Author: bangladiganta

  • ডাক বিভাগের অধীনে থাকবে না ‘নগদ’, দ্রুত বিজ্ঞাপন আসছে

    ডাক বিভাগের অধীনে থাকবে না ‘নগদ’, দ্রুত বিজ্ঞাপন আসছে

    বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর নিশ্চিত করেছেন যে, মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) খাতে উন্নতি এবং প্রতিযোগিতা বাড়ানোর জন্য সরকার নগদকে বেসরকারীকরণ করছে। তিনি বললেন, আমরা এ খাতে নতুন দিকনির্দেশনা এবং প্রতিযোগিতা তৈরি করতে চাই। এজন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, নগদকে সরকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে না রেখেই বেসরকারি উদ্যোগে নিয়ে আসা হবে। এর ফলে, এর বিনিয়োগ ও পরিচালনায় আরও স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আসবে। বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আইসিএমএবি ও মাস্টারকার্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিটে এই ঘোষণা দেন তিনি। তিনি আরও জানান, আমরা হয়তো এক সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন দেবো। শুধু তাই নয়, তিনি বলেন, বর্তমানে যে নগদ ডাক বিভাগের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে, তা থেকে তাকে সরিয়ে নেওয়া হবে। কারণ এখন ডাক বিভাগ এ কার্যক্রম চালানোর জন্য যথেষ্ট সক্ষম নয়। গভর্নর আরও উল্লেখ করেন, নগদের মূল শেয়ারহোল্ডার হিসেবে কোনও প্রযুক্তি কোম্পানিকে আনো দরকার, যাতে এটি নতুনভাবে গড়ে উঠে এবং মোবাইল আর্থিক সেবা খাতে শক্তিশালী প্রতিযোগী হিসেবে দাঁড়াতে পারে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন যে, নতুন গঠনের মাধ্যমে নগদ আরও উন্নত হবে ও গ্রাহকদের জন্য সেবা আরও সহজ ও মানসম্পন্ন হবে। সূত্র: শীর্ষনিউজ।

  • আবু বাকের জিতলেই আমি জিতে যাব, জানালেন মাহিন সরকার

    আবু বাকের জিতলেই আমি জিতে যাব, জানালেন মাহিন সরকার

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) সমর্থিত বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন দিয়ে নিজের পক্ষে অবস্থান স্পষ্ট করেছেন মাহিন সরকার। আজ শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন এই ব্যতিক্রমী ছাত্র নেতা।

    তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে যোদ্ধাদের শক্তিকে একত্রিত করতেই তাঁর এই সিদ্ধান্ত। মাহিনরা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, আবু বাকের যদি নির্বাচিত হন, তবে তিনি নিজেও জিতবেন। এ সময় তিনি সকল সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীর কাছে আবেদন করেন যেন তারা আবু বাকের মজুমদারকে পছন্দের প্রার্থী হিসেবে ভোট দেন।

    মাহিন সরকার আরও বলেন, ‘প্যানেল থেকে জিএস পদে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিলেও আমার প্রতিনিয়তই মনে হয়েছে যে, গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর মধ্যে ঐক্য থাকা জরুরি। আমি বিশ্বাস করি, ডাকসু নির্বাচনে যদি গণ-অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়, তারা শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক বেশি কাজ করবে।’

    এসময় তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘যারা আমাকে সমর্থন করেন, কারণ আমার প্রার্থিতা বাতিলের কোনো সুযোগ নেই, তাই আমার নাম লিস্টে থাকবে। কিন্তু আমি আপনাদের অনুরোধ করবো, বাকেরকে নির্বাচিত করুন। আমি ব্যক্তিগতভাবে তাকে সমর্থন জানাচ্ছি।’

    ডাকসু নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর মাহিন সরকার পৃথকভাবে একটি সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ নামে নতুন প্যানেল দেন, যেখানে তিনি জিএস পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। পাশাপাশি তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্য সচিব।

    জনপ্রিয়তা ও দলীয় কারণে, অনুমতি না নেওয়ায় ১৮ আগস্ট এনসিপি মাহিনের প্যানেলকে বহিষ্কার করে। এর পরেও মাহিনের প্যানেলের পক্ষ থেকে গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের নেতা সাব্বির উদ্দিন ও বায়েজিদ হাসান নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

