Author: bangladiganta

  • সামনের নির্বাচন সহজ হবে না: তারেক রহমান

    সামনের নির্বাচন সহজ হবে না: তারেক রহমান

    জনগণের কাছে থাকার ও জনগণকে কাছে রাখার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, দিন যত যাচ্ছে, তত বোঝা যাচ্ছে- সামনের নির্বাচন এতো সহজ হবে না। নির্বাচন অনেক কঠিন হবে। আমার কাছে মনে হচ্ছে, সামনের যে নির্বাচন আমরা মোকাবিলা করতে যাচ্ছি, হতে পারে আমাদের একটি প্রতিপক্ষ অনেক দুর্বল হয়ে গেছে, তারপরেও এ নির্বাচন দেশের যে কোনো নির্বাচনের চেয়ে অনেক কঠিন হবে।

    সোমবার (২ ডিসেম্বর) বিকালে খুলনা প্রেসক্লাবের ব্যাংক কুয়েট হলে রাষ্ট্র মেরামতে বিএনপির ৩১ দফাবিষয়ক খুলনা বিভাগীয় কর্মশালায় ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় এবং খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

    তারেক রহমান বলেন, ২০ বছর আগে যখন মানুষ কম-বেশি নির্ভয়ে ভোট দিতে পারত, যখন ২০০১ সালের নির্বাচন ধরেন, সেই সময় থেকে মানুষের চিন্তা-ধারার পরিবর্তন হয়েছে। মানুষের ধ্যার-ধারণার পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ এখন অনেক অনেক সচেতন।

    সংস্কারের বিষয়ে তিনি বলেন, গত কিছুদিন সমাজের কিছু ব্যক্তি সংস্কারের কথা বলছে। গত ৫ মাস আগেও তারা বলেনি। কিন্তু বিএনপি ২ বছর আগে থেকে সংস্কারের কথা বলছে। বিএনপি দেশ ও দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে। ৩১ দফা তারই প্রমাণ। তারা গত ৩-৪ মাস সংস্কারের যে কথা বলছে, তার সবকিছুই ৩১ দফার মধ্যে রয়েছে। এই ৩১ দফা শুধু বিএনপির তাই নয়, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সকল দলের।

    জনগণের প্রতি আস্থা বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ৩১ দফা সফল করতে যে কোনো মূল্যে জনগণের সমর্থন ধরে রাখতে হবে। দলের পক্ষে পরিকল্পনা নিতে হবে। কিভাবে জনগণকে পাশে রাখবেন। সব কিছুর লক্ষ্য হচ্ছে, জনগণের সমর্থন আমাদের পক্ষে আনার। একইসঙ্গে আমাদের পরিকল্পনা যাতে আমরা বাস্তবায়ন করতে পারি। ৩১ দফার সকল কিছু জনগণের মাঝে নিয়ে যেতে হবে। জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে হবে।

    তিনি বলেন, গত ১৭ বছর স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আপনারা সংগ্রাম করে যেভাবে টিকে ছিলেন, তার থেকে সহজ হবে- এই কাজটা জনগণের ঘরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য। এতো কঠিন পথ যদি আপনারা পাড়ি দিয়ে আসতে সক্ষম হন, তাহলে একটু কষ্ট করলেই ৩১ দফা আমরা জনগণের মাঝে নিয়ে যেতে পারি। এই কাজ আপনারা খুব সহজের সকলকে সঙ্গে নিয়ে করতে সক্ষম হবেন।

    তারেক রহমান বলেন, রাষ্ট্রের সম্পদ দেশের প্রান্তিক মানুষের জন্য। বিশেষ কোনো ব্যক্তির জন্য নয়। দেশের সম্পদ কিভাবে কাজে লাগানো যায় সেটি আমরা চেষ্টা করবো।

    খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক আনিদ্য ইসলাম অমিতদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল, বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল, বিএনপির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শামীমুর রহমান শামীম, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কেন্দ্রীয় খুলনা বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, বিএনপির সহ ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক এডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী, বিএনপির মিডিয়ার সেলের আহবায়ক ড. মওদুদ আলমগীর পাভেল প্রমুখ।

