Category: সারাদেশ

  • খুলনায় জলবায়ু ক্ষয়-ক্ষতি নিরসনে দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    খুলনায় জলবায়ু ক্ষয়-ক্ষতি নিরসনে দক্ষতা বৃদ্ধির কর্মশালা অনুষ্ঠিত

    মাল্টি-অ্যাক্টর পার্টনারশিপ প্রকল্পের উদ্যোগে জলবায়ু সহনশীলতা ও ক্ষয়-ক্ষতি নিরসন সম্পর্কিত দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে দিনব্যাপী কর্মশালা বুধবার (২৮ জানুয়ারি) খুলনার রেলিগেটস্থ অ্যাডামস মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা অ্যাডামস ফাউন্ডেশন।

    কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) আবু সায়েদ মোঃ মনজুর আলম। তিনি বলেন, উপযুক্ত অভিযোজনের কৌশল গ্রহণ করলে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট ক্ষয়-ক্ষতি অনেকাংশে লাঘব করা সম্ভব। উপকূলীয় এলাকার সুরক্ষায় দেশি ও বিদেশি গবেষকদের সুপারিশ ও পরামর্শের ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

    প্রধান অতিথি আরও বলেন, সরকার, জনগণ ও উন্নয়ন অংশীদারের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষম, সহনশীল ও টেকসই সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। উপকূল রক্ষায় বিদ্যমান বাঁধগুলোকে চলাচলের উপযোগী ও পর্যটনবান্ধব করে গড়ে তোলা এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগ কেন সাফল্য পাচ্ছে না, তা চিহ্নিত করে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং উল্লেখ করেন যে উপকূলীয় স্থানান্তরিত জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা উন্নয়নের সময় নগরের স্বাভাবিক জীবনব্যবস্থার ক্ষতি না হয়, সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

    কর্মশালায় প্যানেল আলোচনা পরিচালনা করেন কুয়েট ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ নূরুন্নবী মোল্লা। প্যানেল সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রো টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক ড. মোঃ ইয়াসিন আলী, পরিবেশ বিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ মুজিবর রহমান, এগ্রো টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের প্রধান মোঃ রেজাউল ইসলাম, কেডিএর প্ল্যানিং অফিসার মোঃ তানভির আহমেদ এবং আইক্যাডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাকিব হক। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন অ্যাডামসের উপনির্বাহী পরিচালক আশিক মাহমুদ।

    মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুয়েটের ইনস্টিটিউট অব ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট (IDM) এর সহযোগী অধ্যাপক ড. আনজুম তাসনুভা। প্রকল্প সম্পর্কে ধারণাপত্র উপস্থাপন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী জিল্লুর রহমান ও আইক্যাডের প্রতিনিধি মোঃ নূর ইলাহী।

    প্রকল্পটির উদ্দেশ্য ছিল—জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ক্ষয়-ক্ষতির অর্থনৈতিক ও অঅর্থনৈতিক দিকগুলো বোঝানো, কপ-৩০ (COP-30) পরবর্তী প্রাসঙ্গিক সিদ্ধান্তের পর্যালোচনা ও এর বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা জোরদার করা, মাল্টি-অ্যাক্টর পার্টনারশিপ ম্যাপ (MAP) সম্পর্কে অবহিত করা এবং জাতীয় পর্যায়ে ক্ষয়-ক্ষতি নিরসনে কৌশল প্রণয়নে অংশগ্রহণকারীদের মতামত ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা। কর্মশালায় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ক্ষয়-ক্ষতি মোকাবিলা, কৃষিতে জলবায়ুর প্রভাব প্রতিরোধ এবং স্থানীয় নেতৃত্বাধীন অভিযোজন নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়।

    উল্লেখ্য, প্রকল্পটি স্থানীয় পর্যায়ে অ্যাডামস, জাতীয় পর্যায়ে আইক্যাড এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে জার্মানওয়াচের সমন্বয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

    কর্মশালায় ডুমুরিয়া ও বটিয়াঘাটা উপজেলার সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিমণ্ডলী, যুব জলবায়ু কর্মী, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনার রূপসা থেকে পরিত্যক্ত দুই রিভলবার উদ্ধার

    খুলনার রূপসা থেকে পরিত্যক্ত দুই রিভলবার উদ্ধার

    র‌্যাব-৬ খুলনার রূপসা থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি রিভলবার উদ্ধার করেছে। র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (২৭ জানুয়ারি) এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত সোয়া ৯টার দিকে র‌্যাব-৬ এর সিপিসি স্পেশাল কোম্পানির একটি দল রূপসা থানাধীন ৩ নম্বর নৈহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সামন্তসেনা পঁচার বটতলা গুচ্ছগ্রামে একটি ঘরে অভিযান চালায়। ওই ঘর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুটি রিভলবার উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত কোল্ট মডেল ১৮৭৮ সিক্স-শুটার রিভলবার রয়েছে। র‌্যাব জানিয়েছে, ওই দুটি রিভলভার উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জব্দ করা হয়েছে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্য বা গ্রেপ্তার সংক্রান্ত কোনো আলাদা উল্লেখ করা হয়নি। পুলিশের কাছে হস্তান্তরের পর পরবর্তী আইনানুগ তদন্ত চলমান থাকবে।

  • রূপসা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুই রিভলবার উদ্ধার

    রূপসা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুই রিভলবার উদ্ধার

    খুলনার রূপসা থানা এলাকায় র‍্যাব-৬ একটি বিশেষ অভিযানে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি রিভলবার উদ্ধার করেছে।

    র‍্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার দিকে উপজেলার নৈহাটি এলাকায় একটি ঘর থেকে অস্ত্র দুটি উদ্ধার করা হয়। অভিযানটি পরিচালনা করে র‍্যাব-৬ এর সিপিসি স্পেশাল কোম্পানির একটি দল।

    র‍্যাব জানায়, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছে রূপসা থানাধীন ৩ নম্বর নৈহাটি ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সামন্তসেনা পঁচার বটতলা গুচ্ছগ্রামে ওই ঘরে তল্লাশি চালানো হয় এবং সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় দুইটি রিভলবার পাওয়া যায়।

    উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি কোল্ট মডেল ১৮৭৮ সিক্স-শুটার রিভলবার রয়েছে।

    র‍্যাব আরও জানায়, উদ্ধারকৃত রিভলবার দুটির জব्ती ক্রিয়া উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনানুগ কার্যক্রম শেষে এসব অস্ত্র সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে রূপসা থানা বিপরীতে হস্তান্তর করা হয়েছে।

    র‍্যাব বলেছে, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে যাতে অবৈধ অস্ত্র বিস্তার রোধ করে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

  • সৎ শাসকই দেশের উন্নয়ন ঘটাবে: গোলাম পরওয়ার

    সৎ শাসকই দেশের উন্নয়ন ঘটাবে: গোলাম পরওয়ার

    খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা) আসনের প্রার্থী ও বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর জেলা সেক্রেটারি গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দুর্নীতিমুক্ত দেশের নির্মাণে জনসাধারণের ভোটই পরিবর্তন আনতে পারে। তিনি বলেন, নাগরিকরা দাঁড়িপাল্লা প্রতীককে ভোট দিয়ে একজন সৎ শাসককে ক্ষমতায় বসাবেন—তাহলেই দেশ থেকে দুর্নীতি, বৈষম্য ও হিংসা নির্মূল হবে এবং ন্যায় ও ইনসাফের প্রতিষ্ঠা হবে।

    বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের কুলবাড়িয়া ওয়ার্ডে আয়োজিত উঠান বৈঠক ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেছিলেন, ক্ষমতায় থাকা কোনো দলের স্বার্থ অনুসরনে রাষ্ট্র পরিচালিত হবে না; সেখানে আর দাঙ্গা-হিংসা, মারামারি বা অর্থনৈতিক লুটপাট থাকবে না। বিগত সরকার চালিত সময়ে দেশের অর্থপাচার ও লুটপাট ব্যাপকভাবে হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন এবং বলেন, এখনই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে রূপান্তর ঘটানোর সময় এসেছে।

    গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান ও জনজাগরণের মাধ্যমে দেশে অযাচিত শাসন ব্যবস্থা বিড়ম্বনা থেকে মুক্তি পেয়েছে এবং নতুন একটি অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে ভোট দিয়ে জামায়েত ইসলামীকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান তিনি। ক্ষমতায় এলে প্রত্যন্ত ও অবহেলিত এলাকাগুলোর গ্রামের অবকাঠামো — রাস্তাঘাট, স্কুল-কলেজ এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে প্রয়োজনীয় উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে বলে বক্তব্যে আশ্বাস দেন তিনি।

    সভায় কুলবাড়িয়া ওয়ার্ড নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সভাপতি শেখ কামরুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা জামায়াত অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মঈনুল ইসলাম, উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোক্তার হোসেন, মাওলানা মতিউর রহমান হাফেজ মইনুদ্দিন, শেখ রুহুল আমিন, রাজিকুল ইসলাম, শেখ জাহাঙ্গীর হোসেন, বাবলুর রহমান ফকির বাতি, আব্দুস সোবহান ও রবিউল ইসলাম রবি প্রমুখ।

    তিনি একই দিনে মঠবাড়িয়া, চুকনগর আবাসন প্রকল্প এলাকা, গোবিন্দকাটি, কাঁঠালতলাসহ বিভিন্ন স্থানে উঠান বৈঠক ও সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যও রাখেন।

  • খুলনা-৪ আসনে বিএনপি নির্বাচনি প্রচারণায় মৎস্য শিল্পের উন্নয়নের প্রত্যাশা

    খুলনা-৪ আসনে বিএনপি নির্বাচনি প্রচারণায় মৎস্য শিল্পের উন্নয়নের প্রত্যাশা

    খুলনা-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী ও তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেন, রূপসা, তেরখাদা ও দিঘলিয়া জেলা মৎস্য সম্পদে সমৃদ্ধ একটি কেন্দ্রীয় এলাকা। এই অঞ্চলের নদী, খাল ও জলাশয়কে সঠিকভাবে কাজে লাগানো গেলে খুলনা-৪ আসনকে দেশের অন্যতম প্রধান মৎস্য উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, যদি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিয়ে বিএনপি সরকার গঠন করতে সক্ষম হন, তাহলে খুলনা-৪ এর মৎস্য খাতকে আধুনিক ও টেকসই শিল্পে রূপান্তর করা তার অন্যতম অগ্রাধিকার হয়ে উঠবে। মৎস্য শিল্প আমাদের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি। এই শিল্পকে কোনোভাবেই অবহেলা বা ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না। অসাধু ব্যবসায়ীদের হাত থেকে মৎস্য শিল্পকে রক্ষা করে উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে, যাতে মানসম্পন্ন মাছের উৎপাদন বাড়ানো যায়। মঙ্গলবার সকালে রূপসা উপজেলা চর রূপসায় বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুডস এক্সপোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের খুলনা অঞ্চলের আয়োজনের দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএফএফইএ সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোঃ তরিকুল ইসলাম জহির। এরপর রহিমনগর ও জাবুসা এলাকায় নির্বাচনী আলোচনা সভায় আজিজুল বারী হেলাল বলেন, রূপসাকে শান্তির উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিএনপি কখনো চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসী বা মাদক কারবারিদের প্রশ্রয় দেয় না এবং প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। অতীতের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়ে তিনি বলেন, আপনারা ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে আমাকে খুলনা-৪ কে একটি শান্তিপূর্ণ, সমৃদ্ধ ও উন্নত জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে চান। এলাকার উন্নয়ন ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি কঠোর পরিশ্রম করে যাবেন। আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম, উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, উপজেলা বিএনপি সদস্যরা, বিভিন্ন শ্রমিক, কৃষক ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের নেতারা। বিকেলে খুলনা জেলা কৃষকদলের আয়োজনে রহিমনগরে দোয়া মাহফিল ও সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আজিজুল বারী হেলাল। এতে সভাপতিত্ব করেন সাধারণ সম্পাদক শেখ মোঃ আবু সাঈদ। বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দিঘলিয়া ও রূপসা উপজেলা বিএনপি নেতারা, শ্রমিক, কৃষক এবং স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সদস্যরা। অনুষ্ঠান শেষে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন মুফতি আবুল হাসান হামেদি।

  • আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি’র দেশ গড়ার নির্বাচন

    আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপি’র দেশ গড়ার নির্বাচন

    খুলনা মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা বলেছেন, আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দেশের উন্নয়ন ও পরিবর্তনের মুখ্য ধারক হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলছেন, এই নির্বাচনে বিএনপি সাহসিকতার সঙ্গে রাজনীতিতে অংশ নিয়ে দেশের মানুষের কল্যাণই হবে প্রধান লক্ষ্য। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে যদি বিএনপি সরকারে আসে, তবে দেশের সমাজে ব্যাপক পরিবর্তন আনতে একসাথে কাজ করা হবে। কালেক্টিভ উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবার পরিকল্পনা, কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ড, স্বাস্থ্যের উন্নতি, শিক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালীকরন, খেলাধুলা ও সংস্কৃতির বিকাশ, পরিবেশের সংরক্ষণ, উচ্চ কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা, এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো—মসজিদ, মাদ্রাসা ও অন্যান্য ধর্মীয় সংগঠনের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়িত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

    আওয়ামী লীগ সরকারের পরিবর্তে দেশের উন্নয়নকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য বিএনপি’প্রার্থী হিসেবে খুলনা-1 আসনের মনোনয়নপ্রাপ্ত আলহাজ্ব আমীর এজাজ খানের ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দাবি করেছেন। এলাকায় অবহেলিত দুটি উপজেলা ঝাঁপঝপিয়া ও চুনকুড়ি, বটবুনিয়া-টু-নলিয়ানে ঢাকী নদীর ওপর সেতু নির্মাণ, গল্লামারী-বটিয়াঘাটা দিয়ে দাকোপের নলিয়ান-কালাবগী পর্যন্ত মহাসড়ক উন্নয়নের জন্য আপনারা ভোট প্রদান করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আঠারো কোটি মানুষের হৃদয়ে দেশের গণতান্ত্রিক স্পন্দন জারি রয়েছে। ধানের শীষ প্রতীকের বিজয় দেশের উন্নয়নের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আপনারাদের হাতে, আর দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির দায়িত্ব দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের। তিনি গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় দাকোপ উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্র আর বিভিন্ন স্থানে সাধারণ ভোটারদের মাঝে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ, কুশল বিনিময় ও দলীয় কার্যালয়ে এক সংক্ষিপ্ত কর্মসভায় এসব কথা বলেন।

    সাহায্যকারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষক দলের সভাপতি সজীব তালুকদার, কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতা পার্থ দেব মন্ডল, দাকোপ উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সদস্য সচিব আব্দুল মান্নান খান, শেখ শাকিল আহমেদ দিলু, চালনা পৌরসভা বিএনপি’র সাবেক আহবায়ক মোজাফফর হোসেন শেখ, সদস্য সচিব আল-আমীন সানা, মশিউর রহমান লিটন, উপজেলা ও চালনা পৌরসভার বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহবায়ক শেখ শহিদুল ইসলাম, এস এম মোস্তাফিজুর রহমান রমাস্তাক, মহিদুল ইসলাম হাওলাদার, কামরুজ্জামান টুকু, এস এম গোলাম কাদের, চালনা পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আইয়ুব আলী কাজী, শেখ রফিকুল ইসলাম, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা, আজিম হাওলাদার, উপজেলা যুবদল নেতা আব্দুর রাজ্জাক শেখ, চালনা পৌরসভার যুবদল নেতা হাসমত খলিফা, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি জি এম রুমন, হালিম সানা প্রমুখ।

  • গৃহবধূ থেকে গণতন্ত্রের নেত্রী: খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবনকাহিনী

    গৃহবধূ থেকে গণতন্ত্রের নেত্রী: খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবনকাহিনী

    সাধারণ একজন গৃহবধূ থেকে শুরু করে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী হিসেবে নিজের অবস্থান গড়ে তোলার গল্পটি একটি জীবন্ত ইতিহাস। এই সংগ্রাম, ত্যাগ ও নেতৃত্বের মহান দিকপাল খালেদা জিয়ার জীবনকে হৃদয়স্পর্শী আবেগের মাধ্যমে তুলে ধরতে খুলনায় আয়োজন করা হয়েছে দুটি দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনী। এই আয়োজনটি করেছেন বগুড়া মিডিয়া ও কালচারাল সোসাইটি, যা শুক্রবার খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে শুরু হয়েছে।

    প্রদর্শনীটিতে খালেদা জিয়ার পারিবারিক জীবন, রাজনৈতিক উত্থান, আন্দোলন-সংগ্রাম, কারাবন্দি সময়, রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন এবং গণতন্ত্র রক্ষার সংগ্রামের নানা ধাপের প্রায় শতাধিক ছবি স্থান পেয়েছে। প্রতিটি চিত্র যেন একেকটি ইতিহাসের গল্প, যা দেখলে চোখে জল আসে। পাশাপাশি পার্কের মুক্তমঞ্চে সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে দুর্দান্ত এক ভিডিও ডকুমেন্টারি, যা তাঁর জীবনের সংগ্রাম ও সংগ্রামী অভিযানের ওপর নির্মিত। এই প্রামাণ্যচিত্রটি দর্শকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং নতুন প্রজন্মের জন্য বাংলার এই নেত্রীর জীবন ও সংগ্রামের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে অনুপ্রেরণা দেয়।

    প্রদর্শনীটির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সকাল সাড়ে ১১টায় মূখ্য আলোচক হিসেবে ছিলেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মাছুদ। তিনি বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তাঁর সংগ্রামী জীবন তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অসাধারণ প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।”

    আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক রাকিবুল হাসান, খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা নার্গিস আলী, বগুড়া মিডিয়া ও কালচারাল সোসাইটির ঢাকা শাখার সভাপতি মারুফ রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সুজন মাহমুদ। বক্তারা উল্লেখ করেন, দীর্ঘ সময়ের স্বৈরশাসন, নির্যাতন ও কারাবরণের মধ্যেও বেগম খালেদা জিয়া কখনো আপস করেননি। তাঁর এই সংগ্রাম দেশ resistorতন্ত্র, ভোটাধিকার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ছিল অপ্রতিরোধ্য।

    প্রদর্শনীতে বিভিন্ন পেশার মানুষ, শিক্ষার্থী, রাজনৈতিক কর্মী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। অনেকেই আবেগপ্রবণ হয়ে বলেন, এই আলোকচিত্র প্রদর্শনী নতুন প্রজন্মের জন্য দেশের নেত্রীর জীবন ও আদর্শ জানা সহজ করে দেয়। আয়োজকদের মতে, এই দুই দিনব্যাপী প্রদর্শনী মূলত বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবনকে আরো বেশি মানুষের হৃদয়ে পৌঁছে দিতে চায়।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেগম রেহানা ঈসা, এডভোকেট তছলিমা খাতুন ছন্দা, কে. এম. হুমায়ুন কবির, হাফিজুর রহমান মনি, শরিফুল ইসলাম টিপু, আশরাফুল ইসলাম নূর, জাকির ইকবাল বাপ্পি, নাসিরুদ্দিন, ইসহাক আসিফ, মো: রাকিবুল হাসান, মাসুদুল হক হারুন, নুরুল হুদা পলাশ, শেখ সরোয়ার, শাহিন মল্লিক রাজু ইত্যাদি।

  • গোপালগঞ্জে বাসু হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

    গোপালগঞ্জে বাসু হত্যা মামলায় পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

    দশ বছর আগে গোপালগঞ্জের মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান বাসু খুনের ঘটনায় গুরুতর মামলার বিচার শেষ করেছে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল। আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। একইসঙ্গে চার আসামির জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অন্য ১১ জনের জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডও ঘোষণা করা হয়। সৌজন্যে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুর রশীদ মোল্লা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— বুলবুল শেখ, হেদায়েত শেখ, তফসির শেখ, কিবরিয়া আল কাজী এবং ঝন্টু শেখ। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি রাতে গোপালগঞ্জের কুয়াডাঙ্গা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের অফিস থেকে বাসু দেওয়ার পথে মৌলভীপাড়ার বাসায় ফিরছিলেন। এ সময় একদল হামলাকারী বাসুকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। চিকিৎসাধীন থাকাকালীন পরদিন তাকে ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে নেওয়ার পর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই জাসু শেখ গোপালগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। তদন্তে ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয় ২০১৬ সালের ১২ জুলাই। ২০১৭ সালের ২৯ আগস্ট গোপালগঞ্জ দায়রা জজ মো. দলিল উদ্দিন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরু করেন। এরপর ২০১৮ সালের ১৬ আগস্ট মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এ পাঠানো হয়, যেখানে এখন বিচার সম্পন্ন হয়েছে।

  • ভোট বিপ্লবে বেগম জিয়ার প্রতি অন্যায়ের বিচার হবে

    ভোট বিপ্লবে বেগম জিয়ার প্রতি অন্যায়ের বিচার হবে

    বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে দীর্ঘদিন ধরে যে চরম অবিচার ও জুলুম করা হয়েছে, তার জবাব এবার হবে ভোটের মাধ্যমে। খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের এই প্রার্থী আরও বলেন, সংগ্রামী নেত্রী খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরাতে নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছে, যা এখন দেশের মানুষ স্পষ্টভাবে দেখতে পাচ্ছেন। তার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়, শুধুমাত্র তার দৃঢ় নেতৃত্বের জন্য। গণতন্ত্রের পতাকাকে উচ্চ শিখরে পৌঁছে দিতে তার ত্যাগ ও সংগ্রাম দেশের সব নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। গতকাল মঙ্গলবার ১নং ওয়ার্ডে এলাকাবাসীর উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

  • ব্যালট বিপ্লবেই খালেদা জিয়ার প্রতি অন্যায় বিচার হবে: রকিবুল ইসলাম বকুল

    ব্যালট বিপ্লবেই খালেদা জিয়ার প্রতি অন্যায় বিচার হবে: রকিবুল ইসলাম বকুল

    বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ওপর যে দীর্ঘকালীন চরম অবিচার ও নিপীড়ন করা হয়েছিল, তা জনগণ ভোট দিয়ে দাঁতভাঙা জবাব দেবে।

    গতকাল মঙ্গলবার ১নং ওয়ার্ডের স্থানীয় আয়োজনে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বকুল বলেন, বঙ্গদেশের সাধারণ মানুষ এখন স্পষ্টভাবে দেখে ফেলেছে যে, দেশনেত্রীকে রাজনীতি থেকে দূরে সরিয়ে রাখার জন্য নানা ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল। তাকে মিথ্যা মামলায় সাজা দিয়ে কারারুদ্ধ রাখা হয়েছে শুধুমাত্র তার আপোষহীন নেতৃত্বের কারণে।

    রকিবুল বকুল আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও সংগ্রাম প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের জন্য অনুপ্রেরণা। গত ১৭ বছর শাসকগোষ্ঠী জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে যে দুর্নীতি ও দুঃশাসন কায়েম করেছিল, তার সমাপ্তি হবে একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে।

    তিনি উপস্থিত নেতা-কর্মী ও ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, ব্যালটই হচ্ছে সবচেয়ে বড় শক্তি; সেটিই ব্যবহার করে স্বৈরাচারী শক্তির অবসান ঘটানো সম্ভব। খুলনা ও সারাদেশের মানুষ আজ ধানের শীষের পক্ষে ঐক্যবদ্ধ থাকায় বেগম জিয়ার মুক্তি এবং গণতন্ত্রের বিজয় সুনিশ্চিত করা মাত্রই সম্ভব হবে। জনগণ যদি ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করে, তখনই ব্যালট বিপ্লব ঘটবে এবং সেই বিপ্লবের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার প্রতি করা সকল অন্যায়ের বিচার নিশ্চিত হবে।

    দোয়া মাহফিলে খুলনা মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেনসহ অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এর পাশাপাশি ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি বেলায়েত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মাইনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ কবির হোসেন টিটু, ওয়ার্ড নেতারা সৈয়দ হুমায়ুন কবীর, কাজী নেহিবুল হাসান নেইম ও মাসুদ মাসুদ কবীর প্রমুখও উপস্থিত ছিলেন। থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতা-কর্মী নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও পথসভায় উপস্থিত ছিলেন।