Author: bangladiganta

  • ইতিহাসে সর্বোচ্চ: এক ভরি সোনা এখন দুই লাখ ৪৪ হাজারেরও বেশি

    ইতিহাসে সর্বোচ্চ: এক ভরি সোনা এখন দুই লাখ ৪৪ হাজারেরও বেশি

    বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দেশি বাজারে সোনার দাম বৃদ্ধির খবর জানিয়েছে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাজারে প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ২৪৯ টাকা পর্যন্ত বাড়ার ফলে সবচেয়ে ভালো মানের সোনার দাম দুই লাখ ৪৪ হাজার টাকার ওপরে উঠে গেছে — যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    বিজ্ঞপ্তিতে এই তফসিলগত দাম মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) জানানো হয় এবং নতুন মূল্য বুধবার (২১ জানুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে। সংস্থাটি জানায়, বৈশ্বিক বাজারে তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দর বাড়ায় স্থানীয় বাজারে এ ধারা দেখা দিয়েছে।

    গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি’র তথ্যমতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দরও উত্থানশীল; প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম চার হাজার সাতশত পঞ্চাশেরও বেশি ডলারে পৌঁছেছে। এই আন্তর্জাতিক দরবৃদ্ধিই স্থানীয় দামে সরাসরি প্রভাব ফেলেছে বলে বাজুস উল্লেখ করেছে।

    নতুন নির্ধারিত দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেট সোনার এক ভরি দাম দাঁড়িয়েছে দুই লাখ চুয়াল্লিশ হাজার একশত আটাশ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট প্রতি ভরি দুই লাখ তেত্রিশ হাজার আটশ আটানব্বই টাকা, ১৮ ক্যারেট প্রতি ভরি এক লাখ নিনানব্বই হাজার সাতশ ছানব্বই টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ত্রিশ হাজার ছিয়াশি একশ একবিংশ টাকা (এক লাখ ৬৩ হাজার ৮২১ টাকা) নির্ধারণ করা হয়েছে।

    সোনার সঙ্গে রূপার দামও বেড়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২২ ক্যারেট হিসেবে গণ্য করা এক ভরি রূপার দাম ৬ হাজার ৫৯০ টাকা; ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ২৯৯ টাকা; ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৫ হাজার ৪২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এই দরবৃদ্ধি ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে—স্বর্ণবাজারে দাম বেড়ে গেলে গহনা কেনাবেচা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনায় পুনর্বিবেচনা প্রয়োজন পড়তে পারে। বাজুসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের জন্য নতুন দাম কার্যকর হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় দোকান ও জুয়েলারিদের কাছে তথ্য যাচাই করে কেনাবেচা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

  • রেকর্ড—এক ভরি সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা

    রেকর্ড—এক ভরি সোনার দাম ছাড়াল ২ লাখ ৫২ হাজার টাকা

    দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বেড়েছে; এক ভরির দাম ছাড়িয়ে গেছে দুই লাখ ৫২ হাজার টাকার সীমাকে, যা দেশে সর্বোচ্চ রেকর্ড।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে ঘোষণা করেছে, আগের দিন থেকে একদিনের ব্যবধানে সোনার দর বাড়ানো হয়েছে। নতুন এই দাম আগামীকাল ২২ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে।

    সংগঠনটি জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে পিওর গোল্ড (তেজাবি সোনা) ও স্বর্ণের দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা গেছে, বৈশ্বিক বাজারে স্বর্ণের দাম প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়েছে।

    নতুন দর অনুযায়ী বিভিন্ন মানের সোনার নতুন দামগুলো হলো:

    22 ক্যারেট (সেরা মান): প্রতি ভরি দুই লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকা

    21 ক্যারেট: প্রতি ভরি দুই লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা

    18 ক্যারেট: প্রতি ভরি দুই লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা

    সনাতন পদ্ধতির সোনা: প্রতি ভরি এক লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা

    সোনার সঙ্গে রুপার দামও বেড়েছে। রুপার নতুন দামগুলো হলো:

