Category: রাজনীতি

  • বিএনপি এতই খারাপ হলে তাদের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপি এতই খারাপ হলে তাদের দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপি সভাপতি তারেক রহমান বলেছেন, যারা এখন বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে—তারা এমন একটি দলের প্রতিনিধি, যারা পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচ্যের কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে বিএনপিকে আক্রমণ করছেন। তারা বলছে বিএনপি দুর্নীতির চ্যাম্পিয়ন ছিল; আমার প্রশ্ন, ২০০১-২০০৬ সালে যখন বিএনপি সরকারে ছিল, তখন ওই দলেরও দুজন মন্ত্রী ছিল—যদি বিএনপি সত্যিই এতই খারাপ হতো, তাঁরা তখন কেন পদত্যাগ করে বেরিয়ে আসেননি, বলেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত বিশাল এক নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। বেলা ৪টা ০৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানের সঙ্গে মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান। বক্তব্যের শুরুতে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে এনে জনগণের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন।

    তারেক রহমান ৪টা ২৬ মিনিটে জনতাকে সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৪টা ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে বক্তব্য শেষ করেন। সমাপ্তির পর তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

    তিনি বলেন, ওই দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেনি কারণ তারা জানতেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন বিষয়ে কঠোর ছিলেন এবং দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেন না। তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসংখ্যান দেখায় পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী শাসনের সময় দেশ দুর্নীতিতে ডুবেছিল, কিন্তু ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে দুর্নীতির অবাধ বিস্তার রোধে কাজ শুরু হয়।

    তারেক রহমান অভিযোগ করেন, আজ যারা বিএনপিকে দোষারোপ করছে, তাদেরই সেই দুই মন্ত্রীর উপস্থিতি প্রমাণ করে তারা মিথ্যা বলছে।

    নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ভোটসংক্রান্ত গুরুতর নির্দেশনা দেন—ভোটের দিন তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, সবাই মিলে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করবেন এবং তারপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলেই হবে না; ভোটের ফলাফল কড়া-গণ্ডায় বুঝে নিতে হবে যাতে কেউ আমাদের ভোট লুট করতে না পারে।

    আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ভোটের পর খাল খনন কর্মসূচিতে আবার জনগণের সঙ্গে দেখা হবে; সবাইকে কোদাল নিয়ে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানান এবং নিজেও সেখানে থাকবেন।

    সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান; ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ ও ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ স্লোগান করেন। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানান হয়। স্থানীয় নেতারা মঞ্চে তাকে উপস্থিত দেখে টারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান।

    তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষ প্রার্থীরা বক্তব্য দেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজур রহমান বাবলু ও লৎফুরজ্জামান বাবর।

    প্রার্থীরারা নিজেদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে দলের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানান এবং স্লোগান দেন—‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’। লৎফুরজ্জামান বাবর বলেন, আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।

  • অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় ওঠার চেষ্টা হলে জনগণ তা প্রতিহত করবে: ডাঃ সৈয়দ তাহের

    অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় ওঠার চেষ্টা হলে জনগণ তা প্রতিহত করবে: ডাঃ সৈয়দ তাহের

    বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমীর ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেন, ২০১৪, ২০১৮ বা ২০২৪ সালের মতো পুনরাবৃত্তিমূলক নির্বাচন যদি ঘটায়, সেসব নির্বাচন কখনই গ্রহণযোগ্য হবে না এবং দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান।

    ডাঃ তাহের বলেন, কেউ যদি অন্যায়ভাবে বা জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করে, সেটি শুধু তাদের জন্য দুঃস্বপ্নই হবে। জনগণ আন্দোলনের মাধ্যমে তা পুনরায় প্রতিহত করবে এবং ঐ ধরনের শক্তিকে পতিত করবে।

    তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামীই একমাত্র রাজনৈতিক দল যাদের সদস্যদের মধ্যে ৪৩ শতাংশ নারী এবং তাদের সংখ্যা দেড় কোটির কম নয়। দলের আরপিওতে রাজনৈতিক দলগুলোতে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার বিধান থাকা সত্ত্বেও একমাত্র জামায়াতই তা সফলভাবে বাস্তবায়ন করেছে, বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

    তবে, সমাজে কিছু মহল অপপ্রচারের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামের নারীদের গুরুত্ব কমে দেখাতে চায়। ডাঃ তাহের বলেন, ‘‘যাদের দলে নারী সদস্য বেশি সেখানে যদি গুরুত্ব কম বলে ধরা হয়, তাহলে যে দলে নারী কম তাদের গুরুত্ব কেমন হবে—এই প্রশ্নই তাদের অপপ্রচারের বাস্তবতাকে উন্মোচিত করে।’’

