Category: সারাদেশ

  • চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা নিহত

    চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় ঢাকার বাসিন্দা মোঃ বাবু মোল্লা (৪৩) নিহত হয়েছেন।

    ঘটনা বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে চিতলমারীর কলাতলা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় ঘটে। নিহত বাবু মোল্লা মোটরসাইকেল (ঢাকা মেট্রো-ল-৬৫-০৬০৬) চালিয়ে চিতলমারী সদরে আসছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশের কাছে জানা গেছে, বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া গতির লোকাল বাস তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    নিহত বাবু মোল্লা ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাতুয়াইল এলাকার মৃত নাছির মোল্লার ছেলে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য উদ্ধৃত করে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঘাতক বাসটি আটক করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

  • সাতক্ষীরায় হেলমেট, লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি বন্ধ

    সাতক্ষীরায় হেলমেট, লাইসেন্স ও কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি বন্ধ

    সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক হেলমেট, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও বৈধ কাগজপত্র ছাড়া মোটরসাইকেলে জ্বালানি তেল বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছেন। আদেশটি বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল থেকে জেলার প্রতিটি পেট্রোল পাম্পে কার্যকর করা হয়।

    জানা গেছে, ঈদের পর থেকেই জেলায় পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ আছে; তবু তেলের সমস্যা টালমাটাল হচ্ছে না। প্রতিদিন সকালের মুহূর্ত থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনের সামনে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায়। অনেক চালক সিরিয়াল নেবার জন্য রাতভর পাম্পের আশপাশে ঘুমিয়ে থাকেন।

    বুধবার সকালে মহেশ্বর কাটি, বুধহাটা, ধুলিহর ভাই ভাই, এবি খান, মোজাহার, মজুমদার, সোনালী, আলিপুর ও কপোতাক্ষসহ জেলার বহু পাম্পে খুলনা থেকে তেল আসার অপেক্ষায় শত শত মোটরসাইকেল লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। কোথাও কোথাও প্রতি মোটরসাইকেলে সীমিতভাবে ৩০০–৫০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছে। শহরের এবি খান পাম্পে দীর্ঘ লাইনের কারণে ব্যাপক যানজট তৈরি হওয়ায় পথচারী ও অন্যান্য যানবাহনের চলাচলে বিঘ্ন পড়ছে।

    একই সঙ্গে শহর ও আশপাশের খোলা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে তেল বিক্রির অভিযোগও উঠেছে। কিছু খুচরা দোকানে পেট্রোল লিটারপ্রতি ২৫০–৩০০ টাকা এবং অকটেন ৩০০–৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি। পাম্প থেকে তেল না পেয়ে অনেকে অতিরিক্ত মূল্য দিয়ে কেনাকাটা করতে বাধ্য হচ্ছেন।

    এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জেলা প্রশাসন পাম্পগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে—হেলমেট ছাড়া, ড্রাইভিং লাইসেন্স বা বৈধ কাগজপত্র না থাকলে মোটরসাইকেলে তেল দেয়া হবে না। জেলা প্রশাসক মিজ আফরোজা আখতা এ নির্দেশনাগুলো নিশ্চিত করে বলেন, জেলার পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ মোটামুটি স্বাভাবিক রয়েছে; কিন্তু একসঙ্গে কয়েকশো মোটরসাইকেলের ভিড় পরিস্থিতি অব্যবস্থাপনার কারণ হচ্ছে। তাই ভিড় ও যানজট রোধে কাগজপত্র যাচাই করে তেল বিক্রি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    জেলার motorists-দের অনুরোধ করা হয়েছে—হেলমেট পরিধান এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সঙ্গে রাখতে, যাতে ত্বরিতভাবে তেল সরবরাহ পাওয়া যায় এবং যানজট কমে। জেলা প্রশাসন ভবিষ্যতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।

  • চিতলমারীতে বেপরোয়া বাসের চাপায় ঢাকার মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    চিতলমারীতে বেপরোয়া বাসের চাপায় ঢাকার মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় সড়ক দূর্ঘটনায় ঢাকার একজন বাসিন্দা নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৫ মার্চ) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কলাতলা ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত ব্যক্তি মোঃ বাবু মোল্লা (৪৩) ছিলেন মোটরসাইকেল আরোহী। তিনি ঢাকার দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মাতুয়াইল এলাকার মৃত নাছির মোল্লার ছেলে। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য উদ্ধৃত করে চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ নজরুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাবু মোল্লা (মোটরসাইকেল নং ঢাকা মেট্রো-ল-৬৫-০৬০৬) চিতলমারী সদরের দিকে আসছিলেন। তখন বিপরীত দিক থেকে একটি বেপরোয়া গতির লোকাল বাস এসে তাঁকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।

