Category: সারাদেশ

  • লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার প্রবাসী সজিব নিহত, মরদেহ মেলেনি

    লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার প্রবাসী সজিব নিহত, মরদেহ মেলেনি

    যশোরের শার্শার উলাশী ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামের প্রবাসী যুবক সজিব হোসেন লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে বলে পরিবারকে জানানো হয়েছে। সজিব ছিলেন আইনুদ্দিনের ছেলে; তিনি ২০২১ সালে ভাগ্যের পরিবর্তন আশায় লিবিয়া গিয়েছিলেন।

    পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে লিবিয়ার বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। ঘটনায় তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে মোবাইল ফোনে পরিবারের কাছে খবর দেয়া হলেও এখনো পর্যন্ত মরদেহের কোনো সন্ধান মেলেনি।

    মরদেহ না পাওয়ায় প্রিয়জনদের শোকের সঙ্গে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। পরিবার জানায়, দুর্ঘটনার পর সজিব কোথায় রয়েছে—কোনও হাসপাতালে রাখা হয়েছে কি না, বা দাফন সম্পন্ন হয়েছে কিনা—এ সম্পর্কেই কোনো নিশ্চিত তথ্য তারা পাননি।

    নিহতের পরিবার প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা চেয়েছে। তারা দ্রুত মরদেহের অবস্থান নিশ্চিত করে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুনয় করছে।

    পরিবারের অনুপস্থিতি ও বেদনার এই সময়ে সংশ্লিষ্ট দফতর এবং কমিউনিটির তৎপরতা মরদেহ উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে উপযুক্ত নির্দেশনা ও সহায়তা আশাব্যঞ্জক।

  • নড়াইলে ৫ মামলায় পিরোলী ইউপি চেয়ারম্যান জারজিদ মোল্যা গ্রেপ্তার

    নড়াইলে ৫ মামলায় পিরোলী ইউপি চেয়ারম্যান জারজিদ মোল্যা গ্রেপ্তার

    নড়াইলের কালিয়া উপজেলার পিরোলী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জারজিদ মোল্যা (৫০) কে নাশকতাসহ মোট পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

    শনিবার দিবাগত রাতে (২ মে) পিরোলী ইউনিয়নের খড়রিয়া গ্রাম থেকে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হলে, সোমবার (৩ মে) সকালেই কালিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ইদ্রিস আলী গ্রেপ্তার তথ্যটি নিশ্চিত করেন।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জারজিদ মোল্যা বিভিন্ন সময় পিরোলী ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে আর্থিক কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন এবং বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে একাধিকবার নির্বাচিত হন। তার বিরুদ্ধে দুদকের (দুর্নীতি দমন কমিশন) দায়ে দায়ের করা তিনটি মামলা এবং নাশকতার অভিযোগে দুইটি মামলা রয়েছে।

    কালিয়া থানা পুলিশ জানান, শনিবার রাতে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলমান আছে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি শুক্রবার সন্ধ্যায় আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহ্বায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে অফিসিয়াল দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ করে নবনির্বাচিত নেতারা ক্লাব পরিচালনা, কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও সদস্যদের কল্যাণে কাজ করার আশ্বাস দেন। অনুষ্ঠানে নবনির্বাচিত কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। এতে সহ-সভাপতি হিসেবে ছিলেন সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী ও হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, এবং সদস্য আতিয়ার পারভেজ, মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মন্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিতরা নবনির্বাচিত কমিটিকে শুভেচ্ছা ও সফলতা কামনা করেন এবং ক্লাবের উন্নয়ন ও সাংবাদিক কল্যাণে তাদের কার্যক্রমে সহায়তার আশ্বাস দেন।

  • শৈলকুপায় মেয়ের বিয়ের পাত্রকে ধরে পালালেন মা

    শৈলকুপায় মেয়ের বিয়ের পাত্রকে ধরে পালালেন মা

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় নিজের বড় মেয়ের জন্য পছন্দ করা হবু জামাইয়ের সঙ্গে দুই ছোট সন্তান নিয়ে পালিয়ে গেছেন রিমি খাতুন (৩৫)। ঘটনাটি শনিবার নয়, সোমবার নয়—গত মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) শৈলকুপা উপজেলার চর-ত্রিবেণী গ্রামে ঘটে। এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

