Author: bangladiganta

  • খুবি শিক্ষার্থীদের সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল অবরোধ

    খুবি শিক্ষার্থীদের সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল অবরোধ

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীদের মারধর ও শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল মোড় অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে তারা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান নেন। এক পর্যায়ে তারা বাস মালিক ও শ্রমিকদের ধাওয়া দেন। এ সময় খুবির ছাত্র আশিক, সিয়াম, জিসান আহমেদ, অরূপ বসু, হৃদয় ও শাহরিয়ার পারভেজ সাদ আহত হন। এছাড়া দুইজন শিক্ষককেও লাঞ্ছিত করা হয়।

    পরে ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান নেয়। রাত সোয়া ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান করছিল। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিপুল সংখ্যক সেনা, নৌ ও পুলিশ সদস্য কাজ করছিল।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সময়ন্বয়ক মো. মুহিবুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, বুধবার বিকালে গোপালগঞ্জ থেকে রাজীব পরিবহনের বাসে করে খুবির এক শিক্ষার্থী খুলনায় আসছিল। ভাড়া নিয়ে কথা কাটাকাটির জেরে ঐ শিক্ষার্থীকে লাঞ্ছিত করে বাস শ্রমিকরা। বিষয়টি ঐ শিক্ষার্থী অন্যদের জানালে তারা সন্ধ্যা সাড়ে ৫টা থেকে সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনালের সামনে অবস্থান নেয়। সেখানে কথা কাটাকাটির জের ধরে পরিবহন শ্রমিকরা আবারো অন্য শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় খুবির ছাত্র আশিক, সিয়াম, জিসান আহমেদ, অরুপ বসু, হৃদয় ও শাহরিয়ার পারভেজ সাদ আহত হন। দুজন শিক্ষককেও লাঞ্ছিত করা হয়। এ সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় যান। এক পর্যায়ে তারা শ্রমিকদের ধাওয়া দেন। দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রাত ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় ছাত্ররা অবস্থান করছিল।

    সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম রাত ৮টায় বলেন, পরিস্থিতি এখন ঠান্ডা রয়েছে। তবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা সোনাডাঙ্গা বাস টার্মিনাল এলাকায় ছাত্ররা অবস্থান করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী, নৌ বাহিনী, বিজিবি ও পুলিশ  সদস্যরা কাজ করছে।

  • সিলেট সীমান্ত–সংলগ্ন ভারত অংশ থেকে আনা হলো বাংলাদেশির মরদেহ

    সিলেট সীমান্ত–সংলগ্ন ভারত অংশ থেকে আনা হলো বাংলাদেশির মরদেহ

    সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সংলগ্ন ভারত সীমান্তের অভ্যন্তরে পড়ে থাকা এক বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ৭টার দিকে উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ।

    তিনি জানান, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো  হবে। নিহত ব্যক্তির নাম আশরাফ উদ্দিন (৬৫)। তিনি কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর পূর্ব ইউনিয়নের দয়ার বাজার ভাটরাই গ্রামের বাসিন্দা।

    বুধবার সীমান্তঘেঁষা ভারতের সীমানায় লাশটি পড়ে থাকতে দেখে বাংলাদেশের স্থানীয় বাসিন্দারা সকাল ৯টার দিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বিজিবি ও পুলিশকে জানায়।

    নিহত ব্যক্তির পরিবারের বরাত দিয়ে কোম্পানীগঞ্জের ইসলামপুর পূর্ব ইউনিয়ন পরিষদের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. আনিছুর রহমান বলেন, আশরাফ উদ্দিন কাঠ সংগ্রহ করে বাজারে বিক্রি করতেন। মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ভারত সীমান্ত এলাকায় তিনি কাঠ সংগ্রহ করতে যান। রাতে আর বাড়ি ফেরেননি।

    তিনি জানান, বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা সীমান্তের ভারতীয় অংশে এক ব্যক্তির লাশ পড়ে থাকতে দেখে খবর দিলে তিনি গিয়ে লাশটি দেখতে পান। ধারণা করা হচ্ছে, গুলিতে আশরাফ উদ্দিন মারা গেছেন।

    এদিকে ভারত সীমান্তের অভ্যন্তরে বাংলাদেশির লাশ পড়ে থাকার বিষয়টি বিজিবিকে জানানো হলে বিজিবি, পুলিশ, বিএসএফ এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নিলে  লাশ সীমান্তের ওপার থেকে লাশ নিয়ে আশা হয়। ।

    কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি উজায়ের আল মাহমুদ জানান, ভারত সীমান্তের ১২০ গজ অভ্যন্তরে লাশটি পড়ে থাকার পর। লাশটি উদ্ধারের জন্য বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী—বিএসএফকে জানায়। পরে বিএসএফ লাশটি বাংলাদেশের বিজিবিকে হস্তান্তর করে। এরপর বিজিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। তার বুকে রক্তের দাগ ও আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

  • নারায়ণগঞ্জে চলতি বছর নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৩৮৪টি

    নারায়ণগঞ্জে চলতি বছর নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে ৩৮৪টি

    নারায়ণগঞ্জে নারীর প্রতি সহিংসতার ঘটনা বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে জেলায়। চলতি বছর জেলায় নারীর প্রতি সহিংসতার ৩৮৪ ঘটনার মধ্যে ১০২টি ধর্ষণের ঘটনা উল্লেখ করে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটি।

    বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুরে শহরের মিশনপাড়া এলাকায় অবস্থিত সংগঠনটির জেলা কার্যালয়ে আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষ ও বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তারা।

    বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ জেলা সভাপতি রীনা আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রহিমা খাতুনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন সাবেক সভাপতি আঞ্জুমান আরা আকসির, সহ-সভাপতি প্রীতি কণা দাস, কৃষ্ণা ঘোষ, লিগ্যাল এইড সম্পাদক জেসমিন আজিজ আলো, সহ-সাধারণ সম্পাদক শোভা সাহা, প্রোগ্রাম এক্সিকিউটিভ সুজাতা আফরোজ প্রমুখ।

    সংবাদ সম্মেলনে চলতি বছরে নারী ও শিশুদের উপর হওয়া অপরাধের চিত্র তুলে ধরা হয়। তাদের দেয়া তথ্যমতে, চলতি বছরের নভেম্বর পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ জেলায় নারী ও শিশু নির্যাতনের ৩৮৬টি ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ১০২টি ধর্ষণ, ১৬টি শিশু বলাৎকার, ৩১টি হত্যা, ২৭টি আত্মহত্যা, ২৬টি যৌতুকের জন্য নির্যাতন, ৪১টি যৌন হয়রানী, ১৫টি শ্লীলতাহানি, ২৭টি অপহরণ, ৪৯টি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, ১১টি সাইবার ক্রাইম এবং ৪৯টি উত্ত্যক্তকরণের ঘটনা রয়েছে।

    গত বছর জেলায় ৩৮৪টি এবং ২০২২ সালে ৩০৭টি নারী ও শিশু নির্যাতন ঘটনা ঘটেছে।

    রীনা আহমেদ বলেন, নারীর প্রতি সহিংসতা এখন আর তৃণমূলে আটকে নেই। শহরাঞ্চলেও অহরহ এসব ঘটছে। বিশেষ করে ধর্ষণ ও পর্নগ্রাফির ঘটনাগুলো লক্ষণীয়। তথ্যপ্রযুক্তি পৃথিবীকে হাতের মুঠোয় এনেছে একই সঙ্গে অনেককে বিপথগামীও করেছে। যার ফলে এসব বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে আমরা মনে করছি।

  • সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে ফিরছে আটকা পড়া পর্যটকরা

    সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক থেকে ফিরছে আটকা পড়া পর্যটকরা

    রাঙমাটির বাঘাইছড়ির পর্যটন কেন্দ্র সাজেক ভ্যালিতে আটকা পড়া পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছে। বুধবার (৪ ডিসেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সাজেক থেকে সেনাবাহিনীর সহায়তায় খাগড়াছড়ির উদ্দ্যেশে তারা ফিরতে শুরু করে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) সারাদিন বাঘাইছড়ির সাজেকে আঞ্চলিক দলের মধ্যে গোলাগুলি হয়। এতে করে সাজেক খাগড়াছড়ি সড়কে যান চলাচল না করায় পর্যটকরা গতকাল বিকেল থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত সাজেকে অবস্থান করেন।

    সাজেক কটেজ মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, যারা গতকাল বিকেলে আটকা পড়েছিলো এবং আজ সকালে যাদের চলে যাবার কথা ছিলো তারা দুপুর ২টার পর সেনাবাহিনীর সহায়তায় সাজেক ছেড়ে গেছে। তিনি আরও জানান, ২ দিনের জন্য যারা এসেছে তাদের মধ্যে কিছু পর্যটক এখনো সাজেকে আছেন।