    নির্বাচন সামনে রেখে তিনি জানান, জামায়াতে ইসলামের নারী সদস্যরা অত্যন্ত সক্রিয়; তারা পুরুষ কর্মীদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারের সাথে যোগাযোগ করছেন এবং ভোট চাচ্ছেন। দলীয় পর্যালোচনায় তাদের ধারণা, সারাদেশে নারী ভোটাররাই জামায়াতকে বেশি সমর্থন দেবেন—কারণ মহিলারা শান্তিপ্রিয় এবং বিশৃঙ্খলা বা উগ্রতাকে তারা অপছন্দ করেন।

    নিজের নির্বাচনি এলাকা চৌদ্দগ্রামে ডাঃ তাহের বলেন, তাঁর মূল্যায়ন অনুযায়ী তিনি পুরুষের চেয়ে নারী ভোট বেশি পাবেন; পুরুষেরও সমর্থন পাবেন, তবে নারীরা কর্মে বেশি সক্রিয় এবং জয়ের দিক থেকে এগিয়ে থাকবেন। সারাদেশে নারীরা এভাবে কাজ করছেন বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

    তাহের অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষরা জামায়াতের নারী কর্মীদের তৎপরতা থেকে ভয় পাচ্ছে; তাই তারা সারাদেশে নারীদের উপর আক্রমণ ও হেনস্তা করছে এবং ভয়-ভীতি দেখিয়ে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, ‘‘নারীরা আমাদের মা, বোন ও কন্যা—তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষাই আমাদের সকলের দায়িত্ব।’’

    তিনি আরও বলেন, যারা আগে নারী অধিকার ও স্বাধীনতার কথা বলেন, তারা এখন রাজনৈতিক কারণ দেখিয়েই নারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ইতোমধ্যে হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে; কাঁধে অস্ত্রধারী হামলা থেকে শুরু করে ভয়ঙ্কর হুমকিও দেয়া হচ্ছে—কিছু লোক বলেন জামায়াতকে ভোট দিলে হাত নিয়ে যেতে পারবে না, এমন ধরের হুমকি-সক্রিয়তাও আছে।

    নির্বাচন কমিশনের প্রতিশ্রুতিকে গুরুত্ব দিয়ে ডাঃ তাহের বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধান প্রতিশ্রুতি হওয়া উচিত একটি নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা; কারণ অসুষ্ঠু ও পক্ষপাতদুষ্ট নির্বাচন দেশের ভিতকে নষ্ট করবে এবং দেশের ভবিষ্যতকে অন্ধকারময় করবে।

    তিনি সরকার এবং সব রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানান—জোর করে ক্ষমতায় গেলে তার ফল আগের চেয়েও ভয়াবহ হবে। জামায়াতসহ সব দলকে দায়িত্বশীল আচরণ করে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে; তা না হলে দেশের উন্নতি ও স্থিতিশীলতা বিঘ্নিত হবে এবং সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

    ডাঃ তাহের আরও বলেন, বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে নারী কর্মীরা আহত হয়েছেন এবং অনেকেই দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সুযোগ পেয়েছেন না। কেন্দ্র দখল ও নিয়ন্ত্রণের জন্য হুমকি-ধামকি ও মারধরের ঘটনা বাড়ছে; এতে নির্বাচন প্রক্রিয়া প্রভাবিত হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিপক্ষদের একটি বড় কৌশলই হচ্ছে কেন্দ্র দখল করা, কারণ তারা জানে সাধারণ ভোটে তাদের জনপ্রিয়তা কম।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান আইনজীবী এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

  • নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি, আঘাত এলেই পাল্টা আঘাত

    নাহিদ ইসলামের হুঁশিয়ারি, আঘাত এলেই পাল্টা আঘাত

    ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ তুলে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘যদি আমাদের প্রার্থীসহ দলের কেউ আঘাতের শিকার হয়, তাহলে এখন থেকে পাল্টা আঘাত আসবে।’ মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) ঢাকার ফকিরাপুলে দলের স্থানীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

    নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আজ হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে অতিথি হিসেবে গিয়েছিলেন, সেখানে তার ওপর বাধা দেওয়া হয় এবং ইট-পাটকেল ছোড়া হয়। তিনি আরও জানান, গতকাল ঢাকা-১৮ আসনের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদিবের ওপরও বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা চালিয়েছে।

    নাহিদ ইসলাম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি হামলা হয়, তাহলে পাল্টা আঘাত দেওয়া হবে। একটি দলের প্রার্থীর ওপর ডিম নিক্ষেপ করলে অন্য দলের প্রার্থীরাও রেহাই পাবে না। আমরা এই ধরনের পরিবেশ চাই না। তবে নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ যদি নীরব থাকে, তাহলে আমাদের করণীয় যা-ই হোক, করবই।’

    তিনি আরও জানান, দেশে কয়েক দিনেই ছয়-সাতটি জেলায় ১১ দলের শরিক জামায়াতে ইসলামীর নারীকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন ও পুলিশের নীরবতার সুযোগে একটি বিশেষ দল ও জোট আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সুবিধা নিচ্ছে, যা নির্বাচন ব্যবস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করছে।’

    বিএনপির দিকে ইঙ্গিত দিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘তারা যদি আওয়ামী লীগের মতো সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিদ্বন্দ্বীদের মাঠ থেকে সরাতে চায়, তাহলে তাদের পার্থক্য কী? তারা ভোটের সময় জয় বাংলা স্লোগান দেয়, কিন্তু মনে রাখতে হবে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী বাংলাদেশে জনগণ কোনও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড মেনে নেবে না।’

    বিএনপির ২০১৮ সালের নির্বাচন ও ২৮ অক্টোবরের আন্দোলনের ব্যর্থতার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘তখন আপনি মাঠে উঠতে পারেননি, তিন মিনিটও দাঁড়াতে পারেননি। আমরা তখন আপনার প্রতি সহানুভূতি দেখিয়েছিলাম। কিন্তু এখন আপনি সমালোচনাও সহ্য করতে পারছেন না। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে আপনি বেয়াদব বলছেন, তবে ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণই ব্যালটের মাধ্যমে ঠিক করে দেবে— কে বেয়াদব আর কে গ্যাংস্টার।’

    সংবাদ সম্মেলনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী অভিযোগ করেন, তিনি ও তার দল শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে প্রচারণা চালাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজে গিয়ে দেখে তাকে বাধা দেওয়া হয় এবং ইট-পাটকেল ও ডিম ছোড়া হয়।

    তিনি বলেন, ‘পুলিশের সামনেই আমাদের ভাইদের ওপর উপর্যুপরি কিল, ঘুষি ও লাথি মারা হয়েছে। আমাদের নারী সদস্যদের ওপর বরফ নিক্ষেপ করা হয়েছে, যার ফলে একজনের মাথায় চারটি সেলাই দিতে হয়েছে।’

    নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এই হামলার জন্য মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে মির্জা আব্বাসের ভাগনে আদিত্যের নাম উল্লেখ করেন। এছাড়া, হামলায় হাবীবুল্লাহ বাহার কলেজের ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান মাসুদ, সাবেক সদস্য শাহিন উদ্দিন মল্লিক এবং সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক শরিফকে সরাসরি নেতৃত্ব দেওয়ার অভিযোগ করেন।

    তিনি আরও জানান, ‘মির্জা আব্বাস তার ভাগনে আদিত্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে এনে আমাদের ওপর এই হামলা চালিয়েছেন। আমি দেশবাসীর কাছে এর বিচার চাই।’

    নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, ‘ইসি একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে কাজ করছে এবং পর্যাপ্ত নিরাপত্তা না দিয়ে প্রার্থীকে খালি মাঠে ছেড়ে দিয়েছে। ভোটের আগে ৫০ জন ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিককে প্রার্থী হিসেবে অনুমোদন দেওয়া, যা দেশের জন্য লজ্জাজনক।’

  • ময়মনসিংহে জনসভায় তারেক রহমানের উপস্থিতি, মানুষের ঢল রাজপথে

    ময়মনসিংহে জনসভায় তারেক রহমানের উপস্থিতি, মানুষের ঢল রাজপথে

    ময়মনসিংহের ঐতিহাসিক সার্কিট হাউস ময়দানে বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমানের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৪টায় তিনি তারেক রহমান মঞ্চে উপস্থিত হন। তার উপস্থিতির সঙ্গে সঙ্গে পুরো এলাকা স্লোগানে সরগরম হয়ে ওঠে।

    জনসভা শুরু হওয়ার আগে থেকেই নেতাকর্মীরা অনেক আগে থেকেই সভাস্থলে আসতে শুরু করেন। দুপুরের মধ্যে হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ মূল অনুষ্ঠানের জন্য যোগদান করেন। তারা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সভায় উপস্থিত হন।

    এবারের জনসভাকে ঐতিহাসিক হিসেবে দেখা হচ্ছে, কারণ দীর্ঘ ২২ বছর পর এই প্রথমবারের মতো ময়মনসিংহে তারেক রহমানের এ আগমন। ইতোমধ্যে ৬৪ ফুট দীর্ঘ এবং ৪৪ ফুট চওড়ার বিশাল একটি সভামঞ্চ প্রস্তুত করা হয়েছে। মঞ্চের মাঝে রয়েছে এলইডি স্ক্রিন এবং পাশে বিশাল ব্যানার। অবস্থা অনুযায়ী একটি ব্যানারে লেখা রয়েছে ‘আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান’ এবং অপর পাশে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’।

    সুরক্ষার জন্য পুরো সভাস্থল কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে সিএসএফ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন থাকছেন, এছাড়া ২০টি সিসিটিভি ক্যামেরা থেকে নজরদারি চালানো হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

    দলের সূত্র জানিয়েছে, ২০০৪ সালে ময়মনসিংহে তারেক রহমানের প্রথম নির্বাচনী সভায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। এরপর দীর্ঘ বিরতিতে এই প্রথম তিনি আবারো ময়মনসিংহের মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে থাকছেন। তার এই জনসভাকে কেন্দ্র করে নগরজুড়ে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুনের দেখা মিলছে, যা তার আগমনকে স্বাগত জানাতে দেয়া হয়েছে।

    ফুলবাড়িয়া উপজেলার ছোট একজন ধানের শীষের চা দোকানি আব্দুল খালেক জানান, ‘আমি রাজনীতি করি না, তবে তারেক রহমানকে দেখতে এসেছি। আমি বিশ্বাস করি, তিনি প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের ভাগ্য পরিবর্তন করবেন।’

    একই সঙ্গে, বিএনপি ময়মনসিংহ বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ বলেন, ‘আজকের জনসভায় মানুষের উপস্থিতি এতটাই বেশি যে অতীতের রেকর্ড ভেঙে গেছে। নেতাকর্মী ছাড়াও সাধারণ মানুষের আগমন দেখে বোঝা যাচ্ছে, তারা তারেক রহমানের পরিকল্পনা জানতে আগ্রহী।’

  • অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করলে কঠোর প্রতিরোধ হবে

    অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করলে কঠোর প্রতিরোধ হবে

    নির্বাচনপ্রক্রিয়া যদি ২০১৪, ২০১৮ বা ২০২৪ সালের মতো পুনরাবৃতি হয়, তবে সেগুলো কখনোই গ্রহণযোগ্য হবে না। বাংলাদেশের মানুষ এমন নির্বাচন মানবে না বলে মনে করছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি জানান, যদি কেউ অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার পরিকল্পনা করে, সেটি কেবল দুঃস্বপ্নের মতোই রইবে। জনগণ সেই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে এবং আন্দোলনের মাধ্যমে শৃঙ্খলা ফেরানোর নিশ্চয়তা দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার রাজধানীর মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

    ডাঃ তাহের আরো বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একমাত্র দল যেখানে নারীর সংখ্যা দেড় কোটিরও বেশি, যা দেশের মোট ভোটারদের অন্তত ৪৩ শতাংশ। আমাদের আর্চিওর মধ্যে রয়েছে রাজনৈতিক দলসমূহে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্যের বাধ্যবাধকতা, যা শুধু জামায়াতে ইসলামী সেনেটই পূরণ করেছে। তিনি দাবি করেন, অনেকের ধারণা হয়ত, জামায়াতে নারীদের গুরুত্ব কম, কিন্তু বাস্তবে যারা নারী সদস্য বেশি, তারা দলের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অপপ্রচারে কিছু মানুষ এই বিষয়টিকে ভুলভাবে প্রচার করার অপচেষ্টা করছে।

    ডাঃ তাহের বলেন, নির্বাচন খুবই কাছাকাছি। এই নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর নারী কর্মী-সমর্থকরা খুবই সক্রিয়। তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভোট চাচ্ছেন। পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সারাদেশে নারী ভোটাররা জামায়াতকে বেশি ভোট দিতে পারেন, কারণ তারা শান্তিময় এবং বিশৃঙ্খলা পছন্দ করেন না। নিজ নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রামেও তিনি মনে করেন, পুরুষের চেয়ে নারীরা বেশি ভোট দেবে ইনশাআলাহ। তারা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং বিপুল ভোটে জয় লাভ করতে পারবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    তাহের অভিযোগ করেন, নেতা-প্রতিপক্ষরা বুঝতে পেরেছেন যে নারীদের এ সক্রিয়তা তাদের জন্য ঝুঁকি বৃদ্ধি করছে। এ কারণেই সারাদেশে নারীদের ওপর আক্রমণ, হেনস্তা ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। অপপ্রচারের মাধ্যমে ভীতিকর পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, নারীরা আমাদের মা-বোন-কন্যা, তাদের সম্মান ও নিরাপত্তা রক্ষা আমাদের সকলের দায়িত্ব। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, যারা নারী অধিকার ও স্বাধীনতার কথা বলে চিৎকার করেন, তারাই এখন রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে নারীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। দেশের কোথাও কোথাও ইতোমধ্যে হামলার ঘটনা ঘটছে, এমনকি জিহ্বা কেটে দেওয়ার হুমকিও দেয়া হচ্ছে। জামায়াতে ভোট দিলে হাত নষ্ট হয়ে যাওয়ার ভয় দেখানোও হচ্ছে।

    নির্বাচন কমিশনের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরে তিনি বলেন, বর্তমান সরকার একজন নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। যদি নির্বাচন সুষ্ঠু না হয়, তবে তার ফলাফল দেশের বাইরেও গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। এর ফলে দেশের ভবিষ্যৎ অন্ধকারে ডুবে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দলসহ সরকারের বড় দায়িত্ব হচ্ছে সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন। এতে ব্যর্থ হলে দেশ সঠিক পথে আর ফিরে আসতে পারবে না। যদি কেউ মনে করেন, জোরপূর্বক ক্ষমতায় গেলে সব কিছু শেষ, তা একদম ভুল। এটি একটি মারাত্মক ভুল ভাবনা, যা দেশের জন্য বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

    তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক সংঘর্ষে নারী কর্মীরা আহত হচ্ছেন, দলীয় কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণে বাধা পাচ্ছেন। উত্তেজনা ও হামলার ঘটনা রোজই ঘটছে। কেন্দ্র দখলের জন্য হুমকি, মারধর এবং অ승ত্মান দখলদারির মহড়া চলছে। প্রতিপক্ষের মূল কৌশলই হলো কেন্দ্র দখল এবং শক্তি দেখানো, যা তাদের বিজয়ের মূল মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    ডাঃ তাহের স্পষ্ট করে বলেন, সব মিলিয়ে আমাদের বার্তা হলো, নারী হোক বা পুরুষ, সবাইকে দায়িত্বশীল ও শান্তিপ্রিয় পরিবেশ রক্ষার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই জন্য প্রয়োজন সবার সচেতনতা এবং দায়িত্বশীলতা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান এড. এহসানুল মাহবুব জুবায়ের।

  • তারেক রহমান: বিএনপি জানে দুর্নীতির মোকাবিলার কৌশল

    তারেক রহমান: বিএনপি জানে দুর্নীতির মোকাবিলার কৌশল

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, জনসাধারণের উন্নয়নের জন্য একটি রাজনৈতিক দল কীভাবে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারে তা বিএনপির রয়েছে। তার মতে, বিএনপির কাছে দেশের সরকার পরিচালনার অভিজ্ঞতা, শিক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিভিন্ন দিকের জ্ঞান রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর সংগ্রাম চালানোর জন্যও তাদের পরিকল্পনা সুদৃढ़।

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহের সার্কেট হাউসে তাকে কেন্দ্র করে আয়োজিত বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ সব কথা বলেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, ‘গত ১৫ বছর দেশের সাধারণ মানুষ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। এর ফলে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা ও রাস্তাঘাটের মতো মৌলিক বিষয়গুলো সমস্যায় পড়েছে। যদি ভোটের অধিকার থাকত, তবে এসব সমস্যা দ্রুত সমাধান সম্ভব হত। মানুষ তাদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় সচেতন হওয়া দরকার।’

    তিনি আরও বলেন, ‘অসুস্থ হলে চিকিৎসা সুবিধা পেতে হবে, শিক্ষার উন্নতি করতে হবে, মানুষের জীবন মান উন্নত করতে হবে—এই সবই জনগণের মৌলিক অধিকার। এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল হতে হবে।’

    এসময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর উদ্দেশ্যে বলেন, ‘একটি রাজনৈতিক দল বিএনপির দ وم ক্ষির রব স্ত্রির ভেরুর་ནطويرnoun��nnn���1300��PP��নssd��Sh

  • তারেক রহমানের প্রশ্ন: বিএনপি সংকটে থাকলে দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি?

    তারেক রহমানের প্রশ্ন: বিএনপি সংকটে থাকলে দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি?

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, অনেকেই দেখতে পাচ্ছেন, একটি রাজনৈতিক দল এখন স্বৈরাচারী শাসকদের ভাষা ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে কথা বলছে। তাদের দাবি, বিএনপি দুর্নীতিতে শীর্ষ ছিল। তবে আমি প্রশ্ন করতে চাই, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি সরকারে থাকাকালীন ওই দলের দুইজনমন্ত্রী ছিলেন। তাহলে, যদি বিএনপি এতখানি খারাপ হতো, তারা কেন তখন পদত্যাগ করে চলে আসেননি?

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহের সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগেও দুপুর ৪টা ৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ মঞ্চে ওঠেন তারেক রহমান।

    বক্তব্যের মাঝপথে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড়িয়ে তাদের পরিচয় করিয়ে দেন। ৪টা ২৬ মিনিটে সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন এবং ৫২ মিনিটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চান। এরপর তার গাড়িবহর গাজীপুরের দিকে রওনা দেয়।

    তারেক রহমান বলেন, তারা পদত্যাগ করেনি কারণ তারা জানত, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কঠোর হাতে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়ছিলেন। তৎকালীন সরকারের দুই মন্ত্রীও বুঝতেন, বেগম জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেননি। আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানও δείছে, স্বৈরাচারী সরকারের সময় দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল। কিন্তু ২০০১ সালে খালেদা জিয়া ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশ দুর্নীতির ভয়ংকর চক্র থেকে মুক্ত হতে শুরু করে।

    তিনি আরও বলেন, যে দল আজ বিএনপিকে দোষারোপ করছে, তাদের প্রথমদিক থেকে শেষ দিন পর্যন্ত দুই মন্ত্রীর বহাল থাকা থেকেই বোঝা যায়, তারা আসলে মিথ্যা বলছে।

    নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ভোটের দিন তাহাজ্জু্দের নামাজ পড়ে সবাই কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ পড়বেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন। শুধু ভোটদানই যথেষ্ট নয়, ফলাফল বুঝে নিতে হবে যেন কেউ আমাদের ভোট নিতে না পারে।

    তিনি আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার অনুরোধ জানান এবং বলেন, ভোটের পর আবার দেখা হবে খনন কর্মসূচীতে। সবাই কোদাল নিয়ে আসবেন, আমি সেদিন থাকছি।

    স্লোগানে স্লোগানে স্থানীয় নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানায়। তারা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’, ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ বলতে বলতে হাসি-উল্লাসে আঘাত করে। ময়মনসিংহের পক্ষ থেকে তাকে লাল গোলাপ উপহার দেওয়া হয়।

    তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষের প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। তাঁদের মধ্যে বক্তব্য দেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতাউর হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহমুদুল হক, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লৎফুরজ্জামান বাবর।

    বক্তব্যে প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যকার দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে কার্যকরভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান। তারা স্লোগান দেন—‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’।

    লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, ‘আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং আগামীদিনে তাকেই প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই।’

  • অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রতিরোধ করবে

    অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ তা প্রতিরোধ করবে

    নির্বাচন যদি ২০১৪, ২০১৮ বা ২০২৪ সালের মতো পুনরাবৃত্তিমূলকভাবে হয়, তা কখনই গ্রহণযোগ্য হবে না; এমন ধরণের নির্বাচন দেশের মানুষ মেনে নেবে না — মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর ডাঃ সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। মঙ্গলবার মগবাজারে দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

    ডাঃ তাহের সতর্ক করে বলেন, কেউ যদি অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার চিন্তা করে, সেটা দুঃস্বপ্নের মতোই থেকে যাবে। জনগণ তা আবারও প্রতিরোধ করবে এবং আন্দোলনের মাধ্যমে সেই শক্তিকে পতিত করবে।

    তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সদস্যদের মধ্যে নারীর অংশগ্রহণ প্রায় ৪৩ শতাংশ এবং সদস্যসংখ্যা দেড় কোটির কম নয়। রাজনৈতিক দলসমূহে ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখার আরপিওর বিধান পূরণ করতে সক্ষম একমাত্র দলই তারা। এরপরও অনেকে অপপ্রচারের মাধ্যমে জামায়াতে ইসলামীকে নারী বিষয়ে অগ্রাহ্য প্রদর্শনের চেষ্টা করছেন; যা বাস্তবে সঠিক নয় — এমনটাই তার মন্তব্য।

    নির্বাচন যে অত্যন্ত নিকটে এসেছে বলেই উল্লেখ করে ডাঃ তাহের বলেন, এই নির্বাচনে জামায়াতের নারী সদস্যরা অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা গ্রহন করছেন। পুরুষ কর্মীদের পাশাপাশি নারীরাও বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন এবং ভোট চাইছেন।

    দলের পর্যালোচনায় দেখা যাচ্ছে সারাদেশে নারী ভোটাররাই জামায়াতকে বেশি সমর্থন দেবেন বলে তাদের মূল্যায়ন। কারণ, মহিলারা শান্তিপ্রিয় এবং বিশৃঙ্খলা ও উগ্রতাকে পছন্দ করেন না। নিজের নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রামেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, নারীদের ভোট পুরুষদের চেয়ে বেশি পাওয়া যাবে ইনশাআল্লাহ।

    তাহের অভিযোগ করেন, প্রতিপক্ষরা জামায়াতের নারীরা যতটা সক্রিয় হয়েছে তা sehen অনিশ্চিত হয়ে তাদের কর্মক্ষমতাকে থামাতে নারীদের ওপর আক্রমণ ও হেনস্তা শুরু করেছে। ভয়-ভীতি দেখিয়ে একটি ভীতিকর পরিবেশ তৈরির চেষ্টা চলছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে নারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে; বক্তৃতায় জিহ্বা কেটে ফেলার হুমকি এবং ‘‘জামায়াতকে ভোট দিলে হাত নিয়ে যাবে’’ জাতীয় ধরনের ভয়ভীতি ছড়ানো হচ্ছে।

    তিনি নারীদের সম্মান ও নিরাপত্তার ওপর জোর দিয়ে বলেন, নারীরা আমাদের মা, বোন ও কন্যা — তাদের সম্মান রক্ষা সব দাবি-দাওয়া ও রাজনৈতিক দলগুলোর হাস্যকল্প হওয়া উচিত নয়। যারা নারী অধিকার বলে চিৎকার করেন, তারাই এখন রাজনৈতিক কারণে নারীদের ওপর আক্রমণ করছেন — এটি অত্যন্ত দুঃখজনক।

    নির্বাচন কমিশন যে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে, সেটাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। ডাঃ তাহের বলেন, যদি নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ না হয়, তার ফলদেশ-বিদেশে গ্রহণযোগ্য হবে না এবং তা জাতির ভবিষ্যৎকে অন্ধকার ও নেতিবাচক দিকে নিয়ে যাবে।

    তিনি সতর্ক করেন যে শুধু রাজনৈতিক দলগুলো নয়, সরকারেরও এখানে বড় ভূমিকা আছে; যদি জোর করে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করা হয়, তার পরিণতি আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ হতে পারে। জামায়াতসহ সব রাজনৈতিক দলকেই দায়িত্বশীল আচরণ করে সুষ্ঠু ও নির্ভেজাল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে হবে, নতুবা দেশের ক্ষতি হবে।

    ডাঃ তাহের আরও জানান, বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক সংঘর্ষে নারী কর্মীরা আহত ও প্রতিবন্ধিতার মুখে পড়েছেন; অনেকেই দলীয় কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে পারেননি। কেন্দ্র দখল, হুমকি-ধামকি ও মারধরের মতো ঘটনা নির্বাচনকালীন বেশ কিছুস্থানে ঘটছে। তার মতে, জনপ্রিয়তাহীন প্রতিপক্ষরা কেন্দ্র দখল করে জেতার কৌশল বেছে নিচ্ছে এবং এধরণের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডকে বিজয়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছে।

    শেষে তিনি পুনরায় সবাইকে আহ্বান জানান—নারী হোক বা পুরুষ, সবারই দায়িত্ব সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ বজায় রাখা এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।

  • বিএনপি এত খারাপ হলে ২০০১–২০০৬ সালের ওই দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপি এত খারাপ হলে ২০০১–২০০৬ সালের ওই দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, যারা এখন বিতর্কিত এক দল বদলা‑খোঁজা স্বৈরাচারের ভাষা ব্যবহার করে বিএনপির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলছে, তারা মিথ্যা বলছে। তাঁর প্রশ্ন ছিল—বিএনপি যদি সত্যিই এতই দুর্নীতিগ্রস্ত হত, তবে ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের সময়ে ওই সরকারের құрамে থাকা তাদের দুইজন মন্ত্রী কেন তখন পদত্যাগ করেননি?

    মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে ময়মনসিংহ জেলা সার্কিট হাউস মাঠে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনী জনসভায় এসব কথা বলেন তিনি। মঞ্চে ওঠেন বিকাল ৪টা ৩ মিনিটে পরিচালক স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ। জনসভায় উপস্থিত লোকদের প্রতি সালাম জানিয়ে বক্তব্য শুরু করেন বিকাল ৪টা ২৬ মিনিটে এবং ধানের শীষের পক্ষে মত চাইতে তিনি বক্তব্য শেষ করেন বিকাল ৪টা ৫২ মিনিটে। এর পর তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

    বক্তৃতার সময় তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে দাঁড় করিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, “তৎকালীন সরকারের সেই দুই মন্ত্রী জানতেন বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিতেন না, তাই তারা পদত্যাগ করেনি।” তিনি আরো বলেন, আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানও দেখায় যে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারের সময় দেশ দুর্নীতিতে নিমজ্জিত ছিল, কিন্তু ২০০১ সালে যখন বেগম খালেদা জিয়া দায়িত্ব নেন, তখন থেকেই দুর্নীতি দমন শুরু হয়।

    তারেক রহমান এমন কোনো দলকে তীব্রভাবে নিন্দা করেন যারা এখন বিএনপিকে দোষারোপ করে—তার যুক্তি, সরকারের প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত ওই দলের দুই মন্ত্রীর পদে থাকা নিজেই তাদের বক্তব্যের মিথ্যা প্রমাণ।

    নেতাকর্মীদের প্রতি তিনি ভোটের গুরুত্ব নিয়ে অনুরোধ করে বলেন, ভোটের দিন সবাই তাহাজ্জুদের নামাজ পড়ে কেন্দ্র গিয়েই ফজরের নামাজ আদায় করবেন। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেবেন; কেবল ভোট দিয়ে চলে এসে নয়, ভোটের ফলাফল লক্ষ্য করে থাকতে হবে যাতে কেউ আমাদের ভোট লুট করতে না পারে।

    আগামী ১২ তারিখ ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনের পর আবার খাল খনন কর্মসূচিতে সবাইকে নিয়ে মিলিত হবেন—সেদিন সবাই কোদাল নিয়ে সামনে হাজির হবে এবং তিনি নিজেও থাকবেন।

