Category: রাজনীতি

  • ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ

    ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের আনুষ্ঠানিক বরাদ্দ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে ধানের শীষ প্রতীকের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

    বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয় থেকে ধানশীষ প্রতীকের সম্পর্কিত চিঠি তারেক রহমানের পক্ষে গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম। তিনি জানান, বিভাগীয় কমিশনার তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন।

    প্রতীক পেয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, বিভাগীয় কমিশনার সব প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে বলেছেন। তিনি আরও বলেন, যুবকদের থেকে শুরু করে সব শ্রেণির ভোটাররা তারেক রহমানকে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে রয়েছে।

    এদিন ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জমান ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক পেয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশন বুধবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছে। প্রতীকপ্রাপ্ত প্রার্থীরা বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

    ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী ভোটগ্রহণ নির্ধারিত হয়েছে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে এক দিনেই পৃথক ব্যালটে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

  • মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    রাজধানীর মিরপুর পীরেরबাগে জামায়াতের নারী কর্মীদের বিরুদ্ধে হওয়া হেনস্তা ও হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার (২১ জানুয়ারি) আহতদের দেখতে হাসপাতালে গিয়ে তিনি বলেন, এখন মানুষ অনেক বেশি সচেতন; মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিনের শেষ হয়েছে।

    ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যদি কাউকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করতে দেখা যায়, সেটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে জানান। তারা আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলের অধিকার নেই বনেদি বা অরাজক মব সৃষ্টি করার। জামায়াত নোংরা মব ও সহিংসতার কঠোর নিন্দা জানায় এবং এমন ঘটনার স্থায়ী সমাধান চাইছে।

    তিনি আরও বলেন, আমরা চাই এই মব-ঘটনাই এখানেই শেষ হয়ে যাক। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকতেই পারে, তবে সেটাকে শান্তিপূর্ণ ও আইনি পথে রাখতে হবে। সবাই জনগণের কাছে যাবে, নিজের বক্তব্য উপস্থাপন করবে এবং দলীয় অঙ্গীকারগুলো সামনে তুলে ধরবে। তারপর জনগণ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিচার করে সিদ্ধান্ত নেবে কাদের ওপর আস্থা রাখবে।

    জামায়াত আমির বলেন, তাদের অঙ্গীকার স্পষ্ট: তারা দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়তে চায় যেখানে কোনোভাবে ফ্যাসিজম ফিরে আসবে না। ঠিক এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে তারা পরপর দু’টি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

    ডা. শফিকুর রহমান ৩শ’ আসনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদেরও সংবর্ধনা জানিয়ে বলেন, জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন। নির্বাচনী পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখুন এবং ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করুন যাতে ভোটাররা নিজের পছন্দমতো প্রতীক চিহ্নিত কাগজে ভোট দিয়ে নির্বিঘ্নে বাক্সে পৌঁছে দিতে পারে।

  • মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ: জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান

    রাজধানীর মিরপুর পীরেরবাগে জামায়াতের নারী কর্মীদের ওপর ঘটানো হেনস্থা ও হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন দলের আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বুধবার (২১ জানুয়ারি) আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান এবং ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান।

    ডা. শফিকুর বলেন, ‘‘মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন। মব করে জনমত প্রভাবিত করার দিন শেষ।’’ তিনি বলেন, যদি কেউ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে থাকে, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানাতে হবে; কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। তবে কোনো ব্যক্তি বা দলের কোন অধিকার নেই জনতার মধ্যে মব সৃষ্টি করার। জামায়াত এমন নোংরা মবের কড়া নিন্দা জানায়, যোগ করেন তিনি।

    জামায়াত আমির আরও বলেন, আমরা চাই এই মব এখানেই থামুক। সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে জনগণের কাছে গিয়ে নিজেদের বক্তব্য উপস্থাপন করে এবং দলের অঙ্গীকার ও কর্মসূচি তুলে ধরে। তিনি বলেন, জনগণ অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিবেচনায় করে কার ওপর আস্থা রাখবে সিদ্ধান্ত নেবেন।

    ডা. শফিকুর রহমান দলের অঙ্গীকার তুলে ধরে বলেন, ‘‘আমাদের লক্ষ্য একটি দুর্নীতি ও দুঃশাসনমুক্ত, ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠন করা, যেখানে ফ্যাসিজম আর ফিরে আসবে না। এই উদ্দেশ্যেই আমরা পরবর্তী দু’টি নির্বাচনে একসাথে অংশগ্রহণ করব।’’

    তিনি ৩০০ আসনে যারা নির্বাচন করছেন তাদেরও অনুরোধ জানিয়ে বলেন, জনগণের প্রতি আস্থা রাখুন; ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে তা নিশ্চিত করুন এবং ভোটারদের তাদের পছন্দমত প্রতীক ও বাক্সে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিন।

  • ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ

    ঢাকা-১৭: তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) ঢাকা বিভাগের কার্যালয় থেকে এ চিঠি গ্রহণ করেন ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের সাবেক সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মনিরুল ইসলাম।

    চিঠি গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলায় মনিরুল ইসলাম জানান, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ করেছেন। তিনি আরও বলেন, বিভাগীয় কমিশনার সব প্রার্থীদের নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার তাগিদ দিয়েছেন। মনিরুলের বক্তব্য অনুযায়ী, যুবক থেকে শুরু করে সব শ্রেণি-পেশার ভোটাররা তারেক রহমানকে সমর্থন জ্ঞাপন করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

    একই দিনে ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী এস এম খালিদুজ্জমান ‘দাড়িপাল্লা’ প্রতীকও পান।

    নির্বাচন কমিশন (ইসি) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় শেষ হওয়ার পর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ কার্যক্রম সোমবারের পরিবর্তে বুধবার সম্পন্ন করেছে। প্রতীক পাওয়ার পর প্রার্থীরা বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করবেন।

    ইসির ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে ১২ ফেব্রুয়ারি। ওই দিন সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পৃথক ব্যালেটে একটি গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।

  • মির্জা ফখরুলের মন্তব্য: অতীতে যারা স্বীকার করেনি, এখন বেশি দুষ্টামি করছে

    মির্জা ফখরুলের মন্তব্য: অতীতে যারা স্বীকার করেনি, এখন বেশি দুষ্টামি করছে

    বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তারা এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। এটি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

    মির্জা ফখরুল বলেন, পরিকল্পিতভাবে বিএনপি বিরুদ্ধে অনেক ধরনের অপপ্রচারা চালানো হচ্ছে। তিনি বলেন, এখন ওদের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে বিএনপি। অতীতে যারা বাংলাদেশকে স্বীকার করেনি, তাদেরই এখন সবচেয়ে বেশি দুষ্টামি করছে। তিনি আরও বলছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্দেশিত হবে দেশের রাজনীতি কিসের হাতে থাকবে—লিবারেল 민주তন্ত্রের বা উগ্রবাদী ও রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির।

    ফখরুল বলেন, ’যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন, আমাদের মা-বোনদের সম্মানহানি করেছেন, পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছেন—তাদের আমরা ভুলে যাইনি। তবে মত প্রকাশ ও রাজনীতি চালিয়ে যাওয়ায় তারা স্বপ্ন দেখবেন না যে ধর্মের নামে মানুষের বিভ্রান্তি করে, ভুল বোঝানো যায়। এটা তাদের এক ধরনের মোনাফেকি। তাদের বাস্তব কাজ হলো মানুষকে বিভ্রান্ত করা ও ভুল বোঝানো।’

    তিনি আরও বলেন, আজকে তাদের অপপ্রচার চলছে বিভিন্ন মাধ্যমে। তারা বিএনপিকে নিয়ে মিথ্যা প্রচার করে। বাংলাদেশ যখন মুক্তিযুদ্ধ করেছে, তখন সবাই এর বিরোধিতা করেছে। এখন বাংলাদেশের মানুষ নতুন নেতৃত্বের অপেক্ষায়, এমনকি তারেক রহমানের আধুনিক ও পরিবর্তনশীল রাজনীতি গ্রহণ করতে উন্মুখ। কিন্তু তাদের ধর্মের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে কিছু উগ্রবাদী শক্তি।

