রামপাল: জাতীয় প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম শনিবার (৩ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় রামপালের ঝনঝনিয়া এলাকায় প্রতিষ্ঠিত ‘আমাদের গ্রাম ক্যান্সার কেয়ার অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ পরিদর্শন করেছেন। তিনি কেন্দ্রটির বিভিন্ন ইউনিট ঘুরে দেখেন, রোগীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং হাসপাতালের কার্যক্রম দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
পরিদর্শনের সময় ফাউন্ডার পরিচালক রেজা সেলিম হাসপাতালের সেবা, পরিচালনাবিধি ও ক্যান্সারসহ অসংক্রামক রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম সম্পর্কে প্রাতিষ্ঠানিক বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি হাসপাতালের সেবা প্রদানের কৌশল ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বর্ণনা করেন। এসব শুনে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালের কার্যক্রম এবং এখানে চলমান চিকিৎসাসেবা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন। তিনি দ্রুত সময়ের মধ্যে সরকারের সহায়তায় এই প্রতিষ্ঠাকে দেশের একটি মডেল হাসপাতালে রূপান্তর করার আশ্বাস দেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবায় যে ধরনের উদ্ভাবনী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, এমন হাসপাতাল প্রতিটি জেলায় গড়ে তোলার ব্যাপারে সরকারের ওৎসাহ থাকবে।
পরিদর্শনের শুরুতেই হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা প্রতিমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। পরে রামপাল সচেতন নাগরিক সমাজের নেতৃবৃন্দ প্রতিমন্ত্রীর কাছে খুলনা-মোংলা মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধে গ্রহণযোগ্য পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করেন এবং বিষয়ে তাকে অবহিত করেন। এ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, মহাসড়ক দূর্ঘটনা রোধে সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
হাসপাতাল পরিদর্শনে বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, সিভিল সার্জন এ এস এম মাহাবুবুল আলম, বাগেরহাট জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সন্তোষ কুমার, রামপাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তামান্না ফেরদৌসি, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অভিজিৎ চক্রবর্তী, দৈনিক জনকণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার বাবুল সরদার সহ উপজেলা ও সমাজসেবার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি শেখ হাফিজুর রহমান তুহিন, সাধারণ সম্পাদক আলতাফ হোসেন বাবু, সাবেক সদস্য সচিব কাজী জাহিদুল ইসলাম, রামপাল সচেতন নাগরিক ফোরামের আহবায়ক সাবেক জেলা জজ জালাল উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক শেখ সুলতান আহমেদ, যুগ্ম আহবায়ক শেখ আ. মান্নান, মেজর (অব.) মল্লিক মনিরুজ্জামান, যুগ্ম আহবায়ক অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান, যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা বেগম এবং সদস্য সচিব এম এ সবুর রানা।
পরিদর্শনের শেষে প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্রের ভেতরে বকুলগাছ রোপণ করে এবং প্রতিষ্ঠানের সফলতা ও সম্প্রসারণে সকল ধরনের সহযোগিতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