  • নুরুল হক নুরের সুস্থতা নিয়ে পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁন

    নুরুল হক নুরের সুস্থতা নিয়ে পরিকল্পনা নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁন

    আহতের কারণে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর এখনও সম্পূর্ণ সুস্থ নন। দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান অভিযোগ করেছেন যে, তাকে সুস্থ দেখানোর একটি পরিকল্পনা চলমান। বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন।

    রাশেদ খান বলেন, নুরুল হক নুর এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছেন। তার নাক দিয়ে এখনও রক্ত পড়ছে, নাক বাঁকা হয়ে গেছে। মাথায় আঘাতের কারণে তিনি হাঁটতে পারছেন না এবং মুখ হা-ও করতে পারছেন না। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে নুরকে দ্রুত বিদেশে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তার শারীরিক অবস্থা আগের মতোই থাকছে বলে জানানো হলেও, তা মোটেও ঠিক নয়।

    সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নুরুল হক নুর বর্তমানে প্লেনে উঠার মতো অবস্থায় নেই। তবে আমরা সিঙ্গাপুরে নিয়ে তার চিকিৎসার জন্য দাবি জানিয়েছি। আশা করছি, তিনি একটু সুস্থ হলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যেই তাকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হবে।

    তিনি আরো জানান, গতকাল হাসপাতাল থেকে বলা হয়েছিল যে নুরুল হক নুর সম্পূর্ণ সুস্থ, কিন্তু সেটা সত্য নয়। তিনি এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ নন এবং তাকে সুস্থ দেখানোর জন্য পরিকল্পনা চালানো হচ্ছে। সম্প্রতি নুরের অবস্থা দেখার জন্য আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম, যেখানে ডাক্তাররা উপস্থিত ছিলেন। তখন দেখা যায়, তার নাক থেকে জমাট বাঁধা রক্ত বের হচ্ছে। অবিলম্বে ডিরেক্টরকে ফোন করে অবস্থা জানানো হয়, তিনি এসে অন্যান্য ডাক্তারদের সাথে আলোচনা করেন এবং নুরের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসার নির্দেশনা দেন। তবুও গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, নুরুল হক নুর সুস্থ আছেন, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তার এখনো আগের মতোই অবস্থায় থাকায় আমি বিশ্বাস করি না যে তিনি সুস্থ।

    রাশেদ খাঁন বলেন, আমি নুরের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেছি, কিন্তু তিনি কথা বলতে পারছেন না। তার চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, মুখ দিয়ে কথা বলতে পারছেন না, মুখের মালিশে প্রচন্ড ব্যথা এবং ব্রেনে আঘাতের চিহ্ন থাকার কারণে তার মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করছে না। তিনি আরও বলেন, নুরুল হক নুর এখনো সম্পূর্ণ সুস্থ হননি, এই হামলা তার জন্য ছিল হত্যার উদ্দেশ্যে।

    তিনি আরো যোগ করেন, এই হামলার ফলে জাতি একতাবদ্ধ হয়েছে। দেশের জনগণ চায়, আওয়ামী লীগসহ যারা ফ্যাসিবাদী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে, তাদের অবশ্যই নিষিদ্ধ করা হোক। ফ্যাসিবাদের দোসর সাবেক সবাইকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। ফৌজদারি ফাইল থাকা সত্ত্বেও এখনও কারো বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অনুমতি না থাকলে এই ধরনের ঘটনা ঘটার কথা নয়। গণতন্ত্রের জন্য কাজ করা এই সংগঠনের নেতা নুরুল হক নুর ও তার নেতাকর্মীদের উপর হামলার জন্য স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবশ্যই অবিলম্বে সরানো উচিত।

    রাশেদ খাঁন দাবি করেন, নুরুল হক নুরকে সুস্থ দেখানোর পরিকল্পনা কখনো ফলপ্রসূ হবে না। হামলার সঠিক বিচার হয়, জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয় এবং যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের যথার্থই শাস্তি পেতে হবে।

  • রিজভীর মন্তব্য: মাজার ভাঙা ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়া রাসুলের শিক্ষা নয়

