Category: সারাদেশ

  • যশোরের ভাঙ্গাগেটে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে; চালক নিহত

    যশোরের ভাঙ্গাগেটে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে; চালক নিহত

    যশোরের অভয়নগর উপজেলার ভাঙ্গাগেট এলাকায় খুলনাগামী মহানন্দা মেইল ট্রেনের ধাক্কায় একটি কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে চালক নিহত হয়েছেন এবং সহকারী গুরুতর আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনাটি রোববার (১০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঘটেছে।

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকিজ এ্যাসেনশিয়ালের কয়লা ডিপোর দিকে যাচ্ছিল দূরবাহি ট্রাকটি (রেজিস্ট্রেশন ঢাকা মেট্রো ট ১৮-৭৮৩৬)। ভাঙ্গাগেট এলাকার একটি অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় খুলনাগামী মহানন্দা মেইল ট্রেনটি ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ট্রাকটি দুমড়ে-মুচড়ে রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই ট্রাকচালক প্রাণ হারান।

    নিহত চালকের নাম মনোয়ার হোসেন। তিনি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। আহত হেলপার রায়হানকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়; তাঁর অবস্থাকে গুরুতর বলা হচ্ছে।

    এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীর অভিযোগ, ভাঙ্গাগেটের ওই রেলক্রসিং দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত এবং সেখানে কোনো গেটম্যান কিংবা সংকেত ব্যবস্থা নেই। ফলে সড়কচালক ও স্থানীয়রা বলছেন, ট্রেনের উপস্থিতি বুঝতে না পেয়ে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে দ্রুত পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে ওই রুটে কিছুক্ষণ ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

    পুলিশ ঘটনাটির সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছে। এলাকাবাসীও জরুরি ব্যবস্থাপনার দাবি জানিয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের অকাল মৃত্যুর ঘটনা না ঘটে।

  • যোগ্য মুআল্লিম গঠনে খুলনায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন

    যোগ্য মুআল্লিম গঠনে খুলনায় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্ন

    দ্বীনি শিক্ষার মানউন্নয়ন ও যুগোপযোগী পাঠদানে দক্ষ, দায়বদ্ধ ও আদর্শবান মুআল্লিম তৈরীর লক্ষ্য নিয়ে খুলনায় এক দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খল ও প্রাণবন্ত পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল রাবেতাতুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়্যাহ আল-মারকাযিয়্যাহ বাংলাদেশ।

    আজ রোববার (১০ মে) দক্ষিণ বঙ্গের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র, শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি জিহাদুল ইসলামের প্রতিষ্ঠিত বয়রার রায়ের মহল জামিআ ইসলামিয়া উসওয়ে হাসানার প্রাঙ্গণেই এ ইলমী ও প্রশিক্ষণমূলক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল থেকেই মাদ্রাসার প্রাঙ্গণ শিক্ষক, আলেম-উলামা, ছাত্র ও দ্বীনপ্রেমী মানুষের উপস্থিতিতে জড়ো হয়ে এক পেশাদার ও মনোগ্রাহী শিক্ষামূলক পরিবেশের সৃষ্টি করে।

    খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে তিন শতাধিক উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসা শিক্ষক ও তালিবুল ইলম অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয় দ্বীনপ্রেমী সাধারণ মানুষের আগমনও ছিল লক্ষণীয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ইলম চর্চা ও শিক্ষার মানোন্নয়নের প্রতি গভীর আগ্রহ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুন্দরভাবে গড়ে তোলার প্রত্যয় দেখা গেছে।

    ট্রেনিংয়ে দেশের শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান—দারুল উলূম হাটহাজারীর সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ ছাড়াও খুলনা, বাগেরহাট ও গোপালগঞ্জের বিভিন্ন মাদ্রাসার অভিজ্ঞ আলেম ও শিক্ষাবিদরা অংশ নিয়ে সময়োপযোগী ও গঠনমূলক আলোচনা করেন। আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল মুআল্লিমের চারিত্রিক গঠন, আধুনিক পাঠদানের পদ্ধতি, ছাত্রদের মানসিক-আত্মিক বিকাশ, আদব-আখলাক ও দ্বীনি খেদমতের প্রতি আনুগত্য ও দায়বোধ।

    প্রধান অতিথি দারুল উলূম হাটহাজারীর প্রধান মুফতি আল্লামা মুফতি জসীম উদ্দিন তার বক্তব্যে বলেন, “একজন মুআল্লিম কেবল পাঠদানকারী নন; বরং তিনি একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্মাতা। একজন আদর্শ শিক্ষক তাঁর ইলম, আমল, আখlaq ও প্রজ্ঞার মাধ্যমে ছাত্রদের হৃদয়ে দ্বীনের ভালোবাসা সৃষ্টি করেন।” তিনি আরও যোগ করেন যে, দ্বীনি শিক্ষাকে কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে হলে শিক্ষকরা যুগের চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জ্ঞানসমৃদ্ধ ও সচেতন হতে হবে এবং ছাত্রদের আত্মিক ও নৈতিক উন্নয়নের ওপর সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

    বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন আল্লামা ওসমান ফয়জী ইখলাস, আত্মশুদ্ধি ও দায়িত্ববোধ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মুফতি মাহমুদুল হাসান ছাত্রদের সঙ্গে সদাচরণ, পাঠদানের মনস্তাত্ত্বিক কৌশল এবং শিক্ষকের ধৈর্য ও আন্তরিকতার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। মুফতি ফুরকান আহমাদ মাদ্রাসার পরিবেশ রক্ষা, শিক্ষক間 সুসম্পর্ক ও শিক্ষাব্যবস্থার ঐতিহ্য ও আধুনিকীকরণ সম্পর্কে আলোচনা করেন। ডক্টর নুরুল আবসার দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করে বলেন, “শিক্ষক যদি আদর্শবান হন, তাহলে ছাত্ররাও আদর্শবান হবে।”

    মাওলানা আনোয়ার শাহ আজহারী মুআল্লিমদের নববী আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। মুফতি রাশেদুল ইসলাম, মুফতি আব্দুল হামিদ, হাফেজ মোহাম্মদ মোস্তফা, হাফেজ ক্বারী রেজওয়ান আহমেদ ও মাওলানা নিজাম সাঈদসহ আরও অনেকে মর্মস্পর্শী ও বাস্তবমুখী প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা দারুল উলূম মাদ্রাসার মুহতামিম মোশতাক আহমেদ এবং জামিআ ইসলামিয়া উসওয়ায়ে হাসানার সম্মানিত সভাপতি ও সমাজসেবক মোঃ খান সাইফুল ইসলাম। শাইখুল হাদিস মুফতি জিহাদুল ইসলামও গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

    সমাপ্তিতে সারাজীবনের দ্বীনি খেদমত, দেশ ও উম্মাহর উন্নতি কামনায় বিশেষ দোয়া করা হয়, যা দেশের বরেণ্য আলেমগণ পরিচালনা করেন। অংশগ্রহণকারীরা আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে ভবিষ্যতেও এ ধরনের বৃহৎ মাপের মুআল্লিম ট্রেনিং ও ইলমী সম্মেলন চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানায়।

  • যশোরে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে-মুচড়ে, চালক নিহত

    যশোরে অরক্ষিত ক্রসিংয়ে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে-মুচড়ে, চালক নিহত

    যশোরের অভয়নগর উপজেলায় রোববার (১০ মে) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে খুলনাগামী মহানন্দা মেইল ট্রেনের ধাক্কায় একটি কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়ে-মুচড়ে পড়ে যায়; ঘটনায় ট্রাকের চালক মনোয়ার হোসেন নিহত হন এবং হেলপার রায়হান গুরুতর আহত হন।

    ঘটনা জানাযায়, ভাঙ্গাগেট এলাকায় অবস্থিত অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় ঢাকা মেট্রো ট ১৮-৭৮৩৬ নম্বরের ওই ট্রাকটি (আকিজ এসেনশিয়ালের কয়লা ডিপোর দিকে যাচ্ছিল) ট্রেনের মুখোমুখি ধাক্কা খায়। ধাক্কায় ট্রাকটি রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই চালক মনোয়ার মারা যান। আহত রায়হানকে দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়েছে।

    এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ওই রেলক্রসিং দীর্ঘদিন ধরেই অরক্ষিত থাকায় সেখানে কোনো গেটম্যান বা সংকেত ব্যবস্থা নেই, ফলে চালক ট্রেনের উপস্থিতি বুঝতে পারেননি। স্থানীয়রা সাবধানতা ও নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেছেন।

    অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয় এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। ঘটনায় কিছুক্ষণ ওই রুটে ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে।

    স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগ দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও অনুরূপ দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকা উল্লেখ করে এলাকার মানুষ কর্তৃপক্ষের কাছে স্থায়ী সমাধান চান।

  • যোগ্য মুআল্লিম তৈরির লক্ষ্যে খুলনায় দিনব্যাপী মুআল্লিম ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন

    যোগ্য মুআল্লিম তৈরির লক্ষ্যে খুলনায় দিনব্যাপী মুআল্লিম ট্রেনিং সফলভাবে সম্পন্ন

    দ্বীনি শিক্ষার মানোন্নয়ন ও যুগোপযোগী পাঠদানে দক্ষ, আদর্শবান ও দায়িত্বশীল মুআল্লিম তৈরির লক্ষ্যে রাবেতাতুল মাদারিসিদ দ্বীনিয়্যাহ আল-মারকাযিয়্যাহ বাংলাদেশ আয়োজিত দিনব্যাপী “মুআল্লিম ট্রেনিং” অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও অর্থবহ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল আলেম-উলামা, মাদ্রাসা শিক্ষক, ছাত্র এবং দ্বীনপ্রেমী সাধারণ মানুষ, যা সকাল থেকেই ইলমী আবহ সৃষ্টি করেছিল।

    রোববার (১০ মে) অনুষ্ঠিত এই ইলমী ও প্রশিক্ষণমূলক সম্মেলন দক্ষিণবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র — শাইখুল হাদিস আল্লামা মুফতি জিহাদুল ইসলাম প্রতিষ্ঠিত বয়রার রায়ের মহল জামিয়া ইসলামিয়া উসওয়ে হাসানা, খুলনায় আয়োজন করা হয়। খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, গোপালগঞ্জসহ বিভিন্ন জেলা থেকে তিন শতাধিক উলামায়ে কেরাম, মাদ্রাসা শিক্ষক ও তালিবুল ইলম ট্রেনিংয়ে অংশ নেন। স্থানীয় দ্বীনপ্রেমীদের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।

    ট্রেনিংয়ে অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী খ্যাতিমান দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ আলেম ও শিক্ষাবিদগণ সময়োপযোগী আলোচনা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন। আলোচনা বিশেষভাবে প্রাধান্য পায় একজন মুআল্লিমের চরিত্রগঠন, আধুনিক পাঠদানের কৌশল, ছাত্রদের মানসিক ও নৈতিক উন্নয়ন, আদব-আখলাক শিক্ষা এবং দ্বীনি খেদমতে আমানতদারিত্ব। বক্তারা শিক্ষার প্রতি আন্তরিকতা এবং ইলম চর্চার সঠিক পথ সম্পর্কে প্রাঞ্জল দিকনির্দেশ দেন।

    প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দারুল উলূম হাটহাজারীর সম্মানিত প্রধান মুফতি আল্লামা মুফতি জসীম উদ্দিন। তার বক্তব্যে তিনি একজন মুআল্লিমকে কেবল পাঠদানের রোলে সীমাবদ্ধ না রেখে জাতি গঠনে মূল ভূমিকা পালনকারী হিসেবে উপস্থাপন করেন এবং বলেন, “শিক্ষক তার ইলম, আমল ও আখলাকের মাধ্যমেই ছাত্রের হৃদয়ে দ্বীনের ভালোবাসা জাগাতে পারেন।” তিনি শিক্ষকদের যুগোপযোগী চেতনা ও ছাত্রদের আত্মিক, নৈতিক উন্নয়নের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

    এ ছাড়া আল্লামা ওসমান ফয়জী ইখলাস ও দায়িত্ববোধের ওপর গুরুত্ব দেন; মুফতি মাহমুদুল হাসান ছাত্রদের সঙ্গে মর্যাদাপূর্ণ আচরণ ও পাঠদানে মনস্তাত্ত্বিক কৌশলের কথা বলেন; মুফতি ফুরকান আহমাদ মাদ্রাসার অন্তর্ভুক্তির গুরুত্ব ও সুসম্পর্ক রক্ষার দিক তুলে ধরেন; ড. নুরুল আবসার দ্বীনি ও নৈতিক শিক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করেন। মাওলানা আনোয়ার শাহ আজহারী মুআল্লিমদের নববী আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানান। মুফতি রাশেদুল ইসলাম, মুফতি আব্দুল হামিদ, হাফেজ মোহাম্মদ মোস্তফা, হাফেজ ক্বারী রেজওয়ান আহমেদ এবং মাওলানা নিজাম সাঈদসহ অন্যান্যের বক্তব্যও প্রশংসনীয় ও শিক্ষণীয় ছিল।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা দারুল উলূম মাদরাসার মুহতামিম মোশতাক আহমেদ এবং জামিয়া ইসলামিয়া উসওয়ে হাসানার সম্মানিত সভাপতি ও সমাজসেবক মোঃ খান সাইফুল ইসলাম। সভায় শাইখুল হাদিস মুফতি জিহাদুল ইসলাম গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য ও শুভেচ্ছা স্বরূপ বক্তব্য রাখেন।

    দিনব্যাপী ইলমী আলোচনা, পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ শেষে দেশ, জাতি ও দ্বীনি শিক্ষার উন্নতি কামনায় বিশেষ দোয়া পরিচালনা করা হয়, যাতে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়ন ও যোগ্য আলেম ও মুআল্লিমের শৃঙ্খলিত সৃজন সম্ভব হয়। শেষ পর্যায়ে অংশগ্রহণকারী উলামায়ে কেরাম ও অতিথিরা আয়োজক কর্তৃপক্ষকে কৃতজ্ঞতা জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের মুআল্লিম ট্রেনিং ও ইলমী সম্মেলনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার আহ্বান জানান।

  • চিতলমারীতে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস চিতলমারী’ উপশাখা উদ্বোধন

    চিতলমারীতে পূবালী ব্যাংকের ‘ক্যাশলেস চিতলমারী’ উপশাখা উদ্বোধন

    বাগেরহাটের চিতলমারীতে পূবালী ব্যাংক পিএলসির নতুন উপশাখা ‘ক্যাশলেস চিতলমারি’ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় সদর বাজারের সবুজ সংঘ চত্বরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংক, বাগেরহাট শাখায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্তরের এজিএম মোঃ মনিরুল আমিন। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন চিতলমারী উপশাখার ব্যবস্থাপক মোঃ সাদিক হোসাইন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চিতলমারী বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মোঃ সোয়েব হোসেন গাজী, সাধারণ সম্পাদক শেখ আসাদুজ্জামান (আসাদ), সবুজ সংঘ ক্লাবের সভাপতি শেখ নোয়াবালী ও চিতলমারী উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সেলিম সুলতান সাগর। স্থানীয় বেশ কিছু বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পূবালী ব্যাংকের সাধারণ গ্রাহকরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

    প্রধান অতিথি এজিএম মোঃ মনিরুল আমিন বক্তৃতায় বলেন, “ক্যাশলেস ব্যবস্থা আধুনিক অর্থনীতির একটি নতুন অধ্যায়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো সময়, যেকোনো জায়গা থেকে দ্রুত ও নিরাপদে লেনদেন করা সম্ভব। নগদ টাকার খরচ ও পরিচর্যা কমে যায়, অতিরিক্ত নগদ সঙ্গে রাখার ঝুঁকি কমে নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায় এবং আর্থিক জালিয়াতির সুযোগও সীমিত হয়। এছাড়া প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড থাকায় আর্থিক স্বচ্ছতা ও কর্তৃপক্ষের তদারকি সহজ হয়।”

