Category: সারাদেশ

  • নতুন তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    নতুন তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে উদ্বুদ্ধকরণ ও সৃজনশীল ব্যবসা ধারণা ও স্টার্টআপ বিকাশে ব্যাংকসহ বিকল্প অর্থায়ন নিয়ে ‘ইউথ এন্টারপ্রেনরশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপ ফর স্টুডেন্টস’ শীর্ষক একটি কর্মশালা রোববার (৫ এপ্রিল) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়াধীন এসএমই ফাউন্ডেশন এই প্রোগ্রাম আয়োজন করে এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাব এতে সহযোগিতা করেছে।

    সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে 열린 উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অতিথিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন নতুন সম্ভাবনার পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং বর্তমান সরকারের যুবদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করার বিভিন্ন উদ্যোগের বাস্তব প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

    উপাচার্য আরও বলেন, দেশে চাকরির সুযোগ সীমিত থাকায় শুধু চাকরির ওপর নির্ভর না করে নিজ উদ্যোগে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জাতির কচ্ছপী প্রত্যাশা আছে — তারা যদি উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে ওঠে, তাহলে তা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে। ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সফলতা অর্জন সম্ভব, তাই তরুণদের এ ক্ষেত্রে উৎসাহিত করা প্রয়োজন।

    খুবি প্রশাসন জানিয়েছে, শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তুলতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এই হাব-এর মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় এবং প্রশিক্ষণ শেষে সীড মানি দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পথ সুগম করা হচ্ছে। উপাচার্য বলেন, বাস্তবসম্মত আইডিয়া থাকলে উদ্যোক্তা হিসেবে সফল হওয়া সহজ; অনেক প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগে আগ্রহী। তাই যুগোপযোগী ধারণা তৈরি ও সফট স্কিল অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।

    অনুষ্ঠান সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, বাংলাদেশ ব্যাংক, খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মোঃ রুকনুজ্জামান এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাই। এসএমই ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার আব্দুস সালাম সরদার সভাকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন ক্যারিয়ার ক্লাবের তাসমিয়া ইসলাম তিশা ও ফাহিম খান।

    উদ্বোধনী আলোচনায় বক্তারা মন্তব্য করেন যে, তরুণদের সামনে এখন অসীম সম্ভাবনা খোলা আছে। শুধু চাকরি নয়, উদ্যোক্তা হয়ে নিজে ও অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব, যা দেশকে গর্বিত করবে। উদ্যোক্তা তৈরিতে ইতোমধ্যে বহু প্রতিষ্ঠান কাজ করছে; তাই নতুন প্রজন্মকে ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

    বক্তারা আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। এ ক্ষেত্রে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের ছোট কোম্পানিগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। মেন্টরশিপ, বিনিয়োগ এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে উদ্যোক্তাদের পথ সহজ করা সম্ভব।

    উদ্বোধনী পরবর্তী তিনটি প্লেনারি সেশনে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্টার্টআপ গঠন, মেন্টরশিপ ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। অনুষ্ঠানে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (খুলনা) থেকে মোটকরে প্রায় তিনশত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

  • খুলনায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গজাল’ ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনায় অস্ত্র-গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গজাল’ ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনা মহানগর পুলিশের দৌলতপুর থানা ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন হাওলাদার ওরফে গজাল ইমন (২৩) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    গ্রেপ্তার ইমন দৌলতপুর থানাধীন মহেশ্বরপাশা বুচিতলা এলাকার বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেনের ছেলে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

    কেএমপির মিডিয়া সেলের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দিবাগত ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নগরীর রায়েরমহল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে ইমনের দেওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে মহেশ্বরপাশা কার্তিককূল উত্তর ঘোষপাড়া এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

    উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে দুইটি ওয়ান-শ্যুটার গান, একটি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পিস্তলের এক রাউন্ড গুলি এবং ওয়ান-শ্যুটার গানের চার রাউন্ড কার্তুজ। পুলিশ বলছে, এসব অস্ত্র-গুলোবারুদ ইমনসহ গ্রেপ্তারদের কাজে ব্যবহার করা হতো।

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ইমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র সত্যসহ দস্যুতা ও চুরিসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। পুলিশ তাকে তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী হিসেবে জানায় এবং ঘটনার আর্থিক ও সহযোগী জট সংক্রান্ত আরও তদন্ত চালানো হচ্ছে।

  • খুলনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনায় অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন গ্রেপ্তার

    খুলনা মহানগর পুলিশের (কেএমপি) দৌলতপুর থানা পুলিশ ও মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যৌথ অভিযানে পুলিশের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন হাওলাদার ওরফে গজাল ইমন (২৩) গ্রেপ্তার হয়েছেন।

    আটক ইমন দৌলতপুর থানার মহেশ্বরপাশা বুচিতলা এলাকার বাসিন্দা এবং আলমগীর হোসেনের ছেলে।

    কেএমপির মিডিয়া সেলের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার দিবাগত ভোররাতে গোপনসংবাদের ভিত্তিতে নগরীর রায়েরমহল এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

    পরে ইমন যে তথ্য দিয়েছেন তা অনুযায়ী মহেশ্বরপাশার কার্তিককূল উত্তর ঘোষপাড়া এলাকায় আক্রমণাত্মক তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ কয়েক ধরনের অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করে। উদ্ধারে রয়েছে ২টি ওয়ান-শুটার গান, ১টি পিস্তল, ১টি ম্যাগাজিন, ১ রাউন্ড পিস্তলের গুলি এবং ৪ রাউন্ড ওয়ান-শুটার গানটির কার্তুজ।

    পুলিশ জানায়, প্রাথমিক অনুসন্ধানে ইমন হাওলাদারের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, দস্যুতা ও চুরিসহ মোট সাতটি মামলা রয়েছে। তিনি পুলিশের তালিকাভুক্ত একজন শীর্ষ সন্ত্রাসী।

    ঘটনার পর থেকে কেএমপি তদন্ত চালাচ্ছে এবং গ্রেপ্তার ও উদ্ধারকৃত সামগ্রীর বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে জানানো হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

  • তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    তরুণ উদ্যোক্তারা গড়ে উঠলে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে

    বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা ও সৃজনশীল স্টার্টআপ ধারণা প্রসারের লক্ষ্য নিয়ে ‘ইয়ুথ এন্টারপ্রেনিউরশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপ ফর স্টুডেন্টস’ শীর্ষক একটি কর্মশালা আজ রোববার (৫ এপ্রিল) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে এসএমই ফাউন্ডেশন এ কর্মশালার আয়োজক ছিল। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ও খুলনা ইউনিভার্সিটি ক্যারিয়ার ক্লাব সামগ্রিক সহযোগিতা প্রদান করেছে।

    সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের লিয়াকত আলী মিলনায়তনে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ রেজাউল করিম। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এখন নতুন সম্ভাবনার দিকে ধাবিত হচ্ছে এবং বর্তমান সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে কার্যকরভাবে কার্যকর হচ্ছে।

    উপাচার্য আরও বলেন, দেশে চাকরির বাজার সীমিত হওয়ায় প্রত্যেককে কেবল চাকরির জন্য অপেক্ষা না করে নিজেই কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর জাতীয় প্রত্যাশা অনেক। তারা যদি উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে, তবে দেশের অর্থনীতি আরও সুদৃঢ় হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে গণভিত্তিক উন্নয়ন সম্ভব হবে। এজন্য এ ধরণের কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরি।

    তিনি জানান, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ইউনিভার্সিটি ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এ হাবের মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রদত্ত হচ্ছে এবং প্রশিক্ষণ শেষে সিডমানি (প্রারম্ভিক তহবিল) দিয়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পথকে আরও সুগম করা হচ্ছে। তিনি শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল উন্নয়নেও গুরুত্বারোপ করেন এবং বলেন, বাস্তবসম্মত ও যুগোপযোগী আইডিয়া থাকলে বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হওয়া সহজ।

    অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন এসএমই ফাউন্ডেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আনোয়ার হোসেন চৌধুরি। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নূরুন্নবী, বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মোঃ রুকনুজ্জামান এবং স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল হাই। স্বাগত বক্তব্য রাখেন এসএমই ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার আব্দুস সালাম সরদার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ক্যারিয়ার ক্লাবের তাসমিয়া ইসলাম তিশা ও ফাহিম খান।

