-বর্ণের মানুষ যুগযুগ ধরে একে অপরের সুখ-দুঃখে পাশে থেকেছে। দুর্গোৎসব সেই সহাবস্থানের এক অনন্য উদাহরণ। এই উৎসব আমাদের সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও শান্তির বাণী ছড়িয়ে দেয়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক চৌধুরী হাসানুর রশীদ মিরাজ, শ্রমিক দলের মহানগর আহবায়ক মজিবর রহমান, সদর থানা বিএনপির সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবীর, নাসির উদ্দিন, সওগাতুল ইসলাম সগীর, মেহেদী হাসান লিটন, সাগর আকন, শুকুর আলী, জালাল প্রমুখ।

  • শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এই উৎসব: মঞ্জু

    শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে এই উৎসব: মঞ্জু

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি ও প্রাক্তন সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বাংলাদেশের সব নাগরিকের মধ্যে ধর্মবর্ণের ভেদাভেদ থাকলেও তারা সবাই সমান অধিকার, স্বাধীনতা ও সুরক্ষা ভোগ করছে। বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ, প্রতিটি গোষ্ঠী, গোত্র ও সম্প্রদায় উৎসাহের সঙ্গে তাদের ধর্ম পালন করছে। এই ধর্মীয় উৎসাহ ও সামাজিক মূল্যবোধ আমাদের দেশের সংস্কৃতির এক সুন্দর অনুষঙ্গ। একজন বাংলাদেশি হিসেবে এই সব ধর্ম, গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের ভাব প্রকাশ পাচ্ছে। শারদীয় দুর্গোৎসব এই শৈল্পিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে তোলে, প্রতিটি পরিবারে শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।

    তিনি রোববার সন্ধ্যায় নগরীর বিভিন্ন স্থান, যেমন বাগমারা সর্বজনীন শ্রীশ্রী গোবিন্দ মন্দির, তেঁতুলতলা মন্দির ও লবণচরা সর্বজনীন পূজামন্দির পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি পূজামন্দিরের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এই শুভ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মেহেদী হাসান দিপু, আনোয়ার হোসেন, মজিবর রহমান ফয়েজ, ইউসুফ হারুন মজনু, নজরুল আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শামীম আশরাফ, হুমায়ুন কবির ও অন্যান্য বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দ।

    অতিথিগণ তাদের বক্তব্যে ধর্মের পারিপার্শ্বিক সৌন্দর্য ও এর মাধ্যমে দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা তুলে ধরেন। তারা বলেন, এই উৎসবের মাধ্যমে আমাদের ভিন্ন ভিন্ন ধর্মের মানুষ একে অপরের কাছাকাছি আসছে, মিলেমিশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রাণবন্ত উদাহরণ তৈরি করছে। এর মাধ্যমে সৃষ্টিশীলতা ও ভ্রাতৃত্ব আরও সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এরকম সুন্দর অনুষ্ঠান ও উৎসবের মাধ্যমে বাংলাদেশে শান্তি ও ঐক্য আরো প্রকৃতিশালী হবে—এমন প্রত্যাশায় সবাই একত্র হয়।

  • কয়লাঘাট মন্দিরে নববস্ত্র বিতরণে এড. মনা

    কয়লাঘাট মন্দিরে নববস্ত্র বিতরণে এড. মনা

    খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, ধর্মের নামে যারা ব্যবসা করে সমাজকে বিভাজনের চেষ্টা করছে, তাদের বিরুদ্ধে এখন ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ হবে একটি বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত এবং অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে কেউ সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু বলে ভাবার কোনো স্থান নেই। দেশের সমৃদ্ধির জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। রোববার কয়লাঘাট পূজা মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রাক্কালে আয়োজিত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

    শফিকুল আলম মনা আরও বলেন, বিএনপি তারেক রহমানের নির্দেশনায় সব সময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাশে থেকে শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপন করে আসছে। তিনি উল্লেখ করেন, এই দেশের আমি এবং আপনারা—সবার জন্ম, সবাই সমান। বাংলাদেশের সকল নাগরিকের জন্য রয়েছে শান্তিপূর্ণ জীবনযাপন, উন্নত জীবন ও ব্যবসা-বাণিজ্য করার অধিকার। এখানে কাউকে সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু মানা হবে না।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম-আহ্বায়ক সৈয়দ রেহেনা ইসা, বদরুল আনাম খাঁন, ২২নং ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি এস.এম নুরুল আলম দীপু, সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম খান, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের খুলনা মহানগর সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত কুমার কুন্ডু, পূজা উদযাপন ফ্রন্টের মহানগর সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, কয়লাঘাট কালীবাড়ি মন্দিরের সভাপতি অভিজিৎ দাস লবি ও সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার দত্তসহ স্থানীয় বিএনপি ও পূজা উদ্যাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ। পরে, দুস্থ ও দুঃস্থদের মাঝে নতুন বস্ত্র বিতরণ করা হয়।