    নেতৃত্ব আগমনের আগে-পরেই স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। উপস্থিতরা “তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম” ও “আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান” স্লোগান দেন এবং মঞ্চে তাঁর প্রতি লাল গোলাপ তুলে শ্রদ্ধা জানানো হয়। মঞ্চে ওঠার আগে স্থানীয় নেতারা ময়মনসিংহের তারাকান্দাকে পৌরসভা করার দাবি জানান।

    মঞ্চে ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষ প্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন; তাদের মধ্যে ছিলেন ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লুৎফুরজ্জামান বাবর। প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার দাবি জানান এবং সমর্থকদের একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান।

    লোকজন ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’ শ্লোগান দেন। লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, “আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”

  • বিএনপি এতই খারাপ হলে দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপি এতই খারাপ হলে দুই মন্ত্রী কেন পদত্যাগ করেননি: তারেক রহমান

    বিএনপির চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, যদি বিএনপি সত্যিই এতটাই দুর্নীতিপর ছিল, তাহলে ২০০১-২০০৬ সময়ে সরকারের ক্যাবিনেটে থাকা ওই দলের দুই মন্ত্রী কেন তখনই পদত্যাগ করেননি। ময়মনসিংহে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) জেলা সার্কিট হাউস মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ প্রশ্ন তোলেন এবং পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারদের অভিযোগকে খাটো করে বলেন যে তারা মিথ্যা দাবি করে চলেছে।

    বিকাল ৪টা ৩ মিনিটে স্ত্রী ডা. জোবায়দা রহমানসহ মঞ্চে উঠে তিনি ৪টা ২৬ মিনিটে উপস্থিত সমর্থকদের কাছে সালাম জানান এবং ৪টা ৫২ মিনিটে ধানের শীষ প্রতীরকের পক্ষে ভোট চাইবার মধ্য দিয়ে বক্তব্য শেষ করেন। সভার শেষকালে তার গাড়িবহর গাজীপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।

    তারেক রহমান বলেন, ওই দুই মন্ত্রী পদত্যাগ করেনি কারণ তারা জানতেন বঙ্গবন্ধুকন্যা বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোরভাবে কাজ করতেন। তিনি যোগ করেন, আন্তর্জাতিক পরিসংখ্যানও জানিয়েছে যে পালিয়ে যাওয়া স্বৈরাচারী সরকারের সময় দেশের দুর্নীতি প্রকট ছিল, কিন্তু ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে দুর্নীতি দমনে কাজ শুরু হয়।

    বক্তব্যের মাঝপথে তিনি ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি সংসদীয় আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের মঞ্চে তুলে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি নেতাকর্মীদের নির্বাচনী উদ্দেশ্য পরিষ্কারভাবে বলেন — ভোটের দিন তওবার নামাজ (তাহাজ্জুদ) পড়ে সবাইকে নিয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ফজরের নামাজ আদায় করতে হবে, এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে হবে এবং যে কোনো অনিয়ম হলে তা লক্ষ্য করে ফলাফল রক্ষা করতে হবে যাতে কেউ আমাদের ভোট লুট করতে না পারে।

    তিনি আগামী ১২ তারিখ নির্ধারিত ভোটে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভোটের পর খাল খনন কর্মসূচিতে আবার সবাইকে নিয়ে দেখা করবেন; সেই দিনে সবাই কোদাল নিয়ে উপস্থিত হবে এবং তিনি নিজেও থাকবেন।

    সভায় স্থানীয় নেতাকর্মীরা স্লোগানে তাকে স্বাগত জানান। অংশগ্রহণকারীরা ‘তারেক রহমানের আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’ এবং ‘আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান’ শীর্ষক স্লোগান দেন। মঞ্চে ওঠার সময় তাকে লাল গোলাপও তুলে দেওয়া হয়। স্থানীয় নেতারা তারেক রহমানকে বসতি থেকে টারাকান্দাকে পৌরসভায় রূপান্তরের দাবি জানান।

    তারেক রহমান মঞ্চে ওঠার আগেই ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসনের ধানের শীষপ্রার্থীরা বক্তব্য রাখেন। তাদের মধ্যে ছিলেন— ইকবাল হোসেন, সুলতানা আহমেদ বাবু, মোতায়ের হোসেন বাবু, মাহমুদুল হক, ফরিদুল কবির তালুকদার, সিরাজুল হক, মাহবুব রহমান লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবলু ও লতফুরজ্জামান বাবর।

    প্রার্থীরা নিজেদের মধ্যে সব দ্বিধা-দ্বন্দ্ব ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য দলীয় কর্মীদের কাছে আহ্বান জানান এবং স্লোগান দেন— ‘নৌকা গেছে ভারতে, ধানের শীষ গদিতে’। লতফুরজ্জামান বাবর বলেন, “আমরা ময়মনসিংহ বিভাগের ২৪টি আসন তারেক রহমানকে উপহার দিতে চাই এবং ভবিষ্যতে তাকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।”