Category: সারাদেশ

  • রমজান: আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির অপূর্ব সময়

    রমজান: আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির অপূর্ব সময়

    খুলনা-৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য, বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান মানুষের আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক উন্নতির জন্য এক অনন্য সময়। এই বরকতময় মাস মানুষকে সৎ, নিষ্ঠাবান, কর্তব্যপরায়ণ ও সংযমী হতে শেখায় এবং সমাজে শান্তি, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগিয়ে তোলে। রমজান শুধু ইবাদতের মাস নয়, বরং নিজেকে সমালোচনার সময় ও মানবকল্যানে আত্মনিবেদন করার উৎকৃষ্ট সময়। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, রমজানের এই চেতনাকে ধারণ করে সবাই বিভেদ ভুলে একাত্ম হয়ে দেশ গঠনে বর্তমান বিএনপি সরকারকে সহযোগিতা করবে। খুলনা-৪ আসনের জনগণের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সবাই যেন রমজানের শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়। এইভাবে তারা দেশ ও সমাজের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

    গতকাল শুক্রবার বিকেলে, আইচগাতী ইউনিয়নের সরকারি রূপসা কলেজে রূপসা-তেঁরখাদা-দিঘলিয়া নির্বাচন পরিচালনা পরিষদের আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনে আজিজুর বারী হেলাল বিজয়ী হওয়ার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে, গণ ইফতারের আয়োজনের সময় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি’র চেয়ারপারসন তারেক রহমান দেশবাসীর হৃদয়ে এক নুতন জায়গা করে নিয়েছেন এবং তিনি দল-মত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। দেশের প্রতিটি নাগরিকের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করায় তিনি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমি শুধু বিএনপি বা এর অঙ্গসংগঠনের নয়, আমি এই এলাকার সকল মানুষেরই প্রতিনিধি হতে চাই। আমার জন্য ধনী-গরীব, ছোট-বড়, ভিন্ন মত বা ভিন্ন পরিচয়ের মানুষ কোনও পার্থক্য করে না; সবার সমস্যা আমার। সবার উন্নয়নই আমার লক্ষ্য।

    তিনি আরও বলেন, জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও ভালোবাসার মাধ্যমে খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ, আধুনিক ও উন্নয়নশীল এলাকার রূপ দিতে আমি একনিষ্ঠ। আমাদের প্রচেষ্টায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যে উন্নয়ন, যোগাযোগের ক্ষেত্রে উন্নতি, এবং কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করবে। পাশাপাশি, এই এলাকার সবাইকে সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত করে একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলাই আমাদের অঙ্গীকার। সবাই যদি একসঙ্গে কাজ করে, তাহলে কোনও বাধাই আমাদের পথকে আটকাতে পারবে না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হবো।

    এছাড়াও, জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলুর সভাপতিত্বে এই ইফতার ও দোয়া মাহফিলের আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, অন্যান্য দলের নেতাকর্মীরা। এতে অংশ নেন উপজেলা ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দও, যারা সকলে ঈদের এই মাহফিলে মিলিত হয়ে আল্লাহর রহমত কামনা করেন এবং দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন।

  • খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে

    খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্ব ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও পুনরুদ্ধারের জন্য জীবনভর সংগ্রাম করে গেছেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, সাহস ও অবিচল নেতৃত্ব দেশের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তিনি আরও বলেন, আমরা তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি এবং তার দর্শন ও আদর্শের সঙ্গে একাত্ম হয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার করছি। শফিকুল আলম মনা আরও উল্লেখ করেন, জনগণের ভোটে যে নতুন রাজনৈতিক দিগন্তের সূচনা হয়েছে, তা যেন সত্যিকারের গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়—এটাই আজকের দোয়া মাহফিলের প্রধান লক্ষ্য। শুক্রবার বাদ জুমা, সারাদেশের ন্যায় খুলনায় অনুষ্ঠিত হয় ‘গণতন্ত্রের মা’ ও কেন্দ্রীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে এড. শফিকুল আলম মনা এসব কথা বলেন। নগর বিএনপি’র উদ্যোগে খুলনা টাউন মসজিদে এই দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপি’র সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আশরাফুল ইসলাম নূর, মুর্শিদুর রহমান লিটনসহ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। সকলের মাঝে উপস্থিত ছিলেন মুসল্লি ও শুভেচ্ছুক। সংক্ষিপ্ত বক্তৃতার পরে, গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। সেই সঙ্গে দেশ ও জাতির অগ্রগতি, শান্তি, সমৃদ্ধি ও নতুন সরকারের সফলতা কামনায় মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা হয়। টাউন মসজিদ ছাড়াও খুলনা মহানগরের অন্যান্য মসজিদেও একযোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় যেমন মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডায়ও দেশ ও জাতির শান্তি ও কল্যাণ কামনায় বিশেষ প্রার্থনা চালিয়ে যাচ্ছে।

  • নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন

    আগামীকাল রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সংগঠক ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এই শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানটি এক অনুষ্ঠানে রূপ দিতে বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যেখানে অতিথিদের জন্য বিশেষ arrangement করা হয়েছে। ইতোমধ্যে, মোট ৫শ’র বেশি অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। নগর ভবনের তিনটি আলাদা ভেন্যুতে অতিথিরা বসবেন যেখানে তারা কেসিসির নতুন প্রশাসককে স্বাগত জানাবেন।

    প্রভাবশালী ব্যক্তিদের মধ্যে মনোনীতদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন খুলনার ৬টি সংসদ আসনের সদস্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যগণ, রাজনৈতিক নেতৃবর্গ, জনপ্রশাসন ও সরকারি দপ্তর প্রধানগণ, শিক্ষার্থী, চিকিৎসক, আইনজীবী, সাংবাদিক, নগর পরিকল্পনাবিদ, এনজিও নেতৃবৃন্দ, পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন নাগরিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা। এছাড়া, স্বাভাবিক জীবনের অংশ মানুষ যেমন রিকশাচালক, ইজিবাইক চালক ও শ্রমিকদের প্রতিনিধিরাও আমন্ত্রণ পাবেন।

    কেসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশিদ জানান, রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে এই দায়িত্বভার গ্রহণের অনুষ্ঠান শুরু হবে। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করবেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। অনুষ্ঠানস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হবে নগর ভবনের তৃতীয় তলার শহীদ আলতাফ মিলনায়তন ও জিআইজেড সভা কক্ষে, যেখানে অতিথিরা উপস্থিত থাকবেন। পাশাপাশি নিচতলেও একটি এলইডি ডিসপ্লে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে নগরীর উন্নয়নের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হবে। প্রথমে প্রশাসক অতিথিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করে নিচতলায় উপস্থিত থাকবেন, এরপর তৃতীয় তলায় যাবেন।

    উল্লেখ্য, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সরকারের নির্দেশে নজরুল ইসলাম মঞ্জু নিবন্ধিত হন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে। তার যোগদানপত্র গত ২৪ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে হস্তান্তর করেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি ঢাকায় চিকিৎসা নিয়েছিলেন, যা এখন সম্পন্ন হয়েছে।

  • বোরো মৌসুমে চিতলমারীতে ৩০ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ শুরু

    বোরো মৌসুমে চিতলমারীতে ৩০ হাজার একর জমিতে চাষাবাদ শুরু

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে চলতি বোরো মৌসুমে ব্যাপক আকারে ধান চাষাবাদ চলছে। এই মৌসুমে উপজেলার ৩০ হাজার একর জমিতে বোরা ধান চাষ করা হয়েছে। চাষিরা ধানের চারা রোপনের কাজ শেষ করে এখন মূল রোপনকৃত চারা দেখভালের পাশাপাশি যত্ন নিচ্ছেন। বাজারে ধান ও চালের দাম ভালো থাকায় এ বছর ধানের মূল্য নাড়ছে চাষিদের মনোভাব, তারা আগ্রহের সাথে নতুন করে ধান চাষে উৎসাহ পাচ্ছেন।

    উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, মোট ৭টি ইউনিয়নের ২১টি ব্লকে এই চাষাবাদ হচ্ছে। চলতি মৌসুমে এই ২১টি ব্লকে মোট ৩০ হাজার একর জমিতে ধান রোপন লক্ষ্যমাত্রার নির্ধারণ করা হয়েছিল, যার কিছুটা বেশি জমিতে এ বছর আবাদ হয়েছে। এসব জমিতে উফশি, স্থানীয় এবং উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করা হয়েছে।

    স্থানীয় চাষিরা যেমন কুরমনি গ্রামের পংকজ বিশ্বাস, দেবাশিষ বিশ্বাস, শ্রীরামপুরের শেখর ভক্ত, বড়বাড়িয়ার সাফায়াত হোসেন, সুরশাইলের মুন্না শেখ, পাটরপাড়ার রিংকু বিশ্বাস বলেন, ‘গত কয়েক বছর ধান চাষ করে লোকসান হয়েছিল। তবে এই বছরের বাজার দর ভালো থাকায় আবার ধান চাষে আগ্রহ বাড়ছে।’

    চিতলমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সিফাত-আল-মারুফ বলেন, ‘শীতে আপসহীন হয়ে চাষিরা বোরো ধান চাষ করেছেন। আমরা মাঠে গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছি এবং তদারকি করছি। আকাশের আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে এ মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি ফলন পাওয়া সম্ভব বলে আমরা আশাবাদি।’

  • শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন বিপ্লব শুরু মোংলা-রামপালে

    শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন বিপ্লব শুরু মোংলা-রামপালে

    পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেছেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের খালের খনন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় আমরা কৃষি ও পরিবেশ রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। এখন থেকে মোংলা ও রামপালের কোনো সরকারি খাল ইজারা বা দখলে থাকবেনা; সব খাল সাধারণ মানুষের ব্যবহার উপযোগী করে উন্মুক্ত করা হবে।শনিবার দুপুরে মাদুরপাল্টা ব্রিজের সংলগ্ন এলাকায় উৎসবের মেজাজে খননের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই খননের মাধ্যমে দীর্ঘ চার দশকের অবরোধের অবসান হবে। এলাকায় জলাবদ্ধতা দূর হবে, কৃষকরা সহজে কৃষিকাজ করতে পারবে এবং পরিবেশের ক্ষতি রোধে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।তিনি আরও বলেন, জনগণের সম্পদ লুটে-পাটের দিন শেষ। মোংলা ও রামপালের প্রতিটি সরকারি খাল এখন থেকে জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য মুক্ত। যারা খাল দখল করে মাছ চাষ বা ব্যক্তিগত স্বার্থে ব্যবহার করছে, তাদের যদি স্বেচ্ছায় খাল ছেড়ে না দেন, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ জিয়ার স্বপ্নের খাল খনন এই প্রকল্পের মূল চেতনা দ্বারা অনুপ্রাণিত। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারী) মোংলার চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাল—মাদুরপাল্টা, ভোলা নদী, পালেরখন্ড ওবেনীরখন্ড—সহ মোট সাড়ে ৮ কিলোমিটার অংশের খনন উদ্বোধন হয়। এই খনন কাজের জন্য প্রায় ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৬৫৭ ঘনফুট মাটি সরানো হবে, খালের উপরের প্রস্থ ২৫ ফুট, নিচের প্রস্থ ৫ ফুট এবং গভীরতা ৮ ফুট নির্ধারিত। এই প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫০ লাখ ৩ হাজার ৮৪৭ টাকা, যা ৩০ মার্চের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য।অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সভাপতি আ. মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান মানিক, শেখ রুস্তম আলী, থানা যুবদলের সদস্য সচিব সফরুল হায়দার সুজন ও সিএনআরএসের প্রতিনিধিসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।প্রধান অতিথি মোংলার ইউএনও শারমীন আক্তার সুমী জানান, দখলদারদের তালিকা তৈরি করা হয়েছে এবং খালের স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় রাখতে প্রশাসন জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করবে। স্থানীয় জনগণ ও বিএনপি নেতারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন।যখন মাটি কাটার কাজ শুরু হয়, তখনই একজন বয়োজ্যেষ্ঠ কৃষক আবেগে ভর করে বলেন, ‘৪০ বছর পরে এই খালে আবার পানির কল কল শব্দ শুনবো, এটা ভাবতেই চোখ moist হচ্ছে।’ এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘ দিন ধরে জলাবদ্ধতা ও লোনা পানি থেকে মুক্তি পাওয়ার আশা জেগেছে এই উপকূলীয় এলাকার মানুষজনের মধ্যে।বক্তারা বলেন, এটি শুধু মাটি খোদনের কাজ নয়, এটি মোংলার কৃষি ও পরিবেশকে পুনর্জীবিত করার এক প্রতিজ্ঞা। এই উদ্যোগ আরও শক্তিশালী করতে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন সংস্থা একত্রিত হয়ে কাজ করবে। প্রকল্পটি সিএনআরএস-এর ‘নবপল্লব’ কর্মসূচির অধীনে এবং ঠিকাদার হিসাবে কাজ করছে মেসার্স সোহাগ এন্টারপ্রাইজ। এই প্রকল্প মোংলার মানচিত্র বদলে দেওয়ার ব্যাপারে আশাবাদ প্রকাশ করা হয়।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মোংলা ও রামপালের কোনো সরকারি খাল আর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন থাকবে না, সব হবে জনগণের সম্পত্তি। এই ঘোষণা শুনে উপস্থিত হাজারো মানুষের করতালিতে মুখর হয় পুরো পরিবেশ। তিনি স্পষ্ট হুঁশিয়ার করেন, শহীদ জিয়ার স্বপ্নের সেই খাল খনন আজ থেকে আবার শুরু হলো। কোনো ইজারা বা দখল থাকবেনা; সব খাল উন্মুক্ত করা হবে। যারা এখনো সাধারণ মানুষের পানির পথ বন্ধ করে অর্থ উপার্জন করছেন, তাদের যদি স্বেচ্ছায় খাল ছেড়ে না দেন, তবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

