Category: সারাদেশ

  • নড়াইলে ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষের ওপর নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলে ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষের ওপর নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার শামসুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ে বুধবার সকালে ক্লাস চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের পাশে থাকা একটি পুরনো নারিকেল গাছ ঝড়ে ভেঙে শ্রেণিকক্ষের ওপর পড়ে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ২৯ এপ্রিল বুধবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে ছোট কালিয়া এলাকায়।

    আহতদের মধ্যে এক জন সিয়াম শেখ (১১), তিনি ছোট কালিয়া গ্রামের নুর জামালের ছেলে। অপরটি মাজেদুল ইসলাম (৯), তিনি রামনগর গ্রামের জহির শেখের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে তীব্র ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পুরনো নারিকেল গাছটি ভেঙে পড়ে নিচে থাকা টিনের শ্রেণিকক্ষের ওপর। এতে ক্লাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায় এবং দুই শিশুকে গুরুতর অবস্থায় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয়রা আহত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সিয়াম শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    ঘটনার পরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ আহতদের দ্রুত তত্ত্বাবধান ও চিকিৎসার নির্দেশ দেন।

    অভিভাবক ও এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারিকেল গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকার পরও স্কুল কর্তৃপক্ষ গাছটি ছাঁটাই বা অপসারণ করেনি, এ কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দায়িত্বশীলদের গাফিলতির অবাধ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ধাঁচা রিযায়েতরা। শামসুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বলে এলাকাবাসী জানান।

    কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যয় স্কুল কর্তৃপক্ষকে বহন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলের সকল কাগজপত্র তলব করা হয়েছে; কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • মোংলা-বন্দর ও সুন্দরবন উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    মোংলা-বন্দর ও সুন্দরবন উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও বৈশাখী মৌসুমি বায়ুর জোরে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। গত দুদিন ধরে চলা টানা মাঝারি ও ভারী বর্ষণের ফলেই উপকূলীয় জনপদে জীবনযাত্রা স্তব্ধের উপক্রম; সাগর উত্তাল ও দমকা হাওয়ায় পুণরায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও জেলে-কালজারদের কাজ প্রায় বন্ধের পথে।

    বন্দর সূত্রে জানা যায়, হারবাড়িয়া ও ফেয়ারওয়ে এলাকায় থাকা বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে পণ্য খালাস ও পরিবহন প্রকৃতিই মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রধানত সার, কয়লা ও সিমেন্ট ক্লিংকারবাহী জাহাজে কাজ বন্ধ বা বিলম্ব হচ্ছে; অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যবাহী জাহাজেরও কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃষ্টির ফলে পণ্যের ভেজে যাওয়ার আশঙ্কায় কার্গো বা লাইটার জাহাজে লোডিং-আনলোডিং থমকে যাচ্ছে, ফলে বন্দরের বাণিজ্যিক কাজ কাঁপছে।

    সুন্দরবন সংলগ্ন দুবলার চর, কানাইনগর ও জয়মনি এলাকায় ছলনা জেলে ও চরাঞ্চলের মানুষ জানিয়েছেন, সাগর উত্তাল হওয়ায় এবং ভারী বৃষ্টির কারণে তারা নদীতে জাল ফেলতে পারছেন না। বনভিত্তিক কার্যক্রমেও খণ্ডকালীন বিঘ্ন: গোলপাতা সংগ্রহকারী বাওয়ালি ও মৌয়ালরা বন থেকে বের হতে পারছেন না, ফলে তাদের আয়ের উৎসও ব্যাহত হয়েছে।

    টানা বৃষ্টির প্রভাবে মোংলা পৌরসভার নিম্নাঞ্চলগুলোতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। অপর্যাপ্ত ড্রেনেজের কারণে রাস্তাঘাটে পানি জমে সাধারণ মানুষের চলাচলে ব্যাপক কষ্ট হচ্ছে; দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষদের কাজের সন্ধানও মিলছে না, যা এলাকায় সামাজিক ও অর্থনৈতিক কষ্ট বাড়িয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, উপকূলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে; তাই মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। অধিদফতর ও বন্দর কর্তৃপক্ষ সাগর এলাকায় থাকা সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছেন।

    মৎস্যচাষিরা জানান, যদি টানা বৃষ্টি চালিয়ে যায় তবে চিংড়ি ঘের ডুবি কিংবা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি সুন্দরবন সংলগ্ন বেড়িবাঁধগুলোর স্থায়িত্ব নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পশুর নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বাড়ায় চরাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

    মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা প্রদান করার ব্যবস্থাও রয়েছ। বন্দর কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মোঃ মাকরুজ্জামান বলেন, হারবাড়িয়ায় সার, কয়লা ও ক্লিঙ্কারসহ বেশ কয়েকটি জাহাজ পণ্য খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে; বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়া শিথিল হলে বন্দরের কাজ পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।

    আবহাওয়া ও সমুদ্রসতর্কতা মিলে স্থানীয়দের সচেতন থাকার উপদেশ দিয়েছেন। নিরাপদ স্থানে অবস্থান, প্রয়োজন ছাড়া নয়েজান করা এবং মৎস্যজীবী ও পর্যটনসংক্রান্ত নৌযানগুলোকে অনতিবিলম্বে উপকূলীয় নিরাপদ এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • খুলনায় তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যা মামলায় ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেপ্তার

    খুলনায় তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যা মামলায় ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেপ্তার

    র‌্যাব-৬ খালিশপুরে তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মো. রনি ওরফে ‘ন্যাটা’ রনিকে গ্রেপ্তার করেছে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে তাকে বাগেরহাট সদর থানা এলাকায় বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক মোড় সংলগ্ন একটি বাস কাউন্টার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    র‌্যাবের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে জানানো হয়েছে, সোনা মিয়ার হত্যাসহ ওই মামলার অন্যতম সন্দেহভাজন আসামি রনি দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। হত্যাকাণ্ডের পর থেকে তিনি বিভিন্ন স্থানে গোপনে বসবাস করছিলেন।

    গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৬ গত সোমবার জানতে পারে রনি বাগেরহাটে অবস্থান করছেন এবং সেই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে মিঠুর বিআরটিসি বাস কাউন্টার থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    রনির বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত হত্যাসহ মোট ছয়টি মামলা বিচারাধীন আছে। এছাড়া খালিশপুর থানা এলাকায় তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে খালিশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, এবং আরও আইনগত کارروুরি প্রক্রিয়াধীন আছে।

  • খুলনায় ছাত্র নেতার পৈতৃক জমি দখলচেষ্টা: বিএনপি নেতাসহ ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    খুলনায় ছাত্র নেতার পৈতৃক জমি দখলচেষ্টা: বিএনপি নেতাসহ ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

    খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সমন্বয়ক ও জেলা সদস্য সচিব সাজিদুল ইসলাম বাপ্পি তাঁর পৈতৃক জমি দখলচেষ্টার, চাঁদা দাবি ও নগদ টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার খুলনার বিজ্ঞ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে নালিশি মামলা করেন ভুক্তভোগী বাপ্পি।

    মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে খানজাহান আলী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাসকে। অভিযোগে আরও রয়েছে—জহির (৪২), দ্বীপু ওরফে কাউন্টার দ্বীপু (৪২) ও অজ্ঞাতনামা আরও প্রমান ২০-২৫ জন।

    পুলিশি ও মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, গত ২৫ এপ্রিল সকালে কুয়েট রোড এলাকার বাপ্পিদের দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় পৈতৃক জমিতে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের কাজ শুরু হলে ওই সত্তরাসক্রিয়া গ্রুপটি দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সেখানে হানা দেয়। তারা প্রথমে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

    চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামীরা বাপ্পির পিতাকে অস্ত্র দেখিয়ে ভয়ভীতি দেখায় এবং একপর্যায়ে এক হাজার ৫ শত বর্গফুট বা ৩ শতক জমি আব্বাসের নামে লিখে দিতে চাপ সৃষ্টি করে। একই সময় বাপ্পির পিতার কাছ থেকে জোরপূর্বক এক লাখ ৮০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয়া হয়। পুরো টাকা না দিলে জমিতে আর কোনো কাজ করতে দেওয়া হবে না—এ ধরনের হুমকি দিয়ে তারা ঘটনাস্থল ছেড়ে যায়।

    নালিশি বিবরণে উল্লেখ আছে, একাংশ আসামি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, জমি দখল ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে আসছেন, যা স্থানীয়দের মধ্যে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে। দলীয় সূত্রে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে অপকর্মের অভিযোগে মহানগর বিএনপি ওই নেতাকে একাধিকবার শোকজ করলেও তার বিরুদ্ধে আক্রামক প্রবণতা কমেনি; বর্তমানে তিনি শোকজপ্রাপ্ত অবস্থাতেই রয়েছেন।

