Author: bangladiganta

  • মোংলায় পশুর নদীর চর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    মোংলায় পশুর নদীর চর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    মোংলা বন্দরের পশুর নদীর চর থেকে অজ্ঞাত এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে নির্দেশিকায় সিগনাল টাওয়ার এলাকার দক্ষিণ চরের বালুর ডাইক সংলগ্ন নদীর তীর থেকে এই লাশটি পাওয়া যায়।

    স্থানীয়রা তীরে একটি লাশ উপুড়িয়ে পড়ে থাকতে দেখে দ্রুত নৌপুলিশকে খবর দেয়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল নথিভুক্ত করে। উদ্ধারকৃত ব্যক্তির বয়স আনুমানিক ৫৫ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    নৌপুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ লুৎফুল কবির জানান, লাশের বাইরের দেখা পরীক্ষায় শরীরে কোনো বাহ্যিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তাই মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, লাশের পরিচয় যাচাই এবং মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত করার জন্য তা বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

    বর্তমানে মৃত ব্যক্তির নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি; পরিচয় সংক্রান্ত কোনো সুস্পষ্ট সূত্রও মেলেনি। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও স্থানীয়রা দ্রুত পরিচয় ও মৃত্যুর সঠিক কারণ выяс করার জন্য তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

  • বাংলাদেশ না খেললে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বর্জনের ইঙ্গিত

    বাংলাদেশ না খেললে পাকিস্তানও বিশ্বকাপ বর্জনের ইঙ্গিত

    বাংলাদেশ যদি ভারতে খেলতে অস্বীকার করে ২০২৬ সালের আইসিসি পুরুষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ায়, তাতে সম্মিলিতভাবে টুর্নামেন্ট বয়কট করতে পারে পাকিস্তান—এমন ইঙ্গিত দিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

    জিও নিউজের সূত্র বলেছে, নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কারণে বিসিবি যদি পান ভারতীয় ভেন্যুগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নিতে না পারলে দল নাম প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সেই পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে ২০০৯ সালের চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তানও একই পথে হাঁটতে পারে বলে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) আইসিসির বোর্ড সভার পর সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়, ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই ভারত ও শ্রীলঙ্কায় টুর্নামেন্ট হবে এবং বাংলাদেশের ম্যাচগুলো ভারতেই আয়োজন করা হবে। আইসিসি বলেছে, কোনো বিশ্বাসযোগ্য নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে সূচি বদলানো বিবেচ্য নয়; এমন সিদ্ধান্ত ভবিষ্যৎ টুর্নামেন্টগুলোর ক্ষেত্রে বিপজ্জনক নজির স্থাপন করবে।

    আইসিসি সভার ঠিক একদিন আগে বিসিবির আবেদন বাতিল হওয়া প্রসঙ্গে সংবাদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরানোর অনুরোধ করেছিল—কিন্তু তা মঞ্জুর হয়নি।

    বিসিবি সূত্র জানিয়েছে, বোর্ড বৃহস্পতিবারই জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে আলোচনা করে ভারতে দল পাঠানো বা না পাঠানো নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। খেলোয়াড়দের বড় অংশই বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের পক্ষে মত দিয়েছে, তবে শেষ মুহূর্তে বিসিবি যদি পাকিস্তানের মতোই সরে যায় তাহলে পরিস্থিতি আরো জটিল হয়ে উঠবে।

    বিগত সময়ে ঢাকা-দিল্লির কূটনৈতিক টানাপোড়েন ক্রিকেটেও প্রভাব ফেলেছে। সেটাই ছিলো বিসিবির অনুরোধ জানার পেছনের প্রধান কারণগুলোর একটি—বিশেষ করে আইপিএলে মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্সের স্কোয়াড থেকে বাদ দেয়ার ঘটনাসহ সম্পর্কিত ইস্যুগুলো ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করেছে। ঘটনার পরে বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং বিসিবি তাদের বিশ্বকাপের ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় আয়োজনের দাবি জোরালো করেছে।

    এই সব অচলাবস্থায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি আইসিসির কাছ থেকে ‘‘আর একটু সময়’’ চেয়েছেন—২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা—সরকারের সঙ্গে শেষ আলোচনার জন্য। তিনি বলেন, ‘‘আমি সরকারকে চাপ দিতে চাই না। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার, আমরা শ্রীলঙ্কায় খেলতে চাই কারণ আমরা মনে করি ভারত আমাদের জন্য নিরাপদ নয়।’’

