Author: bangladiganta

  • নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ নেবে বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন সরকার এলডিসি উত্তরণ পেছানোর উদ্যোগ নেবে বাণিজ্যমন্ত্রী

    নতুন বাণিজ্য, শিল্প ও বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানান, সরকার সরকার স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের সময়সীমা পেছানোর জন্য উদ্যোগ নেবে। তিনি বললেন, এলডিসি গ্র্যাজুয়েশন ডেফার করার জন্য প্রয়োজনীয় সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে এবং ইতোমধ্যে এই কাজ শুরু হয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে তার প্রথম দিন অফিসে এসে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

    বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সরকার এলডিসি উত্তরণে দেরি করানোর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে এবং এ লক্ষ্য পূরণের জন্য যা দরকার, তা দ্রুতই বাস্তবায়ন করা হবে। বিষয়টি মূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে শুরু হয়েছে এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ ও প্রক্রিয়া দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হবে। বহুমুখী চাপ ও ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি মেনে নিয়ে, সরকার আজ থেকেই এই বিষয়ে কাজ করছে।

    রপ্তানির নিম্নগতি নিয়ে মন্তব্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের রপ্তানি কাঠামো এখনও সংকীর্ণ। দেশের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৫ শতাংশ এক পণ্যের ওপর নির্ভরশীল। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনতে, নতুন পণ্য অন্তর্ভুক্ত করতে এবং নতুন মার্কেটের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত খাতে যারা ব্যবসা ও বিনিয়োগ করতে আগ্রহী, তাদের যথাসত্ত্ব সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

    বিশ্ব বাণিজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে, বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ট্যারিফ নীতিতে অপ্রত্যাশিত পরিবর্তনের কারণে বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। এ কারণে বাংলাদেশ, যেহেতু দরিদ্র দেশ, খুব সীমিত সুযোগের মধ্যে টিকে থাকছে। তার মতে, দেশের মার্জিন খুবই কম, ভুলের কোনো জায়গা নেই। তাই, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে লক্ষ্য করা মন্থর গতি থেকে দ্রুত বেরিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে সরকার।

    রমজানের বাজার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, সব কিছু ঠিক থাকলে বাজারের স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত থাকবে। রমজান মাস এবং পরবর্তী সময়ের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্যের পর্যাপ্ত মজুদ ও পাইপলাইনে পণ্য রয়েছে। এ কারণে বাজার নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি আশ্বাস দেন।

    রমজানে বাজারে সিন্ডিকেটের প্রসঙ্গ উঠলে তিনি বলেন, তিনি শুধু বক্তব্য দিতে চান না, কাজের মাধ্যমে ফল দেখাতে চান। বলেন, “আমি সাউন্ড বাইট দেব না, ইনশাআল্লাহ কাজ করে দেখাব।”

    প্রথম দিকে কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে, সেই বিষয়টি জানিয়ে তিনি বললেন, এটি সাধারণত এককালীন চাহিদা বৃদ্ধির ফল। মাসের প্রথম থেকেই মানুষ একসঙ্গে বেশি কিনতে শুরু করে, ফলে দাম অস্থির হয়ে ওঠে। তবে এ অবস্থা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী নয় বলে আশা প্রকাশ করেন।

    বিবিধ বিনিয়োগের বিষয়ে তিনি বলেন, অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বিনিয়োগ আসেনা। স্থিতিশীল পরিবেশই বিনিয়োগের শর্ত। দেশের শ্রমবাজারে প্রতিবছর ২০ থেকে ২২ লাখ নতুন মানুষ প্রবেশ করছে। তবে, বিগত দুই-তিন বছর বিনিয়োগের চাপ কম থাকায় কর্মসংস্থান ও অর্থনীতি পড়তেছে সংকটের মুখে। এই পরিস্থিতি দ্রুত উন্নতি না হলে বড় ঝুঁকি তৈরি হবে।

    নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রমজানকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন, বলেন, রমজান প্রস্তুতি এবং বাজার নিয়ন্ত্রণ এখন সরকারের বড় পরীক্ষা। সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে এবং সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণে সফল হতে হবে। এসব কাজ দেশের স্বার্থের জন্য, বলেন তিনি। সবাইের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, ভুল হলে তা দুঃখের বিষয় নয়, বরং ভুল ধরিয়ে দেওয়াই উত্তম। সবাই একসঙ্গে কাজ করলে দেশ দ্রুত এগিয়ে যাবে।