    পরিবার সূত্রে জানা যায়, কুমারখালীর রিমি খাতুন প্রায় ১৭ বছর আগে শৈলকুপার ওই গ্রামের গাড়িচালক রাশেদ আলীর (৩৮) সঙ্গে বিয়ে করেন। দাম্পত্য জীবনে তাদের তিন সন্তান হয়। রাশেদের কাজের তাগিদে তিনি অনেকে সময় বাড়ির বাইরে থাকেন।

    প্রতিবেশী ও পারিবারিক বর্ণনা অনুযায়ী, প্রায় এক বছর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের মাধ্যমে পার্বতীপুর গ্রামের মামুন হোসেন (২৪) নামে এক যুবকের সঙ্গে পরিচয় হয় রিমির। মামুন নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য হিসেবে পরিচয় করিয়েছেন বলে জানা গেছে। পরিচয়ের পর তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় এবং রিমি এই молодকের নাম তার বড় মেয়ের বিয়ের পাত্র হিসেবে পছন্দ করেন।

    তবে মা ও হবু জামাইয়ের অতিরিক্ত মেলামেশা ও ঘনিষ্ঠতাকে কেন্দ্র করে পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। উত্তেজনা এতটাই বৃদ্ধি পায় যে বড় মেয়ে মানসিক চাপ সামলাতে না পেরে আত্মহননের পথ বেছে নেয়—পরবর্তী পরিস্থিতি থেকে বোঝা যায়, মর্মান্তিক ওই ঘটনায় ওই কন্যার মৃত্যুও ঘটে। বড় মেয়ের এমন ঘটনাও পরিবারের টানাপোড়েন কমায়নি।

    সব বিবাদ ও চাপের মধ্যেই রাশেদ বারবার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে সব ঠিক করার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু তাতে কোনও ফল হয়নি। অবশেষে গত মঙ্গলবার বাড়িতে স্বামী না থাকা সুযোগে রিমি তার দুই নাবালক সন্তানকে নিয়ে মেয়ের নির্ধারিত পাত্র বলে পরিচিত মামুনের সঙ্গে ঘর ছাড়েন।

    ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্বামী রাশেদ আলী শৈলকুপা থানাে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন। তিনি তার শিশু সন্তানদের ফেরত নিয়ে আসার এবং ঘটনার ন্যায্য বিচার চান।

    শৈলকুপা থানার ওসি মোঃ হুমায়ুন কবির মোলা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পালিয়ে যাওয়া গৃহবধূর কাছ থেকে শিশু সন্তানদের উদ্ধারের জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং সকল দিক তল্লাশি করা হচ্ছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে সম্পর্ক গেড়ে পারিবারিক বন্ধন ভাঙার জটিলতা এবং বাড়তি মেলামেশার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। তদন্ত পর্যায়ে পুলিশ যে তথ্য পাবে, সেই অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • রামপালে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চন্ডিতলা খাল থেকে আরও এক অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    রামপালে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চন্ডিতলা খাল থেকে আরও এক অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামর নির্দেশে শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চন্ডিতলা এলাকায় একটি অবৈধ বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে অভিযানে খালে নির্মিত ওই পাচঁানো বাঁধ ভেঙে ফেলে ভাঙা হয়েছে এবং খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

    অভিযান শেষে অভিজিৎ চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানান, রামপাল উপজেলার প্রবাহমান খাল ও নদীতে নির্মিত সব অবৈধ বাঁধ পর্যায়ক্রমে সরিয়ে ফেলাই হবে। যারা আইন ভঙ্গ করে এসব বাঁধ নির্মাণ করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘‘খাল ও নদীর অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’’

    স্থানীয়রা জানান, খালের বাঁধ অপসারণের ফলে কৃষি ও মৎস্য খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে। একাধিক কৃষক বলছেন, গত কয়েক বছরে অবৈধ বাঁধের কারণে অনেক জমি পানিতে ডু্বে যেত; এখন সমস্যা অনেকটাই কমবে এমন আশা করছেন তাঁরা।

