Category: রাজনীতি

  • গণভোট ইস্যুতে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য

    গণভোট ইস্যুতে সরকারকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে ১১ দলীয় ঐক্য

    গণভোটের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরকারের পদক্ষেপের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ ও তা অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবি নিয়ে রাজধানীতে একটি ব্যাপক বিক্ষোভ ও সমাবেশ করেছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার বিকেলে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে নেতারা বলেন, বর্তমান সরকার গণভোটের ফলাফলকে অস্বীকৃতি জানিয়ে সংস্কারবিরোধী অবস্থান নিচ্ছে, যা তারা ফ্যাসিবাদী শক্তির স্বরূপ বলে অভিহিত করেন। তারা হুঁশিয়ার করে বলেন, যদি সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতকে উপেক্ষা করে ফ্যাসিবাদ সৃষ্টির চেষ্টা চালায়, তাহলে গণতন্ত্রের জন্য এর পরিণতি ভয়াবহ হবে এবং অতীতের মতো কঠিন পরিস্থিতির মাঝে পড়তে হবে বিএনপিকে।

    দুপুরের পরে থেকে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে কর্মীরা ছোট ছোট মিছিল করে সমাবেশস্থলে জড়ো হতে থাকেন। তাদের হাতে নানা ধরনের প্ল্যাকার্ড দেখা যায়, যেমন ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়ন চাই’ ও ‘গণভোট মানতে হবে’। সমাবেশে অংশ নেওয়া নেতাকর্মীরা সরকারের কার্যক্রমের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন এবং গণভোটের পক্ষে সমর্থন দেন।

    এই বিক্ষোভের আয়োজন করে ঢাকা মহানগর ১১ দলীয় ঐক্য। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম। বক্তারা বলেন, সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে উপক্ষো করে গণভোটের রায়ের বিরোধিতা করছে, যা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পরিপন্থী। তাঁরা আরও উল্লেখ করেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কঠোর সমালোচনা করে, যদি এই রায় অবিলম্বে বাস্তবায়িত না হয়, তাহলে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে এর প্রতিবাদে অবতীর্ণ হবে সংগঠনগুলো। সম্মেলনে বক্তারা সংবিধান সংস্কারের উপর জোর দেন, যাতে জনগণের ভোটাধিকার ও মতামত নিশ্চিত হয় এবং গণতন্ত্র শক্তিশালী হয়।

  • कुछ শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    कुछ শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    সব ধরনের বিভাজন ও বিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধের ভিত্তিতে নতুন একটি বাংলাদেশ গঠনের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, যা মোকাবেলা করে এ পথে এগিয়ে যাওয়া যায় না।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ধর্মীয় উৎসব ‘ইস্টার সানডে’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, “কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমাদের উচিত, এই বিভাজন প্রতিরোধ করে একতার মূল মন্ত্রে লিপ্ত হওয়া। আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় দিতে হবে। বরং মানুষের প্রতি ভালোবাসা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিই হওয়া উচিত আমাদের পথচলার মূল শক্তি।”

    তিনি আরও বললেন, বাংলাদেশ একটি অসাধারণ উদাহরণ যেখানে সকল ধর্মের মানুষ একত্রে বসবাস করেন। এই দেশ ইসলাম ধর্মকে সম্মান করে যেমন, তেমনি হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরাও এখানে মিলেমিশে আছে। এই ভূখণ্ডে সব ধর্মের মানুষেরা অতীতে থেকেই একসাথে বসবাস করে আসছে।

    স্থানীয় সরকারমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এক সময় ধর্মের ভিত্তিতে সমাজে বিভক্তির অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল, যা থেকে সবাইকেই মুক্ত হতে হবে।

    খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, “আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা ভবিষ্যতে একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত সরকার গঠন করতে চাই। আমাদের সামনে অনেক কাজ রয়েছে, সেগুলো সবাইকে নিয়ে সম্পন্ন করতে হবে।”

  • ১১ দলীয় জোটের চার দিনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা

    ১১ দলীয় জোটের চার দিনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা

    দেশব্যাপী চার দিনের আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় জোট, সংবিধান সংস্কার ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে এক যৌথ বৈঠক শেষে এ ঘোষণা দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে সরকার জনগণের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা ও উপহাস করছে। সংবিধান সংস্কার প্রসঙ্গে নির্বাচনের আগে দলগুলোর মধ্যে ঐক্য সৃষ্টি হলেও এখন তা ভেঙে পড়েছে। মামুনুল হক অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনমতকে উপেক্ষা করে একদলীয় অবস্হা তৈরি করছে এবং জনগণের দুর্ভোগ নিয়ে সরকার সমালোচনা বরদাশ্তা করছে না। তিনি বললেন, কিন্তু দেশের স্বাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সংগ্রামে একযোগে কাজ করছেন ১১ দল। তারা প্রত্যেকে ঘোষণা করেন, গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়িত হবে। আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে তারা গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে বিভিন্ন লিফলেট বিতরণ শুরু করবে। এর মধ্যে রয়েছে ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভ মিছিল, ১২ এপ্রিল জেলাশহরগুলোতে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের জন্য জাতীয় সেমিনার। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধীপক্ষের দমন-পীড়নের মাধ্যমে রাজপথের আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা করছে। বিএনপির কর্মকাণ্ডে জাতি হতবাক ও বিস্মিত। গণভোটের রায়ে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট স্বতঃসিদ্ধ মান্যতা পেয়ে গেছে, এরপরও সংসদে এক ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদে বিরোধীদের কথা বলার অধিকার নেই, আর দিল্লির আগ্রাসনবিরোধী আন্দোলন করছে এমন ব্যক্তিদের রাজাকার ট্যাগ দিয়ে দিচ্ছে সরকার। এ সময় জামায়াতের নেতা বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের মুখ্য আরও কিছু কর্মসূচি পালনের আহ্বান জানান।

  • জামায়াতের আমিরের হুঁশিয়ারি: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়ব না

    জামায়াতের আমিরের হুঁশিয়ারি: গণভোটের রায় বাস্তবায়ন ছাড়ব না

    সংসদ সদস্যরা বুঝি না বা মানুক বা না মানুক, গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করেই ছাড়বো, কড়া বলে জানিয়ে দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী এর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনের ফলাফল কিছু গুঁড়িয়ে দেয়ার পিছনে হস্তক্ষেপ হয়েছে, যেখানে ৭০ শতাংশ ভোটার হ্যাঁ সমর্থন দিয়েছেন। তার বিশ্বাস, তিনি ও তাঁর দল ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে থেকে জনগণের লোভ ও সাহসের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘গণভোটের রায় আমরা পালন করবই, সরাবই। এই সংসদ মানুক বা না মানুক, রায়কে বাস্তবায়ন করব, ইনশাআল্লাহ।’ অন্যদিকে, সোমবার (৬ এপ্রিল) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত জাগপা’র ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, ন্যায় ও ইনসাফের ভিত্তিতে দেশের উন্নয়ন কারা সম্ভব, যদি দলের ভেতরেই গণতন্ত্র ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা যায়। যারা নিজেদের দলের মধ্যে গণতন্ত্র রক্ষা করতে পারে না, তাদের থেকে দেশের নিরাপত্তা ও গণতন্ত্রের আশা করা যায় না। যারা নিজ দলের মধ্যে গলাকাটাকাটির রাজনীতি করে, তারা দেশের মানুষের নিরাপত্তা দিতে পারে না। ’তিনি বলেন, ‘জনগণ ঠিকই বুঝেছে। চব্বিশে (১৯৭১ সালে) জনগণ রায় দিয়েছিল। কিন্তু আজ এর হাইজ্যাক হচ্ছে, ডাকাতি করা হচ্ছে। জনগণের অনুভূতিকে অপমান করা হচ্ছে। এর প্রমাণও পাওয়া গেছে।’ জামায়াতের এই নেতা বলেন, ‘সাধারণত ঘুঘু বারবার ধান খেয়ে চলে যায়, কিন্তু যখন পরিস্থিতি মন্দ হয় তখন জালে ধরা পড়ে। আপনি জনগণের ধান খান, এবার এর বিচার নিশ্চিত হবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘যদি সংসদ জনগণের আকাঙ্ক্ষা বুঝে না বা ব্যর্থ হয়, তাহলে আন্দোলনের মধ্য দিয়ে রায় বাস্তবায়ন করা হবে। ‘কেয়ারটেকার’ সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিও সেই আন্দোলনের অংশ। তবে সংসদে বিষয়টি নস্যাৎ হওয়ায় এবার জনগণের আস্থা নিয়ে পথ চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ জ্বালানি সংকটে সাধারণ مردم ভোগান্তির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সমস্যা বাড়ছে এবং এর প্রভাব কৃষি উৎপাদনে পড়তে পারে, যা ভবিষ্যৎ খাদ্য সংকটের দিকে নিয়ে যাবে।’ শিক্ষাখাতে এই সংকটের সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘শিক্ষা ব্যাহত হলে ভবিষ্যতের জন্য ক্ষতি হবে। তাই, শিক্ষা একটি বিকল্প ছাড়া অন্য কিছু ভাবা যাবে না।’ শেখার দায়িত্বে থাকা সংসদ সদস্যরা জনগণের স্বার্থ রক্ষায় কাজ করবে এবং অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না বলে তিনি দৃঢ় আশ্বাস দেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন জাগপার সভাপতি ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, প্রধান বক্তা ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার তাসমিয়া প্রধান, উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার এ এস এম শাহরিয়ার কবির, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমানসহ আরও অনেকে।

  • আসিফের হুঁশিয়ারি: ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারও অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    আসিফের হুঁশিয়ারি: ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারও অভ্যুত্থানের আশঙ্কা

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন এবং চেতনা রক্ষা না করা যায়, তবে ২০২৬ বা ২০২৭ সালে আবারও একই ধরনের পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি হতে পারে। তিনি বলেন, জনগণের বিজয়ে ৬৯-এর গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন যখন রক্ষা করতে পারেনি, তখন ৭১ সংঘটিত হয়েছিল। এই ইতিহাস থেকে আমাদের শেখার নিয়মিতই আছে, ভবিষ্যতেও এটি ঘটতে পারে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি। এই সংবাদ সম্মেলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিএনপি সরকারের গণভোটের রায় উপেক্ষা, রাষ্ট্র সংস্কারের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশ বাতিল ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির বিষয়ে বক্তব্য দেয়া।

    আসিফ মাহমুদ বলেন, আমরা বারবার বিএনপি নেতাদের সংবিধান বললেও, তারা প্রশাসক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংবিধানের স্পষ্ট লঙ্ঘন করছে। সংবিধানে বলা হয়েছে, স্থানীয় সরকারে প্রতিনিয়ত ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি থাকাই উচিত, কিন্তু বর্তমান সরকারের পূর্ববর্তী অধ্যাদেশগুলো বহাল রেখে নির্বাহী বিভাগকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে, কোনও নির্বাচিত প্রতিনিধি যদি বিরোধী দলের হয়, তবে তাকে অপসারণের ভয় দেখিয়ে ক্ষমতাকে খর্ব করা হচ্ছে, যা পুরোপুরি সংবিধানবিরোধী।

    অপর দিকে, ফোনে আড়ি পাতার সক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি জানান, অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অনেক এজেন্সির ওপর ব্যক্তিগত ফোনে আড়ি পাতার ক্ষমতা থাকলেও, আইনি বাধ্যবাধকতা ছিল না। অন্তর্বর্তী সরকার সেই ক্ষমতাগুলো অনেকটা হ্রাস করে আইনগতভাবে সীমাবদ্ধ করেছিল, কিন্তু বর্তমান সরকার তা বাতিল করে আবারও অনেক এজেন্সির হাতে আড়ি পাতার ক্ষমতা ফিরিয়ে দিচ্ছে।

    এনসিপি নেতারা বলছেন, অতীতে আমরা ফ্যাসিবাদ দেখেছি, আর এখন সরকারের মধ্যে স্বৈরাচারী আচরণের লক্ষণ স্পষ্ট। যদি গণভোটের রায় মানা না হয়, তাহলে তাদেরকে ‘অবৈধ সরকার’ হিসেবে ঘোষণা করে দেয়া হবে। তারা উল্লেখ করেন, শুরু থেকে এই সরকারকে সহযোগিতা করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু তাদের সদিচ্ছার অভাবে তা সম্ভব হয়নি। বিশ্বব্যাপী সংকট মোকাবিলায় সকল শ্রেণি-পেশার সাথে বসে সমাধানে এগিয়ে আসার জন্য তারা প্রস্তুত।

    তবে, দ্রুত রাজপথে নামার সিদ্ধান্ত তাদের বিরোধী জোটের জন্য খুবই জরুরি হয়ে পড়েছে, কারণ গণভোটের নাটকীয়তা দেখে তারা আর স্থায়ী ধৈর্য্য ধরতে পারছে না। এই পরিস্থিতি দেশের জন্য ক্ষতিকর বলেও তারা সতর্ক করেছেন।

    সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সংস্কার কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জাবেদ রাসেল, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু শত্রুমুখী শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে, তা রুখে দিতে সবাইকে একত্র হয়ে কাজ করতে হবে। রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউতে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের ইস্টার সানডে অনুষ্ঠানে তিনি এই মন্তব্য করেন এবং ঘৃণা নয়, ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে সমাজের মূল শক্তি হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

    তিনি বলেন, আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় দিতে হবে। মানুষকে ঘৃণার বদলে সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্যে উদ্বুদ্ধ করা গেলে সমাজ হবে আরও শক্তিশালী। মির্জা ফখরুল আরও সতর্ক করে বলেন, বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা যদি অনুপ্রবেশ করতে দেয়, তাহলে দেশের শান্তি ও ঐক্য ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

    তিনি দেশের বৈচিত্র্য ও সহনশীলতার কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের বাসস্থান—ইসলাম রয়েছে, সনাতন ধর্মাবলম্বীরা, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ সমাজও এই মাটির অবিচ্ছেদ্য অংশ। অতীত থেকে এখানে সকল ধর্মের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করে দেশকে এগিয়ে নিয়েছে।

    মির্জা ফখরুল এমনই বিভাজন তৈরির পুরনো অপচেষ্টা থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি খ্রিষ্টান সম্প্রদায়কে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, ‘‘আপনাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় আমরা একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠনের চেষ্টা করব। সামনে অনেক কাজ রয়েছে; সেগুলো সফল করতে সবাইকে নিয়ে এগোতে হবে।’’

    অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া মানুষকে একটা নতুন বাংলাদেশ গড়ার ডাক দিয়ে তিনি পারস্পরিক ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে শক্ত রাখার বার্তা দেন এবং সমাজে সহনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান করেন।

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে দেশব্যাপী চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামিসহ ১১ দলীয় জোট। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এসব সিদ্ধান্ত প্রকাশ করেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

    মাওলানা মামুনুল হক অভিযোগ করেন, সরকার বহুদলের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করে চলেছে এবং সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত নির্বাচনের আগের ঐকমত্য ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, জনআকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে সরকার একদলীয় ফ্যাসিবাদের পথে এগিয়ে যাচ্ছে এবং সরকারের বিরুদ্ধে জনদুর্ভোগ তুলে ধরলে আটক-নির্যাতনের মতো কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। তবে তিনি বলছেন, নব্য ফ্যাসিবাদকে যেকোনো মূল্যে বন্ধ করবে ১১ দলীয় ঐক্য।

    জোটের কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি শুরু হবে। ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভ মিছিল হবে, ১২ এপ্রিল প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

    জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারই বিরোধীদলকে রাজপথে আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি বিএনপির কার্যকলাপে জাতি হতবাক ও বিস্মিত বলেও মন্তব্য করেন এবং দাবি করেন যে গণভোটের রায়ের বিরোধিতা স্বরূপ বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট ইতিমধ্যে কার্যত স্থগিত রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সংসদে মাত্র এক–দুইজনের কর্মকাণ্ডের কারণে বিএনপি সংবিধান নিয়ে সংকটকালের চিত্র তুলে ধরছে।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন যে জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদে বিরোধীদলকে কথা বলার সুযোগ দেয়া হয় না এবং দিল্লি ও ভারত-বিরোধী অবস্থান গ্রহণকারী সবকেই সরকারি দলের তরফে ‘রাজাকার’ ট্যাগ দেয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণে আহ্বান জানান।

    বৈঠক শেষে জোটের নেতারা বলেন, তারা এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে গণভোটের রায় এবং সংবিধান সংশোধনের দাবির পক্ষে গণমত গঠন ও চাপ তৈরি করতে চায়।

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট রায় বাস্তবায়নে ১১ দলের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট রায় বাস্তবায়নে ১১ দলের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদ আহ্বান এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ও সমর্থক ১১ দলীয় জোট দেশব্যাপী চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানানো হয় এই কর্মসূচির কথা। বৈঠকে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।

    মামুনুল হক অভিযোগ করে বলেন, সরকার জনম্যান্ডেটকে উপেক্ষা ও উপহাস করছে এবং নির্বাচনের আগে যে ঐকমত্য গড়া হয়েছিল, তা সংস্কারসংক্রান্ত ইস্যুতে ভেঙে ফেলা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, বর্তমান শাসন একদলীয় ও নব্য ফ্যাসিস্ট স্বাভাবিকতায় এগোচ্ছে এবং সরকারের সমালোচনায় মানুষকে গ্রেফতার করা হচ্ছে; তবে ১১ দলীয় জোট নব্য ফ্যাসিবাদকে যেকোনো মূল্যে রুখে দেবে।

    জোটের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোট রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ শুরু হবে। ১১ এপ্রিল সারা দেশের উপজেলা ও থানায় বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। ১২ এপ্রিল প্রতিটি জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের আয়োজন থাকবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোট রায় কার্যকর করার পক্ষে একটি জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

    জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারকে দায়ী করে বলেছেন, সরকার বিরোধীদলকে রাজপথে নামতে বাধ্য করছে। তিনি বলেন, বিএনপির কার্যকলাপ সম্পর্কে জাতি হতবাক ও বিস্মিত; গণভোটের রায়ে বিএনপির ‘নোট অব ডিসেন্ট’ ইতোমধ্যে কার্যত স্থগিত হয়ে পড়েছে, এবং সংসদে মাত্র একজনের কর্মকাণ্ডের কারণে সংবিধানকে সংকটবশতভাবে টেনে আনা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, জ্বালানি সংকট নিয়ে সংসদে বিরোধীদলকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দেয়া হচ্ছে না এবং যারা দিল্লির আগ্রাসনের বিরোধিতা করছে তাদেরকে সরকারের দিকে থেকে ‘রাজাকার’ জাতীয় তকমা দেয়া হচ্ছে। তিনি একই সঙ্গে বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান।

  • কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে: মির্জা ফখরুল

    কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করছে: মির্জা ফখরুল

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু শক্তি সমাজে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করছে, তা রোধ করতে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি সতর্ক করে বলেন, ঘৃণা ও শত্রুভাব আমাদের সমাজের জন্য ঘातক হতে পারে, তাই ঘৃণাকে চিরতরে বিদায় করে ভালোবাসা ও ভ্রাতৃত্ববোধকে পথপ্রদর্শক করতে হবে।

    রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর মাদানি অ্যাভিনিউয়ে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বড় ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তিনি সমাজে ঐক্যবদ্ধ থাকার পক্ষে কথা বলেন এবং ধর্মনিরপেক্ষ সহাবস্থানকে গুরুত্ব দেন।

    মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশ এমন এক দেশ যেখানে ইসলাম ছাড়া সনাতন ধর্মাবলম্বী, খ্রিষ্টান ও বৌদ্ধ—all মিলেমিশে এই ভূখণ্ডের অঙ্গ। অতীতেও এখানে সব ধর্মের মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বাস করেছে, সে ঐতিহ্য রক্ষা করাই হবে আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক দায়িত্ব।

    তিনি আরও বলেন, কোনও ধরনের বিভাজন সৃষ্টি করার অপচেষ্টা সমাজকে দুর্বল করে। ‘‘আমাদের সমাজ থেকে ‘ঘৃণা’ শব্দটিকে চিরতরে বিদায় দিতে হবে। ঘৃণা নয়, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সৌহার্দ্যই হোক আমাদের পথচলার মূল শক্তি,’’ তিনি বলেন।

    খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের সমর্থন ও সহযোগিতায় সমাজ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা যাবে। ‘‘আমরা চাই একটি সমৃদ্ধ সরকার গঠন করতে, এজন্য সামনে অনেক কাজ রয়েছে — সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে,’’ তিনি যোগ করেন।

    তিনি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে দেশের শান্তি, সমতা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করার আহ্বান জানান এবং আবেদন করেন ব্যক্তিগত ও সমাজিক বিভেদের চেয়ে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতাকে অগ্রাধিকার দিতে।

  • সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার ও গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় জোটের চার দিনের কর্মসূচি

    সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলোয় জোট দেশজুড়ে চার দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) রাজধানীর মগবাজারে এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের জানান বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। তিনি বলেন, সরকার মানুষের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করছেন এবং সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত নির্বাচনের আগে বিভিন্ন দলের মধ্যকার ঐকমত্য ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছে।

    মামুনুল হক অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার জনআকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে একদলীয় শাসনের দিকে এগোচ্ছে। জনদূর্ভোগ নিয়ে সরকারের সমালোচনা করলে গ্রেফতার করা হচ্ছে—এ ধরনের কর্মকাণ্ডকে তিনি ঘৃণ্য বলে আখ্যা দেন। পাশাপাশি তিনি বলেন, নব্য ফ্যাসিবাদকে কোন মূল্যেই তারা ছাড় দেবে না এবং গণভোটের রায় যেকোনো মূল্যে বাস্তবায়ন করা হবে।

    জোটের ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী: আগামী ৯ এপ্রিল বিকেলে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে সপ্তাহব্যাপী লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে। ১১ এপ্রিল দেশব্যাপী উপজেলা ও থানাগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল করা হবে। ১২ এপ্রিল সব জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হবে এবং ১৩ এপ্রিল ঢাকায় গণভোটের রায় বাস্তবায়নের পক্ষে এক জাতীয় সেমিনারের আয়োজন করা হবে।

    জামায়াতে ইসলামের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকার বিরোধীদলকে রাস্তা আন্দোলনের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি মন্তব্য করেন, বিএনপির কিছু কর্মকাণ্ডে দেশ হতবাক ও বিস্মিত হলেও সংসদে বিএনপির নোট অব ডিসেন্ট কার্যত স্থগিত অবস্থায় রয়েছে এবং মাত্র এক ব্যক্তির কর্মকাণ্ড থেকেই সংবিধান নিয়ে সংকট তৈরি হচ্ছে, এমন অভিযোগ তিনি তুলেছেন।

    মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও অভিযোগ করেন, জ্বালানি সংকটসম্বন্ধে সংসদে বিরোধীদলকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না দেয়া হচ্ছে এবং দিল্লির বিরোধী অবস্থান নেওয়া রাজনৈতিক শক্তিদের সরকারি দল রাজাকার বলে ট্যাগ করছে। তিনি বিএনপিকে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান।