Category: সারাদেশ

  • মোংলা কোস্টগার্ডের অভিযানে সুন্দরবনে ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস, মালামাল উদ্ধার

    মোংলা কোস্টগার্ডের অভিযানে সুন্দরবনে ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস, মালামাল উদ্ধার

    মোংলা কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সোমবার সাজানো এক বিশেষ অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর একটি আস্তানা ধ্বংস করেছে। অভিযানে কাউকে গ্রেফতার করা না গেলেও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে। এ কথা জানিয়েছেন কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন।

    কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে ছোট সুমন বাহিনীর সদস্যরা মোংলার সীমান্ত খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। ওই তথ্য পেয়ে সোমবার ভোর ৬টায় কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা ও স্টেশন হারবারিয়া যৌথভাবে ওই এলাকায় বিশেষ তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করে।

    অভিযানে একটি সন্দেহভাজন আন্তিনা দেখা যায় এবং সেটি অনুসন্ধান করতে গেলে ডাকাতদলের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা বনের গভীরে পালিয়ে যায়, ফলে কাউকে আটক করতে না পারলেও তাদের থাকা আস্তানাটি ধ্বংস করে দেওয়া হয়। তল্লাশীর সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি ওয়াকি-টকি, রান্নার নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ বিভিন্ন আনুষঙ্গিক মালামাল উদ্ধার করা হয়।

    কোস্ট গার্ড জানায়, জব্দকৃত মালামালের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থার কার্যক্রম ইতোমধ্যেই প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

    বিসিজিএস ‘অপরাজেয় বাংলা’ এর নির্বাহী কর্মকর্তা লে. খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, সুন্দরবনকে ডাকে-মুক্ত রাখতে এবং অপরাধীবাহিনী দমন করতে কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • সড়ক দুর্ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী নিহত

    সড়ক দুর্ঘটনায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী নিহত

    খুলনা জেলা পরিষদের সামনে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মৌমিতা হালদার (২৬) নিহত হয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যা সোয়া সাতটার দিকে কবলিত এই ঘটনা ঘটে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    খুলনা সদর থানা পুলিশের এসআই দেবব্রত বিশ্বাস ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানান, জেলা পরিষদ থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দিকে গেলে দ্রুতগতির এক প্রাইভেটকার পিছন দিক থেকে রিকশাকে ধাক্কা দেয়। রিকশায় যাত্রী ছিলেন মৌমিতা; ধাক্কায় তিনি ছিটকে পড়ে মাথা ও গলায় গুরুতর আঘাত পান।

    স্থানীয়রা আহত অবস্থায় দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে খুলনা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

    নিহত মৌমিতার ছোট ভাই জানান, সন্ধ্যার দিকে তারা বাড়িতে থাকা অবস্থায় তার দিদি বাবা-মাকে ফোন করে জানায় যে রিকশায় থাকা অবস্থায় পেছন থেকে একটি প্রাইভেটকার ধাক্কা দিয়েছে। ওই ঘটনায় তার বাবা-মাও পড়ে যান; বাবার হাতে সামান্য আঘাত লাগে, কিন্তু দিদির অবস্থা দ্রুত নাজুক হয়। এরপর পরিবারের লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।

    পুলিশ ঘটনার সত্যতা যাচাই করে তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার সংক্রান্ত অন্য তথ্যে নিশ্চিত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তারা।

  • মোংলা কোস্টগার্ডের অভিযানে সুন্দরবনে ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস, মালামাল জব্দ

    মোংলা কোস্টগার্ডের অভিযানে সুন্দরবনে ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর আস্তানা ধ্বংস, মালামাল জব্দ

    মোংলা কোস্টগার্ডের একটি বিশেষ অভিযানে সুন্দরবনের কুখ্যাত বনদস্যু ‘ছোট সুমন’ বাহিনীর একটি আস্তানা ধ্বংস করা হয়েছে। কাউকে আটক করা না গেলেও ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম ও নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামাল জব্দ করা হয়েছে। এই তথ্য জানান কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন। তিনি বলেন, এ তথ্য তিনি আজ সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে নিশ্চিত করেছেন।

    কোস্টগার্ড জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা যায় যে সুন্দরবনের মোংলা সীমান্তের খাল সংলগ্ন এলাকায় ছোট সুমন বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। সেই অনুসরণেই সোমবার ভোর ছয়টার দিকে কোস্টগার্ড বেস মোংলা ও স্টেশন হারবারিয়া মিলিয়ে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

    অভিযান চালিয়ে দলটি ওই এলাকায় একটি আস্তানা শনাক্ত করে এবং তৎক্ষণাৎ সেখানে তল্লাশি চালায়। কোস্টগার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুদের বাহিনী বনের গভীরে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। তবে আস্তানাটি ধ্বংস করে দেওয়া হয় এবং তল্লাশিতে ডাকাতি কাজে ব্যবহৃত একটি ওয়াকি-টকি, রান্নার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপকরণসহ আরও অনান্য আনুষঙ্গিক মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত মালামালের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    বিসিজিএস অপরাজেয় বাংলা জাহাজের নির্বাহী কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট খালিদ সাইফুল্লাহ বলেন, সুন্দরবন দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্টগার্ডের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের সজাগ তদারকি জোরদার করা হবে।

  • সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নিহত

    সাতক্ষীরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নিহত

    সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শোভনালী ইউনিয়নের বাশিরামপুর গ্রামে মাছের ঘেরে পানি চষাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নয়ন মৃধা (৩৮) নামে এক কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল sekitar ৮টার দিকে।

    নয়ন বাশিরামপুর গ্রামের শ্রী কানাই মৃধার ছেলে এবং স্থানীয় বদরতলা যাদব চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর ছিলেন।

    নিহতের প্রতিবেশী দেবদাস মন্ডল জানান, সোমবার সকালে নয়ন তার বাবাকে সঙ্গে নিয়ে মাছের ঘের থেকে পানি তোলার উদ্দেশ্যে শ্যালো মেশিন চালু করেন। কিছুক্ষণ পর বিদ্যুৎ চলে গেলে তার বাবা মটরের সুইচ বন্ধ করে দিয়ে বৈদ্যুতিক তার গুটিয়ে আনার জন্য নয়নকে বলেন। নয়ন মটর থেকে তার খুলে গুটিয়ে আনছিলেন; এই সময় হঠাৎ বিদ্যুৎ ফিরে আসলে তিনি বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামীম আহমেদ খান ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

  • খুলনাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহরে পরিণত করতে হবে: কেসিসি প্রশাসক

    খুলনাকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ শহরে পরিণত করতে হবে: কেসিসি প্রশাসক

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, খুলনা শহরকে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ পরিবেশে পরিণত করতে হবে। পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা না হলে মশা ও মশাবাহিত রোগের সমস্যা বাড়বে—এই চিন্তা থেকেই তারা কাজ শুরু করেছেন। তিনি জানান, বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্নতার পথে বাধা সৃষ্টি করছে এমন বিষয়গুলো সনাক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব বাধা দূর করা ছাড়া জলাবদ্ধতার সমস্যা সমাধান অসম্ভব হবে।

    কেসিসি প্রশাসক রোববার বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে ‘‘খুলনা সিটি কর্পোরেশনে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্বেচ্ছাসেবিতা’’ শীর্ষক সভায় এসব কথা বলেন। খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত ধারণাপত্রটি তৈরি করেছে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফরেস্ট্রি এন্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মোঃ ওয়াসিউল ইসলাম পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে ওই ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন।

    সভায় বলা হয় পানি, বাতাস, শব্দ ও পলিথিন দূষণসহ পরিবেশগত দূষণের সঙ্গে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সরাসরি জড়িত। বিশেষ করে পলিথিন ড্রেন ও নালায় আটকে গেলে বর্ষায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। মহানগরীর সংলগ্ন ২২টি খাল থাকলেও দখলবিড়ম্বনা ও নানা কারণে নিষ্কাশন কার্যক্রম সম্পূর্ণ কার্যকর হচ্ছে না।

    স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে জনসচেতনতা বৃদ্ধি জরুরি উল্লেখ করে সভায় প্রস্তাব করা হয়—কালচারাল প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিবেশগত সচেতনতা তৈরী, শিক্ষক ও ইমামদের সাহায্যে সামাজিক ও পরিবেশগত শিক্ষা দেওয়া এবং ব্যাপকভাবে ভলান্টিয়ার নিয়োগ করা। নাগরিকদের আচরণগত পরিবর্তনেও দূষণ অনেকাংশে কমানো সম্ভব হবে। ধারণাপত্রটি বাস্তবায়নের জন্য ২৭নং ওয়ার্ডকে পাইলট ওয়ার্ড হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে।

    কেসিসি প্রশাসক আরও জানান, চলতি বছরে সারাদেশে ব্যাপক বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; খুলনাকেও সবুজায়নে গুরুত্বক দিয়ে ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ করা হবে। শিগগিরই ‘কেমন খুলনা চাই’ বিষয়ক কর্মশালা/আলোচনা আয়োজন করে নাগরিক প্রতিনিধি, শিক্ষক ও ব্যবসায়ীদের মতামত গ্রহণ করে বাস্তবায়ন শুরু করা হবে। খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের যে কোনো উদ্যোগে কেসিসি সহযোগিতা করবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

    সভায় খুলনা পরিবেশ সুরক্ষা মঞ্চের সভাপতি এডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, ট্রেজারার অজান্তা দাস, সদস্য এস কে এম তাছাদুজ্জামান, এডভোকেট জাহাঙ্গীর সিদ্দিকী, খলিলুর রহমান সুমন, নাগরিক নেতা শাহিন জামান পন, উন্নয়ন কর্মী এম নাজমুল আজম ডেভিড, পরিবেশ কর্মী শরিফুল ইসলাম সেলিম, পরিবর্তন-খুলনার সমন্বয়কারী শাহালা হাবিবি সহ কেসিসি’র কনজারভেন্সি অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশীদ, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী একাডেমিক ও প্রশাসনিক মতবিনিময়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের সঙ্গে ঈদ-পরবর্তী একাডেমিক ও প্রশাসনিক মতবিনিময়

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও পারোয়াজিত বিষয়ে আলোচনা করতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন। সভাটি সোমবার, ৩০ মার্চ বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, একাডেমিক কার্যক্রমের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং প্রশাসনিক শৃঙ্খলা জোরদারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট নিরসন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা প্রয়োজনীয় তাগিদ দেওয়া হয়।

    সভায় বায়োটেকনোলজি এন্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল-আওয়ালকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এসডিজি সংক্রান্ত মুখ্য সমন্বয়ক পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য গান্ধর্ব অভিনন্দন জানানো হয়। এছাড়া প্রথম বর্ষের ভর্তি কার্যক্রমে মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য সরকারের ১১ দফা নির্দেশনা বাস্তবায়নসহ একাডেমিক ও প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা চলে।

    উপাচার্য সভায় জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দিতে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। শিক্ষার্থীদের আবাসন সমস্যার সমাধানে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প বর্তমানে সবুজ পাতায় যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা বাস্তবায়িত হলে আবাসন ব্যবস্থা নাটকীয়ভাবে উন্নত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখতে আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে।

    উপাচার্য সরকারের নির্দেশনার আলোকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত অফিস সময় মেনে চলা ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বানও জানান। তিনি কর্মানুষ্ঠান ও শৃঙ্খলা জোরদারের মাধ্যমে একাডেমিক কার্যক্রমের মান ও গতি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।

    সভায় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান ও ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী বক্তব্য রাখেন। এ সময় বিভিন্ন স্কুলের ডিন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, ডিসিপ্লিন প্রধান, ছাত্র বিষয়ক পরিচালক, প্রভোস্ট, ভারপ্রাপ্ত গ্রন্থাগারিক এবং বিভিন্ন দপ্তরের পরিচালক ও বিভাগীয় প্রধানরা উপস্থিত থেকে মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন।

    সভা শেষে উপস্থিতরা মিলিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতির জন্য সমন্বয় ও দ্রুত বাস্তবায়নের ওপর জোর দেন এবং ভবিষ্যতে নিয়মিত অগ্রগতি পর্যালোচনার সীমা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করেন।

  • চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ খোলা বাজারে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগে ৫ ব্যারেল জব্দ, প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গায় অবৈধ খোলা বাজারে জ্বালানি বিক্রির অভিযোগে ৫ ব্যারেল জব্দ, প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গায় গভীর রাতে অবৈধভাবে খোলা বাজারে জ্বালানি তেল বিক্রি করার অভিযোগে প্রশাসন অভিযান চালিয়ে পাঁচ ব্যারেল জব্দ করেছে এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানটিকে জরিমানা করেছে।

    অভিযানটি শুক্রবার (২৭ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কার্পাসডাঙ্গা এলাকার হাসান অটোমোবাইল সেন্টারে পরিচালিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই স্থানে বৈধ অনুমোদন ছাড়া বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল মজুদ রাখা ও উচ্চমূল্যে বিক্রির হুঁশিয়ারি পান কর্তৃপক্ষ।

    অভিযানে মোট পাঁচ ব্যারেল জ্বালানি তেল (পেট্রোল ও অকটেন) জব্দ করা হয়। দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উবায়দুর রহমান সোহেল জানান, অবৈধভাবে জ্বালানি তেল মজুত ও বিক্রির অপরাধে প্রতিষ্ঠানটিকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

