Author: bangladiganta

  • জাতীয় দলে খেলতে হলে আগে দেশে ফিরতে হবে, মামলা লড়তে হবে

    জাতীয় দলে খেলতে হলে আগে দেশে ফিরতে হবে, মামলা লড়তে হবে

    তামিম ইকবাল ও সাকিব আল হাসান—দুজনই দেশের ক্রিকেটের বড় তারকা। একসময় তাদের বন্ধুত্বের কথা শোনা গেলেও বর্তমানে তারা নিজ নিজ পথে। তাদের মধ্যে দ্বন্দ্বের খবর এখন খুবই আলোচনায়। রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে সাকিব এক বছরের বেশি সময় ধরেই দেশের বাইরে থাকছেন। অন্যদিকে, তামিম বোর্ডের নির্বাচন উপলক্ষে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

    সাকিব দেশের বাইরে থাকায় তিনি বর্তমানে জাতীয় দলে খেলার সামর্থ্য হারিয়েছেন। অন্যদিকে, যদি বোর্ড সভাপতি হিসেবে তামিম নির্বাচিত হন, তাহলে আবারও মাঠে নামতে পারেন সাকিব, এই সম্ভাবনা নিয়ে মাথায় প্রশ্ন উঠছে। তবে, এ বিষয়ে অনেকের মত, পরিস্থিতির উন্নতি তেমন হবে না। এই বিষয় নিয়ে সম্প্রতি ডেইলি ক্রিকেটের এক পডকাস্টে খোলামেলাভাবে কথা বলেছেন তামিম।

    তিনি বলেছেন, ‘সে একজন সক্রিয় ক্রিকেটার। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় দলের সদস্য। যদি তিনি ফিট থাকেন, নিয়মিত অনুশীলন করেন এবং নির্বাচকরা তাকে দলে নেওয়ার জন্য যোগ্য মনে করেন, তবে অবশ্যই তার সুযোগ আছে। তবে, তাকে দেশের মধ্যে ফিরতে হবে কারণ এটি আমার হাতে নেই; এখানে আইনি জটিলতা জড়িয়ে আছে।’

    সাকিব পূর্বে পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের একজন এমপি ছিলেন। জুলির গণঅভ্যুত্থানের পর তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলার পাশাপাশি হত্যা মামলাও দায়ের হয়। এই পরিস্থিতিতে, তামিম বলেছেন, ‘আমি দেশের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি না। তার বিরুদ্ধে থাকা মামলার বিষয়টাই গুরুত্বপূর্ণ। যদি তিনি মামলার মুখোমুখি হতে পারেন এবং জাতীয় দলে অনুশীলন করতে পারেন, তবে তার জন্য দরজা খোলা থাকবেই। তিনি একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটার, পর্তুগিজ বা আমেরিকান নন।’’

    তামিমের মতে, ‘জাতীয় দলে খেলতে হলে সাকিবকে আগে দেশের মধ্যে ফিরতে হবে। মামলার মোকাবিলা করে দেশের জন্য খেলতে হলে এর থেকে অন্য কিছু সম্ভব নয়। আমি কিছু লুকাচ্ছি না। এটি সাকিবের ক্যারিয়ার এবং দেশ, সুতরাং সিদ্ধান্ত তারই। আমি বলছি না, সে কি করবে বা করবে না, সেটাই তার সিদ্ধান্ত।’

  • গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ, ক্ষুধা ও মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হচ্ছে না

    গাজায় ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহ, ক্ষুধা ও মৃত্যুর মিছিল বন্ধ হচ্ছে না

    ইসরায়েলের অবিরাম হামলা, অবরোধ এবং চলমান দুর্ভিক্ষের কারণে প্রতিদিন গাজা উপত্যকায় মানুষের প্রাণহানি continue হচ্ছে। প্রতিদিনই ইসরায়েলের নিয়মিত বিমান হামলায় ও গোলাবর্ষণে অগণিত পরিবারের স্বজনেরা মৃত্যুর কোলে ঢলছে। কথিত ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সংকলিত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরে অক্টোবর মাস থেকে এখন পর্যন্ত গাজায় প্রায় ৬৪ হাজারের বেশি মানুষ জীবন হারিয়েছেন। এমনকি মানবিক সহায়তা করতে গিয়ে অনেক ফিলিস্তিনি জীবন হারাচ্ছেন। বার্তাসংস্থা আনাদোলু এ তথ্য প্রকাশ করে জানিয়েছে, গাজায় ইসরায়েলের অব্যাহত হামলায় এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা প্রায় ৬৪ হাজার ৪০০ জনে পৌঁছেছে। শনিবার পর্যন্ত এই সংখ্যা ছিল ৬৪,৩৬৮ জন।

    মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে নেয়া হয়েছে আরও ৬৮ জনের মরদেহ। সেই সময়ে আহত হয়েছেন মোট ৩৬২ জন। এভাবে মোট আহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৭ জনে। অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে বা রাস্তায় পড়ে আছেন, তাদের উদ্ধার করার চেষ্টা করলেও উদ্ধারকর্মীরা ব্যর্থ হচ্ছে।

    এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় মানবিক সহায়তা নেওয়ার জন্য গাজা গিয়েছিলো আরও ২৩টি ফিলিস্তিনি গুলিতে মৃত্যু হয়েছে ইসরায়েলি সেনাদের হাতে, একই সময়ে আহত হয়েছেন অন্তত ১৪৩ জন। চলতি বছরের মে মাসের ২৭ তারিখ থেকে এখন পর্যন্ত সহায়তা নিতে গিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,০৩৮৫ জনের বেশি, এবং আহতের সংখ্যাও ছাড়িয়েছে ১৭,৫৭৭।

    অতিরিক্ত তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে মারা গেছেন আরও ৬ ফিলিস্তিনি, যাদের মধ্যে একজন শিশু। এভাবে, অক্টোবর ২০২২ থেকে এখন পর্যন্ত ক্ষুধা বা অপুষ্টিতে কষ্ট পেয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৮২ জন, যাদের মধ্যে ১৩৫ জন শিশু।

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের ২ মার্চ থেকে গাজার সব সীমান্ত ক্রসিং সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয় ইসরায়েল। এর ফলে প্রায় ২.৪ মিলিয়ন মানুষ বসবাসকারী এই সংখ্যালঘু অঞ্চলটি দুর্ভিক্ষের কবলে পড়েছে। জাতিসংঘের খাদ্য নিরাপত্তা জরিপে দেখা গেছে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইতোমধ্যে খাদ্য সংকট দৃশ্যমান, আরও আশঙ্কা করা হচ্ছে যে, এই দুর্ভিক্ষ দ্রুত নেমে আসবে দক্ষিণের এলাকাগুলোতেও।

    এছাড়া, ২০২৩ সালের ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েল নতুন করে গাজায় হামলা শুরু করে। এ হামলায় এখন পর্যন্ত ১১ হাজার ৮২৮ জন নিহত ও ৫০ হাজার ৩২৬ জন আহত হয়েছেন। এর ফলে জানুয়ারি মাসে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতি ও বন্দি বিনিময় চুক্তি কার্যত ভেঙে গেছে।

    গাজার দখলে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুক্রবার প্রবেশ করেছে ৭০০তম দিন। দীর্ঘ এই যুদ্ধের ফলে পুরো ভূখণ্ড ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে এবং মানুষের মধ্যে ভয়াবহ দুর্ভিক্ষের অবস্থা তৈরি হয়েছে।

    বিশ্ব আদালতও এই পরিস্থিতির দিকে নজর দিয়েছে। গত বছর নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োয়াভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পাশাপাশি, গাজায় চলমান যুদ্ধে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (আইসিজে) মামলা অব্যাহত রয়েছে।

  • বিমানবন্দরের রানওয়েতে ব্যক্তিের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ভাইরাল

    বিমানবন্দরের রানওয়েতে ব্যক্তিের অপ্রত্যাশিত ঘটনা ভাইরাল

    ভারতের বিহারের দারভাঙ্গা বিমানবন্দরে এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা ঘটেছে যেখানে একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা যায়, এক বৃদ্ধ সাদা কুর্তা-পাজামা পরে রানওয়ে পার্কিংয়ে বসে প্রস্রাব করছেন। যদিও তার পরিচয় বা তিনি কি কোনও যাত্রী ছিলেন তা স্পষ্ট নয়, তখনই অন্য যাত্রীরা লাইন ধরে বিমানে উঠছিলেন। সেই সময় রানওয়ে সক্রিয় ছিল। এমন পরিস্থিতিতে এক বৃদ্ধের এই অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি এবং তার ব্যবহারে দেশব্যাপী আলোচনা শুরু হয়েছে। বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম এই ঘটনার খবর প্রকাশ করেছেন এবং এটি নিয়ে নেয়া হয়েছে বিমানবন্দর নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রশ্নও।

