Category: রাজনীতি

  • দিঘলিয়ার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদকে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার

    দিঘলিয়ার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদকে ছাত্রদল থেকে বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অন্তর্গত দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার থেকে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

    একই সিদ্ধান্তে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও সংগঠনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উভয়ের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

    বঙ্গবন্ধু ছাত্রদলের (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল) সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেন। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শৃঙ্খলা ও নীতিমালার লঙ্ঘন সহ্য করা হবে না এবং ব্যবস্থাগ্রহণের মাধ্যমে দলীয় শৃঙ্খলা রক্ষা করা হবে।

  • মনিরা শারমিনের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    মনিরা শারমিনের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    নাহিদ ইসলামের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, যদিও জাতীয় নারীশক্তি এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে, তবুও তারা নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা, বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা এবং সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন বিষয়ে স্বাধীনভাবে কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

    তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে নারীদের অধিকার অর্জন সবই আন্দোলন ও সংগ্রামের ফল। ভোটাধিকার থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারের ক্ষেত্রে নারীরা বারবার লড়াই করে অবস্থান তৈরি করেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—সব আন্দোলনেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    নাহিদ অভিযোগ করেন, এসব আন্দোলনে অনেক সময় নারীরাই সবচেয়ে বেশি সঙ্গৃহীত ও সহিংসতার শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রীদের ওপর আক্রমণের ঘটনা আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করেছে। বহু নারী তখন লক্ষ্যবস্তু হয়েছেন। তিনি বলেন, যদিও জুলাই আন্দোলনে প্রচুর নারী রাজপথে ছিলেন, পরে রাজনীতিতে তাদের উপস্থিতি কমে গেছে। এর পেছনে সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক চাপ ও অনলাইন সাইবার বুলিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে; অনেক নারী এসব কারণে রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    নাহিদ বলেন, এসব কথাই মাথায় রেখেই আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন যেখানে নারীরা নিজেদের ইস্যু নিয়ে মুক্তভাবে কথা বলবেন এবং সংগঠিত হবেন। জাতীয় নারীশক্তি সেই লক্ষ্য নিয়েই গঠিত। তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, নারীদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও সাইবার বুলিং নির্মূল করতে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে এবং অপরাধীরা–দলমত নির্বিশেষে–আইনের আওতায় আনতে হবে।

    অনুষ্ঠানে নেতারা জানিয়েছেন, শিগগিরই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সারাদেশে সংগঠনের শাখা কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। এই আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ‘সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’ শীর্ষক আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ডা. মাহমুদা আলম মিতু উপস্থিত থাকতে পারেননি। অনুষ্ঠানে সাবেক আন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার ও জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া অন্যান্য নারীরাও উপস্থিত ছিলেন।

  • মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। রবিবার (৮ মার্চ) সকাল/দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে এই ঘোষণাটি দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    সংগঠনের নেতৃত্বে মনিরা শারমিন আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। সদস্যসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন নুসরাত তাবাসসুম। যদিও ডা. মাহমুদা মিতু শারীরিক অসুস্থতার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি, অনুষ্ঠানে মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন।

    নাহিদ ইসলাম অনুষ্ঠানে বলেন, ‘নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার মতো বিষয়গুলোতে আলাদা একটি সংগঠন অত্যন্ত প্রয়োজন। নারীশক্তি হবে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে নারী নিজেদের ইস্যু নিয়ে ঘরে-বাইরে বললেই আস্থা ও সংগঠনের মাধ্যমে নিজেদের দাবি সামনে তুলে ধরতে পারবে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন সংগঠনটি সাইবার বুলিংসহ নানা সামাজিক ইস্যুতে স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

    নাহিদ আরও বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে নারীর অধিকার অর্জন সবসময়ই আন্দোলন ও সংগ্রামের ফল। বাংলাদেশে ভোটাধিকার থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারের জন্য নারীদের বারবার লড়াই করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, মুক্তিযুদ্ধ থেকে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—সব আন্দোলনেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, কিন্তু একই সময়ে তারা সহিংসতারও শিকার হয়েছেন। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের সূচনালগ্নে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রীদের ওপর সংঘটিত হামলার ঘটনা আন্দোলনের গতিকে প্রভাবিত করেছিল।

