Category: সারাদেশ

  • বাগেরহাটে যৌথ ব্যবসা দখল ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

    বাগেরহাটে যৌথ ব্যবসা দখল ও চেক জালিয়াতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

    বাগেরহাটের ব্যবসায়ী মোঃ শফিকুল ইসলাম শনিবার (২৫ এপ্রিল) বাগেরহাট প্রেসক্লাবে একটি সংবাদ সম্মেলন করে অভিযোগ করেছেন যে, তার সঙ্গে যৌথভাবে চালানো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দখল ও সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করা হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে তার আপন ভাই হাফিজুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

    সংবাদ সম্মেলনে প্রদত্ত লিখিত বক্তব্যে শফিকুল ইসলাম বলেন, গত ১৭ বছর ধরে তিনি ও তার আপন মামা যৌথভাবে “মোল্লা হার্ডওয়ার স্টোর” নামের ব্যবসাটি পরিচালনা করে আসছেন। ব্যবসার জমির আয়তন ০.৫২৭ একর, যেখানে তিনি এক-তৃতীয়াংশ অংশীদার এবং প্রতিষ্ঠানের “৮ আনা” শেয়ারদার বলে দাবি করেন।

    তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরে তার অংশীদার বিভিন্ন কৌশলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিষ্ঠান ও সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে। প্রতিষ্ঠানটির ট্রেড লাইসেন্স এবং ব্যাংক হিসাব অংশীদারের নামে থাকায় সে একপক্ষীয়ভাবে আর্থিক লেনদেন করে আসছে এবং বছরের পর বছর তাকে কোনো হিসাব-লাভভাগ না দিয়ে বঞ্চিত করেছে।

    শফিকুল আরও বলেন, অংশীদার প্রতিষ্ঠানটির আড়ালে বিভিন্ন ব্যাংক ও এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সেই অর্থ ব্যক্তিগত ব্যবসায় ব্যবহার করছেন। এসব থেকে সংগৃহীত লাভ একনের ব্যাক্তিগতভাবে ভোগ করা হচ্ছে, অথচ তিনি দীর্ঘদিন ধরে তার অংশের লভ্যাংশ পাননি।

    তিনি দাবি করেন, হিসাব চাওয়ার প্রত্যুত্তরে তাকে হুমকি দেওয়া হয় এবং জোরপূর্বক ব্যবসা স্থান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। তার উপর চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে যাতে তিনি তার অংশের সম্পত্তি লিখে দেন; তা না করলে প্রাণনাশেরও হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    শফিকুল আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, কোনো সময় ব্যবসার মালামাল সরিয়ে নিয়ে তাকে তার প্রাপ্য থেকে বঞ্চিত করা হতে পারে। তাই তিনি প্রশাসনের কাছে অনুরোধ করেছেন—বিরোধ নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ব্যবস্থা করা হোক।

    অপর একটি অভিযোগে তিনি বলেন, পূর্বে হারানো একটি ব্যাংক চেককে ভিত্তি করে সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি ১৩ লাখ টাকার দাবিতে একটি উকিল নোটিশ পাঠানো হয়েছে, যা তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং চেক জালিয়াতির অংশ বলে উল্লেখ করেন।

    সংবাদ সম্মেলনে শফিকুল ইসলাম প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করে জানান, তিনি উপর্যুক্ত কেলেঙ্কারি ও হয়রানির বিষয়ে দ্রুত তদন্ত ও সঠিক বিধান চান যাতে তার স্বত্ব ও মর্যাদা রক্ষা পায়।

  • বাগেরহাটের মল্লিকের বেড় থেকে ‘জাহিদুল গ্যাং’-এর জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    বাগেরহাটের মল্লিকের বেড় থেকে ‘জাহিদুল গ্যাং’-এর জাহিদুল র‍্যাবের হাতে আটক

    বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার মল্লিকের বেড় এলাকার একাধিক মামলায় নামজাদা মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব-৬ খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত প্রায় পৌনে ৮টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জাহিদুলের বিরুদ্ধে অন্তত তিনটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তার বিরুদ্ধে মারামারি, চাঁদাবাজি, ঘের দখল, চুরি, দস্যুতা, নারী নির্যাতন, মামলা ও হত্যা চেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী নানা অভিযোগে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। দীর্ঘদিন পলাতক থাকায় তাকে গ্রেপ্তার করা যাচ্ছিল না বলে সূত্ররা জানান।

    রামপাল থানার তদন্ত অফিসার সুব্রত বিশ্বাস খবরের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “দীর্ঘদিন পলাতক এই আসামি মোঃ জাহিদুলকে র‍্যাব খুলনা টোল প্লাজা এলাকা থেকে আটক করে রামপাল থানায় হস্তান্তর করেছে। থানায় প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শেষে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।” তিনি আরও জানান, ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

    মামলার বাদিরা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আসামি পলাতক থাকায় তারা মানসিক ও সামাজিকভাবে চরম ভোগান্তির মুখে ছিলেন। তাদের দাবী, গ্রেপ্তারের ফলে ন্যায়বিচারের পথে অগ্রগতি হয়েছে এবং দ্রুত সুষ্ঠু বিচার চান তারা।

    স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, ওই ব্যক্তি দীর্ঘদিনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিল এবং এখন দ্রুত সব পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবি তুলেছেন। র‍্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থল ও মামলার বিষয়ে আরও তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।

  • ঝিনাইদহে ট্রাক চাপায় মেয়ের বাড়ি যেতে যাওয়ার পথে মা নিহত

    ঝিনাইদহে ট্রাক চাপায় মেয়ের বাড়ি যেতে যাওয়ার পথে মা নিহত

    ঝিনাইদহের আরাপপুর জামতলা এলাকায় ট্রাক চাপায় শাম্মী আক্তার (৪০) নামে এক নারী নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া থেকে স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাওয়ার পথে আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শাম্মী আক্তার কুষ্টিয়ার মিনাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় অংশিদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, তারা মোটরসাইকেলে যাত্রা করছিলেন। আরাপপুর জামতলা এলাকায় পৌঁছালে শাম্মী মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়েন এবং রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। সেই সময় পিছন থেকে আসা বালু বোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

    ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে হস্তান্তর করেছে।

    ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত ট্রাকটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। পরিবারিকভাবে মরদেহ দাফনের প্রস্তুতি চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে।

    দুর্ঘটনায় নিহতের পরিবারের সদস্যরা শোকাহত; স্থানীয়রা ও কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনার কারণ ও দায়ীদের শনাক্ত করতে তৎপর রয়েছেন।

  • সাতক্ষীরায় ভোমরা পথে ২টি স্বর্ণের বারসহ নারী চোরচালানী আটক

    সাতক্ষীরায় ভোমরা পথে ২টি স্বর্ণের বারসহ নারী চোরচালানী আটক

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সাতক্ষীরায় ভোমরা সীমান্ত পঠানোর উদ্দেশ্যে ২টি স্বর্ণের বার লুকিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল এমন সন্দেহে এক নারী চোরচালানীকে আটক করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার আলীপুর এলাকার বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন স্থানে।

    বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে জারি করা এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বার দুটি মোট ৯৬ গ্রাম ৪০ মিলিগ্রামের এবং এর আনুমানিক বাজার মূল্য ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

    আটক নারীটির নাম মোছাঃ শিউলী আক্তার (২৩)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তালতলা গ্রামের মোঃ জুবায়ের হোসেনের স্ত্রী বলে জানা গেছে।

    বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, ভোমরা সীমান্তে স্বর্ণ পাচারের একটি চ্যানেলের উপস্থিতির গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতক্ষীরায় বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়ন একটি অভিযানিক দল বাঁকাল চেকপোস্ট এলাকায় অবস্থান নেয়। বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে শহরের খুলনা রোড মোড় থেকে ভোমরা সীমান্তের দিকে ইজিবাইকে যাচ্ছিলো এক ব্যক্তি; এ সময় আলীপুর (বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন) এলাকায় তল্লাশী চালিয়ে বিজিবি নারী সৈনিকরা তার কাছ থেকে দুইটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।

    অভিযানটির সার্বিক দিক নির্দেশনা দেন ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসসি।

    লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান বলেন, উদ্ধারকৃত স্বর্ণগুলো শুল্ক কর ফাঁকি করে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে এবং উদ্ধারকৃত স্বর্ণ বারগুলো সাতক্ষীরা ট্রেজারী অফিসে জমা করার প্রক্রিয়া চলছে।

  • সাতক্ষীরায় দুই স্বর্ণের বারসহ নারী চোরাচালানী গ্রেফতার

    সাতক্ষীরায় দুই স্বর্ণের বারসহ নারী চোরাচালানী গ্রেফতার

    সাতক্ষীরায় দুটি স্বর্ণের বারসহ একজন নারী চোরাচালানীকে গ্রেফতার করেছে সীমান্তবাহিনী (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকেলে সদর উপজেলার আলীপুর (বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন) এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছে সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়ন, যার বিস্তারিত তথ্য শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর থেকে প্রকাশিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। উদ্ধার হওয়া স্বর্ণের বাজারমূল্য আনুমানিক ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

    গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি হলেন মোছাঃ শিউলী আক্তার (২৩)। তিনি সাতক্ষীরা সদর উপজেলার তালতলা গ্রামের মোঃ জুবায়ের হোসেনের স্ত্রী।

    বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্ত জেলা থেকে বোমরা অতীত-পথ বেয়ে ভারতে এক স্বর্ণ চালান পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে—এসব গোপন সংবাদের ভিত্তিতেই সাতক্ষীরার বিজিবি ৩৩ ব্যাটালিয়নের একটি অভিযানিক দল বাঁকাল চেকপোস্ট সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান নেয়। বৃহস্পতিবার বিকাল প্রায় ৫টার দিকে ইজিবাইক যোগে খুলনা রোড মোড় থেকে ভোমরা সীমান্তের দিকে যাচ্ছিল একটি সন্দেহভাজন যানবাহন। অভিযানিক দলই ওই গাড়িকে থামিয়ে তল্লাশি করলে মোছাঃ শিউলীর কাছ থেকে দুটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে।

    অভিযান পরিচালনায় সাতক্ষীরা ৩৩ ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লে. কর্নেল কাজী আশিকুর রহমান, ওএসপি, পিএসসি’র নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কাজ করা হয়। তিনি বলেন উদ্ধার হওয়া দুইটি স্বর্ণের বার মিলিয়ে মোট ওজন ছিল আনুমানিক ২৯৬.৪০ গ্রাম এবং এর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬২ লাখ ৯৩ হাজার ৮১০ টাকা।

    বিজিবি কর্তৃপক্ষ জানান, শুল্ক কর ফাঁকি দিয়ে স্বর্ণ পরিবহন ও আত্মসাতের উদ্দেশ্যে রাখার অভিযোগে মোছাঃ শিউলী আক্তারকে গ্রেফতার করে সাতক্ষীরা সদর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত স্বর্ণের বার সাতক্ষীরা ট্রেজারি অফিসে জমা রাখার প্রক্রিয়া চলছে। মামলার আরও তদন্ত চলমান।

  • ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি যাওয়ার পথে ট্রাক চাপায় মা নিহত

    ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি যাওয়ার পথে ট্রাক চাপায় মা নিহত

    ঝিনাইদহে মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যাওয়ার পথে ট্রাকের চাপায় শাম্মী আক্তার (৪০) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। কুষ্টিয়া থেকে স্বামীসহ জেলা শহরে আসার সময় আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর দেড়টার দিকে আরাপপুর জামতলা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

    নিহত শাম্মী আক্তার কুষ্টিয়ার মিনাপাড়া এলাকার মিজানুর রহমানের স্ত্রী। পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

    ঝিনাইদহ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক জানান, শাম্মী আক্তার স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে কুষ্টিয়া থেকে ঝিনাইদহ শহরের হামদহ এলাকায় মেয়ের বাড়িতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আরাপপুর জামতলা এলাকায় মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে তিনি রাস্তায় লুটিয়ে পড়লে পিছন থেকে বালুবোঝাই একটি ট্রাক তাকে চাপা দেয়। প্রতিপক্ষের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

    দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা উপস্থিত হয়ে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় হস্তান্তর করেন।

    ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি সামসুল আরেফিন বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ সূত্র ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাই করে ঘাতক ট্রাকের সনাক্তকরণ ও চালকের খোঁজে চেষ্টা চলছে। পারিবারিকভাবে মরদেহ দাফন করা হবে বলে জানা গেছে।

    ওসি আরও জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে এবং তদন্ত এখনো চলমান।

  • যশোরে ক্রমাগত লোডশেডিং: ঝিকরগাছায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

    যশোরে ক্রমাগত লোডশেডিং: ঝিকরগাছায় বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

    যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চরম বিদ্যুৎ সংকটে এলাকাবাসী বেগতিক। তারা অভিযোগ করেন, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, যার ফলে দিনযাপন ও পড়াশোনা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে।

    বিদ্যুৎ সরবরাহে স্থায়ী সমাধান এবং পৌরসভার লাইনের সঙ্গে ফিডারের সঠিক সংযুক্তি দাবিতে বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে স্থানীয়রা ঝিকরগাছা পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। স্লোগান নিয়ে শতাধিক নারী-পুরুষ অংশ নেন; কিছু সময়ের জন্য অফিসের কাজকর্মও স্থবির হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি শান্ত করে।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, দীর্ঘদিনের ভোগান্তি সইতে না পেরে তারা হঠাৎ করে অফিস ঘেরাও করেন। বিক্ষোভকারীরা জানান, প্রায় চার বছর আগে ফিডার পরিবর্তনের পর থেকেই তারা নিয়মিত বৈদ্যুতিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফেজ সমস্যা থাকায় সামান্য বাতাস বা ঝোড়ো বৃষ্টিতেই বিদ্যুৎ চলে যায় এবং ঘণ্টায় ঘণ্টা পরে না-ও ফেরে। তারা দ্রুত ফিডার বা ফেজ পরিবর্তনের মাধ্যমে স্থায়ী সমাধান দাবি করেছেন।

    কাটাখাল কলোনির বাসিন্দা মোঃ জালাল হোসেন বলেন, “২৪ ঘণ্টায় আমরা দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই। কখন আসে, কখন যায় কিছুই ঠিক নেই। বৃহস্পতিবার ভোরে বিদ্যুৎ চলে যায়; ১১টায় মাত্র দুই মিনিট পাওয়া গিয়েছিল, পরে দুপুর ২টার দিকে আধা ঘণ্টার মতো আসে, তারপর আবার চলে যায়। রাতেও একই অবস্থা।”

    এসএসসি পরীক্ষার্থী সোহানা খাতুন অভিযোগ করেন, বিদ্যুৎ না থাকায় তাদের পড়াশোনায় বড় অসুবিধা হচ্ছে এবং ফলাফলে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। স্থানীয়রা আরও বলেন, গাছের পাতাও নড়লেই বিদ্যুৎ চলে যায়—এখানে গ্রাহকরা ‘চরম অবহেলার’ শিকার হচ্ছেন।

    ঝিকরগাছা পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম জানান, এ এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা দীর্ঘদিনের; কর্তৃপক্ষকে বহুবার জানিয়েও কোনো সঠিক সমাধান হয়নি।

    ঝিকরগাছা থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায় এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করে। পরে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সমস্যাটি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।

    যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, ঝিকরগাছা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাদির জানান, সমস্যাটি মূলত টেকনিক্যাল; দ্রুত একটি টেকনিশিয়ান টিম পাঠিয়ে বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে সার্বিকভাবে বিদ্যুৎ সংকট একটু বেশি তবুও সবাইকে ধৈর্য ধরার অনুরোধ করা হয়েছে।

    স্থানীয়রা বলছেন, অল্প সময়ের প্রতিশ্রুতি নয়—দ্রুত ও স্থায়ী সমাধি না হলে তাদের আন্দোলন তীব্র করার হুঁশিয়ারি রয়েছে।

  • শৈলকুপায় বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    শৈলকুপায় বিএনপির দু’পক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৩০

    ঝিনাইদহের শৈলকুপায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে শনিবার সকালে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে মহন শেখ (৬৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত ও কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন। ঘটনা ঘটে উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের মাধবপুর গ্রামে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে। মাটিতে তৈরী দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে আহতদের মধ্যে অনেকে গুরুতর অবস্থায় রয়েছেন। আহতদের শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে মনোহরপুর ইউনিয়নে আধিপত্য সৃষ্টিকে কেন্দ্র করে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম (সাদাত) ও জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরীর মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ কারণে ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি ও ইউপি সদস্য সের আলী সাদাতের পক্ষে, আর সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান (দুলাল) আবু জাহিদের পক্ষে সমর্থক সংগ্রহ করে এলাকায় শক্তি প্রদর্শন শুরু করেন।

    দুই পক্ষের বিবাদ আরো তীব্রতর হওয়ার সূত্রধর বলে অভিযোগে বলা হচ্ছে, গত রাতে সাদাতপক্ষের সমর্থকরা পাশের লক্ষিপুর গ্রামে একটি সামাজিক সভা শেষে বাড়ি ফেরার পথে মশিউর সমর্থক আজিজ খারের ছেলে লিটন খায়ের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সের আলীর সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মহন শেখের বাড়িতে হামলা চালায় এবং মুহূর্তেই উভয়পক্ষের সমর্থকরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

    সংঘর্ষে গুরুতর জখম হয় মহন শেখসহ কমপক্ষে ৩০ জন। পুলিশ ও স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মহন শেখকে মৃত ঘোষণা করেন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—আব্বাস মোল্লা, ছালামত আলী, সাকিল হোসেন, মিল্টন খন্দকার, আসাদ বিশ্বাস, বসরত হোসেন, জমির বিশ্বাস, ফরিদুল শেখ, ওয়াসিম বিশ্বাস, মিন্টু হোসেন, আসাদুল বিশ্বাস, পিকুল হোসেন, আসিক শেখ, বিপ্লব বিশ্বাস, হৃদয় হোসেন, আমিরুল ইসলামসহ অনেকে।

    জেলা যুবদলের যুগ্ম-আহবায়ক আবু জাহিদ চৌধুরী অভিযোগ করেন, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। গতকাল রাতে তাদের এক সমর্থকের উপর হামলার পর থানায় অভিযোগ করলেও প্রশাসন কোনও ব্যবস্থা না নেয়ার কারণে বৃহস্পতিবার পুনরায় হামলা চালিয়ে মহন শেখকে হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

    অন্যদিকে উপজেলা যুবদলের সদস্য সচিব তরিকুল ইসলাম (সাদাত) সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। উপজেলা যুবদলের আহবায়ক রবিউল ইসলাম বলেন, মাধবপুরে সংঘটিত ঘটনাটি সামাজিক সূত্রে উদ্ভূত সহিংসতা; এখানে যুবদলের সরাসরি কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

    নিহত মহন শেখের ছোট ভাই আফসার উদ্দিন শেখ জানান, সকালে তার ভাই দোকানে চা খেতে যাচ্ছিলেন। সে সময় হঠাৎ ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সের আলীর সমর্থকরা তার উপর হামলা চালায়।

    শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির মোল্লা বলেন, সামাজিক আধিপত্যকে কেন্দ্র করে মাধবপুর গ্রামে সংঘর্ষ হয়েছে এবং এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযুক্তদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান চালাচ্ছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান চলছে।

  • যশোরে ভয়াবহ লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের ঘেরাও

    যশোরে ভয়াবহ লোডশেডিং ও বিদ্যুৎ অফিসের ঘেরাও

    যশোরের ঝিকরগাছা পৌরসভার কাটাখাল এলাকার বিদ্যুৎ সংকট চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিদিনের আলো থেকে মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়, যা মানুষের জীবনযাত্রা খুবই ব্যাহত করে তুলেছে। এসব সমস্যার বিরুদ্ধে মঙ্গলবারের মধ্যে অবিলম্বে শান্তিপূর্ণ ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং পৌরসভার লাইনের সঙ্গে সংযোগের দাবি জানিয়ে ঝিকরগাছা পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের সামনে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। শতাধিক নারী-পুরুষের অংশগ্রহণে এই প্রতিবাদ হয়, যেখানে তারা নানা স্লোগান দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ, যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ফিডার পরিবর্তনের পর থেকেই ভুগতে হচ্ছে। ফেজের সমস্যা থাকায় হালকা বাতাস বা ঝড়-ঝাপে বিদ্যুৎ চলে যায়, এবং নতুন করে আর ফিরে আসে না। দ্রুত ফিডার বা ফেজ পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে তারা অভিযোগ করেন, তিন-চার বছর ধরে এই সমস্যা চলছে। কাটাখাল কলোনির বাসিন্দা মোঃ জালাল হোসেন বলেন, ‘২৪ ঘণ্টায় মাত্র দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাই, কখন আসে, কখন যায় ঠিক নেই। এই পরিস্থিতিতে বাধ্য হয়েছে প্রতিবাদে নামতে।’ তিনি আরও জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে বিদ্যুৎ গেলে সকাল ১১টার মধ্যে বিদ্যুৎ এসেছিল মাত্র দুই মিনিট, এরপর আবার দুপুর ২টার দিকে আসে, তারপর আবার চলে যায়। রাতের সময়ও এই অবস্থা চলমান। এসএসসি পরীক্ষার্থিনী সোহানা খাতুন বলেন, ‘বিদ্যুৎ না থাকায় পড়াশোনায় খুব বিপর্যয় হচ্ছে, এর ফলে ফলাফলেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।’ স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গাছের পাতা নড়লেই বিদ্যুৎ চলে যায়, যা তারা অবহেলা হিসাবে দেখছেন। ঝিকরগাছা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম বলেন, এই এলাকার বিদ্যুৎ সমস্যা দীর্ঘদিনের। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বহুবার যোগাযোগ করেও সমাধানসূত্র বের হয়নি। ঝিকরগাছা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু সাঈদ বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। এলাকাবাসী বিদ্যুৎ সমস্যায় ক্ষুব্ধ থাকায় পরিস্থিতি বুঝে আলোচনা করি ও পরিস্থিতি শান্ত করি। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেন।’ যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি ঝিকরগাছা জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার গোলাম কাদির জানান, ‘সমস্যাটি মূলত টেকনিক্যাল। দ্রুত একটি টেকনিশিয়ান টিম পাঠানো হবে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে সার্বিক বিদ্যুৎ সংকট কিছুটা বেড়ে গেছে, সবাইকে ধৈর্য্য ধরে থাকতে হবে।’

  • প্রতিদিন শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে

    প্রতিদিন শাকসবজি ও ফলমূল খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে

    জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের উদ্বোধন অনুষ্ঠান বৃহস্পতিবার নগরীর শহীদ হাদিস পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এবারের পুষ্টি সপ্তাহের প্রতিপাদ্য ছিল ‘পুষ্টি বৈষম্যের দিন শেষ, গড়বো স্বনির্ভর বাংলাদেশ’।

    প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি বলেন, আমাদের সকলের উচিত প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় শাকসবজি ও ফলমূল অন্তর্ভুক্ত করা। পাশাপাশি প্যাকেটজাত ও অস্বাস্থ্যকর খাবার পরিহার করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ ও রান্নার全过程েই পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে হবে। পুষ্টিকর খাবার মানুষকে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক, তাই সবাইকে পুষ্টি সমৃদ্ধ ও নিরাপদ খাবার খাওয়ার অনুরোধ জানান তিনি।

    খুলনা সিভিল সার্জন ডা. মোছাঃ মাহফুজা খাতুনের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার দপ্তরের উপপরিচালক মোঃ আরিফুল ইসলাম, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোঃ মিজানুর রহমানসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সিভিল সার্জন দপ্তরের সিনিয়র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ আবুল কালাম আজাদ। অনুষ্ঠান শেষে, কেসিসি প্রশাসকের নেতৃত্বে শহীদ হাদিস পার্ক থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এই শোভাযাত্রা বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয়ে এসে শেষ হয়। বিভিন্ন পেশার মানুষ এই শোভাযাত্রায় অংশ নেন, যা জনসচেতনা সৃষ্টির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।