Category: সারাদেশ

  • খুলনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩ জন কারাগারে

    খুলনায় চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ৩ জন কারাগারে

    খুলনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা পরিচয়ে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে গ্রেফতার তিনজনকে আদালত কারাগারে পাঠিয়েছেন। মঙ্গলবার পুলিশ তাঁদের আদালতে হাজির করলে শুনানি শেষে বিচারক এ আদেশ দেন। ঘটনাটির বিস্তারিত নিশ্চিত করে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, চাঁদা দাবি ও লেনদেনের অভিযোগে তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা করা হয়। আজ তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তাঁদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে সোমবার নগরীর সোনাডাঙ্গা নেসার উদ্দিন সড়কের একটি বাড়িতে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। পরে ভুক্তভোগী শাহানাজ পারভীন বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় চাঁদাবাজির মামলাটি দায়ের করেন। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা হলেন মোঃ মিরাজুল ইসলাম ওরফে মাহাদী হাসান, আরেফিন আল নাহিন ও মিরাজ গাজী ওরফে বোরহান। তাঁদের মধ্যে মোঃ মিরাজুল ইসলাম নিজেকে এনসিপির জেলা শাখার সদস্য বলে পরিচয় দেন এবং আরেফিন আল নাহিন খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিকস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র বলে জানা গেছে।

  • রাগ-ক্ষোভ ভুলে কাজ করে বিজয় লাভের ডাক

    রাগ-ক্ষোভ ভুলে কাজ করে বিজয় লাভের ডাক

    দেশ অনেক ত্যাগের পর ইতোমধ্যে একটি স্থানে পৌঁছেছে। সামনে নির্বাচন। যেখানে মানুষ তাঁদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এবং গণতান্ত্রিক দেশে উন্নতি করতে প্রস্তুত। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু কটাক্ষ করে বলেছেন, এই আসনের জনগণের শেষ আশ্রয় ধানের শীষ। এই আসনটি ধরে রাখতে এবং সবার প্রত্যাশা পূরণে সকলের মধ্যে রাগ এবং ক্ষোভ ভুলে একসাথে কাজ করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে আমরা চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করব।

    গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় ৩১নং ওয়ার্ডের হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী (রাঃ) নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া মাহফিলের আয়োজন হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আব্দুল খালেক ব্যাপারী, প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন নজরুল ইসলাম মঞ্জু। এ ছাড়া, দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা মাসুম বিল্লাহ।

    দুপুর ১২টায় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু শেরে বাংলা রোডস্থ সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কনিজ মোস্তফা ও প্রতিবন্ধী সেবা কেন্দ্রে কাজের সঙ্গে পরিচিত হন। বিকেলে ৩০নং ওয়ার্ডের মরিয়মপাড়া এলাকায় খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সঙ্গে উঠান বৈঠক ও মতবিনিময় করেন। Furthermore, বাদ মাগরিব, তিনি ১৬নং ওয়ার্ডে আয়োজিত মীরেরঘাট মহিলা সমাবেশে উপস্থিত হন, যেখানে বক্তব্য দেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু।

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্থান থেকে নেতাকর্মীরা, যেমন আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, সাদিকুর রহমান সবুজ, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, এডভোকেট সরফরাজ হিরো, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল এবং আরও অনেকে। তাঁরা সব মিলিয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবার জন্য প্রস্তুত। ব্যক্তিবর্গের মধ্যে বেশ কয়েকজন সাংগঠনিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক দায়িত্বে থাকেন এবং তাদের সহযোগিতায় এ নির্বাচনী প্রচেষ্টা সফল করতে চান।

  • স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন বিএনপি’র বিরুদ্ধে চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত: রকিবুল ইসলাম বকুল

    স্বাধীনতা বিরোধীরা এখন বিএনপি’র বিরুদ্ধে চক্রান্তের সঙ্গে যুক্ত: রকিবুল ইসলাম বকুল

    বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের ধানের শীষ প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল বলেছেন, যারা এক সময় বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে মানতে চাননি, তারা আজীবন দেশের অগ্রগতি ও উন্নতির বিরোধিতা করে আসছে। আর সেই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিগুলিই এখন নানামুখী চক্রান্তে লিপ্ত হয়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে চেষ্টা করছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় খালিশপুরের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় রকিবুল ইসলাম বকুল বলেন, বর্তমানে দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সুবিধা নিয়ে কিছু পরিকল্পিত মহল নানামুখী চক্রান্ত চালিয়ে যাচ্ছে। তারা এমনকি অতীতে বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকার করতে চেয়েছিল, এখন তারা ছদ্মবেশ ধারণ করে দেশের ও দলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করছে। তিনি উল্লেখ করেন, এরূপ অপপ্রচার ও কুৎসা রটিয়ে দেশের বৃহত্তম ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দল বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার অপকৌশল চালাচ্ছে একেকটা গোষ্ঠী। বিএনপি আজ এসব অপশক্তির প্রধান লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাজনৈতিক নেতা বকুল আরো বলেন, শহীদ জিয়ার আদর্শের সৈনিক ও দলটির কর্মীরা এসব ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। দলের স্বার্থে ইস্পাত কঠিন ঐক্য বজায় রাখতে হবে এবং উসকানি বা অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হয়ে ঐক্যবদ্ধ থেকে সকল চক্রান্তের মোকাবিলা করতে হবে। জনগণের শক্তির সমর্থনে বিএনপির বিরুদ্ধে চলমান অপকৌশলগুলো জনগণই রুখে দেবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাগরিক স্মরণ সভা কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ইউনুছ মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাদী, সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক মোঃ চৌধুরী শফিকুল ইসলাম হোসেন, এছাড়া উপস্থিত ছিলেন মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন, আঃ সামাদ স্যার, আবুল বাশার বাদশা, সৈয়দ কামরুজ্জামান, সাইফুল ইসলাম বাবুল, মোহাম্মদ আলী ওস্তাদ, নাজমুল বাবু, বাবুল হোসেন খোকন, এম এ রউফসহ খালিশপুর থানা ও ওয়ার্ড বিএনপিসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠান শেষে বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত ও দেশের কল্যাণ কামনায় একটি মোনাজাত করা হয়। দোয়া মাহফিলে স্থানীয় বিএনপি’র বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবর্গ ও সাধারণ জনগণ ব্যাপক সংখ্যায় অংশ নেন।

  • আপনার ভোট আপনার অধিকার: খুশি মনে ভোট দিন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন

    আপনার ভোট আপনার অধিকার: খুশি মনে ভোট দিন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুন

    খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ভোটের গুরুত্ব এবং তাৎপর্য নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে ভোটপ্রার্থীরা প্রতি নির্বাচনে তাদের কাছে পৌঁছান। তিনি পরিষ্কারভাবে বলেন, ভোট দেওয়া আমাদের মূল অধিকার এবং আপনি যাকে খুশি মনে ভোট দিতে পারেন। এই স্বাধীনতা কেউ কোনোভাবেই খর্ব করতে পারে না। নির্বাচনের সময় এএসকল অধিকার রক্ষা করতে দায়ী থাকেন জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। আপনি ইচ্ছেমতো যা মনে করেন, যেমন মার্কায় ভোট দিতে পারেন, এটি সম্পূর্ণ আপনার স্বতন্ত্র সিদ্ধান্ত। কেউ এতে বাধা দিতে পারবে না।

    মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি দুপুরে বাগেরহাট সদর উপজেলার মাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত গণভোটের প্রচার ও ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলী ইমাম মজুমদার। বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তিতে গণভোটের হ্যাঁ বা না ভোট গুরুত্বপূর্ণ। দেশের পরিচালনা কারা করবে, সেটাও নির্ভর করে দেশের জনগণের ইচ্ছার উপর। তিনি সমাবেশে সবাইকে অনুরোধ করেন, গণভোটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার জন্য।

    আলী ইমাম মজুমদার আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যত নির্ধারণের দায়িত্ব আপনারাই। যাকে আপনি ভোট দেবেন, তিনি এই দেশের নেতৃত্বে আসবেন। তাই আপনার ভোটই দেশের ভবিষ্যত গড়ে দেবে। বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় বক্তব্য রাখেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নিবাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনসার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মুইনুল ইসলাম প্রমুখ। সভায় শিক্ষক, ইমাম ও সমাজের বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

    অন্যদিকে, একই দিনে সকালে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বাগেরহাটে জেলা পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে এই সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন। উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনসার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুইনুল ইসলাম, কওমি মাদ্রাসার শিক্ষক ও ইমামগণ।

    সম্মেলনে গণভোটের গুরুত্ব, জাতীয় সংসদ ভোটে যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন ও দক্ষ সংসদ সদস্যের প্রয়োজনীয়তার ওপর আলোচনা হয়। প্রার্থীর যোগ্যতা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া বিষয়ে আলোচনা করে ইমামদেরও অনুরোধ করা হয় এই ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করতে। ঐসময় বিভিন্ন স্থানে মোট ৫শ’র বেশি ইমাম এই সভায় অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনার ৬ আসনে মোট ৩৮ প্রার্থী পেয়েছেন প্রতীক

    খুলনার ৬ আসনে মোট ৩৮ প্রার্থী পেয়েছেন প্রতীক

    সারাদেশের মতো খুলনাতেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ও ইশতেহার পাঠের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। এই কার্যক্রম বেলা ১১টার পর থেকে খুলনা জেলা নির্বাচন অফিস, জেলা প্রশাসক কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে শুরু হয়। এ সময় খুলনার ছয়টি আসনের মোট ৩৮ জন প্রার্থীকে তাদের নির্বাচন প্রতীক প্রদান করা হয়। দলীয় প্রতীক ছাড়াও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নিজের নিজের ইচ্ছেমতো প্রতীক নির্ধারণ করেন। প্রতীক বরাদ্দের পর বেশ কয়েকজন প্রার্থী তাদের নির্বাচনী ইশতেহারও ঘোষণা করেন। বিশেষ করে, খুলনা ৫ নম্বর আসনের জন্য প্রার্থী হয়ে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনী মাঠে নামার পর, নির্বাচন পরিচালনায় কোনো বিভ্রান্তি যেন না হয়, এ জন্য তিনি শঙ্কা ব্যক্ত করেন জামায়াত ইসলামের সেক্রেটারী জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে কালো টাকা আর সন্ত্রাসের বিস্তার রোধ করতে হবে এবং সবাইকে নিরাপত্তা নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।’ অন্যদিকে, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল, বিশেষ করে বিএনপি, ও অন্যান্য প্রার্থীরা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার আহ্বান জানান। প্রতীক বরাদ্দের পর থেকেই এলাকার ভোটার ও প্রার্থীমrush সঙ্গে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। আগামীকাল থেকে সবাই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করবেন এবং ভোটের মাঠে নিজেদের শক্তিশালী করণ জন্য প্রস্তুতি নেবেন।

  • খুলনায় ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

    খুলনায় ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে খুলনার ছয়টি নির্বাচনী আসনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দিনে ব্যাপক এই কার্যক্রমের মাধ্যমে পাঁচজন প্রার্থী সরে দাঁড়িয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা রয়েছেন।

    খুলনার এই ছয়টি আসনে মোট প্রার্থী ছিল ৪৩ জন, তবে আজকের শেষে পাঁচজনের মনোনয়ন প্রত্যাহার হওয়ায় এখন মোট প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৮। অর্থাৎ, বর্তমানে এই ছয়টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৮ প্রার্থী।

    বিশেষভাবে উল্লেখ্য, প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন: খুলনা-১ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ফিরোজুল ইসলাম, খুলনা-২ থেকে খেলাফত মজলিসের মো. শহিদুল ইসলাম, খুলনা-৩ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হারুনুর রশীদ, খুলনা-৪ থেকে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মোঃ কবিরুল ইসলাম, এবং খুলনা-৫ থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আব্দুল কাইয়ুম জমাদ্দার। তারা সবাই নিজেদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।

    অপরদিকে, আগামীকাল প্রতীক বরাদ্দের পর থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে। এই সময়ে প্রার্থীরা তাদের ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্বাচনী মতবিনিময় ও প্রচার কার্যক্রম চালাবেন।

  • ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজকে দল থেকে বহিষ্কার

    ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজকে দল থেকে বহিষ্কার

    ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক নেতা ও কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম ফিরোজকে বিএনপি কঠোরভাবে বহিষ্কার করেছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠনবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে সংগঠন থেকে বাদ দেওয়া হয়।

    বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, দলের গঠনতন্ত্রের ৫(গ) ধারা অনুযায়ী, সাইফুল ইসলাম ফিরোজের সকল পর্যায়ের সদস্যপদসহ সাংগঠনিক পদসমূহ থেকে অবিলম্বে বহিষ্কার করা হয়েছে। এটি শুধু বিএনপির কেন্দ্রীয় পদ নয়, সঙ্গে সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ সব পর্যায়ের পদ থেকেও তাঁকে ছাঁটাই করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এই বহিষ্কার আদেশ আগামীদিনে কার্যকর হবে। এছাড়াও, বহিষ্কার সংক্রান্ত নথি খুলনা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদকা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের কাছে পাঠানো হয়েছে।

    বিএনপি সূত্র জানিয়েছে, দল ভবিষ্যতেও সংগঠনবিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে, যাতে দলের শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং দলের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ থাকে।

  • পিএসসির আলোচিত ড্রাইভার আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার

    পিএসসির আলোচিত ড্রাইভার আবেদ আলীর ছেলে সিয়াম গ্রেপ্তার

    বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) এর সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীর ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়ামকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) গ্রেপ্তার করেছে। তার বিরুদ্ধে প্রায় সোয়া তিন কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে।

    আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সৈয়দ সোহানুর রহমান অর্থাৎ সিয়ামকে দুপুর ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে দুদকের প্রধান কার্যালয়ের আশেপাশে ঘোরাঘুরি অবস্থায় গ্রেপ্তার করা হয়।

    সিয়াম নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহ-সম্পাদক ছিলেন।

    দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি, তার নামে ৫ কোটি ৩৭ লাখ টাকা অবৈধ সম্পদ এবং প্রায় ৪৫ কোটি টাকার অস্বাভাবিক লেনদেনের অভিযোগে পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল। আজ সেসব মামলার নিষ্পত্তিতে সিয়ামকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২০২৪ সালের জুলাই মাসে পিএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় সিআইডি পুলিশ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করে। সেই সময় বিচারের জন্য তদন্ত শুরু করে দুদক।

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এর আগে বাংলাদেশ রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পদে নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রে আবেদ আলী ও তার ছেলে সোহানুর রহমান সিয়াম জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন। এই সমস্ত ঘটনা বাংলাদেশের একাধিক উচ্চপ্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির নামে চারিদিকে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা দেশের ভাবমূর্তি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের বার্তা দেয়।

  • খুলনা-১ আসনে সুনীল শুভ রায়ের ১২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    খুলনা-১ আসনে সুনীল শুভ রায়ের ১২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-১ আসনে জাতীয় সম্মিলিত জোটের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছেন সুনীল শুভ রায়। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুরে খুলনা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ১২ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন।

    সুনীল শুভ রায় আসন্ন নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই ইশতেহার ভিত্তি করে তিনি জনগণের আস্থা অর্জন করতে চান। এটি খুলনায় প্রথমবারের মতো কোনও সংসদপ্রার্থী তার নিজ থেকে ইশতেহার প্রকাশ করলেন। এছাড়া, তিনি জানান, তিনি এবার মোট তিনটি প্রতীক পেয়েছেন—মোমবাতি, যা বাংলাদেশের ইসলামী ফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক। ইসলামী ফ্রন্টের অন্য কোন প্রার্থী না থাকায়, এই প্রতীকেই তিনি নির্বাচন করছেন বলে তিনি আরও জানান।

    সংবাদ সম্মেলনে তিনি অঙ্গীকার করেন যে, তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে ভিত্তি করে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের মধ্যে সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ব বৃদ্ধি করবেন। একই সঙ্গে, তিনি রাজনীতি থেকে বিরোধপূর্ণতা ও হিংসা দূর করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

    অতিরিক্ত দফাগুলির মধ্যে রয়েছে, দাকোপ ও বটিয়াঘাটার সব স্তরের জনগণের নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা; সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, দখলদারিত্ব ও মাদক মুক্ত করতে সর্বদা অবদান রাখা; প্রশাসনকে সহযোগিতার মাধ্যমে এই এলাকাগুলোকে দস্যু, ডাকাত ও ছিনতাইমুক্ত করা; পর্যটন শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে নতুন শিল্পের প্রবেশের জন্য বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা; যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতে পানখালী ও পোদ্দারগঞ্জে সেতু নির্মাণ; নদীভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান ও খনন কাজ করা; গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পের মাধ্যমে ভূমিহীনদের জন্য বাসস্থান সৃষ্টি; নদী বা খাল খনন ও ব্যবহারে কৃষি সেচের সুবিধা বাড়ানো; রাস্তা-সড়ক উন্নয়ন ও সংস্কার; পানীয় জলের জন্য আবাসিক পানি সরবরাহ প্রকল্প; শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধির দিকেও গুরুত্ব দেওয়া হবে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে এলাকাটির জীবনমান উন্নত করবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

    এছাড়া, তিনি সরকারি বিভিন্ন স্বাস্থ্য ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকীকরণ ও উন্নত করার পরিকল্পনা তুলে ধরেন। প্রত্যেক ইউনিয়নে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র স্থাপন, অবিচল দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন, ও জনতার সরাসরি অংশগ্রহণে সরকারের কার্যক্রমে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা হবে। এছাড়া, স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের জবাবদিহি ও জনগণের মতামত গ্রহণের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হবে।

    সুনীল শুভ রায় আরও বলেন, আমার জন্য কিছু চাওয়া-পাওয়া নেই। অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শেখার প্রয়োজন রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বটিয়াঘাটা ও দাকোপ উপজেলার জাতীয় পার্টি (রওশন) ও এর অঙ্গসংঘঠনের নেতৃবৃন্দ।

  • আপনার ভোটের অধিকার, যা খুশি তাতে দিতে পারেন

    আপনার ভোটের অধিকার, যা খুশি তাতে দিতে পারেন

    খাদ্য ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার বলেছেন, ভোটের ব্যাপারে আপনাদের কাছে ভোট প্রার্থীরা আসবেন এবং এটি তাদের অধিকার। পাশাপাশি, কাকে ভোট দিবেন, সেটা কিনা আপনার একটি স্বতন্ত্র অধিকার। এই গুরুত্বপূর্ণ অধিকার কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ হতে দেওয়া হবে না, সেটি নিশ্চিত করবেন নির্বাচন কমিশনের অধীনস্থ জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও অন্যান্য দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা। আপনি যার পক্ষে মনোযোগী, তারই পক্ষ ভোট দিবেন, এটা হচ্ছে সম্পূর্ণ আপনার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এই প্রক্রিয়াকে কেউ বাধা দিতে পারবেনা বা বাঁধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

    মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বাগেরহাট সদর উপজেলার মাজার সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত গনভোটের প্রচার এবং ভোটারদের উদ্বুদ্ধকরণ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ সব কথা বলেন উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার।

    তিনি আরও বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এই ভোটের উপর। যে মানুষটি ভোটে হ্যাঁ বলবে, সেই সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে কিভাবে দেশ চলবে তা নির্ধারিত হবে। দেশের দায়িত্ববাহী মানুষ নির্বাচন করবে আপনারা, সুতরাং এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। আগামী পাঁচ বছরে দেশের চলার পথ কোনদিকে যাবে, সেটি আপনাদের ভোটের উপর নির্ভর করছে। তাই সবাইকে এই গণভোটে অংশগ্রহণের অনুরোধ করেন তিনি।

    বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সুধী সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ আবু আনসার, জেলা তথ্য কর্মকর্তা মুইনুল ইসলাম। এতে শিক্ষক, ইমামসহ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

    অপর দিকে, একই দিনে সকালেই গনভোটের প্রচার ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণে ইসলামী ফাউন্ডেশন অনুমোদিত বাগেরহাট জেলা পর্যায়ের ইমাম সম্মেলন আয়োজন করা হয়। এ সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: মমিনুর রহমান এবং প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন।

    শ্রেষ্ঠ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাসান চৌধুরী, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আবু আনসার, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মুইনুল ইসলাম, কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবুল কালাম শাহেঅসহ বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব।

    সম্মেলনে গণভোটের গুরুত্ব, জাতীয় নির্বাচন এবং যোগ্য প্রার্থী নির্বাচন করার বিষয়গুলি আলোচনা হয়। বিশেষ করে, মসজিদ ও অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে আলোচনা করে গণভোটের গুরুত্ব ও সংসদ নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়। এ দায়িত্বে থাকা ইমামদের প্রতি বিশ্বাস এবং তাদের দায়িত্বশীল ভূমিকা গুরুত্বসহকারে অনুরোধ জানানো হয়।

    জেলা পর্যায়ের এই ইমাম সম্মেলনে প্রায় ৫ শতাধিক ইমাম অংশগ্রহণ করেন।