    বাঘাইছড়ি উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা শিরিন আক্তার জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় দুপুর ২টার দিকে ৪৪০ জন পর্যটকরা সাজেক থেকে খাগড়াছড়ির দিকে রওনা দিয়েছে।

    প্রসঙ্গত, এলাকা নিয়ন্ত্রণে গত কয়েকদিন ধরে সাজেক ও মাচালং এলাকায় সন্তু লারমা জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপ ইপিডিএফ দুই অঞ্চলিক দল দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনার ঘটে। তবে এখনো হতাহতর কোন খবর পাওয়া যায়নি।

  • সাজেকে আটকা পড়েছেন ৫ শতাধিক পর্যটক

    সাজেকে আটকা পড়েছেন ৫ শতাধিক পর্যটক

    পার্বত্য শান্তি চুক্তির অনুষ্ঠানে আসা-না আসা নিয়ে আঞ্চলিক দুটি গ্রুপের মাঝে দফায় দফায় বন্দুক যুদ্ধে আবারও অস্থির হয়ে উঠেছে রাঙ্গামাটির সাজেক। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দফায় দফায় বন্দুকযুদ্ধে সাজেকে আটকা পড়েছেন পাঁচ শতাধিক পর্যটকরা।

    এদিকে পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) একদিনের জন্য সাজেক ভ্রমণে নিরুসাহিত করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) রাতে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জোবায়দা আক্তার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিতে গত কয়েকদিন ধরে সাজেক ও মাচালং এলাকায় সন্তু লারমা জেএসএস ও প্রসীত গ্রুপ ইপিডিএফ দুই অঞ্চলিক দল দফায় দফায় গোলাগুলির ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে।

    সাজেকে আটকা পড়া পরিবহন চালকরা বলেন, সকালে খাগড়াছড়ি থেকে ২৭টি গাড়ি ৪ শতাধিক নিয়ে পর্যটক সাজেকে গিয়েছে। দুই আঞ্চলিক দলের মধ্যে গত কয়েকদিন ধরে গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে গোলাগুলি বেড়ে যাওয়ায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কোনো পর্যটকবাহী গাড়ি সাজেক থেকে খাগড়াছড়ি আসেনি।

    সাজেক রিসোর্ট মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিজয় ত্রিপুরা জানান, সাজেক ও মাচালং সড়কের ৭নং ওয়ার্ডের শীপপাড়া নামক এলাকায় এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। ওই এলাকা পর্যটনকেন্দ্র থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। গোলাগুলির কারণে কোনো গাড়ি সাজেক ছেড়ে যায়নি। রাতে প্রায় ৫ শতাধিক পর্যটক সাজেকে অবস্থান করেছেন।

    রাঙ্গামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, গোলাগুলির ঘটনায় পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বুধবার একদিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করা করা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরে এই ব্যাপারে পুণরায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। যারা আছেন তাদের পরিস্থিতি বিবেচনা করে নিরাপদে আজ ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা  করা হচ্ছে।

  • ভারতে বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা সংবাদ, নেত্রকোনায় বিক্ষোভ

    ভারতে বাংলাদেশ নিয়ে মিথ্যা সংবাদ, নেত্রকোনায় বিক্ষোভ

    ভারতের বাংলাদেশের আগরতলাস্থ উপহাইকমিশনে হামলা ও বাংলাদেশের পতাকা অবমাননার প্রতিবাদে ও ভারতীয় গণমাধ্যমে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের মিথ্যা সংবাদ প্রচার বন্ধের দাবিতে নেত্রকোনায় বিক্ষোভ সমাবেশ হয়েছে।

    বাংলাদেশ খেলাফত যুব আন্দোলন নেত্রকোনা জেলা শাখার উদ্যোগে বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে শহরের বড়বাজার মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের সামনের সড়কে এই বিক্ষোভ সমাবেশ হয়।

    বিক্ষোভ সমাবেশে পৌর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঝন্টু সাহা বলেন, নেত্রকোনায় এখন পর্যন্ত সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেনি। সম্প্রতি এই জেলা নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।

    বক্তব্য রাখেন, হেফাজত নেতা মাওলানা আব্দুল বারী, খেলাফত যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী আব্দুর রহিম, মাওলানা দেলোয়ার হোসেন সিদ্দিকী, হাফেজ আনোয়ার হোসেন, মাওলানা আমিরুল ইসলাম, নেত্রকোনা পৌর পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ঝণ্টু সাহাসহ অন্যরা।

  • সাজেক ভ্রমণে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সতর্কতা

    সাজেক ভ্রমণে রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের সতর্কতা

    পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ির সাজেক ও পাশ্ববর্তী এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সাজেক ভ্যালিতে ৪ ডিসেম্বর (বুধবার) পর্যটক ভ্রমণে নিরুত্সাহিত করেছে জেলা প্রশাসন।

    মঙ্গলবার (০৩ ডিসেম্বর) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান রাঙ্গামাটির অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জোবাইদা আক্তার।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেক ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকার আইন শৃঙ্খলার সার্বিক পরিস্থিতি এবং এসকল এলাকার পর্যটকদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে আজ বুধবার (৪ ডিসেম্বর) সাজেক পর্যটন কেন্দ্রে পর্যটকদের ভ্রমণে নিরুত্সাহিত করা হলো।

    রাঙামাটির জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান বলেন, সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় পর্যটকদের সাজেক ভ্রমণে এই নিরুৎসাহ প্রদান করা হয়েছে।

    এই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ২৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রথম দফায় তিন দিন সাজেকে পর্যটক ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেছিল জেলা প্রশাসন। পরবর্তীতে সেই নিরুৎসাহিতকরণ আরও দুই দফা বৃদ্ধি করা হয়।

  • ভারতে বাংলাদেশি মিশনগুলো টার্গেট করেছে উগ্রবাদীরা

    ভারতে বাংলাদেশি মিশনগুলো টার্গেট করেছে উগ্রবাদীরা

    ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশি মিশনগুলো টার্গেট করছে সেখানকার হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু লোক। বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে– এ ধরনের একটি অপপ্রচারের ওপর ভিত্তি করে সম্প্রতি মুম্বাইতে বাংলাদেশ মিশনে একটি পিটিশন দিয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু লোক। এরপর গত সপ্তাহে কলকাতায় পিটিশন দেওয়ার সময়ে বাংলাদেশ মিশনের সীমানা প্রাচীরের কাছে পৌঁছে যায় হিন্দু লোকজন। এরপরের ঘটনা ঘটেছে সোমবার (২ ডিসেম্বর) ত্রিপুরার আগরতলায়। সেখানে কিছু উগ্রবাদী কিছু লোক পিটিশন দেওয়ার সময়ে বাংলাদেশ মিশনের ভেতরে ঢুকে পড়ে। তারা দূতাবাসের কিছু ক্ষতি করেছে বলে জানা গেছে। গোটা বিষয়টিকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা বলে মনে করেন সাবেক কূটনীতিকরা। তাদের মতে, এর ফলে ভারতের স্বার্থরক্ষা হচ্ছে কিনা সেটি দেখা দরকার।

    এ বিষয়ে সাবেক একজন কূটনীতিক বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে ভারতীয় প্রশাসনের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের বিষয়টি কোনও গোপন বিষয় নয়। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের রসায়ন ভিন্ন হয়ে গেছে। ভারতের সরকার, মিডিয়া, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশবিরোধী নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে।’

    এর কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘এটি ভারতীয়দের ইগোর কারণে হতে পারে। শেখ হাসিনার সরকারকে সর্বত্র সহায়তা দেওয়ার পরও ক্ষমতায় রাখা সম্ভব হয়নি– এটি হয়তো তাদের মনঃকষ্টের কারণ হতে পারে। আরেকটি বিষয় হচ্ছে, ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি। সেখানে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালানো হলে ভারতীয় রাজনীতিতে কিছু সুবিধা পাওয়া যায়।’

    আরেকজন কূটনীতিক বলেন, ‘বাংলাদেশ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যয়ের মন্তব্যটি করা হয়েছে অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে মাথায় রেখে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে— বাংলাদেশের হিন্দুদের পক্ষে কথা বলে তিনি পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুদের মন জয় করতে চাইছেন। এটি হিসাব-নিকাশ করেই বলা হয়েছে।’

    ত্রিপুরায় বাংলাদেশ মিশনের ক্ষতি

    বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতন হচ্ছে– এ অভিযোগ তুলে একটি পিটিশন দাখিলের জন্য সোমবার (২ ডিসেম্বর) ত্রিপুরায় বাংলাদেশ মিশনে যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু উগ্রবাদী লোক। উত্তেজিত এই লোকেরা ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং মিশনের ক্ষতি করে। পুলিশ ব্যবস্থা নেওয়ার আগেই তারা ক্ষতি করে বসে।

    এ বিষয়ে দিল্লি থেকে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের প্রাঙ্গণ ভাঙার ঘটনাটি গভীরভাবে দুঃখজনক। কূটনৈতিক এবং কনস্যুলার সম্পত্তি কোনও অবস্থাতেই লক্ষ্যবস্তু করা উচিত নয়। নয়াদিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশন এবং সে দেশে বাংলাদেশের অন্যান্য ডেপুটি বা সহকারী হাইকমিশনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য ভারত সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে।’

    অন্যান্য মিশনে হামলার আশঙ্কা

    দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাস ছাড়াও ত্রিপুরা, আসাম, মুম্বাই ও চেন্নাইতে বাংলাদেশের উপ ও সহকারী হাইকমিশন রয়েছে। পাঁচটি মিশনের মধ্যে তিনটি ইতোমধ্যে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।

    এ বিষয়ে আরেকজন সাবেক কূটনীতিক বলেন, ‘চেন্নাইতে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনে পিটিশন দাখিলের সম্ভাবনা কম। এর কারণ দক্ষিণে বিজেপি বা হিন্দুত্ববাদের প্রভাব কম। দীর্ঘদিন পরে এবারের লোকসভা নির্বাচনে তারা গোটা দক্ষিণে একটি আসনে জয়লাভ করেছে।’

    দিল্লিতে বাংলাদেশ দূতাবাস লক্ষ্যবস্তু হতে পারে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটি বলা মুশকিল। উগ্রবাদীরা কী করবে, এটি তারাই ভালো জানে।’

    লাভ-ক্ষতি

    রাষ্ট্রব্যবস্থা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের বর্তমান নীতি তাদের জাতীয় স্বার্থ কতটুকু রক্ষা করছে– এটি নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

    এ বিষয়ে সাবেক একজন কূটনীতিক বলেন, ‘ভারতে রাজনীতিবিদ, উগ্রবাদী হিন্দু ও মিডিয়া ব্যবহার করে বাংলাদেশবিরোধী প্রচারণা চালানোর মাধ্যমে ভারতের কী লাভ হচ্ছে সেটি পরিষ্কার নয়।’

    তিনি বলেন, ‘এর ফলে দুপক্ষেরই ক্ষতি হচ্ছে। অপপ্রচার চলতে থাকলে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভালো হওয়ার কোনও সম্ভাবনা থাকে না। ভারতীয়রা যত তাড়াতাড়ি এটি বুঝবে– আঞ্চলিক শান্তির জন্য সেটি ভালো হবে।’

  • মমতার বক্তব্য রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সঠিক পদক্ষেপ নয়

    মমতার বক্তব্য রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সঠিক পদক্ষেপ নয়

    পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সঠিক পদক্ষেপ নয় বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

    সোমবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিয়ে মমতা বাংলাদেশে শান্তিসেনা পাঠানোর জন্য ভারত সরকারকে জাতিসংঘের সঙ্গে কথা বলার আর্জি জানান। সোমবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অবস্থান নিয়ে বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফ করেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।

    এসময় তৌহিদ হোসেন আরও বলেন, উনি এই বক্তব্য কেন দিলেন এটা আমি বুঝতে পারছি না। রাজনীতিবিদরা তো সবসময় রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বক্তব্য দিয়ে থাকেন। আমি মনে করি, এটা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির জন্য সহায়ক হবে না। এটা অবশ্য আমার মত। সংবাদ সম্মেলনে যোগ দেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মান, জাপান, চীন, কানাডা, সৌদি আরব, ইরান, সিঙ্গাপুর পাকিস্তানসহ একাধিক রাষ্ট্রের প্রতিনিধি। সঙ্গে ছিলেন বাংলাদেশে কর্মরত আন্তর্জাতিক সংস্থা ও জাতিসংঘের প্রতিনিধিও।

