Author: bangladiganta

  • যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আমাদের বিশ্বাস নেই, তারা আস্থা অর্জনে ব্যর্থ: বাঘের ঘালিবাফ

    যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আমাদের বিশ্বাস নেই, তারা আস্থা অর্জনে ব্যর্থ: বাঘের ঘালিবাফ

    ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার বাঘের ঘালিবাফ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার ব্যর্থতা নিয়ে প্রথমবার আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন। রোববার মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে তিনি লিখেছেন, “আমাদের প্রয়োজনীয় মনোভাব ও সদিচ্ছা আছে। কিন্তু আগের দুই যুদ্ধের অভিজ্ঞতা থেকে মার্কিনিদের ওপর আমাদের কোনো বিশ্বাস নেই।”

    ঘালিবাফ আরও বলেছেন, “মার্কিনিরা এই পর্বের আলোচনায় ইরানি প্রতিনিধিদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।” তিনি পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়ে জানিয়েছেন, “আমাদের ভাতৃপ্রতীম দেশ পাকিস্তানের ওপর আমরা কৃতজ্ঞ — এই আলোচনার ব্যবস্থা করার জন্য; আমি পাকিস্তানের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

    পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে গত শনিবার সন্ধ্যায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল আলোচনা করে। দীর্ঘ সময় আলোচনার পরও কোনো চুক্তিতে পৌঁছানো যায়নি। দুই পক্ষের মধ্যে বর্তমানে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি রয়েছে।

    ইরানের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় অতিরিক্ত দাবি-দাওয়া করেছে, যা তাদের পক্ষে গ্রহণযোগ্য নয়; ফলে চুক্তি ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদলে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স; তিনি ও তার প্রতিনিধি দল বৈঠকের পর নিজ দেশে ফিরে গেছেন।

    সূত্র: আলজাজিরা

  • এক দিনের মধ্যে ইরান ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

    এক দিনের মধ্যে ইরান ধ্বংস করতে পারি: ট্রাম্প

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর হুমকি উচ্চারণ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি এক দিনেই ইরানকে গুঁড়িয়ে দিতে পারি’ এবং ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ বেসামরিক জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব—যা ইরানের জন্য নতুন এক বড় ধাক্কা হবে।

    ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি নির্দিষ্ট দেশগুলোর কাছে তেল বিক্রি করে অর্থ আয়ের চেষ্টা করে, তা তিনি মেনে নেন না। তিনি জানিয়েছেন, ‘হতে হবে সবাইকে সুযোগ দেয়া বা কারোই নয়—এটাই আমাদের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।’

    ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে নিজের অবস্থানও পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেন, সেখানে কোন জাহাজ যাবে আর কোনটি যাবে না—এমন নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকা ঠিক নয়; তার যুক্তি, হলে সবাই নিরাপদ যাতায়াত পাবে, নয়তো একটিও জাহাজ নিরাপদ থাকবে না।

    এর পাশাপাশি, নিজের মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ একটি পোস্টে ট্রাম্প বলছেন, ওয়াশিংটন যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত রয়েছে এবং ‘উপযুক্ত সময়ে’ ইরানকে শেষ করে দেয়া হবে বলে জানিয়ে দেন।

    এই মন্তব্যগুলো আসে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের প্রায় ২১ ঘণ্টা দীর্ঘ আলোচনা শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে—যে আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়। ট্রাম্পের সতর্ক বার্তা দুই পক্ষের মিশ্র সম্পর্ক ও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে চর্চার জন্ম দিয়েছে।

  • কালীগঞ্জে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় আটকে পড়ে হকার ওসমান আলীর মর্মান্তিক মৃত্যু

    কালীগঞ্জে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় আটকে পড়ে হকার ওসমান আলীর মর্মান্তিক মৃত্যু

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে রবিবার (১২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুটি যাত্রীবাহী বাসের প্রতিযোগিতার মাঝেই আটকে পড়ে হকার ওসমান আলী (৪০) মর্মান্তিকভাবে নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনা কালীগঞ্জ শহরের মেইন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ঘটে।