    তবে তিনি যোগ করেন, আইসিসির সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সরকারেই তাদের পরামর্শ জানানো হবে। আমিনুল বলেন, ‘‘আমি এখনও আইসিসির কাছ থেকে কোনো অলৌকিক সমাধানের প্রত্যাশা করছি। খেলোয়াড়রা এবং সরকার চাই আমাদের দল বিশ্বকাপে খেলুক, কিন্তু সরকারের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় কেবল খেলোয়াড়কেই নয়, দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক প্রসঙ্গকেও বিবেচনা করতে হবে।’’

    এ অবস্থায় বিসিবির সামনে মৌলিক দু’টি পথ খুলে গেছে—নিজেরা অবস্থান প্রত্যাহার করে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভারত ও শ্রীলঙ্কায় খেলা, না হলে পুরো টুর্নামেন্ট থেকেই সরে দাঁড়ানো। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার দিন ধার্য রয়েছে ৭ ফেব্রুয়ারি।

    সূচি অনুযায়ী, গ্রুপ ‘সি’-তে থাকা বাংলাদেশ ৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে, ৯ ফেব্রুয়ারি ইতালির বিপক্ষে এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলবে; গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইতে নেপালের বিপক্ষে।

    এই ইস্যু কেবল ক্রীড়াগত সিদ্ধান্ত নয়—এটি কূটনীতি, নিরাপত্তা ও খেলার স্বার্থের সংমিশ্রণ। পরবর্তী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় বিসিবি ও সরকারের মধ্যকার আলোচনাই নির্ধারণ করবে বাংলাদেশের ফাইনাল সিদ্ধান্ত এবং সম্ভবত বিশ্বকাপের সামগ্রিক চিত্রও।

  • ভারতে বিশ্বকাপ না খাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

    ভারতে বিশ্বকাপ না খাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় বাংলাদেশ: যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

    আইসিসি সময়সীমা বেঁধে আশ্বাস দিলেও ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকের পর যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল এ তথ্য জানান।

    উপদেষ্টার কথায়, ভারতের দিক থেকে মোস্তাফিজুর রহমানকে নিরাপত্তা দেওয়ার বিষয়ে সন্তোষজনক নিশ্চয়তা পাওয়া যায়নি। সেই কারণেই সরকার পুরো দলের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এবং এই অবস্থায় ভারতেই ম্যাচ খেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া যাচ্ছে না।

    আইসিসি এক মাসের মধ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতি উন্নত হবে বলে আশ্বাস দেওয়ায়ও সরকার সেটিতে ভরসা করতে পারছে না, জানান তিনি। তবু ভেন্যু পরিবর্তন নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রচেষ্টা চলবে বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, আজ আবারও আইসিসির সঙ্গে বিসিবি যোগাযোগ করবে।

  • ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের ‘ড্যান্সিং হিরো’ ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের সোনালী যুগের দাপুটে নায়ক ও কালজয়ী নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ আর নেই। বহুদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ৮২ বছর বয়সে তিনি না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মৃত্যু সংবাদটি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন জাভেদ। পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে বসবাস করলেও পরবর্তীতে তাঁর কলাকৌশল ও প্রতিভা তাকে ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিয়ে আসে।

    জানা গেছে, দীর্ঘদিন ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন তিনি এবং নানা রকম শারীরিক জটিলতাও ছিল। গত বছরের এপ্রিল মাসেও তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। আজ সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

    সংবাদমাধ্যমকে জাভেদের স্ত্রী ডলি চৌধুরী জানান, আজ সকালে তার শারীরিক অবস্থার ব্যাপক অবনতি হয়। গত কিছুদিন ধরে বাসায় রেখে চিকিৎসা চলছিল; হাসপাতাল থেকে চিকিৎসক ও দুই নার্স এসে দেখাশোনা করছিলেন। ওই সকালে নার্সরা প্রথমে তাঁর শরীর ঠাণ্ডা লক্ষ্য করেন। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    জাভেদের অভিনয়জীবন শুরু হয় নৃত্যনির্দেশক হিসেবে; পরে নায়ক হিসেবে সুবাখ্যাতি পান। ১৯৬৪ সালে উর্দু ছবিতে (নয়ি জিন্দেগি) নায়ক হিসেবে রুপালি পর্দায় অভিষেক ঘটে তার। পরবর্তীতে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ ছবিতে শাবানার সঙ্গে কাজ করে তিনি বহুল জনপ্রিয়তা লাভ করেন। পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামটি দেন। এরপর একের পর এক ব্যবসাসফল ছবিতে অভিনয় করে দর্শকদের মনে ‘ড্যান্সিং হিরো’ হিসেবে স্থায়ী আসন করান। ব্যক্তিগত জীবনে ১৯৮৪ সালে তিনি জনপ্রিয় অভিনেত্রী ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন।