    তিনি আরও জানান, পূবালী ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য পে ব্যাংকিং, বাংলা কিউআর এবং ডেবিট কার্ডসহ বিভিন্ন ডিজিটাল সেবা চালু করেছে, যার মাধ্যমে চিতলমারীর মানুষ সহজে এবং দ্রুত ক্যাশলেস ব্যাংকিং উপভোগ করতে পারবে।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বাজার ব্যবসায়ী, ব্যাংক কর্মকর্তা ও গ্রাহকরা অনুষ্ঠানের ভালোসংখ্যক উপস্থিতি নিশ্চিত করেন এবং ক্যাশলেস ব্যবস্থার গুরুত্ব ও সুবিধা নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে।

  • অভয়নগরে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়েমুচড়ে, চালক নিহত

    অভয়নগরে ট্রেনের ধাক্কায় কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়েমুচড়ে, চালক নিহত

    যশোরের অভয়নগরে খুলনাগামী মহানন্দা মেইল ট্রেনের ধাক্কায় একটি কয়লাবাহী ট্রাক দুমড়েমুচড়ে যায়; ঘটনায় চালক মনোয়ার হোসেন নিহত হয়েছেন। রোববার (১০ মে) দুপুর সাড়ে বারোটার সময় উপজেলার ভাঙ্গাগেট এলাকায় অরক্ষিত রেলক্রসিং পার হওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত মনোয়ার হোসেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার মোহাম্মদ আলীর ছেলে। ট্রাকের হেলপার রায়হান গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে অভয়নগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আকিজ এসেনশিয়ালের কয়লা ডিপোর দিকে যাওয়ার সময় (গাড়ি নং ঢাকা মেট্রো ট ১৮-৭৮৩৬) ভাঙ্গাগেটের অরক্ষিত ক্রসিং পার করার সময় খুলনাগামী ট্রেনটি ট্রাকটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। ধাক্কায় ট্রাকটি ছেঁড়ে রেললাইনের পাশে ছিটকে পড়ে এবং ঘটনাস্থলেই মনোয়ার মারা যান।

    এলাকাবাসী অভিযোগ করেছেন যে ওই ক্রসিং দীর্ঘদিন ধরে অরক্ষিত অবস্থায় আছে; সেখানে কোনো গেটম্যান বা সংকেত ব্যবস্থা না থাকায় চালক ট্রেনের উপস্থিতি অনুধাবন করতে পারেননি। স্থানীয়রা দ্রুত সিগন্যাল ব্যবস্থা ও গেটম্যানের দাবিও করেছেন যাতে ভবিষ্যতে এমন প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে।

    অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে ওই রুটে কিছুক্ষণ ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।

    পুলিশ ঘটনার পরবর্তী তদন্ত শুরু করেছে এবং দুর্ঘটনার কারণ নির্ণয়ে প্রাসঙ্গিক পক্ষদের সাথে কথা বলা হচ্ছে।

  • শার্শায় এক মাসের নিখোঁজের পরে গোয়ালঘরে মরদেহ উদ্ধার

    শার্শায় এক মাসের নিখোঁজের পরে গোয়ালঘরে মরদেহ উদ্ধার

    যশোরের শার্শা উপজেলায় একজন যুবকের নিখোঁজের এক মাস পাঁচ দিন পর পুলিশ চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা উদ্ঘাটন করেছে। পরকীয়া সম্পর্ক ও পারিবারিক দ্বন্দ্বকে কেন্দ্রীয় করে গত মাসে নিখোঁজ হওয়া ইকরামুল কবির (২৫) নামে যুবকের অর্ধগলিত মরদেহ গোয়ালঘরের মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় উঠে এসেছে। পুলিশ এ ঘটনায় সন্দেহভাজন এক দম্পতিকে আটক করেছে। নিহত ইকরামুল পুটখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ বারোপোতা গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে।

    স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বসুপুর পূর্বপাড়া এলাকার আল ফুরাদের স্ত্রীর সাথে দীর্ঘদিন ধরে ইকরামুলের সম্পর্ক চলছিল, যা এলাকায় আলোচনা পৌঁছে যায়। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে মুন্নী বেগমের স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া লেগেই থাকত। এক মাস আগে, ইকরামুল তার প্রেমিকা মুন্নীর কাছে পাওনা টাকা বুঝে নিতে গেলে নিখোঁজ হয়ে যান। পরিবারের সবাই বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজির করে তার কোন সন্ধান পাননি।

    নিখোঁজের ব্যাপারে সন্দেহ বাড়তে থাকলে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। এরপর অভিযুক্ত স্বামী আলফুরাদকে গ্রেপ্তার করে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বিকেলে, পুলিশ ও অন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বসুপুর গ্রামে পৌঁছায়। তারা গোয়ালঘরের মেঝে খনন করে, আসলে মাটিচাপা দেয়া অবস্থায় ইকরামুলের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করে।

    মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ ও উত্তেজনা তৈরি হয়। অনেক মানুষ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। এক মাসের আলোর বিচ্যুত এই ঘটনার কারণে পুরো গ্রামে আতঙ্ক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা এ ঘটনা সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    শার্শা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মারুফ হোসেন বলেন, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনের জন্য তদন্ত চলছে এবং সন্দেহভাজন সবাইকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে তদন্তের স্বার্থে নিহতের মরদেহ যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

  • খুলনায় একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    খুলনায় একদিনে হামের উপসর্গ নিয়ে দুই শিশুর মৃত্যু

    গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে হামের উপসর্গ নিয়ে দুজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে বিভাগে আরও ৬১ শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। শনিবার খুলনা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তরের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোঃ মুজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    বিভাগের স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৯ মে পর্যন্ত, অর্থাৎ এক মহন্যা সময়ের মধ্যে, খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় মোট ৩,০৫১ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে হামের উপসর্গ নিয়ে। এর মধ্যে ১১৩ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে মারা গেছে ১৯ শিশু।

    বিশেষ করে কুষ্টিয়া জেলায় হাম আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, যেখানে হাসপাতাল ভর্তি হয়েছে ১,১২৬ শিশু। এছাড়া যশোরে ৩৮৪, মাগুরায় ৩৭২, খুলনায় ৩৭২, মেহেরপুরে ১৭৬, সাতক্ষীরায় ১২৭, ঝিনাইদহে ১৮৩, নড়াইলে ১৩৬, বাগেরহাটে ৮৮ এবং চুয়াডাঙ্গায় ৯০ জন শিশু চিকিৎসাধীন।

    অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৬১ শিশু। এই সময়ে ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে একজন করে শিশু মারা গেছে। হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে কুষ্টিয়ায় ২৮, খুলনায় ১৫, চুয়াডাঙ্গায় ৩, মাগুরায় ৮, ও মেহেরপুরে ৭ শিশু রয়েছে।

    সরকারি স্বাস্থ্য সূত্র বলছে, পরিস্থিতি মোকাবেলায় নজরদারি ও চিকিত্সা অব্যাহত রয়েছে। দ্রুত চিকিৎসা নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জনগণের প্রতি সজাগ থাকার আহ্বান জানাচ্ছেন।

  • চিতলমারীতে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    চিতলমারীতে ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তাসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

    বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আল মুরাদসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে। এই মামলার মূল বিষয় হলো, চর কচুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার নির্বাচনী তফশীল স্থগিতের ঘটনা। ভুক্তভোগী অভিভাবকরা অভিযোগ করছেন যে, এই স্থগিতাদেশ অবৈধ ও বেআইনী, যা আইননানুগ নয় এবং নীতিপন্থী।

