Category: রাজনীতি

  • কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ঘোষণা করল বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ-মেডিকেলে ২৯টি কমিটি

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল ঘোষণা করল বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ-মেডিকেলে ২৯টি কমিটি

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল একযোগে দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়, বিভিন্ন কলেজ, তিনটি মেডিকেল কলেজ, জেলা ও মহানগরে মিলিয়ে মোট ২৯টি কমিটি ঘোষণা করেছে। কিছু কমিটি নতুনভাবে গঠন করা হয়েছে, আর বাকিগুলোকে পূর্ণাঙ্গ, আংশিক পূর্ণাঙ্গ বা বর্ধিত করা হয়েছে।

    শুক্রবার (২ মে) কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি অনুমোদনের কথা জানানো হয়।

    ৭টি বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি

    বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি, রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি, কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক কমিটি, পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটিতে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি এবং জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    ৯টি মহানগর কমিটি

    ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর পশ্চিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ঢাকা মহানগর পূর্ব—এগুলোতে প্রত্যেকটিতে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা এবং ময়মনসিংহ উত্তর জেলা—এসব স্থানেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি রয়েছে। জামালপুর মহানগরেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে এবং কুমিল্লা মহানগর কমিটি আংশিক পূর্ণাঙ্গভাবে গঠন করা হয়েছে।

    ৫টি জেলা কমিটি

    নেত্রকোনা, নরসিংদী, হবিগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও মানিকগঞ্জ—এসব জেলায় পূর্ণাঙ্গ জেলা ছাত্রদল কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    ৫টি কলেজ কমিটি

    জয়পুরহাট সরকারি কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি, ঢাকা কলেজে বর্ধিত কমিটি, আনন্দমোহন কলেজে পূর্ণাঙ্গ কমিটি, নারায়ণগঞ্জের হাজী মিছির আলী ডিগ্রি কলেজে আংশিক কমিটি এবং নারায়ণগঞ্জ কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে।

    ৩টি মেডিকেল কলেজ

    ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ—এগুলোতেও আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের এই ঘোষণায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটগুলোর স্থানীয় কার্যক্রম ও নেতৃত্ব বণ্টন কিভাবে এগোবে তা এখন পর্যবেক্ষণ করা হবে। আরও বিস্তারিত জানতে বা সদস্য পরিচিতি দেখতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের বিজ্ঞপ্তি ও অফিসিয়াল ঘোষণাপত্র দেখা যেতে পারে।

  • সংস্কারে বিএনপি সরকার প্রতারণার অভিযোগ; জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বাধ্য করা হবে

    সংস্কারে বিএনপি সরকার প্রতারণার অভিযোগ; জুলাই সনদ বাস্তবায়ন বাধ্য করা হবে

    জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা বলছেন, নির্বাচনের আগে করা প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসে বিএনপি সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। তারা আরো জানান, এইভাবে চললে সরকার কর্তৃত্ববাদী হবে—এমনটা রোধ করতে হলে ‘জুলাই সনদ’ কার্যকর করে সরকারকে বাধ্য করতে হবে।

    রোববার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির আয়োজনে ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনে এসব বক্তব্য রাখেন নেতারা। অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী সেশনের সভাপতিত্ব করেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির সহ-প্রধান সারোয়ার তুষার। প্যানেলিস্ট ছিলেন সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসউদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী ও সমাজবিজ্ঞানী মির্জা হাসান। সেশনটির moderation করেন জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।

    হান্নান মাসউদ বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের পর থেকে স্পষ্ট হয়েছে এটি প্রতারণা ও প্রবঞ্চনার সংসদ। সরকার যেসব অধ্যাদেশ করে ক্ষমতা বাড়িয়েছে, সে বিষয়গুলোকে আইন করে নিয়েছে; কিন্তু যেসব আইন সরকারি জবাবদিহি নিশ্চিত করবে, সেগুলো তারা উপেক্ষা করেছে বা বাতিল করেছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আগে একটি অন্তর্বর্তী গঠনের মাধ্যমে স্থানীয় নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণের সুযোগ করে দেওয়া হয়েছিল—এখন সেই বিধান এমনভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে যে ব্যাখ্যা- বিশ্লেষণ ছাড়াই স্থানীয় প্রতিনিধিকে সরিয়ে পছন্দমতো প্রশাসক বসানো যাবে।

    তিনি আরও বলেন, পুলিশের কমিশনসহ কিছু সংস্কার প্রথমে কিছু অংশে এগিয়েছে—কিন্তু সরকারে এসে বিএনপি এই প্রস্তাব থেকে সরে গেছে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় স্থাপনের মতো চাওয়াগুলোও বাতিল করা হয়েছে। এসবকিছুই দলের নির্বাচনি ইশতেহার ও পূর্ব প্রতিশ্রুতির পরিপন্থী দাবি করে হান্নান।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী বলেন, ১৯৯১ সালে রাজনৈতিক দলগুলো একত্রে যে সংস্কার প্রস্তাব করেছিল, বিএনপি ক্ষমতায় এসে সেগুলোর কোনোোটিই বাস্তবায়ন করেনি। ২৪-এর অভ্যুত্থানের পর যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে জনস্বপ্ন ভেঙে গেছে—একটি নির্দিষ্ট এলিট, সিভিল-মিলিটারি-ব্যুরোক্রেসি ক্ষমতা ছাড়তে নারাজ। তিনি প্রশাসনিক উচ্চপদস্থদের কথাবার্তায় দ্বিচারিতা ও মিথ্যার কড়া সমালোচনা করেন এবং বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদে দেওয়া কিছু বক্তব্য যদি কোনো অন্য দেশে হত, সেক্ষেত্রে তৎক্ষণাৎ পদত্যাগের দাবি উঠত।

    সমাজবিজ্ঞানী মির্জা হাসান ‘জুলাই সনদ’-কে দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অনন্য কার্যক্রম হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, এর মূল লক্ষ্য ছিল বিচার, শাসন ও নির্বাহী—এই তিন শাখার মধ্যে ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা। তিনি বলেন, শুরুর দিকে সংবিধান সংস্কারের কিছু প্রস্তাব ছিল অনেকটাই রেডিক্যাল—যেমন একই ব্যক্তি সরকারপ্রধান ও দলের প্রধান সম্পাদন করতে পারবে না—কিন্তু বিএনপির চাপেই কিছু জায়গায় সমঝোতা করতে হয়েছে। তবুও যেগুলো রক্ষা করা গেছে, সেগুলো বড় অর্জন ছিল এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে দেশ বরফল লাভ করতো।

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, বিএনপি সরকার সংস্কার বাস্তবায়নে আগ্রহী নয়; কিছু লোক দীর্ঘদিন তাদের ‘বেনিফিট অব ডাউট’ দিতে চেয়েছিল, কিন্তু সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর এই সন্দেহও ওঠে গেছে। তিনি দাবি করেন, দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ক্ষমতা একচেটিয়াভাবে উপভোগ করতে চায় এবং তারা সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণ করে নিজের প্রার্থীদের সুবিধা করে নিচ্ছে। সারোয়ার তুষার আরও বলেন, সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয় লোক বসানো যায় না—এ ধরনের পদক্ষেপ রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। তিনি প্রশ্ন তুলেন, যদি সবাই নিজ দল থেকে লোক বসায়, তবু রাষ্ট্রপতি-সদৃশ নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য কেউ তারা খুঁজে পাচ্ছে না কি?