    রূপালি পর্দায় তার আসল নাম ছিল রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস; ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। সত্তর ও আশির দশকের দর্শকদের কাছে জাভেদ মানেই ছিল জোরাল নাচ ও অ্যাকশনের অনবদ্য মিশ্রণ। তার প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে বিবেচিত হবে।

    জাভেদের উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রগুলো: মালেকা বানু, নিশান, পাপী শত্রু, রক্ত শপথ, সাহেব বিবি গোলাম, কাজল রেখা, অনেক দিন আগে, আজও ভুলিনি, কঠোর, মা বাবা সন্তান, রাখাল রাজা, রসের বাইদানী, জীবন সঙ্গী ও আবদুল্লাহ।

    ইলিয়াস জাভেদের শিল্পীজীবন ও নৃত্যশৈলীর স্মৃতি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মনে দীর্ঘদিন থাকবে। তার পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

  • চিরবিদায়: চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    চিরবিদায়: চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    দুই বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির আর নেই। ১২ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন; অপমৃত্যু সময় তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

    মৃত্যুসংবাদটি প্রথম জানিয়ে দেন তার ভাগ্নে জাভেদ মাহমুদ। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আমার মামি জয়শ্রী কবির বিখ্যাত নায়িকা, এককালের ‘মিস ক্যালকাটা’ — লন্ডনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। উনি সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’, আলমগীর কবিরের ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যায়’ নায়িকা ছিলেন।” জাভেদ জানান, মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে অসুস্থ ছিলেন তিনি।

    জয়শ্রী কবির দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে বসবাস করতেন। সেখানে তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন। প্রায় এক দশক আগে তিনি ঢাকায় এসেছিলেন; সেই পর্বের পরে আর বাংলাদেশে নিয়মিত দেখা হয়নি।

    জয়শ্রী কবির ১৯৫২ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন; পারিবারিক নাম জয়শ্রী রায়। সাউথ পয়েন্ট স্কুলে তিনি পড়াশোনা করেন। ১৯৬৮ সালে ‘মিস ক্যালকাটা’ নির্বাচিত হওয়ার পর চলচ্চিত্রে জোরাল উপস্থিতি দেখানো শুরু করেন। ১৯৭০ সালে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালিত ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ ছবিতে তাঁর চলচ্চিত্র জীবনের সূচনা। পরে উত্তম কুমারের বিপরীতে ১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অসাধারণ’ ছবিতেও তিনি অভিনয় করেন।

    পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের নির্মাতাদের সঙ্গে কাজ করে জয়শ্রী কবির দুদিকের বাংলা চলচ্চিত্রেই পরিচিতি অর্জন করেন। বিশেষ করে বাংলাদেশী পরিচালক আলমগীর কবিরের several চলচ্চিত্রে তিনি নায়িকা ছিলেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যা’ ও ‘মোহনা’।

    জয়শ্রী ১৯৭৫ সালে আলমগীর কবিরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন; কিন্তু দাম্পত্য জীবন দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। প্রায় তিন বছরের মধ্যে অশান্তির ফলে তারা বিবাহ বিচ্ছেদ করেন। এ সংসabethে তাঁদের একটি পুত্র—লেনিন সৌরভ কবির—আছেন। বিবাহবিচ্ছেদের পর জয়শ্রী প্রথমে কলকাতায় ফিরে যান এবং পরে পুত্রকে নিয়ে লন্ডনে স্থায়ীভাবে বাস শুরু করেন।

    জয়শ্রী কবিরের চলে যাওয়া বাংলা চলচ্চিত্রে এক যুগপীত আবেগ ও স্মৃতিচিহ্ন রেখে গেল। শোবিজসহ চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মধ্যে তাঁর অভিনয়, লড়াকু চরিত্রচিত্র ও দুই বাংলার চলচ্চিত্রে অগ্রগতি স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

  • জাতিসংঘের দাবি, বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চান

    জাতিসংঘের দাবি, বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন চান

    বাংলাদেশে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সক্রিয়ভাবে নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে জাতিসংঘ গুরুত্ব দিয়ে মনোযোগ দিচ্ছে, যাতে নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ এবং সকলের জন্য অংশগ্রহণের উপযোগী হয়। জাতিসংঘের নিয়মিত ব্রিফিংয়ে মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের দপ্তর থেকে এই বিষয়ে মন্তব্য করেন ডেপুটি মুখপাত্র ফারহান হক। এক সাংবাদিক বাংলাদেশের পরিস্থিতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, জাতিসংঘের মূল লক্ষ্য হলো দেশটিতে নির্বাচনের প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সব সময় স্পষ্টভাবে বলেছি যে, এমন একটি পরিবেশ নিশ্চিত করাই গুরুত্বপূর্ণ যেখানে প্রত্যেক নাগরিক নিরাপদে তাদের ভোটাধিকার ব্যবহার করতে পারবেন এবং ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে।’ এই স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকার নির্বাচনের সময় এবং পরে গণতন্ত্র রক্ষা এবং একে সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় থাকে। জাতিসংঘের এই প্রস্তাবনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একটি বার্তা, যার মাধ্যমে তারা জানাতে চায় যে, নির্বাচন যেন স্বচ্ছ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য হয়। এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি দ্রুত এগিয়ে চলেছে, যেখানে নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি।

  • Trump হুঁশিয়ারি: পৃথিবী থেকে ইরানকে ‘মুছে ফেলার’ সম্ভাবনা

    Trump হুঁশিয়ারি: পৃথিবী থেকে ইরানকে ‘মুছে ফেলার’ সম্ভাবনা

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নেতাদের উদ্দেশে শক্ত ভাষায় সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরানের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে হত্যার হুমকি অব্যাহত থাকে, তবে দেশটিকে পৃথিবী থেকে মুছে ফেলা হবে। এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি, যা দ্য হিল নামের একটি মার্কিন গণমাধ্যমও প্রকাশ করেছে।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) নিউজ নেশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরানের উচিত নয় এমন হুমকি দেওয়া। তিনি আরও জানান, আমি আগেই নির্দেশনা দিয়েছি—যদি আমার কিছু ঘটে, তাহলে পুরো ইরানকে ধ্বংস করে দেওয়া হবে।

    ট্রাম্প মনে করেন, ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন চলাকালে বাইডেন প্রশাসনের গোয়েন্দা কর্মকর্তা ওদের পক্ষ থেকে সম্ভাব্য হত্যার হুমকি সম্পর্কে ব্রিফ করেছিলেন। এ বিষয়ে তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মেরিক গারল্যান্ড জানিয়েছেন, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে ২০২০ সালে ইরানের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল কাসেম সোলাইমানির হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা থাকতে পারে। সোলাইমানির মৃত্যুদণ্ডে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অভিযান সফল হয়েছিল।

    এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের উচিত ছিল বিষয়গুলোকে জাতির কাছে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করা। সাবেক ও বর্তমান প্রেসিডেন্টদের একে অপরের রক্ষা করা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে। তিনি আরও জানান, আমার স্পষ্ট নির্দেশনা আছে—যদি কিছু ঘটে, তবে ইরান পুরো পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

    পূর্বে ট্রাম্প বলেছিলেন, যদি ইরান তার জীবনবাজি রেখে তাকে হত্যা করার চেষ্টা করে, তাহলে দেশটিকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেওয়া হবে। কর্মকর্তাদের নির্দেশের ফলে তিনি এই কথা বলেছিলেন, যা ইরানের জন্য এক ভয়াবহ বিপদ হতে পারে।

    অপরদিকে, ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত তিন হাজার ৩০০ এর বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। এর জেরে ট্রাম্প বলেছেন, বিক্ষোভকারীদের উপর যদি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র মোবাইল সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তবে বর্তমানে তাকে জানানো হয়েছে যে, এসব হত্যাকাণ্ড আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে।

