Category: সারাদেশ

  • শার্শায় পরীক্ষা কেন্দ্রে অনৈতিক সহযোগিতা, প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন গ্রেপ্তার

    শার্শায় পরীক্ষা কেন্দ্রে অনৈতিক সহযোগিতা, প্রধান শিক্ষকসহ দুইজন গ্রেপ্তার

    যশোরের শার্শা উপজেলায় সরকারি এসএসসি পরীক্ষার এক কেন্দ্রে অনৈতিকভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগে প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন ও কর্মচারী ফাতেমা খাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    ঘটনাটি শোনা যায় গত ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার পর থেকে। অভিযোগ অনুযায়ী, বাগআঁচড়া সম্মিলিত গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ৩০১ নম্বর কক্ষে পরীক্ষার্থী অহনা খাতুনের উত্তরপত্র গোপনে সংগ্রহ করেন প্রধান শিক্ষক শাহানারা খাতুন। পরে একই প্রতিষ্ঠানের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ফাতেমা খাতুনের সহায়তায় সেই উত্তরপত্রে ভুল সংশোধন করে পুনরায় জমা দেওয়া হয়।

    এ ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ ও চাঞ্চল্য দেখা দেয়। খবর পেয়ে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ ও উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত করেন। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের যথার্থতা পাওয়া গেলে শুক্রবার দুপুরে উপজেলা প্রশাসন তাদের আটক করার নির্দেশ দেন এবং রাতে মামলা দায়ের করা হয়।

    শনিবার (৯ মে) শার্শা থানা প্রধান মারুফ হোসেন ঘটনাটি পুলিশের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ১৯৮০ সালের পাবলিক পরীক্ষা আইনের ৮, ৯, ১২ ও ১৩ ধারায় মামলা করা হয়েছে। পরে অভিযুক্ত দুইজনকে আদালতে সোপর্দ করলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

    উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার এ কে এম নুরুজ্জামান জানান, তদন্তে অনৈতিক সহযোগিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে এবং পরীক্ষার পবিত্রতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ toler করা হবে না।

    এদিকে ঘটনাস্থল ও মামলার বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তারা এই ঘটনার মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনের নৈতিকতা ও পরীক্ষার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করছেন।

    পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসন ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত চালিয়ে সামনের আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তদন্তে আরও কেউ জড়িত আছেন কি না তা অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

  • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য: নতুন প্রজন্মের জন্য মানবতার পথে চলার অনুপ্রেরণা

    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্য: নতুন প্রজন্মের জন্য মানবতার পথে চলার অনুপ্রেরণা

    খুলনা বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মিজ সিফাত বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন শান্তি, মানবতা ও বিশ্বভ্রাতৃত্বের এক অনন্য প্রতীক। তাঁর জীবন ও সাহিত্য আজও মানুষের মাঝে মানবতার পথচলার জন্য এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা হিসেবে জ্বলছে। রবীন্দ্রনাথ শুধু বাংলার কবি নন, তিনি ছিলেন বিশ্বমানবের কণ্ঠস্বর। তাঁর লেখনী আমাদের বাংলার মাটি, মানুষের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহকে জীবন্ত করে তুলেছে, পাশাপাশি বিশ্বমানবতার চিরন্তন আহ্বানও প্রতিধ্বনিত হয়েছে।

    তিনি উল্লেখ করেন, কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কখনো সাহিত্যকে শুধু বিনোদনের উপকরণ হিসেবে দেখেননি। তাঁর লেখনী সবসময় অন্যায়, অবিচার, হিংসা ও সংকীর্ণতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষায় উচ্চারিত হয়েছে। মানুষের মুক্তচিন্তা, সাম্য ও সম্প্রীতির পক্ষে তিনি আজীবন সোচ্চার ছিলেন। তাঁর কাব্য, গান, গল্প ও প্রবন্ধে গভীর মমত্ববোধ ও শান্তির স্বপ্ন বারবার ফুটে উঠেছে। যুগ পেরিয়ে গেলে এখনও রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টি প্রাসঙ্গিক থাকছে। মানবিক মূল্যবোধের অবক্ষয় era-এ তাঁর সাহিত্য তরুণ প্রজন্মকে সত্য, সুন্দর ও মানবতার পথে চলার অনুপ্রেরণা জোগায়।

    শুক্রবার বিকালে রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায়, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী পালন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে এসব কথা বলেন তিনি।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক অধ্যাপক মোঃ আবদুল মান্নান, যিনি বলেন, রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য মূলত মানবমুক্তির শিক্ষা। তাঁর প্রতিটি লেখনী মানুষের অন্তর darkest দূর করে আলোর পথ দেখায়। তিনি সবসময় অন্যায়, অবিচার, সংকীর্ণতা ও অমানবতার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর কবিতা, গান, গল্প ও প্রবন্ধে মানবতার জয়গান ও বিশ্বশান্তির আহ্বান ধ্বনিত হয়েছে। ন্যায়ের পক্ষে সংগ্রাম করে তিনি আজও বিশ্বমানবতার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। অনুষ্ঠানের বিষয় ছিল শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ।

    খুলনা স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন রূপসা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সানজিদা রিক্তা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রূপসা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, খুলনা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার মোঃ মেহেদী হাসান, জান্নাতুন নাঈম, রূপসা থানার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক মীর, রূপসা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক, ও ঘাটভোগ ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান এস এম আঃ মালেক।

    উদ্বোধনীতে অতিথিরা কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও মঙ্গলদীপ প্রজ্বলন করেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তরের একাডেমিক সুপারভাইজার নিত্যানন্দ মন্ডল, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারহানা ইয়াসমিন, ও রূপসা প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি কৃষ্ণ গোপাল সেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, সমাজকর্মী ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ।

    বক্তারা রবীন্দ্রনাথের সাহিত্য ও জীবনের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করে বলেন, তার রচনা মানবতার চেতনাকে জাগ্রত করে, সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য প্রতিষ্ঠায় বড় অবদান রেখেছে। গতকালকের এই আয়োজন মান এবং সংস্কৃতির প্রতি কর্তব্যের স্বীকৃতি ও সম্মান প্রদর্শন। শেষে সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় দর্শকের মনোযোগ কাড়ে।

  • আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে ফুলেল শুভেচ্ছা এমইউজের নেতৃবৃন্দের

    আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানকে ফুলেল শুভেচ্ছা এমইউজের নেতৃবৃন্দের

    খুলনা মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) এর নেতৃবৃন্দ আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামানকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। এই শুভেচ্ছা জানানো হয় শুক্রবার দুপুর ১টায় খুলনা সার্কিট হাউজে। অনুষ্ঠানটি উপলক্ষে উপস্থিত ছিলেন এমইউজের নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ তারিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি মোঃ সোহরাব হোসেন, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, এমইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ আতিয়ার পারভেজ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সাবেক সহ-সভাপতি আবু তৈয়ব মুন্সি, সদস্যরা মোঃ খায়রুল আলম, রাজু আহমেদ, ফকির সহিদুল ইসলাম, নুরুল আমিন নুর, মাসুদ আল হাসান ও আরাফাত হোসেন রাজু। এই উপস্থিতির মাধ্যমে বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভকামনা প্রকাশ করেন।

  • সরকারের ধান সংগ্রহের মূল্যঃ সর্বোচ্চ ওজনদার দৃষ্টান্ত

    সরকারের ধান সংগ্রহের মূল্যঃ সর্বোচ্চ ওজনদার দৃষ্টান্ত

    বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেছেন, এই মৌসুমে ধান সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত মূল্য এমন বিকশিত ও উদার হয়েছে যা সচরাচর সরকারের পক্ষ থেকে আগে কখনো দেখা যায়নি। এই অতিদরিদ্র মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসলের ন্যায্য মূল্য পাবে, যা তাদের জীবনমান উন্নত করবে। পাশাপাশি, খাদ্য অধিদফতর তাদের চাহিদা অনুযায়ী ধান ও চাল সংগ্রহ করতে পারবে, যা খাদ্য নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করবে।

  • আইনমন্ত্রী: বিচার বিভাগে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনও সুযোগ নেই

    আইনমন্ত্রী: বিচার বিভাগে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনও সুযোগ নেই

    বিচারকদের নিয়ন্ত্রণ, বদলি বা পদায়নে সরকারের হস্তক্ষেপের কোনও সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেছেন আইনমন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, দেশের স্বাধীন ও প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ প্রতিষ্ঠা করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। শনিবার সকালে খুলনা জেলা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে নবীন আইজীবীদের সংবর্ধনা ও বরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার দেশের জন্য যে পরিস্থিতি সৃষ্টি করে গিয়েছিল, সেই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে বহু মানুষকে আহত, প্রাণ হারাতে বা কারাভোগ করতে হয়েছে। সেই অন্ধকার সময়ের পর এখন আমরা একটি স্বাধীন, স্বচ্ছ ও স্বপ্রতিষ্ঠিত বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রচেষ্টা চালাচ্ছি।’

    জুলাই সনদের বাস্তবায়ন বিষয়েও মন্তব্য করেন তিনি, বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার একযোগে কাজ করছে। তবে দেশের স্বার্থে বিএনপি কিছু ক্ষেত্রে নোট অব ডিসেন্ট প্রদান করেছে।’

    নবীন আইনজীবীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘প্রভাবমুক্ত বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হলে দেশেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হবে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানবাধিকারের উন্নয়নে বিচার বিভাগকে আরও মর্যাদাপূর্ণ, তীর্থস্থানের মতো একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।’

    এ জন্য আইনজীবীদের সততা, নিষ্ঠা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনে গুরুত্ব দিতে আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, ‘আইনজীবীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। এ লক্ষ্যে ব্রিটিশ এক সংস্থার সহযোগিতায় দেশের সব জেলা বারেই শিগগিরই প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। একজন ভালো ও দক্ষ বিচারক গড়ে তোলার জন্য আগে দরকার একজন বিজ্ঞ ও পারদর্শী আইনজীবী।’

    অনুষ্ঠানে খুলনা বারে নতুনভাবে যোগ দেয়া ১৭৪ জন নবীন আইনজীবীকে অভিনন্দন জানানো হয়, পাশাপাশি জেলা আইনজীবী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটিকেও সংবর্ধনা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত ও সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ চাঁদ মোহাম্মদ আব্দুল আলীম আল রাজী।

    জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোল্লা মোহাম্মদ মাসুম রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক এড. মোল্লা মশিয়ুর রহমান ননূ। এর আগে, আইনমন্ত্রী খুলনা জেলা জজ আদালতের কনফারেন্স রুমে বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক পরিচিতি সভায় অংশ নেন।

  • নতুন প্রজন্মের মধ্যে রবীন্দ্রপ্রেম ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে

    নতুন প্রজন্মের মধ্যে রবীন্দ্রপ্রেম ও সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে হবে

    আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জন্য এক অসংখ্য অনুপ্রেরণার উৎস। রবীন্দ্রনাথের ছাড়া বাঙালি জাতিসত্তা, বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি পূর্ণাঙ্গভাবে কল্পনা করা সম্ভব নয়। তিনি শুধু বাংলার সম্পদই নন, বরং সাহিত্যপ্রেমী হৃদয়ে আজও অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছেন। তার কালজয়ী সাহিত্যকর্ম যুগে যুগে মানুষের জীবনবোধ, মানবতা ও সৌন্দর্যচেতনা জাগিয়ে তুলছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে রবীন্দ্রপ্রেম ও সংস্কৃতিচর্চা ছড়িয়ে দিলে তরুণরা মাদক থেকে দূরে থাকবে, পাশাপাশি খেলাধুলা ও সৃষ্টি কর্মকাণ্ডে আরও মনোযোগী হবে।

    শুক্রবার বিকেলে খুলনা ফুলতলা উপজেলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন তিনি। এই অনুষ্ঠানটি সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় ও খুলনা জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়, যেখানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য আমীর এজাজ খান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ আবদুল্লাহ হারুন, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব মুঃ বিল্লাল হোসেন খান ও পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন শিক্ষাবিদ ও খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক মোহাম্মদ মাজহারুল হান্নান।

    অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুচি রানী সাহা। আলোচনা সভা পরিচালনা করেন খুলনা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার আসাদুজ্জামান আরিফ ও রহমতুল্লাহ। এর আগে, প্রধান অতিথি বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে উদ্বোধন করেন লোকজ মেলার। অনুষ্ঠানের শেষে বিভিন্ন শিল্পী ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া হয়।

  • বটিয়াঘাটায় অস্ত্রধারী হামলায় যুবক কুপিয়ে নিহত

    বটিয়াঘাটায় অস্ত্রধারী হামলায় যুবক কুপিয়ে নিহত

    খুলনা জেলার বটিয়াঘাটা উপজেলায় আজ (শুক্রবার, ৮ মে) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে অস্ত্রধারী দুর্বৃত্তদের কুপিয়ে এক যুবক নিহত হয়েছেন।

    নিহত ব্যক্তির নাম আজিজুল ইসলাম (৩৫)। তিনি বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জ উপজেলার বকুলতলা এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। স্থানীয় উত্তর রাঙ্গেমারীর বটতলা সংলগ্ন একটি বিলে এই ঘটনার কথা স্থানীয়রা ও পুলিশ জানায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনায়, চারটি মোটরসাইকেলে করে কয়েকজন অস্ত্রধারী আজিজুলকে তুলে নিয়ে বিলের মধ্যে ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করে। হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে ফাঁকা গুলি ছুড়ে দ্রুত তৎপরতা চালিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে তাকে উদ্ধার করতে চেষ্টা করলেও তার মৃতদেহই পাওয়া যায়।

    পুলিশ জানায়, এখন পর্যন্ত ঘটনাস্থল থেকে কোনো গুলির খোসা বা ম্যাগাজিন উদ্ধার করা যায়নি। নিহতের গলা ও ঘাড়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের স্পষ্ট চিহ্ন পাওয়া গেছে। এছাড়া, পুলিশ সূত্রে জানা গেছে আজিজুলের একটি পা পূর্বে উরুর নিচ থেকে বিচ্ছিন্ন ছিল।

    প্রাথমিকভাবে মাদক সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, আজিজুলের বিরুদ্ধে মাদক, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে।

    বটিয়াঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার হাফিজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তদন্ত শুরু করেছে। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত চলছে এবং সিআইডি’র বিশেষজ্ঞ টিম ঘটনাস্থলে এসে বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে।

  • ফকিরহাটে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার অ্যালুমিনিয়ামসহ ট্রাক ছিনতাই, দুইজন গ্রেপ্তার

    ফকিরহাটে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার অ্যালুমিনিয়ামসহ ট্রাক ছিনতাই, দুইজন গ্রেপ্তার

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ক্রয় করা প্রায় সাড়ে ১৩ লাখ টাকার পরিত্যক্ত অ্যালুমিনিয়ামবাহী একটি ভাড়া ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করেছে এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (৮ মে) ভোররাতে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে মূলঘর এলাকার একটি পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে ছিনতাই হওয়া ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করে। একই সময়ে ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    গ্রেপ্তাররা হলেন— পাগলা উত্তরপাড়া এলাকার মো. জয়নাল আবেদিন (৩৮) ও নলধা গ্রামের মো. জুয়েল শিকদার (৩২)।

    পুলিশ ও মামলার বাদির বর্ণনা অনুযায়ী, রামপাল এলাকার মনিরুল ইসলাম, কামরুল শেখ ও শামিম হাসান যৌথভাবে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ওই পরিত্যক্ত অ্যালুমিনিয়াম ক্রয় করেন। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় মালামালগুলো একটি ভাড়া করা বিআরটিসি ট্রাকে তুলে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়া হয়।

    পথিমধ্যে রামপাল জিরো পয়েন্ট ও সোনাতোনিয়া বাসস্ট্যান্ডে স্থানীয়রা ট্রাকটির গতিরোধ করে মালামাল যাচাই-বাছাই করে। তৎক্ষণাৎ কাগজপত্র ও মালামালের বৈধতা নিশ্চিত হওয়ায় ট্রাকটিকে আবার ছেড়ে দেয়া হয়।

    অল্প সময়ের পর রাত প্রায় একটার দিকে ট্রাকটি পুনরায় যাত্রা শুরু করলে ফকিরহাট উপজেলার সুকদাড়া এলাকায় ১৫ থেকে ১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্তদল ট্রাকটি থামিয়ে চালক ও সঙ্গে থাকা লোকজনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ট্রাক ও মালামাল ছিনিয়ে নেয়।

    ঘটনাস্থলের খবর পেয়ে ফকিরহাট মডেল থানা দ্রুত অভিযান বাড়ায়। ভোর সাড়ে চারটার দিকে মূলঘর এলাকার পরিত্যক্ত একটি ইটভাটা থেকে ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করা হয় এবং ঘটনাস্থল থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মনিরুল ইসলাম (গৌরম্ভা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে) বাদি হয়ে অটলভাবে ৮ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ১৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানানো হয়েছে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “ডাকাতির খবর পাওয়ার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।” তিনি বলেন মামলার কার্যক্রম চলছে এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

  • বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ

    বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলার ২ নম্বর পঞ্চকরণ ইউনিয়নের দেবরাজ এলাকায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে শুক্রবার (৮ মে) স্থানীয় মানুষ মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে। তারা অভিযোগ করেছে যে চলমান ভেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং কিছুকিছুতেই ফসলি জমিতে লবণাক্ত পানি প্রবাহ করে ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে।

    সকালে ভেড়িবাঁধের ধারে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে স্থানীয়রা দাবি করেন—“স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হবে এবং চলমান সংস্কার কাজ বন্ধ করা যাবে না।” আয়োজকদের অভিযোগ, আকরাম তালুকদার, জরুল শেখ, সালাম মোল্লা ও আকবর তালুকদার বাহিনীসহ কিছু গোষ্ঠী চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্ত করছে।

    বক্তারা বলেন, পঞ্চকরণ ইউনিয়নের দেবরাজ এলাকার টেকসই ভেড়িবাঁধ না থাকায় প্রতিবার জোয়ার ও লবণাক্ত পানি প্রবেশের ফলে বিস্তৃত ফসলি জমি নষ্ট হয়। তারা স্মরণ করান, ঘূর্ণিঝড় আইলা ও সিডরের সময় পুরো এলাকা পানিতে তলিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষতি হয়েছিল।

    স্থানীয়রা আরও অভিযোগ করেন যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত সুবিধার জন্য জোর করে লবণ পানি প্রবেশ করাচ্ছে এবং ফলে কৃষিজমি ধ্বংসের পথ তৈরি হচ্ছে। এ কারণে যারা নিরাপদ, স্থায়ী বাঁধ চান তারাই বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছেন বলে তারা দাবি করেন।

    মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা জানান, যদিও ভেড়িবাঁধ নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে, তবে কিছু চক্র নানা ষড়যন্ত্র করে কাজ থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে। তাদের একটাই দাবি—যে কোনো অবস্থায় ভেড়িবাঁধ নির্মাণ কাজ বন্ধ করা হবে না।

    এ সময় এলাকার গণ্যমান্যরা বলেন, বাঁধ নির্মাণের জন্য যদি কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি অধিগ্রহণ করা লাগে তাহলে সরকারকে অবশ্যই ন্যায্য ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত স্থায়ী ভেড়িবাঁধ করা না হলে জনস্বাস্থ্যে ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তায় হুমকি থাকবে বলে তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

    মানববন্ধনে পঞ্চকরণ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জসিম উদ্দিন তালুকদার, অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম খান, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শামীমুল হাসান, খলিলুর রহমান, মাইনুল ইসলাম, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ও জামায়াত নেতা মশিউর রহমানসহ বহু স্থানীয় গণ্যমান্য উপস্থিত ছিলেন। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে এলাকাবাসী দাবি আদায়ে একটি বিক্ষোভ মিছিলও প্রদর্শন করে।

  • ফকিরহাটে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার অ্যালুমিনিয়ামসহ ট্রাক ছিনতাই, দুই arrested

    ফকিরহাটে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার অ্যালুমিনিয়ামসহ ট্রাক ছিনতাই, দুই arrested

    বাগেরহাটের ফকিরহাটে সাড়ে ১৩ লাখ টাকার পরিত্যক্ত অ্যালুমিনিয়াম বোঝাই একটি ভাড়াকৃত ট্রাক ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করেছে এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

    পুলিশ জানায়, রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ক্রয় করা ওই অ্যালুমিনিয়ামগুলো বৃহস্পতিবার (৭ মে) সন্ধ্যায় ভাড়ার বিআরটিসি ট্রাকে তোলা হয়ে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে রামপাল জিরো পয়েন্ট ও সোনাতোনিয়া বাসস্ট্যান্ডে স্থানীয়রা ট্রাক থামিয়ে মালামাল যাচাই-বাছাই করে; কাগজপত্র ঠিক থাকায় পরে ট্রাক ছাড়তে দেওয়া হয়।

    রাত প্রায় ১টার দিকে সুকদাড়া এলাকায় ট্রাকটি ফের রওনা হলে ১৫-১৬ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাতদল ট্রাকের গতিরোধ করে। ডাকাতরা ট্রাকচালক ও যাত্রীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে ট্রাকসহ মালামাল ছিনিয়ে নেয়।

    ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশ তৎক্ষণাৎ অভিযান শুরু করে এবং শুক্রবার ভোররাতে উপজেলার মূলঘর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ইটভাটা থেকে ডাকাতি হওয়া ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করে। একই সময়ে পাগলা উত্তরপাড়া এলাকার মো. জয়নাল আবেদিন (৩৮) ও নলধা গ্রামের মো. জুয়েল শিকদার (৩২)কে গ্রেপ্তার করা হয়।

    জানা গেছে, অ্যালুমিনিয়ামগুলো রামপাল এলাকার মনিরুল ইসলাম, কামরুল শেখ ও শামিম হাসান একত্রে ক্রয় করেছিলেন। ঘটনার নিন্দায় রামপালের গৌরম্ভা গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে আটজনের নাম উল্লেখসহ আরও ১৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ফকিরহাট থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

    ফকিরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ট্রাক ও মালামাল উদ্ধার করেছে এবং দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে; অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি আরও জানান, মামলার প্রক্রিয়া চলমান এবং গ্রেপ্তারকৃতদের বাগেরহাট আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।