Category: সারাদেশ

  • খুলনায় গুলিবিদ্ধ রাজুকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ রাজুকে ঢাকায় নেওয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ হন রাজু হাওলাদার (৩৮)। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানোর পথে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালায়।

    ঘটনাটি সোমবার (৪ এপ্রিল) ভোরে লবণচরা থানার কোবা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় ঘটে বলে জানা গেছে। ওই সময় রাজুর পেটের সঙ্গে লাগানো এক গুলির অপারগতা দেখতে পাওয়া যায়। আক্রান্ত যুবক লবণচরা থানাাধীন শিপইয়ার্ড এলাকার ইউনুস হাওলাদারের ছেলে, স্থানীয়ভাবে তাকে রাজু হাওলাদার নামে চিনে।

    পরিবার ও হাসপাতালে থাকা একজন মহিলা জানান, গুলিবিদ্ধ ব্যক্তি তার ছেলের বন্ধু। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনি প্রথমে তাদের বাড়িতে অবস্থান নেন এবং পরে খাজরহাট খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতাল সূত্রে বলা হয়েছে, চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় রাতেই তাকে ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    ঢাকায় নেয়ার পথে রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে ফের গুলি চালায়। অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. ফারুক দ্রুত গাড়ি কাটাখালী হাইওয়ে থানায় নিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে হাইওয়ে পুলিশের সহায়তায় পুনরায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া হয়।

    কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ বলেন, গুলিবিদ্ধ এক রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পুলিশি সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সটি নিরাপদে সীমানা পার করা হয়েছে।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করীম জানান, লবণচরা এলাকায় একটি গুলির ঘটনা ঘটেছে, তবে ঠিক কোথায় ও কখন হামলা হয়েছে তা এখনও স্পষ্ট নয়। তিনি আরও জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য তদন্ত চলছে।

    এ ঘটনায় আর কোনো হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। পুলিশ ও হাসপাতাল পক্ষ থেকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা চলছে।

  • খুলনার আড়ংঘাটায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জুয়েল সরদার গ্রেফতার

    খুলনার আড়ংঘাটায় তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী জুয়েল সরদার গ্রেফতার

    খুলনা মহানগরীর আড়ংঘাটা থেকে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার পলাতক আসামী জুয়েল সরদার (৩২)কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি জুয়েল–বোরহান বাহিনীর প্রধান বলে পুলিশের তথ্য জানিয়েছে।

    মঙ্গলবার (৫ মে) সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে আড়ংঘাটা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হালিমুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরদারডাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে।

    পুলিশ জানায়, জুয়েল সরদারের বিরুদ্ধে চুরি, ছিনতাই, প্রতারণা, অপহরণ, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজিসহ অন্তত দশটি মামলা রয়েছে। এছাড়া একটি মামলায় তাকে এক বছর ছয় মাসের সাজাও দেয়া হয়েছে।

    গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জুয়েল সরদার তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও সহযোগীদের সম্পর্কেও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ রংপুর শলুয়া বাজার, পাহাড়পুর ও লতার মোড় এলাকায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করেছে।

    বর্তমানে তাকে আড়ংঘাটা থানায় রাখা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

  • খুলনায় প্রতিবন্ধী যুবকের হত্যায় প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    খুলনায় প্রতিবন্ধী যুবকের হত্যায় প্রধান আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

    খুলনার তেরখাদা উপজেলার প্রতিবন্ধী যুবক ইতুদুল ইসলাম (ওরফে ইতু) হত্যা মামলায় প্রধান আসামি মো. জামিল আহম্মেদকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে আদালত। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

    আজ মঙ্গলবার (৫ মে) খুলনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক জিএম নাজমুস শাহাদাৎ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামিল আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, তেরখাদা উপজেলার গাজীপুর গ্রামের শাহজাহান শেখের ছেলে জামিলের বিরুদ্ধে প্রতিবন্ধী যুবক ইতুদুল ইসলামকে হত্যা করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এ দণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলার সাক্ষ্য ও প্রমাণাদি পর্যালোচন করে বিচারক এই সিদ্ধান্ত নেন।

    অপর তিন আসামি—জাকির হোসেন, আফরিন বেগম ও মো. আজিজুল শেখ—অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন। রায়ের পর মামলার বাদী পক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করলেও স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই মনে করছেন, দীর্ঘদিনের বিচারপ্রক্রিয়ার এই রায়ে মামলার একটি শেষপর্যায়ের নিষ্পত্তি হয়েছে।

  • খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ যুবককে ঢাকায় নেয়ার পথে অ্যাম্বুলেন্সে গুলি

    খুলনায় গুলিবিদ্ধ আড়াই চল্লিশ বছরের যুবক রাজু হাওলদারকে (৩৮) ঢাকায় নিয়ে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্সও লক্ষ্য করে গুলি চালায়। পেটের কাছে এক গলার ক্ষত হয়ে গুরুতর অবস্থায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই ঢাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত মতে, সোমবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর লবণচরা থানার কোবা মসজিদ সংলগ্ন এলাকায় দুর্বৃত্তরা রাজুকে লক্ষ করে গুলি করে। গুলির সঠিক সময় এবং হামলার স্থান সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি। এক গুলি তার পেটে লাগে।

    আহত রাজুর সঙ্গে থাকা এক নারী জানান, তিনি আহত যুবকের পরিচিত — তার ছেলে ওই যুবকের বন্ধু। আহত অবস্থায় রাজু zunächst তাদের বাড়িতে আশ্রয় নেয়, পরে চিকিৎসার প্রয়োজন দেখা দিলে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

    রাজু হাওলদার লবণচরা থানার শিপইয়ার্ড এলাকার, ইউনুস হাওলদারের ছেলে বলে স্থানীয়রা জানান। গুরুতর আহত হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন।

    ঢাকায় নেয়ার পথে রাত সাড়ে বারটার দিকে রূপসা উপজেলার কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্সকে লক্ষ্য করে পুনরায় গুলি চালায়। অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. ফারুক দ্রুত গাড়িটি কাটাখালী হাইওয়ে থানায় নিয়ে গিয়ে আশ্রয় নেন। পরে হাইওয়ে পুলিশের সহযোগিতায় রক্ষা পেয়ে আবারও ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হয়।

    অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. ফারুক বলেন, খুলনা মেডিকেল কলেজ থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়ার পর কুদির বটতলা এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়। গুলি গাড়িতে লেগে যাওয়ার আশঙ্কায় তিনি ঝটপটে থানায় আশ্রয় নেন।

    কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাফর আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গুলিবিদ্ধ এক রোগীকে ঢাকায় নেওয়ার পথে দুর্বৃত্তরা অ্যাম্বুলেন্স লক্ষ্য করে গুলি চালায়; পরে পুলিশি সহায়তায় অ্যাম্বুলেন্সটিকে নিরাপদে সীমানা পার করে দেয়া হয়।

    খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার শিহাব করীম বলেন, লবণচরা এলাকায় একজন যুবক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন, তবে ঠিক কোথায় এবং কখন তার ওপর হামলা হয়েছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশের কাছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কয়েকটি মামলা আছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

    বর্তমানে রাজুর শারীরিক অবস্থা ও ঢাকায় পৌঁছে তার চিকিৎসার সবশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে হাসপাতাল থেকে তৎকালীন কোনো বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিষয়টি নিয়ে পুলিশ তদন্ত করছে।

  • মোংলায় গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী মেরী বেগম গ্রেপ্তার

    মোংলায় গাঁজাসহ নারী মাদক ব্যবসায়ী মেরী বেগম গ্রেপ্তার

    মোংলা থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৪৫ বছর বয়সী মেরী বেগম নামে এক নারী মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তল্লাশি করে তার কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করে পুলিশ।

    অভিযানটি নেতৃত্ব দেন এসআই (নি:) মোঃ ইমামুল ইসলাম। মোংলা থানার পুলিশ জানিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে মেরী মাদকদ্রব্য বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তদন্তের পর তাকে গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    গ্রেপ্তার মেরী বেগম মোংলা পোর্ট পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের তাজমহল রোড (মুরগি বাজার) এলাকার মিজান হাওলাদারের স্ত্রী। পুলিশের কাছ থেকে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থার জন্য তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশ আরও জানায়, মেরী বেগমের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। পুলিশের রেকর্ডে দেখা গেছে, তার বোন এর আগেও কয়েকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং মেরী বা তার পরিবারের বিপরীতে মোংলা থানায় পাঁচটিরও বেশি মামলা রয়েছে।

    মোংলা থানার পুলিশ স্থানীয় জনগণের সহায়তায় মাদক বিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখবে এবং সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করবে বলে জানিয়েছে।

  • সুন্দরবনসংলগ্ন রিসোর্টে দুর্ধর্ষ ডাকাতির চেষ্টা; সিসি ফুটেজে ২ জন আটক

    সুন্দরবনসংলগ্ন রিসোর্টে দুর্ধর্ষ ডাকাতির চেষ্টা; সিসি ফুটেজে ২ জন আটক

    দাকোপের ঢাংমারী এলাকায় সুন্দরবন সংলগ্ন একটি পর্যটক রিসোর্টে দুর্ধর্ষভাবে ডাকাতির চেষ্টা চালানোর অভিযোগে দুই দুষ্কৃতকারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে সোমবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয় বলে মঙ্গলবার (৫ মে) কোস্ট গার্ড প্রধান কার্যালয়ের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছেন।

    কোস্ট গার্ড জানায়, ঘটনাটি ঘটে গত ৪ মে ভোররাতে প্রায় ৪টার দিকে। দুষ্কৃতকারীরা দাকোপের ঢাংমারী খাল তীরবর্তী ‘সুন্দরী ইকো রিসোর্ট’-এর জানালার গ্রিল ভেঙে পরিকল্পিতভাবে রিসোর্টের ভেতরে প্রবেশ করে পর্যটকদের ওপর হামলা ও লুটপাটের উদ্দেশ্য নিয়েছিল। রিসোর্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত কোস্ট গার্ডকে খবর দেয়।

    খবর পেয়ে অবিলম্বে সিসি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে তদন্ত শুরু করে কোস্ট গার্ড। ফুটেজ বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তদের চেহারা শনাক্ত করার পর ৪ মে বিকেলে খুলনা জেলার দাকোপ থানার দুই বাসিন্দা — রাজন সরদার (২৫) ও রতন সরদার (১৪) —কে গ্রেপ্তার করা হয়।

    প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃতরা স্বীকার করে যে তারা দীর্ঘদিন ধরে সুন্দরবন সংলগ্ন এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও পর্যটকদের হয়রানিতে জড়িত ছিল এবং একই সংগঠিত চক্রে তারা সক্রিয় ছিল।

    লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, কোস্ট গার্ড উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও পর্যটক ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সর্বক্ষণ তৎপর। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাদের দাকোপ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    স্থানীয় প্রশাসন ও কোস্ট গার্ডের এই তৎপরতায় পর্যটক নিরাপত্তা পুনর্ব্যক্ত হলেও কর্তৃপক্ষ জনগণকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এবং আরও তদন্ত চলছে।

  • খুলনায় রাজু হাওলাদার গুলিবিদ্ধ, অবস্থাঃ আশঙ্কাজনক

    খুলনায় রাজু হাওলাদার গুলিবিদ্ধ, অবস্থাঃ আশঙ্কাজনক

    খুলনায় রাজু হাওলাদার (৪৫) নামের একজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। তিনি পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকেরা তার অবস্থাকে আশঙ্কাজনক উল্লেখ করেছেন।

    জানায়, ঘটনাটি সোমবার নগরীর লবণচরা থানা এলাকায় সংঘটিত হয় বলে প্রাথমিক খবর পাওয়া গেছে। গুলিবিদ্ধ রাজু বাগেরহাট এলাকার ইউনূস হাওলাদারের ছেলে। হাসপাতালে ভর্তি করলে তার আহত অবস্থার জন্য তৎক্ষণাত চিকিৎসা শুরু করা হয়।

    রাজুর সঙ্গে থাকা এক নারী জানান, গুলিবিদ্ধ যুবক তার ছেলের বন্ধু। আহত অবস্থায় তিনি তার বাড়িতে অবস্থান নেন এবং জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন বুঝে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।

    কেএমপি সহকারী পুলিশ কমিশনার শিহাব করীম বলেন, একটি যুবক লবণচরা এলাকায় গুলি করার শিকার হয়েছেন; পুলিশ ঘটনার সন্ধান ও তদন্ত করছে। তবে ঠিক কোথায় তার ওপর হামলা হয়েছে তা এখনই নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

  • সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি

    সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনে গত রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অস্ত্রের মুখে এক মৌয়াল ও এক জেলেকে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের সংবাদে জানা যায়, মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল এলাকায় ওই সময় বনদস্যু আলিফের সদস্যরা তাদের তুলে নিয়ে যায়।

    অপহৃতরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৌয়াল আব্দুল করিম (৪৮) এবং একই এলাকার জেলে ইসমাইল হোসেন (২৮)। তাদের সহকর্মীরা দাবি করেছেন, অপহরণকারীরা তাদের হাত-পা বেঁধে গভীর বনের দিকে নিয়ে যায়।

    ঘটনার পর যারা ফিরে এসেছেন—জেলে আব্দুল আলিম ও শামীম হোসেন—তারা জানান, অপহরণকারীরা ইসমাইলকে ছাড়া গেলে ৬০ হাজার টাকার মুক্তিপণ দাবি করেছে। আব্দুল করিমের বিষয়ে ওই দল এখনও কোনো দাবি জানায়নি বলে ফিরে আসা জেলেরা জানিয়েছেন।

    পরিপ্রেক্ষিত জানা গেছে, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল আলাদা দুটি নৌকায় এসব বনজীবী তাদের দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কদমতলা স্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় পাস নিয়ে পশ্চিম সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তারা মধু আহরণ ও মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

    এ ঘটনায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, তাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি; তবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং খোঁজাখবর নেয়া হবে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান বলেন, সাধারণত অপহৃতদের আত্মীয়রা নিরাপত্তার স্বার্থে কথা প্রকাশ করেন না, তবে যদি কোনো ভুক্তভোগীর স্বজন কিংবা নগদ ধারদেনকারীদের কাছে থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে আইনগত কর্মপদ্ধতি নেয়া হবে।

    স্থানীয়রা বলছেন, সুন্দরবনে মধু আহরণ ও মাছ শিকার নিয়ে ঢুকতে হলে পাস থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। এলাকাবাসী ও বনকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে; তারা দ্রুত উদ্ধারের পাশাপাশি বনাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের তৎপরতা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আশা করা হচ্ছে অপহৃতরা শিগগিরই ফিরে আসবেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • গোপালগঞ্জে বাস চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা নিহত, ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জে বাস চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা নিহত, ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপীনাথপুর এলাকায় আজ সোমবার (৪ মে) সকালে যাত্রীবাহী একটি বাসের চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা (৪৫) নিহত হয়েছেন। ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনউজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি রোকনউজ্জামান জানান, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ফাল্গুনী পরিবহনের একটি বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেটি একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও একটি ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং ইজিবাইকে থাকা আরও সাতজন যাত্রী আহত হন।

    ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করালে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। নিহত ঝন্টু মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের, আখুব্বর মোল্যার ছেলে বলে পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে।

  • সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণের দাবি

    সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণের দাবি

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন পশ্চিম সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে এক মৌয়াল ও এক জেলেকে অপহৃত করা হয়েছে বলে তাদের সহকর্মীরা অভিযোগ করেছেন।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল থেকে চলে আসে অপহরণের খবর। তারা দাবি করছেন, বনদস্যু আলিফ বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্র দেখিয়ে ওই দুজনকে জিম্মি করে নিয়ে গেছে।

    অপহৃতরা হলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের বাসিন্দা মৌয়াল আব্দুল করিম (৪৮) ও জেলে ইসমাইল হোসেন (২৮)। আব্দুল করিম প্রয়াত শেখ আব্দুর রহমানের পুত্র।

    ফিরে আসা জেলে আব্দুল আলিম ও শামীম হোসেন জানান, অপহরণকারীরা নিজেদের আলিম ওরফে আলিফ নামে পরিচয় দিয়েছেন এবং অস্ত্রের মুখে করিম ও ইসমাইলকে ধরে গভীর বনের দিকে নিয়ে গেছেন। পরে ইসমাইলকে মুক্তির জন্য ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়; তবে আব্দুল করিমের মুক্তির বিষয়ে এখনও অপহরণকারীরা কিছু জানাননি।

    জানানো হয়েছে, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল পৃথকভাবে তারা নৌকায় সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। কদমতলা স্টেশন থেকে পাস (অনুমতি পত্র) নিয়ে তারা মধু আহরণ ও মাছ শিকার করার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ওঠেনি; তবে তারা সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিষয়টি খোঁজখবর নেবে। শ্যামনগর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, সাধারণত জিম্মি থাকা অবস্থায় পরিবারের লোকজন নিরাপত্তার কারণে প্রশাসনকে তথ্য জানান না; কেউ অভিযোগ করলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।