    সেশন সভাপত আখতার হোসেন বলেন, বিএনপি যদি সত্যিই সংস্কার চায় না, তাহলে তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে ক্ষমতার অনির্দিষ্ট উপভোগ। তিনি উল্লেখ করেন, ‘নোট অব ডিসেন্ট’ নিয়ে বিএনপি যে জোরালো দাবি করছে, বাস্তবে সংবিধান সংস্কার কমিশনে অনেক গুরুত্বপূর্ন বিষয়ে যেটায় সকলের একমত ছিল, নোট অব ডিসেন্টের কোনো গুরুত্ব হয়নি। আরও বলেন, গণভোটে থাকা চার প্রশ্নের কোনটায় বিএনপির আপত্তি তা স্পষ্ট করা দরকার—কারণ গণভোটের প্রশ্নগুলোর মধ্যে ছিল উচ্চকক্ষের প্রতিনিধিত্ব, পিআর অনুযায়ী আসন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নতুন ফর্মুলা ও সাংবিধানিক নিয়োগের জন্য নিরপেক্ষ বোর্ড গঠন ইত্যাদি বিষয়। তিনি শেষ করেন, সংবিধান পরিবর্তন বনাম নতুন সংবিধান রেখার মধ্যবর্তী সমাধান হিসেবে যা প্রস্তাব করেছিলাম—সংবিধান সংস্কার পরিষদ—বিএনপি এখন সেখান থেকেও সরে এসেছে।

    কনভেনশনটি নাগরিক-হিতৈষী আলোচনায় সংগঠিত হলেও বক্তারা জাতীয় সংস্কার, জবাবদিহি এবং জনগণের সঙ্গে রাজনৈতিক চুক্তি রক্ষার উপর জোর দেন।

  • সংস্কার নিয়ে বিএনপি সরকার প্রতারণা করছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে: এনসিপি

    সংস্কার নিয়ে বিএনপি সরকার প্রতারণা করছে, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে: এনসিপি

    জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অভিযোগ করেছে, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে যারা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো, সরকার তা পরিত্যাগ করে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে। যদি এভাবে চলতে দেয়া হয়, তখন সরকার কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠবে—এজন্য সরকারকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে বলে বক্তারা মত দিয়েছেন।

    রোববার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে এনসিপির সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনে এসব কথা বলা হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য দেন এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটির সহ-প্রধান সারোয়ার তুষার।

    প্যানেল আলোচনায় অংশ নেন এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসউদ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী এবং সমাজবিজ্ঞানী মির্জা হাসান। তারা ধরাশায়ী প্রতিশ্রুতি, সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পছন্দমত বদল এবং বিভিন্ন অধ্যাদেশ আইন করার ক্ষেত্রে সরকারের একতরফা সিদ্ধান্তকে কঠোর ভাষায় সমালোচনা করেন।

    হান্নান মাসউদ বলেন, সংসদের প্রথম অধিবেশনের পরই স্পষ্ট হয়ে গেছে—অনেক প্রতিশ্রুতি কেবল ছদ্মবেশ। এমন আইন ও অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে যেগুলো সরকারের ক্ষমতা বাড়ালেও জবাবদিহি কমিয়ে দেয়। কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই স্থানীয় সরকারের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের অপসারণের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে, যা বিরোধী দলের কাউকে অপছন্দ হলে সরিয়ে দিয়ে প্রশাসক বসানোর সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে।

    তিনি আরও বলেন, পুলিশের কমিশন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় সংক্রান্ত উদ্যোগ ও সংবিধান সংশোধনের মতো বিভিন্ন প্রস্তাবকে বাতিল বা পিছিয়ে দিয়ে সরকার দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছে। এনসিপি কিছু বিষয়ে দ্বিমত থাকলেও বিএনপির প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন নিয়ে সরকারের আচরণ উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেন তিনি।

    রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিলারা চৌধুরী বলেন, ১৯৯১ সালের পরে যে সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দেখা গেলো, তা বাস্তবে রূপায়িত হয়নি। ২৪-এর অভ্যুত্থানের পর যে লক্ষ্যগুলো ছিল, সেগুলো ভেস্তে দিয়েছে একেকটি এলিট—সিভিল, মিলিটারি ও বুরোক্রেসি—যারা ক্ষমতা ছাড়তে চায় না। তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সংসদীয় বক্তব্য যদি কানাডার মতো গণতান্ত্রিক দেশে দেওয়া হতো, তাহলে সেই মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হত।