  • বেনাপোল সীমান্তে মালিকবিহীন ১০ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

    বেনাপোল সীমান্তে মালিকবিহীন ১০ লাখ টাকার অবৈধ পণ্য জব্দ

    যশোরের বেনাপোল সীমান্তে শনিবার ভোরে বিজিবি এক বিশাল অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন মাদকদ্রব্য ও অবৈধ চোরাচালানী পণ্য আটক করেছেন। এই অভিযানে মোট ৩৩ বোতল বিদেশি মদ, ৬৬ পিস শাড়ী, ৭টি কম্বল, ১ হাজার ৬৫ পিস চকলেট এবং ৮১২ পিস কসমেটিক্স সামগ্রী উদ্ধার করা হয়েছে। এসব মালামালের সিজার মূল্য আনুমানিক প্রায় ১০ লাখ টাকা বলে জানা গেছে।

  • খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্বের ইতিহাস চিরজাগরুক থাকবে

    খালেদা জিয়ার প্রজ্ঞা, সাহস ও অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্বের ইতিহাস চিরজাগরুক থাকবে

    মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, বেগম খালেদা জিয়া এই দেশের গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধারের জন্য জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সংগ্রাম করেছেন। তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, অসংখ্য সাহসী পদক্ষেপ ও একনিষ্ঠ নেতৃত্বের জন্য তিনি জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন। তিনি মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, আমরা তার আদর্শ ও দর্শনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ঐক্যবদ্ধ থাকব।

    শুক্রবার জুমার পরে সারাদেশের মতো খুলনায়ও ‘গণতন্ত্রের মা’ বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার উদ্দেশ্যে বিশেষ দোয়া ও মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানটির মূল বার্তা ছিল, নতুন রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও রায় যেন সত্যিকার অর্থে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও দেশের অগ্রগতি নিশ্চিত করে।

    খুলনা টাউন মসজিদে আয়োজন করা এ দোয়া মাহফিলে মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, জেলা বিএনপি সদস্য আশরাফুল আলম নান্নু, জাফরী নেওয়াজ চন্দন, আশরাফুল ইসলাম নূর, মুর্শিদুর রহমান লিটনসহ নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মুসল্লিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, খালেদা জিয়ার জীবন সংগ্রামের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য অপরিসীম গুরুত্ব বহন করেছেন। তিনি আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের একজন আত্মার দিক থেকে অনুপ্রেরণার উৎস।

    অতীতের মতো ভবিষ্যতেও দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

    এছাড়া, টাউন মসজিদ, খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন মসজিদ, মন্দির, গির্জা ও প্যাগোডাসহ অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে একই সময়ে স্ব স্ব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ দেশ ও জাতির শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেন। এ ধরনের ধর্মীয় আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বাসপ্রচার ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য বাড়ছে।

  • বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১১ দিনে ৩২২০ টন মোটা চাল আমদানি

    বেনাপোল বন্দর দিয়ে ১১ দিনে ৩২২০ টন মোটা চাল আমদানি

    দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে গত ১১ দিনে মোট ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। এসব চালান বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে প্রবেশ করেছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে ভারতের পেট্রাপোল বন্দর হয়ে ৯টি ট্রাক চাল বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। এর ফলে, মোট ১১ দিনে এই বন্দরের মাধ্যমে ২৩টি চালানের মাধ্যমে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন চাল আমদানির ঘটনা ঘটল। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন। তিনি জানান, আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হলো হাজী মুসা করিম এন্ড সন্স। চালের আমদানির পর বন্দর থেকে দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সূত্র জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই সময়ে বেনাপোল বন্দরে আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন। এর আগে, গত বছরের আগস্ট থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত চার মাসে এই বন্দরে চাল আমদানির পরিমাণ ছিল মোট ৬ হাজার ১২৮ মেট্রিক টন। উল্লেখ্য, গত ১৮ জানুয়ারি সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দ্বিতীয় মেয়াদে দুই লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি দেয়, যার সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে আগামী ৩ মার্চ পর্যন্ত। এর মধ্যে চালগুলো বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে। হাজী মুসা করিম এ্যান্ড সন্সের স্বত্বাধিকারী আব্দুস সামাদ জানান, ভারত থেকে ১১ দিনে মোট ৯০ ট্রাকের মাধ্যমে প্রায় ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন মোটা চাল আমদানি করেছেন। তিনি বলেন, আমদানিকৃত চালের প্রতি কেজি বেনাপোল বন্দর পর্যন্ত খরচ হয়েছে ৫০ টাকা এবং খোলা বাজারে এ চালের বিক্রি হবে প্রতি কেজি ৫১ টাকায়। বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, এই বন্দরের মাধ্যমে ভারত থেকে ১১ দিনে ৩ হাজার ২২০ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি হয়েছে। তিনি আরও জানান, আমদানিকৃত চালের চালানগুলো দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

  • নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু রোববার খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন

    আগামীকাল রোববার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) নতুন প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন সাবেক সংসদ সদস্য এবং খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। অনুষ্ঠানটি আরও সবিস্তার ও অংশগ্রহণমূলক করে তুলতে কেসিসি ইতোমধ্যে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে অংশগ্রহণের জন্য পাঁচ শতাধিক অতিথিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যারা নগর ভবনের তিনটি পৃথক ভেন্যুতে উপস্থিত থাকবেন।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্দেশনায় আমন্ত্রিতদের তালিকা খুবই বিস্তারিত তৈরি হয়েছে। এ তালিকায় থাকছেন খুলনার 모든 সংসদ সদস্য, স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্য, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা, নগরীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, আইনজীবী ও সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, নগর পরিকল্পনাবিদ, এনজিও প্রতিনিধিরা, পরিবেশ কর্মী এবং বিভিন্ন নাগরিক সংগঠন। এছাড়াও সাধারণ নগরবাসীর প্রতিনিধিরা, যেমন রিকশা ও ইজিবাইক চালক, শ্রমিকেরা এই অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত থাকবেন।

    কেসিসির প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোল্লা মারুফ রশিদ জানান, রোববার দুপুর ২টা ১৫ মিনিটে এই দায়িত্ব নিতে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এই সংক্ষিপ্ত but গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ। অনুষ্ঠানটি নগর ভবনের তৃতীয় তলায় অবস্থিত শহীদ আলতাফ মিলনায়তন ও জিআইজেড সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে অতিথিরা বসবেন। পাশাপাশি নিচতলায় একটি এলইডি ডিসপ্লে স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে নগরীর উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন স্টেকহোল্ডার এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত থাকবেন। নবনিযুক্ত প্রশাসক শুরুতেই নিচতলায় গিয়ে তারা সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন, এরপর তৃতীয় তলায় উপস্থিত হবেন।

