অ্যাশিয়া কাপের মিশন শুরুতেই রেকর্ডের পর রেকর্ড করে দুর্দান্ত জয়ে বাংলাদেশ

নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা বর্তমানে গর্বিত হয়ে বলছেন, ‘চ্যাম্পিয়নরা চ্যাম্পিয়নদের মতোই খেলছে’। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপ টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের তরুণ দল দুর্দান্ত কাব্যিক ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। দুই ওপেনারের জোড়া ফিফটিতে রেকর্ড রান তাড়া করে বাংলাদেশ victory তুলে নিয়েছে। এই ম্যাচে আজিজুল হাকিম ও তামিমের অসাধারণ ব্যাটিং নজর কেড়েছে সবাইয়ের। মহাদেশীয় কিংবা বৈশ্বিক কোনো প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ এই প্রথম ২৮৪ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড স্থাপন করল। শনিবার দুবাইয়ে আফগানিস্তান যুব দলের দেওয়া ২৮৩ রানের লক্ষ্য বাংলাদেশ ৩ উইকেটে, অবশিষ্ট ৭ বল রেখে জয় পেয়েছে। টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৩ রান করে আফগানিস্তানের অনূর্ধ্ব-১৯ দল। জবাবে বাংলাদেশ খেলতে নামে ৪৮ ওভার ৫ বল খেলে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৮৩ রান করে, অর্থাৎ জয় নিশ্চিত করে। দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও রিফাত বেগ শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করে দলের দুর্দান্ত সূচনা দেন। ৪৫ বলে ফিফটি করেন জাওয়াদ, যদিও ৯৬ রানে পৌঁছানোর আগে অপসারণ হয় তিনি। অন্যদিকে, রিফাত ফিফটি করেন ৬০ বলে। সবমিলিয়ে ৬৮ বলের মধ্যে তিনি করেন ৬২ রান। তার বিদায়ের পর দল চাপে পড়ে যায়। এরপর তামিম ত্রিশের বেশি রান করে, ৪৭ রান করেন তিনি। তবে তামিমের বিদায়ের পরে দলের ব্যাটসম্যানরা দ্রুত ফেরার কারণে শঙ্কা তৈরি হয়। কিন্তু শেষ দিকে রিজান হোসেন ও শেখ পারভেজের আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দলের জয় নিশ্চিত করে। এই ম্যাচে আফগানদের হয়ে শিকার করেন ইকবাল হোসেন ইমন ও শাহরিয়ার আহমেদ, প্রত্যেকটি দুইটি করে উইকেট। এছাড়াও ইকবাল ও সাদ ইসলাম একেকটি করে উইকেট পান। আফগানিস্তানের ওপেনার খালিদ আহমদজাই ৩ রান করে আউট হন। ওসমান সাদাত ৬৬ রানে ক্লান্ত করে তাকে ফয়সালক সঙ্গে একটি বড় জুটি formed করে। ফয়সাল ৯৪ বলে ১০৩ রান করে আউট হন। আফগানদের দিকে থেকে অন্যান্য ব্যাটাররা দ্রুত ফিরে গেলে বড় পুঁজি গড়ার সংকটে পড়ে তারা। এখান থেকে আজিজউল্লাহ মিয়াখিল ও আব্দুল আজিজ দ্রুত রান তুলে ২৮৩ রানের সংগ্রহে অবদান রাখেন। মিয়াখিল ৩৮ ও আজিজ ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। বাংলাদেশের পক্ষে ইকবাল হোসেন ইমন ও শাহরিয়ার আহমেদ দুইটি করে এবং সাদ ইসলাম, সামিউন বসির ও রিজান হোসেন একটি করে উইকেট শিকার করেন। এশিয়া কাপের এই হ্যাটট্রিকের পথে বাংলাদেশ নতুন দু’টিই অর্জন করল। আগামী ১৫ ডিসেম্বর তারা খেলবে নেপাল অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে।