Category: সারাদেশ

  • খুলনা প্রেসক্লাবে হামলা: মামলায় ৪ জনের নাম, রাতভর তল্লাশির পরও গ্রেপ্তার নেই

    খুলনা প্রেসক্লাবে হামলা: মামলায় ৪ জনের নাম, রাতভর তল্লাশির পরও গ্রেপ্তার নেই

    খুলনা প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনার পর থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযোগে চারজনের নাম উল্লেখ করা হলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি।

    রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে প্রেসক্লাবের প্রশাসনিক কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার দত্ত মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় রিপন আকন, গাউস, হালিম ও মিজান নামের চারজনকে এজাহারে নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং অজ্ঞাতপরিচয়ে আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

    বাদীর এজাহারে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা প্রায় ৬টা ৫ মিনিটে কয়েকজন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রসহ খুলনা প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের মারধর করে। ঘটনার পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় এবং তদন্ত শুরু করা হয়।

    ক্ষতিগ্রস্তদের বিষয়টি তদন্ত করতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে খুলনা থানার এসআই বিশ্বজিৎ বসুকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মধ্যরাতে মামলাটি রুজু হয়। রাতভর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছি, কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। অভিযান অব্যাহত রয়েছে।’

    থানার ওসি মো. শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। ফুটেজ বিশ্লেষণ করে হামলাকারীদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। রাতভর তাদের ধরতে অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

    পুলিশি অভিযান এবং মামলার পরেও খুলনা প্রেসক্লাবের সাংবাদিক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তারা বলেছেন, প্রেসক্লাবের মতো নিরাপদ স্থানে এ ধরনের হামলা মেনে নেয়া যায় না। তারা প্রশাসনের কাছে দ্রুত ও সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

    পুলিশ বলছে, হামলার সময় প্রেসক্লাবের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণা চলছিল। অভিযোগ রয়েছে, কয়েকজন দুর্বৃত্ত সভাপতি প্রার্থী সাংবাদিক মোস্তফা সরোয়ারকে নাম ধরে গালিগালাজ ও বাধা দিয়েছেন। এ সময় টেলিভিশন খুলনার বিশেষ প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম পরিস্থিতি জানতে গেলে তাঁর ওপর সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়।

    প্রতি প্রতিবাদের অংশ হিসেবে খুলনা প্রেসক্লাবে আজ দুপুর ১২টায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভের কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন বলেন, ‘বহিরাগত সন্ত্রাসীরা কারও প্ররোচনায় এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এটি প্রেসক্লাবের জন্য ন্যক্কারজনক। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের খুঁজে ধরে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপ প্রত্যাশা করি।’

    পুলিশ তদন্ত চালিয়ে ঘটনার কারণ ও সংঘবদ্ধতার দিকগুলো খতিয়ে দেখে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তবে আপাতত গ্রেপ্তার কাউকে করা হয়নি এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • বক্তার পরিচয়ে অস্পষ্টতা আছে — আপনি কি চান আমি পুনর্লিখন করি?

    বক্তার পরিচয়ে অস্পষ্টতা আছে — আপনি কি চান আমি পুনর্লিখন করি?

    আপনার দেওয়া মূল লেখায় বক্তা ও প্রেক্ষিত নিয়ে দ্ব্যর্থতা রয়েছে। শুরুতে বলা হয়েছে ‘বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন…’, পরে লেখা হয়েছে যে ওই বক্তব্যটি যশোরে জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলা হয়েছে, এবং অন্য অংশগুলোতে সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা আছে (খাল খনন, কলকারখানা চালু করা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা ইত্যাদি)। এই বিবরণগুলো পরস্পর বিরোধী — একজন কারা বলেছিলেন তা নির্ধারণ করা জরুরি। ভালভাবে রিরাইট করার জন্য নিচের কোনো একটি বিকল্প বাছাই করে বলেন:

    1) বক্তব্যটি ‘বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান’ হিসেবে ধরে লিখি — তখন জনসভা, সরকার বিরোধী আক্রমণ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগ থাকবে; সরকারী উন্নয়ন কর্মসূচি সাধারণত এ ক্ষেত্রে থাকবে না।

    2) বক্তব্যটি ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে ধরে লিখি — তখন সরকার পরিচালিত উন্নয়ন কর্মসূচি, খাল খনন ও অর্থনৈতিক উদ্যোগের কথা থাকবে; তবে তখন জনসভা/বিএনপি আয়োজিত অনুষ্ঠানের উল্লেখ খারাপ হবে।

    3) আপনি চান আমি উভয় ভ্যারিয়েন্টের সম্পূর্ণ রিরাইট করে দুটি আলাদা সংস্করণ পাঠাই — একটি ‘তারেক রহমান’ হিসেবে এবং একটি ‘প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে।

    আপনি কোন বিকল্পটি চান জানালে আমি সেভাবে পরিষ্কার, আকর্ষণীয় এবং ব্যাকরণগতভাবে সঠিক বাংলা সংবাদরূপ পাঠিয়ে দেব।

  • খুলনা প্রেসক্লাবে হামলা: চারের নাম উল্লেখ, ২০-২৫ অজ্ঞাতকে আসামি—গ্রেপ্তার নেই

    খুলনা প্রেসক্লাবে হামলা: চারের নাম উল্লেখ, ২০-২৫ অজ্ঞাতকে আসামি—গ্রেপ্তার নেই

    খুলনা প্রেসক্লাবে ঢুকে সাংবাদিকদের ওপর সশস্ত্র হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত সাড়ে আটটার পর প্রশাসনিক কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার দত্ত বাদী হয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। মামলায় রিপন আকন, গাউস, হালিম ও মিজান নামীয় চারজনকে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে এবং তাদের সাথে জড়িত অজ্ঞাতপরিচয়ের ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়।

    বাদীর বরাত দিয়ে পুলিশের এজাহারে বলা হয়েছে, সন্ধ্যা ৬টা ৫ মিনিটের দিকে কয়েকজন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র ও ভাঙচুরের সরঞ্জাম নিয়ে প্রেসক্লাবে প্রবেশ করে এবং কয়েকজন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে মারধর করে। ঘটনার পর রাতে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালালেও কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

    মামলার তদন্তভার পাওয়া খুলনা থানার সার্ভেন্ট ইনস্পেক্টর বিশ্বজিৎ বসু জানান, মধ্যরাতে মামলা রুজু হওয়ার পর থেকে রাতভর তল্লাশি ও সিসি ক্যামেরা ফুটেজ যাচাই করা হয়েছে। তখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা যায়নি, তবে অভিযান চলছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনাস্থল থেকে সিসি ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে, ফুটেজের মাধ্যমে হামলাকারীদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট জানতে গিয়ে জানা গেছে, রোববার খুলনা প্রেসক্লাবের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারণা চলার সময় কয়েকজন দুর্বৃত্ত সভাপতি প্রার্থী ও সাংবাদিক মোস্তফা সরোয়ারের নাম ধরে গালিগালাজ শুরু করে। টিভি খুলনার বিশেষ প্রতিনিধি তরিকুল ইসলাম বিষয়টি জানতে চাইলে তাদের থেকে তাকে থামাতে বলার বদলে সন্ত্রাসীরা তার ওপর হামলা চালায়।

    এই ঘটনায় খুলনা প্রেসক্লাবের সঙ্গে যুক্ত সাংবাদিকরা ও সাধারণ মানুষ ক্ষুব্ধতা প্রকাশ করেছেন। তারা বলেন, প্রেসক্লাবের মতো নিরাপদ স্থানে এ ধরনের সহিংসতা প্রযোজ্য নয়। মামলার সুষ্ঠু তদন্ত এবং প্রকৃত দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে তারা প্রশাসনের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন। এ প্রতিবাদে আজ দুপুর ১২টায় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

