Category: সারাদেশ

  • রামপালে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চন্ডিতলা খাল থেকে আরও এক অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    রামপালে প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশে চন্ডিতলা খাল থেকে আরও এক অবৈধ বাঁধ অপসারণ

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামর নির্দেশে শনিবার (২ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চন্ডিতলা এলাকায় একটি অবৈধ বাঁধ অপসারণ করা হয়েছে। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তীর নেতৃত্বে অভিযানে খালে নির্মিত ওই পাচঁানো বাঁধ ভেঙে ফেলে ভাঙা হয়েছে এবং খালের স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

    অভিযান শেষে অভিজিৎ চক্রবর্তী সাংবাদিকদের জানান, রামপাল উপজেলার প্রবাহমান খাল ও নদীতে নির্মিত সব অবৈধ বাঁধ পর্যায়ক্রমে সরিয়ে ফেলাই হবে। যারা আইন ভঙ্গ করে এসব বাঁধ নির্মাণ করবেন, তাদের বিরুদ্ধে কড়া আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘‘খাল ও নদীর অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।’’

    স্থানীয়রা জানান, খালের বাঁধ অপসারণের ফলে কৃষি ও মৎস্য খাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা কমবে। একাধিক কৃষক বলছেন, গত কয়েক বছরে অবৈধ বাঁধের কারণে অনেক জমি পানিতে ডু্বে যেত; এখন সমস্যা অনেকটাই কমবে এমন আশা করছেন তাঁরা।

    উপজেলা প্রশাসন বলছে, এসব অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পানিাভাবে, কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় খাল-নদীর অবৈধ ব্যবহার প্রতিহত করতে ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম ক্লাবের বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন, পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক বশির হোসেন। এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত।

    অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী ও হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব, সদস্য আতিয়ার পারভেজ, মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মন্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবে নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সভাপতি মো. মোস্তফা সরোয়ার এবং নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিদায়ী অন্তর্বতীকালীন কমিটির আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলের কাছ থেকে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।

    দায়িত্ব গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ক্লাবের হুমায়ুন কবীর বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে নির্বাচিত কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সোহরাব হোসেন ও মো. জাহিদুল ইসলাম। কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পেলেন বিমল সাহা, যুগ্ম-সম্পাদক হয়েছেন মো. বেল্লাল হোসেন সজল, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মোহাম্মদ মিলন এবং পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্য প্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব পেলেন বশির হোসেন।

    কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, কাজী মোতাহার রহমান, মহেন্দ্রনাথ সেন, সোহেল মাহমুদ ও কে এম জিয়াউস সাদাত। অনুষ্ঠানে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, ক্লাব পরিচালনা ও সাংগঠনিক কাজগুলো দ্রুত ও সুচারুভাবে বাস্তবায়নের বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

    এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. সাহেব আলী এবং হাসান আহামেদ মোল্লা, ক্লাবের সদস্য ও দৈনিক পূর্বাঞ্চল সম্পাদক মোহাম্মদ আলী সনি, সিনিয়র সদস্য মুহাম্মদ আবু তৈয়ব ও সদস্য আতিয়ার পারভেজ। অন্যান্য উপস্থিত অতিথির মধ্যে ছিলেন মাহবুবুর রহমান মুন্না, এস এম কামাল হোসেন, এস এম নূর হাসান জনি, গাজী মনিরুজ্জামান, শেখ আল এহসান, উত্তম মণ্ডল, দীলিপ কুমার বর্মন, ইয়াসীন আরাফাত রুমী, মো. হেলাল মোল্লা, আব্দুর রাজ্জাক রানা, খলিলুর রহমান সুমন, নাজমুল হক পাপ্পু, আলমগীর হান্নান, সুনীল কুমার দাস, মো. জাকারিয়া হোসেন তুষার, শেখ জাহিদুল ইসলাম, মো. সোহেল রানা, এস এম সাইফুল ইসলাম ও মোহাম্মদ মাসরুর মুর্শেদসহ অন্যান্য সাংবাদিকবৃন্দ।

    অনুষ্ঠানটি শেষে নবনির্বাচিত কমিটি ক্লাবের কল্যাণ, সাংবাদিকদের স্বার্থ সংরক্ষণ এবং পেশাগত অগ্রগতির লক্ষ্যে একযোগে কাজ করার অভিমত ব্যক্ত করেন।

  • শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    শ্রমিকরা ঐক্যবদ্ধ হলে মালিক ও সরকারের কাছ থেকে সব দাবি আদায় সম্ভব: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

    পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শ্রমিক-কর্মচারীরা যদি এক হয়ে দাঁড়ায়, তা হলে মালিকপক্ষ থেকে তাদের সব বৈধ দাবি আদায় করা সম্ভব। কিন্তু বিচ্ছিন্ন হলে দাবি আদায়ে বাধা পাওয়া যায়। মোংলা বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের প্রাণ হলো শ্রমিক-কর্মচারীরা; তারা না থাকলে বন্দর, শিল্পাঞ্চল এবং কলকারখানা চলবে না। তাই শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে—এটাই তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।

    তিনি বলেন, শ্রমিকদের ერთად থাকা মালিক ও সরকারের কাছে চাপ সৃষ্টি করে এবং তা থেকেই ন্যায্য অধিকার আদায় করা সহজ হয়। কিছু অসাধু চক্র শ্রমিকদের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং তা থেকে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়; তাই শ্রমিকরা বিভক্ত না হয়ে একাত্মতা বজায় রাখুন। বর্তমান সরকার শ্রমিকবান্ধব নীতির প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং শ্রমিকদের যে কোনো যৌক্তিক দাবির প্রতি সংবেদনশীল।

    শুক্রবার (১ মে) বিকেলে মোংলায় মহান মে দিবস উপলক্ষে মোংলা বন্দর শ্রমিক-কর্মচারী সংঘ চত্বরে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রমিক নেতা মোঃ আলাউদ্দিন। বিশেষ অতিথির তালিকায় ছিলেন পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ জুলফিকার আলী, থানা বিএনপির সভাপতি মোঃ আব্দুল মান্নান হাওলাদার, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ নাছির তালুকদার ও গোলাম নুর জনি, যুবদল নেতা ইমান হোসেন রিপন ও এম.এ. কাশেম। স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতারা ও বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা সভায় শ্রমিক নেতারা মোংলা বন্দরের কর্মক্ষেত্রে চালু থাকা বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরেন এবং শ্রমিকদের আবাসন, স্বাস্থ্যসেবা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। তারা উল্লেখ করেন যে মূল্যবৃদ্ধির বর্তমান প্রসঙ্গে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, মজুরি সমন্বয় ও কর্মস্থলে সুরক্ষা এখন বড় চ্যালেঞ্জ। এ কারণে মালিকপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণের ব্যাপারে সুদক্ষ নজরদারি দাবি করা হয়।

    প্রতিমন্ত্রী এবং বৈঠকে উপস্থিত অন্যান্য নেতারা শ্রমিকদের অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান ও মালিকপক্ষ ও সরকারের কাছে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

  • খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর

    খুলনা প্রেসক্লাবের অন্তর্বতীকালীন কমিটির নেতৃবৃন্দ শুক্রবার (১ মে) রাতের এক অনুষ্ঠানে ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করেছেন। অন্তর্বতীকালীন কমিটির পক্ষে আহ্বায়ক এনামুল হক এবং সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল এই দায়িত্বভার নবনির্বাচিত কমিটির সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলামসহ কমিটির অন্য নেতৃবৃন্দের নিকট হস্তান্তর করেন। এই হস্তান্তর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে খুলনা প্রেসক্লাবের কার্যক্রম চালিয়ে নেওয়া ও প্রশাসনিক দায়িত্ব নির্বিঘ্নে প্রয়োগের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়েছে।

  • খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ প্রতিপাদ্যে মহান মে দিবস পালিত

    ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত — আসবে এবার নব প্রভাত’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (১ মে) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত হয়েছে। সারাদিনের আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত আলোচনা সভা যেখানে দিবসটির তাৎপর্য ও শ্রমিকদের অধিকার নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়।