    22 ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬ হাজার ৮৮২ টাকা

    21 ক্যারেট: প্রতি ভরি ৬ হাজার ৫৩২ টাকা

    18 ক্যারেট: প্রতি ভরি ৫ হাজার ৫৯৯ টাকা

    সনাতন পদ্ধতির রুপা: প্রতি ভরি ৪ হাজার ২০০ টাকা

    এই দররূপ পরিবর্তন ভোক্তা ও জুয়েলারি ব্যবসার ওপর প্রভাব ফেলবে; খুচরা ক্রেতারা ও বাজারের ব্যবসায়ীদের আগামীকাল থেকে নতুন দাম অনুসরণ করতে হবে।

  • অন্ধ্রপ্রদেশে ‘বাংলাদেশি’ বলে অভিহিত করে পশ্চিমবঙ্গের মঞ্জুর আলমকে পিটিয়ে হত্যা

    অন্ধ্রপ্রদেশে ‘বাংলাদেশি’ বলে অভিহিত করে পশ্চিমবঙ্গের মঞ্জুর আলমকে পিটিয়ে হত্যা

    পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার এক শ্রমিককে অন্ধ্রপ্রদেশের কোমারোলুতে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের নাম মঞ্জুর আলম লস্কর; তিনি ৩২ বছর বয়সী এবং দীর্ঘ সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশে জরির কাজ করতেন।

    সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়াকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, মঞ্জুরকে মুসলিম ও ‘বাংলাদেশি’ বলে অভিহিত করে চুরির অভিযোগ তুলে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। স্থানীয় উগ্রবাদী দলের লোকেরা তাকে প্রথমে অপহরণ করে এবং মুক্তিপণ হিসেবে ২৫ হাজার রুপি দাবি করে।

    মঞ্জুরের পরিবার জানায়, গত মঙ্গলবার অজ্ঞাত একটি নম্বর থেকে ফোন করে মুক্তিপণ চাওয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা ৬ হাজার রুপি যোগাড়ও করেন, কিন্তু বুধবার তারা জানতে পারেন মঞ্জুরকে হত্যা করা হয়েছে।

    রঙ্গিলাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিষ্ণপুর গ্রামে জন্মভূমি থাকা মঞ্জুর সেখানে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে থাকায় স্থানীয়দের মধ্যেই পরিচিত ছিলেন। তবু তাকে বাংলাদেশি হিসেবে চিহ্নিত করে সেখান থেকে চলে যেতে হুমকি দেওয়া হয়েছিল।

    মঞ্জুরের পরিবার ক্ষতিগ্রস্থদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে এবং এ ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সহায়তা চেয়েছেন।

    টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাভাষী মুসলিমদের ওপর চলমান সহিংসতায় এটি একটি উদ্বেগজনক ঘটনা। অনুসন্ধান ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের দিকে নজর দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্র: টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়া।

  • ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত বিমান থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    ইন্দোনেশিয়ায় বিধ্বস্ত বিমান থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার

    ইন্দোনেশিয়ার দক্ষিণ সুলাওয়েসির প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিধ্বস্ত একটি বিমান থেকে শুক্রবার দশজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া লাশের মধ্যে সাতজন কেবিন ক্রু এবং তিনজন যাত্রী রয়েছেন। বিধ্বস্ত বিমানটি এটিআর ৪২-৫০০ ধরনের টারবোপ্রপ উড়োজাহাজ, যা সাধারণত মাঝারি ক্ষমতার স্বল্পসড়ক ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

    এক প্রতিবেদনে এএফপি জানিয়েছে যে উড়োজাহাজটি ইন্দোনেশীয় এয়ার ট্রান্সপোর্ট (আইএটি) সংস্থার ছিল। রির্পোট অনুসারে বিমানটি গত ২৮ জানুয়ারি জাকার্তা থেকে মৎস্যসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তিন কর্মকর্তাকে নিয়ে দক্ষিণ সুলাওয়েসি দ্বীপে জরিপে যাওয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়। রওনা হওয়ার কিছুক্ষণ পর দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে আইএটির মূল দফতর থেকে বিমানটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

    দক্ষিণ সুলাওয়েসি দুর্যোগ মোকাবিলা দপ্তরের উদ্ধারকারী কর্মকর্তা অ্যান্ডি सুলতান জানিয়েছেন, বিমানটি নিখোঁজ হওয়ার পরই অনুসন্ধান অভিযান শুরু করা হয়। শুক্রবার সকালে মারোস জেলার বুরুসারাউং পাহাড়ের কাছে ধ্বংসাবশেষ ও মৃতদেহগুলি পাওয়া যায়। ওই স্থানটি জাকার্তা থেকে প্রায় ১,৫০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

