Category: সারাদেশ

  • ব্যবসায়ী স্বামীকে অপহরণ ও গুমের চেষ্টার অভিযোগ স্ত্রীর

    ব্যবসায়ী স্বামীকে অপহরণ ও গুমের চেষ্টার অভিযোগ স্ত্রীর

    খুলনায় ব্যবসায়ী কালী শংকর সাহা অরবিন্দুকে অপহরণ ও গুমের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তার দ্বিতীয় স্ত্রী অনামিকা দাস (পপি) এর বিরুদ্ধে। সোমবার খুলনায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে বিশদভাবে কথা বলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা দাস জানান, তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে স্বামী পরিত্যক্তা হিসেবে সন্তানসহ খুলনায় বসবাস করে আসছেন। এর মধ্যে স্বামী কালী শংকর সাহা অরবিন্দু তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন, এবং ২০২৬ সালের ৮ এপ্রিল হিন্দু বিবাহ আইন অনুযায়ী তাদের বিবাহ مراسم সম্পন্ন হয়।

    তবে তিনি অভিযোগ করেন, কালী শংকর সাহার প্রথম পক্ষের ছেলে ডাঃ হিমেল সাহা ও পুত্রবধূ তন্নী দেবনাথ এই বিয়েকে মানসিকভাবে গ্রহণ করেননি। বিয়ের পর থেকেই তাকে মানসিক নির্যাতন, হুমকি, বের করে দেওয়ার চেষ্টা এবং অপমান করা হচ্ছে। এমনকি, তাকে বাড়িতে প্রবেশ করতে দিতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে।

    সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ১৬ এপ্রিল কৌশলে স্বামীকে আটকে রেখে তার মোবাইল ফোনও নিয়ে নেওয়া হয়। পরে জানা যায়, তাকে জোরপূর্বক ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি আদালতে মামলা করেন, সিআর নং ৯৪১/২৬। আদালত সার্চ ওয়ারেন্ট জারি করলেও এখনো তার স্বামীকে উদ্ধার করতে পারেননি বলে তিনি জানান।

    অভিযোগে অনামিকা দাস আরো বলেন, তার স্বামীকে অসুস্থ দেখিয়ে ঢাকায় আটকে রাখা হয়েছে, আর জোরপূর্বক তার সম্পত্তি লিখে নেওয়ার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি, তার স্বামীকে দেশের বাইরে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও করা হচ্ছে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    তিনি আরও জানান, দীর্ঘ দিন ধরে তার স্বামী ও তার পরিবারের অন্য সদস্যরা মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন, আর বিষয়টি আড়াল করতেই তাকে গুমের চেষ্টা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে অনামিকা দাস প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, তার স্বামীর দ্রুত উদ্ধার, নিরাপত্তা নিশ্চিত ও বিদেশে নেওয়া বন্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

  • কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত, ছেলে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন ঝিনাইদহের দুই মা

    কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে দুর্ঘটনায় নিহত, ছেলে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েছেন ঝিনাইদহের দুই মা

    বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজারে ঘুরতে গিয়ে পরিবারের জন্য সমাপ্তি হলো এক দুঃখজনক সড়ক দুর্ঘটনায়। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতির ফোর সিজন রেস্টুরেন্টের কাছে মারছা পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন, এর মধ্যে দুইজন ঝিনাইদহের বাসিন্দা।

    নিহতরা হলেন ঝিনাইদহের সদর উপজেলার বাজারগোপালপুর গ্রামের চাঁন আলীর ছেলে নাইমুর ইসলাম (২১) এবং পাথাহাটি গ্রামের আনোয়ার খন্দকারের ছেলে নাঈম মিয়া (২১)। রোববার দুপুরে তাদের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। অন্য দিকে লোহাগাড়া থানা পুলিশ নিহত নাঈম মিয়ার মরদেহ দাফনের জন্য পরিবারের কাছে পাঠায়।

    প্রথম মত অনুযায়ী, নাইমুর ইসলাম ও নাঈম মিয়া খুব কাছের বন্ধু ছিলেন। এক বছর আগে তারা বিজিবিতে চাকরি পান। ছুটিতে বাড়িতে ফিরে, তারা ৪ মে কক্সবাজারে বেড়াতে যান। তবে ফিরে আসার পথে, গত শনিবার, সকাল ১০টার দিকে দুর্ঘটনার শিকার হন। এ ঘটনায় একজন নারী ঘটনাস্থলেই মারা যান। হাসপাতালে নেয়ার পর ওই দিন দুপুরে নাইমুর ও নাঈমের মৃত্যু ঘটে।

    নিহত নাইমুরের মা, খ্যাত আমেনা খাতুন, তার ছেলে হারানোর শোকে শয্যাশায়ী, এখন পল্লী চিকিৎসকের সহায়তায় চিকিৎসাধীন। তার স্বামী, চান আলী, মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তারা দুজনই একজন সফল জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখতেন, যেখানে বড় ছেলে বিদেশে স্থায়ীভাবে থাকছে। কিন্তু দিনটি তাদের জন্য অত্যন্ত বেদনায় ভরপুর।

    নাইমুর ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করে বিজিবিতে চাকরি পান। খুবই কম সময়ের মধ্যে ছুটিতে এসে আবার সেই বন্ধুদের সাথে কক্সবাজারে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরার পথে এই অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনা তাঁদের স্বপ্নগুলো চূর্ণ করে দেয়।

    এদিকে, নিহত নাঈম মিয়ার পরিবারেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তার মা, গোলাপী খাতুন, বারবার কেদে কেদে মূর্ছা যাচ্ছেন। তার চাচা, সাইফুল ইসলাম, জানিয়েছেন, ভাই আনোয়ার খন্দকার চায়ের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। নাঈম ছিল তার একমাত্র ছেলে। দাফনের জন্য গত রাতে তার মরদেহ শহরের গোরস্তানে সমাহিত হয়েছে। তাদের পরিবার এখন বাকরুদ্ধ, তারা বিচার চাইছেন, এবং লোহাগাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে ঘটনার জন্য।

    এই ঘঠনার পর পুরো ঝিনাইদহে শোকের মাতম বইছে। পরিবারগুলোকে দুঃখ ও ক্ষোভের মধ্যে পড়তে হয়েছে, আর তারা মেনে নিতে পারেননি এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু। পরিবারের প্রত্যাশা, এই দুর্ঘটনাই যেন প্রকৃত বিচার পান এবং দায়ীদের শাস্তি হয়।

  • চিকিৎসা শেষে খুলনায় ফিরেছেন তুহিন, নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি

    চিকিৎসা শেষে খুলনায় ফিরেছেন তুহিন, নেতাকর্মীদের মধ্যে স্বস্তি

    খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন ঢাকায় চিকিৎসা শেষে আজ পুনরায় খুলনায় लौटেছেন। তার সুস্থতার খবর পেয়ে মহানগর বিএনপি ও বিভিন্ন অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা আনন্দ ও স্বস্তির অনুভূতি প্রকাশ করেছেন। সোমবার মহানগর বিএনপি’র মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী ঢাকা থেকে ফিরে আসার পর শফিকুল আলম তুহিন এখন বেশ ভালো আছেন এবং তার শারীরিক অবস্থা উন্নতির দিকে চলছে। সুস্থতার খবর পেয়ে তিনি খুলনায় পৌঁছানোর পর মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে শুকরিয়া আদায় করেছেন দলের নেতাকর্মীরা। বিএনপি নেতারা তার দ্রুত সম্পূর্ণ সুস্থতার জন্য দোয়া করেছেন এবং আশা প্রকাশ করেছেন যে, তার উপস্থিতি দলীয় কর্মকান্ডে উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে খুলনা মহানগর বিএনপিকে সংগঠিত করার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করেন। এ সময় নেতাকর্মীরা তার জন্য শুভকামনা ও শুভেচ্ছা জানান। বিশেষ করে আন্দোলন ও সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি বিষয়ে তার অন্তর্মুখী উদ্যোগে তারা আশাবাদী। শফিকুল আলম মনা, মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ও দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, মো: মাসুদ পারভেজ বাবু, চৌধুরী হাসানুর রশিদ মিরাজসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • প্রতিমন্ত্রী সাকির সঙ্গে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলামের সাক্ষাৎ

    প্রতিমন্ত্রী সাকির সঙ্গে কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলামের সাক্ষাৎ

    পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মোঃ জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি সোমবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে খুলনা סিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এই গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষাৎকালে খুলনার অভ্যন্তরীণ কারিগরি ও উন্নয়ন বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়। বিশেষ করে, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অধীনে বাস্তবায়িত ‘খুলনা শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন’ প্রকল্পের সংশোধিত ডিপিপি উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা আলোচনা হয়। প্রশাসক মঞ্জু জানান, এই প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে ও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি কমাতে তাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে যাতে আগামী একনেক সভায় বিষয়টি উত্থাপন ও অনুমোদিত হয়। উল্লেখ্য, এই গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কের অবশিষ্ট নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তৃতীয়বারের মতো নতুন ডিপিপি প্রস্তুত করে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে। ইতোমধ্যে, এই প্রকল্পটি একনেকের সামনে উপস্থাপনের জন্য কার্যক্রম চলছে। এর আগে, প্রশাসক অনুরূপ উদ্যোগে সড়কটির অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পরবর্তী একনেক সভায় অন্তর্ভুক্তি ও অর্থায়নের জন্য পরিকল্পনা ও অর্থমন্ত্রী বরাবর প্রয়োজনীয় চিঠি পাঠান।

  • ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধে সচেতনতার বিকল্প নেই

    ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধে সচেতনতার বিকল্প নেই

    সোমবার খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলনকক্ষে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ক বিভাগীয় পর্যায়ের তামাক বিরোধী একটি গুরুত্বপুর্ণ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এই সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন। তিনি বক্তব্যে বলেন, ধূমপান এবং তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহৃত মারাত্মক ক্ষতি জনস্বাস্থ্যের জন্য। এই জন্য প্রয়োজন, ধূমপান ও তামাকের উৎপাদন, ব্যবহার, ক্রয়-বিক্রয় এবং বিজ্ঞাপনকে রুখে দেওয়া। পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

    তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একশ’ মিটারের মধ্যে কোন দোকানে তামাক বিক্রয় করা যাবে না। ১৮ বছরের নিচে কারো কাছে তামাক বিক্রি বন্ধ করতে হবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ধূমপান ও তামাকের ব্যবহারে সচেতনতা ছড়িয়ে দিতে হবে। যদি এই আইন কার্যকর করা সম্ভব হয়, তবে ধূমপান ও তামাকের ব্যবহার কমে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    অনলাইনে বক্তব্য রাখেন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মোঃ আখতারউজ-জামান। খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলমের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার সিফাত মেহনাজ, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মোঃ কামরুল ইসলাম, স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ মুজিবুর রহমান, প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার সহ আরও সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বিভাগীয় প্রশাসন এ সম্মেলনের আয়োজন করে।

    সভায় আলোচনা হয়, ধূমপান ও তামাক প্রতিরোধে নতুন আইন, ২০২৫ এবং সংশোধনী আইন, ২০২৬ এর বিষয়ে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কলেজের অধ্যক্ষ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকরাও এই আলোচনায় অংশ নেন।

    আলোচনায় বলা হয়, পাবলিক প্লেস, হাসপাতাল, ক্লিনিক, খেলাধুলা এবং শিশু পার্কের সীমার একশ’ মিটারব্যাপী তামাক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিক্রয় নিষেধ। কেউ যদি বিধান লঙ্ঘন করেন, তাহলে তার জন্য জরিমানা নির্ধারিত হয়েছে, যা অবিলম্বে পাঁচ হাজার টাকা। পুনরায় একই অপরাধে ধরা পড়লে এ জরিমানার দ্বিগুণ অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

    সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, কলেজের অধ্যক্ষ, স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকগণ।

  • যশোরে সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    যশোরে সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

    যশোর জেলা ও দায়রা জজ আদালত সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলার চার্জশিট গ্রহণ করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। আজ সোমবার (১১ মে) চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে জজ মাহমুদা খাতুন এ আদেশ জানান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের অতিরিক্ত পিপি নূর আলম পান্নু।

    পেছনের বিবরণে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-৪ শাখা সব ধরনের অস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই প্রজ্ঞাপনে নির্দেশ দেওয়া হয় লাইসেন্সধারীদের ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাদের অস্ত্র সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে হবে। কিন্তু শাহীন চাকলাদার তার লাইসেন্সকৃত পিস্তল (নম্বর-৬৯৪৪৬) পুলিশে জমা দেননি। পরে তদন্তকালে এসআই তারেক মোহাম্মদ আল নাহিয়ান জানান, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পালিয়ে যাওয়ার দিনই শাহীন চাকলাদার অস্ত্রসহ আত্মগোপনে চলে যান। পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

    মামলায় বলা হয়েছে, সরকারি নির্দেশ অমান্য করে অস্ত্র নিয়ে পালিয়ে যাওয়ায় তিনি সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে অস্ত্রটি অবৈধ কাজে ব্যবহার করতে পারেন—এ ধরনের আশঙ্কা পুলিশ করেছে। কোতোয়ালি থানার এসআই সাইফুল ইসলাম এ ঘটনার একটি অভিযোগ দায়ের করে ২০২৫ সালের ২৮ মে কোতোয়ালি থানায় অস্ত্র আইন অনুযায়ী মামলা করেন। তদন্ত শেষে দায়িত্বরত কর্মকর্তা শাহীন চাকলাদারকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন। পরে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয় এবং আজ আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে পলাতক আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির নির্দেশ দেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ জানুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আদালত শাহীন চাকলাদারের চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এছাড়া ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের সময় যশোর শহরের চিত্রামোড়ের পাঁচ তারকা হোটেল এবং পরে কাজীপাড়ায় তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছিল। স্থানীয়রা জানান, ওই ঘটনাগুলোর আগে তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে যান। জনশ্রুতি রয়েছে, রাজনীতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি ভারতের কলকাতায় অবস্থান করছেন—তবে এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো তথ্য জানা যায়নি।

  • সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে এক মৌয়াল গুরুতর আহত

    সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে এক মৌয়াল গুরুতর আহত

    সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের পায়রাটুনি খালে মধু সংগ্রহের সময় বাঘের আক্রমণে বাবলু গাজী (৪৮) নামে এক মৌয়াল গুরুতর আহত হয়েছেন। তিনি শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের মালেক গাজীর ছেলে।

    মৌয়ালরা জানিয়েছেন, রোববার (১০ মে) সকাল আটটার দিকে মাঝি ইউসুফ গাজীর নেতৃত্বে প্রায় ১০ জনের একটি দল পায়রাটুনি খালে মধু ভাঙতে যান। কাজের সময় হঠাৎ ঝোপের আড়াল থেকে একটি বাঘ বের হয়ে বাবলুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তার চিৎকারে সঙ্গে থাকা অন্যান্য মৌয়ালরা হুঙ্কার দিয়ে লাঠি নিয়ে এগিয়ে গেলে বাঘটি ভয়ে বনের দিকে পালিয়ে যায়।

    অবস্থান সংকট হওয়ায় সহকর্মীদের সহযোগিতায় বাবলুকে উদ্ধার করে স্থানীয় এলাকায় নিয়ে আসা হয়। প্রথমে তাকে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলেও শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা ফজলুল হক জানিয়েছেন, গত ৬ মে তাদের একটি দল বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন থেকে পারমিট নিয়ে সুন্দরবনে মধু আহরণে যায়। দলের মধ্যে থাকা বাবলু গাজীকে বাঘে আক্রমণ করে গুরুতর আহত করা হয়; তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরায় নেওয়া হয়েছে।

  • সুন্দরবনে বাঘের থাবায় মৌয়াল বাবলু গাজী গুরুতর আহত

    সুন্দরবনে বাঘের থাবায় মৌয়াল বাবলু গাজী গুরুতর আহত

    সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের পায়রাটুনি খাল এলাকায় মধু সংগ্রহ করতে গিয়ে বাঘের আক্রমণে বাবলু গাজী (৪৮) নামে একজন মৌয়াল গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। তিনি শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ডুমুরিয়া গ্রামের মালেক গাজীর ছেলে।

    মৌয়ালদের সূত্রে জানা যায়, রোববার (১০ মে) সকাল সাড়ে আটটার দিকে মাঝি ইউসুফ গাজীর নেতৃত্বে মোটামুটি দশ সদস্যের একটি দল পায়রাটুনি খালে মধু ভাঙতে যায়। হঠাৎ ঝোপের আড়াল থেকে একটি বাঘ বের হয়ে বাবলু গাজীর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাঁর চিৎকারে সঙ্গে থাকা অন্যান্য মৌয়ালরা হুঙ্কার দিয়ে লাঠি-ছড়ি নিয়ে এগিয়ে গেলে বাঘটি বনের দিকে পালিয়ে যায়।

    সে সময় গুরুতরভাবে আহত বাবলুকে সঙ্গে থাকা উৎসাহদের সাহায্যে দ্রুত লোকালয়ে নিয়ে আনা হয়। প্রথমে তাকে শ্যামনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি ঘটায় পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

    বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, গত ৬ মে বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট স্টেশন থেকে পারমিট নিয়ে ওই দলের সদস্যরা সুন্দরবনে মধু আহরণে গিয়েছিলেন। রবিবারের ঘটনার পরে আহত বাবলুকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

    মৌয়ালদের কাছে ঘটনাটি আতঙ্কের, এবং তারা বলেন দ্রুত প্রতিকার না হলে বনের জায়গায় কাজ করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ছে। বন বিভাগের আরও তদন্ত ও নজরদারির দাবি জানিয়েছে স্থানীয় লোকজন।

  • যশোরে অস্ত্র মামলায় সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    যশোরে অস্ত্র মামলায় সাবেক এমপি শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

    যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। সোমবার (১১ মে) চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মাহমুদা খাতুন এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের অতিরিক্ত পিপি নূর আলম পান্নু।

    মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের রাজনৈতিক-৪ শাখা সব অস্ত্রের লাইসেন্স স্থগিত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। ওই নির্দেশনায় লাইসেন্সধারীদের সব অস্ত্র ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু শাহীন চাকলাদার তার লাইসেন্সকৃত পিস্তল (নম্বর-৬৯৪৪৬) জমা দেননি।

    এসআই তারেক মোহাম্মদ আল নাহিয়ান তদন্ত করে জানতে পারেন, তৎপরতায় সেই দিনেই শাহীন চাকলাদার ওই অস্ত্রটি নিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। বর্তমানে তিনি পলাতক রয়েছেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে যে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে অস্ত্রসহ পালিয়ে যাওয়ায় তিনি সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে যোগসাজশ করে অস্ত্রটি অবৈধ কাজে ব্যবহার করতে পারেন।

    কোতোয়ালি থানার এসআই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ২৮ মে কোতোয়ালি থানায় অস্ত্র আইনে মামলা করেন। তদন্ত শেষে তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহীনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। পরবর্তীতে মামলাটি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে বদলি করা হয় এবং আজ চার্জশিটের শুনানির পর আদালত তা গ্রহণ করে পলাতক আসামি শাহীন চাকলাদারের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করার নির্দেশ দেন।

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ২২ জানুয়ারি দুদকের মামলায় শাহীন চাকলাদারকে চার বছরের কারাদণ্ড দেন আদালত। ২০২৪ সালের ছাত্রজোড়ার সময় ৫ আগস্ট দায়ের ঘটনায় যশোর শহরের চিত্রামোড়ে তাঁর মালিকানাধীন একটি হোটেলে আগুন লাগানো হয় এবং পরে কাজীপাড়ার বাসভবনেও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, অগ্নিসংযোগের আগে তিনি সপরিবারে আত্মগোপনে চলে গেছেন।

    জনশ্রুতি আছে যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর শাহীন চাকলাদার ভারতে, কলকাতায় অবস্থান করছেন—তবে এ সংক্রান্ত দাবিগুলো এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে প্রমাণিত নয়। আদালত চলতি আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করায় তাকে গ্রেপ্তার করে বিচারের মুখোমুখি করতেই এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

  • কৃষকের ঘাম-পরিশ্রমেই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত: আজিজুল বারী হেলাল

    কৃষকের ঘাম-পরিশ্রমেই দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত: আজিজুল বারী হেলাল

    খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও বিএনপি তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বিএনপি সবসময় মানুষের ভোটাধিকার, গণতন্ত্র ও মানবিক মূল্যবোধ রক্ষার রাজনীতি করে। দেশের প্রকৃত উন্নয়ন কেবল বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; প্রকৃত উন্নয়ন তখনই মেলে যখন গ্রামের কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ সক্ষমভাবে উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারে।

    তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তিই হচ্ছে কৃষি। কৃষকদের ঘাম ও পরিশ্রমের ওপর নির্ভর করেই দেশের খাদ্য安全তা নিশ্চিত হয়। তাই কৃষকদের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করা, আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থার বিস্তার, উন্নত বীজ, সার ও প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সহজলভ্য করা অত্যন্ত জরুরি।

    এমপি আজ রোববার তেরখাদা উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, বিএনপি কৃষকবান্ধব নীতিতে বিশ্বাস করে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি শক্তিশালী করতে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া শিক্ষাব্যবস্থা ও স্বাস্থ্যখাতের উন্নতি ছাড়া কোনো জাতিই স্থায়ীভাবে এগোতে পারে না—শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা আধুনিক ও সহজলভ্য করা উচিত। তরুণ সমাজকে মাদক ও সন্ত্রাস থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো প্রয়োজন, যোগ করেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে তিনি উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ‘অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ-২০২৬’ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের বরাদ্দ (২০২৫-২০২৬ অর্থবছর) অনুসারে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।

    উপজেলা পরিষদের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপি প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য স্যানিটারি মেশিন, বেঞ্চ, ক্রীড়া সামগ্রী, পিপি মেশিন, ডায়াবেটিক মেশিন, ওয়েট মেশিনসহ শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনও তিনি করেন। এরপর তিনি ছাগলাদাহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন এবং লস্করপুর সড়কের উদ্বোধন করেন।

    অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন তেরখাদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিস তাহমিনা সুলতানা নীলা। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) এস এম নুরুন্নবী, তেরখাদা থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ শহিদুল্লাহ, কৃষি কর্মকর্তা শিউলি মজুমদার, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হানিফ শিকদার, জেলা বিএনপি নেতা জুলফিকার আলী জুলু, এনামুল হক সজল, উপজেলা বিএনপি সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক চৌধুরী কাওসার আলী, সাবেক আহবায়ক চৌধুরী ফখরুল ইসলাম বুলু, সাবেক সদস্য সচিব এফ এম হাবিবুর রহমান, জেলা কৃষক দল নেতা শেখ আবু সাঈদ, বিএনপি নেতা রবিউল হোসেন, সরদার আব্দুল মান্নান, ইকরাম হোসেন জমাদ্দার, মোল্লা মাহবুবুর রহমান, সাজ্জাদ হোসেন নান্টা, শরিফ নাইমুল হক, মোল্লা হুমায়ূন কবির, মিল্টন হোসেন মুন্সী, বিল্লাল হোসেন, শেখ আজিজুর রহমান আজিবার, আবুল হোসেন বাবু মোল্লা, যুবদল নেতা চৌধুরী আমিনুল ইসলাম মিলু, গোলাম মোস্তফা ভুট্টো, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক সোহাগ মুন্সী, উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক রাজু চৌধুরী, সদস্য সচিব সাবু মোল্লা, ছাত্রদল নেতা সাব্বির আহমেদ টগর, সাবেক ছাত্রদল নেতা আমিনুল ইসলাম আমিন, চৌধুরী আশাবুর রহমান প্রমুখ।

    আজিজুল বারী হেলাল শেষবারে বলেন, ‘‘কৃষি খাতকে শক্তিশালী করা, গ্রামীণ অর্থনীতি গতিশীল করা, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনা এবং তরুণদের জন্য সৃজনশীল সুযোগ সৃষ্টি করাই দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি।’’