Category: সারাদেশ

  • সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চারটি সংসদীয় আসনে চুড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ প্রার্থীর মাঝে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং অফিসার মিজ আফরোজা আখতার তার সম্মেলন কক্ষে সব রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে প্রতীক বণ্টন করেন।

    প্রতীক বরাদ্দের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং আচরণবিধি লঙ্ঘিত হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে বলে সতর্ক করেন। এ সময় পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলার বিজিবি প্রধান ও আনসার কমান্ডান্টসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-গণও নির্বাচন সংক্রান্ত সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন।

    বণ্টিত প্রতীকের মধ্যে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বীরা ‘ধানের শীষ’, জামায়াতের প্রার্থীরা ‘দাড়িপাল্লা’, জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা ‘লাঙ্গল’ ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থীরা ‘হাতপাখা’ প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের প্রার্থী ‘ডাব’, বাংলাদেশ জাসদের প্রার্থী ‘মটরগাড়ি’, স্বতন্ত্র প্রার্থী ‘ফুটবল’ এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির প্রার্থী ‘রকেট’ প্রতীকে লড়বেন।

    প্রতীক প্রাপ্ত প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করা হয়নি বললে ভুল হবে—আসনভিত্তিক তালিকা হচ্ছে:

    সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপির হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াতের মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

    সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মটরগাড়ি) এবং ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

    সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)।

    সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

    প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। জাতীয় পর্যায়ে মনোনয়নপত্র দাখিলের প্রক্রিয়ায় সাতক্ষীরায় ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাইয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ১৯টি বৈধ ও ১০টি বাতিল ঘোষণা করেন। এরপর নির্বাচন কমিশনে আপীল করলে চারজনের মনোনয়ন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়ে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩। পরে তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ২০ জন প্রার্থী নির্ধারিত হন এবং বুধবার তাদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়।

    জেলা প্রশাসন ও নির্বাচন সংক্রান্ত কর্মকর্তারা সব পক্ষকে শান্তিপূর্ণ, সুনামের সঙ্গে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনায় আহ্বান জানিয়েছেন এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থাসহ নিরপেক্ষ নির্বাচনের নিশ্চয়তা reiterated করেছেন।

  • যশোরে ছয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ, আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো প্রচারণা

    যশোরে ছয় আসনে প্রতীক বরাদ্দ, আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো প্রচারণা

    যশোরের ছয়টি সংসদীয় আসনে চূড়ান্তভাবে ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রার্থীদের হাতে তাদের প্রতীক তুলে দেন। প্রতীক বরাদ্দের পর আনুষ্ঠানিকভাবে যশোরে নির্বাচনী প্রচারণাও শুরু হয়।

    যশোর-১ (শার্শা) আসনে চারজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন—জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল পেয়েছেন লাঙ্গল, বিএনপি’র নুরুজ্জামান লিটন পেয়েছেন ধানের শীষ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপির মোছা. সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দীন ফরিদ পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী পেয়েছেন হাতপাখা, বাসদের ইমরান খান পেয়েছেন মই, বিএনএফের শামসুল হক পেয়েছেন টেলিভিশন এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ পেয়েছেন ঈগল প্রতীক। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম পেয়েছেন ঘোড়া এবং মেহেদী হাসান পেয়েছেন ফুটবল প্রতীক। যদিও জহুরুল ইসলাম সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছিলেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা জানান তিনি প্রত্যাহারের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেননি।

    যশোর-৩ (সদর) আসনে ছয়জন প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত পেয়েছেন ধানের শীষ, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন পেয়েছেন হাতপাখা, জামায়াতের আব্দুল কাদের পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির খবির গাজী পেয়েছেন লাঙ্গল, জাগপা’র নিজামুদ্দিন অমিত পেয়েছেন চশমা এবং সিপিবির রাশেদ খান পেয়েছেন কাস্তে প্রতীক।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে সাতজন প্রার্থীকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। স্বতন্ত্র এম. নাজিম উদ্দীন-আল-আজাদ পেয়েছেন মোটরসাইকেল, ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন পেয়েছেন হাতপাখা, বিএনপির মতিয়ার রহমান ফারাজি পেয়েছেন ধানের শীষ, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী দেওয়াল পেয়েছেন ঘড়ি, জামায়াতের গোলাম রসুল পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জহুরুল হক পেয়েছেন লাঙ্গল এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার মণ্ডল পেয়েছেন রকেট প্রতীক।

    যশোর-৫ (মণিরামপুর) আসনে পাঁচজন প্রতিদ্বন্দ্বী—জাতীয় পার্টির এম এ হালিম পেয়েছেন লাঙ্গল, জামায়াতের গাজী এনামুল হক পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন পেয়েছেন হাতপাখা, বিএনপির রশীদ আহমাদ পেয়েছেন ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন পেয়েছেন কলস প্রতীক।

    যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন—জাতীয় পার্টির জিএম হাসান লাঙ্গল, বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ, এবি পার্টির মাহমুদ হাসান ঈগল, জামায়াতের মোক্তার আলী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম পেয়েছেন হাতপাখা প্রতীক।

    প্রতীক বরাদ্দ শেষে বক্তব্য رکھنے গিয়ে যশোর জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুক হক সাবু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের প্রত্যাশায় রয়েছে। গত ১৬ বছরে দেশের নির্বাচনী প্রক্রিয়া ধ্বংসের শিকার হয়—তবে 이번 নির্বাচনে সাধারণ মানুষের মতামতের যথার্থ প্রতিফলন ঘটবে এবং বিএনপি প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে সাফল্য অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    সংগঠনের বাইরে থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ উঠেছে। সিপিবি’র যশোর-৩ (সদর) প্রার্থী রাশেদ খান অভিযোগ করেন, নির্বাচনী প্রচারণায় স্পষ্ট নিষেধ থাকা সত্ত্বেও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পোস্টার ও বড় ব্যানার এখনো যানবাহনে এবং প্রত্যন্ত এলাকায় দেখা যাচ্ছে; কিছু ক্ষেত্রে সমর্থকরা জুমার নামাজকেও ভোট প্ররোচনায় ব্যবহার করছে—এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের নজর প্রয়োজন। যশোর-২-এর বাসদ প্রার্থী ইমরান খান বলেন, রাতের ভোট, ডামি ভোট ও ভোট কেড়ে নেওয়ার মেলামেশা থেকে বের হতে হলে প্রশাসনকে বিশেষ দৃষ্টি রাখতে হবে; ৫ আগস্টের ঘটনাপ্রবাহের পরও অবৈধ অস্ত্র ও অর্থের প্রভাব নির্বাচনে পড়তে পারে, তাই সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করা জরুরি।

    জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রতিকীপ বরাদ্দকালে নির্বাচনি আচরণবিধি মেনেই প্রচারণা চালাতে সকলের প্রতি নির্দেশনা দেন। তিনি জানান, যশোরের ছয় আসনে মোট ৩৫ জনকে প্রতীক দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। কার্যক্রমে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিব উপস্থিত ছিলেন।

  • যশোরে ছয় আসনে ৩৫ প্রার্থীকে অনুষ্ঠিতভাবে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রচার শুরু

    যশোরে ছয় আসনে ৩৫ প্রার্থীকে অনুষ্ঠিতভাবে প্রতীক বরাদ্দ, নির্বাচন প্রচার শুরু

    যশোরে ছয়টি সংসদীয় আসনে মোট ৩৫ জন প্রার্থীর মধ্যে চূড়ান্ত প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান প্রার্থীদের হাতে তাদের প্রতীক তুলে দেন।

    যশোর-১ (শার্শা): এখানে ৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজিজুর রহমান পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চল লাঙ্গল, বিএনপির নুরুজ্জামান লিটন ধানের শীষ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বকতিয়ার রহমান হাতপাখা প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা): এ আসনে মোট ৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বী। বিএনপির মোছা. সাবিরা সুলতানা পেয়েছেন ধানের শীষ, জামায়াতের মোহাম্মদ মোসলেহউদ্দীন ফরিদ দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের ইদ্রিস আলী হাতপাখা, বাসদের ইমরান খান মই, বিএনএফের শামসুল হক টেলিভিশন এবং এবি পার্টির রিপন মাহমুদ ঈগল প্রতীক পেয়েছেন। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জহুরুল ইসলাম ঘোড়া ও মেহেদী হাসান ফুটবল প্রতীক পেয়েছেন। যদিও জহুরুল ইসলাম এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা বলেন, জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কথায় তিনি প্রত্যাহারের কাগজপত্র জমা দেননি।

    যশোর-৩ (সদর): এখানে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত ধানের শীষ নিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলনের মুহাম্মদ শোয়াইব হোসেন হাতপাখা, জামায়াতের আব্দুল কাদের দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির খবির গাজী লাঙ্গল, জাগপার নিজামুদ্দিন অমিত চশমা এবং সিপিবি’র রাশেদ খান কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর): এ আসনে সাতজন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। স্বতন্ত্র এম. নাজিম উদ্দীন-আল-আজাদ মোটরসাইকেল, ইসলামী আন্দোলনের বায়েজীদ হোসাইন হাতপাখা, বিএনপির মতিয়র রহমান ফারাজি ধানের শীষ, খেলাফত মজলিসের মাওলানা আশেক এলাহী দেওয়াল ঘড়ি, জামায়াতের গোলাম রসুল দাঁড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির জহুরুল হক লাঙ্গল এবং বিএমজেপির সুকৃতি কুমার মণ্ডল রকেট প্রতীক নিয়েছেন।

    যশোর-৫ (মণিরামপুর): এখানে পাঁচজন প্রার্থী লড়ছেন। জাতীয় পার্টির এম এ হালিম লাঙ্গল, জামায়াতের গাজী এনামুল হক দাঁড়িপাল্লা, ইসলামী আন্দোলনের জয়নাল আবেদীন হাতপাখা, বিএনপির রশীদ আহমদ ধানের শীষ এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী শহীদ মো. ইকবাল হোসেন কলস প্রতীক পেয়েছেন।

    যশোর-৬ (কেশবপুর): এই আসনেও পাঁচজন প্রার্থী প্রতীক নিয়েছেন। জাতীয় পার্টির জিএম হাসান লাঙ্গল, বিএনপির আবুল হোসেন আজাদ ধানের শীষ, এবি পার্টির মাহমুদ হাসান ঈগল, জামায়াতের মোক্তার আলী দাঁড়িপাল্লা এবং ইসলামী আন্দোলনের শহিদুল ইসলাম হাতপাখা প্রতীক রাখছেন।

    প্রতীক বরাদ্দের পর জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুক হক সাবু বলেন, দীর্ঘদিন ধরে মানুষ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রত্যাশায় আছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বর্ষার পর বাংলাদেশে ভোট ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ফিরে আসবে এবং বিএনপির প্রার্থীরা ধানের শীষ নিয়ে বিজয়ী হবে।

    অন্যদিকে বিভিন্ন প্রার্থীর অভিযোগও উঠেছে। সিপিবি প্রার্থী রাশেদ খান জানান, নির্দিষ্ট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণায় নিষেধ থাকা সত্ত্বেও এখনও কিছু দলের পোস্টার-ফেস্টুন যানবাহনে দেখা যাচ্ছে এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে বড় ব্যানার আছে; তিনি নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণের আর্জি করেন। যশোর-২-এর বাসদের প্রার্থী ইমরান খান বলেন, রাতের ভোট, ডামি ভোট ও ভোট কেড়ে নেওয়ার সংস্কৃতি থেকে বের হওয়ার জন্য প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন; বিশেষ করে অবৈধ অস্ত্র ও টাকার উপস্থিতি নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে।

    জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসান নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে প্রচারণা পরিচালনার নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি জানান, যশোরের ছয় আসনে চূড়ান্তভাবে ৩৫ জন প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি উৎসবমুখর পরিবেশে যশোরে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম রাকিবও উপস্থিত ছিলেন।

  • সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরার চার আসনে ২০ প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ

    সাতক্ষীরায় চারটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ২০ জন প্রার্থীকে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মিজ আফরোজা আখতার তার সম্মেলন কক্ষে সকল দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতীকের বরাদ্দ দেন।

    বরাদ্দকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা উপস্থিত সবাইকে আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দেন এবং আইনশৃঙ্খলায় কোনো হয়রানি বা বিশৃঙ্খলার ঘটনা ঘটলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কড়াভাবে হস্তক্ষেপ করবে বলে সতর্ক করেন। এসময় পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদুর রহমান, জেলার বিজিবি প্রধান ও আনসার কমান্ডান্টসহ অন্যরা নির্বাচন-সংক্রান্ত সামগ্রিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার ওপর বক্তব্য রাখেন।

    এবার সাতক্ষীরার চারটি আসনে মোট আট ধরনের প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোকে বরাদ্দকৃত প্রতীকগুলো হলো: বিএনপির ধানের শীষ, জামায়াতে ইসলামীর দাড়িপাল্লা, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা। এছাড়া বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব, বাংলাদেশ জাসদের মটরগাড়ি, একটি স্বতন্ত্র প্রার্থীর ফুটবল ও বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রকেট প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন।

    আসনভিত্তিক প্রার্থীদের তালিকা বেশি পরিষ্কারভাবে এভাবে জানা যায়:

    – সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া): বিএনপি থেকে হাবিবুল ইসলাম হাবিব (ধানের শীষ), জামায়াত থেকে মো. ইজ্জত উল্লাহ (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. রেজাউল করিম (হাতপাখা), জাতীয় পার্টির জিয়াউর রহমান (লাঙ্গল) ও বাংলাদেশ কংগ্রেসের ইয়ারুল ইসলাম (ডাব)।

    – সাতক্ষীরা-২ (সদর-দেবহাটা): বিএনপির আব্দুর রউফ (ধানের শীষ), জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান (লাঙ্গল), বাংলাদেশ জাসদের ইদ্রিস আলী (মটরগাড়ি) ও ইসলামী আন্দোলনের মুফতী রবিউল ইসলাম (হাতপাখা)।

    – সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ): স্বতন্ত্র প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য ডা. শহিদুল আলম (ফুটবল), বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন (ধানের শীষ), জামায়াতের হাফেজ রবিউল বাশার (দাড়িপাল্লা), জাতীয় পার্টির আলিপ হোসেন (লাঙ্গল), ইসলামী আন্দোলনের ওয়েজ কুরনী (হাতপাখা) এবং বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টির রুবেল হোসেন (রকেট)।

    – সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর): বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান (ধানের শীষ), জামায়াতের জিএম নজরুল ইসলাম (দাড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলনের এইচ এম মিজানুর রহমান (হাতপাখা) ও জাতীয় পার্টির আব্দুর রশিদ (লাঙ্গল)।

    প্রসঙ্গত, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরার বিভিন্ন প্রার্থী মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিল করেন। প্রথম দফায় ২৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেয়ায় যাচাই-বাছাই করা হয়; রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তে ১৯ জনকে বৈধ ও ১০ জনকে বাতিল ঘোষণা করা হয়। পরে নির্বাচনী আপিলে চারজন বৈধ ঘোষিত হওয়ায় মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩। পরে ২০ জানুয়ারি তিনজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় চূড়ান্তভাবে ২০ জন প্রার্থী প্রতীকে ছেদে লড়বেন বলে বিবেচিত হন। বুধবার দুপুর থেকে এসব চূড়ান্ত প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বিতরণ করা হয়েছিল।

  • খুলনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩ জন কারাগারে

    খুলনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩ জন কারাগারে

    খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে গ্রেফতার তিনজনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন। মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন। ঘটনাটির বিস্তারিত নিশ্চিত করে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, চাঁদা দাবি ও লেনদেনের অভিযোগে তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করা হয়। আজ তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তাঁদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে সোমবার নগরীর সোনাডাঙ্গা নেসার উদ্দিন সড়কের একটি বাড়িতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। পরে ভুক্তভোগী শাহানাজ পারভীন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় চাঁদাবাজির মামলাটি দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মোঃ মিরাজুল ইসলাম ওরফে মাহাদী হাসান, আরেফিন আল নাহিন ও মিরাজ গাজী ওরফে বোরহান। তাঁদের মধ্যে মোঃ মিরাজুল ইসলাম নিজেকে এনসিপির জেলা শাখার সদস্য বলে পরিচয় দেন এবং আরেফিন আল নাহিন খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিকস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র বলে জানা গেছে।

  • রাগ-ক্ষোভ ভুলে কাজ করে বিজয় লাভের ডাক

    রাগ-ক্ষোভ ভুলে কাজ করে বিজয় লাভের ডাক

    দেশ অনেক ত্যাগের পর ইতোমধ্যে একটি স্থানে পৌঁছেছে। সামনে নির্বাচন। যেখানে মানুষ তাঁদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং গণতান্ত্রিক দেশে উন্নতি করতে প্রস্তুত। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু কটাক্ষ করে বলেছেন, এই আসনের জনগণের শেষ আশ্রয় ধানের শীষ। এই আসনটি ধরে রাখতে এবং সবার প্রত্যাশা পূরণে সকলের মধ্যে রাগ এবং ক্ষোভ ভুলে একসাথে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করব।

    গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ৩১নং ওয়ার্ডের হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী (রাঃ) নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আব্দুল খালেক ব্যাপারী, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ ছাড়া, দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মাসুম বিল্লাহ।

    দুপুর ১২টায় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু শেরে বাংলা রোডস্থ সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কনিজ মোস্তফা ও প্রতিবন্ধী সেবা কেন্দ্রে কাজের সঙ্গে পরিচিত হন। বিকেলে ৩০নং ওয়ার্ডের মরিয়মপাড়া এলাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় করেন। Furthermore, বাদ মাগরিব, তিনি ১৬নং ওয়ার্ডে আয়োজিত মীরেরঘাট মহিলা সমাবেশে উপস্থিত হন, যেখানে বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা, যেমন আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, সাদিকুর রহমান সবুজ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, এডভোকেট সরফরাজ হিরো, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল এবং আরও অনেকে। তাঁরা সব মিলিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবার জন্য প্রস্তুত। ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংগঠনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বে থাকেন এবং তাদের সহযোগিতায় এ নির্বাচনী প্রচেষ্টা সফল করতে চান।

  • স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন বিএনপি’র বিরুদ্ধে চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত: রকিবুল ইসলাম বকুল

    স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন বিএনপি’র বিরুদ্ধে চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত: রকিবুল ইসলাম বকুল

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, যারা এক সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মানতে চাননি, তারা আজীবন দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির বিরোধিতা করে আসছে। আর সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিগুলিই এখন নানামুখী চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চেষ্টা করছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় খালিশপুরের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বর্তমানে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুবিধা নিয়ে কিছু পরিকল্পিত মহল নানামুখী চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা এমনকি অতীতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকার করতে চেয়েছিল, এখন তারা ছদ্মবেশ ধারণ করে দেশের ও দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে। তিনি উল্লেখ করেন, এরূপ অপপ্রচার ও কুৎসা রটিয়ে দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপকৌশল চালাচ্ছে একেকটা গোষ্ঠী। বিএনপি আজ এসব অপশক্তির প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক নেতা বকুল আরো বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ও দলটির কর্মীরা এসব ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। দলের স্বার্থে ইস্পাত কঠিন ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং উসকানি বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল চক্রান্তের মোকাবিলা করতে হবে। জনগণের শক্তির সমর্থনে বিএনপির বিরুদ্ধে চলমান অপকৌশলগুলো জনগণই রুখে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক স্মরণ সভা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ইউনুছ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, আঃ সামাদ স্যার, আবুল বাশার বাদশা, সৈয়দ কামরুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম বাবুল, মোহাম্মদ আলী ওস্তাদ, নাজমুল বাবু, বাবুল হোসেন খোকন, এম এ রউফসহ খালিশপুর থানা ও ওয়ার্ড বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনায় একটি মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবর্গ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক সংখ্যায় অংশ নেন।

  • আপনার ভোট আপনার অধিকার: খুশি মনে ভোট দিন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন

    আপনার ভোট আপনার অধিকার: খুশি মনে ভোট দিন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন

    খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ভোটের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ভোটপ্রার্থীরা প্রতি নির্বাচনে তাদের কাছে পৌঁছান। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন, ভোট দেওয়া আমাদের মূল অধিকার এবং আপনি যাকে খুশি মনে ভোট দিতে পারেন। এই স্বাধীনতা কেউ কোনোভাবেই খর্ব করতে পারে না। নির্বাচনের সময় এএসকল অধিকার রক্ষা করতে দায়ী থাকেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আপনি ইচ্ছেমতো যা মনে করেন, যেমন মার্কায় ভোট দিতে পারেন, এটি সম্পূর্ণ আপনার স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত। কেউ এতে বাধা দিতে পারবে না।

    মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার মাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলী ইমাম মজুমদার। বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তিতে গণভোটের হ্যাঁ বা না ভোট গুরুত্বপূর্ণ। দেশের পরিচালনা কারা করবে, সেটাও নির্ভর করে দেশের জনগণের ইচ্ছার উপর। তিনি সমাবেশে সবাইকে অনুরোধ করেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার জন্য।

    আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণের দায়িত্ব আপনারাই। যাকে আপনি ভোট দেবেন, তিনি এই দেশের নেতৃত্বে আসবেন। তাই আপনার ভোটই দেশের ভবিষ্যত গড়ে দেবে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নিবাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনসার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মুইনুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় শিক্ষক, ইমাম ও সমাজের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে, একই দিনে সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাগেরহাটে জেলা পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনসার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুইনুল ইসলাম, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইমামগণ।

    সম্মেলনে গণভোটের গুরুত্ব, জাতীয় সংসদ ভোটে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন ও দক্ষ সংসদ সদস্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোচনা হয়। প্রার্থীর যোগ্যতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া বিষয়ে আলোচনা করে ইমামদেরও অনুরোধ করা হয় এই ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করতে। ঐসময় বিভিন্ন স্থানে মোট ৫শ’র বেশি ইমাম এই সভায় অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনার ৬ আসনে মোট ৩৮ প্রার্থী পেয়েছেন প্রতীক

    খুলনার ৬ আসনে মোট ৩৮ প্রার্থী পেয়েছেন প্রতীক

    সারাদেশের মতো খুলনাতেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও ইশতেহার পাঠের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই কার্যক্রম বেলা ১১টার পর থেকে খুলনা জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে শুরু হয়। এ সময় খুলনার ছয়টি আসনের মোট ৩৮ জন প্রার্থীকে তাদের নির্বাচন প্রতীক প্রদান করা হয়। দলীয় প্রতীক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজের নিজের ইচ্ছেমতো প্রতীক নির্ধারণ করেন। প্রতীক বরাদ্দের পর বেশ কয়েকজন প্রার্থী তাদের নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করেন। বিশেষ করে, খুলনা ৫ নম্বর আসনের জন্য প্রার্থী হয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামার পর, নির্বাচন পরিচালনায় কোনো বিভ্রান্তি যেন না হয়, এ জন্য তিনি শঙ্কা ব্যক্ত করেন জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারী জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কালো টাকা আর সন্ত্রাসের বিস্তার রোধ করতে হবে এবং সবাইকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।’ অন্যদিকে, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপি, ও অন্যান্য প্রার্থীরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানান। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই এলাকার ভোটার ও প্রার্থীমrush সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকাল থেকে সবাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করবেন এবং ভোটের মাঠে নিজেদের শক্তিশালী করণ জন্য প্রস্তুতি নেবেন।

  • খুলনায় ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

    খুলনায় ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনার ছয়টি নির্বাচনী আসনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিনে ব্যাপক এই কার্যক্রমের মাধ্যমে পাঁচজন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা রয়েছেন।

    খুলনার এই ছয়টি আসনে মোট প্রার্থী ছিল ৪৩ জন, তবে আজকের শেষে পাঁচজনের মনোনয়ন প্রত্যাহার হওয়ায় এখন মোট প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৮। অর্থাৎ, বর্তমানে এই ছয়টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৮ প্রার্থী।

    বিশেষভাবে উল্লেখ্য, প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন: খুলনা-১ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ফিরোজুল ইসলাম, খুলনা-২ থেকে খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম, খুলনা-৩ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হারুনুর রশীদ, খুলনা-৪ থেকে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মোঃ কবিরুল ইসলাম, এবং খুলনা-৫ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুল কাইয়ুম জমাদ্দার। তারা সবাই নিজেদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।

    অপরদিকে, আগামীকাল প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। এই সময়ে প্রার্থীরা তাদের ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্বাচনী মতবিনিময় ও প্রচার কার্যক্রম চালাবেন।