  • বিএনপি’র নেতা বললেন: ক্ষুদের খাল জনগণের জন্য পুনরুদ্ধার হবে

    বিএনপি’র নেতা বললেন: ক্ষুদের খাল জনগণের জন্য পুনরুদ্ধার হবে

    নগরীর দৌলতপুর আড়ংঘাটা এলাকায় ক্ষুদের খালের পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির উদ্বোধনকালে বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, লুটপাটের দিন শেষ। জনগণের জন্য ক্ষুদের খাল পুনরুদ্ধার করতে হবে। অতীতের সরকার খাল পুনঃখননের নামে тен্ডার দিয়ে কাজের নামে অর্থ লুট করেছে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কিছুই করেনি। এর ফলে, এই খালগুলো ভরাট হয়ে বর্ষাকালে গ্রামের জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়, নদী ও খালগুলোতে জল চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়। তিনি বলেন, যদি বিএনপি দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তাহলে ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ক্ষুদের খাল পুনঃখনন করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, যাতে জলজ পরিবেশ ফেরে আর গ্রামগুলো জলমগ্ন না হয়।

    বকুল আরও জানান, বর্তমানে খালের দুই পাশে বসবাসরত মানুষদের সুবিধার্থে কালভার্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, খালের পাশের সড়কও পুনঃনির্মাণ করা হবে। এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান, স্থানীয় সহায়তায়, জলাবদ্ধতা কমানো, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিবেশের সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি বিশ্বাস ব্যক্ত করেন। একসময় এই খালে নৌকা ও ট্রলার চলত, যা এখন অতীত, তবে জনগণের চাহিদা অনুযায়ী এই খালকে নতুন করে ব্যবহার উপযোগী করার পরিকল্পনা চলছে।

    এ সময় খানিক সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, দৌলতপুর থানা বিএনপি’র সভাপতি মুর্শিদ কামাল, সাধারণ সম্পাদক শেখ ইমাম হোসেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদল নেতারা।

  • খুলনায় ছিনতাইকারীর হাতে অপর ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় ছিনতাইকারীর হাতে অপর ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ

    খুলনায় রোববার গভীর রাতে এক ছিনতাইকারীর হাতে অপর এক ছিনতাইকারী গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। আহত ছিনতাইকারীর নাম মো. মুন্না, ওরফে কাটিং মুন্না, তিনি নগরীর লবণচরা থানাধীন চানমারি খ্রিষ্টানপাড়া এলাকার বাসিন্দা। মো. মুন্না শীর্ষ সন্ত্রাসী আশিক গ্রুপের একজন সক্রিয় সদস্য এবং টুটপাড়া, চানমারী ও লবণচরা এলাকার ছিনতাইকারী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে খুলনা নগরীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলাও রয়েছে।

    লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ হাওলাদার সানওয়ার হুসাইন মাসুম বলেন, সোমবার রাতে তিনি খুলনার হাজী মালেক কলেজ এলাকা থেকে ছিনতাইয়ের দায়িত্বে ছিলেন। স্থানীয় জনগণ তাকে ধাওয়া করে। জানা গেছে, মো. মুন্না আশিক গ্রুপের সঙ্গে যুক্ত এক শীর্ষ সন্ত্রাসী। রাত সাড়ে ১২টার দিকে অপর গ্রুপের সদস্যরা তাকে ধরে নেয় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে কয়েকটি গুলি চালায়। দুটি গুলি তার পায়ে বিদ্ধ হয়। পরে উদ্ধার করে হীরক-কালভার্ট ও মুক্তা মোড় থেকে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য খুলনা জেনারেল হাসপাতাল ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

