Author: bangladiganta

  • মেসি ও রোনালদো কখনোই অবসর নেওয়া উচিত নয়

    মেসি ও রোনালদো কখনোই অবসর নেওয়া উচিত নয়

    স্পেন জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন লিওনেল মেসি এবং ক্রিষ্টিয়ানো রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে। তাঁর মতে, এই দুই মহাতারকা ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপেও পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন, তাই তাঁদের কখনোই অবসর নেওয়া উচিত নয়।

    প্রায় দুই দশক ধরে বিশ্ব ফুটবল দৈত্য দুজন, মেসি ও রোনালদো, খেলা শাসন করে আসছেন। তারা ট্রফি, ব্যক্তিগত পুরস্কার ও রেকর্ডের মধ্যে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। ক্যারিয়ারের শেষের পথে থাকলেও, ফুটবল প্রেমীরা এখনও আশা করছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে তাঁদের একসঙ্গে শেষবারের মতো খেলার দেখা যাবে।

    রোনালদো ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি এই বিশ্বকাপে খেলবেন। তবে মেসি এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। এই বিষয় নিয়ে স্পেনের দৈনিক এএস-কে এক সাক্ষাৎকারে লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “মেসি কখনোই অবসর নেওয়া উচিত নয়, ঠিক যেমন রোনালদো। তাঁরা দুজনই অসাধারণ উদাহরণ। ফাইনালিসিমা বা বিশ্বকাপে মেসির ফর্ম যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের ফলাফল বদলে দিতে পারে। তাঁর ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রকাশ করি।”

    বিশ্বকাপের আগে স্পেন ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ফাইনালে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ, কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে। উল্লেখ্য, ২০২২ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা, যা ছিল মেসির প্রথম বিশ্বকাপ জয়। অন্যদিকে, রোনালদো’র পর্তুগাল এখনো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়নি।

    আবার ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি রোমারিওকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে, সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার টনি ক্রুস ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্ভাব্য ফেভারিট দল হিসেবে স্পেন, পর্তুগাল ও ফ্রান্সের নাম উচ্চারণ করেছেন। তিনিকে মনে হচ্ছে মরক্কোও একটি ডার্ক হর্স হতে পারে। তবে আশ্চর্যের ব্যাপার, মেসির আর্জেন্টিনা তালিকায় যায়নি।

    অন্যদিকে, জার্মান এই মিডফিল্ডার ক্রুস, যিনি রিয়াল মাদ্রিদে ১৭০ ম্যাচে খেলেছেন এবং অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন, বলেন, “মেসির দল এখনও অনেক প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছে। তবে আমি মনে করি, ২০২৬ বিশ্বকাপে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নরা হলো স্পেন, পর্তুগাল এবং ফ্রান্স। তবে মরক্কোকে আমি ডার্ক হর্স হিসেবে বিবেচনা করি। মেসির বিরুদ্ধে ২২ ম্যাচ খেলে আমি ৯ বার জয়, ১০টি হার ও ৩টিতে ড্র করেছি।”

  • আইপিএলে মুস্তাফিজের খেলা নিয়ে বিতর্ক, ভারতের বয়কটের দাবির শঙ্কা

    আইপিএলে মুস্তাফিজের খেলা নিয়ে বিতর্ক, ভারতের বয়কটের দাবির শঙ্কা

    ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) এখন ভারতের অন্যতম প্রিয় ক্রিকেট উৎসব। এই আসরে এবার একমাত্র বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে খেলবেন মুস্তাফিজুর রহমান, যিনি কলকাতা নাইট রাইডার্সের জন্য ৯ কোটি ২০ লাখ রুপির বিনিময়ে দলে যোগ দিয়েছেন। আগামী মার্চে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে এই টুর্নামেন্ট, এবং দলের অংশ হিসেবে মুস্তাফিজের সম্ভাব্য খেলা নিয়ে কিছু উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