    উপজেলা প্রশাসন বলছে, এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পানিাভাবে, কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় খাল-নদীর অবৈধ ব্যবহার প্রতিহত করতে ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম ক্লাবের বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী ও হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, সদস্য আতিয়ার পারভেজ, মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মন্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার এবং নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক হয়েছেন মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন এবং পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পেলেন বশির হোসেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত। অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্লাব পরিচালনা ও সাংগঠনিক কাজগুলো দ্রুত ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী এবং হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব ও সদস্য আতিয়ার পারভেজ। অন্যান্য উপস্থিত অতিথির মধ্যে ছিলেন মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মণ্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানটি শেষে নবনির্বাচিত কমিটি ক্লাবের কল্যাণ, সাংবাদিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পেশাগত অগ্রগতির লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শ্রমিক-কর্মচারীরা যদি এক হয়ে দাঁড়ায়, তা হলে মালিকপক্ষ থেকে তাদের সব বৈধ দাবি আদায় করা সম্ভব। কিন্তু বিচ্ছিন্ন হলে দাবি আদায়ে বাধা পাওয়া যায়। মোংলা বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের প্রাণ হলো শ্রমিক-কর্মচারীরা; তারা না থাকলে বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং কলকারখানা চলবে না। তাই শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে—এটাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

    তিনি বলেন, শ্রমিকদের ერთად থাকা মালিক ও সরকারের কাছে চাপ সৃষ্টি করে এবং তা থেকেই ন্যায্য অধিকার আদায় করা সহজ হয়। কিছু অসাধু চক্র শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং তা থেকে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়; তাই শ্রমিকরা বিভক্ত না হয়ে একাত্মতা বজায় রাখুন। বর্তমান সরকার শ্রমিকবান্ধব নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শ্রমিকদের যে কোনো যৌক্তিক দাবির প্রতি সংবেদনশীল।

    শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মোংলায় মহান মে দিবস উপলক্ষে মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘ চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক নেতা মোঃ আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথির তালিকায় ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাছির তালুকদার ও গোলাম নুর জনি, যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন ও এম.এ. কাশেম। স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় শ্রমিক নেতারা মোংলা বন্দরের কর্মক্ষেত্রে চালু থাকা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং শ্রমিকদের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন যে মূল্যবৃদ্ধির বর্তমান প্রসঙ্গে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, মজুরি সমন্বয় ও কর্মস্থলে সুরক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণের ব্যাপারে সুদক্ষ নজরদারি দাবি করা হয়।

    প্রতিমন্ত্রী এবং বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ও মালিকপক্ষ ও সরকারের কাছে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের অন্তর্বতীকালীন কমিটির নেতৃবৃন্দ শুক্রবার (১ মে) রাতের এক অনুষ্ঠানে ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। অন্তর্বতীকালীন কমিটির পক্ষে আহ্বায়ক এনামুল হক এবং সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল এই দায়িত্বভার নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলামসহ কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দের নিকট হস্তান্তর করেন। এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বিঘ্নে প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত — আসবে এবার নব প্রভাত’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (১ মে) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত হয়েছে। সারাদিনের আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা যেখানে দিবসটির তাৎপর্য ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদানকে অনস্বীকার্য বলে অভিহিত করে বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যকৰ্ম পরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, শ্রমিক কোনো যন্ত্র নয় — তারা মানুষ; তাই তাদের সাথে মানবিক ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখতে হবে। এছাড়া ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন যে, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা না করলে উন্নয়ন টেকসই হবে না; মালিক ও শ্রমিককে এক পরিবারের মতো মিলেমিশে কাজ করে একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সব দিক থেকে সম্মিলিত উন্নয়ন ছাড়া মালিক-শ্রমিক সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান হবে না—এমনটিই বক্তারা মনে করেন।

    বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা রাখেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন বিজেএ’র চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ মজিবর রহমান ও খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ।

    আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর। অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারগুলোর মধ্যে মোট ১৪০ জনকে ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করে।

    এর আগে দিবসটির সুযোগে বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পৌঁছে। শোভাযাত্রায় সরকারি ও বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তাসহ শ্রমিক, মালিক, ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।