Category: সারাদেশ

  • বাগেরহাটে ৭ অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস

    বাগেরহাটে ৭ অবৈধ ইটভাটার ৪ লাখ কাঁচা ইট ধ্বংস

    বাগেরহাটে অবৈধভাবে চালিত সাতটি ইটভাটার থেকে সংগৃহীত প্রায় ৪ লাখ কাঁচা ইট ভেঙ্গে এবং পানিতে ভিজিয়ে ধ্বংস করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযানটি বুধবার বিকেলে বাগেরহাট সদর উপজেলার বাবুরহাট ও সাতগাছিয়া এলাকায় পরিচালনা করে পরিবেশ অধিদপ্তরের খুলনা কার্যালয়।

    খুলনা বিভাগীয় কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মমতাজ বেগম সর্বসম্মতভাবে ভাটা গুড়িয়ে দেবার নির্দেশ দেন। অভিযানে বাগেরহাট জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান, সহকারী পরিচালক দেলোয়ার হোসেন, বাগেরহাট ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শেখ মামুনুর রশীদসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    পরিবেশ অধিদপ্তর জানায়, এসব ভাটা ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত ২০১৯) এর ধারা ৬ ও বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ১২ ভঙ্গ করে নিষিদ্ধ জ্বালানি কাঠ ব্যবহার করে এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র ছাড়া পাজা পদ্ধতির ইটভাটাগুলো অবৈধভাবে পরিচালনা করছিল। অধিদপ্তর এসব আইন লঙ্ঘনের পরিপ্রেক্ষিতে ভাটা থেকে সংগৃহীত কাঁচা ইটগুলো ধ্বংস করেছে।

    অভিযানে কোন ভাটা মালিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না, ফলে কাউকে জরিমানা করা হয়নি বলে জানিয়েছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

    উপ-পরিচালক আসাদুর রহমান জানান, পরিবেশ রক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও অনৈতিক ও পরিবেশ দূষণকারী ভাটা চিহ্নিত হলে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • সাতক্ষীরার পাঁচ মন্দিরে ভোরের দুঃসাহসিক চুরি; স্বর্ণ-রূপাসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরার পাঁচ মন্দিরে ভোরের দুঃসাহসিক চুরি; স্বর্ণ-রূপাসহ ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন সাতক্ষীরা মায়ের বাড়ি এলাকায় বুধবার ভোরবেলা পাঁচটি মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি হয়েছে। ঘটনার সময় ঘড়ি প্রায় তিনটায়। চোরেরা মন্দিরের তালা কেটে গিয়ে নগদ টাকা, দূর্গা বা কালী প্রতিমায় রাখা স্বর্ণ ও রূপার গহনা মিলিয়ে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, ভোর সাড়ে তিনটা থেকে চারটার দিকে মন্দির এলাকায় মেচে থাকা ছাত্ররা চুরির বিষয়টি জানতে পারার পর তারা সমিতিকে খবর দেয়। পরে সমিতির কয়েকজন সদস্য মন্দিরে গিয়ে দেখেন কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা গোবিন্দ মন্দির—এই সব মন্দিরের দরজার তালা ভাঙা এবং ভেতরের জিনিসপত্র ছিন্নভিন্ন অবস্থায় রাখা।

    তদন্তে জানা যায়, চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা এবং কয়েক ভরি রূপার গহনা ও নগদ টাকা নিয়ে গেছে। সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা বলছেন মালামালের মধ্যে রয়েছে কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, দুই জোড়া পেটি, দুই জোড়া শাখা, একটি স্বর্ণের চেইন ও আরও কিছু রূপার গহনা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ একটি তালা কাটা মেশিন উদ্ধার করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও মালামাল উদ্ধারের লক্ষ্যে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং তদন্ত চলছে।

    মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য শিক্ষক দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, মাত্র দুই দিন আগেও শহরের কাটি কর্মকারপাড়া এরাকায় একটি মন্দিরে চুরি হয়েছে। ধারাবাহিক এই চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেপ্তার, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধারের এবং মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

    স্থানীয়রা বলছেন দ্রুত কার্যকর তদন্ত ও মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা বাড়ানো না হলে ধর্মীয় স্থাপনাগুলোতে আবারও অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটতে পারে—এই আশঙ্কা রয়েই গেছে। তদন্তকারীরা ফেনা সংগ্রহ ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই শুরু করেছে।

  • সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন শহর এলাকায় একাধিক মন্দিরে দুর্জনদের দুঃসাহসিক চুরি ঘটেছে। বুধবার (১১ মার্চ) ভোরের দিকে প্রায় পাঁচটি মন্দিরের তালা ভেঙে নগদ টাকা ও দেবীপূজায় রাখা স্বর্ণ-রূপা সহ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে অজ্ঞাত চোরেরা।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন জানান, রাতে মন্দির এলাকায় ওঠা-নামা করা কিছু ছাত্র ভোর সাড়ে তিন থেকে চারটার দিকে চুরির ঘটনা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারে এবং খবর দেন। মন্দির কমিটিনিরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দেখেন কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা-গোবিন্দ মন্দির—all মন্দিরের দরজার তালা কেটে ভেতরটি তছনছ করা হয়েছে।

    তদন্তে জানা গেছে, চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের কয়েকটি স্বর্ণদাগী গয়না, বিভিন্ন ওজনের রূপার গয়না, নগদ টাকাসহ মন্দিরের প্রতিমা ও উপস্থাপনার জন্য রাখা মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে গেছে। চুরির তালিকায় কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, দুটি জোড়া পেটি, দুই জোড়া শাখা, একটি স্বর্ণের চেইন, একটি নথ টানা এবং অন্যান্য রূপার গহনা রয়েছে। মন্দির সমিতি বদরাই এটি আনুমানিক মূল্যায়ন করেছেন প্রায় ২০ লাখ টাকা।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ একটি তালা কাটার মেশিন উদ্ধার করেছে। সাতক্ষীরা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং তদন্ত চলছে।

    মন্দির সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়া এরাকা এলাকায় ও একটি মন্দিরে চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বারবার ঘটে যাওয়া এসব চুরির ঘটনায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। তিনি দ্রুত দোষীদের গ্রেফতার, চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার ও মন্দিরগুলোর নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানান।

    পুলিশের দাবি, ঘটনার সঠিক পরিধি ও দায়ীদের শনাক্ত করে দ্রুত তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা করা হবে এবং খোঁজখবর করে মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।

  • সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, স্বর্ণ-রুপাসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পাঁচ মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, স্বর্ণ-রুপাসহ প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল লুট

    সাতক্ষীরায় পুরাতন সাতক্ষীরা ‘মায়ের বাড়ি’ এলাকায় বুধবার ভোরে পাঁচটি মন্দিরে তালা ভেঙে চুরির ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, বুধবার (১১ মার্চ) ভোর প্রায় তিনটার দিকে শুরু করে মন্দিরগুলোতে তালা কেটে ভেতরে ঢোকে চোরেরা এবং নগদ টাকা, স্বর্ণ ও রুপার গহনা সহ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়।

    জেলা মন্দির সমিতির সাধারণ সম্পাদক নিত্যানন্দ আমিন বলেন, মন্দির এলাকায় মেসে থাকা ছাত্ররা ভোর সাড়ে তিনটা থেকে চারটার দিকে চুরির শিকার মন্দিরগুলোর অবস্থা দেখতে পেয়ে তাদের জানান। পরিদর্শনে দেখা গেছে কালী মন্দির, অন্নপূর্ণা মন্দির, জগন্নাথ মন্দির, চৈতন্যদেব মন্দির ও রাধা-গোবিন্দ মন্দির—সবই তালা ভাঙা এবং ভিতরে তছনছ।

    নিত্যানন্দ আমিন আরও বলেন, আমরা খোঁজখবর নিয়ে জানতে পেরেছি চোরেরা প্রায় সাত ভরি ওজনের স্বর্ণের গহনা এবং কয়েক ভরি ওজনের রুপার গহনা, নগদ টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। চুরির তালিকায় রয়েছে কালীমাতার স্বর্ণের জিহবা, দুটি স্বর্ণের বালা, কয়েক জোড়া শাখা-পলু, একটি স্বর্ণের চেইন ও বিভিন্ন রুপার গহনা। সব মিলিয়ে ক্ষতির পরিমাণ আনুমানিক ২০ লাখ টাকার মতো।