    নাহিদ বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনে প্রচুর নারী রাজপথে ছিলেন, কিন্তু পরে রাজনীতির মাঠে তাদের উপস্থিতি কম দেখা গেছে। এর পেছনে সামাজিক বাধ্যবাধকতা, পারিবারিক চাপ এবং অনলাইনে চলা মানহানিকর ট্রল ও সাইবার বুলিং বড় ভূমিকা রেখেছে। এ কারণে অনেক নারী আন্দোলন ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।’ তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, নারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ও সাইবার বুলিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে এবং অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে হবে — দলমত নির্বিশেষে।

    অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতারা জানান, অচিরেই ‘জাতীয় নারীশক্তি’র পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সারাদেশে এর সাংগঠনিক কার্যক্রম প্রসারিত করা হবে। আত্মপ্রকাশের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে একই মিলনায়তনে ‘সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’ শীর্ষক একটি আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটিতে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন নারী উপস্থিত ছিলেন।

    সংগঠনটি ভবিষ্যতে নারীর কণ্ঠ আরও জোরালোভাবে রাজনীতিতে তুলতে কাজ করবে—এটাই অনুষ্ঠানে বারবার উচ্চারিত প্রতিশ্রুতি।

  • সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ: দিঘলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ: দিঘলিয়া ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অধীনে থাকা দিঘলিয়া উপজেলা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হয়।

    একই সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অধীনে অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও বহিষ্কার করা হয়েছে। সংগঠন জানিয়েছে, দুইজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দাঁড়িয়েছে এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট পদ থেকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেছেন। সংগঠনের সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় এসব ব্যবস্থা নিয়েছে।

  • সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দিঘলিয়ার ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ বহিষ্কার

    সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে দিঘলিয়ার ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অধীনস্থ দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বহিষ্কারাদেশ কার্যোন্বিত করা হয়।

    একই সিদ্ধান্তে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অধীনস্থ অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও বহিষ্কার করা হয়েছে। উভয় নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ করার সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে, যার ভিত্তিতে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

  • মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ করেছে। আজ রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই আত্মপ্রকাশের ঘোষণা দেন।

    সংগঠনটির আহ্বায়ক হয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। সদস্যসচিব পদে নিযুক্ত হয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু ও মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নুসরাত তাবাসসুম। তবে শারীরিক সমস্যার কারণে মাহমুদা মিতু অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারেননি।

    নাহিদ ইসলাম জানান, যদিও জাতীয় নারীশক্তি এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে, তবু এটি নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা, বৈষম্যহীন সমাজ স্থাপন এবং সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ পরিচালনা করবে।

    অনুষ্ঠানে নাহিদ বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা সবসময়ই আন্দোলন ও সংগ্রামের মাধ্যমে হয়েছে। ভোটাধিকার, অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার—এসব অর্জনের পেছনে নারীরা বারবার লড়াই করেছেন। জাতীয় আন্দোলনেও নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত সব বড় আন্দোলনে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। তবে এসব আন্দোলনে অনেক সময় নারীরাই প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। উদাহরণ হিসেবে তিনি কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় ঢাবি এলাকায় ছাত্রীদের ওপর হওয়া হামলার কথা তুলে ধরে বলেন, সেই হামলা আন্দোলনকে আলাদা মাত্রা দিয়েছিল।

    নাহিদ আরও বলেন, যদিও অনেক নারী আন্দোলনে সরব ছিলেন, পরে রাজনীতিতে তাদের উপস্থিতি কমে যায়। এর পেছনে সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক চাপ ও অনলাইন সাইবার বুলিংয়ের প্রভাবকে বড় কারণ হিসেবে তিনি চিহ্নিত করেন। এসব কারণে অনেকে রাজনীতি ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন।

    তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম প্রয়োজন, যেখানে নারীরা তাদের নিজস্ব বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলবেন ও সংগঠিত হতে পারবেন। সেই চিন্তা থেকেই জাতীয় নারীশক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ নাহিদ জানান, জাতীয় নারীশক্তি হারানো নারী কণ্ঠগুলোকে ফিরে আনতে কাজ করবে এবং নারী অংশগ্রহণকে আরও জোরালোভাবে রাজনীতি ও সামাজিক মাঠে তুলে ধরবে।

    নাহিদ ইসলাম সরকারকে নারীদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও সাইবার বুলিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দলমত নির্বিশেষে যেকোনো অপরাধীকে আইনের আওতায় আনতে হবে।

    অনুষ্ঠানে সংগঠনের নেতারা জানিয়েছেন, অচিরেই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সারাদেশে সংগঠনটি সম্প্রসারণ করা হবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন নারীও অনুষ্ঠানে ছিলেন।

  • দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ বহিষ্কার

    খুলনা জেলা শাখার অধীনস্থ দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে শনিবার থেকে এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হয়েছে।