    রিজভীর মন্তব্য: মাজার ভাঙা ও লাশ পুড়িয়ে দেওয়া রাসুলের শিক্ষা নয়

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজ আমাদের সমাজ দ্বিধাবিভক্ত এবং বিভ্রান্ত। কেউ মাজার ভাঙছে, কেউ লাশ পুড়িয়ে দিচ্ছে—এগুলো কখনোই রাসুলুল্লাহ (সা.)’র শিক্ষা নয়। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী further বলেছিলেন, পৃথিবীর মানুষের জন্য মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সা.)’র জীবন আরবের ইতিহাসের এক বৈচিত্র্যপূর্ণ দৃষ্টান্ত। তাকে অনুসরণ করে মানবতা, শান্তি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের এগিয়ে আসা উচিত। কিন্তু দুঃখের বিষয়, আমরা মোহাম্মদ (সা.)’র আদর্শ থেকে অনেক দূরে। তার থেকে শিক্ষা না নিয়ে বরং বিভিন্ন ফেরকা বিভাজন, ইসলামের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অন্ধকারের মাঝে আমরা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছি। সামান্যতম ifলন বা আদর্শ অনুসরণ করলে এই দেশের অঙ্গাঅঙ্গি অসামঞ্জস্য, অন্যায়, বিদ্বেষ, পাপাচার, হানাহানি এবং রক্তপাত অনেকটাই কমে আসত। রিজভী আরও বলেন, আজকের মুসলিম সমাজের সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয়—আমরা মহানবী (সা.)’র আদর্শকে অনুসরণ করি না। তাকে গ্রহণ করি না, তার সাদামাটা জীবন ও ব্যক্তিত্বের মূল্যক্ষণ না করে বরং তার শিক্ষাকে অবহেলা করি। এই কারণে সমাজে দুর্নীতি, অনাচার ও হিংসার আগ্রহ বেড়ে যাচ্ছে। মিলাদ মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর শরাফত আলী শফু। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।

  • ৩০ দল থেকে জাতীয় পার্টির নিষেধাজ্ঞার দাবি

    ৩০ দল থেকে জাতীয় পার্টির নিষেধাজ্ঞার দাবি

    জাতীয় পার্টির (জাপা) রাজনীতি নিষিদ্ধের জন্য দাবি জানিয়েছে ৩০টিরও বেশি রাজনৈতিক দলের নেতারা। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে গণ অধিকার পরিষদ আয়োজিত একটি সংহতি সমাবেশে তারা একত্রিত হয়ে এই দাবি জানান।

    এই সমাবেশের মূল আগ্রহ ছিল জ আপনি নেত্রীর ওপর হামলার ঘটনা, তার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার, পাশাপাশি জাপা ও ১৪ দলের রাজনীতি নিষিদ্ধ ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পদত্যাগের আহ্বান জানানো।

    সমাবেশে অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, জেএসডি, বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, এবি পার্টি, খেলাফত মজলিসসহ অন্তত ৩০টির বেশি স্বনামধন্য দল যোগ দিয়েছিল।

    নেতারা বলেছেন, এখন সময় এসেছে অবিলম্বে জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলীয় জোটের অবসান ঘটানোর। তারা উল্লেখ করেন, আওয়ামী লীগ দেশের গণতন্ত্রকে ধ্বংসের পেছনে দায়ী, এবং সরকারের দোসর হয়ে জাপা ও ১৪ দল শেখ হাসিনার স্বৈরাচারী শাসনকে বাড়াতে সক্রিয়। সম্প্রতি জাপা’র মাথা চাড়া দিয়ে উঠা একচেটিয়া ক্ষমতা লালন ও এর মাধ্যমে দেশের অস্থিতিশীলতা বাড়ানোর জন্য নেতারা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। অবিলম্বে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলকে নিষিদ্ধ করার দাবি করেন তারা।

    বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার পালিয়ে গেছে বলে স্বীকার করেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে, নুরুল হক নুরের ওপর হামলা কারা করছে? ড. ইউনূসের কাছে বারবার বলা হয়েছে, সরকারের বিভিন্ন স্তরে হাসিনার অনুগত উপদেষ্টারা রয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

    জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, নুরের উপর হামলা কোনো একটি দলের উপর নয়, বরং সেটি দেশের ওপর চালানো একটি হামলা এবং দেশের গণতন্ত্রের প্রতি আঘাত। এটি ছিলো গত জুলাইয়ে রক্তক্ষয়ী আন্দোলনের প্রতিক্রিয়া। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী শক্তি বিদায় নিলেও, যারা এই ফ্যাসিবাদ সৃষ্টি করেছিল, তারা এখনও সক্রিয়। এ জন্য দেশের মানুষ একটি স্বচ্ছ, মুক্ত গণতন্ত্রী বাংলাদেশ দেখতে চায়।

    গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, নুরের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত সেনা ও পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছেন। তিনি চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেন, এখনও কাউকেও গ্রেফতার করা হয়নি। সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ জরুরি, নতুবা সরকার ঘেরাও করা হবে। নেতারা স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তারা জাপাকে দেশে আবার রাজনীতি করতে দেবে না; আওয়ামী লীগ ও জাপার অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে।

    নাগরিক সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ বলেন, বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য কিছু অপচেষ্টা হচ্ছে। তবে তারা নতুন করে নির্বাচন চায় এবং সংস্কার করলে নভেম্বরে নির্বাচন হলে তারা অংশগ্রহণ করবে।

    ইসলামী আন্দোলনের নেতা আশরাফ আলী আকন্দ দাবি করেন, তিনি জাপাকে নিষিদ্ধ করতে সমর্থ। তারা চায় যেন ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ আর জন্ম না নেয়।

    হেফাজতের নেতা মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন বলেন, নুরকে আঘাত করা হয়নি, সেই আন্দোলনের নেতারাও ক্ষতিগ্রস্ত। তিনি বলেন, সমস্ত সহযোগি দলকে নিষিদ্ধ করে, আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পক্ষে থাকলেন।

    বেলা ৩টায় সমাবেশের কথা থাকলেও দুপুর থেকেই সমর্থনকারী নেতাকর্মীরা মিছিল শুরু করেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক পক্ষের নেতারা ক্ষত্রে ক্ষত্রে যোগ দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন। এছাড়া বিভিন্ন দলের নেতাকর্মীরা একত্র হয়ে বক্তব্য দেন এবং তাদের মধ্যে অভ্যুত্থানের দাবির পাশাপাশি দেশকে স্বচ্ছ, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক হবে বলে প্রত্যাশা প্রকাশ করেন।

  • জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনা

    জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও আগুনের ঘটনা

    রাজধানীর বিজয় নগর এলাকায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভয়াবহ ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই ঘটনা ঘটে, যা স্থানীয় পরিবেশকে আতঙ্কিত করে তুলেছে। ফায়ার সার্ভিসের নিশ্চিতকরণ অনুযায়ী, ডিউটি অফিসার রোজিনা আক্তার জানিয়েছেন, তারা জানিয়েছেন কার্যালয়ে আগুন লাগার খবর। তবে তারা এখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছায়নি, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের সহিংসতার ঘটনায় যোগ দিয়েছে এক ধরনের চরমপন্থা, তাই অনুমতি নিয়ে সঠিক সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হবে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সন্ধ্যার কিছু পরে বিক্ষোভকারীরা প্রথমে কার্যালয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারপর তারা সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়। ঘটনার পর, সাড়ে সাতটার মধ্যে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে তারা টিয়ার গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। এ সময় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে।

    উল্লেখ্য, এর আগে ৩১ আগস্ট একই স্থান থেকে একদল বিক্ষোভকারীর নেতৃত্বে মারমুখো মিছিল এসে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে হামলা চালায় এবং ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। দলটির নেতারা অভিযোগ করে বলেন, এই হামলা বিএনপি সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের নেতৃত্বে হয়েছে। দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য রেজাউল করিম ভূঁইয়া বলেন, “গণঅধিকার পরিষদের ব্যানারধারী মিছিলের অংশ হিসেবে কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়েছে। তারা জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের জন্য শ্লোগান দিচ্ছিল।” তিনি আরও বলেন, “আমরা মনে করি, জাতীয় পার্টি কেন ভোটে অংশ নিচ্ছে, তা নিয়ে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এর মধ্যে ছাত্রলীগ ও অন্যান্য দলও যুক্ত থাকতে পারে। এটা স্পষ্ট যে বর্তমান বাংলাদেশের রাজনীতিতে জাতীয় পার্টি একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে এবং আগামী নির্বাচনে বিরোধী শক্তি হিসেবে তুমি থাকতে চায়।”

