বলিউডের সুপারস্টার শাহরুখ খান, বলিউডের দাপুটে তারকা দীপিকা পাড়ুকোন এবং হুন্ডাই কর্তৃপক্ষের ছয়জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে। রাজস্থানের ভরতপুরের বাসিন্দা কীর্তি সিং অভিযোগ করেছেন, ২০২২ সালের জুন মাসে তিনি হুন্ডাই আলকাজার মডেলের গাড়ি কেনেন। তবে তার অভিযোগ, এই গাড়িটি তিনি কিনে নেয়ার আগে ইচ্ছাকৃতভাবে ত্রুটিপূর্ণ করে সেটি কিনে নেওয়া হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাকে প্রতারণামূলকভাবে বিক্রি করা হয়েছে। তিনি বলছেন, গাড়িটি যেনো জালিয়াতির মাধ্যমে বিক্রি করা হয়েছে।
Author: bangladiganta
-

জেলা প্রশাসকের সাথে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দলের চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সাক্ষাৎ
জেএফএ কাপ অনূর্ধ্ব-১৪ জাতীয় মহিলা ফুটবলে খুলনা বিভাগীয় চ্যাম্পিয়ন হয়ে নিজ এলাকার নামে গর্বিত করেছে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল। এই আনন্দময় পরিস্থিতিতে খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুল ইসলাম খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে খেলা সংক্রান্ত আলোচনা ছাড়াও ট্রফি হস্তান্তর করা হয়। এ সময় জেলা প্রশাসক তাদের উৎসাহিত করে বলেন, চ্যাম্পিয়ন হওয়ায় পরিবার, এলাকাসহ সকলের জন্য গর্বের বিষয়। খেলাধুলা মন ও শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়তা করে। তিনি সবাইকে আরও কঠোর পরিশ্রমের আহ্বান জানান। উপস্থিত ছিলেন জেলা ক্রীড়া অফিসার মোঃ আলিমুজ্জামান, খুলনা জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইউসুফ আলী, কোষাধ্যক্ষ মোঃ নুরুল ইসলাম খান কালু, কার্যনির্বাহী সদস্য এম এ জলিল, মনিরুজ্জামান মহসীন ও এজাজ আহমেদ। উল্লেখ্য, ১৯ আগস্ট বিকেলে মাগুরা জেলা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে খুলনা জেলা মহিলা ফুটবল দল ৩-১ গোলে মাগুরা জেলা দলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গর্বিত করেছে। খুলনা দলের মূল খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলেন: লাকি, ইসরাম খান, বিপাশা আক্তার তিশা, জৈতি রায় মুন্নী, আলো খাতুন, রিমা সরকার, দিয়া মন্ডল, তানিশা আক্তার তন্নী, ঐশ্বর্য্য বাছাড়, খাদিজা খাতুন, সুমী খাতুন, সানজিদা সুলতানা ও দৃষ্টি মন্ডল।
-

বাগেরহাটে অনূর্ধ্ব ১৭ ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ
বাগেরহাটে উদযাপিত হলো তরুণদের উৎসব ২০২৫ এর অংশ হিসেবে একটি মোটিভেটিং এবং স্পোর্টসুল্য ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতা। গতকাল এই প্রতিযোগিতার ফাইনাল পর্ব শেষে বিজয়ীদের মাঝে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে বাগেরহাটের ১৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মোট ৭৬ জন ছাত্র-ছাত্রী। অনূর্ধ্ব ১৭ বালিকা বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয় সম্মিলনী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, অন্যদিকে বালক বিভাগে বিজয়ী হয় বৈটপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার এস এম মুস্তাফিজুর রহমান। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক আহমেদ কামরুল হাসান। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি এবং বাগেরহাট সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ শামীম হোসেন। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা শিক্ষার্থীদের মনোযোগ দেন যেন খেলাধুলার মাধ্যমে তারা সুস্থ ও সুন্দর জীবন গড়তে শেখে। প্রধান অতিথি তার বক্তৃতায় বলেন, এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি সুস্থ বিনোদনের সুযোগ পায়, এবং মোবাইলের আসক্তি কমাতে সহায়তা করবে। বিশেষ অতিথি ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি বলেন, যারা বিতর্ক করে তারা ভালো মানুষ হয়, আর যারা খেলাধুলায় সম্পৃক্ত হয় তারা সুস্থ ও সুন্দর নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠে। এ প্রসঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক מঈনুল ইসলাম, জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক ও অন্যান্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটগণ।
-

