Category: সারাদেশ

  • চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির গ্রুপ সংঘর্ষে দুইজন নিহত

    চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির গ্রুপ সংঘর্ষে দুইজন নিহত

    চুয়াডাঙ্গা জেলার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে ঈদুল ফিতরের দিন বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে দুইজন নিহত ও অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২১ মার্চ) ঈদের নামাজ শেষে পুরনো বিদ্বেষ ও আধিপত্য বিস্তারের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায় যা পরে দুপুরে ব exchange ধাক্কা-সংঘর্ষে পরিণত হয়। দফায় দফায় চলা সংঘর্ষে নারীসহ কমপক্ষে পাঁচজন আহত হন; গুরুতর অবস্থার কয়েকজনকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    নিহতরা হলেন ছত্রপাড়া গ্রামের প্রয়াত ইংরেজ কাজির ছেলে নাজিম উদ্দীন কাজি (৭৫) ও নাবু কাজির ছেলে শিমুল কাজি (১৮)। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, সংঘর্ষের সময় নাতি শিমুল আহত হওয়ার খবর পেয়ে দাদা নাজিম উদ্দীন অসুস্থ হয়ে পড়েন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান—পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, নাতিকে রক্ষা করতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে হার্টের সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অপরদিকে গুরুতরভাবে আহত শিমুলকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।

    আহতদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও শরিফুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় রেফার করা হয়েছে বলে আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. প্রশান্ত কুমার ধর জানিয়েছেন। তিনি জানান, সংঘর্ষের পর অন্তত পাঁচজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে বিএনপির দুটি পক্ষের উল্লেখযোগ্য নেতাদের নেতৃত্বের কথা বলে অভিযোগ উঠেছে; একাংশের দাবি, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি লাল খাঁ ও উপজেলা যুবদল সদস্য জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ প্রতিপক্ষ ‘কুবির কাজি গ্রুপ’-এর উপর হামলা চালায়, যার ফলে কুবির কাজিসহ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন। এসব অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে।

    আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বনি ইসরাইল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তিনি জানান, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা যাবে।

    স্থানীয়রা বলছেন, গ্রামের মধ্যে এই সহিংসতায় বহু পরিবার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা ও আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের তৎপরতা অব্যাহত আছে।

  • মোংলায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে বিএনপি নেতা ও স্ত্রী কুপিয়ে জখম

    মোংলায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে বিএনপি নেতা ও স্ত্রী কুপিয়ে জখম

    মোংলা পৌর শহরের শিকারীর মোড় এলাকায় ঈদের রাতে সশস্ত্র হামলায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আনিছুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী গুরুতরভাবে জখম হয়েছেন। ঘটনায় দু’জনই বর্তমানে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। হামলা ঘটে ২০ মার্চ (শুক্রবার) রাত সাড়ে ১০টার দিকে।

    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ, ঘটনার সূত্রপাত গত ১২ মার্চ শহরের এক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৯ জন নিহত হওয়ার পর জন্ম নেওয়া বিষয় নিয়ে ঘটে যাওয়া কথাকাটাকাটির সঙ্গে যুক্ত। সেই বাকবিতন্ডাকে কেন্দ্র করে জামায়াত নেতা খোকনের নেতৃত্বে ও তাঁর সহযোগী আশিক, কাজী রাজু সহ আনুমানিক ৮-১০ জন সশস্ত্র ব্যক্তির দল শুক্রবার রাতেই বিএনপি নেতা আনিছুর রহমানের ওপর হামলা চালায়। হামলাকারীরা দেশীয় অস্ত্র ও দা ব্যবহার করে দু’জনকে কুপে জখম করে।

    ঘটনাস্থলে উপস্থিতরা বলেন, স্বামীকে বাঁচানোর জন্য যখন আহত নেতার স্ত্রী এগিয়ে আসেন, তখন সন্ত্রাসীরা তাঁকেও কুপে রক্তাক্ত জখম করে। তাদের চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

    হামলার খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত পরিবার আজ সকালে থানায় একটি অভিযোগ দিয়ে মামলা করেছেন এবং পুলিশের হাতে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন।

    মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন বলেন, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ পাঠানো হয়েছে, অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং দোষীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

    এই ঘটনার পর মোংলা পৌর শহরে রাজনৈতিক পরিবেশ থমথমে দেখা দিয়েছে; দুই দলের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। অনাককাঙ্খিত পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশি তৎপরতা ও গশত পালা জোরদার করা হয়েছে। আহত দম্পতির স্বাস্থ্যগত অবস্থা সম্পর্কে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দেওয়া কার্যগত বিবরণ এখনও জানানো হয়নি।

  • চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২

    চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে নিহত ২

    চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে ঈদুল ফিতরের দিন বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে দুইজন নিহত এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে আধিপত্য বিস্তার ও পূর্ববিরোধকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া উত্তেজনা ক্রমে বাঁধভাঙা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    নিহতরা হলেন ছত্রপাড়া গ্রামের মৃত ইংরেজ কাজির ছেলে নাজিম উদ্দীন কাজি (৭৫) এবং নাবু কাজির ছেলে শিমুল কাজি (১৮)। স্থানীয়রা জানান, ঈদের নামাজ শেষে পুরোনো বিরোধ থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে শুরু হওয়া ধন্দর পরে বড় ধরনের মারামারিতে অনূ্যে অভিনত হয়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, সংঘর্ষ চলাকালে শিমুল কাজি আহত হওয়ার খবর পেয়ে তার দাদা নাজিম উদ্দীন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। নাজিম দুর্বল হয়ে পড়লে হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়; এলাকাবাসীর一অংশের দাবি তিনি নাতিকে রক্ষা করতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। অন্যদিকে গুরুতর আহত শিমুলকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছিলো, পথে তারও মৃত্যু হয়।

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লাল খাঁ ও উপজেলা যুবদলের সদস্য জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বাধীন ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ প্রতিপক্ষ ‘কুবির কাজি গ্রুপ’-এর উপর হামলা চালায়। এতে কুবির কাজিসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।

    আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. প্রশান্ত কুমার ধর জানান, সংঘর্ষের পর অন্তত পাঁচজন আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও শরিফুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়ায় রেফার করা হয়েছে।

    আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বনি ইসরাইল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঠিকঠাক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি জানান, ঘটনায় এখনই কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি, ঘটনার বিস্তারিত ও মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে তা বলা হবে। местা

    স্থানীয়রা শান্তি ফেরানো এবং পরিস্থিতি দ্রুত সুষ্ঠুভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

  • মোংলায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলায় বিএনপি নেতা ও স্ত্রী জখম

    মোংলায় জামায়াত নেতার নেতৃত্বে সশস্ত্র হামলায় বিএনপি নেতা ও স্ত্রী জখম

    মোংলায় ঈদের রাতেই তুচ্ছ বিষয়ে উস্কানিতে হামলা; স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আনিছুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী গুরুতর জখম হয়েছেন। ২০ মার্চ (শুক্রবার) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোংলা পৌরশহরের শিকারীর মোড়ে ওই ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আহত দম্পতিকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা চলছে।

    স্থানীয়রা ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১২ মার্চ গাড়ি দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৯ জন নিহত হওয়ার পর জানাজার বিষয়কে কেন্দ্র করে জামায়াত নেতা খোকন ও বিএনপি নেতা আনিছুর রহমানের মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়েছিল। শুক্রবার রাতে নিহতদের স্মরণে ঈদ বাজার করতে বের হওয়া ওই দম্পতিকে পূর্বের সেই কথা কাটাকাটির জেরে জামায়াত নেতার নেতৃত্বে তৎপর কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি এলোপাথারি হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে আছেন খোকনের সহযোগী আশিক ও কাজী রাজু; মোট ৮-১০ জন সন্দেহভাজন হামলাকারী দেশীয় অস্ত্র ও দা নিয়ে উপস্থিত ছিল।