    মামলার সূত্রে জানা গেছে, চর কচুড়িয়া দাখিল মাদ্রাসার এডহক কমিটির মেয়াদ আগামী ৮ জুন শেষ হচ্ছে। এরপর নতুন কমিটি গঠনের জন্য উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে মনোনীত হন। কিন্তু, তার বদলীর কারণে অফিসের সহকারী হিসেবে দায়িত্বে থাকা আল মুরাদ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এরপর তিনি ৯ এপ্রিল মাদ্রাসার নির্বাচনী তফশীল জারী করে, যা পরে তিনি স্থগিত করেন। অভিভাবকরা মনে করেন, এই স্থগিতাদেশ অনৈতিক, বেআইনী এবং ন্যায়বিরুদ্ধ।

    মামলার অন্য বিবাদীরা হলেন মাদ্রাসার সুপার শেখ মোঃ বাকী বিল্লাহ, এডহক কমিটির সভাপতি মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, শিক্ষক প্রতিনিধি মুহাম্মদ লিয়াকত আলী, অভিভাবক সদস্য মোঃ কামরুল হাসান, ও বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার।

    আবেদনকারীরা জানাচ্ছেন, ভোটার তালিকা অনুমোদনের পরে নির্বাচনের জন্য প্রিজাইডিং অফিসার নিয়োগের জন্য তারা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেন। এই আবেদন অনুযায়ী, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রিজাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেন। তবে, তফশীল অনুযায়ী সব কার্যক্রম সম্পন্ন হলেও, নির্বাচনের আগে ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার অভিযোগ, তিনি নির্বাচনী তফশীল স্থগিত করেছেন, যা তারা অগত্যা অমান্য করেননি বলে দাবি করছেন।

    শেখ মোঃ বাকী বিল্লাহ আরও জানান, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এই সিদ্ধান্ত অবৈধ এবং অপ্রজ্ঞাত, যা তিনি আদালতে দেখিয়েছেন। অন্যদিকে, আল মুরাদ দাবি করেন, আদালত থেকে নোটিশ পেয়েছেন এবং নির্বাচনী তফশীলের স্থগিতাদেশ যথাযথভাবে কার্যকর করেছেন।

    অপর দিকে, চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, এই মামলার বিষয় সম্পর্কে তার কোনো জানাশোনা নেই এবং তিনি এখনও আদালতের নোটিশ পাননি।

  • খুলনায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৪ জন গ্রেফতার

    খুলনায় র‌্যাবের ঝটিকা অভিযান চালিয়ে ৪ জন গ্রেফতার

    খুলনায় র‌্যাব-৬ এর ঝটিকা অভিযান চালিয়ে চারজনকে গ্রেফতার করেছে। এই অভিযান অনুষ্ঠিত হয় গত শুক্রবার রাতের সময় সোনাডাঙ্গা থানার এলাকায়। গ্রেফতারকৃতরা সবাই বিভিন্ন পেশার, যারা মোটা অঙ্কের অর্থ ও অপরাধের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে আটক হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন বোতিয়াঘাটা উপজেলার ইমদাদুল ইসলামের ছেলে দ্বীন ইসলাম, যিনি দ্বীনু নামে পরিচিত; খুলনা সদর থানার বাসিন্দা বাবু হাওলাদারের ছেলে হাসিব হাওলাদার; শহিদুল ইসলামের ছেলে আবিদ হাসান, যিনি আবুজার নামে পরিচিত; এবং সোনাডাঙ্গা থানার বাসিন্দা আব্দুল জলিলের ছেলে মোঃ রাসেল। ر‌্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গোপন সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, গ্রেফতারকৃতরা ভয়ভীতি প্রদর্শন, নগরীতে মাদক ব্যবসা এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে রয়েছেন। এই চারজনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলা চলমান রয়েছে। দ্বীনুকে বোতিয়াঘাটা থানায় এবং হা‌সিব, আবুজার ও রাসেলকে খুলনা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে, যেখানে তাদের বিস্তারিত তদন্ত শুরু হবে।