    সম্প্রতি ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের চলমান কূটনৈতিক সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে উজ্জয়িনীর ধর্মীয় নেতারা মুস্তাফিজের আইপিএল খেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা 위험ের আশঙ্কা ব্যক্ত করে বলেছেন যে, যদি বাংলাদেশি ক্রিকেটার মাঠে নামেন, তাহলে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হয়ে উঠতে পারে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু ব্যক্তি কলকাতাকে বয়কটের আহ্বানও জানিয়েছেন।

    উজ্জয়িনীর রিনমুক্তেশ্বর মহাদেব মন্দিরের প্রধান উপাসক মহাবীর নাথ বলেছেন, বাংলাদেশি ক্রিকেটারকে মাঠে খেলতে দেওয়া হলে কঠোর পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে কলকাতাকে। নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বাংলাদেশি খেলোয়াড়কে মাঠে ঢোকার অনুমতি দিলে, তপস্বী যোদ্ধারা ভাঙচুর চালানোর আশঙ্কা রয়েছে। ’

    তবে ভারতের ক্রিকেট নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিসিসিআই জানিয়েছে, কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রভাব ক্রিকেটের খেলায় পড়বে না। এক মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা বিষয়টি সচেতন এবং সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। এখনও কোনও নির্দেশনা আসেনি कि বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের খেলানো বন্ধ করা হবে। বাংলাদেশ আমাদের শত্রু দেশ নয়, তাই মুস্তাফিজ অবশ্যই আইপিএলে খেলবেন।’ এই রকম পরিস্থিতিতে অনেকেরই আশঙ্কা, ক্রিকেট মাঠে রাজনৈতিক বা ধর্মীয় উসকানি যেন ঢুকে না পড়ে, সতর্ক থাকতে হবে সকল পক্ষকে।

  • শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিং সত্ত্বেও সিলেটের কাছে হারল ঢাকা

    শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিং সত্ত্বেও সিলেটের কাছে হারল ঢাকা

    বিপিএল শুরুতেই দারুণ এক জয় দিয়ে প্রত্যাশা জাগিয়েছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালস। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তারা হোঁচট খায় সিলেট টাইটান্সের বিরুদ্ধে। ম্যাচের অন্যতম কীর্তি ছিলেন সিলেটের অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই, যিনি ব্যাট ও বল উভয় ক্ষেত্রেই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আর ঢাকা অধিনায়ক শামীম হোসেন পাটোয়ারি শেষ পর্যন্ত তাঁর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দর্শকদের তাক লাগিয়ে দেন। আসরের মাঠ ছিল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, যেখানে টস জয় করে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ঢাকা দলে দুটি পরিবর্তন হয়—তাসকিন আহমেদ ও জুবাইদ আকবরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, পক্ষ বদলে সিলেট দলে সুযোগ পান আফগান অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেটের শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি। রনি তালুকদার ৭ বলে ১১ রান করে ফিরে যান, অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও ব্যর্থ হন। ৭ বলে ৬ রান করে আউট হলে দল ২২ রানে দুই উইকেট হারায়। এরপর পরিস্থিতি সামাল দেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইম আইয়ুব। ইমন দুর্দান্ত আগ্রাসী ব্যাটে দ্রুত রান তুললেও, সাইম একটু ধীরস্থির ছিলেন। পাকিস্তানি ওপেনার সাইম ৩৪ বলে ২৯ রান করেন। ইমন ৪৪ রানে অল্পের জন্য ফিফটি মিস করেন, তার ব্যাট থেকে আসে ৩২ বলে ৪৪ রান, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। আফিফ হোসেন ধ্রুব ১৩ রান করে ফিরে গেলে আবার চাপ বাড়ে সিলেটের ওপর। তবে শেষদিকে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া সিলেটের জন্য সব বদলে দেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তিনি ইংলিশ তরুণ ইথান ব্রুকসের সঙ্গে मिलकर ইনিংসের গতি বাড়ান। ১৫ রানে জীবন পেয়ে ওমরজাই একের পর এক বেঁচে যান, এরপর ঢাকার বোলারদের ওপর চড়া হয়। বিশেষ করে সালমান মির্জার বলে কয়েকটি ক্যাচ মিস হয়, যা সিলেটের জন্য স্বস্তির ব্যাপার। ইনিংসের শেষ বলে চার হাঁকিয়ে মাত্র ২৪ বলে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন ওমরজাই, যা আসরের দ্রুততম ফিফটি। নির্ধারিত ২০ ওভারে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৭৩ রান। তাসকিন আহমেদ এই ম্যাচে ৪ ওভারে ৪৬ রান খরচ করেন। লক্ষ্য সেটির জন্য ঢাকার শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা দেয়। উসমান খান ১৫ বল মাঠে থাকতেই ২১ রান করেন, কিন্তু সাইফউদ্দিন, আকবরি, মিঠুন ও নাসির হোসেনের ব্যর্থতায় দ্রুতই ম্যাচ ঢাকার হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। ষষ্ঠ উইকেটের জন্য শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও সাব্বির রহমান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। সাব্বির ১৯ বলে ২৩ রান করেন, এক চার ও দুটি ছক্কায়। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও জয় অসম্ভব হয়ে পড়ে। শামীমের ব্যাট থেকে আসে ৪৩ বলে অপরাজিত ৮১ রান, যা শতকের খুব কাছাকাছি। শেষ ওভারে ঢাকার জিততে প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। শুরুতে চমক দেখানো আমির শেষ ওভারে ২০ রান দেন, তবে মোকাবিলা সহজ হয়নি। অবশেষে হার দিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা ক্যাপিটালস, আর জেতেন অ্যালরাউন্ড পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সিলেট টাইটান্স।

  • খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাজনাথ সিং

    খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন রাজনাথ সিং

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে তিনি ভারতের রাজধানী दिल्लीস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশনে উপস্থিত হন। চাণক্যপুরী এলাকার হাইকমিশন প্রাঙ্গণে গিয়ে তিনি নিজের শোকবাণী সংরক্ষিত শোকপুস্তিকায় লিখে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের খবর অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়েই রাজনাথ সিং হাইকমিশনে পৌঁছান এবং সেখানে তিনি প্রয়াত নেত্রীর প্রতি সম্মান জানিয়ে তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শোকবার্তায় তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খালেদা জিয়ার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন এবং তার মৃত্যুর কারণে দেখা দৃষ্টিপাত করেন। এ সময় হাইকমিশনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন, যারা এই শোকবাণীর অংশ ছিলেন।

  • দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক জোরদার করতে খালেদা জিয়ার অবদান চিরস্মরণীয়

    দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক জোরদার করতে খালেদা জিয়ার অবদান চিরস্মরণীয়

    ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশের হাইকমিশনে গিয়ে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক ও শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনে পৌঁছান। সেখানে গিয়ে খালেদা জিয়ার জন্য রাখা শোক বইয়ে নিজের মন্তব্য ও স্বাক্ষর করেন এবং তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানানো হয়।

    রাজনাথ সিং বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক জোরদারে খালেদা জিয়ার যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে, তা চিরস্থায়ীভাবে স্মরণীয় থাকবে। তিনি লেখেন, খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। তার এই অসামান্য অবদান সব সময় বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের অঙ্গীকার থাকবে।

    এর আগে, বাংলাদেশের মিশনে পৌঁছানোর পর দিল্লির হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ তাকে স্বাগত জানান। রবিবারই রাজনাথ সিং দ্বিতীয়বার বাংলাদেশের হাইকমিশনে যান, এর আগে তিনি ২০২১ সালের ২২ নভেম্বর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সে বছর, দিবসের পরদিন এই অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন।

    খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবর পেয়ে বুধবার ঢাকায় ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সেখানে पहुंचे। তিনি তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে শোকপ্রকাশ করেন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শোকবার্তা তারেক রহমানের কাছে হস্তান্তর করেন। এই শোকবার্তায় জয়শঙ্কর বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের গুরুত্ব ও আরও সুসম্পর্কের জন্য শুভকামনা প্রকাশ করেন।

