Category: সারাদেশ

  • খুলনায় ঈদের জামাত: কোথায়, কখন?

    খুলনায় ঈদের জামাত: কোথায়, কখন?

    পবিত্র মাহে রমজানের সমাপ্তি ঘটেছে। শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে, তাই শনিবার (২১ মার্চ) দেশজুড়ে উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর। কক্সবাজারে শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে শাওয়ালের চাঁদ দেখার খবর পাওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউস ময়দানের প্রস্তুতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, সার্কিট হাউস ময়দান একটি ঐতিহ্যবাহী মাঠ যেখানে প্রতিবারই হাজারো মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। মুসল্লিদের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য মাঠের প্রস্তুতি ত্বরান্বিতভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে এবং প্রযোজ্য সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    জেলা ও নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্রে নির্ধারিত জামাতের সময়সূচি মেলে—

    – খুলনা সার্কিট হাউস ময়দানে প্রধান জামাতসকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় ও তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে খুলনা টাউন জামে মসজিদে। আবহাওয়া প্রতিকূল হলে তিনটি জামাতই খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৮টা, ৯টা ও ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – সকাল সাড়ে ৮টায় খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ ও বয়রা মডেল মসজিদে জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    – খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান ও বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    – বায়তুন নূর জামে মসজিদে দুটি জামায়াত—প্রথম সকাল ৮টায়, ইমামত করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ; দ্বিতীয় সকাল ৯টায় ইমামত করবেন হাফেজ মাওলানা মো. জাকির হোসেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে আলাদা ব্যবস্থাপনা রাখা হয়েছে—

    – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে; এই জামাতে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    – খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    নগরের অন্যান্য নামাজের সময়—

    – শান্তিধাম মোড়ের আল-হেরা জামে মসজিদে সকাল ৮টায় জামাত।

    – জাতিসংঘ শিশু পার্কে সকাল সাড়ে ৮টায় নামাজ।

    – আব্দুর রাজ্জাক জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় জামাত।

    – ময়লাপোতা মোড়ের বায়তুল আমান জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৮টায় ও দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়।

    – মোল্লাপাড়া জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    খুলনা সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় এবং ওয়ার্ডভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকদের তত্ত্বাবধানে নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে আলাদা আলাদা স্থানে জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। উপজেলা পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো স্থানভিত্তিক সুবিধা অনুযায়ী জামাতের সময় নির্ধারণ করবে।

    ঈদ-উৎসবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মহানগর ও আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় intensified টহল দেবে। নিয়ম ভঙ্গ রোধে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, সড়ক বন্ধ করে স্টল বসানো, উচ্চস্বরে মাইক বা ড্রাম বাজানো, রঙিন পানি ছুটানো এবং বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নিষিদ্ধ ঘোষিত হয়েছে। সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন এবং নির্ধারিত নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে।

    সবশেষে, সকলকে ঈদ মোবারক—স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তার নিয়ম মেনে শান্তিপূর্ণ ও সজাগভাবে উল্লাস করার আহ্বান রইল।

  • বাগেরহাটে আগুনে ৮ দোকান ভস্মিভূত, ব্যবসায়ীদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি

    বাগেরহাটে আগুনে ৮ দোকান ভস্মিভূত, ব্যবসায়ীদের প্রায় অর্ধকোটি টাকার ক্ষতি

    বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলায় শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোররাতে ব্রিজের ওপারের মঘিয়া এলাকায় আগুন লেগে ৮টি দোকান ভস্মিভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ব্যবসায়ীরা অনূুমান করে বলেন ক্ষতির পরিমাণ প্রায় অর্ধকোটি টাকা।

    ঘটনাস্থল সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মী, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা ও স্থানীয়রা মিলিয়ে প্রায় এক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে ৮টি দোকান সমেত দোকানজিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

    ঈদের আগ মুহূর্তে লেখাপড়া ও পরিবারপালনের একমাত্র উপার্জনের জায়গা হারিয়ে পড়ায় দোকানিরা অভাব-অনটনে পড়েছেন। চায়ের দোকান চালক সোহাগ মাঝি বলেন যে বহু কষ্টে তিনি দোকানটি চালিয়েছেন, এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করে দোকানের জন্য দুটো ফ্রিজও কিনেছিলেন। ঈদ উপলক্ষে বেশ কিছু মালামাল সংগ্রহ করেছিলেন, যা আগুনে সব শেষ হয়ে গেছে। তিনি উদ্বেগ করে বলেন, কিভাবে ঋণ পরিশোধ করব এবং আবার কীভাবে ব্যবসা শুরু করব, তা তিনি বলতে পারছেন না।

    সারের ডিলার মীম এ্যান্ড মুন-এর স্বত্বাধিকারী মাসুদুর রহমান জানান, ঈদের ছুটি ও জ্বালানী সংকটের কারণে তার দোকানে আনুমানিক ২০ লাখ টাকার সার জমা ছিল, যা সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এ ছাড়া একটি মুদি দোকান, বিকাশ-নগদ-ফ্লেক্সিলোডের আউটলেট, লন্ড্রি, সেলুন ও অন্যান্য একাধিক ক্ষুদ্র প্রতিষ্ঠানও ধ্বংসরূপে পড়েছে। তিনি বলেন, আমরা এখন খুবই দুঃস্থ অবস্থায় আছি।

    স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন, বাজার কমিটির প্রতিনিধি ও সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি দেখেন। বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসানও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

    প্রাথমিকভাবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসান জানিয়েছেন, নিজেদের পর্যায়ে যতটুকু সম্ভব সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে আরও প্রয়োজনীয় সহায়তা ও পুনর্বাসনমূলক ব্যবস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এছাড়া সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদের পক্ষ থেকে আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ ও টিনশীট সহায়তার প্রতিশ্রুতি জানানো হয়েছে।

    আগুনের সঠিক কারণ এখনও নির্ধারণ করা যায়নি; স্থানীয় প্রশাসন ও ফায়ার সার্ভিস বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় রিপোর্ট প্রকাশ করবে বলে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও দোকানিরা এখন দ্রুত আর্থিক ও পুনর্বাসন সহায়তা প্রত্যাশা করছেন।

  • বাগেরহাট কচুয়ায় আগুনে ৮ দোকান ভস্মিভূত, ব্যবসায়ীদের আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি

    বাগেরহাট কচুয়ায় আগুনে ৮ দোকান ভস্মিভূত, ব্যবসায়ীদের আনুমানিক অর্ধ কোটি টাকার ক্ষতি

    বাগেরহাটের কচুয়ায় শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোররাতে আগুনে ৮টি দোকান ভস্মিভূত হয়ে গেছে। কচুয়া উপজেলা সদরের বাজার ব্রিজের ওপারের মঘিয়া অংশে ঘটনাটি ঘটলে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ততক্ষণে আটটি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

    ঈদ আগের সময়ই একমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে থাকা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো পুড়ে যাওয়ায় মালিকরা অস্থির ও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বহু পরিবারই একমাত্র ভরণ-পोषণ ছিল দোকানেই; এখন তাদের সামনের দিনগুলোকে ঘিরে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

    চায়ের দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করা সোহাগ মাঝি বলেন, অনেক কষ্ট করে দোকানটি গড়ে তুলেছি। এনজিও থেকে নেয়া ঋণ ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার করে দুটি ফ্রিজ কিনেছি, ঈদ উপলক্ষে ভালো মালের স্টক ছিল — সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। কীভাবে ঋণ পরিশোধ করব আর কীভাবে আবার ব্যবসা শুরু করব, তা জানি না।

    ক্ষতিগ্রস্ত সার ডিলার ‘মীম এ্যান্ড মুন’-এর স্বত্বাধিকারী মাসুদুর রহমান জানান, ঈদের ছুটি ও জ্বালানি সংকটের প্রভাবে তার দোকানে প্রায় ২০ লাখ টাকার সার মজুদ ছিল, যা আগুনে সম্পূর্ণভাবে পুড়ে গেছে। এছাড়া মুদি দোকান, বিকাশ-নগদ-ফ্লেক্সিলোডের বুথ, লন্ড্রি, সেলুন ও অন্যান্য চায়ের দোকানও ধ্বংস হয়েছে। তিনি ও অন্য ব্যবসায়ীরা বলেন, এই আগুন তাদের জন্য মারাত্মক অর্থনৈতিক ধাক্কা প্রয়োগ করেছে।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ, কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসান, বাজার কমিটির নেতা ও স্থানীয় নেতাকর্মীরা। প্রাথমিকভাবে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের খাদ্যসামগ্রী দেওয়া হয়েছে; পরবর্তীতে আর্থিক ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান।

    এছাড়া সংসদ সদস্যের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের নগদ অর্থ ও টিনশেড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি আছে বলে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত সহায়তা পেলে পুনরায় ব্যবসা শুরু করতে সক্ষম হবে বলে অনেকে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। তদন্ত করে আগুন লাগার সঠিক কারণ নির্ণয় করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

  • খুলনায় ঈদের জামাত: কখন ও কোথায়?

    খুলনায় ঈদের জামাত: কখন ও কোথায়?

    পবিত্র মাহে রমজান শেষ হয়ে শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাওয়ায় শনিবার (২১ মার্চ) দেশে উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর। প্রশাসন জানায়, শুক্রবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা ১৬ মিনিটে কক্সবাজারে শাওয়াল চাঁদ দেখা গেছে, ফলে দেশজুড়ে ঈদের দিন নির্ধারণ হয়েছে।

    গত বৃহস্পতিবার খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউস মাঠের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন। তিনি বলেন, সার্কিট হাউস ময়দান একটি ঐতিহ্যবাহী স্থান যেখানে প্রতি বছর বহু মুসল্লি ঈদের নামাজ আদায় করেন। নামাজের জন্য মাঠে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা দ্রুতগতিতে শেষ করা হয়েছে যাতে কেউ স্বাচ্ছন্দ্যে অংশগ্রহণ করতে পারে।

    ঈদের জামাতের সময় ও স্থান সংক্ষেপে:

    – খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় ও তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে খুলনা টাউন জামে মসজিদে।

    – আবহাওয়া প্রতিকূল হলে তিনটি জামাতই খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৮টা, ৯টা ও ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থানে জামাতের সময়:

    – খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ ও বয়রা মডেল মসজিদে সকাল ৮:৩০টায় জামাত।

    – খালিশপুর ঈদগাহ ও বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জামাত।

    – বায়তুন নূর জামে মসজিদে দুইটি জামাত: সকাল ৮টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ, এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামত করবেন ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন।

    – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে সকাল ৭:৩০টায় জামাত; এ জামে মহিলাদের জন্য আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    – খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (KUET) কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে জামাত সকাল ৭:৩০টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – নগরের শান্তিধাম মোড়ের আল-হেরা জামে মসজিদে সকাল ৮টায়, জাতিসংঘ শিশু পার্কে সকাল ৮:৩০টায়, আব্দুর রাজ্জাক জামে মসজিদে সকাল ৭:৩০টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    – ময়লাপোতা মোড়ের বায়তুল আমান জামে মসজিদে প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায়। মোল্লাপাড়া জামে মসজিদে সকাল ৭:৩০টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    খুলনা সিটি করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি ওয়ার্ডেই আলাদা করে জামাতের আয়োজন করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা তদারকি করবেন। উপজেলার পর্যায়েও সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো তাদের সুবিধা অনুযায়ী জামাতের সময় নির্ধারণ করবে।

    ঈদের আনন্দ নিরাপদ রাখতে নগরীতে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মহানগর ও পার্শ্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ স্থানে টহল জোরদার করবে। একই সঙ্গে আতশবাজি ও পটকা ফোটানো, রাস্তা বন্ধ করে স্টল বসানো, উচ্চশব্দে মাইক বা ড্রাম ব্যবহার, রঙিন পানি ছিটানো এবং বেপরোয়া মোটরসাইকেল চालन কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে এসব নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সকল ধর্মভীরু জনসাধারণকে শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও আনন্দময় ঈদ অনুষ্ঠান কামনা করছি।

  • বাগেরহাট কচুয়ায় আগুনে ৮ দোকান ভস্মিভূত; ব্যবসায়ীদের ক্ষতি প্রায় অর্ধকোটি

    বাগেরহাট কচুয়ায় আগুনে ৮ দোকান ভস্মিভূত; ব্যবসায়ীদের ক্ষতি প্রায় অর্ধকোটি

    বাগেরহাটের কচুয়ায় শুক্রবার (২০ মার্চ) ভোররাতে আগুন লেগে ৮টি দোকান ভস্মিভূত হয়েছে। কচুয়া উপজেলা সদরের বাজার ব্রিজের ওপারে মঘিয়া অংশে ঘটনাটি ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা অপেক্ষাকৃত দ্রুত এসে প্রায় ঘন্টাখানেক চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন, তবু ভবন ও মালামালের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

    অগ্নিকাণ্ডে ব্যবসায়ীরা অন্তত অর্ধকোটি টাকার ক্ষতির কথা জানিয়েছেন। ঈদের আগমুহূর্তে একমাত্র আয়ের উৎস হিসেবে প্রতিটি দোকান ছিল অনেক ব্যবসায়ীর শেষ সম্বল; আগুনে তা ভস্মীভূত হওয়ায় তাঁরা এখন দিশাহারা হয়ে পড়েছেন।

    পুড়ে ফেলা চায়ের দোকানটির মালিক সোহাগ মাঝি বলেন, ‘‘অনেক কষ্ট করে দোকানটি চালিয়ে যাচ্ছিলাম। এনজিও থেকে নেওয়া ঋণ ও আত্মীয়-স্বজনের কাছ থেকে ধার নিয়ে দুটো ফ্রিজও কিনেছিলাম। ঈদকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু মালামালও জমিয়ে রেখেছিলাম—সবই শেষ হয়ে গেল। এখন কিভাবে ঋণ পরিশোধ করব বা ব্যবসা শুরু করব, তা বুঝতে পারছি না।’’

    সারের ডিলার প্রতিষ্ঠান ‘মীম এ্যান্ড মুন’-এর স্বত্বাধিকারী মাসুদুর রহমান জানান, দোকানে ঈদের ছুটি ও জ্বালানি সংকটকে সামনে রেখে প্রায় ২০ লাখ টাকার সার মজুদ ছিল, যা পুরোপুরি পুড়ে গেছে। এছাড়া মুদি দোকান, বিকাশ-নগদ-ফ্লেক্সিলোড কাল্টারেজ, লন্ড্রি, সেলুন ও আরও কয়েকটি চায়ের দোকানও ধ্বংস হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা জানান, এখন তারা অত্যন্ত বিপাকে রয়েছেন।

    ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ এবং কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসান। এলাকার বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।

    প্রাথমিকভাবে উপজেলা প্রশাসন ক্ষতিগ্রস্তদের কাছে খাদ্য সহায়তা পাঠিয়েছে। কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আলী হাসান জানালেন, পরবর্তীতে আরও সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। এছাড়া সংসদ সদস্য শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদের পক্ষ থেকেও ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য নগদ অর্থ ও টিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এসেছে।

    স্থানীয়রা জানান, দ্রুত সহায়তা না পেলে বহু পরিবার ঈদের পূর্বেই বড় সংকটে পড়বেন। ব্যবসায়ীরা সরকারি-relief এবং ব্যক্তিআর সহায়তার ওপর ভরসা রাখছেন, যাতে দ্রুত পুনর্বাসন ও ব্যবসা পুনরায় শুরু করা সম্ভব হয়।

  • খুলনায় পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ার অভিযোগে সন্ত্রাসী হাসিবুল আলম সজল গ্রেপ্তার

    খুলনায় পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ার অভিযোগে সন্ত্রাসী হাসিবুল আলম সজল গ্রেপ্তার

    খুলনার দৌলতপুরে পুলিশের ওপর গুলি ছোড়ার ঘটনায় অভিযুক্ত হাসিবুল আলম সজল (২৮)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

    পুলিশ জানায়, ঘটনাটি ঘটেছিল গত ১৭ মার্চ রাত আনুমানিক ১১টায় মহেশ্বরপাশা ফাঁড়ির পাশে একটি বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে। ওই এলাকায় কয়েকজন সন্ত্রাসী বৈঠক করছে—এই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপস্থিত হন ওই অঞ্চলের পুলিশ। পুলিশ পৌঁছালে সেখানে গজাল ইমন, মিলন ও সজলসহ ৬-৭ জনের একটি দল পুলিশকে লক্ষ্য করে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে এবং দ্রুত মোটরসাইকেলে করে স্থান ত্যাগ করে।

    ঘটনায় দৌলতপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাহাত আহমেদ বাদী হয়ে একটি মামলা করেন এবং তখন থেকেই সংশ্লিষ্টদের ধরতে পুলিশি অভিযান চলছিল।

    দৌলতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের আলোকে গতকাল বুধবার (১৮ মার্চ) রাতে হরিণটানা থানা এলাকা থেকে সজলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং আজ তাকে মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

    পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার হাসিবুল আলম সজল মহানগরীর বয়রা কলেজ মোড় এলাকার মৃত এহসানুল আলমের ছেলে। তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। দলের বাকিদের ধরতে জেলা পুলিশ অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

  • দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনামের হত্যায় একজন আটক

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনামের হত্যায় একজন আটক

    খুলনার দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনাম (রাসু) হত্যা মামলায় এক যুবককে আটক করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়ার সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈল হোসেনকে গ্রেফতার করে ডিবি।

    গ্রেফতারের পর ইসমাঈলকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তৈমুর ইসলাম জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই অভিযান চালিয়ে যাচ্ছিলো এবং বিভিন্ন স্থানে সূত্রও কাজ করা হয়েছিল। সূত্রের তাত্ক্ষণিক তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়ায় অভিযান চালিয়ে ইসমাঈলকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে, তবে তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

    ইসমাঈলকে আটক করার পর হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত কয়েকজনকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয় এবং তারা তাকে শনাক্ত করে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইসমাঈলকে দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র নিয়ে মোকদ্দমা এবং মারামারি ঘটায় চার্জসহ মোট ছয়টি মামলা রয়েছে। অভিযোগ তদন্ত চলছে।

  • কেসিসি প্রশাসক খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    কেসিসি প্রশাসক খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে অনুষ্ঠিতব্য ঈদ-উল-ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।

    পরিদর্শন শেষে কেসিসি প্রশাসক সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠ একটি ঐতিহাসিক ও বৃহৎ ময়দান। এখানে প্রতি বছর হাজারো নগরবাসী ঈদের নামাজ আদায় করেন। আমরা নিশ্চিত করতে চাই মুসুল্লারা শান্তি ও সুষ্ঠু পরিবেশে সকলে নিরাপদে জামাতে অংশ নিতে পারেন। তাই মাঠের প্রস্তুতি কাজ আজ সন্ধ্যার মধ্যে প্রায় সম্পন্ন হবে এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, নাগরিকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপদে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।

    পরিদর্শনে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, কেএমপি কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেসিসি প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জেলা প্রশাসন, কেসিসি ও কেএমপি কর্মকর্তাগণ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে তিনটি জামাতই খুলনা টাউন জামে মসজিদে যথাক্রমে সকাল ৮টা, ৯টা ও ১০টায় আয়োজন করা হবে।

    অন্যান্য স্থানে সময়সূচি অনুযায়ী ভালো আয়োজন করা হয়েছে—খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ এবং বয়রা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে আটটায় অনুষ্ঠিত হবে। খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান ও বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে সকাল ৮টায় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    বায়তেন নূর জামে মসজিদে দু’টি জামাতের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৮টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন।

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের জামাত হবে সকাল সাড়ে ৭টায় এবং সেখানে এবার মহিলাদের আলাদা নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    নাগরিকদের অনুরোধ করা হয়েছে নির্ধারিত সময় ও স্থানে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি ও নিরাপত্তার নিয়ম মেনে অংশগ্রহণ করতে, এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা মেনে চলতে।

  • কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সার্কিট হাউজ মাঠে ঈদজামাতের প্রস্তুতি পরিদর্শন

    খুলনা: খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে আসন্ন ঈদ-উল-ফিতরের প্রধান জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি পরিদর্শন করেন।

    নার-পরিদর্শনে তিনি মাঠের সার্বিক প্রস্তুতি, সিটিং ব্যবস্থা, জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তাসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখেন। পরিদর্শন শেষে কেসিসি প্রশাসক জানান, সার্কিট হাউজ মাঠটি ঐতিহ্যবাহী একটি ময়দান যেখানে প্রতিবারই হাজার হাজার নগরবাসী ঈদের নামাজ আদায় করেন। মুসুল্লাদের যাতে সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে প্রধান জামাতে নামাজ আদায় করতে অসুবিধা না হয় সেটাই বড় লক্ষ্য। তিনি জানান, মাঠের প্রস্তুতির কাজ আজ সন্ধ্যার মধ্যে প্রায় শেষ হবে এবং খুলনা সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। প্রশাসক আশা করেন, নগরবাসী স্বাচ্ছন্দ্যে ও নিরাপত্তামতো অংশগ্রহণ করে পবিত্র ঈদ উৎসব উদযাপন করবেন।

    পরিদর্শনকালে খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ মোখতার আহমেদ, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক, কেএমপি পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ জাহিদুল হাসান, কেসিসি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, জেলা প্রশাসক আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, কেসিসি প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জেলা প্রশাসন, কেসিসি ও কেএমপির অন্যান্য কর্মকর্তা এবং সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

    ঈদ জামাতের সময়সূচি ও স্থান:

    – খুলনা সার্কিট হাউজ মাঠে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিতীয় জামাত সকাল ৯টায় এবং তৃতীয় জামাত সকাল ১০টায় খুলনা টাউন জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে।

    – আবহাওয়া প্রতিকূল হলে খুলনা টাউন জামে মসজিদে সকাল ৮টায় প্রথম জামাত, সকাল ৯টায় দ্বিতীয় এবং সকাল ১০টায় তৃতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

    – খুলনা আলিয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন মডেল মসজিদ ও বয়রা মডেল মসজিদে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – খালিশপুর ঈদগাহ ময়দান এবং বসুপাড়া ইসলামাবাদ ঈদগাহ ময়দানে ঈদের জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    – বায়তুন নূর জামে মসজিদে দুইটি জামাত; সকাল ৮টার প্রথম জামাতে ইমামতি করবেন খতিব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ইমরান উল্লাহ এবং সকাল ৯টায় দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মোঃ জাকির হোসেন।

    – খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়; এবারে এতে মহিলাদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

    – খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদের জামাত সকাল সাড়ে ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে।

    কেসিসি প্রশাসক ও সংশ্লিষ্টরা সকল ধর্মপ্রাণ মুসল্লিকে সর্তক ও শান্তিপূর্ণভাবে জামাতে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান এবং অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণের কথা নিশ্চিত করেন।

  • দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসু হত্যায় একজন গ্রেফতার

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাসু হত্যায় একজন গ্রেফতার

    দৌলতপুরে যুবদল নেতা রাশিকুল আনাম ‘রাসু’ হত্যা মামলায় এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। বুধবার সন্ধ্যায় দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈল হোসেনকে আটক করা হয়। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

    মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ তৈমুর ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই আমরা বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে আসছিলাম। তদন্তের অংশ হিসেবে বিভিন্ন জায়গায় গোপন সূত্রও ব্যবহার করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় সেনহাটি ইউনিয়ন থেকে ইসমাঈলকে আটক করা হয় এবং কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসাবাদে বেশ কিছু তথ্য দিয়েছেন, তবে তদন্তের স্বার্থে এখনই সবকিছু প্রকাশ করা যাচ্ছে না।

    আটকের পরে হত্যাকাণ্ডের সময় উপস্থিত থাকার সন্দেহ থাকা কয়েক ব্যক্তিকে ডিবি কার্যালয়ে আনা হয় এবং তারা অভিযুক্তকে শনাক্ত করেছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ইসমাঈলকে দৌলতপুর থানা হস্তান্তর করা হয়েছে। পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে খুলনার বিভিন্ন থানায় হত্যা, অস্ত্র ও মারামারিসহ ছয়টি মামলা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।