    সমাজবিজ্ঞানী মির্জা হাসান জুলাই সনদকে বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি অনন্য ডকুমেন্ট হিসেবে বর্ণনা করেন। তার কথায়, জুলাই সনদের মূল বক্তব্য ছিল বিচার, আইন ও নির্বাহী বিভাগের মধ্যে ক্ষমতার ভারসাম্য প্রতিষ্ঠা করা। যদিও প্রথম দিকের কিছু প্রস্তাব র্যাডিকাল ছিল—যাতে একই ব্যক্তির দলীয় ও সরকার প্রধান হওয়ার বিরোধিতা ছিল—তবুও যা রক্ষা করা সম্ভব হয়েছিল, তা বড় অর্জন ছিল এবং তা বাস্তবায়নই চাই।

    এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার বলেন, অনেকেই বিএনপিকে সুবিধা দিতেই ‘বেনিফিট অব ডাউট’ দিয়েছেন, কিন্তু সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য এ ধারা শেষ করে দিয়েছে—বিএনপি সরকার আর সংস্কার করতে চায় না। তিনি অভিযোগ করেন, দলীয়করণ করে সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নিজেদের লোক বসিয়ে সরকার তাদের ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘন করছে।

    সেশন সভাপত আখতার হোসেন বলেন, বিএনপি সরকারের প্রকৃত লক্ষ্য হল ক্ষমতা নিরঙ্কুশভাবে উপভোগ করা। তিনি নোট অব ডিসেন্ট সংক্রান্ত বিতর্কের প্রসঙ্গে বলেন, ঐকমত্য কমিশনের রিপোর্টে যেসব মূল বিষয়ে সবাই একমত ছিল, সেসবই প্রকৃত মূল ইস্যু—ব্যাঙ্গনগত নোট অব ডিসেন্ট নয়। তিনি বিএনপিকে প্রশ্ন করেন, কোন দিকগুলোতে তারা গণভোট বা সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবে আপত্তি করছে এবং কেন তা দেশের স্বার্থে নেতিবাচক মনে করে।

    সেশনটি মডারেট করেন জাতীয় নারীশক্তির আহ্বায়ক মনিরা শারমিন। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা সরকারের প্রতি দাবি জানান—প্রতিশ্রুত সংস্কার বাস্তবায়ন ও বিচার, শাসন ও নির্বাহী শক্তির মধ্যে ভারসাম্য নিশ্চিত করতে হবে, নতুবা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার স্বার্থ ক্ষুণ্ণ হবে।

  • বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মেডিকেলে ছাত্রদলের ২৯টি কমিটি ঘোষণা

    বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও মেডিকেলে ছাত্রদলের ২৯টি কমিটি ঘোষণা

    দেশের সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়সহ কলেজ, মেডিকেল কলেজ, জেলা ও মহানগরে মিলিয়ে ছাত্রদল একযোগে ২৯টি কমিটি ঘোষণা করেছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এর মধ্যে কোনো কমিটি নতুন গঠন এবং বাকি কমিটিগুলোকে পূর্ণাঙ্গ, আংশিক পূর্ণাঙ্গ কিংবা বর্ধিত করা হয়েছে।

    শনিবার (২ মে) কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি অনুমোদন করা হয়।

    সাতটি বিশ্ববিদ্যালয় কমিটি: বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং রাবি(রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে) আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। রাঙামাটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক কমিটি রাখা হয়েছে। পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটিতে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে এবং জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত কমিটি করা হয়েছে।

    নয়টি মহানগর/মহানগরীয় কমিটি: ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর পশ্চিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ও ঢাকা মহানগর পূর্ব—এই চার জেলার ছাত্রদলেরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ও ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলেরও পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া জামালপুর মহানগরকে পূর্ণাঙ্গ কমিটি এবং কুমিল্লা মহানগরকে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে।

    পাঁচটি জেলা কমিটি: নেত্রকোনা, নরসিংদী, হবিগঞ্জ, খাগড়াছড়ি ও মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের প্রত্যেকেরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

    পাঁচটি কলেজ কমিটি: জয়পুরহাট সরকারি কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি, ঢাকা কলেজে বর্ধিত কমিটি, আনন্দমোহন কলেজে পূর্ণাঙ্গ কমিটি, নারায়ণগঞ্জ হাজী মিছির আলী ডিগ্রি কলেজে আংশিক কমিটি এবং নারায়ণগঞ্জ কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

    তিনটি মেডিকেল কলেজ: ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও জামালপুর মেডিক্যাল কলেজে আংশিক কমিটি দেওয়া হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে প্রত্যেক কমিটি অনুমোদনের তথ্য নিশ্চিত করা হলেও, সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলোকে কাজে নামাতে এবং দায়িত্বভার গ্রহণ করতে পরবর্তী সময়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা কর্মপরিকল্পনা জানানো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

  • ছাত্রদল ঘোষণা করেছে ২৯টি কমিটি

    ছাত্রদল ঘোষণা করেছে ২৯টি কমিটি

    কেন্দ্রীয় ছাত্রদল একযোগে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মেডিকেল কলেজ, জেলা ও মহানগর মিলিয়ে মোট ২৯টি কমিটি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে কিছু কমিটি নতুন গঠন করা হয়েছে, আর বাকিগুলো পূর্ণাঙ্গ, আংশিক পূর্ণাঙ্গ বা বর্ধিত আকারে অনুমোদিত হয়েছে।

    শনিবার (২ মে) কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় (৭টি): বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি; বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি; রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণাঙ্গ কমিটি; রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি; কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে আংশিক কমিটি; পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটিতে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি; এবং জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্ধিত কমিটি দেওয়া হয়েছে।

    মহানগর (৯টি): ঢাকা মহানগর উত্তর, ঢাকা মহানগর পশ্চিম, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এবং ঢাকা মহানগর পূর্ব—চলতি চারটি মহানগর ছাত্রদলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়া ময়মনসিংহ মহানগর, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ও ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি; জামালপুর মহানগর ছাত্রদলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি; এবং কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি হচ্ছে।

    জেলা (৫টি): নেত্রকোনা জেলা, নরসিংদী জেলা, হবিগঞ্জ জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা এবং মানিকগঞ্জ জেলা—এসব জেলার ছাত্রদলে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়া হয়েছে।

    কলেজ (৫টি): জয়পুরহাট সরকারি কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি; ঢাকা কলেজে বর্ধিত কমিটি; আনন্দমোহন কলেজে পূর্ণাঙ্গ কমিটি; নারায়ণগঞ্জ হাজী মিছির আলী ডিগ্রি কলেজে আংশিক কমিটি; এবং নারায়ণগঞ্জ কলেজে আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

    মেডিকেল কলেজ (৩টি): ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ, সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ এবং জামালপুর মেডিক্যাল কলেজে আংশিক কমিটি করা হয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এসব কমিটি কেন্দ্রীয় অনুমোদনপূর্বক গঠিত। দলের স্থানীয় স্তরে সংগঠন শক্তিশালী করা ও কার্যক্রম গতিশীল করতে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।

  • তেলপাম্পে লম্বা সারি কেন উধাও হলো: প্রশ্ন তুলেছেন আখতার হোসেন

    তেলপাম্পে লম্বা সারি কেন উধাও হলো: প্রশ্ন তুলেছেন আখতার হোসেন

    জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর পর তেলপাম্পে দীর্ঘ যানবাহনের সারি হঠাৎ করেই বন্ধ হয়ে যাওয়াকে অনুধাবনযোগ্য না বলে প্রশ্ন তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সদস্য সচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।

