Category: রাজনীতি

  • খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি, আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক

    খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি, আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল খুলনা জেলা কমিটি ঘোষণা হওয়ার সাড়ে পাঁচ ঘণ্টার একটু বেশি সময়ের মধ্যে জেলা আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার (১৩ মে) কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের কারণে খুলনা জেলা শাখার আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে তার সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো। একই সঙ্গে ওই কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। সিদ্ধান্তটি কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনুমোদিত হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে অবিলম্বে এই পরিবর্তন কার্যকর করা হবে।

    উল্লেখ্য, গতকাল মঙ্গলবার রাতেই খুলনা মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাক্ষরিত পৃথক পত্রে মহানগর ও জেলার এই দুটি কমিটির অনুমোদন জারি করা হয়েছিল।

    অনুমোদিত খুলনা মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে ৪৩ জনকে রাখা হয়েছে; তাজিম বিশ্বাস আহ্বায়ক, আরিফুর রহমান আরিফ সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক, এবং হাবিবুর রহমান খান বিপ্লব সদস্য সচিব। অপর দিকে অনুমোদিত খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে ৩০ সদস্য থাকছে; সেখানে প্রথমে ফিরোজ আহমেদকে আহ্বায়ক, আবু জাফরকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও খান ইসমাইল হোসেনকে সদস্য সচিব করে কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল।

    কিন্তু কমিটি ঘোষণার মাত্র কিছু সময়ের মধ্যেই কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত পাল্টে জেলা আহ্বায়কের পরিবর্তন কার্যকর করা হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে আবু জাফর এখন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করবেন।

  • নানা অভিযোগ তোলায় একযোগে পদত্যাগ এনসিপির ২২ নেতার

    নানা অভিযোগ তোলায় একযোগে পদত্যাগ এনসিপির ২২ নেতার

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)–র চট্টগ্রাম মহানগর আহ্বায়ক কমিটির সদ্য ঘোষিত বিভিন্ন পদে থাকা ২২ নেতাই একযোগে পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (১৫ মে) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মহানগর দফতর সম্পাদক মোহাম্মদ রাফসান জানি রিয়াজ।

    দলের কেন্দ্রীয় ঘোষণায় বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক ও আরিফ মঈনুদ্দীনকে সদস্য সচিব রেখে ১৬৮ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। সেই রাতেই ২২ জন নেতা পালাক্রমে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

    পদত্যাগী নেতারা অভিযোগ করেছেন, কমিটিতে অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রাখা হয়েছে। তাদের মতে, কিছু নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, টাকার বিনিময়ে পদ বাণিজ্য, নারী কেলেঙ্কারি এবং মামলা বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন—এ ধরনের গুরুতর অভিযোগ থাকলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।

    রাফসান জানি রিয়াজ বলেন, ‘‘দলের জন্য যারা নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। আমরা এই কমিটির পুনর্মূল্যায়ন চাই এবং বিষয়টি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে জানানো হবে।’’

    পদত্যাগ করা সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ বলেন, ‘‘আমরা আদর্শ, নৈতিকতা ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক চর্চার প্রত্যাশা থেকেই এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। নতুন কমিটি গঠন ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড দেখে আমরা হতাশ। রাজনৈতিক সংগঠনে দুর্নীতি ও ব্যক্তিস্বার্থের চর্চা গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতেও আমরা জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পক্ষে কাজ করবো।’’

    পদত্যাগকারী নেতাদের তালিকায় রয়েছেন: সৈয়দ এহছানুল হক (যুগ্ম আহ্বায়ক), কামরুল কায়েস (যুগ্ম আহ্বায়ক), মো. সোহরাব চৌধুরী (যুগ্ম সদস্যসচিব), হামিদুল ইসলাম (যুগ্ম সদস্যসচিব), বদিউল আলম (যুগ্ম সদস্যসচিব), মোহাম্মদ সরোয়ার আলম (যুগ্ম সদস্যসচিব), ইকবাল মাসুদ (যুগ্ম সদস্যসচিব), রকিবুল ইসলাম (সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক), ডা. মাহতাব উদ্দিন আহমদ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), সাদমানুর রহমান চৌধুরী (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), সুফি মোহাম্মদ মিনহাজ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোহাম্মদ কারিওল মাওলা (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোহাম্মদ আকরাম হোসেন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোশাররফ হোসেন রবিন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), নুরুল আবছার সাইবান (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোস্তফা রাশেদ আজগর (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোহাম্মদ রাফসান জানি রিয়াজ (দফতর সম্পাদক), মো. নুরুদ্দীন (সমাজকল্যাণ সম্পাদক), মোহাম্মদ বেলাল হোসেন (সহ-প্রচার ও প্রচারণা সম্পাদক), মো. ওমর সাঈদ (সদস্য) ও তাহজীব চৌধুরী (সদস্য)।

    এ বিষয়ে দলের অন্যান্য নেতা বা কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতিক্রিয়া এখনও পাওয়া যায়নি। পরিস্থিতি পরিস্থিতি পরিষ্কার হওয়ার পর আমরা আপডেট দেব।

  • নানা অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম মহানগরের ২২ এনসিপি নেতা একযোগে পদত্যাগ

    নানা অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম মহানগরের ২২ এনসিপি নেতা একযোগে পদত্যাগ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চট্টগাঁও মহানগর কমিটির ২২ জন নেতা নানা অভিযোগ তুলে একযোগে পদত্যাগ করেছেন। তারা সদ্য ঘোষিত ১৬৮ সদস্যের মহানগর আহ্বায়ক কমিটির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদ ছিলেন।

    কমিটি ঘোষণার পরপরই শুক্রবার (১৫ মে) দফতর সম্পাদক মোহাম্মদ রাফসান জানি রিয়াজ সাংবাদিকদের বলে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (১৪ মে) মীর মোহাম্মদ শোয়াইবকে আহ্বায়ক এবং আরিফ মঈনুদ্দীনকে সদস্য সচিব করে ১৬৮ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হলেও রাতেই ২২ নেতার পদত্যাগের ঘোষণা আসে।

    পদত্যাগী নেতারা অভিযোগ করেছেন যে কমিটিতে অযোগ্য ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে। তাদের কথায়, কিছু নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, পদ বাণিজ্য (টাকার বিনিময়ে পদ-বণ্টন), নারী কেলেঙ্কারি এবং মামলার মাধ্যমে অর্থ উপার্জনসহ মারাত্মক অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে।

    রাফসান জানি রিয়াজ বলেন, ‘‘দলের জন্য যারা নিবেদিতপ্রাণ ও ত্যাগী, তাদের মূল্যায়ন করা হয়নি। আমরা এই কমিটির পুনর্মূল্যায়ন দাবি করছি। বিষয়টি কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামকে জানানো হবে।’’

    কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবেও পদত্যাগ করেছেন হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ। তিনি বলেন, ‘‘আমরা আদর্শ, নৈতিকতা ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক চর্চার প্রত্যাশায় এনসিপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। সাম্প্রতিক কমিটি গঠন ও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডে আমরা হতাশ। রাজনৈতিক সংগঠনে দুর্নীতি ও ব্যক্তিস্বার্থের চর্চা গ্রহণযোগ্য নয়। ভবিষ্যতেও আমরা জনস্বার্থ, ন্যায়বিচার ও স্বচ্ছ রাজনৈতিক সংস্কৃতির পক্ষে কাজ করবো।’’

    পদত্যাগ করা ২২ নেতার মধ্যে রয়েছেন:

    সৈয়দ এহছানুল হক (যুগ্ম আহ্বায়ক), কামরুল কায়েস (যুগ্ম আহ্বায়ক), মো. সোহরাব চৌধুরী (যুগ্ম সদস্যসচিব), হামিদুল ইসলাম (যুগ্ম সদস্যসচিব), বদিউল আলম (যুগ্ম সদস্যসচিব), মোহাম্মদ সরোয়ার আলম (যুগ্ম সদস্যসচিব), ইকবাল মাসুদ (যুগ্ম সদস্যসচিব), রকিবুল ইসলাম (সিনিয়র সাংগঠনিক সম্পাদক), ডা. মাহতাব উদ্দিন আহমদ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), হুজ্জাতুল ইসলাম সাঈদ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), সাদমানুর রহমান চৌধুরী (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), সুফি মোহাম্মদ মিনহাজ (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোহাম্মদ কারিওল মাওলা (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোহাম্মদ আকরাম হোসেন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোশাররফ হোসেন রবিন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), নুরুল আবছার সাইবান (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোস্তফা রাশেদ আজগর (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), মোহাম্মদ রাফসান জানি রিয়াজ (দফতর সম্পাদক), মো. নুরুদ্দীন (সমাজকল্যাণ সম্পাদক), মোহাম্মদ বেলাল হোসেন (সহ-প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক), মো. ওমর সাঈদ (সদস্য) এবং তাহজীব চৌধুরী (সদস্য)।

    এ ব্যাপারে এনসিপি কেন্দ্রীয় বা মহানগর নেতৃত্বের তরফ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। পদত্যাগ করা নেতারা বলছেন, যদি দাবি মানা না হয় তবে তারা দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়কে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে কর্মপন্থা নিয়ে বিবেচনা করবে।

  • খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফিরোজকে অব্যাহতি, ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবু জাফর

    খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক ফিরোজকে অব্যাহতি, ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবু জাফর

    খুলনা জেলা ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণার মাত্র ১৫ ঘণ্টা পর জেলা আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফরকে জেলা শাখার ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

    এই সিদ্ধান্ত বুধবার (১৩ মে) কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে ফিরোজ আহমেদকে অব্যাহতি দেয়া হলো। সিদ্ধান্তটি সাংগঠনিক গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখার স্বার্থে অবিলম্বে কার্যকর হবে।

    আগে মঙ্গলবার রাতে খুলনা মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় সংসদের পৃথক অনুমোদন পত্রে খুলনা মহানগর আহবায়ক কমিটিতে তাজিম বিশ্বাসকে আহবায়ক, আরিফুর রহমান আরিফকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও হাবিবুর রহমান খান বিপ্লবকে সদস্য সচিব করে ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

    একইভাবে খুলনা জেলা আহবায়ক কমিটিতে প্রথমে ফিরোজ আহমেদকে আহবায়ক, আবু জাফরকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও খান ইসমাইল হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৩০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন করা হয়েছিল। কিন্তু পরে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে ফিরোজকে সাবেক করা হয় এবং আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্বভার প্রদান করা হয়।

  • খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফিরোজকে অব্যাহতি, আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হলো

    খুলনা জেলা ছাত্রদলের আহবায়ক ফিরোজকে অব্যাহতি, আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক করা হলো

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তে খুলনা জেলা আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদকে সাংগঠনিক পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আবু জাফরকে ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। এই ঘোষণাটি জেলা কমিটি ঘোষণা হওয়ার মাত্র ১৫ ঘণ্টার মধ্যেই আসে।

    সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত বুধবার (১৩ মে) কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সিদ্ধান্তটি কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অনুমোদন করেন এবং তা অবিলম্বে কার্যকর ঘোষণা করা হয়।

    বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাংগঠনিক গতিশীলতা ও ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক আবু জাফর জেলা শাখার কাজ চালিয়ে নেবেন যতক্ষণ না চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার রাতে খুলনা মহানগর ও জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত পৃথক পত্রে দুই কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। খুলনা মহানগর আহ্বায়ক কমিটিতে তাজিম বিশ্বাসকে আহ্বায়ক, আরিফুর রহমান আরিফকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও হাবিবুর রহমান খান বিপ্লবকে সদস্য সচিব করে ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়। খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটিতে ফিরোজ আহমেদকে আহ্বায়ক, আবু জাফরকে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও খান ইসমাইল হোসেনকে সদস্য সচিব করে ৩০ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল।

    কেন্দ্রীয় এই বদলী ঘোষণার পর জেলা স্তরে কার্যক্রম ও নেতৃত্বক্ষেত্রে কি ধরনের পরিবর্তন হবে, তা সম্পর্কে জেলা অফিস ও সংশ্লিষ্টরা পরবর্তী নির্দেশনা জানাবেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

  • এনসিপি প্রথম ধাপে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভা প্রার্থী ঘোষণা

    এনসিপি প্রথম ধাপে ১০০ উপজেলা ও পৌরসভা প্রার্থী ঘোষণা

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রাথমিকভাবে ১০০টি উপজেলা ও পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। রোববার (১০ মে) বিকেলে দলের অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেন।

    সারজিস আলম বলেন, ‘‘আজ আমরা প্রাথমিকভাবে ১০০ জন এনসিপি সমর্থিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌরসভা মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করছি। নির্বাচনের জন্য আলাদাভাবে হাজারেরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল; সেখান থেকে যাচাই-বাছাই করে এই তালিকা করা হয়েছে।’’ তিনি জানান, আগামী ঈদের আগেই—মে মাসের ২০ তারিখে—দল দ্বিতীয় ধাপে আরও ১০০ জন প্রার্থী ঘোষণা করার পরিকল্পনা করছে এবং এই নাম ঘোষণা প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

    আরও বলেন, এনসিপিতে দেশের বিভিন্ন পর্যায়ে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন বা দায়িত্বে আছেন এবং যারা গ্রহণযোগ্য, মনোনীত হওয়ার যোগ্য—তাদের জন্য দরজা খোলা। এমনকি অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্যরাও যদি প্রয়োজনীয় মানদণ্ড পূরণ করে আবেদন করেন এবং যাচাই-বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হন, তারা এনসিপির প্রার্থী হিসেবে সুযোগ পাবেন। দলের পক্ষ থেকে এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা করা হবে, তিনি যোগ করেন।

    চেয়ারম্যান ও মেয়র পদে ঘোষিত ১০০ প্রার্থীর মধ্যে ৫০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ৫০ জন পৌরসভা মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। নিচে বিভাগভিত্তিক ঘোষিত প্রার্থীদের নাম দেওয়া হলো:

    খুলনা বিভাগ: কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাদশা; ভেড়ামারা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস টনি; বাগেরহাটের চিতলমারি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইশতিয়াক হোসেন; ফকিরমারি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী লাবিব আহমেদ; মোংলা পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো. রহমত উল্লাহ; বাগেরহাট পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার; যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াহিয়া জিসান; নোয়াপাড়া পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী শাহজাহান কবির; খুলনার চালনায় মেয়র প্রার্থী এস এম এ রশিদ; চুয়াডাঙ্গা সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খায়রুল বাশার বিপ্লব; জীবননগর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী সোহেল পারভেজ; মেহেরপুরের গাংনী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী শাকিল আহমেদ; ঝিনাইদহ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী তারেকুল ইসলাম।

    রংপুর বিভাগ: পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. হাবিবুর রহমান হাবিব; বোদায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শিশির আসাদ; দেবীগঞ্জে পৌর মেয়র প্রার্থী মাসুদ পারভেজ; ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম মর্তুজা সেলিম; দিনাজপুরের ফুলবাড়িতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইমরান চৌধুরী নিশাত; বোচাগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মাওলানা এম এ তাফসির হাসান; ফুলবাড়ি পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী শিহাব হোসেন; ঘোড়াঘাটে পৌর মেয়র প্রার্থী মো. আব্দুল মান্নান; হাকিমপুরে পৌর মেয়র প্রার্থী রায়হান কবির; নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু সাইদ লিয়ন; নীলফামারী সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ড. কামরুল ইসলাম; কুড়িগ্রাম সদরের পৌর মেয়র প্রার্থী মো. মাসুম মিয়া; লালমনিরহাটের কালিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহ সুলতান নাসির উদ্দিন আহমেদ; রংপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী কৃষ্ণ চন্দ্র বর্মণ; গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খাদিমুল ইসলাম।

    রাজশাহী বিভাগ: রাজশাহীর গোদাগাড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. আতিকুল রহমান; চাঁপাইনবাগঞ্জের গোমস্তাপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু মাসুদ; নওগাঁর নেয়ামতপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশাল আহমেদ; বাদলগাছীতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আসাদ মোর্শেদ আজম; ধামুরহাটে পৌর মেয়র প্রার্থী মাহফুজার রহমান চৌধুরী রুবেল; বগুড়ার শিবগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. জাহাঙ্গীর আলম; দুপচাঁচিয়ায় পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক; বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী এ এম জেড শাহরিয়ার; নাটোর সদর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী আব্দুল মান্নান; পাবনার চাটমোহর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী খন্দকার আক্তার হোসেন; সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ আদনান; উল্লাপাড়া পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার আল-মামুন লিয়ন।

    সিলেট বিভাগ: হবিগঞ্জের আজমিরিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. কামাল আহমেদ; হবিগঞ্জ সদরে পৌর মেয়র প্রার্থী মাহবুবুল বারী চৌধুরী; মৌলভীবাজারের রাজনগরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী খালেদ হাসান; কুলাউড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু রুকিয়ান; সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ওবায়েদ আহমেদ; কানাইঘাটে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী বোরহান উদ্দিন ইউনূস; ওসমানীনগরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী হাজি মো. মোশাহিদ আলী; জৈন্তাপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী জাকারিয়া; গোয়াইনঘাটে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মনসুরুল হাসান।

    ময়মনসিংহ বিভাগ: শেরপুর সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মো. লিখন মিয়া; সদর পৌর মেয়র প্রার্থী নূর ইসলাম; জামালপুর সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবু সাইদ মো. শামিম; নেত্রকোণার খালিয়াজুড়িতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. মুশফিকুর রহমান মিন্টু; বারহাট্টায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল হক চৌধুরী বাবলু; নেত্রকোণা সদর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী সোহাগ মিয়া প্রিতম; ময়মনসিংহের তারাকান্দায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার শহিদুল ইসলাম; ভালুকায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী নূরুল ইসলাম; হালুয়াঘাটে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু হেলাল; ধোবাউড়ায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. সাইফুল্লাহ।

    ঢাকা বিভাগ (উত্তর): কিশোরগঞ্জ সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আহনাফ সাইদ খান; তাড়াইলে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকরাম হোসেন; করিমগঞ্জ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী খায়রুল কবির; ঢাকার সাভারে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাবদুল্লাহ রনি; মানিকগঞ্জ সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুল ইসলাম; দৌলতপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আবু আবদুল্লাহ; টাঙ্গাইলের কালিহাতিতে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মেহদী হাসান; টাঙ্গাইল পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মাসুদুর রহমান রাসেল; ভূঞাপুর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী হাসান ইমাম তালুকদার; শফিপুর পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মাওলানা আনসার আলী; নরসিংদী সদরে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফ ইবনে সারওয়ার; গাজীপুরের কালিগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী শোয়েব মিয়া।

    ঢাকা বিভাগ (দক্ষিণ): নারায়ণগঞ্জের সেনারগাঁওয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী তুহিন মাহবুব; মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানে উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী আলী নেওয়াজ।

    ফরিদপুর বিভাগ: ফরিদপুরের নগরকান্দায় উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী রেজাউল করিম সবুজ; নগরকান্দা পৌরসভার মেয়র প্রার্থী নাজমুল হুদা; ফরিদপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী সাইদ খান; মাদারীপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো. হাসিবুল্লাহ; গোপালগঞ্জ পৌরসভার মেয়র প্রার্থী ফেরদৌম আমেনা।

