Category: সারাদেশ

  • মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে: নজরুল ইসলাম মঞ্জু

    খুলনা-২ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও সর্বাধিক জনপ্রিয় দল; মানুষের কাছে এটি অত্যন্ত প্রিয়। দীর্ঘসময় মানুষ ভোট দিতে না পারায় এবার নির্বাচনী উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় ভোটের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। আমরা প্রচারণায় ব্যাপক সাড়া পাচ্ছি এবং মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছেন—তারা চান জনপ্রিয় দল বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হোক। মঞ্জু মনে করেন জনগণের আস্থা থাকায় বিএনপি প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জিতবে।

    তিনি বলেন, বিএনপি বিগত ১৬ বছর ধরে জনগণের দাবি আদায়ে রাজপথে ছিল এবং উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

    রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর ৩০ নং ওয়ার্ডের রূপসা স্ট্যান্ড রোড, চানমারী বাজার, খ্রিস্টান পাড়া ও অন্যান্য এলাকায় গণসংযোগকালে এসব কথা বলেন তিনি। সেই সময় দলের পক্ষে লিফলেট বিতরণও করা হয়।

    মঞ্জু আরও বলেন, জাতির প্রিয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া সর্বোচ্চ জনপ্রিয়তায় আছেন এবং তার অনুপস্থিতির শোক মানুষ এখনও ভুলতে পারেনি। আমাদের নেতা তারেক রহমান ১৭ বছর পর দেশে ফিরেছেন এবং একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এসেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবপরায়ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং নিরাপত্তার কোন শঙ্কা নেই।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, এডভোকেট মাসুম রশিদ, কেএম হুমায়ুন কবির, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, আলমগীর কবির, মীর কবির হোসেন, সালাউদ্দিন বুলবুল, সওগাতুল ইসলাম, আলম হাওলাদার, নূরুল ইসলাম লিটন, মেহেদী হাসান লিটন, হাসিনা আকরাম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, রোকেঢা ফারুক, সেলিম বড় মিয়া, স্বপন হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, সমির সাহা, আবু তালেব, এসএম আব্দুর রব, শাহআলম, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ আলম খান, সিরাজ মোল্লা, মহিউদ্দিন মঈন, জাহান আলী, শাহাদাৎ গাজী, ফিরোজ আহমেদ, আল আমিন হক পাপ্পু, জিএম মুজিবর রহমান, মো. মুন্না, খালেক গাজী, খায়রুল আলম, হানিফ ফরাজী, শামসুর রহমান নিশান, মামুনুর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ইউনুচ মোল্লা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল করিম, আলাউদ্দিন আলম, শাহনাজ পারভীন রিক্তা, মামুন রেজা ও নাজমা করিমসহ বিএনপির থানা, ওয়ার্ড ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং এলাকার সাধারণ মানুষ।

  • কোথা থেকে উন্নয়নের পথে কয়রা-পাইকগাছা

    কোথা থেকে উন্নয়নের পথে কয়রা-পাইকগাছা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-৬ আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের সংসদ সদস্য প্রার্থী এসএম মনিরুল হাসান বাপ্পীর নির্বাচনী জনসভায় উপস্থিত ছিলেন। জনসভায় তিনি প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বলেন, আমি একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিত নির্বাচনকে ঘিরে গভীর অনুভূতি প্রকাশ করছি। জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন। আপনাদের ভোটে ধানের শীষ প্রতীকে মনোযোগ দিন এবং মনিরুল হাসান বাপ্পীকে জয়যুক্ত করুন, যাতে আপনারা একটি উন্নয়নশীল এবং সুখী সমাজ পেতে পারেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নির্বাচনে এখনই সময় সমস্যা সমাধানের জন্য ভোট দেওয়ার। তিনি আরও বলেন, সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের জন্য কল্যাণমূলক কাজ এবং ন্যায্যতার প্রতিষ্ঠা হবে। পাশাপাশি পর্যটন শিল্পের গুরুত্ব এখানে অপরিসীম, যা এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবে। কয়রা-পাইকগাছার উন্নয়নের জন্য এই এলাকাকে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে একটি সমৃদ্ধশীল অঞ্চল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার প্রতিশ্রুতি দেন। গতকাল শনিবার বিকেলে কয়রা মদিনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে কয়রা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বৃহৎ নির্বাচনী জনসভায় বক্তৃতা করেন তিনি। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, যিনি বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের নির্বাচন বিষয়ক ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্ত চলছে। স্বাধীনতার সময় যারা বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছিল, আজ তারা নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করতে ষড়যন্ত্র করছে। জনগণ এসব চক্রান্ত মূলে উড়িয়ে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

  • সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশী

    সংখ্যালঘু ও সংখ্যাগুরু নয়, আমাদের একমাত্র পরিচয় আমরা বাংলাদেশী

    বিএনপি’র জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, একাত্তর এর মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় চব্বিশের সামনে দাঁড়িয়ে নিজেদের অপরাধ ঢাকতে একটি দল ষড়যন্ত্র করছে। এই অপপ্রচার প্রমাণ করে, বাংলাদেশ সম্প্রীতি ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নামে কিছু নেই, আমাদের একটাই পরিচয়—আমরা সবাই বাংলাদেশী। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষ এই দেশের নাগরিক, এবং এটাই আমাদের প্রাকৃতিক বন্ধন। গতকাল শনিবার বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলার স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত এক প্রার্থনা ও সনাতনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এই সমাবেশটি অনুষ্ঠিত হয় সনাতনী ঐক্যজোট ডুমুরিয়া উপজেলার শাখা সংগঠনের আয়োজনে।

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেতা ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বারবার স্পষ্ট করেছেন, বাংলাদেশই আমাদের সকলের। পাহাড় থেকে সমতল, গ্রামের মানুষ থেকে শহরের ভোটার—সবাই এই দেশের অংশ। তিনি অভিযোগ করেন, গত দীর্ঘ দিন ধরে আওয়ামী লীগ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে ভয় দেখিয়ে ভোটের রাজনীতিতে ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু, ৫ আগস্টের পরবর্তীতে দেশের পরিস্থিতি বর্ণনা করে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ পরিকল্পিতভাবে সন্ত্রাস ও সহিংসতার চেষ্টা চালিয়েছে। তবে বিএনপির নেতাকর্মীরা রাতের আঁধারে মন্দির ও সংখ্যালঘুদের বাড়ি পাহারা দিয়ে সেই ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করেছে। তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে সংখ্যালঘুরা সুরক্ষিত থাকবে—এটাই ইতিহাসের প্রতিজ্ঞা।

    বিএনপি’র নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে টুকু বললেন, তিনি গণতন্ত্রের মা, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত গণতন্ত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় সংগ্রাম করেছেন। তিনি জেল-জুলুম সহ্য করেছেন, স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে কখনো আপোষ করেননি। ২৪শের গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করে, জনগণ স্বৈরাচারকে আর মেনে নেয় না।

    সমাবেশে উপস্থিত মতুয়া ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে তুকু আশ্বাস দেন, ভবিষ্যতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে এবং ধানের শীষের প্রার্থী নির্বাচিত হলে, একটি কেন্দ্রীয় মন্দির নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে। এভাবেই তারা মাথা উঁচু করে বসবাস করবে, কারো দয়ায় নয়, বরং নিজের নাগরিক গৌরবে।

    বিশিষ্ট শিল্পপতি ও সমাজসেবক প্রফুল্ল রায়ের সভাপতিত্বে, ডুমুরিয়া উপজেলা সনাতন ঐক্যজোটের আহ্বায়ক নিধ্যানন্দ মন্ডল ও ডুমুরিয়া মতুয়া মহাসংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক সুদেব চন্দ্র মন্ডল সমাবেশের পরিচালনাকার্য সম্পন্ন করেন। এসময় প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু ও ঢাকা জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক নিপুণ রায় চৌধুরী। এছাড়াও অতিথি ছিলেন খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু ও খুলনা-৫ আসনের মোহাম্মদ আলী আসগর লবী। বক্তৃতা করেন খুলনা জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সভাপতি ডাঃ প্রদীপ দেবনাথ, ট্রাস্টি সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত, জেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সভাপতি ব্রজেন ঢালি, পরিতোষ বালা ও তপন সাহা প্রমুখ।

    প্রারম্ভিকভাবে গীতাপাঠ করেন জ্যোতি মন্ডল। সমাবেশে জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোর ডিসি অফিসের ব্যাখ্যা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলের বিষয়ে সত্যতা