    বাপ্পি তাঁর আরজিতে জানান, ঘটনার পর থানায় অভিযোগ করতে গেলে কর্তৃপক্ষ তাঁকে 먼저 আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার পরামর্শ দেয়; এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনি দণ্ডবিধির ৩৮৬/১৪৭/১৪৮/১৪৯/৪৪৭/৩৯৪/৩২৩/৩৯২/৫০৬ ও ৩৪ ধারায় নালিশি আবেদন দাখিল করেন। আদালত অভিযোগটি গ্রহণ করে আসামিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন।

    এ ঘটনার পর গত ২৬ এপ্রিল বাপ্পি মহানগর বিএনপির কাছে লিখিতভাবে অভিযোগও করেন এবং সেখানে সংস্থাটিকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। মামলার তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলছে, আদালত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন বলে জানানো হয়েছে।

  • খুলনায় তাঁতীদল নেতা সোলা মিয়া হত্যা মামলায় ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেফতার

    খুলনায় তাঁতীদল নেতা সোলা মিয়া হত্যা মামলায় ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেফতার

    খুলনার খালিশপুরে তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে র‌্যাব-৬ সোমবার সন্ধ্যায় মোঃ রনি ওরফে ‘ন্যাটা’ রনিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকরণ ঘটে বাগেরহাট সদর থানার বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক মোড় সংলগ্ন একটি বাস কাউন্টার থেকে।

    র‌্যাব-৬ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পাঠানো একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, নিহত সোনা মিয়াকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে ন্যাটা রনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র‌্যাবের হাতে থাকা গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই অভিযান চালানো হয়।

    সূত্রে জানানো হয়, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রনি পালিয়ে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছিল। র‌্যাব গত সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বাগেরহাটে গোপন সংবাদের সূত্র ধরে তাকে শনাক্ত করে এবং বাস কাউন্টার থেকে গ্রেফতার করে।

    গ্রেফতার ব্যক্তির বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে হত্যাসহ মোট ছয়টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া খালিশপুর থানা এলাকায় তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার অভিযোগও রয়েছে। গ্রেফতারের পর রনিকে খালিশপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনগত 프로ক্রিয়েটি চলছে।

    র‌্যাব হিসাব মতে মামলার তদন্ত ও অপরাধীদের গ্রেপ্তারে সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছে, এবং তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে পরে বিস্তারিত বলা হবে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে হামলার দুই আসামি জামিনে মুক্ত

    খুলনা প্রেসক্লাবে হামলার দুই আসামি জামিনে মুক্ত

    খুলনা প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া দুই জনকে আদালত জামিনে মুক্তি দিয়েছেন। পুলিশ তাদের সোমবার রাত ১টায় নগরীর নিরালা আবাসিক এলাকার দীঘির পাড় থেকে গ্রেপ্তার করেছিল। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দুপুরে আদালতে তোলা হলে বিকাল ৩টায় খুলনার মুখ্য মহানগর হাকিম তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। তারা কারাগারে যেতেই পারেনি; প্র arrest থেকে মুক্তি পেতে তাদের পক্ষে মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধান লেগেছে।

    জামিনপ্রাপ্তরা হলেন—দক্ষিণ নিরালা ১০ নম্বর রোডের বাসিন্দা, বাসতুল্লাহ গাজীর ছেলে বাবুল গাজী (৫৬) এবং উত্তর হরিণটানা এলাকার বাসিন্দা আব্দুল হাইয়ের ছেলে মো. সবুজ (৪১)। উভয়েই পেশায় দর্জি এবং আখতার চেম্বারের একটি টেইলার্সে চাকরি করেন।

    মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিশ্বজিত কুমার বসু জানান, ঘটনার পর প্রেসক্লাব থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়। ফুটেজে এই দুইজনকে শনাক্ত করা গেছে। ঘটনার পর থেকে তারা অন্যান্য আসামিদের সঙ্গে মিলিয়ে পলাতক ছিলেন। পুলিশের সোর্সের মাধ্যমে তাদের অবস্থান পাওয়া যায় এবং subsequently গ্রেপ্তার করা হয়। তদন্তকার্যে তারা কোনো কার্যকর তথ্য দিচ্ছেন না বলেও জানানো হয়েছে।

