Author: bangladiganta

  • খুলনা ওয়াসার অধিকাংশ কর্মকর্তা অনুপস্থিত, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    খুলনা ওয়াসার অধিকাংশ কর্মকর্তা অনুপস্থিত, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালার অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ

    খুলনা ওয়াসার বিভিন্ন কর্মকর্তার অনুপস্থিতির কারণে পরিষ্কারভাবে দেখা যায় যে তারা উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালার অপসারণের জন্য আন্দোলনে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন। এই বিষয়ে জানা গেছে, শোক দিবস ও সাধারণ ছুটির ঘোষণা উপেক্ষা করে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা ওয়াসার সব দপ্তর বন্ধ করে কর্মচারীরা প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিয়েছেন। ওয়াসা ভবনের বাইরেWorkers’ Union নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাঁদের অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এ সময় বেশিরভাগ কর্মকর্তাকে অফিসে পাওয়া যায়নি।

    বৃহস্পতিবারের এই কর্মসূচির পেছনে রয়েছে শ্রমিক ও কর্মচারীদের অভিযোগ, গত বুধবার দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শোক দিবসের অজুহাতে সব কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও খুলনা ওয়াসার কার্যক্রম চালু রাখা হয়েছে। তারা বলেন, ওই দিন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা সকল কর্মকর্তার ছুটি বাতিল করে অফিস চালু রেখেছিলেন, তবে তিনি নিজে কালো পতাকা উত্তোলন ও কালো ব্যাজ ধারণ করেননি। এমনকি তিনি জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত না করে গোপনে নিয়োগের বাণিজ্য চালিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।

    বুধবারের ঘটনা নিয়ে শ্রমিক ও কর্মচারীরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন, ওই দিন অফিসের প্রধান ফটকের সামনে তারা বিক্ষোভ ও র্যালি করেন। এরপরে, বৃহস্পতিবার সকালে খুলনা ওয়াসার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আবারো প্রতিবাদে জড়িত হন, এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন ইউনিয়নের সভাপতি মোঃ কবির হোসেন। বক্তারা জানান, দেশের শোকের দিন সরকারি ছুটি থাকা সত্ত্বেও অফিস খুলে রাখার বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হয়।

    শ্রমিক-কর্মচারী নেতৃবৃন্দের অভিযোগ, এই তারেক্কা শোভাযাত্রা ও কর্মকাণ্ডে দুর্নীতির যোগসাজশের পাশাপাশি রাজনৈতিক চাপ ও অর্থ লেনদেনের প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তাঁরা বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত কর্তারা এখনকে পদোন্নতি পাচ্ছেন এবং একাধিক অপ্রকাশ্য নিয়োগ অবৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছে। পাশাপাশি, সাংবাদিকদের হেনস্তা ও অফিসের অপ্রমাণিত অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন নেতা কর্মীরা।

    প্রসঙ্গত, শ্রমিক-অভিযুক্ত বিক্ষোভের খবর পাওয়ার পরে অনেক কর্মকর্তাই বৃহস্পতিবার অফিসে আসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। ব্যতিক্রম হিসেবে, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঝুমুর বালা অফিসে উপস্থিত হয়নি।

    উল্লেখ্য, এই পরিস্থিতিতে খুলনা ওয়াসার সচিব মাহেরা নাজনীন বলেন, তিনি ওইদিন ছুটিতে ছিলেন এবং বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন। তিনি জানান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ঢাকায় রয়েছেন এবং রোববার অফিসে ফিরে আসার পর বিষয়টি দেখা হবে। এর পাশাপাশি, খালিশপুর থানার ওসি মোঃ তৌহিদুজ্জামান জানান, সকালে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন, তবে পরিস্থিতি শান্তিপূর্ণ ছিল এবং কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

  • খুলনা নগরী ও পূর্ব রূপসায় আওয়ামী লীগের স্লোগান লেখা পোস্টার দেখা গেছে

    খুলনা নগরী ও পূর্ব রূপসায় আওয়ামী লীগের স্লোগান লেখা পোস্টার দেখা গেছে

    খুলনা মহানগরী ও পূর্ব রূপসা এলাকায় এখন বিভিন্ন স্থানে পোস্টার দেখা যাচ্ছে, যেখানে আঁকা হয়েছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গলা তোড়া ভাষা এবং আওয়ামী লীগের অশুভ স্লোগান। এসব পোস্টারে লেখা রয়েছে, ‘দেশদ্রোহীর মুখে লাথি মারুন, জয় বাংলার শপথ করুন, দেশকে রক্ষা করুন! জয় বাংলা’, পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি বিশদভাবে ফুটে উঠেছে।
    সূত্রমতে, এই পোস্টারগুলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যেমন ট্রাফিক মোড়, সুন্দরবন কলেজের সামনে, পশ্চিম রূপসা ঘাট, মাছের আড়ত, কাঁচা বাজার, তেরগোলা, পূর্ব রূপসা ঘাট, মাহিন্দ্রা স্ট্যান্ডসহ অন্যান্য এলাকায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। এ সব পোস্টার দ্রুতই বিভিন্ন স্থানে লাগানো হয় এবং দেখা যায় রাতের অন্ধকারে এসব কর্মসূচি চালানো হচ্ছে। স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনমনে ভয় ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার জন্য পরিকল্পিতভাবে চালানো হচ্ছে। তারা আরও দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত এই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ ও জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  • স্বতঃস্ফূর্ত স্বাক্ষর প্রমাণ করে খালেদা জিয়া ছিলেন গণমানুষের আস্থার ও ঐক্যের প্রতীক

    স্বতঃস্ফূর্ত স্বাক্ষর প্রমাণ করে খালেদা জিয়া ছিলেন গণমানুষের আস্থার ও ঐক্যের প্রতীক

    খুলনা মহানগর বিএনপি উদ্যোগে দেশবরেণ্য নেতা ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানাতে শোক বই খোলা হয়েছে। এই শোক বইটি খোলা হয়েছে দলীয় কার্যালয়ে, কে ডি ঘোষ রোডে, যেখানে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফুর্তভাবে স্বাক্ষর দিয়ে শ্রদ্ধা ও গভীর সমবেদনা প্রকাশ করতে পারছেন।

    খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, গণতন্ত্রের মা ও দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা ও গভীর শোক প্রকাশের অংশ হিসেবে এই শোক বই খোলা হয়েছে। এতে দলের নেতাকর্মী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শুভানুধ্যায়ী, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি সহ সাধারণ মানুষ স্বাক্ষর করছেন। তিনি আরও জানান, প্রতিদিনই নানা পেশার ও সমাজের মানুষ দলীয় কার্যালয়ে এসে এই শোক বইয়ে স্বাক্ষর করছেন, যা প্রমাণ করে খালেদা জিয়া শুধু একটি দলের নেত্রী নন, তিনি ছিলেন সাধারণ মানুষের আস্থার প্রতীক।

    Thursday, এর শোক বইয়ে স্বাক্ষর শেষে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজ, সদর থানা বিএনপি’র সভাপতি কে এম হুমায়ুন কবীর, সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান আসাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকির ইকবাল বাপ্পীসহ বিভিন্ন নেতাকর্মী।

    নেতাকর্মীরা বলছেন, বেগম খালেদা জিয়া আজীবন দেশের গণতন্ত্র, মানুষের ভোটাধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য সংগ্রাম করেছেন, এবং তার ত্যাগ ও অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে।

    তিনি গত ৩০ ডিসেম্বর ভোর ৬টায় ইন্তেকাল করেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে আসে। তার মরদেহের জন্য তিন দিনের শোকপ্রদর্শনী শেষে, ৩১ ডিসেম্বর থেকে খুলনা মহানগর বিএনপি কার্যালয়ে শুরু হয় এই শোক বই, যা এখনও সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত রয়েছে।

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছে

    কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩.৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছে

    চলতি বছর বাংলাদেশের প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখতে পাওয়া গেছে, যার কারণে ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত ডলার জমা হয়েছে। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ধারাবাহিকভাবে বৈদেশিক মুদ্রার সরবরাহ নিশ্চিত করতে ডলার কিনে যাচ্ছে। রোববার তিনটি বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে মোট ১১ কোটি ডলার কেনা হয়েছে, যা মাল্টিপল প্রাইস অকশন (এমপিএ) পদ্ধতিতে কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এই ক্রয়ে ডলারের এক্সচেঞ্জ রেট ছিল প্রতি ডলার ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, চলতি ডিসেম্বর মাসে তারা মোট ৯২ কোটি ডলার কিনেছে। এভাবে মোট এখন পর্যন্ত এই অর্থবছরে জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডলার কেনার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩,৫৬০ মিলিয়ন বা ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার।

    অপর দিকে, এই মাসের প্রথম ২০ দিনেই দেশে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন মোট ২১৭ কোটি ২১ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ৯ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময় দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

    চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট প্রবাসী আয় এসেছে ১,৫২১ কোটি ডলার, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল ১,৩১২ কোটি ডলার। ফলে এই সময়ে প্রবাসী আয় বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকারের উদ্যোগ, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নানা প্রণোদনা এবং ব্যাংকিং চ্যানেলের উন্নতিতে রেমিট্যান্স বাড়ছে। এর ফলে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও স্বস্তিতে রয়েছে।

    অন্তঃত গত নভেম্বর মাসে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশের জন্য ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার পাঠিয়েছেন। এই পরিমাণ অর্থের বাংলাদেশি মুদ্রায় পরিমাণ প্রায় ৩৫ হাজার ২৫২ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে)।

  • টানা ৮ দফা বৃদ্ধির পর সোনার দাম কমল

    টানা ৮ দফা বৃদ্ধির পর সোনার দাম কমল

    বাংলাদেশের বাজারে গত কিছুদিনে টানা আট দফা সোনার দাম বাড়ার পর অবশেষে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগে, দেশের অন্যতম জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) জানিয়েছে, ভরিতে ২ হাজার ৫০৮ টাকা কমিয়ে নতুন দামে সোনার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দামে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনার দাম হবে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা।

    আজ (২৯ ডিসেম্বর) সোমবার রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন দাম আগামী মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) থেকে কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, দেশের তেজাবি বা পিওর গোল্ড (নাজিরা) মূল্য কমেছে। সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

    নতুন দামে, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৬ হাজার ৯২৩ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দামের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৬৯১ টাকা। এছাড়া, সনাতন পদ্ধতির (প্রাচীন নিয়ম) ভরিতে সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭২৩ টাকা।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, দেশের সোনার বিক্রয়মূল্য সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) এবং বাজুসের নিয়মানুযায়ী ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করে বিক্রি করতে হবে, তবে গহনার ডিজাইন ও মান অনুযায়ী মজুরির পরিমাণে পার্থক্য থাকতে পারে।

    এর আগে, ২৮ ডিসেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম আরও ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বৃদ্ধি করে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করে বাজুস, যা ছিল ইতিহাসের সর্বোচ্চ। সেই সময় দামের ঘোষণা হয় ২৯ ডিসেম্বর থেকে। আগের দামের মধ্যে ছিল ২১ ক্যারেটের ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার প্রতি ভরি ছিল ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩১ টাকা।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৯২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছে এবং ২৮ বার কমেছে। ২০২৪ সালে এই সমন্বয় হয়েছিল ৬২ বার; এর মধ্যে দাম বেড়েছিল ৩৫ বার এবং কমেছিল ২৭ বার।

    অপরদিকে, দেশের বাজারে রুপার দাম এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হয় ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। ২১ ক্যারেটের জন্য রুপার দাম প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, এবং সনাতন পদ্ধতিতে প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত রুপার দামের সমন্বয় হয়েছে ১৩ দফায়, এর মধ্যে ১০ দফা বেড়েছে এবং ৩ দফা কমেছে। এর আগে, গত বছর রুপার দাম মাত্র ৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল।

  • সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমাল সরকার

    সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার আবার কমাল সরকার

    জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের আওতায় পরিচালিত বিভিন্ন সঞ্চয় কর্মসূচির মুনাফার হার পুনরায় কমানো হলো। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, সঞ্চয়পত্রে সর্বোচ্চ মুনাফার হার সেটি হবে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন মুনাফার হার নির্ধারিত হয়েছে ৮ দশমিক ৭৪ শতাংশ। এর আগে গত জুলাই মাসেও এই হারগুলো কমানো হয়েছিল।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ থেকে এ বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। নতুন হার ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    নতুন নির্দেশনায় দেখা গেছে, বিনিয়োগের অঙ্কের ওপর ভিত্তি করে মুনাফার হার পরিবর্তিত হবে। কম বিনিয়োগকারীরা বেশি মুনাফা পাবেন, যেখানে বিনিয়োগের পরিমাণ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম হলে মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি থাকবে। অন্যদিকে, এই সীমার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমে যাবে।

    বিশেষ করে, পরিবার সঞ্চয়পত্রে সবচেয়ে জনপ্রিয় সঞ্চয়পত্রে এই পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। আগে যেখানে ৫ বছর মেয়াদে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে মুনাফা ছিল ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ, এখন তা হ্রাস পেয়ে ১০ দশমিক ৫৪ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। পাশাপাশি, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের জন্য মুনাফার হার পূর্বের মতোই ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ থেকে কমে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশে নেমে এসেছে।

    পেনশনার সঞ্চয়পত্রে একই ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। যেখানে সাড়ে ৭ লাখ টাকার কম বিনিয়োগের পরে ৫ বছর পর মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ, এখন তা কমে ১০ দশমিক ৫৯ শতাংশে নেমে এসেছে। আর, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হার পরিবর্তিত হয়নি; পূর্বের মতোই ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।

    এছাড়া বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের পাঁচ বছর মেয়াদি পরিকল্পনাতেও মুনাফার হার কমানো হয়েছে। যেখানে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগ হলে মেয়াদ শেষে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ, এখন তা দাঁড়িয়েছে ১০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। একইভাবে, ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে হার কমে ১০ দশমিক ৪১ শতাংশে নেমে এসেছে।

    সর্বশেষ, তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগ করলে মুনাফা কমে যাবে। যেখানে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মেয়াদ শেষে হার ছিল ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ, এখন সেটি ১০ দশমিক ৪৮ শতাংশ; আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে হার পরিবর্তিত হয়ে ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ থেকে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশে নেমে এসেছে।

    সবশেষে জানানো হয়েছে, ১ জুলাই ২০২৫-এর আগে ইস্যু হওয়া সব জাতীয় সঞ্চয় স্কিমের জন্য এই নতুন হার প্রযোজ্য হবে। তবে পুনর্বিনিয়োগের ক্ষেত্রে, নতুনের পরিবর্তে পুনর্বিনিয়োগের তারিখে নির্ধারিত হারই কার্যকর থাকবে। পাশাপাশি, পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে নতুন হার পুনর্নির্ধারণ করে দেওয়া হবে।

  • বছরের শুরুতেই সোনার ভরির দাম কমল ১৪৫৮ টাকা

    বছরের শুরুতেই সোনার ভরির দাম কমল ১৪৫৮ টাকা

    নতুন বছরের প্রথম দিনেই দেশের বাজারে সোনার দাম আবারও কমেছে। বিশেষ করে সবচেয়ে মানসম্পন্ন ২২ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) দাম কমেছে ১ হাজার ৪৫৮ টাকা। ফলে, এখন থেকে একটি ভরি সোনার নতুন দাম হবে ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা।