    নিহত ওসমান আলী কালীগঞ্জ পৌরসভার হেলাই গ্রামের বাসিন্দা হলেও তার আদি বাড়ি মাহেশপুর উপজেলায়। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীবাহী যানবাহনে উঠে-নামা করে বিভিন্ন পণ্য বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকালে শাপলা পরিবহনের দুটি বাস স্ট্যান্ডের সামনে একই লাইনে চলছে। এক বাস দ্রুতগতিতে অন্য বাসটি অতিক্রম করার চেষ্টা করলে পেছনের বাস ও সামনের বাসের মাঝখানে চাপা পড়ে যান ওসমান আলী। তিনি চিৎকার করে সহায়তা চাইলেও বাস দুটির চালকগণ গতি কমাননি এবং আগে যাওয়ার প্রতিযোগিতায় লিপ্ত থাকায় ঘটনাস্থলেই তিনি গুরুতর আহত হন এবং পরে মৃত্যু হয়।

    কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে উপস্থিত ডাঃ জান্নাতুল নাঈম লাজুক বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই তিনি মারা গেছেন। মরদেহে বুকে এবং মস্তকে তীব্র আঘাতের চিহ্ন ছিল এবং নাক থেকে অতিরিক্ত রক্তপাতে তার শ্বসন ও জীবনচিহ্ন নষ্ট হয়েছিল।

    কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জেল্লাল হোসেন ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আইনগত ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় অনুসন্ধান শুরু করা হয়েছে। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

  • অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন হয়েছেন খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন হয়েছেন খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য

    খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুমেবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশিষ্ট সার্জন ও চিকিৎসাবিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন।

    রোববার (১২ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের অনুমোদনক্রমে তাকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী যোগদানের তারিখ থেকে চার বছরের জন্য তিনি উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। তবে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের প্রয়োজন মনে করলে যে কোনো সময় এই নিয়োগ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষিত আছে।

    নিয়োগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনটি উপসচিব রাহেলা রহমত উল্লাহ স্বাক্ষরিত এবং তা জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে।

    অধ্যাপক ডা. রফিকুস সালেহীন বর্তমানে রাজধানীর ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। একজন অভিজ্ঞ সার্জন ও শিক্ষাবিদ হিসেবে চিকিৎসা অঙ্গনে তার দীর্ঘদিনের সুনাম আছে এবং তিনি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ও同行 পেশাদারদের মধ্যে ব্যাপক শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।

    তার এই নিয়োগকে খুলনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও শিক্ষা ব্যবস্থায় নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট মহল থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া এসেছে; অনেকেই আশা করছেন নতুন নেতৃত্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও চিকিৎসা কার্যক্রমে নব্য গতিশীলতা ও মান উন্নয়ন আনবেন।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের আয়োজনে রোববার বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করেছিল—ছাত্রছাত্রীরা দলীয় ও ব্যক্তিগত ইভেন্টে অংশ নিয়ে প্রাণবন্ত প্রতিযোগিতা উপহার দেন।

    প্রতিযোগিতা শেষে বিকাল পাঁচটায় ২০টি ইভেন্টের বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। শুভেচ্ছাসহকারে তিনি বলেন, খেলাধুলায় অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উৎসববোধ ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তোলে। এছাড়া সহশিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বগুণ বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে—এই ধরণের কার্যক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আরও বেশি করে জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার জন্য তিনি উৎসাহ দেন।

    উপাচার্য অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী ছাত্রছাত্রী ও আয়োজক শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে কর্মজীবন ও শিক্ষাজীবনে সক্রিয় থাকার জন্য শুভকামনা জানান।

    পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল আলম। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ও শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের পরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শারীরিক শিক্ষা চর্চা বিভাগের উপ-পরিচালক এস এম জাকির হোসেন।

    প্রতিযোগিতার ফলাফলেও দেখায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব ও দক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। ছাত্রীদের দলগত ইভেন্টে স্থাপত্য ডিসিপ্লিন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। ছেলে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত ইভেন্টে যৌথভাবে রসায়ন ডিসিপ্লিনের অনিক গোলদার ও ফার্মেসি ডিসিপ্লিনের সম্রাট চ্যাম্পিয়ন হন। অন্যদিকে ছাত্রীদের ব্যক্তিগত ইভেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন শিক্ষা ডিসিপ্লিনের সাজিয়া মাহিন মিথী। সকল বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীকে সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান করা হয়।

    উদ্বোধনী অংশে সকাল ১০টায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. মোঃ আশরাফুল আলম। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

    অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন রিসোর্স টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ছাত্র শুভদীপ গোলদার ও এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের ছাত্রী অনিন্দিতা বিশ্বাস। আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও এই ধরনের ক্রীড়া ও সহশিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিয়ে জানিভাবে শিক্ষার্থীদের সুশীল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও নেতৃত্বগুণ এগিয়ে নেওয়া হবে।

  • পিএসএলে শরিফুল-রানার এনওসি একদিন বাড়ালো বিসিবি

    পিএসএলে শরিফুল-রানার এনওসি একদিন বাড়ালো বিসিবি

    পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) খেলার জন্য শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানার অনাপত্তিপত্র (এনওসি) একদিন বাড়িয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। পেশোয়ার জালমি ফ্র্যাঞ্চাইজি ও পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) অনুরোধের প্রেক্ষিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    এ অনুযায়ী, পেশোয়ার জালমির পরবর্তী ম্যাচ খেলতে তারা আরও এক দিন পাকিস্তানে থাকতে পারবেন। আগের এনওসি ছিল ১২ এপ্রিল পর্যন্ত, কিন্তু পেশোওয়ারের ম্যাচ থাকায় পিসিবি অতিরিক্ত সময়ের অনুরোধ করলে বিসিবি সেটি মঞ্জুর করেছে।

    শরিফুল ও রানা ১৪ এপ্রিল দেশে ফিরে জাতীয় দলের ক্যাম্পে যোগ দেবেন। অন্যদিকে, এনওসি থাকা সত্ত্বেও পারভেজ হোসেন ইমন চোট পাওয়ায় আগেই দেশে ফিরেছেন। কাঁধের লিগামেন্টে চোটের কথা জানিয়েছে তার পিএসএল দলের ফিজিও; মাঠে ফিরতে তার প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। আজ (রবিবার) বিসিবির ফিজিওরা ইমনকে পরীক্ষা করে নির্ধারণ করবেন তিনি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে পারবেন কি না।

    ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে বাংলাদেশের অন্যান্য খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স মিশ্র রকমের। রিশাদ হোসেন এ আসরে চার ম্যাচে মাত্র দুই উইকেট নিয়েছেন। তানজিদ হাসান তামিম পেশোয়ারের স্কোয়াডে ছিলেন, তবে প্রথমবার বিদেশি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে গিয়ে কোনো ম্যাচের একাদশে সুযোগ পাননি।

    পেশোয়ারের হয়ে শরিফুলের পারফরম্যান্স ধীরে ধীরে মানিয়ে গেছে — প্রথম দুই ম্যাচে উইকেট না পেলেও পরের দুই ম্যাচে দুইটি উইকেট নিয়েছেন। নাহিদের শুরুটা হতাশাজনক ছিল; প্রথম ম্যাচে তিন ওভারে ৩০ রান দিয়েছিলেন, কিন্তু পরের দুই ম্যাচের জোরালো বোলিংয়ে তিনি মোট পাঁচ উইকেট নিয়েছেন।

    সংক্ষেপে, বিসিবির একদিনের এনওসি বাড়ানোর সিদ্ধান্তে পেশোয়ার জালমির গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দুই পেসারের সেবা পাবে, আর বাংলাদেশ দলের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য-পরীক্ষা ও ক্যাম্পে যোগদানের তফসিলও ঠিক রাখা হয়েছে।

  • ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশার প্রয়াণে রুনা লায়লার শোক

    ‘এমন শিল্পী আর জন্মাবে না’, আশার প্রয়াণে রুনা লায়লার শোক

    ভারতের কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে রোববার (১২ এপ্রিল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়; বার্ধক্যাহত কণ্ঠস্বর এবং অসংখ্য শ্রোতার স্মৃতিতে তিনি থেকে গেলেন অনবদ্য সংগীতের এক অধ্যায়।