    আলোচনা সভায় বক্তারা দেশের অর্থনীতিকে সচল রাখার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের অবদানকে অনস্বীকার্য বলে অভিহিত করে বলেছেন, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, স্বাস্থ্যকৰ্ম পরিবেশ ও সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বক্তারা জোর দিয়ে বলেছেন, শ্রমিক কোনো যন্ত্র নয় — তারা মানুষ; তাই তাদের সাথে মানবিক ও সম্মানজনক আচরণ বজায় রাখতে হবে। এছাড়া ধর্মীয় অনুশাসন মেনে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে তিনি আরও বলেন যে, শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা না করলে উন্নয়ন টেকসই হবে না; মালিক ও শ্রমিককে এক পরিবারের মতো মিলেমিশে কাজ করে একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। অর্থনৈতিক, সামাজিক, স্বাস্থ্য ও পরিবেশের সব দিক থেকে সম্মিলিত উন্নয়ন ছাড়া মালিক-শ্রমিক সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান হবে না—এমনটিই বক্তারা মনে করেন।

    বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তৃতা রাখেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মোঃ হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তৃতা করেন বিজেএ’র চেয়ারম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধির পক্ষে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহবায়ক মোঃ মজিবর রহমান ও খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহবায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ।

    আলোচনা সভার আয়োজন করে জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর। অনুষ্ঠানের শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারগুলোর মধ্যে মোট ১৪০ জনকে ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করে।

    এর আগে দিবসটির সুযোগে বিভাগীয় কমিশনার মো: আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে পৌঁছে। শোভাযাত্রায় সরকারি ও বেসরকারি দফতরের কর্মকর্তাসহ শ্রমিক, মালিক, ট্রেড ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

  • লবণচরায় সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক আহত

    লবণচরায় সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ডে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবক আহত

    খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানাধীন সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুর্বৃত্তদের গুলিবিদ্ধ হয়ে এক যুবক আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১ মে) দুপুরে ঘটনার পর তাকে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    আহত যুবকের নাম মোহাম্মদ তাইজুল (৩০)। তিনি বটিয়াঘাটার গাওঘরা চানদার ডাংগি এলাকার নজরুলের ছেলে। বর্তমানে তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, সাচিবুনিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শুক্রবার দুপুরে দুইটি মোটরসাইকেলে করে চারজন অস্ত্রধারী দুর্বৃত্ত আসে। তারা লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে এবং একটি গুলি তাইজুলের বাম পায়ের হাঁটুর ওপর লাগে। গুলির শব্দ শুনে আশপাশের মানুষ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটলে দুর্বৃত্তরা সেখানে থেকে পালিয়ে যায়।

    স্থানীয়রা পরে পুলিশকে খবর দিলে লবণচরা থানা পুলিশ এসে আহত তাইজুলকে উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

    পুলিশ ঘটনার কারণ উদঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে।

  • খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ স্লোগানে মহান মে দিবস পালিত

    খুলনায় ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত’ স্লোগানে মহান মে দিবস পালিত

    ‘সুস্থ শ্রমিক, কর্মঠ হাত—আসবে এবার নব প্রভাত’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ শুক্রবার (০১ মে) খুলনায় যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান মে দিবস ও জাতীয় পেশাগত স্বাস্থ্য ও সেফটি দিবস পালিত হয়েছে। সকাল সাড়ে অনুষ্ঠানের মূল আলোচনা সভা জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তব্য ও আলোচনা হয়।

    অনুষ্ঠানে বক্তারা শ্রমিকদের অগ্রগণ্য অবদান তুলে ধরে বলেছেন, দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে শ্রমিকদের ভূমিকা অপরিসীম। তাদের ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। বক্তারা আরও বলেন, শ্রমিকরা কোনো যন্ত্র নয়—তারা মানুষ; তাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করতে হবে এবং তাদের অধিকার রক্ষায় সমাজ ও মালিকপক্ষকে সহায়তা করতে হবে।

