Author: bangladiganta

  • কেসিসিতে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    কেসিসিতে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

    পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) নগর ভবনের চত্বরে একটি বিশেষ আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ ফিরোজ শাহ।

    প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি মহানবী (সা.) এর জীবনদর্শন ও আদর্শ অনুসরণের গুরুত্বের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, মহানবী (সা.) এর শিক্ষা হলো একটি ন্যায়, সাম্য ও মানবিকতার সমাজ প্রতিষ্ঠা করা, যেখানে প্রত্যেকের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও দায়িত্বের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে। আজকের এই দিবসের মূল বার্তা হলো তাঁর জীবনাচরণের সত্যটাই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে পৌঁছে দেওয়া। মুসলমানদের জন্য তাঁর পবিত্র জীবনদর্শন এখনও অপরিহার্য।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়োজিত এই অনুষ্ঠান প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা ও সংস্কৃতি কর্মকর্তা এস কে এম তাছাদুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেসিসি’র প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) কোহিনুর জাহান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

    আলোচনায় অংশ নেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মাওলানা মোঃ রফিকুল ইসলাম, দারুল কোরআন দাখিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এহসানুল হক, ইমাম পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ গোলাম কিবরিয়া, কেসিসি শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি মাওলানা মোঃ মুসফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মোঃ হাফিজুর রহমান। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কেসিসির সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম।

    শেষে, প্রধান অতিথি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থী ও অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে পুরস্কার ও সনদপত্র বিতরণ করেন। এই পরিবারের সব সদস্যের জন্য আজকের দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩১ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো

    বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এখন ৩১ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। বুধবার দিনের শেষে দেশের মোট গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব অনুযায়ী, রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার। আগে গত রোববার এই রিজার্ভের পরিমাণ ছিল গ্রস হিসাবে ৩০ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার এবং আইএমএফ হিসাব অনুযায়ী ২৫ দশমিক ৮৭ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পাওয়া তথ্যে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

  • এনবিআর চেয়ারম্যানের দাবি: ন্যূনতম কর একটি কালো আইন

    এনবিআর চেয়ারম্যানের দাবি: ন্যূনতম কর একটি কালো আইন

    জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মোঃ আবদুর রহমান খান বলেছেন, ন্যূনতম কর আইনটি সত্যিই একটি কালো আইন। মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘করপোরেট কর ও ভ্যাটে সংস্কার: এনবিআর এর জন্য একটি বিচারমূলক দৃষ্টিভঙ্গি’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, বেশিরভাগ ব্যবসায়ী এবং করসংক্রান্ত বিশ্লেষকদের মতে, ন্যূনতম করটি স্বাভাবিকভাবে ব্যবসায়িক স্বার্থের পরিপন্থী এবং এটি একটি অনুচিত আইন। তিনি একেএই সময়ে মন্তব্য করেন, করের জন্য দেশের প্রবৃদ্ধির স্বার্থে একটি সমতুল্য ও ব্যবসায়ীদের জন্য সুবিধাজক পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যাতে প্রাসঙ্গিক করনীতি কার্যকর হয়। এনবিআর চেয়ারম্যানের দাবি, করের ঝুঁকি কমিয়ে আনতে হলে করসংকোচনের পাশাপাশি কর প্রশাসনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেন, করছাড় ও করসংক্রান্ত সুবিধাদি দিয়ে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হলেও, এখনো কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে সক্ষম হচ্ছেন না। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন করের পরিমাণ বৃদ্ধি, যদিও বর্তমানে করের হার কমে যাচ্ছে। তিনি জানান, গত বছর দেশে কর-জিডিপি অনুপাত ছিল ৭.৪ শতাংশ, আর এবছর তা কমে ৬.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের জন্য উদ্বেগজনক। এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ঋণের বোঝা বাড়ছে, কারণ মূলত রাজস্ব আদায় খুব কম থাকায় পরবর্তী প্রজন্মের উপর ঋণের চাপ বাড়ছে। বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় এনবিআর একটি ডিজিটাল ও অটোমেটেড সিস্টেম তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে, যাতে কর נফরমেশন সহজ ও দ্রুত হয়। তিনি জানান, অডিটের জন্য ম্যানুয়াল পদ্ধতি বন্ধ করে অডিট নির্বাচন কঠোরভাবে ঝুঁকি ভিত্তিক হবে, যাতে স্বচ্ছতা ও সততা প্রতিষ্ঠা করা যায়। কর জাল বা কর পরিশোধে প্রতারণা রোধে করদাতাদের জন্য আরও বেশ কিছু আধুনিকায়ন প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। এই সংলাপে অংশ নেয়া গবেষকদের মতে, ৮২ শতাংশ ব্যবসায়ী current কর হারকে ‘অন্যায্য’ এবং ব্যবসার জন্য বড় বাধা হিসেবে দেখেছেন। তাদের মধ্যে ৭৯ শতাংশ জানিয়েছেন, কর কর্মকর্তাদের জবাবদিহির অভাব প্রধান প্রতিঘাত। উচ্চ অনুরোধ ও জটিল ভ্যাট আইনের কারণে ব্যবসায়ীরা নানা বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন বলে বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে। ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের তথ্যানুযায়ী, ঢাকা ও আশপাশের ৩৮৯টি প্রতিষ্ঠানের ওপর পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা যায়, ব্যবসায়ীদের বেশিরভাগই নানা রকম দুর্নীতি ও অস্পষ্ট বিধানের কারণে সমস্যা অনুভব করেন।

  • দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৫৯৩ ডলার

    দেশে মাথাপিছু আয় বেড়ে ২৫৯৩ ডলার

    বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মানুষের গড় আয় ২৫৯৩ ডলার। এর ফলে গত বছরে এই সংখ্যা ৪২ ডলার বৃদ্ধিপেয়েছে। এই উন্নতির কারণগুলো ব্যাখ্যা করে বলা হয় যে, বাংলাদেশের অর্থনীতির কিছু সূচক ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখাচ্ছে। তবে, বিশ্বব্যাংকের অন্যান্য দেশের তথ্য অনুযায়ী, দেশের এই অবস্থান এখনো বেশ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে। এশিয়ার ২০টি দরিদ্র দেশের তালিকায়, জর্ডান শীর্ষে থাকলেও সেখানে মাথাপিছু আয় ৪৬১৮ ডলার, যা বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি। বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম এবং মাথাপিছু আয় ২৫৯৩ ডলার। উল্লেখ্য, আগে সরকারের পক্ষ থেকে কিছু ভুয়া তথ্য প্রকাশ করে বলা হত যে, বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় প্রায় ৩০০০ ডলার। তবে এখন স্বীকৃত তথ্য বলছে, সেই সংখ্যা এর চেয়ে কম। প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে ভারতের সড়ক তালিকায় বাংলাদেশের পরে রয়েছে, যেখানে ভারতের মাথাপিছু আয় প্রায় ২৫৯৩ ডলার, যা বাংলাদেশের চেয়ে মাত্র ১০০ ডলার বেশি। শ্রীলঙ্কার আয়ও উল্লেখযোগ্য, যেখানে মাথাপিছু আয় প্রায় ৫৫৩৩ ডলার। পাকিস্তানের অবস্থান ৮ম স্থানে, যেখানে মাথাপিছু আয় প্রায় ১৬০৩ ডলার, যা বাংলাদেশের চেয়ে প্রায় এক হাজার ডলার বেশি। অন্যদিকে, এশিয়ার সবচেয়ে দরিদ্র দেশ আফগানিস্তানের মাথাপিছু আয় মাত্র ৪১৩ ডলার, যা দেখায় এই দেশের অর্থনৈতিক দুরবস্থা কত গভীর।

  • সরকারের কাছে ৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে

    সরকারের কাছে ৬ মাসে ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে

    বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) এবং সরকারের বিভিন্ন সংস্থা গত জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত মোট ১.২৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগের প্রস্তাব পেয়েছে। আজ (২৮ আগস্ট) প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ বোর্ড সভায় এ তথ্য প্রকাশিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকী। তিনি ছাড়াও উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চেয়্যারম্যান মো. আবদুর রহমান খান।