  • ভারতের আতঙ্কে মুসলিম বৃদ্ধের মৃত্যু

    ভারতের আতঙ্কে মুসলিম বৃদ্ধের মৃত্যু

    ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ‘এসআইআর আতঙ্কে’ আরও এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, যা উদ্বেগ ও দুঃখের জন্ম দিয়েছে। এই নৃশংস ঘটনার বিবরণ জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগরে এই ঘটনা ঘটে। ৬০ বছরের বৃদ্ধ সুলতান সর্দার এই ঘটনায় শোচনীয় মৃত্যুর শিকার হন। তিনি ভোটার তালিকায় নাম না থাকলেও, সম্প্রতি স্বরূপনগর নির্বাচন অফিসের নির্দেশে তাকে শুনানির জন্য ডাকা হয়। শুনানির জন্য যাওয়ার চার দিন পর, শান্তিপূর্ণ জীবনটি হঠাৎই বিপর্যস্ত হয়ে যায়। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়, সুলতান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরিবার জানিয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরে তিনি এলাকার বাসিন্দা ছিলেন, তবে তার পরিচয়পত্র ও অন্যান্য নথিতে কিছু সমস্যা থাকায় তিনি পরিচিত ছিলেন না। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তার নাম ছিল না, তবে পরিবারের অন্যান্য সদস্যের নাম ছিল। কয়েক দিন আগে, ২৭ ডিসেম্বর, সুলতান স্বরূপনগর নির্বাচন অফিসে শুনানির জন্য গিয়েছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, তার নথিপত্রে গরমিল রয়েছে। এই খবর শুনে তিনি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন এবং মানসিক চাপ বাড়তে থাকায় তার শরীর দুর্বল হয়ে যায়। দেলোয়ারা বিবি, তাঁর স্ত্রী, জানিয়েছেন, স্বামী ২০০২ সালে পরিযায়ী শ্রমিক হিসেবে অন্য রাজ্যে গিয়েছিলেন। সেই সময় তার পিতামাতা ও তার নাম ছিল ভোটার তালিকায়, কিন্তু নিজের নামটি ছিল না। শুনানির একদিন পরে, মানসিক চাপ এবং আতঙ্কে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তার ছেলে ওসমান বলেন, ‘এসআইআর আতঙ্কে আমার বাবার মৃত্যু হয়েছে। এই ব্যবস্থাটিকে অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। না হলে আমাদের বাঁচার উপায় থাকছে না।’ এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সব মহলের নজরড় হয়েছে, সাধারণ মানুষ ও পরিবারজনের মধ্যে গভীর চঞ্চলতা তৈরি হয়েছে। তারা এই আতঙ্ক কাটিয়ে ওঠার জন্য দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

  • ইসরায়েল থেকে পালিয়েছে ৭০ হাজার ইহুদি

    ইসরায়েল থেকে পালিয়েছে ৭০ হাজার ইহুদি

    ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সঙ্গে সম্প্রতি শুরু হওয়া সংঘর্ষের কারণে ইসরায়েলি জনগণের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। দেশটির কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (সিবিএস) জানিয়েছে, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ৬৯ হাজারের বেশি ইসরায়েলি দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে টাইমস অব ইসরায়েল প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

    বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) প্রকাশিত এই গবেষণায় বলা হয়েছে, গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে চলছে চলমান যুদ্ধের ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও ভীতির সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে দেশের অভিবাসন প্রবণতা বাড়ছে এবং দ্বিতীয় বছরের মতোই এই বছরেও ইসরায়েল থেকে লোকজনের চলে যাওয়ার হার বেড়েছে।

    সিবিএসের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যা ১.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে রেকর্ড ১ কোটি ১ লাখ ৭৮ হাজারে পৌঁছেছে। যদিও এই প্রবৃদ্ধি গত বছরের মতোই স্থির ছিল, তবে দেশটির ইতিহাসে এটি বেশ ধীর গতির বর্ষের অন্যতম। তবে টাউব সেন্টার ফর সোশ্যাল পলিসি স্টাডিজের এক গবেষণায় পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, ২০২৫ সালে জনসংখ্যার হার ০.৯ শতাংশে নেমে আসতে পারে— যা হবে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ১ শতাংশের নিচে।

    সিবিএসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৫ সালে প্রায় ২৪ হাজার ৬০০ অভিবাসী নতুন করে ইসরায়েলে এসেছেন, যা গত বছর থেকে ৮ হাজার কম। এই কমতির প্রধান কারণ ছিল রাশিয়া থেকে আসা অভিবাসীদের সংখ্যা হঠাৎ করে কমে যাওয়া। রাশিয়া থেকে ইসরায়েলে অভিবাসনের সংখ্যা ২০২২ সালে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার যুদ্ধের পর বেশ বেড়ে গিয়েছিল।

    অনেকে মনে করছেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিবর্তন এই প্রবণতাকে প্রভাবিত করছে। এর মধ্যে রয়েছে ৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে হামাসের নেতৃত্বে ইসরায়েলে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের পর গাজায় শুরু হওয়া যুদ্ধ এবং সরকারের বিচারব্যবস্থা সংস্কার পরিকল্পনা নিয়ে হতাশা—যা সমালোচকদের মতে দেশের গণতন্ত্রকেও দুর্বল করে দিচ্ছে।

    অন্যদিকে, দীর্ঘসময় বিদেশে বসবাসের পরে প্রায় ১৯ হাজার ইসরায়েলি দেশে ফিরে এসেছেন এবং আরও ৫,৫০০ জন পারিবারিক পুনর্মিলনের জন্য দেশটিতে প্রবেশ করেছেন। ২০২৪ সালে দেশের বাইরে থেকে চলে গিয়ে ফিরে আসা ব্যক্তির সংখ্যা ছিল ৮২,৭০০, যা আগত মানুষের সংখ্যার থেকে প্রায় ৫০ হাজার কম।

    জনসংখ্যাবিদরা বলেছেন, ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে বেশিরভাগ সময়েই নতুন আগত ইহুদিদের সংখ্যার চেয়ে দেশের বাইরে চলে যাওয়া মানুষের সংখ্যা বেশি ছিল। তবে ১৯৫০ এবং ৮০ এর দশকের কিছু সময় এই প্রবণতা ব্যতিক্রম ছিল।

    সিবিএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ৭৬.৩ শতাংশ বা ৭৭ লাখ ৭১ হাজার মানুষ ইহুদি ও অন্যান্য ধর্মের, আরব জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ২১ লাখ ৪৭ হাজার বা মোটের ২১.১ শতাংশ। এছাড়াও প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষ বা ২.৬ শতাংশ বিদেশি হিসেবে বসবাস করেন।

  • সুইজারল্যান্ডে নববর্ষের রাতে বারেক আগুনে ৪০ জনের মৃত্যু

    সুইজারল্যান্ডে নববর্ষের রাতে বারেক আগুনে ৪০ জনের মৃত্যু

    সুইজারল্যান্ডের ক্র্যানস মন্টানার একটি জনপ্রিয় স্কি রিসোর্ট শহর রাজধানীর আবহাওয়া পাল্টে দিতে থাকলো। নববর্ষ উদযাপন শেষে ওই শহরের এক বিলাসবহুল বার ‘লে কনস্টেলেশন’-এ ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাটি বৃহস্পতিবার ভোরে ঘটে, যখন স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১টা ৩০ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়।

    দক্ষিণ-পশ্চিম সুইজারল্যান্ডের ওয়ালিস ক্যান্টনের পুলিশ জানিয়েছে, আতঙ্কের মধ্যে শতাধিক মানুষ ওই বারটিতে ছিলেন। তারা জানান, অগ্নিকাণ্ডের সময় অনেকজন আহত ও নিহতের পোস্ট ছিল। যদিও এখনো হতাহতের সঠিক সংখ্যা জানানো হয়নি, তবে স্থানীয় চিকিৎসকদের তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৪০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং প্রায় ১০০ জন বিভিন্ন程度ে আহত হয়েছেন।

