Category: সারাদেশ

  • সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন

    সানজিদা ইয়াসমিন তুলি পেলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন পেয়েছেন সাতক্ষীরার পুত্রবধূ সানজিদা ইয়াসমিন তুলি। মনোনয়নের তালিকা সোমবার (২০ এপ্রিল) নয়াপল্টনের বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঘোষণা করেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

    তুলি সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের দাঁড়কি গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী ব্যাংকার ইলিয়াস হোসেন। তুলি নাটোরের আক্তার হোসেনের কন্যা। রাজনৈতিক জীবন শুরু থেকেই তিনি ছিলেন ছাত্র-রাজনীতির সঙ্গে জড়িত; ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রদলের সদস্য সচিব হিসেবে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন এবং বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠে উপস্থিত থেকেছেন।

    মনোনয়ন পাওয়ায় সাতক্ষীরা জেলা ও স্থানীয় দলীয় নেতাকর্মীরা খুশি হয়েছিলেন এবং দলের প্রধান তারেক রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। মনে করা হচ্ছে, তুলি নিজ এলাকার সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশে সাড়া ফেলতে সক্ষম হবেন।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের আয়োজনে ২২নং ওয়ার্ডের কাস্টমঘাটে অবস্থিত আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদনে আজ সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। উদ্বোধনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি জানান, হাম রোগের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে অনেকে আক্রান্ত ও কয়েকজন শিশুও ঝরে পড়েছে। তাই সরকার দ্রুততার সঙ্গে শিশুদের নিরাপদে টিকার আওতায় আনার সব আয়োজন সম্পন্ন করেছে। আজ থেকে শুরু হওয়া এ ক্যাম্পেইনকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, হাম ভাইরাসজনিত রোগ করোনার মতো দ্রুত ছড়াতে পারে; এজন্য সবাইকে টিকাদানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নিতে হবে এবং কোনো শিশুকে টিকাদান থেকে বাদ পড়তে দিতে হবে না। বিশেষ করে মায়েদের আরও সচেতন হয়ে তাদের শিশুকে নির্দিষ্ট টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান তিনি। আর জনগণের অবশ্যই নাগরিক দায়িত্ব পালন করলে জাতিকে বড় ধরনের দুর্যোগ থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানের শেষে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদ সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য রাখেন খুলনা উপ-পুলিশ কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, স্থানীয় সরকার দফরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খানম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, থানা শিক্ষা অফিসার মো. শাহজাহান এবং ইউনিসেফের ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিস্টের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

    প্রতিষ্ঠাব্যুর তথ্য অনুযায়ী, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে এই ক্যাম্পেইনে লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের মোট ৯৩,৭৮৮ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদানের। এর মধ্যে স্কুলভিত্তিক লক্ষ্য ১৩,৩৮৮ জন এবং কমিউনিটি ভিত্তিক লক্ষ্য ৮০,৪০৪ জন। সেবাটি ২৫৬টি টিকাদান কেন্দ্রে পরিচালিত হবে। টিকাদান কার্যক্রমে নিয়োজিত থাকবে ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং ৬২ জন সুপারভাইজার—মোট ৮২টি টিম দায়িত্ব পালন করবে। ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চালু থাকবে।

    টিকাদান কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত চলবে এবং পূর্বে এমআর টিকা গ্রহণ করা শিশু সহ সকল ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচের শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেয়া হবে। এর আওতায় খুলনার সব স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে টিকাদান কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন এবং সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ অভিভাবকদের অনুরোধ করেছে দ্রুত শিশুদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে এসে এই কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার জন্য। যাতে কোনো শিশু টিকাদান থেকে বঞ্চিত না হয় এবং সম্প্রদায়ের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দৃঢ় হয়।

  • খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে সোমবার (২০ এপ্রিল ২০২৬) খুলনা সিটির ২২নং ওয়ার্ডের কাস্টমঘাট আমিরাবানু বেগম নগর মাতৃসদনে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬-এর উদ্বোধন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, হামের প্রাদুর্ভাবের কারণে ইতোমধ্যে অনেক শিশু আক্রান্ত ও মৃত‌্যুকাণ্ড ঘটেছে, তাই শিশুসহ পরিবারের সবাইকে টিকাদানে আরও তৎপর হতে হবে। তিনি আলোকপাত করেন যে সরকার শিশুদের টিকার আওয়ায় আনার জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং আজ থেকেই এই ক্যাম্পেইন শুরু হয়েছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, হাম ভাইরাসজনিত রোগকে করোনার মতোই গুরুত্ব দিয়ে দেখা দরকার; যাতে কোনো শিশু টিকা থেকে বঞ্চিত না হয়, সেই দিকে বিশেষ মনোযোগ রাখার অনুরোধও করেন। মায়েদের বেশি সচেতন হয়ে তাদের সন্তানদের টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার আহ্বান তিনি জানান।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব আহমেদের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন খুলনার উপপুলিশ কমিশনার (অপারেশন) আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, খুলনা স্থানীয় সরকার দফতরের উপপরিচালক মো. আরিফুল ইসলাম, খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছা. মাহফুজা খানম, মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. সুজাত আহমেদ, খুলনা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, থানা শিক্ষা অফিসার মো. শাহজাহানসহ ইউনিসেফের ন্যাশনাল ইপিআই স্পেশালিস্টের প্রতিনিধি। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপন করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম।

    অনুষ্ঠান থেকে জানানো হয়, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী মোট ৯৩,৭৮৮ জন শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে স্কুলভিত্তিক লক্ষ্য ১৩,৩৮৮ জন এবং কমিউনিটি-ভিত্তিক লক্ষ্য ৮০,৪০৪ জন। টিকাদান কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ৩১টি ওয়ার্ডে ২৫৬টি টিকা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে কাজ করবে ১৪৪ জন টিকাদান কর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী এবং ৬২ জন ফ্রন্টলাইনের সুপারভাইজার—মোট ৮২টি টিম দায়িত্ব পালন করবে।

    ক্যাম্পেইনটি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। হাম-রুবেলা সংক্রমণ প্রতিরোধে ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে ২০২৬ পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী (পূর্বে এমআর টিকা গ্রহণ করা শিশুসহ) সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা প্রদান করা হবে। খুলনার সকল স্থায়ী ও অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে।

    অবশেষে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকলকে টিকাদানে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয় যাতে শহরের শিশুদের মধ্যে হাম-রুবেলা সংক্রমণ রোধ করা যায় এবং সমাজকে বড় ধরনের জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।

  • চিতলমারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    চিতলমারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সোমবার (২০ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার প্রধান অতিথি হিসেবে উদ্যোগটি শুরু করেন।

    এ বছর চিতলমারীতে মোট ১৫,০৬৭ জন শিশু হাম ও রুবেলা সংক্রমণ থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে টিকা পাবে। ইতিমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১০ হাজার টিকা এসে পৌঁছেছে; বাকিগুলো পর্যায়ক্রমে আনা হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ৬৩টি ইপিআই কেন্দ্রে ২০ এপ্রিল থেকে আগামী ১০ মে পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান কার্যক্রম চলবে।

    উপজিলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা শর্মী রায়ের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল অফিসার এম আর ফরাজী, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অচ্যুতানন্দ দাস, থানার প্রতিনিধি এসআই সুজয় কুমার মল্লিক, চিতলমারী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ একরামুল হক মুন্সি, চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম সুলতান সাগর ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ফার্মাসিস্ট শিশির মজুমদারসহ অন্যান্য অভিভাবক ও স্থানীয় প্রতিনিধিরা।

    উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, ‘‘হাম-রুবেলা টিকা শিশুদের হাম ও রুবেলা ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। উপজেলা পর্যায়ে ছয় মাস থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে যারা সকল শিশু রয়েছে, তাদের বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে। অভিভাবকদের সচেতনতার সঙ্গে তাদের শিশুদের নির্ধারিত সময়ে নিকটস্থ কেন্দ্রে নিয়ে এসে টিকাদানে অংশ নিতে অনুরোধ করি।’’

    স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে möglichst সকল শিশুকে টিকা দেয়ার চেষ্টা করা হবে যাতে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং মহামারীজনিত ঝুঁকি কমে। অভিভাবকদের মাঝে সময়মতো টিকা গ্রহণে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

  • পরিকল্পিত হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় হেরাজ মার্কেটের মসজিদে

    পরিকল্পিত হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয় হেরাজ মার্কেটের মসজিদে

    নগরীর হেরাজ মার্কেটের জামে মসজিদে পরিকল্পিতভাবে হামলা, ভাঙচুর ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হয়েছে বলে নির্মম অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাবেক ইমাম আবুল কালাম আজাদকে পুনর্বহাল করার বিষয়টি কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে গত রোববার খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নাজমুস সাকির পিন্টু বলেন, ঘটনার দিন ১৮ এপ্রিল আসরের নামাজের পর একটি সংগঠিত দল মসজিদে প্রবেশ করে হামলা চালায়, ভাঙচুর করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে। এসময় তারা সাবেক ইমাম আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আনীত সামাজিক বা ব্যক্তিগত অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগের কারণে তাকে বহিষ্কার করা হয়। তবে ওই সময়পরবর্তীতে একটি ধর্ষণ মামলার বিচারাধীনতা রয়েছে এবং তার সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে উঠতি অন্তরঙ্গ ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। এর মাধ্যমে ইমাম শূন্য থাকা দীর্ঘদিনের পরিস্থিতির মধ্যে নতুন নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ঘটনার দিন খুলনা জেলা ইমাম পরিষদ নেতা গোলাম কিবরিয়া, নাজমুস সউদ ও মোল্লা মিরাজের নেতৃত্বে বহিরাগতরা মসজিদে প্রবেশ করে। তারা মাইকে ঘোষণা দিয়ে সাবেক ইমামকে পুনর্বহালের প্রক্রিয়া শুরু করে। এ সময় প্রতিবাদ করলে, মসজিদ কমিটির সচিব নাজমুস সাকির পিন্টুসহ কয়েকজনের উপর হামলা চালানো হয়। আহত হয় পিন্টু, রিয়াজ উদ্দিন সুজা, শফিকুল ইসলামসহ আরও অনেকে। হামলাকারীরা মসজিদের ভেতরে থাকা ডিজিটাল ঘড়ি এবং জানালা কাঁচ ভেঙে প্রায় ৪০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন করে। অভিযোগকারীরা আরো জানান, এর আগে সম্ভাব্য উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে থানায় অভিযোগ করা হলেও তার কোনো ফল হয়নি। পরে ভুক্তভোগীরা উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। সংবাদ সম্মেলনে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানানো হয়। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক নেই; তবে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

  • ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ থেকে মুক্তির জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের গুরুত্ব

    ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ থেকে মুক্তির জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের গুরুত্ব

    খুলনা জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির এপ্রিল মাসের সভা রোববার জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের সভাপতিত্বে তাঁর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিভিল সার্জন ডাঃ মোছাঃ মাহফুজা খাতুন বলেন, সারাদেশে হাম-রুবেলা সংক্রমণের মহূর্ত চলছে। আগামী ১০ মে পর্যন্ত, সারাদেশের ৬ মাস বয়স থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলার টিকা দেওয়া হবে। এই তালিকায় রয়েছে খুলনা বিভাগের সব জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় বিভিন্ন টিকাদান ক্যাম্পেইন। তিনি আরও তিনি জানান, ডেঙ্গু, চিকุนগুনিয়া ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ থেকে রক্ষা পেতে জেলা পর্যায়ে সকলে নিজ নিজ উদ্যোগে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো জরুরি। এতে নগর ও গ্রামীণ এলাকাগুলিতে পানি জমা বন্ধসহ সচেতনতা বৃদ্ধি হবে। এই কার্যক্রম সফল করতে সকল দপ্তর ও মানুষকে একযোগে এগিয়ে আসার আহ্বান রইল।

    অপরদিকে, ওজোপাডিকো লিমিটেডের প্রতিনিধিরা জানান, খুলনা জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। সরকারের উদ্যোগে সন্ধ্যাকালীন সার্কুলার অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা হচ্ছে। এ জন্য সকলে নিজেদের বিদ্যুৎ বিল নিয়মিত পরিশোধ করার অনুরোধ জানানো হয়।

