Category: সারাদেশ

  • হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকাদানে সতর্কতা: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আবেগপূর্ণ প্রতিবেদন

    হামের প্রাদুর্ভাব ও টিকাদানে সতর্কতা: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আবেগপূর্ণ প্রতিবেদন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে বহু শিশু ঝরে পড়েছে। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, সরকার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে শিশুদের হামের টিকা নিশ্চিত করতে কাজ করছে। আজ থেকে শুরু হয়েছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের প্রথম দিন, যেখানে সবাইকে বিশেষ করে মহিলাদের বেশি সতর্ক থাকতে বলা হচ্ছে। হামের মতো ভাইরাসজনিত রোগের ভয়াবহতা মোকাবেলা করতে হলে উন্নত মানের টিকাদান কর্মসূচি প্রয়োজন। জনসাধারণকে অনুরোধ জানানো হয়েছে, শিশুদের টিকা কেন্দ্রে আনার জন্য মহিলাদের আরও যত্নবান হতে। সরকারি এই উদ্যোগের সফলতা নির্ভর করছে সকল নাগরিকের সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর, যাতে ভয়ঙ্কর এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। অনুষ্ঠানে তিনি এতদিনের কার্যক্রমের উদ্বোধন করে স্বাগত জানান।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগের আয়োজনকৃত এই টিকাদান কর্মসূচি আজ ২২ নম্বর ওয়ার্ডে কাস্টমঘাট আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদনে উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, হামের মতো ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে টিকার গুরুত্ব খুবই বেশি। এর পূর্বে বক্তব্যে জানানো হয় যে, কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, কেএমপির উপ-কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, সিভিল সার্জন ডাঃ মোছাঃ মাহফুজা খানম, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডাঃ সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ রফিকুল ইসলাম ও অন্যান্য স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এবং স্বেচ্ছাসেবক।

    এ কর্মসূচির আওতায় ২০ মে পর্যন্ত চলবে মহানগরীর বিভিন্ন টিকাদান কেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এই ক্যাম্পেইনের কার্যক্রম চলবে। পুরো নগরীকে ৩১টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে ৪টি জোনে স্থাপন করা হয়েছে মোট ৩৫৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ২৫৬টি টিকা কেন্দ্র, যেখানে ৬২ জন সুপারভাইজার, ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী এবং ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী নিয়োজিত থাক Artem। লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী ৯৩,৭৮৮ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই ৩১ ওয়ার্ডের মধ্যে স্কুল ও কমিউনিটি শিশু মিলিয়ে লক্ষ্যমাত্রার সংখ্যা সেই ৯৩ হাজার ৭৮৮ জন, যার মধ্যে স্কুল শিশুর সংখ্যা রয়েছে ১৩,৩৮৮ এবং কমিউনিটি শিশুর ৮০,৪০৪ জন। এই প্রচেষ্টা সফল করার জন্য সকলের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা ও সচেতনতার প্রয়োজন।

  • কুষ্টিয়ায় ব্রাশফায়ারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ১০ গুলিবিদ্ধ

    কুষ্টিয়ায় ব্রাশফায়ারে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ ১০ গুলিবিদ্ধ

    কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে এক বিরল ঘটনার মধ্য দিয়ে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাতে দুষ্কৃতকারীদের এলোপাতাড়ি গুলির শিকার হয়েছেন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রবিউল ইসলামসহ আরও নয়জন। এতে তাদের মধ্যে দুইজন গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

    ঘটনা ঘটেছে দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের মাজদিয়াড় গ্রামে, রাত সাড়ে ১২টার দিকে। স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিউল ইসলাম (৩৬) মরিচা ইউনিয়নের স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এবং মো. হাফেজ প্রামাণিকের ছেলে। এ সময় তার সঙ্গে আরও আটজন গুলিবিদ্ধ হন, যাদের মধ্যে তিনজন নারী এবং পাঁচজন পুরুষ।

    গুরুতর আহত রবিউল ইসলামকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে। অন্য গুলিবিদ্ধ ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন সোহেল রানা (৪৫), তার স্ত্রী তমা খাতুন (২৬), কামরুল ইসলাম (৩৭), মুন্নি (২৪), রুনা খাতুন (২৭), মিতা খাতুন (৩০), তৌহিদুল ইসলাম (৩০) ও তার স্ত্রী মেরিনা (২৫)।