    ইন্দোনেশিয়ার বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    সূত্র: এএফপি, রয়টার্স

  • চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ৪০ বছরের ব্যবসায়ী নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে স্ট্রোক করে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে নুরু মিয়া শেখ (৪০) নামের এক সবজি ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত নুরু মিয়া শেখ উপজেলার আড়-যাবর্নী গ্রামের মৃত মাওলানা কাওছার আলী শেখের ছেলে।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ওই দিন বিকেলে কাজ শেষ করে বাজার থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন নুরু মিয়া। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে পৌঁছালে হঠাৎ অসুস্থ বোধ করে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে দ্রুত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে উদ্ধারকাজ চলাকালীন মাত্র প্রায় ১০ মিনিটের মধ্যে তিনি মারা যান।

    চিতলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. রাণী খানম জানান, ছ-placeে তিনি স্ট্রোক করে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার পর অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করা হলেও তিনি প্রাণবায়ু ফিরে আনতে পারেননি।

    নিহত নুরু মিয়া শেখ স্ত্রী ও দুই নাবালক ছেলেসহ বহু অভিভাবক, আত্মীয়-স্বজন ও গ্রামবাসী রেখে গেছেন। তার নামাজে জানাজা শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় আড়-যাবর্নী চরপাড়া জন্নাতুল বাকী কবরস্থানে অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে সেখানে তাকে দাফন করা হবে।

  • শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ খুলনা গড়াই আমাদের লক্ষ্য: মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনাকে শান্তি, উন্নয়ন ও নিরাপদ করে গড়তে চান। তিনি বললেন, খুলনা এক সময় ছিল শিল্প-সমৃদ্ধ—a বন্দর ও শিল্পনগরীর পরিচয়ে খ্যাত। কিন্তু বর্তমানে শিল্পবন্ধের ফলে শহরটি ঐতিহ্যহীন হয়ে পড়েছে। সেই হারানো মর্যাদা ফিরে এনে খুলনাকে পুনরায় উন্নয়নমুখী বানানোই তাদের উদ্দেশ্য।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘‘তরুণদের জন্য আমাদের নানা কর্মসংস্থান ও উন্নয়ন পরিকল্পনা রয়েছে। বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প কল-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে আমরা সমৃদ্ধ খুলনা গড়তে চাই। শান্তির, উন্নয়নের এবং নিরাপদ খুলনা তৈরি করা সবচেয়ে বড় লক্ষ্য।’’

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের গতানুগতিক নয়, নির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফেরার কথাও উল্লেখ করেন। মঞ্জু জানান, ১৭ বছর পর দেশে এসে তিনি জানান ‘‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’’—এমন উন্নয়ননীতিই তারা সামনে এগিয়ে নিতে চায়।

    তিনি বলেন, বিএনপি জনগণের কাছে একটি স্বনির্ভর অর্থনীতি উপহার দেবে। নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড এবং কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডসহ স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অন্যান্য সকল খাতে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করাই তাদের লক্ষ্যমাত্রা। ভবিষ্যতে আরও নানা নির্বাচনী উদ্যোগ নিয়ে দলের নেতৃত্ব নেতৃত্ব দেবে বলে তিনি জানান।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, ‘‘আমরা একটি মানবিক বাংলাদেশ চাই। জুলাই অভ্যুত্থানের পর যে যাত্রা শুরু হয়েছে, সেই যাত্রায় মানুষের স্বপ্ন বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য। আমাদের নেতা তারেক রহমান উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা নিয়ে দেশে ফিরে কয়ের কাজ করছেন এবং মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসছেন।’’ তিনি যুক্ত করেন, বিএনপি দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও অভিজ্ঞ রাজনৈতিক দল; অতীতের অভিজ্ঞতা ও জনসমর্থনের ভিত্তিতে আগামী নির্বাচনে ভালো ফল হবে এটাই জনগণের প্রত্যাশা।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় কয়েকজন নেতা-কর্মীর নামের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মাহবুব হাসান পিয়ারু, আলমগীর হোসেন আলম, আব্দুল হাকিম, শামীম খান, সুলতান মাহমুদ সুমন, সাইফুল বকসি, দাউদ বকসি, রাজিব খান রাজু, শহিদুল বেল্লাল, মোস্তফা সাব্বির, খোন্দকার সোহেল, শেখ মেহেদী হাসান, সিদ্দিক মাতবর, শামীম রেজা ও নাঈম ইসলাম। এছাড়া এলাকাবাসীও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

  • ফাইনাল শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে মিরপুরে পৌঁছালো বিপিএল ট্রফি

    ফাইনাল শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে মিরপুরে পৌঁছালো বিপিএল ট্রফি

    ২০২৬ সালের বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ফাইনালে সন্ধ্যা ছয়টায় রাজশাহী ওয়ারিয়র্স মোকাবেলার অপেক্ষায় ছিল চট্টগ্রাম রয়্যালস। ম্যাচ শুরুর দেড় ঘণ্টা আগে মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে হাজির করা হলো এবারের টুর্নামেন্টের নতুন ট্রফি।

    পূর্ব ঘোশণামতে বিকাল ৪টা ৩৫ মিনিটে হেলিকপ্টার যোগে মাঠে এসে ট্রফিটি আনেন অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক আকবর আলী এবং দেশের সাবেক নারী দল অধিনায়ক সালমা খাতুন। এরপর ট্রফি উন্মোচন করেন দুই ফাইনালিস্ট দলের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও শেখ মেহেদী হাসান। আনুষ্ঠানিকতা শেষে ট্রফিটি পিকআপে নিয়ে মাঠে প্রদর্শন করা হয়, দর্শকরা সেটি ঘিরে ভিড় জমান।

    প্রথম দফায় গভর্নিং কাউন্সিল একটি ট্রফি এনেছিল, কিন্তু সেটি গৃহীত হয়নি বলে নতুন করে ট্রফি অর্ডার দেয়া হয়। বিসিবির তথ্য অনুযায়ী এবারের ট্রফিটি দুবাই থেকে তৈরি করে আনা হয়েছে এবং এর জন্য খরচ হয়েছে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার বা প্রায় সাড়ে ৩০ লাখ টাকা।

    বিপিএলের এবারের পর্ব শুরু হয়েছিল সিলেট টাইটানস ও রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ম্যাচ দিয়ে। ওই উদ্বোধনী দিনে ট্রফি না থাকায় বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল ২৫ হাজার বেলুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করেছিলেন। ফাইনালের আগে দর্শক ও গণমাধ্যমকে চমক দেখাতে ট্রফি নিয়ে আলাদা ফটোসেশন ও প্রদর্শনের আয়োজন করা হয়েছিল, ফলে অবশেষে নতুন নকশার ট্রফি সবাই চোখে দেখলো।

    বিপিএলের ফাইনালের আয়োজনে বিনোদন সরঞ্জামও জোগার করে বিসিবি; ট্রফি উন্মোচন পর্বের শেষে দেশের জনপ্রিয় মডেল তানজিন তিশা স্টেজে পারফর্ম করেন। তিনি উদ্বোধনী দিনেও সিলেটে স্টেজ শো করেন।

  • বিসিবি আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির হস্তক্ষেপ চায়

    বিসিবি আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির হস্তক্ষেপ চায়

    আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো ভারতে না করে অন্য দেশে আয়োজনের দাবি নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আবারও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) দ্বারস্থ হয়েছে। বোর্ডটি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে আইসিসিকে অনুরোধ করেছে যেন বিষয়টি স্বাধীন বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটি (ডিআরসি)-তে পাঠানো হয়।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য টাইমস অফ ইন্ডিয়া জানিয়েছে, বিসিবি এ বিষয়ে আইসিসিকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে এবং মঞ্চ পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তার পক্ষপাতী হয়ে তর্ক তুলে ধরেছে। বিসিবি বিশেষ করে চান যে বাংলাদেশের ম্যাচগুলো নির্ধারিত ভারতীয় ভেন্যুগুলোতে না হয়ে অন্য কোনো দেশে অনুষ্ঠিত হোক।

    আইসিসির স্বাধীন সালিশি সংস্থা ডিআরসি সদস্য বোর্ড, আইসিসি কিংবা খেলোয়াড় ও কর্মকর্তা-ব্যবস্থার মধ্যে সৃষ্টি হওয়া বিরোধ নিষ্পত্তিতে ভূমিকা রাখে। সাধারণত অভ্যন্তরীণ সব প্রসেস শেষ হওয়ার পরই এই কমিটি হস্তক্ষেপ করে; বিসিবি আশা করে, তাদের আবেদন গ্রহণ করলে আইসিসি বিষয়টি ডিআরসিতে পাঠাবে।

    এর আগে বোর্ড সভার পর আইসিসি ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ খারিজ করে দিয়েছে এবং টুর্নামেন্টের সূচি অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত জানায়। একই সময়ে আইসিসি বিসিবিকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানান দিতে বলেছে যে বাংলাদেশ দল কীভাবে এই পরিস্থিতিতে অংশগ্রহণ করবে, সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    আইসিসির সিদ্ধান্তের পর বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, তারা বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সবরকম চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। তিনি জানান, শ্রীলঙ্কায় খেলার বিকল্পের ব্যাপারে তারা এখনও আশাবাদী এবং এই দাবিতে হাল ছাড়ছে না।

    বিসিবি এবং আইসিসির মধ্যে চলমান এই কূটনীতি আগামী কয়েকদিনে টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ ও ভেন্যু চূড়ান্ত করার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে—বিশেষত এমন সময়ে যখন সময় সীমিত এবং প্রতিযোগিতার সূচি আগে থেকেই ঘোষণা করা রয়েছে।

  • ঢালিউডের কিংবদন্তি ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের কিংবদন্তি ইলিয়াস জাভেদ আর নেই

    ঢালিউডের প্রখ্যাত নায়ক ও নৃত্যশিল্পী ইলিয়াস জাভেদ জীবনবোধ থেকে বিদায় করেছেন। দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে ভুগে ৮২ বছর বয়সে আজ (সোমবার) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

    মৃত্যুর বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য সনি রহমান। তথ্য অনুযায়ী, ইলিয়াস জাভেদ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং গতবছরের এপ্রিলেও তিনি হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়েছিলেন। কিছু দিন ধরে বাড়িতে শয্যাশায়ীভাবে চিকিৎসা চলছিল।

    সংবাদমাধ্যমকে জানাচ্ছেন তার স্ত্রী ডলি চৌধুরী, আজ সকালে তাঁর স্বামীর শারীরিক অবস্থা হঠাৎ করেই মারাত্মকভাবে অবনতি ঘটে। বাড়িতে থাকা অবস্থায় চিকিৎসক এবং দুজন নার্স কয়েকদিন ধরে তাঁর পরিচর্যা করছিলেন। আজ সকালে নার্সরা জানান তাঁর শরীর ঠান্ডা হয়ে গেছে। এরপর অ্যাম্বুলেন্স ডেকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    ইলিয়াস জাভেদ ১৯৪৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পেশাওয়ারে জন্মগ্রহণ করেন। পরবর্তীতে পরিবারের সঙ্গে পাঞ্জাবে চলে গেলেও শেষ পর্যন্ত তিনি ঢাকার চলচ্চিত্র অঙ্গনে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। ১৯৬৪ সালে উর্দু সিনেমা ‘নয়ী জিন্দেগি’ দিয়ে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিনয়ের সূচনা। তবে ১৯৬৬ সালের ‘পায়েল’ ছবিতে শাবানার সঙ্গে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি বড়পর্দায় খ্যাতি পান; পরিচালক মুস্তাফিজই তাকে ‘জাভেদ’ নামটি দেন।

    জাভেদ নৃত্য পরিচালক হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন এবং পরে নায়ক হিসেবেও জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। দর্শকের হৃদয়ে তিনি ‘ড্যানসিং হিরো’ হিসেবে বিশেষ স্থান করে নেন—সত্তরের ও আশির দশকে তাঁর নাচ-বলো ও অ্যাকশনের মেশানো অনবদ্য ধরনে কোটি দর্শক মুগ্ধ ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি ১৯৮৪ সালে জনপ্রিয় নায়িকা ডলি চৌধুরীর সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। পুরো ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন।

