Category: সারাদেশ

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ভব künftig পদোন্নতিতে কেবল জ্যেষ্ঠতাকেই নয়, মেধা ও বাস্তব দক্ষতাকেও মূল্যায়ন করা হবে—এরই অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ পরিচালনা করা হলো।

    আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসসি)-এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষায় প্রার্থীদের তিন ধাপে দক্ষতা যাচাই করা হয়—লিখিত পরীক্ষা, পদ সংশ্লিষ্ট ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং কম্পিউটার টাইপিং পরীক্ষা। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের ফল বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    সংশ্লিষ্টরা জানায়, দেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি মূলত জ্যেষ্ঠতার ওপর নির্ভর করে দেওয়া হতো। এ প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন দৃষ্টান্ত বলা হচ্ছে। এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে সাময়িক প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং নিজের কর্মদক্ষতা উন্নয়নে তারা আরও মনোযোগী হবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

    পরীক্ষার সময় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, আইকিউএসসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য পরিচালক ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ।

    উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম পরিদর্শনের সময় বলেন, এটি সময়োপযোগী ও কার্যকর একটি উদ্যোগ। আমরা চাই সরকারিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের কাজের প্রতি সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব এবং দায়বদ্ধতা দেখান। এই পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ও মেধাবী ব্যক্তিরা তাদের যোগ্যতার যথাযথ স্বীকৃতি পাবেন।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ ধরনের মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হলে প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং সার্বিকভাবে সেবার মান উন্নত হবে। পরবর্তী সময়ে পরীক্ষার ফলাফল ও পদোন্নতির প্রক্রিয়া কিভাবে বাস্তবে প্রভাব ফেলবে, তা নজরদারির বিষয় হবে।

  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে খুলনা কলেজছাত্রী ফাইজার জিডি

    খুলনা: খুলনা কলেজের এক ছাত্রী ফাইজা অভিযোগ করে সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (নং-১১৪০) করেছেন, যে তাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১৭ এপ্রিল ভাইজা তার নিজ অ্যাকাউন্টে লগইন করলে দেখতে পান তার নামে অশ্লীল মন্তব্য এবং ব্যক্তিগত কিছু ছবি একটি “প্রিয়সি রহমান” নামে ফেসবুক আইডি থেকে প্রকাশ করা হয়েছে। একই ধরনের পোস্ট ভয়েস অফ খুলনা নামের একটি পেজ থেকেও ছড়িয়ে দেয়া হয়।

    জিডিতে ফাইজা উল্লেখ করেছেন, এসব পোস্টের কারণে তিনি সামাজিকভাবে লজ্জিত হচ্ছেন এবং পারিবারিকভাবে ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। মিথ্যা প্রচারণার ফলে তিনি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং জীবন-বৈচিত্র্যে উদ্বেগ অনুভব করছেন।

    ফাইজা অভিযোগে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাম্যিক–শাস্তি দাবি জানিয়েছেন। তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দিকেও নজর আকর্ষণ করেছেন।

    অভিযুক্ত হিসেবে নামাজানো ফেসবুক আইডি ব্যবহারকারী মুমু ঘটনার সত্যতা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলেন, ‘‘আমরা দু’জনই পরস্পরের পরিচিত। আমার সন্দেহ ছিল যে সে (ফাইজা) পারিবারিকভাবে আমাকে ক্ষতি করার চেষ্টা করছে, সেই সন্দেহ থেকে আমি এ ধরনের কাজ করেছি।’’

    সোনাডাঙ্গা মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাদিম জানিয়েছেন, জিডি পেয়েছেন এবং বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সকলকে শনাক্ত করে তদন্ত চালাবে এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আইনানুগ পদক্ষেপ নেবে।

  • চিতলমারীতে খালার লাঠি আঘাতে এক মাসের শিশুর মৃত্যু

    চিতলমারীতে খালার লাঠি আঘাতে এক মাসের শিশুর মৃত্যু

    বাগেরহাটের চিতলমারীর সাবোখালী গুচ্ছগ্রামে খালার লাঠির আঘাতে মোঃ হোসেন শেখ নামে এক মাস বয়সী শিশু নিহত হয়েছেন। ঘটনার সময় শিশুটি বাবার পাশে ঘুমিয়ে ছিল।

    শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে এ ঘটনা ঘটে। নিহত হোসেন শেখ মোড়েলগঞ্জ উপজেলার জিলবুনিয়া গ্রামের শেখ সাইফুল ইসলাম মধুর ছেলে। ঘটনার পর পরিবারের মা ইয়াছমিন আক্তার ময়না শনিবার (১৮ এপ্রিল) চিতলমারী থানা পুলিশে একজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় ইয়াছমিনের বোন মোছাঃ ফাতেমা আক্তার (৪০) ও ভাই মোঃ ইয়াছিন শেখ (২৫) কে আসামী করা হয়েছে। পুলিশ মামলার প্রধান আসামী ফাতেমা আক্তারকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছেন।

    মামলার বিবরণে জানা গেছে, শুক্রবার সকালেই বাদী ইয়াছমিন আক্তার ও তাঁর স্বামী শেখ সাইফুল ইসলাম মধুরের সঙ্গে ফাতেমা আক্তার ও ইয়াছিন শেখের মধ্যে ঝগড়া হয়। ওই বিবাদের জের ধরে বিকেলে ফাতেমা ও ইয়াছিন লাঠি নিয়ে ঘরে ঢুকে সাইফুলকে মারধর শুরু করেন। মারধরের সময় বাবা-ছেলের কাছে শুয়ে থাকা শিশু হোসেন শেখও লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হন।

    তত্ক্ষণাৎ আহত শিশুকে স্থানীয় একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে নেওয়া হলেও চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    চিতলমারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, মা বাদী হয়ে মামলা করেছেন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার ঘটনায় আরও অনুসন্ধান ও আইনানুগ কার্যক্রম চলছে।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবার ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ চালু

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি) কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় নতুন যুগের সূচনা করল। পেশাগত মানোন্নয়ন ও প্রশাসনিক সক্ষমতা বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এবার কেবল জ্যেষ্ঠতার উপর নির্ভর না করে মেধা ও দক্ষতার ভিত্তিতেও পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন দেবে। সেই লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’ গ্রহণ করা হয়েছে।

    আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসসি)-এর উদ্যোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় প্রার্থীদের তিন ধাপে মূল্যায়ন করা হয়েছে—লিখিত পরীক্ষা, পদ সংশ্লিষ্ট ব্যবহারিক পরীক্ষা এবং কম্পিউটার টাইপিং/প্রযুক্তি সম্পর্কিত দক্ষতার মূল্যায়ন। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত বোর্ডের সুপারিশের ভিত্তিতে নেয়া হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘদিন ধরে পদোন্নতি মূলত জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতেই দেয়া হয়ে আসছিল। সে প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই উদ্যোগকে প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় একটি নতুন দৃষ্টান্ত বলা হচ্ছে। কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং নিজদের দক্ষতা উন্নয়নে তারা আরও উৎসাহী হবেন—এমন মূল্যায়ন সংশ্লিষ্টদের।

    পরীক্ষাসময় বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম পরীক্ষা প্রাঙ্গণ পরিদর্শন করেন। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, আইকিউএসসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পরিচালক ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এটি একটি সময়োপযোগী ও কার্যকর উদ্যোগ। আমরা চাই, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব প্রদর্শন করুক। এই পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য ও মেধাবী কর্মীরা যথাযথ স্বীকৃতি পাবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে সংশ্লিষ্টরা উচ্চশিক্ষা খাতে ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, এ ধরনের দক্ষতা নির্ভর মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু থাকলে প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি পাবে এবং সার্বিকভাবে সেবার মানও উন্নত হবে।

  • খুলনায় দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত

    খুলনায় দায়িত্বে থাকা রেলওয়ে কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত

    খুলনার রেলওয়ে পুলিশ লাইনে দায়িত্ব পালনকালে এক কনস্টেবল গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। ঘটনাটি শনিবার ভোর সাড়ে চারটার দিকে লাইনের অস্ত্রাগার (ম্যাগাজিন গার্ড) এলাকায় ঘটে।

    নিহত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (বিপি নং: ৯৯১৮২১৪৯২৯)। প্রাথমিক নিশ্চিত তথ্য অনুযায়ী তিনি ডিউটি পালন করছিলেন তখনই গুলিবিদ্ধ হন।

    ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা রেলওয়ে জেলার এসআরপি সদস্য ও সোনাডাঙ্গা থানার কর্মকর্তা-সদস্যসহ খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশ ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করছে এবং তল্লাশির কাজ চলছে, বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

    স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সম্রাটের স্ত্রী পূজা বিশ্বাস সাতক্ষীরা জেলায় কর্মরত এক মহিলা পুলিশ সদস্য।

    পুলিশ এখনও মৃতুর সুনির্দিষ্ট কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি। তবে প্রত্যক্ষদর্শী এবং সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায় যে সম্রাট নিজেই ব্যবহৃত সার্ভিস অস্ত্র থেকেই গুলিবিদ্ধ হয়েছেন—এই তথ্যও পুলিশ তদন্তের অংশ হিসেবে যাচাই করা হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বলেছেন, তদন্ত শেষে ঘটনাটির বিস্তারিত জানানো হবে।

  • খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবারের মতো চালু ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে পদোন্নতিতে প্রথমবারের মতো চালু ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’

    খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পদোন্নতি প্রক্রিয়ায় নতুন ধারার সূচনা হয়েছে। জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি মেধা ও দক্ষতাকেই গুরুত্ব দিয়ে প্রশাসন এখন থেকে পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশনের সিদ্ধান্ত নেবে। সেই উদ্দেশ্যেই প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালিত হয়েছে ‘দক্ষতা উন্নয়ন পরীক্ষা’।

    আজ শনিবার (১৮ এপ্রিল) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসসি)-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় প্রার্থীদের তিন ধাপের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা হয় — লিখিত পরীক্ষা, পদ-সংক্রান্ত ব্যবহারিক এবং কম্পিউটার টাইপিং। পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের বোর্ডের সুপারিশের আলোকে পদোন্নতি বা আপগ্রেডেশন দেওয়া হবে।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক সূত্র জানিয়েছে যে, দেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতি মূলত জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতেই দেওয়া হয়ে এসেছে। সে প্রেক্ষাপটে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই নতুন প্রক্রিয়া প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন, এতে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব সৃষ্টি হবে এবং তাদের নিজের দক্ষতা উন্নয়নে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

    পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম হল পরিদর্শন করেন। এ সময় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, আইকিউএসসির পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানসহ অন্যান্য দায়িত্বশীল শিক্ষক ও কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

    পরিদর্শনকালে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম বলেন, এটি সময়োপযোগী ও কার্যকর একটি উদ্যোগ। আমরা প্রত্যাশা করি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাদের দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব দেখাবেন এবং যোগ্যদের যথাযথ স্বীকৃতি মিলবে।

    বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তরে ও সংশ্লিষ্ট মহলে এ পদক্ষেপকে উচ্চশিক্ষা খাতে এক ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে স্বাগত জানানো হয়েছে। তারা আশা করছেন, এমন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হলে প্রশাসনিক কাজের গতি ত্বরান্বিত হবে এবং সার্বিকভাবে সেবার মানও উন্নত হবে।

  • কোস্ট গার্ডের অভিযানঃ অপহৃত দুই জেলেকে উদ্ধার, অস্ত্রসহ বনদস্যুসদস্যু আটক

    কোস্ট গার্ডের অভিযানঃ অপহৃত দুই জেলেকে উদ্ধার, অস্ত্রসহ বনদস্যুসদস্যু আটক

    সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের পরিচালিত দুটি বিশেষ অভিযানে অপহৃত দুই জেলেকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং এক বনদস্যু দয়াল বাহিনীর বিপজ্জনক সদস্যকে অস্ত্র ও গুলির সঙ্গে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

    কোস্ট গার্ডের মতে, ‘অপারেশন রিস্টোর পিস ইন সুন্দরবন’ ও ‘অপারেশন ম্যানগ্রোভ শিল্ড’ নামে দুইটি পৃথক অভিযান চলমান ছিল। এর অংশ হিসেবে ১৬ এপ্রিল বিকেলে সুন্দরবনের মুর্তির খাল সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হলে, সেখানে একটি কাঠের নৌকা ও দুই জেলেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। However, স্থানীয় ডাকাতদল জানতে পেরে ঘটনাস্থল থেকে জেলেদের ফেলে বনে পালিয়ে যায়। কখনও কখনও এই ধরনের অভিযান সফল হলেও, এদিন জেলেদের নিরাপদে উদ্ধার করতে সক্ষম হন কোস্ট গার্ড।

    অন্য এক অভিযানে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় যে, ডাকাত দয়াল বাহিনীর সদস্যরা হোগলডরা খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। ভোর ৬টার দিকে এই এলাকার ওপর চালানো হয় ঝাঁঝালো অভিযান। অভিযান চলাকালে, ডাকাতরা যখন কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পায়, তখন তারা পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ধাওয়া করে তরিকুল (৩৫), যা খুলনা জেলার কয়রা এলাকার বাসিন্দা, তাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে দুটি একনলা বন্দুক ও নয় রাউন্ড তাজা কার্তুজ জব্দ করা হয়।

    গত ১৫ এপ্রিল রাতের ঘটনা বলছে, বরইতলা টহল ফাঁড়ির কাছে শুয়োরমারা খালে মাছ ধরতে এসে, বনদস্যু করিম শরিফ ও বড় জাহাঙ্গীর বাহিনীর হাতে বেশ কয়েকজন জেলে অপহৃত হয়। ওই ডাকাত দলের বিরুদ্ধে জেলেদের মুক্তিপণের জন্য তাদের অন্য খালে নিয়ে জিম্মি করে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

    বিসিজিএসের নির্বাহী কর্মকর্তা লে. আশিকুল ইসলাম ইমন জানান, আটক হওয়া ডাকাত ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া, উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। সুন্দরবন পুরোপুরি দস্যুমুক্ত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

  • মহেশপুর সীমান্তে চার দিনে দুই মরদেহ উদ্ধার

    মহেশপুর সীমান্তে চার দিনে দুই মরদেহ উদ্ধার

    ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার পলিয়ানপুর সীমান্তের ইছামতী নদীতে গত চার দিন ধরে দুটি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পুলিশ ও বিজিবি সূত্র জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে পলিয়ানপুর সীমান্তের শূন্য রেখা থেকে প্রায় ১০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত ইছামতী নদী থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে, গত সোমবার রাতে (সোমবার, ৯ এপ্রিল) একই সীমান্তে, আনুমানিক ৪৫ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ পাওয়া যায়।  

    উদ্ধারকৃত ব্যক্তির পরিচয় জানাতে পারছে না পুলিশ ও বিজিবি। তবে জানা গেছে, মরদেহটি গোপালগঞ্জ জেলার কোড়ালিপাড়া থানার দেবেন্দ্রনাথ জয়ধর নামে এক ব্যক্তির ছেলে রথীকান্ত জয়ধর (৪৬) এর বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে, অন্য মরদেহটির পরিচয় এখনও নিশ্চিত হয়নি।

    স্থানীয়রা বলছেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে যখন এলাকাবাসী নদীর দিকে খোঁজ নিতে যান, তখন দূরগন্ধ পেয়ে ঘরে থাকা কচুরিপানার নিচে ভাসমান অবস্থায় একটি মরদেহ দেখতে পান। এরপর তারা পুলিশের সঙ্গে বিজিবিকে খবর দেন।

    মহেশপুর ৫৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল আলম জানান, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকৃত মরদেহটির স্থান থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে, ১৩ এপ্রিল আরেকটি মরদেহ পাওয়া হয়েছিল। সেই মরদেহের পরিচয় এখনো জানা যায়নি, তবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি কিছুদিন আগে ডুবে ছিল। মরদেহটি পানির নিচে থাকায় পচে ফুলে গেছে এবং উপুড় হয়ে ভাসছিল। তিনি জানান, ১৩ এপ্রিল উদ্ধার করা মরদেহের বিষয়ে বিজিবি বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে, তবে এখনো কর্তৃত্বের মধ্যে কাউকে শনাক্ত করা যায়নি।

    কোটচাঁদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সায়েম ইউসুফ বলেন, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকৃত মরদেহের শার্টের পকেটে একটি পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। সেই পাসপোর্টের মাধ্যমে মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে এবং পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও করা হয়েছে। তবে, পাসপোর্টে ভিসা বা গেটওয়ে পাসের তথ্য যাচাই করা হয়নি। মরদেহের সুরতহাল শেষে তা ময়নাতদন্তের জন্য ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

    এদিকে, ১৩ এপ্রিল উদ্ধারকৃত অজ্ঞাত মরদেহটির এখনও পরিচয় শনাক্ত হয়নি। এ ব্যাপারে পুলিশ ভারতের সঙ্গে যোগাযোগের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে, মহেশপুর সীমান্তে এই চার দিনে দুটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় উদ্বেগ ও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

  • খুলনায় যুবককে কুপিয়ে زخمی

    খুলনায় যুবককে কুপিয়ে زخمی

    খুলনায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে রায়হান শেখ ওরফে মিঠু (১৯) নামে এক যুবককে দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্রের দ্বারা কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় মধ্য হরিণটানা এলাকার একটি পাড়ায়। রায়হান শেখ হরিণটানা ৮০ বিঘা এলাকার বাসিন্দা শিমুল শেখের ছেলে। আহত অবস্থায় তাকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে দ্রুত খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তিনি বর্তমানে চিকিৎসাধীন। ঘটনাের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন লবণচরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তুহিনুজ্জামান। এমন ঘটনার কারণ ও হামলাকারীদের বিস্তারিত বিষয়ে পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে। এই হামলার পেছনে কারা রয়েছে, সে ব্যাপারে আরও অনুসন্ধান চলছে।

  • শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষামূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব, রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়

    শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষামূলক কার্যক্রমের গুরুত্ব, রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়

    সংসদ সদস্য ও বিএনপি’র তথ্য বিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল বলেছেন, বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই। আধুনিক এই ভার্চুয়াল যুগে প্রবেশ করলেও প্রথমে আমাদের শিক্ষাকে পুঁথিগত শিক্ষায় সমৃদ্ধ করতে হবে। কারণ, বই-ই আমাদের সঠিক জ্ঞান, মূল্যবোধ ও চিন্তাশক্তি গড়ে তোলে। শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, জীবনের জন্য সত্যিকার শিক্ষা হচ্ছে বই। সুতরাং, সকল শিক্ষার্থীর মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

    গতকাল শুক্রবার সকালে রূপসার নৈহাটী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় আয়োজিত সংবর্ধনা, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হবে জ্ঞান, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ গঠনের পবিত্র কেন্দ্র। সেখানে শিক্ষামূলক কার্যক্রম সর্বাগ্রে গুরুত্ব পাবে, কোনও রাজনৈতিক কার্যক্রম নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্ম, বর্ণ, দলমতের বিভেদ ভুলে সবাইের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

    এসএসসি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের বাংলাদেশের নির্মাতা। আপনারাই হবে দেশের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব। তাই এখনই নিজেদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার জন্য চেষ্টা করতে হবে। নিয়মিত পড়াশোনা, শৃঙ্খলা, পরিশ্রম ও নৈতিকতার সমন্বয়েই একজন সত্যিকারের মানুষ গড়ে উঠে। মাদক, সন্ত্রাস ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে থাকুন এবং লক্ষ্য স্থির রেখে এগিয়ে যান। এভাবেই আপনি সফলতার দিকে এগিয়ে যাবে।

    অতঃপর তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আপনাদের মাধ্যমে আমি যে সম্মান ও ভালোবাসা পেয়েছি, তার জন্য আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। এই বিশ্বাস ও ভালোবাসার প্রতিদান দিতে আমি সব সময় পাশে থাকব। আপনারাও যদি আমাকে সহযোগিতা করেন, তাহলে ভবিষ্যতেও আমি আরও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে পারবো।

    অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন রূপসা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ার উল কুদ্দুস, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালক, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক খান জুলফিকার আলী জুলু, উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোল্লা সাইফুর রহমান, সদস্য সচিব জাবেদ হোসেন মল্লিক।

    বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সঞ্জিব সরকার সভাপতিত্ব করেন, এবং অনুষ্ঠানের পরিচালনা করেন খুলনা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক মোল্লা খায়রুল ইসলাম। অতিথির বক্তৃতা করেন খালা জেলা বিএনপি’র যুগ্ম-আহবায়ক এনামুল হক সজল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আতাউর রহমান রুনু, প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হারুন অর রশীদ, জেলা বিএনপি’র সদস্য আনিসুর রহমান বিশ্বাস ও অন্যান্য।

    প্রতিষ্ঠানটির সম্মানিত অতিথি ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন মুকুল, প্রকৌশলী সুখেন রায়, মোঃ শরিফুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা হেলাল, মোঃ মোজাফফর হোসেনসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠান শুরুতে, যারা প্রতিষ্ঠানকে অবদান রেখেছেন এবং প্রয়াত হয়েছেন, তাঁদের আত্মার মঙ্গল কামনায় এক মিনিট নীরবতা পালন ও দোয়া মোনাজাত হয়।

    অন্যদিকে, এমপি আজিজুল বারী হেলাল বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকাকালীন তেরখাদা উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।