    এনসিপি বলেছে, তারা ভবিষ্যতেও যাচাই-বাছাই ও দায়িত্বশীলতার ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা বৃদ্ধি ও বদল করতে পারে। দলের দৃঢ় প্রতিশ্রুতি—যোগ্য ও জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য নেতৃত্ব খুঁজে এনে স্থানীয় সরকারে অংশ নেওয়া।

  • এনসিপি ঘোষণা করল ১০০ উপজেলার ও পৌরসভার প্রার্থী

    এনসিপি ঘোষণা করল ১০০ উপজেলার ও পৌরসভার প্রার্থী

    আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনের জন্য জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) আজ রোববার (১০ মে) বিকেলে তাদের প্রাথমিকভাবে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণাটি দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে অনুষ্ঠিত হয়। দলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এই প্রার্থীদের নাম প্রকাশ করেন। তিনি জানান, ‘আমরা প্রথম ধাপে ১০০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান এবং পৌরসভার মেয়রের প্রার্থী ঘোষণা করছি।’

    সারজিস আলম আরো বলেন, ‘হাজারের বেশি আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। সেই প্রক্রিয়া অনুসারে আমরা প্রথম ১০০ জনের নাম প্রকাশ করছি। আমরা আশা করছি, ঈদের আগে এ মাসের ২০ তারিখে দ্বিতীয় ধাপে আবারো আরও ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করতে পারব। এই প্রক্রিয়াটি অব্যাহত থাকবে।’

    তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘সারা দেশে থাকা এনসিপির নেতাকর্মী, যারা বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্বে রয়েছেন, সংগঠনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, বা অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের অভিজ্ঞতা ও গ্রহণযোগ্যতা সম্পন্ন, এবং যাদের উপর কোনো জুলুম বা অন্যায়ের ছাপ নেই, তারা যেকোনো রাজনৈতিক দলের হোক না কেন, এনসিপিতে প্রার্থী হিসেবে আবেদন করতে পারবেন। আমরা যথাযথ যাচাই-বাছাই করেই সিদ্ধান্ত নেব। অপরাধ বা জুলুমের সঙ্গে জড়িত নয়, এমন প্রার্থীদের আমরা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’

    এনসিপির ঘোষিত ১০০ প্রার্থীর মধ্যে ৫০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও ৫০ জন পৌরসভার মেয়রের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিভাগ অনুযায়ী কিছু উল্লেখযোগ্য প্রার্থীর নাম হলো:

    খুলনা বিভাগে উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে অ্যাডভোকেট আবুল হাশেম বাদশা (কুমারখালী), জান্নাতুল ফেরদৌস টনি (ভেড়ামারা), ইশতিয়াক হোসেন (চিতলমারী), লাবিব আহমেদ (ফকিরমারী), আর পৌর মেয়র হিসেবে মো. রহমত উল্লাহ (মোংলা), সৈয়দ মোর্শেদ আনোয়ার (বাগেরহাট), আরও অনেক প্রার্থী রয়েছেন।

    রংপুর বিভাগে স্থানীয় প্রার্থীদের মধ্যে মো. হাবিবুর রহমান হাবিব (তেঁতুলিয়া), শিশির আসাদ (বদয়া), মাসুদ পারভেজ (দেবীগঞ্জ), গোলাম মর্তুজা সেলিম (রাণীশংকৈল), ইতি মধ্যে উল্লেখ্য।

    রাজশাহী, বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের প্রার্থীরা নিজেদের এলাকায় প্রার্থী হিসেবে অংশ নেবেন। বিভাগীয় বিশদ তালিকা ও প্রার্থীদের নামসহ এই তথ্যগুলোকে সংক্ষেপে উপস্থাপন করা হয়েছে।

    সব মিলিয়ে এনসিপির এই প্রার্থী ঘোষণা চলমান নির্বাচনী প্রস্তুতি ও দলের প্রতিপক্ষের পাশাপাশি ভোটারদের কাছে তাদের আনুগত্য ও বিশ্বাস অর্জনের একটি গুরুত্বপূর্ণ خطوة হিসেবে দেখানো হচ্ছে।

  • গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ: সরকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে

    গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ: সরকার উন্নয়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আচরণ করছে

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, সরকারের উন্নয়ননীতিতে প্রকৃতভাবেই বৈষম্য দেখা যাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, উত্তরাঞ্চলের অর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করা সবচেয়ে যৌক্তিক সিদ্ধান্ত। এটি দীর্ঘদিনের এক منط.logical দাবিও। যদি নির্বাচিত এলাকার বাইরে অন্যত্র এই বিমানবন্দর প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, তাহলে সেটি হবে মহান অবিচার ও বৈষম্যের প্রকাশ। শনিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার পথে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে অবতরণ করে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল হালিম, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি এড. আতিকুর রহমান, এবং সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী।

    গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, বিএনপি’র নির্বাচিত এমপিদের এলাকা হওয়ায় কোথাও নতুন উপজেলা বা বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে, যা আশার আলো দেয়। কিন্তু বাস্তবতায় সেই উন্নয়নগুলো নানা অঞ্চলে বিভক্ত। তিনি মন্তব্য করেন, বাংলাদেশের প্রবাদ আছে, ‘যে যায় লঙ্কায়, সে হয় রাবণ,’—অর্থাৎ ক্ষমতায় থাকাকালীন কিছু অপকর্ম ও লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। বর্তমানে বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেই একই পথে হাঁটছে, ৭০ ভাগ জনমতের উপেক্ষা করে প্রতারণার রাজনীতি করছে। নির্বাচনের আগের ‘হ্যাঁ’ ভোটের পাশে থাকা ভোটাররা এখন গণভোটের সিদ্ধান্ত অমান্য করছেন। সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ঘোষণা দিলেও আসলে গণভোটের সিদ্ধান্ত মানছে না, যা জনগণের জন্য মহাপরিহাস্ক। বিএনপি জনস্বার্থে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে উল্টো নিজের ক্ষতি করছে, যা দেশের জন্যও ক্ষতিকর।

    গণমাধ্যম সম্পর্কেও তিনি আলোকপাত করেন, ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় যাদের যারা স্বাধীন সাংবাদিকতার কথা বলতেন, এখন তারাই বিভিন্ন গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিকদের চাকরিচ্যুত ও হয়রানির সাথে জড়িত। বিশেষ করে সরকার সমালোচক সাংবাদিকদের targeting করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন।

    এর আগে, বিমানবন্দরে গোলাম পরওয়ার ও তার সফরসঙ্গীদের স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাফেজ মাওলানা আব্দুল মুনতাকিম, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আন্তাজুল ইসলাম, জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মনিরুজ্জামান জুয়েলসহ আরও শতাধিক নেতা-কর্মী। পরে তারা সড়ক পথে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।

  • সরকার জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

    সরকার জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে টালবাহানা করছে: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম শুক্রবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় বলেছেন, সরকারের পক্ষ থেকে জুলাই সনদ ও সাংবিধানিক সংস্কার ইস্যুতে পর্যাপ্ত অগ্রগতি ও উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এ বিষয়গুলোতে সরকার এড়িয়ে যাচ্ছেন, যা জনগণের জন্য উদ্বেগের কারণ। নাহিদ ইসলাম জানান, সংস্কার প্রক্রিয়া যেন জনগণের অংশগ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং সার্বভৌম ক্ষমতার ভিত্তিতে সম্পন্ন হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি অবিলম্বে গণভোটের মাধ্যমে সাংবিধানিক সংস্কার কার্যকর করার জন্য নির্দেশনা মোতাবেক ‘সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল’ গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন। বিএনপির critic করেন তিনি, যেখানে নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি শীর্ষ নেতারা গণভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন, সেখানে ক্ষমতায় এসে তারা এর বিরুদ্ধে মুখ খুলছেন, যা জনগণের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। নাহিদ ইসলাম আরও জানান, যদি সরকার এই দাবি মানতে না চায়, তাহলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে অবিলম্বে সংস্কার প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি জানান, এই আন্দোলন শান্তিপূর্ণভাবে চালিয়ে যেতে বিভিন্ন আলোচনায় অংশ নেওয়া হবে, কিন্তু প্রয়োজনে রাস্তায় নেমে গণপ্রতিনিধিত্ব ও সাংবিধানিক প্রয়োজনীয়তা পূরণের জন্য কঠোর সংগ্রাম চালানো হবে।

  • গোলাম পরওয়ারের প্রশ্ন: এলাকার উন্নয়ন কি শুধুমাত্র মন্ত্রী পর্যায়ের নেতাদের জন্য?

    গোলাম পরওয়ারের প্রশ্ন: এলাকার উন্নয়ন কি শুধুমাত্র মন্ত্রী পর্যায়ের নেতাদের জন্য?

    প্রধানমন্ত্রী বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিজ এলাকায় উন্নয়ন না হলে দেশের অন্য এলাকা কি আদৌ উন্নত হবে—এই প্রশ্ন তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীীর সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ভবনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ রেলওয়ে এমপ্লয়িজ লীগের কেন্দ্রীয় দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে এই বক্তব্য দেন তিনি।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘‘যে এলাকার নেতারা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বা আইনমন্ত্রী না হন, সেই এলাকার কি কোনো উন্নয়ন হবে না? উন্নয়নকে বৈষম্যহীন করে গড়ে তুলতে হলে সরকারকে জরুরি ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন প্রয়োজন অনুযায়ী সমীক্ষা চালাতে হবে। যেখানে রেল বা সড়ক যোগাযোগ প্রয়োজন, সেখানে ন্যায়বিচার ও মানবিকতার সুস্থ সমাজ গড়তে সরকারকে দায়িত্ব নিতে হবে।’’

    তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জুলাই আন্দোলনের সময় হাজার হাজার মানুষের রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে এই সরকার ক্ষমতায় এসেছে। কিন্তু এর পরেও এগুচ্ছে বৈষম্যের সমাজ—আমি বলছি, এই সমাজের উন্নয়নে তারা যে রক্তের বিনিময় হোক বা আন্দোলনের মাধ্যমে অর্জিত অধিকারগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে পারেনি। বরং আগের মতই উন্নয়নের নামে বৈষম্য বজায় রাখা হচ্ছে, যা শহীদদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    দেশে রেল যোগাযোগের বিপর্যয়ের জন্য তিনি দুর্নীতিকে দায়ী করে বলছেন, ‘‘বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে, যখন তারা প্রযুক্তির শিখরে পৌঁছে যাচ্ছে, তখন বাংলাদেশে এই খাতটি এখনও উন্নতিসাধনের অপ্রতুল। আমাদের এখনই প্রয়োজন আধুনিকায়ন, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের। আগামী বাজেটে প্ল্যান, রেল শ্রমিক-কর্মচারীদের দাবি মেনে নিয়ে আধুনিক রেল ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে আহ্বান জানাচ্ছি।’’

    তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন থেকে নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেবে এবং বিদেশি কোনো শক্তির চাপ বা নির্ভরশীলতায় থাকবে না। দেশকে সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম থাকতে হলে বাইরারের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে।

    শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার সংকুচিত হওয়ার ব্যাপারে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘‘সরকার শ্রমিকের সংগঠনকে দমন করছে, গণতন্ত্রের স্বার্থে তাদের অধিকার খর্ব করছে। একটি কারখানায় তিনটি সংগঠনের বেশি রেজিস্ট্রেশন দেওয়া যাবে না—এমন বিধান শ্রমিকদের সংগ্রামের পথ রুদ্ধ করে। আমি দাবি করবো, কারখানা যত বড় হবে, তত বেশি ট্রেড সংগঠন থাকা জরুরি। এতে শ্রমিকরা মালিকদের সাথে ন্যায্য দাবি নিয়ে আলোচনা করতে পারবে এবং তাদের দাবি আদায়ে শক্তিশালী অবস্থান নিতে সুবিধা হবে।’’