    এদিকে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি অভিযোগ করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে। এক সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, তারা ইরানকে ছাড় দিতে চায় না। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আমরা যুদ্ধ চাচ্ছি না, তবে দেশের অভ্যন্তরীণ অপরাধীদের ও দেশের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

  • গাজায় যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত নেতানিয়াহু বোর্ড অব পিসে যোগ দিচ্ছেন

    গাজায় যুদ্ধাপরাধের জন্য অভিযুক্ত নেতানিয়াহু বোর্ড অব পিসে যোগ দিচ্ছেন

    গাজার পরিস্থিতি এখন বিশ্ববোধক এক সংকটের কেন্দ্রে। যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্যোগে গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’ নামে একটি নতুন সংগঠন গড়ে উঠছে, যেখানে যোগ দিচ্ছে দখলদার ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। এই খবরটি বুধবার (২১ জানুয়ারি) ইসরায়েলি সরকারি দপ্তর নিশ্চিত করেছে এবং এটি প্রকাশ করেছে টাইমস অব ইসরায়েল ও আল-জাজিরা।

    শুরু থেকেই এই বোর্ডের নেতৃত্বে থাকবেন ট্রাম্প নিজে, যিনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে এই সংগঠনে যোগ দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ট্রাম্পের ভাষ্য, যারা এই বোর্ডে যোগ দিতে ১ বিলিয়ন ডলার দান করবে, তারা আজীবন সদস্য হিসেবে সম্মানিত হবেন।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ট্রাম্পের এই উদ্যোগের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী বিকল্প জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ট্রাম্প নিজেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন, হয়তো এই বোর্ড জাতিসংঘের স্থলাভিষিক্ত হবে।

    এখন পর্যন্ত এই বোর্ডে যোগদান করেছেন আর্জেন্টিনা, আজারবাইজান, বেলারুশ, হাঙ্গেরি, কাজাখস্তান, মরক্কো, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভিয়েতনামসহ অন্যান্য দেশ। সর্বশেষ যোগ দিয়েছেন ইসরায়েল।

    অপরদিকে, আন্তর্জাতিক আদালত (আইসিসি) গাজায় গণহত্যার অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। এছাড়া, গত বছর নভেম্বরে গাজায় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে নেতানিয়াহু এবং তার সরকারের কিছু চরমপন্থী নেতা বিরুদ্ধে তুরস্কও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে।

    এমন পরিস্থিতিতে, নেতানিয়াহুর মতো একজন যুদ্ধাপরাধীর হাতে এই শান্তির সংগঠনের নেতৃত্ব দেওয়া অনেকের কাছে প্রশ্নের মুখে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে ট্রাম্পের ‘শান্তির’ নামে গড়া এই বোর্ডের বিরুদ্ধে অস্পষ্ট নানা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠতে পারে, যা আন্তর্জাতিকভাবে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিতে পারে।

  • পাকিস্তানে করাচির গুল প্লাজার অগ্নিকাণ্ডে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    পাকিস্তানে করাচির গুল প্লাজার অগ্নিকাণ্ডে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    প্রাণঘাতী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় করাচির ব্যস্ত শপিং কমপ্লেক্স গুল প্লাজায় এখনও নিখোঁজের সংখ্যা বিপুল। গত ১৭ জানুয়ারি শনিবার এই দুর্যোগের শুরু হয়, যেখানে প্রথম আগুন লাগে প্লাজার বেসমেন্টে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো পাঁচ তলায়। ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকেই এই ভয়াবহ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের মাত্রা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে হয়।

    ১৯৮০ সালে নির্মিত এই শপিং কমপ্লেক্সটির বিশাল আকার, যা একটি ফুটবল মাঠের থেকেও বড়। এখানে রয়েছে ১ হাজার ২ শতাধিক দোকান, কিন্তু আগুনে অধিকাংশ দোকান পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এই ধরণের বড় অগ্নিকাণ্ড এর আগে করাচিতে ঘটেনি।