জাতীয় দলে খেলতে হলে আগে দেশে ফিরতে হবে, মামলা লড়তে হবে
দেশের ক্রিকেটের দুই বড় নাম তামিম ইকবাল এবং সাকিব আল হাসান। একসময় তাদের বন্ধুত্বের খবর শোনা গেলেও এখন দুজন এক আলাদা দিকের মানুষ। তাদের মধ্যে বিরোধের বিষয়ও নানা সময়ে আলোচনায় আসে। রাজনৈতিক কারণে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের বাইরে অবস্থান করছেন সাকিব। অন্যদিকে, বিসিবির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তামিম ইকবাল বোর্ডের দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
দেশান্তরিত থাকায় দীর্ঘ সময় ধরে জাতীয় দলের বাইরে রয়েছেন সাকিব। এখন প্রশ্ন উঠছে, যদি তামিম বোর্ড সভাপতি হন, তাহলে কি আবারও মাঠে দেখা যাবে তাকে। তবে বিভিন্ন মহল মনে করেন, পরিস্থিতির খুব দ্রুত পরিবর্তন হতে পারে না। এই বিষয়গুলো নিয়ে সম্প্রতি ডেইলি ক্রিকেটের এক পডকাস্টে খোলামেলা আলোচনা করেন তামিম।
তামيم বলেন, ‘সে একজন সক্রিয় ক্রিকেটার। সে বাংলাদেশের ক্রিকেটার। যদি এখন ঠিকঠাক ফিট থাকে, নিয়মিত অনুশীলন করে, আর নির্বাচকমণ্ডলী তাকে দলেও রাখে, তাহলে অবশ্যই আবারও জাতীয় দলে সুযোগ পাবে। তবে তাকে দেশের বাইরে থেকে আনা বা ফিরিয়ে আনা আমার হাতে নেই। এর সঙ্গে আইনি বিষয়ও জড়িয়ে আছে।’
সাকিবের বিরুদ্ধে দেশের নানা মামলায় জড়িয়ে থাকার বিষয়টি তুলে ধরে তামিম বলেন, ‘সাকিবের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা রয়েছে, তার মধ্যে হত্যা মামলাও আছে। আমি জানি, দেশের পরিস্থিতি আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারছি না। তবে যদি সে মামলার মোকাবিলা করে, অনুশীলন করতে পারে এবং নির্বাচকরা যদি তাকে দলে নেয়, তাহলে তার জন্য পথ উন্মুক্ত। তিনি বাংলাদেশেরই ক্রিকেটার, আমেরিকান বা পর্তুগিজ নন।’
তামিমের মতে, ‘জাতীয় দলে খেলতে হলে সাকিবকে আগে দেশে ফিরতে হবে। মামলা চালানো বা তুলে নেওয়া বিষয়টি বিসিবির দায়িত্ব নয়। তাকে দেশের জন্য খেলতে হলে অবশ্যই দেশে ফিরে আসা, অনুশীলন করা দরকার। এটি সত্যি না বোঝার মতো বিষয় নয়। তা, সবকিছু তার নিজের সিদ্ধান্ত, এবং সেটি সে জানে।’
-

