Category: সারাদেশ

  • চুয়াডাঙায় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে হামলা, আরও দুই চেয়ারম্যানকে পরিষদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে

    চুয়াডাঙায় ইউপি চেয়ারম্যানকে অবরুদ্ধ করে হামলা, আরও দুই চেয়ারম্যানকে পরিষদ থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে

    চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল-দুপুরের দিকে স্থানীয়দের সঙ্গে অভিযান নিয়ে তীব্র উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। খাদিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার (লোটাস) পরিষদে বসার পর বাধা সৃষ্টি করে অভ্যন্তরীণ বিরোধ বাঁধে; এ সময় উপস্থিতদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে এবং তাকে কয়েকক্ষণ পরে অবরুদ্ধও রাখা হয়।

    স্থানীয়রা জানান, সকালে হাইকোর্টের আদেশে চেয়ারম্যান মোজাহিদুর পরিষদে আসেন ও দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন। এরপর প্রতিক্রিয়াশীল কিছু ব্যক্তি পরিষদ চত্বরে এসে বিক্ষোভ শুরু করে এবং সভাপতির কক্ষে গিয়ে ছয়-সাতজন চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরে তার সমর্থকরা এসে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে হামলাকারীরা চারটি মোটরসাইকেল ফেলে পালাতে গিয়ে সেগুলো ভাঙচুর করা হয়।

    চেয়ারম্যান মোজাহিদুর রহমান জোয়ার্দ্দার বলেন, সকালে তিনি অফিস করেনই; তখন কয়েকজন লোক এসে তাকে ঘেরাও করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করে। কিছু সময়ের জন্য তিনি তার কক্ষে আটকে ছিলেন। পুরো ঘটনা সিসিটিভি ক্যামেরায় রেকর্ড আছে এবং শেষে নিজের গ্রামের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে।

    পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মোজাহিদুরকে নিয়ে উত্তেজনার পেছনে এর আগে জেলা প্রশাসন কর্তৃক আরোপিত একটি প্রশাসক নিয়োগের সিদ্ধান্ত এবং হাইকোর্টে দায়ের করা রিট-অব্যাহতির প্রেক্ষাপট রয়েছে। সূত্রে বলা হয়, গত ৫ আগস্টের পরে জেলা প্রশাসন ভোট-পরবর্তী ওই জায়গায় প্রশাসক নিয়োগ দেয়, যা নিয়ে চেয়ারম্যান হাইকোর্টে আপিল করেন এবং হাইকোর্ট তাকে পরিষদে বসার অনুমতি দেন।

    একই সময়ে আলমডাঙ্গার অন্য দুই ইউপি চেয়ারম্যান—নাগদাহ ইউনিয়নের এজাজ ইমতিয়াজ বিপুল এবং কালিদাসপুর ইউনিয়নের শেখ আশাদুল হক মিকাও স্থানীয়রা পরিষদ থেকে বের করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তারা দুজনই নিজ নিজ ইউনিয়নে দাপ্তরিক কাজ করতে গিয়ে এই দুর্ব্যবহারের শিকার হন। পরে থানার পুলিশ এসে সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।

    চুয়াডাঙ্গা সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সকল ঘটনার কথা জানতে পেরে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। খাদিমপুরের ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে জসিম নামের এক ব্যক্তিকে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। এখন এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

    এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশনায় একইভাবে আলমডাঙ্গার চিৎলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান সরোয়ার, খাসকররা চেয়ারম্যান তাসফির আহমেদ লাল ও ডাউকি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলামকেও ইউনিয়ন পরিষদে বসে দাপ্তরিক কাজ করার অনুমতি দেয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

  • বজ্রপাতে এক দশক গড়া সংসার ছাই; ঘরে না থাকায় দম্পতি ও ১১ বছর বয়সী মেয়ের প্রাণ বাঁচল

    বজ্রপাতে এক দশক গড়া সংসার ছাই; ঘরে না থাকায় দম্পতি ও ১১ বছর বয়সী মেয়ের প্রাণ বাঁচল

    বাগেরহাটের চিতলমারীর দড়িউমাজুড়ি গ্রামে বজ্রপাতে একযুগে তিলে তিলে গড়া আনন্দ মিস্ত্রি (৪০) ও লোপা হালদার (৩৩) দম্পতির সংসার এক মুহূর্তে ছাই হয়ে গেছে। বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত পোনে ১২ টার দিকে আগুন লাগার ঘটনায় পরনো কাপড় ছাড়া তাদের আর কিছুই রক্ষা পায়নি। সেই সময় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘরে না থাকায় দম্পতি ও তাদের ১১ বছরের মেয়ে সংগীতা মতান্তরে মারা যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে।

    স্থানীয়রা জানায়, আনন্দ ও লোপা দিনমজুরি করে সংসার চালান। প্রায় দশ বছর ধরে কষ্টে-করাটে নিজেদের ঘর সাজিয়ে তুলেছিলেন তারা। কিন্তু ওই রাতে বজ্রপাতের ফলে ঘরে হঠাৎ আগুন লেগে তাদের সব সঞ্চয়, জিনিসপত্র এবং ঘর-আসবাব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এখন তাঁরা সম্পূর্ণ নিঃস্ব; মেয়েটির বিদ্যালয়ে যাওয়া সৃষ্টি স্থগিত হয়েছে। আনন্দ ও লোপা বলেন, ‘বার বছর ধরে কষ্ট করে যা করেছি সব ফুলকপি হয়ে গেল। যদি রাতের ওই সময়ে আমরা বা বাকি আত্মীয়রা ঘরে থাকতাম, হয়তো প্রাণও হারাতাম।’

    ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০ টায় চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) খাদিজা আক্তার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মশিউর রহমান খানের প্রতিনিধি ও উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গাজী মুনিরুজ্জামানও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও ক্ষতিগ্রস্থ দম্পতির মাঝে শুকনা খাবার বিতরণ করেন এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে পরবর্তী সহায়তার আশ্বাস দেন।

    চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের লিডার এস এম আব্দুর রহিম বলেন, খবর পেয়ে রাতে তারা ঘটনাস্থলে দ্রুত পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে তখন পর্যন্ত দম্পতির অধিকাংশ সম্পদই পুড়ে গেছে।

    স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজসেবকদের উদ্যোগে প্রাথমিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে আর্থিক ও পুনর্বাসনমূলক সহায়তা দেয়া হবে বলে ইউএনও জানান। স্থানীয়রা বলছেন, দ্রুত প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না গেলে এ পরিবার খুব দ্রুত দিনমজুরির ওপর নির্ভরশীল অবস্থায় আরও কষ্টে পড়বে।

  • যশোরের সেই শিশুর জন্য উপহার পাঠালেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    যশোরের সেই শিশুর জন্য উপহার পাঠালেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান

    যশোরে বাস থেকে ডেকে নেওয়া সেই মা ও তার শিশুর জন্য উপহার পাঠিয়েছেন বিএনপি নেতা তারেক রহমান।

    বুধবার নয়—বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ‘‘আমরা বিএনপি পরিবার’’ নামের সংগঠনের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল শিশুটির বাড়িতে গিয়ে তারেক রহমানের পাঠানো উপহার পৌঁছে দেয়।

    উপস্থিত ছিলেন ‘‘আমরা বিএনপি পরিবার’’-এর অন্য সদস্যরা, যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাজিদুর রহমান সাগর ও মাসুদ রানা লিটনসহ অন্যান্য নেতারা।

    ঘটনাটি তারেক রহমানের যশোর আগমনের সঙ্গে জড়িত। গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) তিনি যশোরে পৌঁছান। তাকে বহনকারী ‘‘সবার আগে বাংলাদেশ’’ শ্লোগানবাহী বাসসহ গাড়িবহর যখন শহরের ইনস্টিটিউটের সামনে যাচ্ছিল, তখন নিলিমা নামের এক মা নিজের কোলের শিশুকে নিয়েই ফুল হাতে দাঁড়িয়ে প্রধান অতিথিকে শুভেচ্ছা জানাতে চান।

    তাতে তারেক রহমানের নজরে পড়ে তিনি গাড়ি থামিয়ে নেমে শিশুটিকে দেখেন। তাদের মধ্যে যে আলাপ-আড্ডা হয় এবং নিলিমার ওই মুহূর্তের ছবি ও ভিডিও দ্রুত নিলিমার ফেসবুক পেজ ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

    পরে তারেক রহমান বিষয়টি লক্ষ্য করে অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে নির্দেশ দেন নিলিমা ও শিশুর জন্য উপহার পাঠানোর। বৃহস্পতিবার সেই উপহার পৌঁছে দেওয়া হয়।

  • একযুগের সঞ্চয় বজ্রপাতে ছাই, দম্পতির জীবন রক্ষা হলোও সবটাই পুড়ে গেছে

    একযুগের সঞ্চয় বজ্রপাতে ছাই, দম্পতির জীবন রক্ষা হলোও সবটাই পুড়ে গেছে

    বাগেরহাটের চিতলমারীর দড়িউমাজুড়ি গ্রামে একজোড়া দম্পতির এক যুগ ধরে গড়া ছোট সংসার বজ্রপাতে ছাই হয়ে গেছে। রাত পোনে ১২টার সময় ঘটে যাওয়া আগুনে আনন্দ মিস্ত্রি (৪০) ও লোপা হালদার (৩৩) দম্পতির ঘরপোড়া সব имущества পুড়ে যায়;幸ৎ তখন তারা ঘরেই ছিলেন না, তাই জীবন রক্ষা পেয়েছে।

    ঘটনাটি বুধবার (২৯ এপ্রিল) রাত পোনে ১২টার দিকে ঘটে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।夫妻দের এগারো বছর বয়সী মেয়ে সংগীতা পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী; ঘটনায় তার স্কুল জীবনে বাধা পড়েছে।

    ক্ষতিগ্রস্ত দম্পতি আনন্দ মিস্ত্রি ও লোপা হালদার জানান, দিনমজুরি করে তারা সংসার চালাতেন। প্রায় এক যুগ ধরে তিলে তিলে সঞ্চিত সামান্য জিনিসপত্র আর ঘরবাড়ি গড়ে তোলেন—সবই এখন লুপ্ত। তাদের কথায়, “পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বাকি নেই। আত্মীয়দের বাড়িতে না গেলে হয়তো আমরা পুড়ে মারা যেতাম।”

    চিতলমারী ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের লিডার এস এম আব্দুর রহিম জানান, আগুনের খবর পেয়ে রাতেই তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবু তাদের পৌঁছানোর আগেই দম্পতির অধিকাংশ মালপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

    ঘটনার খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টায় চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার ও বাগেরহাট-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মশিউর রহমান খানের প্রতিনিধি—উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা গাজী মুনিরুজ্জামান—পরিদর্শনে যান। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করেন এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তার আশ্বাস দেন।

    অপরাধ-প্রশ্ন না উত্থাপন করে তারা বলেন, প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার দিয়ে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো হয়েছে; চাহিদা অনুযায়ী পরবর্তী সহায়তা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে দেয়া হবে।

    স্থানীয় পরিবারটি বর্তমানে সম্পূর্ণ নিঃস্ব; তাদের ফের ঘরবাড়ি ও জীবিকা পুনরুদ্ধারের জন্য তাত্ক্ষণিক সহায়তা প্রয়োজন। সংগীতার পড়াশোনাও এখন স্থগিত রয়েছে, যেটি দ্রুত স্বাভাবিক করতে পারলে পরিবারটিকে মানসিক সান্ত্বনা মিলবে।

  • সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশ ঘটানো এবং প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস ও দলগত মনোভাব গড়ে তোলা উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরায় জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (বালক ও বালিকা) ২০২৬ শুরু হয়েছে।

    বুধবার সকালেই সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মিজ্ আফরোজা আখতার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ রুহুল আমীন। বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আরেফিন জুয়েল, বিপিএম।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার অর্ণব দত্ত, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ‘ডাবলু’, জেলা জামায়াতের উপাধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম মুকুল, সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের সভাপতি জি এম মনিরুল ইসলাম (মিনি), জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, সাবেক ফিফা রেফারি তৈয়েব হাসান বাবু, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির শেখ নুরুল হুদা, সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান, জেলা ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আনিসুর রহমান আজাদী, শহর জামায়াতের সেক্রেটারি খোরশেদ আলম এবং জেলা ফুটবল কোচ ইকবাল কবির খান (বাপ্পি) প্রমুখ।

    টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বালিকা বিভাগে মাঠে নামে আশাশুনি শরাফপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও হাদিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বালক বিভাগের উদ্বোধনী খেলায় আশাশুনি আনুলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দেবহাটা টাউন শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সঙ্গে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের বিভিন্ন কর্মকর্তা, পাশাপাশি জেলা জুড়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। আয়োজকরা জানান, টুর্নামেন্টটি শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রীড়া চেতনা জাগ্রত করবে এবং সুস্থ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে ভবিষ্যতের ক্রীড়াবিদ গঠনে সহায়ক হবে।

  • নড়াইলের কালিয়ায় ক্লাস চলাকালে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়ায় ক্লাস চলাকালে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার শামসুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল ১০টার দিকে ক্লাস চলাকালে ঝড়ো হাওয়ার প্রেক্ষিতে বিদ্যালয়ের পাশে থাকা এক পুরনো নারিকেল গাছ ভেঙে টিনের ছাদের একটি শ্রেণিকক্ষের ওপর পড়ে যায়। ঘটনায় ক্লাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং দুই শিশু গুরুতর আহত হন।

    আহতদের মধ্যে সিয়াম শেখ (১১) ছোট কালিয়া গ্রামের নুর জামালের ছেলে, আরেকজন মাজেদুল ইসলাম (৯) রামনগর গ্রামের জহির শেখের ছেলে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার পর সিয়ামের অবস্থাকে আশঙ্কাজনক বিবেচনা করে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারিকেল গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। হঠাৎ শুরু হওয়া ঝড়ে গাছটি ভেঙে পড়লে শ্রেণিকক্ষের ওপর সরাসরি আঘাত লাগে, ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশাল ভয় সৃষ্টি হয়।

    ঘটনার তৎক্ষণাত পরিদর্শনে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা দ্রুত করতে বলে। এলাকায় এই দুর্ঘটনা নিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য দেখা দেয় এবং অভিভাবকরা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। তারা বলছেন, আগে থেকেই গাছটি ছাঁট বা অপসারণ করে নেওয়া গেলে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধ করা যেত।

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখা দিতে পারেনি বলে এলাকাবাসী বলেন। বিষয়টি তদন্তে, কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যাপারে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসার সকল খরচ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বহন করতে বলা হয়েছে। এছাড়া স্কুলের সকল নথিপত্র তলব করা হয়েছে; যদি গাফিলতি প্রমাণিত হয়, তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    প্রতিবেশী এবং অভিভাবকরা দ্রুত দায়িত্বশীল পদক্ষেপ না নিলে নিরাপত্তার শূন্যতা থেকে আরও অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটবে বলে সতর্ক করেছেন।

  • শ্রেণিকক্ষে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    শ্রেণিকক্ষে নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, ২ শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার শামসুন্নাহার কিন্ডার গার্টেন বিদ্যালয়ে ক্লাস চলাকালীন একটি পুরনো নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল প্রায় ১০টায় পৌরসভার ছোট কালিয়া এলাকায় ঘটে।

    আহতদের মধ্যে সিয়াম শেখ (১১) ও মাজেদুল ইসলাম (৯) রয়েছেন। সিয়াম শেখ ছোট কালিয়া গ্রামের নুর জামালের ছেলে এবং মাজেদুল ইসলাম রামনগর গ্রামের জহির শেখের ছেলে। ঘটনাস্থলে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে হঠাৎ আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে এবং স্থানীয়রা দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে সিয়াম শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

    স্থানীয়রা দাবি করেন, বছরখানেক যেটা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল সেই পুরনো নারিকেল গাছটি আগে থেকেই ছেঁটে ফেলা বা অপসারণ করা উচিত ছিল। অভিভাবক ও এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্কুল কর্তৃপক্ষ গাছটি নিয়মিত দেখতে বা নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিতে গাফিলতি করেছেন। স্কুল পক্ষ থেকে এ বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা তৎক্ষণাত দেয়া যায়নি।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, আহতদের চিকিৎসার জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং তাদের সব চিকিৎসা ব্যয় স্কুল কর্তৃপক্ষ বহন করবে বলে বলা হয়েছে। এছাড়া স্কুলের সকল কাগজপত্র তলব করে দেখা হচ্ছে; কোনো গাফিলতিকে প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং শিশুরা ও অভিভাবকরা নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়িত্ব নিরূপণের জন্য তদন্ত চলছে, পাশাপাশি অনাবশ্যক ঝুঁকি এড়াতে আশেপাশের গাছপালা পরিদর্শন ও ঝুঁকিপূর্ণ গাছ দ্রুত অপসারণের নির্দেশনা আসছে।

  • কালীগঞ্জে তিন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

    কালীগঞ্জে তিন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

    ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযানে মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে ঢাকা সিটি ও জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তিনজন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তাদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলার রায় হওয়ার পর থেকে তারা গোপনে ছিল এবং তাদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি ছিল।

    গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন:

    ইকবাল হোসেন — ভাটাডাঙ্গা গ্রামের গোলাম মন্ডলের ছেলে; সশ্রম যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক।

    সাদ্দাম হোসেন — খামার মুন্দিয়া গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে; এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত।

    লতিফুল ইসলাম — ফয়লা ঈদগাহ পাড়ার খোরশেদ আলমের ছেলে; চেক জালিয়াতির মামলায় এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ও ওয়ারেন্টভুক্ত।

    পুলিশ বলেছে, গোপন সংবাদ পেয়ে কালীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জেল্লাল হোসেনের নির্দেশনায় এসআই (নি:) রাজিবের নেতৃত্বে একটি সঙ্গীয় ফোর্স পৃথক অভিযান পরিচালনা করে। তারা প্রত্যেককেই আত্মগোপনে থাকা তাদের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে।

    কালীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ জেল্লাল হোসেন জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পর আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযান চলমান আছে ও প্রয়োজনে আরও ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যোগ করেছেন তিনি।

  • নড়াইলে ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষের ওপর নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলে ক্লাস চলাকালে শ্রেণিকক্ষের ওপর নারিকেল গাছ ভেঙে পড়ে, দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত

    নড়াইলের কালিয়া পৌরসভার শামসুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয়ে বুধবার সকালে ক্লাস চলাকালীন সময়ে বিদ্যালয়ের পাশে থাকা একটি পুরনো নারিকেল গাছ ঝড়ে ভেঙে শ্রেণিকক্ষের ওপর পড়ে দুই শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ২৯ এপ্রিল বুধবার সকাল প্রায় ১০টার দিকে ছোট কালিয়া এলাকায়।

    আহতদের মধ্যে এক জন সিয়াম শেখ (১১), তিনি ছোট কালিয়া গ্রামের নুর জামালের ছেলে। অপরটি মাজেদুল ইসলাম (৯), তিনি রামনগর গ্রামের জহির শেখের ছেলে। স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ করে তীব্র ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে বিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণের পাশে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা পুরনো নারিকেল গাছটি ভেঙে পড়ে নিচে থাকা টিনের শ্রেণিকক্ষের ওপর। এতে ক্লাসে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ায় এবং দুই শিশুকে গুরুতর অবস্থায় আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

    স্থানীয়রা আহত শিশুদের দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর সিয়াম শেখের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

    ঘটনার পরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে কর্তৃপক্ষ আহতদের দ্রুত তত্ত্বাবধান ও চিকিৎসার নির্দেশ দেন।

    অভিভাবক ও এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই নারিকেল গাছটি ঝুঁকিপূর্ণ থাকার পরও স্কুল কর্তৃপক্ষ গাছটি ছাঁটাই বা অপসারণ করেনি, এ কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। দায়িত্বশীলদের গাফিলতির অবাধ্যতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ধাঁচা রিযায়েতরা। শামসুন্নাহার কিন্ডারগার্টেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ নিয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেনি বলে এলাকাবাসী জানান।

    কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জিন্নাতুল ইসলাম জানান, আহতদের চিকিৎসার বিষয়টি নিয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং আহতদের চিকিৎসা ব্যয় স্কুল কর্তৃপক্ষকে বহন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে স্কুলের সকল কাগজপত্র তলব করা হয়েছে; কোনো গাফিলতি প্রমাণিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

  • মোংলা-বন্দর ও সুন্দরবন উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    মোংলা-বন্দর ও সুন্দরবন উপকূলে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া, টানা বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত

    বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ ও বৈশাখী মৌসুমি বায়ুর জোরে মোংলা সমুদ্রবন্দরসহ সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় এলাকায় দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। গত দুদিন ধরে চলা টানা মাঝারি ও ভারী বর্ষণের ফলেই উপকূলীয় জনপদে জীবনযাত্রা স্তব্ধের উপক্রম; সাগর উত্তাল ও দমকা হাওয়ায় পুণরায় ব্যবসা-বাণিজ্য ও জেলে-কালজারদের কাজ প্রায় বন্ধের পথে।

    বন্দর সূত্রে জানা যায়, হারবাড়িয়া ও ফেয়ারওয়ে এলাকায় থাকা বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে পণ্য খালাস ও পরিবহন প্রকৃতিই মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। প্রধানত সার, কয়লা ও সিমেন্ট ক্লিংকারবাহী জাহাজে কাজ বন্ধ বা বিলম্ব হচ্ছে; অনেক ক্ষেত্রে খাদ্যবাহী জাহাজেরও কার্যক্রম সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে। বৃষ্টির ফলে পণ্যের ভেজে যাওয়ার আশঙ্কায় কার্গো বা লাইটার জাহাজে লোডিং-আনলোডিং থমকে যাচ্ছে, ফলে বন্দরের বাণিজ্যিক কাজ কাঁপছে।

    সুন্দরবন সংলগ্ন দুবলার চর, কানাইনগর ও জয়মনি এলাকায় ছলনা জেলে ও চরাঞ্চলের মানুষ জানিয়েছেন, সাগর উত্তাল হওয়ায় এবং ভারী বৃষ্টির কারণে তারা নদীতে জাল ফেলতে পারছেন না। বনভিত্তিক কার্যক্রমেও খণ্ডকালীন বিঘ্ন: গোলপাতা সংগ্রহকারী বাওয়ালি ও মৌয়ালরা বন থেকে বের হতে পারছেন না, ফলে তাদের আয়ের উৎসও ব্যাহত হয়েছে।

    টানা বৃষ্টির প্রভাবে মোংলা পৌরসভার নিম্নাঞ্চলগুলোতে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। অপর্যাপ্ত ড্রেনেজের কারণে রাস্তাঘাটে পানি জমে সাধারণ মানুষের চলাচলে ব্যাপক কষ্ট হচ্ছে; দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষদের কাজের সন্ধানও মিলছে না, যা এলাকায় সামাজিক ও অর্থনৈতিক কষ্ট বাড়িয়েছে।

    আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, উপকূলে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে; তাই মোংলা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। অধিদফতর ও বন্দর কর্তৃপক্ষ সাগর এলাকায় থাকা সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করার পরামর্শ দিয়েছেন।

    মৎস্যচাষিরা জানান, যদি টানা বৃষ্টি চালিয়ে যায় তবে চিংড়ি ঘের ডুবি কিংবা ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। পাশাপাশি সুন্দরবন সংলগ্ন বেড়িবাঁধগুলোর স্থায়িত্ব নিয়েও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। পশুর নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বাড়ায় চরাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

    মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমী জানান, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা প্রদান করার ব্যবস্থাও রয়েছ। বন্দর কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মোঃ মাকরুজ্জামান বলেন, হারবাড়িয়ায় সার, কয়লা ও ক্লিঙ্কারসহ বেশ কয়েকটি জাহাজ পণ্য খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে; বৃষ্টি ও খারাপ আবহাওয়া শিথিল হলে বন্দরের কাজ পুনরায় স্বাভাবিকভাবে শুরু হবে।

    আবহাওয়া ও সমুদ্রসতর্কতা মিলে স্থানীয়দের সচেতন থাকার উপদেশ দিয়েছেন। নিরাপদ স্থানে অবস্থান, প্রয়োজন ছাড়া নয়েজান করা এবং মৎস্যজীবী ও পর্যটনসংক্রান্ত নৌযানগুলোকে অনতিবিলম্বে উপকূলীয় নিরাপদ এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।