    যশোর ডিসি অফিসের ব্যাখ্যা: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলের বিষয়ে সত্যতা

    বন্দি সাবেক ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসান সাদ্দামের স্ত্রী ও সন্তানের মৃত্যুতে তাকে প্যারোলে মুক্তির বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে الآن বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাগেরহাট কারাগার থেকে গত ১৫ ডিসেম্বর জুয়েল হাসান সাদ্দামকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করা হয়। Família বা তার পরিবার থেকে কোনো ধরনের প্যারোলের জন্য আবেদন করা হয়নি। বরং, পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সময়ের অভাবে তারা ছেলে-মেয়েদের দেখার জন্য জেল গেটে মরদেহ দেখানোর সিদ্ধান্ত নেন, কোনো আবেদন করেনি।

    প্রকাশ করা বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য যা বলছে, বন্দির স্ত্রীকে লিখিত চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং জেলি ছবিও দেখানো হয়েছে, সবই সত্য নয়। এইসব তথ্য যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার বা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।

    অতিরিক্ত জানিয়ে বলা হয়, প্যারোলে মুক্তির আবেদনও করা হয়নি। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ ধরনের কোনো আবেদনের নথিপত্র নেই। পরিবার শুধু মৌখিকভাবে তাদের দিক থেকে প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে, মানবিক কারণে কারা ফটকে মরদেহ দেখানোর ব্যবস্থা করেছে, যা সম্পূর্ণ ন্যায্য ও বিবেচনার মধ্যেও পড়ে।

    সার্বিকভাবে, এই তথ্যগুলো স্পষ্ট করে দেয় যে, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভ্রান্তি ও ভুল ধারণাগুলি সত্য নয় এবং বিষয়টির বাস্তবতা বহুটা ভিন্ন।

  • খুলনায় চরমোনাই পীরের সমাবেশ ৮ ফেব্রুয়ারি

    খুলনায় চরমোনাই পীরের সমাবেশ ৮ ফেব্রুয়ারি

    আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার, খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর উপস্থিতি উপলক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ সার্চ্চ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভাটি রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড়স্থ আইএবি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর মহাসচিব ও খুলনা ৪ আসনের প্রার্থী অধ্যক্ষ হাফেজ মাওঃ ইউনুস আহমাদের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানমঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর নায়েবে আমীর ও খুলনা ৩ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হাফেজ মাওঃ আব্দুল আউয়াল, উপদেষ্টা মুফতী মাহবুবুর রহমান, খুলনা মহানগর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ মোঃ নাসির উদ্দিন, নগর সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আবু তাহের, হাফেজ আব্দুল লতিফ, জেলা সহ-সভাপতি ও খুলনা ১ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী মাওঃ আবু সাঈদ, মোঃ আবু গালিব, মহানগর সেক্রেটারী মুফতী ইমরান হোসাইন, জেলা সেক্রেটারী এস এম রেজাউল করীম, নগর জয়েন্ট সেক্রেটারী মোঃ দ্বীন ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, মোঃ হুমায়ুন কবির, মোঃ তরিকুল ইসলাম কাবির, ফেরদৌস গাজী সুমন, আলহাজ্ব সরোয়ার হোসেন বন্দ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিএম কিবরিয়া, নুরুজ্জামান বাবুল, মোঃ মঈন উদ্দিন ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি রবিবার খুলনায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর আমীর মুফতী সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাইর আগমন উপলক্ষে একটি বৃহৎ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, যা খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

  • মন ভালো হয়ে গেছে: মঞ্জু বললেন, মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল চোখে গ্রহণ করছে

    মন ভালো হয়ে গেছে: মঞ্জু বললেন, মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল চোখে গ্রহণ করছে

    খুলনা-২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক এবং জনপ্রিয় দল, যার প্রতি মানুষের আস্থা অটুট। দীর্ঘদিন ধরে মানুষ ভোট দিতে পারছিলেন না, তাই এখন আসন্ন নির্বাচনের জন্য ভোটের উৎসব ও আমেজ ব্যাপকভাবে প্রভাব ফেলেছে। তিনি আরও জানান, নির্বাচনী প্রচারণার সময় তিনি ব্যাপক সাড়া পাচ্ছেন এবং মানুষ আমাদেরকে হাস্যোজ্জ্বল মুখে গ্রহণ করছে। তারা চায়, জনপ্রিয় দল বিএনপি জিতবে। তিনি মনে করেন, ভোটের ব্যাপক ফলাফলের মাধ্যমে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হবে কারণ মানুষের আস্থা বর্তমান। বিএনপি গত ১৬ বছর ধরে জনস্বার্থে রাজপথে থাকছে এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।

    রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টায় নগরীর ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের রূপসা স্টয়ান্ড রোড, চানমারী বাজার, খ্রিস্টান পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ কালে এসব কথা বলেন তিনি।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু আরও বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালিদা জিয়া বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। তার চলে যাওয়ার পরও জনগণের স্মৃতি ও শোক এখনো গভীর থাকছে। তারেক রহমান ১৭ বছর পর বাংলাদেশে এসেছেন এবং একটি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আসছেন। তিনি উল্লেখ করেন, এবারের নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। সকলের জন্য উৎসবের মতো পরিবেশ তৈরি হয়েছে এবং ভোটের উৎসাহ ব্যাপকভাবে দৃশ্যমান। নিরাপত্তার কোনো শঙ্কাও নেই।

    গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, মহিবুজ্জামান কচি, হাসানুর রশিদ মিরাজ, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, শের আলম সান্টু, এড. মাসুম রশিদ, কেএম হুমায়ুন কবির, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, কামরান হাসান, আলমগীর কবির, মীর কবির হোসেন, সালাউদ্দিন বুলবুল, সওগাতুল ইসলাম, আলম হাওলাদার, নুরুল ইসলাম লিটন, মেহেদী হাসান লিটন, হাসিনা আক্রাম, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, রোকেয়া ফারুক, সেলিম বড় মিয়া, স্বপন হাওলাদার, মাসুদ খান বাদল, সমির সাহা, আবু তালেব, এসএম আব্দুর রব, শাহআলম, ইয়াকুব আলী, মোহাম্মদ আলী, পারভেজ আলম খান, সিরাজ মোল্লা, মহিউদ্দিন মঈন, জাহান আলী, শাহাদাৎ গাজী, ফিরোজ আহমেদ, আল আমিন হক পাপ্পু, জিএম মোজিবর রহমান, মো. মুন্না, খালেক গাজী, খায়রুল আলম, হানিফ ফরাজী, শামসুর রহমান নিশান, মামুনুর রহমান, ফারুক হোসেন খান, ইউনুচ মোল্লা, আব্দুর রশিদ, আব্দুল করিম, আলাউদ্দিন আলম, শাহনাজ পারভীন রিক্তা, মামুন রেজা, নাজমা করিম সহ বিভিন্ন বিএনপি নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনা-৪: বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    খুলনা-৪: বিএনপি প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-২০২৬কে সামনে রেখে খুলনা-৪ (রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া) আসনের বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল তার নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছেন। শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, তিনি উপজেলার ভিত্তিতে মোট ৭৪টি উন্নয়ন পরিকল্পনা ও প্রতিশ্রুতি উপস্থাপন করেন।

    হেলাল তার বক্তব্যে বলেছিলেন, নদী ও প্রকৃতিবেষ্টিত এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের অবহেলা দূর করে একটি সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও আধুনিক খুলনা-৪ গড়ে তোলা তার প্রধান লক্ষ্য। তাই অবকাঠামো, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, শিল্প ও কৃষিসহ সামাজিক নিরাপত্তাকে তিনি অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    ইশতেহারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে রয়েছে: ভৈরব নদীর ওপর দ্বিতীয় সেতুর নির্মাণ, অসমাপ্ত নগরঘাট ও রেলিগেট সেতুর কাজ দ্রুত শেষ করা, নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ এবং রূপসা উপজেলায় ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে নিরাপদ পানির সরবরাহ নিশ্চিত করা। রূপসা ফেরিঘাটকে টোলমুক্ত করা ও সেখানে আধুনিক পরিবহন স্ট্যান্ড নির্মাণও তার পরিকল্পনার অংশ।

    স্বাস্থ্য খাতে তিনি দিঘলিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে পূর্ণাঙ্গ হাসপাতালে রূপান্তর, রূপসায় ১০০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতাল এবং তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

    শিক্ষার ক্ষেত্রে যোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারি করণের প্রচেষ্টা, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম ও লাইব্রেরি স্থাপন এবং বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্র চালু করার পরিকল্পনা ইশতেহারে অন্তর্ভুক্ত ছিল।

    কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে তিনি ইপিজেড স্থাপন, আইটি ও ফ্রিল্যান্সিং ট্রেনিং সেন্টার, কোল্ড স্টোরেজ, দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ প্ল্যান্ট এবং ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে তোলার কথা বলেন। কৃষকদের জন্য বিনামূল্যে বীজ-সার, আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি প্রচলন ও সহজ শর্তে ঋণ প্রদানের প্রতিশ্রুতিও প্রদান করা হয়।

    অপরাধ ও অনিয়ন্ত্রিত কার্যকলাপ মোকাবিলায় তিনি মাদক, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা করেন। পাশাপাশি নারী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা, ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষা এবং পরিবেশ সংরক্ষণেও জোর দেওয়ার প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেন।

    ইশতেহার ঘোষণা শেষে হেলাল বলেন, এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে তিনি খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ ও উন্নত জনপদে রূপান্তরিত করার কাজ করবেন।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য খান রবিউল ইসলাম রবি, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, অধ্যাপক মনিরুল হক বাবুল, শেখ আব্দুর রশিদ, আব্দুস সালাম, আছাফুর রহমান, আশরাফুল ইসলাম নুর, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রনু, গোলাম মোস্তফা তুহিন, রূপসা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, তেরখাদা উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক চৌধুরী কাওছার আলী, আবু সাঈদ, সেতারা সুলতানা, গোলাম ফারুক, শেখ আবু সাঈদ, ফখরুল ইসলাম চৌধুরী, শরিফ নাইমুল ইসলাম, আবুল কাশেম, রেজাউল ইসলাম রেজা, মো. রয়েল, খালেদা পারভিন সিনথিয়া এবং শিহাবুল ইসলাম সিহাব।

  • ধর্মভেদ বাদে সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করবো: আজিজুল বারী হেলাল

    ধর্মভেদ বাদে সকলের উন্নয়ন নিশ্চিত করবো: আজিজুল বারী হেলাল

    খুলনা-৪ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী ও বিএনপি তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, ধর্মীয় ভেদাভেদ থেকে মুক্ত রেখে সকল ধর্মের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। কে কোন ধর্মের প্রতিনিধি—তা বড় বিষয় নয়, সবাই সম অধিকার নিয়ে বাস করবে এবং সম্প্রদায়ের মধ্যে সাদৃশ্য ও সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করা হবে। তিনি আরও বলেন, ধর্মের নামে কোনো বৈষম্য স্বীকার করা হবে না।

    এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে শুক্রবার বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত রূপসা উপজেলার শ্রীফলতলা ইউনিয়নের পালেরহাট মাঠে জনসভার আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল আই’র জনপ্রিয় উপস্থাপিকা দীপ্তি চৌধুরীর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

    নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার নিয়ে হেলাল বলেন, ইভটিজিং ও বাল্যবিবাহ রোধে এবং নারীদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। ‘‘নারী সমাজকে সম্মান ও নিরাপত্তা ছাড়া বাস্তব উন্নয়ন সম্ভব নয়,’’ তিনি যুক্ত করেন।

    মাদক ও সন্ত্রাস দমন নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হেলাল বলেন, শুধু আইন প্রয়োগ নয়—ধর্ম চর্চা ও ক্রীড়া সংস্কৃতির প্রসারও অপরাধ দমন ও সুস্থ সামাজিকতা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রতিটি পরিবারকে বাল্যকাল থেকে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে এবং খেলাধুলাকে বাড়িয়ে যুবসমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখা হবে। তিনি আশ্বাস দেন, বিএনপি সরকার গঠিত হলে তিনটি উপজেলায় তিনটি আধুনিক স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে।

    নাগরিক সেবায় স্বচ্ছতা ও ভূমি অফিসের দুর্নীতির প্রসঙ্গ উঠে আসলে তিনি বলেন, ইউনিয়নসহ উপজেলার ভূমি অফিসগুলোতে কোনো অনৈতিক আর্থিক লেনদেন ছাড়াই সেবা নিশ্চিত করা হবে এবং দালালমুক্ত ভূমি দফতর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগামীতেও এমন ধরনের অভিযোগ পেলে সাংবাদিক ও জনগণকে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি হুমকি উচ্চারণ করেন।

    নিজের বিরুদ্ধে প্রায়ই মিথ্যা মামলা ও কারাবরণ সংক্রান্ত প্রশ্নে হেলাল বলেন, ‘‘চ্যালেঞ্জ মেনে না নিলে নেতৃত্ব গড়ে ওঠে না। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকার করতে আমি প্রস্তুত।’’ তিনি অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থানই নিজের রাজনীতির মূল আদর্শ হিসেবে অভিহিত করেন।

    প্রশ্ন-উত্তর পর্বে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল ফজল হেলাল, মেডিকেল শিক্ষার্থী রাহুল, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি জয় নোটন বাড়ই, ফিফা রেফারি মনির ঢালী, সাংবাদিক কৃষ্ণ গোপাল সেন, বাকির হোসেন, প্রধান শিক্ষক বিউটি পারভিন, হাফিজুর রহমান, আঃ কুদ্দুসসহ শতাধিক সাধারণ জনগণ অংশ নেন।

    অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, জিএম কামরুজ্জামান টুকু, এনামুল হক সজল, রূপসা উপজেলা বিএনপি আহ্বায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, তেরখাদা আহ্বায়ক চৌধুরী কাউসার আলী, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আতাউর রহমান রুনু, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, আনিসুর রহমান, জেলা বিএনপি নেতা শেখ আলী আজগর, এম এ সালাম, মোল্লা রিয়াজুল ইসলাম, আছাফুর রহমান, জেলা যুবদল নেতা গোলাম মোস্তফা তুহিন, তাঁতিদল নেতা মাহমুদুল আলম লোটাসসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।

    অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণজনে আনন্দের পরিবেশ বজায় ছিল এবং সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট শিল্পী কুদ্দুস বয়াতী।

  • রাজনৈতিক নিপীড়নের শেষের পথে ভোটের বিকল্প নেই

    রাজনৈতিক নিপীড়নের শেষের পথে ভোটের বিকল্প নেই

    সম্প্রতিক রাজনৈতিক মন্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী মহাসচিব মোঃ মঈনুল ইসলাম বলেছেন, একটি বড় রাজনৈতিক দলের নেতা জামায়াতকে কুফুরি ও শিরকের সঙ্গে তুলনা করে যে দায়িত্বজ্ঞানহীন ও অজ্ঞতাপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন, তা শুধু রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘন নয়, বরং ইসলামের মৌলিক শিক্ষার সরাসরি অবমাননা। দুঃশাসন, দুর্নীতি ও রাজনৈতিক নিপীড়নের নিরন্তর কার্যকলাপের অবসান ঘটানোর জন্য দাড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দেওয়ার কোন বিকল্প নেই—এমনটাই তিনি উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, দেশে অর্থনীতিতে প্রকাশ্য লুটপাট, বিচারব্যবস্থাকে দলীয় কারবারে পরিণত করা, হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার, এবং ভিন্ন মত প্রকাশের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সহিংসতা চালিয়ে দেশকে এক ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত করেছে বর্তমান শাসন ব্যবস্থা। এই ধ্বংসাত্মক বাস্তবতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষ আজ ১০ দলের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। গতকাল শুক্রবার সকালেঃ ডুমুরিয়া ও ফুলতলা উপজেলায় একাধিক গণসংযোগ ও পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