    উল্লেখ্য, রবিবার খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাচনী প্রচারণার সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত উপস্থিত হয়ে সভাপতি প্রার্থী—খুলনা থেকে প্রকাশিত দৈনিক প্রবর্তনের সম্পাদক মোস্তফা সরোয়ারের নাম ধরে ডাকা-চিৎকার ও গালিগালাজ শুরু করে। তখন এখন টেলিভিশনের খুলনা প্রতিনিধি হিসেবে থাকা তরিকুল ইসলাম ঘটনাসম্পর্কে জানতে চাইলে দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপরও হামলা চালায়। এই ঘটনার প্রেক্ষিতেই মামলাটি করা হয় এবং পরে গ্রেপ্তার ও জামিনমূলক প্রক্রিয়া পরিচালিত হলো।

  • হাম-রুবেলা টিকা প্রচারে খুলনায় জেলা পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি সভা

    হাম-রুবেলা টিকা প্রচারে খুলনায় জেলা পর্যায়ের অ্যাডভোকেসি সভা

    হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইন ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলার মধ্যে খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরের সম্মেলনকক্ষে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) জেলা পর্যায়ের একটি অ্যাডভোকেসি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই ক্যাম্পেইনের আওতায় ৬ মাস থেকে পাঁচ বছরের নিচে থাকা প্রতিটি শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হচ্ছে।

    সভায় বক্তারা হাম-রুবেলার কারণে সৃষ্ট সংক্রমণকে মারাত্মক উদ্বেগ হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, প্রতিটি শিশুর জীবন অমূল্য এবং আর কোনো শিশুকে এ রোগে ভুগতে বা প্রাণ হারাতে দেখার উপায় নেই। তারা জানান, প্রতি বছর প্রায় ১০ শতাংশ শিশু টিকাদান থেকে বঞ্চিত থাকে; তাই প্রতিরোধ নিশ্চিত করতে সকলকে সচেতন ও দায়িত্ববান হওয়ার আহবান জানানো হয়। বক্তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে বলেছে যে এই ক্যাম্পেইনে কোনো শিশু যেন বাদ না পড়ে।

    শিক্ষা ও ধর্মীয় নেতাদের ভূমিকা আহ্বান জানিয়ে সভায় ইমামদের প্রতি আবেদন করা হয়েছে—জুমার খুতবা ও অন্যান্য নামাজের আগে হাম-রুবেলা টিকা সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে। একই সঙ্গে জনসাধারণকে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আরও সক্রিয়ভাবে মাঠে নামার অনুরোধ করা হয়।

    খুলনা সিভিল সার্জন মোছাঃ মাহফুজা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. মোঃ মুজিবুর রহমান, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমান, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পরিচালক মুহাম্মদ মহীউদ্দিন মজুমদার, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের উপপ্রধান তথ্য অফিসার এ এস এম কবীর ও বাংলাদেশ বেতার খুলনা কেন্দ্রের উপআঞ্চলিক পরিচালক মোঃ মামুন আক্তার।

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডা. নাজমুর রহমান সজিব হাম-রুবেলা টিকা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন এবং টিকার কার্যকারিতা ও নিরাপত্তা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ানোর গুরুত্বে গুরুত্বারোপ করেন।

    অ্যাডভোকেসি সভায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন এবং মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম সমন্বয় ও প্রচারণা কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন।

    উল্লেখ্য, খুলনা জেলার নয়টি উপজেলায় মোট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২০ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলছে। সকল অভিভাবককে অনুরোধ করা হয়েছে নির্ধারিত সময়ে তাদের যোগ্য শিশুকে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যেতে, যাতে এ মহামূল্যবান প্রতিরোধী টিকা সব শিশুর কাছে পৌঁছে যায়।

  • খুলনায় সোনা মিয়া হত্যার সন্দেহভাজন ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেপ্তার

    খুলনায় সোনা মিয়া হত্যার সন্দেহভাজন ‘ন্যাটা’ রনি গ্রেপ্তার

    র‌্যাব-৬ খুলনার খালিশপুরে তাঁতীদল নেতা সোনা মিয়া হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মো: রনি ওরফে ‘ন্যাটা’ রনিকে গ্রেপ্তার করেছে।

    গত সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তাকে বাগেরহাট জেলার সদর থানাধীন বাসস্ট্যান্ড ট্রাফিক মোড় সংলগ্ন মিঠুর বিআরটিসি বাস কাউন্টার থেকে আটক করা হয়।

    র‌্যাব মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সোনা মিয়া হত্যা মামলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্দেহভাজন আসামি রনি। হত্যাকারীর খোঁজে সে মামলার পর থেকে গোপনে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে পালিয়ে ছিল।