মেসির শেষ ম্যাচে কান্না ও আবেগের ঢেউ
আজকের আর্জেন্টিনা-ভেনেজুয়েলা ম্যাচটি ছিল সত্যিই ‘মেসিময়’। কারণ, দেশের মাঠে এই ম্যাচে আর্জেন্টিনার প্রাণশক্তি লিওনেল মেসি তার জাতীয় জার্সিতে শেষবারের মতো খেললেন। ম্যাচের শুরু থেকেই তিনি আবেগের আবরণে ভরে উঠেছিলেন এবং কখনো কখনো চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। তাঁর দুচোখ বারবার অশ্রুসজল হয়ে উঠছিল।
বাংলাদেশ সময় ভোরে বুয়েনস এইরেসের এস্তাদিও মাস মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচটি বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ ম্যাচ হিসেবে পরিচিত। খেলার সময় স্বাভাবিকভাবে দেশপ্রেমে উজ্জীবিত দর্শকদের পাশাপাশি তাঁর পরিবার, স্ত্রী আন্তোনোলা রোকুজ্জো ও তিন সন্তানও এই গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত উপভোগ করেন। ম্যাচের সময় তিন সন্তানসহ উঠে দাঁড়িয়ে আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ডের সাথে ছবি তুলেছেন। আরও অন্তত একাধিক ছবি দেখা গেছে, যেখানে তিনি জাতীয় সংগীতের সময় নিজের পরিবারসহ উপস্থিত ছিলেন।
অনেক আগে থেকেই জানা ছিল যে, এই ম্যাচটি মেসির জন্য একটি বিশেষ অধ্যায়। ২৮ আগস্ট লিগস কাপের সেমিফাইনালের পরের দিন তিনি বলেছিলেন, যেন শেষের প্রস্তুতি, আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে তাঁকে দেখা যাবে। এই ঘোষণা আরও একবার নিশ্চিত করে দেয় যেন এটি মেসির শেষের সূচনা। সাধারণত, ভক্তদের জন্য বড় বিরাট উৎসব থাকলেও আজকের দিনটি যেন ভিন্ন এক আবেগে ভাসছিল। গ্যালারিতে মেসির ফটো এবং বিশ্বকাপ ট্রফির চিত্রশিল্প বড় করে সাজানো হয়। এই ট্রফিটির স্বাদ তিনি ২০২২ সালে পেয়েছেন, যা তাঁর জন্য এক মহা অর্জন।
ম্যাচে তিনি পুরো ৯০ মিনিট মাঠে ছিলেন এবং প্রতিটি বলের জন্যই দর্শকের উল্লাস ছিল চোখে পড়ার মতো। ‘ওলে, ওলে, ওলে…মেসি, মেসি, মেসি’ এই স্লোগান গ্যালারিতে তখন গ响ে উঠেছিল। তার স্ত্রীর চোখের জলও সহ্য করতে পারেননি, ম্যাচের শেষের দিকে তিনি মুখোমুখি হন রকমের নানা অনুভূতির। শেষ ম্যাচের ঘোষণা দিয়েছেন খেলোয়াড় হিসেবে এটি তাঁর জন্য তার সেই উজ্জ্বল সময়ের বিদায়।
ম্যাচে তিনি দুই গোল করেন, যথাক্রমে ৩৯ ও ৮০ মিনিটে। মধ্যবর্তী সময়ে লাওতারো মার্তিনেজ একটি গোল করলে, একটি সম্ভাবনাও ছিল গোলের। তবে ৮৯ মিনিটে রদ্রিগো দি পলের অ্যাসিস্টে মেসি আরও গোল করেন, কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল হয়।
গেলেও এটি দেশের মাঠে তাঁর শেষ ম্যাচ কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। কারণ, আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ভবিষ্যতে জুনে এক প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করেছে, তবে তা এখনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। ফলে, এই ম্যাচই হয়তো মেসির আর্জেন্টিনার জার্সিতে শেষ দেখা। পরবর্তী ম্যাচটি হবে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে, যা বাংলাদেশ সময় ১০ সেপ্টেম্বর ভোর ৫টায় শুরু হবে। এই ম্যাচটি হচ্ছে মনুমেন্তাল স্টেডিয়ামে। বর্তমানে আর্জেন্টিনা ১৭ মুখে ৩৮ পয়েন্ট নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বের শীর্ষে অবস্থান করছে।
-

জাতীয় ক্রিকেট লিগের Nicholson শুরু ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ঘোষণা করেছে দেশের জনপ্রিয় জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি আসরের সময়সূচি। এই প্রতিযোগিতা ১৪ সেপ্টেম্বর রাজশাহীতে শুরু হবে, যেখানে প্রথম ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে খুলনা ও চট্টগ্রামের মধ্যে। মূলত এটি চলবে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে, যেখানে প্রতিদিন দুটি করে ম্যাচ হবে। প্রথম দুই রাউন্ড খেলা হবে রাজশাহী ও বগুড়ার মাঠে, এরপর বাকি ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হবে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। মোট ১৩ রাউন্ডের এই টুর্নামেন্টে অংশ নেবেন দেশের প্রতিশ্রুতিশীল ক্রিকেটাররা, যারা নিজেদের প্রতিভা প্রমাণের জন্য এই আসরকে একটি বড় সুযোগ হিসেবে মনে করছেন। গ্রুপ পর্বের শীর্ষ চার দল নিয়ে শুরু হবে নকআউট পর্ব, যা শুরু হবে ৩০ সেপ্টেম্বর সিলেটে। এরই মধ্যে ৩ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায় অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের চূড়ান্ত ফাইনাল। এই আয়োজন তরুণ ক্রিকেটারদের জন্য নিজেকে প্রমাণের অসাধারণ একটি মঞ্চ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
-