    ডুমুরিয়া উপজেলার গুটুদিয়া ইউনিয়নের আরাফাত আবাসিক এলাকা, আল আকসা, ফলইমারা, শিবপুর, বাদুরগাছা এলাকায় গভীর গণসংযোগ ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মুন্সি মঈনুল ইসলাম, অধ্যাপক মিয়া গোলাম কুদ্দুস, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য এডভোকেট আবু ইউসুফ মোল্লা, হরিণটানা থানার কর্মপরিষদ সদস্য লিখন হোসেন, মতিয়ার রহমান, আব্দুর রশীদ মল্লিক, শহিদুল ইসলাম, ডাঃ ইলিয়াস হোসেন, তাজুল ইসলাম, আমীর হোসাইন, সালাহ উদ্দিন, আবদুল্লাহ আল মামুন, রাসেল গাজী, রফিকুল ইসলাম, মাওলানা মুহিব্বুল্লাহ ও আবু মুহসীন প্রমুখ। পরে সেক্রেটারি জেনারেলকে ফুলের তোড়া দিয়ে বিএনপির নাসির গাজী নেতৃত্বাধীন কয়েকজন জামায়াতে যোগ দেন। এরপর বাদুরগাছা উঠান বৈঠকেও স্থানীয় নেতারা বক্তব্য রাখেন। বিকেলে ফুলতলা উপজেলা স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজন করা হয় গণমিছিল ও সমাবেশ। পরে ৬নং ওয়ার্ডের আটরা-গিলাতলা এলাকার উঠান বৈঠকেও মিয়া গোলাম পরওয়ার প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেন।

  • সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে রাষ্ট্রের পুনর্গঠন ও মেরামতের জন্য

    সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে এগোতে হবে রাষ্ট্রের পুনর্গঠন ও মেরামতের জন্য

    খুলনা-২ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য ব্যাপক নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, দেশের গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনা এবং একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের জন্য সব ধর্মের মানুষকে একত্রে দাঁড়াতে হবে। মুসলমান, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের মানুষরা হাজার বছর ধরে এ দেশে শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ শান্তিপূর্ণ পরিবেশ অব্যাহত রাখতে হবে। তবে গত ১৫ বছরে জনগণ ভোট দেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আন্দোলন, সংগ্রাম ও শহীদদের ত্যাগের মাধ্যমে এ দেশের ভোটাধিকার ফিরে পাওয়া গেছে, যা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি যথাযথভাবে ব্যবহার করতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার সকালে খুলনা নিউ মার্কেট কাঁচাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করেন প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ সময় তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশের জন্য তাদের লড়াই চালিয়েছেন, দেশের ইতিহাসে জনপ্রিয় তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এবং বর্তমান বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে চলমান আন্দোলন সংগ্রাম দীর্ঘ সময়ের। মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের ভোটের অধিকার আবারো প্রতিষ্ঠা করা এবং জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা করা। তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশা রচনা করেছেন। এই নির্বাচনের সাফল্য দেশের গণতন্ত্রের স্থায়িত্বের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত বলে তিনি মনে করেন।

    শোকার্ত শহরতলির শঙ্খ মার্কেট এলাকায় রিকশা-ভ্যান শ্রমিক দলের একটি নির্বাচনী সভায় সভাপতিত্ব করেন হোসেন ইমাম চৌধুরী পল্টু এবং পরিচালনা করেন খন্দকার আইয়ুব আলী। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। নগর বিএনপি সভাপতি এড. শফিকুল ইসলাম মনা উপস্থিত ছিলেন সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে। এছাড়াও অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা তাদের বক্তব্যে লড়াই এবং দেশের উন্নয়নে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

    বেলাতে বাদ মাগরিব, খুলনা-২ এর ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব বানিয়াখামার এলাকায় খাদেমুল ইসলাম মাদ্রাসার সামনে বালুর মাঠে নির্বাচনীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ড বিএনপি নেতা হাসান মেহেদী রিজভী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। সভায় বক্তব্য দেন খুলনা মহানগর বিএনপি সভাপতি এড. এস এম শফিকুল আলম মনা ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

    দৈনিক দিনব্যাপী নির্বাচনী গণসংযোগে বিভিন্ন স্থান odw উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, শের আলম সান্টু, মাহবুব হাসান পিয়ারু, একরামুল হক হেলাল, কে এম হুমায়ুন কবির, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, কামরান হাসান, মহিবুল্লাহ শামীম, এড. হালিমা আক্তার, আব্দুর জব্বার, মেশকাত আলী, রিয়াজুর রহমান, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু, জাকারিয়া লিটন, মাজেদা খাতুন, মোফাজ্জেল হোসেন ও আরও অগণিত নেতাকর্মী। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের উন্নয়নে সকল ধর্মের মানুষের ঐক্য ও অংশগ্রহণ অপরিহার্য এবং সকলে একসঙ্গে এগিয়ে গেলে দেশের আরও সমৃদ্ধ ভবিষ্যত রচনা সম্ভব হতে পারে।