  • চূড়ান্ত ভোটার তালিকাসহ যেসব সিদ্ধান্ত হলো ইসির প্রথম সভায়

    চূড়ান্ত ভোটার তালিকাসহ যেসব সিদ্ধান্ত হলো ইসির প্রথম সভায়

    আগামী ২ মার্চ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। 

    সোমবার (২ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নতুন নির্বাচন কমিশনের প্রথম কমিশন সভা শেষে ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

    এদিন প্রথমবারের মতো বৈঠকে বসে নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বেলা ১১টায় ঢাকার আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এম এম নাসির উদ্দীনের সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হয়।

    নির্বাচন কমিশনার ব্রিগ্রেডিয়ার জেনালের (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেছেন, নির্ভুল ভোটার তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে আগামী মার্চে তালিকা প্রকাশের পর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার হালনাগাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। তালিকায় ১৭ লাখ নতুন ভোটার যুক্ত হবে বলেও জানান তিনি।

    চার নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার, আবদুর রহমানেল মাসুদ, তহমিদা আহমদ ও আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

    এর আগে সার্চ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে সাবেক সচিব এ এম এম নাসির উদ্দীনকে নিয়োগ দেয় সরকার। তার সঙ্গে আরও চারজনকে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।

    সভায় ভোটার তালিকা হালনাগাদ কর্মসূচি, জাতীয় সংসদের সীমানা নির্ধারণ বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

    বৈঠক শেষে ইসির অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, জানুয়ারির ২ তারিখে আইন অনুযায়ী প্রতিবছর ভোটার তালিকা হালনাগাদের খসড়া প্রস্তুত করে প্রকাশ করা হয়। এ খসড়া তালিকা প্রকাশ করার পর কেউ যদি মনে করে সে খসড়া তালিকা মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয়নি, তখন তার আবেদনের প্রেক্ষিতে ভোটার হওয়ার যোগ্য হলে ভোটার হিসাবে গণ্য করা হয়।

    এ কাজ শেষ করতে হয় মার্চের দুই তারিখের মধ্যে বা তার আগে। কারণ দুই তারিখে এ সংশোধনী বা আমাদের ডাটাবেজে আগের যে তথ্য থাকে তার আলোকে তারা (যাদের প্রতি বছর ১ জানুয়ারিতে ১৮ বছর পূর্ণ হয়) ওই বছরেই ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়। এ কাজটা আমাদের সামনে করতে হবে। এ বিষয়ে কমিশনের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। এর বাইরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের জন্য কি কি প্রস্তুতি প্রয়োজন সে প্রস্তুতি সম্পর্কে আমরা কমিশনকে অবহিত করেছি।

    ভোটার তালিকা হালনাগাদ করতে ইসি সচিবালয়ের কি প্রস্তুতি আছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কমিশন যদি আমাদের বলে তাহলে আমাদের সেটা করতে হবে। তবে, আমাদের প্রস্তুতির কথা যদি বলেন তাহলে ঠিক এ মূহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে না যে প্রস্তুতি আছে কি না। কমিশন যেভাবে চাইবে সেভাবে আমাদের শেষ করতে হবে এবং সে প্রস্তুতি আমাদের গ্রহণ করতে হবে। বাড়িবাড়ি গিয়ে হালনাগাদ করতে হয় তাহলে আমাদের কি করতে হবে এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।

    উল্লেখ্য, গত ২১ নভেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের আদেশক্রমে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে নির্বাচন কমিশনকে নিয়োগ দেওয়া হয়। আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য নির্বাচন এ কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে আনুষ্ঠানিক এ সভার মধ্য দিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের কর্মযজ্ঞও শুরু হলো।

  • নির্বাচনের আগে সংস্কার করতে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. ইউনূস

    নির্বাচনের আগে সংস্কার করতে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ: ড. ইউনূস

    অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জানিয়েছেন, জুলাই বিপ্লবের মূল কথা ছিল সংস্কার। নির্বাচনের আগে তার সরকার সংস্কার করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

    সোমবার (২ ডিসেম্বর) দুপুরে ঢাকার তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকসের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে অধ্যাপক ইউনূস এ মন্তব্য করেন।

    সুইডিশ বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, আমরা বাংলাদেশে আরও সুইডিশ বিনিয়োগকে উৎসাহিত করি। অন্তর্বর্তী সরকার দেশে ব্যবসার পরিবেশ সহজতর করতে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার করছে।

    তিনি বলেন, তার সরকার দুর্নীতি দমন করেছে, রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলে বিনিয়োগ সহজ করেছে এবং শ্রম আইনের বিষয়ে আইএলও কনভেনশন অনুমোদনের জন্য অগ্রসর হয়েছে৷

    প্রধান উপদেষ্টা বলেন, দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে, যদিও সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছ থেকে উচ্চ প্রত্যাশাসহ কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।

    অধ্যাপক ইউনূস বলেন, নির্বাচন আয়োজনের আগে তার সরকার সংস্কার কার্যক্রম সম্পন্ন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তিনি বলেন, বিপ্লবের মূলমন্ত্রই ছিল ‘সংস্কার’।

    প্রধান উপদেষ্টা আরো বলেন, দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল হয়েছে, তবে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে, বিশেষ করে সমাজের বিভিন্ন গোষ্ঠীর উচ্চ প্রত্যাশা পূরণের ক্ষেত্রে। ‘দাবিদাওয়া মেটানো একটি বড় কাজ। আমরা চেষ্টা করছি, তবে খুব সতর্কও রয়েছি,’ তিনি বলেন।

    সুইডেনের রাষ্ট্রদূত বলেন, তার সরকার ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে সমর্থন করে এবং পুলিশ, বিচার বিভাগ, নির্বাচন কমিশন এবং বেসামরিক প্রশাসনের সংস্কারের পদক্ষেপকে সমর্থন করে।

    বৈঠকে তারা জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের দিক, সরকারের সংস্কার উদ্যোগ, বাংলাদেশে সুইডিশ বিনিয়োগ এবং গণঅভ্যুত্থানে নারীর ভূমিকা নিয়েও আলোচনা করেন।

    বৈঠকে এসডিজি বিষয়ক সিনিয়র সচিব ও মুখ্য সমন্বয়ক লামিয়া মোরশেদ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক শাহনাজ গাজী উপস্থিত ছিলেন।

  • টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    টাইগারদের বোলিং তোপে ধুঁকছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    জ্যামাইকা টেস্টে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। জবাবে ১ উইকেট হারিয়ে ৭০ রান সংগ্রহ করে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে ঝলক দেখিয়েছে বাংলাদেশের বোলাররা। ৪ উইকেট তুলে নিয়ে নিয়েছে নাহিদ রানা- তাসকিন আহমেদরা।

    ক্রেইগ ব্রাফেট ৩৩ ও কাসি কার্টি ১৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে খেলতে নামেন। দিনের শুরুতেই ব্রাফেটকে আউট করেন নাহিদ রানা। দলীয় ৮৫ রানে ১২৯ বলে ৩৯ রান করে ফিরে যান ব্রাফেট।

    এরপর ৯৪ থেকে ১১৪ রানের মধ্যে আরো ৪ উইকেট তুলে নিয়ে ক্যারিবিয়ানদের বিপর্যয়ে ফেলে দেন টাইগার বোলাররা। কাভেম হজ ৩, অলিক আথানেজ ২, জাস্টিন গ্রেভস ২ ও জশুয়া ডি সিলভা ৫ রান করে সাজঘরে ফিরে যান। ৫৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১১৭ রান সংগ্রহ করেছে ক্যারিবিয়ানরা।

  • স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তাদের লেজ রেখে গেছে: তারেক রহমান

    স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তাদের লেজ রেখে গেছে: তারেক রহমান

    পতিত স্বৈরাচারের সময়ে যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করেছে, তারা ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘আপনাদের সজাগ ও সতর্ক থাকতে হবে। স্বৈরাচার পালিয়ে গেলেও তাদের লেজ রেখে গেছে এবং তারা ষড়যন্ত্র করছে। তারা কিন্তু বসে নেই।’

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) সিলেট নগরের পূর্ব শাহী ঈদগাহ এলাকার সিলেট জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণবিষয়ক কমিটি আয়োজিত ‘রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ও জনসম্পৃক্তি প্রশিক্ষণ কর্মশালা’য় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান এ কথা বলেন। দিনভর চলা এ সম্মেলনে তিনি বিকেল চারটার দিকে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হন।