    ওসি মোঃ নজরুল ইসলাম বলেছেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সন্দেহভাজন ওই বাসটিকে আটক করেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য উদ্ধার করা হয়েছে এবং ঘটনার বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

  • খুলনায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস স্মরণসভা ও আলোচনা

    খুলনায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস স্মরণসভা ও আলোচনা

    খুলনায় ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা বুধবার (২৫ মার্চ) সকালেই জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। সভার সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার।

    সভা শুরুতেই ১৯৭১ সালের ওই কালো রাতের স্মরণে শহিদদের প্রতি এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

    জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার বক্তৃতায় বলেন, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী নিরস্ত্র বাঙালি জনগোষ্ঠীর উপর নির্মম গণহত্যা চালায়—যাকে আমরা স্মরণ করি ‘কালো রাত’ হিসেবে। তিনি emphasized করেন যে গণহত্যার কোনো ঠিকুন নেই, যারা এধরনের অপরাধ চালায় তারা শেষ পর্যন্ত পরাজিত হয়। জন্মভূমির জন্য আত্মদানকে তিনি মহান মর্যাদা হিসেবে আখ্যায়িত করে সবাইকে দেশপ্রেম, মানবপ্রেম ও সেবাবোধ নিয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান।

    আলোচনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বিতান কুমার মন্ডল, কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) শেখ ইমরান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নজরুল ইসলাম প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

    দিবসটি উপলক্ষে খুলনার স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অংশগ্রহণে গণহত্যা ও মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্মৃতিচারণ ও আলোচনা হয়েছে। বাদজোহর পরে সকল মসজিদে মিলাদ-মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয় এবং মন্দির, গীর্জা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়েahid সমাপ্তি ঘটে।

  • বাগেরহাটে এক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি তেল সংকট, চালকদের দুর্ভোগ

    বাগেরহাটে এক সপ্তাহ ধরে জ্বালানি তেল সংকট, চালকদের দুর্ভোগ

    বাগেরহাটে এক সপ্তাহ ধরে তীব্র জ্বালানি তেল সংকট চলে আসছে। ঈদের তিনদিন আগে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) থেকে শুরু হওয়া এই সমস্যায় ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘন্টার পর ঘন্টা সারিবদ্ধ দাঁড়িয়ে থাকার পরও পর্যাপ্ত তেল পাচ্ছেন না যানচলাচলের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা।

    সরকারি অফিস খুললে সমস্যার শেযশত কমবে বলে আশাও করেছিলেন স্থানীয়রা, কিন্তু বাস্তবে মঙ্গলবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত অধিকাংশ পাম্পে তেল মেলেনি। শহরের খারদ্বার এলাকার খানজাহান আলী ও বরকত পাম্পে তেল না পেয়ে মোটরসাইকেল চালক ইউনুস শেখ ১১ কিলোমিটার দূরে সাইনবোর্ড বাজারের ওসমান আলী পাম্পে ছুটে যান। সেখানে ঘন্টাখানেক দাঁড়িয়ে ২০০ টাকার তেল নিয়ে ফিরে আসতে হয়েছে তাকে।

    জেলায় মোট ২৩টি ফিলিং স্টেশন রয়েছে — বাগেরহাট সদর, কচুয়া, ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও শরণখোলা উপজেলার প্রতিটি পাম্পেই তীব্র তেল সংকট দেখা দিয়েছে। অন্যান্য চারটি উপজেলার মানুষরাও এসব পাম্পের ওপর নির্ভরশীল। পাম্প মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে চাহিদার তুলনায় মাত্র ১০ থেকে ২০ শতাংশ তেল পাচ্ছে তারা, ফলে বিক্রি করার মতো পর্যাপ্ত জোগান হচ্ছে না। অনেক সময় পাম্প পুরো ভরাট রাখা পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

    ঔষধ কোম্পানিতে কর্মরত রোকনুজ্জামান জানান, পেশাগত কারণে প্রতিদিন একশ কিলোমিটারের বেশি গাড়ি চালাতে হয়, আর এক সপ্তাহ ধরে তেলের তীব্র সংকটে তিনি উদ্বিগ্ন। সিগারেট কোম্পানিতে চাকরি করা নুরুজ্জামান বলেন, গতকাল রাতেই তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে ২০০ টাকার তেল নিয়ে এসেছেন এবং সুযোগ পেলেই পাম্পে ঢুকে তেল নেওয়ার চেষ্টা করছেন, কারণ কাজ চালাতে মোটরসাইকেল অপরিহার্য।

    পাম্প মালিকরা বলছেন, সাধারণত গণপরিবহনের চাহিদা মেটাতে ডিজেল অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে যাতে বাস-ট্রাক চলাচল বন্ধ না পড়ে এবং ধান ও অন্যান্য ফসলের রেকর্ডায়ন ব্যাহত না হয়। তবে গণপরিবহনের চালকরা অভিযোগ করেন, পর্যাপ্ত তেল না পাওয়ায় তাদেরকে অতিরিক্ত চাপে গাড়ি চালাতে হচ্ছে। রায়েন্দা-ঢাকা রুটের বাস চালক আনসার মুসল্লী বলেন, ডিজেলের অভাবের কারণে নির্ধারিত সময়মতো বাস চালানো যাচ্ছে না; মাঝপথে একাধিক পাম্পে দাঁড়াতে হয়, ফলে যাত্রীরা অভিমত প্রকাশ করে ক্ষুব্ধ হন।

    কিছু পাম্পের কর্মীরা সরবরাহের ঘাটতি নিয়ে বিস্তারিত জানান। খানজাহান আলী ফিলিং স্টেশনের নজেল ম্যান আছাদ জানান, প্রতিদিন তাদের পর্যাপ্ত আনুশীলন অনুযায়ী প্রায় ৩ হাজার লিটার পেট্রোল ও ২ হাজার ৫শ লিটার অকটেন দরকার, কিন্তু ডিপো থেকে দুই দিন পর মাত্র ১৫শ লিটার অকটেন এবং পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেক সময় খালি হাতে ফিরতে হয় এবং চালকরা তাদের ওপর অসহিষ্ণুতা দেখান। কচুয়ার সাইনবোর্ড বাজারের ওসমান আলী ফিলিং স্টেশনের মালিক বদিউজ্জামান খোকন বলেন, ডিপো তেল পাঠানো মাত্রই সেখান থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে; তবে প্রয়োজনের তুলনায় কম জোগান আসায় সমস্যা হচ্ছে।

    বাগেরহাট জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন বলেন, তেলের এই সংকটের একটি বড় কারণে সাধারণ মানুষজনের মধ্যে অবৈধ মজুদ ও ট্যাংকি ভর্তি রাখা। কেউ কেউ বাড়তি মুনাফার আশায় তেল সংগ্রহ করে মজুদ করছেন, আবার প্রয়োজন ছাড়াও ট্যাংকি পূর্ণ করে রাখায় কৃত্রিম সংকট তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে তদারকি শুরু করেছে এবং মজুদকারীদের চিহ্নিত করে কারও বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    বিভাগীয় ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষ, ডিপো-অপারেটর ও পাম্প মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত যোগান স্বাভাবিক করাসহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, অন্যথায় যান চলাচল ও কৃষি কাজে প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

  • খুলনায় ২৮ বছরের কুলসুমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনায় ২৮ বছরের কুলসুমের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনা মহানগরীর ৪৮ জাহিদুর রহমান ক্রস রোড এলাকায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টায় এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের পরিচয় কুলসুম আক্তার সাথী (২৮) বলে জানা গেছে। তিনি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার গোয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা এবং খুলনায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্র্যান্ড প্রোমোটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন তিনি।

    স্থানীয়রা জানান, সকালে দীর্ঘসময় দরজায় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া না পায় এক ব্যক্তি দরজায় জোরে ধাক্কা দিয়ে ভাঙেন। সেই শব্দে বাড়ির মালিক ববি আক্তার ঘটনাস্থলে এসে ভিতরে ঢুকে কক্ষে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় কুলসুমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেন। ঐ সময় দরজার সামনে দিয়ে এক অজ্ঞাত ব্যক্তি দ্রুত স্থান ত্যাগ করতেও দেখেছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা, যা ঘটনার রহস্য আরও বাড়িয়েছে।

    খবর পেয়ে খুলনা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ ঘটনাটিকে আত্মহত্যার সম্ভাব্য হিসেবেই দেখছে, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং মামলার অন্যান্য আইনি কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • খুলনায় তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনায় তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনা মহানগরীর ৪৮ জাহিদুর রহমান ক্রস রোড এলাকায় মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এক তরুণীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে মনে করা হলেও ঘটনাটি ঘিরে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে।

    নিহতকের পরিচয় পাওয়া যায় কুলসুম আক্তার সাথী (২৮) হিসেবে। তিনি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার গোয়াবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। খুলনায় তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ব্র্যান্ড প্রোমোটর হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং ঘটনাস্থলের বাড়ির দ্বিতীয় তলায় ভাড়া থাকতেন।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে কয়েকবার দরজায় ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে এক ব্যক্তি দরজায় জোরে ধাক্কা দেন। আসতে রবিকে (বাড়ির মালিক) খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে এসে ভাঙা দরজা দেখেন এবং ভেতরে ঢুকে কুলসুমকে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন। একই সময়ে কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, দরজার সামনে থেকে একটি অজ্ঞাত ব্যক্তি দ্রুত সরে যায়—যা ঘটনাটিকে আরও অনিশ্চিত করেছে।

    খুলনা থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। পুলিশ বলছে, প্রথম দৃষ্টিতে এটি আত্মহত্যার মতো মনে হলেও ঘটনার প্রকৃত কারণ выяс করার জন্য তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    পুলিশ নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত কার্যক্রমও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

  • কালীগঞ্জে কৃত্রিম তেল সংকট: খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

    কালীগঞ্জে কৃত্রিম তেল সংকট: খোলা বাজারে অতিরিক্ত দামে বিক্রির অভিযোগ

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকটকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে। উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে নিয়মিত সরবরাহ না থাকায় গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবুও স্থানীয়দের অভিযোগ, একই তেল বাইরে ড্রামভর্তি করে বোতলজাত করে খোলা বাজারে অতি লাভে বিক্রি করা হচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে তেল সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ছুটির পরে কর্মস্থলে ফিরতে যাওয়া মোটরসাইকেল আরোহীরা তীব্র ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাম্পে তেল না পেয়ে তারা বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশের অবৈধ দোকান এবং গ্রামের পাইকারি বাজার থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে তেল কিনতে হচ্ছে।

    অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করে তা ড্রামভর্তি অবস্থায় বাহিরে নিয়ে আসে এবং পরে বোতলে ভরে প্রতি লিটারে পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন ৩০০–৩৫০ টাকায় বিক্রি করছে। এতে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলে সমস্যা ছাড়াও পরিবহন খরচ বেড়েছে।

    ঢাকাগামী এক মোটরসাইকেল আরোহী গোলাম আজম বলেন, ‘‘পাম্পগুলোতে তেল নেই বলে লোকজনকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু রাতে অনেকেই ড্রামভর্তি তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি করছে। এটা স্পষ্ট যে এক কুচক্রী চক্রই কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে অধিক মুনাফা নিচ্ছে।’’

    পাম্প মালিকেরা বলে থাকেন, ডিপো থেকে সরবরাহ কম আসছে—এটাই তাদের পক্ষ থেকে দায় এড়ানোর যুক্তি। তবে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের দাবি, দেশের কোথাও বাস্তবিক তেলের তীব্র সঙ্কট নেই; বরং কৃত্রিমভাবেই সংকট সৃষ্টি করে ব্যবসায়ীরা লভ্যাংশ বাড়াচ্ছেন।

    প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহের ফলে পাম্পগুলোর সামনে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টা ঘন্টা অপেক্ষার পর অল্প পরিমানে তেল দেওয়া হলেও অনেকে বলছেন, কিছুক্ষণের মধ্যেই মেশিন বিকল বা তেল শেষ হওয়া–এই অজুহাতে আবার সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এর ফলে অনেক যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ছে এবং পরিবহণ পরীক্ষাহীনভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

    অতিরিক্ত দামে তেল কেনায় পরিবহন চালকরা যাত্রীদের কাছ থেকেও বেশি ভাড়া নিচ্ছেন, যা জনভোগান্তি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। স্থানীয়রা প্রশাসনের তৎপরতা না থাকায় নীরবে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত চলিয়ে অবৈধ মজুত ও কালোবাজারি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছেন।

    কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ বলেন, ‘‘কোনো পাম্প মালিক যদি তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ স্থানীয়রা অপেক্ষা করছেন যে কেবল ঘোষণাই নয়—বাস্তবে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সংকট নিরসন করা হবে।

  • কালীগঞ্জে কৃত্রিম জ্বালানি সংকট: বোতলজাত তেল খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

    কালীগঞ্জে কৃত্রিম জ্বালানি সংকট: বোতলজাত তেল খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রির অভিযোগ

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলায় কৃত্রিমভাবে জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি করে অনিয়ম চলার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, উপজেলার ১১টি পেট্রোল পাম্পে তেল সরবরাহ নেই বলে সাধারণ গ্রাহকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু একই তেল বাইরে ড্রামভর্তি করে বোতলজাত করে খোলা বাজারে চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ মার্চ থেকে এলাকায় তেলের সংকট তীব্র আকার নিয়েছে। বিশেষ করে ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে থাকা মোটরসাইকেল আরোহীরা তেলের তীব্র ঘাটতির কারণে ভোগান্তিতে পড়েছেন। পাম্পে তেল না পেয়ে অনেকেই বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশে ও গ্রামাঞ্চলের অবৈধ দোকান থেকে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দামে তেল কিনছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

    অভিযোগ আছে যে কিছু অসাধু চক্র পাম্প থেকে তেল নিয়ে বাইরে ড্রামে রেখে পরে সেটি বোতলজাত করে প্রতি লিটার পেট্রোল, ডিজেল ও অকটেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি করছে। এতে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহনে ব্যয়ও বাড়ছে।

    এক ঢাকাগামী মোটরসাইকেল আরোহী গোলাম আজম বলেন, ‘‘পাম্পে তেল নেই বলা হলেও রাতে অনেকেই ড্রামভর্তি তেল নিয়ে বাইরে বিক্রি করে। এটা দেখে স্পষ্ট যে কোনো না কোনো সংঘবদ্ধ চক্র বেশি মুনাফার আশায় এই পরিস্থিতি তৈরি করছে।’’

    পাম্প মালিকরা ডিপো থেকে সরবরাহ কম থাকায় সমস্যাটি শুরুর দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসীদের বক্তব্য, সুদৃঢ় কোনো জাতীয় বা স্থানীয় তেল সংকট নেই; বরং কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করে কালোবাজারি চলছে বলে তারা দাবি করছেন।

    প্রতিদিন সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহের কারণে পাম্পে দীর্ঘ সারি তৈরি হচ্ছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষার পরও অল্প পরিমাণ তেল পেলে তৎক্ষণাৎ মেশিন বিকল বা তেল শেষ হয়ে গেছে বলে সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে—এই ধরনের অভিযোগও উঠেছে। ফলে অনেক যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে।

    অতিরিক্ত দামে তেল কিনে পরিবহন চালকরা ভাড়া বাড়াচ্ছেন, যা যাত্রীদের ওপর আর্থিক বোঝা বাড়িয়ে জনভোগান্তি তীব্র করছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, প্রশাসন এ পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না। তারা অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত চালিয়ে অবৈধ মজুত ও কালোবাজারির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

    কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেজওয়ানা নাহিদ সংবাদকারীদের বলেন, ‘‘কোনো পাম্প মালিক তেল মজুত করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’’ তবুও স্থানীয়রা আশা করছেন যে কেবল কথায় নয়, বাস্তবে দ্রুত তল্লাশি ও অভিযান করে এই সংকট নিরসন করা হবে।

  • ঈদ ছুটির পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু

    ঈদ ছুটির পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি পুনরায় শুরু

    পবিত্র ঈদুল ফিতর ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে সাত দিন বন্ধ থাকার পর মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পুনরায় চালু হয়েছে।

    বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের সিএন্ডএফ এজেন্ট স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সাজেদুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ঈদ উপলক্ষে ১৭ মার্চ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার থেকে পুনরায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হওয়ায় দুদেশের বন্দর এলাকায় যানজট দেখা দিয়েছে; পেট্রাপোল বন্দরেও একই পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

    কাস্টমস সূত্র জানায়, গত সাত দিন আমদানি-রপ্তানি বন্ধ থাকায় সরকারের প্রায় ১২০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চনা হয়েছে।

    বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের পরিদর্শক সৈয়দ মোর্তজা বলেন, যদিও বন্দর দিয়ে ব্যবসায়িক রপ্তানি-আমদানি বন্ধ ছিল, তবুও ছুটির সময় পাসপোর্টধারী যাত্রী পারাপার স্বাভাবিকভাবে চলছিল। এছাড়া ভারত-বাংলাদেশ ভিসা কার্যক্রম সীমিত থাকায় যাত্রী চাপ তুলনামূলকভাবে কম ছিল। তিনি যোগ করেন যে যাত্রীদের যেন দুর্ভোগ না হয় সেজন্য ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছিল।

    বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক) শামীম হোসেনও নিশ্চিত করেছেন যে ১৭ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত সাত দিন বন্দর দিয়ে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ ছিল এবং মঙ্গলবার সকাল থেকেই কার্যক্রম আবারো শুরু হয়েছে।

    আদৌ বন্দর এলাকায় যানজট ও পণ্য জট পড়ে থাকা বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, এবং ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে পুনরায় কার্যক্রম শুরু করলে তাতে অবস্থা স্বাভাবিক হওয়ার আশা করা হচ্ছে।