    প্রসঙ্গত, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সরকার নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেয়। তিনি মূলত ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে রাজধানীর সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে তাঁর নিয়োগপত্র গ্রহণ করেন। এর আগে, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণে কয়েক দিন ঢাকায় চিকিৎসা নেন।

  • রমজান: আত্মশুদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধতার অনুপ্রেরণা

    রমজান: আত্মশুদ্ধি ও ঐক্যবদ্ধতার অনুপ্রেরণা

    খুলনা-৪ আসনের নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, পবিত্র মাহে রমজান মানুষের আত্মশুদ্ধি, নৈতিক উন্নতি এবং সমাজের ঐক্য ও শান্তির জন্য একটি অনন্য সুযোগ। রমজান কেবল ইবাদতের মাস নয়, বরং এটি নিজের মধ্যে সমালোচনা করে উন্নয়নের পথ খুঁজে নেওয়ার সময়। এই বরকতময় মাসে মানুষ সাহসী, সৎ, দায়িত্ববান এবং সংযমী সুবিচারের শিক্ষা গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে সমাজে সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়। তিনি বলেন, রমজানের মূল শিক্ষা গ্রহণ করে সবাই মিলেমিশে বিভেদ ভুলে দেশ গঠনে বর্তমান বিএনপি সরকারের পাশে থাকতে হবে। খুলনা-৪ আসনের এলাকাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানিয়েছেন, রমজানের শিক্ষাকে নিজেদের অন্তরে ধারণ করে ন্যায়, সততা ও মানবিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে।

    ফেক্তাবশেষে তিনি বলেন, গতকাল শুক্রবার বিকেল সময়ে আইচগাতী ইউনিয়নের সরকারি রূপসা কলেজে রূপসা-তেরখাদা-দিঘলিয়া নির্বাচনের পরিচালনা কমিটির আয়োজনে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মনোনয়ন নিয়ে নতুন নির্বাচিত আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজিজুর বারী হেলাল মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করে অন্নপ্রাশন, গণ ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, দেশের নেতা হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান সবাইকে একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তিনি দল, জাতি, ধর্ম বা বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে সকল মানুষের জন্য সমান অধিকার নিশ্চিতের জন্য কাজ করে যান। আমি শুধু একজন নেতা নই, আমি এই এলাকাটির সব মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। আমার জন্য ধনী-গরীব, ছোট-বড়, ভিন্ন মত বা ভিন্ন পরিচয় থাকল না—আমার সকলেরই সমস্যা আমার, উন্নয়নই আমার একমাত্র লক্ষ্য।

    তিনি যোগ করেন, জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে খুলনা-৪ আসনকে একটি আদর্শ, আধুনিক ও উন্নয়নশীল এলাকায় রূপান্তরিত করা সম্ভব। এই এলাকায় শিক্ষা, স্বাস্থ्য, যোগাযোগ, ও চাকরির সুযোগ আরও বৃদ্ধি করা হবে। পাশাপাশি, সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও মাদকমুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ প্রতিষ্ঠাই আমাদের অঙ্গীকার। জনগণের সমর্থন থাকলে কোনপ্রকার বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না; আমরা মিলিত প্রচেষ্টায় এক শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলব।

    সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, সভাপতিত্ব করেন মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার হোসেন, ও উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নেতৃবৃন্দরা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা জেলা বিএনপি’র আহবায়ক মনিরুজ্জামান মন্টু, জেলা সদস্য সচিব মনিরুল হাসান বাপ্পি, সাবেক সদস্য সচিব আবু হোসেন বাবু, জেলা যুবদলের নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতারা। সবাই একযোগে রমজানের শিক্ষা গ্রহণ করে একে অপরের পাশে থেকে ক্ষুদ্র বা বৃহৎ সকলের জন্য কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।