    এদিকে, রমনা বিভাগের উপ-কমিশনার মাসুদ আলম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি, কিছু দুষ্কৃতকারী আগুন লাগিয়ে পালিয়ে গেছে। পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস উপস্থিত ছিল, জলকামান দিয়ে আগুন মোড়ানো হয় এবং পরিস্থিতি এখন স্থিতিশীল।”

  • আজ সরকারি ছুটি থাকছে না

    আজ সরকারি ছুটি থাকছে না

    ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) উদযাপনের জন্য আজ সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, এই বছর ২৬ আগস্ট থেকে রবিউল আউয়াল মাসের গণনা শুরু হয়েছে। এর ভিত্তিতে ৬ সেপ্টেম্বরকে ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) এর দিন হিসেবে নির্ধারিত করা হয়েছে। এই দিবসের কারণে, গত ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার ছুটি পুনঃনির্ধারণ করা হয়। তবে, এ দিন সরকারি ছুটি থাকলেও অনেকেই এই ছুটির আওতায় থাকবেন না। জরুরি পরিষেবা সংস্থাগুলোর কর্মীরা যেমন বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন, ইন্টারনেট, ডাক সেবা, হাসপাতাল, চিকিৎসা ওষুধ সরবরাহ, এবং সংশ্লিষ্ট যানবাহনের কর্মীরা এ ছুটির বাইরে থাকবেন। পাশাপাশি, জরুরি পরিষেবার সঙ্গে জড়িত প্রতিষ্ঠানগুলিও এই ছুটির আওতায় আসবে না।

  • সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ: হেফাজতের হুঁশিয়ারি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগ: হেফাজতের হুঁশিয়ারি

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সঙ্গীত শিক্ষক নিয়োগের জন্য সম্প্রতি জারির নির্দেশনাকে কেন্দ্র করে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। সংগঠনের নেতৃবৃন্দ জানিয়েছেন, এই গেজেট যদি অবিলম্বে প্রত্যাহার করা না হয়, তাহলে তারা রাস্তায় দাঁড়াবেন এবং গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণা দিয়েছেন। শুক্রবার সংগঠনের আমির আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী ও মহাসচিব আল্লামা সাজিদুর রহমান এক যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেন।

    তাদের মতে, ইসলামে বাদ্যযন্ত্রের ব্যবহার নিষিদ্ধ এবং সঙ্গীত কোনও মৌলিক শিক্ষার অংশ নয়। বাংলাদেশের মতো মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট দেশে, মুসলিম অভিভাবকদের মতামত না নিয়ে তাদের সন্তানদের প্রাথমিক শিক্ষায় সংগীত নিষিদ্ধ করা কতটা ঠিক? তাই তারা দাবি করেন, এই গেজেট যেন দ্রুত বাতিল করা হয়, এবং পরিবর্তে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের বিধিমালা প্রণয়ন করা হয়। অন্যথায়, তারা আরো উল্লেখ করে, দেশের মুসলিম শিশু-কিশোরদের ইসলামি মূল্যবোধ ও ঈমান রক্ষা করার জন্য বৃহত্তর ইসলামী জনতাকে সংগঠিত করে গণআন্দোলন গড়ে তুলবেন।

    হেফাজত নেতৃবৃন্দ আরও অভিযোগ করেন, এলজিবিটি ও গানের মাধ্যমে ইসলামি মূল্যবোধ থেকে মুসলিম শিশুদের দূরে সরিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা দীর্ঘদিন ধরে চালু রয়েছে, যা মূলত পশ্চিমা সংস্কৃতি ও পাশ্চাত্য ষড়যন্ত্রের অংশ। তারা বলেন, বর্তমান সরকারের আমলেই এই ইসলাম বিরোধী অঙ্গীকার বাস্তবায়িত হচ্ছে, এবং এটি দুর্বল সরকারের অজান্তে বা ইচ্ছে করে চলছে।

    নেতৃদ্বয় অবেদন করেন, প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের দাবি বহু পুরোনো হওয়া সত্ত্বেও অপ্রয়োজনীয়ভাবে সঙ্গীত শিক্ষকদের নিয়োগ দেওয়া এখন এক প্রকার দেশের ইসলামি মূল্যবোধের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ। পাশাপাশি তারা বলেন, সাধারণ শিক্ষার মানও দ্রুত উন্নত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতের ছাত্রেরা মৌলিক বিষয়ে দুর্বল থেকে দুর্বলতর না হন।