নাগরিকতা পাওয়ার আগেই ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম থাকা, আদালতে নিষ্পত্তির জন্য মামলা
ভারতের কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর বিরুদ্ধে দিল্লির আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার অভিযোগ, ১৯৮৩ সালে তিনি ভারতের নাগরিকত্ব পাওয়ার তিন বছর আগে থেকেই তাঁর নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই অভিযোগটি করেছেন বিকাশ ত্রিপাঠী নামে একজন নাগরিক। আদালত মামলার শুনানি জন্য ১০ সেপ্টেম্বরের তারিখ নির্ধারণ করেছেন। খবর বাংলাদেশ প্রতিদিনের।
প্রকৃতপক্ষে, সোনিয়া গান্ধী ১৯৮৩ সালে ভারতের নাগরিকত্ব লাভের আগে, ১৯৮০ সালে প্রথমবারের মতো ভোটার তালিকায় নিজের নাম দেখেন। ত্রিপাঠীর অ্যাপ্লিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রথমে ১৯৮০ সালে তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়েছিল। তবে, কিছু আপত্তির কারণে ১৯৮২ সালে তার নাম বাদ দেওয়া হয়। এরপর, ১৯৮৩ সালে নাগরিকত্ব লাভের পর আবার তার নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত করা হয়।
তারা বলছেন, এই ঘটনাটি ভোটার তালিকা তৈরির পদ্ধতিতেই প্রশ্ন সৃষ্টি করে। অভিযোগকারীর প্রশ্ন, কিভাবে নাগরিকত্ব না থাকলেও সোনিয়া গান্ধীর নাম ভোটার তালিকায় রাখা হয়েছে, সেটা জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, তাঁর মনে হয়, প্রথমে সোনিয়া গান্ধীর নাম বাদ যাওয়ার কারণ হতে পারে তাঁর নাগরিকত্বের অনুপস্থিতি বা মাঠের পরিবর্তন। আদালতের আইনজীবীর দাবি, জাল নথি দ্বারা ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় সোনিয়া গান্ধীর নাম নথিভুক্ত করা হয়েছিল।
দেশজুড়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলার প্রেক্ষাপটে বিরোধী দলগুলি সোচ্চার। কিছুদিন আগে বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য বিস্ফোরক অভিযোগ করেন। তার দাবি, বিকাশ ত্রিপাঠীর এ মামলার সঙ্গে মিল রয়েছে অমিতের দাবির। তিনি একটি পোস্টে সফদরজং রোডের ১৪৫ নম্বর বুথের ভোটার তালিকার ছবি শেয়ার করেন এবং একইভাবে অভিযোগ পোষ্ট করেন।
-

পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞায় ৫৫ বছরে প্রায় ৪ কোটি মানুষের প্রাণহানি: গবেষণা
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পশ্চিমা দেশগুলো প্রভাবশালী শক্তির মাধ্যমে বিরোধী দেশগুলোকে শায়েস্তা করার জন্য অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ব্যবহার করছে। এই কৌশলটির কতটা কার্যকর, এ নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও এর ফলে কোটি কোটি মানুষ জীবন হারাচ্ছেন, এটা নিঃসন্দেহে সত্য। সম্প্রতি এক গবেষণায় উঠে এসেছে, এই নিষেধাজ্ঞার কারণে কত মানুষ হতাহত হয়েছেন।
-