    একই সিদ্ধান্তে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাককেও বহিষ্কার করা হয়েছে। দুজনের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই বহিষ্কারাদেশ অনুমোদন করেন। সংগঠন থেকে বলা হয়েছে, প্রয়োজনীয় তদন্তপত্র ও অভিযোগের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে আরও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

  • মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আজ রোববার (৮ মার্চ) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এই ঘোষণা দেন।

    সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে ছিলেন নুসরাত তাবাসসুম।

    নাহিদ ইসলাম জানান, যদিও জাতীয় নারীশক্তি এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে, তবু এটি নারীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠাসহ সাইবার বুলিংসহ বিভিন্ন ইস্যুতে স্বাধীনভাবে কাজ করবে।

    অনুষ্ঠানে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিশ্বের ইতিহাসে নারীদের যে প্রত্যেক অর্জন হয়েছে তা আন্দোলন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়েই এসেছে। ভোটাধিক্য থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকারের প্রশ্ন—এসব ক্ষেত্রে নারীদের বারবার লড়াই করতে হয়েছে। একই সঙ্গে জাতীয় বিভিন্ন সংগ্রামে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

    তিনি আরও স্মরণ করান, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—এ সব আন্দোলনে নারীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছে। কিন্তু এসব সংগ্রামের সময় নারীসহিংসতা ও নির্যাতনও বাড়ে। বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রীদের ওপর হামলার ঘটনা আন্দোলনকে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছিল, কারণ ওই সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অনেক নারী শিক্ষার্থী ছিলেন এবং তাদেরই লক্ষ্য করে আক্রমণ হয়েছিল।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, যদিও অনেক নারী ওই সময়ে রাজপথে ছিলেন, পরে রাজনীতি ও öffentlichen মঞ্চে তাদের উপস্থিতি কমে গেছে। সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক বাধ্যবাধকতা ও অনলাইনেই ছড়ানো সাইবার বুলিং—এসবই মূল কারণ হিসেবে স্পষ্ট। অনেকে এই চাপের কারণে রাজনীতি ছাড়তেও বাধ্য হয়েছেন।

    তিনি বলেন, এই বাস্তবতা বিবেচনায় আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম থাকা প্রয়োজন যেখানে নারীরা তাদের ইস্যু নিয়ে কথা বলতে ও সংগঠিত হতে পারবেন। তাই জাতীয় নারীশক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নাহিদ আশা প্রকাশ করে বলেন, জাতীয় নারীশক্তি হারিয়ে যাওয়া নারী কণ্ঠগুলোকে আবার সামনে নিয়ে আসবে এবং বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া নারীদের কণ্ঠ রাজনীতিতে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরবে।

    একই সঙ্গে তিনি সরকারের প্রতি নারীদের বিরুদ্ধে চলমান সহিংসতা ও সাইবার বুলিং বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবার আহ্বান জানান এবং বলেন যে, দলমত নির্বিশেষে যেকোনো অপরাধীকে আইনের আওতায় আনা উচিত।

    অনুষ্ঠানে নেতারা জানান, শিগগিরই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সারাদেশে সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারিত করা হবে। আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি ‘সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’ শীর্ষক এক আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়।

    অনুষ্ঠানে মনিরা শারমিন ও নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন। তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে ডা. মাহমুদা আলম মিতু উপস্থিত থাকতে পারেননি। আসরে ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারসহ জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন নারীও।

  • দিঘলিয়ার সাজ্জাদ হোসেনসহ দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

    দিঘলিয়ার সাজ্জাদ হোসেনসহ দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার

    বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্তে খুলনা জেলা শাখার অন্তর্গত দিঘলিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেনকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। শনিবার নেওয়া কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এই বহিষ্কারাদেশ কার্যকর করা হয়েছে।

    একই সিদ্ধান্তে কিশোরগঞ্জ জেলা শাখার অষ্টগ্রাম উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব আল মাহমুদ মোস্তাকককেও সংগঠনের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রে ‘সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ’ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট অভিযোগকে ভিত্তি করে এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    বহিষ্কারাদেশটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ অফিসিভালি অনুমোদন করেন। কর্তৃপক্ষ জানায়, সংগঠনের শৃঙ্খলা ও নিয়ম-কানুন বজায় রাখাই এসব পদক্ষেপের উদ্দেশ্য।

    বর্তমানে বহিষ্কারপ্রাপ্ত নেতাদের পক্ষ থেকে বা স্থানীয় শাখা থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা হয়নি। বিষয়টি সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়া গেলে পরে জানানো হবে।

  • মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    মনিরা, মিতু ও নুসরাতের নেতৃত্বে ‘জাতীয় নারীশক্তি’ আত্মপ্রকাশ

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সহযোগী সংগঠন ‘জাতীয় নারীশক্তি’ শনিবার নয়—আজ রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাজধানীর সেগুনবাগিচার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এই ঘোষণা দেন এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

    সংগঠনের নেতৃত্বে দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন—তিনি নারীশক্তির আহ্‌বায়ক। সদস্যসচিব পদটি পেয়েছেন ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং মুখ্য সংগঠক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন নুসরাত তাবাসসুম।

    নাহিদ ইসলাম বলেন, যদিও জাতীয় নারীশক্তি এনসিপির সহযোগী সংগঠন হিসেবে কাজ করবে, তবে এটি নারীরা তাদের নিজস্ব ইস্যু নিয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করার একটি প্ল্যাটফর্ম হবে। সংগঠনটি নারীর অধিকার, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বৈষম্য দূর করা ও সাইবার বুলিংসহ নারীদের বিভিন্ন সমস্যা নিরসনে সক্রিয় ভূমিকা রাখবে।

    আলোচনা কালে নাহিদ ইসলাম ইতিহাস তুলে ধরে বলেন, নারীদের অধিকার অর্জন সবসময়ই আন্দোলন ও সংগ্রামের ফল—ভোটাধিকার থেকে শুরু করে অর্থনৈতিক ও সামাজিক অধিকার পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে নারীকে লড়াই করতে হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে সাম্প্রতিক জুলাই গণঅভ্যুত্থান—সব আন্দোলনেই নারীরা গুরুত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ করেছেন এবং বহুবার তারা সহিংসতার শিকারও হয়েছেন।

    বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের শুরুতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রীদের ওপর হওয়া হামলার কথা তুলে তিনি বলেন—অনেক নারী শিক্ষার্থী ছিলেন কোটা সংস্কার আন্দলনের অগ্রভাগে, তাই তাদের ওপর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল। এমন ঘটনার কারণে আন্দোলনেই নারীদের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিয়ে আরও সচেতন হওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে।

    নাহিদ আরও বলেন, জুলাই আন্দোলনের সময় অনেক নারী রাজপথে সক্রিয় ছিল; তবু পরবর্তীতে রাজনীতির মাঠে তাদের উপস্থিতি কমে গেছে। এর পেছনে সামাজিক বাস্তবতা, পারিবারিক চাপ এবং অনলাইন সাইবার বুলিং বড় কারণ হিসেবে কাজ করেছে—অনেক নারী এসব বাধার কারণে রাজনীতি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

    তিনি বলেন, এই বাস্তবতা বিবেচনায় আলাদা একটি প্ল্যাটফর্ম থাকা জরুরি, যেখানে নারীরা নিজেরাই নিজেদের বিষয়গুলো নিয়ে স্বাধীনভাবে কথা বলতে এবং সংগঠিত হতে পারবেন—এভাবেই জাতীয় নারীশক্তির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নাহিদ দাবি করেন, জুলাই আন্দোলনে নারীরা বড় স্টেকহোল্ডার ছিলেন এবং তাদের কণ্ঠস্বর রাজনীতিতে আরও জোরালোভাবে উঠে আসা প্রয়োজন; জাতীয় নারীশক্তি সেই হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠগুলো ফিরে আনার চেষ্টা করবে।

    নাহিদ সরকারকে নারী বিরোধী সহিংসতা ও সাইবার বুলিং রোধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান এবং বলেন, দলমত নির্বিশেষে যেকোনো অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।

    আলোচনা ও আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে নেতারা জানান, অচিরেই জাতীয় নারীশক্তির পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে এবং সারাদেশে সংগঠনের কার্যক্রম বিস্তৃত করা হবে। অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক মনিরা শারমিন ও মুখ্য সংগঠক নুসরাত তাবাসসুম উপস্থিত ছিলেন; তবে শারীরিক অসুস্থতার কারণে সদস্যসচিব ডা. মাহমুদা আলম মিতু উপস্থিত থাকতে পারেননি। অনুষ্ঠানে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন নারীও উপস্থিত ছিলেন।

    আলোচনা-সভার একটি বিশেষ সেশন ছিল ‘সাম্প্রতিককালে নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতার প্রতিকার এবং ধর্ষণের বিচার’ শীর্ষক, যেখানে প্রাসঙ্গিক সমস্যাগুলো নিয়ে বিশদ নিখুঁত বক্তব্য ও সমাধানমুখী প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।