  • পুঁজিবাজারে সবসময় মুনাফা আসবে, তা ভুল ধারণা: অর্থ উপদেষ্টা

    পুঁজিবাজারে সবসময় মুনাফা আসবে, তা ভুল ধারণা: অর্থ উপদেষ্টা

    অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, পুঁজিবাজার থেকে সবসময় লাভের আশা করা ভুল। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন, কেউ যদি মনে করে এই বাজারের মাধ্যমে নিয়মিত স্থায়ী আয় করা সম্ভব, তবে এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি ডেকে আনতে পারে। দেশের মূলধন বাজারে যেমন মুনাফার সুযোগ রয়েছে, তেমনি ক্ষতির সম্ভাবনাও লুকানো রয়েছে। তাই বিনিয়োগকারীদের সচেতন হতে হবে যে শেয়ার বা বন্ড কেনা মানে কখনো কখনো ক্ষতিও ভাগ করে নিতে হয়।

    সোমবার ২২ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের বন্ড ও সুকুক বাজার উন্মোচন: রাজস্ব ক্ষেত্র, অবকাঠামো সরবরাহ এবং ইসলামী মানি মার্কেট উন্নয়ন’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

    ড. আহমেদ আরও বলেন, বাংলাদেশের মূলধন বাজার এখনও যথাযথভাবে উন্নত হয়নি। সরকারি বন্ডের সেক্টর থাকলেও সেখানে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ খুবই কম, আর শেয়ারবাজার প্রায় ক্ষুদ্র। ফলে বড় প্রকল্পগুলোতে অর্থায়নের ক্ষেত্রে ঝুঁকি ভাগাভাগি না করে تنها ব্যাংকের উপর ভরসা করা হচ্ছে। এতে ঋণখেলাপি ও তহবিল অপব্যবহার বেড়ে যায়, যা দেশের জন্য বড় ট্রাজেডি। প্রকৃতপক্ষে ঝুঁকি কমানোর জন্য মানুষকে বন্ড, ডিবেঞ্চার ও শেয়ারে বিনিয়োগ করতে হবে। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া এবং তারপর তা ভুল খাতে ব্যাবহার করাও সমাধান নয়। তাই মূলধন বাজারে বেসরকারি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে এবং বিনিয়োগকারীদের বুঝতে হবে যে এখানে ঝুঁকি যেমন আছে, তেমনি লাভের সম্ভাবনাও রয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, সুকুক বাজারে বর্তমানে প্রায় ২৪ হাজার কোটি টাকার বন্ড রয়েছে, তবে সেগুলো শিক্ষা ও স্যানিটেশন খাতে বিনিয়োগ হওয়ায় আয়ের হার কম। যদি এই বন্ডগুলো উৎপাদনমুখী প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়, তবে লাভের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে এবং ব্যাংকের ওপর চাপ কমবে। সুকুক অবশ্যই প্রকৃত সম্পদভিত্তিক হতে হবে, যেন বিনিয়োগকারীরা আস্থা রাখতে পারেন।

    অর্থ উপদেষ্টা উল্লেখ করেছেন, বাংলাদেশে এখনো সিকিউরিটাইজেশন (অর্থ সংরক্ষণ ও একীকরণ) কার্যকরভাবে কাজে লাগেনি। অথচ যদি মেট্রোরেলসহ আরও বড় বড় প্রকল্পে এই প্রক্রিয়া প্রয়োগ করা হয়, তবে বিশ্বব্যাংকের ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে। এছাড়া পেনশন ফান্ড ও গ্র্যাচুইটি ফান্ডের ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে, কারণ এগুলো সরকার কর্তৃক দায়বদ্ধতা।

    তিনি বলেন, শুধু মূলধন ও সুকুক বাজারের উন্নয়নই নয়, বীমা খাতের উন্নয়নেও নজরদারি জরুরি। পাশাপাশি কর কাঠামো ও প্রণোদনা সংস্কার করে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে হবে।

    সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ে নিয়োজিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. আনিসুজ্জামান চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদ প্রমুখ।

  • গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের বন্ড ও সঞ্চয়পত্রের আলাদা বাজার নির্মাণের পরামর্শ

    গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের বন্ড ও সঞ্চয়পত্রের আলাদা বাজার নির্মাণের পরামর্শ

    বাংলাদেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং আরও উন্নত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন, সঞ্চয়পত্র এবং বেসরকারি বন্ডের জন্য পৃথক দ্বিতীয় বাজার বা সেকেন্ডারি মার্কেট তৈরি করতে হবে। তিনি মনে করেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই ধরনের বাজার দ্রুত প্রতিষ্ঠা সম্ভব, যা দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করবে।