    তারেক রহমান বলেন, আমরা গণতন্ত্রের পক্ষের শক্তি। দেশের মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। মানুষ মনে করে, বিএনপির কাছে গণতন্ত্র ও বাকস্বাধীনতা নিরাপদ। এ জন্য মানুষ বিএনপির দিকে তাকিয়ে আছে। জনগণের এই আস্থাকে ধরে রাখার দায়িত্ব আপনাদের।

    যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অব্যাহত রাখবেন জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতাকে বজায় রাখলে জবাবদিহিতা তৈরি হবে। এ জন্য যেকোনো মূল্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অব্যাহত রাখব। আমাদের গণতন্ত্রের পক্ষে থাকতে হবে, গণতন্ত্রকে চালু রাখতে হবে। যেখানে যেটাই নির্বাচন হোক, সেটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াতে হতে হবে।

    তারেক রহমান বলেন, আজকে দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপি। দল কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে দেশ ও দেশের গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আসুন, আমরা মানুষের প্রত্যাশা অনুযায়ী নিজেদের গড়ে তোলার চেষ্টা করি। পলাতক স্বৈরাচারের অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করে যারা টিকে আছে, তারা আগামীতেও টিকে থাকবে বলে আমি মনে করি।

    বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউসের সভাপতিত্বে ও প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক এ বি এম মোশাররফ হোসেনের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বক্তব্য দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দিন চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাহউদ্দিনসহ অনেকে।

    দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য এম নাসের রহমান ও সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরীসহ কয়েকজন নেতার ৩১ দফা কর্মসূচির ওপর করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারেক রহমান।

    বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করা সকল দলের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা ঘোষণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করে তারেক রহমান বলেন, ‘এটির (৩১ দফা) মধ্যে রাষ্ট্রকাঠামোর অধিকাংশই আছে। আরও যত প্রস্তাব আসবে, তা যুক্তিসংগত হলে যুক্ত করা হবে। আজকে বিভাগ পর্যায়ে ৩১ দফা নিয়ে আলোচনার পর জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে সাধারণ মানুষের কাছে তা নিয়ে যেতে হবে। বইয়ে অনেক কিছু সুন্দরভাবে লেখা থাকে। কিন্তু তা বাস্তবায়ন করতে হয় মানুষকে। তাই ভালো নিয়ত থাকলে আমরা ভালো কিছু করতে পারব।’

    তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র চলার পথে বিভিন্নভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। বিগত ১৬ বছরে বহু মানুষ গুম ও খুনের শিকার হয়েছেন। জুলাই-আগস্টে দেড় হাজারেরও বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারলে এই প্রস্তাব (৩১ দফা) বাস্তবায়ন সম্ভব।

    সকাল নয়টায় কর্মশালা শুরু হয়ে চলে বেলা সোয়া পাঁচটা পর্যন্ত। এতে সিলেট বিভাগের সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলা এবং সিলেট মহানগরের বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকেরা অংশ নেন।

  • আইনজীবী আলিফ হত্যায় প্রধান উপদেষ্টার নিন্দা

    আইনজীবী আলিফ হত্যায় প্রধান উপদেষ্টার নিন্দা

    চট্টগ্রামে আইনজীবী হত্যার নিন্দা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি এ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে।

    এতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টা জনগণকে শান্ত থাকার এবং অপ্রীতিকর কার্যকলাপে অংশ নেওয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে চট্টগ্রামসহ আশেপাশের সব ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করার নির্দেশ দেন।।

    অন্তর্বর্তী সরকার যেকোনও মূল্যে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করতে ও সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে প্রেস উইয়ের বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

  • ভারতের ভিত্তিহীন বিবৃতিতে ঘটনার ভুল উপস্থাপন হয়েছে: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

    ভারতের ভিত্তিহীন বিবৃতিতে ঘটনার ভুল উপস্থাপন হয়েছে: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

    রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতন জাগরণ জোটের মুখপাত্র ও সাবেক ইসকন নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার ও কারাগারে পাঠানো নিয়ে দিল্লি যে বিবৃতি দিয়েছে তার জবাব দিয়েছে ঢাকা।  

    মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের ওই বিবৃতি ভিত্তিহীন এবং সেখানে মূল বিষয়টির ভুল উপস্থাপন হয়েছে।

    বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ একটি বিষয়ে মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) গণমাধ্যমে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা একটি বিবৃতিতে বাংলাদেশ সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। অত্যন্ত হতাশা ও গভীরভাবে ব্যথিত হয়ে বাংলাদেশ সরকার উল্লেখ করেছে যে, চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে নির্দিষ্ট অভিযোগে গ্রেপ্তার করার পর থেকে কোনো কোনো মহল ভুল ধারণা দিয়েছে। বাংলাদেশ সরকার বলেছে যে, এই ধরনের ভিত্তিহীন বিবৃতি শুধু সত্যের ভুল উপস্থাপনই নয়, বরং দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও বোঝাপড়ার চেতনার পরিপন্থী।

    ‘বিবৃতিটি সব ধর্মের জনগণের মধ্যে বিদ্যমান সম্প্রীতি, এই বিষয়ে সরকার-জনগণের প্রতিশ্রুতি ও প্রচেষ্টাকেও প্রতিফলিত করে না। ’

    পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকার জনগণের বিরুদ্ধে স্থূল মানবাধিকার লঙ্ঘনের অপরাধীদের দায়মুক্তির সংস্কৃতি চূড়ান্তভাবে শেষ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ, একইভাবে ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠ এবং সংখ্যালঘুদের সঙ্গে সমান আচরণ করে, যা এই বিবৃতিতে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষিত।

    বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করে যে, প্রত্যেক বাংলাদেশির তার ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, বজায় রাখা বা পালন করার বা বাধা ছাড়াই মতামত প্রকাশ করার অধিকার রয়েছে। সব নাগরিকের, বিশেষ করে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশ সরকারের একটি দায়িত্ব। গত মাসে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে দুর্গাপূজা পালনের মাধ্যমে এটি আবারও প্রমাণিত হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার আবারও বলতে চায় যে, দেশের বিচার বিভাগ সম্পূর্ণ স্বাধীন। সরকার বিচার বিভাগের কোনো কাজে হস্তক্ষেপ করে না। প্রশ্নাধীন বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।

    বাংলাদেশ সরকার দেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ উল্লেখ করে বলা হয়, মঙ্গলবার বিকেলে চট্টগ্রামে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে বাংলাদেশ সরকার গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। যে কোনো মূল্যে ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য কর্তৃপক্ষ বন্দর নগরীতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে।

    এর আগে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেপ্তার ও জামিন নাকচের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেয় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরই পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিবৃতি দিয়ে বিষয়টির ব্যাখ্যা করা হয়।

  • দ্রুত গতিতে ইউক্রেনে অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী

    দ্রুত গতিতে ইউক্রেনে অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী

    ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে রুশ বাহিনী দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে। গত এক মাসে তারা বড় ধরনের এলাকা দখল করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরুর পর এটি রাশিয়ার ইউক্রেনের দিকে সবচেয়ে দ্রুত অগ্রগতি। খবর রয়টার্সের।

    ওপেন সোর্স মানচিত্র অনুযায়ী, রাশিয়া এখন ইউক্রেনের ১৮% এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে। এর মধ্যে পুরো ক্রিমিয়া, ডনবাসের ৮০% (লুহানস্ক ও দোনেৎস্ক), এবং জাপোরিজঝিয়া ও খেরসনের ৭০% অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া খারকিভের ৩% এলাকাও রয়েছে তাদের নিয়ন্ত্রণে।

    রুশ বাহিনী গত এক সপ্তাহে ২৩৫ বর্গকিলোমিটার দখল করেছে। নভেম্বরে তারা নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ৬০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা। এজেন্টস্টভো এক প্রতিবেদনে বলেছে, রাশিয়া দখলকৃত এলাকার জন্য সাপ্তাহিক ও মাসিক নতুন রেকর্ড গড়ছে।

    রাশিয়া জুলাই থেকে পূর্ব ইউক্রেনে অগ্রসর হতে থাকে। একই সময়ে ইউক্রেন পশ্চিমাঞ্চলীয় কুরস্কের একটি ছোট অংশ দখল করে। এরপর রাশিয়ার অগ্রগতি দ্রুত বাড়তে থাকে।

    দোনেৎস্ক অঞ্চলে রুশ বাহিনী পোকরোভস্ক শহরের দিকে অগ্রসর হয়েছে। তারা কুরাখোভ শহরেও প্রবেশ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, রাশিয়া ধীরে ধীরে এলাকাগুলো ঘেরাও করছে। এরপর আর্টিলারি ও গ্লাইড বোমা দিয়ে আক্রমণ চালাচ্ছে।

    ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাশিয়ার দখলকৃত সব এলাকা ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত শান্তি সম্ভব নয়। তবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী সৈন্য ও সরঞ্জাম সরবরাহে চাপের মুখে রয়েছে।

    পশ্চিমা বিশেষজ্ঞরা ধারণা করছেন, যুদ্ধ আরও দীর্ঘ হতে পারে। দুই পক্ষেরই ক্ষয়ক্ষতির সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে এই সংঘাতে লাখ লাখ মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান উপদেষ্টা মাহফুজের

    সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান উপদেষ্টা মাহফুজের

    সরকার দ্রুতই রাষ্ট্রদ্রোহী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে উল্লেখ করেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

    একই সঙ্গে তিনি নিরীহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেন মাহফুজ আলম।

    ফেসবুক পোস্টে মাহফুজ আলম লিখেছেন, গণ-অভ্যুত্থান ও বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে শান্ত থাকুন। নিরীহ সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। সরকার দ্রুতই রাষ্ট্রদ্রোহী ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।

  • দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই: তারেক রহমান

    দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশী চক্রান্ত থেমে নেই: তারেক রহমান

    দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশি চক্রান্ত থেমে নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

    বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, পতিত আওয়ামী সরকারের বিগত ১৬ বছরের দুর্বিষহ শাসনামলে মানুষের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে গণতন্ত্রকে সমাধিস্থ করা হয়েছিল। দেশের মানুষ তাদের সকল অধিকার হারিয়ে ফেলেছিল। জনগণের কাছ থেকে দেশের মালিকানা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। ৫ই আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে বিজয়ের মাধ্যমে আমরা নতুনভাবে স্বাধীনতা পেলেও এখনও আমাদের দেশমাতৃকার বিরুদ্ধে দেশী-বিদেশি চক্রান্ত থেমে নেই। তবে আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকলে ষড়যন্ত্রকারীরা কখনোই সফল হবে না। শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ সবসময় আমাদেরকে প্রেরণা জোগাবে।

    তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে নির্ভীক শহীদ ডা. মিলনের আত্মদানে হারানো গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবিত হয়। তার আত্মদানের মধ্য দিয়ে ৯ বছরের স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রাম চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে ধাবিত হয়। স্বৈরাচারকে উৎখাত করে জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা ছিল তার দৃঢ় অঙ্গীকার। বুকের রক্তের বিনিময়ে তিনি গণতন্ত্রকে বিজয়ী করেছিলেন। যে পথ বেয়ে দেশে স্বৈরাচারের পতন ঘটে এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশে গণতন্ত্রের নবযাত্রা শুরু হয়।

    তারেক রহমান বলেন, শহীদ ডা. মিলন দিবস উপলক্ষে আমি ৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের এক অকুতোভয় সৈনিক শহীদ ডা. শামসুল আলম মিলনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।

    অপর এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, শহীদ ডা. শামসুল আলম খান মিলন ‘৮০’র দশকে স্বৈরাচার বিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটি অবিস্মরণীয় নাম। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে ডা. মিলনের আত্মদান স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন চলাকালে ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর তৎকালীন সরকারের লেলিয়ে দেয়া পেটোয়া বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন তিনি। তার শাহাদৎ বার্ষিকীতে আমি তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।

    তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী সরকারের বিগত ১৬ বছরের ভয়াবহ দুঃশাসনে গণতন্ত্রসহ মানুষের ভোট, বাক-ব্যক্তি স্বাধীনতা কেড়ে নেয়া হয়েছিল। মানুষের জানমালের নিরাপত্তা বলতে কিছুই ছিল না। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলোর নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন-নিপীড়নের মাত্রা ছিল বর্ণনাতীত। ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে দেশের মানুষ স্বৈরাচারমুক্ত হলেও ষড়যন্ত্রকারীরা এখনও ঘাপটি মেরে বসে আছে, তারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। কিন্তু দেশের জনগণ এখন ঐক্যবদ্ধ, তাই যন্ত্রকারীরা কখনোই সফলকাম হতে পারবে না। শহীদ ডা. মিলনের আত্মত্যাগ সবসময় আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবে।