Category: সারাদেশ

  • খুলনায় রাজু হাওলাদার গুলিবিদ্ধ, অবস্থাঃ আশঙ্কাজনক

    খুলনায় রাজু হাওলাদার গুলিবিদ্ধ, অবস্থাঃ আশঙ্কাজনক

    খুলনায় রাজু হাওলাদার (৪৫) নামের একজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। তিনি পেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। চিকিৎসকেরা তার অবস্থাকে আশঙ্কাজনক উল্লেখ করেছেন।

    জানায়, ঘটনাটি সোমবার নগরীর লবণচরা থানা এলাকায় সংঘটিত হয় বলে প্রাথমিক খবর পাওয়া গেছে। গুলিবিদ্ধ রাজু বাগেরহাট এলাকার ইউনূস হাওলাদারের ছেলে। হাসপাতালে ভর্তি করলে তার আহত অবস্থার জন্য তৎক্ষণাত চিকিৎসা শুরু করা হয়।

    রাজুর সঙ্গে থাকা এক নারী জানান, গুলিবিদ্ধ যুবক তার ছেলের বন্ধু। আহত অবস্থায় তিনি তার বাড়িতে অবস্থান নেন এবং জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন বুঝে তাকে হাসপাতালে আনা হয়।

    কেএমপি সহকারী পুলিশ কমিশনার শিহাব করীম বলেন, একটি যুবক লবণচরা এলাকায় গুলি করার শিকার হয়েছেন; পুলিশ ঘটনার সন্ধান ও তদন্ত করছে। তবে ঠিক কোথায় তার ওপর হামলা হয়েছে তা এখনই নিশ্চিত করা যাচ্ছে না। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

  • সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি

    সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণ দাবি

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন সুন্দরবনে গত রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অস্ত্রের মুখে এক মৌয়াল ও এক জেলেকে অপহরণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্থানীয়দের সংবাদে জানা যায়, মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল এলাকায় ওই সময় বনদস্যু আলিফের সদস্যরা তাদের তুলে নিয়ে যায়।

    অপহৃতরা হলেন শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের মৌয়াল আব্দুল করিম (৪৮) এবং একই এলাকার জেলে ইসমাইল হোসেন (২৮)। তাদের সহকর্মীরা দাবি করেছেন, অপহরণকারীরা তাদের হাত-পা বেঁধে গভীর বনের দিকে নিয়ে যায়।

    ঘটনার পর যারা ফিরে এসেছেন—জেলে আব্দুল আলিম ও শামীম হোসেন—তারা জানান, অপহরণকারীরা ইসমাইলকে ছাড়া গেলে ৬০ হাজার টাকার মুক্তিপণ দাবি করেছে। আব্দুল করিমের বিষয়ে ওই দল এখনও কোনো দাবি জানায়নি বলে ফিরে আসা জেলেরা জানিয়েছেন।

    পরিপ্রেক্ষিত জানা গেছে, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল আলাদা দুটি নৌকায় এসব বনজীবী তাদের দলের অন্য সদস্যদের সঙ্গে কদমতলা স্টেশন থেকে প্রয়োজনীয় পাস নিয়ে পশ্চিম সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। তারা মধু আহরণ ও মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

    এ ঘটনায় সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান জানান, তাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আসেনি; তবে বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং খোঁজাখবর নেয়া হবে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ খালেদুর রহমান বলেন, সাধারণত অপহৃতদের আত্মীয়রা নিরাপত্তার স্বার্থে কথা প্রকাশ করেন না, তবে যদি কোনো ভুক্তভোগীর স্বজন কিংবা নগদ ধারদেনকারীদের কাছে থেকে অভিযোগ পাওয়া যায় তাহলে আইনগত কর্মপদ্ধতি নেয়া হবে।

    স্থানীয়রা বলছেন, সুন্দরবনে মধু আহরণ ও মাছ শিকার নিয়ে ঢুকতে হলে পাস থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। এলাকাবাসী ও বনকর্মীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে; তারা দ্রুত উদ্ধারের পাশাপাশি বনাঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের তৎপরতা ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় আশা করা হচ্ছে অপহৃতরা শিগগিরই ফিরে আসবেন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • গোপালগঞ্জে বাস চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা নিহত, ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জে বাস চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা নিহত, ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোপীনাথপুর এলাকায় আজ সোমবার (৪ মে) সকালে যাত্রীবাহী একটি বাসের চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা (৪৫) নিহত হয়েছেন। ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনউজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন।

    ওসি রোকনউজ্জামান জানান, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ফাল্গুনী পরিবহনের একটি বাস ঘটনাস্থলে পৌঁছালে সেটি একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও একটি ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং ইজিবাইকে থাকা আরও সাতজন যাত্রী আহত হন।

    ক্ষতিগ্রস্তদের স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করালে সেখানে তাদের চিকিৎসা চলছে। নিহত ঝন্টু মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের, আখুব্বর মোল্যার ছেলে বলে পরিবার ও পুলিশ জানিয়েছে।

    পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটিকে আটক করা হয়েছে এবং ঘটনার কারণ তদন্ত করা হচ্ছে।

  • সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণের দাবি

    সুন্দরবনে বনদস্যুদের হাতে মৌয়াল ও জেলে অপহৃত, মুক্তিপণের দাবি

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের আওতাধীন পশ্চিম সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে এক মৌয়াল ও এক জেলেকে অপহৃত করা হয়েছে বলে তাদের সহকর্মীরা অভিযোগ করেছেন।

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, রোববার (৩ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মাহমুদা নদীর মাইটভাঙা খাল থেকে চলে আসে অপহরণের খবর। তারা দাবি করছেন, বনদস্যু আলিফ বাহিনীর সদস্যরা অস্ত্র দেখিয়ে ওই দুজনকে জিম্মি করে নিয়ে গেছে।

    অপহৃতরা হলেন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের হরিনগর গ্রামের বাসিন্দা মৌয়াল আব্দুল করিম (৪৮) ও জেলে ইসমাইল হোসেন (২৮)। আব্দুল করিম প্রয়াত শেখ আব্দুর রহমানের পুত্র।

    ফিরে আসা জেলে আব্দুল আলিম ও শামীম হোসেন জানান, অপহরণকারীরা নিজেদের আলিম ওরফে আলিফ নামে পরিচয় দিয়েছেন এবং অস্ত্রের মুখে করিম ও ইসমাইলকে ধরে গভীর বনের দিকে নিয়ে গেছেন। পরে ইসমাইলকে মুক্তির জন্য ৬০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়; তবে আব্দুল করিমের মুক্তির বিষয়ে এখনও অপহরণকারীরা কিছু জানাননি।

    জানানো হয়েছে, গত ২৬ ও ২৮ এপ্রিল পৃথকভাবে তারা নৌকায় সুন্দরবনে প্রবেশ করেন। কদমতলা স্টেশন থেকে পাস (অনুমতি পত্র) নিয়ে তারা মধু আহরণ ও মাছ শিকার করার উদ্দেশ্যে সেখানে অবস্থান করছিলেন।

    সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মশিউর রহমান বলেন, এখন পর্যন্ত তাদের কাছে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ ওঠেনি; তবে তারা সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিষয়টি খোঁজখবর নেবে। শ্যামনগর থানার ওসি খালেদুর রহমান বলেন, সাধারণত জিম্মি থাকা অবস্থায় পরিবারের লোকজন নিরাপত্তার কারণে প্রশাসনকে তথ্য জানান না; কেউ অভিযোগ করলে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

  • গোপালগঞ্জে বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত, ইজিবাইকে ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জে বাসচাপায় ভ্যানচালক নিহত, ইজিবাইকে ৭ জন আহত

    গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা (৪৫) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় আরও সাত জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে আজ সোমবার (০৪ মে) সকাল—ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ওই স্থানে।

    ভাটিয়াপাড়া হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকনউজ্জামান ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ঢাকা থেকে খুলনাগামী ফাল্গুনী পরিবহনের একটি বাস গোপীনাথপুরে পৌঁছালে একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও একটি ভ্যানকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ভ্যানচালক ঝন্টু মোল্যা নিহত হন এবং ইজিবাইকে থাকা সাতজন যাত্রী আহত হন।

    নিহত ঝন্টু মোল্যা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের চরপাড়া গ্রামের আখুব্বর মোল্যার ছেলে।

    স্থানীয়রা আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে।

  • এপ্রিলে রামপালে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন

    এপ্রিলে রামপালে রেকর্ড বিদ্যুৎ উৎপাদন

    চলতি বছরের এপ্রিল মাসে রামপাল তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন রেকর্ড গড়েছে। রোববার কেন্দ্রটির প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, মাসজুড়ে তীব্র তাপপ্রবাহ ও আকাশছোঁয়া চাহিদার মধ্যেও কেন্দ্রটি ৭৬০ মিলিয়ন ইউনিটেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, তাপদহের কারণে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুতের চাহিদা প্রচণ্ডভাবে বেড়ে যাওয়ার পরও রামপাল কেন্দ্র মাসভর স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখতে সফল হয়েছে। এই সময়ে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ওপর কেন্দ্রটির অবদান ছিল ৯ শতাংশেরও বেশি, যা জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার দৃঢ় রক্ষক হিসেবে কেন্দ্রটির ভূমিকা প্রমাণ করে।

    অপর দিকে, কেন্দ্রটি এপ্রিল মাসে গড়ে ৮০% প্ল্যান্ট লোড ফ্যাক্টর (PLF) ক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে। মাসের প্রথম সপ্তাহে যখন তাপপ্রবাহে গ্রিডের চাহিদা চরমে পৌঁছায়, তখন কেন্দ্রটি ৯৭% সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করে গ্রিডকে স্থিতিশীল রাখতে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। এ ছাড়া এটি পঞ্চমবারের মতো ৭০০ মিলিয়ন ইউনিটের বেশি উৎপাদনের মাইলফলক ছাড়িয়েছে—একটি অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্ষমতার ফল।

    বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শ্রী রমনাথ পূজারী বলেন, “দেশে সর্বোচ্চ চাহিদার সময়ে কেন্দ্রটি পূর্ণ সক্ষমতায় পরিচালিত হয়েছে; এটি আমাদের টিমের নিরলস প্রচেষ্টারই ফল। এই সাফল্য কঠোর পরিশ্রম এবং দুই দেশের আন্তরিক সহযোগিতার উদাহরণ।”

  • খুলনায় নিখোঁজ ৩৫ বছর বয়সী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনায় নিখোঁজ ৩৫ বছর বয়সী যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনায় নিখুম এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রোববার (০৩ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নগরীর রেলওয়ে নিউ কলোনি থেকে নাজমুল (৩৫) নামের ওই যুবকের মরদেহ পাওয়া যায়। তিনি স্থানীয় আলী আহমেদ ফারাজীর ছেলে।

    খুলনা থানা সূত্রে জানা যায়, নাজমুল শুক্রবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিল। খুলনা থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান বলেন, শুক্রবার রাতে তিনি বাবার কাছে দুই হাজার ৫০০ টাকা চেয়েছিল; টাকা দিতে অস্বীকার করলে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। এর আগেও নাজমুল এই ধরনেরভাবে রাতভর বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন বলে পরিবার জানিয়েছে। নিখোঁজ থাকার সময় পরিবারের লোকজন তার সন্ধান করেননি।

    রোববার সকালে পরিবারের সদস্যরা ঘরের সামনে গিয়ে নাজমুলকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে দ্রুত পরিবারের অন্য সদস্যদের জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ নিচে নামিয়ে প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করে। সুরতহাল রিপোর্ট করার পর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

    পুলিশ বলছে, ঘটনা সম্পর্কে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে এবং মৃত্যুর সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে।

  • রেলওয়ে নিউ কলোনীতে নিখোঁজ যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    রেলওয়ে নিউ কলোনীতে নিখোঁজ যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

    খুলনার রেলওয়ে নিউ কলোনী থেকে নাজমুল (৩৫) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রবিবার (০৩ মে) সকাল প্রায় ১০টায় স্থানীয়রা ওই মরদেহ দেখে পুলিশকে জানিয়েছে। নাজমুল ওই কলোনীর বাসিন্দা এবং আলী আহমেদ ফারাজীর ছেলে।

    পুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা যায়, নাজমুল শুক্রবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিল। খুলনা থানার ওসি (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, শুক্রবার রাতে নাজমুল তার বাবার কাছে ২ হাজার ৫০০ টাকা চেয়েছিল; বাবা টাকা দিতে অস্বীকার করলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পরিবারের সদস্যদের তথ্য অনুযায়ী, নাজমুল আগেও এমনভাবে বাড়ি থেকে বেরিয়ে গেছেন এবং গত রাতেও পরিবারের কেউ তার সন্ধান নেয়নি।

    রোববার সকালে নাজমুলের বাবা ঘরের সামনে গিয়ে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান এবং পরিবারের সদস্যদের অবগত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ নামিয়ে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পাঠায়।

    ওসি মিজানুর রহমান বলেন, ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে; আত্মহত্যা, অন্য কোনো রহস্যজনক ঘটনার সম্ভাব্য দিকগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক কাজ শেষে ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়ার পর ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণ করা হবে।

  • প্রয়াত দুই সাংবাদিকের স্মরণে এমইউজের দোয়া ও স্মরণসভা

    প্রয়াত দুই সাংবাদিকের স্মরণে এমইউজের দোয়া ও স্মরণসভা

    খুলনা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাবের খুলনা ব্যুরো প্রধান এটি এম রফিক এবং দৈনিক দিনকালের খুলনা ব্যুরো প্রধান সৈয়দ ঈসা’র মৃত্যুবার্ষিকীতে এমইউজের আয়োজন্যে দোয়া ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (০৩ মে) দুপুর ১২টায় সংগঠনের কার্যালয়ে এ সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

    সভায় সভাপতিত্ব করেন এমইউজের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: আতিয়ার পারভেজ এবং অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএফইউজের সাবেক সহ-সভাপতি ও এনটিভির খুলনা ব্যুরো প্রধান আবু তৈয়ব মুন্সি।

    অন্যান্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ও ‘সময়ের খবর’ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মো: তরিকুল ইসলাম, সহ-সভাপতি সোহরাব হোসেন, কোষাধ্যক্ষ শামিমুজ্জামান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেল্লাল হোসেন সজল, নির্বাহী সদস্য কাজী মোতাহার রহমান বাবু, মো: আনিস উদ্দিন, ফুলতলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম মোস্তাফিজুর রহমান ও সরদার আবু তাহের।

    স্মরণসভার অন্যান্য উপস্থিতির মধ্যে ছিলেন ইয়াসিন আরাফাত রুমি, সৈয়দ হুমায়ুন কবির রানা, ফকির শহিদুল ইসলাম, মো: খায়রুল আলম, রাজু আহমেদ, মাসুদ আল হাসান, আজিজুল ইসলাম, আবু বক্কর, মো: সিয়াম, মো: নাসিম উদ্দিন, এম এন আলী শিপলু, ফরহাদ হোসেন, খুলনা প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ বিমল সাহ, ‘খুলনা প্রতিদিন’ সম্পাদক সোহাগ দেওয়ান, ‘যায়যায়দিন’ খুনলার প্রতিনিধি মো: আতিয়ার তরফদার, এম এ সাদী, রামীম চৌধুরী, নুরুল আমিন, আহছানুল আমীন জর্জ, মুশফিকুর রহমান মেহেদী ও প্রয়াত সাংবাদিক টি এম রফিকের ছেলে আলমগীর কবীর রুবেল।

    সভায় বক্তারা প্রয়াত দুই সাংবাদিকের আত্মত্যাগ এবং পেশাদারিত্বকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। তারা বলেন, সমাজ ও জাতির কল্যাণে তাদের অবদান অস্বীকারযোগ্য; ভয়ভীতি উপেক্ষা করে গনতান্ত্রিক আন্দোলনগুলো জনপ্রিয় করতে তাদের সাহস ও নিবেদন প্রশংসনীয়। সভার শেষে তাদের আত্মার মাগফিরাত ও শান্তির জন্য দোয়া করা হয়।

  • লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার প্রবাসী সজিব নিহত, মরদেহ মেলেনি

    লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় শার্শার প্রবাসী সজিব নিহত, মরদেহ মেলেনি

    যশোরের শার্শার উলাশী ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামের প্রবাসী যুবক সজিব হোসেন লিবিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে বলে পরিবারকে জানানো হয়েছে। সজিব ছিলেন আইনুদ্দিনের ছেলে; তিনি ২০২১ সালে ভাগ্যের পরিবর্তন আশায় লিবিয়া গিয়েছিলেন।

    পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৯ এপ্রিল তিনি বাংলাদেশে ফেরার উদ্দেশ্যে লিবিয়ার বিমানবন্দরের দিকে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। ঘটনায় তাঁর মৃত্যু সম্পর্কে মোবাইল ফোনে পরিবারের কাছে খবর দেয়া হলেও এখনো পর্যন্ত মরদেহের কোনো সন্ধান মেলেনি।

    মরদেহ না পাওয়ায় প্রিয়জনদের শোকের সঙ্গে বাড়ছে অনিশ্চয়তা। পরিবার জানায়, দুর্ঘটনার পর সজিব কোথায় রয়েছে—কোনও হাসপাতালে রাখা হয়েছে কি না, বা দাফন সম্পন্ন হয়েছে কিনা—এ সম্পর্কেই কোনো নিশ্চিত তথ্য তারা পাননি।

    নিহতের পরিবার প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি কমিউনিটি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ ও সহযোগিতা চেয়েছে। তারা দ্রুত মরদেহের অবস্থান নিশ্চিত করে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করার অনুনয় করছে।

    পরিবারের অনুপস্থিতি ও বেদনার এই সময়ে সংশ্লিষ্ট দফতর এবং কমিউনিটির তৎপরতা মরদেহ উদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে উপযুক্ত নির্দেশনা ও সহায়তা আশাব্যঞ্জক।