    সভায় জানানো হয়, ২০২৫ সালের প্রথম ছয় মাসে প্রাপ্ত বিনিয়োগের প্রস্তাবের মধ্যে প্রায় ৪৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশি বিনিয়োগের। এর পাশাপাশি স্থানীয় বিনিয়োগ এসেছে ৭০০ মিলিয়ন ডলার এবং যৌথ বিনিয়োগের প্রস্তাব এসেছে মোট ৮৫ মিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে সব চেয়ে বেশি বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে, যার পরিমাণ প্রায় ৩৩০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়াও, সিঙ্গাপুর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠানগুলোও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

    সভায় জানানো হয়, প্রস্তাবগুলোর মধ্যে এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত হয়েছে ২৩১ মিলিয়ন ডলারের। মোট প্রস্তাবের প্রাথমিক পর্যায় থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ে রূপান্তরের হার প্রায় ১৮ শতাংশের মতো, যা গোটা বিশ্বে গড়ে ১৫ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে।

    বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরে কন্টেইনার জট কমানোর জন্যও আলোচনা হয়। সেখানে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে সাড়ে ৬ হাজারের বেশি কন্টেইনার পড়ে থাকায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়ে। বর্তমান সরকারের সময় বিডা বন্দরে কার্যক্রম দ্রুত করার জন্য একাধিক উদ্যোগ নেয়, যার অংশ হিসেবে গত দুই মাসে ১ হাজার কন্টেইনার নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ নিলামের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে নির্দেশনা দেয়।

    আশাকরি, আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে আরও ৫০০ কন্টেইনার নিলামে তোলার কাজ চলমান থাকবে, এবং নিলামের পণ্য হস্তান্তর প্রক্রিয়াও চালু থাকবে। একই সময়ে, বাংলাদেশ বিজনেস পোর্টাল (বিবিপি) চালুর অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা হয়।

    বিডা, বেজা, বেপজা ও বিসিকের পরিষেবাগুলোকে একত্রিত করে একটি সমন্বিত অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তৈরির কাজ প্রায় শেষের পথে। এই পদ্ধতিতে ব্যবসায়ীরা সহজে সকল পরিষেবা পাবে। আগামী সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই প্ল্যাটফর্মের সফট লঞ্চিং এবং সেপ্টেম্বরের শেষ নাগাদ পূর্ণাঙ্গ চালু নিশ্চিত করা হবে বলে জানা গেছে।

    সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, কাস্টমস হাউজসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • ডাক বিভাগের অধীনে থাকছে না ‘নগদ’, ১ সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞাপন আসছে

    ডাক বিভাগের অধীনে থাকছে না ‘নগদ’, ১ সপ্তাহের মধ্যে বিজ্ঞাপন আসছে

    বাংলাদেশে মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস) খাতে প্রতিযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকার গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, নগদ ডিজিটাল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠানকে আরও স্বচ্ছন্দ ও প্রতিযোগিতামূলক করতে সরকার নগদকে দেশের ডাক বিভাগের অধীন থেকে সরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা চাই অর্থনৈতিক এই খাতে উন্নতি এবং প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি হোক। এজন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, নগদকে বেসরকারিকরণ করা হবে এবং এটি জন্য উপযুক্ত বিনিয়োগকারী আনা হবে। বুধবার ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলে আইসিএমএবি ও মাস্টারকার্ডের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ক্যাশলেস বাংলাদেশ সামিটে এ সব কথা তিনি জানান। গভর্নর আরও জানিয়েছেন, ‘আমরা সম্ভবত মুক্তির এক সপ্তাহের মধ্যেই এ বিষয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে জানিয়ে দেব।’ এটি করার মূল কারণ হলো, বর্তমান সময়ে ডাক বিভাগের অধীনে থাকা নগদ এর কার্যক্রম চালানোর জন্য উপযুক্ত সক্ষমতা নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেন, নগদ প্রধান শেয়ারহোল্ডার হিসেবে একটি উন্নত প্রযুক্তি কোম্পানি আনা জরুরি। এতে করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, নতুনভাবে নগদকে গড়ে তুলতে পারবে যাতে এটি মোবাইল অর্থটেক কৌশলে একটি শক্তিশালী প্রতিযোগী হয়ে উঠতে পারে। সূত্র: শীর্ষনিউজ.

