Category: সারাদেশ

  • মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেফতার দাবি হন শ্রমিকদের মানববন্ধন

    মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের গ্রেফতার দাবি হন শ্রমিকদের মানববন্ধন

    রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহবায়ক ও রূপসা-বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ হত্যা মামলার আসামি ও অর্থ যোগানদাতাদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধনে বক্তব্যে অংশ নেওয়া নেতারা দ্রুত বিচার ও ন্যায়বিচারের জোরালো呼য় জানান। সভার সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা বসির হায়দার পল্টু। অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ শেখ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ ও জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান।

    আলী আকবার রাজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন রূপসা-বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা মনজুর আরেফিন, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরা সুলতানা, থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজী, উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক জালাল হাওলাদার, যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তরিক ও যুগ্ম-আহবায়ক লাভলু শেখ।

    অন্যান্য বক্তাদের মধ্যে ছিলেন বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম, বাবুল শেখ, জাকির হোসেন, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন শেখ, ট্রলার মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের আলী শিকদার ও নিহত মাসুম বিল্লাহর ছেলে আবিদ হুসাইন। বক্তারা সবাই মিলিয়ে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত, হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের গ্রেফতার এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানান। মানববন্ধন শেষে আরোপিত দাবিগুলো বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করা হয়।

  • বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় জানা গেছে

    বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিচয় জানা গেছে

    খুলনা–মোংলা মহাসড়কের রামপালে নৌবাহিনীর স্টাফবাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ জন। দুর্ঘটনায় বর–কনে ও জমজ শিশুসহ বহু যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন, পাশাপাশি several severalজন আহত হন।

    দূর্ঘটনা বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিকেলে বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ (গুনাই ব্রিজ) এলাকায় ঘটে। ঘটনাস্থলেই যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন গুরুতর আহত হলে তাদের উদ্ধার করে রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে মোট ১৪ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।

    নিহতদের মধ্যে রয়েছেন: মোংলা পৌর বিএনপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক (৬২), আহাদুর রহমান সাব্বির (৩০), আব্দুল্লাহ সানি (৩০), ঐশি (২৮), ফাহিম শিকারি (১), ফারহানা সিদ্দিকা (৩৩), আলিফ (১৩), আরফা (৭), আয়রা (২), আনোয়ারা বেগম (৫৮), মার্জিয়া আক্তার মিতু (২৫), মিনারুল আলম সবুজ (৪২) এবং মাইক্রোবাসের চালক মো. নাইম হোসাইন (২৭)। নিহতদের পরিচয় জানায় স্থানীয়রা এবং মৃতদের নাম মিলিয়ে মোট নিহতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ১৪ জন ধরা হয়েছে। নববধূ মিতু কয়রার নাকসা গ্রামের ছালাম মোরলের কন্যা বলে জানা গেছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতেই নাকসা গ্রামের মিতুর বিয়ে হয় রামপাল এলাকার আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে সাব্বির হোসেনের সঙ্গে। বিয়ের পর পরদিন নববধূ ও তার স্বজনরা মাইক্রোবাসে করে শ্বশুরবাড়ি মংলার উদ্দেশ্যে রওনা হন।

    পথিমধ্যে মাইক্রোবাসটি রামপালের গুনাই ব্রিজ এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী নৌবাহিনীর স্টাফবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ধাক্কায় মাইক্রোবাসটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং কয়েকজন ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের চিকিৎসারত অবস্থায় হাসপাতালে একে একে মৃত্যুর খবর জানানো হয়।

    দুর্ঘটনা সংক্রান্ত পরবর্তী কার্যক্রম ও কারণ তদন্তের জন্য পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে পরিদর্শন করছে।

    ঘটনার পর নিহতদের ঘর ও এলাকায় শোক ও সন্ত্রস্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। বিয়ের আনন্দ যে মুহূর্তে পরিবারে এসেছে, মুহূর্তের মধ্যে তা বিশাল শোকের আড়ালে হারিয়ে গেছে; স্বজনদের কান্না ও আহাজারি ছায়া ফেলেছে পুরো আশপাশে। স্থানীয়রা বলছেন, একই পরিবারের এত মানুষ একসঙ্গে হারানো সত্যিই মর্মান্তিক এবং তারা এই দুর্ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও দায়ীদের দ্রুত বিচারের দাবি করছেন।

  • রামপালে মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন নিহত

    রামপালে মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন নিহত

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বেলাইব্রিজ এলাকায় বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর তিনটার দিকে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাস ও যাত্রীবাহী মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ ১২ জন মারা গেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের নাম-ঠিকানা জানা যায়নি।

    সংঘর্ষের পর আটজনের মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে এবং বাকি চারজনের মরদেহ রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। হাসপাতালে পৌঁছুকালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা ঘটনাস্থল ও আহতদের অবস্থার বর্ণনা দিয়েছেন।

    প্রতক্ষদর্শীরা জানান, যে সময়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে যানবাহন দুটির গতিবেগ খুব বেশি ছিল। দ্রুত গতিতে সংঘর্ষ হলে ঘটনাস্থলেই কয়েকজন যাত্রী নিহত হন এবং আরও অনেকে গুরুতর আহত হন।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস সহ উদ্ধারকারী দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার ও উদ্ধারকাজ শুরু করে। আহতদের মধ্যে অনেককেই রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

    রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুকান্ত কুমার পাল জানান, আদি হিসাব অনুযায়ী চারজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে; তবে হাসপাতালে আরও মরদেহ আসায় মোট নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

    খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মেহেনাজ মোশাররফ জানিয়েছেন, সন্ধ্যা পৌনে ছয়টা পর্যন্ত হাসপাতলে আটজনের মরদেহ এসেছে। এর মধ্যে তিনজন শিশু, তিনজন নারী এবং দুইজন পুরুষ রয়েছেন। এছাড়া একজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন এবং তার চিকিৎসা চলছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, হতাহত ও আহতদের পরিবারের খোঁজ নেয়া হচ্ছে, তবে অনেকের নাম-ঠিকানা পাওয়া যাচ্ছে না। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

    এক স্থানীয় বাসিন্দা মিঠু জানান, তার পরিবারের বড় ছেলে জনি ফোন করে বলেছিল—‘আমি ছাড়া পরিবারের সবাই একই গাড়িতে ছিল, তারা সবাই মারা গেছে। আমি রামপাল হাসপাতালে যাচ্ছি, তোমরা খুলনা মেডিকেলে চলো।’ মিঠু বলেন, তারা হাসপাতালে এসে কাউকে জীবিত পাননি, সবাই মারা গেছে।

    বর্ধমান তদন্ত চলছে; পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার সঠিক কারণ শনাক্ত করতে চেষ্টা করছে।

  • খুলনায় মানববন্ধন: শ্রমিকদল নেতা মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের গ্রেফতারের দাবি

    খুলনায় মানববন্ধন: শ্রমিকদল নেতা মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের গ্রেফতারের দাবি

    রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলে সাবেক আহ্বায়ক ও রূপসা‑বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়কপরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারী ও অর্থযোগানদাতাদের দ্রুত গ্রেফতা করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টায় খুলনার পিকচার প্যালেস মোড়ে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

    মানবন্ধনটি সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা বসির হায়দার পল্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ শেখ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ ও জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান।

    আলী আকবর রাজুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন রূপসা-বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা মনজুর আরেফিন, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরা সুলতানা, থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজী, উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জালাল হাওলাদার, যুগ্ম আহ্বায়ক তরিকুল ইসলাম তরিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক লাভলু শেখ।

    এছাড়া বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম, বাবুল শেখ, জাকির হোসেন, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন শেখ, ট্রলার মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের আলী শিকদারও বিভিন্ন বক্তব্যে হত্যাকারী ও অর্থদাতাদের দ্রুত গ্রেফতার ও কড়া শাস্তির ওপর জোর দেন। অনুষ্ঠানে নিহত মাসুম বিল্লাহর ছেলে আবিদ হুসাইনও উপস্থিত ছিলেন।

  • অস্ত্র-গুলিসহ করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ওসমান গণি আটক

    অস্ত্র-গুলিসহ করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ওসমান গণি আটক

    কোস্ট গার্ড বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে সুন্দরবনের শেলা নদীর মূর্তির খাল থেকে কুখ্যাত জলদস্যু করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড ওসমান গণিকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করেছে।

    কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে করিম শরীফ বাহিনীর সদস্যরা শেলা নদী সংলগ্ন ওই এলাকায় অবস্থান করছে। সে তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কোস্ট গার্ড বেইস মোংলা সকাল ছয়টার দিকে সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বিশেষ অভিযান শুরু করে।

    অভিযানের সময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দস্যুরা দ্রুত পালানোর চেষ্টা করলে ধাওয়া করে তাদের মধ্যে থেকে ওসমান গণিকে গ্রেফতার করা হয়। ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে ১টি একনলা বন্দুক, ১৬ রাউন্ড তাজা কার্তুজ এবং ৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে।

    আটককৃত ওসমান গণি (৩৮) সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি থানার বাসিন্দা। কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তিনি করিম শরীফ বাহিনীর সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করে আসছিলেন এবং দস্যু দলে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জোগায়।

    কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের অপারেশন অফিসার লে. কমান্ডার আবরার হাসান জানান, জব্দকৃত অস্ত্র ও আটককৃত দস্যুকে নিয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। রাতে ওসমান গণি মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হবে।

    তিনি আরও জানিয়েছেন, সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত রাখতে কোস্ট গার্ডের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন

    মাসুম বিল্লাহ হত্যাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন

    রূপসা উপজেলা শ্রমিক দলের সাবেক আহবায়ক ও রূপসা-বাগেরহাট আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাসুম বিল্লাহকে হত্যাকারী ও অর্থ যোগানদাতা যারা তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবিতে খুলনায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) দুপুর ১২টায় নগরীর পিকচার প্যালেস মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

    মানববন্ধনটি সভাপতিত্ব করেন সাবেক ইউপি সদস্য ও বিএনপি নেতা বসির হায়দার পল্টু। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খাইরুল ইসলাম, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুর রশিদ শেখ, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি উজ্জ্বল কুমার সাহা, জেলা কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ এবং জেলা শ্রমিক দলের যুগ্ম-সম্পাদক এস এম কামরুজ্জামান।

    আলী আকবার রাজুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন রূপসা-বাগেরহাট বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মহিউদ্দিন শেখ, সাবেক ছাত্রনেতা মনজুর আরেফিন, জেলা মহিলা দলের যুগ্ম-সম্পাদক মনিরা সুলতানা, থানা শ্রমিক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইউনুস গাজী, উপজেলা শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক জালাল হাওলাদার, যুগ্ম-আহবায়ক তরিকুল ইসলাম তরিক এবং যুগ্ম-আহবায়ক লাভলু শেখ।

    অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন বিএনপি নেতা মাজারুল ইসলাম, বাবুল শেখ, জাকির হোসেন, বাগমারা বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, সাবেক সভাপতি হুমায়ুন শেখ, ট্রলার মাঝি শ্রমিক ইউনিয়নের আলী শিকদার এবং নিহত মাসুম বিল্লাহর ছেলে আবিদ হুসাইন। বক্তারা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত তদন্ত, সত্যিকারের দায়ীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইতে বলেন।

  • বাগেরহাটে ৭ অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস

    বাগেরহাটে ৭ অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস

    বাগেরহাটে অবৈধভাবে চালিত সাতটি ইটভাটার থেকে সংগৃহীত প্রায় ৪ লাখ কাঁচা ইট ভেঙ্গে এবং পানিতে ভিজিয়ে ধ্বংস করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানটি বুধবার বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার বাবুরহাট ও সাতগাছিয়া এলাকায় পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়।

    খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম সর্বসম্মতভাবে ভাটা গুড়িয়ে দেবার নির্দেশ দেন। অভিযানে বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান, সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশীদসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, এসব ভাটা ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৬ ও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ১২ ভঙ্গ করে নিষিদ্ধ জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করে এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া পাজা পদ্ধতির ইটভাটাগুলো অবৈধভাবে পরিচালনা করছিল। অধিদপ্তর এসব আইন লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে ভাটা থেকে সংগৃহীত কাঁচা ইটগুলো ধ্বংস করেছে।

    অভিযানে কোন ভাটা মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, ফলে কাউকে জরিমানা করা হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

    উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান জানান, পরিবেশ রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও অনৈতিক ও পরিবেশ দূষণকারী ভাটা চিহ্নিত হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • সাতক্ষীরার পাঁচ মন্দিরে ভোরের দুঃসাহসিক চুরি; স্বর্ণ-রূপাসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরার পাঁচ মন্দিরে ভোরের দুঃসাহসিক চুরি; স্বর্ণ-রূপাসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি এলাকায় বুধবার ভোরবেলা পাঁচটি মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি হয়েছে। ঘটনার সময় ঘড়ি প্রায় তিনটায়। চোরেরা মন্দিরের তালা কেটে গিয়ে নগদ টাকা, দূর্গা বা কালী প্রতিমায় রাখা স্বর্ণ ও রূপার গহনা মিলিয়ে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, ভোর সাড়ে তিনটা থেকে চারটার দিকে মন্দির এলাকায় মেচে থাকা ছাত্ররা চুরির বিষয়টি জানতে পারার পর তারা সমিতিকে খবর দেয়। পরে সমিতির কয়েকজন সদস্য মন্দিরে গিয়ে দেখেন কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা গোবিন্দ মন্দির—এই সব মন্দিরের দরজার তালা ভাঙা এবং ভেতরের জিনিসপত্র ছিন্নভিন্ন অবস্থায় রাখা।

    তদন্তে জানা যায়, চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা এবং কয়েক ভরি রূপার গহনা ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বলছেন মালামালের মধ্যে রয়েছে কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, দুই জোড়া পেটি, দুই জোড়া শাখা, একটি স্বর্ণের চেইন ও আরও কিছু রূপার গহনা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ একটি তালা কাটা মেশিন উদ্ধার করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

    মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, মাত্র দুই দিন আগেও শহরের কাটি কর্মকারপাড়া এরাকায় একটি মন্দিরে চুরি হয়েছে। ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের এবং মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

    স্থানীয়রা বলছেন দ্রুত কার্যকর তদন্ত ও মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো না হলে ধর্মীয় স্থাপনাগুলোতে আবারও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে—এই আশঙ্কা রয়েই গেছে। তদন্তকারীরা ফেনা সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই শুরু করেছে।

  • সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন শহর এলাকায় একাধিক মন্দিরে দুর্জনদের দুঃসাহসিক চুরি ঘটেছে। বুধবার (১১ মার্চ) ভোরের দিকে প্রায় পাঁচটি মন্দিরের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও দেবীপূজায় রাখা স্বর্ণ-রূপা সহ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে অজ্ঞাত চোরেরা।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, রাতে মন্দির এলাকায় ওঠা-নামা করা কিছু ছাত্র ভোর সাড়ে তিন থেকে চারটার দিকে চুরির ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারে এবং খবর দেন। মন্দির কমিটিনিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেন কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা-গোবিন্দ মন্দির—all মন্দিরের দরজার তালা কেটে ভেতরটি তছনছ করা হয়েছে।

    তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের কয়েকটি স্বর্ণদাগী গয়না, বিভিন্ন ওজনের রূপার গয়না, নগদ টাকাসহ মন্দিরের প্রতিমা ও উপস্থাপনার জন্য রাখা মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে। চুরির তালিকায় কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, দুটি জোড়া পেটি, দুই জোড়া শাখা, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি নথ টানা এবং অন্যান্য রূপার গহনা রয়েছে। মন্দির সমিতি বদরাই এটি আনুমানিক মূল্যায়ন করেছেন প্রায় ২০ লাখ টাকা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ একটি তালা কাটার মেশিন উদ্ধার করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলছে।

    মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়া এরাকা এলাকায় ও একটি মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বারবার ঘটে যাওয়া এসব চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

    পুলিশের দাবি, ঘটনার সঠিক পরিধি ও দায়ীদের শনাক্ত করে দ্রুত তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং খোঁজখবর করে মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

  • সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, স্বর্ণ-রুপাসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, স্বর্ণ-রুপাসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন সাতক্ষীরা ‘মায়ের বাড়ি’ এলাকায় বুধবার ভোরে পাঁচটি মন্দিরে তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার (১১ মার্চ) ভোর প্রায় তিনটার দিকে শুরু করে মন্দিরগুলোতে তালা কেটে ভেতরে ঢোকে চোরেরা এবং নগদ টাকা, স্বর্ণ ও রুপার গহনা সহ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন বলেন, মন্দির এলাকায় মেসে থাকা ছাত্ররা ভোর সাড়ে তিনটা থেকে চারটার দিকে চুরির শিকার মন্দিরগুলোর অবস্থা দেখতে পেয়ে তাদের জানান। পরিদর্শনে দেখা গেছে কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা-গোবিন্দ মন্দির—সবই তালা ভাঙা এবং ভিতরে তছনছ।

    নিত্যানন্দ আমিন আরও বলেন, আমরা খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছি চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা এবং কয়েক ভরি ওজনের রুপার গহনা, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। চুরির তালিকায় রয়েছে কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, কয়েক জোড়া শাখা-পলু, একটি স্বর্ণের চেইন ও বিভিন্ন রুপার গহনা। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মতো।

    পরিকল্পিত ও পেশাদারভাবে কাজ করার সূত্রে পুলিশের নিকট মন্দির সমিতি আশঙ্কা করছে এই চোরদের কোনো গ্রুপের কাজ হতে পারে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সেখান থেকে একটি তালা কাটা মেশিন উদ্ধার করা হয়েছে।

    মন্দির সমিতির নির্বাহী সদস্য ও শিক্ষক দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, মাত্র দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়া এরাকায় এক মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বারবার মন্দিরে চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। তিনি দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

    সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং চুরির ঘটনায় তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য এবং পুনরায় নজরদারির মাধ্যমে দায়ীদের ধরতে পুলিশ সব সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।