    শনিবার ঢাকার বাংলামোটরে রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। আখতার বলেন, দেশে দাম বাড়ার আগে তেল পাম্পে দীর্ঘ সারি দেখা যেত, কিন্তু দাম বাড়ানোর পর সেই সারি উধাও হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন উত্থাপন করে।

    সংবাদ সম্মেলনে আখতার হোসেন গভীর রাজনৈতিক দিকগুলোতেও গুরুত্ব আরোপ করেন। তিনি অভিযোগ করেন, গণভোটে জনগণের স্পষ্ট মতামত থাকা সত্ত্বেও সরকার সেই রায় অস্বীকার করেছে এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করার দায়িত্ব পালন করেনি। তিনি বলেন, ‘‘দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ গণভোটের পক্ষে মত দিয়েছে; তখন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এক ধরনের ঐকমত্য তৈরি হয়েছিল এবং দ্রুত সংস্কার আশা করা হয়েছিল। কিন্তু সরকার গঠন হওয়ার পর সেই প্রতিশ্রুতি থেকে সরে এসেছে। গণভোটের রায়কে কখনো ‘প্রতারণার দলিল’, কখনো ‘অসাংবিধানিক’ আখ্যা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছে।’’

    আখতার আরও বলেন, সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তনের জন্য একটি উচ্চতর ও সমন্বিত কাঠামোর প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন, সেই চেতনা থেকেই সংবিধান সংস্কার পরিষদের ধারণা এসেছে এবং এটি আগে কোনো কোনো পক্ষই প্রত্যাখ্যান করেনি।

    ব্যাংক খাত নিয়েও উদ্বেগ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘‘যারা হাজার হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছে, তাদের জন্য সামান্য অর্থ ফেরত দিলেই মালিকানা ফিরে পাওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেয়া হচ্ছে। এতে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের লুটপাটের পথ প্রশস্ত হবে।’’

    সংবাদ সম্মেলনে এনসিপি নেতা সারোয়ার তুষার জানান, রোববার সারাদিনব্যাপী এই বিষয়ক জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। কনভেনশনে বিভিন্ন সেশনে এনসিপি নেতারা ছাড়াও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, সমাজবিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, আইনজীবী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন।

    সম্মেলনে দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনসহ অন্যান্য নেতা এবং কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

  • রাকিবুল-নাছির স্বাক্ষরেই ছাত্রদলের ২৯টি কমিটি ঘোষণা

    রাকিবুল-নাছির স্বাক্ষরেই ছাত্রদলের ২৯টি কমিটি ঘোষণা

    ছাত্রদল একযোগে ২৯টি কমিটি ঘোষণা করেছে। এসব কমিটি দেশের সাতটি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, মেডিকেল কলেজ, জেলা ও মহানগর স্তরে গঠন করা হয়েছে। কিছু কমিটি নতুন, আর বাকিগুলো পূর্ণাঙ্গ, আংশিক পূর্ণাঙ্গ বা বর্ধিত করা হয়েছে।

    শনিবার (২ মে) কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি অনুমোদন করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিটি কমিটির সার্বিক কাঠামো ও কার্যনির্বাহী পর্যায়ের বিষয়ে তথ্য দেওয়া হয়েছে।

    বিশ্ববিদ্যালয় (সাতটি)

    – বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়: আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়: আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – কিশোরগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়: আংশিক কমিটি

    – পুণ্ড্র ইউনিভার্সিটি: আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়: বর্ধিত কমিটি

    মহানগর (নয়টি)

    – ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – ময়মনসিংহ মহানগর ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – ময়মনসিংহ উত্তর জেলা ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – জামালপুর মহানগর ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদল: আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    জেলা (পাঁচটি)

    – নেত্রকোনা জেলা ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – নরসিংদী জেলা ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – হবিগঞ্জ জেলা ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – খাগড়াছড়ি জেলা ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – মানিকগঞ্জ জেলা ছাত্রদল: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    কলেজ (পাঁচটি)