    আশার প্রয়াণে সংগীতবিশ্ব শোকাহত। বাংলাদেশি শিল্পী রুনা লায়লা গভীর দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘পৃথিবীর বড় বড় দুইজন কিংবদন্তি শিল্পী পরপর চলে গেলেন। লতা মুঙ্গেশকর দিদি ২০২২ সালে চলে গেলেন, আর এখন আশা দিদিও চলে গেলেন। এমন শিল্পী আর এই পৃথিবীতে জন্মাবে না। আমার কাছে মনে হচ্ছে আমার পৃথিবীটাই শূন্য হয়ে গেল।’

    রুনা লায়লা ব্যক্তিগত স্মৃতিও শেয়ার করেন। তিনি বলেন, ‘তারা দুজনেই আমাকে ভীষণ স্নেহ করতেন—মায়ের মতোই। এই কষ্ট ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।’ রুনা জানান, তার শেষ দেখা হয়েছিল তাঁর নিজের সুর করা গান ‘চলে যাওয়া ঢেউগুলো আর ফিরে আসেনি’-এর রেকর্ডিংয়ের সময়। পরে ফোনে যোগাযোগ ছিল, কিন্তু ‘‘আজ করব, কাল করব’’ ভেবে আর সময় পেলেন না—এটাই তার বড় আফসোস।

    রুনা আরও বলেন, ‘যখন মনে হচ্ছিল দিদিকে ফোন করি, যদি তখনই করতাম, তাহলে হয়তো আজ এই আফসোসটা থাকত না। নিজের ভেতরে খুব কষ্ট হচ্ছে—এই কষ্ট সত্যিই ভাষায় প্রকাশের নয়।’

    আশা ভোঁসলে শনিবার সন্ধ্যায় বুকে ব্যথা নিয়ে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকেরা তাকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখেন, কিন্তু বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পরিস্থিতি স্থিতিশীল না থাকা এবং শেষ পর্যন্ত তিনি আর ফিরে আসতে পারলেন না। খবর অনুযায়ী তার বয়স ছিল ৯২ বছর।

    টানা সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে ভারতীয় সংগীতের আকাশে রাজত্ব করেছেন আশা ভোঁসলে। হাজার হাজার গান এবং অসংখ্য কালজয়ী সুরের মাধ্যমে তিনি বহু প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছিলেন। তার প্রয়াণকে অনেকেই একটি সোনালি অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে দেখছেন—একই সঙ্গে শ্রোতারা তাঁর সুরে ও কণ্ঠে স্মৃতিভরা থাকবেন।

  • কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে জানালো পরিবার

    কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলের শেষকৃত্য কবে জানালো পরিবার

    দীর্ঘ অকল্যাণ সুরে মুগ্ধ করে রাখা কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। রোববার (১২ এপ্রিল) মুম্বাইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স ছিল ৯২ বছর।

    হাসপাতাল সূত্র ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত জটিলতায় তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। পরিবারের সদস্যরা ও চিকিৎসকরা তার মৃত্যু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

    আনন্দ ভোঁসলে, আশা ভোঁসলের ছেলে, জানিয়েছেন যে সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকাল ৪টায় মুম্বাইয়ের শিবাজি পার্কে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হবে। তিনি বলেন, মা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। সোমবার সকাল ১১টায় লোয়ার পেরেলে তাঁদের বাড়ি কাসা গ্রান্দে-তে মরদেহ রাখা হবে, যেখানে ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন। এরপর বিকেলে শিবাজি পার্কে শেষকৃত্য অনুষ্ঠিত হবে।

    আশা ভোঁসলের সংগীত যাত্রা দীর্ঘ ও উজ্জ্বল — ১৯৪৩ সালে তিনি ক্যারিয়ার শুরু করেন এবং দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ১২ হাজারেরও বেশি গান স্টুডিওতে রেকর্ড করেছেন বলে গিনেস বুকে তাঁকে বিশ্বের অন্যতম সর্বাধিক রেকর্ড করা শিল্পী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মীরা কুমারী, মধুবালা যুগ থেকে পরবর্তীতে কাজল, ঊর্মিলা মত অভিনেত্রীদের কন্ঠ দিয়েছিলেন তিনি। গজল, পপ, ক্লাসিকাল—প্রায় সব ধারাতেই ছিল তাঁর দখল; বহুমুখী প্রতিভায় তিনি অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।