    পুলিশের মুখপাত্র গেটান ল্যাথিয়ন অগ্নিকা-ের কারণ এখনও নিশ্চিত হয়নি বললেও তিনি জানিয়েছেন, তারা তদন্তে নেমেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, হয়তো কোন কনসার্টে আতশবাজি ব্যবহারের সময় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে। তবে এটি এখনও নিশ্চিত নয়।

    ক্র্যানস মন্টানা হলো একটি প্রিয় বিলাসবহুল স্কি রিসোর্ট শহর, যা আল্পস পর্বতমালার ভ্যালাইস অঞ্চলে অবস্থিত। এটি ব্রিটিশ পর্যটকদের পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী পর্যটকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। জানুয়ারির শেষে এখানে স্পিড স্কিইং বিশ্বকাপের আসর বসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    সুত্র: এনডিটিভি

  • দেশ ও মানুষের স্বার্থে কখনো মাথা নত করেননি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া

    দেশ ও মানুষের স্বার্থে কখনো মাথা নত করেননি দেশনেত্রী খালেদা জিয়া

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, এত বড়ো জানাজা, এত সম্মান, এত মানুষের আবেগঘন উপস্থিতি বাংলাদেশের ইতিহাসে আর কখনো দেখা যায়নি। কোন রাজনীতিকের শেষ বিদায়ের এমন দৃশ্য আর দেখা যায়নি। তিনি ব্যাখ্যা করেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দেশের জন্য এক অনুভূতির নাম। দীর্ঘ নয় বছর তিনি স্বৈরাচার এরশাদের বিরুদ্ধে অবিরাম আন্দোলন চালিয়ে যান, যেনতেনভাবে সংগ্রাম করে ১৯৯১ সালে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপিকে পুনরায় রাষ্ট্র ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনেন। মহানগরবাসীর কাছে তিনি পেয়েছেন ‘আপসহীন দেশনেত্রীর’ মর্যাদা। তিনি দেশের স্বার্থ ও মানুষের জন্য চির আপসহীন। দেশ ও দেশের মানুষের স্বার্থে তিনি সকল অপশক্তির সামনে কখনো মাথা নত করেননি। প্রলোভন, ষড়যন্ত্র কিংবা হুমকি—সবকিছুকেই তিনি জীবনের শেষ পর্যন্ত এড়িয়ে চলেছেন। তিনি সবসময়ই দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার বাদ আছর নগরীর কেডিএ এভিনিউস্থ তেঁতুলতলা মোড়ে অবস্থিত দলের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের যৌথ উদ্যোগে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে দলের প্রয়াত চেয়রম্যান তারেক রহমানের সহধর্মিণী ও দলের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আরিফুজ্জামান অপু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, সাদেকুর রহমান সবুজ, মজিবর রহমান ফয়েজ, ইশহাক তালুকদার, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, রবিউল ইসলাম রবী, মাহিুদ্দিন টারজান, বাচ্চু মীর, শরিফুল ইসলাম বাবু, আব্দুল জব্বার, নাসির খান, আসলাম হোসেন, ওমর ফারুক, খায়রুল ইসলাম লাল, জিএম রফিকুল ইসলাম, মাসুদ খান বাদল, ইকবাল হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, নাহিদ মোড়ল, শামীম খান, জাকারিয়া লিটন, লিটু পাটোয়ারী, খান শহিদুল ইসলাম, গোলাম নবী ডালু, মনিরুল ইসলাম, রিয়াজুর রহমান, মোল্লা ফিরোজ আহমেদ, খান মোঈনুল ইসলাম মিঠু, আলম হাওলাদার, মাজেদা খাতুন, নূরুল ইসলাম লিটন, মাওলানা আব্দুল গফ্ফার, সুলতান মাহমুদ সুমন, এড. রফিকুল ইসলাম, ইফতেখার জামান নবীন, জামাল মোড়ল, আল বেলাল, জাহাঙ্গীর হোসেন, সাখাওয়াত হোসেন, মোল্লা আলী আহমেদ, মাসুদ রেজা, শরিফুল ইসলাম সাগর, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, শাকিল আহমেদ, এ আর রহমান, মোঃ সুলতান মাহমুদ সুমন, সুলতান মাহমুদ সুমন, ইউনুচ মোল্লা, মীর মোহাম্মদ বাবু, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, মহিদুল হক টুকু, রাজিবুল আলম বাপ্পি, এম এ সালাম, তালেব মোল্লা, তরিকুল আলম, মাহমুদ হাসান মুন্না, শামসুল আলম বাদল, ইমরান হোসেন, পারভেজ মোড়ল, মেজবাউল আক্তার পিন্টু, হাবিবুর রহমান, সেলিম বড় মিয়া, মামুনুর রহমান, আসমত হোসেন, মারুফুর রহমান, রুহুল আমির রাসেল, সাজ্জাদ আলী, কামরুল আলম খোকন, আল আমিন শেখ, পারভেজ আহমেদ, তানভীর প্রিন্স, নাজমা বেগম ও লাকি অথকার সহ অনেক নেতাকর্মী।