    বিএফইউজে সহকারী মহাসচিব এহতেশামুল হক শাওন বলেন, ঘটনাটিতে বহিরাগত কিছু সন্ত্রাসী জড়িত থাকতে পারে যারা কারো ইন্ধনে কাজ করেছে; এটি প্রেসক্লাবের জন্য লজ্জাজনক একটি ঘটনা। তিনি সংশ্লিষ্টদের খুঁজে বের করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান।

  • বাগেরহাটে গুরুতর আহতকে ‘নরমাল’ সার্টিফিকেট প্রদানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

    বাগেরহাটে গুরুতর আহতকে ‘নরমাল’ সার্টিফিকেট প্রদানের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

    বাগেরহাটে এক পরিবারের অভিযোগ—গুরুতর আহত সদস্যকে সাধারণ আঘাতের সার্টিফিকেট দেয়ায় তারা হতাশ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। সোমবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সংবাদপত্রকর্মী ও এলাকাবাসীর সামনে এ অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রীর, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর, আইজিপি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

    সংবাদ সম্মেলনে আহত ব্যক্তির বোন ইরানী বেগম লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত ২ মার্চ রাতে ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে বাহারুল সরদার, শিফাত সরদার, নাসির উদ্দিন শেখ, আমিরুল ইসলাম কুটি ও মোনসেব শেখ নামের কয়েকজন আমাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক আমার ভাই সোহানকে টেনে-হেঁচড়া করে একটি ফাঁকা স্থানে নিয়ে যায়। সেখানে তারা তার শরীরের বিভিন্ন অংশে বেধরক মারধর করে এবং ছুরিকাঘাত করে তাকে গুরুতর জখম করে। হামলাকারীরা আমাদের পরিবারকেও মারধর করে।

    ইরানী বেগম বলেন, ঘটনার সময় আমি ৯৯৯-এ ফোন করি; পুলিশ ঘটনাস্থলে আসলে আসামীরা আমার ভাইকে খুন করতে ব্যর্থ হয় এবং আমাদের উপর খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে আমরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলেও সঠিক চিকিৎসা ও আন্তরিক সেবা না পেয়ে হতাশ হই। সবচেয়ে বিস্ময়কর বিষয়—হাসপিটাল থেকে আসামকের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমার ভাইয়ের ইনজুরি সার্টিফিকেট ‘নরমাল’ বা সাধারণ আঘাত হিসেবে দেয়া হয়েছে, যা আমাদের কাছে সময়োপযোগী ও সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিতে বাধা সৃষ্টি করেছে বলে তারা অভিযোগ করেন।

    তিনি আরও বলেন, আমরা ফকিরহাট থানায় অভিযোগ করতে গেলে অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি; তারা দাবি করেন, আসামীদের রাজনৈতিক প্রভাব অথবা অন্য কোনো কারণে থানায় মামলা নেয়া হয়নি। বাধ্য হয়ে আমরা পরে আদালতে মামলা দায়ের করি এবং মামলাটি তদন্তের জন্য গোয়েন্দা পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। মামলাটি দায়ের করার পর থেকে আসামীরা নিয়মিত তাদের পরিবারের সদস্যদের খুন-জখমের হুমকি দিচ্ছে—এ কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ইরানী বেগম জানান, এলাকার এসব আসামি মাদক ব্যবসা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যু হিসেবে চিহ্নিত। থানায় সাধারণ ডায়েরি দিলেও কোনো কার্যকর প্রতিকার পাননি।

    সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেন—অসৎভাবে ‘নরমাল’ সার্টিফিকেট প্রদানের কারণ অনুসন্ধান করে হাসপাতালের দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত করে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে হামলাকারী সমস্ত আসামিকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার ও তাদের হামলা থেকে পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি করেন তারা। প্রশাসন, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও আইজিপির হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়ে তারা এলাকাবাসীর সুরক্ষা নিশ্চিত করে এসব সন্ত্রাসী ও মাদকগোষ্ঠীকে কড়া হাতে দমন করার আহ্বান জানিয়েছেন।

  • চট্টগ্রামে বাংলাদেশের সামনে ১৮৩ রানের লক্ষ্য

    চট্টগ্রামে বাংলাদেশের সামনে ১৮৩ রানের লক্ষ্য

    চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টসে হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান করেছে। ম্যাচের শুরুটা কিউইদের জন্য দারুণ হয় — ১০ ওভারের মধ্যে দুই উইকেটে তারা শতরান পৌঁছে দেয়।

    নিউজিল্যান্ডের ইনিংসের ভিত্তি গড়ে দেন কাটেনে ক্লার্ক ও ডেন ক্লিভার। দলের শুরুটা দ্রুতই সুগঠিত হয়, কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে রিশাদ হোসেন, মেহেদী হাসান ও তানজিম হাসান (সাকিবের উইকেট নিয়ে) ধারাভাষ্যে বাংলাদেশ ম্যাচে ফিরে আসে।

    ক্লিভার ৫১ রানে রিশাদের বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার পাশাপাশি ক্লার্কও ৩৭ বলে ৫১ রান করে রিশাদের শিকার হন — ফলে কিউইদের শুরুটা সরকারি হলেও মাঝপথে ছন্দটা ভেঙে পড়ে।

    মাঝে বেভন জ্যাকবসকে ফিরিয়ে তানজিম এবং ডিন ফক্সক্রফটকে বোল্ড করে মেহেদী জুটি ভাঙেন। ১০০/২ থেকে কিউইরা দ্রুতই ১৩০/৫-এ নেমে আসে, যা বড় সংগ্রহের রাস্তা খানিকটা বাঁধা দেয়।

    তবে শেষ দিকে অধিনায়ক নিক কেলি ও জশ ক্লার্কসনের ব্যাটিংয়ে আবার গতিশীলতা আসে। কেলি ৩৯ রান করে ফেরেন, আর ক্লার্কসন ১৪ বলেই ২৭ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন; তাদের কারণে লক্ষ্যমাত্রা বড় হয়। ক্লার্কসনের কাঁধে গিয়ে ইনিংসটা ১৭৬ পর্যন্ত পৌঁছে গেল, পরিশেষে নিউজিল্যান্ড ১৮২/৬ করে ইনিংস শেষ করে।

    বাংলাদেশের পক্ষে রিশাদ হোসেন ৪ ওভারে ৩২ রান খরচ করে ২ উইকেট নেন। তানজিম, শরিফুল এবং মেহেদী প্রতিজনই একটি করে উইকেট নেন।

    যদিও লক্ষ্য বড় — ১৮৩ রান — খেলাকে ব্যাটিং সহায়ক উইকেট হিসেবে দেখা গেলে বাংলাদেশ এখনও ভালোভাবে রান তাড়া করে ম্যাচে ফিরতে পারে। আগামি ইনিংসে শুরুটা পেয়েই বাংলাদেশের একাধিক সুযোগ থাকবে।

  • মোল্লাহাটে ব্যাটারি চালিত ভ্যানের চাপায় সাড়ে চার বছরের শিশুর মৃত্যু

    মোল্লাহাটে ব্যাটারি চালিত ভ্যানের চাপায় সাড়ে চার বছরের শিশুর মৃত্যু

    বাগেরহাটের মোল্লাহাটে ব্যাটারি চালিত এক অটো ভ্যানের চাপায় সাফিদ লস্কর নামের সাড়ে চার বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকালে উপজেলার মেঝের গাওলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত সাফিদ মেঝের গাওলা গ্রামের রাশেদ লস্করের ছেলে। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা জানান, সকালে সাফিদ বাড়ি থেকে রাস্তা পার হয়ে বাড়ির কাছে থাকা একটি দোকানে যাচ্ছিল। তখন দ্রুতগামী ওই ভ্যানের চাকার নিচে পড়ে সে গুরুতর আহত হয়।

    পরিবারের লোকজন ও পথচারীরা শিশুটিকে দ্রুত উদ্ধার করে ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কিছুক্ষণ পর সাফিদের মৃত্যু হয়।

    মোল্লাহাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী রমজানুল হক জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গেছে এবং মরদেহ ফকিরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা আছে। কীভাবে ঘটনায় এ অবস্থা তৈরি হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, এলাকায় গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার অভাব রয়েছে; তারা একই ধরনের দুর্ঘটনা বন্ধে সচেতনতার আবেদন জানিয়েছেন।

  • রামপালের মল্লিকের বেড়ের ‘জাহিদুল গ্যাং’ নেতা জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    রামপালের মল্লিকের বেড়ের ‘জাহিদুল গ্যাং’ নেতা জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় এলাকার বছর ধরার জঙ্গলের মতো দুর্ধর্ষ নামে পরিচিত জলদুল—নামটা জাহিদুল। র‍্যাব-৬ তাকে খুলনা টোল প্লাজার কাছ থেকে গ্রেপ্তার করে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে আটটার দিকে তাকে আটক করা হয়।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আটক জাহিদুলের বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তাঁর নাম উল্লেখ করে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। এসব ঘটনায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ঘের দখল, চুরি, দস্যুতা, নারী নির্যাতন, হত্যা চেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী নানা অভিযোগ রয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার কারণে তাকে ধরে ফেলা স্থানীয়ভাবে কঠিন ছিল বলে জানায় প্রত্যক্ষদর্শীরা।

    রামপাল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (তদন্ত ওসি) সুব্রত বিশ্বাস বলেন, “দীর্ঘদিন পলাতক থাকা এই আসামি মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে আটক করে আমাদের কাছে হস্তান্তর করেছে। থানায় অফিসিয়াল কাজকর্মের পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।” তিনি জানিয়েছেন, ওয়ারেন্টভুক্ত অন্যান্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মামলার বাদী ও স্থানীয়রা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে জাহিদুলের অপরাধমূলক আচরণ তাদের জন্য নানারকম দুর্ভোগ ডেকে এনেছিল। এক বাদী বলেন, “আসামি পলাতক থাকার কারণে আমরা বিরাট সমস্যায় পড়ে গিয়েছিলাম। এখন গ্রেপ্তারের পর আশা করছি ন্যায়বিচার হবে। দ্রুত ও সুষ্ঠু বিচারের দাবি রাখি।”

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, জাহিদুল এলাকায় নানা ধরনের অপরাধে জড়িত ছিল এবং তার সক্রিয়তার ফলে বহু পরিবার বিপর্যস্ত হয়েছিল। তারা আশ্বাস দিয়েছেন যে র‍্যাব ও পুলিশি সহায়তায় বাকি পলাতক আসামিদেরও দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

    রামপাল থানাসহ সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অভিযান চালিয়ে অপরাধী চক্রের পুরো লেনদেন ও সাবেক সহযোগীদের খোঁজে কাজ করছে বলে জানানো হয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যানচালকের মৃত্যু

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মৌমাছির আক্রমণে ভ্যানচালক আনিছুর রহমান (৪৫) মারা গেছেন। শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল নাগাদ জয়রামপুর শেখপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, কাজ শেষে ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন আনিছুর রহমান। জয়রামপুর শেখপাড়া এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একটি ঝাঁক মৌমাছি তার উপর ঝাপিয়ে পড়ে এবং তিনি গুরুতর আহত হন।

    পড়শিরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। কিন্তু তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানোর নির্দেশ দেন। হাসপাতাল নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

    নিহত আনিছুর রহমান দামুড়হুদা বাজারপাড়া এলাকার আবু গাইনের ছেলে। খবর পেয়ে এলাকায় শোক ছড়িয়ে পড়ে।

    দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, ঘটনার বিষয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ গেল

    চুয়াডাঙ্গায় মৌমাছির কামড়ে ভ্যান চালকের মৃত্যু, হাসপাতালে নেওয়ার পথে প্রাণ গেল

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় মৌমাছির কামড়ে আনিছুর রহমান (৪৫) নামে এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনা শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকালেই জয়রামপুর এলাকার শেখপাড়ায় ঘটে।

    নিহত আনিছুর রহমান দামুড়হুদা বাজারপাড়া এলাকার আবু গাইনের ছেলে। স্থানীয়রা জানায়, সকালে কাজ শেষে ভ্যান নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে জয়রামপুর শেখপাড়া এলাকায় হঠাৎ একঝাঁক মৌমাছি তাকে আক্রমণ করে। একাধিক কামড়ের ফলে তিনি গুরুতরভাবে আহত হন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে দামুড়হুদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৌঁছে দেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা চালানোর সময় তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দ্রুত তাকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে রেফার করেন।

    তবে সদর হাসপাতালের পথে রেফার করার সময় মৃত্যু হয় আনিছুর রহমানের। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    দামুড়হুদা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মেজবাহ উদ্দিন জানান, ঘটনাটি অনুসন্ধানের সঙ্গে সঙ্গে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।

    মৌমাছির কামড় সাধারণত স্থানীয় প্রতিক্রিয়া ও অ্যালার্জির কারণে বিপজ্জনক রূপ নিতে পারে; তাই এমন এলাকায় চলাচলের সময় সতর্কতার পরামর্শ স্থানীয়দের দেওয়া হচ্ছে।

  • মল্লিকের বেড়ের গ্যাংনেতা জাহিদুলকে খুলনা টোল প্লাজা থেকে র‌্যাব-৬ গ্রেফতার

    মল্লিকের বেড়ের গ্যাংনেতা জাহিদুলকে খুলনা টোল প্লাজা থেকে র‌্যাব-৬ গ্রেফতার

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা থেকে দীর্ঘদিন পলাতক থাকা এক গ্যাংনেতাকে খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে র‌্যাব-৬ আটক করেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত আনুমানিক পৌনে ৮টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    গ্রেফতারকৃতের নাম মোঃ জাহিদুল, তিনি রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় এলাকার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০০৯ থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে দায়ের করা একাধিক মামলায় তিনি অভিযুক্ত ছিলেন। এসব মামলায় মারামারি, চাঁদাবাজি, ঘের দখল, চুরি, দস্যুতা, নারী নির্যাতন, হত্যা চেষ্টা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকর নানা অভিযোগ রয়েছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, মামলার পর থেকে জাহিদুল দীর্ঘদিন পলাতক ছিলেন, এজন্য তাকে গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছিল না। গতকাল র‌্যাব তার উপস্থিতি খুঁজে পেয়ে খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে তাকে আটক করে রামপাল থানায় হস্তান্তর করে।

    রামপাল থানার তদন্তকারী ওসি সুব্রত বিশ্বাস জানান, “দীর্ঘদিন পলাতক এই আসামি মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে আটক করে রামপাল থানায় হস্তান্তর করেছে। থানার কার্যক্রম শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।” তিনি আরও জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মামলার বাদিপক্ষ জানান, দীর্ঘদিন ধরে জাহিদুলের পলাতকতায় তারা চরম ভোগান্তির মধ্যে ছিলেন। একটি বাদি বললেন, “আসামিকে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের পথে অগ্রগতি হয়েছে। আমরা চাই দ্রুত মামলার সুষ্ঠু বিচার সম্পন্ন হোক।”

    স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ওই ব্যক্তি এলাকায় নানা দূরাচরণের সঙ্গে দীর্ঘদিন জড়িত ছিল। তারা দ্রুত সব পলাতক আসামিকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে সতর্ক ও ন্যায়সঙ্গত তদন্তের অনুরોધ করেছেন।