  • আবু বাকের জিতলে আমি জিতে যাব, বললেন মহিন সরকার সমর্থন জানিয়ে

    আবু বাকের জিতলে আমি জিতে যাব, বললেন মহিন সরকার সমর্থন জানিয়ে

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ (বাগছাস) সমর্থিত বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদ প্যানেলের জিএস প্রার্থী আবু বাকের মজুমদারকে সমর্থন জানিয়ে নিজ প্যানেলের জিএস প্রার্থী মাহিন সরকার ঘোষণা দিয়েছেন যে, যদি আবু বাকের জিতেন, তাহলে তিনি নিজেও জয়ী হবেন। আজ শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যানটিনের সামনে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন মাহিন সরকার। তিনি বলেন, গণ-অভ্যুত্থানের মূল সৈনিকদের শক্তিকে একত্রিত রাখতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মাহিন সরকার আরও বলেন, ‘আবু বাকের জিতলে আমি নিজের জয়ের পাশাপাশি আন্দোলনের শক্তিও রক্ষা পাব। আমি সকল সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুরোধ করব, যেন তারা আবু বাকেরকে ভোট দেন।’ তিনি বলেন, ‘আমি প্যানেল থেকে জিএস পদে নির্বাচন করছি, তবে আমার মূল লক্ষ্য হচ্ছে গণ-অভ্যুত্থানের শক্তিকে একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত রাখা। আমি বিশ্বাস করি, যদি ডাকসু নির্বাচনে গণ-অভ্যুত्थানের নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়, তবে তারা শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক বেশি কাজ করবে।’ সমর্থকদের উদ্দেশ্যে মাহিন বলেন, ‘যারা আমাকে সমর্থন করেন, তাদের জানাই যে, আমার প্রার্থিতা বাতিলের কোনও সুযোগ নেই। তবে আমি আপনাদের অনুরোধ করব, আমার পাশে থেকে আবু বাকেরকেই নির্বাচিত করতে।’ উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগেই মাহিন সরকার নিজে একটি পৃথক প্যানেল গঠন করে, যার নাম দেন ‘সমন্বিত শিক্ষার্থী সংসদ’। এই প্যানেলের জিএস প্রার্থী তিনি। পাশাপাশি, তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব। গত ১৮ আগস্ট দলের অনুমতি না নিলেই ডাকসুতে প্যানেল দেয়ার জন্য এনসিপি তাকে বহিষ্কার করে। এরপরও মাহিনের প্যানেল থেকে সাব্বির উদ্দিন ও বায়েজিদ হাসান নির্বাচনী কার্যক্রম চালিয়ে যান।

  • নুরের সুস্থতার প্রক্রিয়া নিয়ে পরিকল্পনা চলছে: রাশেদ খান

    নুরের সুস্থতার প্রক্রিয়া নিয়ে পরিকল্পনা চলছে: রাশেদ খান

    গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার পর তার শরীরিক স্থিতি এখনও সম্পূর্ণ স্বাভাবিক নয়—এমনই অভিযোগ করেছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি বলেছেন, নুরুল হক নুর এখনো আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন, তার নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে এবং নাকটি বাঁকা হয়ে গেছে। তার মাথায় আঘাত হয়েছে, হাঁটতে পারছেন না এবং মুখ হা-ও করতে পারছেন না। সরকার জানিয়েছে, তার উন্নত চিকিৎসার জন্য ভবিষ্যতে তাকে বিদেশে পাঠানো হবে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে তাকে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে। তবে, রাশেদ খান বলছেন, তার শারীরিক অবস্থা এখনো আগের মতোই সংকটপূর্ণ এবং তিনি এখন প্লেনে ওঠার মতো পরিস্থিতিতে не। যেমনটা তারা মনে করছেন, তিনি কেবলমাত্র একটু সুস্থ হলে অক্টোবরের এক সপ্তাহের মধ্যে তাকে বিদেশে নেওয়া সম্ভব হবে।