    এছাড়াও, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ বদরুজ্জামান বলেন, মৎস্য সংরক্ষণ বিধিমালা অনুযায়ী কোন ধরনের ক্ষতিকর জাল, যেমন- চটজাল, কারেন্ট জাল, টংজাল, বেড়জাল, জগত বা বেহেন্দি জাল, ব্যবহার করতেは禁止। ফাল্গুন থেকে শ্রাবন মাস পর্যন্ত এসব ক্ষতিকর জাল ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত বিশেষ অপারেশন পরিচালনা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মোট ৬ ধাপে ২৫৭টি অভিযান ও ৫১টি মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৭৮টি বেহেন্দি জাল, ১৪.২৬ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল ও অন্যান্য জাল জব্দ ও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর ফলে, খুলনা জেলায় ৪৫ দিনে ১৭৮টি বেহেন্দি জাল ও অন্যান্য ক্ষতিকর জাল ধ্বংস করা হয়েছে এবং জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সভায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

  • তেরখাদায় সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দোকান দখলের অভিযোগ

    তেরখাদায় সাবেক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দোকান দখলের অভিযোগ

    তেরখাদা উপজেলার ছাগলাদাহ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান দ্বীন ইসলাম বিরুদ্ধে জোরপূর্বক দোকান ঘর দখলের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছেন, বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করে তারা ন্যায় বিচার চাচ্ছেন। গত যোগ্য নির্ধারিত জমির ওপর দীর্ঘদিন থেকে ভোগদখল করে আসছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা, কিন্তু সম্প্রতি সৈয়দ দ্বীন ইসলাম তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে হঠাৎ করে তাদের দোকান ভেঙে ফেলার ও লুটপাটের অভিযোগ করেন। অভিযোগকারীরা জানান, তাদের দীর্ঘদিনের হস্তগত জমি নদীভাঙনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা লাখ লাখ টাকা খরচ করে নদী রোধে কাজ করেন এবং ৮টি দোকান নির্মাণ করেন। এর মধ্যে বেশ কিছু ব্যাবসায়ী দীর্ঘ ১৫-১৬ বছর ধরে সেখানে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু চরম অন্যায় করে দ্বীন ইসলাম দোকানগুলো ভেঙে ফেলে নিজস্ব মার্কেট নির্মাণ করেছেন। স্থানীয় সমাজসেবক এমদাদুল হক বলেন, যখন ইউনিয়নের জন্য জমির প্রয়োজন হয়েছিল তখনই জমি দিয়ে ছিলেন। ভুক্তভোগীরা জানান, দোকান ভাঙার সময় স্থানীয় ভারপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও ফল পাননি। ভুক্তভোগী ইয়াসমিন বেগম বলেন, “আমার স্বামী অসুস্থ, ছেলেমেয়েরা না খেয়ে জীবনযাপন করছেন। অনেক কষ্টে দোকান করেছি, কিন্তু হঠাৎ ভেঙে দেয়ায় আমরা অসহায়। চেয়ারম্যানের লোকজন মারপিটও করেছেন। এরপর উপজেলা প্রশাসনের কাছে বিচার চাইলে তারা আশ্বাস দিয়েছেন, দোকান ফিরিয়ে দেবেন। কিন্তু এখনো কিছুই পাননি।” দোকান মালিকের ছেলে বোরহান উদ্দিন বলেন, “আমরা খুবই অসহায়। সুষ্ঠু তদন্ত করে আমাদের জীবিকা চালানোর উপায় ফিরিয়ে দিতে চাই।’’ বাজারের প্রশাসনিক কমিটির সভাপতি মাসুম গাজী বলেন, “প্রথমে তরফদাররা দোকানদার ছিলেন। নদী ভাঙন রোধে তারা অনেক টাকা ব্যয় করেন। কিন্তু এরপর চেয়ারম্যান দ্বীন ইসলাম তার দলবল নিয়ে দোকানগুলো জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছেন।” স্থানীয় ইউপি সদস্য শেখ মনজুরুল আলম বলেন, “সাবেক চেয়ারম্যান দ্বীন ইসলাম জোড়া হত্যার মামলায় ৩২ বছর সাজাপ্রাপ্ত। তার সন্ত্রাসী বাহিনী আমার চোখের সামনে দোকানগুলো ভেঙে দিয়েছে।” দ্বীন ইসলাম জানান, “উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে তখনকার সময় আমি কি বলেছি জানি না, তবে থানায় অভিযোগ করলে আমি জোরপূর্বক মার্কেট করছি বলে আসলে কিছু বলিনি। আমি বলেছি, এটা আমাদের জমি না, তবে সরকারি নির্দেশে কিছু করেছি।” তেরখাদা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহীদুল্লাহ বলেন, “দোকানদারদের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে, বিষয়টি জানি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” তবে পরিস্থিতির জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও ভুক্তভোগীদের মাঝে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

  • নগরীর ৩১ ওয়ার্ডে প্রায় এক লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে

    নগরীর ৩১ ওয়ার্ডে প্রায় এক লাখ শিশুকে হাম-রুবেলা টিকা দেওয়া হবে

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ৩১টি ওয়ার্ডে আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত ৬ মাস থেকে ৫ বছরের নিচে মোট ৯৩ হাজার ৭৮৮ শিশুকে এক ডোজ হাম-রুবেলা টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এই লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে স্কুল শিশুর সংখ্যা ১৩ হাজার ৩৮৮ এবং কমিউনিটি ভিত্তিক শিশুর সংখ্যা ৮০ হাজার ৪০৪। এই তথ্য জানানো হয় রোববার সন্ধ্যায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নগর স্বাস্থ্য ভবনের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রধান অতিথি হিসেবে। তিনি বলেন, আমরা চাই এই টিকা কার্যক্রম যাতে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিশুর দারপ্রাপ্ত হয়, সেই জন্য আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যেই সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মাইকিং এবং মসজিদের ইমামদের সঙ্গে বৈঠক করে সচেতনতা কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। শুক্রবার নামাজের আগে খুতবায় এই টিকা কার্যক্রমের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করা হবে। মিডিয়ার ভূমিকা সর্বাধিক হলে এই প্রচার আরও ফলপ্রসূ হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    অতি অবশ্যই, সকল শিশুকে হাম-রুবেলা থেকে রক্ষা করতে এই ক্যাম্পেইনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এর জন্য গণমাধ্যমকর্মীদের সহায়তা চেয়েছেন প্রশাসক, যেন কোথাও যদি দুর্বলতা বা সমস্যা দেখা যায়, তা দ্রুত তারা কর্তৃপক্ষের নজরে আনেন।

    প্রশাসনের উদ্যোগে কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মীউল ইসলাম, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুল এবং অন্যান্য গণমাধ্যমকর্মীরা। ডাঃ নাজমুর রহমান সজিব, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার, এই টিকা বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য উপস্থাপন করেন।

    সভায় জানানো হয়, ২৫৬টি টিকা কেন্দ্রে ১৪৪ জন টিকাদানকর্মী, ২০৬ জন স্বেচ্ছাসেবী ও ৬২ জন সুপারভাইজার এই ক্যাম্পেইন পরিচালনা করবে। কার্যক্রম প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে, ছুটির দিন ব্যতীত।

    এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে, খুলনা বিভাগে প্রতিটি জেলা, উপজেলা, সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন চলবে। এর লক্ষ্য শিশুদের প্রচুর সচেতনতা সৃষ্টি করে, যেন রোগের প্রাদুর্ভাব কমে আসে এবং শিশুদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত হয়।

  • মহেশপুর সীমান্তে তিন বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ

    মহেশপুর সীমান্তে তিন বাংলাদেশিকে আটক করেছে বিএসএফ

    ঝিনাইদহের মহেশপুরের যাদবপুর সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃপক্ষ তিনজন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে। রোববার সকাল সাড়ে ১১টার সময়, উপজেলার যাদবপুর বিওপি এলাকার বিপরীতে ভারতের পারগোপালপুর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। সীমান্ত পিলার ৪৯/২-এস এর কাছাকাছি ভারতীয় ভূখণ্ডে টহলরত বিএসএফ সদস্যরা ওই তিনজনকে আটক করে। আটক ব্যক্তিরা হলেন: মহেশপুরের কানাইডাঙ্গা গ্রামের হায়াৎ আলীর ছেলে হৃদয় (রাব্বী), গোপালপুরের মৃত উসমান গনির ছেলে শাহিন এবং আবু বকরের ছেলে সোহাগ। জানা গেছে, মোট পঁচিশজন অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের ভেতরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল। এ সময় বিএসএফ তাদের ধাওয়া করলে তিনজন ধরা পড়ে; বাকিরা পালিয়ে গেল। পরে, বিএসএফের জিজ্ঞাসাবাদে ধরা পড়া তিনজন স্বীকার করে যে, দুইজন পালাওয়ার চেষ্টা করেছিল। মহেশপুর ৫৮ বিজিবি’র এক বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে, এই ঘটনার বিষয়ে বিএসএফ ৯৯ ব্যাটালিয়ন এবং বিজিবি ৫৮ ব্যাটালিয়নের মধ্যে যোগাযোগ হয়েছে। আটককৃত ব্যক্তিরা বর্তমানে বিএসএফের হেফাজতে নিয়মিত পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে রয়েছেন। বিএসএফ ৯৯ ব্যাটালিয়নের দাবি, তাদের কাছে যে তিন বাংলাদেশি আটক হয়, তাদের মধ্যে মাদকসহ অন্যান্য আইনি অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়ে ধারণা পাওয়া গেছে। মহেশপুর ৫৮ বিজিবি’র অধিনায়ক লেঃ কর্নেল রফিকুল আলম বলেন, তাদের আটকের বিষয়ে তিনি শুনেছেন। সীমান্তের জিরো লাইন থেকে প্রায় ১৫০ গজ দূরে ভারতের ভেতরে বিএসএফ কর্তৃপক্ষের হাতে তারা আটক হয়েছে বলে জানা যায়। তিনি আরও জানান, এই ঘটনাটি নিয়ে তারা খোঁজখবর রাখছেন এবং পরিস্থিতির ওপর নজরদারি চালাচ্ছেন।

  • খুলনায় সোমবার থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

    খুলনায় সোমবার থেকে হাম-রুবেলা টিকাদান কার্যক্রম শুরু

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানিয়েছেন, সারাদেশে হাম ও রুবেলার প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, এজন্য শিশুদের রক্ষায় সোমবার থেকে খুলনায় হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হবে।

    আজ রোববার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে নগর স্বাস্থ্য ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত ‘হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন-২০২৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তিনি বলেন, হাম ও রুবেলা—উভয়ই ভাইরাসজনিত সংক্রামক রোগ, যা আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশির মাধ্যমে দ্রুত ছড়ায়। শিশুদের মধ্যে এসব রোগের জটিলতা ও মৃত্যু ঝুঁকি বেশি থাকায় তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য।

    আলোচনা সভায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের কার্যকরী প্রধান নির্বাহী রাজিব আহমেদ, ডাঃ নাজমুর রহমান সজীব, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, সদস্য সচিব রফিউল ইসলাম টুটুলসহ অন্যান্য কর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

    প্রশাসক নজরুল জানান, খুলনা মহানগরীর ২২ নং ওয়ার্ডে আগামীকাল সকাল ৯টায় টিকাদান ক্যাম্পেইন উদ্বোধন করা হবে এবং তিনি নিজে উদ্বোধন কার্যক্রম সচল করবেন।

    তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ এপ্রিল থেকে ১৮টি জেলায় গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি উপজেলার পাশাপাশি ১৩টি পৌরসভার মধ্যে ক্যাম্পেইন শুরু হয় এবং ১২ এপ্রিল থেকে এর দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে। সর্বশেষ আগামীকাল (২০ এপ্রিল) থেকে সকল জেলা, উপজেলা, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনগুলোতেও এ কর্মসূচি চালু হবে। দীর্ঘ এক মাসব্যাপী চলবে এই ক্যাম্পেইন; এতে ৬ থেকে ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সাধারণ শিশুদের টিকা প্রদান করা হবে।

    প্রশাসন জানায়, অভিভাবকরা নির্ধারিত স্থানে সময়মত এসে তাদের শিশুদের টিকা করাতে হবে যাতে দ্রুত ও কার্যকরভাবে রোগের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।