    ভিডিওটি পাইলটের ভাষ্য অনুযায়ী ককপিট থেকে ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সহ-পাইলটের সঙ্গে পাইলট হাস্যরসের মাধ্যমে এই ঘটনা দেখেছেন। ভিডিওটির দৈর্ঘ্য মাত্র ৯ সেকেন্ড, তবে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। কিছু নেটিজেনের মন্তব্যে দেখা যায়, কিছু মনে করছেন এই ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিমান ভ্রমণের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য। কেউ বলছেন, এটি কোনও ভুল নয় বরং দেখাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এমন ঘটনা ঘটছে। আরেকজন উল্লেখ করেছেন, প্রস্রাব করার জন্য বিমানবন্দরে বিভিন্ন টয়লেট থাকা সত্ত্বেও রানওয়ে বসে এই কাজটি নিয়েছেন।

    তবে, এ ব্যাপারে এখনও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। এই ঘটনার ফলে বিমান নিরাপত্তা এবং সামাজিক আচরণ বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে।

  • গাজার চিত্র ভয়ংকর: ৪০ শতাংশ ভূমি দখল এবং মানবিক সংকট অব্যাহত

    গাজার চিত্র ভয়ংকর: ৪০ শতাংশ ভূমি দখল এবং মানবিক সংকট অব্যাহত

    গাজা শহর এখন এক দারুণ মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষুধা ও অপুষ্টির কারণে শিশুরা ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে ভুগছে। অনেক শিশু ওজন কমে গিয়ে মারাত্মক আহত। উজ্জ্বল উদাহরণ হিসেবে দেখা যায়, ১৮ মাস বয়সী শিশু আলি আবু আজরা তার বয়সের তুলনায় খুব কম ওজনের হয়ে পড়েছে; তার স্বাভাবিক ওজন হওয়ার কথা ছিল সাত-আট কেজির মধ্যে, কিন্তু বর্তমানে তার ওজন মাত্র তিন কেজি। দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টির কারণে শরীর থেকে চর্বি ও পেশির টিস্যু ক্ষয়ে গেছে, ত্বক হাড়ের সঙ্গে লেগে থাকা অবস্থায় দাঁড়িয়েছে। তার মা আনাদোলু জানান, আলি ডায়রিয়া, ফুসকুড়ি, জ্বর, খিঁচুনি ও ক্যালসিয়ামের অভাবে নাজেহাল। এক সপ্তাহের মধ্যে ওজন একটি কেজি কমে গেছে; দুধ ও ওষুধের অভাবের কারণে তার জীবনহুমকি পরিস্থিতিতে পৌঁছেছে। গাজার অন্যান্য শিশুদেরও আসলে এই রকম দুরবস্থা চলমান।

    আন্তর্জাতিক সংস্থা আলজাজিরা ও ইউনিসেফের রিপোর্টে জানানো হয়েছে, গাজা এখন মৃত্যু, আতঙ্ক ও দাফনের শহর হয়ে উঠেছে। নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি শঙ্কার মুখে, শহরটি এখন ব্যাপক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ইসরায়েলি হামলার ফলে বহু পরিবারের স্বজনরা পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি হামলায় শহরে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন স্থান জুড়ে ভারী বোমাবর্ষণে ব্যস্ত হয়েছে ইসরায়েলি সেনা, ধ্বংসের মুখে পড়েছে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভবন। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তারা গাজা শহরের ৪০ শতাংশ ভূখণ্ড দখল করেছে, হামাসের শাসন ভেঙে ফেলতে এবং কমান্ডারদের জিম্মি থেকে ফিরিয়ে আনতে এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

    গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার বাহিনীর হামলায় অন্তত ১১৩ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে, এর মধ্যে শুক্রবার alone ৫০ জন মারা গেছে। এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ৬৪,২৩১ জন নিহত ও এক লাখ ৬১ হাজার ৫৮৩ জন আহত হয়েছেন। শিশুদের মধ্যে মৃত্যুর হার বেশ উদ্বেগজনক। প্রতিদিন গড়ে ২৮ শিশুকে হত্যা করা হচ্ছে।

    গত Thursday রাতে গাজা শহরের অনেক বাড়িঘরসহ তাঁবু ও আবাসিক ভবনে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে সাত শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা বিশেষ করে মায়েরা কষ্টের মধ্যে বলছেন, তাদের সন্তানদের দেখার জন্য হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থাকা, রক্তাক্ত মুখ ও দেহ দেখছেন। একজন মা বলছেন, ‘আমি আমার ছেলেকে খুঁজে বের করতে গিয়ে দেখতে পেলাম, সে পড়ে আছে, তার নাক দিয়ে রক্ত জমে আছে। অন্যদিকে আমার মেয়েও রক্তে ভাসছে।’ বিশ্লেষকরা বলছেন, গাজায় এখন ‘নরকের দরজা’ খুলে গেছে। কারণ ইসরায়েলি সেনারা গাজা শহরের উঁচু টাওয়ারগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে, যা শহরটির ভেতরে অস্থিরতা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

    অন্তর্দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহল এ ব্যাপারে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের প্রমাণের জন্য কাজ করা তিনটি ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এর মধ্যে রয়েছে আল-হক, প্যালেস্টিনিয়ান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস (পিসিএইচআর) এবং আল-মিজান সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস। এই সব সংস্থা গাজা পরিস্থিতি ও ইসরায়েলের দখলদারির বিচার-তদন্তে সহযোগিতা করায় তাদের বিরুদ্ধে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

  • ভারতের গো-মাংস শিল্পে মোদির সময় দুর্বার প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি রেকর্ডে নতুন দিগন্ত

    ভারতের গো-মাংস শিল্পে মোদির সময় দুর্বার প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি রেকর্ডে নতুন দিগন্ত

    ক্ষমতায় আসার আগে গরুর মাংস রপ্তানি নিয়ে কট্টর সমালোচনা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি, কিন্তু তার শাসনামলে এই শিল্প চূড়ান্ত বিকাশ লাভ করেছে। বর্তমানে ভারতের গোমাংস শিল্প ৬৫টি দেশে রপ্তানি করছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য অনেক বড় এক সুযোগ সৃষ্টি করেছে। বছর বছর এই খাতের রপ্তানি দিচ্ছে দেশটি প্রায় ৪৩ কোটি ডলার আয়, যেখানে ভারত এখন বিশ্বে দ্বিতীয় বৃহত্তম গোমাংস রপ্তানিকারক দেশ। এটি রপ্তানি করছে বিভিন্ন দেশে, বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশগুলোতে, যেখানে ভারতের গরু ও মহিষের চাহিদা খুবই উচ্চ।

    ভারতের গোমাংস রপ্তানি শুরু হয় ১৯৬০-এর দশকে। তবে মোদির শাসনামলে এক দশকেরও বেশি সময়ে এই শিল্পের বিকাশ অনেক গুণ বেড়েছে। বর্তমানে ভারতের অন্যতম বড় গরুর মাংস রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দেশে প্রচুর গরু এবং মহিষ রয়েছে—বিশ্বের অর্ধেকের বেশি মহিষ বাংলাদেশের বাইরে ভারতেই দেখা যায়, যার সংখ্যা প্রায় ১১ কোটি পঞ্চাশ লাখ। প্রতিদিনই ভারত থেকে প্রায় ১৫ লাখ ৩০ হাজার টন গরুর মাংস বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হয়।

    প্রাকৃতিক চারণভূমিতে বেড়ে ওঠা গরু ও মহিষের কারণে এই মাংসের চাহিদাও ব্যাপক। যদিও গরু ও মহিষের মধ্যে মাংসের রপ্তানি নিয়ে ভারতে কিছু বিতর্ক রয়েছে, বিশেষ করে গরুর মাংসের বৈধতা ও ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে। তবে অনেক উপসাগরীয় দেশ ও বাইরের বাজার এই মাংসের চাহিদা বাড়িয়ে চলেছে। বিশেষ করে হিন্দু ব্যবসায়ীদের মধ্যেও এই শিল্পে যুক্ত থাকার স্বীকৃতি বাড়ছে, কারণ এটি বড় একটি ব্যবসায়িক সম্ভাবনা।

    সার্বিকভাবে দেখা যায়, মোদির আমলে ভারতের গোমাংস শিল্পের বিকাশ নতুন পর্যায়ে পৌছেছে, যা দেশের অর্থনীতি ও ব্যবসায় নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে।

  • ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন জোরমতো

    ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্পবিরোধী আন্দোলন জোরমতো

    যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে ন্যাশনাল গার্ডের মোতায়েনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থান থেকে শতশত মানুষ রাস্তায় নেমেছে। তারা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি করেন, রাজধানীর রাস্তায় সেনা টহল বন্ধ করতে হবে এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। এই বিক্ষোভের প্রধান স্লোগান ছিল, ‘ট্রাম্পকে এখনই বিদায় করুন’। রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) এই প্রতিবেদনের খবর জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

    বিক্ষোভকারীরা জানান, ট্রাম্পের নির্দেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী রাস্তায় মোতায়েন করা হয়েছে, যা তারা একেবারেই মানতে চান না। তারা দাবি করেন, এই বাহিনীকে শহর থেকে প্রত্যাহার করতে হবে। প্রতিবাদে যোগ দেন অবৈধ অভিবাসী ও ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা সমর্থকরা। তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ডে লিখেন—“ট্রাম্পকে এখনই বিদায় করুন”, “ডিসিকে মুক্ত করুন”, “স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলুন”।

    অ্যালেক্স লফার নামে এক বিক্ষোভকারী বলেন, “আমি এখানে এসেছি ডিসির দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে। আমরা কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরোধিতা করছি, ফেডারেল পুলিশ ও ন্যাশনাল গার্ডকে রাস্তায় থেকে সরাতে হবে।”

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গত মাসে সেনা মোতায়েন করেছেন, যাতে “আইন, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা” নিশ্চিত করা যায়। এছাড়াও, তিনি রাজধানীর মেট্রোপলিটন পুলিশকে সরাসরি ফেডারেল নিয়ন্ত্রণে নিয়েছেন এবং অভিবাসন ও শুল্ক সংস্থাসহ (আইসিই) অন্যান্য বাহিনী শহরে নামিয়েছে। সমালোচকেরা এসব কর্মকাণ্ডকে বলছেন, এটি ফেডারেল ক্ষমতার অপব্যবহার।

    দৃশ্যত, বিচার বিভাগ জানাচ্ছে, ২০২৪ সালে ওয়াশিংটনের সহিংসতা ও অপরাধের ঘটনা গত ৩০ বছরে সবচেয়ে কম পর্যায়ে পৌছেছে।

    ন্যাশনাল গার্ড সাধারণত দেশের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের গভর্নরের অধীনে থাকে, কিন্তু ডিসি ন্যাশনাল গার্ড সরাসরি প্রেসিডেন্টের অধীনে কাজ করে। গত মঙ্গলবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, তিনি শিকাগোতেও ন্যাশনাল গার্ড পাঠাবেন। এই সিদ্ধান্ত স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আইনি জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    ইলিনয়ৰ গভর্নর জেবি প্রিটজকার জানাচ্ছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যেই শিকাগোতে আইসিই এজেন্ট ও সামরিক যান পাঠিয়েছে, আরও পাঠানোর পরিকল্পনা রয়েছে। একজন প্রতিবাদকারী কেসি বলেন, “এ ধরনের কর্মকাণ্ড অন্য একনায়কতান্ত্রিক সরকারগুলো করে। যদি মানুষ বাধা দেয় না, তবে তারা অচিরেই অন্য জায়গায়ও এরূপ প্রয়োগ করবে। তাই থেকে চিহ্নিত হয় উঠতে এখনই থামানো উচিত।”

    বর্তমানে ছয়টি রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন অঙ্গরাজ্য থেকে আসা দুই হাজারের বেশি সৈন্য ওয়াশিংটনে টহল দিচ্ছে। তাদের মূল মিশন কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সেনাবাহিনী ডিসিতে ন্যাশনাল গার্ডের মোতায়েনের মেয়াদ ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে।

  • সুন্দরবন থেকে ৬ জলদস্যু আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    সুন্দরবন থেকে ৬ জলদস্যু আটক, অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার

    সুন্দরবনের ঝোলা জলদস্যু ছোট সুমন বাহিনীর সাথে যুক্ত চার জনসহ মোট ছয়জন জলদস্যুকে কোস্ট গার্ড অবশেষে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এই অভিযান চলাকালে তাদের কাছ থেকে বিভিন্ন অস্ত্র, গুলি এবং মাদকপণ্য জব্দ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটে শনিবার ৬ সেপ্টেম্বর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে, যখন কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তারা সুন্দরবনের পশুর নদীসংলগ্ন চাদপাইঁ রেঞ্জের ছোট পদ্মা খাল এলাকায় সচেতন অভিযান চালান। এই এলাকায় জেলেদের অপহরণের জন্য জলদস্যুরা অবস্থান করছে, এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড এই অভিযান শুরু করে। অভিযান চলাকালে, অভিযানে থাকা কোস্ট গার্ড সদস্যরা দেখেন যে দস্যুরা পালানোর চেষ্টা করছে, তখন তাদের ধাওয়া করে চার জলদস্যুকে আটক করে। এ সময় তল্লাশি চালিয়ে একটি একনলা বন্দুক, চার রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও চার রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ জব্দ করা হয়। আটককৃতরা হলেন মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৫), মোঃ রবিউল শেখ (৩২), মোঃ জিন্নাত হাওলাদার (৩৫), আর মোঃ কালাম গাজী (২৪)। জানা গেছে, তারা খুলনা ও বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে এসেছে এবং দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীকে অস্ত্র, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সরবরাহ করে আসছিল। এদিকে, একই দিন রাত ২টায় কোস্ট গার্ডের স্টেশন কৈখালী থেকে আনুমানিক ২৫ হাজার টাকার মূল্যবিশিষ্ট ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার ও নগদ ১৭ হাজার ৫৮০ টাকা সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। ভোরে, লবনচরা সুইচগেটের কাছ থেকে চারটি দেশীয় অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ গাঁজাসহ আরও একজনকে আটক করে কোস্ট গার্ড। এই সব অভিযানের জব্দকৃত মালামাল ও আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জাহাজের নেভিগেটিং কর্মকর্তা লেঃ মোঃ খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, সম্প্রতি সুন্দরবনে জলদস্যুদের সক্রিয়তা বেড়েছে। ১ সেপ্টেম্বর সুন্দরবনকে উম্মুক্ত ঘোষণা করার পর সেখানে হাজার হাজার জেলে অবস্থান করছে, যারা মুক্তিপণের জন্য অপহরণের আশঙ্কাও রয়েছে। তবে, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ও অন্যান্য প্রশাসন এই ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্রিয় রয়েছে। ভবিষ্যতেও দেশীয় উপকূল ও সুন্দরবনকে মাদক ও দস্যুমুক্ত রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।

  • শহিদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতির স্মরণে ফুটবল ও ক্রিকেট উৎসবের আয়োজন

    শহিদ জিয়াউর রহমানের স্মৃতির স্মরণে ফুটবল ও ক্রিকেট উৎসবের আয়োজন

    ফুলতলা উপজেলার দামোদর ইউনিয়ন বিএনপি’র আয়োজনে সম্প্রতি শহিদ জিয়া ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই স্পোর্টস ইভেন্টটি শুক্রবার বিকেল ৪ টায় গাড়াখোলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে হাজার হাজার স্থানীয় মানুষের উপস্থিতি ছিল।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী, খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, সাবেক সংসদ সদস্য ও বিসিবি’র সাবেক সভাপতি আলী আসগর লবী। খেলার উদ্বোধন করেন ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পী। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক শেখ আবুল বাশার, জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আশরাফুল আলম নান্নু, ওয়াহিদ হালিম ইমরান, আপিল বিভাগের আইনজীবী আবু জাফর মানিকসহ আরো অনেকে।

    প্রধান অতিথির বক্তৃতায় লবী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিকে ধরে রাখার জন্য এ ধরণের খেলার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি নতুন প্রজন্মের কাছে শহিদ জিয়াউর রহমানকে পরিচিত করে তুলছেন এবং মুক্তিযুদ্ধে তার মূল্যবান ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। তিনি উল্লেখ করেন, আজকের এই খেলা মানুষের মধ্যে খেলাধুলার প্রবণতা বাড়াতে সহায়ক হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমি একজন ক্রীড়াপ্রেমী মানুষ হিসেবে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে জানাতে চাই, তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত ও খেলাধুলার মাধ্যমে শক্তিশালী করে তুলতে হবে। তিনি ঘোষণা দেন যে, আগামী ডিসেম্বর মাসে ইউনিয়ন ভিত্তিক ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হবে, যার মাধ্যমে যুবশক্তিকে বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

    এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফুলতলা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মনির হাসান টিটো, রূপসা উপজেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব জাবেদ মলিক, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ সাব্বির হোসেন রানা, ইউথ নেতা মোঃ এনামুল হোসেন পারভেজ, দামোদর ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন কিরণ, বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মোঃ তরিকুল ইসলাম, মোঃ ইকবাল খান, পাড়া যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মোঃ আইয়ুব হোসেন, জেলা জাসাস নেতা মামুন প্রমুখ।

    শেষে, আলী আসগর লবী গাঢ়াখোলা খা বাড়ী জামে মসজিদে জুম্মার নামাজ আদায় করেন এবং মুসল্লীদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। তিনি খেলার অনুষ্ঠান শেষে যুগনীপাশা ও বেজেরডাঙ্গায় গণসংযোগ চালান।

  • খুলনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি আটক

    খুলনায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অস্ত্রসহ এক ব্যক্তি আটক

    খুলনায় যৌথ বাহিনীর অভিযান চালিয়ে যুবদলের সাবেক নেতা কামরুজ্জামান টুকুকে অস্ত্র ও গোলাগুলিসহ আটক করা হয়েছে। শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে নগরীর লবনচরা এলাকায় বিশেষ এ অভিযান পরিচালিত হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, অভিযানকালে টুকুর হেফাজত থেকে একটি সুটানগান, নয়টি রাউন্ড গুলি, একটি সাদা রঙের গ্রেনেড এবং পাঁচটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নগরীর ৩১ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি ছিলেন। খুলনার লবণচরা থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান জানাচ্ছেন, গভীর রাতে সেনাবাহিনীর সদস্যরা হঠাৎ করে হাজী মালেক কবরস্থানের কাছাকাছি এলাকায় অভিযান চালান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায়, অভিযানে কামরুজ্জামান টুকু নামে এক ব্যক্তিকে অস্ত্রসহ আটক করা হয়। তার বাড়ি থেকে একটি একনলা বন্দুক, শর্টগানের গুলি এবং গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

    খুলনা প্রেসক্লাবে ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া

    পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সাঃ) উপলক্ষে খুলনা প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে আজ শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে একটি বিশেষ আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের পূর্বে মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা হয়, যেখানে তার জীবনদর্শন ও শিক্ষাগুলো গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের ইমাম, হাফেজ মাওলানা মোঃ ইফসুফ হাবিব।

    আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন খুলনা প্রেস ক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, আর সভা পরিচালনা করেন ক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আশরাফুল ইসলাম নূর। অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দেন খ্যাতনামা সাংবাদিক ও ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ দিদারুল আলম, কালো সদস্য মো. এরশাদ আলী, মো. রাশিদুল ইসলাম, আনোয়ারুল ইসলাম কাজল, মো. জাহিদুল ইসলাম, মো. হেদায়ের হোসেন মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, এবং এস এম নূর হাসান জনি সহ আরও nhiều অতিথি।

    মূলত, এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য আহমদ মুসা রঞ্জু, ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা যেমন আলমগীর হান্নান, মোহাম্মদ মিলন, এস এম আমিনুল ইসলাম, এস এম ইয়াসীন আরাফাত (রুমী), মো. মাহফুজুল আলম (সুমন), মো. বেল্লাল হোসেন সজল, একরামুল হোসেন লিপু, এবং কিছু অস্থায়ী সদস্য যেমন শেখ ফেরদৌস রহমান, মো. হাসানুর রহমান তানজির, ইমাম হোসেন সুমন, মো. মেহেদী মাসুদ খান। এছাড়া, সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছেন জি এম রাসেল, মো. নুরুল আমিন (নূর), ফটো সাংবাদিক শেখ মো. সেলিম, এম রোমানিয়া, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শায়লা রহমান, অর্পিতা ও সুমাইয়া হুদা রাত্রি সহ আরো অনেকে।

    সমগ্র অনুষ্ঠানটি একযোগে শুভেচ্ছা, ভাবনা ও আলোকোজ্জ্বল অংশগ্রহণে উদযাপন করা হয়, যা রীতি অনুযায়ী মহানবীর আদর্শ ও জীবনময় আলো ছড়িয়ে দেয়।