    বক্তারা সমাজে নতুন ধাঁচের কর্মসংস্থান গঠনে তরুণ উদ্যোক্তাদের ভূমিকার ওপর জোর দেন। তারা বলেন, আজকের তরুণদের সামনে অসীম সম্ভাবনা রয়েছে; শুধু চাকরি নয়, সফল উদ্যোক্তা হয়ে নিজে ও অন্যদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে সমাজকে এগোতে সাহায্য করা সম্ভব। উদ্যোক্তা তৈরিতে ইতোমধ্যেই নানা প্রতিষ্ঠান কাজ করছে; তাই শিক্ষার্থীদের ইনোভেটিভ আইডিয়া তৈরি করে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়।

    অতিথিরা আরও বলেন, বাংলাদেশের মতো উদীয়মান দেশে শক্তিশালী স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা জরুরি। এতে বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ক্ষুদ্র বেসরকারি কোম্পানিগুলোরও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিনিয়োগ ও মেন্টরশিপে সমন্বয় থাকলে তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবে পরিণত করা সম্ভব।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে তিনটি প্লেনারি সেশনে উদ্যোক্তা উন্নয়ন, স্টার্টআপ গঠন, মেন্টরশিপ ও ব্যবসায়িক প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ের ওপর বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি খুলনার প্রায় তিনশত শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।

  • ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস: খুলনায় বিশেষ অভিযান

    ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস: খুলনায় বিশেষ অভিযান

    ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণ রোধে দেশব্যাপী ঘোষিত “প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস” কর্মসূচির অংশ হিসেবে খুলনা নগরে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযানে লোকবল ও যন্ত্রপাতি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় পরিচালিত এ কর্মসূচির আওতায় শনিবার খালিশপুর এলাকায় মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো হয়।

    খুলনা সিটি কর্পোরেশন (কেসিসি) প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু সকাল সাড়ে ১০টায় ১২নং ওয়ার্ডস্থ প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় উপস্থিত থেকে এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে অংশ নেন। কেসিসি’র কনজারভেন্সি বিভাগ কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন করছে।

    কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু স্থানীয় লোকজন ও সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলে বলেন, “নগরবাসীর সমস্যা দূর করাই কেসিসি’র মূল লক্ষ্য। আমরা একটি পরিচ্ছন্ন ও নিরাপদ শহর গড়তে কাজ করছি। খালগুলো পরিষ্কার করতে দুই মাসের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। আসন্ন বর্ষার আগেই ড্রেন-নালা পরিষ্কার করে যাতে কোথাও জলাবদ্ধতা না হয়, সে উদ্যোগ নেয়া হবে।”

    তিনি নগরবাসীর প্রতি বিশেষ করে অনুরোধ করেন ড্রেনে বা রাস্তা-ঘাটে আবর্জনা না ফেলতে এবং নির্দিষ্ট স্থানে আবর্জনা ফেলার মাধ্যমে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে সহযোগিতা করার জন্য। তিনি বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতা পেলে পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ার লক্ষ্য সহজেই পূরণ করা সম্ভব।

    কেসিসি ইতোমধ্যে বিভিন্ন ওয়ার্ডে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করেছে। ড্রেন, নালা, আবর্জনার স্তূপ এবং মশার প্রজননশীল ঝুঁকিপূর্ণ স্থানগুলোতে বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি বাড়ির আঙিনা পরিষ্কার রাখা, ফুলের গামলা, ড্রাম, অপ্রয়োজনীয় বাসন-পত্র বা পরিত্যক্ত টায়ারে পানি জমতে না দেওয়া সম্পর্কে নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াতেও আহ্বান জানানো হয়েছে।

    কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ, প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোঃ মাসুদ করিম, কনজারভেন্সি অফিসার প্রকৌশলী মোঃ আনিসুর রহমান, মোঃ অহিদুজ্জামান খান, এস্টেট অফিসার গাজী সালাউদ্দিন, সিনিয়র লাইসেন্স অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান রহিমসহ ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

    পরবর্তীতে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিপরীত গলি, এস লাইনের মসজিদ, গোয়ালখালী থেকে বাস্তুহারা পর্যন্ত ড্রেন, বয়রা হাউসিং এস্টেট-এর ১নং সড়ক ও ক্ষুদে খালের অবশিষ্ট অংশে চলমান উন্নয়ন কাজ পরিদর্শন করেন।

  • বাগেরহাটে মাঠ দিবস: মাশরুম চাষে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

    বাগেরহাটে মাঠ দিবস: মাশরুম চাষে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত

    বাগেরহাটে মাশরুম চাষে কৃষিতে বৈচিত্র্য আনা ও দরিদ্রতা কমানোকে লক্ষ্য করে মাঠ দিবস ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (৫ এপ্রিল) সদর উপজেলা মিলনায়তনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে এ কর্মসূচি চালানো হয়। মাশরুমকে কৃষি খাতে আয়ের একটি লাভজনক ও কম খরচের উপায় হিসেবে উজ্জীবিত করতে 이날 তথ্যবহুল প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনী করা হয়।

    অনুষ্ঠানে জেলার বিভিন্ন অঞ্চল থেকে প্রায় ১০০ জন মাশরুম চাষি অংশ নেন এবং নিজেরা অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে মাশরুমের চাহিদা বাড়ছে; সঠিক প্রশিক্ষণ ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে মাশরুম চাষকে বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক করা যায়। তিনি আরও বলেন, স্বল্প জমি ও কম বিনিয়োগেই মাশরুম থেকে ভালো আয় সম্ভব হওয়ায় এটি বিশেষ করে যুবসমাজ ও নারী সংগ্রামীদের জন্য আত্মকর্মসংস্থানের বড় সুযোগ।

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক (কৃষিবিদ) মোঃ মোতাহার হোসেন, জেলা মৎস্য অফিসার রাজ কুমার বিশ্বাস, জেলা যুব উন্নয়ন অধিদফতরের উপপরিচালক এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতিয়া খাতুন। তারা প্রযুক্তি, রোগনিয়ন্ত্রণ এবং বাজারজাতকরণ সম্পর্কে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেন।

    আলোচনায় আধুনিক মাশরুম উৎপাদন, সঠিকভাবে প্যাকেজিং ও স্থানীয় বাজারে বিক্রয় বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। সভার শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ করা হয় এবং ভবিষ্যতে ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, এই ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে এবং কৃষকদের মধ্যে মাশরুম চাষে আগ্রহ বাড়াবে।

  • প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জলদস্যুর হাতে অপহৃত ছয় জেলে ফিরেছে নিজের ঘরে

    প্রায় দেড় লাখ টাকা মুক্তিপণ দিয়ে জলদস্যুর হাতে অপহৃত ছয় জেলে ফিরেছে নিজের ঘরে

    সুন্দরবনে জলদস্যুদের হাতে অপহরণের পর মুক্তিপণের দাবিতে জিম্মিদের পরিবারের সংগ্রাম শেষে ছয় জেলে তাদের পরিবারের কাছে ফিরে এসেছে। শনিবার ভোরে বাড়ি ফিরেছে আনারুল, ইমরান ও সুশান্ত, এবং একদিন আগে শুক্রবার শ্মশানে আসে সাদ্দাম, ইউনুস আলী ও সাইফুল ইসলাম। অপহরণের সময়ে পরিবারের পক্ষ থেকে জলদস্যুদের কাছে মোট দেড় লাখ টাকার মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল, যা পরিশোধের মাধ্যমে জেলেরা মুক্তি পায়।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সাদ্দামের মুক্তিপণের জন্য ৪০ হাজার, আনারুল, সুশান্ত ও ইমরানের জন্য প্রত্যেকের জন্য ৩৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়। এছাড়া, ইউনুস আলী ও সাইফুলের জন্য প্রত্যেকের দৌঁড়ে গিয়ে ২৫ হাজার টাকা পরিশোধ করতে হয়েছে। তবে, এনামুল ও হযরতসহ আরও চার জেলের কোনো খোঁজ এখনো পাওয়া যায়নি।

    এদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন জেলেরা জানিয়েছেন, ১ এপ্রিল বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত করার নির্দেশনা দেন। তার নির্দেশে র‌্যাব, কোস্টগার্ড, বিজিবি এবং পুলিশের তৎপরতার ফলে জলদস্যুরা অপহৃত জেলেদের নিশ্চিহ্নে নিচের দিকে সরে গেছে। সাতক্ষীরা রেঞ্জের বুড়িগোয়ালিনী স্টেশন অফিসার মোঃ ফজলুল হক বলেন, অপহরণের বিষয়টি বা মুক্তি পাওয়ার আপডেট জেলেদের পরিবারের কাছ থেকে এখনো জানানো হয়নি।

    অতীতে, ৩০ মার্চ সুন্দরবনের চুনকুড়ি, মালঞ্চ ও মামুন্দো নদী থেকে ‘ডন’ ও ‘আলিফ ওরফে আলিম’ বাহিনী নামে পরিচিত চক্রের মাধ্যমে আরও চার জেলেকে অপহরণ করা হয়। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ খালেদুর রহমান জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনায় জেলেরা সাধারণত নিজেদের মধ্যে সমাধান করতে চান, কিন্তু জীবনের ঝুঁকির কারণে পুলিশকে তথ্য দিতে চান না। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে।

    অপর দিকে, বনবিভাগের এক কর্মকর্তার দাবি, সুন্দরবনের নোটাবেঁকী টহল ফাঁড়ির সংলগ্ন এলাকায় প্রবেশ করে সাতজন মৌয়াল মধু সংগ্রহ করছিলেন। পরে অভিযানের সময় স্মার্ট টহল টিম তাদের আটক করে। তবে, নেটওয়ার্কের সমস্যা থাকায় আটক ব্যক্তিদের নাম বা পরিচয় জানা যায়নি।

  • বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার: গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    বিএনপি সরকারের অঙ্গীকার: গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার মানুষের কল্যাণে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

    জেলা পরিষদের উদ্যোগে বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে গুম, খুন ও অমানুষিক নির্যাতনের শিকার হওয়া পরিবারের সদস্যদের মাঝে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে শহীদ পরিবারের ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জানিয়ে দেশনেতা তারেক রহমানের পক্ষ থেকে বিপ্লবী সালাম বর্ষিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, গত ১৭ বছর ধরে দেশে গুম, খুনের সংস্কৃতি চালু ছিল, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল মানুষের কণ্ঠস্বর দমন করা। দীর্ঘ দুঃশাসনের অবসান ঘটিয়ে আজ মানুষ মুক্তির নিশ্বাস নিচ্ছে, এই মুক্তির পেছনে রয়েছে অসংখ্য ভাই-बहন ও স্বজনের রক্ত ও Tear।

    শনিবার দুপুর ১২টায় খুলনা শহরের হোটেল ওয়েস্টার্ন ইন-এ অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব (ভারপ্রাপ্ত) এস এম মনিরুল হাসান বাপ্পী। অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মমিনুর রহমানের নেতৃত্বে চলছিল। মোট ৭৩টি পরিবার— এর মধ্যে ২৩টি শহীদ পরিবার ও ৫০টি পরিবার নির্যাতনে আহত ও অসুস্থ— তাদের জন্য এই অর্থ সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়।

    বক্তারা বলেন, এই সহায়তা বিএনপি সরকারের দয়া বা করুণা নয়, বরং এটি অভিযুক্ত পরিবারের ন্যায্য অধিকার। তারা ঘোষণা করেন যে, যারা আমাদের মা-বাবাদের কোল খালি করেছে বা সন্তানদের গুম করেছে, তাদের সবাইকে আইনের আওতায় এনে শাস্তি প্রদান করা হবে। তারা উল্লেখ করেন, বিগত সরকার ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দেউলিয়া করেছে আর জেলা পরিষদকে লুটপাটের কেন্দ্রবিন্দু করে তোলে। এখন যখন জেলা পরিষদ সাধারণ মানুষ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে, তখন দেশের দৃঢ় গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোর গৌরব পুনরুদ্ধার হচ্ছে— এটি একটি বড় প্রেরণা।

    অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী বক্তারা এই মানবিক উদ্যোগের জন্য জেলা পরিষদ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে একটি আলোর বাংলাদেশ গড়তে শহীদ ও নির্যাতিত পরিবারের পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। এই অর্থ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, মহানগর বিএনপি’র সভাপতি এড. শফিকুল আলম মনা, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন, এবং জেলা ড্যাবের সভাপতি ডাঃ রফিকুল ইসলাম বাবলু প্রমুখ।

    উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে ২৩ জন শহীদ পরিবারের ও ৫০ জন নির্যাতিত পরিবারের মাঝে মোট ৭ লাখ ৩৬ হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হয়েছে, যা জেলা পরিষদের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে প্রধান অতিথি প্রদান করেন।

  • ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া থেকে রক্ষায় শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু

    ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া থেকে রক্ষায় শনিবার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি শুরু

    ডেঙ্গু ও চিকনগুনিয়া প্রতিরোধে দেশব্যাপী ঘোষণা করা হয়েছে ‘প্রতি শনিবার পরিচ্ছন্নতা দিবস’ নামে একটি কর্মসূচি। এই উদ্যোগের অংশ হিসেবে নগরীজুড়ে বিশেষভাবে পরিচ্ছন্নতা এবং মশক নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। খুলনা সূর্য্যর আলোকে দেখে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় গৃহীত এই কর্মসূচির আওতায় শনিবার নগরীর খালিশপুর অঞ্চলে ব্যাপক পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়েছে। নগরীর ১২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রভাতী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন স্থানে এ কর্মসূচির আওতায় মোছার কাজ চালানো হয়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) কঞ্জারভেন্সি বিভাগ এই কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছে। এর সময় স্থানীয় মানুষ ও সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু জানান, নগরীর স্বস্তির জন্যই এই উদ্যোগ। একটি পরিষ্কার, নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, বর্ষা মৌসুমের আগে খালগুলি পরিষ্কার করে জলজটের সমস্যা এড়ানো হবে। ড্রেন ও জলজট রোধে দুই মাসের মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে বিমান আনেন। নগরবাসীর প্রতি তিনি আহ্বান জানান, ড্রেনে বর্জ্য না ফেলে নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা, পানির জমাট বাধার পরিস্থিতি তৈরি এড়ানো। এক্ষেত্রে সবাইকে সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি বলে, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মোকাবিলায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের জোরালো অভিযানে পৌরবাসীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। ড্রেন, নালা, আবর্জনা স্তূপ ও মশার প্রজননস্থল হিসেবে পরিচিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো পরিষ্কারে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এর পাশাপাশি, বাসার আঙ্গিনা পরিচ্ছন্ন রাখা, ফুলের টব, ড্রাম, পুরানো বালতি ও পরিত্যক্ত টায়ারে যাতে পানি না জমে তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। কেসিসির বিভিন্ন কর্মকর্তা ও স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এই কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন। পরে, কেসিসি প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করেন, যেমন পোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয়, গলি, এস লাইনের মসজিদ, গোয়ালখালীর এলাকাসহ জলাবদ্ধ এলাকা ও উন্নয়ন কাজের প্রগতি দেখেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগরীর নাগরিকেরা সচেতন থাকবেন এবং ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষা পাবে বলেই আশা করা হচ্ছে।

  • র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি প্রসঙ্গে মহাপরিচালকের আপ্রাণ স্পষ্টতা

    র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি প্রসঙ্গে মহাপরিচালকের আপ্রাণ স্পষ্টতা

    নবনিযুক্ত র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‌্যাব) মহাপরিচালক মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে র‌্যাবের মতো একটি শক্তিশালী সংস্থার প্রয়োজন রয়েছে। তবে, এই বাহিনীটির কার্যক্রম রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল হাত থেকে পরিচালিত হবে এবং সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবে।

    রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে র‌্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক স্পেশাল মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। মহাপরিচালক মনে করেন, যদি সঠিকভাবে ও স্বচ্ছভাবে র‌্যাব পরিচালিত হয়, তাহলে সাধারণ জনগণের মধ্যে বাহিনীর সম্পর্কে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

    র‌্যাবের বিলুপ্তির দাবির বিষয়ে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণভাবে সরকারের উপর নির্ভর করে। বর্তমানে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী তারা কাজ করে যাবে। তিনি আরও বললেন, গত দেড় বছর ধরে র‌্যাবের মধ্যে কোনো নেতিবাচক বা বিতর্কিত কার্যক্রম ঘটেনি, এবং সরকার নির্ধারিত পথে পেশাদারিত্বের সাথে সংগঠনটি পরিচালিত হচ্ছে।

    বৃহৎ দিনের কার্যক্রমের বিচার-বাদী প্রক্রিয়ার ব্যাপারে আহসান হাবীব পলাশ জানান, র‌্যাব সব ধরনের তদন্ত ও তদন্তকার্য সহযোগিতা নিশ্চিত করছে। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং স্বচ্ছতার জন্য র‌্যাব পুরোপুরি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

    দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, সারা দেশে জলদস্যুদের বিস্তার বাড়ার বিষয়ে তারা অবগত রয়েছেন এবং এ বিষয়ে কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি সরাসরি জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের অস্তিত্ব নিয়ে মন্তব্য না করলেও আশ্বস্ত করেন যে, জননিরাপত্তার জন্য যে কোনো হুমকি বা অপতৎপরতা দমন করতে র‌্যাব সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।