    ফখরুল বলেন, আমাদের পরিষ্কার বক্তব্য, আমরা ধর্মে বিশ্বাস করি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বঙ্গন্ধু মুজিব প্রথম সংবিধানে ‘বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম’ লিখেছিলেন। তিনি আল্লাহর উপর আস্থার কথাও বলেছিলেন। তাই, ধর্মের নামে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান জানাচ্ছেন।

    তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র ২৩ দিন বাকি থাকল নির্বাচন থেকে। অনেকের এসব নিয়ে সংশয় থাকলেও আসল সত্য হলো, তাদের ভোটই নেই। তারা বড় গলা দিয়ে বলে, নির্বাচন হবে না। তবে বিএনপি নির্বাচন চায়, জনগণের কাছেও যাবে। যদি জনগণ আপনাদের গ্রহণ করে তবে তা হবে সমর্থন, আর না করলে বিরোধী দলে থাকবো। তাহলে কেন এত গলাকাটা গালমন্দ? এই মুহূর্তে আমাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হলো, দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে আমাদের যেন সঠিক পথ বেছে নিতে হয়।

    বিএনপির নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক, উদারমূলক ও মানুষের কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য দ্রুত সামনে আনা হচ্ছে। ৩১ দফা কর্মসূচি ও নতুন ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ডের মতো পরিকল্পনাগুলোর মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

    সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, ড. আব্দুল মঈন খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আরো অনেকে।

  • ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিমি খাল খনন ও ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা ঘোষণা তারেক রহমান

    ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিমি খাল খনন ও ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা ঘোষণা তারেক রহমান

    বিএনপির সভাপতি তারেক রহমান বলেছেন, যদি তারা ক্ষমতায় আসে, দেশের আধেকের বেশি অংশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করবে এবং ২৫ কোটি নতুন গাছ রোপণ করবে। তিনি বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীর চেয়ারম্যানবাড়ি মাঠে অনুষ্ঠিত এক দোয়া মাহফিল ও মতবিনিময় সভায় এই পরিকল্পনার কথা জানান, যেখানে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।

    তারেক রহমান বলেন, জিয়াউর রহমানের সময় চালু হওয়া খাল খননের কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বর্তমানে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহরেও খাল খননের প্রয়োজন অনুভব করা হচ্ছে, কারণ একের পর এক খাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে জলজট, দূষণ ও পানির সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ঢাকার সবুজায়ন কমে গেছে, বহু বছর আগে বাধ্য হয়ে দেশের বাইরে চলে যেতে হয়েছে। ফিরে এসে দেখছি, শহর কতটা শুকনো ও দূষিত হয়ে গেছে। একারণে তিনি বলেন, যদি নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করতে পারি, তাহলে পাঁচ বছরের মধ্যে ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

    তিনি বিশ্বাস করেন, তার এই উদ্যোগ পরিবেশের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। দেশের প্রতিটি উপজেলায় সরকারি ও বেসরকারি নার্সারির সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে শক্তিশালী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি চালানো হবে। তিনি আরো বলেন, বহু দিন পরে দেশের বাইরে থাকার পর এসে দেখছি পরিস্থিতি ইতিমধ্যে অপরিবর্তিত থাকেনি, বরং পরিবর্তন হয়েছে। রাজনৈতিক বিরোধীদের সমালোচনা স্বাভাবিক হলেও এখন সংকট মোকাবেলায় একযোগে কাজ করতে হবে।

    ট্রাফিক সমস্যা নিয়ে তিনি বলেন, পাবলিক পরিবহন উন্নত করে ট্রাফিক জট কমানো সম্ভব। তিনি মেট্রোরেলের প্রাকটিসে খরচ কমানোর জন্য মনোরেল ব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেন, যা বিভিন্ন এলাকাকে সংযুক্ত করে ট্রাফিক সমস্যা সমাধানে সহায়ক হবে।

    সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়াক্ষেত্রে তিনি বলেন, ক্রীড়া পেশা হিসেবে গড়ে তুলতে চান। পেশাদার ফুটবলাদের জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় পরিবর্তন আনা হবে, যেখানে বাংলার পাশাপাশি ইংরেজি ও তৃতীয় ভাষা শেখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি জানান, সব শিক্ষার্থীকে বাধ্যতামূলক একটি খেলার সঙ্গে যুক্ত থাকতে হবে এবং একইভাবে সাংস্কৃতিক কর্মসূচিও বাধ্যতামূলক করা হবে। এই পরিকল্পনা দ্বারা তার দলের লক্ষ্য, শিক্ষার্থীদের সামগ্রীক উন্নয়ন ও সংস্কৃতিতে আরও যোগদান নিশ্চিত করা।

  • এনসিপির আরও তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা

    এনসিপির আরও তিন আসনে প্রার্থী ঘোষণা

    শরিয়তাধীন ১০টি দলের নির্বাচনী জোট জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বে অংশ নেওয়া এনসিপি (জাতীয় নাগরিক পার্টি) গত মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) তিনটি আসনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত ঘোষণা করেছে। এই আসনগুলো তাদের জন্য ফাঁকা ছিল, যেখানে এখন ভোটাররা প্রার্থী পেতে যাচ্ছে। দলটির মিডিয়া সেলের প্রধান মাহবুব আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নেত্রকোনা-২ আসনে ফাহিম পাঠান, মৌলভীবাজার-৪ আসনে প্রীতম দাশ, এবং রাজবাড়ী-২ আসনে জামিল হিজাযী এই তিনটি আসনের জন্য নির্বাচনে লড়বেন।

    এর আগে, রোববার (১৮ জানুয়ারি) এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে ২৭টি আসনের প্রার্থী ও তাদের ছবি সংবলিত পোস্টার প্রকাশিত হয়। যেখানে নির্বাচনী প্রতীকের জন্য দলের প্রতীক ‘শাপলা কলি’ মার্কা ব্যবহৃত হয়।

    শুধু মাত্র তিনটি আসনের প্রার্থীই নয়, এনসিপির প্রার্থীরা মোট ৩০ আসনে প্রতিদ্বন্দিতা করছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ঢাকা, রংপুর, কুমিল্লা, পঞ্চগড়, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, সিরাজগঞ্জ, নরসিংদী, বান্দরবান, চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দিনাজপুর, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, পিরোজপুর ও নাটোরের বিভিন্ন কেন্দ্রে দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, এর আগে ২৫৩টি সংসদীয় আসনে নির্বাচনী সমঝোতা ঘোষণা করে জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ১০ দলের জোট। যদিও ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সদস্যরা এই ঐক্যে যোগ না দিয়ে স্বতন্ত্রভাবে ২৬৮ আসনে নির্বাচন ঘোষণা করেছে, এবং বাকি ৩২ আসনে তারা অন্যদের সমর্থন দেবে।

    এভাবে, এনসিপি মোট ৩০ আসনে নির্বাচন করছে, যেখানে তাঁদের ৪৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ইসলামি আন্দোলনের সদস্যরা এই ঐক্য থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে, এনসিপি জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করে আসন সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা চালিয়েছে।

  • জাতীয় পার্টি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল: ১৯৬ আসনে নির্বাচনী লড়াই হবে

    জাতীয় পার্টি চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল: ১৯৬ আসনে নির্বাচনী লড়াই হবে

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার জন্য জাতীয় পার্টি (জাপা) ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ১৯৬ জন প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে। মঙ্গলবার রাজধানীর গ্র্যান্ড প্যালেস হোটেলের ব্যানকুয়েট হলে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী এই প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করেন। উল্লেখ্য, এখনও দুইজন প্রার্থী পেন্ডিং রয়েছে, ফলে আসন্ন ভোটে দলের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে মোট ১৯৮ আসনে। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের, দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী। জি এম কাদের জানান, দলের এই নির্বাচনের জন্য মোট ১৯৬ জন বৈধ প্রার্থী মনোনীত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ছয়জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। ভবিষ্যতে আরো ২-৩ জনের যোগ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। নির্বাচনী মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলতে দেখা গেছে, তিনি বলেন, বিভিন্নভাবে আমাদের রাজনৈতিক কার্যক্রমকে বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে, বিভিন্ন পন্থায় আমাদের দূরে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত সমর্থন বা সমান সুযোগ নেই। এক গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গে, জি এম কাদের আসন্ন গণভোটে ‘না’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বললেন, এই গণভোট সংবিধান বিরোধী এবং বাস্তবায়িত হলে দেশের অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে, যা দেশের জন্য বিপর্যয় ডেকে আনবে।

  • মামুনুল হকের দল ২৯ আসনে লড়বে, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ

    মামুনুল হকের দল ২৯ আসনে লড়বে, প্রার্থী তালিকা প্রকাশ

    বাংলাদেশের ২৯টি সংসদীয় আসনে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী ঘোষণা করেছে দেশটির অন্যতম রাজনৈতিক দল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস। এই দলটি জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের জোটের একটি গুরুত্বপূর্ণ শরিক। মঙ্গলবার দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ‘দশ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ এর সঙ্গে যৌথভাবে মানে তারা এই নির্বাচনকে পরিচালনা করছে। এর ফলে, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মোট ২৯ জন প্রার্থী এই নির্বাচনে অংশ নেবেন, যার মধ্যে বেশ কয়েকজন এককভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এবং অন্য কিছু আসনে জোটের অন্যান্য দলের প্রার্থী নিয়ে উন্মুক্তভাবে প্রতিযোগিতা হবে।
    প্রার্থীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক (ঢাকা ১৩), মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ (শরীয়তপুর ১), মাওলানা আকরাম আলী (ফরিদপুর ২), মাওলানা আতাউল­াহ আমীন (কিশোরগঞ্জ ৬), মুফতি সাঈদ নূর (মানিকগঞ্জ ৩), এড. শাহিনুর পাশা চৌধুরী (সুনামগঞ্জ ৩), মাওলানা হারুনুর রশিদ ভূঁইয়া (ফেনী ২), মাওলানা হেদায়েতুল­াহ হাদী (কিশোরগঞ্জ ১), মুফতি নূর হুসাইন নূরানী (মুন্সিগঞ্জ ৩), মাওলানা আবদুস সুবহান (মাদারীপুর ২), মাওলানা এহসানুল হক (গাজীপুর ৩), মাওলানা রাকিবুল ইসলাম (নরসিংদী ৩), মুফতি শোয়াইব ইবরাহীম (গোপালগঞ্জ ২), মুফতি মোহাম্মদুল­াহ (ময়মনসিংহ ২), গোলাম রব্বানী (নেত্রকোনা ১), মাওলানা নাসির উদ্দিন মুনির (চট্টগ্রাম ৫), মুফতি আমজাদ হুসাইন আশরাফী (ব্রাহ্মণবাড়িয়া ৫), মাওলানা তাজুল ইসলাম (নরসিংদী ৫), মাওলানা আব্দুর রউফ (সিরাজগঞ্জ ৩), মাওলানা আবু বকর সিদ্দিক (রাঙামাটি ১), মাওলানা তাজুল ইসলাম (ময়মনসিংহ ১), মাওলানা শাহজাহান শিবলী (নারায়ণগঞ্জ ৩), মাওলানা আব্দুল আজিজ মক্কি (গোপালগঞ্জ ৩), মাওলানা সাঈদ উদ্দিন আহমদ হানজালা (মাদারীপুর ১), মাওলানা সিরাজুল ইসলাম মিরপুরী (হবিগঞ্জ ১), মাওলানা মুসলেহ উদ্দিন রাজু (সিলেট ৩), মাওলানা নূরে আলম হামিদী (মৌলভীবাজার ৪), মাওলানা মিজানুর রহমান মৌলা (ফরিদপুর ৪), এবং খন্দকার আনোয়ার (নারায়ণগঞ্জ ৪)।
    আসন ভিত্তিক নির্বাচন ছাড়াও ৬টি আসনে উন্মুক্তভাবে নির্বাচন হবে। সুনামগঞ্জ-৩ ও কিশোরগঞ্জ-১ আসনে লাভের জন্য খেলাফত মজলিসের প্রার্থী থাকলেও মৌলভীবাজার-৪, নারায়ণগঞ্জ-৪, ফেনী-২ এবং ফরিদপুর-৪ আসনে অন্য দলের সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে নির্বাচন হবে। এই অঙ্গীকার অনুসারে, সব আসনে দলের প্রার্থীরা তাদের নির্বাচনী যুদ্ধে অংশ নেবেন।

  • আসিফ মাহমুদ বলছেন, ব্যবসায়ীরা নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবঃ জাতীয় নাগরিক পার্টি

    আসিফ মাহমুদ বলছেন, ব্যবসায়ীরা নয়, জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকবঃ জাতীয় নাগরিক পার্টি

    আজকের দিনেই কেন্দ্রীয়ভাবে ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি। এই সিদ্ধান্তটি দলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ জানিয়েছেন। তিনি তাঁর ভাষণে বলছেন, তারা আর ব্যবসায়ীদের নয়, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

    সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর বাংলামোটরে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আসিফ মাহমুদ বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো নিজের ভোটারদের ছোট ছোট অনুদানের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যয় মেটানো, যাতে নির্বাচনকারীরা শুধুমাত্র জনগণের জন্য দায়বদ্ধ থাকেন। তিনি যোগ করেন, কেন্দ্রীয়ভাবে ক্রাউড ফান্ডিংয়ে জোর দেওয়ার কারণ হলো নির্বাচন খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। দাতারা চাইলে সরাসরি জাতীয় নাগরিক পার্টিকে অনুদান দিতে পারেন বা নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সহায়তা করতে পারবেন। এই অর্থের ব্যবহার, খরচ ও অডিটের ব্যাপারে সবাই পুরোপুরি জানবে—প্রতি বছর আমরা একটি অডিট রিপোর্ট প্রকাশ করব, যা সবাই দেখতে পারবেন।

    আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, যখন তারা অন্য দলগুলোর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন, তখন নিজেদের ক্ষেত্রেও সেই মানদণ্ড পালন করতে হবে। তারা জানান, তাদের প্রার্থীরা অগণিত কোটি টাকার ঋণখেলাপি বা বিদেশি নাগরিকত্বপ্রাপ্ত কেউ নন, বিদেশে বাড়িঘর নেই—এটি তাদের রাজনীতির অন্যতম পার্থক্য।

    বাহ্যিকভাবে রাজনৈতিক অবস্থান সম্পর্কে আলোকপাত করে তিনি বলেন, অধিকাংশ প্রার্থী তরুণ পেশাজীবী, যারা সদ্য চাকরিতে যোগ দিয়েছেন বা পড়াশোনা শেষ করেছেন। প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা যাবে, খুব কম জনই আগে থেকে অর্থবচ্ছল বা কোটি টাকার মালিক। তাই তারা মূলত জনগণের সমর্থনে এগিয়ে চলেছেন।

    আসিফ মাহমুদ বলছেন, যদি কোনো প্রার্থী ব্যবসায়ী বা ঋণখেলাপি অর্থে নির্বাচিত হন, তবে সংসদে গিয়ে সেই অর্থদাতাদের স্বার্থ রক্ষা করে থাকবেন। তিনি এই ধরনের রাজনীতিতে অংশ নিতে চান না।

    জনগণের মতামত ও পরামর্শের মাধ্যমে নীতি নির্ধারণের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে বললেন, ভবিষ্যতে জাতীয় নাগরিক পার্টি জনগণের ধারণা, সহায়তা ও সহযোগিতা নিয়ে দেশের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও রাষ্ট্র পরিচালনার সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, দায়িত্বশীলতা ও জবাবদিহিতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকবে।

    সবশেষে, তিনি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানান, যারা নিজেদের উপযুক্ত মনে করেন, তাঁদের থেকে অনুদান ও সমর্থন কামনা করেন। সহযোগিতার হাত বাড়ালে, নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে জনগণের কণ্ঠস্বর তুলে ধরাটা সহজ হয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করেন।