    এসময় পররাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, বাংলাদেশি হিন্দুদের সম্পর্কে একটি ভুল ধারণা তৈরি করেছে ভারতীয় গণমাধ্যমের একাংশ। সেটি কূটনীতিকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশের সংখ্যালঘু পরিস্থিতি নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানত ভারতীয় মিডিয়ায় অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এর বাইরেও অনেক মিডিয়া ভারতীয় মিডিয়াকে উপজীব্য করে অপতথ্য ছড়াচ্ছে। তবে আমরা বলতে চাই, সব সরকারের আমলেই বছরে দুই-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। সরকারের কাজ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা। আমরা সেটি করেছি। এরপরও দেশ ও দেশের বাইরে এ নিয়ে মিথ্যা তথ্য ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

    সরকারের অবস্থান তুলে ধরে তিনি বলেন, আমরা বার্তা দিতে চাই, বর্তমান সরকার সাম্প্রদায়িক কোনো অপতৎপরতা বরদাশত করবে না। আমরা হিন্দু-মুসলিম কোনো ভেদ করতে চাই না। কোনো বিশৃঙ্খলা দেখা গেলে আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

  • বাংলাদেশে জাতিসংঘের শান্তিসেনা পাঠানোর প্রস্তাব মমতার

    বাংলাদেশে জাতিসংঘের শান্তিসেনা পাঠানোর প্রস্তাব মমতার

    বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি সেখানকার পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাতিসংঘের শান্তিসেনা পাঠানোর প্রস্তাব করেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার দুপুরে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিয়ে মমতা বাংলাদেশে শান্তিসেনা পাঠানোর জন্য ভারত সরকারকে জাতিসংঘের সঙ্গে কথা বলার আর্জি জানান তিনি।

    মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রস্তাব-জাতিসংঘের কাছে বাংলাদেশে শান্তিসেনা পাঠানোর আর্জি জানাক। আরও একবার দল ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে ভারত সরকারের অবস্থানের সঙ্গে আমরা সহমত পোষণ করি।

    একইসঙ্গে বাংলাদেশ নিয়ে ভারতের সংসদে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কিংবা পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বিবৃতি দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নিয়ে সংসদে বিবৃতি দিন প্রধানমন্ত্রী। যদি তার কোনও অসুবিধা থাকে, তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিবৃতি দিন। বাংলাদেশ নিয়ে ভারত সরকার চুপ করে রয়েছে বলেও অভিযোগ করেন মমতা।

    বাংলাদেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে আরও একবার দল ও সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করে মমতা জানান, এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার এখতিয়ার রাজ্য সরকারের নেই। তাই তারা কেন্দ্রের পরামর্শ মেনে চলবেন।

    বাংলাদেশে ভারতীয়রা আক্রান্ত হলে তার সরকার সহ্য করবে না বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, যদি বাংলাদেশে ভারতীয়রা আক্রান্ত হন, তবে আমরা তা সহ্য করব না। এই প্রসঙ্গেই তিনি বলেন, আমাদের পরিবার, সম্পত্তি ও প্রিয় মানুষেরা বাংলাদেশে রয়েছেন। ভারত সরকার বাংলাদেশ নিয়ে যে অবস্থান নেবে, আমরা তা গ্রহণ করব। কিন্তু বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ধর্মীয় কারণে কেউ অত্যাচারিত হলে আমরা তার নিন্দা জানাই। আমরা এই বিষয়ে ভারত সরকার এবং প্রধানমন্ত্রীকে হস্তক্ষেপ করার আর্জি জানাচ্ছি।

    বাংলাদেশ নিয়ে কেন্দ্র চুপ করে রয়েছে মর্মে অভিযোগ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বিজেপিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমি গত ১০ দিন ধরে দেখছি কেন্দ্রীয় সরকার চুপ করে রয়েছে। অথচ তাদের দল বলছে সব আটকে দেব। কিন্তু এই বিষয়ে আমাদের কোনও এখতিয়ার নেই।

    ওয়াকফ বিল নিয়ে বিধানসভায় আলোচনার পর যে লিখিত প্রস্তাব কেন্দ্রের কাছে যাবে, তার সঙ্গে শান্তিসেনা সংক্রান্ত প্রস্তাবও থাকবে বলে জানান মমতা।

    এদিকে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর ‘নির্যাতন’ ও ‘সন্ন্যাসীদের গ্রেপ্তারের’ প্রতিবাদে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ কর্মসূচি চলছে। বিজেপির সমর্থনে সীমান্তে অবরোধ কর্মসূচি চলছে। দিল্লিতেও বিশ্ব হিন্দু পরিষদের নেতৃত্বে  চলছে প্রতিবাদ বিক্ষোভ।