  • খুলনা অঞ্চলে কাঁচা পাটের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে পাটকলগুলো উৎপাদন বন্ধ

    খুলনা অঞ্চলে কাঁচা পাটের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে পাটকলগুলো উৎপাদন বন্ধ

    খুলনা অঞ্চলের বিভিন্ন ইজারা পাওয়া ও বেসরকারি পাটকলগুলোতে বর্তমানে উৎপাদন কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এর মূল কারণ হলো কাঁচা পাটের অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়া দাম। যেখানে আগে সহজে পাট সংগ্রহ করা যেত, এখন কাঁচা পাটের খুচরা মূল্য দ্বিগুণের বেশি উঠেছে। এর ফলে উৎপাদন খরচ ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে এবং অনেক মিলের পাটপণ্য উৎপাদন বন্ধ করে দিতে হয়েছে। এতে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ হারানোর শঙ্কায় বসে রয়েছেন, পাশাপাশি মিলগুলোর অর্থনৈতিক ক্ষতিসহ বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা চোখে পড়ছে।

    দৌলতপুরে অবস্থিত দৌলতপুর জুট মিলের শ্রমিক আশাদুজ্জামান জানিয়েছেন, গত দেড় মাস ধরে মিলটি বন্ধ রয়েছে কারণ কাঁচা পাটের সংকট। তারা প্রতিদিন মিলের সামনে এসে অপেক্ষা করেন, কিন্তু কাজের জন্য কাঁচা পাটের অভাব থাকায় কর্মহীন থাকছেন। একই পরিস্থিতি অন্যান্য মিলগুলোতেও দেখা যাচ্ছে। শ্রমিকরা উদ্বিগ্ন, যদি এভাবে চলতে থাকে তাহলে কাজ থেকে ছাঁটাই হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তারা বলেন, মালিকরা পাটের জন্য এখন দ্বিগুণের বেশি দামে কিনছেন, কিন্তু বাজারে পণ্যের দাম বাড়েনি তবে উৎপাদন চালানো সত্যিই কঠিন হয়ে পড়ছে।

    মিল মালিকরা বলছেন, মৌসুম শুরুতে প্রতি মণ পাটের মূল্য ছিল প্রায় ৩২০০ টাকা। এখন তা বেড়ে দাড়িয়েছে প্রায় ৫২০০ টাকায়। এর ফলে উৎপাদন খরচ অনেক বাড়ছে। ট্রান্সপারেন্সির মাধ্যমে তারা বলছেন, আগে যেখানে ৩২০০ টাকায় পাট কিনে ৮০ টাকায় বিক্রি করতেন, এখন ৪০০০ টাকায় কিনে হলেও লাভের জন্য কেউ তেমন সুবিধা পাচ্ছেন না। এখন পাটের দাম skyrocket হওয়া এবং বাজারে মূল্য স্থিতিশীল না থাকায় তারা উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছেন।

    তারা অভিযোগ করেছেন, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে কিছু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট করে পাটের মজুত রাখার মাধ্যমে দাম বাড়াচ্ছে। কৃষি বিভাগের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গত দুই বছর ধরে খুলনা ও আশপাশের जिलাগুলিতে পাটের উৎপাদন মোটেও কমেনি। তবে ব্যবসায়ীরা দাম বাড়ানোর কারণে বাজারে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিল এ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক মোঃ জহির উদ্দিন সরকারের ভাষ্য, সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মাধ্যমে মূলত অবৈধভাবে পাট মজুত করে বাজার অস্থিতিশীল করা হচ্ছে। ফলে দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যাংক ঋণ সুবিধাও ব্যাহত হচ্ছে। তিনি সরকারের দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণের আহ্বান জানান।

    পাট অধিদপ্তর জানিয়েছে, তারা নিয়মিত বাজার পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। তাদের খুলনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সরজিত সরকার উল্লেখ করেন যে, একজন আড়তদার বা ডিলার সর্বোচ্চ এক মাসে ৫০০ মণ পাট মজুত করতে পারবে এবং এ বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে। দাম নিয়ন্ত্রণে রোজ নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে, যাতে পরিস্থিতি সহনীয় পর্যায়ে আনা যায়।