    এই দাম নির্ধারণের জন্য স্থানীয় বাজারে নতুন দর কার্যকর করা হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) জানিয়েছে, শুক্রবার, ২ জানুয়ারি থেকে এই নতুন দাম কার্যকর হবে।

    বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই মূল্যসমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহিনের স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়।

    নতুন হিসাব অনুযায়ী, দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের সোনার দাম এখন প্রতিভরি ২ লাখ ২২ হাজার ৭২৪ টাকা। এছাড়া, ২১ ক্যারেটের মানের জন্য মূল্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ১২ হাজার ৬৩৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ১ লাখ ৮২ হাজার ২৫০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনার জন্য প্রতিভরি হলো ১ লাখ ৫১ হাজার ৮০৭ টাকা।

    বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সোনার বিক্রির মূল্যে অবশ্যই সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুসের নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে, গহনা ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির মধ্যে পার্থক্য থাকতে পারে।

    অন্যদিকে, এর আগে ২০২২ সালের শেষ দিন অর্থাৎ ৩১ ডিসেম্বর, বাজুস দেশে সোনার দাম সমন্বয় করে ভরে ছিল। সেদিন, অবিশ্বাস্যভাবে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়—আরো ২৭৪১ টাকা কমানো হয়েছিল।

    সেবার অন্যান্য মানের জন্য দাম ছিল ২১ ক্যারেটের ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৩৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৪১৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫২ হাজার ৮৫৭ টাকা। এই দামগুলো কার্যকর হয়েছিল ১ জানুয়ারি থেকেই।

    বাজুসের সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়, আর ২৯ বার দাম কমানো হয়েছে।

    এছাড়া, সোনার পাশাপাশি রুপার দামেও কমন দেখা গেছে। ভরিতে ৫২৫ টাকা কমিয়ে দেশের বাজারে ২২ ক্যারেটের রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৪০ টাকা। অন্যান্য মানের রুপার দাম যথাক্রমে ২১ ক্যারেটের জন্য ৫ হাজার ৩০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের জন্য ৪ হাজার ৫৪৯ টাকা, ও সনাতন পদ্ধতির জন্য ৩ হাজার ৩৮৩ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

    এটি দেশের বাজারে প্রথম রুপার দাম সমন্বয়। গত বছর, দেশের বাজারে রুপার দাম ১৩ বার পরিবর্তিত হয়েছিল, যেখানে বাড়ানো হয় ১০ বার ও কমানো হয় ছিল মাত্র ৩ বার।

  • ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    ডিসেম্বরে প্রবাসী আয়ে রেকর্ড ৩৯ হাজার কোটি টাকা

    দিন দিন দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ধারাবাহিকতায়, সদ্য সমাপ্ত ডিসেম্বর মাসে দেশে বৈধ পথে প্রবাসী বাংলাদেশিরা পাঠিয়েছেন মোট ৩২২ কোটি ৬৬ লাখ ডলার। এ পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩৯ হাজার ৩৬৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (প্রতি ডলার ১২২ টাকা ধরে হিসাব করে), যা নয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্সের রেকর্ড। এর আগে, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে সর্বোচ্চ ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এই হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ১ হাজার ৬২৬ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর আগে, আগের অর্থবছরের একই সময়ে রেমিট্যান্স ছিল ১ হাজার ৩৭৭ কোটি ৫৮ লাখ ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই অর্থবছরে রেমিট্যান্সে অনেক বৃদ্ধি হয়েছে, যা প্রায় ৬৯ কোটি ডলার বা ৩১ শতাংশ বেশি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দেশে মোট ২২০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এই সময়ের মধ্যে রেমিট্যান্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে ২৪৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার বা ১৮ শতাংশের বেশি।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, হুন্ডি প্রতিরোধে সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নেওয়া উদ্যোগ, প্রণোদনা ও ব্যাংকিং চ্যানেল উন্নত করার ফলেই রেমিট্যান্সের পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

    পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে মাসভিত্তিক প্রবাসী আয়ের প্রবাহ ছিল যথাক্রমে: জুলাইয়ে ২৪৭ কোটি ৭৮ লাখ ডলার, আগস্টে ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ডলার, সেপ্টেম্বরায় ২৬৮ কোটি ৫৫ লাখ ডলার, অক্টোবরে ২৫৬ কোটি ২৪ লাখ ডলার, এবং নভেম্বরে ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ডলার।

    অন্যদিকে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের রেকর্ড বৃদ্ধি দেখা গেছে। ওই অর্থবছরের শেষে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রায় ২৭ শতাংশ বেশি। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার।

  • নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে: মির্জা ফখরুল

    নির্বাচনে দেশের পক্ষের শক্তি বিএনপিকে বিজয়ী করবে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ বলেছেন, দেশের শক্তিশালী পক্ষসমূহের সমন্বয়ে গঠিত ভোটাররা আগামী নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ করে দেখাতে সক্ষম হবে এবং সেই মাধ্যমে বিএনপিকে বিজয়ী করবে। তিনি মন্তব্য করেন, দেশের সাধারণ মানুষের স্বপ্ন পূরণের জন্য এই শক্তি সরকারি বাহিনী, রাজনৈতিক দল ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাচ্ছে।

    বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

    ফখরুল বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য দীর্ঘকাল আন্দোলন চালিয়েছেন, কারাভোগ করেছেন এবং সর্বশেষ অসুস্থ থাকলেও তিনি কখনো দেশের বাইরে যাননি। তার দেশের প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং মাটির প্রতি প্রেম দেশের সবাইকে আণন্দিত করেছে।’

    তিনি উল্লেখ করেন, ‘বিশেষ করে যখন দেশের সংকটময় পরিস্থিতি ছিল, তখন তিনি তার অভিভাবকত্বের প্রয়োজনীয়তা সম্পন্ন করেছেন। তার মৃত্যুতে দেশের মানুষ গভীর শোক প্রকাশ করেছে, তার জন্য দোয়া ও শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছে। এই শোক ও সমবেদনা এই কথাও প্রমাণ করে যে, তিনি চলে যাওয়ার মধ্য দিয়ে দেশের গণতন্ত্রের জন্য আরো এক শক্তির সংকেত দিয়েছেন।’

    মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের এই গভীর ভালোবাসা দলটিকে আরও শক্তিশালী করবে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, সার্বভৌমত্ব এবং দেশের স্বাধীনতা রক্ষা করার দুর্দান্ত আস্থা রয়েছে সাধারণ মানুষের।’

  • এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মুরসালীন পদত্যাগ

    এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক মুরসালীন পদত্যাগ

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক খান মুহাম্মদ মুরসালীন পদত্যাগ করেছেন। তিনি বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে তার ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন। ওই পোস্টে তিনি লিখেন, আমি খান মুহাম্মদ মুরসালীন এত দিন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। পাশাপাশি পার্টির মিডিয়া সেল, প্রচার ও প্রকাশনা সেলে কাজ করেছি। সম্প্রতি পার্টির নির্বাচনকালীন মিডিয়া উপকমিটির সেক্রেটারি হিসেবেও কিছু দিন দায়িত্ব পালন করেছিলাম। মুরসালীন উল্লেখ করেন, এই মুহূর্তে তিনি সব দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি আরও জানান, কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা তিনি একটি ভিডিও বার্তায় দেবেন। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তিনি এনসিপি থেকে পদত্যাগ করলেও রাজনীতি থেকে পদত্যাগ করছেন না। তার কথায়, দেখা হবে রাজপথে। উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে এনসিপি থেকে অন্তত ৯ জন নেতার পদত্যাগের খবর জানা গেছে।