সর্বশেষঃ
সাবেক ১২ মন্ত্রীসহ ১৪ জনকে আজ হাজির করা হচ্ছে ট্রাইব্যুনালে দীপু মনির সুপারিশে মাউশিতে তিন হাজার পদায়ন ব্রিটিশ কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী ক্রিস রিয়া ইন্তেকাল করেছেন ফরিদপুরে কনসার্টে বিশৃঙ্খলা, জেমসের প্রতিক্রিয়া আসলো সালমান খানের ষাটতম জন্মদিন উদযাপন এলো একান্তে প্রিন্স মামুনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি নতুন বছরে শাকিব খানের চার সিনেমা প্রয়াত খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিপিএল ম্যাচ বাতিল মাশরাফির স্মৃতিতে অবদানে বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় বেগম খালেদা জিয়া আইপিএলে মুস্তাফিজের খেলা নিয়ে বিতর্ক, ভারতের বয়কটের দাবির শঙ্কা মেসি ও রোনালদো কখনোই অবসর নেওয়া উচিত নয় শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিং সত্ত্বেও সিলেটের কাছে হারল ঢাকা
শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিং সত্ত্বেও সিলেটের কাছে হারল ঢাকা

শামীমের দুর্দান্ত ব্যাটিং সত্ত্বেও সিলেটের কাছে হারল ঢাকা

বিপিএল শুরুতেই দারুণ এক জয় দিয়ে প্রত্যাশা জাগিয়েছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালস। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে তারা হোঁচট খায় সিলেট টাইটান্সের বিরুদ্ধে। ম্যাচের অন্যতম কীর্তি ছিলেন সিলেটের অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই, যিনি ব্যাট ও বল উভয় ক্ষেত্রেই দলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। আর ঢাকা অধিনায়ক শামীম হোসেন পাটোয়ারি শেষ পর্যন্ত তাঁর দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে দর্শকদের তাক লাগিয়ে দেন। আসরের মাঠ ছিল সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম, যেখানে টস জয় করে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। ঢাকা দলে দুটি পরিবর্তন হয়—তাসকিন আহমেদ ও জুবাইদ আকবরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, পক্ষ বদলে সিলেট দলে সুযোগ পান আফগান অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ব্যাটিংয়ে নেমে সিলেটের শুরুটা মোটেও ভাল হয়নি। রনি তালুকদার ৭ বলে ১১ রান করে ফিরে যান, অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজও ব্যর্থ হন। ৭ বলে ৬ রান করে আউট হলে দল ২২ রানে দুই উইকেট হারায়। এরপর পরিস্থিতি সামাল দেন পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইম আইয়ুব। ইমন দুর্দান্ত আগ্রাসী ব্যাটে দ্রুত রান তুললেও, সাইম একটু ধীরস্থির ছিলেন। পাকিস্তানি ওপেনার সাইম ৩৪ বলে ২৯ রান করেন। ইমন ৪৪ রানে অল্পের জন্য ফিফটি মিস করেন, তার ব্যাট থেকে আসে ৩২ বলে ৪৪ রান, যেখানে ছিল দুটি চার ও দুটি ছক্কা। আফিফ হোসেন ধ্রুব ১৩ রান করে ফিরে গেলে আবার চাপ বাড়ে সিলেটের ওপর। তবে শেষদিকে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়া সিলেটের জন্য সব বদলে দেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। তিনি ইংলিশ তরুণ ইথান ব্রুকসের সঙ্গে मिलकर ইনিংসের গতি বাড়ান। ১৫ রানে জীবন পেয়ে ওমরজাই একের পর এক বেঁচে যান, এরপর ঢাকার বোলারদের ওপর চড়া হয়। বিশেষ করে সালমান মির্জার বলে কয়েকটি ক্যাচ মিস হয়, যা সিলেটের জন্য স্বস্তির ব্যাপার। ইনিংসের শেষ বলে চার হাঁকিয়ে মাত্র ২৪ বলে নিজের অর্ধশতক পূরণ করেন ওমরজাই, যা আসরের দ্রুততম ফিফটি। নির্ধারিত ২০ ওভারে সিলেটের সংগ্রহ দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ১৭৩ রান। তাসকিন আহমেদ এই ম্যাচে ৪ ওভারে ৪৬ রান খরচ করেন। লক্ষ্য সেটির জন্য ঢাকার শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয় দেখা দেয়। উসমান খান ১৫ বল মাঠে থাকতেই ২১ রান করেন, কিন্তু সাইফউদ্দিন, আকবরি, মিঠুন ও নাসির হোসেনের ব্যর্থতায় দ্রুতই ম্যাচ ঢাকার হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। ষষ্ঠ উইকেটের জন্য শামীম হোসেন পাটোয়ারি ও সাব্বির রহমান কিছুটা প্রতিরোধ গড়েন। সাব্বির ১৯ বলে ২৩ রান করেন, এক চার ও দুটি ছক্কায়। তবে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গেলেও জয় অসম্ভব হয়ে পড়ে। শামীমের ব্যাট থেকে আসে ৪৩ বলে অপরাজিত ৮১ রান, যা শতকের খুব কাছাকাছি। শেষ ওভারে ঢাকার জিততে প্রয়োজন ছিল ২৭ রান। শুরুতে চমক দেখানো আমির শেষ ওভারে ২০ রান দেন, তবে মোকাবিলা সহজ হয়নি। অবশেষে হার দিয়ে মাঠ ছাড়ে ঢাকা ক্যাপিটালস, আর জেতেন অ্যালরাউন্ড পারফরম্যান্সের মাধ্যমে সিলেট টাইটান্স।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© ২০২০ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
Design & Developed BY Shipon tech bd