  • খুলনা ওয়াসার অধিকাংশ কর্মকর্তা অনুপস্থিত, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    খুলনা ওয়াসার অধিকাংশ কর্মকর্তা অনুপস্থিত, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    খুলনা ওয়াসার বিভিন্ন কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে পরিষ্কারভাবে দেখা যায় যে তারা উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালার অপসারণের জন্য আন্দোলনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এই বিষয়ে জানা গেছে, শোক দিবস ও সাধারণ ছুটির ঘোষণা উপেক্ষা করে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা ওয়াসার সব দপ্তর বন্ধ করে কর্মচারীরা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ওয়াসা ভবনের বাইরেWorkers’ Union নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাঁদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ সময় বেশিরভাগ কর্মকর্তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।

    বৃহস্পতিবারের এই কর্মসূচির পেছনে রয়েছে শ্রমিক ও কর্মচারীদের অভিযোগ, গত বুধবার দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শোক দিবসের অজুহাতে সব কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও খুলনা ওয়াসার কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। তারা বলেন, ওই দিন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা সকল কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করে অফিস চালু রেখেছিলেন, তবে তিনি নিজে কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করেননি। এমনকি তিনি জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত না করে গোপনে নিয়োগের বাণিজ্য চালিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

    বুধবারের ঘটনা নিয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, ওই দিন অফিসের প্রধান ফটকের সামনে তারা বিক্ষোভ ও র্যালি করেন। এরপরে, বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা ওয়াসার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবারো প্রতিবাদে জড়িত হন, এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন। বক্তারা জানান, দেশের শোকের দিন সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও অফিস খুলে রাখার বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়।

    শ্রমিক-কর্মচারী নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, এই তারেক্কা শোভাযাত্রা ও কর্মকাণ্ডে দুর্নীতির যোগসাজশের পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপ ও অর্থ লেনদেনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাঁরা বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্তারা এখনকে পদোন্নতি পাচ্ছেন এবং একাধিক অপ্রকাশ্য নিয়োগ অবৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি, সাংবাদিকদের হেনস্তা ও অফিসের অপ্রমাণিত অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নেতা কর্মীরা।

    প্রসঙ্গত, শ্রমিক-অভিযুক্ত বিক্ষোভের খবর পাওয়ার পরে অনেক কর্মকর্তাই বৃহস্পতিবার অফিসে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ব্যতিক্রম হিসেবে, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা অফিসে উপস্থিত হয়নি।

    উল্লেখ্য, এই পরিস্থিতিতে খুলনা ওয়াসার সচিব মাহেরা নাজনীন বলেন, তিনি ওইদিন ছুটিতে ছিলেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তিনি জানান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঢাকায় রয়েছেন এবং রোববার অফিসে ফিরে আসার পর বিষয়টি দেখা হবে। এর পাশাপাশি, খালিশপুর থানার ওসি মোঃ তৌহিদুজ্জামান জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন, তবে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।