    তিনি আরো অভিযোগ করেন, গতকাল তারা হাসপাতাল থেকে শুনেছেন যে নুরুল হক নুর সম্পূর্ণ সুস্থ, যা তিনি সঠিক মনে করেন না। তিনি বলছেন, তার অবস্থা দেখে মনে হয়, তাকে সুস্থ দেখানোর জন্য একটি পরিকল্পনা চলছে। তিনি নিজে তার দেখাশোনা করে বুঝতে পারেন, নাক থেকে জমাট বাঁধা রক্ত বের হচ্ছে, যা ডাক্তারের দৃষ্টি আকর্ষণ করায় হাসপাতালের পরিচালকসহ চিকিৎসকরা উপস্থিত হন। তারা নুরের জন্য প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নির্দেশনা দেন। তবে, গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে যে তিনি এখনো সুস্থ, যা তার প্রকৃত পরিস্থিতির সঙ্গে मेल খায় না।

    রাশেদ খান বলেন, আমি নিজে নুরের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম তবে তিনি কথা বলতে পারছেন না। তার চোখের নিচে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে, মুখ দিয়ে কথা বলতেও অসুবিধা হচ্ছে। তার মুখের মাড়িতে প্রচণ্ড ব্যথা এবং ব্রেনেও আঘাতের চিহ্ন থাকায় ব্রেন সঠিকভাবে কাজ করছে না। তিনি স্পষ্ট মনে করেন, নুর সম্পূর্ণ সুস্থ হননি। বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী, তিনি বলেন, তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করা হয়েছিল।

    তাঁর মতে, এই হামলাকে কেন্দ্র করে দেশের মানুষ ব্যাপক একতাবদ্ধ হয়েছে। লাখ-প্রকারের চাওয়া হচ্ছে, জাতীয় পার্টি এবং ১৪ দলসহ অন্যান্য ফ্যাসিবাদী শক্তির সাংগঠনিক কার্যক্রমও বন্ধ করতে হবে, যেমনটি আওয়ামী লীগকে করা হয়েছে। তবে, এই ঘটনার মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া সরকারের জন্য লজ্জাজনক। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার অনুমতি ছাড়া এই ধরনের হামলার ঘটনা ঘটেনি বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। তিনি আদায় করে বলেছেন, নুরের ওপর হামলা ও তার নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এই ঘটনার তদন্ত ও বিচারে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অন্ততঃ প্রত্যাহার হওয়া দরকার।

    অতএব, রাশেদ খান দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, যেভাবে নুরকে সুস্থ দেখানোর পরিকল্পনা চলছে, তা কোনো লাভ করবে না। হামলার বিচার হতে হবে, জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করতে হবে এবং যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

  • রিজভীর অভিমত: মাজার ভাঙা ও লাশ পোড়ানো রাসুলের শিক্ষা নয়

    রিজভীর অভিমত: মাজার ভাঙা ও লাশ পোড়ানো রাসুলের শিক্ষা নয়

    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজ আমরা নিজেদের মধ্যে বিভাজিত। কেউ মাজার ভাঙছি বা লাশ পুড়িয়ে দিচ্ছি—এগুলো যেনো রাসুলের শিক্ষা নয়। তিনি বলেন, আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা জানান।

    রিজভী বলেন, পৃথিবীবাসীকে নিদর্শন হিসেবে দিয়েছেন আরবের মহামানব হযরত মোহাম্মদ (সা.)। আমরা সেই শিক্ষাগুলো থেকে দূরে সরে যাচ্ছি, নিজেদের ধর্ম ও ইসলামকে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলছি। অথচ আমাদের মহানবীই ছিলেন শান্তির প্রতীক এবং ঐক্যের আলোকবর্তিকা।

    তিনি আরও বলেন, আজ রঘৎ নবীকে নিয়ে এখানে যে মিলাদ ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, তার সম্পর্কে আমার মতো একজন সাধারণ মানুষ বলতে গিয়ে খুবই কষ্ট হচ্ছে। এটি খুবই সম্ভব নয়। আমরা তার আদর্শ অনুসরণের মাধ্যমে তাঁর রেখে যাওয়া বাণী ও ব্যক্তিত্বকে জীবনে ধারণ করে এক সুন্দর সমাজ গঠন করতে পারতাম। শুধু তার আদর্শ লালন করলে, আমাদের দেশ থেকে অন্যায়, অনাচার, কুপ্রবৃত্তি, পাপাচার, হানাহানি এবং রক্তপাত বন্ধ হত।