    – জয়পুরহাট সরকারি কলেজ: আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – ঢাকা কলেজ: বর্ধিত কমিটি

    – আনন্দমোহন কলেজ: পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    – নারায়ণগঞ্জ হাজী মিছির আলী ডিগ্রি কলেজ: আংশিক কমিটি

    – নারায়ণগঞ্জ কলেজ: আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি

    মেডিকেল কলেজ (তিনটি)

    – ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ: আংশিক কমিটি

    – সিরাজগঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ: আংশিক কমিটি

    – জামালপুর মেডিক্যাল কলেজ: আংশিক কমিটি

    কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব জানিয়েছে, এসব কমিটি স্থানীয় সংগঠন শক্তিশালী করতে, ছাত্রদলের কার্যক্রম সম্প্রসারণে এবং আগামী কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কমিটি গঠনের মাধ্যমে ছাত্রদের সংগঠিত করা ও সংগঠনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে।

  • ডিএসসিতে লড়াইয়ের ইঙ্গিতে আসিফ মাহমুদ, দিলেন দুই প্রতিশ্রুতি

    ডিএসসিতে লড়াইয়ের ইঙ্গিতে আসিফ মাহমুদ, দিলেন দুই প্রতিশ্রুতি

    ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র পদে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বিতার আলোচনা তীব্র হয়ে উঠেছে। শনিবার (২ মে) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে পোস্ট করে সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া ইঙ্গিত দিয়ে সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক মহলে সকলকে ভাবাতে বাধ্য করেছেন যে তিনি ওই সিটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন।

    সংবাদে আগে থেকেই নাম উঠে আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমের স্থানীয়ভাবে মেয়র প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে আছে। একই পরিস্থিতিতে আসিফ মাহমুদের এই ঘোষণা রাজনৈতিক বিতর্ক ও আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।

    পোস্টে আসিফ মাহমুদ দুটি প্রধান প্রতিশ্রুতি জানিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচিত হলে ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দাদের আর ময়লার জন্য আলাদা কোনো বিল দিতে হবে না। একই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এমনভাবে চলবে যে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা কোনো আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন না। অর্থাৎ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খরচ নাগরিকদের ওপর চাপানো থেকে বিরত রেখে কর্মীদের অধিকার ও আয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে—এমন প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

    আসিফ মাহমুদ অতীতবর্হিভাবে যুক্ত ছিলেন জাতীয় সংসদ বা সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে। তার বিরুদ্ধে এবং তার ব্যক্তিগত সহকারীর বিরুদ্ধে আগেও নানা অভিযোগ উঠেছিল, যা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন।

    এখনও তিনি সরাসরি দলীয় মনোনয়ন কিংবা উৎসাহী প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেননি; তবু দিলা ইঙ্গিত ও বক্তব্য থেকেই রাজনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে যে তিনি এনসিপি থেকে কিংবা অন্যভাবে ঢাকা দক্ষিণের মেয়রপ্রার্থী হতে পারেন। স্থানীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভোটপ্রক্রিয়া কীভাবে রূপ নেবে, সেটাই এখন দেখার।

  • দুর্নীতি-অনিয়ম আর স্বজনপ্রীতিই চোখে পড়ে: মির্জা ফখরুল

    দুর্নীতি-অনিয়ম আর স্বজনপ্রীতিই চোখে পড়ে: মির্জা ফখরুল

    স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছেন, সরকারে ঢুকার পর থেকেই তিনি যেখানে যান সেখানে দুর্নীতি, অনিয়ম এবং স্বজনপ্রীতি দেখতে পান। এসব বিষয় আগামী পথচলায় বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেছেন।

    শনিবার (২ মে) দুপুরে রাজধানীর শের-ই বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় মির্জা ফখরুল এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘‘সরকারের ভেতরে যতই ঢুকছি, ততই আতঙ্কিত হচ্ছি। তদবির ছাড়া কাজ হয় না—গত ১৫ বছরে এটা যেন নিয়ম হয়ে উঠেছে। বহু মানুষ ভাইস চ্যান্সেলর হতে তদবির করেছেন। এটি সিস্টেমের ব্যর্থতা; মেধা ও বুদ্ধিমত্তার জায়গা অনেকটাই হারিয়ে গেছে।’’

    তিনি আরও বলেন, বর্তমানে জুলাই সনদ ও সংবিধান নিয়ে যে আলোচনা-বহস চলছে, তা ভালো; তবে রাজনৈতিক স্বার্থে এসবকে ব্যবহার করা ঠিক হবে না। ‘‘জুলাই সনদের প্রতিটি ধাপে আমরা ছিলাম, কিছু জায়গায় নোট অব ডিসেন্ট দিয়েছি,’’ জানান তিনি।

    বিএনপির একজন নেতা হিসেবে মির্জা ফখরুল বলেন, উচ্চকক্ষের পিআর বিষয়ে তারা একমত হয়নি এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদেও তাদের সমর্থন ছিল না। তিনি বলেন, ‘‘এখন অনায়াসে বলা হচ্ছে সবকিছুই করতে হবে—এতে আমরা একমত নই।’’

    সামাজিক মাধ্যমে প্রচলিত অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অনেকেই বলছেন বিএনপি সংস্কারের পক্ষে নেই; অথচ বিএনপিই সংস্কারের জনক। কেউ ভুল ধারণা ছড়াচ্ছে। তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতও এই বিষয়ে আন্দোলন করছে যার উদ্দেশ্য দেশে আবার অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা।

    এ সময় মির্জা ফখরুল বলেন, দেশের অর্থনীতিকে ঠিক করাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত এবং এর জন্য জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘‘ফ্যাসিস্ট আমলে ৮০ লাখ কোটি টাকা ঋণ রেখে গেছে; তাদের অর্থনৈতিক কাঠামো ভেঙে পুনর্গঠনই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত।’’

    মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপির ইতিমধ্যেই অনেক অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন রয়েছে; আরেকটি সহযোগী সংগঠনের প্রয়োজন নয়। তিনি বলেন, ‘‘জিয়া পরিষদের নামে দোকান খোলা হোক—এটি আমরা চাই না। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।’’

  • ডিএসসিতে ইঙ্গিত দিলেন আসিফ মাহমুদ, দিলেন দুই প্রতিশ্রুতি

    ডিএসসিতে ইঙ্গিত দিলেন আসিফ মাহমুদ, দিলেন দুই প্রতিশ্রুতি

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েমকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র প্রার্থী হিসেবে নিয়েছেন নিয়ে আলোচনা তুঙ্গে থাকা অবস্থায় একই আসনে প্রার্থী হতে ইঙ্গিত দিলেন সাবেক উপদেষ্টা ও এনসিপি মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া।

    শনিবার (২ মে) বিকেলে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে তিনি এ ব্যাপারে সরাসরি বক্তব্য দেননি, তবে দুইটি বড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পোস্টে তিনি লিখেছেন— নির্বাচিত হলে ঢাকা দক্ষিণের বাসিন্দাদের আর ময়লার বিল দিতে হবে না। পাশাপাশি এমনভাবে বাস্তবায়ন করা হবে যে পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও কোনো আর্থিক ক্ষতির মুখোমুখি হবেন না।

    আসিফ মাহমুদ ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। সেই সময় তার এবং তার ব্যক্তিগত সহকারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠার তথ্য ছিল, যা তিনি ইতোমধ্যেই অস্বীকার করেছেন।

    রাজনৈতিক মহলে আগে থেকেই আলোচনা চলে আসছিল যে তিনি এনসিপি থেকে সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে লড়তে পারেন।今回は তিনি সরাসরি প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা না দিলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা নির্বাচনী জলবায়ু আরও উত্তপ্ত করতে পারে।