    হামলার সময় স্বামিকে রক্ষা করার চেষ্টা করলে দুর্বৃত্তরা স্ত্রীর ওপরও দা দিয়ে কোপাতে শুরু করে; দ্রুত তাদের শরীরে গুরুতর জখমের চিহ্ন দেখা যায়। চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা আহত দম্পতিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে মোংলা থানা পুলিশ। একই পরিবারের পক্ষ থেকে আজ সকালে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মোংলা থানার ওসি (তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা করা হয়েছে এবং অভিযানে দোষীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

    এই ঘটনার পর থেকে মোংলা পৌরশহরে রাজনৈতিকভাবে উত্তেজনা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জনজীবন ঠিক রাখতে পুলিশি তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা ও দ্রুত বিচারের প্রত্যাশা তৈরী হয়েছে, এবং পুলিশ ঘটনাস্থল সংলগ্ন এলাকায় ক্লিয়ারিং ও নজরদারী কার্যক্রম বৃদ্ধি করেছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন নিহত, আহত অন্তত পাঁচ

    চুয়াডাঙ্গায় ঈদের দিনে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে দুইজন নিহত, আহত অন্তত পাঁচ

    চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে ঈদুল ফিতরের দিন বিএনপির দুই গ্রুপের দফায় দফায় সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন এবং অন্তত পাঁচ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে পুরনো বিরাধকে কেন্দ্র করে বিরোধ উত্তেজনায় বৃদ্ধি পায় এবং তা দ্রুত সংঘর্ষে রূপ নেয়।

    নিহতরা হলেন ছত্রপাড়া গ্রামের মৃত ইংরেজ কাজির ছেলে নাজিম উদ্দীন কাজি (৭৫) ও নাবু কাজির ছেলে শিমুল কাজি (১৮)। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, ঈদের নামাজ শেষে তর্ক‑বিতর্ক থেকে পরিস্থিতি এ পর্যায়ে পৌঁছায়। সংঘর্ষ চলাকালে নাতি শিমুলকে আহত দেখলে দাদা নাজিম উদ্দীন অসুস্থ হয়ে পড়েন; হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তিনি মারা যান। স্থানীয়দের অভিযোগ, নাতিকে রক্ষা করতে গিয়ে তাকে ধাক্কা লাগায় তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হন। প্রতিপক্ষের অ্যাসিডেটেড অবস্থায় গুরুতর আহত শিমুলকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

    ঘটনাস্থল থেকে জানা যায়, স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি লাল খাঁ ও উপজেলা যুবদল সদস্য জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে প্রধানত ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ ও প্রতিপক্ষ ‘কুবির কাজি গ্রুপ’‑এর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাটি যে ভাবে ঘটেছে তা নিয়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। কুবির কাজিসহ বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত রয়েছেন।

    আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. প্রশান্ত কুমার ধর জানিয়েছেন, সংঘর্ষের পর অন্তত পাঁচ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও শরিফুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য কুষ্টিয়া মেডিকেলে রেফার করা হয়েছে।

    আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি ইসরায়েল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তিনি জানান, ঘটনাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানানো হবে। স্থানীয়রা দ্রুত তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি নেয়ার দাবি জানিয়েছেন।

  • মোংলায় সশস্ত্র হামলায় বিএনপি নেতা ও তাঁর স্ত্রী জখম

    মোংলায় সশস্ত্র হামলায় বিএনপি নেতা ও তাঁর স্ত্রী জখম

    মোংলায় ঈদের রাতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সশস্ত্র হামলায় স্থানীয় বিএনপি নেতা মোঃ আনিছুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী গুরুতর জখম হয়েছেন। আহত দম্পতিকে রাতেই স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ২০ মার্চ (শুক্রবার) রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোংলা পৌর শহরের শিকারীর মোড় এলাকায়।

    স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গত ১২ মার্চ মোংলায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের নয় জন মারা যাওয়ার পরে জানাজার বিষয়ে ঘটনাটি নিয়ে জামায়াত নেতা খোকন ও বিএনপি নেতা আনিসের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়েছিল। শুক্রবার রাতে স্বামী-স্ত্রী ঈদের বাজার করতে বের হলে পূর্ব বিরোধকে হাতিয়ার করে জামায়াত নেতা খোকনের নেতৃত্বে আশিক ও কাজী রাজুর নেতৃত্বে প্রায় ৮-১০ জন জনতা দেশীয় অস্ত্র ও দা নিয়ে হামলা করে।