    আজ সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর), রাজধানীর উত্তরায় আয়োজিত এক সেমিনারে গভর্নর এসব কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, বর্তমানে সঞ্চয়পত্র কিছুটা হলেও বাজারের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে, কিন্তু এটিকে সম্পূর্ণভাবে ট্রেডযোগ্য করে তোলার প্রয়োজন। এর ফলে গ্রাহকরা উপকৃত হবেন এবং একটি শক্তিশালী সেকেন্ডারি মার্কেট গড়ে উঠবে, যা বাজারে তারল্য বাড়াবে। একইভাবে, বেসরকারি বন্ডগুলোও লেনদেনযোগ্য করার পরামর্শ দেন তিনি। তার মতে, যদি একটি সঠিক কাঠামো তৈরি হয়, তবে রাতারাতি বন্ড মার্কেট দ্বিগুণ হতে পারে, যা দেশের আর্থিক খাতের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক।

    আহসান এইচ মনসুর দীর্ঘমেয়াদি তহবিলের উৎস হিসেবে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি তহবিলের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, সরকারি পেনশন ব্যবস্থা, করপোরেট পেনশন ফান্ড, প্রভিডেন্ট ফান্ড এবং বেনেভোলেন্ট ফান্ড—এসবকে দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে। এই উদ্যোগের সফলতা নিশ্চিত করতে একটি কার্যকর পেনশন নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ গঠন করার কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যা তহবিল ব্যবস্থাপনার মান উন্নত করবে।

    সেমিনারে দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো তুলনা করে তিনি দেখিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী অর্থনীতি মূলত বন্ড নির্ভর। তার মতে, প্রায় ১৩০ ট্রিলিয়ন ডলার মূল্যমানের বন্ড ইস্যু হয়েছে, যা বৈশ্বিক জিডিপির প্রায় ১৩০ শতাংশ। যেখানে বাংলাদেশের অর্থব্যবস্থার প্রধান ভিত্তি ব্যাংকিং, সেখানে অন্য আন্তর্জাতিক বাজারগুলো বেশি নির্ভরশীল বন্ডে। তিনি জানান, বাংলাদেশের স্টক মার্কেটের পরিমাণ প্রায় ৯০ ট্রিলিয়ন ডলার এবং মানি মার্কেট বা নগদ অর্থের বাজারের আকার ৬০ ট্রিলিয়ন ডলার, যা দেশের আর্থিক ব্যবস্থার বিপরীত চিত্র দেখায়। এর পাশাপাশি, দেশের বিমা খাতের জিডিপিতে অবদান অতি নগণ্য, মাত্র ০.৪ শতাংশ।

    গভর্নর আরও বলেন, বাংলাদেশেও যেমন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো, চাহিদা ও সরবরাহের ভিত্তিতে একটি সুসংগঠিত বন্ড মার্কেট গড়ে তুলতে হবে। বর্তমানে সরকারি বন্ড বাজারের আধিপত্য থাকলেও, করপোরেট বন্ডের বাজার খুবই ক্ষীণ। এর পেছনে তিনি ব্যাংক ঋণে বেশি reliant হওয়া এবং ঋণ পরিশোধে অসুবিধা বা রাজনৈতিক প্রভাবের মতো কারণগুলোকে দায়ী করেন।

    সুকুক বা ইসলামি বন্ডের বাজারকেও তিনি ছোট উল্লেখ করে বলেন, এখন পর্যন্ত মাত্র ছয়টি সুকুক ইস্যু হয়েছে, যার মোট মূল্য ২৪ হাজার কোটি টাকা। তিনি দ্রুত এই বাজার বাড়ানোর ওপর জোর দেন। তার প্রস্তাব, ইয়ামুনা বা পদ্মা সেতুর মতো আয়-উৎপাদনকারী প্রকল্পের টোল বা রেভিনিউকে ‘সিকিউরিটাইজ’ করে নতুন বিনিয়োগের জন্য অর্থ সংগ্রহের বিকল্প খোলা। এর জন্য একটি বিশেষ কার্যকরী বিভাগ অর্থ মন্ত্রণালয়ে গঠনের প্রস্তাবও দেন তিনি।

    শেষে, আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে বন্ড মার্কেটের উন্নয়ন নিয়ে একটি গবেষণা প্রতিবেদন তৈরি করেছে। শিগগিরই এই প্রতিবেদনে সুপারিশসহ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে, যেখানে প্রচলিত ও সুকুক ধরনের বন্ডের উন্নয়নের দিকনির্দেশনা থাকবে।