স্পেন জাতীয় দলের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন লিওনেল মেসি এবং ক্রিষ্টিয়ানো রোনালদোর ভবিষ্যৎ নিয়ে। তাঁর মতে, এই দুই মহাতারকা ২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপেও পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন, তাই তাঁদের কখনোই অবসর নেওয়া উচিত নয়।
প্রায় দুই দশক ধরে বিশ্ব ফুটবল দৈত্য দুজন, মেসি ও রোনালদো, খেলা শাসন করে আসছেন। তারা ট্রফি, ব্যক্তিগত পুরস্কার ও রেকর্ডের মধ্যে নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন। ক্যারিয়ারের শেষের পথে থাকলেও, ফুটবল প্রেমীরা এখনও আশা করছেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে তাঁদের একসঙ্গে শেষবারের মতো খেলার দেখা যাবে।
রোনালদো ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি এই বিশ্বকাপে খেলবেন। তবে মেসি এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি। এই বিষয় নিয়ে স্পেনের দৈনিক এএস-কে এক সাক্ষাৎকারে লুইস দে লা ফুয়েন্তে বলেন, “মেসি কখনোই অবসর নেওয়া উচিত নয়, ঠিক যেমন রোনালদো। তাঁরা দুজনই অসাধারণ উদাহরণ। ফাইনালিসিমা বা বিশ্বকাপে মেসির ফর্ম যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচের ফলাফল বদলে দিতে পারে। তাঁর ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা ও সম্মান প্রকাশ করি।”
বিশ্বকাপের আগে স্পেন ও আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে ফাইনালে। এই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৭ মার্চ, কাতারের লুসাইল স্টেডিয়ামে। উল্লেখ্য, ২০২২ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা, যা ছিল মেসির প্রথম বিশ্বকাপ জয়। অন্যদিকে, রোনালদো’র পর্তুগাল এখনো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায়নি।
আবার ব্রাজিলের ফুটবল কিংবদন্তি রোমারিওকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে, সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ মিডফিল্ডার টনি ক্রুস ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্ভাব্য ফেভারিট দল হিসেবে স্পেন, পর্তুগাল ও ফ্রান্সের নাম উচ্চারণ করেছেন। তিনিকে মনে হচ্ছে মরক্কোও একটি ডার্ক হর্স হতে পারে। তবে আশ্চর্যের ব্যাপার, মেসির আর্জেন্টিনা তালিকায় যায়নি।
অন্যদিকে, জার্মান এই মিডফিল্ডার ক্রুস, যিনি রিয়াল মাদ্রিদে ১৭০ ম্যাচে খেলেছেন এবং অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন, বলেন, “মেসির দল এখনও অনেক প্রতিদ্বন্দ্বীতায় রয়েছে। তবে আমি মনে করি, ২০২৬ বিশ্বকাপে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়নরা হলো স্পেন, পর্তুগাল এবং ফ্রান্স। তবে মরক্কোকে আমি ডার্ক হর্স হিসেবে বিবেচনা করি। মেসির বিরুদ্ধে ২২ ম্যাচ খেলে আমি ৯ বার জয়, ১০টি হার ও ৩টিতে ড্র করেছি।”
Leave a Reply