    রিজভী জানান, যিনি আমাদের আদর্শ ও মডেল—তিনি আমাদের কেউ অনুসরণ করি না। এটাই হলো মুসলিম সমাজের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

    মিলাদ মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর শরাফত আলী শফু। অনুষ্ঠানে মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।

  • ৩০ রাজনৈতিক দলের দাবি: জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ হোক

    ৩০ রাজনৈতিক দলের দাবি: জাতীয় পার্টি নিষিদ্ধ হোক

    জাতীয় পার্টি (জাপা) ও তার সহযোগী দলগুলির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে ৩০টিরও বেশি مختلف রাজনৈতিক দলের নেতারা। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর শাহবাগে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত এক সংহতি সমাবেশে তারা এ দাবি ব্যক্ত করেন। এই সমাবেশের মূল লক্ষ্য ছিল, গণহত্যার নিচে থাকা জনতাদের পরিস্থিতি তুলে ধরা ও সরকারের কঠোর পদক্ষেপ দাবির মাধ্যমে দেশের রাজনীতিতে সংশোধনের আহ্বান জানানো।

    সমাবেশে বক্তারা বলেন, গণঅভ্যুত্থানে স্বৈরাচার পতনের পরও, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি একই রকম অব্যাহত আছে; বিশেষ করে, নুরুল হক নুরের ওপর হামলার ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। নেতারা দাবি করেন, এই হামলার সঙ্গে জাপা ও লক্ষাধিক সহযোগী দলের যোগ রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের বুনিয়াদ নড়ে গেছে। তারা আরও বলেন, জাতীয় পার্টি এবং এই জোটের সদস্যরা অবিলম্বে নিষিদ্ধ হওয়া জরুরি, কারণ তারা দেশের স্বরাজ্য সরকারের স্থিতিশীলতা নস্যাৎ করে দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে।

    বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন নবী খান সোহেল বলেন, দেশে স্বৈরাচার শেষ হয়েছে; তবে, কিছু দুর্বৃত্ত এখনও নুরুল হক নুরের ওপর হামলা চালিয়েছে। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিভিন্ন স্তরে বহিরাগত দোসররা রয়ে গেছে, তাঁদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে।

    জামায়াতে ইসলামী ও অন্যান্য সংগঠনের নেতারা মন্তব্য করেন, এই হামলা দেশের উপর আঘাত, এটি হচ্ছে দেশের গণতন্ত্রের ওপর আঘাত। তারা বলেন, এই ধরনের ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আবারও ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার চেষ্টা চলছে; নতুন করে সব ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করতে চাচ্ছে কিছু গ্রুপ। তারা দাবি করেন, এমন পরিস্থিতিতে দেশের মানুষ চাই একটি মুক্ত, স্বচ্ছ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ যেখানে কোনো ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারিত্বের স্থান নেই।

    সভাপতির বক্তব্যে গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেন, নুরের ওপর হামলায় জড়িত সেনা ও পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, এখনও পর্যন্ত তদন্ত কমিটি গঠন হলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। সরকারের উচিত অবিলম্বে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগ এবং নুরের চিকিৎসার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া। তিনি আরও বলেন, যদি এই দাবি মানা না হয়, তাহলে তারা সচিবালয় ঘেরাও করবেন। তারা স্পষ্ট করে বলেন, বাংলাদেশে এখন থেকে আর চাইলেই জাপাকে রাজনীতি করতে দিতে চলবে না।

    এছাড়াও বিভিন্ন দলের নেতারা তাদের দৃঢ়সংকল্প প্রকাশ করে বলেন, তারা যেনতেনভাবে নির্বাচন চায় না, বরং সংস্কার দ্বারা নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি শান্ত ও সুষ্ঠু করতে চান। এ সময়, তারা নতুন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

    বেলা বারোটার পর থেকে শুরু হওয়া এই সমাবেশে নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, দেশের সকল মিডিয়া ও প্রশাসন যেন সত্যের পক্ষে দাঁড়ায় এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারা অবিলম্বে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন এবং সরকারকে সতর্ক করে দেন, এই ধরনের ষড়যন্ত্র আর সহ্য করা হবে না। বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা তাদের বক্তব্যে বলেছেন, দেশের ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারবিরোধী সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।