    তার কিছু জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে দম মারো দম, চুরা লিয়া হ্যায় তুমনে, পিয়া তু আভ তো আজা এবং দিল চিজ কেয়া হ্যায়—এগুলো বহুপ্রজন্মের মন কাড়ে রাখা সুরের নমুনা।

    হিন্দি চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে আশাকে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার এবং পদ্মবিভূষণসহ বহু সম্মাননা দেয়া হয়েছে।

    ভক্ত, সহকর্মী ও চলচ্চিত্র-সংগীত জগৎ এখন শোকাহত; একজন যুগসন্ধিক্ষণের শিল্পীর বিদায় তাঁকে স্মরণে মনে করিয়ে দিচ্ছে অমর সুর আর অনন্য অবদানের কথা।

  • প্রথম পর্যায়ে ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ২২,০৬৫ কৃষক পাবেন কৃষক কার্ড: কৃষিমন্ত্রী

    প্রথম পর্যায়ে ১০ জেলার ১১টি উপজেলার ২২,০৬৫ কৃষক পাবেন কৃষক কার্ড: কৃষিমন্ত্রী

    কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশীদ জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে সারাদেশের ১০টি জেলার ১১টি উপজেলার ২২,০৬৫ জন কৃষককে কৃষক কার্ড প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, নতুন বছরের পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।

    আজ রোববার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন পিআইডি সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর এবং কৃষি ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের সচিব উপস্থিত ছিলেন।

    কৃষিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষকদের আর্থ-সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধির পাশাপাশি আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিতকরণ, কৃষি খাতের সার্বিক উন্নয়ন ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে স্পষ্ট রূপরেখা দিয়েছেন। এর লক্ষ্য হচ্ছে আত্মনির্ভর, জলবায়ু-সহিষ্ণু ও প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা, যেখানে উৎপাদন ও বিপণনই হবে তথ্যভিত্তিক।

    তিনি বলেন, কৃষককে ক্ষমতায়িত উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং কৃষিকাজকে জাতীয় অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। এজন্য সরকারের অগ্রাধিকার কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি কৃষকের জন্য কৃষক কার্ড প্রদান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    কৃষক কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা, কৃষি খাতে ডিজিটাল রূপান্তর ঘটিয়ে দুর্নীতিমুক্ত সেবা ব্যবস্থা গঠন করা এবং কৃষকের মর্যাদা বাড়ানোই সরকারের প্রত্যাশা। কার্ডটি একটি ব্যাংকিং ডেবিট কার্ড হিসেবে কার্যকর হবে এবং রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় শাখায় কৃষকদের নামে ব্যাংক হিসাব খোলা হয়েছে।

    অপরদিকে, কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রমটি ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হবে—প্রি-পাইলটিং, পাইলটিং ও দেশব্যাপী পর্যায়। প্রাক-পাইলটের অংশ হিসেবে ১১টি ব্লকে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে। এই ব্লকগুলো হলো:

    কমলাপুর (পঞ্চগড় সদর, পঞ্চগড়), উথলি (শিবগঞ্জ, বগুড়া), কৃপালপুর (শৈলকুপা, ঝিনাইদহ), রাজাবাড়ি (নেসারাবাদ, পিরোজপুর), রাজারছড়া (টেকনাফ, কক্সবাজার), অরণ্যপুর (আদর্শ সদর, কুমিল্লা), সুরুজ (টাঙ্গাইল সদর, টাঙ্গাইল), তেনাপঁচা (গোয়ালন্দ, রাজবাড়ী), ফুলতলা (জুড়ি, মৌলভীবাজার), পাঁচপীর (গোদা, পঞ্চগড়) এবং গাইবান্ধা ব্লক (ইসলামপুর, জামালপুর)।

    প্রি-পাইলটে শুধু ফসল উৎপাদনকারী কৃষকই নয়—মৎস্যচাষী, মৎস্য আহরণকারী, প্রাণিসম্পদ খাতের খামারি, দুগ্ধ খামারি ও লবণচাষীসহ ভূমিহীন, প্রান্তিক, ক্ষুদ্র, মাঝারি ও বড় শ্রেণীর কৃষকদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