    খুলনা অঞ্চলে মোট ২০টি পাটকল রয়েছে, যার মধ্যে কয়েকটি সরকারি ও বেসরকারি। এসব মিলগুলোতে প্রতি মাসে প্রায় ২৫ হাজার মেট্রিক টন পাটপণ্য উৎপাদন হয়, যার বড় অংশই বিদেশে রফতানি করা হয়। তবে চলমান সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে দেশের অর্থনীতি ও রফতানি খাতে বড় ধাক্কা লাগার আশংকা রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সময়মত সরকার যদি বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনতে পারে, তবে পাট শিল্পের অর্থনৈতিক ক্ষতি হাত থেকে রেহাই পাবে না।

  • ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে রেমিটেন্স ছাড়ালো দুই বিলিয়ন ডলার

    ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনে রেমিটেন্স ছাড়ালো দুই বিলিয়ন ডলার

    প্রবাসীরা দেশের জন্য অর্থ পাঠানোর হার বাড়ছে, বিশেষ করে জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও আসন্ন পবিত্র রমজান মাহাত্ম্যকে কেন্দ্র করে। এর ফলে ফেব্রুয়ারির প্রথম ১৮ দিনেই দেশে মোট ২ বিলিয়ন (২০ হাজার কোটি) ডলার से বেশি রেমিট্যান্স প্রবাহ হয়েছে, যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। যদি এটি অব্যাহত থাকে, মাস শেষে এই পরিমাণ ৩ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন ও রমজান মহুমা ঘিরে বাড়তি খরচের জন্য প্রবাসীরা বেশি করে অর্থ পাঠাচ্ছেন। এই প্রবণতা দেশের অর্থনীতির জন্য আনন্দের খবরে পরিণত হয়েছে, কারণ এটি প্রতিপাদন করছে যে দেশে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারিতে প্রবাসীরা মোট ৩১৭ কোটি ডলার (প্রায় ৩৮ হাজার ৬৭৪ কোটি টাকা) পাঠিয়েছেন। এটি দেশের ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ একক মাসের রেকর্ড। এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি ডলার পাঠানো হয়েছিল, যা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। সর্বোচ্চ ছিল মার্চ মাসের ৩২৯ কোটি ডলার, যা ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে ছিল।

    ২০২৫ সালে দেশীয় প্রবাসী আয়ের মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২৮২ কোটি ডলার। মাসভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি, আগস্টে ২৪২ কোটি, সেপ্টেম্বর ২৬৮ কোটি, অক্টোবর ২৫৬ কোটি, নভেম্বর ২৮৮ কোটি, ডিসেম্বরে ৩২২ কোটি এবং জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স প্রবাহ হয়েছে।

    ইতিমধ্যে চলতি অর্থবছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে দুই হাজার ১৫৬ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছর একই সময়ের তুলনায় ২২.৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই সময়ে আগের বছর প্রবাসী আয় ছিল ১১৫ কোটি ডলার কম।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৪.৫৪ বিলিয়ন ডলার। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করলে এখনকার প্রকৃত রিজার্ভের পরিমাণ ২৯.৮৬ বিলিয়ন ডলার।

    বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২৪ সালের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে প্রবাসী আয়ের গতি বেড়ে গেছে। ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলেন, অর্থ পাচার কমে যাওয়ায় অবৈধ হুন্ডি ব্যবসার প্রভাব কমতে শুরু করেছে। পাশাপাশি, ডলারের বিনিময় হার গত কয়েক মাস ধরে স্থিতিশীল থাকায় প্রবাসীরা বৈধ পথেই অর্থ পাঠাতে উৎসাহিত হচ্ছেন। এই সব উদাহরণ দেখাচ্ছে যে, দেশের অর্থনীতি গতিশীল হতে সক্ষম হচ্ছে।

  • সোনার দাম ভরিতে আরও ৩ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    সোনার দাম ভরিতে আরও ৩ হাজার টাকা বৃদ্ধি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) আজ নিশ্চিত করেছে যে তারা সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুন এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে প্রতিভরি (ভরি) সোনার দাম সর্বোচ্চ ৩ হাজার ২৬৬ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে ভালো মানের (২২ ক্যারেট) সোনার বিক্রি মূল্য দাঁড়াল ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকায়, যা আগের তারিখে ছিল ২ লাখ ৫৫ হাজার ৫৫৮ টাকা।

    বাজুসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। সংগঠনটির মতে, তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দামের ব্যাপক বৃদ্ধির কারণে স্বর্ণের বাজারে দাম বাড়ানো বাধ্য হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত দামে দেখা গেছে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। অন্যদিকে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৭ হাজার ১০২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এছাড়াও, স্বর্ণের সঙ্গে সমানভাবে দাম বাড়ানো হয়েছে রূপার ক্ষেত্রেও। ২২ ক্যারেটের রূপার এক ভরি এখন ৬ হাজার ৭০৭ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ৪৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির ৪ হাজার ৮২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

    বিশ্ব বাজারের পরিস্থিতিও ক্রমাগত স্বর্ণের দাম বাড়ছে। গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছিল ৫ হাজার ১০৬ ডলার, যা আগের দিন ছিল ৪ হাজার ৯৭৮ ডলার।

    গত মাসে, অর্থাৎ জানুয়ারির শেষে, স্বর্ণের আন্তর্জাতিক দাম আরও বেড়ে গিয়েছিল। ৩০ জানুয়ারি ছিল ৫ হাজার ২০০ ডলার এবং ২৯ জানুয়ারিতে এটির মূল্য ছিল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার।

    বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায় দেশের বাজারেও রেকর্ড পরিমাণ মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। বিশেষ করে ১৯ জানুয়ারি, বাজুস এক ভরি স্বর্ণের দাম ভেঙে ১৬ হাজার ২১৩ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় নিয়ে আসে, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ মূল্য। এ ধরনের অপ্রত্যাশিত দর वृद्धि আগে কখনো দেখা যায়নি, যা স্বর্ণের বাজারে এক নতুন রেকর্ড স্থাপন করেছে।

  • দুই দিনের ব্যবধানে ফের বেড়ে গেল সোনার দাম

    দুই দিনের ব্যবধানে ফের বেড়ে গেল সোনার দাম

    দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম এখন ২ লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা। এটি গত দুই দিনের মধ্যে আবার বেড়ে গেল, যা পূর্বে ২১ ফেব্রুয়ারিতে সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেটের ভরিতে ৩,২৬৬ টাকা বেশি করে দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছে যে, দেশের বাজারে তেজাবি বা পিওর গোল্ডের দাম বৃদ্ধির কারণে অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এ সমন্বয় করা হয়েছে। চালু হিসেবে, নতুন দামে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২৭ শিল্পের মূল্যে নির্ধারিত হয়েছে। অন্যান্য ক্যারেটের জন্য দামও সংশোধন করা হয়েছে। যেমন, ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ৪৯ হাজার ১৪৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ১৩ হাজার ৫৬৮ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    তবে এসব মূল্যের উপর সরকারের নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-এর ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরির যোগ হবে। গহনার নকশা ও মান অনুসারে মজুরির পরিমাণ আলাদা আলাদা হতে পারে বলে জানা গেছে।

    এর আগে, ২১ ফেব্রুয়ারিতে বাজুস ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম আরও ৩,২৬৬ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করেছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ৩২ দফায় সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ দফায় দাম বেড়েছে এবং ১২ দফায় কমেছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার দাম সমন্বয় হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার বৃদ্ধি ও ২৯ বার কমেছিল।

    অপরদিকে, রুপার দাম স্থির রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের রুপার ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৭০৭ টাকায়। অন্যান্য ক্যারেটের রুপার দামও যথাক্রমে ২১ ক্যারেটের ৬ হাজার ৪১৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫ হাজার ৪৮২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির ৪ হাজার ৮০২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। চলতি বছর রুপার দাম ১৮ দফায় সমন্বয় করা হয়েছে, এর মধ্যে ১১ দফায় বেড়েছে এবং ৭ দফায় কমেছে। গত বছর মোট ১৩ দফায় সমন্বয় হয়েছে, যেখানে ১০ বার দাম বৃদ্ধি এবং ৩ বার হ্রাস পেয়েছিল।

  • প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    প্রথমবার শহীদ মিনারে ফুল দিল জামায়াত, শহীদ বেদিতে দাঁড়িয়ে দোয়া

    আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরের সূচনায় এই প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন বিরোধীদলীয় জোট শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করলো। সূর্যোদয়ের কিছু সময় পর, রাত ১২টা ১ মিনিটে তারা রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে উপস্থিত হন। এর কিছুক্ষণের মধ্যে, ১২টা ১০ মিনিটের দিকে, আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ ১১ দলের সংসদ সদস্যরা শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংসদে বিরোধীদলের স্পিকার নাহিদ ইসলাম, বিভিন্ন সংসদ সদস্য ও দলের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। রাষ্ট্রীয় ভাবগাম্ভীর্য լի এই অনুষ্ঠানে তারা শহীদদের প্রতি সম্মান দিয়ে নীরবে দাঁড়িয়ে মাগফিরাতের জন্য দোয়া করেন। শ্রদ্ধা নিবেদনের পর, দোয়া ও শান্তিকামনা শেষে তারা শহীদ বেদিতে কিছু সময় নীরবে থাকেন। এরপর, তারা রাজধানীর আজিমপুর কবরস্থানে যান যেখানে ভাষা আন্দোলনের শহীদদের কবর জিয়ারত করেন। এ সময় দলটির নবনির্বাচিত সাংসদ ও শীর্ষ নেতা-কর্মীরা معهم ছিলেন। কবরস্থানে পৌঁছানোর পর, শহীদদের রূহের মাগফিরাত ও শান্তির জন্য কোরআন তেলাওয়াত ও দোয়া করা হয়, যা পরিচালনা করেন জামায়াতের আমির নিজেই। জানা গেছে, এর পূর্বে জামায়াতের পক্ষ থেকে এভাবে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া হয়নি; এটি এই প্রথম দলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন। এর আগে, রাষ্ট্রের শীর্ষ নেতৃত্বও শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন, এর মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান। একুশের প্রথম প্রহর থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও তার আশপাশে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত হন। দিবসটি রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা হচ্ছে, যা স্মরণে রংবেরঙের ভাষা-স্মারক অঙ্গনে উত্তেজনা ও সম্মানজনক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।

  • একুশের চেতনায় নতুন দেশের যাত্রা: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    একুশের চেতনায় নতুন দেশের যাত্রা: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দীর্ঘ দিন একাদশশতাব্দীর স্বৈরশাসনের কারণে একটি স্বপ্নের মতো একুশ ছিল অবরুদ্ধ। এখন সেই অবরুদ্ধ চেতনা মুক্ত। এই অনুভূতি নিজের মতো করে তুলে ধরছেন তিনি।

    শুক্রবার রাতের শুরুতেই একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করার সময় মির্জা ফখরুল এ কথা বলেন।

    তিনি আরও জানান, নতুনভাবে গঠিত বিএনপির সরকার, নেতাক্রমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে, জনগণের বহু প্রত্যাশাকে সামনে এনে কাজ শুরু করেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো, একটি সত্যিকার অর্থে জনগণের আস্থা ও ইনসাফের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক সমাজ তৈরি করা, যেখানে বৈষম্য থাকবে না।

    মির্জা ফখরুল বলেন, একুশের মূল চেতনাই ছিল বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা এবং একটি বৈষম্যহীন সমাজ গঠন। এই চেতনা পরবর্তী দিনেও আমাদের পথে পরিচালিত করবে। আমরা এই নতুন একুশের অনুপ্রেরণায় দেশবাসীর জন্য কাজ করে যাব, মাতৃভাষা ও সংস্কৃতিকে আরও সমৃদ্ধ করবো। সাংস্কৃতিক ও জাতীয় অঙ্গনে আরও এগিয়ে যাবো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবো। আমাদের আশা, এই চেতনা ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য নতুন সূর্যোদয় এনে দেবে।

  • নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা

    নিষিদ্ধ আ.লীগের অফিসে ‘জয়বাংলা’ স্লোগানে পতাকা উত্তোলন ও তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা

    মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্মরণে জামালপুরের বকশীগঞ্জে বগারচর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বিশেষ এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এদিন তারা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক দোয়াও পড়েন। উল্লেখ্য, এটি ছিল একটি অনানুষ্ঠানিক উদ্যোগ যেখানে তারা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে পতাকা উত্তোলন করেন। এই ঘটনার সূত্রে প্রকাশ, ওই সময় তারা ভাষা আন্দোলনের শহীদদের জন্য মোনাজাত করেন। তবে, এই উত্তোলন নিজেই ছিল অসাধু পান্ডিত্যের পদক্ষেপ, কারণ এই এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষণা করা দলীয় নেতাকর্মীরা কাজ করছিলেন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ কাদির সাজু, সদস্য রেজাউল করিম, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আইয়ুব আলী, তাঁতী লীগের যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল, এবং নিষিদ্ধ ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি নিয়ামত উল্লাহ। পতাকা উত্তোলনের পাশাপাশি তাঁরা ভাষা শহীদদের জন্য প্রার্থনা করেন। কিন্তু পতাকা উত্তোলনের পর নেতাকর্মীরা সতর্কভাবে স্থান ত্যাগ করেন। এই ঘটনা এলাকায় ক্ষোভ ও চাপের মুখে পড়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে নানা প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন বকশিগঞ্জের গণঅধিকার পরিষদের নেতা শাহরিয়ার আহমেদ সুমন। তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, “আজ ভোরে বগারচর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ দলীয় নেতাকর্মীরা পতাকা উত্তোলন এবং নানা স্লোগান দিয়েছিলেন। এটি মূলত তাদের দুঃশ্চিন্তার ফলাফল, কারণ বিগত এক বছর দেড়ের বেশি সময় ধরে এই দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তিনি আরও জানান, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই অনৈতিক কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেফতার করা না হলে ছাত্রজনতা তার ক্ষোভ প্রকাশ করবেন। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মানুষদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। বকশীগঞ্জ থানার ওসি মকবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু নেতাকর্মীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। তিনি জানান, ঘটনার তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    হৃদরোগে আক্রান্ত সেলিমা রহমান, হাসপাতালে ভর্তি

    বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী বেগম সেলিমা রহমান হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, সেলিমা রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে ও বিএনপির পক্ষ থেকে দেশবাসীর কাছে তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করে দোয়া চাওয়া হয়েছে। সেলিমা রহমান ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বিএনপি সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন। তিনি দলের যুগ্ম মহাসচিব এবং ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। জীবনের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথে নানা অত্যাচার ও নির্যাতন সহ্য করতে হয়েছে তাকে, বিশেষ করে কারা অভিজ্ঞতা তার জন্য স্বাভাবিক ছিল। বেশ কয়েকবার তাকে কারাবরণও করতে হয়েছে। এই কঠিন সময়েও তিনি সাহস ও শক্তির সঙ্গে দেশের জন্য কাজ করে গেছেন।

  • সরকারের অনুমোদন নেই, আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত বাতিল: মির্জা ফখরুল

    সরকারের অনুমোদন নেই, আওয়ামী লীগের কার্যালয় খোলার সিদ্ধান্ত বাতিল: মির্জা ফখরুল

    এখন পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগ দলীয় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্থানে নতুন করে দলীয় কার্যালয় খুলে থাকলেও সেটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনাগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর স্পষ্ট করে বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে এই সকল কার্যালয় খোলার কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিনি উল্লেখ করেন, বিষয়টি নজরদারিতে রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখছেন।

    সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক আলাপে এ কথা জানান তিনি। এর আগে, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পর এই প্রথম তিনি দলীয় কার্যালয়ে যান।

    আলোচনার সময় মির্জা ফখরুল স্মৃতিচারণ করে বলেন, তিনি দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করেছেন এই কার্যালয়ে। তিনি তার আত্মার শান্তি কামনা করেন।

    তিনি আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে নীতিগতভাবে কোনও অনুমোদন দেওয়া হয়নি। তারা জানিয়েছেন, আইন অনুযায়ী এই কার্যক্রম সাময়িকভাবে নিষিদ্ধ। তাই আমরা এটি পরিচালনা করছি না। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখবে, যাতে অবিলম্বে প্রকৃত সুরাহা হয়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের মানুষ যেমন তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, তেমনি এই পরিস্থিতিতে তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। দেশের জনতা তার নেতৃত্বে এক জোড়া পরিকল্পিত, সুসংগঠিত ও সফল পরিবর্তনের আশা করছে। 벌ের বিকাশে সাংবাদিকদের ভূমিকা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে তিনি মনে করেন।

    স্থানীয় নির্বাচন বিষয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রণালয়ের কিছু প্রথা রয়েছে। সে প্রক্রিয়া শেষ হলে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি, দলের নারীদের মনোনয়নও দেওয়া হবে।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা মুনির হোসেন, মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খানসহ আরও বেশ কয়েকজন।