    তিনি আরও জানান, জব্দকৃত জ্বালানি তেল শনিবার সকাল থেকে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে সাধারণের কাছে বিক্রি করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষ সুলভ দামে জ্বালানি পায় এবং অবৈধ ব্যবসায় নিয়ন্ত্রণ আনা যায়।

  • জিয়াউর রহমানের নাম ভেবেই পূর্ববর্তী সরকার খাল খনন বন্ধ করেছিল: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    জিয়াউর রহমানের নাম ভেবেই পূর্ববর্তী সরকার খাল খনন বন্ধ করেছিল: বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান; সেই উদ্যোগেই পরে কৃষিতে বিপ্লব এসেছে। তবে জিয়াউর রহমানের নাম আসে ভেবে পরবর্তী সরকারগুলো রাজনৈতিক কারণে ওই কর্মসূচি বন্ধ রাখায় দেশের জনগণ বঞ্চিত হয়েছে—এমন মন্তব্য রেখে তিনি বলেন, সম্প্রতি বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে দলের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আবারও খাল খনন শুরু করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বুরুলি খালের তিন কিলোমিটার পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রতিমন্ত্রী অমিত আরও বলেন, সরকার এই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা সমাধানের উপায় খুঁজছে। জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে বর্তমানে ৮১.৫০ কিলোমিটার নদী-নালা পুনঃখনন কাজ চলমান আছে। পাশাপাশি ভবদহ এলাকায় ২১টি অভ্যন্তরীণ খাল পুনঃখননের কাজ চলছে এবং ভবদহে থাকা ২১টি ভেন্ট স্লুইসগেটের মধ্যে ১৭টি কপাট খুলে পানি নিষ্কাশনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

    বর্ষা আসার আগেই বাঁধ অপসারণ ও স্লুইসগেট সচল করার ওপর জোর দিয়ে তিনি স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর আশা, এসব উদ্যোগের ফলে গতবারের তুলনায় এবার জলাবদ্ধতা অন্তত ৫০ শতাংশ লাঘব হবে। তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী পরিচালিত খনন কাজে তরুণ সমাজকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।

    উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যশোর জেলা প্রশাসক আশেক হাসান সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্ণেল মামুনুর রশিদ, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী, প্রভাষক জুলমাত আলী ও এম. এ. আলিম প্রমুখ।

    আলোচনার পর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বুরুলি খালের মাটি কেটে পুনঃখনন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন। খালটি পুনঃখনন হলে উপজেলার বুরুলি, পাথরা, পাঁজিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও কৃষ্ণনগর এলাকার বিলের পানি সহজে আপারভদ্রা নদীতে নিষ্কাশিত হবে। বর্তমানে খালটি পলিমাটিতে ভরাট হওয়ায় পানি বের হতে না পেরে ওই এলাকার কৃষকরা জলাবদ্ধতায় ভোগছিলেন ও ফসল উৎপাদনে ক্ষতির মুখে পড়ছিলেন।

  • জিয়াউর রহমানের নাম উঠবে ভয়ে পূর্বের সরকার খাল খনন বন্ধ রেখেছিল: প্রতিমন্ত্রী

    জিয়াউর রহমানের নাম উঠবে ভয়ে পূর্বের সরকার খাল খনন বন্ধ রেখেছিল: প্রতিমন্ত্রী

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, খাল খনন কর্মসূচি শুরু করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান; এই কর্মসূচি পরবর্তীতে কৃষিতে বিপ্লব সৃষ্টি করেছিল। কিন্তু পরে রাষ্ট্রনায়ক জিয়ার নাম উঠে আসবে — এমন রাজনৈতিক সংকীর্ণতার কারণে পরবর্তী সরকারগুলো খাল খনন চালিয়ে রাখতে রাজি হননি এবং এর ফলে সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ‘‘শুধু সেই ক্ষুদ্র চিন্তার কারণে খাল খনন বন্ধ রাখার ফলেই জনগণ বঞ্চিত হয়েছে,’’ তিনি বলেন।

    আজ শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে যশোরের কেশবপুর উপজেলার বুরুলি খালের তিন কিলোমিটার পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। তিনি আরও জানান, ‘‘বিগত সময়গুলোতে রাজনৈতিক পার্থক্যের কারণে খাল পুনঃখনন কর্মসূচি স্থগিত থাকায় বহু এলাকার কৃষি ও জীবনযাত্রা প্রভাবিত হয়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর—প্রতিশ্রুতির ধারাবাহিকতায়—জনগণের利益ে পুনরায় খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।’’

    অমিত বলেন, সরকার এই অঞ্চলের মানুষের দুঃখ-কষ্টের স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। জলাবদ্ধতা কমাতে বর্তমানে ৮১.৫০ কিলোমিটার নদ-নদী পুনঃখননের কাজ চলছে। পাশাপাশি ভবদহ এলাকায় ২১টি অভ্যন্তরীণ খাল পুনঃখননের কর্মকাণ্ডও দ্রুত এগোচ্ছে। বর্ষা আসার আগে ভবদহে মোট ২১টি ভেন্ট-স্লুইসগেটের মধ্যে ১৭টিতে কপাট খুলে পানি নিষ্কাশনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    তিনি স্থানীয় প্রশাসন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো) বর্ষার আগেই বাঁধ অপসারণ ও স্লুইসগেট সচল করতে তৎপর হওয়ার নির্দেশ দেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে গতবারের তুলনায় এবারের জলাবদ্ধতা অন্তত ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে তিনি সেনাবাহিনী পরিচালিত খননকাজে তরুণ সমাজকে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে অংশগ্রহণের অনুরোধ জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যশোর জেলা প্রশাসক আশেক হাসানের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মামুনুর রশিদ, যশোরের পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, কেশবপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন আজাদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পলাশ ব্যানার্জী, প্রভাষক জুলমত আলী, এম এ আলিম প্রমুখ।

    অনুষ্ঠানের পর প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বুরুলি খালের মাটি কাটার মাধ্যমে পুনঃখনন কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন। খালটি পুনঃখনন সম্পন্ন হলে উপজেলার বুরুলি, পাথরা, পাঁজিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও কৃষ্ণনগর বিলের পানি সহজেই উপার ভদ্রা নদীতে নিষ্কাশিত হবে। বর্তমানে খালটি পলিতে ভরাট হওয়ায় পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হয়ে এই এলাকার কৃষকরা ফসল উৎপাদনে হোঁচট খাচ্ছিলেন—এই সমস্যার সমাধানেই পুনঃখনন কাজ করা হচ্ছে।

  • টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর ভোমরা স্থলবন্দর পুনরায় চালু

    টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর ভোমরা স্থলবন্দর পুনরায় চালু

    সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দর টানা ১০ দিন বন্ধ থাকার পর শনিবার (২৮ মার্চ) থেকে আবারও আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পবিত্র ঈদুল ফিতর এবং সাপ্তাহিক ছুটির কারণে গত ১৮ মার্চ (বুধবার) সকাল থেকে ২৭ মার্চ (শুক্রবার) পর্যন্ত বন্দরের সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম স্থগিত ছিল।

    এইভাবে এত দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সরকার মোটা অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মন্তব্য করেছেন। তবে বন্ধ থাকা সময়েও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক থাকে, যদিও সংখ্যাটি ছিল অপেক্ষাকৃত কম।

    ভোমরা সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আবু মুসা জানিয়েছেন, ঈদ উপলক্ষে দুই দেশের ব্যবসায়ি নেতৃবৃন্দের আলোচনার পরে গত ১৮ মার্চ থেকে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। শনিবার সকাল থেকেই বন্দরে পুনরায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ধীরে ধীরে পুরোদমে চালু হয়েছে।

    ভোমরা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক রাশেদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঈদের দীর্ঘ ছুটির সময়ও পাসপোর্টধারী যাত্রীদের যাতায়াত সুবিধাভোগী ছিল, তবে ছুটির দিনে যাত্রীসংখ্যা ছিল খুবই কম।

    ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা মিজানুর রহামন জানান, ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ঘোজাডাঙা স্থলবন্দর ও ভোমরা স্থলবন্দরের ব্যবসায়ি সমিতির নেতাদের যৌথ সিদ্ধান্ত মোতাবেক গত ১৮ মার্চ থেকে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ রাখা হয়। শনিবার থেকে আবারও বন্দরের সব ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবে শুরু হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, জেলার শহর থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই স্থলবন্দরটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক করিডোর হিসেবে বিবেচিত। ভারতের ঘোজাডাঙা থেকে কলকাতার দূরত্ব মাত্র ৬০ কিলোমিটার হওয়ায় ভোমরা বন্দর ব্যবসায়িকভাবে কৌশলগত গুরুত্ব রাখে। গত ঈদের ছুটি ও সরকারি ছুটির কারণে সর্বোচ্চ ১০ দিন বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এখানকার রাজস্ব আহরণে বড় ধরনের প্রভাব পড়ছে।

    বন্দর চালুর সঙ্গে সঙ্গে ব্যবসায়িক লেনদেন ও পণ্য আমদানি-রপ্তানি ধীরে ধীরে গতিতে ফিরছে এবং বন্দরে কর্মরত ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের মধ্যে উৎসাহ দেখায়।