Category: সারাদেশ

  • রামপালের মল্লিকের বেড়ের ‘জাহিদুল গ্যাং’ নেতা জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    রামপালের মল্লিকের বেড়ের ‘জাহিদুল গ্যাং’ নেতা জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় এলাকার বছর ধরার জঙ্গলের মতো দুর্ধর্ষ নামে পরিচিত জলদুল—নামটা জাহিদুল। র‍্যাব-৬ তাকে খুলনা টোল প্লাজার কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে আটটার দিকে তাকে আটক করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক জাহিদুলের বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাঁর নাম উল্লেখ করে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। এসব ঘটনায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ঘের দখল, চুরি, দস্যুতা, নারী নির্যাতন, হত্যা চেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী নানা অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার কারণে তাকে ধরে ফেলা স্থানীয়ভাবে কঠিন ছিল বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    রামপাল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (তদন্ত ওসি) সুব্রত বিশ্বাস বলেন, “দীর্ঘদিন পলাতক থাকা এই আসামি মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। থানায় অফিসিয়াল কাজকর্মের পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।” তিনি জানিয়েছেন, ওয়ারেন্টভুক্ত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মামলার বাদী ও স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে জাহিদুলের অপরাধমূলক আচরণ তাদের জন্য নানারকম দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। এক বাদী বলেন, “আসামি পলাতক থাকার কারণে আমরা বিরাট সমস্যায় পড়ে গিয়েছিলাম। এখন গ্রেপ্তারের পর আশা করছি ন্যায়বিচার হবে। দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি রাখি।”

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, জাহিদুল এলাকায় নানা ধরনের অপরাধে জড়িত ছিল এবং তার সক্রিয়তার ফলে বহু পরিবার বিপর্যস্ত হয়েছিল। তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে র‍্যাব ও পুলিশি সহায়তায় বাকি পলাতক আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    রামপাল থানাসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে অপরাধী চক্রের পুরো লেনদেন ও সাবেক সহযোগীদের খোঁজে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মৌমাছির আক্রমণে ভ্যানচালক আনিছুর রহমান (৪৫) মারা গেছেন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল নাগাদ জয়রামপুর শেখপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, কাজ শেষে ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আনিছুর রহমান। জয়রামপুর শেখপাড়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একটি ঝাঁক মৌমাছি তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

    পড়শিরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাসপাতাল নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

    নিহত আনিছুর রহমান দামুড়হুদা বাজারপাড়া এলাকার আবু গাইনের ছেলে। খবর পেয়ে এলাকায় শোক ছড়িয়ে পড়ে।

    দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনার বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ গেল

    চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ গেল

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মৌমাছির কামড়ে আনিছুর রহমান (৪৫) নামে এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালেই জয়রামপুর এলাকার শেখপাড়ায় ঘটে।

    নিহত আনিছুর রহমান দামুড়হুদা বাজারপাড়া এলাকার আবু গাইনের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, সকালে কাজ শেষে ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জয়রামপুর শেখপাড়া এলাকায় হঠাৎ একঝাঁক মৌমাছি তাকে আক্রমণ করে। একাধিক কামড়ের ফলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে দেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা চালানোর সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

    তবে সদর হাসপাতালের পথে রেফার করার সময় মৃত্যু হয় আনিছুর রহমানের। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, ঘটনাটি অনুসন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

    মৌমাছির কামড় সাধারণত স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও অ্যালার্জির কারণে বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে; তাই এমন এলাকায় চলাচলের সময় সতর্কতার পরামর্শ স্থানীয়দের দেওয়া হচ্ছে।

  • মল্লিকের বেড়ের গ্যাংনেতা জাহিদুলকে খুলনা টোল প্লাজা থেকে র‌্যাব-৬ গ্রেফতার

    মল্লিকের বেড়ের গ্যাংনেতা জাহিদুলকে খুলনা টোল প্লাজা থেকে র‌্যাব-৬ গ্রেফতার

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা থেকে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা এক গ্যাংনেতাকে খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে র‌্যাব-৬ আটক করেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতের নাম মোঃ জাহিদুল, তিনি রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে দায়ের করা একাধিক মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। এসব মামলায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ঘের দখল, চুরি, দস্যুতা, নারী নির্যাতন, হত্যা চেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকর নানা অভিযোগ রয়েছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, মামলার পর থেকে জাহিদুল দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন, এজন্য তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছিল না। গতকাল র‌্যাব তার উপস্থিতি খুঁজে পেয়ে খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাকে আটক করে রামপাল থানায় হস্তান্তর করে।

    রামপাল থানার তদন্তকারী ওসি সুব্রত বিশ্বাস জানান, “দীর্ঘদিন পলাতক এই আসামি মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে আটক করে রামপাল থানায় হস্তান্তর করেছে। থানার কার্যক্রম শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।” তিনি আরও জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মামলার বাদিপক্ষ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জাহিদুলের পলাতকতায় তারা চরম ভোগান্তির মধ্যে ছিলেন। একটি বাদি বললেন, “আসামিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথে অগ্রগতি হয়েছে। আমরা চাই দ্রুত মামলার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হোক।”

    স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ওই ব্যক্তি এলাকায় নানা দূরাচরণের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিল। তারা দ্রুত সব পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে সতর্ক ও ন্যায়সঙ্গত তদন্তের অনুরોધ করেছেন।

  • বাগেরহাটে যৌথ ব্যবসা দখল ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

    বাগেরহাটে যৌথ ব্যবসা দখল ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

    বাগেরহাটের ব্যবসায়ী মোঃ শফিকুল ইসলাম শনিবার (২৫ এপ্রিল) বাগেরহাট প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন যে, তার সঙ্গে যৌথভাবে চালানো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ও সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তার আপন ভাই হাফিজুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত লিখিত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছর ধরে তিনি ও তার আপন মামা যৌথভাবে “মোল্লা হার্ডওয়ার স্টোর” নামের ব্যবসাটি পরিচালনা করে আসছেন। ব্যবসার জমির আয়তন ০.৫২৭ একর, যেখানে তিনি এক-তৃতীয়াংশ অংশীদার এবং প্রতিষ্ঠানের “৮ আনা” শেয়ারদার বলে দাবি করেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তার অংশীদার বিভিন্ন কৌশলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যাংক হিসাব অংশীদারের নামে থাকায় সে একপক্ষীয়ভাবে আর্থিক লেনদেন করে আসছে এবং বছরের পর বছর তাকে কোনো হিসাব-লাভভাগ না দিয়ে বঞ্চিত করেছে।

    শফিকুল আরও বলেন, অংশীদার প্রতিষ্ঠানটির আড়ালে বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সেই অর্থ ব্যক্তিগত ব্যবসায় ব্যবহার করছেন। এসব থেকে সংগৃহীত লাভ একনের ব্যাক্তিগতভাবে ভোগ করা হচ্ছে, অথচ তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার অংশের লভ্যাংশ পাননি।

    তিনি দাবি করেন, হিসাব চাওয়ার প্রত্যুত্তরে তাকে হুমকি দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক ব্যবসা স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তার উপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে যাতে তিনি তার অংশের সম্পত্তি লিখে দেন; তা না করলে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    শফিকুল আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, কোনো সময় ব্যবসার মালামাল সরিয়ে নিয়ে তাকে তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা হতে পারে। তাই তিনি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেছেন—বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ব্যবস্থা করা হোক।

    অপর একটি অভিযোগে তিনি বলেন, পূর্বে হারানো একটি ব্যাংক চেককে ভিত্তি করে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকার দাবিতে একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং চেক জালিয়াতির অংশ বলে উল্লেখ করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করে জানান, তিনি উপর্যুক্ত কেলেঙ্কারি ও হয়রানির বিষয়ে দ্রুত তদন্ত ও সঠিক বিধান চান যাতে তার স্বত্ব ও মর্যাদা রক্ষা পায়।

  • বাগেরহাটের মল্লিকের বেড় থেকে ‘জাহিদুল গ্যাং’-এর জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    বাগেরহাটের মল্লিকের বেড় থেকে ‘জাহিদুল গ্যাং’-এর জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় এলাকার একাধিক মামলায় নামজাদা মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব-৬ খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত প্রায় পৌনে ৮টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাহিদুলের বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে মারামারি, চাঁদাবাজি, ঘের দখল, চুরি, দস্যুতা, নারী নির্যাতন, মামলা ও হত্যা চেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী নানা অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছিল না বলে সূত্ররা জানান।

    রামপাল থানার তদন্ত অফিসার সুব্রত বিশ্বাস খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “দীর্ঘদিন পলাতক এই আসামি মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে আটক করে রামপাল থানায় হস্তান্তর করেছে। থানায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।” তিনি আরও জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মামলার বাদিরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আসামি পলাতক থাকায় তারা মানসিক ও সামাজিকভাবে চরম ভোগান্তির মুখে ছিলেন। তাদের দাবী, গ্রেপ্তারের ফলে ন্যায়বিচারের পথে অগ্রগতি হয়েছে এবং দ্রুত সুষ্ঠু বিচার চান তারা।

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং এখন দ্রুত সব পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন। র‍্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থল ও মামলার বিষয়ে আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

  • ঝিনাইদহে ট্রাক চাপায় মেয়ের বাড়ি যেতে যাওয়ার পথে মা নিহত

    ঝিনাইদহে ট্রাক চাপায় মেয়ের বাড়ি যেতে যাওয়ার পথে মা নিহত

    ঝিনাইদহের আরাপপুর জামতলা এলাকায় ট্রাক চাপায় শাম্মী আক্তার (৪০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া থেকে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শাম্মী আক্তার কুষ্টিয়ার মিনাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় অংশিদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, তারা মোটরসাইকেলে যাত্রা করছিলেন। আরাপপুর জামতলা এলাকায় পৌঁছালে শাম্মী মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন এবং রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। সেই সময় পিছন থেকে আসা বালু বোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

    ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে হস্তান্তর করেছে।

    ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পরিবারিকভাবে মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

    দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা শোকাহত; স্থানীয়রা ও কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে তৎপর রয়েছেন।

  • সাতক্ষীরায় ভোমরা পথে ২টি স্বর্ণের বারসহ নারী চোরচালানী আটক

    সাতক্ষীরায় ভোমরা পথে ২টি স্বর্ণের বারসহ নারী চোরচালানী আটক

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সাতক্ষীরায় ভোমরা সীমান্ত পঠানোর উদ্দেশ্যে ২টি স্বর্ণের বার লুকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল এমন সন্দেহে এক নারী চোরচালানীকে আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার আলীপুর এলাকার বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন স্থানে।

    বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বার দুটি মোট ৯৬ গ্রাম ৪০ মিলিগ্রামের এবং এর আনুমানিক বাজার মূল্য ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

    আটক নারীটির নাম মোছাঃ শিউলী আক্তার (২৩)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তালতলা গ্রামের মোঃ জুবায়ের হোসেনের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ভোমরা সীমান্তে স্বর্ণ পাচারের একটি চ্যানেলের উপস্থিতির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরায় বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ন একটি অভিযানিক দল বাঁকাল চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে শহরের খুলনা রোড মোড় থেকে ভোমরা সীমান্তের দিকে ইজিবাইকে যাচ্ছিলো এক ব্যক্তি; এ সময় আলীপুর (বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন) এলাকায় তল্লাশী চালিয়ে বিজিবি নারী সৈনিকরা তার কাছ থেকে দুইটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।

    অভিযানটির সার্বিক দিক নির্দেশনা দেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসসি।

    লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, উদ্ধারকৃত স্বর্ণগুলো শুল্ক কর ফাঁকি করে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণ বারগুলো সাতক্ষীরা ট্রেজারী অফিসে জমা করার প্রক্রিয়া চলছে।

  • সাতক্ষীরায় দুই স্বর্ণের বারসহ নারী চোরাচালানী গ্রেফতার

    সাতক্ষীরায় দুই স্বর্ণের বারসহ নারী চোরাচালানী গ্রেফতার

    সাতক্ষীরায় দুটি স্বর্ণের বারসহ একজন নারী চোরাচালানীকে গ্রেফতার করেছে সীমান্তবাহিনী (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার আলীপুর (বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন) এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়ন, যার বিস্তারিত তথ্য শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের বাজারমূল্য আনুমানিক ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন মোছাঃ শিউলী আক্তার (২৩)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তালতলা গ্রামের মোঃ জুবায়ের হোসেনের স্ত্রী।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত জেলা থেকে বোমরা অতীত-পথ বেয়ে ভারতে এক স্বর্ণ চালান পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে—এসব গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই সাতক্ষীরার বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের একটি অভিযানিক দল বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়। বৃহস্পতিবার বিকাল প্রায় ৫টার দিকে ইজিবাইক যোগে খুলনা রোড মোড় থেকে ভোমরা সীমান্তের দিকে যাচ্ছিল একটি সন্দেহভাজন যানবাহন। অভিযানিক দলই ওই গাড়িকে থামিয়ে তল্লাশি করলে মোছাঃ শিউলীর কাছ থেকে দুটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।

    অভিযান পরিচালনায় সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসসি’র নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কাজ করা হয়। তিনি বলেন উদ্ধার হওয়া দুইটি স্বর্ণের বার মিলিয়ে মোট ওজন ছিল আনুমানিক ২৯৬.৪০ গ্রাম এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

    বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানান, শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ পরিবহন ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে রাখার অভিযোগে মোছাঃ শিউলী আক্তারকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বার সাতক্ষীরা ট্রেজারি অফিসে জমা রাখার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার আরও তদন্ত চলমান।

  • ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি যাওয়ার পথে ট্রাক চাপায় মা নিহত

    ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি যাওয়ার পথে ট্রাক চাপায় মা নিহত

    ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে ট্রাকের চাপায় শাম্মী আক্তার (৪০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া থেকে স্বামীসহ জেলা শহরে আসার সময় আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে আরাপপুর জামতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শাম্মী আক্তার কুষ্টিয়ার মিনাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

    ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, শাম্মী আক্তার স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আরাপপুর জামতলা এলাকায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে পিছন থেকে বালুবোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। প্রতিপক্ষের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেন।

    ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ সূত্র ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে ঘাতক ট্রাকের সনাক্তকরণ ও চালকের খোঁজে চেষ্টা চলছে। পারিবারিকভাবে মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

    ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে এবং তদন্ত এখনো চলমান।