Category: সারাদেশ

  • কোস্ট গার্ডের অভিযানঃ অপহৃত দুই জেলেকে উদ্ধার, অস্ত্রসহ বনদস্যুসদস্যু আটক

    কোস্ট গার্ডের অভিযানঃ অপহৃত দুই জেলেকে উদ্ধার, অস্ত্রসহ বনদস্যুসদস্যু আটক

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের পরিচালিত দুটি বিশেষ অভিযানে অপহৃত দুই জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং এক বনদস্যু দয়াল বাহিনীর বিপজ্জনক সদস্যকে অস্ত্র ও গুলির সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    কোস্ট গার্ডের মতে, ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুইটি পৃথক অভিযান চলমান ছিল। এর অংশ হিসেবে ১৬ এপ্রিল বিকেলে সুন্দরবনের মুর্তির খাল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হলে, সেখানে একটি কাঠের নৌকা ও দুই জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। However, স্থানীয় ডাকাতদল জানতে পেরে ঘটনাস্থল থেকে জেলেদের ফেলে বনে পালিয়ে যায়। কখনও কখনও এই ধরনের অভিযান সফল হলেও, এদিন জেলেদের নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হন কোস্ট গার্ড।

    অন্য এক অভিযানে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ডাকাত দয়াল বাহিনীর সদস্যরা হোগলডরা খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। ভোর ৬টার দিকে এই এলাকার ওপর চালানো হয় ঝাঁঝালো অভিযান। অভিযান চলাকালে, ডাকাতরা যখন কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পায়, তখন তারা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ধাওয়া করে তরিকুল (৩৫), যা খুলনা জেলার কয়রা এলাকার বাসিন্দা, তাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও নয় রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়।

    গত ১৫ এপ্রিল রাতের ঘটনা বলছে, বরইতলা টহল ফাঁড়ির কাছে শুয়োরমারা খালে মাছ ধরতে এসে, বনদস্যু করিম শরিফ ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে বেশ কয়েকজন জেলে অপহৃত হয়। ওই ডাকাত দলের বিরুদ্ধে জেলেদের মুক্তিপণের জন্য তাদের অন্য খালে নিয়ে জিম্মি করে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

    বিসিজিএসের নির্বাহী কর্মকর্তা লে. আশিকুল ইসলাম ইমন জানান, আটক হওয়া ডাকাত ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সুন্দরবন পুরোপুরি দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মহেশপুর সীমান্তে চার দিনে দুই মরদেহ উদ্ধার

    মহেশপুর সীমান্তে চার দিনে দুই মরদেহ উদ্ধার

    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতী নদীতে গত চার দিন ধরে দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে পলিয়ানপুর সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে প্রায় ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ইছামতী নদী থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গত সোমবার রাতে (সোমবার, ৯ এপ্রিল) একই সীমান্তে, আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া যায়।  

    উদ্ধারকৃত ব্যক্তির পরিচয় জানাতে পারছে না পুলিশ ও বিজিবি। তবে জানা গেছে, মরদেহটি গোপালগঞ্জ জেলার কোড়ালিপাড়া থানার দেবেন্দ্রনাথ জয়ধর নামে এক ব্যক্তির ছেলে রথীকান্ত জয়ধর (৪৬) এর বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, অন্য মরদেহটির পরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি।

    স্থানীয়রা বলছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে যখন এলাকাবাসী নদীর দিকে খোঁজ নিতে যান, তখন দূরগন্ধ পেয়ে ঘরে থাকা কচুরিপানার নিচে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান। এরপর তারা পুলিশের সঙ্গে বিজিবিকে খবর দেন।

    মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকৃত মরদেহটির স্থান থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে, ১৩ এপ্রিল আরেকটি মরদেহ পাওয়া হয়েছিল। সেই মরদেহের পরিচয় এখনো জানা যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি কিছুদিন আগে ডুবে ছিল। মরদেহটি পানির নিচে থাকায় পচে ফুলে গেছে এবং উপুড় হয়ে ভাসছিল। তিনি জানান, ১৩ এপ্রিল উদ্ধার করা মরদেহের বিষয়ে বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তবে এখনো কর্তৃত্বের মধ্যে কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।

    কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফ বলেন, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকৃত মরদেহের শার্টের পকেটে একটি পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। সেই পাসপোর্টের মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে। তবে, পাসপোর্টে ভিসা বা গেটওয়ে পাসের তথ্য যাচাই করা হয়নি। মরদেহের সুরতহাল শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে, ১৩ এপ্রিল উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত মরদেহটির এখনও পরিচয় শনাক্ত হয়নি। এ ব্যাপারে পুলিশ ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে, মহেশপুর সীমান্তে এই চার দিনে দুটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

  • খুলনায় যুবককে কুপিয়ে زخمی

    খুলনায় যুবককে কুপিয়ে زخمی

    খুলনায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রায়হান শেখ ওরফে মিঠু (১৯) নামে এক যুবককে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্রের দ্বারা কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মধ্য হরিণটানা এলাকার একটি পাড়ায়। রায়হান শেখ হরিণটানা ৮০ বিঘা এলাকার বাসিন্দা শিমুল শেখের ছেলে। আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন। ঘটনাের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তুহিনুজ্জামান। এমন ঘটনার কারণ ও হামলাকারীদের বিস্তারিত বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। এই হামলার পেছনে কারা রয়েছে, সে ব্যাপারে আরও অনুসন্ধান চলছে।

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষামূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব, রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষামূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব, রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়

    সংসদ সদস্য ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক এই ভার্চুয়াল যুগে প্রবেশ করলেও প্রথমে আমাদের শিক্ষাকে পুঁথিগত শিক্ষায় সমৃদ্ধ করতে হবে। কারণ, বই-ই আমাদের সঠিক জ্ঞান, মূল্যবোধ ও চিন্তাশক্তি গড়ে তোলে। শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের জন্য সত্যিকার শিক্ষা হচ্ছে বই। সুতরাং, সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার সকালে রূপসার নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় আয়োজিত সংবর্ধনা, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের পবিত্র কেন্দ্র। সেখানে শিক্ষামূলক কার্যক্রম সর্বাগ্রে গুরুত্ব পাবে, কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্ম, বর্ণ, দলমতের বিভেদ ভুলে সবাইের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা। আপনারাই হবে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তাই এখনই নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা, পরিশ্রম ও নৈতিকতার সমন্বয়েই একজন সত্যিকারের মানুষ গড়ে উঠে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকুন এবং লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে যান। এভাবেই আপনি সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে।

    অতঃপর তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি যে সম্মান ও ভালোবাসা পেয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমি সব সময় পাশে থাকব। আপনারাও যদি আমাকে সহযোগিতা করেন, তাহলে ভবিষ্যতেও আমি আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে পারবো।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ার উল কুদ্দুস, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক।

    বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জিব সরকার সভাপতিত্ব করেন, এবং অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম। অতিথির বক্তৃতা করেন খালা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক এনামুল হক সজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হারুন অর রশীদ, জেলা বিএনপি’র সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস ও অন্যান্য।

    প্রতিষ্ঠানটির সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, প্রকৌশলী সুখেন রায়, মোঃ শরিফুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা হেলাল, মোঃ মোজাফফর হোসেনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠান শুরুতে, যারা প্রতিষ্ঠানকে অবদান রেখেছেন এবং প্রয়াত হয়েছেন, তাঁদের আত্মার মঙ্গল কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া মোনাজাত হয়।

    অন্যদিকে, এমপি আজিজুল বারী হেলাল বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকাকালীন তেরখাদা উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনায় দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত

    খুলনায় দায়িত্বরত অবস্থায় পুলিশ কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত

    খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে দায়িত্ব পালনকালে এক পুলিশ কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। জানা গেছে, কনস্টেবল সম্রাট বিশ্বাস (বিপি: ৯৯১৮২১৪৯২৯) শনিবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে অস্ত্রাগার (ম্যাগাজিন গার্ড) এলাকায় দায়িত্ব পালনের সময় এই ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছায় খুলনা রেলওয়ে জেলার এসআরপি ও সোনাডাঙ্গা থানার পুলিশ, যারা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন। প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, ঘটনাটি ছিল দুর্ঘটনা না কি অন্য কোনো কারণে ঘটেছে সে বিষয়ে শোনা যাচ্ছে, তবে তদন্তের ফলাফল পাওয়া গেলে বিস্তারিত জানা যাবে।

    অপরদিকে, নিহত কনস্টেবলের স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত একজন মহিলা পুলিশ সদস্য, যা এই ঘটনার ব্যাপারে বিতর্ক ও আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে ও সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে ব্যবহার করা অস্ত্র দিয়ে গুলিবিদ্ধ হন সম্রাট। তবে, তার মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

    পুলিশ সূত্র বলেছে, ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শেষ হওয়ার পরে সমস্ত তথ্য ও কারণ প্রকাশ করা হবে।

  • সেলুনে সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ৬ জন আহত

    সেলুনে সিরিয়ালকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, ৬ জন আহত

    মাগুরার সদর উপজেলার আঠারোখাদা ইউনিয়নের গাংনালিয়া বাজারে শুক্রবার দুপুরে একটি সেলুনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ঘটেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৬ জন আহত হয়েছেন।

    স্থানীয়রা জানান, সেলুনে চুল কাটার জন্য জুয়েল নামের একজন আগে থেকে সিরিয়াল নিয়ে অপেক্ষা করছিলেন। সেই সময় সোহাগ নামের আরেকজন জরুরি কাজে ব্যস্ত আছেন বলে দাবি করে সেলুনে এসে আগে চুল কাটার অনুরোধ করেন। সেলুন কর্মী পরামানিক জানিয়েছেন, জুয়েলের সিরিয়াল আগেই ছিল। জুয়েলকে সিরিয়াল ছাড়ার জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি রাজি না হওয়ায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে সংঘর্ষে পরিণত হয়।

    ঘটনায় আহতরা হলেন লুৎফর শেখ (৫০), সোহাগ (২৬), উকিল মোল্লা (৫৫), কাদের মোল্লা (২৪), জুয়েল মোল্লা (২৮) এবং আরাফাত (২৪)। তাদের উদ্ধার করে মাগুরার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    জুয়েল মোল্লা ও কাদের মোল্লা শ্রীপুর উপজেলার শ্রীকোল ইউনিয়নের বরিশাট পূর্বপাড়ার বাসিন্দা। আর আরাফাত গাংনালিয়া গ্রামের বাসিন্দা। ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় কিছুটা উত্তেজনা সৃষ্টি হলেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং তুলনামূলকভাবে শান্ত আছে।

    আঠারোখাদা ইউনিয়নের বিট অফিসার এসআই মনজুরুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি। অভিযোগ করলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ফকিরহাটে সাড়ে তিন মাসে সড়কদুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত, ৩০ জন আহত

    ফকিরহাটে সাড়ে তিন মাসে সড়কদুর্ঘটনায় ১১ জন নিহত, ৩০ জন আহত

    ফকিরহাটে গত সাড়ে তিন মাসে সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। চলতি বছরের ২ জানুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত অন্তত ১১ জন নিহত এবং কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার প্রধানভাবে মোটরসাইকেল ও মহাসড়কে হওয়া সংঘর্ষের প্রভাব লক্ষ্য করা গেছে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) খুলনা-মোংলা মহাসড়কের পিলজংগের শ্যামবাগাত এলাকায় একটি বাসের ধাক্কায় ভ্যানযাত্রী সুবীর দে (৬৫) নিহত হন। ওই ঘটনায় একজন গুরত্বপূর্ণভাবে আহত রয়েছেন।

    এর আগে ২ জানুয়ারি ফকিরহাটের পালেরহাট এলাকায় একটি ট্রাকের ধাক্কায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ঠুকে পড়ে; ঘটনায় বাসের সুপারভাইজার মো: সেলিম শেখ (৪৫) নিহত হন। ওই দুর্ঘটনায় বাসের চালক মো: মুরাদ হোসেন (৪১) ও যাত্রী সোহাগ হাওলাদার (৪৪) গুরুতর আহত ছিলেন।

    ১৬ জানুয়ারি দুপুরে টাউন-নওয়াপাড়া এলাকায় একটি ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বাইসাইকেল চালক আবিদ মোড়ল (৬৫) নামে এক কৃষকের মৃত্যু ঘটে। ২২ জানুয়ারি বড় খাজুরা এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক অজ্ঞাত পথচারী (২৫) নিহত হন।

    ২ ফেব্রুয়ারি রূপসা-বাগেরহাট পুরাতন সড়কের ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকায় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক কৌশিক দেবনাথ (২০) নিহত হন।

    ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টার দিকে বিশ্বরোড মোড়ে দুই যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ প্রায় ১৫ জন কম-বেশি আহত হন। ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় মহাসড়কে বাসের ধাক্কায় ভ্যানযাত্রী পারভীন আক্তার (৪৫) মারা গেছেন; ওই ঘটনায় তার স্বামী আটিয়ার রহমান (৫৫) গুরুতর আহত হন।

    ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেলে বিশ্বরোড মোড়ে কভারভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়ে মোটরসাইকেল চালক ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হাসিব মোল্লা (২৫) নিহত হন। ৭ মার্চ কাকডাঙা এলাকায় কালভার্টের রেলিংয়ে ধাক্কায় মোটরসাইকেল চালক কে এম ইশতিয়াক আহমেদ (৩৪) প্রাণ হারান।

    ১৫ মার্চ টাউন-নওয়াপাড়া মোড়ে একটি পিকআপ ভ্যানের চাপায় বাদল রায় চৌধুরী (৫৩) নামে এক পথচারী নিহত হন। ১ এপ্রিল বৈলতলী এলাকায় একটি বাসের ধাক্কায় ছাত্র মো: ছাহাদ (১১) মারা যান। আরও একটি নিহতের ঘটনা ঘটেছে ৬ এপ্রিল; পাগলা-শ্যামনগর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাইক চালক মো: ইয়াছিন শেখ (৫৫) মারা যান।

    স্থানীয় সচেতন মহল দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বেপরোয়া গতি, অদক্ষ চালক ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনকে উল্লেখ করেছেন। বিশেষ করে ফকিরহাট বিশ্বরোড এলাকায় বিভিন্ন রুটের যানবাহনের চাপ বেশি হওয়ায় সেখানে ট্রাইব্রেকার বা ওভারব্রিজ না থাকায় ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে বলে তারা জানিয়েছেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিগোচর করে দ্রুত ব্যবস্থা চান।

    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: আসাদুজ্জামান হাওলাদার বলেন, বিধিনিষেধ ও আইন অমান্য করার কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। বেপরোয়া গাড়ি চালানোকে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন তিনি। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

    স্থায়ী সমাধানের জন্য স্থানীয়রা দ্রুত রাস্তাসঙ্গত নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও দুর্যোগপ্রতিরোধক অবকাঠামো স্থাপনের দাবি করেছেন। এছাড়া চালক প্রশিক্ষণ, যানবাহন নিয়ে নিয়মিত মনিটরিং ও কঠোর আইন প্রয়োগ বৃদ্ধিরও দাবি উঠেছে যাতে ভবিষ্যতে হতাহতের সংখ্যা কমানো যায়।

  • ফকিরহাটে সাড়ে তিন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ নিহত, অন্তত ৩০ আহত

    ফকিরহাটে সাড়ে তিন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ১১ নিহত, অন্তত ৩০ আহত

    ফকিরহাটে গত সাড়ে তিন মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ও আহতের সংখ্যা উদ্বেগজনক মাত্রায় বাড়ছে। পুলিশ ও স্থানীয়দের তথ্যমতে ২ জানুয়ারি থেকে ১৬ এপ্রিল পর্যন্ত সময়ে অন্তত ১১ জন নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি; মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে দুর্ঘটনার প্রবণতা সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত নিয়ে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) খুলনা–মোংলা মহাসড়কের পিলজঙ্গের শ্যামবাগাত এলাকায় একটি বাসের ধাক্কায় ভ্যানযাত্রী সুবীর দে (৬৫) নিহত হন। ঘটনাস্থলে আরও একজন আহত হন।

    এর আগে ২ জানুয়ারি ফকিরহাট উপজেলার পালেরহাট এলাকায় একটি ট্রাকের ধাক্কায় যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে; এ দুর্ঘটনায় বাসের সুপারভাইজার মোঃ সেলিম শেখ (৪৫) নিহত হন। এ ঘটনায় বাস চালক মোঃ মুরাদ হোসেন (৪১) ও যাত্রী সোহাগ হাওলাদার (৪৪) গুরুতর আহত হন।

    ১৬ জানুয়ারি দুপুরে টাউন–নওয়াপাড়া এলাকায় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে বাইসাইকেল চালক আবিদ মোড়ল (৬৫) নামে এক কৃষক মারা যান। ২২ জানুয়ারি বড় খাজুরা এলাকায় বাসের ধাক্কায় এক অজ্ঞাতনামা পথচারী (প্রায় ২৫) নিহত হন।

    ২ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় রূপসা–বাগেরহাট পুরাতন সড়কের ফকিরহাট ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকায় একটি প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেলচালক কৌশিক দেবনাথ (২০) নিহত হন।

    ১৫ ফেব্রুয়ারি সকাল ১০টায় ফকিরহাট বিশ্বরোড মোড়ে দুটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ প্রায় ১৫ জন কম-বেশি আহত হন। ১৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় ফকিরহাট মহাসড়ক এলাকায় বাসের ধাক্কায় ভ্যানযাত্রী পারভীন আক্তার (৪৫) মারা যান; এসময় তার স্বামী আতিয়ার রহমান (৫৫) গুরুতর আহত হন।

    ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৩টায় বিশ্বরোড মোড়ে কভারভ্যানের চাকায় পিষ্ট হয়ে ইলেকট্রিক মিস্ত্রি হাসিব মolla (২৫) নিহত হন। ৭ মার্চ বেলা ১১টায় কাকডাংগা এলাকায় কালভার্টের রেলিংয়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগায় মোটরসাইকেল চালক কে এম ইশতিয়াক আহমেদ (৩৪) নিহত হন।

    ১৫ মার্চ সকাল সাড়ে ৮টায় টাউন–নওয়াপাড়া মোড়ে একটি পিকআপ ভ্যানের চাপায় বাদল রায় চৌধুরী (৫৩) নামে এক পথচারী নিহত হন। ১ এপ্রিল সকালে বৈলতলী এলাকায় বাসের চাপায় মোঃ ছাহাদ (১১) নামের এক শিক্ষার্থী নিহত হন। ৬ এপ্রিল সকাল ১০টায় পাগলা–শ্যামনগর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের ধাক্কায় বাইক চালক মোঃ ইয়াছিন শেখ (৫৫) মারা যান।

    স্থানীয় সচেতন মহল এবং নিহতদের পরিবারগুলো বলছেন, দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে বেপরোয়া গতি, অপর্যাপ্ত দক্ষতা সম্পন্ন চালক ও ত্রুটিপূর্ণ যানবাহনকে দায়ী করা হচ্ছে। বিশেষ করে ফকিরহাট বিশ্বরোডে বিভিন্ন রুটের ভারী যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় এখানে ছোট-বড় দুর্ঘটনা নিয়মিত ঘটে; ট্রাফিক আইটেম যেমন ট্রাইব্রেকার বা ওভারব্রিজের অভাবও সমস্যাকে জোর দিচ্ছে। স্থানীয়রা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

    মোল্লাহাট হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আসাদুজ্জামান হাওলাদার জানিয়েছেন, বিধি-বিধান ও আইন অমান্য করা এবং বেপরোয়া গাড়ি চালানোই অনেক দুর্ঘটনার মূল কারণ। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাইওয়ে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে তিনি জানান। স্থানীয়রা চাইছেন — কড়া আইন প্রয়োগ, সচেতনতা বাড়ানো, সড়ক সংস্কার ও নিয়মিত টহল দিয়ে দুর্ঘটনা রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনের দ্রুত উদ্যোগ প্রয়োজন।

  • খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৭ শিশু ভর্তি

    খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৭ শিশু ভর্তি

    খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে নতুনভাবে ৯৭ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মুজিবর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    দপ্তরের দেওয়া তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত বিভাগের ১০ জেলার হাসপাতালে মোট ১,৩৩৩ জন শিশু হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি হয়েছেন। এ সময় ৬৮ জনের হাম শনাক্ত করা হয়েছে এবং মারা গেছে ১০ শিশু।

    জেলায় জেলায় অবস্থার বিবরণে কুষ্টিয়া সবচেয়ে বেশি অনিকট: সেখানে মোট ৫২৪ জন শিশু ভর্তি। অন্যান্য জেলায় ভর্তি রোগীর সংখ্যা হলো— মাগুরা ১৮৬, যশোর ১৫৮, খুলনা ১৩৩, মেহেরপুর ৮৫, সাতক্ষীরা ৭২, ঝিনাইদহ ৬৪, নড়াইল ৪৫, বাগেরহাট ৩৪ এবং চুয়াডাঙ্গা ৩২।

    একদিনে নতুন ভর্তি ৯৭ জনের ভেতরে জেলার ভিত্তিক বণ্টন হয়েছে— কুষ্টিয়া ৩৯, সাতক্ষীরা ২, খুলনা ৭, যশোর ১৩, বাগেরহাট ১৩, চুয়াডাঙ্গা ৩, ঝিনাইদহ ৪, মাগুরা ৮, নড়াইল ৭ এবং মেহেরপুরে ১ জন।

    খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালনার দপ্তর জানিয়েছে, পরিস্থিতি মনিটরিং করা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও তত্ত্বাবধানে শিশুদের রাখা হচ্ছে। পরিবারের সদস্যদের হামের কোনো উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে অনুরোধ করা হয়েছে।

  • চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ ২ জন নিহত

    চুয়াডাঙ্গায় বজ্রপাতে স্কুলছাত্রসহ ২ জন নিহত

    চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায় বজ্রপাতে দুইজন নিহত হয়েছেন। নিহতরা হলেন দামুড়হুদার পারকৃষ্ণপুর গ্রামের মেমনগর বিডি হাই স্কুলের নবম শ্রেণির ছাত্র আজিম উদ্দিন (১৪) ও জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নের ঘোষনগর গ্রামের কৃষক রাসেল উদ্দিন (২৫)। ঘটনা দুটি বৃহস্পতিবার দুপুরে পৃথক স্থানে ঘটে।

    স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে আজিম উদ্দিন বাবার জন্য মাঠে খাবার নিয়ে যাওয়ার পর বাড়ি ফিরছিল। পারকৃষ্ণপুরের বালিগাদার মাঠে ফেরার পথে বজ্রপাত হলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    অন্যদিকে জীবননগরের বাঁকা ইউনিয়নের ঘোষনগর গ্রামে রাসেল উদ্দিন বাড়ির পাশে থাকা কৃষিজমিতে তামাকের জ্বালানি সংগ্রহ করছিলেন। হঠাৎ বজ্রপাত হলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

    দর্শনা থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান ও জীবননগর থানার ইনচার্জ (ওসি) সোলাইমান শেখ নিহত হওয়ার ঘটনা এবং সময়কালটি নিশ্চিত করেছেন। স্থানীয়রা দুই পরিবারকে সহায়তা দিচ্ছেন এবং ঘটনা নিয়ে এলাকায় শোক ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।