    মন্ত্রী জানান, ১১ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে মোট ২২,০৬৫ জন কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। তাদের শ্রেণীবিভাগ অনুযায়ী সংখ্যা হলো: ভূমিহীন ৪৬ জন, প্রান্তিক ৯,৪৫৮ জন, ক্ষুদ্র ৮৯৬ জন, মাঝারি ১,৩০৩ জন এবং বড় ৫১ জন। কার্যক্রমে নির্বাচিতদের মধ্যে ফসল উৎপাদনকারী ২,১৪১ জন, মৎস্যজীবী ৬৬ জন, প্রাণিসম্পদ খামারি ৮৫ জন এবং লবণচাষী ৩ জন। মোট বাছাইকৃত কৃষকের মধ্যে প্রণোদনার জন্য নির্বাচিত ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকের সংখ্যা ২০,৬৩১ জন, যা মোটের প্রায় ৯৩.৭ শতাংশ।

    পাইলট পর্যায়ে ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য কার্ডের মাধ্যমে বার্ষিক সরাসরি নগদ প্রণোদনা হিসেবে প্রতি জনকে ২,৫০০ টাকা প্রদান করা হবে। কৃষক কার্ড ব্যবহার করে সংশ্লিষ্ট ডিলারের পিওএস/প্রিন্ট সেল মেশিনের মাধ্যমে সার, বীজ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সম্পর্কিত খাদ্য ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ কেনা যাবে। এর ফলে সরবরাহশুদ্ধতা ও ট্রানজেকশন ট্রেসযোগ্য হবে।

    প্রাক-পাইলটিংয়ের জন্য বরাদ্দ বাজেট প্রাক্কলিতভাবে ৪ কোটি ৩৪ লাখ টাকা ধরা হয়েছে। যদি প্রাক-পাইলট সফল হয়, তবে ২০২৬ সালের মধ্যে দেশের আরও ১৫টি উপজেলায় পাইলট কার্যক্রম করা হবে। পাইলট থেকে পাওয়া অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে আগামী চার বছরে সারাদেশে কার্ড বিতরণ ও সমৃদ্ধ ডাটাবেস তৈরির কাজ পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়িত হবে।

    কৃষিমন্ত্রী জানিয়েছেন, পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইলের শহীদপুর মারুফ স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের মধ্যদিয়ে প্রাক-পাইলট কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। কুমিল্লা জেলার অরণ্যপুর ব্লকের কার্ড বিতরণ আলাদা করে ১৭ এপ্রিল ২০২৬-এ সম্পন্ন হবে; বাকি ১০টি ব্লকে একই দিন অনুষ্ঠান হবে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, কৃষি একটি সম্মানজনক ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা। এই কৃষক কার্ড কৃষকের মর্যাদা আরও উজ্জ্বল করবে এবং সময়োপযোগী নতুন সেবা সংযুক্তির মাধ্যমে কৃষকদের কাজ ও আয়ের নিরাপত্তা বাড়াবে। কার্ডভিত্তিক স্মার্ট ডাটাবেস তৈরি হলে সারপাচ্য রোধ, চাহিদা অনুযায়ী ফসল উৎপাদন ও সরকারের মাধ্যমে কৃষকের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণসহ বহু প্রশাসনিক ও বাজারসংক্রান্ত সুবিধা পাওয়া যাবে।

    সূত্র: বাসস

  • দুপুরে জামিন, সন্ধ্যায় কাশিমপুর থেকে মুক্তি পেলেন শিরীন শারমিন

    দুপুরে জামিন, সন্ধ্যায় কাশিমপুর থেকে মুক্তি পেলেন শিরীন শারমিন

    হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পেয়ে রোববার (১২ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

    কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার জানান, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পর নিয়ম অনুযায়ী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তাকে রিলিজ করা হয়েছে। মুক্তির পর তিনি পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার থেকে বের হয়ে গেছেন।

    শিরীন শারমিনকে গত ৭ এপ্রিল ভোরে ধানমন্ডির তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে ডিবি পুলিশ গ্রেপ্তার করে। একই দিনে তাকে জুলাই আন্দোলনের সময়ের আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তাঁর বিরুদ্ধে দুইটি হত্যা চেষ্টা ও চারটি হত্যা মামলা রয়েছে।

    আসামিপক্ষের আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছেন, অন্য কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় কারামুক্তিতে আর কোনো বিধিনিষেধ ছিল না। বর্তমানে মামলার আইনগত প্রক্রিয়া চলছে।