ভারতে মহারাষ্ট্রে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে ৮ নিহত
ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য মহারাষ্ট্রের নাগপুর জেলায় একটি প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম কারখানায় ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে গেছে। এই দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যে আটজনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়ছে, আর অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। শুক্রবার বিকেল সাড়ে বারোটার দিকে এই ঘটনা ঘটে। এই কারখানা, যা নাগপুরের ভান্দারা এলাকার মধ্যে অবস্থিত, ভারতের কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের অধীন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, বিস্ফোরণের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে ৫ কিলোমিটার দূর থেকেও এর আওয়াজ শোনা গেছে। জেলা প্রশাসক সঞ্জয় কোলতে জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের কারণে কারখানার ছাদ ধসে পড়ায় বেশ কয়েকজন শ্রমিক চাপা পড়েন। দ্রুতই উদ্ধার কাজ শুরু হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আটজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়, পাশাপাশি আরও ২৫ জনকে জীবিত অবস্থায় আনিত হয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এই বিস্ফোরণ ঘটেছে কারখানার আরডিএক্স (অ্যাকসিডাইজড রেডিয়ওঅ্যাকটিভ সাবস্ট্যান্স) উৎপাদনের প্লান্টে। এক শ্রমিকের ভাষ্য, হঠাৎ চারপাশে ধোঁয়া ছেয়ে যায়, এবং শ্বাসপ্রশ্বাসে সমস্যা শুরু হয়। তার সঙ্গে আরও একজন ধারনা দেন, সুপারভাইজার বলেছিলেন, দ্রুত কারখানা থেকে বেরিয়ে যেতে। এরপরই বিস্ফোরণ ঘটে।
একজন শ্রমিক জানান, বিস্ফোরণের সময় কারখানাটি ভূমিকম্পের মতো কেঁপে উঠেছিল। এই ধাক্কার কারণে তিনি এবং অন্য একজন সহকর্মী মাটিতে বিছানা খেয়ে গিয়েছিলেন। এরপর তাঁরা প্রাণপণে কারখানার বাইরে ছুটতে শুরু করেন।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ২০২৩ সালে এই একই কারখানায় অতীতে একটি বড় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল, যেখানে নয়জন শ্রমিক নিহত হন। এই ঘটনার মতোই আজকের দুর্ঘটনা শ্রমিকদের জন্য এক ভয়াবহ ট্রাজেডি।
-

একদিনে আরও ৬৯ ফিলিস্তিনি নিহত, ইসরাইলের বর্বরতার মধ্যেই দখল গাজায়
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় ইসরাইলের হামলায় এক দিনে আরও ৬৯ জন ফিলিস্তিনি মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, অনাহারে মারা গেছেন আরও তিনজন। এই অস্থির পরিস্থিতিতে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত গাজা উপত্যকায় অন্তত ৬৪ হাজার ৩০০ জন ফিলিস্তিনি জীবন হারিয়েছেন।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর প্রতিবেদন সংস্থা আনাদোলুর।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নিকৃষ্ট রূপে পড়ে ৬৯টি লাশ আনা হয়েছে, পাশাপাশি আহত হয়েছে ৪২২ জন। এর ফলে মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৬২,০০৫ জনে।
ইসরাইলি বর্বরতা এতটাই ভয়ংকর যে, অনেক মৃতদেহ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে কিংবা রাস্তায় পড়ে রয়েছে, যেখানে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছে না।
এছাড়া, গত এক দিনে মানবিক সাহায্য সংগ্রহের চেষ্টা চলাকালে গুলিতে আরো ছয়জন ফিলিস্তিনি নিহত ও ১৯০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে, ২৭ মে থেকে এই পর্যন্ত ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৩৬২ জনে ও আহতের সংখ্যা ১৭,৪৩৪ জনের বেশি।
অতিরিক্ত, গত ২৪ ঘণ্টায় অনাহারে ও অপুষ্টিতে আরও তিনজন মারা গেছেন। এতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে এখন পর্যন্ত ৩৭৬ জনে পৌঁছেছে, যার মধ্যে রয়েছে ১৩৪ শিশু।
এদিকে, ২০২৩ সালের মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ গাজার সব সীমান্ত বন্ধ করে দেয়, ফলে ২৪ লাখের বেশি মানুষ মানবেতর জীবনযাপন করছে। এই অঞ্চলে তীব্র দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে, যা জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা মূল্যায়ন নিশ্চিত করেছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এ মাসের শেষে এটি পুরোপুরি উত্তর গাজায় ছড়িয়ে পড়বে।
২০১৯ সালের জানুয়ারিতে কাতার, মিশর ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হামাস ও ইসরাইল যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও, ১৮ মার্চ থেকে ইসরাইলি সেনারা নতুন করে গাজায় হামলা চালাচ্ছে। তখন থেকে গাজায় কমপক্ষে ১১ হাজার ৭৬৮ জন নিহত ও ৪৯ হাজার ৯৬৪ জন আহত হয়েছেন।
বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক আদালত গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এছাড়াও, গাজায় চলমান এই সংঘর্ষের জন্য ইসরাইল গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) মোকাবিলা করছে।