    স্থানীয়দের বরাতে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফুর রহমান জানান, সোমবার রাতে মরিচা ইউপির মাজদিয়াড় গ্রামে একটি মুখোশধারী দুষ্কৃতকারী দল স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রবিউল ইসলামকে জোরপূর্বক তুলে নেওয়ার চেষ্টা চালায়। স্থানীয় লোকজন শুনে তার চিৎকারে ছুটে আসলে, দুষ্কৃতকারীরা ব্রাশফায়ার ও শটগান দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এ ঘটনায় উপজেলা ও এলাকাবাসী আতঙ্কিত হলেও পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে।

    ওসি বলেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই ঘটনার পরপরই এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

  • ফকিরহাটে ১৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    ফকিরহাটে ১৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার

    ফকিরহাটে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব-৬) অভিযান চালিয়ে ১৩ কেজি গাঁজাসহ একটি মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযানে মো. ইব্রাহিম হাওলাদার নামে ১৯ বছর বয়সী এক যুবককে আটক করা হয়, যা মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) ভোরের সময় কাটাখালী মোড় সংলগ্ন এলাকায় পরিচালিত হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন খুলনার র‌্যাব-৬ এর মিডিয়া সেল।

    গ্রেফতারকৃত ইব্রাহিম খুলনা সদর থানার গগণ বাবু রোড এলাকায় অবস্থিত আবু জাফর হাওলাদার এর ছেলে। র‌্যাব জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতির অংশ হিসেবে তারা নিয়মিত অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করেন। খবরের অনুযায়ী, অভিযানে তার হেফাজত থেকে ওই পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার করা হয় এবং তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    র‌্যাব আরও জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত গাঁজাসহ গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে ফকিরহাট থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র‌্যাব এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে নিশ্চিত করেছে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, “কাটাখালী এলাকায় ১৩ কেজি গাঁজাসহ একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বাগেরহাটের বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণের প্রক্রিয়া চলছে।”

  • ডিএফপি’র আয়োজনে আঞ্চলিক পত্রিকার সম্পাদকদের জন্য অবহিতকরণ সভা

    ডিএফপি’র আয়োজনে আঞ্চলিক পত্রিকার সম্পাদকদের জন্য অবহিতকরণ সভা

    চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর (ডিএফপি) এর উদ্যোগে আঞ্চলিক ও স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই সভার লক্ষ্য ছিল ‘ছাপাখানা ও প্রকাশনা (ঘোষণা ও নিবন্ধনকাল) আইন ১৯৭৩’ এবং ‘সংবাদপত্র ও সাময়িকীর মিডিয়া তালিকাভুক্তি ও নিরীক্ষা নীতিমালা ২০২২’ সম্পর্কিত তথ্য প্রদান। সোমবার বেলা ১১টায় ঢাকা শহরের সার্কিট হাউস রোডের তথ্য ভবনের হল রুমে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খালেদা খানম। অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও প্রকাশনা) মুহাম্মদ শিপলু জামান সঞ্চালনা করেন, সেখানে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নীরীক্ষা) সুফি আব্দুলাহিল মারুফ, উপ-পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নীরিক্ষা ও নিবন্ধন) মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান, সহকারী পরিচালক (বিজ্ঞাপন ও নীরিক্ষা) তন্বী তাবাসসুম সহ অন্যান্য কর্মকর্তাও।

  • নগরীতে দুর্বৃত্তের হামলায় এক পরিবারের চারজন আহত, গ্রেফতার একজন

    নগরীতে দুর্বৃত্তের হামলায় এক পরিবারের চারজন আহত, গ্রেফতার একজন

    নগরীর জোড়াগেট এলাকার সূর্যগাছীর বাড়িতে ছোটখাটো একটি দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দুর্বৃত্তের হামলায় এক পরিবারের চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার ভোর ৫টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন হাসিবুর রহমান আছিব (২১), আসলাম (৩৬), মোঃ বাপ্পি শেখ (৩৫) এবং ঝুমু আক্তার (২৬)। আহতদের যথাযথ চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাত ৮টার দিকে আসামি সুমন তাদের কাছে জরুরি কথা বলার জন্য তাদের বাড়িতে ডেকে নিয়ে যান। সেখানে তাকে মারধর করে লোহার রড ও কাঠের বাটার মাধ্যমে শরীরে আঘাত করা হয়। ভোর ৫টার দিকে আছিব পালিয়ে বাড়িতে ফিরে আসেন। তবে আগে থেকেই খবর পেয়ে সুমনসহ আরও দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার বাড়িতে প্রবেশ করে অকথ্য মারপিট শুরু করে।

    আহতদের রক্ষা করার জন্য পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে আসলে পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে উঠে। তখন ফারুক সরদারের হাতে থাকা চা পাতা দিয়ে আসলামকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করে। পাশাপাশি বাপ্পি শেখকে কাঠের বাটা দিয়ে মারাত্মক আঘাত করা হয়। ঝুমু আক্তারকে চুলের মুঠি ধরে ফেলে জামাকাপড় ছিঁড়ে শ্লীলতাহানি চালানো হয় এবং তার বাম হাতে ছুরি দিয়ে পোচ দেয়। এরপর দুর্বৃত্তরা আছিবের ঘরে প্রবেশ করে নগদ ১৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়।

    এই ঘটনার পর ঝুমু আক্তার বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই হামলার সঙ্গে ফারুখ শিকদার ও জিম সাদী নামে দুজন দুর্বৃত্ত জড়িত, যারা আগে থেকেই বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্ত। তারা এলাকার সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। পলিশি চেষ্টা চালিয়ে গোপনে এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান চলছে।

    খুলনা সদর থানার এসআই সাত্তার জানান, পুলিশ এই হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সুমন নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে। তিনি আরো বলেন, ওই পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে ও অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

  • মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাসেল (২৫) নিহত

    মাগুরায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাসেল (২৫) নিহত

    মাগুরার শ্রীপুরে একটি পুকুরে বৈদ্যুতিক মোটর স্থাপন করে পানি দিতে গেলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাসেল মোল্লা (২৫) নামের এক যুবক মারা গেছেন। সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার দারিয়াপুর ইউনিয়নের বড়ইচারা গ্রামে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত রাসেল ওই গ্রামের ওয়াদুদ মোল্লার ছোট ছেলে। তিনি মাগুরা জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। স্থানীয়রা জানায়, বাড়ির পাশের পুকুরে সেচের জন্য বৈদ্যুতিক মোটর বসিয়ে রাখা ছিল। মোটরে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে রাসেল সেটি পরীক্ষা করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন এবং গুরুতরভাবে আহত হন।

    পরিবারের লোক ও প্রতিবেশীরা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে (দারিয়াপুর) নিয়ে গেলে সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. আতাউর রহমান বলেন,初 বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রাসেল মোল্লার মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আহতের খবর শুনে স্তম্ভিত ছিলেন এবং বিদ্যুৎ সুরক্ষা ও সরঞ্জামের মান পরীক্ষা করার দাবি জানিয়েছে।

  • সাতক্ষীরার পুত্রবধূ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির নারী আসনের মনোনয়ন

    সাতক্ষীরার পুত্রবধূ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির নারী আসনের মনোনয়ন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরার পুত্রবধূ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন তালিকা ঘোষণা করেন।

    রিজভীর বরাতে জানা গেছে, তালিকায় স্থান পেয়েছেন সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের দাঁড়কি গ্রামের বাসিন্দা সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। তাঁর স্বামী ব্যাংকার ইলিয়াস হোসেন। তুনি নাটোরের আক্তার হোসেনের কন্যা।

    ইলিয়াস হোসেন জানিয়েছেন, সানজিদা ইয়াসমিন তুলি ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে রাজনীতিতে জড়িত ছিলেন এবং পূর্বের আন্দোলনগুলোতে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। এই রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে ব্যাখ্যা করে তিনি তুলিকে ‘সম্মুখ যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।

    তুলির মনোনয়নকে স্বাগত জানিয়েছেন সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির নেতাকর্মীরা। তারা দলীয় ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং তুলির সফলতার জন্য শুভকামনা জানিয়েছে।

  • সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন

    সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরার পুত্রবধূ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। মনোনয়নের তালিকা সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    তুলি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের দাঁড়কি গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী ব্যাংকার ইলিয়াস হোসেন। তুলি নাটোরের আক্তার হোসেনের কন্যা। রাজনৈতিক জীবন শুরু থেকেই তিনি ছিলেন ছাত্র-রাজনীতির সঙ্গে জড়িত; ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে উপস্থিত থেকেছেন।

    মনোনয়ন পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা ও স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা খুশি হয়েছিলেন এবং দলের প্রধান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মনে করা হচ্ছে, তুলি নিজ এলাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে সাড়া ফেলতে সক্ষম হবেন।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে ২২নং ওয়ার্ডের কাস্টমঘাটে অবস্থিত আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদনে আজ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, হাম রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে অনেকে আক্রান্ত ও কয়েকজন শিশুও ঝরে পড়েছে। তাই সরকার দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের নিরাপদে টিকার আওতায় আনার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, হাম ভাইরাসজনিত রোগ করোনার মতো দ্রুত ছড়াতে পারে; এজন্য সবাইকে টিকাদানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে এবং কোনো শিশুকে টিকাদান থেকে বাদ পড়তে দিতে হবে না। বিশেষ করে মায়েদের আরও সচেতন হয়ে তাদের শিশুকে নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আর জনগণের অবশ্যই নাগরিক দায়িত্ব পালন করলে জাতিকে বড় ধরনের দুর্যোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানের শেষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন খুলনা উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, স্থানীয় সরকার দফরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খানম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, থানা শিক্ষা অফিসার মো. শাহজাহান এবং ইউনিসেফের ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিস্টের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

    প্রতিষ্ঠাব্যুর তথ্য অনুযায়ী, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে এই ক্যাম্পেইনে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের মোট ৯৩,৭৮৮ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের। এর মধ্যে স্কুলভিত্তিক লক্ষ্য ১৩,৩৮৮ জন এবং কমিউনিটি ভিত্তিক লক্ষ্য ৮০,৪০৪ জন। সেবাটি ২৫৬টি টিকাদান কেন্দ্রে পরিচালিত হবে। টিকাদান কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবে ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং ৬২ জন সুপারভাইজার—মোট ৮২টি টিম দায়িত্ব পালন করবে। ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চালু থাকবে।

    টিকাদান কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এবং পূর্বে এমআর টিকা গ্রহণ করা শিশু সহ সকল ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেয়া হবে। এর আওতায় খুলনার সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের অনুরোধ করেছে দ্রুত শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে এসে এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য। যাতে কোনো শিশু টিকাদান থেকে বঞ্চিত না হয় এবং সম্প্রদায়ের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দৃঢ় হয়।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) খুলনা সিটির ২২নং ওয়ার্ডের কাস্টমঘাট আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদনে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে অনেক শিশু আক্রান্ত ও মৃত‌্যুকাণ্ড ঘটেছে, তাই শিশুসহ পরিবারের সবাইকে টিকাদানে আরও তৎপর হতে হবে। তিনি আলোকপাত করেন যে সরকার শিশুদের টিকার আওয়ায় আনার জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং আজ থেকেই এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হাম ভাইরাসজনিত রোগকে করোনার মতোই গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার; যাতে কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই দিকে বিশেষ মনোযোগ রাখার অনুরোধও করেন। মায়েদের বেশি সচেতন হয়ে তাদের সন্তানদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান তিনি জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন খুলনার উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, খুলনা স্থানীয় সরকার দফতরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খানম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, থানা শিক্ষা অফিসার মো. শাহজাহানসহ ইউনিসেফের ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিস্টের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

    অনুষ্ঠান থেকে জানানো হয়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৯৩,৭৮৮ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুলভিত্তিক লক্ষ্য ১৩,৩৮৮ জন এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক লক্ষ্য ৮০,৪০৪ জন। টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩১টি ওয়ার্ডে ২৫৬টি টিকা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে কাজ করবে ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং ৬২ জন ফ্রন্টলাইনের সুপারভাইজার—মোট ৮২টি টিম দায়িত্ব পালন করবে।

    ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। হাম-রুবেলা সংক্রমণ প্রতিরোধে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী (পূর্বে এমআর টিকা গ্রহণ করা শিশুসহ) সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। খুলনার সকল স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    অবশেষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকলকে টিকাদানে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয় যাতে শহরের শিশুদের মধ্যে হাম-রুবেলা সংক্রমণ রোধ করা যায় এবং সমাজকে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।