Category: সারাদেশ

  • যশোরে পুত্রবধূ মরিয়ম শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে

    যশোরে পুত্রবধূ মরিয়ম শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে

    যশোরের বেজপাড়া এলাকায় সালদি সম্পর্কের বিবাদের জের ধরে পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম (২০) তার শাশুড়ি সকিনা বেগম (৬০)কে গলাকেটে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির সামনে ফেলে রাখেন। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) পুলিশ সুপার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার এই তথ্য জানান। ঘটনার পর ডিবি ও কোতোয়ালি থানার যৌথ টিম ইনসপেকশন করে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং তদন্ত চলছে। সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীব ও অন্যান্য কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

    নিহত সকিনা বেগম বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এবং লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী। পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল দোকানে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হন। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম জানিয়ে দেন যে বাড়িতে রান্না নেই, তাই তারা বাইরে খাবেন। শহিদুল মাকে খোঁজ করলে তাকে বলা হয় তিনি তালিমে গেছেন।

    রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি ফিরে মাকে না পেয়ে শহিদুল পুনরায় খোঁজখবর নেন। তখন তার স্ত্রী জানায় তার মা বাড়িতে ফেরেননি। বিষয়টি সন্দেহজনক লাগায় শহিদুল থানায় জানাই করেন। পরে রাত সাড়ে বারটার দিকে বাড়ির সামনের একটি বস্তার মধ্যে লাশ দেখে শহিদুল ও তার বোন শাহিদা বেগম সেটিকে সকিনা বেগম হিসেবে শনাক্ত করেন।

    ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। সন্দেহজনক আচরণ ও প্রাপ্ত আলামতের ভিত্তিতে মরিয়মকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং জানান, দীর্ঘদিন ধরে শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক বিবাদ চলছিল। ওইদিন শাশুড়ি তাকে উতকে বলায় ক্ষুব্ধ হয়ে ঘরে থাকা একটি চাপাতি দিয়ে গলাকেটে শাশুড়িকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনে রেখে দেন এবং হত্যা কাজে ব্যবহৃত চাপাতিটি ওয়ারড্রবের ভেতর লুকিয়ে রাখেন।

    অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে পুলিশ তার ঘর থেকে চাপাতি উদ্ধার করেছে। আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার আরও কারণ-প্রসঙ্গ выясনা ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের কাজ চলছে।

  • রামপালে সরকারি খাল থেকে অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক

    রামপালে সরকারি খাল থেকে অবৈধ বাঁধ উচ্ছেদ, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় বুধবার সকাল ১০টার দিকে সরকারি খালের উপর নির্মিত অবৈধ বাঁধ কেটে অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযানটি উপজেলার ঝনঝনিয়া-নালিয়া খালের ওই অংশে পরিচালিত হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী। তিনি জানালেন, দীর্ঘদিন ধরে খালে অবৈধ বাঁধ তৈরীর ফলে পানি চলাচলে ব্যাঘাত ঘটছিল, যার প্রভাব পড়ছিল স্থানীয় কৃষিক্ষেত্র ও পরিবেশে। তাই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    অভিযানে বাঁধ কেটে অপসারণ করার পর খালের পানি প্রবাহ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে এসেছে। প্রশাসন বলেন, খাল ও জলপথ রক্ষা করা সীমান্ত রক্ষা-সমতার মতো জরুরি—এভাবেই সুসংহত জল সরবরাহ বজায় থাকে এবং মাঠে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি রোধ পাওয়া যায়।

    অভিযান চলাকালে স্থানীয় জনতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন এবং প্রশাসনের এ পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছে। উপজেলা প্রশাসন ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড পুনরাবৃত্তি হলে আইনানুগ কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার চলমান সতর্কতাটি পুনর্ব্যক্ত করেছে।

    আঞ্চলিক পরিবেশ ও কৃষি উৎপাদন সুরক্ষায় জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে খাল-নালা রক্ষণাবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ অব্যাহত থাকবে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

  • যশোরে পুত্রবধূ মরিয়ম শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে রাখলেন

    যশোরে পুত্রবধূ মরিয়ম শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে রাখলেন

    যশোরের বেজপাড়া এলাকায় শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তাবন্দি মরদেহ বাড়ির সামনে ফেলে রাখার অভিযোগে পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম (২০) গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঘটনায় ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে।

    বুধবার (২২ এপ্রিল) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার এই তথ্য জানান। নিহত হলেন সকিনা বেগম (৬০), তিনি লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী এবং বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা।

    পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল দোকানে যান। বেরোনোয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম তাকে বলেছিলেন বাড়িতে রান্না হয়নি, বাইরে খেয়ে নিতে। শহিদুল মাকে খোঁজ করলে বাড়ির লোক জানান, তিনি বাইরে তালিমে গেছেন।

    রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি ফিরলে মাকে না পেয়ে শহিদুল পুনরায় খোঁজখবর নেন। পরে সন্দেহজনক পরিস্থিতি হওয়ায় তিনি থানায় ফোন করে পুলিশকে জানান। গভীর রাতে—রাত সাড়ে ১২টার দিকে—বাসার সামনে একটি বস্তার মধ্যে লাশ দেখতে পান শহিদুল। তিনি ও তার বোন শাহিদা বেগম মিলিয়ে মরদেহটি সকিনা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

    ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ দল লাশ উদ্ধার করে আলামত সংগ্রহ করে। তদন্তে মরিয়মের আচরণ সন্দেহজনক হওয়ায় তাকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়।

    জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে মরিয়ম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি পুলিশকে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক নানা বিষয়কে কেন্দ্র করে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন শাশুড়ির সঙ্গে বকবক হওয়ার পর ক্ষিপ্ত হয়ে ঘরে থাকা একটি চাপাতি দিয়ে গলায় আঘাত করে তিনি তাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির সামনের স্থানে ফেলে দেন এবং হত্যায় ব্যবহৃত চাপাতিটি ওয়্যারড্রবের মধ্যে লুকিয়ে রাখেন।

    মরিয়মের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তাদের ঘর থেকে চাপাতিটি উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ বলেছে, ঘটনার পর বিস্তারিত তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

  • রামপালে সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ অপসারণ, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক

    রামপালে সরকারি খালে অবৈধ বাঁধ অপসারণ, পানি প্রবাহ স্বাভাবিক

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলায় সরকারি খাল দখলে রেখে নির্মিত একটি অবৈধ বাঁধ সকাল সাড়ে ১০টায় অপসারণ করেছে উপজেলা প্রশাসন। বুধবার (২২ এপ্রিল) জেলার ঝনঝনিয়া-নালিয়ার খালে এই অভিযান পরিচালিত হয়।

    অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ চক্রবর্তী। তাঁর নির্দেশনায় খালের উপর নির্মিত বাঁধ কেটে অপসারণ করা হলে দীর্ঘদিন ধরে বাধাগ্রস্ত থাকা পানি প্রবাহ দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে।

    অভিযানের সময় সহকারী কমিশনার জানান, খালে বেআইনিভাবে বাঁধ দেওয়ার ফলে পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়ে পড়ছিল, যা কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছিল। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে এলে দ্রুত তফসিল মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

    তিনি আরও বলেন, আজকের অভিযান খালের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করেছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে কড়াকড়ি ও আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। অভিযান চলাকালে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

    যশোরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে বস্তায় ফেলে রাখার অভিযোগ, পুত্রবধূ গ্রেপ্তার

    যশোরে পারিবারিক বিরোধের জেরে শাশুড়িকে গলাকেটে হত্যা করে মরদেহ বস্তায় ভরে বাড়ির সামনে ফেলে রাখার অভিযোগে ২০ বছরের পুত্রবধূ মরিয়ম বেগম গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঘটনার পর থেকে ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

    পুলিশ সুপার কার্যালয়ে বুধবার (২২ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল বাসার জানান, পুলিশের কাছে মঙ্গলবার গভীর রাতে বেজপাড়া এলাকার ওই বাড়ির সামনে বস্তাবন্দি একটি মরদেহ আছে—এর সংবাদ আসে। ঘটনাস্থল থেকে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা হয়। মৃতার নাম সকিনা বেগম (৬০), তিনি লাল চাঁদ খলিফার স্ত্রী এবং বেজপাড়া মেইন রোড এলাকার বাসিন্দা।

    পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকিনা বেগমের ছেলে শহিদুল মঙ্গলবার সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে দোকানে যান। যাওয়ার আগে তার স্ত্রী মরিয়ম জানান যে বাসায় রান্না হয়নি, বাইরে খেয়ে নেবে। শহিদুল মাকে খুঁজলে বাড়ির লোক বলেন তিনি বাইরে তালিমে গেছেন।

    রাত প্রায় ১০টার দিকে শহিদুল বাড়ি ফেরেন; মা বাড়িতে না দেখে আবার খোঁজখবর নেন। তখন তার স্ত্রী জানান সকিনা বাসায় ফেরেননি। সন্দেহজনক হলে শহিদুল থানায় যোগাযোগ করেন। পরে সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির সামনে বস্তার মধ্যে একটি লাশ দেখতে পান তিনি। শহিদুল ও তার বোন শাহিদা বেগম লাশটি সকিনা বেগম হিসেবে শনাক্ত করেন।

    ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের যৌথ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে আলামত সংগ্রহ করে। সন্দেহজনক আচরণ থাকার কারণে মরিয়মকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নেওয়া হয়।

    জিজ্ঞাসাবাদে মরিয়ম হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরেই শাশুড়ির সঙ্গে পারিবারিক নানা বিষয়ে বিরোধ ছিল। ঘটনার দিন পুনরায় বকাবকি হওয়ায় রেগে বাড়ির থাকা একটি চাপাতি দিয়ে তিনি শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা করেন, পরে মরদেহ বস্তাবন্দি করে বাড়ির সামনে রেখে দেন এবং হত্যার অস্ত্রটি ওয়্যারড্রোবে লুকিয়ে রাখেন।

    পরে অভিযুক্তের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর ঘর থেকে হত্যায় ব্যবহৃত দেশীয় চাপাতি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার স্বীকারোক্তি ও আলামত মিলেছে, আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহসান হাবীবসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • খুলনা প্রেসক্লাব: ৩০ এপ্রিল নির্বাচন, ১৫ পদে ২৭ প্রার্থী

    খুলনা প্রেসক্লাব: ৩০ এপ্রিল নির্বাচন, ১৫ পদে ২৭ প্রার্থী

    খুলনা প্রেসক্লাবের বার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৩০ এপ্রিল। নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী মোট ১৫টি পদে ২৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

    ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন দৈনিক খুলনা গেজেটের চিফ রিপোর্টার মোহাম্মদ মিলন।

    প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী সভাপতি পদে লড়বেন মোস্তফা সরোয়ার, মোহাম্মদ আবু তৈয়ব ও মোঃ মিজানুর রহমান মিল্টন। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হলেন শেখ কামরুল ইসলাম, মোঃ তরিকুল ইসলাম ও মোঃ হেদায়েত হোসেন মোলা।

    কোষাধ্যক্ষ পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এম এ হাসান ও বিমল সাহা। তিনটি সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চারজন — মোঃ জাহিদুল ইসলাম, সোহরাব হোসেন, আতিয়ার পারভেজ ও কাজী শামীম আহমেদ।

    যুগ্ম-সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শেখ মাহমুদ হাসান ও মোঃ বেল্লাল হোসেন সজল। পাঠাগার, প্রকাশনা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বশির হোসেন, শেখ জাহিদুল ইসলাম ও মোঃ রবিউল গাজী (উজ্জ্বল)।

    ছয়টি নির্বাহী সদস্য পদে মোট নয়জন প্রার্থী হয়েছেন — শেখ লিয়াকত হোসেন, সোহেল মাহমুদ, মহেন্দ্রনাথ সেন, মোঃ মেহেদী মাসুদ খান, রাজু আহমেদ, কাজী মোতাহার রহমান, মোঃ আনিস উদ্দিন, মোঃ মাকসুদুর রহমান (মাকসুদ) ও কে এম জিয়াউস সাদাত।

    সোমবার (২০ এপ্রিল) খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের উপ-পরিচালক (স্থানীয় সরকার) ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান মোঃ আরিফুল ইসলাম এবং সদস্য, খুলনা আঞ্চলিক তথ্য অফিসের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোঃ মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

  • দিঘলিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা ও আটক

    দিঘলিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে যুবকের বিরুদ্ধে মামলা ও আটক

    দিঘলিয়া উপজেলায় মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অবমাননাকর মন্তব্য করার অভিযোগে শ্যামল গাইন (৩০) নামের এক যুবককে পুলিশ আটক করেছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার, উত্তেজিত জনতা ওই যুবককে গণপিটুনি দেয় এবং পুলিশে সোপর্দ করে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত শ্যামল গাইন সোশ্যাল মিডিয়ায় মহানবী (সাঃ)-কে অবমাননাকর মন্তব্য করার কারণে ঘটনাটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। এতে এলাকার মুসল্লি ও সাধারণ মানুষ গভীর ক্ষোভের সৃষ্টি করেন। এরপর জনতা উত্তেজিত হয়ে তাকে আটক করে এবং গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে দিঘলিয়া থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, অভিযুক্তকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং প্রাথমিক চিকিৎসা করে। জানা গেছে, শ্যামল গাইন প্রায় পাঁচ বছর ধরে তার পরিবারসহ দিঘলিয়া উপজেলার একটি বন্ধপ্রেস জুট মিলের কোয়ার্টারে ভাড়া বাসায় রয়েছেন। তাদের গ্রামের বাড়ি সাতক্ষীরা জেলায়। থানার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত যুবক বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত চলছে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এদিকে, ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা থাকলেও এখন পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে প্রশাসন। কোনও অপ্রয়োজনীয় ঘটনা রোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সকলকে আহ্বান জানানো হয়েছে, আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার। অন্যদিকে, সমস্ত ধর্মভিন্ন দলগুলো বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় উপজেলা চৌরাস্তায় প্রতিবাদ সভা ও অভিযুক্তের কঠোর শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিলের আয়োজন করেছে, যেখানে সকলের উপস্থিতি মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের জন্য ইমানী দায়িত্ব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি

    সাবেক কাউন্সিলর শফিকুল আলম শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন ১২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং দক্ষ শ্রমিক নেতা শফিকুল আলম নতুন আলোর মুখ দেখেছেন। তিনি সম্প্রতি কেন্দ্রীয় শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ত্রৈমাসিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও কার্যকরী নির্বাহী পরিষদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এই গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৪ এপ্রিল ঢাকার শহীদ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে, যেখানে দেশের শীর্ষ শ্রমিক সংগঠনটির নতুন নেতৃত্বের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। সংগঠনটির নতুন কেন্দ্রীয় সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন এডভোকেট আতিকুর রহমান, এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন লস্কর মোঃ তসলিম।

    শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের এই নতুন নেতৃত্বের নির্বাচনকে ঘিরে খুলনা অঞ্চলের শ্রমিক নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনের পর শ্রমিক নেতারা বার্তা পাঠিয়ে শফিকুল আলমের এই অর্জনকে স্বাগত জানান এবং তাকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, এই পদে থাকার মধ্য দিয়ে তিনি শ্রমিকদের অধিকার আদায়ে আরও সক্রিয় ভূমিকা পালনের সুযোগ পাবেন।

    অতিরিক্ত হিসাবে, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার শ্রমিক নেতারা এবং সংগঠনের অন্যান্য শীর্ষ নেতারা শফিকুল আলমের এই সফলতাকে সম্মাননা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, এই নতুন তিনি শ্রমিকের স্বার্থে আরও বেশি কাজ করবেন এবং সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবেন।

  • বর্ধিত সময় শেষ: বেনাপোল বন্দরে ১২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি সম্পন্ন

    বর্ধিত সময় শেষ: বেনাপোল বন্দরে ১২৫৯ মেট্রিক টন চাল আমদানি সম্পন্ন

    চাল আমদানির জন্য সম্প্রতি সরকার কর্তৃক ঘোষণা করা বর্ধিত সময়সীমা শেষ হয়েছে। দেশের সবচেয়ে বড় মালবাহী স্থলবন্দর বেনাপোলের মাধ্যমে এই সময়ে মাত্র তিনদিনের মধ্যে ছয়টি চালানে প্রায় ১২৫৯ মেট্রিক টন (নন বাসমতি) মোটা চাল আমদানি করা হয়েছে। আমদানি করা এসব চালানের খালাস কার্যক্রম ইতোমধ্যেই বন্দরের ৩১ নম্বর ট্রান্সশিপমেন্ট ইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে।

    গত ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত ৪০ দিন মেয়াদে চলাকালে, মাত্র তিন কার্যদিবসে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের মাধ্যমে এই চালগুলো বেনাপোল বন্দরে প্রবেশ করে। বেনাপোল বন্দরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শামীম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান হল মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজ ও লাইবা ওভারসিস। চালগুলো বন্দর থেকে ছাড়ানোর জন্য কাজ করছে মেসার্স রাতুল ইন্টারন্যাশনাল।

    বন্দর সূত্রে জানা গেছে, চালের বাজারে মূল্য বৃদ্ধির কারণে ও আমদানির পরিমাণ কম থাকার ফলে সরকার নতুন করে চাল আমদানি সময় বাড়িয়েছে। এই জন্য ১১ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত মেয়াদ ৪০ দিন বৃদ্ধি করা হয়। তবে এ সময়ের মধ্যে মাত্র তিনদিনে ৬টি চালানে এই পরিমাণ চাল আমদানি সম্ভব হয়। এর আগে জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এই বন্দর দিয়ে মোট ৫,৫০০ মেট্রিক টন চাল আমদানি হয়। ওই সময় সরকার ২৩২টি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে দুটি লাখ মেট্রিক টন চাল আমদানি করার অনুমতি দেয়, যার মেয়াদ ছিল ১০ মার্চ পর্যন্ত।

    চাল আমদানির এই সকল কষ্টকর পরিস্থিতির মধ্যেও, গতকাল সোমবার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে এবং সরকারের পক্ষ থেকে এখনো নতুন কোনো সময়সীমা বৃদ্ধি বা নির্দেশনা জারি করা হয়নি।

    জানানআদর্শিকভাবে, নওয়াপাড়ার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স লিটন এন্টারপ্রাইজের মালিক লিটন হোসেন বলেন, বর্ধিত এই ৪০ দিনের মধ্যে মাত্র তিনদিনে ভারত থেকে আনা হয়েছে ৩৪ ট্রাকের মাধ্যমে প্রায় ১২৫৯ মেট্রিক টন মোটা চাল। তিনি বলেন, চালের প্রতি কেজি খরচ বাবদ বন্দরের মাধ্যমে খরচ পড়েছে ৫০ টাকা। এর বাজারমূল্য কেজিতে বিক্রি হবে প্রায় ৫১ টাকা।

    শামীম হোসেন আরও জানান, বেনাপোল বন্দরের মাধ্যমে ৪০ দিনের সময়কালে দুইজন আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এই চাল আমদানি করেছেন। চালের অর্ডারগুলো ইতোমধ্যেই বন্দরে খালাস নেওয়া হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে চালের বাণিজ্য ও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সরকার আগামী দিনেও কি ধরনের ব্যবস্থা নেবে, তা দেখার বিষয়।

  • সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক

    সুন্দরবনে অস্ত্রসহ ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড আটক

    সুন্দরবনের কুখ্যাত ডাকাত ছোট সুমন বাহিনীর অন্যতম সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. আব্দুস সামাদ মোলা (৩৫) কে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ কোস্টগার্ড আটক করেছে। মঙ্গলবার কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সরাসরি নির্দেশনায় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সুন্দরবন অঞ্চলে সক্রিয় সব দস্যুদের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে আসছে। এই অভিযানগুলি বাস্তবায়ন হচ্ছে ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুটি বিশেষ উদ্যোগের আওতায়। এরই ধারাবাহিকতায়, তৃতীয় দফায় ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ পরিচালনার সময় একাধিক দুষ্কৃতিকারীকে ধরে পেছনে ফেলে দিচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই অভিযানে, সুন্দরবনের কুখ্যাত সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. আব্দুস সামাদ মোলাকে বাগেরহাটের রামপাল থানাধীনের শুকদারা বাজারসংলগ্ন এলাকা থেকে পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাতে যাওয়ার পরিকল্পনায় অবস্থানকালে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সোমবার রাতে মোংলা বেস থেকে বিশেষ অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে একটি একনলা বন্দুক, এক এয়ার গান ও দুই রাউন্ড তাজা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। আটককৃত মো. আব্দুস সামাদ মোল্লা বাগেরহাটের রামপাল থানার বাসিন্দা ও দীর্ঘদিন ধরে ছোট সুমন বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে ডাকাতি কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছিল। জব্দকৃত অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করতে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান তিনি।