    পরিকল্পিত ও পেশাদারভাবে কাজ করার সূত্রে পুলিশের নিকট মন্দির সমিতি আশঙ্কা করছে এই চোরদের কোনো গ্রুপের কাজ হতে পারে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং সেখান থেকে একটি তালা কাটা মেশিন উদ্ধার করা হয়েছে।

    মন্দির সমিতির নির্বাহী সদস্য ও শিক্ষক দীপা সিন্দু তরফদার বলেন, মাত্র দুই দিন আগে শহরের কাটিয়া কর্মকারপাড়া এরাকায় এক মন্দিরেও চুরির ঘটনা ঘটেছিল। বারবার মন্দিরে চুরি হওয়ায় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ে উদ্বেগ ও ক্ষোভ বাড়ছে। তিনি দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার, চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি মন্দিরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন।

    সাতক্ষীরা সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শফিকুল ইসলাম ঘটনাটি নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং চুরির ঘটনায় তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য এবং পুনরায় নজরদারির মাধ্যমে দায়ীদের ধরতে পুলিশ সব সম্ভাব্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

  • দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা অপরিহার্য: কেসিসি প্রশাসক

    দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা অপরিহার্য: কেসিসি প্রশাসক

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় তরুণদের ভূমিকা অপরিহার্য। একজন সচেতন ও দায়বদ্ধ তরুণই পারে ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও উন্নত সমাজ গঠনে নেতৃত্ব দিতে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা যতই বলি আজকের শিশু-তরুণই আগামী দিনের দেশের কর্ণধার, বাস্তবে তা সব ক্ষেত্রেই মানা হয়ে ওঠে না। বিশেষ করে স্লাম এলাকায় থাকা ছোট শিশুদের মধ্যে স্কুলে যাওয়ার আগ্রহ কমে যাচ্ছে; অনেকের বাবা-মা লেখাপড়ার বদলে দ্রুত আয় শুরু করাকেই প্রাধান্য দেন। এসব শিশুকে বিদ্যালয়মুখী করার জন্য সরকারকে প্রস্তাব পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।

    নজরুল ইসলাম মঞ্জু এসব কথা বলেন মঙ্গলবার দুপুরে নগরের সিএসএস আভা সেন্টারে আয়োজিত বার্ষিক শিশু ও যুব সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। সম্মেলনটি ওয়ার্ল্ড ভিশন-বাংলাদেশ আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রতিপাদ্য ছিল — তারুণ্যের প্রত্যয়ে মুছে যাবে ভেদ, গড়ব সুশাসন ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ। প্রকল্পভিত্তিক শিশু ও যুব ফোরামের সদস্যরাও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।

    কেসিসি প্রশাসক বলেন, প্রধানমন্ত্রী তাকে একটি পরিচ্ছন্ন, দুষণমুক্ত ও সবুজ শহর গড়ে তোলার পাশাপাশি ড্রেনগুলো এমনভাবে পরিস্কার করার নির্দেশ দিয়েছেন যাতে মশার লার্ভা ও উৎপত্তিস্থল নষ্ট হয়। ওপরের ঝুলন্ত তারগুলো মাটির নিচে সরিয়ে নিরাপদ ও সুন্দর শহর গড়ে তোলা হবে—এই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছেন তিনি।

    তিনি আরও জানান, ওয়ার্ল্ড ভিশন যে কাজগুলো করছে, সেগুলোতে সিটি কর্পোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে। বিশেষ করে শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, শিক্ষা ও জীবিকা বিষয়ক উদ্যোগগুলোতে সমন্বয় করা হবে।

    ওয়ার্ল্ড ভিশন-বাংলাদেশ ২০২৪ সাল থেকে ‘খুলনা শহর এরিয়া কর্মসূচি’র আওতায় নগরের ৩১টি ওয়ার্ডে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়ে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করছে। কর্মসূচির ফোকাসে রয়েছে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, শিশু নিরাপত্তা, জীবিকায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন।

    সম্মেলনে তরুণদের জন্য আলাদা সেশনে ধরা হয় দায়িত্বশীল অনলাইন আচরণ, গণমাধ্যম সচেতনতা, ইতিবাচক ডিজিটাল কার্যক্রমে অংশগ্রহণ এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাজে কিভাবে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়। বিশেষজ্ঞরা এই বিষয়ে ধারণা ও পরামর্শ দেন। কেসিসি প্রশাসক আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে তরুণ সমাজ ঐক্য, সততা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে এগিয়ে এলে একটি সুশাসনভিত্তিক, সম্প্রীতিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ নগরী গড়ে তোলা সম্ভব।

    সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন ওয়ার্ল্ড ভিশন-বাংলাদেশের সিনিয়র ম্যানেজার ফুলি সরকার। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, খুলনার উপ-পরিচালক এস এম বদিউজ্জামান; পিবিআই-খুলনার পুলিশ সুপার রেশমা শারমিন; যুব ফোরামের সহ-সভাপতি আফরোজা স্বর্ণা এবং সেক্রেটারি খন্দকার ওয়ালিদ।

  • খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত: আলোচনা ও অগ্নি-ভূমিকম্প মহড়া

    খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত: আলোচনা ও অগ্নি-ভূমিকম্প মহড়া

    ‘‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’’ প্রতিপাদ্যে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদযাপন করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভা ও অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার ওপর মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম। তিনি বক্তব্যে বলেন, জনসচেতনতা হলো দুর্যোগ মোকাবিলার প্রধান হাতিয়ার। সঠিক প্রস্তুতি থাকলে দুর্ঘটনাকে বৃহত্তর বিপর্যয়ে পরিণত হতে বাধা দেয়া যায় এবং জীবন ও মালমাল রক্ষায় তা সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা রাখে।

    আরিফুল ইসলাম আরও জানান, ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ অঞ্চলে পড়ে — তাই আমাদের সর্বদা প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি সবাইকে সাহস ও সম্প্রদায়ের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পর্যাপ্ত বৃক্ষরোপণের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, পরিবেশ রক্ষা হলে দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি কমানো সম্ভব।

    জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল করিম সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মাসুদ সরদারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা। তারা মহড়ায় অংশ নিয়ে অগ্নি ও ভূমিকম্পের সময় করণীয়, দ্রুত সীমিত ক্ষতি ও উদ্ধারকর্ম পরিচালনার কৌশল উৎকর্ষ করার নির্দেশনা দেন।

    দিবসটির অংশ হিসেবে খুলনা কালেক্টরেট চত্বরে অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার মহড়া প্রদর্শন করা হয়। এর আগে নগরীর শহিদ হাদিস পার্ক থেকে জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন। শোভাযাত্রাটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়, যেখানে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

    দিবসটি মূলত জনসচেতনতা বাড়ানো, দুর্যোগ প্রতিরোধ ও দ্রুত সাড়া দানের সক্ষমতা শক্তিশালী করাই লক্ষ্য রাখে। আয়োজকরা বলেন, নিয়মিত মহড়া ও স্থানীয় পর্যায়ে প্রশিক্ষণ চালিয়ে জনগণকে আরো প্রস্তুত করা হবে।

  • খুলনায় ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে ১৫ তলা থেকে শ্রমিক নিহত

    খুলনায় ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণে ১৫ তলা থেকে শ্রমিক নিহত

    খুলনায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের ১৫ তলা থেকে পড়ে বজলুর রহমান (৪৫) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা পৌনে ১২টার দিকে, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অন্তর্বর্তী ভবনে নির্মাণকাজ চলার সময়।

    সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেন। নিহত বজলু সাতক্ষীরা জেলার কুশখালী গ্রামের বাবর আলীর ছেলে।

    প্রত্যক্ষদর্শী এবং পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বজলু সিনিয়র রড মিস্ত্রি হিসেবে ১৫ তলায় কাজ করছিলেন। হঠাৎ পড়ে গেলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

    পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং প্রয়োজনীয় থানায় নথি করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানার জন্য তদন্ত করা হচ্ছে, পুলিশ পরবর্তীতে বিস্তারিত জানাবে।

  • খুলনায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের ১৫তলা থেকে শ্রমিকের পড়ে মৃত্যু

    খুলনায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের ১৫তলা থেকে শ্রমিকের পড়ে মৃত্যু

    খুলনায় নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের ১৫তলা থেকে পড়ে বজলুর রহমান ওরফে বজুল (৪৫) নামে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন।

    ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা পৌনে ১২টার দিকে, খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অভ্যন্তরে নির্মাণাধীন ক্যান্সার হাসপাতালের সাইটে।

    নিহত বজলু সাতক্ষীরা জেলার কুশখালী গ্রামের বাবর আলীর ছেলে। তিনি ওই নির্মাণস্থলে সিনিয়র রড মিস্ত্রি হিসেবে কাজ করছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, কাজ করার সময় হঠাৎ তিনি নিচে আছড়ে পড়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান।

    সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম মৃতের তথ্য নিশ্চিত করেন এবং জানান, খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পুলিশ ঘটনার সঠিক কারণ выяс করার চেষ্টা করছে।

  • খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    ‘দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম।

    প্রধান অতিথি মোঃ আরিফুল ইসলাম বলেন, জনসচেতনতা হল দুর্যোগ প্রস্তুতির প্রধান অস্ত্র। সঠিক প্রস্তুতি থাকলে যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব এবং জানমাল ক্ষতি কমে আসে। তিনি জানান, ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় অবস্থান করছে, তাই প্রত্যেককে সবসময় প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সাহস ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিয়ে এগোলে দুর্যোগ মোকাবিলা করা সহজ হবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পর্যাপ্ত বৃক্ষরোপণ করলে একটি নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

    অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল করিম। অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মাসুদ সরদারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এলাকার বিভিন্ন এনজিওর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    দিবসটিকে কেন্দ্র করে খুলনা কালেক্টরেট চত্ত্বরে অগ্নিকান্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার কার্যকর পদ্ধতি প্রদর্শন করে মহড়া প্রদর্শন করা হয়, যাতে সাধারণ মানুষ কীভাবে নিজে নিজে সতর্কতা নেবে ও জরুরি অবস্থায় কীভাবে নিরাপদ থাকবে তা বাস্তবে দেখানো হয়।

    এর আগে জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদের নেতৃত্বে শহিদ হাদিস পার্ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রাটি নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন এবং তারা দুর্যোগ প্রস্তুতির গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

    অনুষ্ঠানটি জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় ও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে একটি কার্যকর উদ্যোগ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে, যেখানে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

  • খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    খুলনায় জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস পালিত

    “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস উদ্‌যাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার জন্য মহড়া অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, জনসচেতনতা হল দুর্যোগ প্রস্তুতির প্রথম ও প্রধান হাতিয়ার। সঠিক প্রস্তুতি থাকলে যে কোনো দুর্ঘটনাকে বড় বিপর্যয়ে পরিণত হওয়া থেকে প্রতিহত করা যায় এবং জীবিত ও সম্পত্তির ক্ষতি অনেকাংশেই কমে আসে। বাংলাদেশ ভৌগোলিক কারণে দুর্যোগপ্রবণ—তাই সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত থাকতে হবে, এমন বার্তা দেন তিনি।

    প্রধান অতিথি আরও জোর দিয়ে বলেন, সাহস আর ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমরা দুর্যোগ মোকাবিলে সফল হতে পারব। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় পর্যাপ্ত বৃক্ষরোপণ ও পরিবেশসচেতনতার প্রয়োজনীয়তার ওপরও তিনি গুরুত্বারোপ করেন এবং ঝুঁকিমুক্ত, নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানান।

    জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মাসুদ সরদারসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    দিবস উপলক্ষে খুলনা কালেক্টরেট চত্বরে অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্প থেকে আত্মরক্ষার্থে করণীয় বিষয়ক মহড়া প্রদর্শন করা হয়। মহড়ায় আগুন নেভানো, নিরাপদ জায়গায় সরানো এবং জরুরি পরিস্থিতিতে তৎপরতা বাড়ানোর নানা কৌশল প্রদর্শিত হয়, যা সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জন্য উপযোগী নির্দেশনা হিসেবে গ্রহনযোগ্য ছিল।

    অনুষ্ঠানের আগে জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার শহিদ হাদিস পার্ক থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উদ্বোধন করেন। শোভাযাত্রাটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে কালেক্টরেট প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয় এবং এতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করে দুর্যোগ সচেতনতায় এক যৌথ বার্তা প্রদান করে।