Category: সারাদেশ

  • চিতলমারীতে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস চিতলমারী’ উপশাখা উদ্বোধন

    চিতলমারীতে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস চিতলমারী’ উপশাখা উদ্বোধন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে পূবালী ব্যাংক পিএলসির নতুন উপশাখা ‘ক্যাশলেস চিতলমারি’ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় সদর বাজারের সবুজ সংঘ চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক, বাগেরহাট শাখায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্তরের এজিএম মোঃ মনিরুল আমিন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চিতলমারী উপশাখার ব্যবস্থাপক মোঃ সাদিক হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ সোয়েব হোসেন গাজী, সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান (আসাদ), সবুজ সংঘ ক্লাবের সভাপতি শেখ নোয়াবালী ও চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম সুলতান সাগর। স্থানীয় বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পূবালী ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথি এজিএম মোঃ মনিরুল আমিন বক্তৃতায় বলেন, “ক্যাশলেস ব্যবস্থা আধুনিক অর্থনীতির একটি নতুন অধ্যায়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে দ্রুত ও নিরাপদে লেনদেন করা সম্ভব। নগদ টাকার খরচ ও পরিচর্যা কমে যায়, অতিরিক্ত নগদ সঙ্গে রাখার ঝুঁকি কমে নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায় এবং আর্থিক জালিয়াতির সুযোগও সীমিত হয়। এছাড়া প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড থাকায় আর্থিক স্বচ্ছতা ও কর্তৃপক্ষের তদারকি সহজ হয়।”

    তিনি আরও জানান, পূবালী ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য পে ব্যাংকিং, বাংলা কিউআর এবং ডেবিট কার্ডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা চালু করেছে, যার মাধ্যমে চিতলমারীর মানুষ সহজে এবং দ্রুত ক্যাশলেস ব্যাংকিং উপভোগ করতে পারবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা ও গ্রাহকরা অনুষ্ঠানের ভালোসংখ্যক উপস্থিতি নিশ্চিত করেন এবং ক্যাশলেস ব্যবস্থার গুরুত্ব ও সুবিধা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

  • অভয়নগরে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়েমুচড়ে, চালক নিহত

    অভয়নগরে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়েমুচড়ে, চালক নিহত

    যশোরের অভয়নগরে খুলনাগামী মহানন্দা মেইল ট্রেনের ধাক্কায় একটি কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়েমুচড়ে যায়; ঘটনায় চালক মনোয়ার হোসেন নিহত হয়েছেন। রোববার (১০ মে) দুপুর সাড়ে বারোটার সময় উপজেলার ভাঙ্গাগেট এলাকায় অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মনোয়ার হোসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। ট্রাকের হেলপার রায়হান গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকিজ এসেনশিয়ালের কয়লা ডিপোর দিকে যাওয়ার সময় (গাড়ি নং ঢাকা মেট্রো ট ১৮-৭৮৩৬) ভাঙ্গাগেটের অরক্ষিত ক্রসিং পার করার সময় খুলনাগামী ট্রেনটি ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় ট্রাকটি ছেঁড়ে রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মনোয়ার মারা যান।

    এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন যে ওই ক্রসিং দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় আছে; সেখানে কোনো গেটম্যান বা সংকেত ব্যবস্থা না থাকায় চালক ট্রেনের উপস্থিতি অনুধাবন করতে পারেননি। স্থানীয়রা দ্রুত সিগন্যাল ব্যবস্থা ও গেটম্যানের দাবিও করেছেন যাতে ভবিষ্যতে এমন প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে।

    অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে ওই রুটে কিছুক্ষণ ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

    পুলিশ ঘটনার পরবর্তী তদন্ত শুরু করেছে এবং দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ে প্রাসঙ্গিক পক্ষদের সাথে কথা বলা হচ্ছে।

  • শার্শায় এক মাসের নিখোঁজের পরে গোয়ালঘরে মরদেহ উদ্ধার

    শার্শায় এক মাসের নিখোঁজের পরে গোয়ালঘরে মরদেহ উদ্ধার

    যশোরের শার্শা উপজেলায় একজন যুবকের নিখোঁজের এক মাস পাঁচ দিন পর পুলিশ চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে। পরকীয়া সম্পর্ক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্রীয় করে গত মাসে নিখোঁজ হওয়া ইকরামুল কবির (২৫) নামে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ গোয়ালঘরের মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় উঠে এসেছে। পুলিশ এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক দম্পতিকে আটক করেছে। নিহত ইকরামুল পুটখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে।

    স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বসুপুর পূর্বপাড়া এলাকার আল ফুরাদের স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে ইকরামুলের সম্পর্ক চলছিল, যা এলাকায় আলোচনা পৌঁছে যায়। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে মুন্নী বেগমের স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। এক মাস আগে, ইকরামুল তার প্রেমিকা মুন্নীর কাছে পাওনা টাকা বুঝে নিতে গেলে নিখোঁজ হয়ে যান। পরিবারের সবাই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির করে তার কোন সন্ধান পাননি।

    নিখোঁজের ব্যাপারে সন্দেহ বাড়তে থাকলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এরপর অভিযুক্ত স্বামী আলফুরাদকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে, পুলিশ ও অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসুপুর গ্রামে পৌঁছায়। তারা গোয়ালঘরের মেঝে খনন করে, আসলে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় ইকরামুলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

    মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ ও উত্তেজনা তৈরি হয়। অনেক মানুষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এক মাসের আলোর বিচ্যুত এই ঘটনার কারণে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে এবং সন্দেহভাজন সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তদন্তের স্বার্থে নিহতের মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

  • খুলনায় একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    খুলনায় একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে আরও ৬১ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। শনিবার খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মুজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ মে পর্যন্ত, অর্থাৎ এক মহন্যা সময়ের মধ্যে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মোট ৩,০৫১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। এর মধ্যে ১১৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছে ১৯ শিশু।

    বিশেষ করে কুষ্টিয়া জেলায় হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যেখানে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে ১,১২৬ শিশু। এছাড়া যশোরে ৩৮৪, মাগুরায় ৩৭২, খুলনায় ৩৭২, মেহেরপুরে ১৭৬, সাতক্ষীরায় ১২৭, ঝিনাইদহে ১৮৩, নড়াইলে ১৩৬, বাগেরহাটে ৮৮ এবং চুয়াডাঙ্গায় ৯০ জন শিশু চিকিৎসাধীন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬১ শিশু। এই সময়ে ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে একজন করে শিশু মারা গেছে। হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ২৮, খুলনায় ১৫, চুয়াডাঙ্গায় ৩, মাগুরায় ৮, ও মেহেরপুরে ৭ শিশু রয়েছে।

    সরকারি স্বাস্থ্য সূত্র বলছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় নজরদারি ও চিকিত্সা অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জনগণের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন।

  • চিতলমারীতে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    চিতলমারীতে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আল মুরাদসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় হলো, চর কচুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্বাচনী তফশীল স্থগিতের ঘটনা। ভুক্তভোগী অভিভাবকরা অভিযোগ করছেন যে, এই স্থগিতাদেশ অবৈধ ও বেআইনী, যা আইননানুগ নয় এবং নীতিপন্থী।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, চর কচুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার এডহক কমিটির মেয়াদ আগামী ৮ জুন শেষ হচ্ছে। এরপর নতুন কমিটি গঠনের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে মনোনীত হন। কিন্তু, তার বদলীর কারণে অফিসের সহকারী হিসেবে দায়িত্বে থাকা আল মুরাদ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ৯ এপ্রিল মাদ্রাসার নির্বাচনী তফশীল জারী করে, যা পরে তিনি স্থগিত করেন। অভিভাবকরা মনে করেন, এই স্থগিতাদেশ অনৈতিক, বেআইনী এবং ন্যায়বিরুদ্ধ।

    মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন মাদ্রাসার সুপার শেখ মোঃ বাকী বিল্লাহ, এডহক কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শিক্ষক প্রতিনিধি মুহাম্মদ লিয়াকত আলী, অভিভাবক সদস্য মোঃ কামরুল হাসান, ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার।

    আবেদনকারীরা জানাচ্ছেন, ভোটার তালিকা অনুমোদনের পরে নির্বাচনের জন্য প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। এই আবেদন অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেন। তবে, তফশীল অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও, নির্বাচনের আগে ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অভিযোগ, তিনি নির্বাচনী তফশীল স্থগিত করেছেন, যা তারা অগত্যা অমান্য করেননি বলে দাবি করছেন।

    শেখ মোঃ বাকী বিল্লাহ আরও জানান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্ত অবৈধ এবং অপ্রজ্ঞাত, যা তিনি আদালতে দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, আল মুরাদ দাবি করেন, আদালত থেকে নোটিশ পেয়েছেন এবং নির্বাচনী তফশীলের স্থগিতাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর করেছেন।

    অপর দিকে, চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, এই মামলার বিষয় সম্পর্কে তার কোনো জানাশোনা নেই এবং তিনি এখনও আদালতের নোটিশ পাননি।

  • খুলনায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৪ জন গ্রেফতার

    খুলনায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৪ জন গ্রেফতার

    খুলনায় র‌্যাব-৬ এর ঝটিকা অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয় গত শুক্রবার রাতের সময় সোনাডাঙ্গা থানার এলাকায়। গ্রেফতারকৃতরা সবাই বিভিন্ন পেশার, যারা মোটা অঙ্কের অর্থ ও অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বোতিয়াঘাটা উপজেলার ইমদাদুল ইসলামের ছেলে দ্বীন ইসলাম, যিনি দ্বীনু নামে পরিচিত; খুলনা সদর থানার বাসিন্দা বাবু হাওলাদারের ছেলে হাসিব হাওলাদার; শহিদুল ইসলামের ছেলে আবিদ হাসান, যিনি আবুজার নামে পরিচিত; এবং সোনাডাঙ্গা থানার বাসিন্দা আব্দুল জলিলের ছেলে মোঃ রাসেল। ر‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা ভয়ভীতি প্রদর্শন, নগরীতে মাদক ব্যবসা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রয়েছেন। এই চারজনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা চলমান রয়েছে। দ্বীনুকে বোতিয়াঘাটা থানায় এবং হা‌সিব, আবুজার ও রাসেলকে খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, যেখানে তাদের বিস্তারিত তদন্ত শুরু হবে।

  • রবীন্দ্রনাথের জীবনীচর্চার কেন্দ্র হিসেবে পিঠাভোগ গড়ে তোলা হবে

    রবীন্দ্রনাথের জীবনীচর্চার কেন্দ্র হিসেবে পিঠাভোগ গড়ে তোলা হবে

    খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, রূপসার পিঠাভোগকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবনীচর্চার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সেই সাথে গবেষণার জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা ও পরিকল্পনাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি আরও বলেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য কেবল বাংলার সংস্কৃতি ও ভাষার জন্য গৌরবের বিষয়ই নয়, বরং এটি মানবতা, অসাম্প্রদায়িকতা, শান্তি ও সৌন্দর্যের এক চিরন্তন দিকনির্দেশনা। তিনি তার সৃষ্টিকর্মের মাধ্যমে যুগে যুগে বাঙালির মন, চিন্তা ও চেতনাকে আলোড়িত করে এসেছে। কবিগুরুর কবিতা, গান, গল্প, উপন্যাস ও প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি এমন এক মানবিক সমাজের স্বপ্ন দেখিয়েছেন যেখানে মানুষে মানুষে বিভেদ থাকবে না। ধর্ম, বর্ণ, জাতি বা মতের ভিন্নতা মানুষকে আলাদা করতে পারবে না।

  • সাতক্ষীরায় কুপিয়ে হত্যা, মরদেহ পুকুরে ফেলা রয়েছে

    সাতক্ষীরায় কুপিয়ে হত্যা, মরদেহ পুকুরে ফেলা রয়েছে

    সাতক্ষীরায় অজ্ঞাত ব্যক্তিরা এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে তার মরদেহ পুকুরে ফেলে রেখেছে। শনিবার (৯ মে) সকাল সোয়া ৬টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সর্ব কাশেমপুর আবাসন প্রকল্পের পাশে থাকা একটি পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

    নিহতের পরিচয় জিন্নাত আলী ওরফে জিন্নাহ (৪২) হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের সর্ব কাশেমপুর গ্রামের মোহর আলী সরদারের ছেলে।

    পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকাল সোয়া ৬টার দিকে পুকুরে পানিতে ভাসমান এক ব্যক্তির দুই পা দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯ নম্বরে খবর দেয়। মৃতদেহটি আবাসন প্রকল্পের উত্তর‑পশ্চিম পার্শ্বে, জনৈক দাউদ মাস্টারের ঘেরের ভেতরে থাকা পুকুরের দক্ষিণ‑পূর্ব কিনারায় পাওয়া যায়।

    খবর পেয়ে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মোঃ হাবিবুর রহমান সকাল ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুকুর থেকে জিন্নাত আলীর মরদেহ উদ্ধার করেন।

    মরদেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে—ডান চোখের উপরে, কপালে, ডান কানের পিছনে এবং মাথার পিছনের ডান অংশে ক্ষত দেখা গেছে। পুলিশ ধারণা করছে, দুর্বৃত্তরা রাতেই তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দিয়েছে।

    সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) সুশান্ত কুমার ঘোষ ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টিকে প্রয়োজনীয় গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আইনি ব্যবস্থাগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।

  • ফকিরহাটে শাহ্ নওয়াজ আলী ফাউন্ডেশনের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান

    ফকিরহাটে শাহ্ নওয়াজ আলী ফাউন্ডেশনের শিক্ষা বৃত্তি প্রদান

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে শাহ্ নওয়াজ আলী শিক্ষা ও গবেষণা ফাউন্ডেশন দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের মাঝে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেছে। শনিবার (০৯ মে) সকালে কাজী আজহার আলী কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মোট ১৭ জন শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়।

    প্রধান অতিথি হিসেবে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বৃত্তি প্রদান করেন। তিনি বলেন, আমাদের সমাজে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী আছেন যারা আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়ন করতে পারেন না। উচ্চশিক্ষার পথে এসব সংকট অনেক শিক্ষার্থীর স্বপ্ন থামিয়ে দেয়। শাহ্ নওয়াজ আলী ফাউন্ডেশনের মতো উদ্যোগ এসব মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে এবং তাদের শিক্ষাজীবনকে সহায়তা করবে। তিনি ফাউন্ডেশনের ধারাবাহিক কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানান।

    অনুষ্ঠনাটি বিশিষ্ট সাংবাদিক মহেন্দ্রনাথ সেনের সঞ্চালনায় এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ শাহেদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ফাউন্ডেশনের সভাপতি এসএম শাহ্ নওয়াজ আলী, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মিজানুর রহমান, খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম, ফকিরহাট উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুল ইসলাম গোরা, কাজী আজহার আলী কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুর রহমান, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) শরিফ নেওয়াজ ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ কামরুল ইসলাম।

    অনুষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন খান আল মুস্তাসিম বিল্লাহ সজল; অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন মোঃ শহিদুল ইসলাম, আবু সাঈদ মল্লিক, মল্লিক আবু মুছা, এনামুল হব সবুজ, ফাহিম শাহরিয়ার রাব্বি, গোলাম মোস্তফা, রামিম চৌধুরী, ওবায়েদ হোসেন রনি, রেজিনা আক্তার, বাসন্তি রায়, সমীরণ রায়, মুছা কালিমুল্লা, সালামান এ রহমান প্রভৃতি। অনুষ্ঠানটিতে বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।

    বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত ছিলেন। এদের মধ্যে রয়েছেন: খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এইচএম মাসুম হাসান, মোঃ ফাতেমা খান, প্রাপ্তি ফারিন; কুয়েটের সবুজ কুমার; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বর্ণা বৈরাগী; পিসি কলেজের জেরিন তাসনিম জাহান ফারিয়া; জয়া রানী পাল; খুলনা সরকারি মহিলা কলেজের আরিফা জান্নাত আসফি; খুলনা সিটি কলেজের মানিক সরকার; কাজী আজহার আলী কলেজের মোঃ সাব্বির হোসেন, চিন্ময় মজুমদার, অরিনা; ফকিরহাট সরকারি মহিলা কলেজের খান রাইসা জামান, অর্পিতা হালদার; শহীদ স্মৃতি মহাবিদ্যালয়ের মোঃ পারভেজ ঢালী, আরিফ জাওয়াদ ও নাসরিন আক্তার।

    অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিতরা ফাউন্ডেশনের ওই সহায়ক কর্মসূচির ফলে শিক্ষার পথে আর্থিক বাধা কমবে এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের আগামি দিনগুলো আরও উজ্জ্বল হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ফাউন্ডেশনকেও এমনই কার্যক্রম অব্যাহত রাখার জন্য অনুরোধ করা হয়।

  • সাতক্ষীরায় কুপিয়ে হত্যা, মরদেহ পুকুরে ফেলে রাখা ছিল

    সাতক্ষীরায় কুপিয়ে হত্যা, মরদেহ পুকুরে ফেলে রাখা ছিল

    সাতক্ষীরায় অজ্ঞাত ছত্রেরাই এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর মরদেহ পুকুরে ফেলে রাখে। শনিবার (৯ মে) সকাল সোয়া ৬টার দিকে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিঙ্গি ইউনিয়নের সর্ব কাশেমপুর আবাসন প্রকল্পের পাশে থাকা একটি পুকুর থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।

    নিহত পরিচয় জিন্নাত আলী ওরফে জিন্নাহ (৪২) হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ফিঙ্গি ইউনিয়নের সর্ব কাশেমপুর গ্রামের মোহর আলী সরদারের ছেলে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে পুকুরের পানিতে একজনের দুই পা ভাসমান অবস্থায় দেখে স্থানীয়রা ৯৯৯-এ খবর দেয়। খবর পেয়ে ব্রহ্মরাজপুর পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মো. হাবিবুর রহমান সকাল সাতটার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পুকুর থেকে জিন্নাত আলীর মরদেহ উদ্ধার করেন।

    মৃতদেহের দেহে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের কয়েকটি চিহ্ন দেখা গেছে—ডান চোখের উপর, কপালে, ডান কানের পেছনে এবং মাথার পেছনের ডান পাশে আঘাতের লক্ষণ রয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, রাতের কোনো সময় অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে মরদেহ পুকুরে ফেলে দেয়।

    সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (অপারেশন) সুশান্ত কুমার ঘোষ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন। পুলিশ ঘটনাস্থল তল্লাশি ও তদন্ত করে ঘটনার সুত্র ও দায়ীদের শনাক্তে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।