Category: সারাদেশ

  • খুলনায় সোমবার থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

    খুলনায় সোমবার থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন, সারাদেশে হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, এজন্য শিশুদের রক্ষায় সোমবার থেকে খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হবে।

    আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে নগর স্বাস্থ্য ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তিনি বলেন, হাম ও রুবেলা—উভয়ই ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। শিশুদের মধ্যে এসব রোগের জটিলতা ও মৃত্যু ঝুঁকি বেশি থাকায় তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

    আলোচনা সভায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কার্যকরী প্রধান নির্বাহী রাজিব আহমেদ, ডাঃ নাজমুর রহমান সজীব, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলসহ অন্যান্য কর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রশাসক নজরুল জানান, খুলনা মহানগরীর ২২ নং ওয়ার্ডে আগামীকাল সকাল ৯টায় টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হবে এবং তিনি নিজে উদ্বোধন কার্যক্রম সচল করবেন।

    তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১৮টি জেলায় গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি উপজেলার পাশাপাশি ১৩টি পৌরসভার মধ্যে ক্যাম্পেইন শুরু হয় এবং ১২ এপ্রিল থেকে এর দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে। সর্বশেষ আগামীকাল (২০ এপ্রিল) থেকে সকল জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনগুলোতেও এ কর্মসূচি চালু হবে। দীর্ঘ এক মাসব্যাপী চলবে এই ক্যাম্পেইন; এতে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে।

    প্রশাসন জানায়, অভিভাবকরা নির্ধারিত স্থানে সময়মত এসে তাদের শিশুদের টিকা করাতে হবে যাতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

  • সাতক্ষীরায় মজুদ তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগে ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    সাতক্ষীরায় মজুদ তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগে ফিলিং স্টেশনকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা উপেক্ষা করে মজুদ করা তেল বাড়তি দামে বিক্রি করার অভিযোগে শহরের ওই এক ফিলিং স্টেশনের মালিককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন এই অভিযান পরিচালনা করেন। জেলা প্রশাসনের দৈনিক জ্বালানি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী জেলার ২৯টি ফিলিং স্টেশনে বর্তমানে প্রায় ১,০১,৪৩২ লিটার ডিজেল, ৫৪,৪৮৫ লিটার পেট্রোল এবং ২২,৬৮৩ লিটার অকটেন মজুদ রয়েছে।

    এর আগে সরকারিভাবে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য ঘোষণা হওয়া পর্যন্ত জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতার জেলার ফিলিং স্টেশনগুলোর মজুদ থাকা তেল পূর্বের মূল্যে বিক্রির নির্দেশ দিয়েছিলেন। এছাড়া ডিপো থেকে নতুন সরবরাহ আনার পর সেগুলো নির্ধারিত বর্তমান দামে বিক্রির কথা বলা হয়।

    তার পরও রোববার সকালে জেলার কয়েকটি স্টেশন নতুন বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করলে ট্যাগ অফিসাররা বাধা দিতে গেলে কয়েকটি স্টেশনে বিক্রি ঘণ্টাখানেক স্থগিত রাখে মালিকরা। পরে তারা আবার বাড়তি দামে বিক্রি শুরু করলে জেলা প্রশাসন অভিযান শুরু করে।

    শুরুতেই ভ্রাম্যমান আদালত শহরের ওই ফিলিং স্টেশনের মালিককে জরিমানা করে এবং তাদের সতর্ক করা হয়। সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন জানান, মজুদকৃত তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগ পেয়েই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং জেলা ব্যাপী এ ধরনের অভিযান চলমান থাকবে।

  • খুলনায় সোমবার থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

    খুলনায় সোমবার থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, সারাদেশে হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এটি শিশুদের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। রবিবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে নগর স্বাস্থ্য ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, হাম ও রুবেলা ভাইরাসজনিত রোগ দুটি সাধারণত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। এই রোগ যেকোনো বয়সী মানুষকে বলতে পারে, তবে জটিলতা, ওপরোক্ত রূপ এবং মৃত্যুর ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি শিশুদের মধ্যে দেখা যায়—এজন্য সময়মতো টিকাদান অপরিহার্য।

    সভায় কেসিসি প্রধান নির্বাহী রাজিব আহমেদ, ডাঃ নাজমুর রহমান সজীব, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক ও সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনায় জানানো হয়, খুলনা মহানগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ডে আগামীকাল সকাল ৯টায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হবে; উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    স্মরণযোগ্য যে গত ৫ এপ্রিল থেকে ১৮টি জেলায় ৩০টি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলার পাশাপাশি ১৩টি পৌরসভায় টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে এবং ১২ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় ধাপ শুরু করা হয়েছে। আগামীকাল (২০ এপ্রিল) থেকে সব জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে এই ক্যাম্পেইন একযোগে বাস্তবায়িত হবে।

    টিকাদান এক মাসব্যাপী চলবে এবং ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থী ও অন্যান্য শিশুদের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এবং সাধারণ শ্রেণীর শিশুরা টিকা পাবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের অনুরোধ করা হয়েছে যাতে তারা তাদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ে গিয়ে টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যান, যাতে দ্রুত দরকারি সুরক্ষা নিশ্চিত করা যায়।

  • সাতক্ষীরায় মজুদ তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগে পাম্পকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    সাতক্ষীরায় মজুদ তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগে পাম্পকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা

    সাতক্ষীরায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা উপেক্ষা করে মজুদ রাখা জ্বালানি বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগে শহরের এক ফিলিং স্টেশনকে ভ্রাম্যমান আদালত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।

    রোববার (১৯ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন এই ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন।

    জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দৈনিক জ্বালানি প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী জেলার ২৯টি ফিলিং স্টেশনে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১ হাজার ৪৩২ লিটার ডিজেল, ৫৪ হাজার ৪৮৫ লিটার পেট্রোল এবং ২২ হাজার ৬৮৩ লিটার অকটেন মজুদ রয়েছে।

    সরকারিভাবে জ্বালানি তেলের নতুন মূল্য ঘোষণার পর জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার ফিলিং স্টেশনগুলোকে মজুদ থাকা তেল পূর্বের (পুরোনো) দামে বিক্রি করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি ডিপো থেকে নতুনভাবে তেল আনার পর সেগুলো বর্তমান নির্ধারিত দামে বিক্রি করার কথাও বলা হয়।

    তারপরও রোববার সকালে জেলার কিছু ফিলিং স্টেশন নতুন বাড়তি দামে তেল বিক্রি শুরু করে। ট্যাগ অফিসাররা বাধা দিলে কয়েকটি স্থানে বিক্রি ঘণ্টা খানেক বন্ধ রাখে স্টেশন কর্তৃপক্ষ, পরে আবার নতুন দামে বিক্রি চালু করে।

    এই ঘটনায় জেলা প্রশাসন অভিযান শুরু করে। শুরুতেই শহরের ওই ফিলিং স্টেশনের মালিককে ভ্রাম্যমান আদালত ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে।

    জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার শাহেদ হোসেন জানান, মজুদকৃত তেল বাড়তি দামে বিক্রির অভিযোগে তাদের জরিমানা ও সতর্ক করা হয়েছে। জেলা ব্যাপী এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং অনিয়ম যারা করবেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু

    স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোববার (১৯ এপ্রিল) প্রকাশিত সংবাদবিজ্ঞপ্তিতে জানা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাম ও এর উপসর্গে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় এক শিশু নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হিসেবে মারা গেছে এবং আরও তিন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিশ্চিত হাম সংক্রমণে মারা যাওয়া শিশুটি ঢাকায় চিকিৎসাধীন ছিল। হামের উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া তিন শিশুর মধ্যে একজন ঢাকায়, একজন বরিশালে এবং একজন রাজশাহীতে মারা গেছেন।

    প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, নতুন নিশ্চিত হাম মৃত্যুর এই ঘটনায় মোট নিশ্চিত হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৬। গতানুগতিকভাবে সন্দেহজনক হাম রোগে মৃত্যুর সংখ্যা ১৮১ থাকায় সব মিলিয়ে হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যুর সংখ্যা এখন ২১৭ জন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬৫ জন নিশ্চিত হাম রোগী শনাক্ত করা হয়েছে, ফলে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর মোট সংখ্যা পৌঁছেছে ৩,৪৪৩ জন। একই সময়ে হাসপাতালগুলোতে ১,১৯৭ জন সন্দেহজনক হাম রোগী এসেছে, যা নিয়ে সন্দেহজনক রিপোর্ট করা রোগীর মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৩,৬০৬ জনে।

    এ পর্যন্ত ১৫,৩২৬ জন সন্দেহজনক হাম রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন; তাদের মধ্যে ১২,৩৯৬ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছে এবং রোগপ্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে।

  • হাম-রুবেলা টিকাদান উপলক্ষে খুলনায় বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা

    হাম-রুবেলা টিকাদান উপলক্ষে খুলনায় বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির সভা

    খুলনা: হাম-রুবেলা সংক্রমণ প্রতিরোধের লক্ষ্যে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত খুলনা বিভাগের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচে থাকা সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। এ কর্মসূচির প্রয়াসে খুলনা বিভাগের সকল জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার জন্য একযোগে টিকাদান ক্যাম্পেইন আয়োজন করা হবে।

    এই বিষয় নিয়ে امروز রোববার (১৯ এপ্রিল) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সভাকক্ষে বিভাগীয় সমন্বয় কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাজমুল হক।

    সভায় প্রধান অতিথি বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ নাজমুল হক বলেন, হাম-রুবেলা একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ; এটিকে প্রতিরোধ করতে সকলের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতা জরুরি। ‘‘প্রতিটি শিশুর জীবন আমাদের ভবিষ্যৎ। কাউকে যেন এই ক্যাম্পেইনে বাদ না পড়ে, সে দিকে সংশ্লিষ্টদের বিশেষ নজর রাখতে হবে,’’ তিনি বলেন। তিনি আরও বলেন, অনেক শিশু টিকা গ্রহণে অনীহা বা ভয়ে কাঁপে—এটি স্বাভাবিক; অভিভাবকদের শিশুকে শান্তভাবে টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যেতে হবে এবং টিকাদানের নিরাপত্তা সম্পর্কে জনসাধারণকে আশ্বস্ত করতে হবে। এছাড়া তিনি মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন ও ধর্মীদেরও ধর্মীয় অধিবেশনে এবং শুক্রবারের খুতবাহর মাধ্যমে টিকাদান বিষয়ক সচেতনতামূলক প্রচারে অংশ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানান।

    সভায় খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডা. মো. মুজিবুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। হাম-রুবেলা সংক্রান্ত প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. মো. আরিফ। অনুষ্ঠান আয়োজন করে বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তর।

    সভায় জানানো হয়, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মোট ১৬,১১,৭০২ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে—এ লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম সফলভাবে পরিচালনার জন্য বিভাগে মোট ১৪,৯৩৬টি টিকা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে; ২,২৯৪ জন টিকাদানকারী ও ৭,৭৫৪ জন স্বেচ্ছাসেবক এই ক্যাম্পেইনে দায়িত্ব পালন করবেন। ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

    টিকাদান শুরু হওয়ার আগে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিও চালু করা হয়েছে। যাদের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচে শিশু রয়েছে, তারা vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়েই অনলাইনে জন্মনিবন্ধন করে রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। তবে অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন না থাকলেও শিশুকে টিকা দেওয়া হবে—কোনো শিশুই বাদ পড়বে না, এ আশ्वস্ত করেন কর্তৃপক্ষ।

    টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আগামীকাল ২০ এপ্রিল সকাল সাড়ে ৯টায় ফুলবাড়ি গেট বক্ষ্মব্যাধি হাসপাতালে বিভাগীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।

    অবশেষে বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ সকল অভিভাবক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দকে অনুরোধ জানিয়েছেন—শিশুদের নিরাপদ ভবিষ্যতের জন্য টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে সময়মতো টিকা গ্রহণ করান এবং যারা আশঙ্কা বা প্রশ্ন আছে, তারা স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভব künftig পদোন্নতিতে কেবল জ্যেষ্ঠতাকেই নয়, মেধা ও বাস্তব দক্ষতাকেও মূল্যায়ন করা হবে—এরই অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ পরিচালনা করা হলো।

    আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসসি)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রার্থীদের তিন ধাপে দক্ষতা যাচাই করা হয়—লিখিত পরীক্ষা, পদ সংশ্লিষ্ট ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং কম্পিউটার টাইপিং পরীক্ষা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ফল বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    সংশ্লিষ্টরা জানায়, দেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি মূলত জ্যেষ্ঠতার ওপর নির্ভর করে দেওয়া হতো। এ প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন দৃষ্টান্ত বলা হচ্ছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সাময়িক প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং নিজের কর্মদক্ষতা উন্নয়নে তারা আরও মনোযোগী হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    পরীক্ষার সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, আইকিউএসসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ।

    উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম পরিদর্শনের সময় বলেন, এটি সময়োপযোগী ও কার্যকর একটি উদ্যোগ। আমরা চাই সরকারিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের কাজের প্রতি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব এবং দায়বদ্ধতা দেখান। এই পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিরা তাদের যোগ্যতার যথাযথ স্বীকৃতি পাবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হলে প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং সার্বিকভাবে সেবার মান উন্নত হবে। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার ফলাফল ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া কিভাবে বাস্তবে প্রভাব ফেলবে, তা নজরদারির বিষয় হবে।

  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে খুলনা কলেজছাত্রী ফাইজার জিডি

    খুলনা: খুলনা কলেজের এক ছাত্রী ফাইজা অভিযোগ করে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (নং-১১৪০) করেছেন, যে তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৭ এপ্রিল ভাইজা তার নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করলে দেখতে পান তার নামে অশ্লীল মন্তব্য এবং ব্যক্তিগত কিছু ছবি একটি “প্রিয়সি রহমান” নামে ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। একই ধরনের পোস্ট ভয়েস অফ খুলনা নামের একটি পেজ থেকেও ছড়িয়ে দেয়া হয়।

    জিডিতে ফাইজা উল্লেখ করেছেন, এসব পোস্টের কারণে তিনি সামাজিকভাবে লজ্জিত হচ্ছেন এবং পারিবারিকভাবে ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। মিথ্যা প্রচারণার ফলে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং জীবন-বৈচিত্র্যে উদ্বেগ অনুভব করছেন।

    ফাইজা অভিযোগে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাম্যিক–শাস্তি দাবি জানিয়েছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকেও নজর আকর্ষণ করেছেন।

    অভিযুক্ত হিসেবে নামাজানো ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারী মুমু ঘটনার সত্যতা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলেন, ‘‘আমরা দু’জনই পরস্পরের পরিচিত। আমার সন্দেহ ছিল যে সে (ফাইজা) পারিবারিকভাবে আমাকে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে, সেই সন্দেহ থেকে আমি এ ধরনের কাজ করেছি।’’

    সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাদিম জানিয়েছেন, জিডি পেয়েছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে শনাক্ত করে তদন্ত চালাবে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে।

  • চিতলমারীতে খালার লাঠি আঘাতে এক মাসের শিশুর মৃত্যু

    চিতলমারীতে খালার লাঠি আঘাতে এক মাসের শিশুর মৃত্যু

    বাগেরহাটের চিতলমারীর সাবোখালী গুচ্ছগ্রামে খালার লাঠির আঘাতে মোঃ হোসেন শেখ নামে এক মাস বয়সী শিশু নিহত হয়েছেন। ঘটনার সময় শিশুটি বাবার পাশে ঘুমিয়ে ছিল।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হোসেন শেখ মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিলবুনিয়া গ্রামের শেখ সাইফুল ইসলাম মধুর ছেলে। ঘটনার পর পরিবারের মা ইয়াছমিন আক্তার ময়না শনিবার (১৮ এপ্রিল) চিতলমারী থানা পুলিশে একজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ইয়াছমিনের বোন মোছাঃ ফাতেমা আক্তার (৪০) ও ভাই মোঃ ইয়াছিন শেখ (২৫) কে আসামী করা হয়েছে। পুলিশ মামলার প্রধান আসামী ফাতেমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছেন।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, শুক্রবার সকালেই বাদী ইয়াছমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী শেখ সাইফুল ইসলাম মধুরের সঙ্গে ফাতেমা আক্তার ও ইয়াছিন শেখের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই বিবাদের জের ধরে বিকেলে ফাতেমা ও ইয়াছিন লাঠি নিয়ে ঘরে ঢুকে সাইফুলকে মারধর শুরু করেন। মারধরের সময় বাবা-ছেলের কাছে শুয়ে থাকা শিশু হোসেন শেখও লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন।

    তত্ক্ষণাৎ আহত শিশুকে স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার ঘটনায় আরও অনুসন্ধান ও আইনানুগ কার্যক্রম চলছে।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় নতুন যুগের সূচনা করল। পেশাগত মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবার কেবল জ্যেষ্ঠতার উপর নির্ভর না করে মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতেও পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন দেবে। সেই লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ গ্রহণ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসসি)-এর উদ্যোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় প্রার্থীদের তিন ধাপে মূল্যায়ন করা হয়েছে—লিখিত পরীক্ষা, পদ সংশ্লিষ্ট ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং কম্পিউটার টাইপিং/প্রযুক্তি সম্পর্কিত দক্ষতার মূল্যায়ন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে নেয়া হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি মূলত জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতেই দেয়া হয়ে আসছিল। সে প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন দৃষ্টান্ত বলা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং নিজদের দক্ষতা উন্নয়নে তারা আরও উৎসাহী হবেন—এমন মূল্যায়ন সংশ্লিষ্টদের।

    পরীক্ষাসময় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম পরীক্ষা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, আইকিউএসসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এটি একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ। আমরা চাই, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করুক। এই পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ও মেধাবী কর্মীরা যথাযথ স্বীকৃতি পাবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্টরা উচ্চশিক্ষা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ ধরনের দক্ষতা নির্ভর মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু থাকলে প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং সার্বিকভাবে সেবার মানও উন্নত হবে।