    ইলিয়াস জাভেদের উল্লেখযোগ্য ছবিগুলো হলো: ‘নয়ী জিন্দেগি’, ‘পায়েল’, ‘মালেকা বানু’, ‘নিশান’, ‘পাপী শত্রু’, ‘রক্ত শপথ’, ‘সাহেব বিবি গোলাম’, ‘কাজল রেখা’, ‘অনেক দিন আগে’, ‘আজও ভুলিনি’, ‘কঠোর’, ‘মা বাবা সন্তান’, ‘রাখাল রাজা’, ‘রসের বাইদানী’, ‘জীবন সঙ্গী’ ও ‘আব্দুল্লাহ’।

    ইলিয়াস জাভেদের প্রয়াণ বাংলা চলচ্চিত্রের এক অধ্যায়ের সমাপ্তি হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন কঠোর রোগঝঞ্ঝাটের মধ্যে থেকেও তিনি সঙ্গীত ও নৃত্যের মাধ্যমে দর্শকদের আনন্দ দিয়েছেন—তার এই অবদান চলচ্চিত্রপ্রেমীদের স্মৃতিতে দীর্ঘদিন টিকে থাকবে।

  • চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই

    দুই বাংলার প্রাক্তন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা জয়শ্রী কবির আর নেই। তিনি ১২ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের লন্ডনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর।

    জয়শ্রী কবিরের মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান তার ভাগ্নে জাভেদ মাহমুদ। তিনি জানিয়েছেন, আমার মামি জয়শ্রী কবির দীর্ঘদিন ধরে লন্ডনে অসুস্থ ছিলেন। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যায়নি।

    জাভেদ মাহমুদ বলেন, ‘‘আমার মামি ছিলেন বিখ্যাত নায়িকা এবং এক সময়ের ‘মিস ক্যালকাটা’। তিনি সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র ‘প্রতিদ্বন্দ্বী’ এবং আলমগীর কবিরের ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালী সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যা’ প্রভৃতির মতো চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করেছেন।’’

    জয়শ্রী কবির ১৯৫২ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। পারিবারিক নাম জয়শ্রী রায়; শিক্ষাজীবনও কাটে সেখানেই—তিনি সাউথ পয়েন্ট স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। ১৯৬৮ সালে ‘মিস ক্যালকাটা’ হিসেবে পরিচিতি পান এবং ১৯৭০ সালে সত্যজিৎ রায়ের ছবিতে অভিনয় করে চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ১৯৭৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অসাধারণ’ ছবিতে তিনি উত্তম কুমারের বিপরীতে অভিনয় করেন।

    পরবর্তীতে জয়শ্রী কবির বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে কাজ করে খ্যাতি অর্জন করেন। বাংলাদেশের বিশিষ্ট পরিচালক আলমগীর কবিরের কয়েকটি ছবিতে তিনি প্রধান ভূমিকায় দেখেন—সেগুলোর মধ্যে ‘সীমানা পেরিয়ে’, ‘রুপালি সৈকতে’, ‘সূর্য কন্যা’ ও ‘মোহনা’ উল্লেখযোগ্য।

    ১৯৭৫ সালে তিনি আলমগীর কবিরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দাম্পত্য জীবন বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি; কয়েক বছরে সংসারে টানাপোড়েন শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তারা বিচ্ছেদ করে। এই সংসারে তাদের এক পুত্র সন্তান—লেনিন সৌরভ কবির—আছেন। বিবাহবিচ্ছেদের পর জয়শ্রী শুরুতে কলকাতায় ফিরে যান এবং পরে স্থায়ীভাবে লন্ডনে যান। সেখানে তিনি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যের শিক্ষক হিসেবে কাজ করেছেন এবং দীর্ঘদিন বসবাস করেছেন।

    প্রায় এক দশক আগে তিনি ঢাকায় একবার এসেছিলেন; এরপর থেকে তাকে দেশে দেখা যায়নি। শিল্পজীবনে বাংলাদেশের ও ভারতের চলচ্চিত্রের মাঝেই তিনি স্বতন্ত্র পরিচয় গড়েছেন। তার মৃত্যুতে চলচ্চিত্রপ্রেমী ও সহকর্মীরা শোক জানিয়েছে।