    প্রতিকূলতায় ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিকতার আলোকে আন্দোলন-সংলাপের মাধ্যমে শ্রমিকদের ন্যায্য অধিকার আদায় করা প্রয়োজন বলেও বক্তারা জোর দেন। তারা সতর্ক করেন যে শ্রমিকদের স্বার্থ রক্ষা না করলে যে কোনো উন্নয়ন টেকসই হবে না। মালিক ও শ্রমিক যদি পরিবারসুলভ মনোভাবে সম্মিলিতভাবে কাজ করেন এবং একে অপরের স্বার্থ রক্ষা করেন, তবেই সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে—এই মর্মে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়। এছাড়া অর্থনীতি, সামাজিক ক্ষেত্র, স্বাস্থ্য ও পরিবেশসহ সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত না হলে স্থায়ী সমাধান আসবে না বলে বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মো. মনজুর আলম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত রেঞ্জ ডিআইজি শেখ জয়নুদ্দীন, মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুন। জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন শ্রম দপ্তরের পরিচালক মো. হাফেজ আহাম্মদ মজুমদার। মালিকপক্ষের জনগোষ্ঠীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন বিজেএ’র চেয়াৰম্যান খন্দকার আলমগীর কবির ও বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মো. তরিকুল ইসলাম জহির। শ্রমিক প্রতিনিধি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মহানগর জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মো. মজিবর রহমান ও খালিশপুর আঞ্চলিক কমিটির আহ্বায়ক আবু দাউদ দ্বীন মোহাম্মদ। জেলা প্রশাসন, বিভাগীয় শ্রম দপ্তর ও কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন দপ্তর যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে।

    আলোচনা সভার শেষে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে খুলনা জেলার খালিশপুর, দৌলতপুর, খানজাহান আলী ও আড়ংঘাটা থানার বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত শ্রমিক ও তাদের পরিবারের ১৪০ জন সদস্যকে মোট ৪১ লাখ ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করা হয়।

    দিবসটি উপলক্ষে বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুল্লাহ হারুনের নেতৃত্বে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন চত্বর থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে গিয়ে সমাপ্ত হয়। শোভাযাত্রায় সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, শ্রমিক-মালিক-কর্মচারী, ট্রেড ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ ও বিভিন্ন পেশার মানুষ অংশ নেন।

  • রূপসা সরকারি কলেজকে ‘বেলফুলিয়া সরকারি কলেজ’ নামকরণের আবেদন

    রূপসা সরকারি কলেজকে ‘বেলফুলিয়া সরকারি কলেজ’ নামকরণের আবেদন

    খুলনা জেলার আইচগাতি ইউনিয়নে অবস্থিত রূপসা সরকারি কলেজকে ‘বেলফুলিয়া সরকারি কলেজ’ নামে পুনঃনামকরণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আবেদনটি খুনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল স্বাক্ষরে গত ২৩ এপ্রিল মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়।

    আবেদনে বলা হয়েছে, খুলনা-৪ আসনটি রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া উপজেলা নিয়ে গঠিত। এ অঞ্চলে একই নামে দু’টি কলেজ থাকায় শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও প্রশাসনিক দফতরগুলোর মধ্যে অনেক ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

    পটভূমি তুলে ধরে আবেদনে বলা হয়, স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালে ঐতিহ্যবাহী বেলফুলিয়া এলাকায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়ে ‘বেলফুলিয়া কলেজ’ নামে পরিচিতি অর্জন করে। পরে কলেজটি সরকারিকরণের সময় তৎকালীন সংসদ সদস্য (আওয়ামী লীগ) কলেজটির নামের বেলফুলিয়া অংশটি বাদ দিয়ে ‘বঙ্গবন্ধু সরকারি কলেজ’ নামে নামকরণ করেন।

    অপর দিকে ১৯৮৬ সালে রূপসা উপজেলার বাগমারা এলাকায় ‘রূপসা কলেজ’ নামে একটি বেসরকারি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। চার দশকেরও বেশি সময় ধরে ওই প্রতিষ্ঠান উচ্চমাধ্যমিক থেকে স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত সুনামের সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে এবং ছাত্রসংখ্যাও কয়েক হাজারের ওপরে।

    আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আগস্ট বিপ্লবের পর কিছু অজ্ঞতাবশত স্থানীয় বেলফুলিয়ায় অবস্থিত কলেজটির নামের ‘বঙ্গবন্ধু’ অংশটি সরিয়ে ‘রূপসা সরকারি কলেজ’ বলা শুরু করলে একই নামের দুটি কলেজের সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে ভর্তিকাল, তথ্য প্রেরণ, সরকারি-বেসরকারি নথিপত্র, বোর্ড ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্দেশনা ও বরাদ্দ বণ্টনসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রমে জটিলতা তৈরি হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রেরণ, রেজিস্ট্রেশন ও ফলাফল সংক্রান্ত কার্যক্রমেও প্রভাব পড়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ আছে।

    স্থানীয় শিক্ষাবিদ, জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্টজনদের মতামত বিবেচনায়, বর্তমানে রূপসা সরকারি কলেজ হিসেবে যত নাম ব্যবহৃত হচ্ছে তা সংশোধন করে কলেজটি যে ঐতিহ্যবাহী স্থানে রয়েছে সেই নাম অনুসারে ‘বেলফুলিয়া সরকারি কলেজ’ নামে পুনঃনামকরণের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হয়েছে। সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল শিক্ষামন্ত্রণালয়ের নিকট এই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবেদন জানিয়েছে।

  • অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসারকে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ১০ বছর কারাদণ্ড

    অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসারকে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় ১০ বছর কারাদণ্ড

    খুলনার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ অগ্রণী ব্যাংকের ক্যাশ অফিসার সৈয়দ শিওন সাইফকে অর্থ আত্মসাৎ মামলায় তিনটি ধারায় মোট ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। আদালত তাকে ৩৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা করেছেন; জরিমানার অনাদায়ে আরও ৫ মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড কার্যকর হবে। রায় ঘোষণা করেন বিভাগীয় স্পেশাল জজ মোঃ আশরাফুল ইসলাম।

    আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন, দণ্ডবিধির ৪৬৮ ধারায় সাইফকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে এক মাস বিনাশ্রম), ৪৭৯ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩ হাজার টাকা জরিমানা (অনাদায়ে এক মাস বিনাশ্রম) ও ৪০৯ ধারায় ৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৩৬ লাখ ৭৯ হাজার ৩৫০ টাকা জরিমানা (অনাদায়ে তিন মাস বিনাশ্রম) দেয়া হয়েছে। এই তিন দণ্ড ধারাবাহিকভাবে চালু হবে, ফলে মোট সাজা দাঁড়ায় ১০ বছর এবং অনাদায়ে একযোগে পাঁচ মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড।

    আদালতে রায় ঘোষণার সময় অভিযুক্ত সৈয়দ শিওন সাইফ পলাতক ছিলেন। তিনি নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলার এনএসখোলা নওয়াগ্রামের বাসিন্দা, নাজমুল হকের ছেলে এবং বয়স ৪১ বছর বলে বর্ণিত হয়েছে। মামলার অপর আসামি ও ওই শাখার সাবেক ব্যবস্থাপক মিসেস সাফিয়া বেগমকে আদালত খালাস দিয়েছেন; তিনি বাগেরহাট জেলার মোরেলগঞ্জ থানার বারইখালি গ্রামের মুজিবুর রহমান ফকিরের স্ত্রী।

    আদালতের বেঞ্চ সহকারী মোঃ ইয়াসিন আলী নথির উল্লেখে জানান, বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে অবস্থিত অগ্রণী ব্যাংক শাখায় সৈয়দ শিওন সাইফ ক্যাশ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ২০১১ সালের ৮ ডিসেম্বর থেকে ২০১৫ সালের ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত; আর ব্যবস্থাপক সাফিয়া বেগম শাখায় ছিলেন ২০১৩ সালের ৩ মে থেকে ২০১৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। ওই সময়ে তারা পরস্পর যোগসাজসে ব্যাংক শাখার বিভিন্ন ঋণ হিসেবে কাল্পনিক পোস্টিং (ভাউচার ছাড়া কম্পিউটারে এন্ট্রি) করে ২৩ লাখ ১০ হাজার টাকা মূল্যের দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

    ব্যাংকের শাখা ব্যবস্থাপক দীপক কুমার কুন্ডু বাদী হয়ে মোরেলগঞ্জ থানায় মামলা নং-১১ দায়ের করেন। ২০১৭ সালের ২০ জুলাই দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক আবুল হাসেম কাজী অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেছেন অ্যাডভোকেট মোঃ আবুল হোসেন হাওলাদার। আদালতের রায়ে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় উপরের সাজা ও জরিমানা কার্যকর করা হয়।