Category: সারাদেশ

  • বাগেরহাটে ভৈরব তীরের বধ্যভূমি আধুনিকায়নের কাজ শুরু

    বাগেরহাটে ভৈরব তীরের বধ্যভূমি আধুনিকায়নের কাজ শুরু

    বাগেরহাট শহরের ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত বধ্যভূমি আধুনিকায়নের কাজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। বাগেরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেন উদ্বোধন করেন।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু রিয়াদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাঃ আতিয়া খাতুন, বাগেরহাট জেলা বিএনপির সদস্য সচিব বীর মুক্তিযোদ্ধা মোজাফফর রহমান আলম, বিএনপি নেতা এস্কেন্দার হোসেন, কামরুজ্জামান শিমুল, আবুল কালাম আজাদ বুলুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

    জেলা পরিষদের অর্থায়নে এই বধ্যভূমি সংস্কার ও আধুনিকায়নের কাজ করা হবে। কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫ লক্ষ টাকায়। জীর্ণ-শিথিল ও ভাঙাচোরা অবস্থায় থাকা এই স্থানটি পুনরুদ্ধার করে শহরের সৌন্দর্য ও পরিবেশ উন্নত করাই মূল উদ্দেশ্য বলে জানানো হয়েছে।

    স্থানীয়রা আশা করছেন আধুনিকায়নের ফলে ভৈরব নদীর তীরবর্তী এই ঐতিহাসিক জায়গাটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ হয়ে উঠবে, এবং आसपासের মানুষের ব্যবহার ও শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে।

  • নবগঠিত খুলনা মহানগর ছাত্রদলের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু

    নবগঠিত খুলনা মহানগর ছাত্রদলের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু

    নবগঠিত খুলনা মহানগর ছাত্রদল আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু করেছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৪ মে) জোহরের নামাজের পর দলটির নেতৃবৃন্দ খুলনা মহানগর বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি এম. নুরুল ইসলাম দাদুসহ দলের প্রয়াত নেতাদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।

    কবর জিয়ারতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র বিভিন্ন সময়ের পরিচিত নাম — কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সৈয়দ ঈসা, নুরুজ্জামান খোকন, ওহিদুজ্জামান চঞ্চল, আবুল কালাম আজাদ, আজিজুল হাসান দুলু ও এস এম কামাল হোসেন। এসময় তারা স্বাধীনতার মহানায়ক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, আরাফাত রহমান কোকো, মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সকল শহীদ, বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের শহীদ এবং জুলাই–আগস্ট আন্দোলনের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন।

    কর্মসূচিটি খুলনা মহানগর ছাত্রদলের নবনির্বাচিত আহবায়ক তাজিম বিশ্বাস ও সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান বিপ্লবের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন আরিফুর রহমান আরিফ, রিয়াজুল খান মুরাদ, আব্দুল আহাদ শাহিন, এস এম ইউসুফ, আরিফুল ইসলাম, মেরাজ হোসেন মানিক, রাকিবুল ইসলাম সাজিদ, নাসিম রহমান নাহিদ, সাইফুল্লাহ মানসুর তাজিম, রিফাত ইসলাম, এম এম মুন্না, এস এম আলমগীর হোসেন, রাকিব হাসান, তরিকুল ইসলাম নকিব, বেল্লাল মুস্তাকিম রাজ, সাজ্জাদ হোসেন রিপ্পি, ইসমাইল হোসেন, ইসরাইল হোসেন টুটুল, ইমরান মল্লিক, নাঈম খান, আরিফুজ্জামান আসিফ, আল আমিন হোসেন, তরিকুল ইসলাম নাহিদ, মো. আলামিন, মাহিন রহমান, সোহেল আহমেদ, রায়হান শেখ, নাজমুল হুদা জনি, নাইম মীর, সালমী তারেক, টুটুল ও মো. সজীব হোসেনসহ মহানগর ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

    কবর জিয়ারতের পরে নেতা-কর্মীরা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ ধারণ করে ছাত্রদল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের বিরুদ্ধে যেকোনো অপশক্তির বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রামে থাকবে। তারা আরও জানান যে, ত্যাগ, আদর্শ ও দেশপ্রেমের রাজনীতিকেই সামনে রাখেই নবগঠিত মহানগর ছাত্রদল সংগঠনকে শক্তিশালী ও গতিশীল করতে কাজ করবে।

  • তথ্য-প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষাগ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে

    তথ্য-প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষাগ্রহণ করে শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক মানবসম্পদে রূপান্তর করতে হবে

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতি আমাদের নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য করেছে। এই ধ্যান-ধারণা মাথায় রেখে ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। ছোট দেশ হওয়ায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সীমিত—তাই শিক্ষার্থীদের তথ্য-প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় দক্ষ করে গড়ে তুলে তারা যেন বৈশ্বিক মানবসম্পদে পরিণত হতে পারে, সে জন্য উদ্যোগ নিতে হবে।

    কেসিসি প্রশাসক বুধবার সকালে নগরীর বয়রায় খান জাহান আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয় অডিটরিয়ামে আয়োজিত প্রতিষ্ঠানের ২৪তম বার্ষিকী উদযাপন, নবাগত শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন, কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা ক্রেস্টও বিতরণ করেন।

    প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু শিক্ষার্থীদের নতুন এই শিক্ষাজীবনের জন্য স্বাগত জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বিদেশে পড়াশোনা সহজ করতে ব্যাংক ঋণের সুযোগ করে দিয়েছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে পরদেশে সম্মানজনক কর্মসংস্থানের পথও তৈরি করা হচ্ছে। শিক্ষা জীবন শেষে যে তরুণরা কাজ খুঁজে নিয়েছে বা স্বনির্ভর হতে চায়, তাদের সেই চাওয়া পূরণে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানান।

    তিনি বিশেষ করে বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখার ওপর জোর দেন এবং জানান, চীন, জাপান, জার্মানি ইত্যাদি দেশের ভাষা শেখার সুযোগ করে দিতে খুলনায় উপযুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

    প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তৃতা করেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোঃ হাসানুজ্জামান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ শরাফত আলী এবং কেসিসি’র সাবেক কাউন্সিলর রাবেয়া ফাহিদ হাসনা হেনা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন মহাবিদ্যালয়ের একাডেমিক ইনচার্জ ও ইন্সট্রাকটর (ইলেকট্রিক্যাল) তুলিপ ঘোষ, অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মহাবিদ্যালয়ের আইন উপদেষ্টা এডভোকেট শেখ অলিউল ইসলাম।

    বিকালটা ৪টায় কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু রায়েরমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রধান অতিথি ছিলেন। সেখানে তিনি স্থানীয় মসজিদ ও মন্দিরের সেবামূলক কার্যক্রমসহ দুঃস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন। ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে স্কুলের এক্স-ম্যাট ১৯৮২ ব্যাচ।

    ওয়েস্টার্ণ নিউইয়ার্ক বাংলাদেশী সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা ও এক্স-ম্যাট ১৯৮২-এর সভাপতি শেখ অহিদুজ্জামান বোরহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ শাকিলুজ্জামান, খুলনা প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি তরিকুল ইসলাম, স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শেখ আক্তারুজ্জামান মুরাদ, মোল্লা আব্দুল খালেক, সমাজসেবক আসাদুজ্জামান মুরাদ, শেখ সাদিকুল ইসলাম সাদি, শেখ জামিরুল ইসলাম, শেখ সামসুদ্দীন দোহা, আসলাম হোসেন এবং বৈষম্য বিরোধী সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক নুরুজ্জামান নূর। এক্স-ম্যাটের সদস্যসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

  • কোরবানির জন্য দেশে প্রস্তুত প্রায় ১ কোটি পশু: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    কোরবানির জন্য দেশে প্রস্তুত প্রায় ১ কোটি পশু: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

    মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ ও কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, আসন্ন ঈদুল আজহায় কোরবানির জন্য দেশে পর্যাপ্ত দেশীয় পশু রয়েছে—প্রায় এক কোটি পশু প্রস্তুত, তাই সরকার কোনো পশু আমদানি করবে না।

    বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) মিলনায়তনে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, কোরবানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যার তুলনায় বর্তমানে গরু, ছাগল ও ভেড়া সহ সব ধরনের পশুর সরবরাহ পর্যাপ্ত ও স্বনির্ভর অবস্থায় আছে।

    তিনি আরও জানান, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালানে করে অবৈধভাবে পশু দেশে প্রবেশ করা যাতে না পারে সে ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)সহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সীমান্ত এলাকাসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

    কৃষি খাতের প্রসঙ্গ টেনে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারকে শতভাগ কৃষি-বান্ধব বলে আখ্যায়িত করছেন। সরকারের বিশ্বাস, কৃষকের অর্থনৈতিক উন্নয়ন হলে দেশও উন্নতি করবে; সেই লক্ষ্যে কৃষকদের কল্যাণে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানো হচ্ছে এবং কৃষি খাতে বিদ্যমান সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।

    মন্ত্রী আরও বলেন, গবাদিপশু পালন খরচ কমিয়ে আনা এবং উন্নত জাতের ঘাস উৎপাদনের ওপর সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। এই সব কার্যক্রম পরখ করতে তিনি বিএলআরআই পরিদর্শনে এসেছেন এবং গবেষণা ও সম্প্রসারণমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে বলে জানান।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. শাকিলা ফারুক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন।

  • আইয়ুব হোসেন ছিলেন খুলনার সাংবাদিকতার shining star

    আইয়ুব হোসেন ছিলেন খুলনার সাংবাদিকতার shining star

    দৈনিক ইত্তেফাকের সাবেক সিনিয়র রিপোর্টার এবং খ্যাতনামা সাংবাদিক আইয়ুব হোসেনের ২০তম মৃত্যুবার্ষিকী স্মরণে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তারা মরহুমের জীবনী ও কর্মকে স্মরণ করেন। তারা বলেন, আইয়ুব হোসেন ছিলেন খুলনাসহ বাংলার সাংবাদিকতার এক উজ্জ্বল দিকপাল। তিনি ছিলেন একজন সৎ, নির্ভীক, সাহসী ও আদর্শিক সাংবাদিক, যিনি তার কর্মজীবনে সত্য এবং ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সবসময় সচেষ্ট ছিলেন। তার আদর্শ মেনে চলার মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সাংবাদিকরা নৈতিকতা ও মূল্যবোধের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সাংবাদিক সমাজের বিভিন্ন প্রতিনিধিসহ বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের অন্য সদস্যরা। সভার শুরুতে প্রয়াত আইয়ুব হোসেনের জন্য এক মিনিট নিরবতা পালিত হয়। শেষে মরহুমের আত্মার শান্তির জন্য দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার স্মৃতিকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয় এবং তার আদর্শকে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বক্তারা।

  • শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় মানব সম্পদে রূপান্তর করতে হবে

    শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় মানব সম্পদে রূপান্তর করতে হবে

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, আজকের বিশ্ব পরিস্থিতি আমাদের নতুন করে ভাবতে বাধ্য করেছে। এই জরুরি পরিস্থিতিকে মাথায় রেখে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করা অতি আবশ্যক। তিনি আরও বলেন, আমাদের ছোট এই দেশে কর্মক্ষম পরিবেশের অভাব থাকলেও শিক্ষার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় যোগ্য করে গড়ে তুলতে হবে। কোনও দেশ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটাতে গেলে মানব সম্পদের উন্নয়ন অপরিহার্য। সেই লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী বিশেষ বৃত্তি দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে বিদেশে পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি করেছেন। পাশাপাশি, দেশের বাইরে সম্মানজনক কাজের সুযোগ বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন দেশের সাথে চুক্তি বিনিময় অব্যাহত রয়েছে। এ লক্ষ্যেই খুলনা শহরে বিভিন্ন দেশের ভাষা শেখানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যেমন চায়না, জাপান, জার্মানি সহ অন্যান্য দেশের ভাষা শিক্ষার সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য। খুলনা নগরীর বয়রা খান জাহান আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয়ের ২৪ বছর পূর্তি, নতুন শিক্ষার্থীদের ওরিয়েন্টেশন এবং কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রশাসক কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে সম্মাননা স্মারক বিতরণ করেন। মুখ্য বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. হাসানুজ্জামান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শেখ শরাফত আলী এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক কাউন্সিলর রাবেয়া ফাহিদ হাসনা হেনা। মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ আব্দুল কালাম আজাদ সভাপতিত্ব করেন। বিকেলে রায়েরমহল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নজরুল ইসলাম মঞ্জু দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন। এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়েস্টার্ন নিউইয়ার্ক বাংলাদেশী সোসাইটির সভাপতি শেখ অহিদুজ্জামান বোরহান, পুলিশ অতিরিক্ত ডিআইজি শাকিলুজ্জামান, খুলনা প্রেস ক্লাবের সেক্রেটারী তরিকুল ইসলাম ও বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অতিথিগণ। এই সব উদ্যোগের মাধ্যমে খুলনায় মানবসম্পদ উন্নয়ন ও শিক্ষার প্রসার আরও ত্বরান্বিত হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

  • সকাল কারাগারে, বিকেলে আপোষের শর্তে জামিন পেলেন ডাঃ বাহার

    সকাল কারাগারে, বিকেলে আপোষের শর্তে জামিন পেলেন ডাঃ বাহার

    অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা এক মামলার শুনানির পর তিন ঘণ্টা কারাগারে থাকার পর বুধবার বিকেলে জামিন পেলেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও বিএমএ খুলনার সভাপতি ডাঃ শেখ বাহারুল আলম। মহানগর সোনাডাঙ্গা আমলি আদালতের বিচারক মোঃ ফরিদুজ্জামান আদালত তার শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং বাদীর সঙ্গে আপোষের শর্তে তার জামিন মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় ডাঃ বাহার আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

    আদালত সূত্রে জানা গেছে, এপিসি ফার্মাসিউটিক্যালস প্রাইভেট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ডাঃ শেখ বাহারুল আলমের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ অর্থের বিনিয়োগ হয়েছে। মেসার্স স্মার্ট এগ্রো বিডির প্রোপ্রাইটর মিসেস লুবনা জাহান উল্লেখ করেন, তারা ৪০ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন।

    চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, বাদীর প্রতিনিধিরা আসামীর কাছে ওষুধের প্রস্তুতিসহ ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কিত তথ্য জানার জন্য বারবার অনুরোধ করেন, কিন্তু ডাঃ বাহার ও অন্যান্য পরিচালক কোন তথ্য প্রদান করেননি। এছাড়াও, চুক্তির ১২নং শর্ত অনুযায়ী, ব্যবসার লাভ-লোকসান হিশাব-নিকাশ প্রতি ৯০ দিন পর পর ৫৫% লাভ এপিসি ফার্মাসিউটিক্যালসের এবং ৪৫% অংশ প্রাপ্তির কথা থাকলেও, প্রথম তিন মাসের মধ্যে আসামের থেকে কোন লাভ বা ক্ষতি ভাগাভাগি করা হয়নি। বরং বিভিন্ন অজুহাতে বাদীকে হয়রানি এবং বিভ্রান্তি করা হয়। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে মেসার্স স্মার্ট এগ্রো বিডির নারী প্রোপ্রাইটর মিসেস লুবনা জাহান দেশের আদালতে ডাঃ শেখ বাহারুল আলমের বিরুদ্ধে মামলার নং-সিআর-৭১৮/২৫ দায়ের করেন।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, অর্থের বিনিময়ে ব্যাপক অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে। এছাড়া, বাদীর পরিবারের সদস্যসহ অন্যদের প্রতি ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়েছে। বাদী লুবনা জাহান এর স্বামী, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোঃ জাহাঙ্গীর দাবি করেন, ডাঃ বাহারুলের বিরুদ্ধে তার পরিবার ও স্বজনের পক্ষ থেকে অগণিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় প্রতারণা, অর্থের অনিয়ম ও পারিবারিক বিরোধের নানা অভিযোগ রয়েছে, যা বর্তমানে বিচারাধীন।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি স্কুলের ১৫ শিক্ষার্থী পেলেন ডিন’স অ্যাওয়ার্ড

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি স্কুলের ১৫ শিক্ষার্থী পেলেন ডিন’স অ্যাওয়ার্ড

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি স্কুলের Outstanding Students Award (ডিন’স অ্যাওয়ার্ড) পেলেন ১৫ জন মেধাবী শিক্ষার্থী। এই অর্জনটি মূলত তাদের অসাধারণ একাডেমিক কৃতিত্বের স্বীকৃতি। বুধবার সকাল সাড়ে ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউআরপি ডিসিপ্লিনের লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত এক উৎসবমুখর অনুষ্ঠানে এসব শিক্ষার্থীকে ক্রেস্ট ও সম্মাননাপত্র তুলে দেওয়া হয়।

    ২০২৫ সালের পুরস্কারপ্রাপ্ত ছাত্রদের মধ্যে থাকছেন স্থাপত্য বিভাগের কানিজ ফাতিমা খুশি, যিনি প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৮৬, পাশাপাশি কম্পিউটার সায়েন্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সুমাইয়া জান্নাতি, যার প্রাপ্ত সিজিপিএ ৩.৯৩। অন্যান্য বিভাগে অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে ইলেক্ট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ফাতিমা রহমান, গণিতের সোনালি তরফদার, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মোঃ সাজ্জাদ হোসেন ইমন, রসায়ন বিভাগের শ্রেয়সী কুন্ডু এবং পরিসংখ্যান বিভাগের ওয়াসিম সামি খান।

    ২০২৬ সালের পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন স্থাপত্য বিভাগের সুরেশ বিশ্বকর্মা, কম্পিউটার সায়েন্সের সুস্মিতা বিশ্বাস, নগর ও গ্রামীণ পরিকল্পনার শোভন দাস, ইলেক্ট্রনিক্স ও কমিউনিকেশন এঞ্জিনিয়ারিং-এর আরিফুল ইসলাম, গণিতের মোঃ আনিসুর রহমান পলাশ, পদার্থবিজ্ঞান এর উপেন্দ্র সেন চাকমা, রসায়ন বিভাগের মাহফুজা ইসলাম এবং পরিসংখ্যানের মোঃ সৌরভ হোসেন।

    বিশেষ উল্লেখ্য, স্থাপত্য বিভাগের নেপালি শিক্ষার্থী সুরেশ বিশ্বকর্মাও এই সম্মাননা অর্জন করেছেন, যা আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের মধ্যে তার অনবদ্য সাফল্যের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

    এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের সাফল্যে অভিভাবক ও শিক্ষকরা গর্বিত হন, আর এই সাফল্য ধারাবাহিক রাখতে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতেও এ ধরনের সাফল্য অর্জন করতে হবে। তিনি আরও বলেন, একাডেমিক সাফল্যের পাশাপাশি গবেষণায় মনোযোগ দিলে তা আরও ফলপ্রসূ হয়, বিশেষ করে মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ ও পাবলিকেশন অর্জনে।

    উপাচার্য উল্লেখ করেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ধীরে ধীরে গবেষণাধর্মী ও প্রভাবশালী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য নানা গবেষণামূলক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে এবং কোলাবোরেটিভ ও মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি গবেষণা উৎসাহিত হচ্ছে। তিনি সকল শিক্ষার্থীকে থিসিস ও গবেষণার ফলাফল শোকেসিংয়ের জন্য আহ্বান জানান।

    বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান। অনুষ্ঠানে ডিন, ডিসিপ্লিনের প্রধানরা, শিক্ষক-শিক্ষাবৃন্দ, অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা অংশ নিয়েছিলেন।

    স্বাগত বক্তব্য দেন ইউআরপি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর ও অফিস অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ড. মোঃ আশিক উর রহমান।

    অতিথিরা তাদের বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের সফলতার জন্য শুভকামনা জানান এবং ভবিষ্যতে আরও অসাধারণ সাফল্য অর্জনের জন্য দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

  • সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দ্রুত অগ্রগতি

    সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে দ্রুত অগ্রগতি

    খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মসূচি ও নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে বিস্তারিত বোঝানো হয়েছে একটি প্রেসব্রিফিংয়ে, যা বুধবার খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ সিদ্ধান্তের কার্যকারিতার অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত অগ্রাধিকার সমূহ—যেখানে ফ্যামিলি কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, নারীদের জন্য বিশেষ গাড়ি, কৃষক কার্ড ও কৃষি ঋণ মওকুফের বিষয়গুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা ও আপডেট দেওয়া হয়। প্রেসব্রিফিংটি পরিচালনা করেন খুলনা বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের পরিচালক গাজী জাকির হোসেন।

    প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ফ্যামিলি কার্ডটি বর্তমানে সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। প্রধানমন্ত্রী গত ১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তি সংলগ্ন টিএন্ডটি মাঠে এই কার্ডের উদ্বোধন করেন। প্রথম পর্যায়ে, দেশের ১৪টি উপজেলার ৩৭,৫৬৭টি হতদরিদ্র পরিবার প্রতি মাসে দুই হাজার পাঁচশ’ টাকা করে এই সুবিধা পাচ্ছে। খুলনা শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের প্রথম পর্যায়ে, পাঁচ হাজার দুইশত ৭৫ জন উপকারভোগীর মাঝে চার হাজার একশ’ ৫৮ জনকে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারাদেশের প্রাথমিক পর্যায়ে ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসবে।

    অপর দিকে, খাল খনন ও পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় দেশের নদী ও খালগুলো শুকিয়ে আর ক্ষতি না করে, প্রতিবছর ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের লক্ষ্য নির্ধারিত হয়েছে। গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার সাহাপাড়া খাল খননের মাধ্যমে এই কর্মসূচির শুরু হয়, এরপর অন্যত্র যেমন যশোরের শার্শা, খুলনার ডুমুরিয়া, দাকোপ ও অন্য এলাকায় দ্রুত কাজ চলমান রয়েছে।

    বেড়ানোর জন্য, অবকাঠামো ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে ৩.৫ লাখের বেশি মানুষ কর্মসংস্থান পাবে, যেখানে নারী ও যুবকদেরও বিশেষ ভূমিকা থাকবে। একই সঙ্গে, নারী সাধারণ চলাচল নিরাপদ ও সুবিধাজনক করতে বিআরটিসির মাধ্যমে নারী বাস পরিষেবা চালু করার পরিকল্পনাও নেয়া হয়েছে।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো কৃষকদের জন্য কৃষক কার্ডের চালু। এই কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক ও ভূমিহীন কৃষকরা ভর্তুকি, সহজ লোন, বীজ, সারসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। প্রধানমন্ত্রী ১৪ এপ্রিল টাঙ্গাইলের শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কার্ডের প্রথম পর্যায়ের উদ্বোধন করেন। এর ফলে প্রতিটি কৃষক বছরে দুই হাজার পাঁচশ’ টাকা নগদ সুবিধা পাবে। প্রথম পর্যায়ে দেশের ১১টি জেলার ২২,০৬৫ কৃষকের হাতে এই কার্ড পৌঁছানো হয়েছে, আর আগামীতে দেশের মোট ১৬.৫ মিলিয়ন কৃষক এই সুবিধা পাবে।

    অতিরিক্ত, গণযোগাযোগ বিভাগের উদ্যোগে গত ১৮০ দিনে বিভিন্ন সভা, চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, উঠান বৈঠক ও অনলাইন প্রচারসহ বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে। এর মধ্যে খুলনা বিভাগীয় তথ্য অফিসের অংশগ্রহণে বিভিন্ন চলচ্চিত্র ও প্রোগ্রাম দেখানো, সভা ও উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সরাসরি প্রচারসহ নানা ধরনের উদ্যোগ চালু ছিল। ভবিষ্যতেও এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

    প্রেসব্রিফিংয়ে বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোস্তফা সরোয়ার ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম। উপস্থিত ছিলেন সকল মিডিয়া কর্মী এবং কর্মকর্তারা। এসব তথ্য উপস্থাপন করেন বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মোঃ ইব্রাহিম-আল-মামুন।

    উল্লেখ্য, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় ও গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের ৬৪টি জেলা ও ৪টি উপজেলা তথ্য অফিস একযোগে এ প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করছে, যা সরকারের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের অগ্রগতি জনগণের মাঝে পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

  • দেবহাটায় অনুমতি ছাড়াই ড্রেজিং: সবুজ ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

    দেবহাটায় অনুমতি ছাড়াই ড্রেজিং: সবুজ ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

    দেবহাটা উপজেলায় অনুমতি ছাড়াই ড্রেজিং করে বালু উত্তোলনের অভিযোগে সবুজ ইসলামকে ভ্রাম্যমাণ আদালত বুধবার (১৩ মে) ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। অভিযানটি পরিচালনা করেন দেবহাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা।

    জরিমানা প্রাপ্ত ব্যক্তি আশাশুনি উপজেলার বুধহাটা এলাকার মাছুম্মেল হকের ছেলে সবুজ ইসলাম বলে জানানো হয়েছে।

    অভিযান সূত্রে জানা গেছে, সবুজ ইসলাম আন্দুলপোতা এলাকার একটি মাছের ঘের থেকে অনুমতি না নিয়ে ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করছিলেন। প্রশাসনের পদক্ষেপে বলা হয়েছে, অনিয়ম করে বালু উত্তোলন করলে তীরভাঙন, পরিবেশগত ক্ষতি ও স্থানীয় জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

    ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে এবং পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ অনুযায়ী ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

    উপজেলা নির্বাহী অফিসার মিলন সাহা বলেন, পরিবেশ ধ্বংসকারী এ ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি বলেন, স্থানীয়দেরও এই ধরনের অনিয়ম দেখা মাত্র প্রশাসনকে জানাতে হবে যাতে পরিবেশ রক্ষা করা যায়।