    র‌্যাব-৬ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পরে রনির অবস্থান বাগেরহাটে। সে তথ্যের ওপর দ্রুত কুশলতা দেখিয়ে সন্ধ্যার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তারকৃত রনির বিরুদ্ধে হত্যাসহ মোট ছয়টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এছাড়া খালিশপুর থানার এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগও রয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তাকে খালিশপুর থানাへ হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে হামলা: মামলায় ৪ জনের নাম, রাতভর তল্লাশির পরও গ্রেপ্তার নেই

    খুলনা প্রেসক্লাবে হামলা: মামলায় ৪ জনের নাম, রাতভর তল্লাশির পরও গ্রেপ্তার নেই

    খুলনা প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার পর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখ করা হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে প্রেসক্লাবের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার দত্ত মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় রিপন আকন, গাউস, হালিম ও মিজান নামের চারজনকে এজাহারে নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয়ে আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    বাদীর এজাহারে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৫ মিনিটে কয়েকজন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসহ খুলনা প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের মারধর করে। ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু করা হয়।

    ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়টি তদন্ত করতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে খুলনা থানার এসআই বিশ্বজিৎ বসুকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মধ্যরাতে মামলাটি রুজু হয়। রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

    থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। রাতভর তাদের ধরতে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    পুলিশি অভিযান এবং মামলার পরেও খুলনা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বলেছেন, প্রেসক্লাবের মতো নিরাপদ স্থানে এ ধরনের হামলা মেনে নেয়া যায় না। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, হামলার সময় প্রেসক্লাবের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণা চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন দুর্বৃত্ত সভাপতি প্রার্থী সাংবাদিক মোস্তফা সরোয়ারকে নাম ধরে গালিগালাজ ও বাধা দিয়েছেন। এ সময় টেলিভিশন খুলনার বিশেষ প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম পরিস্থিতি জানতে গেলে তাঁর ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়।

    প্রতি প্রতিবাদের অংশ হিসেবে খুলনা প্রেসক্লাবে আজ দুপুর ১২টায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন বলেন, ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীরা কারও প্ররোচনায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এটি প্রেসক্লাবের জন্য ন্যক্কারজনক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে ধরে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপ প্রত্যাশা করি।’

    পুলিশ তদন্ত চালিয়ে ঘটনার কারণ ও সংঘবদ্ধতার দিকগুলো খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবে আপাতত গ্রেপ্তার কাউকে করা হয়নি এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বক্তার পরিচয়ে অস্পষ্টতা আছে — আপনি কি চান আমি পুনর্লিখন করি?

    বক্তার পরিচয়ে অস্পষ্টতা আছে — আপনি কি চান আমি পুনর্লিখন করি?

    আপনার দেওয়া মূল লেখায় বক্তা ও প্রেক্ষিত নিয়ে দ্ব্যর্থতা রয়েছে। শুরুতে বলা হয়েছে ‘বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন…’, পরে লেখা হয়েছে যে ওই বক্তব্যটি যশোরে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলা হয়েছে, এবং অন্য অংশগুলোতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা আছে (খাল খনন, কলকারখানা চালু করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি)। এই বিবরণগুলো পরস্পর বিরোধী — একজন কারা বলেছিলেন তা নির্ধারণ করা জরুরি। ভালভাবে রিরাইট করার জন্য নিচের কোনো একটি বিকল্প বাছাই করে বলেন:

    1) বক্তব্যটি ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান’ হিসেবে ধরে লিখি — তখন জনসভা, সরকার বিরোধী আক্রমণ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগ থাকবে; সরকারী উন্নয়ন কর্মসূচি সাধারণত এ ক্ষেত্রে থাকবে না।

    2) বক্তব্যটি ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে ধরে লিখি — তখন সরকার পরিচালিত উন্নয়ন কর্মসূচি, খাল খনন ও অর্থনৈতিক উদ্যোগের কথা থাকবে; তবে তখন জনসভা/বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানের উল্লেখ খারাপ হবে।

    3) আপনি চান আমি উভয় ভ্যারিয়েন্টের সম্পূর্ণ রিরাইট করে দুটি আলাদা সংস্করণ পাঠাই — একটি ‘তারেক রহমান’ হিসেবে এবং একটি ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে।

    আপনি কোন বিকল্পটি চান জানালে আমি সেভাবে পরিষ্কার, আকর্ষণীয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাংলা সংবাদরূপ পাঠিয়ে দেব।