    প্রথমে স্বামীকে লক্ষ্য করে ধারালো অস্ত্র নিয়ে আক্রমণ করলে তিনি গুরুতর জখম হন। স্বামীর রক্ষা করতে এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা তার স্ত্রীকেও কুপিয়ে রক্তাক্ত করে। তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে গেলে হামলাকারীরা স্থানীয়দের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়।

    পরিবেশকরা আহত দম্পতিকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে। হাসপাতালে তাদের অবস্থার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা আরও তদন্ত করছেন।

    ঘটনার খবর পেয়ে মোংলা থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে আজ সকালে থানায় একটি মামলা দাখিল করা হয়েছে এবং অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা তদন্ত চলছে। মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) মানিক চন্দ্র গাইন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে, দোষীদের গ্রেফতারে অভিযান করা হচ্ছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এই হামলার পর থেকে মোংলা পৌর শহরে রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত আছে। দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশি নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

  • খুলনায় ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসাহের সঙ্গে পালিত পবিত্র ঈদুল ফিতর

    খুলনায় ধর্মীয় মর্যাদা ও উৎসাহের সঙ্গে পালিত পবিত্র ঈদুল ফিতর

    যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে আজ শনিবার খুলনায় পবিত্র ঈদুল ফিতর সজিভভাবে উদযাপিত হলো। ভোর থেকেই শহরজোড়া উৎসবমুখর পরিবেশ ছিল—বাণিজ্যিক ও প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং প্রধান সড়কগুলো বাংলা ও আরবি ভাষায় লেখা ‘ঈদ মোবারক’ ব্যানারে সাজানো ছিল।

    ঈদের প্রধান জামাত সকাল আটটায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। জামাতে ইমামতি করেন টাউন জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোহাম্মদ সালেহ। সকাল নয়টায় দ্বিতীয় ও দশটায় তৃতীয় জামাত একই মসজিদে আয়োজন করা হয়। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনাসহ বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে উপস্থিত মুসল্লীরা একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

    ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মখতার আহমেদ, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারসহ প্রশাসনিক উর্দ্ধতনরা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বও স্থান নেন এবং প্রচুর ধর্মভীরু মানুষ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

    শহরের অন্যান্য প্রধান মসজিদে নিয়ন্ত্রিত সময়সূচি অনুযায়ী জামাত অনুষ্ঠিত হয়—খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ ও বয়রা মডেল মসজিদে সকাল সাড়ে আটটায় জামাত হয়েছে। খালিশপুর জামে মসজিদ ও বসুপাড়া ইসলামাবাদ জামে মসজিদে সকাল আটটায় ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া খুলনা সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডে পৃথকভাবে নির্ধারিত সময়ে আয়োজিত জামাতে হাজারীব্যাপী মুসল্লি অংশগ্রহণ করেন।

    নগরের বিভিন্ন পয়েন্টে বিশেষভাবে আয়োজিত জামাতের মধ্যে ছিল নিউমার্কেট সংলগ্ন বায়তুন-নুর জামে মসজিদ, ডাকবাংলা জামে মসজিদ, ময়লাপোতা বায়তুল আমান জামে মসজিদ, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদ, সোনাডাঙ্গা হাফিজনগর জামে মসজিদ, খুলনা ইসলামাবাদ জামে মসজিদ, পিটিআই জামে মসজিদ, পশ্চিম টুটপাড়া আশরাফিয়া জামে মসজিদ, রহমানিয়া জামে মসজিদ, জাতিসংঘ শিশু পার্ক সংলগ্ন মসজিদ, কেডিএ এলাকার মসজিদ, নিরালা জামে মসজিদ, সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা, দারুল উলুম মাদ্রাসা, সোনাডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল মসজিদ, রূপসা বায়তুশ শরফ জামে মসজিদ, ফেরিঘাটের আবু বকর সিদ্দিক (রা.) জামে মসজিদ, গোবরচাকা জামে মসজিদ, আড়ংঘাটা, নতুন রাস্তা জামে মসজিদ, দক্ষিণ কাশিপুর জামে মসজিদ, টুটপাড়া, মিয়াপাড়া, শেখপাড়া, বসুপাড়া, জোড়াগেট সিএন্ডবি কলোনী মসজিদ, বয়রা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন এলাকায় মসজিদ, খালিশপুর ক্রিসেন্ট জুট মিলস মসজিদ, বিএল কলেজ এলাকার মসজিদ, দেয়ানা ও সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার মসজিদ, খানজাহান নগর খালাসী মাদ্রাসা, দৌলতপুর, মহেশ্বরপাশা, খালিশপুর ও খানজাহান আলী থানা এলাকায় হওয়া মসজিদসমূহ উল্লেখযোগ্য।

    ঈদ উপলক্ষে সামাজিক সেবামূলক উদ্যোগও চলমান ছিল। শহরের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশুসদন, ছোটমনি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, আশ্রয়কেন্দ্র, সেফহোম, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়।

    বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র ঈদ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে এবং স্থানীয় সংবাদপত্রগুলোও নিজেদের ব্যবস্থাপনায় বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করে। উপকেন্দ্র ও উপজেলা পর্যায়েও অনুরূপভাবে স্থানীয় কর্মসূচি ও জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে স্থানীয়ভাবে মানুষের মধ্যে উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে।

    সারা শহরে ঈদের আনন্দ ও ভ্রাতৃত্ববোধ ছড়িয়ে পড়ে; মুসল্লিরা একে অপরকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে দিনটিকে ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে পালিত করেন।

  • পবিত্র ঈদুল ফিতর আজ দেশজুড়ে উদযাপন

    পবিত্র ঈদুল ফিতর আজ দেশজুড়ে উদযাপন

    এক মাসের ত্যাগ ও ইবাদতের পর শনিবার (২১ মার্চ) দেশের মুসলিম সমাজ আনন্দ ও ভাবগাম্ভীর্যের সঙ্গে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করবে। রাজধানীসহ সারাদেশে লাখ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিয়েছেন। দুর্যোগজনিত কোনো বাধা শঙ্কা থাকা সত্ত্বেও জাতীয় ঈদগাহসহ বড় ময়দান ও মসজিদগুলোতে জামাতের সব ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়েছে।

    এবার প্রধান ঈদজামাত অনুষ্ঠিত হবে সকালে সাড়ে আটটায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। যদি আবহাওয়ার কারণে তা সম্ভব না হয়, তবে সকাল ৯টায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। বায়তুল মোকার্রমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান ইমামত করবেন; তার অনুপস্থিতিতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহে দেশের মানুষকে নিয়ে প্রধান জামাতে অংশ নেবেন। জাতীয় ঈদগাহে যাবতীয় আয়োজন ইতোমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম ঢাকাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন এবং পরিবারের সঙ্গে প্রধান জামাতে উপস্থিত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।

    এবার জাতীয় ঈদগাহে তিন হাজার পাঁচ যোজনার নারীসহ মোট ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নারীদের জন্য আলাদা গেট, ওজু ও নামাজের সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সাধারণ মুসল্লিদের সুবিধার্থে পর্যাপ্ত ওজুখানা ও জরুরি চিকিৎসা টিমও ময়দানে মোতায়েন থাকবে।

    নিরাপত্তা বিষয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেছেন, জামাতকে কেন্দ্র করে কোনো নির্দিষ্ট সন্ত্রাসী বা নিরাপত্তা ইস্যু পাওয়া যায়নি; তবুও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা গ্রহণ করা হয়েছে। পুরো ঈদগাহ ও আশপাশ সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হবে। মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন প্রবেশ রোধ করা হবে। প্রবেশমুখে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর স্থাপন করা হবে; ডগ স্কোয়াড ও স্পেশাল ব্রাঞ্চের সুইপিং টিম মোতায়েন থাকবে। প্রধান জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিচারপতিগণ, মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের অংশগ্রহণের আশা করা হচ্ছে।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদ জামাত আয়োজন করেছে। প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পরিবারের সঙ্গে অংশগ্রহণের অনুরোধ করেছেন। সেখানে তিনটি গেট, নারীদের জন্য পৃথক প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত ওজুসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপির পক্ষ থেকে দুই প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

    জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে গতানুগত্যে পাঁচটি জামাত আয়োজন করা হয়েছে — সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও বেলা পৌনে ১১টায়। বিভিন্ন জামাতে দায়িত্ব পালন করবেন- প্রথম জামাতে সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান, দ্বিতীয় জামাতে মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, তৃতীয় জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন, চতুর্থ জামাতে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির মাওলানা যোবায়ের আহমেদ আল আযহারী এবং পঞ্চম জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইমামত করবেন। বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম প্রস্তুত থাকবেন।

    জাতীয় সংসদ দক্ষিণ প্লাজায় ঈদের জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে; এ জামাতে সংসদের স্পিকার, হুইপ ও সাংসদরা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সবাই অংশ নিতে পারবেন। জামাত সাধারণ জনগণের জন্যও উন্মুক্ত।

    খুলনায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে সকাল ৮টায়; দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় ও তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে এসব জামাত শরীরের ভেতরে স্থানান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে পৃথক সময়ে জামাত আয়োজন করা হয়েছে; কিছু কেন্দ্রীয় স্থানে মহিলাদের পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    খুলনা সিটি করপোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদা করে জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে; উপজেলার কমিটিগুলোও নিজ উদ্যোগে সময় নির্ধারণ করেছে। ঈদ উপলক্ষে নগরীতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় টহল জোরদার করা হবে। তাছাড়া আতশবাবি ও পটকা ফোাটা, রাস্তায় স্টল বসানো, উচ্চস্বরে মাইক বা ড্রাম বাজানো, রঙিন পানি ছিটানো ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ঈদ উদযাপনের সুবিধার্থে দেশের সব হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধ নিবাস, পুনর্বাসন কেন্দ্র, আশ্রয়কেন্দ্র, সেফ হোম ও অন্যান্য সামাজিক সেবাকেন্দ্রে উন্নত মানের খাবার পরিবেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সাধারণভাবে বলা যায়, এবারও ঈদ উদযাপন শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে প্রত্যেকের জন্য আনন্দ, শান্তি ও সুস্বাস্থ্যের প্রার্থনা করা হচ্ছে।

  • ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহে খুলনায় পালিত পবিত্র ঈদুল ফিতর

    ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসাহে খুলনায় পালিত পবিত্র ঈদুল ফিতর

    যথাযোগ্য মর্যাদা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্যদিয়ে আজ শনিবার খুলনায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সকাল থেকে শহরজুড়ে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়েছিল—সরকারী ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বেসরকারি অফিস ও অর্থনৈতিক কেন্দ্রে পতাকা উত্তোলন ও বিশেষ কর্মসূচি ছিল চোখে পড়ার মতো। মহানগরের প্রধান সড়ক ও প্রবেশপথগুলো বাংলা ও আরবি লিপিতে লেখা ‘ঈদ মোবারক’ ব্যানারে সাজানো ছিল।

    ঈদের প্রধান জামাত সকাল আটটায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়; সেখানে ইমামতি করেন মসজিদের খতিব মাওলানা মোহম্মদ সালেহ। একই মসজিদে পরবর্তীতে সকাল নয়টায় দ্বিতীয় এবং দশটায় তৃতীয় জামাতও অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান জামাতে অংশ নেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকারসহ প্রশাসনের উচ্চশ্রেণীর কর্মকর্তা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লী। নামাজের পর দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয় এবং সম্মিলিতভাবে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করা হয়।

    শহরের অন্যান্য বড় মসজিদেও একই ধরনের জমায়েত দেখা গেছে। সাড়ে আটটায় খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ এবং বয়রা মডেল মসজিদে জামাত অনুষ্ঠিত হয়। খালিশপুর জামে মসজিদ ও বসুপাড়া ইসলামাবাদ জামে মসজিদে সকাল আটটায় আলাদা জামাতের আয়োজন করা হয়েছিল। এছাড়া খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ৩১টি ওয়ার্ডেই নির্ধারিত সময়সূচী অনুযায়ী ঈদের জামাত ও ধর্মীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।

    নগরের বিভিন্ন পয়েন্টে ঈদের জামাত হয়েছে—নিউমার্কেট সংলগ্ন বায়তুন-নুর জামে মসজিদ, ডাকবাংলা জামে মসজিদ, ময়লাপোতা বায়তুল আমান, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদ, সোনাডাঙ্গা হাফিজনগর জামে মসজিদ, খুলনা ইসলামাবাদ, পিটিআই জামে মসজিদ, পশ্চিম টুটপাড়া আশরাফিয়া, রহমানিয়া জামে মসজিদ, জাতিসংঘ শিশু পার্ক সংলগ্ন মসজিদ, কেডিএ এন্ড নিরালা জামে মসজিদ, সিদ্দিকীয়া মাদ্রাসা, দারুল উলুম মাদ্রাসা, সোনাডাঙ্গা আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল মসজিদ, রূপসা বায়তুশ শরফ, ফেরিঘাটের আবু বক্কার সিদ্দিক (রা.) জামে মসজিদ, গোবরচাকা জামে মসজিদ, আড়ংঘাটা, নতুন রাস্তা, দক্ষিণ কাশিপুর, টুটপাড়া, মিয়াপাড়া, শেখপাড়া, বসুপাড়া, জোড়াগেট সিএন্ডবি কলোনি মসজিদ, বয়রা মেট্রোপলিটন পুলিশ লাইন, খালিশপুর ক্রিসেন্ট জুট মিলস, বিএল কলেজ, দেয়ানা, সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকা, খানজাহান নগর খালাসী মাদ্রাসা, দৌলতপুর, মহেশ্বরপাশা, খালিশপুর ও খানজাহান আলী থানাসহ নগরের অগণিত মসজিদে জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

    ঈদকে কেন্দ্র করে সমাজসেবামূলক কার্যক্রমেও জোর দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, শিশু সদন, ছোটমনি নিবাস, সামাজিক প্রতিবন্ধী কেন্দ্র, শিশু বিকাশ কেন্দ্র, আশ্রয় কেন্দ্র, সেফ হোম, ভবঘুরে কল্যাণ কেন্দ্র ও দুস্থ কল্যাণ কেন্দ্রে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হয়। এ ছাড়া বাংলাদেশ বেতারের খুলনা কেন্দ্র ঈদ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করে এবং স্থানীয় পত্রিকাগুলোও বিশেষ সংখ্যা প্রকাশ করেন। উপজেলা পর্যায়েও স্থানীয়ভাবে অনুরূপ উৎসব ও অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে।

    সার্বিকভাবে খুলনায় শান্তিপূর্ণ ও আনন্দময় পরিবেশে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে; মানুষ মহান আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ও পরস্পরের সঙ্গে মিষ্টি-মিষ্টি কথা বলে দিনটি উপভোগ করেছে।

  • আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর: ভক্তি ও আনন্দে দেশজুড়ে উৎসব

    আজ পবিত্র ঈদুল ফিতর: ভক্তি ও আনন্দে দেশজুড়ে উৎসব

    এক মাসের রোজার পর আজ শনিবার (২১ মার্চ) দেশের মুসলিম সম্প্রদায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, আনন্দ ও উল্লাসের মিশেলে রাজধানীসহ সারা দেশে মিলাবত্মে লাখ লাখ মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। আবহাওয়ার শঙ্কা থাকলেও জাতীয় ঈদগাহসহ বড় ময়দান ও মসজিদগুলোতেও নামাজের সব আয়োজন সম্পন্ন হয়েছে।

    এবার প্রধান ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে। যদি আবহাওয়া বা অনিবার্য কোনো কারণে সেখানে জামাত না করা যায়, তাহলে সকাল ৯টায় প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আবদুল মালেক প্রধান ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। তার অনুপস্থিতিতে বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফাসসির ড. মাওলানা মো. আবু ছালেহ পাটোয়ারী থাকবেন।

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে দেশের মানুষের সঙ্গে ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ করবেন।

    জাতীয় ঈদগাহে নিরাপত্তা ও সেবাসম্পর্কিত পদক্ষেপ ইতোমধ্যে নেওয়া হয়েছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম ঢাকাবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পরিবারসহ প্রধান জামাতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। প্রশাসক জানান, এবারের জামাতে ৩৫ হাজার মুসল্লির নামাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে, যার মধ্যে ৩ হাজার ৫০০ নারী মুসল্লিও স্থান পাবেন। নারীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথ, ওজু সুবিধা ও নামাজের সংরক্ষিত স্থান রাখা হয়েছে। সাধারণ মুসল্লিদের জন্য পর্যাপ্ত ওজুখানা এবং জরুরি চিকিৎসার জন্য মেডিকেল টিমও মোতায়েন থাকবে।

    নিরাপত্তা নিয়ে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেছেন, ঈদ জামাতকে কেন্দ্রে করে কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি পাওয়া যায়নি, কিন্তু গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হয়েছে। পুরো ঈদগাহ ময়দান ও আশপাশের এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরা দিয়ে круглকাল পর্যবেক্ষণ করা হবে। মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব ও শিক্ষা ভবন মোড়ে ব্যারিকেড রাখা হবে যাতে কোন যানবাহন ঈদগাহে প্রবেশ করতে না পারে। প্রবেশমুখে আর্চওয়ে ও মেটাল ডিটেক্টর বসানো হবে, পাশাপাশি ডগ স্কোয়াড এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের সুইপিং টিম মোতায়েন থাকবে। জামাতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের অংশগ্রহণ প্রত্যাশিত।

    ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতের আয়োজন করেছে। ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পরিবারসহ অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন। তিনটি গেট, নারীদের আলাদা প্রবেশপথ ও নামাজের ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত ওজুখানাসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন রাখা হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেখানে ডিএমপির পক্ষ থেকে দুই প্লাটুন পুলিশ মোতায়েন করা হবে।

    বায়তুল মোকাররমে এবারের ঈদে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে; সময়সূচি সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা, ১০টা ও বেলা পৌনে ১১টা। ইসলামিক ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, বিভিন্ন জামাতে দেশের পরিচিত ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন। প্রথম জামাতে সিনিয়র পেশ ইমাম মাওলানা মিজানুর রহমান, দ্বিতীয় জামাতে পেশ ইমাম মুফতি মুহিব্বুল্লাহিল বাকী নদভী, তৃতীয় জামাতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপ-পরিচালক মাওলানা মো. জাকির হোসেন, চতুর্থে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির মাওলানা যোবায়ের আহমদ আল আযহারী এবং পঞ্চম ও শেষ জামাতে মুফতি মাওলানা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ ইমামতির দায়িত্বে থাকবেন। বিকল্প ইমাম হিসেবে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মাওলানা শহীদুল ইসলাম প্রস্তুত থাকবেন।

    জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায়ও সকাল ৮টায় উন্মুক্ত ঈদ জামাত হবে, যেখানে স্পিকার, হুইপ, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য ও সচিবালয়ের কর্মীরা অংশ নেবেন। সাধারণ মুসল্লিদের জন্য ওই জামাতে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

    খুলনা জেলায়ও বিভিন্ন কেন্দ্রে ঈদের নামাজের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায়, দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে; আবহাওয়া প্রতিকূল হলে একই সময়সূচি খুলনা টাউন জামে মসজিদে বজায় রাখা হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। শহরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে সময়সূচি ও ব্যবস্থাপনা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তদারকিতে সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    নগরীর আইন-শৃঙ্খলা, জনস্বাস্থ্য ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। টহল জোরদার করা হবে এবং আতশবাজি, পটকা, সড়ক বন্ধ করে স্টল বসানো, অতিরিক্ত উচ্চস্বরে মাইক-ড্রাম ব্যবহার, রঙিন পানি ছিটানো ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    ঈদ উপলক্ষে দেশের সকল হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু সদন, বৃদ্ধাবাস, সামাজিক স্থাপনা, আশ্রয় কেন্দ্র ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে উন্নতমানের খাবার পরিবেশন নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ পদক্ষেপগুলোতে আশা করা হচ্ছে ঈদ উদযাপন হবে শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে। সবাইকে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে উৎসব উদযাপনের আহ্বান জানানো হচ্ছে।