Category: রাজনীতি

  • প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে ভোটময় উত্তেজনা: অভিযোগ, হামলা ও অসহিষ্ণুতা বাড়ছে

    প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে ভোটময় উত্তেজনা: অভিযোগ, হামলা ও অসহিষ্ণুতা বাড়ছে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীর অলিগলি থেকে জেলা শহর পর্যন্ত রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) শীর্ষ রাজনৈতিক নেতারা দলীয় জনসভায় একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেছেন এবং একই দিনের কয়েকটি সহিংসতায় ভোটপ্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ আরও বাড়েছে।

    তারেক রহমানের জনসভা

    বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনের প্রার্থী তারেক রহমান সন্ধ্যায় ভাসানটেকের বিআরবি স্কুল মাঠে বিশাল নির্বাচনি জনসভায় অংশ নেন। তিনি সেখানে বলেন, ‘‘দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত সরকার অপরিহার্য। গত ১৫ বছরে মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে ‘ডামি’ নির্বাচন করা হয়েছে; এবার জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার সময় এসেছে।’’ তিনি সরাসরি ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে এলাকায় গৃহহীনদের পুনর্বাসনের প্রতিশ্রুতি দেন।

    জামায়াতের উত্তর সফর

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান উত্তরাঞ্চলে ব্যস্ত সময় কাটান। পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে জনসভা করে তিনি দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁওয়ে সমাবেশে অংশ নেন। দিনাজপুরে তিনি বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘‘আমরা চাঁদাবাজি করি না এবং করতে দেবো না। অর্থের বিনিময়ে বিচার কেনা যাবে না; আইন সবার জন্য সমান হবে।’’ একই সময়ে খুলনায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার তারেক রহমানের বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন।

    কেরানীগঞ্জে গুলির ঘটনায় উদ্বেগ

    গত রাতে কেরানীগঞ্জে নির্বাচনি কার্যালয়ের পাশে হযরতপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাসান মোল্লাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা। গুরুতর অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘‘নির্বাচন বানচাল করতে একটি বিশেষ গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে এই গুপ্ত হামলা চালাচ্ছে।’’

    নারায়ণগঞ্জে ইসলামী আন্দোলনের কথা

    ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির (চরমোনাই পীর) মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম ফতুল্লার ফাজেলপুরের জনসভায় বলেন, ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর দেশকে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতিমুক্ত করার সুযোগ এসেছে। তিনি জানান, তারা প্রথমে পাঁচ দল ও পরে আট দলে গঠনের মাধ্যমে ইসলামের আদর্শ বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছেন, তবে কিছু দল এককভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে এবং শরিয়া অনুযায়ী দেশ পরিচালনার আশ্বাস রেখে জনসাধারণকে বিভ্রান্ত করছে। (নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের প্রার্থী মুফতি ইসমাইল সিরাজীর সমর্থনে এসব বক্তব্য বলা হয়েছে।)

    আক্রমণ ও উত্তেজনা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

    ঢাকা-৮ আসনের ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী গণসংযোগে গেলে একটি ভবনের ওপরে থেকে অননুমোদিত ব্যক্তি একে লক্ষ্য করে ডিম ও নোংরা পানি নিক্ষেপ করেন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। পাটওয়ারী তার কর্মীদের শান্ত থাকার আহ্বান জানান।

    নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের ১০ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম বাড্ডার বাঁশতলা এলাকায় সমাবেশে বলেন, ‘‘১০ দলীয় জোটের গণজোয়ার দেখে একটি বড় দল ভয় পেয়েছে এবং বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।’’ তিনি চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে প্রতিহত করার কথা বলেন।

    বাক্যযুদ্ধে বিএনপি-জামায়াত

    নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের মধ্যে তীব্র বাক্যযুদ্ধ চলছে। ঢাকা-৭ এলাকার বিএনপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন একটি সভায় হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘‘বিএনপি চাইলে ঢাকায় জামায়াত-শিবিরকে রাস্তায় নামতে দেওয়া হবে না।’’

    অন্যদিকে খুলনায় জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বিদেশে থাকা কোনো ব্যক্তির বক্তব্যকে তীব্র সমালোচনা করে বলেন, ‘‘লন্ডন থেকে কোনো ব্যক্তি আমাদেরকে কুফরি ফতোয়া দিচ্ছেন—এটি অত্যন্ত বাড়াবাড়ি।’’ কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের বিএনপি ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’কে সমালোচনা করে বলেন, ‘‘কেউ ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে যদি বাসায় যায়, তাকে আটকে রাখার মত পরিস্থিতি তৈরি করবেন না।’’

    প্রচারণার তৃতীয় দিনে পরিস্থিতির ওপর সাধারণ মানুষের উদ্বেগ থাকতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোর তীব্র সমালোচনা ও স্থানেম 경ে ঘটে যাওয়া সহিংসতার ঘটনায় নির্বাচন শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকার আহ্বান রয়েছে।

  • কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতা হাসান মোল্লাকে গুলি: মির্জা ফখরুলের তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা

    কেরানীগঞ্জে বিএনপি নেতা হাসান মোল্লাকে গুলি: মির্জা ফখরুলের তীব্র উদ্বেগ ও নিন্দা

    কেরানীগঞ্জে বিএনপির নেতা হাসান মোল্লাকে গুলি করে আহত করার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার দুপুরে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি ঘটনায় দ্রুত ও নিষ্ঠার সঙ্গে তদন্ত করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান এবং এ ধরনের হামলা শুরু করে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ব্যাহত করার চেষ্টা চলছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর আওয়ামী স্বৈরাচারী শাসকগোষ্ঠীর পতনের পর ঘাপটি মেরে থাকা দুষ্কৃতকারীরা আবারও দেশের অস্থিতিশীলতাসহ নানা ধরনের অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘হাসান মোল্লার হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তি দেওয়া ছাড়া বিকল্প নেই; তা না হলে তারা আরও ভয়াবহ নাশকতা পালন করতে পারে।’’

    বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, মানুষের ভোটের অধিকার রক্ষা এবং জনজীবন-সম্পত্তি সুরক্ষায় দল-মত নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি আইনশৃঙ্খলার অবনতিশীল পরিস্থিতি দ্রুত সেরে তোলা এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকারের ভয়ের অবস্থা শূন্য করে তোলার গুরুত্বও তুলে ধরেন।

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাত প্রায় ৯টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জে উপজেলার হযরতপুর ইউনিয়নে দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি নেতা হাসান মোল্লাকে (৪২) গুলি করা হয়। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে তীব্র উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে এবং হামলার কারণ ও দায়ীদের দ্রুত বের করে আনার দাবি উঠেছে।

  • মির্জা ফখরুল: জামায়াত অনভিজ্ঞ, বিএনপি পরীক্ষা সইয়ে উত্তীর্ণ দল

    মির্জা ফখরুল: জামায়াত অনভিজ্ঞ, বিএনপি পরীক্ষা সইয়ে উত্তীর্ণ দল

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘‘জামায়াত কখনই সরকারে গিয়ে কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন করেনি; অন্যদিকে বিএনপি একটি পরীক্ষিত ও অভিজ্ঞ দল।’’

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের শোল টহরী বাজারে নির্বাচনি গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় তিনি বলেন, ‘‘উন্নয়ন আনতে পারে একমাত্র ধানের শীষ — আর কেউ পারে না। আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সৈনিক, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সৈনিক। আমরা সেই দল, যেগুলোকে মানুষ নিজের মনে করে, ভরসা করে।’’

    ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন। তিনি প্রশ্নবোধক কণ্ঠে বলেন, ‘‘কেউ যারা এখন আপনার কাছে ভোট চাইতে এসেছে, তারা কি কখনো সরকারে গিয়ে আপনার জন্য কাজ করেছে? তারা কি দেশটাকে এগিয়ে নিয়েছে?’’ এরপর তিনি দাবি করেন, ‘‘আমরা কাজ করেছি; আমরা পরীক্ষিত দল। আপনারা আমাদের ভোট দিয়েছেন, আমরা সরকারে গিয়ে পরিষেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম চালিয়েছি।’’

    ভোটের প্রতি আস্থাহীনতার প্রসঙ্গ তোলায় তিনি বললেন, ‘‘গত ১৫ বছরে কেউ সঠিকভাবে ভোট দিতে পেরেছেন কি—আপনারা নিজেরাই জানেন।’’ এই প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় ভোটাররা জানান তারা নির্বিচার ও সুষ্ঠু ভোট দিতে পারেননি। মির্জা ফখরুল বলেন, ‘‘কিছু ক্ষেত্রে ভোটের আগের রাতেই প্রতিফলন হয়ে গেছে, আবার কখনও ভোট ভাংতি হয়ে গেছে—এটাই গত ১৫ বছরের চিত্র। এবার একটি সুযোগ এসেছে, আপনারা সিদ্ধান্ত নিন।’’

    সরকারে থাকার সময় বিএনপির অযোগ্যতাবোধ দূর করার এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি পুনরুচ্চারণ করেন যে, দেশের উন্নয়নে বিএনপির বিকল্প নেই এবং তাই সবাই ধানের শীষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

    জাতীয় নেত্রী শেখ হাসিনা সম্পর্কে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘‘হাসিনা আপা দেশ ছেড়ে ভারতে চলে গেছেন; কিন্তু যারা তাকে সমর্থন করতেন, তাদের তিনি বিপদে ফেলে গেছেন।’’ পাশাপাশি তিনি আশ্বাস দেন যে, ‘‘যারা নিরপরাধ, তাদের কেউ বিপদে পড়বে না—আমরা তাদের পাশে আছি।’’

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন রাখা হলে মির্জা ফখরুল জানান, ‘‘আমার এলাকায় হিন্দু-মুসলিম, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান সবাইকে নিয়ে আমি কাজ করি। আমরা সকলকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।’’ তিনি উদ্বিগ্ন সূত্রে যোগ করেন, ‘‘কিছু লোক হিন্দু-মুসলিম বিভাজন সৃষ্টি করতে চায়—কিন্তু আমাদের সমাজে বিভাজনের কোনো জায়গা নেই; আমরা সবাই একসঙ্গে বসবাস করি এবং শান্তিতে থাকতে চাই।’’

  • উত্তরবঙ্গ ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে: শফিকুর রহমান

    উত্তরবঙ্গ ইচ্ছাকৃতভাবে পিছিয়ে রাখা হয়েছে: শফিকুর রহমান

    জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকেই উত্তরবঙ্গ গরিব নয়—বরং ইচ্ছাকৃতভাবে এই অঞ্চলকে পিছিয়ে রাখা হয়েছে। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে সৎমায়ের সন্তানের মতো আচরণ করা হয়েছে, অথচ এই অঞ্চলই সারাদেশকে খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহ করে।

    শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) দুপুরে পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভূমিকায় এসব মন্তব্য করেন তিনি।

    শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গের আর কোনো ঘর থেকে বেকারের মুখ দেখতে চান না তারা। প্রত্যেক যুবক-যুবতী ও নাগরিককে মর্যাদার সঙ্গে চাকরি ও কর্মসংস্থানে আনা হবে—এ জন্য বন্ধ হয়ে থাকা চিনিকলগুলো দ্রুত চালু করে শ্রমিকদের কর্মক্ষেত্রে ফিরিয়ে আনা হবে।

    তিনি সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, “আমাদের কোনো কার্ড নেই, আপনারাই আমাদের কার্ড। আপনাদের ভালোবাসা, সমর্থন ও দোয়ায় আমরা দয়ার পাত্রমুক্ত একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই।” এ সময় তিনি দেশের জনগণকে বিপদের সময়ে কখনও পরিত্যক্ত করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও তা করা হবে না বলে আশ্বাস দেন।

    স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কথা বলায় তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য উত্তরবঙ্গের মানুষকে ঢাকায় নির্ভর করতে হয়, যা সবার পক্ষে সম্ভব নয়। জামায়াত সরকার গঠনের সুযোগ পেলে কোনো জেলায় মেডিকেল কলেজ রাখা হবে না—প্রতিটি জেলায় মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে এবং পঞ্চগড়েও মেডিকেল কলেজ হবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।

    অর্থনৈতিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, বিদেশে পাচার করা চুরি করা টাকা উদ্ধার করা হবে এবং ভবিষ্যতে আর কাউকে লুটপাট করতে দেওয়া হবে না।

    জনসভায় শহীদ পরিবার ও মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘‘আমরা তাদের ঋণী; সরকার গঠনের সুযোগ পেলে সেই ঋণ শোধ করার চেষ্টা করা হবে।’’

    ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান। দীর্ঘদিন ধরে ভোটে অংশগ্রহণে বঞ্চিত মানুষদের অধিকার রক্ষা করতে হবে এবং বৈষম্য, দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও স্বৈরতন্ত্রের অবসান না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

    জনসভায় পঞ্চগড়-১ আসনের ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য সমর্থিত প্রার্থী সারজিস আলমকে শাপলা কলি প্রতীক এবং পঞ্চগড়-২ আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শফিকুল আলমকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন জামায়াতের আমির।

  • মানুষ ফ্যামিলি কার্ড ও ফ্ল্যাট চায় না, নিরাপদ জীবন চায়: নাহিদ ইসলাম

    মানুষ ফ্যামিলি কার্ড ও ফ্ল্যাট চায় না, নিরাপদ জীবন চায়: নাহিদ ইসলাম

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও ঢাকা-১১ আসনের দশ দলীয় জোটের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম বাংলার সাধারণ মানুষের pipর্ণতাকে তুলে ধরে বলেছেন, মানুষ এখন কার্ড বা ফ্ল্যাট চায় না, তারা চাই আরও বেশি নিরাপদ জীবন। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, বিএনপি যে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলছে, সেটি কাদের জন্য? যারা সত্যিই দরিদ্র বা সুবিধাবঞ্চিত, তারা কি এই কার্ডের সুবিধা পাবেন? নাকি এই কার্ড পেতে হবে ঘুষ দিয়ে? বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ২টায় জামায়াতে ইসলামী ঢাকা-১৫ আসনের উদ্যোগে আয়োজিত এক জনসমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। এই আসন থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ১০ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।

    নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, একদিকে তারা কার্ড দেওয়ার কথা বলছেন, অন্যদিকে ঋণখেলাপিদের মনোনয়ন দিচ্ছেন। যারা ক্ষমতায় গেলেই জনগণের টাকাকে লুট করবে এবং বরখাস্ত হবে বলে তিনি অভিযোগ করেন। জনতার অর্থ লুটপাটের জন্য এজেন্ডা সাজানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

    বিশেষ করে এতদিন যারা বস্তিবাসীদের জন্য ফ্ল্যাট দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছিলেন, তাদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, বস্তিবাসীরা এখন আর ফ্ল্যাট চায় না। তারা চায় একটি নিরাপদ জীবন, যা বস্তিতে থেকেও সম্ভব। অতীতে যারা বস্তিবাসীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নির্বাচনের পরে তারা উচ্ছেদ করতে নেমেছেন। বস্তিবাসীরা এখন এসব মিথ্যা আশ্বাস বুঝতে পারছেন। তারা দেশের স্বার্থে, ন্যায়ের পক্ষে ভোট দেবে, ফ্ল্যাটের জন্য নয়।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন হওয়া জরুরি। তিনি আশ্বস্ত করেন, নির্বাচন কমিশনকে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তিনি সচেতন ও উদ্বুদ্ধ। কোনো দলের প্রতি বিশেষ সুবিধা দেওয়া চলবে না। তিনি বলেন, আমরা মাঠে আছি, অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না।

    অবশেষে তিনি ইনসাফের পক্ষে লড়াই চালিয়ে যাবেন বলে ঘোষণা দেন। বলেন, এবারের নির্বাচন শুধু প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য নয়, এটি একটি গণভোটও। সবাইকে উৎসাহ দিয়ে বলেন, আমরা সবাই গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেব। বৈষম্য, চাঁদাবাজি, অন্যায়, জুলুম ও আধিপত্যবাদকে একিমাত্র পথে পরাজিত করতে এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ।

    নাহিদ ইসলাম আরো বলেন, ফ্যাসিবাদ ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। আন্দোলনের শুরুতে যা লক্ষ্য ছিল, তা অনেকটাই অধরাই রয়ে গেছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে আমরা এই সংগ্রামে বিজয় অর্জন করব, আর এর মাধ্যমে আমাদের আন্দোলনকে ফলপ্রসূ করে তুলব।

  • তারেক রহমানের ঘোষণা: বাংলাদেশ সবার আগে, নয় দিল্লি বা পিন্ডি

    তারেক রহমানের ঘোষণা: বাংলাদেশ সবার আগে, নয় দিল্লি বা পিন্ডি

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশের প্রতি তার unwavering অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি বা অন্য কোনো দেশের জন্য নয়, বরং বাংলাদেশকে প্রথমে রাখবো আমাদের অগ্রাধিকার।’ এই অভিমত তিনি বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে সিলেটের পুণ্যভূমিতে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণে ব্যক্ত করেন।

    বিশ্লেষণে, তিনি বলেন, দেশ গড়ার মূল চাবিকাঠি হলো দেশের প্রতি সম্পূর্ণ অঙ্গীকার ও দায়িত্ববোধ। ভোটের জন্য আবেদন করে তিনি উল্লেখ করেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন। এই নির্বাচনে বিএনপি যদি ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়, তবে দেশের গণতন্ত্রের নতুন যে যুগ শুরু হবে, সেটি স্বৈরাচার মুক্ত ও মানুষের অধিকারের প্রতিশ্রুতি প্রদান করবে। তিনি সতর্ক করে দেন যে, ধানের শীষের বিজয় সাধন খুবই জরুরি।

    ব্যাপক জনসমাগমে তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে প্রশ্ন করেন, তারা কি ধানের শীষকে জয়যুক্ত করতে পারবেন? উত্তরে সমর্থকেরা হাত তোলেন unanimously, এবং তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, ‘ইনশাআল্লাহ’।

    তিনি আবারও স্পষ্ট করে দেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’ এ সময় বিএনপি’র পুরনো স্লোগান ‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’ এর ব্যাখ্যাও দেন।

    তারেক রহমান বলেন, বিএনপি সরকারে গেলে মা-বোনদের স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে চান। তিনি ব্যাখ্যা করেন, সিলেটের বহু মানুষ বিদেশে যায়, তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করবেন। কাজের সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে সচেষ্ট থাকবেন।

    এ সময় তিনি বলেন, যারা পালিয়ে যায়, তারা ভোট ও মুক্তিসহ স্বাধিকার থেকে বঞ্চিত হয়; তারাই ইলিয়াস আলী, দিনার ও শতাধিক মানুষের হত্যাকারী, গুম-খুনের মামলায় জর্জরিত করে। গত ১৬ বছরে দেশের সম্পদ বিদেশে পাচার, উন্নয়নের নামে অর্থ লুটের ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, এই অবস্থা পরিবর্তন করে দেশের উন্নয়ন চান।

    অন্যশ্রেণীর ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতি সতর্কতা জ্ঞাপন করে বললেন, দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ থাকলে তিনি বেশ সুসম্পন্ন থাকবেন। তিনি জনতাকে জানান, আগামীতেও তারা ষড়যন্ত্র প্রতিহত করবে।

    জনসভায় উপস্থিত কিছুকজনকে মনে করিয়ে দিতে তিনি একজনকে মঞ্চে ডেকে নিয়ে বলেন, ‘আপনার নাম কি?’ উত্তরে তিনি ‘এটিএম হেলাল, সুনামগঞ্জ’ বলেন। তিনি জিজ্ঞেস করেন, “তুমি কি কাবা শরীফের মালিক?” উত্তরে হেলাল বলেন, “আল্লাহ।” তারেক রহমান বুঝিয়ে বলেন, “অর্থাৎ পৃথিবীর মালিকও আল্লাহ। তাহলে অন্য কেউ বেহেশত বা দোযখের মালিক কি হতে পারে?” — এই মৌলিক প্রশ্নের উত্তরে জনতার উত্তর দেন, “আল্লাহ।” তখন তিনি মনে করিয়ে দেন, “আল্লাহর মালিকানা ছাড়া অন্য কেউ কিছু দিতে পারে না। সেহেতু, যারা বেহেশত বা স্বর্গের কথা বলে, তারা শিরক করছে। কারণ, তাদের মালিক একমাত্র আল্লাহ।”

    বক্তা ব্যক্তি আরও বলেন, ‘১৯৭১ সালে লক্ষ লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমাদের মাতৃভূমি স্বাধীন হয়েছে। স্বাধীনতা মহান ব্যক্তিদের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও সাহসিকতায় সম্ভব হয়েছে, আর সেই মানুষদের দ্বারা এই দেশ পরিচালিত হয়েছে। তাই আমাদের একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে, মিথ্যার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। এসো, ফিরে যাওয়াকে টেক ব্যাক বাংলাদেশে রূপান্তর করি।’

    তিনি আরও বলেন, দেশের স্বার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় এখনই খাটা প্রয়োজন, কেবল ভোটের অধিকার দিয়ে নয়, প্রত্যেকের সক্ষমতা ও স্বাবলম্বী হওয়ার ব্যবস্থা করতেই হবে। মানুষের জীবন মান উন্নত করতে, নিরাপদে চলাচলের সুবিধা প্রদান করতে হবে, এই মূল লক্ষ্যই হলো—‘টেক ব্যাক বাংলাদেশ’।

    তিনি মনে করেন, গত ১৫ বছরে দেশের উন্নয়নের নামে অন্যায়ভাবে সম্পদ লুটপাট হয়েছে। তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি বা অন্য কোনো দেশের ওপর নির্ভরতা নয়, আমাদের স্বার্থে সবসময় প্রথমে বাংলাদেশ।’

    তারেক রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, দেশের সব মানুষ আমাদের সত্যিকারের শক্তি। তাই, দেশের উন্নয়নের জন্য তারা সবাইকেই পাশে পেতে চাই। শুধুমাত্র ভোটের অধিকার নয়, অর্থনৈতিক স্বাবলম্বীতার জন্যও কাজ করা হবে। তার ভাষায়, ‘শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার সময় দেশের উন্নয়নকাজ চলেছিল, কলকারখানা গড়ে উঠেছিল, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছিল। এই কারণেই আবার বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করতে চাই।’

    তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, আগামী ১২ তারিখের ভোটে জয় লাভ করে দেশ পরিচালনা করবেন, যেন ন্যায়ের পথে দেশ চালানো যায়। তিনি সবশেষে বলেন, ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ।’

    বৈঠকে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সংবর্ধনা ও কার্যক্রম পরিচালনা করেন জেলা ও মহানগর বিএনপির শীর্ষ নেতারা। বক্তৃতা করেন বিএনপির অন্যান্য প্রার্থী-নেতারা, যারা দেশের ভবিষ্যৎ গড়ার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

    বৃহস্পতিবার দুপুর ১২:২৫ মিনিটে জনসভার মঞ্চে ওঠেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নিজে। সকলে তাকে হাত তুলে স্বাগত জানান, সমর্থকদের উল্লাসে মঞ্চ প্রকম্পিত হয়। এর আগে সূর্যোদয় থেকে শুরু হয় কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে পুরো আয়োজন।

  • পোস্টাল ব্যালট দখলের অপচেষ্টা ও ভোটের পরিস্থিতি আলোচনা

    পোস্টাল ব্যালট দখলের অপচেষ্টা ও ভোটের পরিস্থিতি আলোচনা

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন যে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করার নামে পোস্টাল ব্যালট দখলের চেষ্টা চলছে। তিনি সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। এই মন্তব্য তিনি বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার মাঠে এক নির্বাচনী জনসভায় ব্যক্ত করেন।

    তারেক রহমান বলেন, একাত্তরে যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিল, তারা এখন আবার জনগণের সামনের আসতে চাইছে। এই শক্তিগুলোর কারণে লাখো মা-বোন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং অসংখ্য মানুষ শহীদ হয়েছেন। ইতিহাস এই সব শক্তির সত্যতা জানে, আর নতুন করে চিনতেই প্রয়োজন নেই। এখন সময় এসেছে জনশক্তির শাসন প্রতিষ্ঠার।

    তিনি অভিযোগ করেন, যারা ভোট ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অপচেষ্টায় লিপ্ত, তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে মা-বোনদের বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে এবং টাকা দিয়ে ভোট কিনে নেওয়ার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সৎ শাসনের কথা বলে নিজেদের মধ্যে অসৎ পথে হাঁটছে এইসব শক্তি। নির্বাচনের আগে যারা এমন অবৈধ কাজ করছে, তাদের পক্ষে সৎ শাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।

    তারেক রহমান উল্লেখ করেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শাসনামলেই দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করার চেষ্টা হয়েছিল। বিএনপিকে ভোট দিলে আবারও সেই সুযোগ ফিরে আসবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তিনি বলেন, বহু ত্যাগ ও রক্তের বিনিময়ে মানুষ ভোটাধিকার পেয়েছে যা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। এই অধিকার হরণ হলে দেশের জন্য ভয়াবহ বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। সেটি রোধ করতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং প্রয়োজন হলে প্রার্থীরা তাহাজ্জুদের নামাজ পড়েও প্রস্তুতি নেবেন।

    তারেক রহমান আরও stress করেন, এবারের নির্বাচনে দেশের মানুষ ন্যায়পরায়ণতা ও সততার পক্ষে রায় দেবে। ভোটাধিকার কোনভাবেই হরণ হলেও দেশের জন্য ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে যেন ভোটার অধিকার কেউ কেড়ে নিতে না পারে।

    তিনি জানান, বিএনপি সরকার গঠনের পর প্রতিটি পরিবারের মা-বন ও কৃষকদের জন্য আলাদা কার্ড থাকবে, যার মাধ্যমে তাদের অধিকার নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি প্রবাসী তরুণদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে তারাও বিদেশে বিপুল বেতনে কাজ পেতে পারবেন।

    তারেক রহমান বলেন, মহাসড়ক থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের ভাঙা রাস্তা-ঘাটই তার কথার প্রমাণ। গত ১৫ বছরে যারা নির্বাচন নিয়ে প্রহসন চালিয়ে এমপি ও মন্ত্রী হয়েছেন, তারা উন্নয়ন করতে সক্ষম হননি। স্কুল, কলেজ ও রাস্তাঘাটের সর্বনাশ হয়েছে। দেশ দুর্নীতির টানাপোড়েনে এখন ছিন্নভিন্ন; লুটপাট চলছে জাতীয় সম্পদে।

    তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানান, দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে এগিয়ে আসার। কারণ, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। তিনি বলেন, এলাকার সমস্যা সমাধানে যোগ্য জনপ্রতিনিধি প্রয়োজন, যা জনগণের সরকারের মাধ্যমে সম্ভব। আগামী ১২ তারিখের নির্বাচনের মাধ্যমে এ সুযোগ আসবে।

    জনসভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার। সঞ্চালনা করেন বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ।

  • নতুন জামাকাপড় পরে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসলে ৫ আগস্টের ফলাফল হবে: জামায়াত আমির

    নতুন জামাকাপড় পরে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসলে ৫ আগস্টের ফলাফল হবে: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামির মহাসচিব ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আমরা চাই না বাংলাদেশে আবারও ফ্যাসিবাদের ছায়া দেখা হোক। যদি নতুন জামাকাপড় পড়ে ফ্যাসিবাদ আবারো সার্বিকভাবে ফিরিয়ে আনা হয়, তাহলে ৫ আগস্টের ফলাফল তারই প্রত্যক্ষ বহিঃপ্রকাশ হবে। অতীতের ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি যেন আবার ফিরে না আসে, সেজন্য সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং এমন কোনও চিহ্ন যেন ফুটে ওঠে না, যা ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান নির্দেশ করে।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর আদর্শ স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিত এক নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ওই অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।

    ডা. শফিকুর রহমান অাত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, এখানের উপস্থিত প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষই প্রথম বা দ্বিতীয়বার ভোটদানে অক্ষম, বহু মানুষ জীবনে একবারও ভোট দিতে পারেননি। যারা এই ভোটাধিকারের অপব্যবহার করেছে, তাদের নাম ‘ভোট ডাকাত’। আপনাদের কি নতুন করে ভোট ডাকাত দেখার ইচ্ছে আছে? আমরা চাই না আবারো ভোট ডাকাতের দুর্বিপাকের শিকার হতে। এই ৪০ শতাংশ যুবক-যুবতীরাই মূলত আন্দোলনের মূল动力, তাদের নেতৃত্বে দেশ পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। তাদের হাত ধরেই আজ আমরা এই সভায় একত্রিত।

    শফিকুর রহমান আরও বলেন, আপনাদের যে দুঃশাসন, দুর্নীতি ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলেছিলেন—যে ন্যায়বিচার এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি, যতক্ষণ না সেটি বাস্তবায়িত হয়, ততক্ষণ ঘরে ফিরে যাব না।

    তিনি আরও বলেন, যারা নিজেদের দলের গোষ্ঠীচক্রের চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মামলারাজি, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মানুষের হত্যা, গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যার ঘটনা রোখার জন্য কাজ করতে পারবে, তারা আগামী বাংলাদেশের জন্য আদর্শ নেতৃত্ব দিতে সক্ষম হবে। অন্যদিকে যারা এসবের সঙ্গে জড়িয়ে থাকবেন, তারা যত স্বপ্ন দেখুক না কেন, জনগণ তাদের চক্রান্ত বুঝে ফেলবে। বর্তমান পরিস্থিতি দেখে মনে হয়, যারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চেয়েছিল, তাদের মূল দোসররা এখন দৃশ্যমান নয়। ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকদের কাছে বিনীত অনুরোধ, যারা এই ধরনের কষ্ট দিয়েছেন, সেই কষ্ট যেন আর কেউ আর না দেয়।

    তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এখনও কিছু জায়গায় ফ্যাসিবাদের ছায়া কাজ করছে। যদি এটি বন্ধ না হয়, তাহলে আগামী ১২ তারিখের ভোটে জনগণ দুটি ‘না’ ভোট দেবে, ইনশাআল্লাহ। দেশের মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা ও রাজনীতির কাঠামো পরিবর্তনের ইচ্ছা স্পষ্ট, তাই তারা আশা করে এই ভোটে তারা ‘হ্যাঁ’ বলবে।

    শফিকুর রহমান একথা বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় সমস্ত জনগণ, শিশু, যুবক, বৃদ্ধ ও নারী সবাই রাস্তায় নেমেছে। নির্বাচনী মাঠে ১০ দলীয় ঐক্যবদ্ধ প্রার্থী দলগুলোর ব্যাপক উপস্থিতি রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ১০ দল জিতলে তা হবে এক বড় গণআন্দোলনের সূচনা, যা দখলদার, চাঁদাবাজ, ব্যর্থ বা ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরোধ হবে, পাশাপাশি ব্যাংক ডাকাতি ও নারীর মর্যাদায় হাত তোলার বিরুদ্ধে এক ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

  • প্রথম নির্বাচনি প্রচারণায় acteurs প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বিতর্কের ঝড়

    প্রথম নির্বাচনি প্রচারণায় acteurs প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও বিতর্কের ঝড়

    নির্বাচন প্রচারণার শুরুতেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক মাঠে তর্ক বিতর্কের ধারা গড়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেটের আলিয়া মাঠে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে তিনি বলেন, ‘‘কেউ নির্দিষ্ট করে বলছেন না, তবে বোঝা যাচ্ছে কেউ যেন বেহেশতের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাইছে। এর আগেও তারা মানুষকে ঠকিয়েছে, স্বাভাবিকভাবে নির্বাচনের পর তাদের কী অবস্থা হবে তা সবাই বুঝে গেছে।’’ এই বক্তব্যের পাশাপাশি তিনি ‘কেউ’ বলে কার সাথে ইঙ্গিত করেছেন, তা স্পষ্ট করেননি। অপর দিকে, একই দিন বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে জামায়াতের নেতৃত্বে শরিক দলগুলো প্রথম নির্বাচনি সমাবেশ করে। সেখানে জামায়াতের এক নেতা বলেন, ‘‘আমি দেখতে পাচ্ছি, বড় দল হিসেবে পরিচিত এই দলের প্রধানের বক্তৃতার বিষয়বস্তু শুধুই জামায়াত ইসলামীর. তিনি বলেছেন, জামায়াত জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে, কিন্তু তিনি কাকে এই মন্তব্যের জন্য স্বীকৃতি দিচ্ছেন, তা স্পষ্ট করেননি।’’প্রচারণার প্রথম দিনে নেতারা পরস্পরের প্রতি তর্কাতর্কিতে লিপ্ত হলেও, অন্যদিকে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে স্বাভাবিক বিতর্কের আঙিনা বেড়েছে। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জামায়াতের জনসভায় বক্তব্যের সময় ‘বিএনপি’র নাম উল্লেখ না করলেও, তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’, তার টাকার উৎস ও বিতরণ প্রক্রিয়া নিয়ে সমালোচনা করেন। এই কার্ড ও উন্নয়নের অজুহাতে জনগণের বিরোধিতা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠে আসে। জামায়াতের এক নেত্রী বলেন, ‘‘সরকারের এই টাকা সোর্স কী? এটি জনগণের ট্যাক্সের টাকা, যা সাধারণ মানুষকে দিয়ে হয়।’’এছাড়াও, জামায়াতের একজন সংসদ সদস্য প্রার্থীর মন্তব্য, ‘‘১৭ বছর পর লন্ডন থেকে একজন মোফতী এসেছেন, যিনি মুসলমানদের কুফরি বলে আখ্যা দিচ্ছেন। আমরা একটি নতুন বাংলাদেশ চাই, যেখানে ভারতের আশীর্বাদ নেওয়া শাসকরা থাকবেন না,’’—বলেন।তিনি আরও বলেন, ‘‘সবকিছুর মালিক একজন, এবং সেই হলো আল্লাহ। তবে কেউ কেউ জান্নাতের টিকিট বিক্রির মাধ্যমে ভোট চাইছে, যা খুবই গর্হিত।’’ এ সময়, বিচার বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের বিতর্ক তুলনা ও তর্ক-বিতর্ক গণতন্ত্রের জন্য স্বাস্থ্যকর, তবে এই উত্তাপ যেন বিশৃঙ্খলায় রূপ না নেয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে। নির্বাচন কমিশনও জানায়, এই প্রথম দিনে দলগুলো পৃথক পৃথক মতবিনিময় ও বিতর্কে লিপ্ত হয়েছে, যা গণতন্ত্রের জন্য ইতিবাচক। কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘‘প্রতিটি দল তাদের নিজস্ব ইশতেহার প্রকাশে স্বাধিকার পায়। আলোচনা ও সমালোচনার মাধ্যমে ভোটাররা সিদ্ধান্ত নেবে কে ভালো, কে খারাপ।’’ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ২৯৮টি আসনে মোট ১৯৮১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এবারের নির্বাচনে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিবন্ধনবিহীন দলগুলো অংশগ্রহণ করতে পারছে না। সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন।