    অগ্নিদগ্ধদের মধ্যে বেশিরভাগই দোকানের মালিক ও কর্মচারী, যারা মরদেহ উদ্ধারের পর ১৫ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় এখন মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ জনে পৌঁছায়, তবে নিখোঁজের সংখ্যা এখনো ৪০ জনের বেশি। উদ্ধারকার্য চলাকালে ৩০ জনের দগ্ধ মরদেহ গুল প্লাজার একটি দোকান থেকে উদ্ধার করা হয়, যার মধ্যে নতুন করে ১৫ জনের পরিচয় জানা গেছে। নিখোঁজের সংখ্যার সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যা এভাবেই দ্রুত বাড়ছে বলে ধারণা করছে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।

    ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গুল প্লাজার মোট ২৬টি গেট ছিল, তবে এর মধ্যে ২৪টি সবসময় বন্ধ থাকত, যার কারণে অগ্নিকাণ্ডের সময় শত শত মানুষ আটকা পড়েছিলেন। মার্কেটের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল অনুপযুক্ত ও নষ্ট, যা পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তোলে।

    তদন্তে জানা গেছে, আগুন লাগার পর দোকানগুলো শাটার বন্ধ করে দিয়েছিল, যা তাদের প্রাণহানির কারণ বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা। উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক আসাদ রাজা জানিয়েছেন, ঘটনাটি তদন্ত চলছে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হতাহত ও নিখোঁজের সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। সিন্ধি সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে, যারা এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এই ঘটনাটি করাচির ইতিহাসে অন্যতম ভয়ংকর অগ্নিকাণ্ড হিসেবে রেকর্ড হচ্ছে।

  • শিনজো আবের হত্যায় খুনির আমৃত্যু কারাদণ্ড

    শিনজো আবের হত্যায় খুনির আমৃত্যু কারাদণ্ড

    সাবেক প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবেকে গুলি করে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আজীবন কারাদণ্ড দেয় জাপানের আদালত। এশিয়ার অন্যতম প্রভাবশালী অর্থনীতির দেশকে স্তব্ধ করে দেওয়ার এই হত্যাকাণ্ডের প্রায় সাড়ে তিন বছর পর বুধবার রায় ঘোষণা করা হয়, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

    ১৯৫৯ সালে জন্ম নেওয়া শিনজো আবেকে ২০২২ সালের জুলাইয়ে পশ্চিম জাপানের নারা শহরে এক নির্বাচনী প্রচারের সময় হত্যা করা হয়। তখন তিনি বক্তৃতা দিচ্ছিলেন, আর ওই সময় হাতে তৈরি বন্দুক দিয়ে একজন ৪৫ বছর বয়সীতেতসুইয়া ইয়ামাগামি তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ ঘটনার পরই তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নিহতের বয়স ছিল ৬৭ বছর।

    নারা ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে বিচার শুরুর সময়, অক্টোবর মাসে, প্রথম শুনানিতেই ইয়ামাগামি হত্যার দোষ স্বীকার করে নেয়। এ জন্য তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়, যা আদালতের জন্য এক স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ছিল। তখনকারঠা সব চোখ ছিল কেমন ধরনের শাস্তি হবে তা নিয়ে। রায় ঘোষণার সময় বিচারক শিনিচি তানাকা এই গুলির ঘটনায় বলেছেন, এই ঘটনার ভাষা ‘জঘন্য’ এবং তিনি বলেন, “বড় জনসমাগমে বন্দুকের ব্যবহার অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দুষ্কৃতিকারী অপরাধ।”

    রায় ঘোষণার আগে, কৌঁসুলিরা খুনি ইয়ামাগামির জন্য আজীবন কারাদণ্ডের দাবি করেছিলেন। তারা উল্লেখ করেছিল যে, জাপানে এ রকম ঘটনা খুবই বিরল এবং ব্যাপক গুরুত্বের জন্য এই হত্যাকাণ্ডকে ‘দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধপরবর্তী অন্যতম মারাত্মক ও নজিরবিহীন ঘটনা’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়। তবে, ইয়ামাগামির আইনজীবীরা তার জন্য কম করে ২০ বছরের দণ্ডের আবেদন জানায়, মূলত এই ঘটনায় ইউনিফিকেশন চার্চের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক বিষয়কে কেন্দ্র করে।

    বিচার শেষে জানা যায়, ইয়ামাগামির বিরুদ্ধে আপিলের জন্য সিদ্ধান্ত হলে, তার আইনজীবীরা সেটি ঘোষণা করবে। ভবিষ্যতে এই ব্যাপারে তারা কি করছেন, তা পরে জানানো হবে।