    তারা উল্লেখ করেন, জুলাইয়ে গণঅভ্যুত্থানে বিপুল সংখ্যক মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও আলেম শহিদ হয়েছেন। ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে বলে তারা মত প্রকাশ করেন। সরকারের কাছে তারা আশা প্রকাশ করে, শীঘ্রই প্রাথমিক স্তরে ধর্মীয় শিক্ষকদের নিয়োগের নতুন বিধিমালা প্রণয়ন করবেন। তাঁরা আরও বলেন, তারা চান না, অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলেম-ওলামাদের মধ্যে কোনো ধরনের সাংঘর্ষিক পরিস্থিতি তৈরি হোক। সংগঠনের বিবৃতিতে তারা সরকারের প্রতি এই আহ্বান প্রকাশ করেন যেন, যেন দ্রুত এই ভুল সিদ্ধান্ত সংশোধন হয় এবং দেশের আলেমদের মর্যাদা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

  • মুন্সীগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে ৪ জনের মৃত্যু

    মুন্সীগঞ্জে বিষাক্ত মদপানে ৪ জনের মৃত্যু

    মুন্সীগঞ্জে বিষাক্ত মদ খেয়ে একদিনের মধ্যে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও তিনজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যারা অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। এই ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিষাক্ত ও অতিরিক্ত মদপানের কারণে এই মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময়টা ছিল বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত থেকে শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টার মধ্যে। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর সবার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঘটনাটি ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি করেছে। কাঠাদিয়া গ্রামে মতি বেপারীর বাড়িতে একটি গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে হয়তো এই মদপানের ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত ব্যক্তিরা হলেন- কাঠাদিয়া গ্রামের বাচ্চু বেপারী (৬৫), ইব্রাহিম মুন্সী (৭০), রহমত উল্লাহ বেপারী (৬৮) এবং মহাকালী ইউনিয়নের ঘাসিপুকুরপাড় এলাকার হোসেন ডাক্তার (৬৫)।

    এছাড়া আরও তিনজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন— রহমতুল্লাহ (৬৫), আল আমিন সরকার (৪৫), সিজান বেপারী (২৬)।

    কাঠাদিয়া-শিমুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান বলেন, ‘স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়েছি সবাই মদপান করেছিলেন। এরপর তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং চারজনের মৃত্যু হয়। অন্যরা এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’

    টঙ্গীবাড়ী থানার ওসি মহিদুল ইসলাম বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো কোনো নিশ্চিত তথ্য পাইনি। তদন্ত চলছে।’

  • রাজবাড়ীর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অন্তর্বর্তী সরকার

    রাজবাড়ীর ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অন্তর্বর্তী সরকার

    রাজবাড়ীর ঘটনায় অন্তর্বর্তী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিবৃতি দিয়েছে। এসময় তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানায়। শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এই তথ্য জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গোয়ালন্দে নুরুল হক মোল্লা বা নুরাল পাগলার কবর অবমাননা ও মরদেহে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তারা উল্লেখ করে, এই অমানবিক, ঘৃণ্য কাজটি আমাদের মূল্যবোধ, আইনি ব্যবস্থা ও একটি ন্যায়ভিত্তিক, সভ্য সমাজের মৌলিক ভিত্তির ওপর একটি সরাসরি আঘাত। এই ধরনের বর্বরতা কোনো অবস্থাতেই সহ্য করা হবে না। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও মানুষের জীবনের পবিত্রতা, জীবদ্দশায় এবং মৃত্যুর পরেও রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের জনগণকে আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে যে, এই জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত সবাইকে চিহ্নিত করে কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে। কোনো ব্যক্তির বা গোষ্ঠীরই জবাবদিহিতা থেকে ছুটি নেই। যারা এইঘৃণ্য কাজের সঙ্গে জড়িত, তাদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত ও কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি তারা দেশের সকল নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ঘৃণা ও সহিংসতাকে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করুন। সহিংসতার বিরুদ্ধে একযোগে অবস্থান নিয়ে ন্যায়ের জন্য এবং মানবতার মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখতে সম্মিলিত প্রচেষ্টা গড়ে তুলুন।