  • নতুন পোশাকে ফ্যাসিবাদ ফিরে এলে ৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তি হবে: জামায়াত আমির

    নতুন পোশাকে ফ্যাসিবাদ ফিরে এলে ৫ আগস্টের পুনরাবৃত্তি হবে: জামায়াত আমির

    জামায়াতে ইসলামের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদের ছায়াও তিনি আর দেখতে চান না। নতুন কোনো নাম বা নতুন কোনো সাজে ফ্যাসিবাদ ফিরে এলে ৫ আগস্টের সেই ভয়াবহ পরিণতি আবারও ঘটবে—তাই সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে এবং ফ্যাসিবাদের যে কোনো চিহ্ন দ্রুত নির্মূল করার চেষ্টা করতে হবে।

    বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর আদর্শ স্কুল মাঠে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, জমায়েতভুক্ত যারা এখানে বসে আছেন, তাদের মধ্যে কমপক্ষে ৪০ শতাংশ মানুষ গত তিনটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেননি, এমনকি অনেকেই জীবনে একবারও ভোট দেননি। যারা এই ভোট কেড়ে নিয়েছিল, তাদের তিনি ‘ভোট ডাকাত’ বলে অভিহিত করেন। ‘‘আপনি কি নতুন কোনো ভোট ডাকাত দেখতে চান? আমরা চাই না,’’ তিনি বলেন।

    তিনি বলেন, এই ৪০ শতাংশই হলো বিপ্লবের মূল শক্তি। তাদের হাত ধরেই আন্দোলন শুরু হয়েছে এবং তাদের কারণেই আজ জনসমাবেশে আমরা কথা বলছি। ‘‘আপনাদেরকে স্যালিউট,’’ বলেন আমির। কিন্তু তিনি যোগ করেন, সংগ্রাম এখানেই শেষ হবে না—দেশে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তারা ফিরে যাবে না।

    শফিকুর রহমান বলেন, যারা নিজেদের দলের লোকদের চাঁদাবাজি, দখল-বাণিজ্য, মামলাবাজি, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, মানুষ হত্যা, গাড়ি চাপা দিয়ে হত্যা—এসব থেকে বিরত রাখতে পারে, তারা ভবিষ্যতের জন্য যোগ্য নেতৃত্ব দিতে পারবে। আর যারা এসব থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারে না, তারা যত রঙিন স্বপ্নই দেখুক, জাতি তাদের চক্রান্ত বুঝে ফেলবে এবং তাদের প্রতি কোনো সহানুভূতি দেখাবে না।

    তিনি সরাসরি কারো বিরুদ্ধে আক্রমণ না করলেও স্মরণ করিয়ে দেন, যাদের দ্বারা ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল এবং যারা তাদের মূল দোসর ছিল, তারা এখনতখন দৃশ্যমান নয়। ফ্যাসিবাদের পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি তিনি অনুরোধ জানান—‘‘আমরা যে কষ্ট ভোগ করেছি, তা যেন আর কেউ জনগণের ওপর না ফেলে। মেহেরবানী করে এই কষ্ট আর কেউ যেন না দেয়।’’

    তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এখনও কিছু জায়গায় ফ্যাসিবাদের ছায়া কাজ করছে। যদি তা বন্ধ করা না যায়, আগামী ১২ তারিখ জনগণ দুই রকমের ‘না’ ভোট এবং অনেকগুলো ‘না’ ভোট দেবে, ইনশাআল্লাহ। জনগণের মুখে এখন পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা এবং রাজনীতির কাঠামো বদলের ইচ্ছা স্পষ্ট হওয়ায় তিনি আশাবাদী যে গণভোটে মানুষ বদলের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ বলবে।

    ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও স্বাধীনতা রক্ষায় শিশু-তরুণ-যুবক-বৃদ্ধ এবং নারী—সবাই রাস্তায় নেমেছে। নির্বাচনী মাঠে ১০ দলীয় ঐক্যের প্রার্থীরাও মাঠে রয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ১০ দলকে বিজয়ী করা মানে আধিপত্যবাদের, চাঁদাবাজদের, দখলদারদের, ফ্যাসিবাদের, ব্যাংক ডাকাতদের এবং নারীর ইজ্জত লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে বড় একটি প্রতিবাদ ও আন্দোলন গড়ে ওঠা।